অভ্যাস ৯১ পরিপাটি পোশাক পরিধান করুন
বিভিন্ন গবেষণায় পাওয়া গিয়েছে যে সুষ্ঠু পোশাক পরিধান আপনার পারফর্মেন্সের এর ওপর মানসিক ও শারীরিকভাবে প্রভাব ফেলে। একটি পুরনো উক্তি আছে এমন, ‘আপনি সেই চাকরীর জন্যে পোশাক পরিধান করুন যে চাকরী আপনি পেতে চান। সেটির জন্য নয় যা আপনি বর্তমানে করছেন’। আমরা সকল মানুষকে তার পোশাক দিয়ে বিচার করতে ভালোবাসি। কেউ যদি সবার থেকে আলাদা হয়ে নিজেকে তুলে ধরতে চায়, তবে এক্ষেত্রে সর্বাগ্রে তার পোশাক আসে।
বেশ কয়েকটি গবেষণা বলছে আপনার পরিধানকৃত পোশাকের রঙ আপনার শারীরিক ও মানসিক পারফরমেন্সের উপর প্রভাব রাখতে পারে। আপনার চিন্তাভাবনা, মধ্যস্থতা করার দক্ষতা, হরমোন লেভেল, এমনকি হৃৎ¯পন্দনের হারের উপরও প্রভাব রাখতে পারে পোশাকের রঙ। গবেষণা বলছে পোশাক পরিধানের ধরণ অনুসারে মানবদেহে কিছু জৈবিক ব্যাপার স্যাপার ঘটে যায়। কোনো পোশাক পড়লে নিজের কাছে অস্বস্তি লাগতে পারে, আবার কোনো পোশাক পরলে নিজেকে নতুন এক উদ্দীপ্ত মানব বলেও মনে হতে পারে।
অভ্যাস ৯২ হোয়াইট পয়জন থেকে সাবধান হোন
লবণ ও চিনি বেশি খাবেন না। লবণে 'ভাসকুলার ডিমেনশিয়া' বাড়ে। চিনি-লবন ছাড়াও সাদা ভাত, সাদা আটা ইত্যাদিকে হোয়াইট পয়জন বলে। এগুলো শুধু শরীর নয়, মস্তিষের জন্যও ক্ষতিকর। লাল মাংসও চিনি লবণের মতোই ক্ষতিকর। তবে লাল মদ বা পাকা টমেটোর রস, লাল থাই সোপ মস্তিস্ককের জন্য ভাল ফল দেয়।
অভ্যাস ৯৩ ক্রিয়েটিভ চিন্তার সহায়ক হাঁটা-হাঁটি করুন
দীর্ঘ দিন ধরে একটি কথা প্রচলিত রয়েছে, ক্রিয়েটিভ চিন্তা করছেন? তাহলে হাঁটুন। হাঁটলে দ্রুত কাজ হবে। এই পদ্ধতি যে সত্যিই কাজ করে এমন প্রমাণ মিলেছে এবার গবেষকদের হাতে। একটি জার্নালে প্রকাশিত প্রতিবেদনে স্ট্যানফোর্ডের গবেষকরা বলেন, তারা বিভিন্ন ছোট ছোট মানদণ্ড নির্ধারণ করে গবেষণাটি চালান। পরবর্তীতের নিউ ইয়র্ক টাইমস তাদের এ গবেষণাটি ব্রেক করে।
গবেষণায় দেখা গেছে হাঁটার সময় মানুষের ক্রিয়েটিভিটি বেড়ে যায়। তাদের ক্রিয়েটিভ চিন্তা করতে দিয়ে দেখা যায়, হাঁটা ক্রিয়েটিভ চিন্তাকে ৬০ শতাংশ পর্যন্ত বাড়িয়ে দেয়। কেবল হাঁটার সময়ই নয়, কিছুক্ষণ হেঁটে আসার পরে বসে থাকলেও এর রেশ থাকে। ফলে যারা ক্রিয়েটিভ কাজ করেন, এ গবেষণাটি তাদের জন্য খুবই কার্যকর ।
বিস্তারিত ব্যাখ্যা করতে গিয়ে গবেষকরা বলেন, হাঁটলে আমাদের শরীরে ঠিকমতো রক্ত সঞ্চালন হয়, ফলে শক্তি সারা শরীরে ছড়িয়ে পড়ে। এতে মস্তিষ্কেও কিছু ইতিবাচক পরিবর্তন আসে।
অভ্যাস ৯৪ নতুনত্ব ও বৈচিত্র খুঁজুন
নানা জায়গায় ঘোরা এবং এক্সপ্লোর করা আমাদের মন-মানসিকতা ও ব্রেনের জন্য ভালো। নতুন পরিবেশ, নতুন মানুষ নতুন বন্ধু-বান্ধবের সঙ্গে মেলামেশা ও কথা বলা আমাদের ব্রেনের ক্ষমতা বাড়িয়ে দেয়। যে লোক সমাজের নানা লোকজনের সঙ্গে মেলামেশা করে, দেখা যায় তাদের স্মরণশক্তি অনেকখানি বেড়ে গেছে। যে শিশু বাড়িতে একা বড় হয়, তার সঙ্গে যারা স্কুলে যায়, বাজারে যায়; তাদের পার্থক্য তৈরি হয়।
অভ্যাস ৯৫ কাউকে বদলানোর চেষ্টা করা বাদ দিন
প্রিয় মানূষ্টির অভ্যাস, তার পছন্দ, ইচ্ছা, শখ অথবা অভ্যাস হুট করে মানসিক চাপ দিয়ে বদলানোর চেষ্টা করলে সেক্ষেত্রে স¤পর্কে জটিলতা তৈরি হবে।দুইজনে মিলেই দুইজনের পছন্দ-অপছন্দকে জানুন, গুরুত্ব দেওয়ার চেষ্টা করুন। একে অন্যের ভালো লাগাগুলোকে সম্মান করতে শিখুন। । আপনি যদি মনে করে থাকেন যে, আপনার ভালোবাসার মানুষটিকে বদলালে আপনার স¤পর্কের ক্ষেত্রে উন্নতি হবে, তবে সেক্ষেত্রে আপনার নিজের চিন্তাধারাই সবার আগে বদলাতে হবে!
