কথা বলা
ডায়লগ : মানুষের ব্যক্তিত্ব হলো একটি দোকান। মুখ হচ্ছে তালা। তালা খুললেই বুঝা যাবে এটা কি স্বর্ণের দোকান নাকি কয়লার দোকান। আসলে কথা বলা একটি আর্ট বা শিল্প। এর শক্তি বিস্ময়কর। সঠিক সময়ে সঠিক স্থানে সঠিক শব্দ প্রয়োগ করে সুন্দরভাবে গুছিয়ে বললে যে কাউকে বশ করা যায়।
ছন্দ:
কথার নাম মধুবাণী, যদি কথা কইতে জানি।
কথায় লোকে হাতি পায়,
কথায় লোকে লাথি পায়।
বিস্তারিত: এক রাজার গল্প। রাজা তাঁর পাচককে তাঁর জন্য বিশ্বের সর্বোৎকৃষ্ট খাদ্যবস্তু রন্ধন করতে নির্দেশ দিয়েছিলেন। পাচক শত পদের সুস্বাদু খাদ্য রন্ধন করল বটে, কিন্তু শত ব্যঞ্জনের প্রতিটির প্রধান উপাদান ছিল ‘জিহ্বা’। রাজা পরম তৃপ্তিভরে ভোজন স¤পন্ন করে পাচককে উপযুক্ত পারিতোষিক দিয়ে বললেন, ‘বেশ! আগামীকাল তুমি বিশ্বের নিকৃষ্টতম বস্তু রন্ধন করে আমাকে মধ্যাহ্নভোজে পরিবেশন কর।’
পরদিনও অন্যভাবে শত ব্যঞ্জন রন্ধন করা হল এবং সেই শত ব্যঞ্জনের মূল উপাদানও ছিল ‘জিহ্বা’। রাজা বিস্মিত হয়ে পাচককে জিজ্ঞাসা করলেন, ‘এইরূপ রন্ধনের কারণ কি?’ পাচক উত্তর দিল, ‘মহারাজ! জিহ্বা এমন একটি বস্ত যা সুন্দররূপে ব্যবহার করলে মানুষ ধন্য ধন্য করে এবং কদর্যভাবে ব্যবহার করলে মানুষ নিন্দা করে। জিহ্বা বন্ধুকে শত্রুতে পরিণত করে, আবার শত্রুকে বন্ধুকে রূপান্তরিত করে। কেবলমাত্র জিহ্বার সঠিক ব্যবহার দ্বারাই অনেক অসাধ্য কর্মস¤পাদন সম্ভব; আবার এই জিহ্বার অপব্যবহার দ্বারাই অনেক সুন্দর পরিবেশ বিষবৎ হয়ে উঠতে পারে। মহান! জিহ্বার অসুন্দর ব্যবহার মহাযুদ্ধের কারণ ঘটায়, আবার সুচারু ব্যবহার মহাযুদ্ধের অবসান ঘটায়। আর এই উপাদানটির সুব্যবহারের জন্য কোনো প্রকার অর্থনাশের আশঙ্কা নেই। রাজা পাচকের কথায় এবং যুক্তিতে মোহিত হয়ে তাকে সহস্র স্বর্ণমুদ্রা প্রদান করলেন।
কথা বলার সূত্র
অনেকেই আছেন খুব সুন্দর মনের মানুষ, দেখতেও অনেক সুন্দর কিন্তু তিনি ভাল কথা বললেও যিনি শুনছেন তাঁর রাগ উঠে যায়। নিজেকে নিজে তিনি বোঝাতে পারেন না যে কী করবেন! মন ভাল হলেও তিনি ভাল মানুষ হিসেবে পরিচিতি পান না। কিংবা সমাজে তার নানা ধরনের জটিলতায় পড়তে হয়। বন্ধু মহলে কেউ তাকে জায়গা দেন না। শুধুমাত্র কিভাবে সুন্দর করে কথা বলতে হয় সেটা না জানার জন্যে।
সঠিক উচ্চারনের জন্য প্রয়োজন অনুশীলন। সঠিক বাংলা উচ্চারনে কথা বললে আপনার কথা সবাই শুনতেই চাইবে শুধু শুনতেই চাইবে। এখেয়াল রাখবেন আঞ্চলিকতা যেন আপনার কথায় কোন ছাপ না ফেলে। আপনার কথায় যদি আঞ্চলিক উচ্চারণ ভঙ্গি চলে আসে তবে সবার কাছে গুরুত্বহীন হয়ে যাবেন। একটা আলোচনায় অবশ্যই একটা নির্দিষ্ট পরিবেশ পরিস্থিতি থাকে না, চেঞ্জ হয়। কখনো হাসির সময় আসে, কখনো খুব সিরিয়াস সময় আসে। অনেক সময় গম্ভীর একটা সিচুয়েশন দেখা যায়। সব সিচুয়েশনে সব কথা মানাবে না। নির্দিষ্ট সময়ে সময়োপযোগী কমেন্ট করুন।
