অভ্যাস ২১। কোনো শিশুকে প্রথমেই চুপ করিয়ে দেবেন না।
আগে তাদের কথা বলতে শেখান তারপর শেখান চুপ কোথায় করতে হয়। ছেলে-মেয়েদের বেয়াদপি দেখে বাবা-মায়ের রাগ করা অবান্তর। কারণ আপনাদের সন্তান আপনাদেরই প্রতিমূর্তি। বাবা-মায়ের প্রত্যেকের ২৩টা করে ক্রোমোজোম দিয়ে তৈরি হয়। তাদের দৈহিক ও মানসিক গঠনের জন্যও বাবা-মায়ের জিন অনেকটাই দায়ী।
বাচ্চাদের ভূতের ভয় জুজুর ভয় দেখাবেন না। শিশুকে কদাচ মারবেন না। শিশুকে যদি মারধর করে বশে আনার চেষ্টা করেন, তাহলে শিশু নিজেও মনে মনে জানবে একমাত্র মারধর করে, ভয় দেখিয়ে কাউকে থামিয়ে দেওয়া যায়। বউরা স্বামীকে কর্কশভাবে ভৎর্সনা করে। শিশু এটা দেখে। তার মধ্যে হিংসা ও আক্রোশ জন্মাতে থাকে। বড় হলে সে মানুষ হিসাবে খুব খারাপ হয়ে যায়। সে যখন বিয়ে করে তখন তার স্বামী বা স্ত্রীর সঙ্গে এইরকম ব্যবহারই সঙ্গত মনে করে।
অভ্যাস ২২। ক্ষমতাবানের দম্ভ দেখে অবাক হবেন না।
জ্ঞানীরা কখনও প্রয়োজনের অধিক অর্থ উপার্জন করতে মুখে রক্ত তুলে ছুটাছুটি করে না। তারা ইচ্ছা করে ধনী হতে চায় না। তারা দারিদ্রের মধ্যে দিয়ে তিল তিল করে যে আর্থিক নিরাপত্তা অর্জন করে, তা শেষ বয়সের পক্ষে যথেষ্ট বলে মনে করে। ধনী হতে পারেননি বলে দুঃখ করেন না। একটা সূত্র মনে রাখবেন, যত বেশি ধনী হবেন, তত বেশি মত্যুর দিকে এগিয়ে যাবেন।
ক্ষমতাবানদের সাথে বন্ধুত্ব করুন, কিন্তু বন্ধু ক্ষমতায় গেলে তার কাছে কিছু প্রত্যাশা করবেন না। তাদের সঙ্গে বন্ধুত্ব করার সহজ রাস্তা হলো তাদের প্রশংসা করা, তাদের স্বার্থসিদ্ধির পথে সহায়তা করা।
অভ্যাস ২৩। আবেগের বশে কাউকে চট করে কোনো প্রতিশ্রুতি দেবেন না।
প্রতিশ্রুতি দেবার আগে ভাববেন আপনার সে প্রতিশ্রুতি পালনের ক্ষমতা আছে কি না, অথবা সেই প্রতিশ্রুতি পালনের জন্য মনে ইচ্ছা আছে কি না। চরিত্রবান ব্যক্তিরা একবার কথা দিলে তা যত তুচ্ছ হোক বা যত কঠিন হোক তা পালন না করে স্বস্তি পান না। যে সব ব্যাপারে মানুষ চট করে কথা দেয় অথচ শতকরা ৫০ থেকে ৭০ ভাগ ক্ষেত্রে কথা রাখে না।
বাইরে বেড়াতে গিয়ে অনেকের সঙ্গে আলাপ হয়ে যায়। সে আলাপ বন্ধুত্বে পরিণত হয়। বিদায় নেবার আগে পরস্পরের ঠিকানা নেন ও নিয়মিত যোগাযোগ রাখবেন প্রতিশ্রুতি দিয়ে যান। তারপর যে যার জায়গায় ফিরে গিয়ে আর কারো সঙ্গে যোগাযোগ করেন না। শতকরা ৩০ জন যোগাযোগ করলেও প্রথম প্রথম সে যোগাযোগ থাকে কিন্তু তা স্বল্পস্থায়ী হয়। কিছুদিন পরে দুজনেই দুজনের প্রতিশ্রুতি ভুলে যান।
প্রেমের ক্ষেত্রে মিথ্যে প্রতিশ্রুতির ফুলঝুরি ঝরে। সেই প্রতিশ্রুতিতে বিশ্বাস করে সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত হয় মেয়েরা। প্রেমে আর যুদ্ধে কেউ কথা রাখে না। কয়েকটি অলীক প্রতিশ্রুতি:
