অভ্যাস ৩৩। ভদ্রতা হচ্ছে সেরা বিনিয়োগ
ভদ্রতা সামান্য বিনিয়োগ, কিন্তু প্রতিদান অনেক বেশি। ভদ্র ব্যবহার যে পায় তারও আত্মমর্যাদা বেড়ে যায়। ভদ্রতার বীজ ছড়িয়ে দিন। ভদ্র ব্যবহার অপরের চোখে আপনাকে উন্নত মানুষরূপে প্রতিভাত করবে।
সৌজন্যবোধ ও আদবকায়দা হাত ধরাধরি করে চলে। বাড়িতেও আদবকায়দা অনুশীলন করা দরকার, বেশিরভাগ লোকই এটা এড়িয়ে চলে। বাচ্ছাদেরও অল্প বয়সে সৌজন্যবোধ শিক্ষা দেওয়া উচিত, একবার শিখলে তা সারা জীবন থাকবে। স্মরণ রাখা দরকার, ভদ্র ব্যবহার অন্যকেও ভদ্র ব্যবহারে অনুপ্রাণিত করে। সেজন্য ভদ্র ব্যবহার অনুশীলন করা দরকার। অন্য কেউ আপনার সাথে যত অভদ্র আচরণ করুক না কেন আপনি ভদ্র ব্যবহারের মাধ্যমে এই জঘন্য রুচিকে প্রতিহত করুন।
অভ্যাস ৩৪। দয়া ও মমত্ববোধ দেখান
টাকা দিয়ে একটি ভালো কুকুর কিনতে পারেন, কিন্তু তার প্রতি দয়া না দেখালে সে লেজ নাড়বে না। দয়া এমন একটি ভাষা, যা বধিরও শুনতে পায়, অন্ধও দেখতে পায়।
এক বালক একটি কুকুরছানা কিনতে দোকানে গেলো। চারটি ছানার প্রত্যেকটির দাম ৫০ ডলার। এক কোণে আর একটি কুকুরছানা একা বসেছিলো। ছেলেটি জিজ্ঞেস করলো, ঐ বাচ্ছাটিও এক মায়ের বাচ্চা কিনা এবং ঐ বাচ্চাটিও বিক্রির জন্য আছে কিনা। দোকানের মালিক বললো, ঐ বাচ্চাটিও অন্যগুলোর সঙ্গে একই মায়ের বাচ্চা; কিন্তু ঐ বাচ্চাটির অঙ্গহানি আছে বলে ঐটি বিক্রির জন্য নয়।
ছেলেটি জিজ্ঞেস করলো, কি ধরণের অঙ্গহানি আছে। দোকানদার বললো যে, বাচ্চাটির একটি পা নেই। ছেলেটি জিজ্ঞেস করলো, এটিকে নিয়ে আপনি কি করবেন? জবাব এলো, একে চিরতরে ঘুম পাড়িয়ে দেয়া হবে। ছেলেটি বাচ্চা কুকুরটির সঙ্গে একটু খেলতে চাইলে দোকানদার মত দিলো।
ছেলেটি তখন কুকুরটিকে কোলে নিতেই, কুকুরটি তার হাত চেটে দিলো। সঙ্গে সঙ্গে ছেলেটি ঠিক করলো যে সে কুকুর বাচ্চাটি কিনবে। দোকানদার বললো, তুমি এই বিকলাঙ্গ কুকুরছানাটির জন্য ভালো কুকুরছানার দাম দেবে কেন? ছেলেটি কিছু না বলে তার ট্রাউজারের কিছুটা তুলে দেখালোÑ সে একটি নকল পা পরে আছে। ছেলেটি বললো, আমি এর জন্যও একটি নকল পা বানাবো। সে সব সময় আমার সঙ্গে থাকবে। একেই বলে সহমর্মিতা।
অভ্যাস ৩৫। সবার উপরে মানুষ সত্য
এই পৃথিবীতে ভণ্ড, প্রতারক, মিথ্যাবাদী, লোভী, অহংকারী যেমন আছে, তার উল্টোটাও আছে। আছে অনেক হৃদয়বান, উদার মহানুভব, সত্যবাদী মহামানব। আসলে আমাদের প্রত্যেক মানুষকে সমানভাবে ভালোবাসা দরকার। কে ধনী, কে গরিব, কে পীর, কে বাটপার তা পরখ করা নয়। কারণ প্রত্যেকে আমরা একে¯ অপরের উপরে নির্ভরশীল। একদিন পেট আর পায়ের মধ্যে কথা কাটাকাটি হচ্ছিল- কার শক্তি বেশি তা নিয়ে। পা পেটকে বলল, তোমাকে আমি বহন করে নিয়ে বেড়াই। তাই তোমাকে স্বীকার করতেই হবে যে, আমারই শক্তিই বেশি। পেট বলল, আমি খাবার খেয়ে হজম করি, তোমায় পুষ্টি জোগাই, তা না হলে তুমি হাঁটতে পারতে কি করে? পা ও পেট এভাবে নানা যুক্তি দিয়ে নিজেদের শক্তিশালী প্রমাণের চেষ্টা করলেও তারা শেষ পর্যন্ত স্বীকার করতে বাধ্য হয় জীবন বাঁচানোর জন্য তার দুজনেই সমান গুরুত্বপূর্ণ।
অভ্যাস ৩৬। স্থায়ী বন্ধু রাখতে গেলে টাকা ধার দেবেন না, ধার চাইবেনও না।
বন্ধুত্ব টিকিয়ে রাখতে চাইলে ধার দেবেন না, ধার নেবেন না। টাকা ধার দিলে বন্ধু হারাবেন ও একজন শত্রু তৈরি করবেন।
