স¤পর্ক তৈরি করা
ডায়লগ: সম্পর্কের মাত্রা নির্ভর করে আপনি কি মাত্রায় যোগাযোগ রক্ষা করবেন তার উপর।
ছন্দ: অতি প্রণয় বা ভাব যেখানে
নিত্যি যাবে না সেখানে।
যদি যাও নিত্য,
ঘটবে একটা কীর্তি।
বিশ্লেষণ: অনেকেই স¤পর্ক তৈরিতে কোনোও সময় ব্যয় করতে চায় না। এটাতে সময় ব্যয় করাকে নষ্ট খাত হিসেবে ধরে নেয়। কিন্তু এটা একটি বড় ক্ষেত্র। তা নতুন সম্ভাবনাকে রিকগনাইজ করে, সঠিক চিত্তবিনোদন করতে সহায়তা করে। এই পৃথিবীতে যত সফল মানুষ আছে, তাদের সবার ভেতর দুইটি জিনিস কমন। তাদের কঠোর পরিশ্রম এবং তাদের কানেকশন।
আপনি একটি প্রতিষ্ঠানের প্রধান নির্বাহী হোন, কিংবা সাধারণ কর্মী, কিংবা একজন সাদামাটা মা-বাবা, আপনি যখনই অন্য কারও সাথে যোগাযোগ করতে যাবেন, সেই মুহূর্তে আসলে আপনি অন্যের উপর নিজের ছাপ রেখে যাচ্ছেন। সম্পর্কে যদি দীর্ঘ মেয়াদী প্রভাব ফেলতে চান, তাহলে সম্পর্কের আদান-প্রদানের ফরম্যাটটা আপনাকে শিখতে হবে। মানুষ মূলত দুইটি উপায়ে অন্য মানুষের সাথে আদান-প্রদান করে থাকে।
১. উভয়ই জেতা:
উভয়ের জন্য এটি ভালো একটা প্রক্রিয়া, যাতে তারা প্রতিনিয়ত উভয় পক্ষের ভালোটা খুঁজতে থাকে। এটা হলো এক ধরনের ‘দর্শন’ যার মাধ্যমে আপনাকে মূলত এই গুণটি অর্জন করতে হবে। এই গুণের মানুষগুলো সবকিছুতেই উভয়পক্ষের স্বার্থটি খেয়াল রাখে। তারা বিশ্বাস করে উভয়কেই জিততে হবে এবং উভয়কেই পরিতৃপ্ত হতে হবে। এরা পৃথিবীকে প্রতিযোগিতাপূর্ণ কোনো খেলার মাঠ হিসেবে দেখে না; এরা মূলত সহযোগিতা এবং সহমর্মিতা দিয়ে সবকিছু পরিচালিত করেন। তারা বিশ্বাস করে, এই পৃথিবীতে অনেক আছে, সেটা সবাই ভাগ করে নিলেও নিজের কমতি হবে না। তারা অপরকে ভাগ দেবার নীতির উপর নির্ভর করে পরিচালিত হয়।
২. অন্যকে হারিয়ে জেতা:
বাংলাদেশের বেশিসংখ্যক মানুষ হলো অপরকে হারিয়ে জেতার মানসিকতায় পরিচালিত মানুষ। তাদের ব্রেইনে এই স্ক্রিপ্টটা বসে আছে। তারা সব সময় জিততে চায় এবং অন্যকে ঠকিয়ে জিততে চায়। এর বাইরে এরা ভাবতেই পারে না। একটা কঠিন প্রতিযোগিতার ভেতর নিজেকে গড়ে তুলেছে এই গোত্রের মানুষগুলো। গবেষণায় দেখা গেছে, এই ধরনের মানসিকতা বেশিরভাগ ক্ষেত্রে তাদের খুব ছোটবেলা থেকেই মাথায় গেথে যায়। তারা বেড়ে ওঠে এই ফর্মূলা দিয়ে। তারা তাদের পরিবার থেকে এটা পেয়ে থাকে।
