ড. কোভের ইমোশনাল একাউন্ট কনসেপ্ট
আমরা প্রচলিত ব্যাংক একাউন্ট স¤পর্কে জানি, যেখানে আপনি জামানত রাখতে পারেন এবং ইচ্ছেমতো টাকা তুলতে পারেন। ইমোশনাল একাউন্টের কনসেপ্টাও অনেকটা তেমনই। মানুষের সাথে স¤পর্কের ক্ষেত্রে একই ধরনের মেটাফোর ব্যবহার করা হয়েছে। একটি স¤পর্কে আপনি কতটা বিশ্বাস তৈরি করতে পেরেছেন, ওটাই হলো আপনার জামানত। অন্য একজন মানুষ আপনাকে কতটা নিরাপদ মনে করে, সেটাই হলো তার কাছে আপনার ইমোশনাল একাউন্টের ব্যালেন্স।
ওই একাউন্টে আপনি ভদ্রতা, মমতা, হৃদ্যতা, প্রতিশ্রুতি রক্ষা ইত্যাদির মাধ্যমে আপনার রিজার্ভ বাড়াতে পারেন। ধরুন- আপনার কাছে আমি একটি ইমোশনাল একাউন্ট খুললাম। সেখানে উপরের গুণাবলী দিয়ে যদি আপনার সাথে স¤পর্কটি রাখতে পারি, আপনি আমাকে যদি নিরাপদ মনে করেন তাহলেই আপনার কাছে আমার রিজার্ভ বেড়ে গেল। আমি চাইলে সেই রিজার্ভ থেকে তখন টাকা তুলতে পারি। আমি যদি মাঝে মাঝে ভুলও করি, আপনি সেটা বুঝবেন। কিন্তু আপনি ক্ষুব্ধ হবেন না, কারণ আপনার কাছে আমার রিজার্ভ রয়েছে, আমার প্রতি আপনার একটি আস্থা তৈরি হয়েছে।
আবার এই আমি যদি আপনাকে সম্মান না দেখাই, শ্রদ্ধাশীল না হই, আপনাকে বিপদে ফেলি, আপনাকে অগ্রাহ্য করি, আপনার বিশ্বাসকে সম্মান না করি, আপনাকে ভয় দেখাই, আপনার দুর্বলতাকে জনসম্মুখে প্রকাশ করে দেই, তাহলে কি আমার সেই একাউন্টটিতে কোনো রিজার্ভ থাকবে? আপনি কি আমার উপর আস্থা রাখবেন? আমি মূলত একাউন্টটি হারাব। এটাই হলো ইমোশনাল একাউন্ট।
একটি উদাহরণ দিলে বিষয়টি পরিষ্কার হতে পারে। আমরা প্রতিনিয়ত সন্তানদের বলে যাচ্ছি, সকালে ঘুম থেকে উঠতে হবে, স্কুলে যেতে হবে, ঠিকমতো লেখাপড়া করতে হবে, ভাল রেজাল্ট করতে হবে ইত্যাদি। আমাদের প্রত্যাশার শেষ নাই। কিন্তু আমরা কি একবারও ভেবে দেখেছি, সেই সন্তানের কাছে আমাদের ইমোশনাল একাউন্টের অবস্থাটা কি? ওটা কি শূন্য, নাকি কিছু রিজার্ভ আছে?
