সাফল্য
ডায়লগ: নির্দিষ্ট কোনো লক্ষ্যে পৌঁছুতে হলে অবশ্যই উচ্চাশা থাকতে হবে। আবার শুধু উচ্চাশাই আমাদের সাফল্য দিতে পারবে না। এর সাথে আমাদের প্রচেষ্টা এবং আত্মবিশ্বাসও থাকতে হবে।
ছন্দ:
ইচ্ছা থাকলে হয় নাকো কাজ
চেষ্টা যে চাই অনেক দূর,
শিকার কি তার মুখে ঢুকে
সিংহ যখন নিদ্রাতুর।
‘কিছু না করে সাফল্য পাওয়া যায় না’; ‘শর্টকাট-এ সাফল্য পাওয়া যায় না’; সাফল্য ‘চাওয়া মাত্রই পাওয়া যায় না’
সাফল্য মানে হচ্ছে লেগে থাকার ক্ষমতা
সাফল্য লাভের জন্য প্রচুর সময় ও শক্তি প্রয়োজন। যদি আপনি সময় অপচয় করেন, তাহলে সাফল্য দূরে সরে থাকবে। আর শক্তি মানে হচ্ছে লেগে থাকার ক্ষমতা। প্রতিদিন অল্প করে হলেও ফাঁকা সময় রাখুন, বিরাম দিন নিজেকে।
খুব ছোট বিষয়ে মাথা ঘামিয়ে অস্থির হবেন না। চেষ্টা করুন প্রকৃতই গুরুত্বপূর্ণ কিছু কাজের সঙ্গে নিজেকে সম্পৃক্ত করতে।
পর্যাপ্ত সময় ঘুমান। বিশ্রামের স্বল্পতা আসলে মানসিক চাপকে বাড়িয়েই দেয়।
কাজের ভারে ডুবিয়ে নিজেকে অস্থির করে তুলবেন না। অগ্রাধিকার ভিত্তিতে বাছাই করুন কোন কাজের পর কোনটি করবেন।
নিয়ন্ত্রণ ও সাফল্য
একটি ছেলে তার বাবার সাথে ঘুড়ি উড়াচ্ছিলো। ছেলেটি বাবাকে জিজ্ঞেস করলো ঘুড়িটি কিসের জোরে উপরে উঠছে। বাবা জবাব দিলেন, ‘নাটাইয়ের জোরে’। ছেলেটি বললো, ‘কিন্তু বাবা, নাটাই তো ঘুড়িটিকে নিচের দিকে টেনে রেখেছে?’ বাবা তখন ছেলেকে ভালো করে লক্ষ্য করতে বলে নাটাই থেকে সুতোটি কেটে দিলেন।
ঘুড়িটির কি হলো? অবশ্যই মাটিতে নেমে এলো। জীবনের ক্ষেত্রেও এ কথা সত্য। কখনো কখনো যা আমাদের নিচের দিকে টেনে নামাচ্ছে বলে মনে হয়, সেইটিই কিন্তু আমাদের উপরে উঠতে সাহায্য করে। বাবা-মার নিয়ন্ত্রণ, সমাজের বিধি-নিষেধ এই সবকিছুর নিয়ন্ত্রণই হল নাটাই, যা আমাদেরকে বেড়ে উঠতে সাহাযা করে।
আবেগ সর্বস্বতা সাফল্যের পথে বাধা
নিজের আবেগকে বশে রাখতে না পারা একটি মানসিক ব্যাধি। এর দ্বারা মানুষের নতুন কিছু শেখার ক্ষমতা হ্রাসপ্রাপ্ত হয়। আবেগ-সর্বস্ব মানুষদের কোনো কাজে প্রকৃত নিষ্ঠা থাকে না। এঁরা সর্বদাই একটি কাজ অসমাপ্ত রেখে আরেকটা কাজ ধরেন; আজ একটা নিয়ে চর্চা করছেন তো কাল আরেকটা। এঁদের পক্ষে বেশিদিন একটা লক্ষ্যে স্থির থেকে কাজ করে যাওয়া দুঃসাধ্য। যখন এঁরা শুরু করেন, তখন বেশ উৎসাহ নিয়েই করেন। কিছুদিন পরই তাঁদের আশাভঙ্গ হয়। সমস্ত উৎসাহ উদ্দীপনা হারিয়ে ফেলেন তাঁরা। এঁদের কোনো কাজেই দৃঢ়তা নেই। জ্ঞান মানে হলো পরিস্থিতির ওপর অধিক নিয়ন্ত্রণ এবং সমস্যা সমাধানের আরো বেশি বিকল্প পথের সন্ধান। আপনি যদি কোনো কাজে সফল হতে চান, তাহলে সেই বিষয়ে আপনাকে যথাসম্ভব তথ্য সংগ্রহ করতে হবে। আপনি যে বিষয়ে জানেন না, তা অন্যকে প্রশ্ন করে জেনে নিন।
