নারী
ডায়লগ: মেয়েরা সবকিছুই চায় এক পুরুষের মধ্যে, আর ছেলেরা শুধু একটি বিষয় চায় সব মেয়েদের মধ্যে।
ছন্দ: মন খোঁজে মনকলা,
পেট খোঁজে দই,
আঁখি খোঁজে রাজপুত্র,
তারে পাব কই।
বিশ্লেষণ: মেয়েরা কিশোরী বয়সে একটু বেশিই আবেগপ্রবণ থাকে। একটু আধটু স¤পর্ক এবং প্রেম- ভালোবাসার বিষয়গুলো বুঝে উঠতে শিখলে নানা স্বপ্নের জাল বুনে চলেন। তরুণী বয়সে স¤পর্কে জড়ানোর সময় আশা করেন তার স্বপ্নগুলো ঠিকই পূরণ হবে। কিন্তু এর মাঝেও অজানা কিছু ভুলের কারণে স্বপ্ন স্বপ্নই থেকে যায়, তা আর পূরণ হয় না। তাই কিশোরী বয়সে কিছু আত্মঘাতী স্বপ্ন ঝেড়ে ফেলে জীবনের পথে এগিয়ে যাওয়া উচিৎ।
আমার জন্য প্রিন্স চার্মিং আসবে
স্বপ্নের মতো সুন্দর এবং রূপকথার গল্পের মতো নায়কের স্বপ্ন প্রায় প্রত্যেক মেয়েই সাজান। মনে করেন যার সঙ্গে স¤পর্ক হবে তিনিই প্রিন্স চার্মিং। আবেগী এই বয়সে তার মন ভোলানো কথা এমন আশারই জন্ম দেয়। কিন্তু বেশিরভাগ মেয়েই ভুল করে বসে। তাই এই স্বপ্ন ঝেড়ে ফেলে নিজেকে গোছানোর দিকে মন দেয়া ভালো।
কখনো সে কষ্ট দেবে না
প্রায় ক্ষেত্রে দেখা যায় সুস¤পর্ক ধরে রাখতে মেয়েরাই বেশি ছাড় দেয়ার মানসিকতা রাখেন। অতিরিক্ত ভালোবাসায় আবৃত মনটা মেনেই নিতে পারে না ভালোবাসার মানুষটি কষ্ট দিতে পারে। আর তাই অনেক মেয়েই না বুঝে বাবা-মা, আত্মীয়-স্বজনকে কষ্ট দিতে দ্বিধাবোধ করেন না। কিন্তু সে ভুল ভাঙতে সময়ও লাগে কম।
সব কিছু সহজভাবেই হবে
নারী মনে অনেক বেশি আবেগ কাজ করে। একটু সহজভাবে চিন্তা করেন বলেই নারীরা স¤পর্কে জড়ালে ভাবেন সব কিছুই সহজে হয়ে যাবে। সহজেই সঙ্গীর সঙ্গে জীবন পার করে দেয়া সম্ভব হবে। কিন্তু আসলে কখনোই তা হয় না। জীবনটা কষ্টের এবং অনেক কঠিন। তাই বাস্তবনির্ভর চিন্তা করতে শিখুন।
পুরুষ শারীরিক, নারী সামাজিক!
স¤পর্কের ক্ষেত্রে পুরুষরা নারীর শারীরিক সৌন্দর্যের প্রতি বেশি আকৃষ্ট হয়, আর নারীরা আগ্রহী হয় পুরুষের সামাজিক মর্যাদার প্রতি। নারীরা পুরুষের মধ্যে ন্যূনতম সামাজিক মর্যাদা খোঁজে এবং পুরুষরা নারীদের মধ্যে শারীরিক সৌন্দর্য খুঁজে থাকে।
বহু গবেষণার পর 'জার্নাল অব পার্সোন্যালিটি অ্যান্ড সোশ্যাল সাইকোলজি-তে' গবেষকদের দাবি, আদর্শ দ¤পতি হতে গেলে দুটি বিষয় অবশ্য লক্ষণীয়। পুরুষদের চোখে সঙ্গিনীর দৈহিক সৌন্দর্য। তা তিনি যত বড় গুণের অধিকারিণীই হন না কেন। উলটো দিকে, মহিলারা সঙ্গীটির দৈহিক সৌন্দর্য নিয়ে তেমন চিন্তিত নন। তাদের দেখার বিষয় হলো, পুরুষটি কতখানি অর্থ উপার্জনে সক্ষম, তার স্টেটাস সিম্বল বা সামাজিক অবস্থান কী- ইত্যাদি।
যেসব কারণে নারীদের স্বাবলম্বী হওয়া উচিত
১। কোনো ধর্মের কোথাও নারীকে স্বাবলম্বী হওয়ার কোনো নিষেধাজ্ঞা নেই। বিবি খাদিজা (রা.) বড় ব্যবসায়ী ছিলেন।
২। স্বামীর টাকায় চললে অজান্তেই একটা পরনির্ভরশীলতা চলে আসে। একজন নারী পরিপূর্ণ ক্ষমতাস¤পন্ন মানুষ। সে তো লেখাপড়া করেছে, সে কেন নিজেকে অন্যের লেজুড় হয়ে থাকবে?
