নিজেকে সুখী করে তোলার দারুণ কিছু মূলমন্ত্র
পুরুষেরা স্বভাবতই একটু চাপা স্বভাবের হয়ে থাকেন। নিজেদের আবেগ খুব বেশি প্রকাশ করতে পারেন না। নারীরা অনেকভাবেই আবেগ প্রকাশ করে হালকা হয়ে যান, কিন্তু পুরুষের জন্য কাজটা বড় কঠিন। আর যেহেতু সুখ একটি মানসিকভাবে হালকা থাকার বিষয়, সেহেতু সুখী নারীর চাইতে সুখী পুরুষের সংখ্যা একটু যেন কমই।
আপনি সুখী তখনই হবেন যখন আপনার জীবনে সব কিছুর ভারসাম্য বজায় থাকবে। অর্থের পেছনে বেশি ছুটলে অনেক কিছুই হারাবেন, সেই সাথে হারাবেন সুখও। তাই ভারসাম্য বজায় রেখে কাজ করার চেষ্টা করুন। অতিরিক্ত কোনো কিছুই করবেন না। নিজের বন্ধু-বান্ধব নির্বাচনে সতর্ক থাকুন, বন্ধু-বান্ধব জীবনের অনেকটা অংশ জুড়েই থাকে পুরুষের ক্ষেত্রে। অনেক ধরণের সাপোর্ট বন্ধুদের কাছ থেকে পাওয়া যায়। কিন্তু বন্ধু নির্বাচনের ক্ষেত্রে ভুল জীবনে দুঃখ নিয়ে আসে। সুসময়ের বন্ধুদের পাল্লায় পড়লে জীবন থেকে একেবারে দূর হয়ে যায় সুখ।
নিজের প্রতি আত্মবিশ্বাস কমে যাওয়ার পেছনে এই ধরণের বন্ধুদের অনেক বড় হাত রয়েছে। তাই বন্ধু নির্বাচনের ব্যাপারে সতর্ক থাকুন। সুখী হবেন। শরীরের প্রতি যত্নবান হোন স্বাস্থ্যই সকল সুখের মূল কথাটি সকলেই জানেন, কিন্তু মানেন না অনেকেই। বিশেষ করে পুরুষেরা নিজেদের স্বাস্থ্যের ব্যাপারে নজর বেশ কমই করেন। বাইরের অস্বাস্থ্যকর খাবার নারীদের তুলনায় পুরুষ বেশি খান। এছাড়া ধূমপান, মদ্যপানের অভ্যাসও থাকে অনেক পুরুষের। এই সকল জিনিস স্বাস্থ্যের পাশাপাশি মনের ওপরেও অনেক মারাত্মক প্রভাব ফেলে। মানসিক স্বাস্থ্য নষ্ট হয়। মন থেকে দূর হয়ে যায় সুখ। জীবনসঙ্গিনীকে তার প্রাপ্য সময় দিন স্বামী বা প্রেমিক পুরুষের অনেক অভিযোগ থাকে নিজের স্ত্রী বা প্রেমিকা নিয়ে। স্ত্রী ও প্রেমিকাকে নিজের অশান্তির কারণ বলে ধরে নেন অনেকেই। কিন্তু আসলেই কি তাই?
একটু ভেবে দেখুন তো আপনার স্ত্রী বা প্রেমিকা কি কারণে আপনার সাথে তর্ক করছেন বা ঝগড়া করছেন? অথবা তিনি আসলে কী চাইছেন? দেখবেন বেশিরভাগ তর্ক বা ঝগড়ার মূল কারণ হচ্ছে আপনার তার প্রতি কেয়ার না করা, সময় না দেয়া। জীবনসঙ্গিনীকে তার প্রাপ্য সময় দিয়ে দেখুন তো এই ছোটোখাটো ব্যাপারগুলোতে আর তর্ক বাঁধে কিনা।
মনে ক্ষোভ বা দুঃখ পুষে রাখবেন না বেশিদিন কষ্ট পেলে কিংবা কারো দ্বারা প্রতারিত হলে রাগ, ক্ষোভ এবং দুঃখ পাওয়া যায়। কিন্তু মনের মধ্যে এইসকল জিনিস পুষে রাখলে মানসিক স্বস্তি একেবারেই নষ্ট হয়ে যায়। প্রতিশোধ পরায়ণতা এবং দুঃখবিলাসী হওয়া সুখী মানুষের লক্ষণ নয়। পুরুষের মধ্যে এই জিনিসগুলো নজরে বেশি পড়ে। কারণ পুরুষ নিজেদের আবেগ প্রকাশ করতে পারেন না এবং নিজের মনের কথাও কারো সাথে সঠিকভাবে শেয়ার করেন না। কিন্তু যদি সুখ চান তবে এই কাজটি বাদ দিন। মনে ক্ষোভ বা দুঃখ পুষে রাখবেন না বেশিদিন।
যে অভ্যাসগুলো আপনাকে সত্যিকারের সুখী মানুষ হিসেবে গড়ে তুলবে