অভ্যাস ৯৬ অসম্ভবকে সম্ভব করার কৌশলগুলো শিখে নিন
গবেষণা করুন
রাস্তায় যাত্রা শুরু করার আগে সে স¤পর্কে ভালোমত জানা থাকতে হয়। সে লক্ষ্যেই আজ থেকেই রিসার্চ বা গবেষণা শুরু করুন। ইন্টারনেট ঘাঁটাঘাঁটি করুন এবং দরকার হলে বিভিন্ন মানুষের সঙ্গে কথা বলুন। যতো বেশি তথ্য আপনি জমা করতে পারবেন, তত সফলতা আপনার পথে আসবে।
পরিকল্পনা তৈরি করুন
লক্ষ্য ঠিক করার পরপরই পরিকল্পনা বানান এবং গোছানো প্রক্রিয়ায় আগান।
সময়সীমা তৈরি করুন
লক্ষ্য এবং পরিকল্পনা তৈরির পর একটি সময়সীমা নির্ধারণ করুন। একটি নির্দিষ্ট সময় ঠিক না করলে আপনি অন্ধের মতই চলতেই থাকবেন এবং আপনার কোন লাভ হবে না তাতে। মানুষ পারেনা এমন কিছু নেই। সুতরাং সাহস, ইচ্ছাশক্তি এবং আÍবিশ্বাস রাখুন। কোনভাবেই নেতিবাচক কোনরকম চিন্তা নিজের মনের প্রবেশ করতে দিবেন না। এগুলো ঠিক হলেই দেখবেন আপনার স্বপ্ন এবং লক্ষ্য একে একে পূরণ হচ্ছে।
অভ্যাস ৯৭ অসময়ের ঘুম কমিয়ে আনুন
অসময়ের ঘুম কমিয়ে আনার কৌশলগুলি কাজে লাগান।
১. রাতে যথেষ্ট ঘুমান
দিনের বেলা ঘুমের প্রবণতা কমিয়ে আনার জন্য রাতে পর্যাপ্ত ঘুমের কোনো বিকল্প নেই। রাতে সাধারণত আপনি যত ঘণ্টা ঘুমিয়ে পরদিন চনমনে অনুভব করেন তার থেকে দুই ঘণ্টা এমনকি এক ঘণ্টা কম ঘুমালেও পরদিন দুপুর বা বিকেলের দিকে আপনার ঘুম পাবে।
২. আরামদায়ক চেয়ার পরিহার করুন
কোনো কারণে আগের রাতে যথেষ্ট ঘুম না হলে পরদিন অফিসে বা ক্লাসে তুলনামূলক শক্ত চেয়ার বেছে নিন। বাছাইয়ের সুযোগ না থাকলে আপনি পিঠ সোজা করে রেখে বসতে পারেন। চেয়ারে গা এলিয়ে বসবেন না।
৩. সময়মত খাবার গ্রহণ করুন
কাজের চাপে হয়ত সকালের নাস্তা মিস হয়ে গিয়েছে। দুপুরে তাই প্রচণ্ড ক্ষুধায় অনেকখানি খেয়ে ফেললেন। এরপর এমন ভরা পেটে আপনি আর কোনোভাবেই বসে থাকতে পারছেন না। একটু না ঘুমালে তখন মনে হবে বেঁচে থাকাই কষ্টকর। তাই কোনো বেলায় খাবার যেন মিস না হয় সেদিকে লক্ষ্য রাখুন।
৪.পাওয়ার ন্যাপ দিন
ব্যাপারটা অনেকটা কাঁটা দিয়ে কাঁটা তোলার মতো। হালকা ঘুমিয়ে আপনি পুরো ঘুমটাকে কাটিয়ে দিতে পারেন। চেয়ারে গা এলিয়ে ১০/১৫ মিনিটের জন্য একটি ছোট ঘুম দিতে পারেন।
৫. প্রচুর পানি পান করুন
পানিশূন্যতার জন্য শরীরে অবসাদের পরিমাণ বাড়ে। এর জন্য ঘুম পায় বেশি।
৬. চুইংগাম চাবান
চুইংগাম খেলে ঘুম ঘুম ভাব কেটে যায়। পুদিনা পাতার স্বাদে তৈরি চুইংগাম ক্লান্তি কমিয়ে আনে বেশি। তাছাড়া চুইংগাম চাবালে মুখের পেশির যে ব্যায়াম হয় তা মস্তিষ্কে ঘুমের প্রবণতা কমিয়ে আনে।
৭. কাজ বা পড়াশোনার বিষয়বস্তু বদলানো
কাজ বা পড়াশোনায় একঘেয়েমির জন্য অনেক সময় ক্লান্ত লাগে বা ঘুম পায়। এজন্য কাজের বা পড়াশোনার বিষয়বস্তু সেভাবেই বাছাই করুন। সকালের প্রথম দিকেই রাখতে পারেন অপেক্ষাকৃত সৃজনশীল কাজগুলো। পরে আস্তে আস্তে চাপ কমিয়ে আনুন।
৯. উঠুন, হাঁটাচলা করুন
একইভাবে আর কতক্ষণ বসে থাকবেন? উঠে একটু হাঁটাচলা করুন। যখন কফি বা চা পান করছেন তখন একটু জানালার কাছে কিংবা সুযোগ থাকলে বারান্দায় বেরিয়ে পড়ুন। অসহ্য লাগা শহরটাকেও তখন মনোরম মনে হবে। শুনতে পারেন পছন্দের গান। দেখতে পারেন ২/৪ মিনিটের মজার কোনো শর্ট ফিল্ম। দিনে অন্তত আধা ঘণ্টা হাতে রাখুন। ১০-১৫ মিনিট করে দুই তিন ভাগে বিরতি নিন। প্রিয়জনের সাথে কথা বলুন। মুঠোফোনে রাখা প্রিয় মুহূর্তের কিছু ছবিতে চোখ বুলাতে পারেন। এই সবই আসলে আপনাকে শত ব্যস্ততার মাঝেও মানসিক প্রশান্তি দেবে।
১০. অনেকের সাথে কাজ করুন অথবা গ্রুপ স্টাডি করুন
আপনি যদি কর্মক্ষেত্রে থাকেন তাহলে চেষ্টা করুন অনেকের সাথে মিলে কাজ করতে। এতে করে আপনার দায়িত্ববোধ বাড়বে এবং ঘুমানোর ভাবও আসবে না।
বন্ধু-বান্ধবেরা একসাথে মিলে পড়াশোনা-আড্ডা-গল্প নির্বিঘ্নে আপনাকে জাগিয়ে রাখবে অনেকক্ষণ।
অভ্যাস ৯৮ অন্যের খুশির জন্য যা করবেন না
১/ সকলের সাথে সকল বিষয়েই একমত হবার ভান করবেন না
কারোর কোন মতামতের সাথে একমত হতে না পারলেও ধৈর্য ধরে বিনয়ের সাথে শোনা দারুণ একটি সামাজিক দক্ষতা। কিন্তু, নিজের দর্শন, বিশ্বাস ও মতের বিরুদ্ধে গিয়ে শুধুমাত্র অন্যের/সবার কাছে ভালো হতে চান বলে সকলের মতামতের সাথে একমত হওয়াটা দারুণ বাজে ব্যাপার।
২/ আপনি কষ্ট পেলেও সেটা স্বীকার না করা থেকে বিরত থাকুন
আপনি কখনো কখনো আপনার চারপাশের মানুষের কোন না কোন আচরণে কষ্ট পাবেন। এটাকে স্বীকার করে, তাদেরকে সরাসরি জানানোর মাধ্যমে আপনি কোন ভুল কাজ করছেন না, বরং স¤পর্কটা মজবুত করছেন। কিন্তু, আপনার রাগ, জেদ, মনঃকষ্ট, হতাশা আপনি নিজের মধ্যে চেপে রেখে দেন, তা আপনার জীবনে উন্নতির ক্ষেত্রে জন্যে অনেক বড় একটি প্রতিরোধক হিসেবে কাজ করে।
