অভ্যাস ১১। অন্যের দুর্বলতাকে এড়িয়ে তাদের ভালো কাজের প্রশংসা করুন।
এক রাজা ছিলেন যার একটা চোখ এবং একটা পা ছিল। তিনি অনেক চিত্রশিল্পীকে জিজ্ঞেস করলেন উনার একটা সুন্দর ছবি একেঁ দিতে পারবে কিনা। কিন্তু কেউই সাহস করতে পারল না। পারবেই বা কেমনে, এক চোখ আর এক পা না থাকলে কেমন করে কারো ছবি সুন্দর করে আঁকা যায় কিন্তু একজন রাজার কথায় রাজি হল এবং অনেক ভেবে-চিন্তে একটা ছবি আঁকা শুরু করল। সবাই ছবিটা দেখে মুগ্ধ হয়ে গেল। রাজা উনার ছবি দেখে অনেক খুশি হলেন। ছবিতে রাজা এক পায়ে দাঁড়িয়ে এক চোখ বন্ধ করে শিকার করার জন্য নিশানা ঠিক করছেন।
শিক্ষা : আমরা কেন অন্যের দুর্বলতাকে লুকিয়ে তাদের ভলো কাজের প্রশংসা করতে পারি না? কেন আমরা অন্যের দোষ ত্রুটিগুলো সবাইকে বলে বেড়াই? আমাদের উচিত নিজেদের পরিবর্তন করা।
অভ্যাস ১২। সমালোচকদের মুখ বন্ধ করার চেষ্টা করবেন না।
যদি আপনি খুব বলবান হন, সমালোচকদের পিটিয়ে ঠাণ্ডা করতে চাইবেন। যদি ধনবান হন, তাহলে টাকা দিয়ে তাদের মুখ বন্ধ করতে চাইবেন আর যদি আপনি কমজোরি হন তাহলে ধুত্তোর নিকুচি করেছে বলে কাজটা ছেড়ে দেবেন। কিন্তু কাজ করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ হলে নিজের কানে ছিপি দেবেন। সমালোচনায় আপনার কান বন্ধ রাখুন।
কোনোমতেই সমালোচকদের কণ্ঠরুদ্ধ করবেন না। তাহলে বড় কাজ করার চ্যালেঞ্জটা নষ্ট হয়ে যাবে। পৃথিবীতে এমন কোনো দার্শনিক বা তাত্ত্বিক নেই যাদের দর্শন-তত্ত্ব সমাজ নির্বিবাদে মেনে নিয়েছে।
তবে, মাঝে মাঝে কানের কুলুপটা খুলে একবার একঝলকে শুনে নিন সমালোচকদের মোদ্দা কথাটা কি। যদি দেখেন রাবিশÑ তাহলে আবার কানের ছিপি বন্ধ করে যে কাজ করছিলেন দ্বিগুণ উৎসাহে তাতে লেগে পড়ুন।
অভ্যাস ১৩। নিজের বিপদকে সম্পদে পরিণত করতে শিখুন।
পাপন নামে এক ব্যবসায়ীর ১৭ বছর বয়সে ডায়াবেটিস ধরা পড়ে। ২০ বছর বয়সে তিনি পারিবারিক ব্যবসায়ে যখন যোগ দেন তখন ব্যবসা পড়তির মুখে। এক পয়সা লগ্নি করার মতো কোম্পানির ফান্ডে নেই। কিন্তু পাপন এই পড়ে যাওয়া পৈত্রিক ব্যবসাকে রমরমা করে তোলেন। ডায়াবেটিসের রোগী বলে তার বিয়ে হচ্ছিলো না। তিনি অনেক কষ্টে চুক্তিভিত্তিক বিয়ের পাত্রী জোগাড় করেন। যে ডায়াবেটিস পাপনের জীবনে অভিশাপ ছিলো, তিনি ডায়াবেটিস কনট্রোলে করে শান্তিতে সাফল্যের সাথে জীবন-যাপন করছেন। তার বিশ্বাস আগামী এক দশকের মধ্যে ডায়াবেটিসের নিরাময়যোগ্য ঔষধ আবিষ্কার হবে। তথন সে সন্তান নেবে।