আপনি কি একজন সুখী মানুষ? আপনার মাথায় আসতে পারে সুখ বলতে আমি কী বুঝাচ্ছি। সুখ বলতে যে যা-ই বোঝাক এবং সুখী যে যেভাবেই হোক না কেন (অবশ্যই মন্দ কাজ করে সুখী হওয়ার কথা বলছি না), সুখের অনুভূতিটা সবারই এক। সুখের কথা বললে আমাদের অনেকের চোখে ভেসে উঠে দীর্ঘ ক্লান্তিময় এবং ব্যস্ত একটা সপ্তাহ পার করার পর সমুদ্রের টানে সমুদ্রের বুকে ঝাঁপিয়ে পড়া কিংবা পাহাড়ের মায়ায় ধরা দিয়ে পাহাড়ি অরণ্যে হারিয়ে যাওয়া, খুব ভালো করে একবেলা খাওয়া, একটা ভালো বই পড়া কিংবা বন্ধুদের নিয়ে উদ্দেশ্যহীন ভ্রমণে বেরিয়ে পড়া। ছোট ছোট এই বিষয়গুলো সুখী মানুষ হতে কাজে লাগে।
পেনসিলভানিয়ার মনোবিজ্ঞানী সেলিগম্যান পৃথিবীর সব মানুষকে তিনটি শ্রেণীতে বিভক্ত করেছেন।
যারা মনে করেন- এত ক্ষুদ্র জীবনে যতটুকু সময় পাওয়া যায় ততটুকু উপভোগ করতে হবে তারা এ শ্রেণীর অন্তর্ভুক্ত। এ শ্রেণির মানুষগুলো জীবনের প্রায় প্রতিটি সৌন্দর্যের এবং প্রতিটা মুহূর্তের স্বাদ নিতে চান। অতীত, ভবিষ্যৎ এবং বর্তমানের সবটুকু সুখ নিয়ে এ শ্রেণীর মানুষ বাঁচতে চায়।
উদ্যোক্তা এবং নিজের স্বপ্নকে পূর্ণতা দানকারী মানুষ এ শ্রেণির অন্তর্ভুক্ত। এ ধরনের মানুষকে সমাজ আপাত চোখে অনেক অসুখী বলে মনে করে, কিন্তু ভেতরে ভেতরে তারা সুখী মানুষ বটে। তারা নিজের স্বপ্নকে পূর্ণতা দেবার জন্য এতটাই কাজের মাঝে ডুবে থাকেন যে সমাজ এদের অসামাজিক বলেও আখ্যায়িত করতে পারে।
এ শ্রেণির মানুষদের আমরা জনসাধারণ মহৎ হৃদয়ের মানুষ কিংবা সাদা মনের মানুষ বলে থাকি। এরা সমাজের নানা ধরনের উন্নয়ন করে থাকেন এবং সমাজ এবং দেশের জন্য আত্মোৎসর্গ করেন।
আপনি যদি এই তিন শ্রেণির কোনোটির মাঝেই না পড়েন তবে দুশ্চিন্তার কোনো কারণ নেই। সুখী হতে হলে কিছু অভ্যাস আপনাকে কব্জা করতে হবে। চলুন দেখে নেই সুখী হওয়ার কয়েকটি কৌশলÑ নিজেই নিজেকে খুশি রাখার চেষ্টা করুন।
হাসির চেয়ে ভালো ঔষধ পৃথিবীতে কম আছে। তাই হাসুন প্রাণ খুলে।
আপনি যতই ভাবছেন যে কেউ আপনাকে হাসি-খুশি আর সুখে রাখার চেষ্টা করবে ততই ভুল করছেন।
নিজের খুশিটা নিজেরই তৈরি করে নিতে হবে। আপনার চারপাশের পরিবেশটাকে সেভাবে সাজানোর চেষ্টা করুন। আর তা যদি না পারেন তবে সেই পরিবেশ থেকে খুশি, সুখ আর আত্মতৃপ্তিটুকু নিজেই খুঁজে নিন। একটা কথা মনে রাখবেন, সৌন্দর্য এবং সুখ কখনোই আপনার কাছে এসে ধরা দিবে না, বরং নিজেকেই তা কুড়িয়ে নিতে হবে। তাহলে এখনই থেকে লেগে পড়ুন নিজেকে সুখী করতে এবং সুখী দেখতে। পছন্দের পরিবেশে পছন্দের মানুষদের সাথে থাকুন
বন্ধুদের সাথে সময় কাটাতে পারেন
এতটুকু পড়ে পাঠক নিশ্চয়ই ভাবছেন খুব তো ভারি ভারি উপদেশ দেয়া হচ্ছে, চাইলেই কি নিজের চারপাশটা বদলানো যায়? না, অবশ্যই না। চাইলেই আপনি আপনার চারপাশটা আমূলে বদলে দিতে পারবেন না। তবে ধীরে ধীরে আপনার অন্তর্নিহিত সুখী মানুষটা ঠিকই পরিবেশ বদলে ফেলতে থাকবে।
তাই ভালো লাগে এমন মানুষদের সংসর্গে থাকুন, ভালো লাগে এমন কাজ করুন এবং নিজের অসুস্থ অসুখী পরিমণ্ডল থেকে বেরিয়ে এসে আবার নিজের পুরোনো ‘আমি’টাকে খুঁজে নিন। দেখবেন আপনা আপনি মন ভালো হতে শুরু করেছে।
