প্রথম দেখায় ব্যক্তিত্বের ছাপ
মনোবিজ্ঞানীদের অনেকে বলেন, দুজন মানুষের প্রথম দেখায় পরস্পরকে পরস্পরের যে গুণগুলি আকৃষ্ট করে সেটাই পরস্পরের ব্যক্তিত্ব। ক এর সঙ্গে খ এর দীর্ঘস্থায়ী কোনো সম্পর্ক গড়ে উঠবে কিনা সেটা নির্ভর করে প্রথম দেখার ওপর। প্রথম দেখার পর যদি কোনো ব্যক্তিত্ব মনে ছাপ ফেলে, তখনই তারা দুজনে চাইবেন আরো কয়েকবার মিলিত হতে। এরপর যদি উভয়ের মনের মিল হয়, তাহলে বন্ধুত্ব বা প্রেম স্থায়ী হয়ে যায়। যারা প্রেমে পড়েন তাদের অনেকে প্রথম দেখাতেই পরস্পরের অনুরক্ত হয়ে পড়েন। আবার প্রথম দেখায় কোনো ঔৎসুক্য জাগেনি, পরে নানা অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়ে ও পারস্পরিক সান্নিধ্য লাভের মধ্য দিয়ে প্রেম হয়েছে। মেয়েরা প্রথম দর্শনেই পুরুষকে আকৃষ্ট করতে পারে।
কিন্তু দৈহিক সৌন্দর্যের গভীরতা শুধু ত্বকের গভীরতা পর্যন্ত। কিন্তু আসল সৌন্দর্য ব্যক্তিত্ব। অনেক সুন্দরী নারী ব্যক্তিত্বের অভাবের জন্যই তার সৌন্দর্যকে পরিপূর্ণ করে তুলতে পারে না। তাই দৈহিক সৌন্দর্য না থাকলেও শুধুমাত্র ব্যক্তিত্বের সৌন্দর্যের জন্যই প্রথম দর্শনে বহু নরনারী পরস্পরের প্রতি আকৃষ্ট হয়েছে। বহু সুন্দরী নারী ‘কুদর্শন’ পুরুষের প্রেমে পড়েছে।
আবার বহু সুপুরুষ রূপহীনা নারীর প্রতি আকৃষ্ট হয়েছে। আমরাই তো অনেক সময় বলি, কী দেখে ওই মেয়ের প্রেমে পড়লো অত ভালো ছেলেটি। আমরা শুধু বাইরের রূপ দেখে বিচার করি বলেই এই মন্তব্য করি। ভেবে দেখুন, আপনার অনেক অন্তরঙ্গ বন্ধুর সঙ্গে প্রথম আলাপেই আপনি আকৃষ্ট হয়েছিলেন কিনা।
প্রথম আলাপে যদি কেউ আকৃষ্ট করতে না পারে, তবে দীর্ঘ সময় ধরে কাজের মধ্য দিয়ে আপনি অপরের কাছে আপনার গ্রহণযোগ্যতা প্রমাণ করতে পারেন। একে বলে সেলসম্যান এ্যাপ্রোচ।
আগে দর্শনধারী, পরে গুণ বিচারী। প্রথম দর্শনেই যদি আপনাকে ভালো না লাগে, তাহলে ক্রেতার প্রয়োজন থাকা সত্ত্বেও ক্রয় সিদ্ধান্ত বদলে যেতে পারে। আবার শুধুমাত্র সুসম্পর্ক রক্ষা করে চলার কারণে উল্টো ঘটনাও ঘটতে পারে। ক্রেতার কোনো পণ্যের প্রয়োজন না থাকা সত্ত্বেও শুধুমাত্র বিক্রয় প্রতিনিধির ব্যবহারে মুগ্ধ হয়ে কোনো না কোনো পণ্য কিনছেন।
বিচ্ছিন্নতা ব্যক্তিত্বের বড় শত্রু
অ্যাডজাস্টমেন্ট করতে না পারার জন্য অনেকে স্কুল-কলেজ ছেড়ে দেয়। চাকরি ছাড়ে। স্কুল কলেজে ড্রপ আউটদের মধ্যে আর্থিক অভাব যেমন আছে তেমনি মানিয়ে চলার অক্ষমতাও আছে। গ্রুপে নানা ধরণের ছেলে-মেয়ে থাকে। সবার মধ্যে থাকতে গেলে নিজেকে পরিবর্তনশীল রাখতে হয়। কখনোই নিজের মত আঁকড়ে ধরে থাকতে নেই।
যার অনেক বন্ধু-বান্ধব আছে তিনি নিঃসন্দেহে জনপ্রিয়। অনেকেরই এমন বন্ধুভাগ্য থাকে। বন্ধুরা তার জন্য প্রাণ দিতে পারে। পজিটিভ বন্ধু পাওয়া ভাগ্যের বিষয়। কারণ বন্ধু সমাগমে মনটা কোনো সময় বিশেষ বিষয়ে ভারাক্রান্ত হতে পারে না। যে রাজনৈতিক নেতার প্রচুর অনুগামী আছে তাদের ব্যক্তিত্বের মধ্যে একটা তৃপ্তিবোধ ও সার্থকতা ফুটে ওঠে।
