ব্যক্তিত্ব
ডায়লগ : ইতিবাচক মানুষ হোন। ইতিবাচক মানুষের প্রতি অন্যরা আকৃষ্ট হয়। নেতিবাচক ব্যক্তি সবসময়ই মানুষের বিতৃষ্ণার কারণ হয়।
ছন্দ :
ঘষতে ঘষতে ক্ষয়, লড়তে লড়তে জয়।
বিস্তারিত : মানুষের জ্ঞান, বিশ্বাস, আচার-আচরণ, রুচি, অভ্যাস ইত্যাদি মিলিয়ে তার ব্যক্তিত্ব। যাদের মধ্যে মানবিক গুণের চেয়ে পাশবিক গুণ বেশি অর্থাৎ যারা চরিত্রহীন তাদের ব্যক্তিত্বহীন বলা যায়। ‘অ্যাডলারের’ মতে ব্যক্তির ব্যক্তিত্ব পরিবেশ দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়। ব্যক্তির প্রধান উপাদান হচ্ছে তার চরিত্র।
কুপরিবেশকে জয় করে যদি চরিত্রকে অক্ষত রাখা যায়, সেখানে ব্যক্তির ব্যক্তিত্ব সুন্দর হয়ে ফুটে উঠে। চরিত্র বলতে বুঝায় মানবীয় ও নৈতিকগুণাবলী সমৃদ্ধ আচার-ব্যবহার, চাল-চলন। ব্যক্তির মূল উৎস হচ্ছে মানসিকতা। বুদ্ধি ও আবেগ দ্বারাই মানসিকতা গড়ে উঠে। মানসিকতা আবার নিয়ন্ত্রিত হয় জ্ঞান দ্বারা। জ্ঞান হচ্ছে ব্যক্তিত্বের মূল উপাদান। যার মধ্যে জ্ঞান আছে, তার মধ্যে ব্যক্তিত্ব অবশ্যই থাকবে। এ কারণে ব্যক্তিত্বকে সুন্দর করতে হলে জ্ঞানের সাধনা করা প্রয়োজন।
ব্যক্তিত্বের দ্বিতীয় উপাদান হচ্ছে অনুভূতি। যাদের অনুভূতি কম তারা সাধারণত ব্যক্তিত্বহীন হতে পারে। জ্ঞানীরা অনুভূতিসম্পন্ন বলেই মান-সম্মানবোধ তাদের প্রখর। ব্যক্তিত্বকে ছোট করতে পারে এমন কাজ থেকে তারা সদা-সর্বদা বিরত থাকেন।
ব্যক্তিত্ব যা কথায়-বার্তায়, আচার-আচরণে, পেশাক-পরিচ্ছদে ফুটে ওঠে, তা অর্জন করা যায়। ব্যক্তিত্ব কথাটার উৎপত্তি ল্যাটিন শব্দ চবৎংড়হধ থেকে। চবৎংড়হধ শব্দটির মানে হলো মুখোশ। চবৎংড়হধ থেকে চবৎংড়হধষরঃু অর্থাৎ মুখোশত্ব। তার মানে কে কেমন মুখোশের যথাযথ ব্যবহার করতে পারছে।
ব্যক্তিত্ব যে মুখোশ, কর্মজীবনে তার অসংখ্য প্রমাণ ছড়িয়ে আছে। সেলসম্যানকে খদ্দেরের কাছে মাল গছাতে গেলে আন্তরিক এবং মধুর ব্যক্তিত্ব ফুটিয়ে তুলতে হয়। দোকানে যদি শাড়ি কিনতে যান দেখবেন, তুখোড় সেলসম্যান এক মিনিটের মধ্যে আপনার সঙ্গে সম্পর্ক পাতিয়ে ফেলেছেন এবং এমন ভাব দেখাচ্ছেন যে আপনি যাতে কম দামে এক নম্বর মালটি পান সেটি নিশ্চিত করার জন্যই ঈশ্বর তাকে পৃথিবীতে পাঠিয়েছেন।
ব্যক্তিত্ব যদি মুখোশ হয় তাহলে ভালোমত মুখোশ পরতে পারলেই অন্যের চোখে প্রথম ধারণাটি পাল্টে দেওয়া যায়। অন্যকে বিভ্রান্তও করা যেতে পারে কৃত্রিম ব্যক্তিত্ব দেখিয়ে। থিয়োফাসটাস যে ত্রিশ ধরণের ব্যক্তিত্বের কথা বলেছেন। তখনকার নগররাষ্ট্র এথেন্সের মানুষজন সম্পকেই তিনি ব্যক্তিত্বের ওই শ্রেণি বিভাগ করেন।