অনেক সময় বিবাহিত নারীদের ক্ষেত্রে এমন হয়, বিয়ের পর পরিবারের স্বার্থে নিজেকে উজাড় করে দেন এবং একটা সময় অতিবাহিত হওয়ার পর শ্বশুরবাড়ির পরিবেশ কিংবা শুধুমাত্র পরিবারের সদস্যদের মাঝে নিজেকে বেশ অসুখী এবং বড্ড একলা মনে হয়। তাদের জন্য এই পদ্ধতিটা বেশ কাজের।
পর্যাপ্ত ঘুম
পর্যাপ্ত ঘুম সুখী মানুষের অন্যতম লক্ষণ। ঘুম আপনার শারীরিক ক্লান্তিকে দূর করতে সাহায্য করে। ঘুম কম হলে মস্তিষ্কের স্বাভাবিক কাজকর্মের ব্যাঘাত ঘটে। এতে ঝঃৎবংং ঐড়ৎসড়হব-এর কার্যকলাপ বৃদ্ধি পায়। সুখী মানুষদের খুব ভালো ঘুম হয় কিংবা চাইলে উল্টোটাও ঘটতে পারে আপনার ক্ষেত্রে, ঘুম হোক আপনার সুখের কারণ।
বাঁচার মতো বাঁচুন
আপনি বর্তমানে বাস করছেন। অতীতকে অতীতের মতো থাকতে দিন, অতীতের ভুল ভ্রান্তি থেকে শিক্ষা নিন, কিন্তু কখনোই বর্তমানকে ভুলে গিয়ে অতীতের জমানো কষ্টগুলোকে নাড়াচাড়া করবেন না।
যা গেছে, তা গেছেই; তাকে যেতে দিন। আর ভবিষ্যৎ মানেই অনিশ্চয়তা। অযথা ভবিষ্যৎ নিয়ে অতিরিক্ত চিন্তা করবেন না। ভবিষ্যৎ নিয়ে অতিরিক্ত চিন্তার মানেই হলো যে ধার আপনি করেননি তার সুদ দেয়া। তাই অতীত এবং ভবিষ্যৎকে তাদের মতো থাকতে দিয়ে নিজে বর্তমানটাকে উপভোগ করুন। কারণ সময় একবার গেলে তা আর ফিরে আসে না। তাই যতদিন বাঁচবেন প্রতিটা মুহূর্তকে উপভোগ করে বাঁচুন। আর ভবিষ্যতের জন্য কিছু সুন্দর স্মৃতি এবং সুন্দর মুহূর্তকে তুলে রাখুন।
নিজেকে নিয়ে খুশি থাকুন এবং নিজের যা আছে তা নিয়ে সন্তুষ্ট থাকুন
নিজেকে এবং নিজের যা আছে তা নিয়ে সন্তুষ্ট থাকুন। মনের মাঝে সন্তোষ পোষণ করলে কোনো কিছু না পাওয়ার অপূর্ণতা তেমন কষ্টদায়ক হয় না। মানুষের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করবেন। এতে ঝঃৎবংং ঐড়ৎসড়হব ঈড়ৎঃরংড়ষ-এর নিঃসরণ প্রায় ২৩% হ্রাস পায়। ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের এক গবেষণায় দেখা গেছে, যাদের মাঝে কৃতজ্ঞতা প্রকাশের অভ্যাস আছে, তাদের মাঝে করটিসল হরমোনের প্রভাব অনেক কম এবং তাদের মেজাজ বেশ ভালো থাকে।
ব্যায়াম
এধসসধ – অসরহড়নঁঃুৎরপ অপরফ (এঅইঅ) নামক এক ধরণের নিউরোট্রান্সমিটার, দুশ্চিন্তা দূর করে মস্তিষ্ককে কাজ করার উপযোগী করে তোলে। মোটামুটি ১০ মিনিটের শরীর চর্চায় এটি নির্গত হয়, যা ব্যায়ামের পর আপনাকে দিবে শান্তি এবং কাজ করার ক্ষমতা। অযথা দুশ্চিন্তা মাথা থেকে সরিয়ে দেয় বলে আপনি থাকবেন সতেজ এবং হাসি খুশি। ক্ষমা করুন, কিন্তু ভুলে যাবেন না
সুখী মানুষদের একটি বৈশিষ্ট্য হলো তারা খুব সহজেই ক্ষমা করে দিতে পারে, কারণ ক্ষমা না করলে অযথা অসন্তোষের সৃষ্টি হবে আর অসন্তোষ সুখী লোকজনের নিকট বেশ পীড়াদায়ক। আর ক্ষমা করলেও সুখী মানুষটা পরবর্তীতে যাতে ঝামেলায় না জড়াতে না হয় তাই এই ধরণের মানুষের সংস্রব এড়িয়ে চলে। কিন্তু তারা অপরাধী এবং অপরাধকে ভোলে না। কারণ ক্ষমাকে অপরাধী অনেক সময় মানুষটির দুর্বলতা বলে চিহ্নিত করে। ফলশ্রুতিতে যা হয়, সেই ব্যক্তি একই অপরাধ করে। সুখী মানুষদের একটা নীতি হলো- “ঋড়ড়ষ সব ড়হপব, ংযধসব ড়হ ুড়ঁ; ভড়ড়ষ সব ঃরিপব, ংযধসব ড়হ সব.”
