ব্যক্তিত্বের উৎকর্ষতার জন্যে ১০ নির্দেশনা
প্রথমে নিজেকে জানার চেষ্টা করুন। পছন্দ-অপছন্দের বিষয় স¤পর্কে ¯পষ্ট হোন। জীবনের প্রতি আপনার দৃষ্টিকোণ কেমন এবং একে কিভাবে দেখেন, তা চিন্তা করুন। কোন বিষয় আপনাকে নাড়া দেয় তা জানুন। বিভিন্ন ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে ব্যক্তিত্বের প্রতিফলনে এসব বিষয় ¯পষ্ট হয়ে উঠবে।
দারুণ ব্যক্তিত্বের মানুষের সঙ্গে বন্ধুত্ব গড়ে তুলুন। এখানে মানুষের ভেতরের সৌন্দর্যের কথা বলা হচ্ছে। দয়াশীলতা, সহানুভূতি, সাহস ইত্যাদি সুন্দর গুণাবলী মানুষের আসল পরিচয়। এদের সঙ্গে সময় কাটানো এবং নানা অভিজ্ঞতা আপনার ভেতরটা আরো বেশি সুন্দর করে তুলবে।
বাজে সঙ্গ ত্যাগ করুন। এখানে সেই সব মানুষদের কথা বলা হচ্ছে যারা আপনাকে ক্রমশ নিচের দিকে নিয়ে যাবে। এ ধরনের মানুষ আপনার ছোটবেলার সঙ্গী থেকে শুরু করে পরিবারের কেউ হতে পারে।
প্রতিদিন যে কোনো তিনটি নতুন এবং ইতিবাচক গুণের চর্চা করুন। যেমন- কারো সাথে সুন্দরভাবে কথা বলা, কাউকে দেখলে মিষ্টি হাসিতে অভ্যার্থনা জানানো ইত্যাদি।
সোশাল মিডিয়ায় যা দেখছেন তার সঙ্গে নিজের তুলনা করবেন না। অন্যের ভালো কিছু দেখে যা অনুসরণ করা উত্তম। নিজের মধ্যে নানা কাজের ফিল্টার বসাতে পারেন। কিন্তু সোশাল মিডিয়ায় সাধারণত মানুষ নিজের সবচেয়ে ভালোটাই তুলে ধরতে চায়। আর সোশাল মিডিয়ায় মানুষের নিজের খারাপটার সঙ্গে অন্যের ভালোটার তুলনা করার প্রবণতা থাকে। এতে নিজের প্রতি বাজে ধারণার সৃষ্টি হয়।
ব্লগ বা জার্নাল বা অন্য যে কোনো স্থানে নিয়মিত লেখালেখির চেষ্টা করুন। এ কাজ আপনার মননশীলতার বিকাশ ঘটাবে।নতুন নতুন মানুষের সঙ্গে পরিচয় হওয়াটা বেশ ভালো বিষয়। এতে নতুন সুযোগ, নতুন সংস্কৃতি, নতুন অভিজ্ঞতা লাভের সুযোগ থাকে। এটি ক্রমেই আপনার অভিজ্ঞতা বৃদ্ধি করবে।
খুঁটিনাটি অনেক কিছুর প্রতি আকৃষ্ট আমরা। বিভিন্ন জিনিস আজীবন রেখে দেই নিজের কাছে। যে সব বিষয় নিজের মাঝে ধারণ করবেন তা বেঁছে নিন। প্রতিটি জিনিসকে অর্থবহ করে তুলুন। ভবিষ্যতের জন্যেও এ ধরনের জিনিসের তালিকা ঠিক করে রাখুন।
আবেগ নানাভাবে নাড়া দেয় আপনাকে। একটি সিনেমার করুণ কাহিনী দেখে আপনি কাঁদেন। এগুলো মিথ্যা এবং বানানো কাহিনী বোঝার পরও আবেগ সামাল দিতে পারেন না। কিন্তু নাটকীয় রিয়েলিটি শো আপনাকে কি দেয়? একটি ভবন বা কক্ষের সব মানুষ ঝগড়া করছে, প্রেম করছে বা নানা কাজ করে বেড়াচ্ছে। এটি আপনাকে কি ধরনের অনুভূতি দিতে পারে? মূলত বানানো একটি অনুষ্ঠানকে সত্যিকার বিষয় বলে চালানো এবং তাতে আবেগ জড়িয়ে যাওয়া জীবনের প্লেগ বলে বিবেচিত হয়।
