স্রোতের বিপরীতে চিন্তা করুন
ডায়লগ: সবাই বলে হরিণ যায়, কানাও বলে হরিণ যায়।
ড. সলোমন অ্যাশ ১৯৫১ সালে অংপয ঈড়হভড়ৎসরঃু ঝঃঁফু পরীক্ষাটি করেন। পরীক্ষায় অংশগ্রহণকারীদের তিনি একটি কার্ড দেখান, যেখানে বিভিন্ন দৈর্ঘের তিনটি সরলরেখা আঁকা আছে। এরপর তিনি তাদেরকে আরও একটি কার্ড দেখান, যেখানে একটি সরলরেখা আঁকা ছিল। দ্বিতীয় কার্ডের সরলরেখাটির দৈর্ঘ পরিষ্কারভাবেই প্রথম কার্ডের তিনটির যেকোনো একটির সমান এবং বাকি দুটোর দৈর্ঘ হয় এর থেকে বড় না হয় ছোট।
এরপর তিনি তাদেরকে খুব সাধারণ একটি প্রশ্ন জিজ্ঞেস করেন। তা হলো, দ্বিতীয় কার্ডের সরলরেখাটি প্রথম কার্ডের কোন সরলরেখাটির মতো দেখতে? খুবই সোজা একটি প্রশ্ন এবং এখানে ১০০ জনকেও এই প্রশ্ন করা হলে ১০০% ক্ষেত্রে সঠিক উত্তরটি পাওয়া উচিত। মজার ব্যাপার হচ্ছে অংশগ্রহণকারীদের একটি গ্রুপের মধ্যে মাত্র একজন বাদে বাকি সবাই ছিলেন ড. সলোমনের নিজের লোক। তাদেরকে আগে থেকেই বলা হয়েছিল ভুল উত্তর দিতে। সবশেষে যখন প্রকৃত অংশগ্রহণকারীকে একই প্রশ্ন করা হল তখন দেখা গেল সেই একজন বাকি সবার উত্তরে বিভ্রান্ত হয়ে গেল। যদিও সে খুব পরিষ্কারভাবেই জানে যে কোন্ সরলরেখাটি সবচেয়ে বড়, তবুও সে অন্যদের ভুল উত্তরগুলোর দ্বারা প্রভাবিত হয়ে ভুল উত্তর দিল।
আর একটি উদাহরণ দিই, একসময় গুজব রটে গেল যে, সাইদী সাহেবকে চাঁদে দেখা যাচ্ছে। দেশের বিভিন্ন প্রান্তে লাখ লাখ মানুষ পরপর কয়েক রাত জেগে চাঁদের দিকে তাকিয়ে আছেন। এদের বেশিরভাগেরই দাবী, সত্যি সত্যিই তাকে দেখেছেন। এদের মধ্যে উচ্চশিক্ষিত অনেক মানুষও আছেন। শিক্ষিত মানষদের এই কর্মকাণ্ডের পর একটি জাতীয় দৈনিকে হেডলাইন হলো-একাডেমিক শিক্ষা মানুষকে জ্ঞানী করতে পারে না, তাকে পড়তে শেখায় মাত্র।
মানুষের দুই ধরণের চোখ আছে। শিক্ষার মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে জ্ঞানের চোখকে বিস্তৃত করা। সাধারণ মানুষ যা দেখছেন, আপনি যদি তা-ই দেখেন; তাহলে বলতে হবে, শিক্ষা আপনার দ্বিতীয় চোখে আলো জ্বালাতে পারেনি। একজন অন্ধ যেমন পৃথিবীর কোনো সৌন্দর্য উপভোগ করতে পারে না, জ্ঞানের আলো ছাড়া আপনিও তা-ই, স্রোতের বিপরীতে চিন্তা করার ক্ষমতাশূন্য। মনে রাখবেন স্রোত তৈরি হয় জিরোদের দ্বারা, আপনি যদি হিরো হতে চান. তাহলে একটু ভিন্নভাবে চিন্তা করুন।
