জিরো থেকে হিরো
ডায়লগ: জিরোর কোনো মান নেই, সে পাওয়ারের পাশে বসে তার বাড়ায়
ছন্দ:
বহু কাষ্ঠ যদিও থকে চন্দনের বনে,
কখনও সুগন্ধি নয় চন্দনের গুণে।
বিশ্লেষণ: পৃথিবী জুড়ে কোটি কোটি প্রাণিদের মধ্যে একমাত্র মানুষই জানে যে, তাকে একদিন মরতে হবে এবং সে আর এই সুন্দর পৃথিবীতে আসতে পারবে না। আবার এই কোটি কোটি মানুষের মধ্যে মাত্র গুটিকয়েকজন আছেন, যারা জানেন’ সে কোথা থেকে কিভাবে এসেছেন, কোথায় তার শেষ!? এদের আছে মস্তিষ্ক; বাকি সবার আছে মস্তিষ্কহীন মাথা। এই মাথাওয়ালারা হচ্ছে জিরো, আর মস্তিষ্ক মানে পাওয়ার (১থেকে ৯)। জ্ঞানের শক্তি কারো কম, কারো বেশি। জিরোর কোনো মান নেই, সে পাওয়ারের পাশে বসে তার বাড়ায়। যেমন-১-এর পাশে ০ বসলে একের মান ১০ হয়। এভাবে যতবেশি জিরো যোগ হবে, পাওয়ারের মান তত বাড়বে; ১০০, ১০০০, ১০০০০ এভাবে। শিক্ষার উদ্দেশ্য একটাই, তা হল মস্তিষ্কের জিরো ক্ষমতাকে পাওয়ারে উন্নীত করা। এজন্যই মানব সন্তানকে বুদ্ধি হবার পর জ্ঞান অর্জনের জন্য পাঠশালা বা গুরুমুখী হতে হয়। অন্য কোনো প্রাণিদের এ প্রয়োজন নেই। কিন্ত বেশিরভাগ শিক্ষার্থী সর্বোচ্চ শিক্ষালয় শেষ করেও পাওয়ার হতে পারে না। বিপরীতে অল্পশিক্ষিত-স্বশিক্ষিত অনেকে শক্তিশালী পাওয়ার হয়ে উঠে মস্তিষ্ক চর্চার মাধ্যমে। জ্ঞান সবার প্রয়োজন নেই, পাওয়ারদের প্রয়োজন। অর্থ-কড়ি দিয়ে সবকিছু অর্জন সম্ভব, তবে জ্ঞান নয়। প্রবাদ আছে, লক্ষ্মীর সাথে নাকি স্বরসতীর খুব বিরোধ। অর্থাৎ ধনীরা কখনো জ্ঞানী নয়। যদি তাই হতো, নতুন একটা মানবিক পৃথিবী আমরা পেতাম।
যাই হোক, মানুষ প্রধানত দুই শ্রেণির। এক, জিরো বা নির্ভরশীল আর দুই হল হিরো বা শক্তিশালী। মানুষের এই সামাজিক এই মাপকাঠি অর্থাৎ জিরো বা হিরো তৈরীর জন্য মূলত তিনটি বিষয় দায়ী।
একটি হলো জেনেটিক- আপনার বাপ-দাদার ছিল, জন্মসুত্রে আপনি পেয়েছেন। আপনার বাপ-দাদার মাথা গরম ছিল, তাই আপনার ভেতরও সেই বৈশিষ্ট্য এসেছে। এই কথাটা বিজ্ঞানীরা এভাবে বলেন, এটা আপনার ডিএনএ-এর ভেতর রয়েছে। ডায়াবেটিস রোগটা আপনি জন্মসূত্রে পেয়েছেন।
দ্বিতীয়টি হলো সাইকিক- অর্থাৎ আপনার মা-বাবা আপনাকে এটা করতে শিখিয়েছে, কিংবা আপনি যেভাবে বেড়ে উঠেছেন তার প্রভাব। সে কারণেই আপনি কোথাও দাঁড়িয়ে বক্তৃতা করতে ভয় পান, আপনি কোনো একটি ভুল কাজ করে ফেললে সেটা স্বীকার করতে ভয় পান। আপনার মনে জেগে ওঠে অন্যদের সাথে নিজেকে তুলনা করার মানসিক যন্ত্রণা ইত্যাদি।
তৃতীয়টি হলো পারিপার্শ্বিক- অর্থাৎ আপনার চারপাশের পরিস্থিতি। যেমন আপনি বলতে পারেন, আপনার বাবার অর্থনীতি মোটেও ভালো ছিল না, তাই পড়তে পারিনি। অনেকগুলি ভাইবোনের পরিবার হওয়ায় অভাবে বড় হয়েছি। আশপাশে কেউ পড়াশুনা করত না তাই আমারো হয়নি ইত্যাদি হাজারও অভিযোগের উপর নিজেদেরকে সাজায়।
হিরো বা পাওয়ার কারা
হিরোরা খুব বেশি পরিমাণে আশাবাদী মানুষ, তারা নিজেদের সফলতা-ব্যার্থতা বা সুখ-অসুখের জন্য কখনই কোনো পরিস্থিতি, অবস্থা কিংবা পরিবেশকে দায়ী করে না। সে বন্যা, খরা, রোদ, বৃষ্টি, ভূমিক¤প ইত্যাদির কাছে নতি স্বীকার করতে চায় না। মোটকথা সে পরিস্থিতি দ্বারা নিজেকে নিয়ন্ত্রিত হতে দিতে চায় না।
জিরো বা নির্ভরশীল মানুষরা পরিস্থিতি দ্বারা নিয়ন্ত্রিত। আবহাওয়া ভালো না থাকলে, তাহলে তারাও ভালো থাকে না। কিন্তু আশাবাদীরা আবহাওয়া মানে না। রোদ উঠল নাকি বৃষ্টি হলো, তাতে তাদের কিচ্ছু আসে যায় না। তারা মূলত নিজেদের জ্ঞান দ্বারা পরিচালিত হয়।