আধুনিক মনোবিজ্ঞানীরা আর এক ধরণের ব্যক্তিত্ব টাইপ করেছেন। এদের বলা হচ্ছে টাইপ এ। ফ্রেডম্যান ও রোজম্যান নামে দুই মনোবিজ্ঞানী ১৯৭৪ সালে মডেলটি তৈরি করেন। টাইপ এ ব্যক্তিত্বের লোকেরা খুব উচ্চাকাক্সিক্ষ হন, কঠোর পরিশ্রম করতে পারেন। একটা কিছু ধরলে সেটা যতক্ষণ না হচ্ছে ততক্ষণ তারা সেটায় লেগে থাকেন অর্থাৎ তাঁরা ধংংবৎঃরাব. যাঁরা উঁচুপদে কাজ করেন যেমন, বড় সংস্থার ডাইরেক্টর, বড় সংস্থার চেয়ারম্যান, বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য, নামী পেশাদার ব্যক্তিদের অনেকেই টাইপ ‘এ’ ব্যক্তিত্বের মানুষ।
সমাজতত্ত্ববিদ মাইকেল হ্যারামবস তাঁর সম্পাদিত একটি গ্রন্থে দেখিয়েছেন, ওয়ার্কিং ক্লাস থেকে মধ্যবিত্ত শ্রেণিতে উন্নীত হবার ফলে একই ব্যক্তিত্বের হেরফের ঘটে। বিদ্যা মানুষের সহজাত বুদ্ধিকে ঔজ্জ্বল্য দেয়, শাণিত করে। সেই্ সঙ্গে দেয় আত্মবিশ্বাস যা মানুষের ব্যক্তিত্বকে ঝকঝকে করে তোলে।
প্রতিভাবানদের কথা ধরছি না, একজন সাধারণ অশিক্ষিত মানুষ ও একজন শিক্ষিত মানুষকে পাশাপাশি রাখুন, তাদের দুজনের মুখ দেখেই বুঝতে পারবেন কে শিক্ষিত কে অশিক্ষিত।
অনেক কুদর্শন পুরুষ ও নারী উচ্চশিক্ষা গ্রহণ করলে তাদের ব্যক্তিত্ব এমন দীপ্তিময় হয়ে ওঠে যে, তাদের চেহারার ত্রুটিগুলি আর চট করে ধরা পড়ে না। কার্ল ইয়ুং ব্যক্তিত্বকে দুভাগে ভাগ করেন। বহির্মুখী ও অন্তর্মুখী। টাইলার তাঁর ব্যক্তিস্বাতন্ত্র তত্ত্বে বলেছেন: আমাদের পরস্পরের মধ্যে তফাৎ জৈবিক কারণে। জৈবিক কারণটা হলো আমাদের ক্রোমোজমের ভেতরকার ডি.এন.এ. প্রত্যেকেরই আলাদা আলাদা। জিনের প্রভাবেই আমাদের পরস্পরের মধ্যে পার্থক্য। তবে ব্যক্তিগত স্বতন্ত্রের ক্ষেত্রে পরিবেশও অনেকটা দায়ী।
জন্মসূত্রে জিনের প্রভাবে গঠিত ব্যক্তিত্বকে ব্যক্তির পরিবেশ অনেকটা পুননির্মাণ করে নিতে পারে। তাছাড়া বিভিন্ন মানুষের সংস্পর্শে এলে ব্যক্তিত্ব বদলায়। মফঃস্বলের ছেলে শহরে এলে সে কিছুদিনের মধ্যেই শহুরে হয়ে ওঠে। তখন তার ব্যক্তিত্বও বদলায়।
গরিব বড়লোক হলে ব্যক্তিত্বের পরিবর্তন হয়। রাজনৈতিক নেতারা যখন ক্ষমতাচ্যুত হন তখন তাঁদের একরকম ব্যক্তিত্ব, আবার যখন মন্ত্রী-টন্ত্রী হন, তখন একরকম ব্যক্তিত্ব।
যারা ভালো গান করে, ছবি আঁকে, ফুটবল খেলে এবং তার জন্য স্বীকৃতি পায়। তার আত্মবিশ্বাস তার ব্যক্তিত্বকে প্রভাবিত করে। কিন্তু যারা পড়াশোনায় ভালো নয়, অথচ যাদের কোনো আলাদা প্রতিভা নেই, তাদের স্কুল-কলেজে নানা ধরণের নিন্দাবাদ শুনতে হয়। এতে করে তার ব্যক্তিত্বও ক্রমশ দুর্বল হয়ে পড়ে।
এ জন্য দেখবেন কম বুদ্ধিসম্পন্ন ব্যক্তিদের ব্যক্তিত্ব পূর্ণ বিকাশ লাভ করে না। মানুষের বুদ্ধি শৈশব থেকে বাড়তে বাড়তে ২০ থেকে ২৪ বছরে শীর্ষে গিয়ে পৌঁছায়।
ব্যক্তিত্ব এমন একটি জিনিস, যা অর্জন করতে পারলে পৃথিবী আপনার হাতের মুঠোয় চলে আসবে। ব্যক্তিত্ব গড়ে তোলা সহজ কাজ নয়, এ গুণটি ধীরে ধীরে অর্জন করতে হয়। বেশি কথা বলার অভ্যাস ত্যাগ করুন; অন্যকে গুরুত্ব দিন। অন্যের বক্তব্য মন দিয়ে শুনুন।
