সময় ব্যবস্থাপনা
ডায়লগ: সময়কে নিয়ন্ত্রিতভাবে ব্যয় করতে পারলে সব কিছুই আপনার নিয়ন্ত্রণে থাকবে।
ছন্দ: খেলায় মজিয়া তুমি কাটায়ো না বেলা
সময়ের প্রতি কভু করিও না হেলা।
আজি যে সময় গত হইল তোমার
আসিবে না পুনঃ তাহা আসিবে না আর।
বিশ্লেষণ: এই গ্রহের বেশিরভাগ মানুষ তাদের সময়কে সঠিকভাবে ব্যবহার করতে পারেন না। তারা মনে করেন, তাদের হাতে অফুরন্ত সময় রয়েছে। সেই সময়ের ভাণ্ডার থেকে ইচ্ছে মতো সময়ে এনে খরচ করলেই হলো।
আমাদের জীবনে মূলত দুই ধরনের ঘটনা ঘটে- জরুরি এবং গুরুত্বপূর্ণ। অর্থাৎ কিছু বিষয় থাকে এক, জরুরি আর দুই, জরুরি নয় কিন্তু গুরুত্বপূর্ণ।
আমাদের দিনের বেশিরভাগ ফোন কলই দেখবেন গুরুত্বপূর্ণ নয়। তারপরও বেশিরভাগ মানুষই ফোনে কথা বলতে থাকেন এবং বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই এগুলো গুরুত্বহীন। কবি ও শিশু সাহিত্যিক আসলাম সানীকে তার অমায়িক ব্যবহারের জন্য বিজ্ঞ মহলে রোল মডেল হিসাবে ধরা হয়। ফোনে যোগাযোগের ক্ষেত্রে তাকেও দেখেছি, অতি প্রয়োজনীয় কথাটুকু কয়েক সেকেন্ডের মধ্যে শেষ করে গুড়ভাই, থ্যা্কং ইউ বলে বিদায়ের সংকেত দিচ্ছেন তিনি। এর বেশি কথা বলাকে তিনি গুরুত্বহীন, এনার্জির অপচয় মনে করছেন।
যে জিনিসগুলি গুরুত্বপূর্ণ, দেখবেন তার একটি ফলাফল থাকে। যদি কোনো কিছু গুরুত্বপূর্ণ হয়, তখন সেটা আপনার স্বপ্নকে, মিশনকে বাস্তবায়নে সাহায্য করবে, আপনার ভ্যালু তৈরিতে সাহায্য করবে, আপনার যে লক্ষ্য আছে সেখানে যেতে সাহায্য করবে। এর বাইরে যা, তা সবই আপনার জন্য গুরুত্বহীন। যেমন প্রতি মুহূর্তে সংবাদ দেখা কিংবা সামাজিক মাধ্যমে স্ট্যাটাস দেখা আপনার জন্য গুরুত্বপূর্ণ নয়, যারা মিডিয়াতে কাজ করেন, তাদের জন্য বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ।
আপনি যাচ্ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ে ক্লাসে। গুরুত্বপূর্ণ ক্লাস। এটা আপনার জীবনের লক্ষ্যের পথে সাজানো। কিন্তু রাস্তা দিয়ে যখন হেঁটে যাচ্ছিলেন, তখন মোবাইল ফোনে এক বন্ধু জানাল, এক্ষুণি ক্যান্টিনে চলে আয়, শিলা এসেছে। বন্ধুর ফোন পেয়ে ক্যান্টিন হয়ে গেল আপনার কাছে গুরুত্বপূর্ণ। আপনি ক্লাসে না গিয়ে চলে গেলেন ক্যান্টিনে। এই ধরনের ঘটনা কি আপনার জীবন ঘটছে না প্রতিনিয়ত? যদি তাই হয়, তাহলে জরুরি বিষয়গুলো আপনার গুরুত্বপূর্ণ সময় খেয়ে ফেলছে। আপনি সময়কে সঠিকভাবে ব্যবহার করতে পারছেন না।