নিজের মূল্যবোধ, নিজের ব্যক্তিত্ব, বিশ্বাস, মতামতকে সবার আগে গুরুত্ব দিতে শিখুন, নিজেকে মূল্যায়ন করতে শিখুন। অন্যের কাছে নিজের একটি শক্ত অবস্থান তৈরি করুন। নিজেকে সঠিকভাবে গড়ে তোলার জন্যে, নিজের উন্নতির জন্যে এবং একটি ভালো ভবিষ্যৎ এর জন্যে এটা মেনে চলাটা খুবই প্রয়োজন।
অভ্যাস ৯৯ ৭টি পদক্ষেপে লক্ষ্য অর্জন করুন
আপনার প্রথম পদক্ষেপ:
আপনার জীবনের লক্ষ্য কী সেটা জানুন। এর উত্তর কিন্তু সহজ নয়। আপনাকে সু¯পষ্ট লিখতে হবে শুধু ৩টিশব্দ- আপনি কী চান। আপনার প্রথম পদক্ষেপ, আপনি এটা খাতায় লিখে ফেলুন।
দ্বিতীয় পদক্ষেপ:
সময়সীমা নির্ধারণ করুন। কবে নাগাদ ? কালকে, দু’মাস পরে, আগামী ছ’মাসে, আগামী পাঁচ বছরে।
তৃতীয় পদক্ষেপ:
নিজেকে বিশটি প্রশ্ন করুন, কিভাবে আপনি লক্ষ্যে পৌঁছবেন। বিশটি উত্তর লিখুন। বই পড়ুন, গুগলে যান, বিশেষজ্ঞদের জিজ্ঞেস করুন। উত্তর পেয়ে যাবেন। উত্তর খাতায় লিখে ফেলুন।
চতুর্থ পদক্ষেপ:
আপনার খাতায় বিশটি উত্তর লেখা আছে। এ বিশটি উত্তর থেকে একটি পরিকল্পনা বের করুন, কোনটি আগে করবেন, কোনটি পরে। মনে রাখবেন, আপনার জীবনের ২০% কাজ এনে দেবে ৮০% কাজের চেয়ে বেশি সাফল্য। এখন প্রশ্ন হলো, কোন ২০% কাজ আপনাকে এনে দেবে সাফল্য।
চিন্তা করুন,
দেখবেন আপনি উত্তর পেয়ে যাবেন। তবে এ ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার আর সুযোগ এ দুটি কথা সব সময় মনে রাখবেন।
পঞ্চম পদক্ষেপ:
আপনি নিজেকে প্রশ্ন করুন, কেন এত দিন লক্ষ্যে পৌঁছতে পারেননি। বিশটি প্রশ্ন করুন, বিশটি উত্তর লিখুন। উত্তরগুলো যেন অকপট হয়। উত্তরগুলো যাচাই করুন। হয়তো আপনার অর্থাভাব, হয়তো ভুল বিশ্বাস, হয়তো মনে ভয়। আপনার ঐ দুর্বলতা দূর করার জন্য কার্যকরি পদক্ষেপ নিন।
ষষ্ঠ পদক্ষেপ:
আপনার জীবনের লক্ষ্য আছে, আপনি সময়সীমা নির্ধারণ করেছেন, আপনার লিখিত পরিকল্পনা আছে, এখন কাজে নামুন। কালকে না, পরশু না, সামনের সপ্তাহে না; আজকে, এই মুহূর্তে থেকে শুরু করুন।
সপ্তম পদক্ষেপ:
সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হল, প্রতিদিন কিছু একটা করবেন। পাঁচ মিনিট হোক, দশ মিনিট হোক, প্রতিদিন কিছু করবেন। এটি এমন একটি জিনিস, আপনি লাভবান হবেনই। আপনি যদি লক্ষ্য অর্জনের জন্য প্রতিদিন কিছু করেন, আমি গ্যারান্টি দিচ্ছি, আপনি সিদ্ধি লাভ করবেনই। এই একটিমাত্র অভ্যাস তাঁদের জীবনে সফলতা এনে দিয়েছে।
অভ্যাস ১০০ অভ্যাসগত মুদ্রাদোষগুলি পরিহার করুন
শুধু ভালো পোশাক ও সাজগোজে আমদের ব্যক্তিত্ব ফুটে উঠে না। আমাদের ব্যক্তিত্ব নির্ভর করে আমাদের আচার ব্যবহার ও শারীরিক প্রতিক্রিয়ার উপরও। আমরা প্রায় কথা বলার সময় নিজের অজান্তে এমন কিছু ভঙ্গী করি যা আমদের ব্যক্তিত্ব ক্ষতিগ্রস্ত করে। আমদের সামনে দাঁড়িয়ে থাকা মানুষটিকে ভুল ইঙ্গিত দেয়।
আজ আপনাদের জানাবো আমাদের এমন কিছু অভ্যাসবশত করা শারীরিক প্রতিক্রিয়ার কথা যা মুহূর্তেই ধূলিসাৎ করতে পারে আপনার ব্যক্তিত্ব ও মর্যাদা।
১। পেছনে হাত ধরে থাকা।
আপনি যখন পেছনে হাত এভাবে ধরে রাখবেন তখন তা আপনার সামনের ব্যক্তিকে নেতিবাচক ইঙ্গিত দিবে। সে ভাববে আপনি একজন রাগী অথবা অহংকারী ব্যক্তি। এবং এই ভঙ্গীতে দাঁড়ালে আপনাকে অদ্ভুত ও অসুন্দর লাগবে।
২। পা ক্রস করে দাঁড়ানো
আপনি যদি কথোপকথনের সময় পা আড়াআড়ি করে সামনে পিছনে রাখেন তার অর্থ আপনি সামনের জনের কথা ঠিক বিশ্বাস করতে পারছেন না। তার সাথে যদি পকেটে হাত গুঁজে রাখেন তাহলে সে ভাববে আপনি দুশ্চিন্তাগ্রস্ত ও দ্বিধান্বিত।
৩। দুই হাত মুষ্টিবদ্ধ করে রাখা।
এই শারীরিক প্রতিক্রিয়ার অর্থ আপনি নিজেকে আলোচনা থেকে সরিয়ে নিয়েছেন এবং কোনভাবে আলোচনায় অংশগ্রহণ করতে চাচ্ছেন না।
৪। দুই হাত মুখের সামনে ধরা।
এই ভঙ্গীটি আগের ভঙ্গীর উন্নত রূপ। আপনি নিজেকে আড়াল করতে চাচ্ছেন, কারণ আলোচনায় আপনার কোন আগ্রহ নেই।
৫। সামনে ঝুঁকে হাঁটা।
আপনি যদি এভাবে হাঁটেন তাহলে মানুষ ভাববে আপনি একজন হতাশ জীবনের প্রতি বিষাদগ্রস্ত মানুষ। আপনার আÍবিশ্বাস কম তাছাড়া এভাবে হাঁটলে আপনি শারীরিকভাবেও ক্ষতিগ্রস্ত হবেন। আপনি আপনার শিরদাঁড়া সোজা করে পা তুলে হাঁটলে এই সমস্যা থেকে বের হতে পারবেন।
৬। বাঁকা হাসি দেওয়া।
অনেকে অভ্যাসবশত বাঁকা হাসি দিয়ে থাকে। কিন্তু বাঁকা হাসি নেতিবাচক অর্থ প্রকাশ করে। বাঁকা হাসি আপনাকে অন্যের কাছে দুষ্ট ও শয়তান প্রকৃতির বলে ইঙ্গিত দেয়। চলচ্চিত্র কিংবা নাটকে প্রায় এমন দেখা যায়। তাই যত দ্রুত সম্ভব এই অভ্যাস পরিহার করুন।
৭। টেবিলে হাত সামনে দিকে রাখা।