বাংলাদেশের একটা বিপুল সংখ্যক মানুষ মনে করে কারো কাছ থেকে টাকা ধার নিলে সেটা ফিরিয়ে দেওয়ার দরকার নেই। টাকা ধার দেওয়ার পরে আপনি বুঝতে পারবেন যে টাকা ধার দিয়ে আপনি নিজেই বরং বিপদে পড়ে গেছেন। আপনি একজনকে বিপদ থেকে উদ্ধার করতে গিয়ে উল্টা নিজেই পড়েছেন মহাবিপদে। আজ দেব কাল দেব করে টাকা দিচ্ছে না। এক পর্যায়ে এমন পরিস্থিতিও দাঁড়ায় যে সে আপনাকে দেখলে মাথা নিচু করে চলে যাবে। পুরো পৃথিবীর মধ্যে বাংলাদেশ পৃথিবীর এক মাত্র দেশ যেখানে টাকা পয়সা অন্য ব্যক্তির কাছ থেকে ধার নেওয়া হয় এবং আশ্চর্যজনকভাবে এই সমস্ত ধার দেনার কোন লিখিত ডকুমেন্ট রাখা হয় না। কাউকে ধার দিবেন না । । আপনার কষ্টার্জিত টাকা ধার দেওয়া মানে তাকে আপনার শত্রুতে পরিণত করা। আপনি অযথা মানুষকে শত্রুতে পরিণত করতে যাবেন? হ্যা, যদি কাউকে টাকা ধার দিতে হয়, তাহলে তা একেবারেই দিন উপহার হিসেবে। ফেরতের আশা করবেন না। আবার কারো কাছ থেকে ধার নিবেনও না। পেটে-ভাতে কষ্ট করে চলবেন। প্রয়োজনে পানি খেয়ে চলবেন; না খেয়ে থাকবেন। তারপরেও কারো কাছ থেকে টাকা ধার করবেন না। যাদের অল্প দিনের জন্যে টাকা ধার নিতে হয়, তারা ক্রেডিট কার্ড নিতে পারেন। এতে অন্যকেও বিব্রত আর বিরক্ত করে হলো না, আবার নিজের মান সম্মান ও বাঁচলো।
অভ্যাস ৩৭। কারো জন্য জীবন থেমে যায় না
আমরা কেউ চাই না সুন্দর এই পৃথিবী ছেড়ে চলে যেতে। জীবন একটাই, এর চেয়ে বড় সত্য আর কিছু নেই। এই জীবন অন্য কারোর জন্য নয়, প্রত্যেকের নিজের জন্যই বেঁচে থাকতে হয়। অন্য কারও উপর অভিমান করে মহামূল্যবান জীবনটা নষ্ট করার মধ্যে কোনো মহাত্ম নেই। সামান্য একজন মানুষের ভুল ভালোবাসা পাওয়ার জন্যে মিছামিছি আবেগের বলি হয় সুন্দর একটা জীবনের। আসলে ভালোবাসা সুন্দরতম অনুভূতির নাম। ভালোবাসা যেখানে থাকবে, সেখানে দুঃখ থাকবে, হাসি থাকবে, কান্না থাকবে, কষ্ট থাকবে। আর সব মিলিয়েই জীবন।
একটা ছেলে একটা মেয়েকে অনেক ভালবাসতো, ছেলেটি মেয়েটিকে প্রপোজ করল, তখন মেয়েটি না করে দিল। ছেলেটির বন্ধুরা ভাবলো ছেলেটি এবার হয়তো ড্রাগ, অ্যালকোহল নেয়া শুরু করবে এবং নিজের জীবনটাকে ধ্বংস করবে। কিন্তু তারা অবাক হল যখন ছেলেটি এসবের কিছুই করল না। ছেলেটি বললো, “আমার কেন খারাপ লাগবে? আমি এমন একজনকে হারিয়েছি; যে কখনোই আমাকে ভালবাসেনি, আর সে এমন একজনকে হারিয়েছে; যে সত্যিই তাকে অনেক ভালবাসতো।”
এটাই চরমভাাবে সত্যি যে, এই বিশাল পৃথিবীতে কারও জন্যে সব শেষ হয়ে যায় না। নিজের মতো করে বাঁচতে চাইলে বাঁচার অনেক পথ আছে। সুন্দরভাবে বাঁচার আনন্দও আছে। একটা হাত সরে গেলেও হাজারটা হাত থাকে। পৃথিবীর কোনো না কোনো প্রান্তে সেই প্রসারিত হাত অপেক্ষার প্রহর গুনে বসে থাকে আপনাকে পূর্ণ করবে বলে। যে যেতে চায় তাকে যেতে দাও,। যে কটা দিন বাঁচবে মাথা উঁচু করে বাঁচবে। হেরে যাওয়া নয়, জয় ছিনিয়ে আনাই হোক জীবনে বেঁচে থাকার লক্ষ্য।
অভ্যাস ৩৮। আপনি কি হেরে যাচ্ছেন কিছু মানুষের সমালোচনার তোপে?
কিছু মানুষ কি আপনার সব কিছুকেই নেগিটিভলি নিচ্ছে এবং আপনার মন খারাপ হয়ে যাচ্ছে অযথাই? আসুন জেনে নিই কেমন করে জীবনে তাদের সহ্য করবেন ?