আমাদের জীবনে অনেক জরুরি বিষয় ঘটে যেগুলো আসলে গুরুত্বহীন। কোনো বন্ধু অফিসের কাজের সময় ফোন দিল। ফোনটি যদি সাথে সাথে ধরেন, তাহলে সেটা জরুরি হয়ে গেল। আপনি ওটাকে জরুরি করে ফেললেন। কিন্তু সেই ফোনটি গুরুত্বপূর্ণ না। যে ফোনগুলো গুরুত্বপূর্ণ সেগুলো আপনি বুঝতে পারবেন। এভাবে দেখবেন সারাদিন অনেক সময় ব্যয় করছেন যেগুলো গুরুত্বহীন।
আপনি যদি এইভাবে সময় বেশি ব্যয় করেন, তাহলে ফলাফল হিসেবে লক্ষ্য ঠিক করে এগিয়ে যাওয়াটাকে গুরুত্বহীন মনে হবে। প্রায়ই মনে হবে আপনি পরিস্থিতির শিকার হয়েছেন, নিজের ওপর নিয়ন্ত্রণ থাকবে না। এই পৃথিবীর বেশিরভাগ মানুষই তুচ্ছ বিষয়ে সময় কাটায় বেশি। সারাদিন দেখবেন প্রচণ্ড ব্যস্ত। কিন্তু কোনোটাই গুরুত্বপূর্ণ নয়। অনেকেই টিভি দেখে বা ফেসবুকে লম্বা সময় কাটান। এগুলো কি আপনার জন্য গুরুত্বপূর্ণ? আপনি দিনের একটি সময় ঠিক করে নিন, যখন নিউজ পড়বেন, নয়তো ফেসবুক দেখবেন। ওই ত্রিশ মিনিটই আপনার বরাদ্দ।
বাঙালিদের একটি নিত্য চলমান বিষয় হলো আড্ডা। বাঙালি একটু সুযোগ পেলেই আড্ডা দিয়ে ফেলবে। এমনকি সেটা পুরো অফিসের ভেতর বসেই। এতটুকু লজ্জাবোধ করবে না। আপনি যদি এভাবে সময় ব্যয় করে থাকেন, তাহলে বুঝতে হবে আপনি পুরোপুরি দায়িত্বজ্ঞানহীন জীবনযাপন করছেন। এভাবে দেশের বিশাল বড় একটি গোষ্ঠি দায়িত্বজ্ঞানহীন জীবনযাপন করে। তারা মনে করে যে, তারা জীবনে সঠিক সুযোগ পায়নি। একটি পরিবারে অনেককে দেখবেন, তারা কোনো কাজ করবে না। মা-বাবা কিংবা ভাই-বোনের উপার্জনে তারা চলে। এমন অসংখ্য পরিবার দেখতে পাবেন, যেখানে একজন বা দু’জন কষ্ট করে আয় করছেন, বাকিরা মহাআনন্দে সেটা ভোগ করছেন। এরা স্বেচ্ছায় পরনির্ভরশীল।
আবার আমাদের মাঝে অসংখ্য মানুষ আছেন যারা পরিবারের ওপর নয়, সরকারি প্রতিষ্ঠানের ওপর নির্ভরশীল। এরা অফিসের কাজটি করে না। নানান ধরনের নিজের কাজে সময়টা ব্যয় করে এবং মাসের শেষে বেতনটুকু নিয়ে আনন্দে জীবনযাপন করে। তারা দায়িত্বজ্ঞানহীন জীবনযাপনে অভ্যস্ত। তারা বিশ্বাস করে, চাকরি তো করছি সরকার বেতন দিবে, ব্যস।
গুরুত্বপূর্ণ, কিন্তু জরুরি নয়- এমন খাতে সবচে’ বেশি সময় ব্যয় করুন। যেমন- আপনি যত দ্রুত চলবেন, সময় তত ধীরে চলবে। কোনো বস্তু যত দ্রুত চলে, সময় সেই বস্তুর জন্যে তত আস্তে চলে। আইনস্টাইন-এর কল্যাণে আমরা সবাই এই আপেক্ষিক তথ্যটা এখন জানি। একজন সফলকামী মানুষের জন্য জীবনের প্রতিটি মুহূর্ত ও প্রতিটি সেকেন্ড খুবই মূল্যবান। যদি