উৎকণ্ঠা ও ব্যক্তিত্ব
ফ্রয়েডের মতে উৎকণ্ঠা আমাদের ব্যক্তিত্বকে নিয়ন্ত্রণ করে। আমাদের ব্যবহার ও আচরণের ক্ষেত্রে যে সব ব্যতিক্রম দেখা দেয়, মুডের যে ওঠানামা হয়, তার পিছনে আছে ওই উৎকণ্ঠার আক্রমণ। ব্যক্তিত্ববান হতে গেলে আমাদের অবচেতন মনের ইচ্ছাকে আগে পূরণ করতে হয়। কেউ হয়তো খিটখিটে।
কারণ শৈশবে তার অনেক ইচ্ছা পূরণ হয়নি। হয়তো বাবা মা তাকে মারধর করতো। বন্ধুরা তাকে খেলায় নিতো না। তাকে নিয়ে হাসিঠাট্টা করতো। সে জন্য তার চেতন মন বড় হয়ে আক্রমণাত্মক হয়ে উঠেছে। সে সবাইকে আক্রমণ করছে। এতে করে সে মেজাজ না দেখালে, মাথা গরম না করলে কিছুতেই স্বস্তি পায় না।
মানুষের সঙ্গে দুর্ব্যবহার করলে, অন্যদের তুচ্ছ-তাচ্ছিল্য করলে, অপমান করলে তবেই তার শান্তি হয়। ব্যক্তিত্বের ওপর এইভাবেই অবচেতন মনের প্রভাব পড়ে। ফ্রয়েডের কথা মতো যখনই বাসনার নিবৃত্তি না হবে, তখনই উদ্বেগ বৃদ্ধি পাবে। বাসনার তো অন্ত নেই। যিনি রাজনীতি করেন তাঁর মন্ত্রী হবার বাসনা, যিনি একুশে পুরস্কার পেয়েছেন, তাঁর বাসনা স্বাধীনতা পুরস্কার, যিনি স্বাধীনতা পেয়েছেন তিনি নোবেল পুরস্কার।
যদি এই সব আশা না পূরণ হয় তখন অশান্তির বেদনা বুকে জমে পাথর হয়ে উঠে। ততই উদ্বেগ বেড়ে যায়। অনেক রকম আকাক্সক্ষা সবার মধ্যেই কম বেশি থাকে। আকাক্সক্ষার পরিমাণ, তার পূরণ অথবা পূরণে ব্যর্থতার ওপর নির্ভর করবে ব্যক্তিত্বের ওঠাপড়া।
বয়ঃসন্ধির সময় থেকে তরুণ-তরুণীরা গার্লফ্রেন্ড ও বয়ফ্রেন্ড খোঁজে। না পেলে উদ্বেগ বাড়ে। আমাদের দেশে অবিবাহিত ছেলে- মেয়েরা অনেকে পরস্পরের সঙ্গে বন্ধুর মতো প্রকাশ্যে মিশতে পারে না, ডেট করতে পারে না। ডেট করে লুকিয়ে-চুরিয়ে। বাড়িতে বলতে হয় বাস পাচ্ছিলাম না, লাইব্রেরি গিয়েছিলাম; অথবা এক বন্ধুর বাড়ি গিয়েছিলাম। যে বয়সের পক্ষে যেটা স্বাভাবিক সেটি না ঘটলে তরুণ-তরুণীদের মধ্যে মানসিক উদ্বেগ দেখা দিতে পারে। এর প্রভাব ব্যক্তিত্বের ওপরেও পড়ে। অনেক ছেলে-মেয়ে মনমরা হয়ে থাকে, বিষাদ ও একাকীত্বে ভোগে। অনেকে ইভটিজার হয়ে যায়। মেয়েদের দেখলে অশ্লীল অঙ্গভঙ্গি করে। ছেলে-মেয়ে সমকামী হয়ে ওঠে। সুস্থ স্বাভাবিক ব্যক্তিত্ব গড়ে তোলার জন্য ছেলে-মেয়েদের একটা বয়সে স্থায়ী পুরুষ বা মেয়ে বন্ধু থাকা দরকার।
উৎকণ্ঠিত ব্যক্তিত্ব ব্যক্তিকে ছটফটে ও অস্থির হয়ে ওঠে। এক জায়গায় স্থির হয়ে বসে গল্পগুজব করতে পারে না। হয় তার ঘুমের ব্যাঘাত হয়, না হয় অনেক বেলায় তার ঘুম ভাঙে।
কঠোরতা ব্যক্তিত্বের আর একটি প্রকাশ। আমরা যেমন কোনো অফিসার সম্পর্কে বলি, লোকটা টাফ। অর্থাৎ সে কাউকে পরোয়া করে না। ঝুঁকি নিতে পারে। যাকে বলে গতিশীল ব্যক্তিত্ব। যার জন্য সাহসের দরকার হয় না। এঁরা আত্মবিশ্বাসী হন।