প্রকৃতির সঙ্গে সময় কাটানোর চেষ্টা করুন। প্রকৃতি আপনার মনে বিশালতা দেবে। এর মাধ্যমে জীবনের নানা কানাগলি থেকে মুক্তি পাবেন। প্রকৃতি থেকে সবকিছু শেখার চেষ্টা করুন। একটি শখের বিষয় থাকা প্রয়োজন। এর মাধ্যমে নতুন নতুন দক্ষতা অর্জন সম্ভব। এ বিষয়টি আপনাকে জীবনের লক্ষ্য অর্জনে সহায়তা করবেন। পছন্দের কোনো বিষয় স¤পর্কে জানতে এবং এ নিয়ে আলোচনায় দক্ষ করে তুলবে আপনাকে। কাজের প্রতি ভালোবাসা জন্মে যদি একটি শখ মনের মধ্যে ধারণ করেন।
নিয়মিত পড়ুন। বহু বছর ধরে মানুষ পড়ার মাধ্যমে তার মেধা ও মননশীলতার বিকাশ ঘটিয়েছে। যেকোনো বিষয়ে পড়াশোনা করুন। এ ছাড়া পছন্দের বিষয় নিয়েও জ্ঞানার্জন করতে পারেন। সেন্স অব হিউমার জীবনের অতি প্রয়োজনীয় অংশ। বড় হলেও কিছু শিশুসুলভ রসবোধ গড়ে তুলুন। রসবোধ আপনার মুহূর্তের সময়কে সুন্দর ও উপভোগ্য করে দিতে পারে। প্রিয় মানুষের একটি দিন সুন্দর করে দিন। এর জন্যে বড় আয়োজনের দরকার নেই। একটি সুন্দর কথা বা মনের মতো একটি উপহারই যথেষ্ট। এর মাধ্যমে স¤পর্ককে জোরদার করা প্রয়াসের সঙ্গে দানশীলতার চর্চাও ঘটবে। দেখবেন, এতে মনের মাঝে কি দীর্ঘমেয়াদি তৃপ্তি কাজ করে।
কিভাবে ব্যক্তিত্বের বিকাশ ঘটাবেন?
টিপস-১ :
একজন মানুষের ব্যক্তিত্ব যতোটা আকর্ষণীয় হতে পারে একটি সুন্দর চেহারা ততোটা হতে পারে না। আপনি অপরূপ সুন্দর, কিন্তু আপনার ব্যক্তিত্ব এমন যে সহজে মন কাড়ে না, তাহলে আপনি যতোই সুন্দর হন না কেন যেদিন এই সৌন্দর্য ফিকে হয়ে আসবে সেদিন আপনার পাশে কাউকে পাবেন না। যদি আপনার ব্যক্তিত্ব অসাধারণ হয়ে থাকে তবেই আপনি সকলকে ধরে রাখতে পারবেন। তাই নিজের ব্যক্তিত্বকে উপস্থাপন করুন নিজের বাহ্যিক সৌন্দর্য নয়।
টিপস-২ :
সফলতার পেছনে ছুটতে যাবেন না, নিজেকে উপযুক্ত করুন। মানুষ সব সময় যে ভুলটি করেন তা হলো নিজেকে পরিপূর্ণভাবে উপযুক্ত না করেই সফলতার পেছনে ছুটতে থাকেন। কথাটি এমন যে অনেকেই কষ্ট না করেই সফলতা পেতে চান। এতে করে অনেকে অনেক সময় ভুল পথ অবলম্বন করে থাকেন। কিন্তু ভুল পথে সফল হলে সেই সফলতা বেশিদিন টেকে না। তাই সফলতার পেছনে না ছুটে নিজেকে এমনভাবে উপযুক্ত এবং সমর্থ করে তুলুন যেন সফলতা আপনার পেছনে ছোটে। তখনই আপনি সকলের কাছে হয়ে উঠবেন নিরমন সৌন্দর্যের মানুষ।