বিবাহিত পুরুষের অনেক বন্ধু-বান্ধব থাকলে তাদের স্ত্রীরা বিরক্তবোধ করেন। স্বামী যাতে বন্ধু-বান্ধবদের পরিত্যাগ করে তার প্রতি বেশি সময় দেন সে জন্য তারা স্বামীর ওপর চাপ সৃষ্টি করেন। বন্ধু-বান্ধব থেকে বিচ্যুত হয়ে সংসারজীবন তখন পুরুষের কাছে যাঁতাকলের মতো মনে হয়। তার প্রসন্ন ব্যক্তিত্ব খিটখিটে ব্যক্তিত্বে পরিণত হয়।
প্রতিটি মানুষেরই উচিত আত্মসন্তুষ্টির জন্য সামাজিক মেলামেশা করা ও ক্লাব ও পাড়ার নানা ফাংশানে অংশ নেওয়া। সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতায় ছোটবেলা থেকে ছেলে-মেয়েদের অংশ নিতে দিন। বিচ্ছিন্নতাবোধ ব্যক্তিত্বের মস্ত বড় শত্রু।
ব্যক্তিত্বে জিনগত প্রভাব
জানেৎ কিয়রের হাঁসের বাচ্চা নিয়ে পরীক্ষা; ডিম ফোটার পর হাঁসের কতগুলি বাচ্চাকে এনে ল্যাবরেটরির মধ্যে বড় করতে লাগলেন। এগুলির মধ্যে নানা ধরণের হাঁসের বাচ্চা ছিলো। একদল হাঁসের বাচ্চা ছিলো, যে সব হাঁস গাছের মগডালে বাসা বাঁধে। আর একটু বড় হলেই তাদের বাচ্চারা মগডাল থেকে মাাটিতে ঝাঁপ মারতে শেখে। আর একদল হাঁস অত উুঁচুতে বাসা বাঁধে না।
তারা নিচেই থাকে। ল্যাবের মধ্যে কাঠের তক্তা দিয়ে একটা প্লাটফর্মের মতো করে হাঁসের বাচ্চাগুলোকে বসিয়ে দেওয়া হলো। দেখা গেলো, মগডালে বাসা বাঁধতে অভ্যস্ত হাঁসের বাচ্চারা দিব্যি প্লাটফর্ম থেকে নিচে ঝাঁপিয়ে পড়ছে। আর নিচু ডালে বসা হাঁসের বাচ্চারা উচ্চতা দেখে ভয় পাচ্ছে। তারা ঝাঁপ না দিয়ে পাটাতনের ওপরেই রয়ে গিয়েছে।
এখন এই হাঁসের বাচ্চাদের কেউ তো নিচে ঝাঁপ দিতে শেখায়নি। তাহলে তারা কেমন করে ঝাঁপ দিতে জানলো? আর দ্বিতীয় বাচ্চারাই বা ভয়ে সিঁটিয়ে রইলো কেন? রইলো এই কারণে যে তারা উভয়েই জিন চালিত। তাদের জিনের মধ্যেই রয়ে গেছে আপন আপন চরিত্র। এই জিন চালায় প্রবৃত্তিকে। আরো একটা উদাহরণ দিচ্ছি, এক প্রাণিবিদের পরীক্ষা থেকে।
কাঠবেড়ালিরা যখন কোনো শক্ত খাদ্য পায় তারা কিছুটা খেয়ে বাকিটা মাটি খুঁড়ে তার মধ্যে সঞ্চয় করে রাখে। ল্যাবের কাঠবিড়ালির বাচ্চাদের কোনো শক্ত খাবার না দিয়ে বরাবর তরল খাদ্যে অভ্যস্ত করানো হলো। তারপর একটু বড় হতেই একদিন তাদের প্রথম বাদাম খেতে দেওয়া হলো। দেখা গেলো শিশু কাঠবিড়ালিরা একটু বাদাম খেয়ে বাকিটা মাটিতে গর্ত খুঁড়ে তার মধ্যে রেখে দিচ্ছে। কে শেখালো তাদের প্রকৃতিগত এই আচরণবিধি? একটা শিক্ষিত ভদ্র পরিবারের ছেলে ও একটা সাধারণ পরিবারের ছেলের মধ্যে ব্যক্তিত্বের পার্থক্য থাকে মূলত এই কারনে। আবার ব্যক্তিত্ব পরিবেশ দ্বারাও প্রভাবিত হয়।