তোষামোদ কাজ দেয়, কিন্তু এর সীমাবদ্ধতা আছে। সতর্কতার সাথে তোষামোদ অনেক বেশি শক্তিশালী। আপনি যদি আপনার ওপরওয়ালার থেকে বেশি বুদ্ধিমান হোন, তার সামনে উল্টোটার ভান করুন। তাকে বলুন, আপনার তার অভিজ্ঞতার দরকার আছে। যদি আপনার ধারণা অধিকতর সৃষ্টিমূলক হয়, সেটা যতটা প্রকাশ্যে সম্ভব ওপরওয়ালার বলে প্রচার করুন। এটা পরিষ্কারভাবে বুঝিয়ে দিন যে, আপনার কাজ তার পরামর্শের প্রতিধ্বনি মাত্র।
বন্ধুদের কখনোই খুব বেশি বিশ্বাস করবেন না
বন্ধুদের থেকে সাবধান থাকুনÑ তারা আপনার সঙ্গে অনেক বেশি তাড়াতাড়ি বিশ্বাসঘাতকতা করতে পারে। আসল কথা, আপনাকে শত্রুর চেয়ে বেশি ভয় করতে হবে বন্ধুদের। রাজা হিয়েরো তাঁর এক শত্রুর সঙ্গে কথা বলার সময় তাঁকে শুনতে হলো যে, তাঁর নিঃস্বাসে দুর্গন্ধ। রাজা মনে কষ্ট পেলেন। বড়িতে ফিরেই রাণীকে প্রশ্ন করলেন যে, ‘তুমি এ কথাটা আমাকে বলনি কেন?’ রাণী খুবই সাদাসিধে, সতীসাধ্বী মহিলা ছিলেন। তিনি বললেন, ‘মহারাজ, আমি ভেবেছিলাম সব পুরুষের মুখের গন্ধই ওরকম হয়।’
এর থেকে পরিষ্কার যে, আমাদের ছোট বড়ো যে কোনো দোষ বন্ধু ও পরিচিত জনদের থেকে শত্রুদের কাছ থেকে তাড়াতাড়ি জানতে পারি।
সমস্যা হচ্ছে, প্রায়শই দেখা যায়, আপনি আপনার বন্ধুকে যতটা জানেন মনে করেন, বাস্তবে ততটা জানেন না। তর্ক এড়াতে বন্ধুরা প্রায়শই অনেক ব্যাপারে একমত হয়ে যান। বন্ধুকে কাজে লাগানোর সমস্যা হচ্ছে, তা অনিবার্যভাবে আপনার ক্ষমতাকে সীমিত করে। আপনার উদ্দেশ্য হওয়া উচিত কাজ, বন্ধুত্ব করা নয়।
আসল উদ্দেশ্য গোপন রাখুন
পিঠে ভেড়া চড়িয়ে খেঁকশিয়াল খুব সহজেই মুরগির খাঁচা পর্যন্ত চলে যেতে পারে।
আপনি সত্যিকার কোনো উদ্দেশ্য নিয়ে কাজ করছেন সেটা না জানতে দিয়ে অন্যদের অপ্রস্তুত এবং অন্ধকারে রাখুন। তাদের চারপাশে যথেষ্ট ধোঁয়াশা সৃষ্টি করুন। এমনভাবে করুন যাতে তারা আপনার সঠিক উদ্দেশ্য জানবে তখন অনেক দেরি হয়ে গেছে।