# আমি কখনও তোমাকে ছেড়ে যাবো না। (প্রেমিক প্রেমিকাকে)
# তোমার এই উপকার জীবনে ভুলবো না। (বন্ধু বন্ধুকে)
# যখন যা দরকার হবে আমাদের বলবেন। (পাশের বাড়ির কর্তা বা গিন্নী)
# দারুণ মিষ্টি আম। গ্যারান্টি দিচ্ছি। (ফলওয়ালা খরিদ্দারকে)
# এই মামলায় আপনি জিতে বসে আছেন। কিচ্ছু ভাববেন না। আমি আছি। (উকিল মক্কেলকে)
অভ্যাস ২৪। অতিরিক্ত স্মার্ট হবার চেষ্টা করবেন না।
ওভার স্মার্টরা কিছু কিছু সরল লোকদের ও অজ্ঞদের প্রভাবিত করতে পারে কিন্তু বুদ্ধিমানদের কাছে ধরা পড়ে যায়।
স্মার্ট কথাটার মানে হলো চালাক-চতুর। বুদ্ধিমান ও চালাকের মধ্যে তফাৎ হলো বুদ্ধিমান তাঁর অজ্ঞতা এমনভাবে ঢেকে রাখতে জানে যা বাইরের লোক বুঝতে পারে না। আর চালাক ব্যক্তি তার বুদ্ধিকে এমনভাবে জাহির করতে যায় যে তা বোকামির পর্যায়ে গিয়ে পৌঁছায় ও লোকে তা ধরে ফেলে।
বুদ্ধিমান যেখানে যেমন সেখানে তেমন ব্যবহার করেন। বোকাদের কাছে তিনি বোকা হয়ে থাকেন। চালাকেরা বোকাদের কাছে চালাক সাজতে যান আর চালাকদের কাছে আরও চালাক সাজেন। চালাকেরা অল্প খরচে সস্তায় দামী জিনিস হাতাতে চায়। কিন্তু দামী জিনিস সস্তায় বিক্রি হয় কখনো?
প্রকৃত স্মার্টনেস হলো শুধু পোশাকে নয়, সামগ্রিক আচরণের মধ্যে একটা বুদ্ধি ও সংস্কৃতির ছাপ ফুটিয়ে তোলা।
অভ্যাস ২৫। আপনি যেমন তেমনটি থাকুন। কাউকে অনুসরণ করবেন না।
কাউকে অনুকরণ করে বা কৃত্রিম উপায়ে আপনি যা নন, তা হবার চেষ্টা করবেন না। অনেক বিষয়ে বিশেষজ্ঞ বলে নিজেকে জাহির করার চেষ্টা করবেন না। আপনার সীমাবদ্ধতা সম্পর্কে নিজেই সচেতন থাকুন।
চট করে কাউকে ইমপ্রেস করার জন্য বড় বড় কথা বলবেন না। কোনো বিষয়ে অল্প জেনে বেশি জানার ভান করবেন না। অল্প জানা অপরাধ নয়। তবে বেশি বিষয়ে অল্প জানা আরও ভালো।
দ্রুত কথা বলার চেষ্টা না করে ধীরে ধীরে স্পষ্ট উচ্চারণ করে কথা বলুন।
অভ্যাস ২৬। কারও অভদ্র আচরণে দুঃখ পাবেন না
ভদ্রতা অনেকটা জন্মগত। ভদ্রলোকের ছেলেরাই সাধারণ ভদ্রলোক হয়। এটি একটি জেনেটিক উত্তরাধিকার। বিশিষ্ট ব্যক্তিদের ছেলে-মেয়েরা খুবই ভদ্র। রাজনীতিকদের ছেলেরা সাধারণত অভদ্র হয় কারণ রাজনীতিকদের মধ্যে খুব কম লোকই ভদ্র। পরিবেশগত কারণে ভদ্রলোকদের সংখ্যা কমছে। কারণ নিজে সুখীবোধ না করলে লোকে ভদ্র আচরণ করতে পারে না। আজকাল নানা কারণে লোকের মেজাজ খিঁচড়ে থাকে। ভেতরে ভেতরে থাকে অভাববোধ, অপারাগতাবোধ, হীনম্মন্যতা। তাই মন বিক্ষিপ্ত হলে চিত্তও হতাশগ্রস্ত ও বিষাদগ্রস্ত হয়ে থাকে।