আলোচনার সময় আমরা অজান্তে টেবিলে এভাবে হাত ছড়িয়ে দিয়। কিন্তু কখনই এমন করা উচিত নয়। এমন করলে সামনের ব্যক্তি ভাবতে পারে আপনি তাকে থামতে বলছেন। এবং তার মনোযোগ আপনার হাতের দিকে চলে যায়।
৮। কোমরে হাত দিয়ে দাঁড়ানো।
এটা একটা আক্রমণাÍক ভঙ্গী। এর অর্থ আপনি সামনের ব্যক্তির মতের বিপক্ষে অবস্থান করছেন এবং তার কথা আপনার কাছে বিরক্তিকর লাগছে। তাই কথা বলার সময় অভ্যাসবশত এভাবে দাঁড়ানো উচিত না।
৯। বুড়ো আঙুল দিয়ে নির্দেশ করা।
কাউকে কখনো এভাবে কোন কিছু নির্দেশ করা উচিত নয়। কারণ এভাবে নির্দেশ করলে সামনের ব্যক্তিকে তাচ্ছিল্য করা হয় এবং অবজ্ঞার দৃষ্টিতে দেখা হয়।
১০। হাত পাকানো।
আপনি যদি আপন মনে এভাবে হাত পাকাতে থাকেন তার অর্থ আপনি কোন কিছু ভেবে রাগান্বিত হচ্ছেন এবং কোন একটা ব্যপার আপনাকে খুব জ্বালাচ্ছে। এমন ভঙ্গীর অর্থ আপনি এখন যে কাউকে ঘুষি মেরে বসতে পারেন।
১১। হাত দিয়ে মুখ ঢাকা।
অনেকে আছে কথা বলতে বলতে মুখে হাত দেয় কিংবা মুখ আড়াল করে ফেলে। আবার মিথ্যা বলার সময় আমরা অবচেতনভাবে এমন করে থাকি। তাই এমন ভঙ্গী করলে সামনের জন ভাবতে পারে আপনি কিছু আড়াল করার চেষ্টা করছেন।
১২। কারো সামনে দাঁড়িয়ে হাত নাড়িয়ে কথা বলা।
আমরা যখন কাউকে নিজের মতে আনতে পারি না তখন প্রায় এভাবে হাত নেড়ে কথা বলা শুরু করি। কিন্তু এমন প্রতিক্রিয়া সামনের ব্যক্তিকে আরো নেতিবাচক করে দেয়। ফলে আমরা কোন সিধান্তে পৌঁছাতে পারি না। এটা আমাদের ব্যক্তিত্বকে ক্ষতিগ্রস্ত করে এবং আক্রমণাÍক মনোভাব প্রকাশ করে।
এই সব অভ্যাসগত ত্রুটি পরিবার সমাজ কিংবা কর্মক্ষেত্রে আপনার জন্য ক্ষতিকর হিসেবে দেখা দিতে পারে। তাই যত দ্রুত সম্ভব এসব অভ্যাস পরিহার করুন। আর্টিকেলটি কেমন লাগলো কমেন্টে জানাতে ভুলবেন না।
অভ্যাস ১০১ শিষ্টাচারের নিয়মগুলো অবশ্যই মেনে চলুন
শিষ্টাচার নিছক কোন আনুষ্ঠানিকতা নয়। এগুলো এমন কিছু নিয়ম যা মেনে চললে আমাদের উপস্থিতি কারো বিরক্তির কারণ হয়ে যায় না। আমরা কিছু শিষ্টাচার স¤পর্কে জানবো যেগুলো স¤পর্কে আপনি নাও জেনে থাকতে পারেন কিন্তু জেনে রাখা জরুরী।
শুভেচ্ছা জানানো
১। মৌখিক শুভেচ্ছার ক্ষেত্রে পুরুষরা নারীদের আগে, ছোটরা বড়দের এবং অধস্তন তার উর্ধস্তনকে শুভেচ্ছা জানাবে।
২। কারো সাথে পরিচয় করিয়ে দেয়ার সময় যার সাথে পরিচয় করিয়ে দেয়া হচ্ছে সে আগে হাত বাড়াবে।
৩। আপনি যত উপরের লেভেলের মানুষ হোন না কেন, কোন কক্ষে প্রবেশের সময় সবাইকে হ্যালো বলবেন।
৪। কাউকে পরিচয় করিয়ে দেয়ার সময় তার স¤পর্কে ছোট একটা কথা যোগ করে দিন। যেমন ধরুন বললেন, 'এই হলো রাশেদ, সে সিনেমা পছন্দ করে।' এতে করে অপরিচিত দুটি মানুষ হঠাত পরিচিত হয়ে কথা বলার মত একটা বিষয় খুঁজে পায়।
৫। যখন কোন ব্যক্তি কক্ষে প্রবেশ করে সে প্রথম বসে থাকা মানুষটার দিকে হাত বাড়াবে এবং বসে থাকা মানুষটি দাঁড়িয়ে হাত মেলাবে কারণ বসে থেকে হাত মেলালে অভদ্রতা।
৬। আপনার বন্ধু আপনার অপরিচিত কাউকে শুভেচ্ছা জানালে আপনিও জানান।
কারো বাড়িতে
১। কারো বাড়িতে গিয়ে সরাসরি জিজ্ঞেস করে বসবেন না, আর কে কে আসবে! এটা অসৌজন্যতা।
২। আপনি যদি অতিথি হোন তবে টিভি বা ক¤িপউটার নিয়ে বসে পরবেন না।
৩। অতিথিদের সাথে থাকাকালীন কারো সাথে ৫ মিনিটের বেশি ফোনে কথা বলবেন না।
৪। প্রথমে তাদের ওয়াশরুমটা দেখিয়ে দিন, যাতে করে তারা তা প্রয়োজনে ব্যবহার করতে পারে এবং পরে অন্যরুম দেখান।
৫। সব অতিথি খাবার খেতে বসে গেলে আয়োজকের জন্য অপেক্ষা না করে খাবার খাওয়া শুরু করবেন না।
৬। আপনার যদি আগে চলে যেতে হয় তবে কেবল ঘরের মালিককে বিদায় জানান। কারণ সবার কাছ থেকে বিদায় নিলে সবাই ভাববে তাদেরও চলে যাওয়া দরকার।
৭। কারো বাড়িতে গিয়ে তার অনুমতি না নিয়ে ঘরের কোন জিনিসে হাত দিবেন না।
খাবারের দোকানে
১। আপনার অপরিচিত কারো সাথে বন্ধুকে রেস্টুরেন্টে বসে থাকতে দেখে তাদের সাথে গিয়ে বসা অভদ্রতা, যদি তারা আপনাকে আমন্ত্রণ জানায় তাহলে অন্যকথা।
২। যদি আপনার সঙ্গি খাবার শেষ না করে তবে তাকে শেষ করার সুযোগ দিন, এর আগেই উঠে যাবেন না।
৩। খাবারের সেরা অংশটা নেয়ার চেষ্টা করবেন না, আপনার কাছাকাছি অংশটা নিন।
৫। খাবার বা পানীয় শুধুমাত্র নিজের গ্লাসে ঢালবেন না যদি ঢালা দরকার হয় তবে আগে অন্যদের আগে জিজ্ঞেস করে নিন।
ফোন ব্যবহারে
১। এসএমএস করে নিজের খুশির সংবাদ জানাবেন না, কল করে জানাবেন।
২। সিনেমা হলে, লাইব্রেরীতে, ক্লাসরুমে মোবাইল সাইলেন্ট মুডে রাখবেন।
৩। দ্বিতীয়বার রিং হওয়ার পরেও যদি কল না ধরে তবে কল কেটে দিন।
৪। বন্ধুদের সাথে কথা বলার সময় মোবাইল এক নজর দেখতে পারেন, কিন্তু যদি কল ধরতে হয় বা করতে হয় তবে একটু দূরে গিয়ে করুন।
৫। কথার মাঝেই যদি লাইন কেটে যায়, তবে আপনি আবার কল দিন।