উপরের এক্সপেরিমেন্টগুলো এটাই প্রমাণ করে যে, সাধারণ মানুষ সবসময়ই চায় অন্য সবার মতো হতে, যদিও সে আসলে তাদের চেয়ে উৎকৃষ্ট কেউ হতে পারত।
দীর্ঘস্থায়ী ভয়ের উৎপত্তির মূলে শৈশবকালে ঘটে যাওয়া ঘটনার প্রভাব
আমরা কেন কোনো নির্দিষ্ট কিছু দেখে ভয় পাই? জন হপকিন্স বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়াটসন এবং রেয়নার ১৯২০ সালে এই পরীক্ষাটি করেন নয় মাস বয়সী অ্যালবার্টের উপর। তাদের উদ্দেশ্য ছিলো মানসিকভাবে স্বাভাবিক একটি শিশুকে কীভাবে নানাধরনের ফোবিয়া গ্রাস করে তার কারণ অনুসন্ধান করা।
এ জন্য তারা স্বাভাবিক ‘অ্যালবার্টের’ মধ্যে কীভাবে ভয়ের বীজ রোপণ করা যায় তা বের করার চেষ্টা করতে থাকেন। প্রথমে তারা একটি সাদা ইঁদুর শিশুটির সামনে আনেন। প্রথমে শিশুটির অন্য কোনো প্রাণিতে কোনো প্রকার ভয় ছিলো না। তাই সে স্বাভাবিক আচরণ করতে লাগলো। এরপর তারা অ্যালবার্টের পিছনে বসে ধাতব কোনো কিছু দিয়ে শব্দ তৈরি করেন। যার কারণে ছোট্ট অ্যালবার্ট ভয় পয়ে কেঁদে ওঠে।
এরপর তারা বেশ কয়েকবার ধাতব শব্দ এবং একটি নিরীহ সাদা ইঁদুর এই দুইয়ের মিশেলে অ্যালবার্টকে ভয় পাইয়ে দেন। এরপর যে ব্যাপারটি ঘটলো তা মোটামুটি ভয়াবহ। নিরীহ সাদা ইঁদুরটি এরপর যতবারই অ্যালবার্টের সামনে আসলো, ততবারই সে ভয় পেয়ে কেঁদে উঠলো, যদিও এবার কোনো শব্দ ছিল না। শুধু তাই নয়, সে ইঁদুরের মতো দেখতে যেকোনো কিছুতেই ভীতি প্রদর্শন করতে লাগলো। তার মধ্যে ছিলো সাদা লোমশ পুতুল, এমনকি সাদা লোমশ মুখোশ!
পরবর্তীতে ওয়াটসন তার এই গবেষণাটির উপরে বেশ কয়েকটি লেকচার দেন। একজন পূর্ণবয়স্ক মানুষ সাধারণত যেসব ফোবিয়াতে আক্রান্ত থাকেন, সেসবের সাথে ঘনিষ্ট যোগসূত্র থাকে তার শৈশবকালে ঘটে যাওয়া কোনো ভীতিকর ঘটনার, যার প্রভাব ধাকে দীর্ঘস্থায়ী।
একটা বিশাল হাতিকে ভীষণ অতি ছোট একটা দড়ি দিয়ে বেঁধে রাখা হলো। কোনো চেইন নেই, কোনো খাঁচা নেই।
রাস্তা দিয়ে যাওয়ার সময় এই ব্যাপারটা খেয়াল করে খুব অবাক হলো এক ছেলে। তার চিন্তা হচ্ছে চাইলেই তো হাতিটা এই দড়ি এক নিমেষে ছিড়ে ফেলতে পারে। এইটা তার জন্য কোনো ব্যাপারই না।
ছেলেটা হাতির ট্রেইনারকে পেয়ে জিজ্ঞেস করলো, ঘটনা কি! হাতি দড়ি ছিঁড়ে পালায় না কেনো? ট্রেইনার বললেন, “তারা যখন ছোট ছিল, তখন এমন দড়িতেই বেঁধে রাখা হতো তাদের। তখন তাদের জন্য এই দড়িটাই উপযুক্ত ছিল। ছোট থাকা অবস্থায় এই দড়ি ছিঁড়ে বের হতে পারেনি বলে তাদের মনের মধ্যে ধারণা হয়ে যায়, এইটা আর কখনো ছেঁড়া যাবে না। তাই এখনো এই দড়িকে তারা সেই আগের মতো শক্তিশালী মনে করে ছেঁড়ার চেষ্টাই করে না।”