অন্যের কাছ থেকে ভদ্র ব্যবহার চাইলে নিজে ভদ্র ব্যবহার করুন। অন্যের অভদ্রতার দ্বারা প্রভাবিত হবেন না। আপনি নিজে ভদ্র না হলে অন্যের কাছ থেকে ভদ্র ব্যবহার দাবি করতে পারেন না। ভদ্র হতে গেলে রাগ ক্ষোভ দমন করুন। হেসে কথা বলুন। একশো জনের মধ্যে একজন ভদ্রলোক দেখতে পেলে তাকে সম্মান করুন।
অভ্যাস ২৭। অতীতের কোনো ভুলের জন্য দুঃখ করবেন না।
সমগ্র মানবসভ্যতার ইতিহাস ভুলের মধ্যে দিয়ে সঠিক পথে যাবার ইতিহাস। শুধু একটা পরীক্ষা নয়, জীবনের সমস্ত পরীক্ষায় সফল হবার মতো করে নিজেকে প্রস্তুত করতে লডাকুভাবে তৈরি হতে হয়। অন্যের প্রতি অন্যায়ের প্রতিবাদ করুন। কিন্তু আপনার প্রতি কেউ অন্যায় করলে, আপনাকে অপমান করলে, আপনার প্রতি ঔদ্ধত্য দেখালে আপনি নিজে প্রতিশোধ নিতে যাবেন না। অতীতের ভুলের জন্য আর আফসোস করবেন না, একবারের জন্যও মনে আনবেন না। যা গেছে চলে যাক গোল্লায়, যা করে ভালো করে আল্লায়। এই মনোভাব মনে ধরে রাখুন।
অভ্যাস ২৬। স্মার্ট হয়ে উঠুন
সাধারণ জ্ঞান-বিজ্ঞান শিল্প সাহিত্য সংস্কৃতি স্তরে পৃথিবীতে কোথায় কী হচ্ছে, কী ঘটছে তা নখদর্পণে রাখুন। ইন্টারনেট ও সেলফোনের মতো এত শক্তিশালী মাধ্যম পেয়ে তা শুধু ভিডিও গেম ও প্রেমের জন্য ব্যবহার করবেন না। তার প্রকৃত ব্যবহার করুন।
# আলোচনা, ক্যুইজ প্রতিযোগিতায় নিয়মিত অংশ নিন।
# নিয়মিত ক্লাস লেকচার শুধু নয়, টিভির আলোচনাও শুনুন। পড়ার চেয়ে শোনা চট করে মনে থাকে।
# প্রতি পনেরো দিন অন্তর একটি করে ভালো বই পড়ুন।
# নিয়মিত ব্যায়াম করুন। সিগারেট, মদ ও কোল্ড ড্রিঙ্কস্্ বর্জন করুন। বেশি করে শাক-সবজি ও পানি পান করুন।
# ভালো উচ্চারণ শিখুন। আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে কবিতা পড়ুন।
# বিনয়ের সঙ্গে সোজা হয়ে দাঁড়িয়ে বা বসে চোখে চোখ রেখে কথা বলুন। কথায় জোকসকে যোগ করতে শিখুন। হাসুন এবং হাসান।
অভ্যাস ২৭। উপকার করে কাউকে ধন্য করবেন না।
সব সময় মনে রাখবেন আপনি যে কাউকে সাহায্য করার সুযোগ পাচ্ছেন, তাতে সবচেয়ে লাভ হচ্ছে আপনার। কেন? কাউকে উপকার করার মধ্যে এক অসীম আত্মতৃপ্তি বা আনন্দানুভূতি আছে। এই আনন্দ অনুভূতি অন্য কিছুতে পাওয়া যায় না। আমাদের মানসিক আনন্দের কতগুলি স্তর আছে। এর মধ্যে একটি স্তর হলো অহংস্তর। কারো জন্য কিছু করতে পারলে এই অহং খুব শক্তিশালী হয়। একজন কবি যখন কবিতা লেখেন বা গল্পকার গল্প লেখেন তখন লেখার সঙ্গে সঙ্গে তিনি যে আনন্দটুকু পান সেটাই তাঁর বড় পুরস্কার।
অন্যকে সাহায্য করা বা উপকার করা ঠিক কবিতা লিখে আনন্দ পাবার মতো। তবে মনে রাখবেন উপকৃত ব্যক্তি আপনার মক্কেল নয়। মক্কেলকে লোকে উপকার করে তার কাছ থেকে প্রতিদানের আশায়।