কথা বলা একটা আর্ট
সুন্দর করে কথা বলা বা বাচনিক দক্ষতা একজন মানুষের আচরণের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অংশ। এই দক্ষতাকে পুঁজি করে একজন ব্যক্তি কাজের ক্ষেত্র থেকে শুরু করে জীবনের প্রায় সব পর্যায়েই অন্যদের চেয়ে এগিয়ে থাকতে পারেন।
সুললিত কণ্ঠ, সঠিক ও দৃপ্ত উচ্চারণ, গলার আওয়াজের নিয়ন্ত্রিত ওঠানামা এবং প্রাণখোলা হাসিমাখা ভাব বিনিময় করতে পারলে চাকরির প্রতিযোগিতায় সাফল্য ধরা দেবেই।
জন্মগতভাবে কেউ কেউ সুন্দর কণ্ঠস্বরের অধিকারী হয়ে থাকেন। তবে বাচনিক দক্ষতা অর্জনের ব্যাপারটি অনেকটাই শিক্ষা ও অনুশীলন বা চর্চার ওপর নির্ভর করে। চাকরির ইন্টারভিউতে প্রার্থী নিজের সুন্দর বাচনভঙ্গি ও উচ্চারণ দিয়ে নিয়োগদাতা কর্তৃপক্ষকে মুগ্ধ করতে পারে। জোরে জোরে উচ্চারণ করে নিয়মিত পড়া এবং আবৃত্তি চর্চায় যুক্ত হয়ে নিজের কথা বলার ভঙ্গি উন্নত করা যেতে পারে। তবে রাতারাতি ব্যাপারটা সম্ভব নয়। এ ক্ষেত্রে দীর্ঘদিনের অধ্যবসায় ও নিষ্ঠার বিকল্প নেই। পেশাগত সীমাবদ্ধতাকে ছাপিয়ে যে কোনো কথা বলার সময় নিজেকে উজাড় করে দিন। যদি অন্যের সঙ্গে অর্থবহ সম্পর্ক গড়ে তুলতে না পারেন, তবে তাদের মনের কথা জানতে পারবেন না। তাই কাজটাও সঠিকভাবে আদায় করা সম্ভব হবে না। দ্বিধাদ্বন্দ্ব ঝেড়ে নিয়ে যা বলার স্পষ্ট করে বলুন। অযথা দীর্ঘক্ষণ ধরে কথা বলা পরিহার করুন। মূল বিষয়ের উপর জোর দিন। মনটাকে উন্মুক্ত রাখতে হবে। শুধু যে নিজে কথা বলবেন তা নয়। অন্যের কথাও ধৈর্য ও মনোযোগসহকারে শুনুন।
আপনার আচরণ বা কথাবার্তায় যেন কোনো অহংকার প্রকাশ না পায়। অন্যের প্রতি সহমর্মিতাবোধ জাগিয়ে তুলুন। সবার সঙ্গে কম-বেশি কথা বলতে হবে এবং মনোযোগ বজায় রাখতে হবে। তবে দায়সারা বা লোকদেখানো আচরণ নয়, এ ধরনের যোগাযোগে পর্যাপ্ত গুরুত্ব ও মনোযোগ নিশ্চিত করতে হবে।
কিভাবে কথা বলবেন? কেন বলবেন?
প্রবাদ আছে- কম চিন্তাশীল ব্যক্তিরাই অধিক কথা বলেন। সত্যিই, ব্যক্তিত্বহীন মানুষের একটাই মারাত্মক অভ্যাস, তা হল- অকারণে বকে যাওয়া। আলাপ শুরু করলে আর শেষ করতে চায় না। এরা অন্যের বিব্রতবোধ নিয়ে মাথা ঘামায় না। এটা কখনো ঠিক নয়। অযথা না ফেনিয়ে কম কথা গুছিয়ে এমনভাবে বলা উচিত- যাতে বুদ্ধিমত্তার পরিচয় পাওয়া যায়। কথা বেশি বলাতে যেমন বোকামি প্রকাশ পায়, তেমনি শ্রোতারও বিরক্তির উদ্রেক হয়। হ্যাঁ এবং না এই শব্দ দুটো যদিও ভাষার সবচেয়ে আদি ও ছোট শব্দ এবং সব সময় ব্যবহার করতে হয়, অথচ এই শব্দ দুটো ব্যবহারের বেলায় অনেকক্ষণ ভাবতে হয়। কারণ শব্দের সঠিক ব্যবহারে আপনি যেমন বন্ধু লাভ করবেন, তেমনি শব্দের অযথা- অযোগ্য ব্যবহারে বাড়িয়ে তুলবেন শত্রু। মোট কথা হলো, বাজে কথা এবং বেশি কথা চিন্তাকে ঘোলাটে এবং ব্যক্তিত্বকে হালকা করে দেয়। যারা সারাক্ষণ শুধু বকবক করে নিজের কথাই বলে চলেন এবং যারা ঘুরিয়ে-ফিরিয়ে একই কথা বারবার বলেন, তাদের কেউ পছন্দ করে না। তাদের কাছে থেকে সবাই দূরে থাকতে চায়।