হাতির মতোই আমরাও জীবনের এক পর্যায়ে সনাতন চিন্তা (বাপ-দাদা-পরিবার-পরিজন থেকে পাওয়া বিশ্বাস) সঠিক কিনা, দ্বিতীয়বার নতুন করে ভাববার কোনো চেষ্টাই করি না, মনে করি- যা আছে, তা-ই ঠিক ।
অথচ, একবার চেষ্টা করলেই হয়তো নতুন কিছু উ! তাই যেখানে সবাই থেমে যাবে, সেখান থেকেই আমাদের শুরু করতে হবে। থেমে যাওয়া মানেই হেরে যাওয়া।
মোদ্দা কথা সিদ্ধান্ত এই, শৈশবে বিভিন্ন ভয়ের কল্পকথা, ধর্মীয় ভীতিকর কাহিনী দিয়ে কারো মনে ভয়ের জায়গা তৈরি করবেন না। কাউকে হেয়, তুচ্ছ বা ছোট করা বা দমিয়ে রাখবেন না। তাহলে তার মানসিক ও শারিরীক বৃদ্ধি ব্যাহত হবে এবং তার মধ্যে ক্রমে উরভভঁংরড়হ ড়ভ জবংঢ়ড়হংরনরষরঃু এবং ইুংঃধহফবৎ ৎ ঊভভবপঃ।-কাজ করবে। তার সৃষ্টিশীল চেতনা শক্তির ধীরে ধীরে মৃত্যু হবে।
কোনো কাজে নিজেকে স¤পৃক্ত না করেই আমরা নিজ ক্যারিয়ারকে এগিয়ে নিয়ে যাই
লক্ষহীন যাত্রা পথিককে শুধু ক্লান্ত করে, পথের দূরত্ব কমায় না
সাবিরুল ইসলাম, বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত ব্রিটিশ তরুণ উদ্যোক্তা, লেখক ও বক্তা। তাঁর লেখা তরুণদের ব্যবসা শেখার গেম টিন-ট্রাপেনার যুক্তরাজ্যের ৬৫০টি স্কুলে পাঠ্যসূচির অংশ হিসেবে শিক্ষার্থীদের খেলতে দেওয়া হয়। ২০১০ সালে পৃথিবীর ২৫ তরুণ শিল্প-উদ্যোক্তার একজন নির্বাচিত হন সাবিরুল। যুক্তরাজ্যের প্রভাবশালী ১০০ ব্রিটিশ-বাংলাদেশির তালিকায় নাম আছে তাঁর। তাঁর লেখা বই দ্য ওয়ার্ল্ড অ্যাট ইওর ফিট বিক্রি হয়েছে ৬০ হাজার কপি। তিনি এখন ইন্সপায়ার ওয়ান মিলিয়ন (ওহংঢ়রৎব১গরষষরড়হ) কার্যক্রম চালাচ্ছেন, যার লক্ষ্য বিশ্বজুড়ে ১০ লাখ তরুণ উদ্যোক্তা তৈরি করা। ইতিমধ্যে এই প্রকল্প নিয়ে তিনি বিশ্বের ২৫টি দেশের আট লাখের বেশি তরুণের সামনে কথা বলেছেন। তরুণদের সাথে কাজ করার অভিজ্ঞতা সম্পর্কে তিনি একটি বাক্যই বলেনÑ কোনো কাজে নিজেকে স¤পৃক্ত না করেই আমরা কেন জানি নিজ ক্যারিয়ারকে সামনে এগিয়ে নিয়ে যাই। এই মনোভাবের কারণেই নিজেকে বিভ্রান্তির মধ্যে ফেলে দিই আমরা, যার জন্য অলসতা আর অমনোযোগিতা আমাদের মাঝে ভর করে।
সূচিপত্র