৬। যদি অপরিচিত কাউকে কল দেন তাহলে আপনার পুরো নাম বা পরিচয়টা বলুন। আপনি যদি বলেন 'আমি রবি', তবে সে যদি জিজ্ঞেস করতে হয় কোন রবি? তা খুবই অস্বস্তিকর।
মেসেজিংয়ের ক্ষেত্রে
১। কেউ যদি আপনাকে মেসেজ পাঠায় তার মেসেজের উত্তর দিন। কিন্তু তাকে কল করবেন না।
২। খুব গুরুত্বপূর্ণ কিছু যেমন কারও মৃত্যুর সংবাদ ব্যাতিত অন্য কোনো দুঃসংবাদ বা বিচ্ছেদের ঘটনা মেসেজের মাধ্যমে বলাকে এড়িয়ে চলুন। মেসেজে যেকোনো তথ্যের ভুল ব্যাখ্যা ছড়িয়ে যেতে পারে। ক্ষুদ্র একটি দুঃসংবাদ অতি সহজেই বৃহৎ কোনো দুঃসংবাদের গুজবে রুপান্তরিত হতে পারে ।
৩। কেউ যদি আপনাকে মেসেজ পাঠায় তার মেসেজের উত্তর দিন। কিন্তু তাকে কল করবেন না।
৪। বেশিরভাগ সময়ই দ্রুত মেসেজ লেখার ফলে আমাদের মেসেজের ভেতর কিছু ভুল ত্রুটি থেকেই যায়। তাই কাউকে মেসেজ পাঠানোর আগে নিজে একবার পড়ুন।
৫। একটি মেসেজের উত্তর দিতে গড়ে ১.২৫-২.০০ মিনিট সময় লাগে। তাই কেউ আপনাকে মেসেজ পাঠালে সেটিকে না এড়িয়ে ২ ঘণ্টার ভেতর উত্তর দেওয়ার চেষ্টা করুন। ই-মেইলের ক্ষেত্রে সাধারণত ২৪ ঘণ্টাকে আদর্শ সময়সীমা গণ্য করা হয়ে থাকে কিন্তু মেসেজিংয়ের ব্যাপারটি একদমই ভিন্ন।
৬। কাউকে দুটি মেসেজ পাঠানোর পরও যদি সে আপনার মেসেজের উত্তর না দেয় তাহলে বুঝবেন সে আপনাকে এড়িয়ে চলছে। তাই কাউকে পুনরায় মেসেজ দিয়ে আপনার ব্যক্তিত্ত্বকে ছোট করবেন না।
৭। মেসেজিংয়ের মাধ্যমে যেকোনো ছবি খুব দ্রুত ছড়িয়ে পড়তে পারে। তাই মেসেজের মাধ্যমে কাউকে এমন কোনো ছবি পাঠাবেন না যেটি দেখলে পরিবারের লোক আপনার ওপর খারাপ ধারণা পোষণ করতে পারে।
৮। অনাকাঙ্খিত দুর্ঘটনা এড়িয়ে চলতে যানবাহন চালনা বা অন্য কাজের মধ্যে মেসেজিং থেকে বিরত থাকুন।
অভ্যাস ১০২ ভদ্রতার এই নিয়মগুলো মেনে চলুন
১। কেউ যদি আপনাকে খাওয়াতে নিয়ে যায় তবে অল্পদামি কোন খাবার বাছাই করুন। কিন্তু তারা যদি চায় আপনি দামি কিছু খান তবে আপনি চাইলে তা নিতে পারেন।
২। কেউ যদি আপনাকে তার মোবাইলে কোন ছবি দেখতে দেয় তাহলে অন্যছবি দেখা শুরু করবেন না, এটা সেই ব্যক্তির ভাল নাও লাগতে পারে।
৩। কারো সাথে দেখা করতে গেলে খালি হাতে যাবেন না, সে যদি বলেও কিছু লাগবে না তবুও ছোট কিছু নিয়ে যান।
৪। যদি পাবলিক টয়লেট ব্যবহার করতে যান তবে কারো পাশাপাশি টয়লেট ব্যবহার করবেন না, যদি খালি না থাকে তাহলে অন্যকথা। এবং অবশ্যই পাশের লোকটির সাথে কথা বলা শুরু করবেন না, এটা খুবই অস্বস্তিকর, খুবই।.
৫। জনসম্মুখে দাঁত মাজা, নখ কাটা, চুল আঁচড়ানো খুবই অযৌক্তিক কাজ, এগুলো এড়িয়ে যাবেন।
৬। আপনি যখন কারো সাথে কথা বলবেন তখন নিজের স্বামী বা স্ত্রীকে তাদের নামে সম্বোধন করুন। আমার বউ বা আমার স্বামী শুনতে খুবই অদ্ভুত শোনায়।
৭। পাবলিক টয়লেটের হাতল বা মগ/বদনি কিংবা সিড়িঁর রেলিং টিস্যু ছাড়া ধরবেন না। এক টেবিলে সামনা সামনি বসে খাবার খাওয়ার সময় কথা বলবেন না। মুখের লালা অন্যের পাতে যাবে।
৮। খাবারের সময় এবং পান করার সময় যেন গাল থেকে কোন শব্দ বের না হয়, সেদিকে খেয়াল রাখবেন। কোন অফিসে গেলে শার্টের উপরের বোতাম লাগিয়ে নিন এবং শার্ট ইন করে পরুন।
এই ১৫ টি গুণের অধিকারী হয়ে থাকলে
আপনি একজন 'বিরল' মানুষ!
সুইস সাইকোলোজিষ্ট ও সাইকোঅ্যানালিষ্ট কার্ল জুং তার ‘সাইকোলোজিক্যাল টাইপ’ বইতে মোট ১৬ ধরণের চারিত্রিক ধরণের কথা উল্লেখ করেছিলেন।
১/ একেবারে ছেলেবেলা থেকেই আপনি অন্যরকম অথবা আলাদা বোধ করেন নিজেকে। যদিও আপনার অনেক বন্ধু রয়েছে, কিন্তু আপনি কখনোই তাদের মাঝে নিজেকে খাপ খাওয়াতে পারেন না। কখনো কখনো আপনি মিথ্যা অভিনয় করেন যেন তারা আপনাকে বন্ধু হিসেবে গ্রহণ করেন।
২/ যে কোন কিছু নিয়েই অনেক আটঘাট বেঁধে পরিকল্পনা করার পরিবর্তে হালকাভাবে পরিকল্পনা করার দিকে অথবা একেবারেই কোন পরিকল্পনা না করার দিকেই আপনার আগ্রহ বেশি।
৩/ আপনি একইসাথে অনেক বেশি চুপচাপ ও অন্তর্মুখী, অন্যদিকে আনন্দ-উল্লাস করতেও পছন্দ করেন। আপনি একা থাকতে পছন্দ করেন, কিন্তু খুব বেশি সময়ের জন্য একা থাকাও আপনার জন্য সম্ভব নয়।
৪/ যারা বারবার কষ্ট দেয়, তাঁদেরকে জীবন থেকে আজীবনের জন্য বাদ দিয়ে দেওয়ার প্রবণতা রয়েছে আপনার মাঝে। কিন্তু এমনটা আপনাকে করতে হয় নিজেকে রক্ষা করার তাগিদেই! বাইরে থেকে দেখলে মনে হবে যে আপনি খুব শক্ত মানসিকভাবে। কিন্তু ভেতরে ভেতরে আপনি খুব বেশি ¯পর্শকারত একজন মানুষ। বিশেষ করে অন্য মানুষের নেতিবাচক কথা ও কাজ আপনার উপরে খুব সহজেই প্রভাব ফেলে থাকে।
৫/ মাঝে মাঝে আপনি অন্যকে খুশি ও সুখী করার জন্য এতো বেশি চেষ্টা করেন যে, নিজের খুশি ও আনন্দের ব্যাপারে একেবারেই ভুলে যান!