# নির্লিপ্ত থাকুনঃ যখন কেউ আপনার স¤পর্কে নেতিবাচক কথা বলবে সবসময় তখন পাল্টা জবাব না দিয়ে নির্লিপ্ত থাকুন। ঠিক তার চোখের দিকে তাকিয়ে হাসুন। সে নিজেই লজ্জা পেয়ে যাবে আপনার নির্লিপ্ততায়।
# প্রশংসা করুনঃ তার ব্যক্তিগত জীবনের ছোট ছোট অর্জনগুলোর প্রশংসা করুন। দেখবেন সে দ্বিধাবোধ করছে পরের বার আপনার প্রতি নেতিবাচক মনোভাব প্রকাশ করতে ।
# সঠিক সময়ে না বলতে শিখুন। কোন আড্ডায় আপনাকে ছোট করা হচ্ছে? খুব শান্ত স্বরে বলুন "আমরা কি ভিন্ন কোনো বিষয়ে কথা বলতে পারি? নয়তো আমার এখন চলে যাওয়া উচিত"।
মোট কথাঃ আপনি যখন অন্যের ব্যাপারে নেতিবাচক কথা শুনতে অনাগ্রহ প্রকাশ করবেন। তখন আপনার বন্ধুটিও আপনার ব্যপারে নেতিবাচক কথপোকথনে প্রতিবাদ করবে। এভাবেই গড়ে তুলতে হবে একটি সভ্য সমাজ
অভ্যাস ৩৯। প্রতিযোগিতা নয়, সহযোগিতা
একবার এক ইঁদুর লক্ষ্য করল যে বাড়িতে ইঁদুর মারার ফাঁদ পাতা রয়েছে। সে খুবই ভয় পেল। ফাঁদটি অকেজো করার জন্য সে ওই বাড়িতে থাকা মুরগির সাহায্য চাইল। মুরগি ঘটনা শুনে জবাব দিল- “ফাঁদটি আমার কোনো ক্ষতি করতে পারবে না। অতএব আমি এখানে কেনো সাহায্য করতে পারব না”।মুরগির কাছ থেকে এই উত্তর শুনে ইঁদুর খুব দুঃখিত হল এবং ছাগলের কাছে গিয়ে সাহায্য চাইল। ছাগল ফাঁদের কথা শুনে বলল-“ওই ফাঁদ বড়দের জন্য নয়। আমি এখানে আপনাকে কোনো সাহায্য করতে পারব না”।
ইঁদুর ছাগলের কাছ থেকে একই উত্তর শুনে দুঃখিত হয়ে গরুর কাছে এলো। সব কথা শুনে গরু বলল-“ইদুরের ফাঁদ আমার মত বড় প্রাণীর কোনো ক্ষতিই করতে পারবে না। যা আমার কেনো ক্ষতি করতে পারবে না- তাতে আমি সাহায্য করতে পারব না”।
ইঁদুর শেষ পর্যন্ত নিরাশ হয়ে তার ঘরে ফিরে এলো। রাতের বেলা বাড়ির কর্ত্রী অন্ধকারের ভিতর বুঝতে পারলেন যে ফাঁদে কিছু একটা ধরা পড়েছে। অন্ধকারে ফাঁদের কাছে হাত দিতেই উনি হাতে কামড় খেলেন এবং দেখলেন ফাঁদে ইঁদুরের বদলে সাপ ধরা পরেছে। তার চিৎকারে কর্তার ঘুম ভাঙল। তাড়াতাড়ি ডাক্তার ডাকা হল। চিকিৎসা শুরু হয়ে গেল। কিন্তু অবস্থা মোটেই ভালো না।
পথ্য হিসেবে ডাক্তার মুরগির স্যুপ খাওয়াতে বল্লেন। স্যুপের জন্য কর্তা মুরগিকে জবাই করে দিলেন। অবস্থা আস্তে আস্তে আরও খারাপ হতে লাগলো। দূরদূরান্ত থেকে আরও অনেকে আত্মীয়-স্বজন আসতে লাগলো। বাধ্য হয়ে কর্তা ছাগলকে জবাই করলেন তাদের আপ্যায়ন করার জন্য।
আরও ভালো চিকিৎসার জন্য অনেক টাকার দরকার হতে লাগলো। অবশেষে বাড়ির কর্তা তাদের গরুটিকে কসাইখানায় বিক্রি করে দিল।
একসময় বাড়ির কর্ত্রী সুস্থ হয়ে উঠল। আর এই সমস্ত কিছু ইঁদুরটি তার ছোট্ট ঘর থেকে পর্যবেক্ষণ করল। সহযোগিতার অভাবে সবাইকে জীবন দিতে হল।
অভ্যাস ৩৯। মানুষ বড় হয় তার কর্মে
একবার এক লোক মাইক্রোসফটের অফিসে কেরানির পদে চাকরির জন্য ইন্টারভিউ দিতে গেল। ইন্টারভিউতে পাস করার পর তার কাছে ই-মেইল আইডি চাওয়া হল অ্যাপয়েন্টমেন্ট লেটার পাঠাতে হবে বলে। লোকটি বললো তার কোনো ই-মেইল আইডি নেই। প্রশ্নকর্তা এটা শুনে বললেন, ‘এই যুগে বসবাস করেও আপনার ই-মেইল আইডি নেই? তাহলে এমন মানুষের আমাদের দরকার নেই। এ বলে তাকে চাকরি না দিয়ে ফিরিয়ে দেয়া হল। লোকটির কাছে কিছু টাকা অবশিষ্ট ছিল। ২০ টাকা দরে তিনি বাজার থেকে টমেটো কিনলেন। সেই টমেটো ৩০ টাকা করে বিক্রি করলেন। তিনি একইভাবে টমেটো বিক্রি করে বেশ ভাল টাকা আয় করলেন। আস্তে আস্তে তিনি টমেটো বিক্রির জন্য ঠেলাগাড়ি কিনলেন, দোকান দিলেন, আর তারপর সুপার শপ দিলেন। এভাবে, তিনি এক সময় বিশাল ব্যবসায়ী হয়ে গেলেন। এখন তিনি একজন কোটিপতি ব্যবসায়ী। তার সাক্ষাৎকার নিতে এক সাংবাদিক এলেন।