টিপস-৩ :
নিজের ভুল স্বীকার করার ক্ষমতা রাখুন। যারা ব্যক্তিত্বস¤পন্ন মানুষ তাদের কাছে ছোট বড় কোনো প্রকারভেদ নয়। তারা সকলের সাথে সমান ব্যবহার করতে পারেন। সকলের কাছে অকপটে নিজের ভুল স্বীকার করে নিতে পারেন। যৌবনে শক্তি থাকে পেশিতে, বৃদ্ধ কালে শক্তি থাকে মগজে। আর এই শক্তির কেন্দ্রবিন্দু হচ্ছে জ্ঞান।
নিজেকে স্মার্ট করতে ৫টি কৌশল
আপনি দেখতে-শুনতে যথেষ্ট ভালো, পোশাক-আশাকও হালফ্যাশনের পরেন, তবুও কি আপনাকে সবাই আনস্মার্ট বলে? আপনার সামনে কেউ কিছু না বললেও আপনার আড়ালে কি আপনাকে নিয়ে সবাই হাসাহাসি করে? অথবা খ্যাত বলে ডাকে? সবকটি প্রশ্নের জবাব যদি হ্যাঁ হয়, তাহলে বুঝতে হবে, আপনার নিজেকে উপস্থাপনে কমতি রয়েছে। স্মার্টনেস মানেই দেখতে ভালো লাগা বা ট্রেন্ডি পোশাক পরা নয়। আপনি যা, নিজেকে ঠিক সেভাবেই উপস্থাপন করা হলো স্মার্টনেস। ঠিক কীভাবে নিজেকে সবার কাছে উপস্থাপন করবেন তা যদি বুঝে উঠতে না পারেন, তাহলে নিজের মধ্যে কিছু ছোট ছোট পরিবর্তন নিয়ে আসুন।
১. কথা বলুন বুঝেশুনে :
আপনার কি অনেক কথা বলার অভ্যাস? তাহলে বাড়তি কথা বলা একটু কমিয়ে দিন। যতটুকু প্রয়োজন কথা ঠিক ততটুকু বলার অভ্যাস করুন। কখন, কোথায়, কী বলতে হবে তা বোঝার চেষ্টা করুন। কথা বলুন বুঝেশুনে এবং গুছিয়ে। আপনি কী বলতে চাইছেন তা যেন আপনার বক্তব্যে পরিষ্কার বোঝা যায়।
২. খাবার খান নিঃশব্দে :
যাঁরা শব্দ করে খাবার খান তাঁদের কেউ পছন্দ করে না। সকলেই তাঁদের দিকে বিরক্তির চোখে তাকায়। নিঃশব্দে খাবার অভ্যাস করুন। খাবার ধীরে ধীরে চিবিয়ে খান, এতে শব্দ কম হবে। খাবার সময় যতটা সম্ভব কম কথা বলুন। খাবার খাওয়ারও কিছু নিয়ম-কানুন আছে সেগুলো শিখে নিন। যেমন চামচ, কাঁটা চামচ, ছুরি ব্যবহারের নিয়ম, ন্যাপকিন ব্যবহারের নিয়ম, কোনটার পরে কী খেতে হয় ইত্যাদি। আপনার খাবার ধরণ আপনার স্মার্টনেস বাড়িয়ে তুলবে বহু গুণ।
৩. পোশাক পরুন রুচিশীল :
হালফ্যাশনের বা ট্রেন্ডি পোশাক পরা মানেই স্মার্ট হওয়া নয়। আপনাকে পোশাকটা আদতে মানাচ্ছে কি না, সেটাই হলো আসল কথা। পোশাক যদি ঠিকমতো নির্বাচন না করতে পারেন তাহলে আপনার স্মার্টনেস অনেকাংশেই মার খেয়ে যাবে। তাই পোশাক পরুন নিজের ব্যক্তিত্ব অনুযায়ী। হালফ্যাশনের পোশাক নিয়ে দ্বিধা-দ্বন্দ্ব থাকলে বেছে নিন র্ট্যাডিশনাল বা সব সময়েই যেসব পোশাকের চল থাকে, সেই পোশাকগুলো। যেমন শাড়ি, সাধারণ ছাঁটের সালোয়ার-কামিজ, স্কার্ট, ফর্মাল শার্ট, প্যান্ট, স্ট্রেইট কাটের জিন্স, পোলো টিশার্ট ইত্যাদি। কী রঙের পোশাক বেঁছে নেবেন তা বুঝতে না পারলে পরুন হালকা রঙের পোশাক। হালকা রং সবাইকেই মানিয়ে যায়।