নিজের হৃদয়ের কথা শুনুন
নিজে মনে প্রাণে যা চান তা প্রকাশ করুন এবং তা বাস্তবে পরিণত করুন। না পাওয়ার তীব্র বেদনা মানসিক স্বাস্থ্যের জন্য কখনোই কাম্য নয়। আমরা অধিকাংশ মানুষই অন্যে কি বলবে তা চিন্তা করেই অর্ধেক জীবন পার করে দেই। এতে অন্যের কোনো ক্ষতি হচ্ছে না, আপনিই বরং ভেতরে ভেতরে তড়পে মরছেন। একটি কথা মাথায় রাখবেন, ন্যায় সঙ্গতভাবে আপনি যা-ই করুন না কেন, তা যদি সমাজ প্রথম প্রথম মেনে না-ও নেয়, দেখবেন সময়ে সব সয়ে যাবে। তাই আর দেরি না করে নিজের স্বপ্নগুলোকে ডানা মেলতে দিন। নিজেকে একজন স¤পূর্ণ সুখী মানুষরূপে দেখতে পাবেন। জীবনে অনেক বাধা-বিপত্তি আসবে, অনাকাক্সিক্ষত দুঃখও পাবেন কিন্তু কখনোই ভেঙ্গে পড়া যাবে না।
নিজের যত্ন নিজে নিন, নিজেকে সুখী রাখুন, হাসি খুশি রাখুন দেখবেন পৃথিবীটা খুব সুন্দর হয়ে ধরা দিয়েছে আপনার কাছে। বাবা-মায়েদের বলছি, নিজেরা সুখী হয়ে, সন্তানদের মাঝে চিরসুখের বুনিয়াদ গড়ে দিন।
গল্প থেকে শিক্ষা:
এক বনে একটি কাক বাস করত এবং তার জীবন নিয়ে সে মোটামুটি সন্তুষ্ট ছিল । কিন্তু এক দিন কাকটি উড়তে উড়তে একটি লেকের পাড়ে যায়, সেখানে সে একটি সাদা রাজহাঁসের দেখা পায় । এতে সে মনে ভীষণ কষ্ট পায় আমি কত কালো! এতে সে নিজেকে অসুখী মনে করে।
কাক রাজহাঁসকে বলে তুমি দেখতে কত সুন্দর, তোমার গায়ের রং কত সাদা তুমি কি বিশ্বের সব চেয়ে সুখী পাখি?
''রাজহাঁস'' চিন্তা করে দুঃখের সাথে উত্তর দেয়, না আমার তো মাত্র একটা রং! আমার মনে হয়, তোতাপাখি বিশ্বের সব চেয়ে সুখী পাখি। তার গায়ে দুইটা রং। লেকের ধারে ঝোপেই ছিল তোতা পাখির বাস এইবার কাক তোতা পাখির কাছে গেল।
কাক তাকে প্রশ্ন করল। তুমি কত সুন্দর। তোমার গায়ে দুই রংগের আলপনায় তোমাকে কত ভালো লাগছে নিশ্চয় তুমি বিশ্বের সব চেয়ে সুখী পাখি?
''তোতা পাখি'' হতাশ কন্ঠে বলে আমার তো শুধুমাত্র দুটি রং আছে, কিন্তু ময়ুরের একাধিক রং আছে। আমার মনে হয় সেই বিশ্বের সব চেয়ে সুখী পাখি। তারপর এইখান থেকে কাক চিড়িয়াখানা গেল।
এবং খাচায় বন্দি একটি ময়ুর দেখতে পায় এবং খাচার সামনে শত শত মানুষ ছিল যারা তাকে দেখতে ছিল।
এক সময় মানুষগুলো চলে যায়। তখন কাক ময়ুর কাছে যেয়ে প্রশ্ন করে। "প্রিয় ময়ুর," তুমি এত সুন্দর!! প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষ তোমাকে দেখার জন্য এখানে আসে, অথচ দেখুন মানুষ আমাকে দেখলেই, তারা অবিলম্বে আমাকে দূরে তাড়ান। আমার মনে হয় তুমিই বিশ্বের সব চেয়ে সুখী পাখি?