এই ধরনের মনসিকতা তৈরিতে আরেকটি স্থান হলো আমাদের শিক্ষা ব্যবস্থা। আমাদের স্কুল, কলেজ কিংবা বিশ্ববিদ্যালয় কোথাও সহযোগিতার মনোভাব নেই। আমরা ক্লাসে একটি চরম প্রতিযোগিতাপূর্ণ পরিবেশ তৈরি করি। তারা টিম প্লেয়ার হয় না।
এই পৃথিবীর সবচেয়ে কঠিন কাজটি হলো ‘কমিউনিকেশন’ বা ‘যোগাযোগ’। আমরা যখন কোথাও চাকরির জন্য মানুষ খুঁজি, সেখানে একটি বিষয় উল্লেখ থাকে, প্রার্থীর ভালো কমিউনিকেশন স্কিল থাকতে হবে।
বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গেছে, আমাদের যোগাযোগের মাধ্যম হিসেবে যতগুলো মাধ্যম রয়েছে, তার ভেতর টেক্সট (লেখার মাধ্যমে) মাত্র শতকতা ১০ ভাগ সঠিকভাবে বোঝানো যায়। অর্থাৎ এই যে আমি লিখছি, এটার মাত্র ১০ ভাগ একজন পাঠক বুঝতে পারছেন। বাকিটুকু হারিয়ে যাচ্ছে। এখন এই আমি যদি আপনার সাথে ফোনে কথা বলতাম, তাহলে সেটা হতো ৩০ ভাগে। অর্থাৎ ভয়েস কমিউনিকেশন শতকরা ৩০ ভাগ ইফেক্টিভ। আপনি শতকরা ৬০ ভাগ ইফেক্টিভ কমিউনিকেশন করতে পারেন সামনা-সামনি, নয়তো ভিডিও কমিউনিকেশনে। মুখোমুখি যোগাযোগ ব্যবস্থায় একজনের গলার স্বর, ব্যক্তিত্ব, শরীরের ভাষা সবকিছু ক্যাপচার করে আপনার চোখ-কান ব্রেইনকে দেয়; আপনার ব্রেইন সেগুলো প্রসেস করে আপনাকে যা বোঝায়, আপনি তাই বোঝেন।
মানুষ প্রতিনিয়ত তার চারপাশের মানুষের সাথে যোগাযোগ করছে। আপনি হেঁটে যাচ্ছেন, কারো সাথে কোনো কথা বলছেন না- কিন্তু এই হেঁটে যাওয়ার ভেতর দিয়েও কিন্তু আপনি অন্যদের সাথে যোগাযোগ করছেন। অন্যরা আপনাকে পড়ছে। মানুষ আপনাকে নিত্যদিন, প্রতিমুহূর্তে পড়ছে।
বলার আগে শোনা:
আপনি যদি হিরো বা পাওয়ারফুল হতে চান, তাহলে আপনার ভালো যোগাযোগ দক্ষতা তৈরি করতে হবে। আর এই যোগাযোগ করার ক্ষমতা বাড়ানোর একটি বড় উপায় হলো, কাউকে নিজের কিছু বুঝাতে যাওয়ার আগে সেই মানুষটিকে বুঝতে পারা। অর্থাৎ আগে সেই মানুষটিকে বুঝুন, তারপর আপনার বিষয়টি বোঝান। ‘যোগাযোগ’ হলো যেকোনো মানুষের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ একটি দক্ষতা। জীবনের কতটা বছর পার করেছেন লিখতে এবং পড়তে? মনে আছে সেটা? সেই স্কুল জীবন থেকে শুরু করে কতগুলো বছর পার করলেন? আর কথা বলা শেখার জন্য কতটা সময়? অনেকে এখনও কথা কীভাবে বলতে হয়, সেটা ট্রেনিং নিয়ে থাকে। কিন্তু কখনও কি শোনা-র জন্য সময় ব্যয় করেছেন?