আপনি প্রতিদানের প্রত্যাশা করলে বেছে বেছে তাদেরই উপকার করুন, যাদের কাছ থেকে আপনার ব্যবসা পাবার সম্ভাবনা আছে। যদি নিজের আনন্দের জন্য কাউকে কিছু করেন তবে প্রতিদান দেবার ক্ষমতা যাদের নেই তাদের জন্য কিছু করুন।
অভ্যাস ৩০। অর্থনৈতিকভাবে কারো ওপর নির্ভরশীল হবেন না।
ছেলে-মেয়েরা একটু বড় হলেই তাদের বলে দিন বাবা-মা হিসেবে আমাদের দায়িত্ব তোমাদের সাধ্যমত লেখাপড়া শেখানো। তারপর তোমরা আমার ওপর আর্থিকভাবে নির্ভর করো না। আমরাও বৃদ্ধ বয়সে তোমাদের ওপর নির্ভর করবো না।
যতক্ষণ ছেলে-মেয়েরা জানবে আমাদের পিছনে বিত্তশালী বাবা আছে, ততদিন ছেলে-মেয়েরা স্বাবলম্বী হবে না। যুদ্ধে সৈনিকদের মনোবল বাড়াবার শেষ উপায় আপনাদের জাহাজটিতে আগুন ধরিয়ে দেওয়া। তখন আর সৈন্যদের যুদ্ধ করা ছাড়া উপায় থাকে না। বৃদ্ধ বয়সে সম্পদ খুইয়ে ছেলে-মেয়েদের পিছনে খরচ করবেন না। বৃদ্ধ বয়সে অন্যের ওপর নির্ভরশীল হওয়ার পদে পদে যন্ত্রণা।
অভ্যাস ৩১। সাফল্যের জন্য আত্মহারা হবেন না।
ব্যর্থতার জন্যও খুব বেশি ভেঙে পড়বেন না। সাফল্য এলে দায়িত্ব বেড়ে যায়। লোকের প্রত্যাশা বেড়ে যায়। লোকে অকারণে ঈর্ষাপরায়ণ হয়ে ওঠে। তাই সফল লোকের ওপর সাফল্য ধরে রাখার জন্য চাপ বাড়ে। এই চাপ থেকে সাফল্যকে ধরে রাখার জন্য হয় সে সাধ্যাতিরিক্ত পরিশ্রম করে, নয় তো আত্মসন্তুষ্টিতে ভুগে আত্মকেন্দ্রিক হয়ে পড়ে। সফল ব্যক্তির শত্রুর সংখ্যা বাড়ে। কার্যসিদ্ধির জন্য বন্ধুর ছদ্মবেশে প্রচুর স্বার্থপরায়ণ লোক এসে তাকে কুপরামর্শ দেয়। সেই হিতৈষীদের সন্তুষ্ট রাখার জন্য সে অনেক সময় অন্যায় ও অসঙ্গত কাজ করে। সে আরো সাফল্যের দিকে তাকিয়ে থাকে। তার ত্রুটি-বিচ্যুতি দূর করার চেষ্টা করে না। ফলে আবার ব্যর্থতা আসে। হতাশা। হতাশা থেকে ডিপ্রেশন। ডিপ্রেশন সমস্ত কর্মপ্রচেষ্টা বন্ধ করে দেয়।
সাফল্য আপনাকে বসিয়ে দেয়। আপনাকে লক্ষ্যভ্রষ্ট করে। কিন্তু ব্যর্থতাই আপনার চালিকাশক্তি। সে আপনাকে তাড়িয়ে নিয়ে বেড়ায়। আমি জীবনে বারবার ব্যর্থ হয়েছি বলেই বারবার নতুন অভিজ্ঞতার সামনাসামনি হতে পেরেছি।
অভ্যাস ৩২। যে সব জায়গায় মাথা গরম করবেন না
# দুজনে মিলে যেখানে কথা কাটাকাটি হচ্ছে ,তুমুল বাক-বিতণ্ডা চালাচ্ছে অথবা যখন উত্তপ্ত তর্ক-বিতর্ক চালাচ্ছে আপনি তার মধ্যে ঢুকে পড়ে অযথা নিজের মাথা গরম করবেন না।
# নিজে পারতপক্ষে কোনো তর্কে জড়াবেন না। যদি দেখেন কোনো আলোচনা তর্ক পর্যন্ত গড়াচ্ছে, আপনি আর সেটাকে বাড়তে দেবেন না। বলবেন, হতে পারে তুমি যা বলছো সেটাই ঠিক। কিন্তু আমি এতদিন এটাই জানতাম। মোটকথাঃ তর্কযুদ্ধে ঢুকে পড়লেও কখনো জয়ী হবার চেষ্টা করবেন না। কারণ তর্ক করে কিছু পাওয়া যায় না, বরং যা আছে সেটিও হারাতে হয়। বিশ্বাস, বন্ধুত্ব, ভালোবাসা, আস্থা, শ্রদ্ধা পাঁচ মিনিটের তর্কে এ সবই খুইয়ে বসে থাকবেন।