অধিকাংশ লোক খোলা বইয়ের মতো। তারা যা ভাবে তাই বলে, সুযোগ পেলেই মতামত দিয়ে ফেলে এবং ক্রমাগত তাদের পরিকল্পনা প্রকাশ করতে থাকে। অনেকে মনে করেন যে, সৎ এবং খোলামেলা হয়ে তারা অন্যের মন জয় করেছেন এবং তাদের ভালো স্বভাব প্রদর্শন করেছেন। সততা আসলে ভোঁতা অস্ত্র, যা কাটার থেকে বেশি রক্ত ঝরায়। আপনি একদম খোলামেলা হয়ে নিজেকে এত বেশি সহজবোধ্য করে ফেলেন যে, শ্রদ্ধা বা ভয় করা প্রায় অসম্ভব।
যদি ক্ষমতা আকাক্সক্ষা করেন তাহলে সততাকে সরিয়ে রেখে নিজের উদ্দেশ্যকে লুকিয়ে রাখতে শিখুন। আপনি জয়ী হবেন। লোকের সামনে টোপ ঝুলিয়ে দিন এবং লোক সেটাকে বাস্তব করে মেনে নেবে।
নিজের উদ্দেশ্যকে গোপন রাখার অন্যতম উপায় হলো, আপনার ভুয়া ইচ্ছা এবং লক্ষ্য সম্পর্কে অনবরত আলোচনা করুনÑ আসল উদ্দেশ্য সম্পর্কে নয়। আপনি এক ঢিলে তিন পাখি মারবেন। বন্ধুভাবাপন্ন, খোলামেলা এবং বিশ্বস্ত হবেন। আপনার উদ্দেশ্য গোপন থাকবে এবং আপনার প্রতিদ্বন্দ্বিরা আঁধারে ঢিল ছুঁড়বে।
লোককে বিভ্রান্ত করার আরকটি ক্ষমতাশালী অস্ত্র হলো মিথ্যা আন্তরিকতা। লোক আন্তরিকতাকে সহজেই সততা ভেবে নেয়। আপানি যদি ভাবেন যে, প্রতারকরা লম্বা লম্বা গল্প দিয়ে বিভ্রান্ত করে, তাহলে ভুল করবেন। প্রতারকরা অমায়িক এবং আকর্ষণকারী পদ্ধতি ব্যবহার করে। তারা জানে বেহিসেবি কথা এবং ভাবভঙ্গি চরম ক্ষতিকর।
সব থেকে সাধারণ ধোঁয়ার পর্দা হলো মুখের অভিব্যক্তি। ইতিহাসের সব থেকে শক্তিশালী মানুষরা এই অস্ত্রটাকে উত্তমরূপে আয়ত্ব করেছেন। কথিত ছিলো, ফ্রাঙ্কলিন ডি রুজভেল্টের মুখ দেখে কেউই কিছু বুঝতে পারতেন না। ব্যারন জেমস রথচাইল্ড সারাজীবন অমায়িক স্মিত হাসি এবং দুর্বোধ্য তাকানোর পিছনে তার আসল উদ্দেশ্যকে গোপন রাখতেন। মনে রাখবেন, দৃষ্টি আকর্ষণ করার জন্য মুখোশ পরা এবং বিনয়ের দরকার।
আপনি কি কখনো এমন কোনো রণকুশলী সেনাপ্রধানের কথা শুনেছেন, যিনি কোনো দুর্গ দখল করার পরিকল্পনা তার শত্রুকে জানিয়ে দিয়েছেন? আপনার উদ্দেশ্য গোপন রাখুন, আপনার অগ্রগতি লুকিয়ে রাখুন। আপনার পরিকল্পনা ততক্ষণ পর্যন্ত প্রকাশ করবেন না, যতক্ষণ না তার বিরোধিতা করার আর সুযোগ নেই, যুদ্ধ ঘোষণার আগে জয়লাভ করুন। এককথায়, সেই সব যুদ্ধবাজ লোকদের অনুকরণ করুন, যাদের পরিকল্পনা তারা ছাড়া জানা যায় না।
সুনামের উপর অনেক কিছু নির্ভর করে, প্রাণ দিয়ে একে রক্ষা করুন