৫. হেসে কথা বলুন এবং ভালো ব্যবহার করুন :
হেসে, সুন্দর করে কথা বলাও স্মার্টনেসের পরিচায়ক। তাই বলে কথায় কথায় হো হো করে হাসবেন না যেন! এটাও শোভন নয়। স্মিতহাস্যে কথা বলুন সবার সাথে। মানুষটি যদি বিরক্তিকরও হয়, আপনার কথা শুনে সে যেন আপনার বিরক্তিটুকু ধরতে না পারে। মোট কথা, আপনার সাথে কথা বলে যেন কারো মনে না হয় আপনি রূঢ় আচরণ করছেন।
সব জায়গাতেই কিছু ন্যূনতম সৌজন্যতা মেনে চলা উচিত। এতে যেমন বুদ্ধিমত্তার পরিচয় পাওয়া যায় তেমনি স্মার্টনেসেরও পরিচয় পাওয়া যায়। যেমন খুব জোরে জোরে কথা বলবেন না। বিশেষ করে কর্মক্ষেত্রে। ধুপধাপ পা ফেলে না হেঁটে নিঃশব্দে হাঁটার চেষ্টা করুন। কারো সাহায্য নেবার পর ধন্যবাদ জানানোও কিন্তু সৌজন্যতাবোধের মধ্যে পড়ে। কাউকে বিরক্ত করলে ‘দুঃখিত’ বলুন। এগুলো খুবই ফর্মাল আচরণ মনে হলেও সৌজন্যতাবোধের বহিঃপ্রকাশও বটে! আপনার মনের অবস্থা যদি খারাপও হয়, ভালো ব্যবহার করুন সবার সাথে। অল্পতেই বিরক্ত হবেন না বা রেগে যাবেন না। ধৈর্য ধরে ধীরস্থিরভাবে সবার সাথে ভালো ব্যবহার করে যান।
আকর্ষণীয় মানুষ হবার ৬টি পরামর্শ
১.একঘেঁয়ে হবেন না
আমরা অনেকেই নিজেকে আকর্ষণীয় মনে করি। ফলে অজান্তেই যে কখন নিজেদের একঘেঁয়ে বানিয়ে ফেলি তা জানতেও পারি না। তবে সুখবর হল, কেউ যদি ঠিকভাবে চেষ্টা করেন, তাহলে নিজেকে একঘেঁয়ে হওয়ার হাত থেকে বাঁচাতে পারবেন।
২. ভালো শ্রোতা হয়ে উঠুন
আকর্ষণীয় মানুষরা সারাদিন মজা করেন আর অন্যরা তা শোনেন, এমন কোনো ব্যাপার নেই। অন্যকে মুগ্ধ করার আগে তাদের কথাও শুনতে হয়।
৩. অন্যদের আগ্রহের বিষয় নিয়ে আলোচনা করুন
অন্য মানুষের আগ্রহের বিষয়, শখ ইত্যাদি জেনে নিন। এরপর সেসব বিষয় নিয়ে আলোচনা করুন। এর মাধ্যমেই তাদের ৮০ ভাগ কাছে চলে যেতে পারবেন।
৪.হাতে রাখুন
তিনটি আকর্ষণীয় গল্প, আকর্ষণীয় এমন তিনটি নতুন গল্প সবসময় মাথায় রাখুন, প্রয়োজনে ব্যবহার করুন।
৫. কৌশলের কথা ভুলবেন না
কমেডিয়ানরা শুধু গল্পই বলেন না, তারা তা অভিনয় করেন। কথার সঙ্গে সঙ্গে প্রয়োজনে আবেগ ব্যবহার করুন। কথার পাশাপাশিসেগুলোও গুরুত্বপূর্ণ।
৬.আকর্ষণীয় জীবনযাপন করুন