জিরো বা নির্ভরশীল মানুষগুলো সামাজিক আবহাওয়া দ্বারাও নিয়ন্ত্রিত হয়। কেউ তাদেরকে একবেলা ভালো খাওয়ালো, তারা তাতে খুশি হয়। আবার কেউ তাদেরকে দাওয়াত দিল না, তাদের মন খারাপ হয়, তারা প্রতিক্রিয়াশীল হয়ে ওঠে। তারা মূলত অন্য মানুষের দয়ার ওপর নির্ভর করে নিজেদের জীবনকে তৈরি করে। নিজেকে নিয়ন্ত্রণ করার জন্য অন্য মানুষকে ক্ষমতাশালী করে। সে বুঝতেই পারে না, যে অন্য মানুষকে সে তার যাবতীয় নিয়ন্ত্রণের চাবিগুলো দিয়ে রেখেছে। মোট কথা, এই মানুষগুলো পরিচালিত হয় অন্যের দ্বারা, আর হিরোরা পরিচালিত হয় তার নিজস্ব শক্তি দিয়ে।
আমরা নিত্যদিন যা ভাবি, তা উঠে আসে আমাদের ভাষায়। আপনি নিজেও একটু খেয়াল করে সেগুলো বিশ্লেষণ করতে পারেন আপনি জিরো নাকি হিরো।
নীচের শব্দমালাগুলো খেয়াল করুন-
➲ এই ব্যাপারে আমি কিছুই করতে পারব না
➲ আমি তো এমনই (মানলে মানো, না মানলে কিছুই করার নেই...)
➲ ও আমাকে পাগল করে ছাড়ছে
➲ আমাকে এটা কেন করতে হবে?
➲ দুঃখিত, আমি এটা করতে পারব না
➲ ইস, যদি এটা বা হতো
এবার ধরুন উপরের বিষয়গুলোতে আরেকজন হিরো ভিন্নভাবে উত্তর দেয়, যেমন
➲দেখি আমাদের হাতে আর কি অপশন আছে?
➲ আমি নিশ্চয়ই ভিন্ন আরেকটি উপায় বের করতে পারবো!
➲ ও আমাকে পাগল বানাতে পারবে না
➲ আমি দেখবো কোনটা সবার জন্য মঙ্গল
➲ আমি ওটা করতে স্বাচ্ছন্দবোধ করছি
➲ আমি এটা করবই
জিরো বা নির্ভরশীল মানুষরা প্রথমে লেখা ধাপগুলোর মতো করে ভাববে এবং কথা বলবে। আর হিরো বা পাওয়াররা নীচের সারির ভাবনাগুলোর মতো ভাববে এবং নিজেকে প্রকাশ করবে।
কিভাবে হিরো হব
এবার নিশ্চয়ই আপনার মনে প্রশ্ন জাগছে, কীভাবে নিজেকে পাওয়ারে পরিণত করা যায়। হিরো বা পাওয়ার হওয়ার প্রথম গুণটি হলো পাওয়ারফুল মানুষদের অভ্যাসটুকু অর্জন করা। আপনি চাইলেই হিরো হতে পারেন। তার জন্য একটু চর্চা করতে হবে।
আমরা নিত্যদিন হাজারও বিষয় নিয়ে মাথা ঘামাই, বিচলিত হই, আলোড়িত হই, আক্ষেপ করি, হতাশা প্রকাশ করি। যেমন দেশের কী যে হবে, জঙ্গিরা দেশটাকে নষ্ট করে ফেলল, বাচ্চাদের কীভাবে স্কুলে পাঠাব, এই ট্রাফিক জ্যাম আর সহ্য হয় না, এই রোদের গরমে মারাই যাব, গাড়িটা না কিনলে আর হচ্ছে না, বাচ্চাটাকে কোনোভাবেই নিয়ন্ত্রণে রাখা যাচ্ছে না, ইত্যাদি। এমন অসংখ্য বিষয় প্রতিদিন আমাদেরকে আলোড়িত করে। একটি বড় বৃত্ত আঁকুন এবং তার ভেতর এগুলো সব লিখে ফেলুন, এই বৃত্তটির নাম ‘সমস্যা বৃত্ত।’
একটু খেয়াল করলে দেখতে পাবেন, এই অসংখ্য বিষয়ের অনেকগুলোতে আপনার করণীয় কিছু নেই; কিংবা আপনার নিয়ন্ত্রণের বাইরে। আবার অনেকগুলো পাবেন যেগুলো আপনার নিয়ন্ত্রণে আছে।
এবারে ছোট করে আরেকটি বৃত্ত আঁকুন, যার ভেতরে ওই বিষয়গুলো থাকবে, যেগুলোকে আপনি নিয়ন্ত্রণ করতে পারেন। এই বৃত্তটির নাম সমাধান বৃত্ত।
এখন কোন বৃত্তটির ওপর আমরা আমাদের সময় এবং শক্তি ক্ষয় করছি, তার ওপর নির্ভর করবে আপনার জিরো বা হিরো হবার প্রক্রিয়া। হিরোরা ফোকাস করেন সমাধান বৃত্ত-এর ওপর, যেগুলো মূলত তিনি নিয়ন্ত্রণ করতে পারেন। তারা সেই বিষয়গুলোর ওপরই সময় ব্যয় করেন, যেগুলোতে তিনি কিছু একটা করতে পারেন। এবং তারা যখন সেগুলোতে ইতিবাচক প্রভাব ফেলতে শুরু করেন, তখন ধীরে ধীরে হিরো হতে থাকে।
অপরদিকে জিরোরা মূলত অন্য মানুষের দুর্বলতা খুঁজতে ব্যস্ত থাকেন। তারা চারদিকের পরিস্থিতিকে দোষারোপ করেন, পরিবেশকে দায়ী করেন এবং এমন সব বিষয়গুলোকে দায়ী করেন, যেগুলোর ওপর তার নিজের কোনো নিয়ন্ত্রণ নাই। তারা সবসময় খুঁত বের করার একটা মানসিক অবস্থা তৈরি করেন। তাদের মনোভাব সেভাবেই প্রকাশিত হয় এবং তারা বিশ্বাস করে যে, তারা পরিস্থিতির শিকার। তাদের ভেতর এক ধরনের নেতিবাচক মনোভাব কাজ করে ।
➲ আহ, আমি যদি একজন বাধ্য স্বামী পেতাম!