# হঠাৎ কোনো প্রস্তুতি না নিয়ে একা কোনো অন্যায়ের প্রতিবাদ করতে যাবেন না।
# ভিড়ের বাসে কেউ আপনার পা মাড়িয়ে দিলে বা আপনাকে ঠেলে জায়গা দখল করতে গেলে, আপনি তাকে তাীব্রস্বরে প্রতিবাদ করবেন না। শুধু ব্যঙ্গের হাসি হেসে বলুন থ্যাঙ্ক ইয়্যু।
# কোনো কর্তব্যরত সরকারি কর্মচারীর ওপর ভুলেও মাথা গরম করে হামলা চালাবেন না। জলে কুমির, বনের বাঘ আর গর্তে সাপের মতো সরকারি অফিসার বা কর্মীরা তাঁদের অফিসে প্রবল শক্তিশালী।
# আপনি সবলের ওপর মাথা গরম করল্ তাঁর হাতেই মার খাবেন। আর দুর্বলের ওপর মাথা গরম করলে পাবলিকের হাতে মার খাবেন। অতএব মাথা গরম করবেন না।
সূচিপত্র
১) ছোটদের সাথে আমাদের আচরণ ২) পরিবার ও সন্তান, সুপার পাওয়ার যেভাবে তৈরি হয়, ৩) দীর্ঘস্থায়ী ভয়ের উৎপত্তির মূলে শৈশবকালে ঘটে যাওয়া ঘটনার প্রভাব , ৪) সন্তানের উৎসাহ এবং উদ্দীপনা বাড়ানো, ৫) আপনার শিশুটি ঘুমুক শান্তিতে এবং নির্ভরতায় , ৬) কিছু অব্যর্থ টিপস, যা আপনার শিশুকে পড়াশোনায় আগ্রহী করে তুলবে, ৭) শিশুকে কিভাবে বড় করবেন, ৮) বাচ্চাদের মস্তিষ্ক বিকাশে কী করবেন? ৯) বাচ্চাদের বুদ্ধি বিকাশের অন্যতম পথ, দৌড়, ১০) বাচ্চাকে কখনো আড়ালে লুকিয়ে খেতে দেবেন না, ১১) পিটার সিংগারের দর্শন, ১২) দুষ্টু শিশুরা তাড়াতাড়ি শেখে, ১৩) সন্তানকে যতই শাস্তি দেবেন ততই সে অসামাজিক হবে, ১৪) বাবা-মাই সন্তানকে নির্যাতন করেন সবচেয়ে বেশি , ১৫) সন্তানের সাথে কিভাবে গড়ে তুলবেন নিবিড় বন্ধন, ১৬) যে ১১টি কথা শিশুকে কখনোই বলবেন না!, ১৭) শিশুকে গল্প শোনান প্রতিদিন, ১৮) সন্তানের আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধির ১০টি কৌশল, ১৯) সৃজনশীলতা হচ্ছে নতুন কিছু করার যোগ্যতা, ২০) যারা মুখস্থ করতে পারেন না, ২১) তারা মেধাবী, মেধাবী হওয়ার উপায়,
২২) কথা ও ভাষা, ২৩) এলিভেটর পিচ, ২৪) সুন্দর করে কথা বলে সমস্যা জয়ের কৌশল, ২৫) ফোনে কথা বলার আদবকেতা, ২৬) ১২টি কর্ম বিধান, ২৭) ভালোবাসার অপর নাম প্রয়োজন, ২৮) আলতু-ফালতু কাজে সময় অপচয় করে স্বপ্ন পূরণের কল্পনা, ২৯) স্ট্রেস ম্যানেজমেন্ট, ৩০) চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিন পিং-এর জীবন থেকে শিক্ষা, ৩১) অভিজ্ঞতা ও অতীত থেকে শিক্ষা গ্রহণ, ৩২) বর্তমানকে সবচেয়ে বেশি মূল্য দিন, ৩৩) ২৪ ঘণ্টা কেউ সুখী হয় না, ৩৪) কিছু অভ্যাস যা আপনাকে আরও সুখী করবে , ৩৫) আপনার অবয়ব , ৩৬) সফলতার 25টি