১) ছোটদের সাথে আমাদের আচরণ ২) পরিবার ও সন্তান, সুপার পাওয়ার যেভাবে তৈরি হয়, ৩) দীর্ঘস্থায়ী ভয়ের উৎপত্তির মূলে শৈশবকালে ঘটে যাওয়া ঘটনার প্রভাব , ৪) সন্তানের উৎসাহ এবং উদ্দীপনা বাড়ানো, ৫) আপনার শিশুটি ঘুমুক শান্তিতে এবং নির্ভরতায় , ৬) কিছু অব্যর্থ টিপস, যা আপনার শিশুকে পড়াশোনায় আগ্রহী করে তুলবে, ৭) শিশুকে কিভাবে বড় করবেন, ৮) বাচ্চাদের মস্তিষ্ক বিকাশে কী করবেন? ৯) বাচ্চাদের বুদ্ধি বিকাশের অন্যতম পথ, দৌড়, ১০) বাচ্চাকে কখনো আড়ালে লুকিয়ে খেতে দেবেন না, ১১) পিটার সিংগারের দর্শন, ১২) দুষ্টু শিশুরা তাড়াতাড়ি শেখে, ১৩) সন্তানকে যতই শাস্তি দেবেন ততই সে অসামাজিক হবে, ১৪) বাবা-মাই সন্তানকে নির্যাতন করেন সবচেয়ে বেশি , ১৫) সন্তানের সাথে কিভাবে গড়ে তুলবেন নিবিড় বন্ধন, ১৬) যে ১১টি কথা শিশুকে কখনোই বলবেন না!, ১৭) শিশুকে গল্প শোনান প্রতিদিন, ১৮) সন্তানের আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধির ১০টি কৌশল, ১৯) সৃজনশীলতা হচ্ছে নতুন কিছু করার যোগ্যতা, ২০) যারা মুখস্থ করতে পারেন না, ২১) তারা মেধাবী, মেধাবী হওয়ার উপায়,
২২) কথা ও ভাষা, ২৩) এলিভেটর পিচ, ২৪) সুন্দর করে কথা বলে সমস্যা জয়ের কৌশল, ২৫) ফোনে কথা বলার আদবকেতা, ২৬) ১২টি কর্ম বিধান, ২৭) ভালোবাসার অপর নাম প্রয়োজন, ২৮) আলতু-ফালতু কাজে সময় অপচয় করে স্বপ্ন পূরণের কল্পনা, ২৯) স্ট্রেস ম্যানেজমেন্ট, ৩০) চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিন পিং-এর জীবন থেকে শিক্ষা, ৩১) অভিজ্ঞতা ও অতীত থেকে শিক্ষা গ্রহণ, ৩২) বর্তমানকে সবচেয়ে বেশি মূল্য দিন, ৩৩) ২৪ ঘণ্টা কেউ সুখী হয় না, ৩৪) কিছু অভ্যাস যা আপনাকে আরও সুখী করবে , ৩৫) আপনার অবয়ব , ৩৬) সফলতার 25টি হট কৌশল-1, ৩৭) সাফল্যের 25টি হট কৌশল-2, ৩৮) সফলতার 55 সূত্র, ৩৯) কিভাবে নিজেকে নেতা হিসেবে গড়ে তুলবে, ৪০) সময় ব্যবস্থাপনা, ৪১) সময় ব্যবস্থাপনার তিনটি ধাপ, ৪২) সময়কে যথাযথভাবে কাজে লাগানোর উপায়গুলো, ৪৩) সাফল্য, ড. কোভের ইমোশনাল একাউন্ট কনসেপ্ট, ৪৪) সবচে বড় ইমোশনাল একাউন্ট, ৪৫) আপনার ইমোশনাল একাউন্ট, ৪৬) বুদ্ধি ও বিবেচনাবোধ বর্জিত কর্মফল বিপজ্জনক, ৪৭) অন্যদের দিয়ে আপনার কাজ করান কিন্তু সম্মান আপনি অর্জন করুন, ৪৮) অন্য লোকেরা আপনার কাছে আসুক দরকার হলে টোপ দিন, ৪৯) অসুখী এবং ভাগ্যহীনদের বর্জন করুন, ৫০) লোককে আপনার ওপর নির্ভরশীল করুন , ৫১) নেওয়ার পূর্বে দেওয়া অন্য বক্তির স্বার্থ বুঝুন, ৫২) শত্রুকে