নির্ভরতা ব্যক্তিত্বেরই আরেক প্রকাশ। এঁরা বুড়ো বয়সেও নিজের পায়ে দাঁড়াতে শেখে না। শৈশবে মা, যৌবনে পত্নী ও বৃদ্ধ বয়সে পুত্রবধুর প্রতি নির্ভর করে থাকেন। আজকালকার বাবা-মায়েরা ছেলে-মেয়েদের শৈশব থেকে স্বনির্ভর করে তোলে না। ছেলে ইস্কুলে যাবে, মা তার জামা পরিয়ে দিচ্ছে, জুতো-মোজা পরিয়ে দিচ্ছে, এমনকি ভাতও খাইয়ে দিচ্ছে, স্কুলে নিয়ে যাচ্ছে। নিয়ে আসছে, স্কুলের ব্যাগও বইছে মা। এই অবস্থায় পরনির্ভরতার মধ্যেই ছেলেমেয়ে বড় হয়। তাদের ব্যক্তিত্বও হয়ে ওঠে পরনির্ভরশীল।পরনির্ভরশীল ব্যক্তিত্বের একটা বড় উদাহরণ গৃহবধু এবং বৃদ্ধরা।
প্রায়শই দেখা যায় বুদ্ধিজীবিরা অসামাজিক হন বা হতে ভালোবাসেন। কারণ তাঁরা মনে করেন, তাঁর সমান আর একজন বুদ্ধিজীবি ছাড়া তাঁর কথাবার্তা কেউ বুঝবে না। বহির্মুখীরা যথেষ্ট গোঁয়ার প্রকৃতির হন। তাঁদের প্রবণতা হলো কাজটা করে ছাড়া। তাঁরা বারবার তাদের শক্তিকে জোর করে খাটাতে চান। এঁরা নিজেদের অধিকারকে পুরোপুরি প্রয়োগ করতে চান।
অন্তর্মুখী মানুষেরা ন্যায্য পাওনা থেকে বঞ্চিত হলেও বলেন, ঝামেলা করে কি লাভ হবে। বহির্মুখী ব্যক্তিরা প্রত্যেক কাজে যথেষ্ট উৎসাহ পান। তাঁরা স্বেচ্ছায় কাজের দায়িত্ব নেন। বহির্মুখীরা ঘরকুণো নন, সামাজিক মেলামেশায় আগ্রহী। পাড়ার সবাইকে তিনি চেনেন। দেখা হলে কেমন আছেন জিজ্ঞাসা করেন।
চেহারা ও ব্যক্তিত্ব
সুন্দর মুখের জয় সর্বত্র। কিন্তু প্রতিভাবানদের ক্ষেত্রে প্রতিভার আলোকেই তারা আলোকিত থাকেন। চেহারা বড় জোর অতিরিক্ত কিছু, কিন্তু আবশ্যিক নয়।
সাধারণ মানুষের ক্ষেত্রে চেহারা ব্যক্তিত্ব বৃদ্ধির অনেকখানি সহায়তা করে। ছেলেদের চেয়ে মেয়েদের চেহারাকে ব্যক্তিত্বের ক্ষেত্রে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়। এর কারণ পুরুষশাসিত সমাজ সর্বদা রূপ-বুভুক্ষু। আগেই বলেছি প্রতিভাবানদের কাছে রূপ সবসময়ই গৌণ। কিন্তু সাধারণ মানুষের চোখে রূপ ব্যক্তিত্বের প্রধান আকর্ষণ। মেয়েদের মধ্যে রূপের যথেষ্ট ঘাটতি আছে। এর একটা বড় কারণ তাদের ফিগার।
এদেশে মেয়েদের গড় উচ্চতা পাঁচ ফুট দুই ইঞ্চির বেশি নয়। নারী পুরুষ নির্বিশেষে বাঙালিদের রঙ হয় কালো না হয় বাদামী। পুষ্টিকর ও সুষম খাদ্যের অভাবে বাঙালি মেয়েরা অধিকাংশই অপুষ্টিতে ভোগে।
দ্বিতীয়ত উপযুক্ত ব্যায়াম বা খেলাধুলার অভাবে তাদের ফিগার বা অবয়বে প্রয়োজনীয় খাঁদ গড়ে ওঠে না। হয় তারা রোগা না হয় মোটা। এর সঙ্গে দরকার নারীসুলভ কমনীয়তা, লজ্জা এবং সুস্পষ্ট উচ্চারণে গুছিয়ে কথা বলার ক্ষমতা। এক্ষেত্রে ইংরেজি মাধ্যম স্কুলে পড়া ছেলে-মেয়েরা অধিকতর সপ্রতিভ হবার শিক্ষা পায় এবং ইংরেজিতে অনর্গল কথা বলার অভ্যাসের জন্য তাদের মধ্যে আত্মবিশ্বাস দেখা দেয়, যা তাদের ব্যক্তিত্বকে একটা নতুন মাত্রা দেয়।