কাজেই কম কথা এমনভাবে গুছিয়ে বলতে হবে- যাতে আন্তরিকতার পরশ থাকবে। নইলে কোকিলকণ্ঠের মানুষটিও কাক বনে যাবে। জড়তা, লজ্জা ও সঙ্কোচ থেকে পুরোপুরি মুক্ত থাকুন। অন্যদের সম্মান করতে শিখুন; সবার কাছে আপনার সম্মান ও গ্রহণযোগ্যতা বাড়বে। বাস্তব কারণে কখনো সত্য বলতে না পারলেও অহেতুক মিথ্যা বলবেন না, বরং নীরবতা অবলম্বন করা উত্তম। জড়তা মানুষের এগিয়ে চলার পথে প্রধান বাধা। ভালো কিছু পেতে চাইলে আপনাকে এই বাধা অতিক্রম করতেই হবে। কথা বলুন প্রাণখুলেÑ জড়তা ছাড়া, স্পষ্ট উচ্চারণটা অনেক বেশি জরুরি। অধিকাংশ পেশাদার ব্যক্তিত্বই কথা বেচে চলেন। ৬০ শতাংশ কাজ আর ৪০ শতাংশ কথা চাই। কাজের সমর্থনে কথা না বললে কেউ কাজকে গুরুত্ব দেবে না। সবাইকে আন্তরিক সম্ভাষণ জানান; হাসিমুখে কথা বলুন; ফলে তাদের সঙ্গে আপনার ঘনিষ্ঠতা বাড়বে।
এমন অনেক মানুষ আছেনÑ যারা অনায়াসে সকলের সঙ্গে মিশতে পারেন; দেখা যায় প্রতিটি মানুষই তাকে বেশ পছন্দ করছে। সেই লোকটিও অনায়াসে সবার মন জয় করে নিচ্ছেন। একটু বিশ্লেষণ করলেই বুঝতে পারবেন মানুষের হৃদয় জয়ের জাদুÑ যা ইচ্ছা করলে আপনিও অনুশীলন করতে পারেন।
কথা বলার সময় প্রতিটি শব্দ স্পষ্ট করে উচ্চারণ করবেন। কথাকে যিনি শিল্প করে তুলতে পারেন, তিনিই বাগ্মীর মর্যাদা পান। কথা বলতে শিখুন সচেতনভাবেÑ শুধু মনের ভাব প্রকাশ করার জন্য নয়, অন্যকে প্রভাবিত করার জন্য। কথার মধ্যে যেন বক্তব্য থাকে এবং বক্তব্যের মধ্যে যেন জোর থাকে।
কথায় চিড়া ভেজে না সত্যি, কিন্তু মানুষের মন ভেজে। তাই মিনমিন করে কথা বলবেন না। একবার বলা হয়ে গেলে কোনো কথা আর ফিরিয়ে নেওয়া যায় না। তাকে নিয়ন্ত্রণ করুন। জ্বালা ধরানো কথা বলে আপনি যে তাৎক্ষণিক সন্তুষ্টি লাভ করেন, কালক্রমে তার থেকে অনেক বেশি মূল্য দিতে হয়।
অধস্তন কর্মীরা কথা বলার আগে কখনও কথা বলবেন না। আমি যত বেশিক্ষণ চুপ থাকবো, অন্যরা তত তাড়াতাড়ি কথা বলবেন। যখনই তারা কথা বলবেন তখনই আমি তাদের আসল উদ্দেশ্য বুঝতে পারবো।
আপনার কথা যাতে মানুষ খুব সহজেই বুঝতে পারে সেজন্য প্রথমেই যে বিষয়টির দিকে লক্ষ্য রাখতে হবে তা হল, ধীরে ধীরে কথা বলা। যদি আপনার কথা খুব দ্রুত হয় তাহলে খুব সহজেই মানুষ আপনার কথা শোনার আগ্রহ হারিয়ে ফেলবে কারণ, তারা বেশিরভাগ কথা বুঝতেই পারবে না। সেক্ষেত্রে, আসল উদ্দেশ্য ব্যাহত হবে।