➲ আমার সন্তানগুলো যদি একটু বাধ্য হতো!
➲ আমার যদি এমবিএ ডিগ্রিটা থাকত!
➲ ইস, আমি যদি আরেকটা সুযোগ পেতাম...
এগুলো হলো জিরো মানসিকতার লিস্ট। অপরদিকে আমি তো ক¤িপউটার সায়েন্স ডিগ্রি নিতে পারি,
আমি তো আরেকটু ধৈর্য দেখাতে পারি,
আমি এই বইটা পড়তে পারি,
আমি তো আমার বাচ্চাগুলোকে আরেকটু বেশি সময় দিতে পারি
এগুলো সবই হিরোদের অভিব্যক্তি।
জিরোদের মতো অসংখ্য অভিযোগ এবং সমালোচনা করার বদলে, যে সকল ক্ষেত্রে নিজের কিছু করার আছে, সেটাতে ফোকাস করুন। ফলে আপনি ধীরে ধীরে একজন হিরো হিসেবে তৈরি হয়ে উঠবেন।
আমাদের এক ‘হিরো’ একটি প্রতিষ্ঠানের প্রধান নির্বাহীর সঙ্গে কিছু কাজ করেছিলেন। তিনি ছিলেন প্রচণ্ড মেধাবী, ক্রিয়েটিভ, বুদ্ধিমান এবং দক্ষ।
কিন্তু তার নির্বাহীর ব্যবস্থাপনা ছিল অনেকটা স্বৈরশাসকের মতো। সারাক্ষণ তার কর্মচারিদের তাড়া করে বেড়াচ্ছেন, এটা করো, ওটা করো, এক্ষুনি এটা শেষ করতে হবে, এক্ষুনি ওখানে যেতে হবে।
এমন বসের সঙ্গে কাজ করে মোটামুটি সবাই বীতশ্রদ্ধ। সামনে কেউ কিছু বলতে না পারলেও পেছনে প্রায় সবাই তার সমালোচনা করতে থাকে। কিন্তু আমাদের ‘হিরো’ বুঝতে চেষ্টা করলেন, তার প্রধান নির্বাহী ঠিক কী চাইছেন, তার ভিশনটা বুঝার চেষ্টা করলেন, তার প্রয়োজনটা ধরার চেষ্টা করলেন। তারপর যখন কাজ শুরু করলেন, তিনি পুরো বিষয়টির ভেতর প্রবেশ করে কিছু সমাধান ব্যাখ্যা করলেন। পুরো রিপোর্টটি পড়ে প্রধান নির্বাহী অবাক হলেন। এরপর থেকেই পরিস্থিতি পাল্টাতে শুরু করল।
এরপর যখনই কোনোও মিটিং-এ বসা হয়, সেই বস সবাইকে বলতে থাকেন, এটা করো, ওটা করো; আর সেই হিরো-এর বেলায় বলতে থাকেন, আপনার কি মনে হয়? পাল্টে যেতে থাকে নির্ভরতা এবং একটা সময়ে সেই হিরো ছেলেটিই হয়ে ওঠে সকল কর্মকাণ্ডের কেন্দ্রবিন্দু।
আপনার আদর্শ কোনটি?
