সার্কেল অফ ইনফ্লুয়েন্স
এটুকু পড়ার পর নিশ্চয়ই আপনার মনে হবে, কীভাবে প্রোএ্যাক্টিভ হওয়া যায়। এই পৃথিবীতে নিজে একজন এ্যাফেক্টিভ মানুষ হতে চায় না, এমন খুব কম লোক খুঁজে পাওয়া যাবে। আর এ্যাফেক্টিভ মানুষ হওয়ার প্রথম গুনটি হলো প্রোএ্যাক্টিভ অভ্যাসটুকু অর্জন করা। সুখের বিষয় হলো, আপনি চাইলে প্রোএ্যাক্টিভ মানুষ হতে পারেন। তার জন্য আপনাকে ছোটখাটো একটু চর্চা করতে হবে।
আমরা নিত্যদিন হাজারও বিষয় নিয়ে মাথা ঘামাই, বিচলিত হই, আলোড়িত হই, আক্ষেপ করি, হতাশা প্রকাশ করি। যেমন দেশের কী যে হবে, জঙ্গিরা দেশটাকে নষ্ট করে ফেলল, বাচ্চাদের কীভাবে স্কুলে পাঠাব, এই ট্রাফিক জ্যাম আর সহ্য হয় না, এই রোদের গরমে মারাই যাব, সুন্দরবনটা বুঝি আর বাঁচানো গেল না, মিতুকে কেন তার স্বামী বাচ্চাদের সামনে মারতে যাবে, কেন যে প্রমোশন হচ্ছে না, গাড়িটা না কিনলে আর হচ্ছে না, দুষ্টু বাচ্চাটাকে আর কোনোভাবেই নিয়ন্ত্রণে রাখা যাচ্ছে না, এই বুঝি চতুর্থ বিশ্বযুদ্ধ লেগেই গেল ইত্যাদি। এমন অসংখ্য বিষয় প্রতিদিন আমাদেরকে আলোড়িত করে।
একটি বড় বৃত্ত আঁকুন এবং তার ভেতর এগুলো সব লিখে ফেলুন, যা আপনাকে আলোড়িত করছে। এই বৃত্তটির নাম‘সার্কেল অফ কনসার্ন’। ক্ষেত্র বিশেষ একেকজনের এই বৃত্ত একেক রকমের হবে। একজন কলেজ পড়ুয়া ছাত্রছাত্রীর বৃত্ত আর চাকরিজীবী মানুষের বৃত্ত এবং অবসর যাপন কাটানো একজন মানুষের বৃত্ত ভিন্ন হবে। আবার কাজের প্রকৃতির ওপর ভিত্তি করে এই বৃত্তের বিষয়বস্তু ভিন্ন হবে।
একটু খেয়াল করে যদি তাকান দেখতে পাবেন, এই অসংখ্য বিষয়ের অনেকগুলোতে আপনার করণীয় কিছু নেই; কিংবা আপনার নিয়ন্ত্রণের বাইরে। প্রকৃত অর্থে আপনার নিজের কোনোও নিয়ন্ত্রণ নেই।
আবার অনেকগুলো পাবেন যেগুলো আপনার নিয়ন্ত্রণে আছে। এবারে ছোট করে আরেকটি বৃত্ত আঁকুন, যার ভেতরে ওই বিষয়গুলো থাকবে, যেগুলোকে আপনি নিয়ন্ত্রণ করতে পারেন। এই বৃত্তটির নাম ‘সার্কেল অফ ইনফ্লুয়েন্স’। এই বৃত্তটি আগের বৃত্তটির চেয়ে ছোট হবে এবং ওই বৃত্তটির ভেতরে অবস্থান করবে।
এখন কোন বৃত্তটির ওপর আমরা আমাদের সময় এবং শক্তি ক্ষয় করছি, তার ওপর নির্ভর করবে আপনার প্রোএ্যাক্টিভিটি। প্রোএ্যাক্টিভ মানুষরা ফোকাস করেন‘সার্কেল অফ ইনফ্লুয়েন্স’-এর ওপর, যেগুলো মূলত তিনি নিয়ন্ত্রণ করতে পারেন। যে বিষয় তার নিয়ন্ত্রণে নেই, সেটাতে তিনি ফোকাস করেন না। তারা সেই বিষয়গুলোর ওপরই সময় ব্যয় করেন, যেগুলোতে তিনি কিছু একটা করতে পারেন। এবং তারা যখন সেগুলোতে ইতিবাচক প্রভাব ফেলতে শুরু করেন, তখন ধীরে ধীরে সেই বৃত্ত বড় হতে থাকে।