জীবনে উন্নতি করতে চান, প্রতিষ্ঠিত হতে চান, তবে সময় অপচয় করবেন নাÑ কারণ জীবনটা সময়ের সমষ্টিমাত্র। একটা দিন চলে যাওয়া মানে জীবন থেকে চব্বিশটা ঘণ্টা ঝরে যাওয়া। এডিসন বলেছেন- ঈশ্বর যদি আমাকে জন্মভূমি বেছে নেবার অধিকার দিতেন, তাহলে আমি মঙ্গল গ্রহই বেছে নিতাম। কারণ মঙ্গল গ্রহের দিন পৃথিবীর চেয়ে চল্লিশ মিনিট বড়। অন্তত সে সময়টা বেশি কাজ করা যেতো।
মোট কাজ হলো :
সাফল্যের রহস্য লুকিয়ে আছে সময় বিভাজনে। চব্বিশ ঘণ্টার দিনটা আপনার কাছে আট ঘণ্টা, না বাহাত্তর ঘণ্টার হবে, সেটা নির্ভর আপনি কিভাবে সময় ব্যয় করছেন তার উপর। কেউ সারাদিনও কাজ করে কুলিয়ে উঠতে পারে না, আবার কেউ অত সময় নিয়ে কি করবেন ভেবে উঠতে পারে না। এই দু’পক্ষের কাছে সময় একটা বিড়ম্বনা। সময়ের সদ্ব্যবহার কি করে করবেন, তা না জানার জন্য এদের এমনটি হয়। সময় নষ্ট হওয়ার কারণ প্রধানত তিনটি
১। অমনোযোগ : কোনো কাজ করতে যতটা সময় লাগা উচিত, আপনি অমনোযোগী হয়ে সেটা সারতে দেরি করছেন। অথবা প্রয়োজনীয় উপকরণের অভাবে দেরি হচ্ছে।
২। দক্ষতা-যোগ্যতার অভাব : মনোযোগ ও প্রয়োজনীয় উপকরণ থাকা সত্ত্বেও দক্ষতা ও যোগ্যতার অভাবে কাজটি সারতে বেশি সময় নিচ্ছে।
৩। ব্যাঘাত সৃষ্টি : অন্য কেউ বা কোনো মোহ আপনার কাজে ব্যাঘাত ঘটাচ্ছেন। একটি বছরের গুরুত্ব বুঝতে চাইলে একজন ছাত্রের কাছে যানÑ যে বছরের শেষে পরীক্ষায় ফেল করেছে। একটি মাসের গুরুত্ব বুঝতে চাইলে একজন মায়ের কাছে যানÑ নির্ধারিত সময়ের আগেই যার অপরিণত সন্তানের জন্ম হয়েছে। একটি সপ্তাহের গুরুত্ব বুঝতে চাইলে সাপ্তাহিক পত্রিকার সম্পাদককে জিজ্ঞেস করুন। একটি ঘণ্টার গুরুত্ব বুঝতে চাইলে এমন এক তরুণ জুটি (প্রেমিক- প্রেমিকা)কে জিজ্ঞেস করুন- যারা একে অপরকে দেখার জন্য অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছে। একটি মিনিটের গুরুত্ব বুঝতে চাইলে এমন একজনকে জিজ্ঞেস করুন- যিনি অল্পের জন্য ট্রেনে উঠতে পারেননি। এক সেকেন্ডের গুরুত্ব বুঝতে চাইলে এমন একজানের কাছে যান- যিনি এক মুহূর্তের জন্য দুর্ঘটনার হাত থেকে বেঁচে গেছেন। এক মিলি সেকেন্ডের গুরুত্ব বুঝতে চাইলে এমন একজনকে জিজ্ঞেস করুন- যিনি রৌপ্য পদক জিতেছেন।
শেষ কথা, সময় কারো জন্যই অপেক্ষা করে না। সুতরাং প্রত্যেকটি মুহূর্ত থেকে সেরা কিছু অর্জনের চেষ্টা চালিয়ে যেতে হবে। টাইমকে ওয়েস্ট না করে রিস্ট করে তুলুন। আপনার নাগাল কেউ পাবে না।
সময় ব্যবস্থাপনা কি?