এ কথা সে কথার পর সাংবাদিক তার ই-মেইল আইডি চাইলেন। লোকটি এবারও জানালেন, তার কোনো ই-মেইল আইডি নেই। সাংবাদিক অবাক হয়ে বললেন, আপনি এত বড় একজন মানুষ আর আপনার ই-মেইল আইডি নেই! এটা কিভাবে সম্ভব! তখন লোকটি হেসে বললেন, আমার যদি ই-মেইল আইডি থাকতো, তবে আমি আজ মাইক্রোসফটের কেরানী হয়েই থাকতাম।
শিক্ষণীয় হলো : কারো দামি ফোন না থাকলে তাকে তুচ্ছ করতে নেই। মানুষ বড় হয় তার কর্মে।
অভ্যাস ৪০। অন্যকে দমিয়ে নিজে বড় হতে চাইবেন না।
এক শিক্ষক ব্ল্যাকবোর্ডে একটা দাগ এঁকে তার ছাত্রদের বলেছিলেন দাগটা ছোট করতে। প্রত্যেকে দাগটি মুছে মুছে ছোট করলেও একজন ওই দাগটির পাশেই বড় একটি দাগ এঁকে শিক্ষকের আঁকা দাগটিকে ছোট করে দিলেন।
আমাদের মানসিকতা অনেকটা ওই বেশি সংখ্যক ছাত্রের মতই। আমরা চাই অন্যকে দমিয়ে রেখে নিজে বড় হতে। এটা আমাদের সহজাত ধর্ম। মূলত এটাই মহামানবদের সাথে আমাদের পার্থক্য গড়ে দেয়। সবকিছুই মানসিকতার পার্থক্য।
কারো কাছে অর্থ-ক্ষমতা- প্রতিপত্তিই সব। আবার কেউ সম্মানটাকেই সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেন। কেউ চায় টাকার বিছানায় ঘুমাতে, টাকার উপর মরতে। আর কেউ চায় মরে গিয়েও অমর হতে। সবকিছুই নির্ভর করে দৃষ্টিভঙ্গির উপর।
আমরা আসলে জিততে চাই না। আমরা চাই অন্যকে হারিয়ে দিতে। শুধু কি তাই, হারিয়ে দেয়ার মধ্যে আবার পৈশাচিক আনন্দও খুঁজে বেড়াই। যেমন-বাংলাদেশী পর্যটকের অভাবে কলকাতার ব্যবসায়ীরা অনাহারে মরছে। এই ধরনের খবর প্রচার করা, শেয়ার করা খুবই গরীব মানসিকতার পরিচায়ক। আমাদের লক্ষ্য থাকা উচিৎ জেতার, তবে অন্যকে দমিয়ে দিয়ে নয়।
অভ্যাস ৪১। সহজে নিজেকে স্মার্ট করে তুলুন ৫টি কৌশলে
আপনি দেখতে-শুনতে যথেষ্ট ভালো, পোশাক-আশাকও হালফ্যাশনের পরেন, তবুও কি আপনাকে সবাই আনস্মার্ট বলে? আপনার সামনে কেউ কিছু না বললেও আপনার আড়ালে কি আপনাকে নিয়ে সবাই হাসাহাসি করে? অথবা খ্যাত বলে ডাকে? সবকটি প্রশ্নের জবাব যদি হ্যাঁ হয়, তাহলে বুঝতে হবে, আপনার নিজেকে উপস্থাপনে কমতি রয়েছে। স্মার্টনেস মানেই দেখতে ভালো লাগা বা ট্রেন্ডি পোশাক পরা নয়। স্মার্টনেস হলো অভ্যন্তরীণ মানসিক ব্যাপার। আপনি যা, নিজেকে ঠিক সেভাবেই উপস্থাপন করা হলো স্মার্টনেস। ঠিক কীভাবে নিজেকে সবার কাছে উপস্থাপন করবেন তা যদি বুঝে উঠতে না পারেন, তাহলে নিজের মধ্যে কিছু ছোট ছোট পরিবর্তন নিয়ে আসুন। খুব সাধারণ কিছু কৌশল অবলম্বন করে আপনিও হয়ে উঠতে পারেন স্মার্টনেস।
১. কথা বলুন বুঝে শুনে :
আপনার কি অনেক কথা বলার অভ্যাস? তাহলে বাড়তি কথা বলা একটু কমিয়ে দিন। যতটুকু প্রয়োজন কথা ঠিক ততটুকু বলার অভ্যাস করুন। কখন, কোথায়, কী বলতে হবে তা বোঝার চেষ্টা করুন। কথা বলুন বুঝেশুনে এবং গুছিয়ে। আপনি কী বলতে চাইছেন তা যেন আপনার বক্তব্যে পরিষ্কার বোঝা যায়।