অভ্যাস ১৪। বৃদ্ধ বয়সের জন্য এখন থেকেই সঞ্চয় করুন
আমাদের দেশে মানুষ সবচেয়ে কষ্ট পায় বৃদ্ধ বয়সে। যৌবনে তারা সঞ্চয় করে না। সঙ্গতি না থাকলেও ধারদেনা করে ছেলে-মেয়েদের পড়ায়। বিয়েতে খরচ করে। ছেলে-মেয়েদের বিলাস-ব্যসনের মধ্য দিয়ে মানুষ করে। বৃদ্ধ বয়সের জন্য সঞ্চয় রাখে না। ভাবে ছেলে-মেয়েরা তাদের দেখবে। বেশিরভাগ ছেলে-মেয়েই বৃদ্ধ বাবা-মাকে দেখে না। দেখলেও ছেলের বউরা বৃদ্ধ শ্বশুর-শাশুড়িকে নিত্য অপমান করে।
বৃদ্ধ বয়সের জন্য সঞ্চয় সবার আগে। ছেলে-মেয়েদের ভালো স্কুল কলেজে পড়ানো আপনার দ্বিতীয় অগ্রাধিকার। যাদের উদ্বৃত্ত টাকা আছে তারা যা খুশি খরচ করতে পারেন। বেতনের টাকা সব ভোগের পিছনে ব্যয় করবেন না। বিয়ের আগে বেতনের দুই তৃতীয়াংশ টাকা ও বিয়ের পরে এক তৃতীয়াংশ টাকা জমান।
শৈশবে বাবা-মা, যৌবনে স্বামী বা স্ত্রী ও বার্ধক্যে ছেলে-মেয়েদের ওপর যারা নির্ভর করে, তারা ভীষণ কষ্ট পায়। নেহাৎ দরকার না হলে কারও কাছে অর্থ সাহায্য নেবেন না। মনে রাখুন, মাটিতে পড়ে গেলে কেউ এসে হাত ধরে তুলবে বলে কারও অপেক্ষায় পড়ে থাকবেন না।
অভ্যাস ১৫। অন্যকে দুঃখ দেবেন না
আমাদের জীবনে অর্ধেক দুঃখ আসে আমরা অপরকে দুঃখ দেই বলে। বাকি অর্ধেক দুঃখ আসে অন্যেরা আমাদের দুঃখ দিতে চায় বলে। অন্যকে দুঃখ না দিলে আমাদের অন্তত অর্ধেক দুঃখ কমে যায়।
মানবসমাজ ব্যক্তিস্বার্থের প্রশ্নে পশুকেও হার মানিয়ে দেয়। কোথাও উৎস নারী, কোথাও অর্থ। যে প্রেমিক এতদিন প্রেমের কথা শোনাতো, একদিন সে আর একজনকে পেয়ে আপনাকে নির্মমভাবে ত্যাগ করে চলে গেলো। অথবা প্রাণের বন্ধু বিশ্বাসঘাতকতা করলো। এভাবে কাছের মানুষগুলো দ্রুত বদলে যাচ্ছে। আপনি অসুস্থ জেনেও আমার নিকট-আত্মীয় দেখতে এলো না। ব্যঙ্গ বিদ্রুপ করে কথা বললো। এভাবে মানুষ ক্রমশ নিঃসঙ্গ হয়ে পড়ছে। সে যেন এক জনবহুল প্লাটফর্মে একা দাঁড়িয়ে আছে। প্রাথমিক সম্পর্কগুলো একে একে নষ্ট হয়ে যাচ্ছে।
আপনি অপরকে সুখী করার আন্তরিক চেষ্টা না করলে নিজে সুখি হতে পারেন না। দেশে এখন প্রচুর বিত্তবান মানুষ আছে, কিন্তু চিত্তবান মানুষ কমছে। তাই সুখও কমছে।
অভ্যাস ১৬। নিজেকে অভ্রান্ত ভাববেন না, অন্যদের তো নয়ই।
যখন টাকা নেবেন, অন্যে গুনে দিলেও নিজে দুবার গুনে নেবেন। দিন বদলায়, যুগ বদলায়, সমাজও বদলায় ও নতুন সমাজ পুরনো দিনের ধ্যান-ধারণাকে ভুল প্রমাণ করে অথবা নতুন দিনের ভোরে পুরনো দিনের ভাবনা-চিন্তা ভুল ছিলো বলে প্রমাণ হয়।