৬/ আপনি বিশ্বাস করেন যে, ধরা-বাঁধা কাজকর্ম করার চাইতেও আপনি অনেক ভালো কিছু করার জন্য পৃথিবীতে এসেছেন। আপনি এই পৃথিবীটাকে একদম বদলে ফেলতে চান- শুধুমাত্র বেতনের একটি চেক পেতে চান না।
৭/ আপনি সবসময় অনুভব করেন যে জীবনে আপনার আরও অনেক ভালো কিছু করার রয়েছে। যার ফলে সবসময় নিজেকে আরো বেশি উন্নত করার মতো চেষ্টা করেন । কখনো কখনো আপনি নিজেকে অনেক বেশি চাপ দেন একটি ‘পারফেক্ট’ জীবন পাওয়ার জন্য।
৮/ মাঝে মাঝে আপনি নিজেকে রক্ষা করার জন্য মানুষের মন যুগিয়ে চলা শুরু করে দেন। আপনি ভাবতে শুরু করেন, যদি আপনি তাদেরকে সন্তুষ্ট রাখতে পারেন তবে তারা আপনার সমালোচনা করবে না।
৯/ কোন একটি ঘরের ভেতর দিয়ে হেঁটে গেলে আপনি তৎক্ষণাৎ সেই ঘরের আবহাওয়া ধরতে পারেন। সহজে বলতে গেলে, আপনার আশেপাশের মানুষদের অনুভূতি আপনি ধরতে ও বুঝতে পারেন।
১০/ আপনি ভালো মানের জিনিসের প্রতি সচেতন। আপনি সুন্দরের মাঝে থাকতে পছন্দ করেন। দশটি মাঝারী মানের জামার পরিবর্তে আপনি দুইটি ভালো মানের জামা কিনতেই বেশি ইচ্ছুক।
১১/ আপনার জীবনের সকল মানুষ স¤পর্কেই আপনি অনেক বেশি যত্নশীল। কিন্তু নিজের অনুভূতিগুলো প্রকাশ করতে আপনাকে বেগ পেতে হয়।
১২/ সকলে যখন বিভিন্ন ধরণের গালগপ্প অথবা সেলিব্রিটিদের নিয়ে আলোচনা করতে ব্যস্ত, তখন আপনি নিজে নিজেই অনেক বিষয় নিয়ে চিন্তা করতে থাকেন।
১৩/ কোনো বিষয়ে যখন আপনার মাঝে উদ্যম কাজ করে, তখন আপনার পথের মাঝে কোন কিছুই বাঁধা হয়ে দাঁড়াতে পারে না। "অসম্ভবকে সম্ভব করার ক্ষেত্রে প্রয়োজনের চাইতে বেশি সময় সময় ও এনার্জি খরচ করতে পছন্দ করেন।"
১৪/ নিজের কাজের তালিকা তৈরি করে কাজ করার প্রতি আপনি অনেক বেশি আগ্রহ বোধ করেন। এক এক করে কাজগুলো শেষ করে চেক করার মাধ্যমে আপনি আনন্দ পান।
১৫। আপনার কাছে যখন কেউ তাদের ব্যক্তিগত জীবনের সমস্যা নিয়ে আসেন, আপনি তাদের অনুভূতি বোঝার চেষ্টা করেন। মাঝে মাঝে তাদের অবস্থার সাথে মিল আছে এমন কোন ঘটনা তাদেরকে বলেন, যা আপনার বা আন্য কারো জীবনে ঘটেছিল।
এবার বলুন তো, কয়টি গুণ মিলে গেলো আপনার সাথে? যতটিগুন আপনার সাথে মিলে আপনি ততটুকু আইএনএফজে।
সূচিপত্র
১) ছোটদের সাথে আমাদের আচরণ ২) পরিবার ও সন্তান, সুপার পাওয়ার যেভাবে তৈরি হয়, ৩) দীর্ঘস্থায়ী ভয়ের উৎপত্তির মূলে শৈশবকালে ঘটে যাওয়া ঘটনার প্রভাব , ৪) সন্তানের উৎসাহ এবং উদ্দীপনা বাড়ানো, ৫) আপনার শিশুটি ঘুমুক শান্তিতে এবং নির্ভরতায় , ৬) কিছু অব্যর্থ টিপস, যা আপনার শিশুকে পড়াশোনায় আগ্রহী করে তুলবে, ৭) শিশুকে কিভাবে বড় করবেন, ৮) বাচ্চাদের মস্তিষ্ক বিকাশে কী করবেন? ৯) বাচ্চাদের বুদ্ধি বিকাশের অন্যতম পথ, দৌড়, ১০) বাচ্চাকে কখনো আড়ালে লুকিয়ে খেতে দেবেন না, ১১) পিটার সিংগারের দর্শন, ১২) দুষ্টু শিশুরা তাড়াতাড়ি শেখে, ১৩) সন্তানকে যতই শাস্তি দেবেন ততই সে অসামাজিক হবে, ১৪) বাবা-মাই সন্তানকে নির্যাতন করেন সবচেয়ে বেশি , ১৫) সন্তানের সাথে কিভাবে গড়ে তুলবেন নিবিড় বন্ধন, ১৬) যে ১১টি কথা শিশুকে কখনোই বলবেন না!, ১৭) শিশুকে গল্প শোনান প্রতিদিন, ১৮) সন্তানের আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধির ১০টি কৌশল, ১৯) সৃজনশীলতা হচ্ছে নতুন কিছু করার যোগ্যতা, ২০) যারা মুখস্থ করতে পারেন না, ২১) তারা মেধাবী, মেধাবী হওয়ার উপায়,
২২) কথা ও ভাষা, ২৩) এলিভেটর পিচ, ২৪) সুন্দর করে কথা বলে সমস্যা জয়ের কৌশল, ২৫) ফোনে কথা বলার আদবকেতা, ২৬) ১২টি কর্ম বিধান, ২৭) ভালোবাসার অপর নাম প্রয়োজন, ২৮) আলতু-ফালতু কাজে সময় অপচয় করে স্বপ্ন পূরণের কল্পনা, ২৯) স্ট্রেস ম্যানেজমেন্ট, ৩০) চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিন পিং-এর জীবন থেকে শিক্ষা, ৩১) অভিজ্ঞতা ও অতীত থেকে শিক্ষা গ্রহণ, ৩২) বর্তমানকে সবচেয়ে বেশি মূল্য দিন, ৩৩) ২৪ ঘণ্টা কেউ সুখী হয় না, ৩৪) কিছু অভ্যাস যা আপনাকে আরও সুখী করবে , ৩৫) আপনার অবয়ব , ৩৬) সফলতার 25টি হট কৌশল-1, ৩৭) সাফল্যের 