৩। অধিকাংশ পুরুষই এই টাকা দেয় বলেই যতো বাহাদূরি করে। বউকে নির্যাতন, অবহেলা করা, ঘরের কোন সিদ্ধান্তের গুরুত্ব না দেয়া ইত্যাদি পুরুষের যতো ক্ষমতা তা ওই টাকা দেয় বলেই।
৫। সমাজ সংসার দ্রুত বদলে যাচ্ছে। ডিভোর্স বাড়ছে লাফিয়ে লাফিয়ে। কোনো বিয়েই এখন আর নিশ্চিন্ত কিছু নয়। ৩০-এর পরে যেসব নারীর ডিভোর্স হয়, তাদের দুর্দশা কিন্তু বাড়তেই থাকে। আর সাথে যদি সন্তান থাকে, তবে তো আর ভোগান্তির শেষ থাকে না।
৬। প্রতিবছর দুর্ঘটনায় হাজার হাজার মানুষ মারা যাচ্ছে। কে কখন মারা যাবে বলা যায় না এসব দুর্ঘটনায়। কাজেই একটা অবলম্বন থাকতেই হয়।
৭। আগের সেই দিন আর নেই। মেনে নিতে হবে বাস্তবতা; নিজের জীবন নিয়ে ভাবতে হবে বহুদূর পর্যন্ত। একটা রাষ্ট্রের দ্রুত এবং টেকসই উন্নয়ন (এবং টেকসই পরিবারও) করতে হলে অর্ধেক জনগোষ্ঠীকেও সমান তালে ভূমিকা রাখতে হবে। হতে হবে সমানে সমান; তবেই না সংসারের সমতা আসবে প্রকৃতপক্ষে।
স¤পর্কের ব্রেকআপ ঠেকাতে
ইদানিং স¤পর্কগুলো যেমন সহজে গড়ে ওঠে, তেমন খুব সহজে ভেঙেও যায়। অনেক সময় অনেক ছোট ছোট বিষয়ই আমাদের একটুই অসতর্কতার কারনে বড় হয়ে ওঠে এবং যার পরিণতিতে একটি সুন্দর স¤পর্ক ভেঙ্গে যায় অনাকাক্সিক্ষতভাবে। কিন্তু ঝগড়া বা তর্ক হলেই যে তা ব্রেকআপের লক্ষণ তা কিন্তু নয়, তবে কিছু বিষয়ের ব্যাপারে আসলেই আমাদের সাবধান হওয়া উচিত।
আপনার সঙ্গীকে পরিবর্তন করার চেষ্টা করবেন না:
আপনার সঙ্গী যেমন তাকে আপনি তেমনিভাবেই পছন্দ করেছিলেন। তাই তাকে আমূল বদলাতে চেষ্টা করবেন না। কারো সাথে তুলনা দিয়ে বদলাতে বলবেন না। এতে আপনার সঙ্গীর মনে হীনম্মন্যতা তৈরি হবে। আবার হয়তো একদিন তিনি বদলে যাবেন কিন্তু সেদিন হয়তো আপনার প্রয়োজনও তার কাছে ফুরিয়ে যাবে।
স¤পর্কে তৃতীয় ব্যক্তি নয়:
অনেক সময় একটি স¤পর্ক ভেঙ্গে যাবার জন্যে একজন বাইরের মানুষই যথেষ্ট। তাই চেষ্টা করুন, আপনাদের স¤পর্কের ব্যক্তিগত ব্যাপারে যতটা সম্ভব গোপনীয়তা বজায় রাখতে। ঝগড়াঝাঁটি হলে নিজেরা মেটান।।
ঝগড়া দীর্ঘমেয়াদী হতে দেবেন না:
ঝগড়া একটি স¤পর্কে অনিবার্য। কিন্তু তাই বলে দীর্ঘদিন যাতে সেটি না গড়ায়। অল্প সময়ের ঝগড়া স¤পর্ককে মজবুত করে কিন্তু দীর্ঘমেয়াদের দূরত্ব (কথা বন্ধ রাখা, দেখা না করা) একটি স¤পর্ককে বিচ্ছেদের দিকে নিয়ে যায়।
তার বন্ধুদের সাথে সময় কাটাতে দিন:
আপনার সঙ্গী আপনার সাথে সময় কাটাবেন স্বাভাবিক। কিন্তু তাকে তার জগৎ থেকে একেবারে বিচ্ছিন্ন করে ফেলবেন না। সপ্তাহে অন্তত একটি দিন তাকে তার বন্ধুদের সাথে আলাদা সময় কাটাতে দিন। নিজেও নিজের বন্ধুদের সাথে সময় কাটান। আপনি তার সাথে সব সময় আঠার মত লেগে থাকলে তিনি অস্বস্তি বোধ করবেন।
বিপরীত লিঙ্গের বন্ধুদের ব্যাপারে অতিরিক্ত প্রতিক্রিয়া দেখাবেন না:
সঙ্গীর বিপরীত লিঙ্গের বন্ধুদের ব্যাপারে অতিরিক্ত প্রতিক্রিয়া দেখাবেন না। আপনার সঙ্গীকে অন্য কারো ভালো লাগতেই পারে কিন্তু তিনি যদি দুর্বল হয়ে না থাকেন, তবে অন্য কারো প্রত্যাশার শাস্তি যাতে আপনার কাছের মানুষটি আপনার কাছ থেকে না পান। বন্ধুদেরকে লিঙ্গের বিচারে না দেখে বন্ধু হিসেবেই দেখুন।
অতীতের স¤পর্ক নিয়ে খোঁচাবেন না:
প্রত্যেকের জীবনেই একটি অতীত থাকে। হয়তো আপনি আপনার সঙ্গীর প্রথম প্রেম নন, কিন্তু তাই বলে কখনোই তার প্রথম প্রেম নিয়ে তাকে অযথা খোঁচাবেন না বা ঝগড়া বিবাদের সময়েও তার সাথে তুলনা দিয়ে কথা বলবেন না। এতে তিনি যেমন বিরক্ত হবেন তেমনি আপনার মাঝেই নিরাপত্তাহীনতা নিজের অবচেতনেই তৈরি হবে।
অধিকার নিয়ে বাড়াবাড়ি নয়, ছাড় দিতে শিখুন:
প্রত্যেকেই চান, তার সঙ্গী সবার আগে, সবকিছুর আগে, তাকেই প্রাধান্য দিক। কিন্তু তাই বলে আপনার সঙ্গী যদি মাঝে মাঝে তার অন্য কোনো কাজ নিয়ে ব্যস্ত থাকেন তবে সেটি নিয়ে ঝগড়াঝাঁটি না করে বোঝার চেষ্টা করুন।
ব্যক্তিগত জিনিসে হাত দেবেন না:
আপনার সঙ্গীর ব্যক্তিগত মোবাইল, ডায়েরী, মেইল, এসএমএস তার অনুমতি ছাড়া ঘাঁটবেন না। প্রত্যেকের একটি নিজস্ব জগৎ থাকে যা একান্তই তার। তার গোপন জিনিসের গোপনীয়তা বজায় রাখতে তাকে আপনিও সাহায্য করুন।
স¤পর্ককে সুন্দর রাখতে কিছু “মিথ্যা” বলা একান্ত জরুরী
আপনি যদি চান সঙ্গী/সঙ্গিনীর সাথে আপনার স¤পর্কটা আজীবন মিষ্টি থাকুক এবং ভুল বোঝাবুঝি না হোক, তাহলে অবশ্যই বলতে হবে কিছু মিথ্যা।
১) হ্যাঁ, অতীতেও আপনার স¤পর্ক ছিল কারো সাথে এবং স¤পর্কটি খুব গভীর ছিল। কিন্তু যা গিয়েছে তা গিয়েছে আজীবনের জন্য। বর্তমানে যে মানুষটির সাথে আছেন, তাঁকে কখনো বলবেন না যে অতীত স¤পর্কটি কি ভীষণ গভীর ছিল।
২) অতীতের প্রেমিক বা প্রেমিকাকে আপনি এখনো মিস করেন বা তাঁর কথা ভুলতে পারেননি, এটাও বর্তমান মানুষটিকে বলতে যাবেন না।
৩) হয়তো প্রিয় মানুষটির পরিবারকে আপনার পছন্দ নয়, তাঁদের সাথে মোটেও বনে না। কিন্তু এই কথাটি তাঁকে বলতে গেলে অযথা যন্ত্রণায় পড়বেন।
৪) আপনি তাঁকে কতটা ভালোবাসেন, সেটা বেশি হোক বা কম, সত্যিকারের পরিমাণটি কখনো প্রকাশ করবেন না। স¤পর্কে একটু রহস্য থাকা ভালো!