ড. স্টিফেন কোভে তার বই দি সেভেন হ্যাবিট অফ হাইলি এ্যাবফেক্টিভ পিপল-এ লিখেছেন, আমাদের জীবন পরিচালিত দশটি ভাগে।
১. স্বামী/স্ত্রীকেন্দ্রিক: আমাদের ভেতর অনেক মানুষ আছেন যারা পরিচালিত হন স্বামী কিংবা স্ত্রী দ্বারা। তাদের সব কিছুর সাথেই তাদের স্বামী কিংবা স্ত্রী জড়িয়ে রয়েছে। এই ধরনের কেন্দ্রবিন্দুতে প্রজ্ঞা এবং ক্ষমতা দুটোই বিলুপ্ত হয়।
২. পরিবারকেন্দ্রিক: যারা পরিবারকেন্দ্রিক, তাদের নিরাপত্তা কিংবা ব্যক্তিগত বৈশিষ্ট্যকে ঘিরে থাকে তাদের পারিবারিক ট্রেডিশন নয়তো কালচার। এটা করা যাবে না, ওটা করলে পরিবারের সম্মান নষ্ট হয়ে যাবে, জমিদার বাড়ির ছেলেরা পাড়ার ছেলেদের সাথে খেলতে পারবে না, এমন সব অদ্ভুত বিষয় চলে আসে। ফলে এগুলো যদি কখনও ক্ষতিগ্রস্থ হয়, তখন আপনি পড়েন মহাসাগরে।
৩. টাকাকেন্দ্রিক: অনেকেই আছেন যাদের ধ্যান-জ্ঞান হলো টাকা। তাদের কাছে আর কোনো কিছুর মূল্য নেই। সারাক্ষণ টাকার পিছনে ছোটে। তারা রীতিমত অন্ধই বলা চলে। তাদের সন্তানদের শৈশব থাকে না, পরিবারে সদস্যদের সাথে স¤পর্ক থাকে না। ফলে তার টাকা সবাই ভোগ করে, কিন্তু তাকে সময় দেওয়ার মতো কেউ থাকে না।
৪. কাজকেন্দ্রিক: যারা কাজকেন্দ্রিক মানুষ, তারা একটা সময়ে নিজের শরীর এবং মানুষের সাথে স¤পর্ককে উৎসর্গ করে কাজে মেতে থাকেন। কাজ দিয়েই তাদের পরিচয়- যেমন আমি একজন ডাক্তার, আমি একজন লেখক, আমি একজন অভিনেতা ইত্যাদি। তারা মূলত অন্যান্য ক্ষেত্রে খুব একটা ইতিবাচক হন না।
৫. দখলকেন্দ্রিক: আমাদের মাঝে অনেকেরই দখল মনোবৃত্তি রয়েছে। তারা ঘর, বাড়ি, গাড়ি, গয়না, দামি জিনিসপত্র ইত্যাদি বিষয়গুলো নিজেদের দখলে রাখার পাশাপাশি অনেকেই আবার নাম, খ্যাতি, সামাজিক প্রতিপত্তি ধরে রাখার জন্য মরিয়া হয়ে উঠেন। তারা বুঝতেই পারেন না যে, এগুলো যেকোনো সময় হারিয়ে যেতে পারে এবং তখন তারা দিশেহারা হয়ে ওঠে। বড় বড় সেলিব্রেটিরা অনেক সময় হতাশায় পতিত হন।
৬. বিনোদনকেন্দ্রিক: একদল মানুষ আছে যাদের কাছে বিনোদন ছাড়া বোর হয়ে যায়। কিন্তু বিনোদন হলো এমন একটা বিষয় যা আপনি এই মুহূর্তে পেয়ে সুখি হচ্ছেন, পরেরবার আপনার এর চেয়েও বেশি কিছুর প্রয়োজন হয়।
আপনি যদি মাত্রারিক্ত ছুটি কাটান, অধিক পরিমাণে সিনেমা দেখেন, অতিরিক্ত টিভি দেখেন, অতিরিক্ত গেম খেলেন, এমন কি নিয়মহীনভাবে অবসর কাটান তাহলে আপনি বিনোদনকেন্দ্রিক মানুষের দলে পড়বেন। এর ফলে আপনার ভেতর অন্য যে ক্ষমতাগুলো ছিল তা আর বিকশিত হওয়ার সুযোগ পাবে না।
৭. বন্ধুকেন্দ্রিক: বন্ধুদের প্রতি অতিরিক্ত নির্ভরতা আপনাকে মানসিকভাবে দুর্বল করে তুলে। তাদের সাথে কোনো মান-অভিমান আপনার যাবতীয় কর্মকাণ্ডকে প্রভাবিত করতে পারে।
আপনার ভালো বন্ধু থাকবে; কিন্তু সেই নির্ভরতা যেন কোনো অবস্থাতেই স্বামী/স্ত্রীর মতো অতিরিক্ত নির্ভরতায় চলে না যায়। সেক্ষেত্রে বন্ধুদের কর্মকাণ্ডের ওপর নির্ভর করে আপনার মুড ওঠানামা করতে পারে।
৮. শত্রুকেন্দ্রিক: অনেক সময়ে আমরা না বুঝেই কাউকে কাউকে এমন শত্রু বানিয়ে ফেলি যে, সেই শত্রুটিই তার অজান্তেই আপনার জীবনকে নিয়ন্ত্রণ করছে।