কাউকে বুঝতে হলে শুনতে হবে। হৃদয় দিয়ে শুনতে হবে। কিন্তু আমাদের শিক্ষা ব্যবস্থায় শোনার জন্য কোনো কোর্স নেই। আমরা ধরেই নিয়েছি, কান আছে আপনি শুনবেন। কিন্তু একইভাবে যদি ধরে নিতাম, আপনার মুখ আছে আপনি কথা বলতে শিখে যাবেন- সেটা কি করেছি? নাকি বছরের পর বছর ধরে কথা বলা শিখেছি? কথা বলা শেখার জন্য ট্রেনিং নিয়েছি। কিন্তু শোনার জন্য কোনো ট্রেনিং আমরা নিই না। যে কারণে আমরা অন্য কাউকে ততোটা বুঝতে পারি না।
ধরুন, আপনার স্ত্রী, প্রতিবেশী, আপনার সহকর্মী, আপনার বন্ধু- সে যেই হোক, যদি আপনাকে প্রভাবিত করতে চায়, তাদেরকে আগে আপনার কথা মন দিয়ে শুনতে হবে। আর সেটা করতে হবে সততার সাথে কোনো চালাকি না করে।
আপনার চরিত্র বা বৈশিষ্ট্য প্রতিনিয়ত আপনার শরীর থেকে চারদিকে ছড়িয়ে পড়ছে। এটা অনেকটা সূর্য থেকে প্রতিনিয়ত আলো ছড়ানোর মতো বিষয়। আপনি প্রতিটি মুহূর্তে চারপাশে আপনার বৈশিষ্ট্যকে ছড়াচ্ছেন। আপনি আসলে কমিউনিকেট করছেন এবং দীর্ঘ সময় ধরে আপনার এই বৈশিষ্ট্যের কারণে আপনার প্রতি আমার বিশ্বাস কিংবা অবিশ্বাস তৈরি হবে। আর যতক্ষণ না আপনার উপর আমার সেই বিশ্বাস জন্ম নেবে, ততোক্ষণ আমি নিজেকে আপনার কাছে খুলে ধরব না। আর যতক্ষণ না আমি আপনার কাছে নিজেকে উন্মুক্ত করছি, ততোক্ষণ আমাকে আপনি প্রভাবিত করতে পারবেন না।
চীনে এক ধরণের বাঁশ আছে যাদের লাগানোর পর প্রথম চার বছর জল, সার দিতে হয়। কিন্তু বাঁশ গাছটি বাড়ে না। কিন্তু পঞ্চম বছরে বাঁশ গাছটি হঠাৎ ছয় সপ্তাহে ৯০ ফুট লম্বা হয়ে যায়।
তাহলে কি বলা যাবে যে, বাঁশ গাছটি পাঁচ বছরই অলস সময় কাটিয়েছিল। বাইরে কোনো দৃশ্যমান পরিবর্তন ছিলো না বটে। কিন্তু ভিতরে শিকড় চালিয়ে শক্তি সংগ্রহ করেছে বাঁশটি, তা দেখা যায়নি। আবার জল এবং সার না দিলেও গাছটি বাঁচতো না। প্রকৃতি থেকে আমাদের শিক্ষা নেওয়া উচিত। ধৈর্য ধরুন, বিশ্বাস রাখুন এবং সঠিক কাজ করে যান। ফলাফল এখন দৃশমান না হলেও, কিন্তু দেখবেন, একদিন লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে আপনার সাফল্য, এটা ঘটবেই। মনে রাখবেন, কোনো প্রচেষ্টাই একেবারে বিফলে যায় না।
স¤পর্ককে সুন্দর রাখতে যে ১৩টি “মিথ্যা” বলা একান্ত জরুরী
আপনি যদি চান সঙ্গী/সঙ্গিনীর সাথে আপনার স¤পর্কটা আজীবন মিষ্টি থাকুক এবং ভুল বোঝাবুঝি না হোক, তাহলে অবশ্যই বলতে হবে কিছু মিথ্যা।
১) হ্যাঁ, অতীতেও আপনার স¤পর্ক ছিল কারো সাথে। এবং স¤পর্কটি খুব গভীর ছিল। কিন্তু যা গিয়েছে তা গিয়েছে আজীবনের জন্য। বর্তমানে যে মানুষটির সাথে আছেন, তাঁকে কখনো বলবেন না যে অতীত স¤পর্কটি কি ভীষণ গভীর ছিল।
২) অতীতের প্রেমিক বা প্রেমিকাকে আপনি এখনো মিস করেন বা তাঁর কথা ভুলতে পারেননি, এটাও বর্তমান মানুষটিকে বলতে যাবেন না।
৩) হয়তো প্রিয় মানুষটির পরিবারকে আপনার পছন্দ নয়, তাঁদের সাথে মোটেও বনে না। কিন্তু এই কথাটি তাঁকে বলতে গেলে অযথা যন্ত্রণায় পড়বেন।
৪) আপনি তাঁকে কতটা ভালোবাসেন, সেটা বেশি হোক বা কম, সত্যিকারের পরিমাণটি কখনো প্রকাশ করবেন না। স¤পর্কে একটু রহস্য থাকা ভালো!