৫) তাঁর বন্ধুদের ব্যাপারে আপনি আসলে কী ভাবেন, সেই সত্যটিও গোপন রাখুন।
৬) হয়তো তাঁর এমন কোনো লজ্জা বা বিব্রতকর অবস্থার কথা আপনি জেনে গিয়েছেন, যা তিনি আপনাকে জানাতে চান না। এক্ষেত্রে জেনেও না জানার ভান করে থাকুন। কী লাভ মানুষটাকে লজ্জা দিয়ে?
৭) তিনি হয়তো দেখতে অসুন্দর হয়ে পড়েছেন বা কোনো পোশাকে তাঁকে দেখতে ভালো লাগছে না, এই ব্যাপারটি কখনো তাঁকে বলবেন না।
৮) আপনার পরিবার যদি তাঁকে অপছন্দ করে থাকে, সেটাও মানুষটিকে জানাতে যাবেন না।
৯) তাঁর কোনো কাজ আপনার কাছে হাস্যকর বা বিচিত্র মনে হলেও সেটা তাঁকে জানাবেন না। কৌশলে অভ্যাসটি পরিবর্তনের চেষ্টা করতে পারেন।
১০) মানুষ কখনোই আরেকজন মানুষের সাথে সারাক্ষণ থাকতে পারে না। আপনিও হয়তো মাঝে মাঝে খুব বিরক্ত হয়ে পড়েন। কিন্তু এটা কখনো প্রিয় মানুষের সামনে প্রকাশ করবেন না।
১১) ঠিক কতজন প্রেমিক বা প্রেমিকা ছিল আপনার, এই বিষয়টি কখনো প্রকাশ করবেন না যদি সংখ্যাটি অনেক বেশি হয়ে থাকে।
১২) নিজের পরিবারের ব্যাপারে কোনো নোংরা সত্য তাঁকে জানাবেন না।
১৩) তাঁর কিনে দেয়া কোনো উপহার হয়তো আপনার মোটেও ভালো লাগেনি। সেটাও মানুষটিকে বলতে যাবেন না।
সূচিপত্র
১) ছোটদের সাথে আমাদের আচরণ ২) পরিবার ও সন্তান, সুপার পাওয়ার যেভাবে তৈরি হয়, ৩) দীর্ঘস্থায়ী ভয়ের উৎপত্তির মূলে শৈশবকালে ঘটে যাওয়া ঘটনার প্রভাব , ৪) সন্তানের উৎসাহ এবং উদ্দীপনা বাড়ানো, ৫) আপনার শিশুটি ঘুমুক শান্তিতে এবং নির্ভরতায় , ৬) কিছু অব্যর্থ টিপস, যা আপনার শিশুকে পড়াশোনায় আগ্রহী করে তুলবে, ৭) শিশুকে কিভাবে বড় করবেন, ৮) বাচ্চাদের মস্তিষ্ক বিকাশে কী করবেন? ৯) বাচ্চাদের বুদ্ধি বিকাশের অন্যতম পথ, দৌড়, ১০) বাচ্চাকে কখনো আড়ালে লুকিয়ে খেতে দেবেন না, ১১) পিটার সিংগারের দর্শন, ১২) দুষ্টু শিশুরা তাড়াতাড়ি শেখে, ১৩) সন্তানকে যতই শাস্তি দেবেন ততই সে অসামাজিক হবে, ১৪) বাবা-মাই সন্তানকে নির্যাতন করেন সবচেয়ে বেশি , ১৫) সন্তানের সাথে কিভাবে গড়ে তুলবেন নিবিড় বন্ধন, ১৬) যে ১১টি কথা শিশুকে কখনোই বলবেন না!, ১৭) শিশুকে গল্প শোনান প্রতিদিন, ১৮) সন্তানের আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধির ১০টি কৌশল, ১৯) সৃজনশীলতা হচ্ছে নতুন কিছু করার যোগ্যতা, ২০) যারা মুখস্থ করতে পারেন না, ২১) তারা মেধাবী, মেধাবী হওয়ার উপায়,