দেখা দেছে পরিবেশের পরিবর্তন ঘটাতে পারলে বংশানুক্রমিক জিনের বিরুদ্ধে লড়াই করার মত শক্তি পরিবেশই তাদের জুটিয়ে দেয়। ব্যক্তিত্ব গঠনের ৬০ শতাংশই আসে পরিবেশ থেকে। আমাদের দেশে ছেলে-মেয়েদের ব্যক্তিত্ব গঠনের পথে প্রধান প্রতিবন্ধকতা শিক্ষকদের শিশু মনঃস্তত্ত্ব সম্পর্কে অজ্ঞতা। ইয়্যুং এই জন্য বলেছেন, শিশুদের বদলাবার আগে, আমাদের নিজেদের বদলাতে হবে।
অন্তর্মুখী ও বহির্মুখী ব্যক্তিত্ব
বহির্মুখী ব্যক্তিত্ব বস্তুবাদী অভিজ্ঞতার ওপর প্রতিষ্ঠিত। তাঁদের নিজস্ব আদর্শ ভাবনা মূল্যবোধ যাই থাক, সবার ওপরে বাস্তব জগতে যা ঘটছে সেটাকেই তাঁরা বেশ মূল্য দেন। তাঁরা পরিবর্তনের সঙ্গে তাল দিয়ে চলেন। সকলের সঙ্গে মিলেমিশে হইচই করে কাটিয়ে দেন। নিজে যেটা ভেবেছেন, যদি দেখেন, সেই মত চললে তাঁর কোনো লাভ হবে না, বরং ক্ষতি তাহলে তিুিন তার মত পরিবর্তন করেন।
অন্তর্মুখী ব্যক্তিরা সবসময় চিন্তায় মগ্ন, তাদের নিজেদের নিয়েই ব্যস্ত। তারা কোনো জাগতিক ব্যাপারে নিজেদের জড়াতে চান না। চুপচাপ থাকেন। তারা অসামাজিক। এ জন্য তারা গর্ববোধও করেন। বলেন, আমি কারো সঙ্গে মিশি না। আমি নিজের মনে থাকি। যা ঘটছে তার সঙ্গে আমি একমত নই। দেখা যায়, সমাজের গতির সঙ্গে তারা কোনোদিনই তাল রাখতে পারেন না।
মূল প্রবাহ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েন। তবে প্রত্যেকের মধ্যেই কমবেশি অন্তর্মুখী ও বহির্মুখী ব্যক্তিত্ব পাশাপাশি বাস করে। একটার চেয়ে আর একটা ছাপিয়ে উঠলেই আমরা তখন বলি লোকটা বহির্মুখী বা অন্তর্মুখী। বহির্মুখীতা বেশি হয়ে গেলে একটা লোকের মননশীলতা নষ্ট হয়ে যেতে পারে। সে খুব আলাপী, চটপপে, সপ্রতিভ। সকলের সঙ্গে যেচে আলাপ করে। কাউকে দাদা, কাউকে মাসীমা, পিসীমা বলে জমিয়ে নিতে পারে। এরা চট করে প্রেমে পড়তে পারে অথবা ছেলে কিংবা মেয়ে পটাতে পারে।
অন্যদিকে এরা কোনো কিছু গভীরে তলিয়ে দেখে না। সবই ওপর ওপর। সে জন্য এদের কোনো আসক্তি নেই। কমিটমেন্টও নেই। এরা পড়াশোনা করার মধ্যে নেই। এদের কাছে জীবন সিরিয়াস কোনো ব্যাপার নয়। পৃথিবীতে এসেছো। হেসে নাও দুদিন বইতো নয়।
মনোমুগ্ধকর ব্যক্তিত্বের ১০ বৈশিষ্ট্য
১. এই মানুষগুলো ইচ্ছে করেই নিজের দুর্বলতা তুলে ধরতে চান। তারা অন্যের মনে জায়গা করে নিতে প্রতিযোগিতায় নামেন না। বরং অন্যকে এগিয়ে যেতে সুযোগ দেন, অপরের প্রশংসায় কার্পণ্য করেন না এবং ব্যর্থতা মেনে নিতে প্রস্তুত থাকেন। আর এসব বৈশিষ্ট্য অন্যের চোখে তার উদারতা হিসেবে ধরা দেয়।
২. কারো সঙ্গে দেখা হলে আমরা তাঁকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানাই। যাঁরা অন্যের দৃষ্টিতে মনোমুগ্ধকর ব্যক্তিত্ব, তাঁদের মাঝে এই আনন্দের প্রকাশটা অকৃত্রিম থাকে। পরিচিতজনের সঙ্গে দেখা হওয়ার অনুভূতি তাঁদের চোখে-মুখে ¯পষ্ট বোঝা যায়। এ ক্ষেত্রে তাঁদের সত্যিকার আন্তরিকতা অন্যের আগ্রহ ও ভালোবাসা কেড়ে নেয়।