অপরদিকে রিএ্যাক্টিভ মানুষরা ফোকাস করেন‘সার্কেল অফ কনসার্ন’-এ। তারা মূলত অন্য মানুষের দুর্বলতা খুঁজতে ব্যস্ত থাকেন। তারা চারদিকের পরিস্থিতিকে দোষারোপ করেন, পরিবেশকে দায়ী করেন এবং এমন সব বিষয়গুলোকে দায়ী করেন, যেগুলোর ওপর তার নিজের কোনোও নিয়ন্ত্রণ নাই। তারা সর্বদা ব্লেমিং গেমে ব্যস্ত থাকেন এবং তাদের ভেতর সবসময় অন্যকে দোষারূপ করার একটা মানসিক অবস্থা তৈরি হয়। তাদের ভাষা সেভাবেই প্রকাশিত হয়। এবং তারা বিশ্বাস করে, তারা পরিস্থিতির শিকার। তাদের ভেতর এক ধরনের নেতিবাচক বিষয় কাজ করে; এবং যেহেতু তারা সেই কাজগুলোতে ফোকাস করেনি যেগুলোতে তার কিছু করার ছিল, তাই তাদের ‘সার্কেল অফ ইনফ্লুয়েন্স’ দিনকে দিন ছোট হয়ে আসে।
অনেকেই ভেবে থাকেন, প্রোএ্যাক্টিভ মানুষরা খুব বেশি পুশ করে। কিন্তু বিষয়টি মোটেও তা নয়। প্রোএ্যাক্টিভ মানুষরা আসলে স্মার্ট, তারা একটি মান দ্বারা পরিচালিত হন; তারা বাস্তবতা পড়তে পারেন এবং সেটা থেকে বুঝতে পারেন ঠিক কী করা দরকার।
একবার মহাত্মা গান্ধীর দিকে তাকান। যখন সবাই ব্রিটিশদের নিয়ে ‘সার্কেল অফ কনসার্ন’ বড় থেকে বড়ই হচ্ছিল, তখন গান্ধীর ‘সার্কেল অফ ইনফ্লুয়েন্স’ ছিল খুব ছোট। তিনি ওখানেই ফোকাস করলেন। তিনি গ্রামে-গঞ্জে আর ধানক্ষেতের ভেতর দিয়ে নীরবে হেঁটে গেলেন। সেখানে মাঠের মজুরদের সংগঠিত করলেন। তার কোনোও রাজনৈতিক পরিচয় ছিল না, তার কোনোও অফিস ছিল না। কিন্তু তার দৃঢ়তা, ফোকাস, প্যাশন, সাহস, ক্ষুধা এবং নৈতিকতার জোরে পুরো ব্রিটিশকে তার হাঁটুর কাছে টেনে নামিয়েছিলেন। এটা সম্ভব হয়েছিল তার সার্কেল অফ ইনফ্লুয়েন্সের কারণে।
যদি এমন হতো অনেকেই তাদের ‘সার্কেল অফ কনসার্ন’ এবং‘সার্কেল অফ ইনফ্লুয়েন্স’ নিয়ে একটু দ্বিধার ভেতর পড়ে যেতে পারেন।‘মিতু হত্যা’,‘তনু হত্যা’,‘রামপালে বিদ্যুৎ কেন্দ্র’,‘জঙ্গি হামলা’ এগুলোতে কি আপনার কিছু করণীয় নেই? তাহলে এগুলো কি‘কনসার্ন’, নাকি‘ইনফ্লুয়েন্স’ বৃত্তে পড়বে?
যে সকল বিষয়গুলো‘এমন যদি হতো’ টাইপের আখ্যা দেওয়া যায়, সেগুলোকে কোনোও রকম দ্বিধা ছাড়াই সার্কেল অফ কনসার্নে ফেলে দিন। কিছু উদাহরণ দেয়া যেতে পারে। যেমন-
- ইস, আমার বাড়িটার পুরো ঋণ শোধ করতে পারলেই আমি সুখী হতাম!
- ইস, আমার বসটা যদি এমন কড়া না হতো!
- আহ, আমি যদি একজন বাধ্য স্বামী পেতাম!
- আমার সন্তানগুলো যদি একটু বাধ্য হতো!
- আমার যদি এমবিএ ডিগ্রিটা থাকত!
- ইস, আমি যদি আরেকটা সুযোগ পেতাম...