অপরদিকে আপনি যদি ধীরে ধীরে কথা বলেন, তাহলে আপনার বক্তব্য প্রকাশ করার জন্য যথাযথ শব্দ খুঁজে বের করার জন্য যথেষ্ট সময় পাবেন। একইসাথে আপনার শ্রোতারা কথা শুনার সাথে সাথে সেই কথার মাধ্যমে আপনি কী বোঝাতে চাচ্ছেন, তা বোঝার জন্য যথেষ্ট সময় পাবে। এভাবেই আপনি খুব সহজেই নিজেকে ভালো বক্তা হিসেবে গড়ে তুলতে পারবেন। তবে কথা যেন বেশি ধীর হয়ে না যায়, তাহলে সে কথা শোনার আগ্রহ হারিয়ে ফেলবে।
কড়া কথা
ভালোবাসা-আন্তরিকতা শেষ করতে কড়া বা রূঢ় ব্যবহার হচ্ছে ক্যানসারের মতো। যে দুর্বাক্য ব্যবহার করে, সে কখনো কারো প্রিয় হয় না। ভদ্রতাবোধ জীবনে একান্ত অপরিহার্য, যেমন কোনো মোটরের জন্য তেল অতি প্রয়োজন। অন্যের যেরকম ব্যবহারে আপনি বিরক্ত হন- ভুলেও কোনো অবস্থায় অন্যের প্রতি সে রকম ব্যবহার করবেন না। অন্যে যত বড় ক্ষতি কিংবা অন্যায় কাজ করুক না কেন, ভুলেও অভদ্র হতে যাবেন না।
নিজেকে সংযত রাখুন। মেজাজ ঠাণ্ডা রাখুন। তাহলে সবাই আপনার বশ থাকবে। সবাইকে শাসন করতে পারবেন। কোনো কারণে আপনার মন ভালো না থাকলে কিংবা কারো কোনো কথা বা ব্যবহার খারাপ লাগলে- তা অন্যকে বুঝতে না দিয়ে হালকা মনে সহজভাবে কথা বলুন। আপনার মনে যতই উত্তেজনা আসুক না কেন, আপনার আচরণে বা বাক্যে তা কিছুতেই প্রকাশ করবেন না। কোনো অবস্থায় মন হঠাৎ উত্তেজিত হলে- কয়েক মুহূর্ত চুপ করে থাকুন। এতে মাথা ঠাণ্ডা হবার সুযোগ পাবে। ফলে যথার্থ পরিকল্পনা গ্রহণ করা যাবে। রাগের সময় অনেক অশোভন বেফাস কথাও মুখ দিয়ে বেরিয়ে আসে। আর বলে ফেলা কথাটা ধনুকের ছুটে যাওয়া তীরের মতো- যা ফেরানো আর সম্ভব নয়।
অথচ রাগের সময় সামান্য একটা মুখ ফসকানো কথাই সর্বনাশ ডেকে আনতে যথেষ্ট। এই জন্যই প্রত্যেক ব্যক্তিত্ববান মানুষকে তার জিহ্বার উপর কড়া শাসন চালাতে হবে। ক্রোধকে দমন করার একমাত্র উপায় হলো- যা নিয়ে ক্রুদ্ধ হচ্ছেন তা হাস্যরসের তীক্ষè বাণীতে উপেক্ষা করুন। দেখা যায় কাউকে গালিগালাজ দেওয়ার চেয়ে রসিয়ে দু’একটা সাধু বাক্যেই বেশি ঘায়েল করা যায়।
হুকুম করা
অনেকে আছেন- যারা সব সময় সর্বেসর্বা হয়ে অন্যকে দিয়ে কাজ করাতে বোকার মতো হুকুম করেন। কিন্তু তারা জানেন না যে, হুকুম জিনিসটা কেউ পছন্দ করে না। কোনো কাজে হুকুম দেওয়া মানে তাকে ছোট প্রমাণ করা। এটা খুব খারাপ। কোনো কাজের জন্য কাউকে সরাসরি হুকুম না করে একটু ঘুরিয়ে আব্দার কিংবা অনুরোধের সুরে বলুন, অথবা কাজটা করতে পরোক্ষভাবে তাকে উৎসাহিত করুন।
প্রত্যক্ষ বাক্য না বলে সবসময় পরোক্ষ বাক্য বলার অভ্যাস করুন। যেমনÑ এই করিম, বাজারে যাও; এটা প্রত্যক্ষ বা সরাসরি বাক্য। এটা না বলে এভাবে বলুনÑ করিম, বাজার করা দরকার, এখন গেলে সবকিছু টাটকা পাওয়া যাবে, তাই না?