শুরুতে আপনাকে উদারতা, সততা বা চতুরতার মতো একটা বিশিষ্ট গুণের মাধ্যমে খ্যাতি প্রতিষ্ঠার জন্য অবশ্যই পরিশ্রম করতে হবে। এই গুণ আপনাকে অন্যদের থেকে আলাদা করতে এবং অন্যদের আপনার ব্যাপারে আলোচনা করতে বাধ্য করবে। এরপর আপনার খ্যাতি যত সম্ভব বেশি সংখ্যক মানুষের কাছে ছড়িয়ে দিন। অবশ্যই সূক্ষ্মভাবে; যত্ন নিয়ে ধীরে ধীরে কৌশলে ছড়াতে হবে । এটা আপনার চারিদিকে একটা প্রভাব বলয় সৃষ্টি করবে। খ্যাতি একরকমই একটি সম্পদ, যা সতর্কতার সঙ্গে সংগ্রহ এবং মজবুত করতে হয়। মনে রাখবেন-
সুনাম ক্ষমতার প্রধান ভিত্তিপ্রস্তর। কিন্তু পা পিছলালেই আপনি অরক্ষিত। তখন সবদিক থেকে আক্রমণ আসবে। কাজেই আপনার সুনামকে এমনভাবে পোক্ত করুন, যাতে আপনি ভেসে না যান। প্রতিপক্ষের সম্ভাব্য আক্রমণ সম্বন্ধে সর্বদা সজাগ থাকুন এবং তা থেকে আঘাতের আগেই প্রতিহত করুন। এর জন্য তাদের সুনামে ছিদ্র খুঁজে বের করে কৌশলে গা বাচিয়ে তা ছড়িয়ে দিন। মনে রাখবেন-"সব সুন্দরীদের মধ্যে একটি গন্ধযুক্ত পায়ুপথ থাকে"।
যে কোনো মূল্যে মনোযোগ আকর্ষণ করার চেষ্টা করুন
সব কিছুই চেহারা দ্বারা বিচার্য হয়; যা দেখা যায় না তা দিয়ে কিছু হয় না। তাই নিজেকে কখনও ভিড়ের মধ্যে হারিয়ে যেতে দেবেন না। অথবা স্রোতে তলিয়ে যেতে দেবেন না। উঠে দাঁড়ান। যে কোনো মূল্যে চোখ পড়ার মতো হোন। নিজেকে আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দু করুন।
গ্রীক উপকথা : ‘পিন টেল’ নামে এক বোলতা এমন কোনো কাজ করার খোঁজে ছিলো, যা তাকে বিখ্যাত করবে। সুতরাং একদিন সে রাজপ্রাসাদে ঢুকলো এবং বিছানায় ঘুমিয়ে থাকা ছোট্ট রাজকুমারকে হুল ফুটালো। রাজকুমার জোরে চিৎকার করে কেঁদে উঠে পড়লো। রাজা এবং তার সভাসদরা কি হয়েছে দেখতে ছুটে এলেন। বোলতাটা বারবার হুল ফুটাচ্ছিলো বলে রাজকুমার কাতরাচ্ছিলো।
সভাসদরা বোলতাকে ধরতে গেলেন এবং তা করতে গিয়ে প্রত্যেকেই হুলে আক্রান্ত হলেন। রাজপ্রাসাদের সমস্ত লোক ছুটে এলেন। ক্রমে খবর ছড়িয়ে পড়লো। লোকেরা প্রাসাদে ভিড় করলেন। নগরে সাড়া পড়ে গেলো। অতিকথনে লোকমুখে ছড়াল ‘পিন টেল’ এর কামড়ে পুরো রাজপ্রসাদ আহত। মায়েরা ‘পিন টেল’ -এর ভয় দেখিয়ে ঘুম পাড়াতে লাগল। মৃত্যুর আগে বোলতা বলল, ‘খ্যাতি হচ্ছে শিখা ছাড়া আগুনের মতো’ যা দেখা না গেলেও জ্বলতে থাকে। কাজেই যে কোনো মূল্যে দৃষ্টি আকর্ষণ করার মতো কিছু করুন, কিন্তু তা যেন হয় পজেটিভ।
সূচিপত্র