২. খাবার খান নিঃশব্দে :
যাঁরা শব্দ করে খাবার খান তাঁদের কেউ পছন্দ করে না। সকলেই তাঁদের দিকে বিরক্তির চোখে তাকায়। নিঃশব্দে খাবার অভ্যাস করুন। খাবার ধীরে ধীরে চিবিয়ে খান, এতে শব্দ কম হবে। খাবার সময় যতটা সম্ভব কম কথা বলুন। খাবার খাওয়ারও কিছু নিয়ম-কানুন আছে সেগুলো শিখে নিন। যেমন চামচ, কাঁটা চামচ, ছুরি ব্যবহারের নিয়ম, ন্যাপকিন ব্যবহারের নিয়ম, কোনটার পরে কী খেতে হয় ইত্যাদি। আপনার খাবার ধরণ আপনার স্মার্টনেস বাড়িয়ে তুলবে বহু গুণ।
৩. পোশাক পরুন রুচিশীল :
হালফ্যাশনের বা ট্রেন্ডি পোশাক পরা মানেই স্মার্ট হওয়া নয়। আপনাকে পোশাকটা আদতে মানাচ্ছে কি না, সেটাই হলো আসল কথা। পোশাক যদি ঠিকমতো নির্বাচন না করতে পারেন তাহলে আপনার স্মার্টনেস অনেকাংশেই মার খেয়ে যাবে। তাই পোশাক পরুন নিজের ব্যক্তিত্ব অনুযায়ী। হালফ্যাশনের পোশাক নিয়ে দ্বিধা-দ্বন্দ্ব থাকলে বেছে নিন ট্র্যাডিশনাল বা সব সময়েই যেসব পোশাকের চল থাকে, সেই পোশাকগুলো। যেমন শাড়ি, সাধারণ ছাঁটের সালোয়ার-কামিজ, স্কার্ট, ফর্মাল শার্ট, প্যান্ট, স্ট্রেইট কাটের জিন্স, পোলো টিশার্ট ইত্যাদি। কী রঙের পোশাক বেছে নেবেন তা বুঝতে না পারলে পরুন হালকা রঙের পোশাক। হালকা রং সবাইকেই মানিয়ে যায়।
৫. হেসে কথা বলুন এবং ভালো ব্যবহার করুন :
হেসে, সুন্দর করে কথা বলাও স্মার্টনেসের পরিচায়ক। তাই বলে কথায় কথায় হো হো করে হাসবেন না যেন! এটাও শোভন নয়। স্মিতহাস্যে কথা বলুন সবার সাথে। মানুষটি যদি বিরক্তিকরও হয়, আপনার কথা শুনে সে যেন আপনার বিরক্তিটুকু ধরতে না পারে। মোট কথা, আপনার সাথে কথা বলে যেন কারো মনে না হয় আপনি রূঢ় আচরণ করছেন। স্মরণী: জীবনে উন্নতির পথে পথে যাদের সঙ্গে দেখা হবে তাদের সঙ্গে ভালো ব্যবহার করুন, কারণ জীবনের প্রয়োজনে বারবার তাদের সঙ্গেই দেখা হবে।
৪. নূন্যতম সৌজন্যতাবোধ :
সব জায়গাতেই কিছু ন্যূনতম সৌজন্যতা মেনে চলা উচিত। এতে যেমন বুদ্ধিমত্তার পরিচয় পাওয়া যায় তেমনি স্মার্টনেসেরও পরিচয় পাওয়া যায়। যেমন খুব জোরে জোরে কথা বলবেন না। বিশেষ করে কর্মক্ষেত্রে। ধুপধাপ পা ফেলে না হেঁটে নিঃশব্দে হাঁটার চেষ্টা করুন। কারো সাহায্য নেবার পর ধন্যবাদ জানানোও কিন্তু সৌজন্যতাবোধের মধ্যে পড়ে। কাউকে বিরক্ত করলে ‘দুঃখিত’ বলুন। এগুলো খুবই ফর্মাল আচরণ মনে হলেও সৌজন্যতাবোধের বহিঃপ্রকাশও বটে! আপনার মনের অবস্থা যদি খারাপও হয়, ভালো ব্যবহার করুন সবার সাথে। অল্পতেই বিরক্ত হবেন না বা রেগে যাবেন না। ধৈর্য ধরে ধীরস্থিরভাবে সবার সাথে ভালো ব্যবহার করে যান। প্রতিটা সময় ভালো আচরণ আপনাকে গড়ে তুলবে একজন স্মার্ট মানুষ হিসেবে।
অভ্যাস ৪২। একবারে একটি কাজই করুন
একসাথে হাজারো কাজে নিবিষ্ট না হয়ে একটি কাজই করুন এবং সেটি মন দিয়ে করুন। ই-মেইল লেখা হোক, বাচ্চার সাথে খেলা হোক, যা-ই করেন না কেন স¤পূর্ণ একাগ্রতা নিয়ে করুন। এক মিনিটের কাজও শতকরা একশভাগ একাগ্রতা নিয়ে করুন।
যখন আপনাকে কেউ ডাকবে, তখন হাতের কাজ একটু বন্ধ রেখে তার সাথে মন দিয়ে কথা বলুন। ফোনে কথা বলতে বলতে কম্পিউটারে কাজ করা, কিছু ম্যাসেজ লেখা, টিভি দেখা ও গাড়ি চালানো- এসব অভ্যাস বাদ দিন।
সূচিপত্র