৫) তাঁর বন্ধুদের ব্যাপারে আপনি আসলে কী ভাবেন, সেই সত্যটিও গোপন রাখুন।
৬) হয়তো তাঁর এমন কোন লজ্জা বা বিব্রতকর অবস্থার কথা আপনি জেনে গিয়েছেন, যা তিনি আপনাকে জানাতে চান না। এক্ষেত্রে জেনেও না জানার ভান করে থাকুন। কী লাভ মানুষটাকে লজ্জা দিয়ে?
৭) তিনি হয়তো দেখতে অসুন্দর হয়ে পড়েছেন বা কোন পোশাকে তাঁকে দেখতে ভালো লাগছে না, এই ব্যাপারটি কখনো তাঁকে বলবেন না।
৮) আপনার পরিবার যদি তাঁকে অপছন্দ করে থাকে, সেটাও মানুষটিকে জানাতে যাবেন না।
৯) তাঁর কোন কাজ আপনার কাছে হাস্যকর বা বিচিত্র মনে হলেও সেটা তাঁকে জানাবেন না। কৌশলে অভ্যাসটি পরিবর্তনের চেষ্টা করতে পারেন।
১০) মানুষ কখনোই আরেকজন মানুষের সাথে সারাক্ষণ থাকতে পারে না। আপনিও হয়তো মাঝে মাঝে খুব বিরক্ত হয়ে পড়েন। কিন্তু এটা কখনো প্রিয় মানুষের সামনে প্রকাশ করবেন না।
১১) ঠিক কতজন প্রেমিক বা প্রেমিকা ছিল আপনার, এই বিষয়টি কখনো প্রকাশ করবেন না যদি সংখ্যাটি অনেক বেশি হয়ে থাকে।
১২) নিজের পরিবারের ব্যাপারে কোন নোংরা সত্য তাঁকে জানাবেন না।
১৩) তাঁর কিনে দেয়া কোন উপহার হয়তো আপনার মোটেও ভালো লাগেনি। সেটাও মানুষটিকে বলতে যাবেন না।
. তুমি সবসময় এটা করো বা ওটা করো। অথবা তুমি কখনোই এটা করো না.... এমন কথা বলার ক্ষেত্রে এর বিকল্প কোনো কথা বলুন।
২. অমুক কত আকর্ষণীয় আপনার সঙ্গীকে যদি অন্য কারো সঙ্গে তুলনা করেন এবং অন্যকে তার চেয়ে আকর্ষণীয় বলেন, তাহলে এটা সত্যিই বড় সমস্যা তৈরি করে। এটি কোনো লঘু সমস্যাকেও অনেক বড় করে তৈরি করতে পারে।
৩. তুমি ঠিক তোমার বাবা/মায়ের মতো....কোনো দোষের বিষয়ে যদি আপনার সঙ্গীকে তার বাবা বা মায়ের সঙ্গে তুলনা করেন তার মতো বিব্রতকর বিষয় আর হয় না।
৪. এটা তোমার সবসময়ের সমস্যা
সঙ্গীর যদি কোনো সমস্যা হয়, আর সেটাকে আপনি তেমন একটা পাত্তা না দিয়ে তার সবসময়ের সমস্যা বলে চালিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করেন, তাহলে এটা সত্যিই বিব্রতকর।
৫. আমাকে ঠকাচ্ছো, এটা আগে বলা উচিত ছিল....স¤পর্কের ক্ষেত্রে এমন কথা বলা উচিত নয়। এতে অনেক সমস্যা হতে পারে।
সূচিপত্র