১) ছোটদের সাথে আমাদের আচরণ ২) পরিবার ও সন্তান, সুপার পাওয়ার যেভাবে তৈরি হয়, ৩) দীর্ঘস্থায়ী ভয়ের উৎপত্তির মূলে শৈশবকালে ঘটে যাওয়া ঘটনার প্রভাব , ৪) সন্তানের উৎসাহ এবং উদ্দীপনা বাড়ানো, ৫) আপনার শিশুটি ঘুমুক শান্তিতে এবং নির্ভরতায় , ৬) কিছু অব্যর্থ টিপস, যা আপনার শিশুকে পড়াশোনায় আগ্রহী করে তুলবে, ৭) শিশুকে কিভাবে বড় করবেন, ৮) বাচ্চাদের মস্তিষ্ক বিকাশে কী করবেন? ৯) বাচ্চাদের বুদ্ধি বিকাশের অন্যতম পথ, দৌড়, ১০) বাচ্চাকে কখনো আড়ালে লুকিয়ে খেতে দেবেন না, ১১) পিটার সিংগারের দর্শন, ১২) দুষ্টু শিশুরা তাড়াতাড়ি শেখে, ১৩) সন্তানকে যতই শাস্তি দেবেন ততই সে অসামাজিক হবে, ১৪) বাবা-মাই সন্তানকে নির্যাতন করেন সবচেয়ে বেশি , ১৫) সন্তানের সাথে কিভাবে গড়ে তুলবেন নিবিড় বন্ধন, ১৬) যে ১১টি কথা শিশুকে কখনোই বলবেন না!, ১৭) শিশুকে গল্প শোনান প্রতিদিন, ১৮) সন্তানের আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধির ১০টি কৌশল, ১৯) সৃজনশীলতা হচ্ছে নতুন কিছু করার যোগ্যতা, ২০) যারা মুখস্থ করতে পারেন না, ২১) তারা মেধাবী, মেধাবী হওয়ার উপায়,
২২) কথা ও ভাষা, ২৩) এলিভেটর পিচ, ২৪) সুন্দর করে কথা বলে সমস্যা জয়ের কৌশল, ২৫) ফোনে কথা বলার আদবকেতা, ২৬) ১২টি কর্ম বিধান, ২৭) ভালোবাসার অপর নাম প্রয়োজন, ২৮) আলতু-ফালতু কাজে সময় অপচয় করে স্বপ্ন পূরণের কল্পনা, ২৯) স্ট্রেস ম্যানেজমেন্ট, ৩০) চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিন পিং-এর জীবন থেকে শিক্ষা, ৩১) অভিজ্ঞতা ও অতীত থেকে শিক্ষা গ্রহণ, ৩২) বর্তমানকে সবচেয়ে বেশি মূল্য দিন, ৩৩) ২৪ ঘণ্টা কেউ সুখী হয় না, ৩৪) কিছু অভ্যাস যা আপনাকে আরও সুখী করবে , ৩৫) আপনার অবয়ব , ৩৬) সফলতার 25টি হট কৌশল-1, ৩৭) সাফল্যের 25টি হট কৌশল-2, ৩৮) সফলতার 55 সূত্র, ৩৯) কিভাবে নিজেকে নেতা হিসেবে গড়ে তুলবে, ৪০) সময় ব্যবস্থাপনা, ৪১) সময় ব্যবস্থাপনার তিনটি ধাপ, ৪২) সময়কে যথাযথভাবে কাজে লাগানোর উপায়গুলো, ৪৩) সাফল্য, ড. কোভের ইমোশনাল একাউন্ট কনসেপ্ট, ৪৪) সবচে বড় ইমোশনাল একাউন্ট, ৪৫) আপনার ইমোশনাল একাউন্ট, ৪৬) বুদ্ধি ও বিবেচনাবোধ বর্জিত কর্মফল বিপজ্জনক, ৪৭) অন্যদের দিয়ে আপনার কাজ করান কিন্তু সম্মান আপনি অর্জন করুন, ৪৮) অন্য লোকেরা আপনার কাছে আসুক দরকার হলে টোপ দিন, ৪৯) অসুখী এবং ভাগ্যহীনদের বর্জন করুন, ৫০) লোককে আপনার ওপর নির্ভরশীল করুন , ৫১) নেওয়ার পূর্বে দেওয়া অন্য বক্তির স্বার্থ বুঝুন, ৫২) শত্রুকে খাটো করে দেখবেন না, ৫৩) নিজেকে রক্ষা করার জন্য চারিদিকে দুর্গ নির্মাণ করবেন না, ৫৪) কারোর পক্ষ অবলম্বন করে বসে থাকবেন না, ৫৫) আপনার শক্তিসমূহকে সংহত করুন, ৫৫) নিজের ভুলগুলোকে লুকিয়ে রাখুন, ৫৬) শুধু সাহসের জোরে নয়, পরিণতিও বিবেচনায় রাখুন, ৫৭) প্রতিটি মানুষের গোপন ইচ্ছা খুঁজে বের করুন, ৫৮) রাগ বিপজ্জনক ও অভদ্রতা, ৫৯) কোনো দলকে ধরার জন্য দলপতিকে প্রথমে ধরুন, ৬০) নিজেকে গুরুত্বপূর্ণ মনে করুন, গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবেন, ৬০) পরিবেশ সামলাতে শিখুন, ৬১) প্রথম শ্রেণির মানুষ হয়ে উঠুন, ৬২) আপনার সামাজিক পরিবেশ ‘প্রথম শ্রেণি’র করে তোলার উপায়, ৬৩) ‘সস্তার তিন অবস্থা’ প্রধম শ্রেণিভুক্ত হয়ে উঠুন , ৬৪) যত বেশি বন্ধুত্ব তত বেশি উপরে ওঠার সম্ভাবনা, ৬৫) সাহস করে কাজটা শুরু করুন, ৬৬) সাফল্য মানে বারবার ভিন্নভাবে চেষ্টা করা, ৬৭) ১- ১০ ভাল অভ্যাস, ১১- ২০ ভাল অভ্যাস, ২১- ৩০ ভাল অভ্যাস, ৩১- ৪০ ভাল অভ্যাস, ৪১- ৫০ ভাল অভ্যাস, ৫১- ৬০ ভাল অভ্যাস, ৬১- ৭০ ভাল অভ্যাস, ৭১- ৮০ ভাল অভ্যাস, ৮১- ৯০ ভাল অভ্যাস, ৯১- ১০২ ভাল অভ্যাস, ৬৮) জিরো থেকে হিরো, ৬৯) সৃজনশীলদের সফলতার ৭ সূত্র, ৬৯) জীবনে পরিবর্তন আনুন ৪৮টি উপায়ে, ৭০) জীবন-যাপন, ৭১) জাপানী ও চিন লাইফ স্টাইল , ৭২) ৩০টি দর্শন, যা আপনার জীবনে কাজে লাগবে, ৭৩) সম্পর্ক তৈরি করা, বন্ধুত্ব, ৭৪) যে আচরণগুলো মানুষের মনের কথা জানাবে, ৭৫) কথা বলার সূত্র, ৭৬) আপনি ও আপনার ব্যবহার, ৭৭) নিজেকে সঠিকভাবে উপস্থাপন করা, ৭৮) কথা বলার কতিপয় গুরুত্বপূর্ণ নিয়ম, ৭৯) কিভাবে নিজেকে বিনয়ী হিসেবে উপস্থাপন করবেন, ৮০) কিভাবে বুদ্ধিদীপ্ত কথা বলবেন, ৮১) কথা বলার ৫টি বিস্ময়কর টেকনিক, ৮২) কিভাবে মানুষকে আকৃষ্ট করবেন? ৮৩) অকারণে সময় নষ্ট? মেল রবিনের ৫ সেকেন্ড রুল, ৮৪) কর্পোরেট আদবকেতা, ৮৫) ৩৫টি কর্পোরেট কালচার ও আপনার করণীয়, ৮৬) যা না জানলে লজ্জায় পড়তে হয় , ৮৭) কাজের সময়ে যে বিষয়গুলো একেবারেই করা উচিৎ না , ৮৮) ক্যারিয়ারে সাফল্য পেতে ছুড়ে ফেলুন ৭টি দোষ, ৮৯) আকাক্সক্ষা, ইচ্ছে বা স্বপ্ন,