বাচ্চাদের সাথে অ্যাফেক্টিভ স¤পর্ক তৈরি করতে হলে আপনার রিজার্ভ লাগবে। আপনার যে ছেলেটি মোটেও আপনার কথা শুনে না, তার জন্য শর্তহীনভাবে কিছু করুন, তার পছন্দের জিনিসটা উপহার দিন, তার সাথে হাঁটতে যান, একসাথে তার স্কুলের কোনো একটি সমস্যার সমাধান করুন। দেখুন আপনার ব্যালেন্স বেড়ে গেছে। ছেলেটি তখন আপনার কথাকে মূল্য দেবে। ড. স্টিফেন কোভে ছয়টি উপায়ে ইমোশনাল ব্যালেন্স বাড়ানোর পরামর্শ দিয়েছেন।
১. প্রতিটি মানুষকে বুঝতে পারা
এই গ্রহের প্রতিটি মানুষ আলাদা এবং তাদের চাহিদা আলাদা, পছন্দ-অপছন্দ আলাদা, চাওয়া-পাওয়ার ব্যাপ্তিও আলাদা। আপনি ভাবলেন, এই মানুষটির সাথে একবেলা হাঁটতে গেলে ভালো হয়, কিন্তু দেখা গেল হাঁটাহাঁটি তিনি চরম অপছন্দ করেন। সেক্ষেত্রে আপনার হিতে বিপরীত হতে পারে। তাই কারো ইমোশনাল একাউন্টে রিজার্ভ বাড়ানোর জন্য সেই মানুষটিকে বুঝতে পারাটা জরুরি। আপনার যে মেয়েটি পিংক রঙের একটি ব্যাগ চাইছে, তাকে সেটা যদি কিনে দেন, তাহলে তার একাউন্টে রিজার্ভ অনেক বেড়ে যেতে পারে।
২. ক্ষুদ্র বিষয়গুলোকে মূল্য দেওয়া
স¤পর্কের একটি মূল কথা হলো, ক্ষুদ্র বিষয়গুলোই হয়ে ওঠে সবচে’ বড় বিষয়; আর বড় বিষয়গুলো হয়ে যায় গৌন। এটাই পৃথিবীর যেকোনো স¤পর্কের গোপন কথা।
আপনি একজন মানুষকে খুব দামি একটি উপহার দিলেন। তাতে হয়তো তিনি সাময়িক খুশি হবেন। আবার আরেকটি মানুষকে আপনি তেমন কোনো উপহার দিলেন না, কিন্তু তিনি গাড়িতে ওঠার সময় ভদ্রতা করে দরজাটা খুলে দিলেন। কার কাছে আপনার রিজার্ভ বেশি হবে বলে মনে হয়? যাকে আপনি সামান্য সৌজন্যতা দেখিয়েছেন, যাকে আপনি সম্মান দেখিয়েছেন, যার প্রতি আপনি ভালোবাসা দেখিয়েছেন।
আপনি দাওয়াত দিয়ে খুব ভালো ভালো খাবার খাওয়ালেন, কিন্তু যাওয়ার সময় অতিথিকে সামান্য হাসিমুখে বিদায় দিলেন না, তাকে ঠিকমতো সময় দিলেন না, কিংবা অতিথির মনে হলো তাকে অবহেলা করা হয়েছে, সেই অতিথি কিন্তু নিজেকে গুটিয়ে নেবে। তার ইমোশনাল একাউন্টে আপনার ব্যালেন্স কমে যাবে। তাই ছোট ছোট বিষয়গুলোর প্রতি খেয়াল রাখুন।
৩. প্রতিশ্রুতি রাখুন
আপনি যদি কাউকে কোনো প্রতিশ্রুতি দিয়ে থাকেন এবং সেটাকে রক্ষা করেন, তাহলে এর চেয়ে বড় ডিপোজিট আর হতে পারে না। আবার উল্টোটাও সত্যি। আপনি প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করলেন। তাহলে আপনার ব্যালেন্স কমিয়ে ফেললেন।