25টি হট কৌশল-2, ৩৮) সফলতার 55 সূত্র, ৩৯) কিভাবে নিজেকে নেতা হিসেবে গড়ে তুলবে, ৪০) সময় ব্যবস্থাপনা, ৪১) সময় ব্যবস্থাপনার তিনটি ধাপ, ৪২) সময়কে যথাযথভাবে কাজে লাগানোর উপায়গুলো, ৪৩) সাফল্য, ড. কোভের ইমোশনাল একাউন্ট কনসেপ্ট, ৪৪) সবচে বড় ইমোশনাল একাউন্ট, ৪৫) আপনার ইমোশনাল একাউন্ট, ৪৬) বুদ্ধি ও বিবেচনাবোধ বর্জিত কর্মফল বিপজ্জনক, ৪৭) অন্যদের দিয়ে আপনার কাজ করান কিন্তু সম্মান আপনি অর্জন করুন, ৪৮) অন্য লোকেরা আপনার কাছে আসুক দরকার হলে টোপ দিন, ৪৯) অসুখী এবং ভাগ্যহীনদের বর্জন করুন, ৫০) লোককে আপনার ওপর নির্ভরশীল করুন , ৫১) নেওয়ার পূর্বে দেওয়া অন্য বক্তির স্বার্থ বুঝুন, ৫২) শত্রুকে খাটো করে দেখবেন না, ৫৩) নিজেকে রক্ষা করার জন্য চারিদিকে দুর্গ নির্মাণ করবেন না, ৫৪) কারোর পক্ষ অবলম্বন করে বসে থাকবেন না, ৫৫) আপনার শক্তিসমূহকে সংহত করুন, ৫৫) নিজের ভুলগুলোকে লুকিয়ে রাখুন, ৫৬) শুধু সাহসের জোরে নয়, পরিণতিও বিবেচনায় রাখুন, ৫৭) প্রতিটি মানুষের গোপন ইচ্ছা খুঁজে বের করুন, ৫৮) রাগ বিপজ্জনক ও অভদ্রতা, ৫৯) কোনো দলকে ধরার জন্য দলপতিকে প্রথমে ধরুন, ৬০) নিজেকে গুরুত্বপূর্ণ মনে করুন, গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবেন, ৬০) পরিবেশ সামলাতে শিখুন, ৬১) প্রথম শ্রেণির মানুষ হয়ে উঠুন, ৬২) আপনার সামাজিক পরিবেশ ‘প্রথম শ্রেণি’র করে তোলার উপায়, ৬৩) ‘সস্তার তিন অবস্থা’ প্রধম শ্রেণিভুক্ত হয়ে উঠুন , ৬৪) যত বেশি বন্ধুত্ব তত বেশি উপরে ওঠার সম্ভাবনা, ৬৫) সাহস করে কাজটা শুরু করুন, ৬৬) সাফল্য মানে বারবার ভিন্নভাবে চেষ্টা করা, ৬৭) ১- ১০ ভাল অভ্যাস, ১১- ২০ ভাল অভ্যাস, ২১- ৩০ ভাল অভ্যাস, ৩১- ৪০ ভাল অভ্যাস, ৪১- ৫০ ভাল অভ্যাস, ৫১- ৬০ ভাল অভ্যাস, ৬১- ৭০ ভাল অভ্যাস, ৭১- ৮০ ভাল অভ্যাস, ৮১- ৯০ ভাল অভ্যাস, ৯১- ১০২ ভাল অভ্যাস, ৬৮) জিরো থেকে হিরো, ৬৯) সৃজনশীলদের সফলতার ৭ সূত্র, ৬৯) জীবনে পরিবর্তন আনুন ৪৮টি উপায়ে, ৭০) জীবন-যাপন, ৭১) জাপানী ও চিন লাইফ স্টাইল , ৭২) ৩০টি দর্শন, যা আপনার জীবনে কাজে লাগবে, ৭৩) সম্পর্ক তৈরি করা, বন্ধুত্ব, ৭৪) যে আচরণগুলো মানুষের মনের কথা জানাবে, ৭৫) কথা বলার সূত্র, ৭৬) আপনি ও আপনার ব্যবহার, ৭৭) নিজেকে সঠিকভাবে উপস্থাপন করা, ৭৮) কথা বলার কতিপয় গুরুত্বপূর্ণ নিয়ম, ৭৯) কিভাবে নিজেকে বিনয়ী হিসেবে উপস্থাপন করবেন, ৮০) কিভাবে বুদ্ধিদীপ্ত কথা বলবেন, ৮১) কথা বলার ৫টি বিস্ময়কর টেকনিক, ৮২) কিভাবে মানুষকে আকৃষ্ট করবেন? ৮৩) অকারণে সময় নষ্ট? মেল রবিনের ৫ সেকেন্ড রুল, ৮৪) কর্পোরেট আদবকেতা, ৮৫) ৩৫টি কর্পোরেট কালচার ও আপনার করণীয়, ৮৬) যা না জানলে লজ্জায় পড়তে হয় , ৮৭) কাজের সময়ে যে বিষয়গুলো একেবারেই করা উচিৎ না , ৮৮) ক্যারিয়ারে সাফল্য পেতে ছুড়ে ফেলুন ৭টি দোষ, ৮৯) আকাক্সক্ষা, ইচ্ছে বা স্বপ্ন,
৯০) বক্তৃতা প্রশিক্ষণ, কাজ কিভাবে করবেন? ৯১) আত্মশক্তিতে বলিয়ান হতে, ৯২) একনাগাড়ে চলবেন না, ৯৩) মারফিস ’ল , কাজের রোডম্যাপ তেরি , ৯৪) জব স্যাটিসফেকশন, ৯৫) কাজে সফলতার সূত্রাবলী, ৯৬) যেভাবে জীবনযাপন করবেন, ৯৭) পরিণত বুদ্ধির মানুষেরা যে কাজগুলো কখনোই করেন না, ৯৮) জীবনে দক্ষতা অর্জনের কার্যকর ১২টি উপায়, ৯৯) সঠিক লক্ষ্য নির্ধারণ ও কাজ করার উপায় , ১০০) সফলতা ও সার্থকতা, ১০১) জীবনের ছোট ছোট প্রাপ্তিগুলোকে উপভোগ করা, ১০২) সফলতার কিছু পদ্ধতি, ১০৩) সফল হতে চাইলে যে ৮ টি জিনিস বাদ দেয়া প্রয়োজন, ১০৪) সফল ব্যক্তিরা যে ১০টি কাজ কখনোই করেন না, ১০৫) সর্বদা স্মরণ রাখুন, ১০৬) চিন্তাশক্তি , ১০৭) স্বাধীনতা, ১০৮) জ্ঞান অর্জন খাদ্য গ্রহণের মতো , ১০৯) দৃঢ় প্রতিজ্ঞ হয়ে চেষ্টা করলে কখনোই বিফল হবেন না, ১১০) বুদ্ধির সংজ্ঞা হলো, প্রতিটি কাজ ভেবে-চিন্তে করা, ১১১) ব্যক্তিত্ব, চেহারা ও ব্যক্তিত্ব , ১১২) সেলডন-এর গবেষণা , ১১৩) ব্যক্তিত্ব ও উচ্চারণ, ১১৪) পোশাক ও ব্যক্তিত্ব, ১১৫) প্রথম দেখায় ব্যক্তিত্বের