আপনি যদি একজন বীর হতে চান তাহলে বীরের মতো জীবনযাপন করুন। আকর্ষণীয় মানুষদের সঙ্গে চলাফেরা করুন। আপনার আশপাশের মানুষ দ্বারা আপনার ব্যবহার প্রভাবিত হয়।
সূচিপত্র
১) ছোটদের সাথে আমাদের আচরণ ২) পরিবার ও সন্তান, সুপার পাওয়ার যেভাবে তৈরি হয়, ৩) দীর্ঘস্থায়ী ভয়ের উৎপত্তির মূলে শৈশবকালে ঘটে যাওয়া ঘটনার প্রভাব , ৪) সন্তানের উৎসাহ এবং উদ্দীপনা বাড়ানো, ৫) আপনার শিশুটি ঘুমুক শান্তিতে এবং নির্ভরতায় , ৬) কিছু অব্যর্থ টিপস, যা আপনার শিশুকে পড়াশোনায় আগ্রহী করে তুলবে, ৭) শিশুকে কিভাবে বড় করবেন, ৮) বাচ্চাদের মস্তিষ্ক বিকাশে কী করবেন? ৯) বাচ্চাদের বুদ্ধি বিকাশের অন্যতম পথ, দৌড়, ১০) বাচ্চাকে কখনো আড়ালে লুকিয়ে খেতে দেবেন না, ১১) পিটার সিংগারের দর্শন, ১২) দুষ্টু শিশুরা তাড়াতাড়ি শেখে, ১৩) সন্তানকে যতই শাস্তি দেবেন ততই সে অসামাজিক হবে, ১৪) বাবা-মাই সন্তানকে নির্যাতন করেন সবচেয়ে বেশি , ১৫) সন্তানের সাথে কিভাবে গড়ে তুলবেন নিবিড় বন্ধন, ১৬) যে ১১টি কথা শিশুকে কখনোই বলবেন না!, ১৭) শিশুকে গল্প শোনান প্রতিদিন, ১৮) সন্তানের আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধির ১০টি কৌশল, ১৯) সৃজনশীলতা হচ্ছে নতুন কিছু করার যোগ্যতা, ২০) যারা মুখস্থ করতে পারেন না, ২১) তারা মেধাবী, মেধাবী হওয়ার উপায়,
২২) কথা ও ভাষা, ২৩) এলিভেটর পিচ, ২৪) সুন্দর করে কথা বলে সমস্যা জয়ের কৌশল, ২৫) ফোনে কথা বলার আদবকেতা, ২৬) ১২টি কর্ম বিধান, ২৭) ভালোবাসার অপর নাম প্রয়োজন, ২৮) আলতু-ফালতু কাজে সময় অপচয় করে স্বপ্ন পূরণের কল্পনা, ২৯) স্ট্রেস ম্যানেজমেন্ট, ৩০) চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিন পিং-এর জীবন থেকে শিক্ষা, ৩১) অভিজ্ঞতা ও অতীত থেকে শিক্ষা গ্রহণ, ৩২) বর্তমানকে সবচেয়ে বেশি মূল্য দিন, ৩৩) ২৪ ঘণ্টা কেউ সুখী হয় না, ৩৪) কিছু অভ্যাস যা আপনাকে আরও সুখী করবে , ৩৫) আপনার অবয়ব , ৩৬) সফলতার 25টি হট কৌশল-1, ৩৭) সাফল্যের 25টি হট কৌশল-2, ৩৮) সফলতার 55 সূত্র, ৩৯) কিভাবে নিজেকে নেতা হিসেবে গড়ে তুলবে, ৪০) সময় ব্যবস্থাপনা, ৪১) সময় ব্যবস্থাপনার তিনটি ধাপ, ৪২) সময়কে যথাযথভাবে কাজে লাগানোর উপায়গুলো, ৪৩) সাফল্য, ড. কোভের ইমোশনাল একাউন্ট কনসেপ্ট, ৪৪) সবচে বড় ইমোশনাল একাউন্ট, ৪৫) আপনার ইমোশনাল একাউন্ট, ৪৬) বুদ্ধি ও বিবেচনাবোধ বর্জিত কর্মফল বিপজ্জনক, ৪৭) অন্যদের দিয়ে আপনার কাজ করান কিন্তু সম্মান আপনি অর্জন করুন, ৪৮) অন্য লোকেরা আপনার কাছে আসুক দরকার হলে