৯০) বক্তৃতা প্রশিক্ষণ, কাজ কিভাবে করবেন? ৯১) আত্মশক্তিতে বলিয়ান হতে, ৯২) একনাগাড়ে চলবেন না, ৯৩) মারফিস ’ল , কাজের রোডম্যাপ তেরি , ৯৪) জব স্যাটিসফেকশন, ৯৫) কাজে সফলতার সূত্রাবলী, ৯৬) যেভাবে জীবনযাপন করবেন, ৯৭) পরিণত বুদ্ধির মানুষেরা যে কাজগুলো কখনোই করেন না, ৯৮) জীবনে দক্ষতা অর্জনের কার্যকর ১২টি উপায়, ৯৯) সঠিক লক্ষ্য নির্ধারণ ও কাজ করার উপায় , ১০০) সফলতা ও সার্থকতা, ১০১) জীবনের ছোট ছোট প্রাপ্তিগুলোকে উপভোগ করা, ১০২) সফলতার কিছু পদ্ধতি, ১০৩) সফল হতে চাইলে যে ৮ টি জিনিস বাদ দেয়া প্রয়োজন, ১০৪) সফল ব্যক্তিরা যে ১০টি কাজ কখনোই করেন না, ১০৫) সর্বদা স্মরণ রাখুন, ১০৬) চিন্তাশক্তি , ১০৭) স্বাধীনতা, ১০৮) জ্ঞান অর্জন খাদ্য গ্রহণের মতো , ১০৯) দৃঢ় প্রতিজ্ঞ হয়ে চেষ্টা করলে কখনোই বিফল হবেন না, ১১০) বুদ্ধির সংজ্ঞা হলো, প্রতিটি কাজ ভেবে-চিন্তে করা, ১১১) ব্যক্তিত্ব, চেহারা ও ব্যক্তিত্ব , ১১২) সেলডন-এর গবেষণা , ১১৩) ব্যক্তিত্ব ও উচ্চারণ, ১১৪) পোশাক ও ব্যক্তিত্ব, ১১৫) প্রথম দেখায় ব্যক্তিত্বের ছাপ, ১১৬) বিচ্ছিন্নতা ব্যক্তিত্বের বড় শত্রু, ১১৭) ব্যক্তিত্বে জিনগত প্রভাব, ১১৮) অন্তর্মুখী ও বহির্মুখী ব্যক্তিত্ব, ১১৯) মনোমুগ্ধকর ব্যক্তিত্বের ১০ বৈশিষ্ট্য, ১২০) ব্যক্তিত্বের উৎকর্ষতার জন্যে ১০ নির্দেশনা, ১২১) কিভাবে ব্যক্তিত্বের বিকাশ ঘটাবেন? , ১২২) নিজেকে স্মার্ট করতে ৫টি কৌশল, ১২৩) আকর্ষণীয় মানুষ হবার ৬টি পরামর্শ, ১২৪) আত্মশুদ্ধি , ১২৫) হতাশ হবেন না, ১২৬) পাছে লোকে কিছু বলে, ১২৭) সুখ-শান্তি উন্নতি , ১২৮) চাহিদা, ১২৯) খাদ্য, ঘুম ও বিশ্রাম, ১৩০) স্বাস্থ্য ভাল রাখার নিয়ম, ১৩১) টেনশন দূর করতে হলে, ১৩২) শুধু নিজের কথা নয়, অন্যের কথাও ভাবুন, ১৩৩) চাহিদা যত বেশি সুখ তত কম, ১৩৪) সুখী জীবনের জন্য ১৮ টি টিপস, ১৩৫) আত্মবিশ্বাস, আত্ম বিশ্বাসের শক্তি, ১৩৬) অজুহাতের ব্যাধিতে আক্রান্ত ব্যর্থ মানুষ, ১৩৭) দি সেভেন হ্যাবিট অফ হাইলি এ্যা ফেক্টিভ পিপল, ১৩৮) সামাজিক আয়না, ১৩৯) প্রোএ্যাক্টিভিটি, ১৪০) সার্কেল অফ ইনফ্লুয়েন্স, ১৪১) শুরু করুন আজই, ১৪২) আপনার কেন্দ্রবিন্দু কোনটি?, ১৪৩) মাথার দুটি অংশই ব্যবহার করুন, ১৪৪) সময়ের ব্যবস্থাপনা, ১৪৫) ব্যক্তিগত ব্যবস্থাপনা, ১৪৬) গুরুত্বপূর্ণ এবং জরুরি, ১৪৭) পরনির্ভরশীল জীবন, ১৪৮) ছয়টি উপায়ে অন্য মানুষের সাথে আদান-প্রদান, ১৪৯) অধ্যয়ন, ১৫০) পড়াশোনায় ১২ কার্যকর কৌশল, ১৫১) ঘুম থেকে উঠতে ১০-৩-২-১-০ ফর্মুলা, ১৫২) আয়-ব্যয়- টাকা, ১৫৩) অন্যকে খুশি করতে পয়সা খরচ যে কারণে অর্থহীন, ১৫৪) খরচের লাগাম টেনে ধরতে.. ১৫৫) নারী, ১৫৬) সম্পর্ককে