৩. কোনো আলোচনায় সবাই যাঁর যাঁর মতামতে স্থির থেকে ভিন্নমতের বিরুদ্ধাচরণ করেন। কিন্তু সবার পছন্দের তালিকায় তাঁরাই থাকেন যাঁরা নিজের মতামত তুলে ধরে অন্যের সঙ্গে সামঞ্জস্য করার চেষ্টা করেন। এতে করে তাঁরা ওই আলোচনার টেবিলের সবচেয়ে আকর্ষণীয় ব্যক্তিত্ব বলে বিবেচিত হন।
৪. করমর্দন বা কোলাকুলি স¤পর্ক এগিয়ে নেওয়ার দারুণ কার্যকর উপায়। এর মাধ্যমে একের সঙ্গে অন্যের ¯পর্শে এক ধরনের অনুভূতি তৈরি হয়। এভাবে যেকোনো ¯পর্শই মানুষকে আপন করে দিতে পারে। যাঁরা অন্যকে মুগ্ধ করেন, তাঁদের ¯পর্শ একেবারেই স্বাভাবিক মনে হয় এবং তাঁরা ¯পর্শের মাধ্যমে অন্যের সঙ্গে আরো বেশি আপন হয়ে ওঠেন।
৫. এমন ব্যক্তিত্বরা বিশেষ উপলক্ষে সবার সেরা হয়ে উপস্থিত হতে অস্থির থাকেন না। বরং উল্টোটা হতে পারে। যেমন প্রতিষ্ঠানের কোনো বিশেষ পার্টিতে তাঁরা ক্যাজুয়াল পোশাকে চলে আসতে পারেন।
এতে কিছুটা অসামঞ্জস্য হয়ে ওঠেন ঠিকই, কিন্তু সবাই এর প্রশংসা করতে ভুল করেন না। কারণ তাঁদের ব্যক্তিত্বের চারুতা সবারই নজর কাড়ে।
৬. সামাজিক আচার-আচরণে তাঁরা নিপুণ শিল্পী। এর মানে এ নয় যে সদ্য পরিচিতের সঙ্গে আড্ডায় ব্যক্তিগত পছন্দের কথা তুলে ধরা যাবে না। নিজের বিষয়সহ সমাজ-জীবনের যেকোনো বিষয় তাঁরা সহজভাবে তুলে ধরতে পারেন। অস্বস্তিকর বিষয়টিও অন্যের কাছে সহজে গ্রহণযোগ্য করে তুলতে তাঁরা পটু।
৭. পেশাগত কাজে সদ্য পরিচিতের সঙ্গে সময় কাটাতে তাঁদের মধ্যে বিশেষ কোনো ভঙ্গিমা দেখা যায় না। এর ফলে নতুন মানুষটি খুব দ্রুত তাঁদের সাহচর্যে সহজ হতে পারেন। এমন মানুষের সান্নিধ্যে যে কেউ মুগ্ধ হয়ে পড়েন।
৮. এ ধরনের মানুষ খুব মনোযোগের সঙ্গে সবার নাম এবং ছোটোখাটো অপ্রয়োজনীয় তথ্য ঠিকই মনে রাখেন। অপ্রাসঙ্গিকভাবে তা যখন প্রকাশ পায়, তখন অন্যের মনে মুগ্ধতার জন্ম নেয় এবং তাঁদের গ্রহণযোগ্যতা পাকাপোক্ত হয়ে যায়।
৯. এরা অন্য মানুষকে ছোট করে তুলে ধরেন না। এমনকি ওই ব্যক্তি শত্রু হলেও তাঁরা কখনো তাঁকে নিয়ে কটূক্তি করেন না। বরং অন্যেরা কিছু বললে তাঁরা এড়িয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন অথবা নিজেদের বাজে মন্তব্য যোগ করেন না।
১০. মনোমুগ্ধকর ব্যক্তিত্বদের আরেকটি বৈশিষ্ট্য হলো তাঁরা অন্যকে কথা বলার সুযোগ দেন। নিজেরা পরে বলার চেষ্টা করেন। অর্থাৎ তাঁরা খুব আদর্শ শ্রোতা। আর এমন শ্রোতাকে সব বক্তাই পছন্দ করেন।
৭ গুণে অনুকরণীয় ব্যক্তিত্ব
১ কৃত্রিমতা ঝেড়ে ফেলুন
আপনি ব্যক্তিগতভাবে যেমন মন-মানসিকতার অধিকারী সেটিই তুলে ধরুন। নিজের স¤পর্কে সবার কাছে একটা ¯পষ্ট ধারণা তৈরি করুন। মিথ্যা আশ্বাস না দিয়ে যা সত্যি তাই বলুন। অধীনস্তদের প্রশংসা করুন মন থেকে।
২ খারাপ সময়ে সবার সঙ্গে থাকুন