তাই কখনো ভাববেন না যা ভাবছেন যা বলছেন সেটাই শেষ কথা। অথবা আপনার গুরু বা আপনার নেতা আপনাকে যা বুঝিয়েছেন সেটাই সত্যি। আবার বিপরীতটাও সত্যি নয়। বলতে পারেন তখনকার মতো সত্যি, কিন্তু চিরকালের জন্য নয়। পৃথিবীতে যুগ যুগ ধরে বহু মানুষ তাঁদের বিশ্বাসের জন্য প্রাণ দিয়েছেন। প্রাণদানটা সত্যি। কিন্তু বিশ্বাসটা সত্যি নাও হতে পারে। দুটি পরস্পরবিরোধী বিশ্বাসের পক্ষে বহু লোক থাকে। সেই বিশ্বাসের জন্য দুপক্ষের লোকই প্রাণ দেয়। বার্টান্ড রাসেলকে একবার প্রশ্ন করা হয়েছিলো আপনার বিশ্বাসের জন্য আপনি কি প্রাণ দিতে পারেন? রাসেল বলেছিলেন, না। আমার বিশ্বাসটা তো ভুল হতে পারে। সময়ই একমাত্র বিচার করতে পারে কোনটা ভুল, কোনটা ঠিক।
অভ্যাস ১৭। একমাত্র বদনেশা ছাড়া অন্য কোন কিছু চট করে ছাড়বেন না।
অধিকাংশ লোকই যত ধরেন তত ছাড়েন। উপকারী বন্ধুকে ছেড়ে দেন। কিছুদিন ধরে ডেটিং করে, দৈহিক সম্পর্ক স্থাপন করার পরও প্রেমিক-প্রেমিকাকে ছেড়ে দেয়। বৃদ্ধ বাবা-মা, ভাই-বোনদের সঙ্গে রক্তের সম্পর্কও অস্বীকার করে স্বতন্ত্র জীবনযাপন করেন। রাজা রামমোহন রায় গর্ভধারিণী মায়ের সঙ্গে সম্পর্ক রাখতেন না। বিদ্যাসাগর কলকাতায় চলে গিয়ে মাকে প্রায় ভুলে গিয়েছিলেন। বিমল মিত্রের সঙ্গে তাঁর মায়ের বিরোধ চিরস্থায়ী হয়েছিলো। এক সময়ের উপকারকে ছেড়ে যাওয়া আকছার ঘটে। বহু শিষ্য গুরুকে ছেড়ে চলে যায়।
রবীন্দ্রনাথ একদা বলেছিলেন, আমরা যাহা শুরু করি তাহা শেষ করি না। কেন আমরা চট করে ধরি, চট করে ছেড়ে দেই? প্রথমটা ধরি আবেগের বশে, অথবা অন্যের অনুকরণ করে। তারপর আমাদের মনস্তত্ত্ব কাজ করে। যতক্ষণ না পাই, মনটা আকুলি-বিকুলি করে। তারপর পেয়ে গেলে তৃষ্ণাটা মিটে যায়।
খিদে পেলে যেমন খেতে ইচ্ছে করে, আবার খাওয়া শেষ হয়ে গেলে ভরা পেটে মধুও তেতো লাগে। দ্বিতীয়ত মানুষ মূলত স্বার্থপর প্রাণি। তার ভালোবাসা, শ্রদ্ধা সবটা প্রয়োজনভিত্তিক। যতক্ষণ শিক্ষকের সান্নিধ্য তার কাজে লাগে ততক্ষণ সে শিক্ষকের অনুগত ছাত্র।
তোমার যখন কাউকে কিছু দেওয়ার ক্ষমতা থাকবে, তখন তোমার চারপাশে বহু মানুষের ভিড় থাকবে। দুধ নাই তো মাছিও হাওয়া। যখন যাকে দরকার হয় মানুষ তখন তাকে ধরে আর দরকার না থাকলে ছাড়ে। এজন্যই বলা হয়ে থাকে- ভালবাসার অপর নাম প্রয়োজন।
যেটা ছাড়া উচিত অথচ সারাজীবন মানুষ ধরে রেখে দেয়, আর তাতেই মারা যায়, তা হলো সিগারেট। খুব কম লোকই নেশা ছাড়তে পারে। নেশাখোরেরা মুক্তি চায় না। পক্ষে যুক্তি চায়।