খাটো করে দেখবেন না, ৫৩) নিজেকে রক্ষা করার জন্য চারিদিকে দুর্গ নির্মাণ করবেন না, ৫৪) কারোর পক্ষ অবলম্বন করে বসে থাকবেন না, ৫৫) আপনার শক্তিসমূহকে সংহত করুন, ৫৫) নিজের ভুলগুলোকে লুকিয়ে রাখুন, ৫৬) শুধু সাহসের জোরে নয়, পরিণতিও বিবেচনায় রাখুন, ৫৭) প্রতিটি মানুষের গোপন ইচ্ছা খুঁজে বের করুন, ৫৮) রাগ বিপজ্জনক ও অভদ্রতা, ৫৯) কোনো দলকে ধরার জন্য দলপতিকে প্রথমে ধরুন, ৬০) নিজেকে গুরুত্বপূর্ণ মনে করুন, গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবেন, ৬০) পরিবেশ সামলাতে শিখুন, ৬১) প্রথম শ্রেণির মানুষ হয়ে উঠুন, ৬২) আপনার সামাজিক পরিবেশ ‘প্রথম শ্রেণি’র করে তোলার উপায়, ৬৩) ‘সস্তার তিন অবস্থা’ প্রধম শ্রেণিভুক্ত হয়ে উঠুন , ৬৪) যত বেশি বন্ধুত্ব তত বেশি উপরে ওঠার সম্ভাবনা, ৬৫) সাহস করে কাজটা শুরু করুন, ৬৬) সাফল্য মানে বারবার ভিন্নভাবে চেষ্টা করা, ৬৭) ১- ১০ ভাল অভ্যাস, ১১- ২০ ভাল অভ্যাস, ২১- ৩০ ভাল অভ্যাস, ৩১- ৪০ ভাল অভ্যাস, ৪১- ৫০ ভাল অভ্যাস, ৫১- ৬০ ভাল অভ্যাস, ৬১- ৭০ ভাল অভ্যাস, ৭১- ৮০ ভাল অভ্যাস, ৮১- ৯০ ভাল অভ্যাস, ৯১- ১০২ ভাল অভ্যাস, ৬৮) জিরো থেকে হিরো, ৬৯) সৃজনশীলদের সফলতার ৭ সূত্র, ৬৯) জীবনে পরিবর্তন আনুন ৪৮টি উপায়ে, ৭০) জীবন-যাপন, ৭১) জাপানী ও চিন লাইফ স্টাইল , ৭২) ৩০টি দর্শন, যা আপনার জীবনে কাজে লাগবে, ৭৩) সম্পর্ক তৈরি করা, বন্ধুত্ব, ৭৪) যে আচরণগুলো মানুষের মনের কথা জানাবে, ৭৫) কথা বলার সূত্র, ৭৬) আপনি ও আপনার ব্যবহার, ৭৭) নিজেকে সঠিকভাবে উপস্থাপন করা, ৭৮) কথা বলার কতিপয় গুরুত্বপূর্ণ নিয়ম, ৭৯) কিভাবে নিজেকে বিনয়ী হিসেবে উপস্থাপন করবেন, ৮০) কিভাবে বুদ্ধিদীপ্ত কথা বলবেন, ৮১) কথা বলার ৫টি বিস্ময়কর টেকনিক, ৮২) কিভাবে মানুষকে আকৃষ্ট করবেন? ৮৩) অকারণে সময় নষ্ট? মেল রবিনের ৫ সেকেন্ড রুল, ৮৪) কর্পোরেট আদবকেতা, ৮৫) ৩৫টি কর্পোরেট কালচার ও আপনার করণীয়, ৮৬) যা না জানলে লজ্জায় পড়তে হয় , ৮৭) কাজের সময়ে যে বিষয়গুলো একেবারেই করা উচিৎ না , ৮৮) ক্যারিয়ারে সাফল্য পেতে ছুড়ে ফেলুন ৭টি দোষ, ৮৯) আকাক্সক্ষা, ইচ্ছে বা স্বপ্ন,