১) ছোটদের সাথে আমাদের আচরণ ২) পরিবার ও সন্তান, সুপার পাওয়ার যেভাবে তৈরি হয়, ৩) দীর্ঘস্থায়ী ভয়ের উৎপত্তির মূলে শৈশবকালে ঘটে যাওয়া ঘটনার প্রভাব , ৪) সন্তানের উৎসাহ এবং উদ্দীপনা বাড়ানো, ৫) আপনার শিশুটি ঘুমুক শান্তিতে এবং নির্ভরতায় , ৬) কিছু অব্যর্থ টিপস, যা আপনার শিশুকে পড়াশোনায় আগ্রহী করে তুলবে, ৭) শিশুকে কিভাবে বড় করবেন, ৮) বাচ্চাদের মস্তিষ্ক বিকাশে কী করবেন? ৯) বাচ্চাদের বুদ্ধি বিকাশের অন্যতম পথ, দৌড়, ১০) বাচ্চাকে কখনো আড়ালে লুকিয়ে খেতে দেবেন না, ১১) পিটার সিংগারের দর্শন, ১২) দুষ্টু শিশুরা তাড়াতাড়ি শেখে, ১৩) সন্তানকে যতই শাস্তি দেবেন ততই সে অসামাজিক হবে, ১৪) বাবা-মাই সন্তানকে নির্যাতন করেন সবচেয়ে বেশি , ১৫) সন্তানের সাথে কিভাবে গড়ে তুলবেন নিবিড় বন্ধন, ১৬) যে ১১টি কথা শিশুকে কখনোই বলবেন না!, ১৭) শিশুকে গল্প শোনান প্রতিদিন, ১৮) সন্তানের আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধির ১০টি কৌশল, ১৯) সৃজনশীলতা হচ্ছে নতুন কিছু করার যোগ্যতা, ২০) যারা মুখস্থ করতে পারেন না, ২১) তারা মেধাবী, মেধাবী হওয়ার উপায়,
২২) কথা ও ভাষা, ২৩) এলিভেটর পিচ, ২৪) সুন্দর করে কথা বলে সমস্যা জয়ের কৌশল, ২৫) ফোনে কথা বলার আদবকেতা, ২৬) ১২টি কর্ম বিধান, ২৭) ভালোবাসার অপর নাম প্রয়োজন, ২৮) আলতু-ফালতু কাজে সময় অপচয় করে স্বপ্ন পূরণের কল্পনা, ২৯) স্ট্রেস ম্যানেজমেন্ট, ৩০) চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিন পিং-এর জীবন থেকে শিক্ষা, ৩১) অভিজ্ঞতা ও অতীত থেকে শিক্ষা গ্রহণ, ৩২) বর্তমানকে সবচেয়ে বেশি মূল্য দিন, ৩৩) ২৪ ঘণ্টা কেউ সুখী হয় না, ৩৪) কিছু অভ্যাস যা আপনাকে আরও সুখী করবে , ৩৫) আপনার অবয়ব , ৩৬) সফলতার 25টি হট কৌশল-1, ৩৭) সাফল্যের 25টি হট কৌশল-2, ৩৮) সফলতার 55 সূত্র, ৩৯) কিভাবে নিজেকে নেতা হিসেবে গড়ে তুলবে, ৪০) সময় ব্যবস্থাপনা, ৪১) সময় ব্যবস্থাপনার তিনটি ধাপ, ৪২) সময়কে যথাযথভাবে কাজে লাগানোর উপায়গুলো, ৪৩) সাফল্য, ড. কোভের ইমোশনাল একাউন্ট কনসেপ্ট, ৪৪) সবচে বড় ইমোশনাল একাউন্ট, ৪৫) আপনার ইমোশনাল একাউন্ট, ৪৬) বুদ্ধি ও বিবেচনাবোধ বর্জিত কর্মফল বিপজ্জনক, ৪৭) অন্যদের দিয়ে আপনার কাজ করান কিন্তু সম্মান আপনি অর্জন করুন, ৪৮) অন্য লোকেরা আপনার কাছে আসুক দরকার হলে টোপ দিন, ৪৯) অসুখী এবং ভাগ্যহীনদের বর্জন করুন, ৫০) লোককে আপনার ওপর নির্ভরশীল করুন , ৫১) নেওয়ার পূর্বে দেওয়া অন্য বক্তির স্বার্থ বুঝুন, ৫২) শত্রুকে খাটো করে দেখবেন না, ৫৩) নিজেকে রক্ষা করার জন্য চারিদিকে দুর্গ নির্মাণ করবেন না, ৫৪) কারোর পক্ষ অবলম্বন করে বসে থাকবেন না, ৫৫) আপনার শক্তিসমূহকে সংহত করুন, ৫৫) নিজের ভুলগুলোকে লুকিয়ে রাখুন, ৫৬) শুধু সাহসের জোরে নয়, পরিণতিও বিবেচনায় রাখুন, ৫৭) প্রতিটি মানুষের গোপন ইচ্ছা খুঁজে বের করুন, ৫৮) রাগ বিপজ্জনক ও অভদ্রতা, ৫৯) কোনো দলকে ধরার জন্য দলপতিকে প্রথমে ধরুন, ৬০) নিজেকে গুরুত্বপূর্ণ মনে করুন, গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবেন, ৬০) পরিবেশ সামলাতে শিখুন, ৬১) প্রথম শ্রেণির মানুষ হয়ে উঠুন, ৬২) আপনার সামাজিক পরিবেশ ‘প্রথম শ্রেণি’র করে তোলার উপায়, ৬৩) ‘সস্তার তিন অবস্থা’ প্রধম শ্রেণিভুক্ত হয়ে উঠুন , ৬৪) যত বেশি বন্ধুত্ব তত বেশি উপরে ওঠার সম্ভাবনা, ৬৫) সাহস করে কাজটা শুরু করুন, ৬৬) সাফল্য মানে বারবার ভিন্নভাবে চেষ্টা করা, ৬৭) ১- ১০ ভাল অভ্যাস, ১১- ২০ ভাল অভ্যাস, ২১- ৩০ ভাল অভ্যাস, ৩১- ৪০ ভাল অভ্যাস, ৪১- ৫০ ভাল অভ্যাস, ৫১- ৬০ ভাল অভ্যাস, ৬১- ৭০ ভাল অভ্যাস, ৭১- ৮০ ভাল অভ্যাস, ৮১- ৯০ ভাল অভ্যাস, ৯১- ১০২ ভাল অভ্যাস, ৬৮) জিরো থেকে হিরো, ৬৯) সৃজনশীলদের সফলতার ৭ সূত্র, ৬৯) জীবনে পরিবর্তন আনুন ৪৮টি উপায়ে, ৭০) জীবন-যাপন, ৭১) জাপানী ও চিন লাইফ স্টাইল , ৭২) ৩০টি দর্শন, যা আপনার জীবনে কাজে লাগবে, ৭৩) সম্পর্ক তৈরি করা, বন্ধুত্ব, ৭৪) যে আচরণগুলো মানুষের মনের কথা জানাবে, ৭৫) কথা বলার সূত্র, ৭৬) আপনি ও আপনার ব্যবহার, ৭৭) নিজেকে সঠিকভাবে উপস্থাপন করা, ৭৮) কথা বলার কতিপয় গুরুত্বপূর্ণ নিয়ম, ৭৯) কিভাবে নিজেকে বিনয়ী হিসেবে উপস্থাপন করবেন, ৮০) কিভাবে বুদ্ধিদীপ্ত কথা বলবেন, ৮১) কথা বলার ৫টি বিস্ময়কর টেকনিক, ৮২) কিভাবে মানুষকে আকৃষ্ট করবেন? ৮৩) অকারণে সময় নষ্ট? মেল রবিনের ৫ সেকেন্ড রুল, ৮৪) কর্পোরেট আদবকেতা, ৮৫) ৩৫টি কর্পোরেট কালচার ও আপনার করণীয়, ৮৬) যা না জানলে লজ্জায় পড়তে হয় , ৮৭) কাজের সময়ে যে বিষয়গুলো একেবারেই করা উচিৎ না , ৮৮) ক্যারিয়ারে সাফল্য পেতে ছুড়ে ফেলুন ৭টি দোষ, ৮৯) আকাক্সক্ষা, ইচ্ছে বা স্বপ্ন,