আপনি বুঝতেই পারছেন না যে, আপনি দিন-রাত যা কিছু ভাবছেন, যার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে সেই শত্রুটি। আপনি প্রতিদিন ভাবছেন, এই লোকটি না থাকলেই আপনার জীবন সুন্দর হয়ে যেত। কিংবা এর প্রতিশোধ নেয়ার জন্য আপনি যাবতীয় প্রস্তুতি নিচ্ছেন। অর্থাৎ আপনি আপনার জীবন নিয়ন্ত্রণের যাবতীয় কলকাঠি দিয়ে দিয়েছেন অন্যের উপর। একইভাবে দেখবেন অনেকেই বিয়ে কিংবা প্রেম ভেঙে দেওয়ার পরও সারাক্ষণ আগের স¤পর্কের কথা বলতে থাকে। আরেকজনকে দোষারোপ করতে থাকে।
৯. ধর্মকেন্দ্রিক: একদল মানুষ আছেন যারা ধর্ম নিয়ে বাড়াবাড়ি করেন। তারা নিজেদেরকে একটি এক্সট্রিম পর্যায়ে নিয়ে যান এবং অন্যদেরকেও সেই পথে নেওয়ার জন্য চাপ প্রয়োগ করে থাকেন। তাদের স্বাভাবিক জীবন নেই। মানুষের যে স্বাভাবিক জীবন, তারা সেটা থেকে অনেক দূরে অবস্থান করেন।
১০. আত্মকেন্দ্রিক: আমাদের ভেতর সবচে বেশি পাওয়া যাবে আত্মকেন্দ্রিক মানুষ। এরা নিজেদের ছাড়া আর কিছুই ভাবতে পারে না। এরা অনেকটা মৃত সাগরের মতো, যা খালি নিতেই জানে, কোনোও কিছুই ফেরত দেয় না। যখনই মানুষ আত্মকেন্দ্রিক হয়ে যায় তখন তার জ্ঞান, ক্ষমতা সবই খুব ক্ষুদ্র হয়ে যায়। এখন দেখে নিন, আপনার কেন্দ্র কোনটি! এই দশ ধরনের মানসিকতার যদি কোনোটি আপনার মধ্যে থাকে, তাহলে আপনি খুব বেশি পাওয়ার হতে পারবেন না। এই দশ কেন্দ্রিকতা নিয়ন্ত্রণ করে আপনাকে হতে হবে নৈতিকতা কেন্দ্রিক।
একটি উদাহরণ দিলে বিষয়টি বুঝতে সুবিধা হতে পারে। ধরুন আপনি স্ত্রীকে নিয়ে ক্রিকেট খেলা দেখতে যাবেন। টিকিট আছে। সব প্রস্তুত। কিন্তু সকালবেলা অফিস থেকে বস ফোন করে বললেন, তিনি এখনও তার কাজ শেষ করতে পারেননি। কাল তো প্রেজেন্টেশন। আপনি গিয়ে একটু সহায়তা করতে পারেন কি না?
আপনি যদি স্ত্রীকেন্দ্রিক হন, তাহলে আপনি বসের কথা অবজ্ঞা করে স্ত্রীকে নিয়ে খেলা দেখতে চলে যাবেন। অফিসের সমস্যা হলে আপনার কী, তাই না?
আপনি যদি কাজকেন্দ্রিক হন, তাহলে স্ত্রীকে কিছু না বলেই আপনি অফিসে চলে যাবেন। স্ত্রী মনে কষ্ট পেয়েছে, সেটা নিয়ে আপনি বিব্রত হবেন না।
আপনি যদি টাকাকেন্দ্রিক হন, তাহলে এই কাজটি করে আরেকটু বেশি টাকা পেতে পারেন ভেবে আপনি অফিসে যাবেন। আপনি যদি বন্ধুকেন্দ্রিক হন নয়তো বিনোদনকেন্দ্রিক, তাহলে হয়তো দেখতে পাবেন আপনার কিছু বন্ধু খেলা দেখতে যাচ্ছে, তাই আপনিও সেটা মিস করতে চাইবেন না। আপনার সিদ্ধান্তগুলো কিন্তু এভাবেই ঘুরপাক খাবে।
আপনি যখন নিশ্চিত হয়ে যাবেন, আপনার সিদ্ধান্ত এই দশটি কেন্দ্র দিয়ে তাড়িত নয়, বরং নিজস্ব নীতি দিয়ে তাড়িত তখন আপনি হয়ে উঠবেন সবচে হিরো মানুষ। আপনি হবেন পরবর্তী নেতা।
প্রতিষ্ঠান আপনার ওপরই নির্ভর করতে থাকবে। আপনাকে কেন্দ্র করেই ঘটতে থাকবে সবকিছু।
সূচিপত্র