হট কৌশল-1, ৩৭) সাফল্যের 25টি হট কৌশল-2, ৩৮) সফলতার 55 সূত্র, ৩৯) কিভাবে নিজেকে নেতা হিসেবে গড়ে তুলবে, ৪০) সময় ব্যবস্থাপনা, ৪১) সময় ব্যবস্থাপনার তিনটি ধাপ, ৪২) সময়কে যথাযথভাবে কাজে লাগানোর উপায়গুলো, ৪৩) সাফল্য, ড. কোভের ইমোশনাল একাউন্ট কনসেপ্ট, ৪৪) সবচে বড় ইমোশনাল একাউন্ট, ৪৫) আপনার ইমোশনাল একাউন্ট, ৪৬) বুদ্ধি ও বিবেচনাবোধ বর্জিত কর্মফল বিপজ্জনক, ৪৭) অন্যদের দিয়ে আপনার কাজ করান কিন্তু সম্মান আপনি অর্জন করুন, ৪৮) অন্য লোকেরা আপনার কাছে আসুক দরকার হলে টোপ দিন, ৪৯) অসুখী এবং ভাগ্যহীনদের বর্জন করুন, ৫০) লোককে আপনার ওপর নির্ভরশীল করুন , ৫১) নেওয়ার পূর্বে দেওয়া অন্য বক্তির স্বার্থ বুঝুন, ৫২) শত্রুকে খাটো করে দেখবেন না, ৫৩) নিজেকে রক্ষা করার জন্য চারিদিকে দুর্গ নির্মাণ করবেন না, ৫৪) কারোর পক্ষ অবলম্বন করে বসে থাকবেন না, ৫৫) আপনার শক্তিসমূহকে সংহত করুন, ৫৫) নিজের ভুলগুলোকে লুকিয়ে রাখুন, ৫৬) শুধু সাহসের জোরে নয়, পরিণতিও বিবেচনায় রাখুন, ৫৭) প্রতিটি মানুষের গোপন ইচ্ছা খুঁজে বের করুন, ৫৮) রাগ বিপজ্জনক ও অভদ্রতা, ৫৯) কোনো দলকে ধরার জন্য দলপতিকে প্রথমে ধরুন, ৬০) নিজেকে গুরুত্বপূর্ণ মনে করুন, গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবেন, ৬০) পরিবেশ সামলাতে শিখুন, ৬১) প্রথম শ্রেণির মানুষ হয়ে উঠুন, ৬২) আপনার সামাজিক পরিবেশ ‘প্রথম শ্রেণি’র করে তোলার উপায়, ৬৩) ‘সস্তার তিন অবস্থা’ প্রধম শ্রেণিভুক্ত হয়ে উঠুন , ৬৪) যত বেশি বন্ধুত্ব তত বেশি উপরে ওঠার সম্ভাবনা, ৬৫) সাহস করে কাজটা শুরু করুন, ৬৬) সাফল্য মানে বারবার ভিন্নভাবে চেষ্টা করা, ৬৭) ১- ১০ ভাল অভ্যাস, ১১- ২০ ভাল অভ্যাস, ২১- ৩০ ভাল অভ্যাস, ৩১- ৪০ ভাল অভ্যাস, ৪১- ৫০ ভাল অভ্যাস, ৫১- ৬০ ভাল অভ্যাস, ৬১- ৭০ ভাল অভ্যাস, ৭১- ৮০ ভাল অভ্যাস, ৮১- ৯০ ভাল অভ্যাস, ৯১- ১০২ ভাল অভ্যাস, ৬৮) জিরো থেকে হিরো, ৬৯) সৃজনশীলদের সফলতার ৭ সূত্র, ৬৯) জীবনে পরিবর্তন আনুন ৪৮টি উপায়ে, ৭০) জীবন-যাপন, ৭১) জাপানী ও চিন লাইফ স্টাইল , ৭২) ৩০টি দর্শন, যা আপনার জীবনে কাজে লাগবে, ৭৩) সম্পর্ক তৈরি করা, বন্ধুত্ব, ৭৪) যে আচরণগুলো মানুষের মনের কথা জানাবে, ৭৫) কথা বলার সূত্র, ৭৬) আপনি ও আপনার ব্যবহার, ৭৭) নিজেকে সঠিকভাবে উপস্থাপন করা, ৭৮) কথা বলার কতিপয় গুরুত্বপূর্ণ নিয়ম, ৭৯) কিভাবে নিজেকে বিনয়ী হিসেবে উপস্থাপন করবেন, ৮০) কিভাবে বুদ্ধিদীপ্ত কথা বলবেন, ৮১) কথা বলার ৫টি বিস্ময়কর টেকনিক, ৮২) কিভাবে মানুষকে আকৃষ্ট করবেন? ৮৩) অকারণে সময় নষ্ট? মেল রবিনের ৫ সেকেন্ড রুল, ৮৪) কর্পোরেট আদবকেতা, ৮৫) ৩৫টি কর্পোরেট কালচার ও আপনার করণীয়, ৮৬) যা না জানলে লজ্জায় পড়তে হয় , ৮৭) কাজের সময়ে যে বিষয়গুলো একেবারেই করা উচিৎ না , ৮৮) ক্যারিয়ারে সাফল্য পেতে ছুড়ে ফেলুন ৭টি দোষ, ৮৯) আকাক্সক্ষা, ইচ্ছে বা স্বপ্ন,