পিতা-মাতা হিসেবে আমরা বাচ্চাদের অনেক ধরনের প্রতিশ্রুতি দিয়ে থাকি। সেই প্রতিশ্রুতি আপনি ভেঙেছেন তো মরেছেন; সন্তানদের কাছে আপনার রিজার্ভ শূন্যের ঘরে। এর চেয়ে প্রতিশ্রুতি না দেওয়াটাই সবচে’ উত্তম কাজ।
এটা পিতামাতা হিসেবে বাচ্চাদের সাথে যেমন প্রযোজ্য, তেমনি বাইরের মানুষের সাথেও প্রযোজ্য। আপনি যখনই আপনার প্রতিশ্রুতিগুলো রাখতে শুরু করবেন, আপনার উপর বিশ্বাস এবং আস্থা হাজার গুণে বেড়ে যাবে এবং তখন আপনি যা-ই বলবেন, সেটা মানুষ গ্রহণ করবে। আমরা অনেক সময় কথায় কথায় অনেক প্রতিশ্রুতি দিয়ে ফেলি। সেটা মূলত আপনার একাউন্টকে শূন্যের কোঠায় নামিয়ে নিয়ে আসছে। তাই যখনই কোনো প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন, সেটা রাখার সবটুকু চেষ্টা করবেন; নইলে প্রতিশ্রুতি দেবেন না।
৪. প্রত্যাশা ঠিক করুন
আমাদের স¤পর্কে যত ঝামেলা পাকায় তা হলো প্রত্যাশা। আপনার কাছে কে কি প্রত্যাশা করে বসে আছে, কিংবা আপনি কার কাছে কি প্রত্যাশা করে বসে আছেন, সেটার গরমিল হলেই সেখানে ডিপোজিট কমতে থাকে। এমনকি কর্মক্ষেত্রেও খেয়াল করুন, আপনি ভাবলেন এটা আপনার সহকর্মী করে দেবেন, আর উনি ভাবলেন আপনার নিজেরই তো সেটা করার কথা। তারপর তৈরি হলো দূরত্ব।
স¤পর্কের ক্ষেত্রে প্রত্যাশা ঠিক করে দেওয়াটা হলো সবচে’ কঠিন কাজ এবং এটা যে কেবল আপনি ঠিক করলেই অপরপক্ষ বুঝে নিবে তা কিন্তু নয়। সে যে ঠিকমতো বুঝেছে, সেটা নিশ্চিত করাটাও জরুরি। এমন প্রত্যাশা এবং তা পূরণের ফারাক যদি থাকে কোনো স¤পর্কে, তাহলে সেখানে আপনার রিজার্ভ শূন্য হতে বাধ্য।
ডিপোজিট বাড়ানোর জন্য সঠিক প্রত্যাশাটা ঠিক করে নিন এবং বুঝিয়ে দিন। এটা করতে বেশ সাহসের প্রয়োজন হয়। অনেক সময় মুখফুটে কথাগুলো বলা যায় না। কিন্তু সেই না-বলা কথাই হয়তো ভুল প্রত্যাশার জন্ম দিল। তাই একসাথে কাজ করতে গেলে অবশ্যই প্রত্যাশা ঠিক করে মাঠে নামুন। ভবিষ্যতে ভালো ফল পাবেন।
৫. পারসোনাল ইন্টিগ্রিটি
পারসোনাল ইন্টিগ্রিটি একটি মানুষের উপর আস্থা তৈরি করে, যা আমাদের স¤পর্কের বহুবিধ ডিপোজিটের ভিত্তি। আপনার যদি ইন্টিগ্রিটি না থাকে, তাহলে উপরের যে পদ্ধতিগুলোর কথা বলা হলো তার কোনোটাই কাজে লাগবে না।
অনেকেই ইন্টিগ্রিটিকে সততার সাথে মিলিয়ে ফেলেন। বিষয়টি আসলে তা নয়। সততা হলো আপনি সত্যি কথাটি বলবেন। আর ইন্টিগ্রিটি হলো আপনার সবকিছু মিলিয়ে এমন একটি চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য, যা আপনার একটি সত্ত্বা তৈরি করে।