১) ছোটদের সাথে আমাদের আচরণ ২) পরিবার ও সন্তান, সুপার পাওয়ার যেভাবে তৈরি হয়, ৩) দীর্ঘস্থায়ী ভয়ের উৎপত্তির মূলে শৈশবকালে ঘটে যাওয়া ঘটনার প্রভাব , ৪) সন্তানের উৎসাহ এবং উদ্দীপনা বাড়ানো, ৫) আপনার শিশুটি ঘুমুক শান্তিতে এবং নির্ভরতায় , ৬) কিছু অব্যর্থ টিপস, যা আপনার শিশুকে পড়াশোনায় আগ্রহী করে তুলবে, ৭) শিশুকে কিভাবে বড় করবেন, ৮) বাচ্চাদের মস্তিষ্ক বিকাশে কী করবেন? ৯) বাচ্চাদের বুদ্ধি বিকাশের অন্যতম পথ, দৌড়, ১০) বাচ্চাকে কখনো আড়ালে লুকিয়ে খেতে দেবেন না, ১১) পিটার সিংগারের দর্শন, ১২) দুষ্টু শিশুরা তাড়াতাড়ি শেখে, ১৩) সন্তানকে যতই শাস্তি দেবেন ততই সে অসামাজিক হবে, ১৪) বাবা-মাই সন্তানকে নির্যাতন করেন সবচেয়ে বেশি , ১৫) সন্তানের সাথে কিভাবে গড়ে তুলবেন নিবিড় বন্ধন, ১৬) যে ১১টি কথা শিশুকে কখনোই বলবেন না!, ১৭) শিশুকে গল্প শোনান প্রতিদিন, ১৮) সন্তানের আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধির ১০টি কৌশল, ১৯) সৃজনশীলতা হচ্ছে নতুন কিছু করার যোগ্যতা, ২০) যারা মুখস্থ করতে পারেন না, ২১) তারা মেধাবী, মেধাবী হওয়ার উপায়,
২২) কথা ও ভাষা, ২৩) এলিভেটর পিচ, ২৪) সুন্দর করে কথা বলে সমস্যা জয়ের কৌশল, ২৫) ফোনে কথা বলার আদবকেতা, ২৬) ১২টি কর্ম বিধান, ২৭) ভালোবাসার অপর নাম প্রয়োজন, ২৮) আলতু-ফালতু কাজে সময় অপচয় করে স্বপ্ন পূরণের কল্পনা, ২৯) স্ট্রেস ম্যানেজমেন্ট, ৩০) চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিন পিং-এর জীবন থেকে শিক্ষা, ৩১) অভিজ্ঞতা ও অতীত থেকে শিক্ষা গ্রহণ, ৩২) বর্তমানকে সবচেয়ে বেশি মূল্য দিন, ৩৩) ২৪ ঘণ্টা কেউ সুখী হয় না, ৩৪) কিছু অভ্যাস যা আপনাকে আরও সুখী করবে , ৩৫) আপনার অবয়ব , ৩৬) সফলতার 25টি হট কৌশল-1, ৩৭) সাফল্যের 25টি হট কৌশল-2, ৩৮) সফলতার 55 সূত্র, ৩৯) কিভাবে নিজেকে নেতা হিসেবে গড়ে তুলবে, ৪০) সময় ব্যবস্থাপনা, ৪১) সময় ব্যবস্থাপনার তিনটি ধাপ, ৪২) সময়কে যথাযথভাবে কাজে লাগানোর উপায়গুলো, ৪৩) সাফল্য, ড. কোভের ইমোশনাল একাউন্ট কনসেপ্ট, ৪৪) সবচে বড় ইমোশনাল একাউন্ট, ৪৫) আপনার ইমোশনাল একাউন্ট, ৪৬) বুদ্ধি ও বিবেচনাবোধ বর্জিত কর্মফল বিপজ্জনক, ৪৭) অন্যদের দিয়ে আপনার কাজ করান কিন্তু সম্মান আপনি অর্জন করুন, ৪৮) অন্য লোকেরা আপনার কাছে আসুক দরকার হলে টোপ দিন, ৪৯) অসুখী এবং ভাগ্যহীনদের বর্জন করুন, ৫০) লোককে আপনার ওপর নির্ভরশীল করুন , ৫১) নেওয়ার পূর্বে দেওয়া অন্য বক্তির স্বার্থ বুঝুন, ৫২) শত্রুকে খাটো করে দেখবেন না, ৫৩) নিজেকে রক্ষা করার জন্য চারিদিকে দুর্গ নির্মাণ করবেন না, ৫৪) কারোর পক্ষ অবলম্বন করে বসে থাকবেন না, ৫৫) আপনার শক্তিসমূহকে সংহত করুন, ৫৫) নিজের ভুলগুলোকে লুকিয়ে রাখুন, ৫৬) শুধু সাহসের জোরে নয়, পরিণতিও বিবেচনায় রাখুন, ৫৭) প্রতিটি মানুষের গোপন ইচ্ছা খুঁজে বের করুন, ৫৮) রাগ বিপজ্জনক ও অভদ্রতা, ৫৯) কোনো দলকে ধরার জন্য দলপতিকে প্রথমে ধরুন, ৬০) নিজেকে গুরুত্বপূর্ণ মনে করুন, গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবেন, ৬০) পরিবেশ সামলাতে শিখুন, ৬১) প্রথম শ্রেণির মানুষ হয়ে উঠুন, ৬২) আপনার সামাজিক পরিবেশ ‘প্রথম শ্রেণি’র করে তোলার উপায়, ৬৩) ‘সস্তার তিন অবস্থা’ প্রধম