''ময়ুর'' দীর্ঘ নিঃশ্বাস ছেড়ে বলে, আমি সবসময় বিশ্বের সবচেয়ে সুন্দর এবং সুখী পাখি নিজেকে মনে করতাম। কিন্তু আমার সৌন্দর্যের কারণেই আমি এই চিড়িয়াখানা মধ্যে বন্দি আছি। আর খাঁচায় বন্দি থাকা পাখি আর পাখি থাকে না! এটা কি তুমি উপলব্ধি করতে পার!! কাক এবার মনের আনন্দে আকাশে উড়ে চললো, আর মনে মনে চিন্তা করল হোক না আমি কাল, তাতে কি আমি যে মনের আনন্দে নীল আকাশে উড়ে বেড়াচ্ছি এর চেয়ে বড় সুখ আর কি হতে পারে।
এখন আমাদের সমস্যা. আমরা অন্যদের সঙ্গে অপ্রয়োজনীয় তুলনা করি। আল্লাহ আমাদের যা দিয়েছেন, তার মূল্যায়ন না করে কি পেলাম না এসব ভেবে কষ্ট পাই ও দুঃখিত হই এবং নিজেদের অসুখী করি। আমরা যদি এর পরিবর্তে আমার যা আছে তাই নিয়ে এ খুশি থাকি সন্তুষ্ট থাকি তবে আপনিই হবেন বিশ্বের হ্যাপিয়েস্ট ব্যক্তি বা সুখী ব্যক্তি।
গেঁয়ো ইঁদুর ও শহুরে ইঁদুর
গেঁয়ো ইঁদুর ফসলের ক্ষেতের আনাচে-কানাচে গর্ত খুঁড়ে থাকে। একদিন সে শহুরে ইঁদুরকে দাওয়াত করে নিয়ে এলো। শহুরে ইঁদুর খুব খুশি হয়ে দাওয়াত খেতে এলো। কিন্তু খাবার দেখে তার মন খারাপ হয়ে গেলো। শুধু ধান- এ আবার কোন খাবার হলো নাকি? সে বন্ধুকে বললোÑ একদিন আমাদের ওখানে এসো, দেখবে কত কিছু।
দুই বন্ধু শহরে গেলো। সেখানে কতরকম খাবার- জ্যাম, জেলী, পনির, মটরশুঁটি আরো কত কি! এসব দেখে গেঁয়ো ইঁদুরের চোখ ছানাবড়া! এমনটি সে জীবনেও দেখেনি। নিজের ভাগ্যের কথা চিন্তা করে সে আক্ষেপ করতে লাগলো। কিছুক্ষণ পরে তারা খাবার খেতে বসলো। গেঁয়ো ইঁদুর ভাবছে কোনটা ফেলে কোনটা খাবে। এমন সময় কে যেনো ঘরে ঢুকলো। সবাই লুকিয়ে গেলো যে যেখানে পারে। কিছুক্ষণ পর লোকটা চলে গেলো। আবার তারা খেতে বসলো। ওমা! খাবার মুখে তুলতে না তুলতেই আবার দরজা খোলার আওয়াজ। সবাই পড়িমরি করে আবার লুকালো। এমনি করে কি খাওয়া যায়?
গেঁয়ো ইঁদুরের আর খাবারের রুচি রইলো না। সে শহুরে ইঁদুরকে বললো-ভাই আমি চললাম। আমার ওখানে এতো মজার মজার খাবার নাই, কিন্তু এতো অশান্তি নেই। আমার ক্ষেতের সাধারণ খাবারই ভালো। উপদেশ : দারিদ্রতার মধ্যে শান্তি, প্রাচুর্যের মধ্যে বিপদের চাইতে অনেক ভালো।
ময়ূর ও দাঁড়কাক
এক বনে বাস করত একটি দাঁড়কাক। উড়ে যাবার সময় তার নজর পড়ল একদল ময়ুরের দিকে।
ময়ুরের পেখম দেখে সে মুগ্ধ। তারও খুব ইচ্ছে হল ময়ুরের দলে যোগ দিতে কিন্তু সে তো দাঁড়কাক! এরপর সে ময়ুরের পেখম কুড়িয়ে নিয়ে নিজের গায়ে লাগাল এবং ময়ুরের দলে ভিড়তে চাইল, কিন্তু ময়ুর তাকে চিনতে পেরে দূর দূর করে তাড়িয়ে দিল। মনের দুঃখে সে ফিরে গেল তার দাঁড়কাকের দলে।
কিন্তু তার শরীরে ময়ুরের পেখম দেখে তারাও তাকে দূর দূর করে তাড়িয়ে দিল। মনের দুঃখে সে একাই থাকতে লাগলো, কেউ তাকে আর আপন করে নিল না।
এ গল্প থেকে আমরা এই শিক্ষা নিতে পারি যে, যাকে যেভাবে সৃষ্টি করেছেন তার সেভাবেই সন্তুষ্ট থাকা উচিত। অন্যের অনুকরণ করতে গেলে বিপদ হতে পারে।
সূচিপত্র