অভ্যাস ১৮। অতিরিক্ত অর্থ আপনাকে অহংকারী ও বিচ্ছিন্ন করে তুলবে।
আপনি যত বিলাসবহুল জীবনযাপন করবেন তত বেশি খাদ্যদূষণে আপনার শরীর ব্যাধিতে ভরে উঠবে। দেখা দেবে নানা লাইফস্টাইল অসুখ। প্রয়োজনের অতিরিক্ত অর্থ নানা মানসিক সমস্যার সৃষ্টি করবে। সবচেয়ে যে ক্ষতিটা করবে, মানুষের সঙ্গে সুস্থ স্বাভাবিক সম্পর্ক নষ্ট করে দেবে। দৃষ্টিভঙ্গি এমনভাবে আচ্ছন্ন করবে যে মনে হবে টাকা দিয়ে আপনি সবই কিনতে পারেন। আপনার ধারণা হবে একমাত্র আপনিই এ পৃথিবীতে যোগ্যতম ব্যক্তি ।
আমি জীবনে খুব কমই বিদ্বান অথচ বিনয়ী, ধনী অথচ স্থিতধী, রূপসী অথচ সরল স্ত্রী দেখেছি।
মনে রাখবেন আপনার বংশগতি, জন্ম, মেধা, রূপ এমনকি বহু ক্ষেত্রে অর্থও দৈববশে পেয়েছেন। কিন্তু আপনার পৌরুষ, চিন্তাধারা, মূল্যবোধ, আপনার নিজস্ব অর্জন। ।
অভ্যাস ১৯। জ্যেষ্ঠ হলেই শ্রেষ্ঠ হয় না, চুল পাকলে বুদ্ধি বাড়ে না।
অভিজ্ঞতা সময় দিয়ে বিচার হয় না। একদিনেও অনেক বিচক্ষণ ব্যক্তি এক বছরের অভিজ্ঞতা অর্জন করতে পারে। বয়সই অভিজ্ঞতার মাপকাঠি নয়। আশি বছরেও অনেকে সাবালক হয় না। যে বৃদ্ধ বারবার একই ভুল করে তার বয়স এক জায়গাতেই দাঁড়িয়ে থাকে।
এডিসন বাল্ব আবিষ্কার করতে গিয়ে ৯৯৯ বার পরীক্ষা করেছিলেন। প্রতিবারেই তার পরীক্ষা ভুল প্রমাণিত হয়। আলো জ্বলেনি। হাজারতম পরীক্ষাটি সফল হলো। এডিসনকে লোকে বললো, হাজারবারের চেষ্টায় তুমি সফল হতে পারলে। এই যে এতদিন লেগে গেলো বাল্ব আবিষ্কার করতে এই সময়টা কি নষ্ট হলো না? এডিসন বললেন, না, আমার কিছু নষ্ট হয়নি। কারণ প্রতিটি এক্সপেরিমেন্ট আমাকে অভিজ্ঞতা দিয়েছে যে, এইভাবে এই পদ্ধতি হয় না। অন্য পদ্ধতি চাই।
অভ্যাস ২০। যে চাকরি ভালো লাগে না সে চাকরি বেশিদিন করবেন না।
মাইনে কম অথচ কাজটা করে আনন্দ পান সেই চাকরিই করবেন। মাইনে বেশি অথচ প্রতি মুহূর্তে মনে হয় এ ধরণের কাজ করে কর্মসন্তুষ্টি পাচ্ছেন না, সে চাকরি নেবেন না।
পছন্দমত কাজ পেতে গেলে আপনার নিজস্ব বিষয়ে দক্ষতা ও অভিজ্ঞতা বাড়ান। নিয়মিত আপনার বিষয়টি নিয়ে চর্চা করুন। আপনি যে বিষয়ে দক্ষ সে বিষয় ছাড়া কদাচ অন্য বিষয়ে চাকরি নেবেন না।
যদি ভুল চাকরিতে ঢুকে পড়েন এবং পছন্দমতো চাকরি না পান তাহলে সে সময়টা কোনোমতে চাকরিটা করে যান। কিন্তু বেশি করে মন দিন আপনার হবি চর্চায়। সমাজ সেবা, নাটক, ছবি আঁকা। লেখালেখি, খেলাধুলা এমন সব কাজে জড়িয়ে থাকুন যাতে চাকরি জীবনের গ্লানি কেটে যায়।