ইন্টিগ্রিটি তৈরির সবচে’ ভালো উপায় হলো, তাদের প্রতি অনুগত থাকা, যারা আপনার সামনে উপস্থিত নেই। বিষয়টি আরেকটু খুলে বলা যেতে পারে। ধরুন, আপনি আপনার সহকর্মী মিলে অপর একজন সহকর্মীকে নিয়ে কথা বলছেন, তাকে নিয়ে এমন কিছু বলছেন যা তার সামনে হয়তো বলতেন না। অর্থাৎ যে মানুষটি উপস্থিত নেই তার প্রতি আপনি অনুগত থাকছেন না; তাকে আপনি রক্ষা করছেন না। আপনি আপনার ইন্টিগ্রিটি হারাচ্ছেন। আপনার যদি ইন্টিগ্রিটি থাকে তাহলে আপনি সেই ব্যক্তিটিকে সামনে ডেকে এনে বলবেন, ঠিক কোন জায়গায় তিনি ভুলটি করেছেন কিংবা ঠিক কোথায় ঝামেলাটা হয়েছে।
ছোটবেলায় সিনেমায় দেখেছিলাম, একজন ভদ্র নারী আরেকজনকে বলছেন,‘খালা গো, আপনাকে একটা গোপন কথা কই, আর কাউরে কইয়েন না। আপনে আপন মানুষ বইল্যা কইতাছি। ওই বাড়ির বউ কিন্তু পোয়াতি...’। এটা শুনে খালার চোখ বড় বড় হয়ে যায় এবং সেই ভদ্র নারী আবারও বলেন, ‘কাকপক্ষীও যেন না জানে গো’ এবং তিনি একই কথা পাড়ার সবাইকে বলে বেড়াচ্ছেন। এমন দৃশ্য নিশ্চয়ই আপনারাও দেখেছেন। ইন্টিগ্রিটি হলো মানুষটির অনুপস্থিতিতে তার প্রশংসা করা, সমালোচনা নয়, তার প্রতি অনুগত থাকা।
৬. ক্রটি স্বীকার করুন
আপনি যখনই ইমোশনাল একাউন্ট থেকে কিছু উত্তোলন করবেন, তার ক্ষতিপূরণ করতে হলে আপনাকে ক্ষমা চাইতে হবে এবং সেটা সঠিকভাবেই করতে হবে।
-- আমি ভুল করেছিলাম,
-- আমি তোমাকে সম্মান দেখাইনি, দুঃখিত
-- আমি তোমাকে প্রাপ্য মর্যাদা দেইনি এবং আমি দুঃখিত
-- আমি তোমার বন্ধুদের সামনে তোমাকে বিব্রত করেছি, যা আমার উচিত হয়নি।
মন থেকে এই ধরনের কথা বলতে পারার জন্য প্রচণ্ড মানসিক চারিত্রিক শক্তির প্রয়োজন। যে মানুষটার গভীরের ভীত অনেক শক্ত, যার নীতি প্রচণ্ডরকম প্রখর, কেবল সেই মানুষটাই এভাবে ক্ষমা চাইতে পারে। এর বাইরে এভাবে ক্ষমা চাইবার মতো সৎ সাহস আর কেউ দেখাতে পারবে না। কেউ হয়তো অভিনয় করে ওভাবে দেখাতে পারবে। কিন্তু সত্যিকার অর্থেই দুঃখিত হয়ে এভাবে ক্ষমা চাইবে একমাত্র সেই ব্যক্তি, যে ভেতরে অনুভব করবে তার ইন্টিগ্রিটিতে একটু ঝাঁকুনি লেগেছিল; কিংবা বিশেষ কোনো মুহূর্তে খেয়াল না করে কাজটি করে ফেলেছেন। তিনি তৎক্ষণাৎ সেটা বুঝতে পেরেই ক্ষমা চাইবেন।
সত্যিকার অর্থে ক্ষমা চাইলে আপনার ডিপোজিট বাড়বে। আর বারবার ক্ষমা চাওয়ার মতো কাজ করলে আপনার ক্ষমাটাকে কেউ সিরিয়াসভাবে নেবে না; আপনার স¤পর্কে অবনতি ঘটবে।