টোপ দিন, ৪৯) অসুখী এবং ভাগ্যহীনদের বর্জন করুন, ৫০) লোককে আপনার ওপর নির্ভরশীল করুন , ৫১) নেওয়ার পূর্বে দেওয়া অন্য বক্তির স্বার্থ বুঝুন, ৫২) শত্রুকে খাটো করে দেখবেন না, ৫৩) নিজেকে রক্ষা করার জন্য চারিদিকে দুর্গ নির্মাণ করবেন না, ৫৪) কারোর পক্ষ অবলম্বন করে বসে থাকবেন না, ৫৫) আপনার শক্তিসমূহকে সংহত করুন, ৫৫) নিজের ভুলগুলোকে লুকিয়ে রাখুন, ৫৬) শুধু সাহসের জোরে নয়, পরিণতিও বিবেচনায় রাখুন, ৫৭) প্রতিটি মানুষের গোপন ইচ্ছা খুঁজে বের করুন, ৫৮) রাগ বিপজ্জনক ও অভদ্রতা, ৫৯) কোনো দলকে ধরার জন্য দলপতিকে প্রথমে ধরুন, ৬০) নিজেকে গুরুত্বপূর্ণ মনে করুন, গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবেন, ৬০) পরিবেশ সামলাতে শিখুন, ৬১) প্রথম শ্রেণির মানুষ হয়ে উঠুন, ৬২) আপনার সামাজিক পরিবেশ ‘প্রথম শ্রেণি’র করে তোলার উপায়, ৬৩) ‘সস্তার তিন অবস্থা’ প্রধম শ্রেণিভুক্ত হয়ে উঠুন , ৬৪) যত বেশি বন্ধুত্ব তত বেশি উপরে ওঠার সম্ভাবনা, ৬৫) সাহস করে কাজটা শুরু করুন, ৬৬) সাফল্য মানে বারবার ভিন্নভাবে চেষ্টা করা, ৬৭) ১- ১০ ভাল অভ্যাস, ১১- ২০ ভাল অভ্যাস, ২১- ৩০ ভাল অভ্যাস, ৩১- ৪০ ভাল অভ্যাস, ৪১- ৫০ ভাল অভ্যাস, ৫১- ৬০ ভাল অভ্যাস, ৬১- ৭০ ভাল অভ্যাস, ৭১- ৮০ ভাল অভ্যাস, ৮১- ৯০ ভাল অভ্যাস, ৯১- ১০২ ভাল অভ্যাস, ৬৮) জিরো থেকে হিরো, ৬৯) সৃজনশীলদের সফলতার ৭ সূত্র, ৬৯) জীবনে পরিবর্তন আনুন ৪৮টি উপায়ে, ৭০) জীবন-যাপন, ৭১) জাপানী ও চিন লাইফ স্টাইল , ৭২) ৩০টি দর্শন, যা আপনার জীবনে কাজে লাগবে, ৭৩) সম্পর্ক তৈরি করা, বন্ধুত্ব, ৭৪) যে আচরণগুলো মানুষের মনের কথা জানাবে, ৭৫) কথা বলার সূত্র, ৭৬) আপনি ও আপনার ব্যবহার, ৭৭) নিজেকে সঠিকভাবে উপস্থাপন করা, ৭৮) কথা বলার কতিপয় গুরুত্বপূর্ণ নিয়ম, ৭৯) কিভাবে নিজেকে বিনয়ী হিসেবে উপস্থাপন করবেন, ৮০) কিভাবে বুদ্ধিদীপ্ত কথা বলবেন, ৮১) কথা বলার ৫টি বিস্ময়কর টেকনিক, ৮২) কিভাবে মানুষকে আকৃষ্ট করবেন? ৮৩) অকারণে সময় নষ্ট? মেল রবিনের ৫ সেকেন্ড রুল, ৮৪) কর্পোরেট আদবকেতা, ৮৫) ৩৫টি কর্পোরেট কালচার ও আপনার করণীয়, ৮৬) যা না জানলে লজ্জায় পড়তে হয় , ৮৭) কাজের সময়ে যে বিষয়গুলো একেবারেই করা উচিৎ না , ৮৮) ক্যারিয়ারে সাফল্য পেতে ছুড়ে ফেলুন ৭টি দোষ, ৮৯) আকাক্সক্ষা, ইচ্ছে বা স্বপ্ন,