শ্রেণিভুক্ত হয়ে উঠুন , ৬৪) যত বেশি বন্ধুত্ব তত বেশি উপরে ওঠার সম্ভাবনা, ৬৫) সাহস করে কাজটা শুরু করুন, ৬৬) সাফল্য মানে বারবার ভিন্নভাবে চেষ্টা করা, ৬৭) ১- ১০ ভাল অভ্যাস, ১১- ২০ ভাল অভ্যাস, ২১- ৩০ ভাল অভ্যাস, ৩১- ৪০ ভাল অভ্যাস, ৪১- ৫০ ভাল অভ্যাস, ৫১- ৬০ ভাল অভ্যাস, ৬১- ৭০ ভাল অভ্যাস, ৭১- ৮০ ভাল অভ্যাস, ৮১- ৯০ ভাল অভ্যাস, ৯১- ১০২ ভাল অভ্যাস, ৬৮) জিরো থেকে হিরো, ৬৯) সৃজনশীলদের সফলতার ৭ সূত্র, ৬৯) জীবনে পরিবর্তন আনুন ৪৮টি উপায়ে, ৭০) জীবন-যাপন, ৭১) জাপানী ও চিন লাইফ স্টাইল , ৭২) ৩০টি দর্শন, যা আপনার জীবনে কাজে লাগবে, ৭৩) সম্পর্ক তৈরি করা, বন্ধুত্ব, ৭৪) যে আচরণগুলো মানুষের মনের কথা জানাবে, ৭৫) কথা বলার সূত্র, ৭৬) আপনি ও আপনার ব্যবহার, ৭৭) নিজেকে সঠিকভাবে উপস্থাপন করা, ৭৮) কথা বলার কতিপয় গুরুত্বপূর্ণ নিয়ম, ৭৯) কিভাবে নিজেকে বিনয়ী হিসেবে উপস্থাপন করবেন, ৮০) কিভাবে বুদ্ধিদীপ্ত কথা বলবেন, ৮১) কথা বলার ৫টি বিস্ময়কর টেকনিক, ৮২) কিভাবে মানুষকে আকৃষ্ট করবেন? ৮৩) অকারণে সময় নষ্ট? মেল রবিনের ৫ সেকেন্ড রুল, ৮৪) কর্পোরেট আদবকেতা, ৮৫) ৩৫টি কর্পোরেট কালচার ও আপনার করণীয়, ৮৬) যা না জানলে লজ্জায় পড়তে হয় , ৮৭) কাজের সময়ে যে বিষয়গুলো একেবারেই করা উচিৎ না , ৮৮) ক্যারিয়ারে সাফল্য পেতে ছুড়ে ফেলুন ৭টি দোষ, ৮৯) আকাক্সক্ষা, ইচ্ছে বা স্বপ্ন,
৯০) বক্তৃতা প্রশিক্ষণ, কাজ কিভাবে করবেন? ৯১) আত্মশক্তিতে বলিয়ান হতে, ৯২) একনাগাড়ে চলবেন না, ৯৩) মারফিস ’ল , কাজের রোডম্যাপ তেরি , ৯৪) জব স্যাটিসফেকশন, ৯৫) কাজে সফলতার সূত্রাবলী, ৯৬) যেভাবে জীবনযাপন করবেন, ৯৭) পরিণত বুদ্ধির মানুষেরা যে কাজগুলো কখনোই করেন না, ৯৮) জীবনে দক্ষতা অর্জনের কার্যকর ১২টি উপায়, ৯৯) সঠিক লক্ষ্য নির্ধারণ ও কাজ করার উপায় , ১০০) সফলতা ও সার্থকতা, ১০১) জীবনের ছোট ছোট প্রাপ্তিগুলোকে উপভোগ করা, ১০২) সফলতার কিছু পদ্ধতি, ১০৩) সফল হতে চাইলে যে ৮ টি জিনিস বাদ দেয়া প্রয়োজন, ১০৪) সফল ব্যক্তিরা যে ১০টি কাজ কখনোই করেন না, ১০৫) সর্বদা স্মরণ রাখুন, ১০৬) চিন্তাশক্তি , ১০৭) স্বাধীনতা, ১০৮) জ্ঞান অর্জন খাদ্য গ্রহণের মতো , ১০৯) দৃঢ় প্রতিজ্ঞ হয়ে চেষ্টা করলে কখনোই বিফল হবেন না, ১১০) বুদ্ধির সংজ্ঞা হলো, প্রতিটি কাজ ভেবে-চিন্তে করা, ১১১) ব্যক্তিত্ব, চেহারা ও ব্যক্তিত্ব , ১১২) সেলডন-এর গবেষণা , ১১৩) ব্যক্তিত্ব ও উচ্চারণ, ১১৪) পোশাক ও ব্যক্তিত্ব, ১১৫) প্রথম দেখায় ব্যক্তিত্বের ছাপ, ১১৬) বিচ্ছিন্নতা ব্যক্তিত্বের বড় শত্রু, ১১৭) ব্যক্তিত্বে জিনগত প্রভাব, ১১৮) অন্তর্মুখী ও বহির্মুখী ব্যক্তিত্ব, ১১৯) মনোমুগ্ধকর ব্যক্তিত্বের ১০ বৈশিষ্ট্য, ১২০) ব্যক্তিত্বের উৎকর্ষতার জন্যে ১০ নির্দেশনা, ১২১) কিভাবে ব্যক্তিত্বের বিকাশ ঘটাবেন? , ১২২) নিজেকে স্মার্ট করতে ৫টি কৌশল, ১২৩) আকর্ষণীয় মানুষ হবার ৬টি পরামর্শ, ১২৪) আত্মশুদ্ধি , ১২৫) হতাশ হবেন না, ১২৬) পাছে লোকে কিছু বলে, ১২৭) সুখ-শান্তি উন্নতি , ১২৮) চাহিদা, ১২৯) খাদ্য, ঘুম ও বিশ্রাম, ১৩০) স্বাস্থ্য ভাল রাখার নিয়ম, ১৩১) টেনশন দূর করতে হলে, ১৩২) শুধু নিজের কথা নয়, অন্যের কথাও ভাবুন, ১৩৩) চাহিদা যত বেশি সুখ তত কম, ১৩৪) সুখী জীবনের