প্রতিষ্ঠানের কোনো দুঃসময়ের দায়ভার অন্যদের ওপর চাপিয়ে দিয়ে নিজে নিরাপদ স্থানে অবস্থান করবেন না। বরং সবার সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে দুঃসময়ের মোকাবেলা করুন। সবাইকে সঠিক দিকনির্দেশনা এবং সাহস দিন।
৩ মানবিক বোধ স¤পন্ন হোন
শুধু যন্ত্রের মতো কাজ করে গেলে প্রতিষ্ঠানের কারও প্রিয় হতে পারবেন না আপনি। অন্যের আবেগ-অনুভূতিগুলো বোঝার চেষ্টা করুন। অধীনস্তদের সুবিধা-অসুবিধাগুলো বিবেচনায় রাখুন। তাহলে আপনি যেমন একদিকে ভালো কাজ আদায় করতে পারবেন, তেমনি সবার প্রিয় বসও হয়ে উঠবেন।
৪ নিরহঙ্কার হোন
বস হলেও নিজেকে সব ক্ষমতার অধিকারী মনে করে অহঙ্কার করবেন না। দৃষ্টিভঙ্গি পাল্টে সহজ-সরল মানুষে পরিণত হোন। সবার মধ্যে আপনার পজিটিভ দৃষ্টিভঙ্গি ছড়িয়ে দিন। আপনার অভিজ্ঞতা যেমন অন্যদের মাঝে ছড়িয়ে দেবেন তেমনি অন্যদের কাছ থেকে কিছু শেখারও মন-মানসিকতা তৈরি করুন।
৫ কর্মীদের সঠিকভাবে জানুন
অধীনস্ত কর্মীদের কার কী কাজ, কার ক্ষমতা এবং দক্ষতা কতটুকু তা সঠিকভাবে জানুন। যার যার দক্ষতা অনুযায়ী কাজ ভাগ করে দিন। এতে প্রতিষ্ঠানের উন্নয়ন উত্তরোত্তর বৃদ্ধি পাবে।
৬ নিরপেক্ষ হোন
প্রতিষ্ঠানের বিশেষ কারও প্রতি পক্ষপাতিত্ব অন্যদের দুঃখ এবং রাগের কারণ হতে পারে। এতে বাকি সবাই আপনার প্রতি আস্থা হারাবে। তাই বিশেষ কারও প্রতি পক্ষপাতিত্ব না করে সবাইকে সমান দৃষ্টিতে দেখুন। সবার প্রিয় পাত্রে পরিণত হোন।
৭ হতাশ হবেন না
নিজের প্রতিষ্ঠান এবং প্রতিষ্ঠানের কর্মীদের ওপর কখনও ভরসা হারাবেন না। আপনার কথা এবং কাজে যেন হতাশা প্রকাশ না পায়। অধীনস্তদের উজ্জীবিত করুন আশাব্যঞ্জক কথা বলে।
সূচিপত্র
১) ছোটদের সাথে আমাদের আচরণ ২) পরিবার ও সন্তান, সুপার পাওয়ার যেভাবে তৈরি হয়, ৩) দীর্ঘস্থায়ী ভয়ের উৎপত্তির মূলে শৈশবকালে ঘটে যাওয়া ঘটনার প্রভাব , ৪) সন্তানের উৎসাহ এবং উদ্দীপনা বাড়ানো, ৫) আপনার শিশুটি ঘুমুক শান্তিতে এবং নির্ভরতায় , ৬) কিছু অব্যর্থ টিপস, যা আপনার শিশুকে পড়াশোনায় আগ্রহী করে তুলবে, ৭) শিশুকে কিভাবে বড় করবেন, ৮) বাচ্চাদের মস্তিষ্ক বিকাশে কী করবেন? ৯) বাচ্চাদের বুদ্ধি বিকাশের অন্যতম পথ, দৌড়, ১০) বাচ্চাকে কখনো আড়ালে লুকিয়ে খেতে দেবেন না, ১১) পিটার সিংগারের দর্শন, ১২) দুষ্টু শিশুরা তাড়াতাড়ি শেখে, ১৩) সন্তানকে যতই শাস্তি দেবেন ততই সে অসামাজিক হবে, ১৪) বাবা-মাই সন্তানকে নির্যাতন করেন সবচেয়ে বেশি , ১৫) সন্তানের সাথে কিভাবে গড়ে তুলবেন নিবিড় বন্ধন, ১৬) যে ১১টি কথা শিশুকে কখনোই বলবেন না!, ১৭) শিশুকে গল্প শোনান প্রতিদিন, ১৮) সন্তানের আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধির ১০টি কৌশল, ১৯) সৃজনশীলতা হচ্ছে নতুন কিছু করার যোগ্যতা, ২০) যারা মুখস্থ করতে পারেন না, ২১) তারা মেধাবী, মেধাবী হওয়ার উপায়,