এগুলো হলো উইশ লিস্ট। অপরদিকে ‘সার্কেল অফ ইনফ্লুয়েন্স’ হলো যেগুলো আপনি করতে পারেন। যেমন, আমি তো ক¤িপউটার সায়েন্স ডিগ্রি নিতে পারি, আমি তো আরেকটু ধৈর্য দেখাতে পারি, আমি আরেকটু বুদ্ধিমান হতে পারি, আমি ওই উপন্যাসটা পড়তে পারি, আমি তো আমার বাচ্চাগুলোকে আরেকটু বেশি সময় দিতে পারি -এগুলো সবই আপনার চারিত্রিক বৈশিষ্ট্যকে ধারণ করে।
আপনার কাজে সমস্যা হচ্ছে, অনেক ঝামেলার কাজ, অনেক অভিযোগ! এই অসংখ্য অভিযোগ এবং সমালোচনা করে কোনোও লাভ আছে? বরং যে সকল ক্ষেত্রে নিজের কিছু করার আছে, সেটাতে ফোকাস করুন। দেখবেন, আপনার সার্কেল অফ ইনফ্লুয়েন্স বাড়তে থাকবে। আপনি ধীরে ধীরে একজন এ্যাফেক্টিভ মানুষ হিসেবে তৈরি হয়ে যাবেন।
শুরু করুন আজই
স্টিফেন তার বইতে একটি সত্যি ঘটনার উল্লেখ করেছেন। সেই গল্পটির মূল কথাটি এখানে লিখি ।
স্টিফেন একটি প্রতিষ্ঠানের প্রধান নির্বাহীর সঙ্গে কিছু কাজ করেছিলেন। তিনি ছিলেন প্রচণ্ড মেধাবী, ক্রিয়েটিভ, বুদ্ধিমান এবং দক্ষ। সবাই এটা জানত। কিন্তু তার ব্যবস্থাপনা ছিল অনেকটা স্বৈরশাসকের মতো। সারাক্ষণ তার নিচের টিমকে বলে বেড়াচ্ছেন, এটা করো, ওটা করো, এক্ষুনি এটা শেষ করতে হবে, এক্ষুনি ওটা শেষ করতে হবে।
এমন বসের সঙ্গে কাজ করে মোটামুটি সবাই বীতশ্রদ্ধ। জীবন ত্রাহিত্রাহি। সামনে কেউ কিছু বলতে না পারলেও পেছনে প্রায় সবাই তার সমালোচনা করতে থাকে। করিডোরের আলোচনার বিষয়গুলো হলো,
- আর বলো না, এত দিন ধরে যা করলাম, ওই ব্যাটা এসে সব বাদ দিতে বলল! এখন বলছে, অন্যভাবে করতে হবে!
- এভাবে আর কতদিন চলবে?
- ওর বয়স তো মাত্র ঊনষাট, এখনো তো অবসরে যাওয়ার অনেক বাকি!
- এই ধরনের লোকরা তো কবরে যাওয়ার আগ পর্যন্ত অবসরে যায় না।
কিন্তু এদের ভেতর একজন কর্মী ছিলেন প্রোএ্যাক্টিভ। তিনি তার সার্কেল অফ ইনফ্লুয়েন্সকে কাজে লাগালেন। তিনি উদ্যোরগ নিলেন। বুঝতে চেষ্টা করলেন, তার প্রধান নির্বাহী ঠিক কী চাইছেন, তার ভিশনটা বুঝার চেষ্টা করলেন, তার প্রয়োজনটা ধরার চেষ্টা করলেন। তারপর যখন কাজ শুরু করলেন, তিনি পুরো বিষয়টির ভেতর প্রবেশ করে সুন্দর একটি রিপোর্ট দিলেন। শুধু রিপোর্ট দিয়েই ক্ষান্ত হলেন না, সমস্যাটির আরও কিছু সমাধান ব্যাখ্যা করলেন এবং তার সঙ্গে নিজের মতামত জুড়ে দিলেন।
পুরো রিপোর্টটি পড়ে প্রধান নির্বাহী অবাক হলেন। তারপর যখন স্টিফেনের সাথে দেখা হলো তখন তিনি বলছিলেন, স্টিফেন দেখো এই ছেলে করেছে কি! আমি যা চেয়েছিলাম সেটা তো দিয়েছেই, আরও কয়েকটা বাড়তি সমাধানের পথও দেখিয়েছে; এবং কোনটা করলে প্রতিষ্ঠানের ভালো হবে সে বিষয়ে নিজের মতামতও লিখে দিয়েছে। এরপর থেকেই পরিস্থিতি পাল্টাতে শুরু করল। এরপর যখনই কোনোও মিটিং-এ বসা হয়, সেই বস সবাইকে বলতে থাকেন, এটা করো, ওটা করো; আর সেই ছেলেটির বেলায় বলতে থাকেন,‘তোমার কি মনে হয়?’ পাল্টে যেতে থাকে নির্ভরতা। এবং একটা সময়ে সেই ছেলেটিই হয়ে ওঠে সকল কর্মকাণ্ডের কেন্দ্রবিন্দু। একজন এ্যাফেক্টিভ মানুষ।
অনেকেই বলতে পারেন, ধুর এগুলো বাংলাদেশে করে লাভ নাই। তারাই মূলত রিএ্যাক্টিভ মানুষ। তাদের জন্য শুধু একটাই প্রশ্ন, আপনি কি চেষ্টাটুকু করেছিলেন?