সময় ব্যবস্থাপনা হল এমন একটি উপায় বা দক্ষতা যে, আপনি আপনার বিশেষ কাজে কতক্ষণ সময় ব্যয় করবেন তার ব্যবস্থাপনা ও পরিকল্পনা করা। যখন আপনি সময় ব্যবস্থাপনা দক্ষতা ভালোভাবে শিখতে পারবেন ও নিয়ন্ত্রণ করতে পারবেন, তখন আপনি চাপ (ংঃৎবংং) থেকে মুক্তি পাবেন। তখন আরও বেশি রিলাক্স হবেন এবং আপনার চাপ (ংঃৎবংং) ও উদ্বিগ্নতা কমবে ।
তালিকা তৈরি করুন:
এমন একটি তালিকা তৈরি করুন যা আসলেই আপনি ব্যবহার করবেন। আপনি চাইলে আপনার ফোন অথবা ক¤িপউটারে রিমাইন্ডার দিয়ে রাখতে পারেন। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ব্যাপার হলো আপনার তালিকাটি সহজসাধ্য কিনা তা নিশ্চিত করুন। যেমন দেখা গেল আপনি ৩০টি তালিকা করলেন, অথচ তার মধ্যে ১০টিও করতে পারলেন না। নিজের ও অন্যের চাওয়ার দিকে গুরুত্ব দিন এবং পরিকল্পনা করুন। এমনকি আপনি চাইলে তিন ধরনের তালিকা তৈরি করুন- ব্যাক্তিগত, ঘরের ও কাজের।
নির্দিষ্ট সময়সীমা তৈরি করুন:
নির্দিষ্ট সময়সীমা ঠিক করুন এবং তাতে স্থির থাকার চেষ্টা করুন। কোন কাজের জন্য কতটুকু সময় ব্যয় করবেন তার সময়সীমা নির্ধারণ করুন। কাজগুলো স¤পন্ন করার আগে কিছুদিনের সময়সীমা নির্ধারণ করুন, তাতে অন্য কাজও আগাবে।
একসাথে অনেক কাজ করা বন্ধ করুন:
প্রায়ই দেখা যায় যারা বহু কাজ একসাথে করেন। তারা ভাবেন যে তারা বেশি কাজ স¤পন্ন করেছেন। কিন্তু সবসময় এটা কার্যক্ষম হয় না। আমাদের মন তখনই ভালো কাজ করে, যখন আমরা একটি কাজের দিকে মনোযোগ দিতে সক্ষম হই।
অন্যকেও দায়িত্ব দিন:
এটা গ্রহণ করুন যে, আপনি সবকিছু করতে পারবেন না এবং আপনার সীমাবদ্ধতার কথা মনে রাখুন। সত্যি ব্যাপার হলো যে, এটা কোনো ব্যাপার না যে, আমরা কতটা ভালো, আমরা সবকিছু করতে পারি কি না। মাঝে মাঝে আমরা সাধ্যের চেয়েও বেশি নিয়ে ফেলি। অন্যকে দায়িত্ব দেয়া মানে দুর্বলতা নয়, এটা বুদ্ধিমত্তার সংকেত। দক্ষ ও নির্ভরযোগ্য ব্যক্তি খুঁজুন এবং তাকেও কিছু দায়িত্ব দিন। এটি আপনার চাপ কমাবে এবং আরও কার্যক্ষম করবে।
নিখুঁত হওয়ার চেষ্টা করা বন্ধ করুন:
পৃথিবীতে কেউই নিখুঁত নয়। সাধারণ হয়ে থাকার মধ্যে কোনো ভুল নেই। যৌক্তিক লক্ষ্য নির্ধারণ করুন। এটা ভালো যে, নিজের সর্বোচ্চ চেষ্টা করুন তা কার্যক্ষম হবে। অর্জনসাধ্য নয় এমন কাজ শুধুই আপনাকে উদ্বিগ্ন করে তুলবে। তাই এটা মনে রাখুন যে “ঘড় ড়হব পধহ নব ঢ়বৎভবপঃ. “
নিজেকে পুরস্কৃত করুন:
যখন কোনো কাজ স¤পন্ন করেছেন, তা উদযাপন করুন। কিভাবে উদযাপন করবেন তা আপনার ব্যাপার। যাতে আপনি আনন্দ পান তাই করুন। যেমন পরিবার বা বন্ধুদের সাথে বেড়াতে যাওয়া।