ভুল ধরা
মানুষের জীবনটা হচ্ছে অগণিত ভুলের যোগফল মাত্র। কারো মতামতে কিংবা কাজে ভুল ধরা অথবা ভুল দেখানো কখনো উচিত নয়। দোষ ধরা বা ভুল ধরার ফলে সে নিজেকে ছোট মনে করবে। এতে তার হীনমনোবৃত্তি দেখা দেবে। ফলে তার সব কথা বা কাজ ত্রুটিপূর্ণ হতে বাধ্য। কাউকে সংশোধন বা নিয়ন্ত্রণ করার জন্য তার দোষগুলি খুঁটিয়ে খুঁটিয়ে বের করে তাকে আক্রমণ না করে বরং উৎসাহপূর্ণ পরামর্শ দিন, সাহস দিনÑ তবে অবশ্যই সে উন্নতি করতে পারবে। মনে রাখবেন, যিনি যত বেশি কাজ করবে; তার ততবেশি ভুল হবে। কাজ না করে ঘরে বসে থাকুন, কোনো ভুল হবে না।
পৃথিবীতে কোনো জিনিসই ফেলনা নয়। কাজে লাগাতে জানলে সবই কাজে লাগে। কর্মক্ষেত্রে কিংবা যে কোনো অবস্থাতেই এমন কতগুলো মানুষের সাথে অনিচ্ছা সত্ত্বেও চলতে ফিরতে হয়Ñ যারা বিকৃতমনা, যাদের ব্যবহার, মন-মেজাজ বিরক্তিকর। এদের সঙ্গে চলতে ফিরতে প্রতি মুহূর্তে সংযত হয়ে ব্যবহার করতে হবে। এদের ভুল-ত্রুটি এবং খারাপ গুণগুলি অবহেলা করে ভালো গুণগুলির প্রশংসা করতে হবে। এদের প্রতি স্নেহশীলতা দেখাতে হবে এবং উৎসাহ দিতে হবে।
মোট কথা: কখনো কাউকে কিংবা নিজেকে ছোট ভাববেন না। কাউকে ছোট বলে নিরুৎসাহিত করবেন না কিংবা অন্যের তাচ্ছিল্য ব্যবহারে মন খারাপ করবেন না। কেউ ভুল করে ফেললে সবার সামনে তিরস্কার না করে তাকে আলাদাভাবে বলে শুধরে নেওয়ার সুযোগ করে দিন।
ভুল হলে
যখনই বুঝবেন যে, আপনি কোনো ভুল করে ফেলেছেন অথবা আপনার ব্যবহারে কেউ দুঃখ পেয়েছেÑ তখনই সঙ্গে সঙ্গে ক্ষমা চেয়ে নিবেন। মনে রাখবেন, নিজের ভুল স্বীকার করে ক্ষমা চেয়ে নেওয়া হচ্ছে অন্যের হৃদয় জয় করার একটি শক্তিশালী অস্ত্র। এতে আপনি ছোট হননি কিছুতে, বরং আপনি যে অতি ভদ্র ও সভ্য তার পরিচয় তুলে ধরেছেন। সভ্য ইংরেজরা দেখবেন কোনো কিছু বলার বা জিজ্ঞেস করার আগে সরি বা এক্সকিউজ মি বলে শুরু করেন। এটাই ভদ্রতা।
সূচিপত্র
১) ছোটদের সাথে আমাদের আচরণ ২) পরিবার ও সন্তান, সুপার পাওয়ার যেভাবে তৈরি হয়, ৩) দীর্ঘস্থায়ী ভয়ের উৎপত্তির মূলে শৈশবকালে ঘটে যাওয়া ঘটনার প্রভাব , ৪) সন্তানের উৎসাহ এবং উদ্দীপনা বাড়ানো, ৫) আপনার শিশুটি ঘুমুক শান্তিতে এবং নির্ভরতায় , ৬) কিছু অব্যর্থ টিপস, যা আপনার শিশুকে পড়াশোনায় আগ্রহী করে তুলবে, ৭) শিশুকে কিভাবে বড় করবেন, ৮) বাচ্চাদের মস্তিষ্ক বিকাশে কী করবেন? ৯) বাচ্চাদের বুদ্ধি বিকাশের অন্যতম পথ, দৌড়, ১০) বাচ্চাকে কখনো আড়ালে লুকিয়ে খেতে দেবেন না, ১১) পিটার সিংগারের দর্শন, ১২) দুষ্টু শিশুরা তাড়াতাড়ি শেখে, ১৩) সন্তানকে যতই শাস্তি দেবেন ততই সে অসামাজিক হবে, ১৪) বাবা-মাই সন্তানকে নির্যাতন করেন সবচেয়ে বেশি , ১৫) সন্তানের সাথে কিভাবে গড়ে তুলবেন নিবিড় বন্ধন, ১৬) যে ১১টি কথা শিশুকে কখনোই বলবেন না!, ১৭) শিশুকে গল্প শোনান প্রতিদিন, ১৮) সন্তানের আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধির ১০টি কৌশল, ১৯) সৃজনশীলতা হচ্ছে নতুন কিছু করার যোগ্যতা, ২০) যারা মুখস্থ করতে পারেন না, ২১) তারা মেধাবী, মেধাবী হওয়ার উপায়,