আমাদের বেশিরভাগ মানুষই একটি কাজ শুরু করে দেই; এবং আশায় আশায় থাকি, দেখি এটা কোথায় নিয়ে যায়। কিংবা একটা ব্যবসা শুরু করে প্রচুর মুনাফা আশা করছি, কিন্তু শেষ পর্যন্ত এটাকে কোথায় দেখতে চাই, সেই বিষয়ে পরিষ্কার ধারণা নেই। একটি উদাহরণ দিলে বিষয়টি পরিষ্কার হতে পারে। ধরুন আপনি ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম যাবেন। আপনি জানেন, বাসে করে চট্টগ্রাম যাওয়া যায়। আপনি একটি বাসে চড়ে বসলেন। আপনি যদি ভুল বাসে চড়ে বসেন, তাহলে আপনি চট্টগ্রাম না গিয়ে দিনাজপুর পৌঁছে যেতে পারেন। যাত্রা শুরুর আগে আপনার গন্তব্য কোথায় সেটা ভালো করে নিশ্চিত হয়ে নিন। গন্তব্য স¤পর্কে আপনার একটি পরিষ্কার ধারণা থাকা জরুরি। এটাই হলো, শেষ থেকে শুরু করার মানসিকতা। আর এটাকে আপনার অভ্যাসে পরিণত করে ফেলুন। এটা ঠিক করে ফেলতে পারলেই, আপনার নিত্য দিনের ব্যবহার এবং কর্মকাণ্ডকে সেটা নিয়ন্ত্রণ করবে।
এটা বুঝার জন্য আরও কঠিন একটি ভার্সন আছে। সেটাও একটু দিয়ে রাখি। যাদের কল্পনা শক্তি ভালো, তারা চেষ্টা করে দেখতে পারেন। আপনি একা একা একটু নিজের মতো থাকুন। কেউ যেন আপনাকে বিরক্ত না করে। এবারে চোখ বন্ধ করে ভাবুন যে, আপনি একজন মৃত মানুষের বাড়িতে গিয়েছেন। সেখানে সবাই তার স¤পর্কে নানান কথা বলছে। তার পরিবারের লোকজন, তার বন্ধু, তার অফিসের সহকর্মী এবং তার পড়শি।
এই চারজন মানুষকে যদি ওই মৃত ব্যক্তিটি স¤পর্কে বলতে বলা হয়, তারা তখন কী বলবে? এবারে নিজেকে আপনি ওই কফিনের ভেতর ভাবুন তো। দেখতে পাচ্ছেন নিজেকে? এবারে দেখুন তো আপনার পরিবারের লোকজন, আপনার বন্ধু, আপনার সহকর্মী এবং আপনার পড়শিরা আপনার স¤পর্কে সেদিন কী বলতে পারে?
আপনি একজন ভালো বাবা ছিলেন, আপনি একজন হৃদয়বান বন্ধু ছিলেন, আপনি একজন সাহায্যকারী সহকর্মী ছিলেন এবং আপনি একজন আনন্দঘন পড়শি ছিলেন। আপনি কি এগুলোই শুনতে চান তাদের মুখ থেকে? আর যদি আপনার পড়শি বলে ওঠেন, আপনি কোনো দিনও তার খোঁজ নেননি, তাদের বাড়িতে যেদিন মৃত্যুর ডাক এসেছিল সেদিনও আপনি দেখতে যাননি, আপনার ছেলেটি যদি বলে ওঠে বাবা তাদের সময় দেননি, নয়তো বন্ধুটি বলে ওঠে- একটি দিনের জন্যেও আপনি তাকে ভালো সঙ্গ দেননি। তাহলে কেমন হবে?