মেয়েদের তুলনায় আমাদের দেশে ছেলেরা অপেক্ষাকৃত সুঠাম চেহারার অধিকারী। কারণ তরুণদের মধ্যে স্বাস্থ্যচর্চা ও খেলাধুলার প্রবণতা অনেক বেড়েছে।
মনোবিদদের অনেকে মনে করেন দেহের গড়নের ওপর মানুষের ব্যক্তিত্ব নির্ভর করে। অর্থাৎ চেহারার সঙ্গে সঙ্গে মানুষ এক ধরনের ব্যক্তিত্ব নিয়ে জন্মায়। চেহারার গড়ন দেখে এরা আভাস দেন মোটা-রোগা ও তাগড়াই চেহারার লোকেরা কে কেমন হবে। পশ্চিমী চিকিৎসাশাস্ত্রের জনক হিপোক্রেটিস (৪৬০-৩৩৭ খ্রি. পূর্বাব্দ) ঈড়হংঃরঃঁঃরড়হধষ চংুপযড়ষড়মু বলে একটি বিদ্যার প্রবর্তন করেন। আজও ডাক্তার হতে গেলে তাঁর লিখে যাওয়া শপথ নিতে হয়।
সমসাময়িক গ্রিক দার্শনিক এমডেডোক্লিস এর সঙ্গে ঐক্যমত হয়ে হিপোক্রেটিস মানুষকে চার ভাগে ভাগ করেন। বিশ শতকের গোড়ায় জার্মান মনোবিদ ঊৎহংঃ কৎবংঃপযসবৎ দেখান যে, চেহারার সঙ্গে মানসিক ভারসাম্যহীনতার একটা অঙ্গাঙ্গী সম্পর্ক আছে; সম্পর্ক আছে চেহারার সঙ্গে ব্যবহারেরও। অর্থাৎ আকৃতি দেখে প্রকৃতি বলে দেওয়া যায়। চেহারাগত মনস্তত্ত্ব নিয়ে সেই হিপোক্রেটিসের সময় থেকে আধুনিককাল পর্যন্ত নানা গবেষণা চলে আসছে।
সূচিপত্র
১) ছোটদের সাথে আমাদের আচরণ ২) পরিবার ও সন্তান, সুপার পাওয়ার যেভাবে তৈরি হয়, ৩) দীর্ঘস্থায়ী ভয়ের উৎপত্তির মূলে শৈশবকালে ঘটে যাওয়া ঘটনার প্রভাব , ৪) সন্তানের উৎসাহ এবং উদ্দীপনা বাড়ানো, ৫) আপনার শিশুটি ঘুমুক শান্তিতে এবং নির্ভরতায় , ৬) কিছু অব্যর্থ টিপস, যা আপনার শিশুকে পড়াশোনায় আগ্রহী করে তুলবে, ৭) শিশুকে কিভাবে বড় করবেন, ৮) বাচ্চাদের মস্তিষ্ক বিকাশে কী করবেন? ৯) বাচ্চাদের বুদ্ধি বিকাশের অন্যতম পথ, দৌড়, ১০) বাচ্চাকে কখনো আড়ালে লুকিয়ে খেতে দেবেন না, ১১) পিটার সিংগারের দর্শন, ১২) দুষ্টু শিশুরা তাড়াতাড়ি শেখে, ১৩) সন্তানকে যতই শাস্তি দেবেন ততই সে অসামাজিক হবে, ১৪) বাবা-মাই সন্তানকে নির্যাতন করেন সবচেয়ে বেশি , ১৫) সন্তানের সাথে কিভাবে গড়ে তুলবেন নিবিড় বন্ধন, ১৬) যে ১১টি কথা শিশুকে কখনোই বলবেন না!, ১৭) শিশুকে গল্প শোনান প্রতিদিন, ১৮) সন্তানের আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধির ১০টি কৌশল, ১৯) সৃজনশীলতা হচ্ছে নতুন কিছু করার যোগ্যতা, ২০) যারা মুখস্থ করতে পারেন না, ২১) তারা মেধাবী, মেধাবী হওয়ার উপায়,