সূচিপত্র
১) ছোটদের সাথে আমাদের আচরণ ২) পরিবার ও সন্তান, সুপার পাওয়ার যেভাবে তৈরি হয়, ৩) দীর্ঘস্থায়ী ভয়ের উৎপত্তির মূলে শৈশবকালে ঘটে যাওয়া ঘটনার প্রভাব , ৪) সন্তানের উৎসাহ এবং উদ্দীপনা বাড়ানো, ৫) আপনার শিশুটি ঘুমুক শান্তিতে এবং নির্ভরতায় , ৬) কিছু অব্যর্থ টিপস, যা আপনার শিশুকে পড়াশোনায় আগ্রহী করে তুলবে, ৭) শিশুকে কিভাবে বড় করবেন, ৮) বাচ্চাদের মস্তিষ্ক বিকাশে কী করবেন? ৯) বাচ্চাদের বুদ্ধি বিকাশের অন্যতম পথ, দৌড়, ১০) বাচ্চাকে কখনো আড়ালে লুকিয়ে খেতে দেবেন না, ১১) পিটার সিংগারের দর্শন, ১২) দুষ্টু শিশুরা তাড়াতাড়ি শেখে, ১৩) সন্তানকে যতই শাস্তি দেবেন ততই সে অসামাজিক হবে, ১৪) বাবা-মাই সন্তানকে নির্যাতন করেন সবচেয়ে বেশি , ১৫) সন্তানের সাথে কিভাবে গড়ে তুলবেন নিবিড় বন্ধন, ১৬) যে ১১টি কথা শিশুকে কখনোই বলবেন না!, ১৭) শিশুকে গল্প শোনান প্রতিদিন, ১৮) সন্তানের আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধির ১০টি কৌশল, ১৯) সৃজনশীলতা হচ্ছে নতুন কিছু করার যোগ্যতা, ২০) যারা মুখস্থ করতে পারেন না, ২১) তারা মেধাবী, মেধাবী হওয়ার উপায়,
২২) কথা ও ভাষা, ২৩) এলিভেটর পিচ, ২৪) সুন্দর করে কথা বলে সমস্যা জয়ের কৌশল, ২৫) ফোনে কথা বলার আদবকেতা, ২৬) ১২টি কর্ম বিধান, ২৭) ভালোবাসার অপর নাম প্রয়োজন, ২৮) আলতু-ফালতু কাজে সময় অপচয় করে স্বপ্ন পূরণের কল্পনা, ২৯) স্ট্রেস ম্যানেজমেন্ট, ৩০) চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিন পিং-এর জীবন থেকে শিক্ষা, ৩১) অভিজ্ঞতা ও অতীত থেকে শিক্ষা গ্রহণ, ৩২) বর্তমানকে সবচেয়ে বেশি মূল্য দিন, ৩৩) ২৪ ঘণ্টা কেউ সুখী হয় না, ৩৪) কিছু অভ্যাস যা আপনাকে আরও সুখী করবে , ৩৫) আপনার অবয়ব , ৩৬) সফলতার 25টি হট কৌশল-1, ৩৭) সাফল্যের 25টি হট কৌশল-2, ৩৮) সফলতার 55 সূত্র, ৩৯) কিভাবে নিজেকে নেতা হিসেবে গড়ে তুলবে, ৪০) সময় ব্যবস্থাপনা, ৪১) সময় ব্যবস্থাপনার তিনটি ধাপ, ৪২) সময়কে যথাযথভাবে কাজে লাগানোর উপায়গুলো, ৪৩) সাফল্য, ড. কোভের ইমোশনাল একাউন্ট কনসেপ্ট, ৪৪) সবচে বড় ইমোশনাল একাউন্ট, ৪৫) আপনার ইমোশনাল একাউন্ট, ৪৬) বুদ্ধি ও বিবেচনাবোধ বর্জিত কর্মফল বিপজ্জনক, ৪৭) অন্যদের দিয়ে আপনার কাজ করান কিন্তু সম্মান আপনি অর্জন করুন, ৪৮) অন্য লোকেরা আপনার কাছে আসুক দরকার হলে টোপ দিন, ৪৯) অসুখী