আপনার মৃত্যুর দিনটিতে আপনি তাদের মুখে যা শুনতে চান, সেটা লিখে রাখুন। এটাই আপনার পথ বাতলে দেবে।
সূচিপত্র
১) ছোটদের সাথে আমাদের আচরণ ২) পরিবার ও সন্তান, সুপার পাওয়ার যেভাবে তৈরি হয়, ৩) দীর্ঘস্থায়ী ভয়ের উৎপত্তির মূলে শৈশবকালে ঘটে যাওয়া ঘটনার প্রভাব , ৪) সন্তানের উৎসাহ এবং উদ্দীপনা বাড়ানো, ৫) আপনার শিশুটি ঘুমুক শান্তিতে এবং নির্ভরতায় , ৬) কিছু অব্যর্থ টিপস, যা আপনার শিশুকে পড়াশোনায় আগ্রহী করে তুলবে, ৭) শিশুকে কিভাবে বড় করবেন, ৮) বাচ্চাদের মস্তিষ্ক বিকাশে কী করবেন? ৯) বাচ্চাদের বুদ্ধি বিকাশের অন্যতম পথ, দৌড়, ১০) বাচ্চাকে কখনো আড়ালে লুকিয়ে খেতে দেবেন না, ১১) পিটার সিংগারের দর্শন, ১২) দুষ্টু শিশুরা তাড়াতাড়ি শেখে, ১৩) সন্তানকে যতই শাস্তি দেবেন ততই সে অসামাজিক হবে, ১৪) বাবা-মাই সন্তানকে নির্যাতন করেন সবচেয়ে বেশি , ১৫) সন্তানের সাথে কিভাবে গড়ে তুলবেন নিবিড় বন্ধন, ১৬) যে ১১টি কথা শিশুকে কখনোই বলবেন না!, ১৭) শিশুকে গল্প শোনান প্রতিদিন, ১৮) সন্তানের আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধির ১০টি কৌশল, ১৯) সৃজনশীলতা হচ্ছে নতুন কিছু করার যোগ্যতা, ২০) যারা মুখস্থ করতে পারেন না, ২১) তারা মেধাবী, মেধাবী হওয়ার উপায়,
২২) কথা ও ভাষা, ২৩) এলিভেটর পিচ, ২৪) সুন্দর করে কথা বলে সমস্যা জয়ের কৌশল, ২৫) ফোনে কথা বলার আদবকেতা, ২৬) ১২টি কর্ম বিধান, ২৭) ভালোবাসার অপর নাম প্রয়োজন, ২৮) আলতু-ফালতু কাজে সময় অপচয় করে স্বপ্ন পূরণের কল্পনা, ২৯) স্ট্রেস ম্যানেজমেন্ট, ৩০) চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিন পিং-এর জীবন থেকে শিক্ষা, ৩১) অভিজ্ঞতা ও অতীত থেকে শিক্ষা গ্রহণ, ৩২) বর্তমানকে সবচেয়ে বেশি মূল্য দিন, ৩৩) ২৪ ঘণ্টা কেউ সুখী হয় না, ৩৪) কিছু অভ্যাস যা আপনাকে আরও সুখী করবে , ৩৫) আপনার অবয়ব , ৩৬) সফলতার 25টি হট কৌশল-1, ৩৭) সাফল্যের 25টি হট কৌশল-2, ৩৮) সফলতার 55 সূত্র, ৩৯) কিভাবে নিজেকে নেতা হিসেবে গড়ে তুলবে, ৪০) সময় ব্যবস্থাপনা, ৪১) সময় ব্যবস্থাপনার তিনটি ধাপ, ৪২) সময়কে যথাযথভাবে কাজে লাগানোর উপায়গুলো, ৪৩) সাফল্য, ড. কোভের ইমোশনাল একাউন্ট কনসেপ্ট, ৪৪) সবচে বড় ইমোশনাল একাউন্ট, ৪৫) আপনার ইমোশনাল একাউন্ট, ৪৬) বুদ্ধি ও বিবেচনাবোধ বর্জিত কর্মফল বিপজ্জনক, ৪৭) অন্যদের দিয়ে আপনার কাজ করান কিন্তু সম্মান আপনি অর্জন করুন, ৪৮) অন্য লোকেরা আপনার কাছে আসুক দরকার