২২) কথা ও ভাষা, ২৩) এলিভেটর পিচ, ২৪) সুন্দর করে কথা বলে সমস্যা জয়ের কৌশল, ২৫) ফোনে কথা বলার আদবকেতা, ২৬) ১২টি কর্ম বিধান, ২৭) ভালোবাসার অপর নাম প্রয়োজন, ২৮) আলতু-ফালতু কাজে সময় অপচয় করে স্বপ্ন পূরণের কল্পনা, ২৯) স্ট্রেস ম্যানেজমেন্ট, ৩০) চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিন পিং-এর জীবন থেকে শিক্ষা, ৩১) অভিজ্ঞতা ও অতীত থেকে শিক্ষা গ্রহণ, ৩২) বর্তমানকে সবচেয়ে বেশি মূল্য দিন, ৩৩) ২৪ ঘণ্টা কেউ সুখী হয় না, ৩৪) কিছু অভ্যাস যা আপনাকে আরও সুখী করবে , ৩৫) আপনার অবয়ব , ৩৬) সফলতার 25টি হট কৌশল-1, ৩৭) সাফল্যের 25টি হট কৌশল-2, ৩৮) সফলতার 55 সূত্র, ৩৯) কিভাবে নিজেকে নেতা হিসেবে গড়ে তুলবে, ৪০) সময় ব্যবস্থাপনা, ৪১) সময় ব্যবস্থাপনার তিনটি ধাপ, ৪২) সময়কে যথাযথভাবে কাজে লাগানোর উপায়গুলো, ৪৩) সাফল্য, ড. কোভের ইমোশনাল একাউন্ট কনসেপ্ট, ৪৪) সবচে বড় ইমোশনাল একাউন্ট, ৪৫) আপনার ইমোশনাল একাউন্ট, ৪৬) বুদ্ধি ও বিবেচনাবোধ বর্জিত কর্মফল বিপজ্জনক, ৪৭) অন্যদের দিয়ে আপনার কাজ করান কিন্তু সম্মান আপনি অর্জন করুন, ৪৮) অন্য লোকেরা আপনার কাছে আসুক দরকার হলে টোপ দিন, ৪৯) অসুখী এবং ভাগ্যহীনদের বর্জন করুন, ৫০) লোককে আপনার ওপর নির্ভরশীল করুন , ৫১) নেওয়ার পূর্বে দেওয়া অন্য বক্তির স্বার্থ বুঝুন, ৫২) শত্রুকে খাটো করে দেখবেন না, ৫৩) নিজেকে রক্ষা করার জন্য চারিদিকে দুর্গ নির্মাণ করবেন না, ৫৪) কারোর পক্ষ অবলম্বন করে বসে থাকবেন না, ৫৫) আপনার শক্তিসমূহকে সংহত করুন, ৫৫) নিজের ভুলগুলোকে লুকিয়ে রাখুন, ৫৬) শুধু সাহসের জোরে নয়, পরিণতিও বিবেচনায় রাখুন, ৫৭) প্রতিটি মানুষের গোপন ইচ্ছা খুঁজে বের করুন, ৫৮) রাগ বিপজ্জনক ও অভদ্রতা, ৫৯) কোনো দলকে ধরার জন্য দলপতিকে প্রথমে ধরুন, ৬০) নিজেকে গুরুত্বপূর্ণ মনে করুন, গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবেন, ৬০) পরিবেশ সামলাতে শিখুন, ৬১) প্রথম শ্রেণির মানুষ হয়ে উঠুন, ৬২) আপনার সামাজিক পরিবেশ ‘প্রথম শ্রেণি’র করে তোলার উপায়, ৬৩) ‘সস্তার তিন অবস্থা’ প্রধম শ্রেণিভুক্ত হয়ে উঠুন , ৬৪) যত বেশি বন্ধুত্ব তত বেশি উপরে ওঠার সম্ভাবনা, ৬৫) সাহস করে কাজটা শুরু করুন, ৬৬) সাফল্য মানে বারবার ভিন্নভাবে চেষ্টা করা, ৬৭) ১- ১০ ভাল অভ্যাস, ১১- ২০ ভাল অভ্যাস, ২১- ৩০ ভাল অভ্যাস, ৩১- ৪০ ভাল অভ্যাস, ৪১- ৫০ ভাল অভ্যাস, ৫১- ৬০ ভাল অভ্যাস, ৬১- ৭০ ভাল অভ্যাস, ৭১- ৮০ ভাল অভ্যাস, ৮১- ৯০ ভাল অভ্যাস, ৯১- ১০২ ভাল অভ্যাস, ৬৮) জিরো থেকে হিরো, ৬৯) সৃজনশীলদের সফলতার ৭ সূত্র, ৬৯) জীবনে পরিবর্তন আনুন ৪৮টি উপায়ে, ৭০) জীবন-যাপন, ৭১) জাপানী ও চিন লাইফ স্টাইল , ৭২) ৩০টি দর্শন, যা আপনার জীবনে কাজে লাগবে, ৭৩) সম্পর্ক