সুন্দর রাখতে কিছু “মিথ্যা” বলা জরুরী , ১৫৭) ছেলেদের কোন জিনিস দেখে মেয়েরা? , ১৫৮) স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর কিছু অভ্যাস, ১৫৯) ভুঁড়ি ঠেকাতে ৫টি নিয়ম, ১৬০) যেসব কারণে নারীদের স্বাবলম্বী হওয়া উচতি , ১৬১) বিয়ে-সংসার, ১৬২) সফল বিয়ের তিনটি মন্ত্র, ১৬৩) সুখী হবার দারুণ কিছু মূলমন্ত্র, ১৬৪) কিছু গল্প, ১৬৫) ভালোবাসাহীন সম্পর্ক, ১৬৬) কেন স্পর্শের প্রয়োজন হয় প্রতিদিন, ১৬৭) যে কারণে একা থাকাই আপনার জন্য ভালো, ১৬৮) ব্যবসা, ১৬৯) বিক্রয় বৃদ্ধির কৌশল, ১৭০) যে ৭টা ব্যাপার বিজনেসে করবেন না, ১৭১) স্বাস্থ্য, ১৭২) দুগ্ধজাত খাবারে পুরুষের বন্ধ্যত্ব, ১৭৩) একাকিত্বের বিপদ, ১৭৪) কর্মক্ষম ও প্রফুল্ল রাখতে, ১৭৫) মন ভালো করার উপায়, ১৭৬) যৌন স্বাস্থ্য, ১৭৭) পুরুষদের কেজেল, ১৭৮) মহিলাদের কেজেল, ১৭৯) দক্ষতা , ১৮০) আলসেমি দূর করার সহজ কিছু উপায়, ১৮১) কীভাবে সামলাবেন নিন্দুকদের ?, ১৮২) সুখী হতে চাইলে যা কখনোই করবেন না, ১৮৩) সব ভুলে যাচ্ছেন? স্মৃতিশক্তি চাঙ্গা রাখতে ৫টি টিপস, ১৮৪) বয়সের ভারে বৃদ্ধ না হয়ে বরং কাজের ভারে যুবক থাকার চেষ্টা করো, ১৮৫) নিজেকে কাজের সঙ্গে সম্পক্ত করার তিনটে স্টেপ, ১৮৬) জীবনের লক্ষ্য নির্ধারণে দ্রুত পদ্ধতিগুলো, ১৮৭) প্রতিদান পাওয়ার আশায় কাজ করবেন না, ১৮৮) প্রেম একটি মানসিক রোগ, ১৮৯) সম্পর্ক ভেঙ্গে যাবার পর নিজেকে যেভাবে সামলাবে, ১৯০) সময় সবকিছু বদলে দেয়, ১৯১) সম্পর্ক তৈরির ক্ষেত্রে কমন পাঁচটি ভুল, ১৯২) আত্মবিশ্বাস/মনোবল, ১৯৩) প্যারাসুট অফ হ্যাপিনেস, ১৯৪) বারবার ঘুরে দাঁড়াতে হবে, ১৯৫) আত্মবিশ্বাসহীন মানুষের লক্ষণ, ১৯৬) বাড়াও আত্মবিশ্বাস, বাড়বে সফলতা, ১৯৭) প্রাতিষ্ঠানিক সম্পর্ক শক্তিশালী করার টিপস, ১৯৮) কিভাবে ধরে রাখবে দু'জনের সম্পর্ক, ১৯৯) কিভাবে বুঝবে সম্পর্ক শেষ করতে হবে, ২০০) সম্পর্ক যখন প্রেম-ভালোবাসার, ২০১) যেসব বিষয়ের উপর স¤পর্ক গড়ে ওঠে, ২০২) ভালোবাসার অপর নাম প্রয়োজন, ২০৩) সম্পর্কের গুণগত মান বাড়বে কিভাবে, ২০৪) মস্তিস্ক ঠিক রাখার ৩০ উপায়, ২০৫) মানুষের আচরণের পেছনে একটা কারণ থাকে, ২০৬) কোনো কাজে নিজেকে সম্পক্ত না করেই আমরা নিজ ক্যারিয়ারকে এগিয়ে নিয়ে যাই ২০৭) স্রোতের বিপরীতে চিন্তা করুন, ২০৮) আপনার টাইমজোনে সময় আসবেই, ২০৯) চাইল্ডহুড অ্যামনেসিয়া এবং আমাদের শিক্ষণীয়,