২২) কথা ও ভাষা, ২৩) এলিভেটর পিচ, ২৪) সুন্দর করে কথা বলে সমস্যা জয়ের কৌশল, ২৫) ফোনে কথা বলার আদবকেতা, ২৬) ১২টি কর্ম বিধান, ২৭) ভালোবাসার অপর নাম প্রয়োজন, ২৮) আলতু-ফালতু কাজে সময় অপচয় করে স্বপ্ন পূরণের কল্পনা, ২৯) স্ট্রেস ম্যানেজমেন্ট, ৩০) চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিন পিং-এর জীবন থেকে শিক্ষা, ৩১) অভিজ্ঞতা ও অতীত থেকে শিক্ষা গ্রহণ, ৩২) বর্তমানকে সবচেয়ে বেশি মূল্য দিন, ৩৩) ২৪ ঘণ্টা কেউ সুখী হয় না, ৩৪) কিছু অভ্যাস যা আপনাকে আরও সুখী করবে , ৩৫) আপনার অবয়ব , ৩৬) সফলতার 25টি হট কৌশল-1, ৩৭) সাফল্যের 25টি হট কৌশল-2, ৩৮) সফলতার 55 সূত্র, ৩৯) কিভাবে নিজেকে নেতা হিসেবে গড়ে তুলবে, ৪০) সময় ব্যবস্থাপনা, ৪১) সময় ব্যবস্থাপনার তিনটি ধাপ, ৪২) সময়কে যথাযথভাবে কাজে লাগানোর উপায়গুলো, ৪৩) সাফল্য, ড. কোভের ইমোশনাল একাউন্ট কনসেপ্ট, ৪৪) সবচে বড় ইমোশনাল একাউন্ট, ৪৫) আপনার ইমোশনাল একাউন্ট, ৪৬) বুদ্ধি ও বিবেচনাবোধ বর্জিত কর্মফল বিপজ্জনক, ৪৭) অন্যদের দিয়ে আপনার কাজ করান কিন্তু সম্মান আপনি অর্জন করুন, ৪৮) অন্য লোকেরা আপনার কাছে আসুক দরকার হলে টোপ দিন, ৪৯) অসুখী এবং ভাগ্যহীনদের বর্জন করুন, ৫০) লোককে আপনার ওপর নির্ভরশীল করুন , ৫১) নেওয়ার পূর্বে দেওয়া অন্য বক্তির স্বার্থ বুঝুন, ৫২) শত্রুকে খাটো করে দেখবেন না, ৫৩) নিজেকে রক্ষা করার জন্য চারিদিকে দুর্গ নির্মাণ করবেন না, ৫৪) কারোর পক্ষ অবলম্বন করে বসে থাকবেন না, ৫৫) আপনার শক্তিসমূহকে সংহত করুন, ৫৫) নিজের ভুলগুলোকে লুকিয়ে রাখুন, ৫৬) শুধু সাহসের জোরে নয়, পরিণতিও বিবেচনায় রাখুন, ৫৭) প্রতিটি মানুষের গোপন ইচ্ছা খুঁজে বের করুন, ৫৮) রাগ বিপজ্জনক ও অভদ্রতা, ৫৯) কোনো দলকে ধরার জন্য দলপতিকে প্রথমে ধরুন, ৬০) নিজেকে গুরুত্বপূর্ণ মনে করুন, গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবেন, ৬০) পরিবেশ সামলাতে শিখুন, ৬১) প্রথম শ্রেণির মানুষ হয়ে উঠুন, ৬২) আপনার