হলে টোপ দিন, ৪৯) অসুখী এবং ভাগ্যহীনদের বর্জন করুন, ৫০) লোককে আপনার ওপর নির্ভরশীল করুন , ৫১) নেওয়ার পূর্বে দেওয়া অন্য বক্তির স্বার্থ বুঝুন, ৫২) শত্রুকে খাটো করে দেখবেন না, ৫৩) নিজেকে রক্ষা করার জন্য চারিদিকে দুর্গ নির্মাণ করবেন না, ৫৪) কারোর পক্ষ অবলম্বন করে বসে থাকবেন না, ৫৫) আপনার শক্তিসমূহকে সংহত করুন, ৫৫) নিজের ভুলগুলোকে লুকিয়ে রাখুন, ৫৬) শুধু সাহসের জোরে নয়, পরিণতিও বিবেচনায় রাখুন, ৫৭) প্রতিটি মানুষের গোপন ইচ্ছা খুঁজে বের করুন, ৫৮) রাগ বিপজ্জনক ও অভদ্রতা, ৫৯) কোনো দলকে ধরার জন্য দলপতিকে প্রথমে ধরুন, ৬০) নিজেকে গুরুত্বপূর্ণ মনে করুন, গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবেন, ৬০) পরিবেশ সামলাতে শিখুন, ৬১) প্রথম শ্রেণির মানুষ হয়ে উঠুন, ৬২) আপনার সামাজিক পরিবেশ ‘প্রথম শ্রেণি’র করে তোলার উপায়, ৬৩) ‘সস্তার তিন অবস্থা’ প্রধম শ্রেণিভুক্ত হয়ে উঠুন , ৬৪) যত বেশি বন্ধুত্ব তত বেশি উপরে ওঠার সম্ভাবনা, ৬৫) সাহস করে কাজটা শুরু করুন, ৬৬) সাফল্য মানে বারবার ভিন্নভাবে চেষ্টা করা, ৬৭) ১- ১০ ভাল অভ্যাস, ১১- ২০ ভাল অভ্যাস, ২১- ৩০ ভাল অভ্যাস, ৩১- ৪০ ভাল অভ্যাস, ৪১- ৫০ ভাল অভ্যাস, ৫১- ৬০ ভাল অভ্যাস, ৬১- ৭০ ভাল অভ্যাস, ৭১- ৮০ ভাল অভ্যাস, ৮১- ৯০ ভাল অভ্যাস, ৯১- ১০২ ভাল অভ্যাস, ৬৮) জিরো থেকে হিরো, ৬৯) সৃজনশীলদের সফলতার ৭ সূত্র, ৬৯) জীবনে পরিবর্তন আনুন ৪৮টি উপায়ে, ৭০) জীবন-যাপন, ৭১) জাপানী ও চিন লাইফ স্টাইল , ৭২) ৩০টি দর্শন, যা আপনার জীবনে কাজে লাগবে, ৭৩) সম্পর্ক তৈরি করা, বন্ধুত্ব, ৭৪) যে আচরণগুলো মানুষের মনের কথা জানাবে, ৭৫) কথা বলার সূত্র, ৭৬) আপনি ও আপনার ব্যবহার, ৭৭) নিজেকে সঠিকভাবে উপস্থাপন করা, ৭৮) কথা বলার কতিপয় গুরুত্বপূর্ণ নিয়ম, ৭৯) কিভাবে নিজেকে বিনয়ী হিসেবে উপস্থাপন করবেন, ৮০) কিভাবে বুদ্ধিদীপ্ত কথা বলবেন, ৮১) কথা বলার ৫টি বিস্ময়কর টেকনিক, ৮২) কিভাবে মানুষকে আকৃষ্ট করবেন? ৮৩) অকারণে সময় নষ্ট? মেল রবিনের ৫ সেকেন্ড রুল, ৮৪) কর্পোরেট আদবকেতা, ৮৫) ৩৫টি কর্পোরেট কালচার ও আপনার করণীয়, ৮৬) যা না জানলে লজ্জায় পড়তে হয় , ৮৭) কাজের সময়ে যে বিষয়গুলো একেবারেই করা উচিৎ না , ৮৮) ক্যারিয়ারে সাফল্য পেতে ছুড়ে ফেলুন ৭টি দোষ, ৮৯) আকাক্সক্ষা, ইচ্ছে বা স্বপ্ন,