কাজগুলোকে ভাগ করে নিন:
বড় বড় কাজগুলোকে ছোট ছোট করে ভাগ করুন এবং একটা একটা করে করুন।
সীমাবদ্ধতাকে সহজভাবে নিন:
নিজের সীমাবদ্ধতাগুলোকে গ্রহণ করুন এবং যা আপনার পক্ষে করা সম্ভব তার প্রতি যৌক্তিক প্রত্যাশা রাখুন।
তৈরি করুন কাজের তালিকা:
প্রতিদিনের কাজ প্রতিদিন করার অগ্রিম পরিকল্পনা করুন, কাজের তালিকা চোখের সামনে রাখুন।
বিশ্রাম নিন:
বিশ্রাম আপনাকে যে শক্তি ক্ষয় হয়েছে তা ফিরে পেতে সাহায্য করবে এবং কাজে উদ্যমী হবেন। সময় ব্যবস্থাপনার দক্ষতা আপনার দিনকে সহজ করবে। যা আপনার ক্ষেত্রে কাজ করে তাই করুন এবং তাতেই স্থির থাকুন।
সূচিপত্র
১) ছোটদের সাথে আমাদের আচরণ ২) পরিবার ও সন্তান, সুপার পাওয়ার যেভাবে তৈরি হয়, ৩) দীর্ঘস্থায়ী ভয়ের উৎপত্তির মূলে শৈশবকালে ঘটে যাওয়া ঘটনার প্রভাব , ৪) সন্তানের উৎসাহ এবং উদ্দীপনা বাড়ানো, ৫) আপনার শিশুটি ঘুমুক শান্তিতে এবং নির্ভরতায় , ৬) কিছু অব্যর্থ টিপস, যা আপনার শিশুকে পড়াশোনায় আগ্রহী করে তুলবে, ৭) শিশুকে কিভাবে বড় করবেন, ৮) বাচ্চাদের মস্তিষ্ক বিকাশে কী করবেন? ৯) বাচ্চাদের বুদ্ধি বিকাশের অন্যতম পথ, দৌড়, ১০) বাচ্চাকে কখনো আড়ালে লুকিয়ে খেতে দেবেন না, ১১) পিটার সিংগারের দর্শন, ১২) দুষ্টু শিশুরা তাড়াতাড়ি শেখে, ১৩) সন্তানকে যতই শাস্তি দেবেন ততই সে অসামাজিক হবে, ১৪) বাবা-মাই সন্তানকে নির্যাতন করেন সবচেয়ে বেশি , ১৫) সন্তানের সাথে কিভাবে গড়ে তুলবেন নিবিড় বন্ধন, ১৬) যে ১১টি কথা শিশুকে কখনোই বলবেন না!, ১৭) শিশুকে গল্প শোনান প্রতিদিন, ১৮) সন্তানের আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধির ১০টি কৌশল, ১৯) সৃজনশীলতা হচ্ছে নতুন কিছু করার যোগ্যতা, ২০) যারা মুখস্থ করতে পারেন না, ২১) তারা মেধাবী, মেধাবী হওয়ার উপায়,
২২) কথা ও ভাষা, ২৩) এলিভেটর পিচ, ২৪) সুন্দর করে কথা বলে সমস্যা জয়ের কৌশল, ২৫) ফোনে কথা বলার আদবকেতা, ২৬) ১২টি কর্ম বিধান, ২৭) ভালোবাসার অপর নাম প্রয়োজন, ২৮) আলতু-ফালতু কাজে সময় অপচয় করে স্বপ্ন পূরণের কল্পনা, ২৯) স্ট্রেস ম্যানেজমেন্ট, ৩০) চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিন পিং-এর জীবন থেকে শিক্ষা, ৩১) অভিজ্ঞতা ও অতীত থেকে শিক্ষা গ্রহণ, ৩২) বর্তমানকে সবচেয়ে বেশি মূল্য দিন, ৩৩) ২৪ ঘণ্টা কেউ সুখী হয় না, ৩৪) কিছু অভ্যাস যা আপনাকে আরও সুখী করবে , ৩৫) আপনার অবয়ব , ৩৬) সফলতার 25টি হট কৌশল-1, ৩৭) সাফল্যের 25টি হট কৌশল-2, ৩৮) সফলতার 55 সূত্র, ৩৯) কিভাবে নিজেকে নেতা হিসেবে গড়ে তুলবে, ৪০) সময় ব্যবস্থাপনা, ৪১) সময় ব্যবস্থাপনার তিনটি ধাপ, ৪২) সময়কে যথাযথভাবে কাজে লাগানোর উপায়গুলো, ৪৩) সাফল্য, ড. কোভের ইমোশনাল একাউন্ট কনসেপ্ট, ৪৪) সবচে বড় ইমোশনাল একাউন্ট, ৪৫) আপনার ইমোশনাল একাউন্ট, ৪৬) বুদ্ধি ও বিবেচনাবোধ বর্জিত কর্মফল বিপজ্জনক, ৪৭) অন্যদের দিয়ে আপনার কাজ করান কিন্তু সম্মান আপনি অর্জন করুন, ৪৮) অন্য লোকেরা আপনার কাছে আসুক দরকার হলে টোপ দিন, ৪৯) অসুখী এবং ভাগ্যহীনদের বর্জন করুন, ৫০) লোককে আপনার ওপর নির্ভরশীল করুন , ৫১) নেওয়ার পূর্বে দেওয়া অন্য বক্তির স্বার্থ বুঝুন, ৫২) শত্রুকে খাটো করে দেখবেন না, ৫৩) নিজেকে রক্ষা করার জন্য চারিদিকে দুর্গ নির্মাণ করবেন না, ৫৪) কারোর পক্ষ অবলম্বন করে বসে থাকবেন না, ৫৫) আপনার শক্তিসমূহকে সংহত করুন, ৫৫) নিজের ভুলগুলোকে লুকিয়ে রাখুন, ৫৬) শুধু সাহসের জোরে নয়, পরিণতিও বিবেচনায় রাখুন, ৫৭) প্রতিটি মানুষের গোপন ইচ্ছা খুঁজে বের করুন, ৫৮) রাগ বিপজ্জনক ও অভদ্রতা, ৫৯) কোনো দলকে ধরার জন্য দলপতিকে প্রথমে ধরুন, ৬০) নিজেকে গুরুত্বপূর্ণ মনে করুন, গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবেন, ৬০) পরিবেশ সামলাতে শিখুন, ৬১) প্রথম শ্রেণির মানুষ হয়ে উঠুন, ৬২) আপনার সামাজিক পরিবেশ ‘প্রথম শ্রেণি’র করে তোলার উপায়, ৬৩) ‘সস্তার তিন অবস্থা’ প্রধম শ্রেণিভুক্ত হয়ে উঠুন , ৬৪) যত বেশি বন্ধুত্ব তত বেশি উপরে ওঠার সম্ভাবনা, ৬৫) সাহস করে কাজটা শুরু করুন, ৬৬) সাফল্য মানে বারবার ভিন্নভাবে চেষ্টা করা, ৬৭) ১- ১০ ভাল অভ্যাস, ১১- ২০ ভাল অভ্যাস, ২১- ৩০ ভাল অভ্যাস, ৩১- ৪০ ভাল অভ্যাস, ৪১- ৫০ ভাল অভ্যাস, ৫১- ৬০ ভাল অভ্যাস, ৬১- ৭০ ভাল অভ্যাস, ৭১- ৮০ ভাল অভ্যাস, ৮১- ৯০ ভাল অভ্যাস, ৯১- ১০২ ভাল অভ্যাস, ৬৮) জিরো থেকে হিরো, ৬৯) সৃজনশীলদের সফলতার ৭ সূত্র, ৬৯) জীবনে পরিবর্তন আনুন ৪৮টি উপায়ে, ৭০) জীবন-যাপন, ৭১) জাপানী ও চিন লাইফ স্টাইল , ৭২) ৩০টি দর্শন, যা আপনার জীবনে কাজে লাগবে, ৭৩) সম্পর্ক তৈরি করা, বন্ধুত্ব, ৭৪) যে আচরণগুলো মানুষের মনের কথা জানাবে, ৭৫) কথা বলার সূত্র, ৭৬) আপনি ও আপনার ব্যবহার, ৭৭) নিজেকে সঠিকভাবে উপস্থাপন করা, ৭৮) কথা বলার কতিপয় গুরুত্বপূর্ণ নিয়ম, ৭৯) কিভাবে নিজেকে বিনয়ী হিসেবে উপস্থাপন করবেন, ৮০) কিভাবে বুদ্ধিদীপ্ত কথা বলবেন, ৮১) কথা বলার ৫টি বিস্ময়কর টেকনিক, ৮২) কিভাবে মানুষকে আকৃষ্ট করবেন? ৮৩) অকারণে সময় নষ্ট? মেল রবিনের ৫ সেকেন্ড রুল, ৮৪) কর্পোরেট আদবকেতা, ৮৫) ৩৫টি কর্পোরেট কালচার ও আপনার করণীয়, ৮৬) যা না জানলে লজ্জায় পড়তে হয় , ৮৭) কাজের সময়ে যে বিষয়গুলো একেবারেই করা উচিৎ না , ৮৮) ক্যারিয়ারে সাফল্য পেতে ছুড়ে ফেলুন ৭টি দোষ, ৮৯) আকাক্সক্ষা, ইচ্ছে বা স্বপ্ন,
৯০) বক্তৃতা প্রশিক্ষণ, কাজ কিভাবে করবেন? ৯১) আত্মশক্তিতে বলিয়ান হতে, ৯২) একনাগাড়ে চলবেন না, ৯৩) মারফিস ’ল , কাজের রোডম্যাপ তেরি , ৯৪) জব স্যাটিসফেকশন, ৯৫) কাজে সফলতার সূত্রাবলী, ৯৬) যেভাবে জীবনযাপন করবেন, ৯৭) পরিণত বুদ্ধির মানুষেরা যে কাজগুলো কখনোই করেন না, ৯৮) জীবনে দক্ষতা অর্জনের কার্যকর ১২টি উপায়, ৯৯) সঠিক লক্ষ্য নির্ধারণ ও কাজ করার উপায় , ১০০) সফলতা ও সার্থকতা, ১০১) জীবনের ছোট ছোট প্রাপ্তিগুলোকে উপভোগ করা, ১০২) সফলতার কিছু পদ্ধতি, ১০৩) সফল হতে চাইলে যে ৮ টি জিনিস বাদ দেয়া প্রয়োজন, ১০৪) সফল ব্যক্তিরা যে ১০টি কাজ কখনোই করেন না, ১০৫) সর্বদা স্মরণ রাখুন, ১০৬) চিন্তাশক্তি , ১০৭) স্বাধীনতা, ১০৮) জ্ঞান অর্জন খাদ্য গ্রহণের মতো , ১০৯) দৃঢ় প্রতিজ্ঞ হয়ে চেষ্টা করলে কখনোই বিফল হবেন না, ১১০) বুদ্ধির সংজ্ঞা হলো, প্রতিটি কাজ ভেবে-চিন্তে করা, ১১১) ব্যক্তিত্ব, চেহারা ও ব্যক্তিত্ব , ১১২) সেলডন-এর গবেষণা , ১১৩) ব্যক্তিত্ব ও উচ্চারণ, ১১৪) পোশাক ও ব্যক্তিত্ব, ১১৫) প্রথম দেখায় ব্যক্তিত্বের ছাপ, ১১৬) বিচ্ছিন্নতা ব্যক্তিত্বের বড় শত্রু, ১১৭) ব্যক্তিত্বে জিনগত প্রভাব, ১১৮) অন্তর্মুখী ও বহির্মুখী ব্যক্তিত্ব, ১১৯) মনোমুগ্ধকর ব্যক্তিত্বের ১০ বৈশিষ্ট্য, ১২০) ব্যক্তিত্বের উৎকর্ষতার জন্যে ১০ নির্দেশনা, ১২১) কিভাবে ব্যক্তিত্বের বিকাশ ঘটাবেন? , ১২২) নিজেকে স্মার্ট করতে ৫টি কৌশল, ১২৩) আকর্ষণীয় মানুষ হবার ৬টি পরামর্শ, ১২৪) আত্মশুদ্ধি , ১২৫) হতাশ হবেন না, ১২৬) পাছে লোকে কিছু বলে, ১২৭) সুখ-শান্তি উন্নতি , ১২৮) চাহিদা, ১২৯) খাদ্য, ঘুম ও বিশ্রাম, ১৩০) স্বাস্থ্য ভাল রাখার নিয়ম, ১৩১) টেনশন দূর করতে হলে, ১৩২) শুধু নিজের কথা নয়, অন্যের কথাও ভাবুন, ১৩৩) চাহিদা যত বেশি সুখ তত কম, ১৩৪) সুখী জীবনের জন্য ১৮ টি টিপস, ১৩৫) আত্মবিশ্বাস, আত্ম বিশ্বাসের শক্তি, ১৩৬) অজুহাতের ব্যাধিতে আক্রান্ত ব্যর্থ মানুষ, ১৩৭) দি সেভেন হ্যাবিট অফ হাইলি এ্যা ফেক্টিভ পিপল, ১৩৮) সামাজিক আয়না, ১৩৯) প্রোএ্যাক্টিভিটি, ১৪০) সার্কেল অফ ইনফ্লুয়েন্স, ১৪১) শুরু করুন আজই, ১৪২) আপনার কেন্দ্রবিন্দু কোনটি?, ১৪৩) মাথার দুটি অংশই ব্যবহার করুন, ১৪৪) সময়ের ব্যবস্থাপনা, ১৪৫) ব্যক্তিগত ব্যবস্থাপনা, ১৪৬) গুরুত্বপূর্ণ এবং জরুরি, ১৪৭) পরনির্ভরশীল জীবন, ১৪৮) ছয়টি উপায়ে অন্য মানুষের সাথে আদান-প্রদান, ১৪৯) অধ্যয়ন, ১৫০) পড়াশোনায় ১২ কার্যকর কৌশল, ১৫১) ঘুম