সূচিপত্র
১) ছোটদের সাথে আমাদের আচরণ ২) পরিবার ও সন্তান, সুপার পাওয়ার যেভাবে তৈরি হয়, ৩) দীর্ঘস্থায়ী ভয়ের উৎপত্তির মূলে শৈশবকালে ঘটে যাওয়া ঘটনার প্রভাব , ৪) সন্তানের উৎসাহ এবং উদ্দীপনা বাড়ানো, ৫) আপনার শিশুটি ঘুমুক শান্তিতে এবং নির্ভরতায় , ৬) কিছু অব্যর্থ টিপস, যা আপনার শিশুকে পড়াশোনায় আগ্রহী করে তুলবে, ৭) শিশুকে কিভাবে বড় করবেন, ৮) বাচ্চাদের মস্তিষ্ক বিকাশে কী করবেন? ৯) বাচ্চাদের বুদ্ধি বিকাশের অন্যতম পথ, দৌড়, ১০) বাচ্চাকে কখনো আড়ালে লুকিয়ে খেতে দেবেন না, ১১) পিটার সিংগারের দর্শন, ১২) দুষ্টু শিশুরা তাড়াতাড়ি শেখে, ১৩) সন্তানকে যতই শাস্তি দেবেন ততই সে অসামাজিক হবে, ১৪) বাবা-মাই সন্তানকে নির্যাতন করেন সবচেয়ে বেশি , ১৫) সন্তানের সাথে কিভাবে গড়ে তুলবেন নিবিড় বন্ধন, ১৬) যে ১১টি কথা শিশুকে কখনোই বলবেন না!, ১৭) শিশুকে গল্প শোনান প্রতিদিন, ১৮) সন্তানের আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধির ১০টি কৌশল, ১৯) সৃজনশীলতা হচ্ছে নতুন কিছু করার যোগ্যতা, ২০) যারা মুখস্থ করতে পারেন না, ২১) তারা মেধাবী, মেধাবী হওয়ার উপায়,
২২) কথা ও ভাষা, ২৩) এলিভেটর পিচ, ২৪) সুন্দর করে কথা বলে সমস্যা জয়ের কৌশল, ২৫) ফোনে কথা বলার আদবকেতা, ২৬) ১২টি কর্ম বিধান, ২৭) ভালোবাসার অপর নাম প্রয়োজন, ২৮) আলতু-ফালতু কাজে সময় অপচয় করে স্বপ্ন পূরণের কল্পনা, ২৯) স্ট্রেস ম্যানেজমেন্ট, ৩০) চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিন পিং-এর জীবন থেকে শিক্ষা, ৩১) অভিজ্ঞতা ও অতীত থেকে শিক্ষা গ্রহণ, ৩২) বর্তমানকে সবচেয়ে বেশি মূল্য দিন, ৩৩) ২৪ ঘণ্টা কেউ সুখী হয় না, ৩৪) কিছু অভ্যাস যা আপনাকে আরও সুখী করবে , ৩৫) আপনার অবয়ব , ৩৬) সফলতার 25টি হট কৌশল-1, ৩৭) সাফল্যের 25টি হট কৌশল-2, ৩৮) সফলতার 55 সূত্র, ৩৯) কিভাবে নিজেকে নেতা হিসেবে গড়ে তুলবে, ৪০) সময় ব্যবস্থাপনা, ৪১) সময় ব্যবস্থাপনার তিনটি ধাপ, ৪২) সময়কে যথাযথভাবে কাজে লাগানোর উপায়গুলো, ৪৩) সাফল্য, ড. কোভের ইমোশনাল একাউন্ট কনসেপ্ট, ৪৪) সবচে বড় ইমোশনাল একাউন্ট, ৪৫) আপনার ইমোশনাল একাউন্ট, ৪৬) বুদ্ধি ও বিবেচনাবোধ বর্জিত কর্মফল বিপজ্জনক, ৪৭) অন্যদের দিয়ে আপনার কাজ করান কিন্তু সম্মান আপনি অর্জন করুন, ৪৮) অন্য লোকেরা আপনার কাছে আসুক দরকার হলে টোপ দিন, ৪৯) অসুখী এবং ভাগ্যহীনদের বর্জন করুন, ৫০) লোককে আপনার