৯০) বক্তৃতা প্রশিক্ষণ, কাজ কিভাবে করবেন? ৯১) আত্মশক্তিতে বলিয়ান হতে, ৯২) একনাগাড়ে চলবেন না, ৯৩) মারফিস ’ল , কাজের রোডম্যাপ তেরি , ৯৪) জব স্যাটিসফেকশন, ৯৫) কাজে সফলতার সূত্রাবলী, ৯৬) যেভাবে জীবনযাপন করবেন, ৯৭) পরিণত বুদ্ধির মানুষেরা যে কাজগুলো কখনোই করেন না, ৯৮) জীবনে দক্ষতা অর্জনের কার্যকর ১২টি উপায়, ৯৯) সঠিক লক্ষ্য নির্ধারণ ও কাজ করার উপায় , ১০০) সফলতা ও সার্থকতা, ১০১) জীবনের ছোট ছোট প্রাপ্তিগুলোকে উপভোগ করা, ১০২) সফলতার কিছু পদ্ধতি, ১০৩) সফল হতে চাইলে যে ৮ টি জিনিস বাদ দেয়া প্রয়োজন, ১০৪) সফল ব্যক্তিরা যে ১০টি কাজ কখনোই করেন না, ১০৫) সর্বদা স্মরণ রাখুন, ১০৬) চিন্তাশক্তি , ১০৭) স্বাধীনতা, ১০৮) জ্ঞান অর্জন খাদ্য গ্রহণের মতো , ১০৯) দৃঢ় প্রতিজ্ঞ হয়ে চেষ্টা করলে কখনোই বিফল হবেন না, ১১০) বুদ্ধির সংজ্ঞা হলো, প্রতিটি কাজ ভেবে-চিন্তে করা, ১১১) ব্যক্তিত্ব, চেহারা ও ব্যক্তিত্ব , ১১২) সেলডন-এর গবেষণা , ১১৩) ব্যক্তিত্ব ও উচ্চারণ, ১১৪) পোশাক ও ব্যক্তিত্ব, ১১৫) প্রথম দেখায় ব্যক্তিত্বের ছাপ, ১১৬) বিচ্ছিন্নতা ব্যক্তিত্বের বড় শত্রু, ১১৭) ব্যক্তিত্বে জিনগত প্রভাব, ১১৮) অন্তর্মুখী ও বহির্মুখী ব্যক্তিত্ব, ১১৯) মনোমুগ্ধকর ব্যক্তিত্বের ১০ বৈশিষ্ট্য, ১২০) ব্যক্তিত্বের উৎকর্ষতার জন্যে ১০ নির্দেশনা, ১২১) কিভাবে ব্যক্তিত্বের বিকাশ ঘটাবেন? , ১২২) নিজেকে স্মার্ট করতে ৫টি কৌশল, ১২৩) আকর্ষণীয় মানুষ হবার ৬টি পরামর্শ, ১২৪) আত্মশুদ্ধি , ১২৫) হতাশ হবেন না, ১২৬) পাছে লোকে কিছু বলে, ১২৭) সুখ-শান্তি উন্নতি , ১২৮) চাহিদা, ১২৯) খাদ্য, ঘুম ও বিশ্রাম, ১৩০) স্বাস্থ্য ভাল রাখার নিয়ম, ১৩১) টেনশন দূর করতে হলে, ১৩২) শুধু নিজের কথা নয়, অন্যের কথাও ভাবুন, ১৩৩) চাহিদা যত বেশি সুখ তত কম, ১৩৪) সুখী জীবনের জন্য ১৮ টি টিপস, ১৩৫) আত্মবিশ্বাস, আত্ম বিশ্বাসের শক্তি, ১৩৬) অজুহাতের ব্যাধিতে আক্রান্ত ব্যর্থ মানুষ, ১৩৭) দি সেভেন হ্যাবিট অফ হাইলি এ্যা ফেক্টিভ পিপল, ১৩৮) সামাজিক আয়না, ১৩৯) প্রোএ্যাক্টিভিটি, ১৪০) সার্কেল অফ ইনফ্লুয়েন্স, ১৪১) শুরু করুন আজই, ১৪২) আপনার কেন্দ্রবিন্দু কোনটি?, ১৪৩) মাথার দুটি অংশই ব্যবহার করুন, ১৪৪) সময়ের ব্যবস্থাপনা, ১৪৫) ব্যক্তিগত ব্যবস্থাপনা, ১৪৬) গুরুত্বপূর্ণ এবং জরুরি, ১৪৭) পরনির্ভরশীল জীবন, ১৪৮) ছয়টি উপায়ে অন্য মানুষের সাথে আদান-প্রদান, ১৪৯) অধ্যয়ন, ১৫০) পড়াশোনায় ১২ কার্যকর কৌশল, ১৫১) ঘুম থেকে উঠতে ১০-৩-২-১-০ ফর্মুলা, ১৫২) আয়-ব্যয়- টাকা, ১৫৩) অন্যকে খুশি করতে পয়সা খরচ যে কারণে অর্থহীন, ১৫৪) খরচের লাগাম টেনে ধরতে.. ১৫৫) নারী, ১৫৬) সম্পর্ককে সুন্দর রাখতে কিছু “মিথ্যা” বলা জরুরী , ১৫৭) ছেলেদের কোন জিনিস দেখে মেয়েরা? , ১৫৮) স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর কিছু অভ্যাস, ১৫৯) ভুঁড়ি ঠেকাতে ৫টি নিয়ম, ১৬০) যেসব কারণে নারীদের স্বাবলম্বী হওয়া উচতি , ১৬১) বিয়ে-সংসার, ১৬২) সফল বিয়ের তিনটি মন্ত্র, ১৬৩) সুখী হবার দারুণ কিছু মূলমন্ত্র, ১৬৪) কিছু গল্প, ১৬৫) ভালোবাসাহীন সম্পর্ক, ১৬৬) কেন স্পর্শের প্রয়োজন হয় প্রতিদিন, ১৬৭) যে কারণে একা থাকাই আপনার জন্য ভালো, ১৬৮) ব্যবসা, ১৬৯) বিক্রয় বৃদ্ধির কৌশল, ১৭০) যে ৭টা ব্যাপার বিজনেসে করবেন না, ১৭১) স্বাস্থ্য, ১৭২) দুগ্ধজাত খাবারে পুরুষের বন্ধ্যত্ব, ১৭৩) একাকিত্বের বিপদ, ১৭৪) কর্মক্ষম ও প্রফুল্ল রাখতে, ১৭৫) মন ভালো করার উপায়, ১৭৬) যৌন স্বাস্থ্য, ১৭৭) পুরুষদের কেজেল, ১৭৮) মহিলাদের কেজেল, ১৭৯) দক্ষতা , ১৮০) আলসেমি দূর করার সহজ কিছু উপায়, ১৮১) কীভাবে সামলাবেন নিন্দুকদের ?, ১৮২) সুখী হতে চাইলে যা কখনোই করবেন না, ১৮৩) সব ভুলে যাচ্ছেন? স্মৃতিশক্তি চাঙ্গা রাখতে ৫টি টিপস, ১৮৪) বয়সের ভারে বৃদ্ধ না হয়ে বরং কাজের ভারে যুবক থাকার চেষ্টা করো, ১৮৫) নিজেকে কাজের সঙ্গে সম্পক্ত করার তিনটে স্টেপ, ১৮৬) জীবনের লক্ষ্য নির্ধারণে দ্রুত পদ্ধতিগুলো, ১৮৭) প্রতিদান পাওয়ার আশায় কাজ করবেন না, ১৮৮) প্রেম একটি মানসিক রোগ, ১৮৯) সম্পর্ক ভেঙ্গে যাবার পর নিজেকে যেভাবে সামলাবে, ১৯০) সময় সবকিছু বদলে দেয়, ১৯১) সম্পর্ক তৈরির ক্ষেত্রে কমন পাঁচটি ভুল, ১৯২) আত্মবিশ্বাস/মনোবল, ১৯৩) প্যারাসুট অফ হ্যাপিনেস, ১৯৪) বারবার ঘুরে দাঁড়াতে হবে, ১৯৫) আত্মবিশ্বাসহীন মানুষের লক্ষণ, ১৯৬) বাড়াও আত্মবিশ্বাস, বাড়বে সফলতা, ১৯৭) প্রাতিষ্ঠানিক সম্পর্ক শক্তিশালী করার টিপস, ১৯৮) কিভাবে ধরে রাখবে দু'জনের সম্পর্ক, ১৯৯) কিভাবে বুঝবে সম্পর্ক শেষ করতে হবে, ২০০) সম্পর্ক যখন প্রেম-ভালোবাসার, ২০১) যেসব বিষয়ের উপর স¤পর্ক গড়ে ওঠে, ২০২) ভালোবাসার অপর নাম প্রয়োজন, ২০৩) সম্পর্কের গুণগত মান বাড়বে কিভাবে, ২০৪) মস্তিস্ক ঠিক রাখার ৩০ উপায়, ২০৫) মানুষের আচরণের পেছনে একটা কারণ থাকে, ২০৬) কোনো কাজে নিজেকে সম্পক্ত না করেই আমরা নিজ ক্যারিয়ারকে এগিয়ে নিয়ে যাই ২০৭) স্রোতের বিপরীতে চিন্তা করুন, ২০৮) আপনার টাইমজোনে সময় আসবেই, ২০৯) চাইল্ডহুড অ্যামনেসিয়া এবং আমাদের শিক্ষণীয়,