এবং ভাগ্যহীনদের বর্জন করুন, ৫০) লোককে আপনার ওপর নির্ভরশীল করুন , ৫১) নেওয়ার পূর্বে দেওয়া অন্য বক্তির স্বার্থ বুঝুন, ৫২) শত্রুকে খাটো করে দেখবেন না, ৫৩) নিজেকে রক্ষা করার জন্য চারিদিকে দুর্গ নির্মাণ করবেন না, ৫৪) কারোর পক্ষ অবলম্বন করে বসে থাকবেন না, ৫৫) আপনার শক্তিসমূহকে সংহত করুন, ৫৫) নিজের ভুলগুলোকে লুকিয়ে রাখুন, ৫৬) শুধু সাহসের জোরে নয়, পরিণতিও বিবেচনায় রাখুন, ৫৭) প্রতিটি মানুষের গোপন ইচ্ছা খুঁজে বের করুন, ৫৮) রাগ বিপজ্জনক ও অভদ্রতা, ৫৯) কোনো দলকে ধরার জন্য দলপতিকে প্রথমে ধরুন, ৬০) নিজেকে গুরুত্বপূর্ণ মনে করুন, গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবেন, ৬০) পরিবেশ সামলাতে শিখুন, ৬১) প্রথম শ্রেণির মানুষ হয়ে উঠুন, ৬২) আপনার সামাজিক পরিবেশ ‘প্রথম শ্রেণি’র করে তোলার উপায়, ৬৩) ‘সস্তার তিন অবস্থা’ প্রধম শ্রেণিভুক্ত হয়ে উঠুন , ৬৪) যত বেশি বন্ধুত্ব তত বেশি উপরে ওঠার সম্ভাবনা, ৬৫) সাহস করে কাজটা শুরু করুন, ৬৬) সাফল্য মানে বারবার ভিন্নভাবে চেষ্টা করা, ৬৭) ১- ১০ ভাল অভ্যাস, ১১- ২০ ভাল অভ্যাস, ২১- ৩০ ভাল অভ্যাস, ৩১- ৪০ ভাল অভ্যাস, ৪১- ৫০ ভাল অভ্যাস, ৫১- ৬০ ভাল অভ্যাস, ৬১- ৭০ ভাল অভ্যাস, ৭১- ৮০ ভাল অভ্যাস, ৮১- ৯০ ভাল অভ্যাস, ৯১- ১০২ ভাল অভ্যাস, ৬৮) জিরো থেকে হিরো, ৬৯) সৃজনশীলদের সফলতার ৭ সূত্র, ৬৯) জীবনে পরিবর্তন আনুন ৪৮টি উপায়ে, ৭০) জীবন-যাপন, ৭১) জাপানী ও চিন লাইফ স্টাইল , ৭২) ৩০টি দর্শন, যা আপনার জীবনে কাজে লাগবে, ৭৩) সম্পর্ক তৈরি করা, বন্ধুত্ব, ৭৪) যে আচরণগুলো মানুষের মনের কথা জানাবে, ৭৫) কথা বলার সূত্র, ৭৬) আপনি ও আপনার ব্যবহার, ৭৭) নিজেকে সঠিকভাবে উপস্থাপন করা, ৭৮) কথা বলার কতিপয় গুরুত্বপূর্ণ নিয়ম, ৭৯) কিভাবে নিজেকে বিনয়ী হিসেবে উপস্থাপন করবেন, ৮০) কিভাবে বুদ্ধিদীপ্ত কথা বলবেন, ৮১) কথা বলার ৫টি বিস্ময়কর টেকনিক, ৮২) কিভাবে মানুষকে আকৃষ্ট করবেন? ৮৩) অকারণে সময় নষ্ট? মেল রবিনের ৫ সেকেন্ড রুল, ৮৪) কর্পোরেট আদবকেতা, ৮৫) ৩৫টি কর্পোরেট কালচার ও আপনার করণীয়, ৮৬) যা না জানলে লজ্জায় পড়তে হয় , ৮৭) কাজের সময়ে যে বিষয়গুলো একেবারেই করা উচিৎ না , ৮৮) ক্যারিয়ারে সাফল্য পেতে ছুড়ে ফেলুন ৭টি দোষ, ৮৯) আকাক্সক্ষা, ইচ্ছে বা স্বপ্ন,