২২) কথা ও ভাষা, ২৩) এলিভেটর পিচ, ২৪) সুন্দর করে কথা বলে সমস্যা জয়ের কৌশল, ২৫) ফোনে কথা বলার আদবকেতা, ২৬) ১২টি কর্ম বিধান, ২৭) ভালোবাসার অপর নাম প্রয়োজন, ২৮) আলতু-ফালতু কাজে সময় অপচয় করে স্বপ্ন পূরণের কল্পনা, ২৯) স্ট্রেস ম্যানেজমেন্ট, ৩০) চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিন পিং-এর জীবন থেকে শিক্ষা, ৩১) অভিজ্ঞতা ও অতীত থেকে শিক্ষা গ্রহণ, ৩২) বর্তমানকে সবচেয়ে বেশি মূল্য দিন, ৩৩) ২৪ ঘণ্টা কেউ সুখী হয় না, ৩৪) কিছু অভ্যাস যা আপনাকে আরও সুখী করবে , ৩৫) আপনার অবয়ব , ৩৬) সফলতার 25টি হট কৌশল-1, ৩৭) সাফল্যের 25টি হট কৌশল-2, ৩৮) সফলতার 55 সূত্র, ৩৯) কিভাবে নিজেকে নেতা হিসেবে গড়ে তুলবে, ৪০) সময় ব্যবস্থাপনা, ৪১) সময় ব্যবস্থাপনার তিনটি ধাপ, ৪২) সময়কে যথাযথভাবে কাজে লাগানোর উপায়গুলো, ৪৩) সাফল্য, ড. কোভের ইমোশনাল একাউন্ট কনসেপ্ট, ৪৪) সবচে বড় ইমোশনাল একাউন্ট, ৪৫) আপনার ইমোশনাল একাউন্ট, ৪৬) বুদ্ধি ও বিবেচনাবোধ বর্জিত কর্মফল বিপজ্জনক, ৪৭) অন্যদের দিয়ে আপনার কাজ করান কিন্তু সম্মান আপনি অর্জন করুন, ৪৮) অন্য লোকেরা আপনার কাছে আসুক দরকার হলে টোপ দিন, ৪৯) অসুখী এবং ভাগ্যহীনদের বর্জন করুন, ৫০) লোককে আপনার ওপর নির্ভরশীল করুন , ৫১) নেওয়ার পূর্বে দেওয়া অন্য বক্তির স্বার্থ বুঝুন, ৫২) শত্রুকে খাটো করে দেখবেন না, ৫৩) নিজেকে রক্ষা করার জন্য চারিদিকে দুর্গ নির্মাণ করবেন না, ৫৪) কারোর পক্ষ অবলম্বন করে বসে থাকবেন না, ৫৫) আপনার শক্তিসমূহকে সংহত করুন, ৫৫) নিজের ভুলগুলোকে লুকিয়ে রাখুন, ৫৬) শুধু সাহসের জোরে নয়, পরিণতিও বিবেচনায় রাখুন, ৫৭) প্রতিটি মানুষের গোপন ইচ্ছা খুঁজে বের করুন, ৫৮) রাগ বিপজ্জনক ও অভদ্রতা, ৫৯) কোনো দলকে ধরার জন্য দলপতিকে প্রথমে ধরুন, ৬০) নিজেকে গুরুত্বপূর্ণ মনে করুন, গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবেন, ৬০) পরিবেশ সামলাতে শিখুন, ৬১) প্রথম শ্রেণির মানুষ হয়ে উঠুন, ৬২) আপনার সামাজিক পরিবেশ ‘প্রথম শ্রেণি’র করে তোলার উপায়, ৬৩) ‘সস্তার তিন অবস্থা’ প্রধম শ্রেণিভুক্ত হয়ে উঠুন , ৬৪) যত বেশি বন্ধুত্ব তত বেশি উপরে ওঠার সম্ভাবনা, ৬৫) সাহস করে কাজটা শুরু করুন, ৬৬) সাফল্য মানে বারবার ভিন্নভাবে চেষ্টা করা, ৬৭) ১- ১০ ভাল অভ্যাস, ১১- ২০ ভাল অভ্যাস, ২১- ৩০ ভাল অভ্যাস, ৩১- ৪০ ভাল অভ্যাস, ৪১- ৫০ ভাল অভ্যাস, ৫১- ৬০ ভাল অভ্যাস, ৬১- ৭০ ভাল অভ্যাস, ৭১- ৮০ ভাল অভ্যাস, ৮১- ৯০ ভাল অভ্যাস, ৯১- ১০২ ভাল অভ্যাস, ৬৮) জিরো থেকে হিরো, ৬৯) সৃজনশীলদের সফলতার ৭ সূত্র, ৬৯) জীবনে পরিবর্তন আনুন ৪৮টি উপায়ে, ৭০) জীবন-যাপন, ৭১) জাপানী ও চিন লাইফ স্টাইল , ৭২) ৩০টি দর্শন, যা আপনার জীবনে কাজে লাগবে, ৭৩) সম্পর্ক তৈরি করা, বন্ধুত্ব, ৭৪) যে আচরণগুলো মানুষের মনের কথা জানাবে, ৭৫) কথা বলার সূত্র, ৭৬) আপনি ও আপনার ব্যবহার, ৭৭) নিজেকে সঠিকভাবে