১) ছোটদের সাথে আমাদের আচরণ ২) পরিবার ও সন্তান, সুপার পাওয়ার যেভাবে তৈরি হয়, ৩) দীর্ঘস্থায়ী ভয়ের উৎপত্তির মূলে শৈশবকালে ঘটে যাওয়া ঘটনার প্রভাব , ৪) সন্তানের উৎসাহ এবং উদ্দীপনা বাড়ানো, ৫) আপনার শিশুটি ঘুমুক শান্তিতে এবং নির্ভরতায় , ৬) কিছু অব্যর্থ টিপস, যা আপনার শিশুকে পড়াশোনায় আগ্রহী করে তুলবে, ৭) শিশুকে কিভাবে বড় করবেন, ৮) বাচ্চাদের মস্তিষ্ক বিকাশে কী করবেন? ৯) বাচ্চাদের বুদ্ধি বিকাশের অন্যতম পথ, দৌড়, ১০) বাচ্চাকে কখনো আড়ালে লুকিয়ে খেতে দেবেন না, ১১) পিটার সিংগারের দর্শন, ১২) দুষ্টু শিশুরা তাড়াতাড়ি শেখে, ১৩) সন্তানকে যতই শাস্তি দেবেন ততই সে অসামাজিক হবে, ১৪) বাবা-মাই সন্তানকে নির্যাতন করেন সবচেয়ে বেশি , ১৫) সন্তানের সাথে কিভাবে গড়ে তুলবেন নিবিড় বন্ধন, ১৬) যে ১১টি কথা শিশুকে কখনোই বলবেন না!, ১৭) শিশুকে গল্প শোনান প্রতিদিন, ১৮) সন্তানের আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধির ১০টি কৌশল, ১৯) সৃজনশীলতা হচ্ছে নতুন কিছু করার যোগ্যতা, ২০) যারা মুখস্থ করতে পারেন না, ২১) তারা মেধাবী, মেধাবী হওয়ার উপায়,
২২) কথা ও ভাষা, ২৩) এলিভেটর পিচ, ২৪) সুন্দর করে কথা বলে সমস্যা জয়ের কৌশল, ২৫) ফোনে কথা বলার আদবকেতা, ২৬) ১২টি কর্ম বিধান, ২৭) ভালোবাসার অপর নাম প্রয়োজন, ২৮) আলতু-ফালতু কাজে সময় অপচয় করে স্বপ্ন পূরণের কল্পনা, ২৯) স্ট্রেস ম্যানেজমেন্ট, ৩০) চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিন পিং-এর জীবন থেকে শিক্ষা, ৩১) অভিজ্ঞতা ও অতীত থেকে শিক্ষা গ্রহণ, ৩২) বর্তমানকে সবচেয়ে বেশি মূল্য দিন, ৩৩) ২৪ ঘণ্টা কেউ সুখী হয় না, ৩৪) কিছু অভ্যাস যা আপনাকে আরও সুখী করবে , ৩৫) আপনার অবয়ব , ৩৬) সফলতার 25টি হট কৌশল-1, ৩৭) সাফল্যের 25টি হট কৌশল-2, ৩৮) সফলতার 55 সূত্র, ৩৯) কিভাবে নিজেকে নেতা হিসেবে গড়ে তুলবে, ৪০) সময় ব্যবস্থাপনা, ৪১) সময় ব্যবস্থাপনার তিনটি ধাপ, ৪২) সময়কে যথাযথভাবে কাজে লাগানোর উপায়গুলো, ৪৩) সাফল্য, ড. কোভের ইমোশনাল একাউন্ট কনসেপ্ট, ৪৪) সবচে বড় ইমোশনাল একাউন্ট, ৪৫) আপনার ইমোশনাল একাউন্ট, ৪৬) বুদ্ধি ও বিবেচনাবোধ বর্জিত কর্মফল বিপজ্জনক, ৪৭) অন্যদের দিয়ে আপনার কাজ করান কিন্তু সম্মান আপনি অর্জন করুন, ৪৮) অন্য লোকেরা আপনার কাছে আসুক দরকার হলে টোপ দিন, ৪৯) অসুখী এবং ভাগ্যহীনদের বর্জন করুন, ৫০) লোককে আপনার ওপর নির্ভরশীল করুন , ৫১) নেওয়ার পূর্বে দেওয়া অন্য বক্তির স্বার্থ বুঝুন, ৫২) শত্রুকে খাটো করে দেখবেন না, ৫৩) নিজেকে রক্ষা করার জন্য চারিদিকে দুর্গ নির্মাণ করবেন না, ৫৪) কারোর পক্ষ অবলম্বন করে বসে থাকবেন না, ৫৫) আপনার শক্তিসমূহকে সংহত করুন, ৫৫) নিজের ভুলগুলোকে লুকিয়ে রাখুন, ৫৬) শুধু সাহসের জোরে নয়, পরিণতিও বিবেচনায় রাখুন, ৫৭) প্রতিটি মানুষের গোপন ইচ্ছা খুঁজে বের করুন, ৫৮) রাগ বিপজ্জনক ও অভদ্রতা, ৫৯) কোনো দলকে ধরার জন্য দলপতিকে প্রথমে ধরুন, ৬০) নিজেকে গুরুত্বপূর্ণ মনে করুন, গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবেন, ৬০) পরিবেশ সামলাতে শিখুন, ৬১) প্রথম শ্রেণির মানুষ হয়ে উঠুন, ৬২) আপনার সামাজিক পরিবেশ ‘প্রথম শ্রেণি’র করে তোলার উপায়, ৬৩) ‘সস্তার তিন অবস্থা’ প্রধম শ্রেণিভুক্ত হয়ে উঠুন , ৬৪) যত বেশি বন্ধুত্ব তত বেশি উপরে ওঠার সম্ভাবনা, ৬৫) সাহস করে কাজটা শুরু