৯০) বক্তৃতা প্রশিক্ষণ, কাজ কিভাবে করবেন? ৯১) আত্মশক্তিতে বলিয়ান হতে, ৯২) একনাগাড়ে চলবেন না, ৯৩) মারফিস ’ল , কাজের রোডম্যাপ তেরি , ৯৪) জব স্যাটিসফেকশন, ৯৫) কাজে সফলতার সূত্রাবলী, ৯৬) যেভাবে জীবনযাপন করবেন, ৯৭) পরিণত বুদ্ধির মানুষেরা যে কাজগুলো কখনোই করেন না, ৯৮) জীবনে দক্ষতা অর্জনের কার্যকর ১২টি উপায়, ৯৯) সঠিক লক্ষ্য নির্ধারণ ও কাজ করার উপায় , ১০০) সফলতা ও সার্থকতা, ১০১) জীবনের ছোট ছোট প্রাপ্তিগুলোকে উপভোগ করা, ১০২) সফলতার কিছু পদ্ধতি, ১০৩) সফল হতে চাইলে যে ৮ টি জিনিস বাদ দেয়া প্রয়োজন, ১০৪) সফল ব্যক্তিরা যে ১০টি কাজ কখনোই করেন না, ১০৫) সর্বদা স্মরণ রাখুন, ১০৬) চিন্তাশক্তি , ১০৭) স্বাধীনতা, ১০৮) জ্ঞান অর্জন খাদ্য গ্রহণের মতো , ১০৯) দৃঢ় প্রতিজ্ঞ হয়ে চেষ্টা করলে কখনোই বিফল হবেন না, ১১০) বুদ্ধির সংজ্ঞা হলো, প্রতিটি কাজ ভেবে-চিন্তে করা, ১১১) ব্যক্তিত্ব, চেহারা ও ব্যক্তিত্ব , ১১২) সেলডন-এর গবেষণা , ১১৩) ব্যক্তিত্ব ও উচ্চারণ, ১১৪) পোশাক ও ব্যক্তিত্ব, ১১৫) প্রথম দেখায় ব্যক্তিত্বের ছাপ, ১১৬) বিচ্ছিন্নতা ব্যক্তিত্বের বড় শত্রু, ১১৭) ব্যক্তিত্বে জিনগত প্রভাব, ১১৮) অন্তর্মুখী ও বহির্মুখী ব্যক্তিত্ব, ১১৯) মনোমুগ্ধকর ব্যক্তিত্বের ১০ বৈশিষ্ট্য, ১২০) ব্যক্তিত্বের উৎকর্ষতার জন্যে ১০ নির্দেশনা, ১২১) কিভাবে ব্যক্তিত্বের বিকাশ ঘটাবেন? , ১২২) নিজেকে স্মার্ট করতে ৫টি কৌশল, ১২৩) আকর্ষণীয় মানুষ হবার ৬টি পরামর্শ, ১২৪) আত্মশুদ্ধি , ১২৫) হতাশ হবেন না, ১২৬) পাছে লোকে কিছু বলে, ১২৭) সুখ-শান্তি উন্নতি , ১২৮) চাহিদা, ১২৯) খাদ্য, ঘুম ও বিশ্রাম, ১৩০) স্বাস্থ্য ভাল রাখার নিয়ম, ১৩১) টেনশন দূর করতে হলে, ১৩২) শুধু নিজের কথা নয়, অন্যের কথাও ভাবুন, ১৩৩) চাহিদা যত বেশি সুখ তত কম, ১৩৪) সুখী জীবনের জন্য ১৮ টি টিপস, ১৩৫) আত্মবিশ্বাস, আত্ম বিশ্বাসের শক্তি, ১৩৬) অজুহাতের ব্যাধিতে আক্রান্ত ব্যর্থ মানুষ, ১৩৭) দি সেভেন হ্যাবিট অফ হাইলি এ্যা ফেক্টিভ পিপল, ১৩৮) সামাজিক আয়না, ১৩৯) প্রোএ্যাক্টিভিটি, ১৪০) সার্কেল অফ ইনফ্লুয়েন্স, ১৪১) শুরু করুন আজই, ১৪২) আপনার কেন্দ্রবিন্দু কোনটি?, ১৪৩) মাথার দুটি অংশই ব্যবহার করুন, ১৪৪) সময়ের ব্যবস্থাপনা, ১৪৫) ব্যক্তিগত ব্যবস্থাপনা, ১৪৬) গুরুত্বপূর্ণ এবং জরুরি, ১৪৭) পরনির্ভরশীল জীবন, ১৪৮) ছয়টি উপায়ে অন্য মানুষের সাথে