তৈরি করা, বন্ধুত্ব, ৭৪) যে আচরণগুলো মানুষের মনের কথা জানাবে, ৭৫) কথা বলার সূত্র, ৭৬) আপনি ও আপনার ব্যবহার, ৭৭) নিজেকে সঠিকভাবে উপস্থাপন করা, ৭৮) কথা বলার কতিপয় গুরুত্বপূর্ণ নিয়ম, ৭৯) কিভাবে নিজেকে বিনয়ী হিসেবে উপস্থাপন করবেন, ৮০) কিভাবে বুদ্ধিদীপ্ত কথা বলবেন, ৮১) কথা বলার ৫টি বিস্ময়কর টেকনিক, ৮২) কিভাবে মানুষকে আকৃষ্ট করবেন? ৮৩) অকারণে সময় নষ্ট? মেল রবিনের ৫ সেকেন্ড রুল, ৮৪) কর্পোরেট আদবকেতা, ৮৫) ৩৫টি কর্পোরেট কালচার ও আপনার করণীয়, ৮৬) যা না জানলে লজ্জায় পড়তে হয় , ৮৭) কাজের সময়ে যে বিষয়গুলো একেবারেই করা উচিৎ না , ৮৮) ক্যারিয়ারে সাফল্য পেতে ছুড়ে ফেলুন ৭টি দোষ, ৮৯) আকাক্সক্ষা, ইচ্ছে বা স্বপ্ন,
৯০) বক্তৃতা প্রশিক্ষণ, কাজ কিভাবে করবেন? ৯১) আত্মশক্তিতে বলিয়ান হতে, ৯২) একনাগাড়ে চলবেন না, ৯৩) মারফিস ’ল , কাজের রোডম্যাপ তেরি , ৯৪) জব স্যাটিসফেকশন, ৯৫) কাজে সফলতার সূত্রাবলী, ৯৬) যেভাবে জীবনযাপন করবেন, ৯৭) পরিণত বুদ্ধির মানুষেরা যে কাজগুলো কখনোই করেন না, ৯৮) জীবনে দক্ষতা অর্জনের কার্যকর ১২টি উপায়, ৯৯) সঠিক লক্ষ্য নির্ধারণ ও কাজ করার উপায় , ১০০) সফলতা ও সার্থকতা, ১০১) জীবনের ছোট ছোট প্রাপ্তিগুলোকে উপভোগ করা, ১০২) সফলতার কিছু পদ্ধতি, ১০৩) সফল হতে চাইলে যে ৮ টি জিনিস বাদ দেয়া প্রয়োজন, ১০৪) সফল ব্যক্তিরা যে ১০টি কাজ কখনোই করেন না, ১০৫) সর্বদা স্মরণ রাখুন, ১০৬) চিন্তাশক্তি , ১০৭) স্বাধীনতা, ১০৮) জ্ঞান অর্জন খাদ্য গ্রহণের মতো , ১০৯) দৃঢ় প্রতিজ্ঞ হয়ে চেষ্টা করলে কখনোই বিফল হবেন না, ১১০) বুদ্ধির সংজ্ঞা হলো, প্রতিটি কাজ ভেবে-চিন্তে করা, ১১১) ব্যক্তিত্ব, চেহারা ও ব্যক্তিত্ব , ১১২) সেলডন-এর গবেষণা , ১১৩) ব্যক্তিত্ব ও উচ্চারণ, ১১৪) পোশাক ও ব্যক্তিত্ব, ১১৫) প্রথম দেখায় ব্যক্তিত্বের ছাপ, ১১৬) বিচ্ছিন্নতা ব্যক্তিত্বের বড় শত্রু, ১১৭) ব্যক্তিত্বে জিনগত প্রভাব, ১১৮) অন্তর্মুখী ও বহির্মুখী ব্যক্তিত্ব, ১১৯) মনোমুগ্ধকর ব্যক্তিত্বের ১০ বৈশিষ্ট্য, ১২০) ব্যক্তিত্বের উৎকর্ষতার জন্যে ১০ নির্দেশনা, ১২১) কিভাবে ব্যক্তিত্বের বিকাশ ঘটাবেন? , ১২২) নিজেকে স্মার্ট করতে ৫টি কৌশল, ১২৩) আকর্ষণীয় মানুষ হবার ৬টি পরামর্শ, ১২৪) আত্মশুদ্ধি , ১২৫) হতাশ হবেন না, ১২৬) পাছে লোকে কিছু বলে, ১২৭) সুখ-শান্তি উন্নতি , ১২৮) চাহিদা, ১২৯) খাদ্য, ঘুম ও বিশ্রাম, ১৩০) স্বাস্থ্য ভাল রাখার নিয়ম, ১৩১) টেনশন দূর করতে হলে, ১৩২) শুধু নিজের কথা নয়, অন্যের কথাও ভাবুন, ১৩৩) চাহিদা যত বেশি সুখ তত কম, ১৩৪) সুখী জীবনের জন্য ১৮ টি টিপস, ১৩৫) আত্মবিশ্বাস, আত্ম বিশ্বাসের শক্তি, ১৩৬) অজুহাতের ব্যাধিতে আক্রান্ত ব্যর্থ মানুষ, ১৩৭) দি সেভেন হ্যাবিট অফ হাইলি এ্যা ফেক্টিভ পিপল, ১৩৮) সামাজিক আয়না, ১৩৯) প্রোএ্যাক্টিভিটি, ১৪০) সার্কেল অফ ইনফ্লুয়েন্স, ১৪১) শুরু করুন আজই, ১৪২) আপনার কেন্দ্রবিন্দু