২২) কথা ও ভাষা, ২৩) এলিভেটর পিচ, ২৪) সুন্দর করে কথা বলে সমস্যা জয়ের কৌশল, ২৫) ফোনে কথা বলার আদবকেতা, ২৬) ১২টি কর্ম বিধান, ২৭) ভালোবাসার অপর নাম প্রয়োজন, ২৮) আলতু-ফালতু কাজে সময় অপচয় করে স্বপ্ন পূরণের কল্পনা, ২৯) স্ট্রেস ম্যানেজমেন্ট, ৩০) চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিন পিং-এর জীবন থেকে শিক্ষা, ৩১) অভিজ্ঞতা ও অতীত থেকে শিক্ষা গ্রহণ, ৩২) বর্তমানকে সবচেয়ে বেশি মূল্য দিন, ৩৩) ২৪ ঘণ্টা কেউ সুখী হয় না, ৩৪) কিছু অভ্যাস যা আপনাকে আরও সুখী করবে , ৩৫) আপনার অবয়ব , ৩৬) সফলতার 25টি হট কৌশল-1, ৩৭) সাফল্যের 25টি হট কৌশল-2, ৩৮) সফলতার 55 সূত্র, ৩৯) কিভাবে নিজেকে নেতা হিসেবে গড়ে তুলবে, ৪০) সময় ব্যবস্থাপনা, ৪১) সময় ব্যবস্থাপনার তিনটি ধাপ, ৪২) সময়কে যথাযথভাবে কাজে লাগানোর উপায়গুলো, ৪৩) সাফল্য, ড. কোভের ইমোশনাল একাউন্ট কনসেপ্ট, ৪৪) সবচে বড় ইমোশনাল একাউন্ট, ৪৫) আপনার ইমোশনাল একাউন্ট, ৪৬) বুদ্ধি ও বিবেচনাবোধ বর্জিত কর্মফল বিপজ্জনক, ৪৭) অন্যদের দিয়ে আপনার কাজ করান কিন্তু সম্মান আপনি অর্জন করুন, ৪৮) অন্য লোকেরা আপনার কাছে আসুক দরকার হলে টোপ দিন, ৪৯) অসুখী এবং ভাগ্যহীনদের বর্জন করুন, ৫০) লোককে আপনার ওপর নির্ভরশীল করুন , ৫১) নেওয়ার পূর্বে দেওয়া অন্য বক্তির স্বার্থ বুঝুন, ৫২) শত্রুকে খাটো করে দেখবেন না, ৫৩) নিজেকে রক্ষা করার জন্য চারিদিকে দুর্গ নির্মাণ করবেন না, ৫৪) কারোর পক্ষ অবলম্বন করে বসে থাকবেন না, ৫৫) আপনার শক্তিসমূহকে সংহত করুন, ৫৫) নিজের ভুলগুলোকে লুকিয়ে রাখুন, ৫৬) শুধু সাহসের জোরে নয়, পরিণতিও বিবেচনায় রাখুন, ৫৭) প্রতিটি মানুষের গোপন ইচ্ছা খুঁজে বের করুন, ৫৮) রাগ বিপজ্জনক ও অভদ্রতা, ৫৯) কোনো দলকে ধরার জন্য দলপতিকে প্রথমে ধরুন, ৬০) নিজেকে গুরুত্বপূর্ণ মনে করুন, গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবেন, ৬০) পরিবেশ সামলাতে শিখুন, ৬১) প্রথম শ্রেণির মানুষ হয়ে উঠুন, ৬২) আপনার সামাজিক পরিবেশ ‘প্রথম শ্রেণি’র করে তোলার উপায়, ৬৩) ‘সস্তার তিন অবস্থা’ প্রধম শ্রেণিভুক্ত হয়ে উঠুন , ৬৪) যত বেশি বন্ধুত্ব তত বেশি উপরে ওঠার সম্ভাবনা, ৬৫) সাহস করে কাজটা শুরু করুন, ৬৬) সাফল্য মানে বারবার ভিন্নভাবে চেষ্টা করা, ৬৭) ১- ১০ ভাল অভ্যাস, ১১- ২০ ভাল অভ্যাস, ২১- ৩০ ভাল অভ্যাস, ৩১- ৪০ ভাল অভ্যাস, ৪১- ৫০ ভাল অভ্যাস, ৫১- ৬০ ভাল অভ্যাস, ৬১- ৭০ ভাল অভ্যাস, ৭১- ৮০ ভাল অভ্যাস, ৮১- ৯০ ভাল অভ্যাস, ৯১- ১০২ ভাল অভ্যাস, ৬৮) জিরো থেকে হিরো, ৬৯) সৃজনশীলদের সফলতার ৭ সূত্র, ৬৯) জীবনে পরিবর্তন আনুন ৪৮টি উপায়ে, ৭০) জীবন-যাপন, ৭১) জাপানী ও চিন লাইফ স্টাইল , ৭২) ৩০টি দর্শন, যা আপনার জীবনে কাজে লাগবে, ৭৩) সম্পর্ক তৈরি করা, বন্ধুত্ব, ৭৪) যে আচরণগুলো মানুষের মনের কথা জানাবে, ৭৫) কথা বলার সূত্র, ৭৬) আপনি ও আপনার ব্যবহার, ৭৭) নিজেকে সঠিকভাবে উপস্থাপন করা, ৭৮) কথা বলার কতিপয় গুরুত্বপূর্ণ নিয়ম, ৭৯) কিভাবে নিজেকে বিনয়ী হিসেবে উপস্থাপন করবেন, ৮০) কিভাবে