৯০) বক্তৃতা প্রশিক্ষণ, কাজ কিভাবে করবেন? ৯১) আত্মশক্তিতে বলিয়ান হতে, ৯২) একনাগাড়ে চলবেন না, ৯৩) মারফিস ’ল , কাজের রোডম্যাপ তেরি , ৯৪) জব স্যাটিসফেকশন, ৯৫) কাজে সফলতার সূত্রাবলী, ৯৬) যেভাবে জীবনযাপন করবেন, ৯৭) পরিণত বুদ্ধির মানুষেরা যে কাজগুলো কখনোই করেন না, ৯৮) জীবনে দক্ষতা অর্জনের কার্যকর ১২টি উপায়, ৯৯) সঠিক লক্ষ্য নির্ধারণ ও কাজ করার উপায় , ১০০) সফলতা ও সার্থকতা, ১০১) জীবনের ছোট ছোট প্রাপ্তিগুলোকে উপভোগ করা, ১০২) সফলতার কিছু পদ্ধতি, ১০৩) সফল হতে চাইলে যে ৮ টি জিনিস বাদ দেয়া প্রয়োজন, ১০৪) সফল ব্যক্তিরা যে ১০টি কাজ কখনোই করেন না, ১০৫) সর্বদা স্মরণ রাখুন, ১০৬) চিন্তাশক্তি , ১০৭) স্বাধীনতা, ১০৮) জ্ঞান অর্জন খাদ্য গ্রহণের মতো , ১০৯) দৃঢ় প্রতিজ্ঞ হয়ে চেষ্টা করলে কখনোই বিফল হবেন না, ১১০) বুদ্ধির সংজ্ঞা হলো, প্রতিটি কাজ ভেবে-চিন্তে করা, ১১১) ব্যক্তিত্ব, চেহারা ও ব্যক্তিত্ব , ১১২) সেলডন-এর গবেষণা , ১১৩) ব্যক্তিত্ব ও উচ্চারণ, ১১৪) পোশাক ও ব্যক্তিত্ব, ১১৫) প্রথম দেখায় ব্যক্তিত্বের ছাপ, ১১৬) বিচ্ছিন্নতা ব্যক্তিত্বের বড় শত্রু, ১১৭) ব্যক্তিত্বে জিনগত প্রভাব, ১১৮) অন্তর্মুখী ও বহির্মুখী ব্যক্তিত্ব, ১১৯) মনোমুগ্ধকর ব্যক্তিত্বের ১০ বৈশিষ্ট্য, ১২০) ব্যক্তিত্বের উৎকর্ষতার জন্যে ১০ নির্দেশনা, ১২১) কিভাবে ব্যক্তিত্বের বিকাশ ঘটাবেন? , ১২২) নিজেকে স্মার্ট করতে ৫টি কৌশল, ১২৩) আকর্ষণীয় মানুষ হবার ৬টি পরামর্শ, ১২৪) আত্মশুদ্ধি , ১২৫) হতাশ হবেন না, ১২৬) পাছে লোকে কিছু বলে, ১২৭) সুখ-শান্তি উন্নতি , ১২৮) চাহিদা, ১২৯) খাদ্য, ঘুম ও বিশ্রাম, ১৩০) স্বাস্থ্য ভাল রাখার নিয়ম, ১৩১) টেনশন দূর করতে হলে, ১৩২) শুধু নিজের কথা নয়, অন্যের কথাও ভাবুন, ১৩৩) চাহিদা যত বেশি সুখ তত কম, ১৩৪) সুখী জীবনের জন্য ১৮ টি টিপস, ১৩৫) আত্মবিশ্বাস, আত্ম বিশ্বাসের শক্তি, ১৩৬) অজুহাতের ব্যাধিতে আক্রান্ত ব্যর্থ মানুষ, ১৩৭) দি সেভেন হ্যাবিট অফ হাইলি এ্যা ফেক্টিভ পিপল, ১৩৮) সামাজিক আয়না, ১৩৯) প্রোএ্যাক্টিভিটি, ১৪০) সার্কেল অফ ইনফ্লুয়েন্স, ১৪১) শুরু করুন আজই, ১৪২) আপনার কেন্দ্রবিন্দু কোনটি?, ১৪৩) মাথার দুটি অংশই ব্যবহার করুন, ১৪৪) সময়ের ব্যবস্থাপনা, ১৪৫) ব্যক্তিগত ব্যবস্থাপনা, ১৪৬) গুরুত্বপূর্ণ এবং জরুরি, ১৪৭) পরনির্ভরশীল জীবন, ১৪৮) ছয়টি উপায়ে অন্য মানুষের সাথে আদান-প্রদান, ১৪৯) অধ্যয়ন, ১৫০) পড়াশোনায় ১২ কার্যকর কৌশল, ১৫১) ঘুম থেকে উঠতে ১০-৩-২-১-০ ফর্মুলা, ১৫২) আয়-ব্যয়- টাকা, ১৫৩) অন্যকে খুশি করতে পয়সা খরচ যে কারণে