ছাপ, ১১৬) বিচ্ছিন্নতা ব্যক্তিত্বের বড় শত্রু, ১১৭) ব্যক্তিত্বে জিনগত প্রভাব, ১১৮) অন্তর্মুখী ও বহির্মুখী ব্যক্তিত্ব, ১১৯) মনোমুগ্ধকর ব্যক্তিত্বের ১০ বৈশিষ্ট্য, ১২০) ব্যক্তিত্বের উৎকর্ষতার জন্যে ১০ নির্দেশনা, ১২১) কিভাবে ব্যক্তিত্বের বিকাশ ঘটাবেন? , ১২২) নিজেকে স্মার্ট করতে ৫টি কৌশল, ১২৩) আকর্ষণীয় মানুষ হবার ৬টি পরামর্শ, ১২৪) আত্মশুদ্ধি , ১২৫) হতাশ হবেন না, ১২৬) পাছে লোকে কিছু বলে, ১২৭) সুখ-শান্তি উন্নতি , ১২৮) চাহিদা, ১২৯) খাদ্য, ঘুম ও বিশ্রাম, ১৩০) স্বাস্থ্য ভাল রাখার নিয়ম, ১৩১) টেনশন দূর করতে হলে, ১৩২) শুধু নিজের কথা নয়, অন্যের কথাও ভাবুন, ১৩৩) চাহিদা যত বেশি সুখ তত কম, ১৩৪) সুখী জীবনের জন্য ১৮ টি টিপস, ১৩৫) আত্মবিশ্বাস, আত্ম বিশ্বাসের শক্তি, ১৩৬) অজুহাতের ব্যাধিতে আক্রান্ত ব্যর্থ মানুষ, ১৩৭) দি সেভেন হ্যাবিট অফ হাইলি এ্যা ফেক্টিভ পিপল, ১৩৮) সামাজিক আয়না, ১৩৯) প্রোএ্যাক্টিভিটি, ১৪০) সার্কেল অফ ইনফ্লুয়েন্স, ১৪১) শুরু করুন আজই, ১৪২) আপনার কেন্দ্রবিন্দু কোনটি?, ১৪৩) মাথার দুটি অংশই ব্যবহার করুন, ১৪৪) সময়ের ব্যবস্থাপনা, ১৪৫) ব্যক্তিগত ব্যবস্থাপনা, ১৪৬) গুরুত্বপূর্ণ এবং জরুরি, ১৪৭) পরনির্ভরশীল জীবন, ১৪৮) ছয়টি উপায়ে অন্য মানুষের সাথে আদান-প্রদান, ১৪৯) অধ্যয়ন, ১৫০) পড়াশোনায় ১২ কার্যকর কৌশল, ১৫১) ঘুম থেকে উঠতে ১০-৩-২-১-০ ফর্মুলা, ১৫২) আয়-ব্যয়- টাকা, ১৫৩) অন্যকে খুশি করতে পয়সা খরচ যে কারণে অর্থহীন, ১৫৪) খরচের লাগাম টেনে ধরতে.. ১৫৫) নারী, ১৫৬) সম্পর্ককে সুন্দর রাখতে কিছু “মিথ্যা” বলা জরুরী , ১৫৭) ছেলেদের কোন জিনিস দেখে মেয়েরা? , ১৫৮) স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর কিছু অভ্যাস, ১৫৯) ভুঁড়ি ঠেকাতে ৫টি নিয়ম, ১৬০) যেসব কারণে নারীদের স্বাবলম্বী হওয়া উচতি , ১৬১) বিয়ে-সংসার, ১৬২) সফল বিয়ের তিনটি মন্ত্র, ১৬৩) সুখী হবার দারুণ কিছু মূলমন্ত্র, ১৬৪) কিছু গল্প, ১৬৫) ভালোবাসাহীন সম্পর্ক, ১৬৬) কেন স্পর্শের প্রয়োজন হয় প্রতিদিন, ১৬৭) যে কারণে একা থাকাই আপনার জন্য ভালো, ১৬৮) ব্যবসা, ১৬৯) বিক্রয় বৃদ্ধির কৌশল, ১৭০) যে ৭টা ব্যাপার বিজনেসে করবেন না, ১৭১) স্বাস্থ্য, ১৭২) দুগ্ধজাত খাবারে পুরুষের বন্ধ্যত্ব, ১৭৩) একাকিত্বের বিপদ, ১৭৪) কর্মক্ষম ও প্রফুল্ল রাখতে, ১৭৫) মন ভালো করার উপায়, ১৭৬) যৌন স্বাস্থ্য, ১৭৭) পুরুষদের কেজেল, ১৭৮) মহিলাদের কেজেল, ১৭৯) দক্ষতা , ১৮০) আলসেমি দূর করার সহজ কিছু উপায়, ১৮১) কীভাবে সামলাবেন নিন্দুকদের ?, ১৮২) সুখী হতে চাইলে যা কখনোই করবেন না, ১৮৩) সব ভুলে যাচ্ছেন? স্মৃতিশক্তি চাঙ্গা রাখতে ৫টি টিপস, ১৮৪) বয়সের ভারে বৃদ্ধ না হয়ে বরং কাজের ভারে যুবক থাকার চেষ্টা করো, ১৮৫) নিজেকে কাজের সঙ্গে সম্পক্ত করার তিনটে স্টেপ, ১৮৬) জীবনের লক্ষ্য নির্ধারণে দ্রুত পদ্ধতিগুলো, ১৮৭) প্রতিদান পাওয়ার আশায় কাজ করবেন না, ১৮৮) প্রেম একটি মানসিক রোগ, ১৮৯) সম্পর্ক ভেঙ্গে যাবার পর নিজেকে যেভাবে সামলাবে, ১৯০) সময় সবকিছু বদলে দেয়, ১৯১) সম্পর্ক তৈরির ক্ষেত্রে কমন পাঁচটি ভুল, ১৯২) আত্মবিশ্বাস/মনোবল, ১৯৩) প্যারাসুট অফ হ্যাপিনেস, ১৯৪) বারবার ঘুরে দাঁড়াতে হবে, ১৯৫) আত্মবিশ্বাসহীন মানুষের লক্ষণ, ১৯৬) বাড়াও আত্মবিশ্বাস, বাড়বে সফলতা, ১৯৭) প্রাতিষ্ঠানিক সম্পর্ক শক্তিশালী করার টিপস, ১৯৮) কিভাবে ধরে রাখবে দু'জনের সম্পর্ক, ১৯৯) কিভাবে বুঝবে সম্পর্ক শেষ করতে হবে, ২০০) সম্পর্ক যখন প্রেম-ভালোবাসার, ২০১) যেসব বিষয়ের উপর স¤পর্ক গড়ে ওঠে, ২০২) ভালোবাসার অপর নাম প্রয়োজন, ২০৩) সম্পর্কের গুণগত মান বাড়বে কিভাবে, ২০৪) মস্তিস্ক ঠিক রাখার ৩০ উপায়, ২০৫) মানুষের আচরণের পেছনে একটা কারণ থাকে, ২০৬) কোনো কাজে নিজেকে সম্পক্ত না করেই আমরা নিজ ক্যারিয়ারকে এগিয়ে নিয়ে যাই ২০৭) স্রোতের বিপরীতে চিন্তা করুন, ২০৮) আপনার টাইমজোনে সময় আসবেই, ২০৯) চাইল্ডহুড অ্যামনেসিয়া এবং আমাদের শিক্ষণীয়,