করুন, ৬৬) সাফল্য মানে বারবার ভিন্নভাবে চেষ্টা করা, ৬৭) ১- ১০ ভাল অভ্যাস, ১১- ২০ ভাল অভ্যাস, ২১- ৩০ ভাল অভ্যাস, ৩১- ৪০ ভাল অভ্যাস, ৪১- ৫০ ভাল অভ্যাস, ৫১- ৬০ ভাল অভ্যাস, ৬১- ৭০ ভাল অভ্যাস, ৭১- ৮০ ভাল অভ্যাস, ৮১- ৯০ ভাল অভ্যাস, ৯১- ১০২ ভাল অভ্যাস, ৬৮) জিরো থেকে হিরো, ৬৯) সৃজনশীলদের সফলতার ৭ সূত্র, ৬৯) জীবনে পরিবর্তন আনুন ৪৮টি উপায়ে, ৭০) জীবন-যাপন, ৭১) জাপানী ও চিন লাইফ স্টাইল , ৭২) ৩০টি দর্শন, যা আপনার জীবনে কাজে লাগবে, ৭৩) সম্পর্ক তৈরি করা, বন্ধুত্ব, ৭৪) যে আচরণগুলো মানুষের মনের কথা জানাবে, ৭৫) কথা বলার সূত্র, ৭৬) আপনি ও আপনার ব্যবহার, ৭৭) নিজেকে সঠিকভাবে উপস্থাপন করা, ৭৮) কথা বলার কতিপয় গুরুত্বপূর্ণ নিয়ম, ৭৯) কিভাবে নিজেকে বিনয়ী হিসেবে উপস্থাপন করবেন, ৮০) কিভাবে বুদ্ধিদীপ্ত কথা বলবেন, ৮১) কথা বলার ৫টি বিস্ময়কর টেকনিক, ৮২) কিভাবে মানুষকে আকৃষ্ট করবেন? ৮৩) অকারণে সময় নষ্ট? মেল রবিনের ৫ সেকেন্ড রুল, ৮৪) কর্পোরেট আদবকেতা, ৮৫) ৩৫টি কর্পোরেট কালচার ও আপনার করণীয়, ৮৬) যা না জানলে লজ্জায় পড়তে হয় , ৮৭) কাজের সময়ে যে বিষয়গুলো একেবারেই করা উচিৎ না , ৮৮) ক্যারিয়ারে সাফল্য পেতে ছুড়ে ফেলুন ৭টি দোষ, ৮৯) আকাক্সক্ষা, ইচ্ছে বা স্বপ্ন,
৯০) বক্তৃতা প্রশিক্ষণ, কাজ কিভাবে করবেন? ৯১) আত্মশক্তিতে বলিয়ান হতে, ৯২) একনাগাড়ে চলবেন না, ৯৩) মারফিস ’ল , কাজের রোডম্যাপ তেরি , ৯৪) জব স্যাটিসফেকশন, ৯৫) কাজে সফলতার সূত্রাবলী, ৯৬) যেভাবে জীবনযাপন করবেন, ৯৭) পরিণত বুদ্ধির মানুষেরা যে কাজগুলো কখনোই করেন না, ৯৮) জীবনে দক্ষতা অর্জনের কার্যকর ১২টি উপায়, ৯৯) সঠিক লক্ষ্য নির্ধারণ ও কাজ করার উপায় , ১০০) সফলতা ও সার্থকতা, ১০১) জীবনের ছোট ছোট প্রাপ্তিগুলোকে উপভোগ করা, ১০২) সফলতার কিছু পদ্ধতি, ১০৩) সফল হতে চাইলে যে ৮ টি জিনিস বাদ দেয়া প্রয়োজন, ১০৪) সফল ব্যক্তিরা যে ১০টি কাজ কখনোই করেন না, ১০৫) সর্বদা স্মরণ রাখুন, ১০৬) চিন্তাশক্তি , ১০৭) স্বাধীনতা, ১০৮) জ্ঞান অর্জন খাদ্য গ্রহণের মতো , ১০৯) দৃঢ় প্রতিজ্ঞ হয়ে চেষ্টা করলে কখনোই বিফল হবেন না, ১১০) বুদ্ধির সংজ্ঞা হলো, প্রতিটি কাজ ভেবে-চিন্তে করা, ১১১) ব্যক্তিত্ব, চেহারা ও ব্যক্তিত্ব , ১১২) সেলডন-এর গবেষণা , ১১৩) ব্যক্তিত্ব ও উচ্চারণ, ১১৪) পোশাক ও ব্যক্তিত্ব, ১১৫) প্রথম দেখায় ব্যক্তিত্বের ছাপ, ১১৬) বিচ্ছিন্নতা ব্যক্তিত্বের বড় শত্রু, ১১৭) ব্যক্তিত্বে জিনগত প্রভাব, ১১৮) অন্তর্মুখী ও বহির্মুখী ব্যক্তিত্ব, ১১৯) মনোমুগ্ধকর ব্যক্তিত্বের ১০ বৈশিষ্ট্য, ১২০) ব্যক্তিত্বের উৎকর্ষতার জন্যে ১০ নির্দেশনা, ১২১) কিভাবে ব্যক্তিত্বের বিকাশ ঘটাবেন? , ১২২) নিজেকে স্মার্ট করতে ৫টি কৌশল, ১২৩) আকর্ষণীয় মানুষ হবার ৬টি পরামর্শ, ১২৪) আত্মশুদ্ধি , ১২৫) হতাশ হবেন না, ১২৬) পাছে লোকে কিছু বলে, ১২৭) সুখ-শান্তি উন্নতি , ১২৮) চাহিদা, ১২৯) খাদ্য, ঘুম ও বিশ্রাম, ১৩০) স্বাস্থ্য ভাল রাখার নিয়ম, ১৩১) টেনশন দূর করতে হলে, ১৩২) শুধু নিজের কথা নয়, অন্যের কথাও ভাবুন, ১৩৩) চাহিদা যত বেশি সুখ তত কম, ১৩৪) সুখী জীবনের জন্য ১৮ টি টিপস, ১৩৫) আত্মবিশ্বাস, আত্ম বিশ্বাসের