ওপর নির্ভরশীল করুন , ৫১) নেওয়ার পূর্বে দেওয়া অন্য বক্তির স্বার্থ বুঝুন, ৫২) শত্রুকে খাটো করে দেখবেন না, ৫৩) নিজেকে রক্ষা করার জন্য চারিদিকে দুর্গ নির্মাণ করবেন না, ৫৪) কারোর পক্ষ অবলম্বন করে বসে থাকবেন না, ৫৫) আপনার শক্তিসমূহকে সংহত করুন, ৫৫) নিজের ভুলগুলোকে লুকিয়ে রাখুন, ৫৬) শুধু সাহসের জোরে নয়, পরিণতিও বিবেচনায় রাখুন, ৫৭) প্রতিটি মানুষের গোপন ইচ্ছা খুঁজে বের করুন, ৫৮) রাগ বিপজ্জনক ও অভদ্রতা, ৫৯) কোনো দলকে ধরার জন্য দলপতিকে প্রথমে ধরুন, ৬০) নিজেকে গুরুত্বপূর্ণ মনে করুন, গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবেন, ৬০) পরিবেশ সামলাতে শিখুন, ৬১) প্রথম শ্রেণির মানুষ হয়ে উঠুন, ৬২) আপনার সামাজিক পরিবেশ ‘প্রথম শ্রেণি’র করে তোলার উপায়, ৬৩) ‘সস্তার তিন অবস্থা’ প্রধম শ্রেণিভুক্ত হয়ে উঠুন , ৬৪) যত বেশি বন্ধুত্ব তত বেশি উপরে ওঠার সম্ভাবনা, ৬৫) সাহস করে কাজটা শুরু করুন, ৬৬) সাফল্য মানে বারবার ভিন্নভাবে চেষ্টা করা, ৬৭) ১- ১০ ভাল অভ্যাস, ১১- ২০ ভাল অভ্যাস, ২১- ৩০ ভাল অভ্যাস, ৩১- ৪০ ভাল অভ্যাস, ৪১- ৫০ ভাল অভ্যাস, ৫১- ৬০ ভাল অভ্যাস, ৬১- ৭০ ভাল অভ্যাস, ৭১- ৮০ ভাল অভ্যাস, ৮১- ৯০ ভাল অভ্যাস, ৯১- ১০২ ভাল অভ্যাস, ৬৮) জিরো থেকে হিরো, ৬৯) সৃজনশীলদের সফলতার ৭ সূত্র, ৬৯) জীবনে পরিবর্তন আনুন ৪৮টি উপায়ে, ৭০) জীবন-যাপন, ৭১) জাপানী ও চিন লাইফ স্টাইল , ৭২) ৩০টি দর্শন, যা আপনার জীবনে কাজে লাগবে, ৭৩) সম্পর্ক তৈরি করা, বন্ধুত্ব, ৭৪) যে আচরণগুলো মানুষের মনের কথা জানাবে, ৭৫) কথা বলার সূত্র, ৭৬) আপনি ও আপনার ব্যবহার, ৭৭) নিজেকে সঠিকভাবে উপস্থাপন করা, ৭৮) কথা বলার কতিপয় গুরুত্বপূর্ণ নিয়ম, ৭৯) কিভাবে নিজেকে বিনয়ী হিসেবে উপস্থাপন করবেন, ৮০) কিভাবে বুদ্ধিদীপ্ত কথা বলবেন, ৮১) কথা বলার ৫টি বিস্ময়কর টেকনিক, ৮২) কিভাবে মানুষকে আকৃষ্ট করবেন? ৮৩) অকারণে সময় নষ্ট? মেল রবিনের ৫ সেকেন্ড রুল, ৮৪) কর্পোরেট আদবকেতা, ৮৫) ৩৫টি কর্পোরেট কালচার ও আপনার করণীয়, ৮৬) যা না জানলে লজ্জায় পড়তে হয় , ৮৭) কাজের সময়ে যে বিষয়গুলো একেবারেই করা উচিৎ না , ৮৮) ক্যারিয়ারে সাফল্য পেতে ছুড়ে ফেলুন ৭টি দোষ, ৮৯) আকাক্সক্ষা, ইচ্ছে বা স্বপ্ন,