৯০) বক্তৃতা প্রশিক্ষণ, কাজ কিভাবে করবেন? ৯১) আত্মশক্তিতে বলিয়ান হতে, ৯২) একনাগাড়ে চলবেন না, ৯৩) মারফিস ’ল , কাজের রোডম্যাপ তেরি , ৯৪) জব স্যাটিসফেকশন, ৯৫) কাজে সফলতার সূত্রাবলী, ৯৬) যেভাবে জীবনযাপন করবেন, ৯৭) পরিণত বুদ্ধির মানুষেরা যে কাজগুলো কখনোই করেন না, ৯৮) জীবনে দক্ষতা অর্জনের কার্যকর ১২টি উপায়, ৯৯) সঠিক লক্ষ্য নির্ধারণ ও কাজ করার উপায় , ১০০) সফলতা ও সার্থকতা, ১০১) জীবনের ছোট ছোট প্রাপ্তিগুলোকে উপভোগ করা, ১০২) সফলতার কিছু পদ্ধতি, ১০৩) সফল হতে চাইলে যে ৮ টি জিনিস বাদ দেয়া প্রয়োজন, ১০৪) সফল ব্যক্তিরা যে ১০টি কাজ কখনোই করেন না, ১০৫) সর্বদা স্মরণ রাখুন, ১০৬) চিন্তাশক্তি , ১০৭) স্বাধীনতা, ১০৮) জ্ঞান অর্জন খাদ্য গ্রহণের মতো , ১০৯) দৃঢ় প্রতিজ্ঞ হয়ে চেষ্টা করলে কখনোই বিফল হবেন না, ১১০) বুদ্ধির সংজ্ঞা হলো, প্রতিটি কাজ ভেবে-চিন্তে করা, ১১১) ব্যক্তিত্ব, চেহারা ও ব্যক্তিত্ব , ১১২) সেলডন-এর গবেষণা , ১১৩) ব্যক্তিত্ব ও উচ্চারণ, ১১৪) পোশাক ও ব্যক্তিত্ব, ১১৫) প্রথম দেখায় ব্যক্তিত্বের ছাপ, ১১৬) বিচ্ছিন্নতা ব্যক্তিত্বের বড় শত্রু, ১১৭) ব্যক্তিত্বে জিনগত প্রভাব, ১১৮) অন্তর্মুখী ও বহির্মুখী ব্যক্তিত্ব, ১১৯) মনোমুগ্ধকর ব্যক্তিত্বের ১০ বৈশিষ্ট্য, ১২০) ব্যক্তিত্বের উৎকর্ষতার জন্যে ১০ নির্দেশনা, ১২১) কিভাবে ব্যক্তিত্বের বিকাশ ঘটাবেন? , ১২২) নিজেকে স্মার্ট করতে ৫টি কৌশল, ১২৩) আকর্ষণীয় মানুষ হবার ৬টি পরামর্শ, ১২৪) আত্মশুদ্ধি , ১২৫) হতাশ হবেন না, ১২৬) পাছে লোকে কিছু বলে, ১২৭) সুখ-শান্তি উন্নতি , ১২৮) চাহিদা, ১২৯) খাদ্য, ঘুম ও বিশ্রাম, ১৩০) স্বাস্থ্য ভাল রাখার নিয়ম, ১৩১) টেনশন দূর করতে হলে, ১৩২) শুধু নিজের কথা নয়, অন্যের কথাও ভাবুন, ১৩৩) চাহিদা যত বেশি সুখ তত কম, ১৩৪) সুখী জীবনের জন্য ১৮ টি টিপস, ১৩৫) আত্মবিশ্বাস, আত্ম বিশ্বাসের শক্তি, ১৩৬) অজুহাতের ব্যাধিতে আক্রান্ত ব্যর্থ মানুষ, ১৩৭) দি সেভেন হ্যাবিট অফ হাইলি এ্যা ফেক্টিভ পিপল, ১৩৮) সামাজিক আয়না, ১৩৯) প্রোএ্যাক্টিভিটি, ১৪০) সার্কেল অফ ইনফ্লুয়েন্স, ১৪১) শুরু করুন আজই, ১৪২) আপনার কেন্দ্রবিন্দু কোনটি?, ১৪৩) মাথার দুটি অংশই ব্যবহার করুন, ১৪৪) সময়ের ব্যবস্থাপনা, ১৪৫) ব্যক্তিগত ব্যবস্থাপনা, ১৪৬) গুরুত্বপূর্ণ এবং জরুরি, ১৪৭) পরনির্ভরশীল জীবন, ১৪৮) ছয়টি উপায়ে অন্য মানুষের সাথে আদান-প্রদান, ১৪৯) অধ্যয়ন, ১৫০) পড়াশোনায় ১২ কার্যকর কৌশল, ১৫১) ঘুম থেকে উঠতে ১০-৩-২-১-০ ফর্মুলা, ১৫২) আয়-ব্যয়- টাকা, ১৫৩) অন্যকে খুশি করতে পয়সা খরচ যে কারণে অর্থহীন, ১৫৪) খরচের লাগাম টেনে ধরতে.. ১৫৫) নারী, ১৫৬) সম্পর্ককে