অর্থহীন, ১৫৪) খরচের লাগাম টেনে ধরতে.. ১৫৫) নারী, ১৫৬) সম্পর্ককে সুন্দর রাখতে কিছু “মিথ্যা” বলা জরুরী , ১৫৭) ছেলেদের কোন জিনিস দেখে মেয়েরা? , ১৫৮) স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর কিছু অভ্যাস, ১৫৯) ভুঁড়ি ঠেকাতে ৫টি নিয়ম, ১৬০) যেসব কারণে নারীদের স্বাবলম্বী হওয়া উচতি , ১৬১) বিয়ে-সংসার, ১৬২) সফল বিয়ের তিনটি মন্ত্র, ১৬৩) সুখী হবার দারুণ কিছু মূলমন্ত্র, ১৬৪) কিছু গল্প, ১৬৫) ভালোবাসাহীন সম্পর্ক, ১৬৬) কেন স্পর্শের প্রয়োজন হয় প্রতিদিন, ১৬৭) যে কারণে একা থাকাই আপনার জন্য ভালো, ১৬৮) ব্যবসা, ১৬৯) বিক্রয় বৃদ্ধির কৌশল, ১৭০) যে ৭টা ব্যাপার বিজনেসে করবেন না, ১৭১) স্বাস্থ্য, ১৭২) দুগ্ধজাত খাবারে পুরুষের বন্ধ্যত্ব, ১৭৩) একাকিত্বের বিপদ, ১৭৪) কর্মক্ষম ও প্রফুল্ল রাখতে, ১৭৫) মন ভালো করার উপায়, ১৭৬) যৌন স্বাস্থ্য, ১৭৭) পুরুষদের কেজেল, ১৭৮) মহিলাদের কেজেল, ১৭৯) দক্ষতা , ১৮০) আলসেমি দূর করার সহজ কিছু উপায়, ১৮১) কীভাবে সামলাবেন নিন্দুকদের ?, ১৮২) সুখী হতে চাইলে যা কখনোই করবেন না, ১৮৩) সব ভুলে যাচ্ছেন? স্মৃতিশক্তি চাঙ্গা রাখতে ৫টি টিপস, ১৮৪) বয়সের ভারে বৃদ্ধ না হয়ে বরং কাজের ভারে যুবক থাকার চেষ্টা করো, ১৮৫) নিজেকে কাজের সঙ্গে সম্পক্ত করার তিনটে স্টেপ, ১৮৬) জীবনের লক্ষ্য নির্ধারণে দ্রুত পদ্ধতিগুলো, ১৮৭) প্রতিদান পাওয়ার আশায় কাজ করবেন না, ১৮৮) প্রেম একটি মানসিক রোগ, ১৮৯) সম্পর্ক ভেঙ্গে যাবার পর নিজেকে যেভাবে সামলাবে, ১৯০) সময় সবকিছু বদলে দেয়, ১৯১) সম্পর্ক তৈরির ক্ষেত্রে কমন পাঁচটি ভুল, ১৯২) আত্মবিশ্বাস/মনোবল, ১৯৩) প্যারাসুট অফ হ্যাপিনেস, ১৯৪) বারবার ঘুরে দাঁড়াতে হবে, ১৯৫) আত্মবিশ্বাসহীন মানুষের লক্ষণ, ১৯৬) বাড়াও আত্মবিশ্বাস, বাড়বে সফলতা, ১৯৭) প্রাতিষ্ঠানিক সম্পর্ক শক্তিশালী করার টিপস, ১৯৮) কিভাবে ধরে রাখবে দু'জনের সম্পর্ক, ১৯৯) কিভাবে বুঝবে সম্পর্ক শেষ করতে হবে, ২০০) সম্পর্ক যখন প্রেম-ভালোবাসার, ২০১) যেসব বিষয়ের উপর স¤পর্ক গড়ে ওঠে, ২০২) ভালোবাসার অপর নাম প্রয়োজন, ২০৩) সম্পর্কের গুণগত মান বাড়বে কিভাবে, ২০৪) মস্তিস্ক ঠিক রাখার ৩০ উপায়, ২০৫) মানুষের আচরণের পেছনে একটা কারণ থাকে, ২০৬) কোনো কাজে নিজেকে সম্পক্ত না করেই আমরা নিজ ক্যারিয়ারকে এগিয়ে নিয়ে যাই ২০৭) স্রোতের বিপরীতে চিন্তা করুন, ২০৮) আপনার টাইমজোনে সময় আসবেই, ২০৯) চাইল্ডহুড অ্যামনেসিয়া এবং আমাদের শিক্ষণীয়,