৯০) বক্তৃতা প্রশিক্ষণ, কাজ কিভাবে করবেন? ৯১) আত্মশক্তিতে বলিয়ান হতে, ৯২) একনাগাড়ে চলবেন না, ৯৩) মারফিস ’ল , কাজের রোডম্যাপ তেরি , ৯৪) জব স্যাটিসফেকশন, ৯৫) কাজে সফলতার সূত্রাবলী, ৯৬) যেভাবে জীবনযাপন করবেন, ৯৭) পরিণত বুদ্ধির মানুষেরা যে কাজগুলো কখনোই করেন না, ৯৮) জীবনে দক্ষতা অর্জনের কার্যকর ১২টি উপায়, ৯৯) সঠিক লক্ষ্য নির্ধারণ ও কাজ করার উপায় , ১০০) সফলতা ও সার্থকতা, ১০১) জীবনের ছোট ছোট প্রাপ্তিগুলোকে উপভোগ করা, ১০২) সফলতার কিছু পদ্ধতি, ১০৩) সফল হতে চাইলে যে ৮ টি জিনিস বাদ দেয়া প্রয়োজন, ১০৪) সফল ব্যক্তিরা যে ১০টি কাজ কখনোই করেন না, ১০৫) সর্বদা স্মরণ রাখুন, ১০৬) চিন্তাশক্তি , ১০৭) স্বাধীনতা, ১০৮) জ্ঞান অর্জন খাদ্য গ্রহণের মতো , ১০৯) দৃঢ় প্রতিজ্ঞ হয়ে চেষ্টা করলে কখনোই বিফল হবেন না, ১১০) বুদ্ধির সংজ্ঞা হলো, প্রতিটি কাজ ভেবে-চিন্তে করা, ১১১) ব্যক্তিত্ব, চেহারা ও ব্যক্তিত্ব , ১১২) সেলডন-এর গবেষণা , ১১৩) ব্যক্তিত্ব ও উচ্চারণ, ১১৪) পোশাক ও ব্যক্তিত্ব, ১১৫) প্রথম দেখায় ব্যক্তিত্বের ছাপ, ১১৬) বিচ্ছিন্নতা ব্যক্তিত্বের বড় শত্রু, ১১৭) ব্যক্তিত্বে জিনগত প্রভাব, ১১৮) অন্তর্মুখী ও বহির্মুখী ব্যক্তিত্ব, ১১৯) মনোমুগ্ধকর ব্যক্তিত্বের ১০ বৈশিষ্ট্য, ১২০) ব্যক্তিত্বের উৎকর্ষতার জন্যে ১০ নির্দেশনা, ১২১) কিভাবে ব্যক্তিত্বের বিকাশ ঘটাবেন? , ১২২) নিজেকে স্মার্ট করতে ৫টি কৌশল, ১২৩) আকর্ষণীয় মানুষ হবার ৬টি পরামর্শ, ১২৪) আত্মশুদ্ধি , ১২৫) হতাশ হবেন না, ১২৬) পাছে লোকে কিছু বলে, ১২৭) সুখ-শান্তি উন্নতি , ১২৮) চাহিদা, ১২৯) খাদ্য, ঘুম ও বিশ্রাম, ১৩০) স্বাস্থ্য ভাল রাখার নিয়ম, ১৩১) টেনশন দূর করতে হলে, ১৩২) শুধু নিজের কথা নয়, অন্যের কথাও ভাবুন, ১৩৩) চাহিদা যত বেশি সুখ তত কম, ১৩৪) সুখী জীবনের জন্য ১৮ টি টিপস, ১৩৫) আত্মবিশ্বাস, আত্ম বিশ্বাসের শক্তি, ১৩৬) অজুহাতের ব্যাধিতে আক্রান্ত ব্যর্থ মানুষ, ১৩৭) দি সেভেন হ্যাবিট অফ হাইলি এ্যা ফেক্টিভ পিপল, ১৩৮) সামাজিক আয়না, ১৩৯) প্রোএ্যাক্টিভিটি, ১৪০) সার্কেল অফ ইনফ্লুয়েন্স, ১৪১) শুরু করুন আজই, ১৪২) আপনার কেন্দ্রবিন্দু কোনটি?, ১৪৩) মাথার দুটি অংশই ব্যবহার করুন, ১৪৪) সময়ের ব্যবস্থাপনা, ১৪৫) ব্যক্তিগত ব্যবস্থাপনা, ১৪৬) গুরুত্বপূর্ণ এবং জরুরি, ১৪৭) পরনির্ভরশীল জীবন, ১৪৮) ছয়টি উপায়ে অন্য মানুষের সাথে আদান-প্রদান, ১৪৯) অধ্যয়ন, ১৫০) পড়াশোনায় ১২ কার্যকর কৌশল, ১৫১) ঘুম থেকে উঠতে ১০-৩-২-১-০ ফর্মুলা, ১৫২) আয়-ব্যয়- টাকা, ১৫৩) অন্যকে খুশি করতে পয়সা খরচ যে কারণে অর্থহীন, ১৫৪) খরচের