৯০) বক্তৃতা প্রশিক্ষণ, কাজ কিভাবে করবেন? ৯১) আত্মশক্তিতে বলিয়ান হতে, ৯২) একনাগাড়ে চলবেন না, ৯৩) মারফিস ’ল , কাজের রোডম্যাপ তেরি , ৯৪) জব স্যাটিসফেকশন, ৯৫) কাজে সফলতার সূত্রাবলী, ৯৬) যেভাবে জীবনযাপন করবেন, ৯৭) পরিণত বুদ্ধির মানুষেরা যে কাজগুলো কখনোই করেন না, ৯৮) জীবনে দক্ষতা অর্জনের কার্যকর ১২টি উপায়, ৯৯) সঠিক লক্ষ্য নির্ধারণ ও কাজ করার উপায় , ১০০) সফলতা ও সার্থকতা, ১০১) জীবনের ছোট ছোট প্রাপ্তিগুলোকে উপভোগ করা, ১০২) সফলতার কিছু পদ্ধতি, ১০৩) সফল হতে চাইলে যে ৮ টি জিনিস বাদ দেয়া প্রয়োজন, ১০৪) সফল ব্যক্তিরা যে ১০টি কাজ কখনোই করেন না, ১০৫) সর্বদা স্মরণ রাখুন, ১০৬) চিন্তাশক্তি , ১০৭) স্বাধীনতা, ১০৮) জ্ঞান অর্জন খাদ্য গ্রহণের মতো , ১০৯) দৃঢ় প্রতিজ্ঞ হয়ে চেষ্টা করলে কখনোই বিফল হবেন না, ১১০) বুদ্ধির সংজ্ঞা হলো, প্রতিটি কাজ ভেবে-চিন্তে করা, ১১১) ব্যক্তিত্ব, চেহারা ও ব্যক্তিত্ব , ১১২) সেলডন-এর গবেষণা , ১১৩) ব্যক্তিত্ব ও উচ্চারণ, ১১৪) পোশাক ও ব্যক্তিত্ব, ১১৫) প্রথম দেখায় ব্যক্তিত্বের ছাপ, ১১৬) বিচ্ছিন্নতা ব্যক্তিত্বের বড় শত্রু, ১১৭) ব্যক্তিত্বে জিনগত প্রভাব, ১১৮) অন্তর্মুখী ও বহির্মুখী ব্যক্তিত্ব, ১১৯) মনোমুগ্ধকর ব্যক্তিত্বের ১০ বৈশিষ্ট্য, ১২০) ব্যক্তিত্বের উৎকর্ষতার জন্যে ১০ নির্দেশনা, ১২১) কিভাবে ব্যক্তিত্বের বিকাশ ঘটাবেন? , ১২২) নিজেকে স্মার্ট করতে ৫টি কৌশল, ১২৩) আকর্ষণীয় মানুষ হবার ৬টি পরামর্শ, ১২৪) আত্মশুদ্ধি , ১২৫) হতাশ হবেন না, ১২৬) পাছে লোকে কিছু বলে, ১২৭) সুখ-শান্তি উন্নতি , ১২৮) চাহিদা, ১২৯) খাদ্য, ঘুম ও বিশ্রাম, ১৩০) স্বাস্থ্য ভাল রাখার নিয়ম, ১৩১) টেনশন দূর করতে হলে, ১৩২) শুধু নিজের কথা নয়, অন্যের কথাও ভাবুন, ১৩৩) চাহিদা যত বেশি সুখ তত কম, ১৩৪) সুখী জীবনের জন্য ১৮ টি টিপস, ১৩৫) আত্মবিশ্বাস, আত্ম বিশ্বাসের শক্তি, ১৩৬) অজুহাতের ব্যাধিতে আক্রান্ত ব্যর্থ মানুষ, ১৩৭) দি সেভেন হ্যাবিট অফ হাইলি এ্যা ফেক্টিভ পিপল, ১৩৮) সামাজিক আয়না, ১৩৯) প্রোএ্যাক্টিভিটি, ১৪০) সার্কেল অফ ইনফ্লুয়েন্স, ১৪১) শুরু করুন আজই, ১৪২) আপনার কেন্দ্রবিন্দু কোনটি?, ১৪৩) মাথার দুটি অংশই ব্যবহার করুন, ১৪৪) সময়ের ব্যবস্থাপনা, ১৪৫) ব্যক্তিগত ব্যবস্থাপনা, ১৪৬) গুরুত্বপূর্ণ এবং জরুরি, ১৪৭) পরনির্ভরশীল জীবন, ১৪৮) ছয়টি উপায়ে অন্য মানুষের সাথে আদান-প্রদান, ১৪৯) অধ্যয়ন, ১৫০) পড়াশোনায় ১২ কার্যকর কৌশল, ১৫১) ঘুম থেকে উঠতে ১০-৩-২-১-০ ফর্মুলা, ১৫২) আয়-ব্যয়- টাকা, ১৫৩) অন্যকে খুশি করতে পয়সা খরচ যে কারণে অর্থহীন, ১৫৪) খরচের