থেকে উঠতে ১০-৩-২-১-০ ফর্মুলা, ১৫২) আয়-ব্যয়- টাকা, ১৫৩) অন্যকে খুশি করতে পয়সা খরচ যে কারণে অর্থহীন, ১৫৪) খরচের লাগাম টেনে ধরতে.. ১৫৫) নারী, ১৫৬) সম্পর্ককে সুন্দর রাখতে কিছু “মিথ্যা” বলা জরুরী , ১৫৭) ছেলেদের কোন জিনিস দেখে মেয়েরা? , ১৫৮) স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর কিছু অভ্যাস, ১৫৯) ভুঁড়ি ঠেকাতে ৫টি নিয়ম, ১৬০) যেসব কারণে নারীদের স্বাবলম্বী হওয়া উচতি , ১৬১) বিয়ে-সংসার, ১৬২) সফল বিয়ের তিনটি মন্ত্র, ১৬৩) সুখী হবার দারুণ কিছু মূলমন্ত্র, ১৬৪) কিছু গল্প, ১৬৫) ভালোবাসাহীন সম্পর্ক, ১৬৬) কেন স্পর্শের প্রয়োজন হয় প্রতিদিন, ১৬৭) যে কারণে একা থাকাই আপনার জন্য ভালো, ১৬৮) ব্যবসা, ১৬৯) বিক্রয় বৃদ্ধির কৌশল, ১৭০) যে ৭টা ব্যাপার বিজনেসে করবেন না, ১৭১) স্বাস্থ্য, ১৭২) দুগ্ধজাত খাবারে পুরুষের বন্ধ্যত্ব, ১৭৩) একাকিত্বের বিপদ, ১৭৪) কর্মক্ষম ও প্রফুল্ল রাখতে, ১৭৫) মন ভালো করার উপায়, ১৭৬) যৌন স্বাস্থ্য, ১৭৭) পুরুষদের কেজেল, ১৭৮) মহিলাদের কেজেল, ১৭৯) দক্ষতা , ১৮০) আলসেমি দূর করার সহজ কিছু উপায়, ১৮১) কীভাবে সামলাবেন নিন্দুকদের ?, ১৮২) সুখী হতে চাইলে যা কখনোই করবেন না, ১৮৩) সব ভুলে যাচ্ছেন? স্মৃতিশক্তি চাঙ্গা রাখতে ৫টি টিপস, ১৮৪) বয়সের ভারে বৃদ্ধ না হয়ে বরং কাজের ভারে যুবক থাকার চেষ্টা করো, ১৮৫) নিজেকে কাজের সঙ্গে সম্পক্ত করার তিনটে স্টেপ, ১৮৬) জীবনের লক্ষ্য নির্ধারণে দ্রুত পদ্ধতিগুলো, ১৮৭) প্রতিদান পাওয়ার আশায় কাজ করবেন না, ১৮৮) প্রেম একটি মানসিক রোগ, ১৮৯) সম্পর্ক ভেঙ্গে যাবার পর নিজেকে যেভাবে সামলাবে, ১৯০) সময় সবকিছু বদলে দেয়, ১৯১) সম্পর্ক তৈরির ক্ষেত্রে কমন পাঁচটি ভুল, ১৯২) আত্মবিশ্বাস/মনোবল, ১৯৩) প্যারাসুট অফ হ্যাপিনেস, ১৯৪) বারবার ঘুরে দাঁড়াতে হবে, ১৯৫) আত্মবিশ্বাসহীন মানুষের লক্ষণ, ১৯৬) বাড়াও আত্মবিশ্বাস, বাড়বে সফলতা, ১৯৭) প্রাতিষ্ঠানিক সম্পর্ক শক্তিশালী করার টিপস, ১৯৮) কিভাবে ধরে রাখবে দু'জনের সম্পর্ক, ১৯৯) কিভাবে বুঝবে সম্পর্ক শেষ করতে হবে, ২০০) সম্পর্ক যখন প্রেম-ভালোবাসার, ২০১) যেসব বিষয়ের উপর স¤পর্ক গড়ে ওঠে, ২০২) ভালোবাসার অপর নাম প্রয়োজন, ২০৩) সম্পর্কের গুণগত মান বাড়বে কিভাবে, ২০৪) মস্তিস্ক ঠিক রাখার ৩০ উপায়, ২০৫) মানুষের আচরণের পেছনে একটা কারণ থাকে, ২০৬) কোনো কাজে নিজেকে সম্পক্ত না করেই আমরা নিজ ক্যারিয়ারকে এগিয়ে নিয়ে যাই ২০৭) স্রোতের বিপরীতে চিন্তা করুন, ২০৮) আপনার টাইমজোনে সময় আসবেই, ২০৯) চাইল্ডহুড অ্যামনেসিয়া এবং আমাদের শিক্ষণীয়,