আদান-প্রদান, ১৪৯) অধ্যয়ন, ১৫০) পড়াশোনায় ১২ কার্যকর কৌশল, ১৫১) ঘুম থেকে উঠতে ১০-৩-২-১-০ ফর্মুলা, ১৫২) আয়-ব্যয়- টাকা, ১৫৩) অন্যকে খুশি করতে পয়সা খরচ যে কারণে অর্থহীন, ১৫৪) খরচের লাগাম টেনে ধরতে.. ১৫৫) নারী, ১৫৬) সম্পর্ককে সুন্দর রাখতে কিছু “মিথ্যা” বলা জরুরী , ১৫৭) ছেলেদের কোন জিনিস দেখে মেয়েরা? , ১৫৮) স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর কিছু অভ্যাস, ১৫৯) ভুঁড়ি ঠেকাতে ৫টি নিয়ম, ১৬০) যেসব কারণে নারীদের স্বাবলম্বী হওয়া উচতি , ১৬১) বিয়ে-সংসার, ১৬২) সফল বিয়ের তিনটি মন্ত্র, ১৬৩) সুখী হবার দারুণ কিছু মূলমন্ত্র, ১৬৪) কিছু গল্প, ১৬৫) ভালোবাসাহীন সম্পর্ক, ১৬৬) কেন স্পর্শের প্রয়োজন হয় প্রতিদিন, ১৬৭) যে কারণে একা থাকাই আপনার জন্য ভালো, ১৬৮) ব্যবসা, ১৬৯) বিক্রয় বৃদ্ধির কৌশল, ১৭০) যে ৭টা ব্যাপার বিজনেসে করবেন না, ১৭১) স্বাস্থ্য, ১৭২) দুগ্ধজাত খাবারে পুরুষের বন্ধ্যত্ব, ১৭৩) একাকিত্বের বিপদ, ১৭৪) কর্মক্ষম ও প্রফুল্ল রাখতে, ১৭৫) মন ভালো করার উপায়, ১৭৬) যৌন স্বাস্থ্য, ১৭৭) পুরুষদের কেজেল, ১৭৮) মহিলাদের কেজেল, ১৭৯) দক্ষতা , ১৮০) আলসেমি দূর করার সহজ কিছু উপায়, ১৮১) কীভাবে সামলাবেন নিন্দুকদের ?, ১৮২) সুখী হতে চাইলে যা কখনোই করবেন না, ১৮৩) সব ভুলে যাচ্ছেন? স্মৃতিশক্তি চাঙ্গা রাখতে ৫টি টিপস, ১৮৪) বয়সের ভারে বৃদ্ধ না হয়ে বরং কাজের ভারে যুবক থাকার চেষ্টা করো, ১৮৫) নিজেকে কাজের সঙ্গে সম্পক্ত করার তিনটে স্টেপ, ১৮৬) জীবনের লক্ষ্য নির্ধারণে দ্রুত পদ্ধতিগুলো, ১৮৭) প্রতিদান পাওয়ার আশায় কাজ করবেন না, ১৮৮) প্রেম একটি মানসিক রোগ, ১৮৯) সম্পর্ক ভেঙ্গে যাবার পর নিজেকে যেভাবে সামলাবে, ১৯০) সময় সবকিছু বদলে দেয়, ১৯১) সম্পর্ক তৈরির ক্ষেত্রে কমন পাঁচটি ভুল, ১৯২) আত্মবিশ্বাস/মনোবল, ১৯৩) প্যারাসুট অফ হ্যাপিনেস, ১৯৪) বারবার ঘুরে দাঁড়াতে হবে, ১৯৫) আত্মবিশ্বাসহীন মানুষের লক্ষণ, ১৯৬) বাড়াও আত্মবিশ্বাস, বাড়বে সফলতা, ১৯৭) প্রাতিষ্ঠানিক সম্পর্ক শক্তিশালী করার টিপস, ১৯৮) কিভাবে ধরে রাখবে দু'জনের সম্পর্ক, ১৯৯) কিভাবে বুঝবে সম্পর্ক শেষ করতে হবে, ২০০) সম্পর্ক যখন প্রেম-ভালোবাসার, ২০১) যেসব বিষয়ের উপর স¤পর্ক গড়ে ওঠে, ২০২) ভালোবাসার অপর নাম প্রয়োজন, ২০৩) সম্পর্কের গুণগত মান বাড়বে কিভাবে, ২০৪) মস্তিস্ক ঠিক রাখার ৩০ উপায়, ২০৫) মানুষের আচরণের পেছনে একটা কারণ থাকে, ২০৬) কোনো কাজে নিজেকে সম্পক্ত না করেই আমরা নিজ ক্যারিয়ারকে এগিয়ে নিয়ে যাই ২০৭) স্রোতের বিপরীতে চিন্তা করুন, ২০৮) আপনার টাইমজোনে সময় আসবেই, ২০৯) চাইল্ডহুড অ্যামনেসিয়া এবং আমাদের শিক্ষণীয়,