বুদ্ধিদীপ্ত কথা বলবেন, ৮১) কথা বলার ৫টি বিস্ময়কর টেকনিক, ৮২) কিভাবে মানুষকে আকৃষ্ট করবেন? ৮৩) অকারণে সময় নষ্ট? মেল রবিনের ৫ সেকেন্ড রুল, ৮৪) কর্পোরেট আদবকেতা, ৮৫) ৩৫টি কর্পোরেট কালচার ও আপনার করণীয়, ৮৬) যা না জানলে লজ্জায় পড়তে হয় , ৮৭) কাজের সময়ে যে বিষয়গুলো একেবারেই করা উচিৎ না , ৮৮) ক্যারিয়ারে সাফল্য পেতে ছুড়ে ফেলুন ৭টি দোষ, ৮৯) আকাক্সক্ষা, ইচ্ছে বা স্বপ্ন,
৯০) বক্তৃতা প্রশিক্ষণ, কাজ কিভাবে করবেন? ৯১) আত্মশক্তিতে বলিয়ান হতে, ৯২) একনাগাড়ে চলবেন না, ৯৩) মারফিস ’ল , কাজের রোডম্যাপ তেরি , ৯৪) জব স্যাটিসফেকশন, ৯৫) কাজে সফলতার সূত্রাবলী, ৯৬) যেভাবে জীবনযাপন করবেন, ৯৭) পরিণত বুদ্ধির মানুষেরা যে কাজগুলো কখনোই করেন না, ৯৮) জীবনে দক্ষতা অর্জনের কার্যকর ১২টি উপায়, ৯৯) সঠিক লক্ষ্য নির্ধারণ ও কাজ করার উপায় , ১০০) সফলতা ও সার্থকতা, ১০১) জীবনের ছোট ছোট প্রাপ্তিগুলোকে উপভোগ করা, ১০২) সফলতার কিছু পদ্ধতি, ১০৩) সফল হতে চাইলে যে ৮ টি জিনিস বাদ দেয়া প্রয়োজন, ১০৪) সফল ব্যক্তিরা যে ১০টি কাজ কখনোই করেন না, ১০৫) সর্বদা স্মরণ রাখুন, ১০৬) চিন্তাশক্তি , ১০৭) স্বাধীনতা, ১০৮) জ্ঞান অর্জন খাদ্য গ্রহণের মতো , ১০৯) দৃঢ় প্রতিজ্ঞ হয়ে চেষ্টা করলে কখনোই বিফল হবেন না, ১১০) বুদ্ধির সংজ্ঞা হলো, প্রতিটি কাজ ভেবে-চিন্তে করা, ১১১) ব্যক্তিত্ব, চেহারা ও ব্যক্তিত্ব , ১১২) সেলডন-এর গবেষণা , ১১৩) ব্যক্তিত্ব ও উচ্চারণ, ১১৪) পোশাক ও ব্যক্তিত্ব, ১১৫) প্রথম দেখায় ব্যক্তিত্বের ছাপ, ১১৬) বিচ্ছিন্নতা ব্যক্তিত্বের বড় শত্রু, ১১৭) ব্যক্তিত্বে জিনগত প্রভাব, ১১৮) অন্তর্মুখী ও বহির্মুখী ব্যক্তিত্ব, ১১৯) মনোমুগ্ধকর ব্যক্তিত্বের ১০ বৈশিষ্ট্য, ১২০) ব্যক্তিত্বের উৎকর্ষতার জন্যে ১০ নির্দেশনা, ১২১) কিভাবে ব্যক্তিত্বের বিকাশ ঘটাবেন? , ১২২) নিজেকে স্মার্ট করতে ৫টি কৌশল, ১২৩) আকর্ষণীয় মানুষ হবার ৬টি পরামর্শ, ১২৪) আত্মশুদ্ধি , ১২৫) হতাশ হবেন না, ১২৬) পাছে লোকে কিছু বলে, ১২৭) সুখ-শান্তি উন্নতি , ১২৮) চাহিদা, ১২৯) খাদ্য, ঘুম ও বিশ্রাম, ১৩০) স্বাস্থ্য ভাল রাখার নিয়ম, ১৩১) টেনশন দূর করতে হলে, ১৩২) শুধু নিজের কথা নয়, অন্যের কথাও ভাবুন, ১৩৩) চাহিদা যত বেশি সুখ তত কম, ১৩৪) সুখী জীবনের জন্য ১৮ টি টিপস, ১৩৫) আত্মবিশ্বাস, আত্ম বিশ্বাসের শক্তি, ১৩৬) অজুহাতের ব্যাধিতে আক্রান্ত ব্যর্থ মানুষ, ১৩৭) দি সেভেন হ্যাবিট অফ হাইলি এ্যা ফেক্টিভ পিপল, ১৩৮) সামাজিক আয়না, ১৩৯) প্রোএ্যাক্টিভিটি, ১৪০) সার্কেল অফ ইনফ্লুয়েন্স, ১৪১) শুরু করুন আজই, ১৪২) আপনার কেন্দ্রবিন্দু কোনটি?, ১৪৩) মাথার দুটি অংশই ব্যবহার করুন, ১৪৪) সময়ের ব্যবস্থাপনা, ১৪৫) ব্যক্তিগত ব্যবস্থাপনা, ১৪৬) গুরুত্বপূর্ণ এবং জরুরি, ১৪৭) পরনির্ভরশীল জীবন, ১৪৮) ছয়টি উপায়ে অন্য মানুষের সাথে আদান-প্রদান, ১৪৯) অধ্যয়ন, ১৫০) পড়াশোনায় ১২ কার্যকর কৌশল, ১৫১) ঘুম থেকে উঠতে ১০-৩-২-১-০ ফর্মুলা, ১৫২) আয়-ব্যয়- টাকা, ১৫৩) অন্যকে খুশি করতে পয়সা খরচ যে কারণে অর্থহীন, ১৫৪) খরচের লাগাম টেনে ধরতে.. ১৫৫) নারী, ১৫৬) সম্পর্ককে সুন্দর রাখতে কিছু “মিথ্যা” বলা জরুরী , ১৫৭) ছেলেদের কোন জিনিস দেখে মেয়েরা? , ১৫৮) স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর কিছু অভ্যাস, ১৫৯) ভুঁড়ি ঠেকাতে ৫টি নিয়ম, ১৬০) যেসব কারণে নারীদের স্বাবলম্বী হওয়া উচতি , ১৬১) বিয়ে-সংসার, ১৬২) সফল বিয়ের তিনটি মন্ত্র, ১৬৩) সুখী হবার দারুণ কিছু মূলমন্ত্র, ১৬৪) কিছু গল্প, ১৬৫) ভালোবাসাহীন সম্পর্ক, ১৬৬) কেন স্পর্শের প্রয়োজন হয় প্রতিদিন, ১৬৭) যে কারণে একা থাকাই আপনার জন্য ভালো, ১৬৮) ব্যবসা, ১৬৯) বিক্রয় বৃদ্ধির কৌশল, ১৭০) যে ৭টা ব্যাপার বিজনেসে করবেন না, ১৭১) স্বাস্থ্য, ১৭২) দুগ্ধজাত খাবারে পুরুষের বন্ধ্যত্ব, ১৭৩) একাকিত্বের বিপদ, ১৭৪) কর্মক্ষম ও প্রফুল্ল রাখতে, ১৭৫) মন ভালো করার উপায়, ১৭৬) যৌন স্বাস্থ্য, ১৭৭) পুরুষদের কেজেল, ১৭৮) মহিলাদের কেজেল, ১৭৯) দক্ষতা , ১৮০) আলসেমি দূর করার সহজ কিছু উপায়, ১৮১) কীভাবে সামলাবেন নিন্দুকদের ?, ১৮২) সুখী হতে চাইলে যা কখনোই করবেন না, ১৮৩) সব ভুলে যাচ্ছেন? স্মৃতিশক্তি চাঙ্গা রাখতে ৫টি টিপস, ১৮৪) বয়সের ভারে বৃদ্ধ না হয়ে বরং কাজের ভারে যুবক থাকার চেষ্টা করো, ১৮৫) নিজেকে কাজের সঙ্গে সম্পক্ত করার তিনটে স্টেপ, ১৮৬) জীবনের লক্ষ্য নির্ধারণে দ্রুত পদ্ধতিগুলো, ১৮৭) প্রতিদান পাওয়ার আশায় কাজ করবেন না, ১৮৮) প্রেম একটি মানসিক রোগ, ১৮৯) সম্পর্ক ভেঙ্গে যাবার পর নিজেকে যেভাবে সামলাবে, ১৯০) সময় সবকিছু বদলে দেয়, ১৯১) সম্পর্ক তৈরির ক্ষেত্রে কমন পাঁচটি ভুল, ১৯২) আত্মবিশ্বাস/মনোবল, ১৯৩) প্যারাসুট অফ হ্যাপিনেস, ১৯৪) বারবার ঘুরে দাঁড়াতে হবে, ১৯৫) আত্মবিশ্বাসহীন মানুষের লক্ষণ, ১৯৬) বাড়াও আত্মবিশ্বাস, বাড়বে সফলতা, ১৯৭) প্রাতিষ্ঠানিক সম্পর্ক শক্তিশালী করার টিপস, ১৯৮) কিভাবে ধরে রাখবে দু'জনের সম্পর্ক, ১৯৯) কিভাবে বুঝবে সম্পর্ক শেষ করতে হবে, ২০০) সম্পর্ক যখন প্রেম-ভালোবাসার, ২০১) যেসব বিষয়ের উপর স¤পর্ক গড়ে ওঠে, ২০২) ভালোবাসার অপর নাম প্রয়োজন, ২০৩) সম্পর্কের গুণগত মান বাড়বে কিভাবে, ২০৪) মস্তিস্ক ঠিক রাখার ৩০ উপায়, ২০৫) মানুষের আচরণের পেছনে একটা কারণ থাকে, ২০৬) কোনো কাজে নিজেকে সম্পক্ত না করেই আমরা নিজ ক্যারিয়ারকে এগিয়ে নিয়ে যাই ২০৭) স্রোতের বিপরীতে চিন্তা করুন, ২০৮) আপনার টাইমজোনে সময় আসবেই, ২০৯) চাইল্ডহুড অ্যামনেসিয়া এবং আমাদের শিক্ষণীয়,