৯০) বক্তৃতা প্রশিক্ষণ, কাজ কিভাবে করবেন? ৯১) আত্মশক্তিতে বলিয়ান হতে, ৯২) একনাগাড়ে চলবেন না, ৯৩) মারফিস ’ল , কাজের রোডম্যাপ তেরি , ৯৪) জব স্যাটিসফেকশন, ৯৫) কাজে সফলতার সূত্রাবলী, ৯৬) যেভাবে জীবনযাপন করবেন, ৯৭) পরিণত বুদ্ধির মানুষেরা যে কাজগুলো কখনোই করেন না, ৯৮) জীবনে দক্ষতা অর্জনের কার্যকর ১২টি উপায়, ৯৯) সঠিক লক্ষ্য নির্ধারণ ও কাজ করার উপায় , ১০০) সফলতা ও সার্থকতা, ১০১) জীবনের ছোট ছোট প্রাপ্তিগুলোকে উপভোগ করা, ১০২) সফলতার কিছু পদ্ধতি, ১০৩) সফল হতে চাইলে যে ৮ টি জিনিস বাদ দেয়া প্রয়োজন, ১০৪) সফল ব্যক্তিরা যে ১০টি কাজ কখনোই করেন না, ১০৫) সর্বদা স্মরণ রাখুন, ১০৬) চিন্তাশক্তি , ১০৭) স্বাধীনতা, ১০৮) জ্ঞান অর্জন খাদ্য গ্রহণের মতো , ১০৯) দৃঢ় প্রতিজ্ঞ হয়ে চেষ্টা করলে কখনোই বিফল হবেন না, ১১০) বুদ্ধির সংজ্ঞা হলো, প্রতিটি কাজ ভেবে-চিন্তে করা, ১১১) ব্যক্তিত্ব, চেহারা ও ব্যক্তিত্ব , ১১২) সেলডন-এর গবেষণা , ১১৩) ব্যক্তিত্ব ও উচ্চারণ, ১১৪) পোশাক ও ব্যক্তিত্ব, ১১৫) প্রথম দেখায় ব্যক্তিত্বের ছাপ, ১১৬) বিচ্ছিন্নতা ব্যক্তিত্বের বড় শত্রু, ১১৭) ব্যক্তিত্বে জিনগত প্রভাব, ১১৮) অন্তর্মুখী ও বহির্মুখী ব্যক্তিত্ব, ১১৯) মনোমুগ্ধকর ব্যক্তিত্বের ১০ বৈশিষ্ট্য, ১২০) ব্যক্তিত্বের উৎকর্ষতার জন্যে ১০ নির্দেশনা, ১২১) কিভাবে ব্যক্তিত্বের বিকাশ ঘটাবেন? , ১২২) নিজেকে স্মার্ট করতে ৫টি কৌশল, ১২৩) আকর্ষণীয় মানুষ হবার ৬টি পরামর্শ, ১২৪) আত্মশুদ্ধি , ১২৫) হতাশ হবেন না, ১২৬) পাছে লোকে কিছু বলে, ১২৭) সুখ-শান্তি উন্নতি , ১২৮) চাহিদা, ১২৯) খাদ্য, ঘুম ও বিশ্রাম, ১৩০) স্বাস্থ্য ভাল রাখার নিয়ম, ১৩১) টেনশন দূর করতে হলে, ১৩২) শুধু নিজের কথা নয়, অন্যের কথাও ভাবুন, ১৩৩) চাহিদা যত বেশি সুখ তত কম, ১৩৪) সুখী জীবনের জন্য ১৮ টি টিপস, ১৩৫) আত্মবিশ্বাস, আত্ম বিশ্বাসের শক্তি, ১৩৬) অজুহাতের ব্যাধিতে আক্রান্ত ব্যর্থ মানুষ, ১৩৭) দি সেভেন হ্যাবিট অফ হাইলি এ্যা ফেক্টিভ পিপল, ১৩৮) সামাজিক আয়না, ১৩৯) প্রোএ্যাক্টিভিটি, ১৪০) সার্কেল অফ ইনফ্লুয়েন্স, ১৪১) শুরু করুন আজই, ১৪২) আপনার কেন্দ্রবিন্দু কোনটি?, ১৪৩) মাথার দুটি অংশই ব্যবহার করুন, ১৪৪) সময়ের ব্যবস্থাপনা, ১৪৫) ব্যক্তিগত ব্যবস্থাপনা, ১৪৬) গুরুত্বপূর্ণ এবং জরুরি, ১৪৭) পরনির্ভরশীল জীবন, ১৪৮) ছয়টি উপায়ে অন্য মানুষের সাথে আদান-প্রদান, ১৪৯) অধ্যয়ন, ১৫০) পড়াশোনায় ১২ কার্যকর কৌশল, ১৫১) ঘুম থেকে উঠতে ১০-৩-২-১-০ ফর্মুলা, ১৫২) আয়-ব্যয়- টাকা, ১৫৩) অন্যকে খুশি করতে পয়সা খরচ যে কারণে অর্থহীন, ১৫৪) খরচের লাগাম টেনে