লাগাম টেনে ধরতে.. ১৫৫) নারী, ১৫৬) সম্পর্ককে সুন্দর রাখতে কিছু “মিথ্যা” বলা জরুরী , ১৫৭) ছেলেদের কোন জিনিস দেখে মেয়েরা? , ১৫৮) স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর কিছু অভ্যাস, ১৫৯) ভুঁড়ি ঠেকাতে ৫টি নিয়ম, ১৬০) যেসব কারণে নারীদের স্বাবলম্বী হওয়া উচতি , ১৬১) বিয়ে-সংসার, ১৬২) সফল বিয়ের তিনটি মন্ত্র, ১৬৩) সুখী হবার দারুণ কিছু মূলমন্ত্র, ১৬৪) কিছু গল্প, ১৬৫) ভালোবাসাহীন সম্পর্ক, ১৬৬) কেন স্পর্শের প্রয়োজন হয় প্রতিদিন, ১৬৭) যে কারণে একা থাকাই আপনার জন্য ভালো, ১৬৮) ব্যবসা, ১৬৯) বিক্রয় বৃদ্ধির কৌশল, ১৭০) যে ৭টা ব্যাপার বিজনেসে করবেন না, ১৭১) স্বাস্থ্য, ১৭২) দুগ্ধজাত খাবারে পুরুষের বন্ধ্যত্ব, ১৭৩) একাকিত্বের বিপদ, ১৭৪) কর্মক্ষম ও প্রফুল্ল রাখতে, ১৭৫) মন ভালো করার উপায়, ১৭৬) যৌন স্বাস্থ্য, ১৭৭) পুরুষদের কেজেল, ১৭৮) মহিলাদের কেজেল, ১৭৯) দক্ষতা , ১৮০) আলসেমি দূর করার সহজ কিছু উপায়, ১৮১) কীভাবে সামলাবেন নিন্দুকদের ?, ১৮২) সুখী হতে চাইলে যা কখনোই করবেন না, ১৮৩) সব ভুলে যাচ্ছেন? স্মৃতিশক্তি চাঙ্গা রাখতে ৫টি টিপস, ১৮৪) বয়সের ভারে বৃদ্ধ না হয়ে বরং কাজের ভারে যুবক থাকার চেষ্টা করো, ১৮৫) নিজেকে কাজের সঙ্গে সম্পক্ত করার তিনটে স্টেপ, ১৮৬) জীবনের লক্ষ্য নির্ধারণে দ্রুত পদ্ধতিগুলো, ১৮৭) প্রতিদান পাওয়ার আশায় কাজ করবেন না, ১৮৮) প্রেম একটি মানসিক রোগ, ১৮৯) সম্পর্ক ভেঙ্গে যাবার পর নিজেকে যেভাবে সামলাবে, ১৯০) সময় সবকিছু বদলে দেয়, ১৯১) সম্পর্ক তৈরির ক্ষেত্রে কমন পাঁচটি ভুল, ১৯২) আত্মবিশ্বাস/মনোবল, ১৯৩) প্যারাসুট অফ হ্যাপিনেস, ১৯৪) বারবার ঘুরে দাঁড়াতে হবে, ১৯৫) আত্মবিশ্বাসহীন মানুষের লক্ষণ, ১৯৬) বাড়াও আত্মবিশ্বাস, বাড়বে সফলতা, ১৯৭) প্রাতিষ্ঠানিক সম্পর্ক শক্তিশালী করার টিপস, ১৯৮) কিভাবে ধরে রাখবে দু'জনের সম্পর্ক, ১৯৯) কিভাবে বুঝবে সম্পর্ক শেষ করতে হবে, ২০০) সম্পর্ক যখন প্রেম-ভালোবাসার, ২০১) যেসব বিষয়ের উপর স¤পর্ক গড়ে ওঠে, ২০২) ভালোবাসার অপর নাম প্রয়োজন, ২০৩) সম্পর্কের গুণগত মান বাড়বে কিভাবে, ২০৪) মস্তিস্ক ঠিক রাখার ৩০ উপায়, ২০৫) মানুষের আচরণের পেছনে একটা কারণ থাকে, ২০৬) কোনো কাজে নিজেকে সম্পক্ত না করেই আমরা নিজ ক্যারিয়ারকে এগিয়ে নিয়ে যাই ২০৭) স্রোতের বিপরীতে চিন্তা করুন, ২০৮) আপনার টাইমজোনে সময় আসবেই, ২০৯) চাইল্ডহুড অ্যামনেসিয়া এবং আমাদের শিক্ষণীয়,