শক্তি, ১৩৬) অজুহাতের ব্যাধিতে আক্রান্ত ব্যর্থ মানুষ, ১৩৭) দি সেভেন হ্যাবিট অফ হাইলি এ্যা ফেক্টিভ পিপল, ১৩৮) সামাজিক আয়না, ১৩৯) প্রোএ্যাক্টিভিটি, ১৪০) সার্কেল অফ ইনফ্লুয়েন্স, ১৪১) শুরু করুন আজই, ১৪২) আপনার কেন্দ্রবিন্দু কোনটি?, ১৪৩) মাথার দুটি অংশই ব্যবহার করুন, ১৪৪) সময়ের ব্যবস্থাপনা, ১৪৫) ব্যক্তিগত ব্যবস্থাপনা, ১৪৬) গুরুত্বপূর্ণ এবং জরুরি, ১৪৭) পরনির্ভরশীল জীবন, ১৪৮) ছয়টি উপায়ে অন্য মানুষের সাথে আদান-প্রদান, ১৪৯) অধ্যয়ন, ১৫০) পড়াশোনায় ১২ কার্যকর কৌশল, ১৫১) ঘুম থেকে উঠতে ১০-৩-২-১-০ ফর্মুলা, ১৫২) আয়-ব্যয়- টাকা, ১৫৩) অন্যকে খুশি করতে পয়সা খরচ যে কারণে অর্থহীন, ১৫৪) খরচের লাগাম টেনে ধরতে.. ১৫৫) নারী, ১৫৬) সম্পর্ককে সুন্দর রাখতে কিছু “মিথ্যা” বলা জরুরী , ১৫৭) ছেলেদের কোন জিনিস দেখে মেয়েরা? , ১৫৮) স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর কিছু অভ্যাস, ১৫৯) ভুঁড়ি ঠেকাতে ৫টি নিয়ম, ১৬০) যেসব কারণে নারীদের স্বাবলম্বী হওয়া উচতি , ১৬১) বিয়ে-সংসার, ১৬২) সফল বিয়ের তিনটি মন্ত্র, ১৬৩) সুখী হবার দারুণ কিছু মূলমন্ত্র, ১৬৪) কিছু গল্প, ১৬৫) ভালোবাসাহীন সম্পর্ক, ১৬৬) কেন স্পর্শের প্রয়োজন হয় প্রতিদিন, ১৬৭) যে কারণে একা থাকাই আপনার জন্য ভালো, ১৬৮) ব্যবসা, ১৬৯) বিক্রয় বৃদ্ধির কৌশল, ১৭০) যে ৭টা ব্যাপার বিজনেসে করবেন না, ১৭১) স্বাস্থ্য, ১৭২) দুগ্ধজাত খাবারে পুরুষের বন্ধ্যত্ব, ১৭৩) একাকিত্বের বিপদ, ১৭৪) কর্মক্ষম ও প্রফুল্ল রাখতে, ১৭৫) মন ভালো করার উপায়, ১৭৬) যৌন স্বাস্থ্য, ১৭৭) পুরুষদের কেজেল, ১৭৮) মহিলাদের কেজেল, ১৭৯) দক্ষতা , ১৮০) আলসেমি দূর করার সহজ কিছু উপায়, ১৮১) কীভাবে সামলাবেন নিন্দুকদের ?, ১৮২) সুখী হতে চাইলে যা কখনোই করবেন না, ১৮৩) সব ভুলে যাচ্ছেন? স্মৃতিশক্তি চাঙ্গা রাখতে ৫টি টিপস, ১৮৪) বয়সের ভারে বৃদ্ধ না হয়ে বরং কাজের ভারে যুবক থাকার চেষ্টা করো, ১৮৫) নিজেকে কাজের সঙ্গে সম্পক্ত করার তিনটে স্টেপ, ১৮৬) জীবনের লক্ষ্য নির্ধারণে দ্রুত পদ্ধতিগুলো, ১৮৭) প্রতিদান পাওয়ার আশায় কাজ করবেন না, ১৮৮) প্রেম একটি মানসিক রোগ, ১৮৯) সম্পর্ক ভেঙ্গে যাবার পর নিজেকে যেভাবে সামলাবে, ১৯০) সময় সবকিছু বদলে দেয়, ১৯১) সম্পর্ক তৈরির ক্ষেত্রে কমন পাঁচটি ভুল, ১৯২) আত্মবিশ্বাস/মনোবল, ১৯৩) প্যারাসুট অফ হ্যাপিনেস, ১৯৪) বারবার ঘুরে দাঁড়াতে হবে, ১৯৫) আত্মবিশ্বাসহীন মানুষের লক্ষণ, ১৯৬) বাড়াও আত্মবিশ্বাস, বাড়বে সফলতা, ১৯৭) প্রাতিষ্ঠানিক সম্পর্ক শক্তিশালী করার টিপস, ১৯৮) কিভাবে ধরে রাখবে দু'জনের সম্পর্ক, ১৯৯) কিভাবে বুঝবে সম্পর্ক শেষ করতে হবে, ২০০) সম্পর্ক যখন প্রেম-ভালোবাসার, ২০১) যেসব বিষয়ের উপর স¤পর্ক গড়ে ওঠে, ২০২) ভালোবাসার অপর নাম প্রয়োজন, ২০৩) সম্পর্কের গুণগত মান বাড়বে কিভাবে, ২০৪) মস্তিস্ক ঠিক রাখার ৩০ উপায়, ২০৫) মানুষের আচরণের পেছনে একটা কারণ থাকে, ২০৬) কোনো কাজে নিজেকে সম্পক্ত না করেই আমরা নিজ ক্যারিয়ারকে এগিয়ে নিয়ে যাই ২০৭) স্রোতের বিপরীতে চিন্তা করুন, ২০৮) আপনার টাইমজোনে সময় আসবেই, ২০৯) চাইল্ডহুড অ্যামনেসিয়া এবং আমাদের শিক্ষণীয়,