সামাজিক পরিবেশ ‘প্রথম শ্রেণি’র করে তোলার উপায়, ৬৩) ‘সস্তার তিন অবস্থা’ প্রধম শ্রেণিভুক্ত হয়ে উঠুন , ৬৪) যত বেশি বন্ধুত্ব তত বেশি উপরে ওঠার সম্ভাবনা, ৬৫) সাহস করে কাজটা শুরু করুন, ৬৬) সাফল্য মানে বারবার ভিন্নভাবে চেষ্টা করা, ৬৭) ১- ১০ ভাল অভ্যাস, ১১- ২০ ভাল অভ্যাস, ২১- ৩০ ভাল অভ্যাস, ৩১- ৪০ ভাল অভ্যাস, ৪১- ৫০ ভাল অভ্যাস, ৫১- ৬০ ভাল অভ্যাস, ৬১- ৭০ ভাল অভ্যাস, ৭১- ৮০ ভাল অভ্যাস, ৮১- ৯০ ভাল অভ্যাস, ৯১- ১০২ ভাল অভ্যাস, ৬৮) জিরো থেকে হিরো, ৬৯) সৃজনশীলদের সফলতার ৭ সূত্র, ৬৯) জীবনে পরিবর্তন আনুন ৪৮টি উপায়ে, ৭০) জীবন-যাপন, ৭১) জাপানী ও চিন লাইফ স্টাইল , ৭২) ৩০টি দর্শন, যা আপনার জীবনে কাজে লাগবে, ৭৩) সম্পর্ক তৈরি করা, বন্ধুত্ব, ৭৪) যে আচরণগুলো মানুষের মনের কথা জানাবে, ৭৫) কথা বলার সূত্র, ৭৬) আপনি ও আপনার ব্যবহার, ৭৭) নিজেকে সঠিকভাবে উপস্থাপন করা, ৭৮) কথা বলার কতিপয় গুরুত্বপূর্ণ নিয়ম, ৭৯) কিভাবে নিজেকে বিনয়ী হিসেবে উপস্থাপন করবেন, ৮০) কিভাবে বুদ্ধিদীপ্ত কথা বলবেন, ৮১) কথা বলার ৫টি বিস্ময়কর টেকনিক, ৮২) কিভাবে মানুষকে আকৃষ্ট করবেন? ৮৩) অকারণে সময় নষ্ট? মেল রবিনের ৫ সেকেন্ড রুল, ৮৪) কর্পোরেট আদবকেতা, ৮৫) ৩৫টি কর্পোরেট কালচার ও আপনার করণীয়, ৮৬) যা না জানলে লজ্জায় পড়তে হয় , ৮৭) কাজের সময়ে যে বিষয়গুলো একেবারেই করা উচিৎ না , ৮৮) ক্যারিয়ারে সাফল্য পেতে ছুড়ে ফেলুন ৭টি দোষ, ৮৯) আকাক্সক্ষা, ইচ্ছে বা স্বপ্ন,
৯০) বক্তৃতা প্রশিক্ষণ, কাজ কিভাবে করবেন? ৯১) আত্মশক্তিতে বলিয়ান হতে, ৯২) একনাগাড়ে চলবেন না, ৯৩) মারফিস ’ল , কাজের রোডম্যাপ তেরি , ৯৪) জব স্যাটিসফেকশন, ৯৫) কাজে সফলতার সূত্রাবলী, ৯৬) যেভাবে জীবনযাপন করবেন, ৯৭) পরিণত বুদ্ধির মানুষেরা যে কাজগুলো কখনোই করেন না, ৯৮) জীবনে দক্ষতা অর্জনের কার্যকর ১২টি উপায়, ৯৯) সঠিক লক্ষ্য নির্ধারণ ও কাজ করার উপায় , ১০০) সফলতা ও সার্থকতা, ১০১) জীবনের ছোট ছোট প্রাপ্তিগুলোকে উপভোগ করা, ১০২) সফলতার কিছু পদ্ধতি, ১০৩) সফল হতে চাইলে যে ৮ টি জিনিস বাদ দেয়া প্রয়োজন, ১০৪) সফল ব্যক্তিরা যে ১০টি কাজ কখনোই করেন না, ১০৫) সর্বদা স্মরণ রাখুন, ১০৬) চিন্তাশক্তি , ১০৭) স্বাধীনতা, ১০৮) জ্ঞান অর্জন খাদ্য গ্রহণের মতো , ১০৯) দৃঢ় প্রতিজ্ঞ হয়ে চেষ্টা করলে কখনোই বিফল হবেন না, ১১০) বুদ্ধির সংজ্ঞা হলো, প্রতিটি কাজ ভেবে-চিন্তে করা, ১১১) ব্যক্তিত্ব, চেহারা ও ব্যক্তিত্ব , ১১২) সেলডন-এর গবেষণা , ১১৩) ব্যক্তিত্ব ও উচ্চারণ, ১১৪) পোশাক ও ব্যক্তিত্ব, ১১৫) প্রথম দেখায় ব্যক্তিত্বের ছাপ, ১১৬) বিচ্ছিন্নতা ব্যক্তিত্বের বড় শত্রু, ১১৭) ব্যক্তিত্বে জিনগত প্রভাব, ১১৮) অন্তর্মুখী ও বহির্মুখী ব্যক্তিত্ব, ১১৯) মনোমুগ্ধকর ব্যক্তিত্বের ১০ বৈশিষ্ট্য, ১২০) ব্যক্তিত্বের উৎকর্ষতার জন্যে ১০ নির্দেশনা, ১২১) কিভাবে ব্যক্তিত্বের বিকাশ ঘটাবেন? , ১২২) নিজেকে স্মার্ট করতে ৫টি কৌশল, ১২৩) আকর্ষণীয় মানুষ হবার ৬টি পরামর্শ, ১২৪) আত্মশুদ্ধি , ১২৫) হতাশ হবেন না, ১২৬) পাছে লোকে কিছু বলে, ১২৭) সুখ-শান্তি উন্নতি , ১২৮) চাহিদা, ১২৯) খাদ্য, ঘুম ও বিশ্রাম, ১৩০) স্বাস্থ্য ভাল রাখার নিয়ম, ১৩১) টেনশন দূর করতে হলে, ১৩২) শুধু নিজের কথা নয়, অন্যের কথাও ভাবুন, ১৩৩) চাহিদা যত বেশি সুখ তত কম, ১৩৪) সুখী জীবনের জন্য ১৮ টি টিপস, ১৩৫) আত্মবিশ্বাস, আত্ম বিশ্বাসের শক্তি, ১৩৬) অজুহাতের ব্যাধিতে আক্রান্ত ব্যর্থ মানুষ, ১৩৭) দি সেভেন হ্যাবিট অফ হাইলি এ্যা ফেক্টিভ পিপল, ১৩৮) সামাজিক আয়না, ১৩৯) প্রোএ্যাক্টিভিটি, ১৪০) সার্কেল অফ ইনফ্লুয়েন্স, ১৪১) শুরু করুন আজই, ১৪২) আপনার কেন্দ্রবিন্দু কোনটি?, ১৪৩) মাথার দুটি অংশই ব্যবহার করুন, ১৪৪) সময়ের ব্যবস্থাপনা, ১৪৫) ব্যক্তিগত ব্যবস্থাপনা, ১৪৬) গুরুত্বপূর্ণ এবং জরুরি, ১৪৭) পরনির্ভরশীল জীবন, ১৪৮) ছয়টি উপায়ে অন্য মানুষের সাথে আদান-প্রদান, ১৪৯) অধ্যয়ন, ১৫০) পড়াশোনায় ১২ কার্যকর কৌশল, ১৫১) ঘুম থেকে উঠতে ১০-৩-২-১-০ ফর্মুলা, ১৫২) আয়-ব্যয়- টাকা, ১৫৩) অন্যকে খুশি করতে পয়সা খরচ যে কারণে অর্থহীন, ১৫৪) খরচের লাগাম টেনে ধরতে.. ১৫৫) নারী, ১৫৬) সম্পর্ককে সুন্দর রাখতে কিছু “মিথ্যা” বলা জরুরী , ১৫৭) ছেলেদের কোন জিনিস দেখে মেয়েরা? , ১৫৮) স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর কিছু অভ্যাস, ১৫৯) ভুঁড়ি ঠেকাতে ৫টি নিয়ম, ১৬০) যেসব কারণে নারীদের স্বাবলম্বী হওয়া উচতি , ১৬১) বিয়ে-সংসার, ১৬২) সফল বিয়ের তিনটি মন্ত্র, ১৬৩) সুখী হবার দারুণ কিছু মূলমন্ত্র, ১৬৪) কিছু গল্প, ১৬৫) ভালোবাসাহীন সম্পর্ক, ১৬৬) কেন স্পর্শের প্রয়োজন হয় প্রতিদিন, ১৬৭) যে কারণে একা থাকাই আপনার জন্য ভালো, ১৬৮) ব্যবসা, ১৬৯) বিক্রয় বৃদ্ধির কৌশল, ১৭০) যে ৭টা ব্যাপার বিজনেসে করবেন না, ১৭১) স্বাস্থ্য, ১৭২) দুগ্ধজাত খাবারে পুরুষের বন্ধ্যত্ব, ১৭৩) একাকিত্বের বিপদ, ১৭৪) কর্মক্ষম ও প্রফুল্ল রাখতে, ১৭৫) মন ভালো করার উপায়, ১৭৬) যৌন স্বাস্থ্য, ১৭৭) পুরুষদের কেজেল, ১৭৮) মহিলাদের কেজেল, ১৭৯) দক্ষতা , ১৮০) আলসেমি দূর করার সহজ কিছু উপায়, ১৮১) কীভাবে সামলাবেন নিন্দুকদের ?, ১৮২) সুখী হতে চাইলে যা কখনোই করবেন না, ১৮৩) সব ভুলে যাচ্ছেন? স্মৃতিশক্তি চাঙ্গা রাখতে ৫টি টিপস, ১৮৪) বয়সের ভারে বৃদ্ধ না হয়ে বরং কাজের ভারে যুবক থাকার চেষ্টা করো, ১৮৫) নিজেকে কাজের সঙ্গে সম্পক্ত করার তিনটে স্টেপ, ১৮৬) জীবনের লক্ষ্য নির্ধারণে দ্রুত পদ্ধতিগুলো, ১৮৭) প্রতিদান পাওয়ার আশায় কাজ করবেন না, ১৮৮) প্রেম একটি মানসিক রোগ, ১৮৯) সম্পর্ক ভেঙ্গে যাবার পর নিজেকে যেভাবে সামলাবে, ১৯০) সময় সবকিছু বদলে দেয়, ১৯১) সম্পর্ক তৈরির ক্ষেত্রে কমন পাঁচটি ভুল, ১৯২) আত্মবিশ্বাস/মনোবল, ১৯৩) প্যারাসুট অফ হ্যাপিনেস, ১৯৪) বারবার ঘুরে দাঁড়াতে হবে, ১৯৫) আত্মবিশ্বাসহীন মানুষের লক্ষণ, ১৯৬) বাড়াও আত্মবিশ্বাস, বাড়বে সফলতা, ১৯৭) প্রাতিষ্ঠানিক সম্পর্ক শক্তিশালী করার টিপস, ১৯৮) কিভাবে ধরে রাখবে দু'জনের সম্পর্ক, ১৯৯) কিভাবে বুঝবে সম্পর্ক শেষ করতে হবে, ২০০) সম্পর্ক যখন প্রেম-ভালোবাসার, ২০১) যেসব বিষয়ের উপর স¤পর্ক গড়ে ওঠে, ২০২) ভালোবাসার অপর নাম প্রয়োজন, ২০৩) সম্পর্কের গুণগত মান বাড়বে কিভাবে, ২০৪) মস্তিস্ক ঠিক রাখার ৩০ উপায়, ২০৫) মানুষের আচরণের পেছনে একটা কারণ থাকে, ২০৬) কোনো কাজে নিজেকে সম্পক্ত না করেই আমরা নিজ ক্যারিয়ারকে এগিয়ে নিয়ে যাই ২০৭) স্রোতের বিপরীতে চিন্তা করুন, ২০৮) আপনার টাইমজোনে সময় আসবেই, ২০৯) চাইল্ডহুড অ্যামনেসিয়া এবং আমাদের শিক্ষণীয়,