লাগাম টেনে ধরতে.. ১৫৫) নারী, ১৫৬) সম্পর্ককে সুন্দর রাখতে কিছু “মিথ্যা” বলা জরুরী , ১৫৭) ছেলেদের কোন জিনিস দেখে মেয়েরা? , ১৫৮) স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর কিছু অভ্যাস, ১৫৯) ভুঁড়ি ঠেকাতে ৫টি নিয়ম, ১৬০) যেসব কারণে নারীদের স্বাবলম্বী হওয়া উচতি , ১৬১) বিয়ে-সংসার, ১৬২) সফল বিয়ের তিনটি মন্ত্র, ১৬৩) সুখী হবার দারুণ কিছু মূলমন্ত্র, ১৬৪) কিছু গল্প, ১৬৫) ভালোবাসাহীন সম্পর্ক, ১৬৬) কেন স্পর্শের প্রয়োজন হয় প্রতিদিন, ১৬৭) যে কারণে একা থাকাই আপনার জন্য ভালো, ১৬৮) ব্যবসা, ১৬৯) বিক্রয় বৃদ্ধির কৌশল, ১৭০) যে ৭টা ব্যাপার বিজনেসে করবেন না, ১৭১) স্বাস্থ্য, ১৭২) দুগ্ধজাত খাবারে পুরুষের বন্ধ্যত্ব, ১৭৩) একাকিত্বের বিপদ, ১৭৪) কর্মক্ষম ও প্রফুল্ল রাখতে, ১৭৫) মন ভালো করার উপায়, ১৭৬) যৌন স্বাস্থ্য, ১৭৭) পুরুষদের কেজেল, ১৭৮) মহিলাদের কেজেল, ১৭৯) দক্ষতা , ১৮০) আলসেমি দূর করার সহজ কিছু উপায়, ১৮১) কীভাবে সামলাবেন নিন্দুকদের ?, ১৮২) সুখী হতে চাইলে যা কখনোই করবেন না, ১৮৩) সব ভুলে যাচ্ছেন? স্মৃতিশক্তি চাঙ্গা রাখতে ৫টি টিপস, ১৮৪) বয়সের ভারে বৃদ্ধ না হয়ে বরং কাজের ভারে যুবক থাকার চেষ্টা করো, ১৮৫) নিজেকে কাজের সঙ্গে সম্পক্ত করার তিনটে স্টেপ, ১৮৬) জীবনের লক্ষ্য নির্ধারণে দ্রুত পদ্ধতিগুলো, ১৮৭) প্রতিদান পাওয়ার আশায় কাজ করবেন না, ১৮৮) প্রেম একটি মানসিক রোগ, ১৮৯) সম্পর্ক ভেঙ্গে যাবার পর নিজেকে যেভাবে সামলাবে, ১৯০) সময় সবকিছু বদলে দেয়, ১৯১) সম্পর্ক তৈরির ক্ষেত্রে কমন পাঁচটি ভুল, ১৯২) আত্মবিশ্বাস/মনোবল, ১৯৩) প্যারাসুট অফ হ্যাপিনেস, ১৯৪) বারবার ঘুরে দাঁড়াতে হবে, ১৯৫) আত্মবিশ্বাসহীন মানুষের লক্ষণ, ১৯৬) বাড়াও আত্মবিশ্বাস, বাড়বে সফলতা, ১৯৭) প্রাতিষ্ঠানিক সম্পর্ক শক্তিশালী করার টিপস, ১৯৮) কিভাবে ধরে রাখবে দু'জনের সম্পর্ক, ১৯৯) কিভাবে বুঝবে সম্পর্ক শেষ করতে হবে, ২০০) সম্পর্ক যখন প্রেম-ভালোবাসার, ২০১) যেসব বিষয়ের উপর স¤পর্ক গড়ে ওঠে, ২০২) ভালোবাসার অপর নাম প্রয়োজন, ২০৩) সম্পর্কের গুণগত মান বাড়বে কিভাবে, ২০৪) মস্তিস্ক ঠিক রাখার ৩০ উপায়, ২০৫) মানুষের আচরণের পেছনে একটা কারণ থাকে, ২০৬) কোনো কাজে নিজেকে সম্পক্ত না করেই আমরা নিজ ক্যারিয়ারকে এগিয়ে নিয়ে যাই ২০৭) স্রোতের বিপরীতে চিন্তা করুন, ২০৮) আপনার টাইমজোনে সময় আসবেই, ২০৯) চাইল্ডহুড অ্যামনেসিয়া এবং আমাদের শিক্ষণীয়,