ধরতে.. ১৫৫) নারী, ১৫৬) সম্পর্ককে সুন্দর রাখতে কিছু “মিথ্যা” বলা জরুরী , ১৫৭) ছেলেদের কোন জিনিস দেখে মেয়েরা? , ১৫৮) স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর কিছু অভ্যাস, ১৫৯) ভুঁড়ি ঠেকাতে ৫টি নিয়ম, ১৬০) যেসব কারণে নারীদের স্বাবলম্বী হওয়া উচতি , ১৬১) বিয়ে-সংসার, ১৬২) সফল বিয়ের তিনটি মন্ত্র, ১৬৩) সুখী হবার দারুণ কিছু মূলমন্ত্র, ১৬৪) কিছু গল্প, ১৬৫) ভালোবাসাহীন সম্পর্ক, ১৬৬) কেন স্পর্শের প্রয়োজন হয় প্রতিদিন, ১৬৭) যে কারণে একা থাকাই আপনার জন্য ভালো, ১৬৮) ব্যবসা, ১৬৯) বিক্রয় বৃদ্ধির কৌশল, ১৭০) যে ৭টা ব্যাপার বিজনেসে করবেন না, ১৭১) স্বাস্থ্য, ১৭২) দুগ্ধজাত খাবারে পুরুষের বন্ধ্যত্ব, ১৭৩) একাকিত্বের বিপদ, ১৭৪) কর্মক্ষম ও প্রফুল্ল রাখতে, ১৭৫) মন ভালো করার উপায়, ১৭৬) যৌন স্বাস্থ্য, ১৭৭) পুরুষদের কেজেল, ১৭৮) মহিলাদের কেজেল, ১৭৯) দক্ষতা , ১৮০) আলসেমি দূর করার সহজ কিছু উপায়, ১৮১) কীভাবে সামলাবেন নিন্দুকদের ?, ১৮২) সুখী হতে চাইলে যা কখনোই করবেন না, ১৮৩) সব ভুলে যাচ্ছেন? স্মৃতিশক্তি চাঙ্গা রাখতে ৫টি টিপস, ১৮৪) বয়সের ভারে বৃদ্ধ না হয়ে বরং কাজের ভারে যুবক থাকার চেষ্টা করো, ১৮৫) নিজেকে কাজের সঙ্গে সম্পক্ত করার তিনটে স্টেপ, ১৮৬) জীবনের লক্ষ্য নির্ধারণে দ্রুত পদ্ধতিগুলো, ১৮৭) প্রতিদান পাওয়ার আশায় কাজ করবেন না, ১৮৮) প্রেম একটি মানসিক রোগ, ১৮৯) সম্পর্ক ভেঙ্গে যাবার পর নিজেকে যেভাবে সামলাবে, ১৯০) সময় সবকিছু বদলে দেয়, ১৯১) সম্পর্ক তৈরির ক্ষেত্রে কমন পাঁচটি ভুল, ১৯২) আত্মবিশ্বাস/মনোবল, ১৯৩) প্যারাসুট অফ হ্যাপিনেস, ১৯৪) বারবার ঘুরে দাঁড়াতে হবে, ১৯৫) আত্মবিশ্বাসহীন মানুষের লক্ষণ, ১৯৬) বাড়াও আত্মবিশ্বাস, বাড়বে সফলতা, ১৯৭) প্রাতিষ্ঠানিক সম্পর্ক শক্তিশালী করার টিপস, ১৯৮) কিভাবে ধরে রাখবে দু'জনের সম্পর্ক, ১৯৯) কিভাবে বুঝবে সম্পর্ক শেষ করতে হবে, ২০০) সম্পর্ক যখন প্রেম-ভালোবাসার, ২০১) যেসব বিষয়ের উপর স¤পর্ক গড়ে ওঠে, ২০২) ভালোবাসার অপর নাম প্রয়োজন, ২০৩) সম্পর্কের গুণগত মান বাড়বে কিভাবে, ২০৪) মস্তিস্ক ঠিক রাখার ৩০ উপায়, ২০৫) মানুষের আচরণের পেছনে একটা কারণ থাকে, ২০৬) কোনো কাজে নিজেকে সম্পক্ত না করেই আমরা নিজ ক্যারিয়ারকে এগিয়ে নিয়ে যাই ২০৭) স্রোতের বিপরীতে চিন্তা করুন, ২০৮) আপনার টাইমজোনে সময় আসবেই, ২০৯) চাইল্ডহুড অ্যামনেসিয়া এবং আমাদের শিক্ষণীয়,