জন্য ১৮ টি টিপস, ১৩৫) আত্মবিশ্বাস, আত্ম বিশ্বাসের শক্তি, ১৩৬) অজুহাতের ব্যাধিতে আক্রান্ত ব্যর্থ মানুষ, ১৩৭) দি সেভেন হ্যাবিট অফ হাইলি এ্যা ফেক্টিভ পিপল, ১৩৮) সামাজিক আয়না, ১৩৯) প্রোএ্যাক্টিভিটি, ১৪০) সার্কেল অফ ইনফ্লুয়েন্স, ১৪১) শুরু করুন আজই, ১৪২) আপনার কেন্দ্রবিন্দু কোনটি?, ১৪৩) মাথার দুটি অংশই ব্যবহার করুন, ১৪৪) সময়ের ব্যবস্থাপনা, ১৪৫) ব্যক্তিগত ব্যবস্থাপনা, ১৪৬) গুরুত্বপূর্ণ এবং জরুরি, ১৪৭) পরনির্ভরশীল জীবন, ১৪৮) ছয়টি উপায়ে অন্য মানুষের সাথে আদান-প্রদান, ১৪৯) অধ্যয়ন, ১৫০) পড়াশোনায় ১২ কার্যকর কৌশল, ১৫১) ঘুম থেকে উঠতে ১০-৩-২-১-০ ফর্মুলা, ১৫২) আয়-ব্যয়- টাকা, ১৫৩) অন্যকে খুশি করতে পয়সা খরচ যে কারণে অর্থহীন, ১৫৪) খরচের লাগাম টেনে ধরতে.. ১৫৫) নারী, ১৫৬) সম্পর্ককে সুন্দর রাখতে কিছু “মিথ্যা” বলা জরুরী , ১৫৭) ছেলেদের কোন জিনিস দেখে মেয়েরা? , ১৫৮) স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর কিছু অভ্যাস, ১৫৯) ভুঁড়ি ঠেকাতে ৫টি নিয়ম, ১৬০) যেসব কারণে নারীদের স্বাবলম্বী হওয়া উচতি , ১৬১) বিয়ে-সংসার, ১৬২) সফল বিয়ের তিনটি মন্ত্র, ১৬৩) সুখী হবার দারুণ কিছু মূলমন্ত্র, ১৬৪) কিছু গল্প, ১৬৫) ভালোবাসাহীন সম্পর্ক, ১৬৬) কেন স্পর্শের প্রয়োজন হয় প্রতিদিন, ১৬৭) যে কারণে একা থাকাই আপনার জন্য ভালো, ১৬৮) ব্যবসা, ১৬৯) বিক্রয় বৃদ্ধির কৌশল, ১৭০) যে ৭টা ব্যাপার বিজনেসে করবেন না, ১৭১) স্বাস্থ্য, ১৭২) দুগ্ধজাত খাবারে পুরুষের বন্ধ্যত্ব, ১৭৩) একাকিত্বের বিপদ, ১৭৪) কর্মক্ষম ও প্রফুল্ল রাখতে, ১৭৫) মন ভালো করার উপায়, ১৭৬) যৌন স্বাস্থ্য, ১৭৭) পুরুষদের কেজেল, ১৭৮) মহিলাদের কেজেল, ১৭৯) দক্ষতা , ১৮০) আলসেমি দূর করার সহজ কিছু উপায়, ১৮১) কীভাবে সামলাবেন নিন্দুকদের ?, ১৮২) সুখী হতে চাইলে যা কখনোই করবেন না, ১৮৩) সব ভুলে যাচ্ছেন? স্মৃতিশক্তি চাঙ্গা রাখতে ৫টি টিপস, ১৮৪) বয়সের ভারে বৃদ্ধ না হয়ে বরং কাজের ভারে যুবক থাকার চেষ্টা করো, ১৮৫) নিজেকে কাজের সঙ্গে সম্পক্ত করার তিনটে স্টেপ, ১৮৬) জীবনের লক্ষ্য নির্ধারণে দ্রুত পদ্ধতিগুলো, ১৮৭) প্রতিদান পাওয়ার আশায় কাজ করবেন না, ১৮৮) প্রেম একটি মানসিক রোগ, ১৮৯) সম্পর্ক ভেঙ্গে যাবার পর নিজেকে যেভাবে সামলাবে, ১৯০) সময় সবকিছু বদলে দেয়, ১৯১) সম্পর্ক তৈরির ক্ষেত্রে কমন পাঁচটি ভুল, ১৯২) আত্মবিশ্বাস/মনোবল, ১৯৩) প্যারাসুট অফ হ্যাপিনেস, ১৯৪) বারবার ঘুরে দাঁড়াতে হবে, ১৯৫) আত্মবিশ্বাসহীন মানুষের লক্ষণ, ১৯৬) বাড়াও আত্মবিশ্বাস, বাড়বে সফলতা, ১৯৭) প্রাতিষ্ঠানিক সম্পর্ক শক্তিশালী করার টিপস, ১৯৮) কিভাবে ধরে রাখবে দু'জনের সম্পর্ক, ১৯৯) কিভাবে বুঝবে সম্পর্ক শেষ করতে হবে, ২০০) সম্পর্ক যখন প্রেম-ভালোবাসার, ২০১) যেসব বিষয়ের উপর স¤পর্ক গড়ে ওঠে, ২০২) ভালোবাসার অপর নাম প্রয়োজন, ২০৩) সম্পর্কের গুণগত মান বাড়বে কিভাবে, ২০৪) মস্তিস্ক ঠিক রাখার ৩০ উপায়, ২০৫) মানুষের আচরণের পেছনে একটা কারণ থাকে, ২০৬) কোনো কাজে নিজেকে সম্পক্ত না করেই আমরা নিজ ক্যারিয়ারকে এগিয়ে নিয়ে যাই ২০৭) স্রোতের বিপরীতে চিন্তা করুন, ২০৮) আপনার টাইমজোনে সময় আসবেই, ২০৯) চাইল্ডহুড অ্যামনেসিয়া এবং আমাদের শিক্ষণীয়,