১) ছোটদের সাথে আমাদের আচরণ ২) পরিবার ও সন্তান, সুপার পাওয়ার যেভাবে তৈরি হয়, ৩) দীর্ঘস্থায়ী ভয়ের উৎপত্তির মূলে শৈশবকালে ঘটে যাওয়া ঘটনার প্রভাব , ৪) সন্তানের উৎসাহ এবং উদ্দীপনা বাড়ানো, ৫) আপনার শিশুটি ঘুমুক শান্তিতে এবং নির্ভরতায় , ৬) কিছু অব্যর্থ টিপস, যা আপনার শিশুকে পড়াশোনায় আগ্রহী করে তুলবে, ৭) শিশুকে কিভাবে বড় করবেন, ৮) বাচ্চাদের মস্তিষ্ক বিকাশে কী করবেন? ৯) বাচ্চাদের বুদ্ধি বিকাশের অন্যতম পথ, দৌড়, ১০) বাচ্চাকে কখনো আড়ালে লুকিয়ে খেতে দেবেন না, ১১) পিটার সিংগারের দর্শন, ১২) দুষ্টু শিশুরা তাড়াতাড়ি শেখে, ১৩) সন্তানকে যতই শাস্তি দেবেন ততই সে অসামাজিক হবে, ১৪) বাবা-মাই সন্তানকে নির্যাতন করেন সবচেয়ে বেশি , ১৫) সন্তানের সাথে কিভাবে গড়ে তুলবেন নিবিড় বন্ধন, ১৬) যে ১১টি কথা শিশুকে কখনোই বলবেন না!, ১৭) শিশুকে গল্প শোনান প্রতিদিন, ১৮) সন্তানের আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধির ১০টি কৌশল, ১৯) সৃজনশীলতা হচ্ছে নতুন কিছু করার যোগ্যতা, ২০) যারা মুখস্থ করতে পারেন না, ২১) তারা মেধাবী, মেধাবী হওয়ার উপায়,
২২) কথা ও ভাষা, ২৩) এলিভেটর পিচ, ২৪) সুন্দর করে কথা বলে সমস্যা জয়ের কৌশল, ২৫) ফোনে কথা বলার আদবকেতা, ২৬) ১২টি কর্ম বিধান, ২৭) ভালোবাসার অপর নাম প্রয়োজন, ২৮) আলতু-ফালতু কাজে সময় অপচয় করে স্বপ্ন পূরণের কল্পনা, ২৯) স্ট্রেস ম্যানেজমেন্ট, ৩০) চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিন পিং-এর জীবন থেকে শিক্ষা, ৩১) অভিজ্ঞতা ও অতীত থেকে শিক্ষা গ্রহণ, ৩২) বর্তমানকে সবচেয়ে বেশি মূল্য দিন, ৩৩) ২৪ ঘণ্টা কেউ সুখী হয় না, ৩৪) কিছু অভ্যাস যা আপনাকে আরও সুখী করবে , ৩৫) আপনার অবয়ব , ৩৬) সফলতার 25টি হট কৌশল-1, ৩৭) সাফল্যের 25টি হট কৌশল-2, ৩৮) সফলতার 55 সূত্র, ৩৯) কিভাবে নিজেকে নেতা হিসেবে গড়ে তুলবে, ৪০) সময় ব্যবস্থাপনা, ৪১) সময় ব্যবস্থাপনার তিনটি ধাপ, ৪২) সময়কে যথাযথভাবে কাজে লাগানোর উপায়গুলো, ৪৩) সাফল্য, ড. কোভের ইমোশনাল একাউন্ট কনসেপ্ট, ৪৪) সবচে বড় ইমোশনাল একাউন্ট, ৪৫) আপনার ইমোশনাল একাউন্ট, ৪৬) বুদ্ধি ও বিবেচনাবোধ বর্জিত কর্মফল বিপজ্জনক, ৪৭) অন্যদের দিয়ে আপনার কাজ করান কিন্তু সম্মান আপনি অর্জন করুন, ৪৮) অন্য লোকেরা আপনার কাছে আসুক দরকার হলে টোপ দিন, ৪৯) অসুখী এবং ভাগ্যহীনদের বর্জন করুন, ৫০) লোককে আপনার ওপর নির্ভরশীল করুন , ৫১) নেওয়ার পূর্বে দেওয়া অন্য বক্তির স্বার্থ বুঝুন, ৫২) শত্রুকে খাটো করে দেখবেন না, ৫৩) নিজেকে রক্ষা করার জন্য চারিদিকে দুর্গ নির্মাণ করবেন না, ৫৪) কারোর পক্ষ অবলম্বন করে বসে থাকবেন না, ৫৫) আপনার শক্তিসমূহকে সংহত করুন, ৫৫) নিজের ভুলগুলোকে লুকিয়ে রাখুন, ৫৬) শুধু সাহসের জোরে নয়, পরিণতিও বিবেচনায় রাখুন, ৫৭) প্রতিটি মানুষের গোপন ইচ্ছা খুঁজে বের করুন, ৫৮) রাগ বিপজ্জনক ও অভদ্রতা, ৫৯) কোনো দলকে ধরার জন্য দলপতিকে প্রথমে ধরুন, ৬০) নিজেকে গুরুত্বপূর্ণ মনে করুন, গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবেন, ৬০) পরিবেশ সামলাতে শিখুন, ৬১) প্রথম শ্রেণির মানুষ হয়ে উঠুন, ৬২) আপনার সামাজিক পরিবেশ ‘প্রথম শ্রেণি’র করে তোলার উপায়, ৬৩) ‘সস্তার তিন অবস্থা’ প্রধম শ্রেণিভুক্ত হয়ে উঠুন , ৬৪) যত বেশি বন্ধুত্ব তত বেশি উপরে ওঠার সম্ভাবনা, ৬৫) সাহস করে কাজটা শুরু করুন, ৬৬) সাফল্য মানে বারবার ভিন্নভাবে চেষ্টা করা, ৬৭) ১- ১০ ভাল অভ্যাস, ১১- ২০ ভাল অভ্যাস, ২১- ৩০ ভাল অভ্যাস, ৩১- ৪০ ভাল অভ্যাস, ৪১- ৫০ ভাল অভ্যাস, ৫১- ৬০ ভাল অভ্যাস, ৬১- ৭০ ভাল অভ্যাস, ৭১- ৮০ ভাল অভ্যাস, ৮১- ৯০ ভাল অভ্যাস, ৯১- ১০২ ভাল অভ্যাস, ৬৮) জিরো থেকে হিরো, ৬৯) সৃজনশীলদের সফলতার ৭ সূত্র, ৬৯) জীবনে পরিবর্তন আনুন ৪৮টি উপায়ে, ৭০) জীবন-যাপন, ৭১) জাপানী ও চিন লাইফ স্টাইল , ৭২) ৩০টি দর্শন, যা আপনার জীবনে কাজে লাগবে, ৭৩) সম্পর্ক তৈরি করা, বন্ধুত্ব, ৭৪) যে আচরণগুলো মানুষের মনের কথা জানাবে, ৭৫) কথা বলার সূত্র, ৭৬) আপনি ও আপনার ব্যবহার, ৭৭) নিজেকে সঠিকভাবে উপস্থাপন করা, ৭৮) কথা বলার কতিপয় গুরুত্বপূর্ণ নিয়ম, ৭৯) কিভাবে নিজেকে বিনয়ী হিসেবে উপস্থাপন করবেন, ৮০) কিভাবে বুদ্ধিদীপ্ত কথা বলবেন, ৮১) কথা বলার ৫টি বিস্ময়কর টেকনিক, ৮২) কিভাবে মানুষকে আকৃষ্ট করবেন? ৮৩) অকারণে সময় নষ্ট? মেল রবিনের ৫ সেকেন্ড রুল, ৮৪) কর্পোরেট আদবকেতা, ৮৫) ৩৫টি কর্পোরেট কালচার ও আপনার করণীয়, ৮৬) যা না জানলে লজ্জায় পড়তে হয় , ৮৭) কাজের সময়ে যে বিষয়গুলো একেবারেই করা উচিৎ না , ৮৮) ক্যারিয়ারে সাফল্য পেতে ছুড়ে ফেলুন ৭টি দোষ, ৮৯) আকাক্সক্ষা, ইচ্ছে বা স্বপ্ন,
৯০) বক্তৃতা প্রশিক্ষণ, কাজ কিভাবে করবেন? ৯১) আত্মশক্তিতে বলিয়ান হতে, ৯২) একনাগাড়ে চলবেন না, ৯৩) মারফিস ’ল , কাজের রোডম্যাপ তেরি , ৯৪) জব স্যাটিসফেকশন, ৯৫) কাজে সফলতার সূত্রাবলী, ৯৬) যেভাবে জীবনযাপন করবেন, ৯৭) পরিণত বুদ্ধির মানুষেরা যে কাজগুলো কখনোই করেন না, ৯৮) জীবনে দক্ষতা অর্জনের কার্যকর ১২টি উপায়, ৯৯) সঠিক লক্ষ্য নির্ধারণ ও কাজ করার উপায় , ১০০) সফলতা ও সার্থকতা, ১০১) জীবনের ছোট ছোট প্রাপ্তিগুলোকে উপভোগ করা, ১০২) সফলতার কিছু পদ্ধতি, ১০৩) সফল হতে চাইলে যে ৮ টি জিনিস বাদ দেয়া প্রয়োজন, ১০৪) সফল ব্যক্তিরা যে ১০টি কাজ কখনোই করেন না, ১০৫) সর্বদা স্মরণ রাখুন, ১০৬) চিন্তাশক্তি , ১০৭) স্বাধীনতা, ১০৮) জ্ঞান অর্জন খাদ্য গ্রহণের মতো , ১০৯) দৃঢ় প্রতিজ্ঞ হয়ে চেষ্টা করলে কখনোই বিফল হবেন না, ১১০) বুদ্ধির সংজ্ঞা হলো, প্রতিটি কাজ ভেবে-চিন্তে করা, ১১১) ব্যক্তিত্ব, চেহারা ও ব্যক্তিত্ব , ১১২) সেলডন-এর গবেষণা , ১১৩) ব্যক্তিত্ব ও উচ্চারণ, ১১৪) পোশাক ও ব্যক্তিত্ব, ১১৫) প্রথম দেখায় ব্যক্তিত্বের ছাপ, ১১৬) বিচ্ছিন্নতা ব্যক্তিত্বের বড় শত্রু, ১১৭) ব্যক্তিত্বে জিনগত প্রভাব, ১১৮) অন্তর্মুখী ও বহির্মুখী ব্যক্তিত্ব, ১১৯) মনোমুগ্ধকর ব্যক্তিত্বের ১০ বৈশিষ্ট্য, ১২০) ব্যক্তিত্বের উৎকর্ষতার জন্যে ১০ নির্দেশনা, ১২১) কিভাবে ব্যক্তিত্বের বিকাশ ঘটাবেন? , ১২২) নিজেকে স্মার্ট করতে ৫টি কৌশল, ১২৩) আকর্ষণীয় মানুষ হবার ৬টি পরামর্শ, ১২৪) আত্মশুদ্ধি , ১২৫) হতাশ হবেন না, ১২৬) পাছে লোকে কিছু বলে, ১২৭) সুখ-শান্তি উন্নতি , ১২৮) চাহিদা, ১২৯) খাদ্য, ঘুম ও বিশ্রাম, ১৩০) স্বাস্থ্য ভাল রাখার নিয়ম, ১৩১) টেনশন দূর করতে হলে, ১৩২) শুধু নিজের কথা নয়, অন্যের কথাও ভাবুন, ১৩৩) চাহিদা যত বেশি সুখ তত কম, ১৩৪) সুখী জীবনের জন্য ১৮ টি টিপস, ১৩৫) আত্মবিশ্বাস, আত্ম বিশ্বাসের শক্তি, ১৩৬) অজুহাতের ব্যাধিতে আক্রান্ত