উপস্থাপন করা, ৭৮) কথা বলার কতিপয় গুরুত্বপূর্ণ নিয়ম, ৭৯) কিভাবে নিজেকে বিনয়ী হিসেবে উপস্থাপন করবেন, ৮০) কিভাবে বুদ্ধিদীপ্ত কথা বলবেন, ৮১) কথা বলার ৫টি বিস্ময়কর টেকনিক, ৮২) কিভাবে মানুষকে আকৃষ্ট করবেন? ৮৩) অকারণে সময় নষ্ট? মেল রবিনের ৫ সেকেন্ড রুল, ৮৪) কর্পোরেট আদবকেতা, ৮৫) ৩৫টি কর্পোরেট কালচার ও আপনার করণীয়, ৮৬) যা না জানলে লজ্জায় পড়তে হয় , ৮৭) কাজের সময়ে যে বিষয়গুলো একেবারেই করা উচিৎ না , ৮৮) ক্যারিয়ারে সাফল্য পেতে ছুড়ে ফেলুন ৭টি দোষ, ৮৯) আকাক্সক্ষা, ইচ্ছে বা স্বপ্ন,
৯০) বক্তৃতা প্রশিক্ষণ, কাজ কিভাবে করবেন? ৯১) আত্মশক্তিতে বলিয়ান হতে, ৯২) একনাগাড়ে চলবেন না, ৯৩) মারফিস ’ল , কাজের রোডম্যাপ তেরি , ৯৪) জব স্যাটিসফেকশন, ৯৫) কাজে সফলতার সূত্রাবলী, ৯৬) যেভাবে জীবনযাপন করবেন, ৯৭) পরিণত বুদ্ধির মানুষেরা যে কাজগুলো কখনোই করেন না, ৯৮) জীবনে দক্ষতা অর্জনের কার্যকর ১২টি উপায়, ৯৯) সঠিক লক্ষ্য নির্ধারণ ও কাজ করার উপায় , ১০০) সফলতা ও সার্থকতা, ১০১) জীবনের ছোট ছোট প্রাপ্তিগুলোকে উপভোগ করা, ১০২) সফলতার কিছু পদ্ধতি, ১০৩) সফল হতে চাইলে যে ৮ টি জিনিস বাদ দেয়া প্রয়োজন, ১০৪) সফল ব্যক্তিরা যে ১০টি কাজ কখনোই করেন না, ১০৫) সর্বদা স্মরণ রাখুন, ১০৬) চিন্তাশক্তি , ১০৭) স্বাধীনতা, ১০৮) জ্ঞান অর্জন খাদ্য গ্রহণের মতো , ১০৯) দৃঢ় প্রতিজ্ঞ হয়ে চেষ্টা করলে কখনোই বিফল হবেন না, ১১০) বুদ্ধির সংজ্ঞা হলো, প্রতিটি কাজ ভেবে-চিন্তে করা, ১১১) ব্যক্তিত্ব, চেহারা ও ব্যক্তিত্ব , ১১২) সেলডন-এর গবেষণা , ১১৩) ব্যক্তিত্ব ও উচ্চারণ, ১১৪) পোশাক ও ব্যক্তিত্ব, ১১৫) প্রথম দেখায় ব্যক্তিত্বের ছাপ, ১১৬) বিচ্ছিন্নতা ব্যক্তিত্বের বড় শত্রু, ১১৭) ব্যক্তিত্বে জিনগত প্রভাব, ১১৮) অন্তর্মুখী ও বহির্মুখী ব্যক্তিত্ব, ১১৯) মনোমুগ্ধকর ব্যক্তিত্বের ১০ বৈশিষ্ট্য, ১২০) ব্যক্তিত্বের উৎকর্ষতার জন্যে ১০ নির্দেশনা, ১২১) কিভাবে ব্যক্তিত্বের বিকাশ ঘটাবেন? , ১২২) নিজেকে স্মার্ট করতে ৫টি কৌশল, ১২৩) আকর্ষণীয় মানুষ হবার ৬টি পরামর্শ, ১২৪) আত্মশুদ্ধি , ১২৫) হতাশ হবেন না, ১২৬) পাছে লোকে কিছু বলে, ১২৭) সুখ-শান্তি উন্নতি , ১২৮) চাহিদা, ১২৯) খাদ্য, ঘুম ও বিশ্রাম, ১৩০) স্বাস্থ্য ভাল রাখার নিয়ম, ১৩১) টেনশন দূর করতে হলে, ১৩২) শুধু নিজের কথা নয়, অন্যের কথাও ভাবুন, ১৩৩) চাহিদা যত বেশি সুখ তত কম, ১৩৪) সুখী জীবনের জন্য ১৮ টি টিপস, ১৩৫) আত্মবিশ্বাস, আত্ম বিশ্বাসের শক্তি, ১৩৬) অজুহাতের ব্যাধিতে আক্রান্ত ব্যর্থ মানুষ, ১৩৭) দি সেভেন হ্যাবিট অফ হাইলি এ্যা ফেক্টিভ পিপল, ১৩৮) সামাজিক আয়না, ১৩৯) প্রোএ্যাক্টিভিটি, ১৪০) সার্কেল অফ ইনফ্লুয়েন্স, ১৪১) শুরু করুন আজই, ১৪২) আপনার কেন্দ্রবিন্দু কোনটি?, ১৪৩) মাথার দুটি অংশই ব্যবহার করুন, ১৪৪) সময়ের