সুন্দর রাখতে কিছু “মিথ্যা” বলা জরুরী , ১৫৭) ছেলেদের কোন জিনিস দেখে মেয়েরা? , ১৫৮) স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর কিছু অভ্যাস, ১৫৯) ভুঁড়ি ঠেকাতে ৫টি নিয়ম, ১৬০) যেসব কারণে নারীদের স্বাবলম্বী হওয়া উচতি , ১৬১) বিয়ে-সংসার, ১৬২) সফল বিয়ের তিনটি মন্ত্র, ১৬৩) সুখী হবার দারুণ কিছু মূলমন্ত্র, ১৬৪) কিছু গল্প, ১৬৫) ভালোবাসাহীন সম্পর্ক, ১৬৬) কেন স্পর্শের প্রয়োজন হয় প্রতিদিন, ১৬৭) যে কারণে একা থাকাই আপনার জন্য ভালো, ১৬৮) ব্যবসা, ১৬৯) বিক্রয় বৃদ্ধির কৌশল, ১৭০) যে ৭টা ব্যাপার বিজনেসে করবেন না, ১৭১) স্বাস্থ্য, ১৭২) দুগ্ধজাত খাবারে পুরুষের বন্ধ্যত্ব, ১৭৩) একাকিত্বের বিপদ, ১৭৪) কর্মক্ষম ও প্রফুল্ল রাখতে, ১৭৫) মন ভালো করার উপায়, ১৭৬) যৌন স্বাস্থ্য, ১৭৭) পুরুষদের কেজেল, ১৭৮) মহিলাদের কেজেল, ১৭৯) দক্ষতা , ১৮০) আলসেমি দূর করার সহজ কিছু উপায়, ১৮১) কীভাবে সামলাবেন নিন্দুকদের ?, ১৮২) সুখী হতে চাইলে যা কখনোই করবেন না, ১৮৩) সব ভুলে যাচ্ছেন? স্মৃতিশক্তি চাঙ্গা রাখতে ৫টি টিপস, ১৮৪) বয়সের ভারে বৃদ্ধ না হয়ে বরং কাজের ভারে যুবক থাকার চেষ্টা করো, ১৮৫) নিজেকে কাজের সঙ্গে সম্পক্ত করার তিনটে স্টেপ, ১৮৬) জীবনের লক্ষ্য নির্ধারণে দ্রুত পদ্ধতিগুলো, ১৮৭) প্রতিদান পাওয়ার আশায় কাজ করবেন না, ১৮৮) প্রেম একটি মানসিক রোগ, ১৮৯) সম্পর্ক ভেঙ্গে যাবার পর নিজেকে যেভাবে সামলাবে, ১৯০) সময় সবকিছু বদলে দেয়, ১৯১) সম্পর্ক তৈরির ক্ষেত্রে কমন পাঁচটি ভুল, ১৯২) আত্মবিশ্বাস/মনোবল, ১৯৩) প্যারাসুট অফ হ্যাপিনেস, ১৯৪) বারবার ঘুরে দাঁড়াতে হবে, ১৯৫) আত্মবিশ্বাসহীন মানুষের লক্ষণ, ১৯৬) বাড়াও আত্মবিশ্বাস, বাড়বে সফলতা, ১৯৭) প্রাতিষ্ঠানিক সম্পর্ক শক্তিশালী করার টিপস, ১৯৮) কিভাবে ধরে রাখবে দু'জনের সম্পর্ক, ১৯৯) কিভাবে বুঝবে সম্পর্ক শেষ করতে হবে, ২০০) সম্পর্ক যখন প্রেম-ভালোবাসার, ২০১) যেসব বিষয়ের উপর স¤পর্ক গড়ে ওঠে, ২০২) ভালোবাসার অপর নাম প্রয়োজন, ২০৩) সম্পর্কের গুণগত মান বাড়বে কিভাবে, ২০৪) মস্তিস্ক ঠিক রাখার ৩০ উপায়, ২০৫) মানুষের আচরণের পেছনে একটা কারণ থাকে, ২০৬) কোনো কাজে নিজেকে সম্পক্ত না করেই আমরা নিজ ক্যারিয়ারকে এগিয়ে নিয়ে যাই ২০৭) স্রোতের বিপরীতে চিন্তা করুন, ২০৮) আপনার টাইমজোনে সময় আসবেই, ২০৯) চাইল্ডহুড অ্যামনেসিয়া এবং আমাদের শিক্ষণীয়,