কোনটি?, ১৪৩) মাথার দুটি অংশই ব্যবহার করুন, ১৪৪) সময়ের ব্যবস্থাপনা, ১৪৫) ব্যক্তিগত ব্যবস্থাপনা, ১৪৬) গুরুত্বপূর্ণ এবং জরুরি, ১৪৭) পরনির্ভরশীল জীবন, ১৪৮) ছয়টি উপায়ে অন্য মানুষের সাথে আদান-প্রদান, ১৪৯) অধ্যয়ন, ১৫০) পড়াশোনায় ১২ কার্যকর কৌশল, ১৫১) ঘুম থেকে উঠতে ১০-৩-২-১-০ ফর্মুলা, ১৫২) আয়-ব্যয়- টাকা, ১৫৩) অন্যকে খুশি করতে পয়সা খরচ যে কারণে অর্থহীন, ১৫৪) খরচের লাগাম টেনে ধরতে.. ১৫৫) নারী, ১৫৬) সম্পর্ককে সুন্দর রাখতে কিছু “মিথ্যা” বলা জরুরী , ১৫৭) ছেলেদের কোন জিনিস দেখে মেয়েরা? , ১৫৮) স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর কিছু অভ্যাস, ১৫৯) ভুঁড়ি ঠেকাতে ৫টি নিয়ম, ১৬০) যেসব কারণে নারীদের স্বাবলম্বী হওয়া উচতি , ১৬১) বিয়ে-সংসার, ১৬২) সফল বিয়ের তিনটি মন্ত্র, ১৬৩) সুখী হবার দারুণ কিছু মূলমন্ত্র, ১৬৪) কিছু গল্প, ১৬৫) ভালোবাসাহীন সম্পর্ক, ১৬৬) কেন স্পর্শের প্রয়োজন হয় প্রতিদিন, ১৬৭) যে কারণে একা থাকাই আপনার জন্য ভালো, ১৬৮) ব্যবসা, ১৬৯) বিক্রয় বৃদ্ধির কৌশল, ১৭০) যে ৭টা ব্যাপার বিজনেসে করবেন না, ১৭১) স্বাস্থ্য, ১৭২) দুগ্ধজাত খাবারে পুরুষের বন্ধ্যত্ব, ১৭৩) একাকিত্বের বিপদ, ১৭৪) কর্মক্ষম ও প্রফুল্ল রাখতে, ১৭৫) মন ভালো করার উপায়, ১৭৬) যৌন স্বাস্থ্য, ১৭৭) পুরুষদের কেজেল, ১৭৮) মহিলাদের কেজেল, ১৭৯) দক্ষতা , ১৮০) আলসেমি দূর করার সহজ কিছু উপায়, ১৮১) কীভাবে সামলাবেন নিন্দুকদের ?, ১৮২) সুখী হতে চাইলে যা কখনোই করবেন না, ১৮৩) সব ভুলে যাচ্ছেন? স্মৃতিশক্তি চাঙ্গা রাখতে ৫টি টিপস, ১৮৪) বয়সের ভারে বৃদ্ধ না হয়ে বরং কাজের ভারে যুবক থাকার চেষ্টা করো, ১৮৫) নিজেকে কাজের সঙ্গে সম্পক্ত করার তিনটে স্টেপ, ১৮৬) জীবনের লক্ষ্য নির্ধারণে দ্রুত পদ্ধতিগুলো, ১৮৭) প্রতিদান পাওয়ার আশায় কাজ করবেন না, ১৮৮) প্রেম একটি মানসিক রোগ, ১৮৯) সম্পর্ক ভেঙ্গে যাবার পর নিজেকে যেভাবে সামলাবে, ১৯০) সময় সবকিছু বদলে দেয়, ১৯১) সম্পর্ক তৈরির ক্ষেত্রে কমন পাঁচটি ভুল, ১৯২) আত্মবিশ্বাস/মনোবল, ১৯৩) প্যারাসুট অফ হ্যাপিনেস, ১৯৪) বারবার ঘুরে দাঁড়াতে হবে, ১৯৫) আত্মবিশ্বাসহীন মানুষের লক্ষণ, ১৯৬) বাড়াও আত্মবিশ্বাস, বাড়বে সফলতা, ১৯৭) প্রাতিষ্ঠানিক সম্পর্ক শক্তিশালী করার টিপস, ১৯৮) কিভাবে ধরে রাখবে দু'জনের সম্পর্ক, ১৯৯) কিভাবে বুঝবে সম্পর্ক শেষ করতে হবে, ২০০) সম্পর্ক যখন প্রেম-ভালোবাসার, ২০১) যেসব বিষয়ের উপর স¤পর্ক গড়ে ওঠে, ২০২) ভালোবাসার অপর নাম প্রয়োজন, ২০৩) সম্পর্কের গুণগত মান বাড়বে কিভাবে, ২০৪) মস্তিস্ক ঠিক রাখার ৩০ উপায়, ২০৫) মানুষের আচরণের পেছনে একটা কারণ থাকে, ২০৬) কোনো কাজে নিজেকে সম্পক্ত না করেই আমরা নিজ ক্যারিয়ারকে এগিয়ে নিয়ে যাই ২০৭) স্রোতের বিপরীতে চিন্তা করুন, ২০৮) আপনার টাইমজোনে সময় আসবেই, ২০৯) চাইল্ডহুড অ্যামনেসিয়া এবং আমাদের শিক্ষণীয়,