ব্যবস্থাপনা, ১৪৫) ব্যক্তিগত ব্যবস্থাপনা, ১৪৬) গুরুত্বপূর্ণ এবং জরুরি, ১৪৭) পরনির্ভরশীল জীবন, ১৪৮) ছয়টি উপায়ে অন্য মানুষের সাথে আদান-প্রদান, ১৪৯) অধ্যয়ন, ১৫০) পড়াশোনায় ১২ কার্যকর কৌশল, ১৫১) ঘুম থেকে উঠতে ১০-৩-২-১-০ ফর্মুলা, ১৫২) আয়-ব্যয়- টাকা, ১৫৩) অন্যকে খুশি করতে পয়সা খরচ যে কারণে অর্থহীন, ১৫৪) খরচের লাগাম টেনে ধরতে.. ১৫৫) নারী, ১৫৬) সম্পর্ককে সুন্দর রাখতে কিছু “মিথ্যা” বলা জরুরী , ১৫৭) ছেলেদের কোন জিনিস দেখে মেয়েরা? , ১৫৮) স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর কিছু অভ্যাস, ১৫৯) ভুঁড়ি ঠেকাতে ৫টি নিয়ম, ১৬০) যেসব কারণে নারীদের স্বাবলম্বী হওয়া উচতি , ১৬১) বিয়ে-সংসার, ১৬২) সফল বিয়ের তিনটি মন্ত্র, ১৬৩) সুখী হবার দারুণ কিছু মূলমন্ত্র, ১৬৪) কিছু গল্প, ১৬৫) ভালোবাসাহীন সম্পর্ক, ১৬৬) কেন স্পর্শের প্রয়োজন হয় প্রতিদিন, ১৬৭) যে কারণে একা থাকাই আপনার জন্য ভালো, ১৬৮) ব্যবসা, ১৬৯) বিক্রয় বৃদ্ধির কৌশল, ১৭০) যে ৭টা ব্যাপার বিজনেসে করবেন না, ১৭১) স্বাস্থ্য, ১৭২) দুগ্ধজাত খাবারে পুরুষের বন্ধ্যত্ব, ১৭৩) একাকিত্বের বিপদ, ১৭৪) কর্মক্ষম ও প্রফুল্ল রাখতে, ১৭৫) মন ভালো করার উপায়, ১৭৬) যৌন স্বাস্থ্য, ১৭৭) পুরুষদের কেজেল, ১৭৮) মহিলাদের কেজেল, ১৭৯) দক্ষতা , ১৮০) আলসেমি দূর করার সহজ কিছু উপায়, ১৮১) কীভাবে সামলাবেন নিন্দুকদের ?, ১৮২) সুখী হতে চাইলে যা কখনোই করবেন না, ১৮৩) সব ভুলে যাচ্ছেন? স্মৃতিশক্তি চাঙ্গা রাখতে ৫টি টিপস, ১৮৪) বয়সের ভারে বৃদ্ধ না হয়ে বরং কাজের ভারে যুবক থাকার চেষ্টা করো, ১৮৫) নিজেকে কাজের সঙ্গে সম্পক্ত করার তিনটে স্টেপ, ১৮৬) জীবনের লক্ষ্য নির্ধারণে দ্রুত পদ্ধতিগুলো, ১৮৭) প্রতিদান পাওয়ার আশায় কাজ করবেন না, ১৮৮) প্রেম একটি মানসিক রোগ, ১৮৯) সম্পর্ক ভেঙ্গে যাবার পর নিজেকে যেভাবে সামলাবে, ১৯০) সময় সবকিছু বদলে দেয়, ১৯১) সম্পর্ক তৈরির ক্ষেত্রে কমন পাঁচটি ভুল, ১৯২) আত্মবিশ্বাস/মনোবল, ১৯৩) প্যারাসুট অফ হ্যাপিনেস, ১৯৪) বারবার ঘুরে দাঁড়াতে হবে, ১৯৫) আত্মবিশ্বাসহীন মানুষের লক্ষণ, ১৯৬) বাড়াও আত্মবিশ্বাস, বাড়বে সফলতা, ১৯৭) প্রাতিষ্ঠানিক সম্পর্ক শক্তিশালী করার টিপস, ১৯৮) কিভাবে ধরে রাখবে দু'জনের সম্পর্ক, ১৯৯) কিভাবে বুঝবে সম্পর্ক শেষ করতে হবে, ২০০) সম্পর্ক যখন প্রেম-ভালোবাসার, ২০১) যেসব বিষয়ের উপর স¤পর্ক গড়ে ওঠে, ২০২) ভালোবাসার অপর নাম প্রয়োজন, ২০৩) সম্পর্কের গুণগত মান বাড়বে কিভাবে, ২০৪) মস্তিস্ক ঠিক রাখার ৩০ উপায়, ২০৫) মানুষের আচরণের পেছনে একটা কারণ থাকে, ২০৬) কোনো কাজে নিজেকে সম্পক্ত না করেই আমরা নিজ ক্যারিয়ারকে এগিয়ে নিয়ে যাই ২০৭) স্রোতের বিপরীতে চিন্তা করুন, ২০৮) আপনার টাইমজোনে সময় আসবেই, ২০৯) চাইল্ডহুড অ্যামনেসিয়া এবং আমাদের শিক্ষণীয়,