ব্যর্থ মানুষ, ১৩৭) দি সেভেন হ্যাবিট অফ হাইলি এ্যা ফেক্টিভ পিপল, ১৩৮) সামাজিক আয়না, ১৩৯) প্রোএ্যাক্টিভিটি, ১৪০) সার্কেল অফ ইনফ্লুয়েন্স, ১৪১) শুরু করুন আজই, ১৪২) আপনার কেন্দ্রবিন্দু কোনটি?, ১৪৩) মাথার দুটি অংশই ব্যবহার করুন, ১৪৪) সময়ের ব্যবস্থাপনা, ১৪৫) ব্যক্তিগত ব্যবস্থাপনা, ১৪৬) গুরুত্বপূর্ণ এবং জরুরি, ১৪৭) পরনির্ভরশীল জীবন, ১৪৮) ছয়টি উপায়ে অন্য মানুষের সাথে আদান-প্রদান, ১৪৯) অধ্যয়ন, ১৫০) পড়াশোনায় ১২ কার্যকর কৌশল, ১৫১) ঘুম থেকে উঠতে ১০-৩-২-১-০ ফর্মুলা, ১৫২) আয়-ব্যয়- টাকা, ১৫৩) অন্যকে খুশি করতে পয়সা খরচ যে কারণে অর্থহীন, ১৫৪) খরচের লাগাম টেনে ধরতে.. ১৫৫) নারী, ১৫৬) সম্পর্ককে সুন্দর রাখতে কিছু “মিথ্যা” বলা জরুরী , ১৫৭) ছেলেদের কোন জিনিস দেখে মেয়েরা? , ১৫৮) স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর কিছু অভ্যাস, ১৫৯) ভুঁড়ি ঠেকাতে ৫টি নিয়ম, ১৬০) যেসব কারণে নারীদের স্বাবলম্বী হওয়া উচতি , ১৬১) বিয়ে-সংসার, ১৬২) সফল বিয়ের তিনটি মন্ত্র, ১৬৩) সুখী হবার দারুণ কিছু মূলমন্ত্র, ১৬৪) কিছু গল্প, ১৬৫) ভালোবাসাহীন সম্পর্ক, ১৬৬) কেন স্পর্শের প্রয়োজন হয় প্রতিদিন, ১৬৭) যে কারণে একা থাকাই আপনার জন্য ভালো, ১৬৮) ব্যবসা, ১৬৯) বিক্রয় বৃদ্ধির কৌশল, ১৭০) যে ৭টা ব্যাপার বিজনেসে করবেন না, ১৭১) স্বাস্থ্য, ১৭২) দুগ্ধজাত খাবারে পুরুষের বন্ধ্যত্ব, ১৭৩) একাকিত্বের বিপদ, ১৭৪) কর্মক্ষম ও প্রফুল্ল রাখতে, ১৭৫) মন ভালো করার উপায়, ১৭৬) যৌন স্বাস্থ্য, ১৭৭) পুরুষদের কেজেল, ১৭৮) মহিলাদের কেজেল, ১৭৯) দক্ষতা , ১৮০) আলসেমি দূর করার সহজ কিছু উপায়, ১৮১) কীভাবে সামলাবেন নিন্দুকদের ?, ১৮২) সুখী হতে চাইলে যা কখনোই করবেন না, ১৮৩) সব ভুলে যাচ্ছেন? স্মৃতিশক্তি চাঙ্গা রাখতে ৫টি টিপস, ১৮৪) বয়সের ভারে বৃদ্ধ না হয়ে বরং কাজের ভারে যুবক থাকার চেষ্টা করো, ১৮৫) নিজেকে কাজের সঙ্গে সম্পক্ত করার তিনটে স্টেপ, ১৮৬) জীবনের লক্ষ্য নির্ধারণে দ্রুত পদ্ধতিগুলো, ১৮৭) প্রতিদান পাওয়ার আশায় কাজ করবেন না, ১৮৮) প্রেম একটি মানসিক রোগ, ১৮৯) সম্পর্ক ভেঙ্গে যাবার পর নিজেকে যেভাবে সামলাবে, ১৯০) সময় সবকিছু বদলে দেয়, ১৯১) সম্পর্ক তৈরির ক্ষেত্রে কমন পাঁচটি ভুল, ১৯২) আত্মবিশ্বাস/মনোবল, ১৯৩) প্যারাসুট অফ হ্যাপিনেস, ১৯৪) বারবার ঘুরে দাঁড়াতে হবে, ১৯৫) আত্মবিশ্বাসহীন মানুষের লক্ষণ, ১৯৬) বাড়াও আত্মবিশ্বাস, বাড়বে সফলতা, ১৯৭) প্রাতিষ্ঠানিক সম্পর্ক শক্তিশালী করার টিপস, ১৯৮) কিভাবে ধরে রাখবে দু'জনের সম্পর্ক, ১৯৯) কিভাবে বুঝবে সম্পর্ক শেষ করতে হবে, ২০০) সম্পর্ক যখন প্রেম-ভালোবাসার, ২০১) যেসব বিষয়ের উপর স¤পর্ক গড়ে ওঠে, ২০২) ভালোবাসার অপর নাম প্রয়োজন, ২০৩) সম্পর্কের গুণগত মান বাড়বে কিভাবে, ২০৪) মস্তিস্ক ঠিক রাখার ৩০ উপায়, ২০৫) মানুষের আচরণের পেছনে একটা কারণ থাকে, ২০৬) কোনো কাজে নিজেকে সম্পক্ত না করেই আমরা নিজ ক্যারিয়ারকে এগিয়ে নিয়ে যাই ২০৭) স্রোতের বিপরীতে চিন্তা করুন, ২০৮) আপনার টাইমজোনে সময় আসবেই, ২০৯) চাইল্ডহুড অ্যামনেসিয়া এবং আমাদের শিক্ষণীয়,