স¤পর্ক
স¤পর্কের কোনো শ্রেণিবিভেদ নেই। এই স¤পর্কেই আমরা কখনো হয়ে উঠি বন্ধু, স্বামী-স্ত্রী, পিতা-মাতা, ভাই- বোন বা বিভিন্ন আত্মীয়। জীবনের বিভিন্ন পর্যায়ে স¤পর্কগুলোও হয়ে ওঠে ভিন্ন। কখনো কাছের মানুষ দূরে চলে যায়, আবার কখনও স¤পূর্ণ অচেনা মানুষ হয়ে উঠে কাছের। বিশ্বাস, নির্ভরতা আর বাঁধভাঙা স¤পর্কের মিলনস্থল হচ্ছে বন্ধু। যে কথা কাউকে বলা যায় না, তার আগল অকপটে খুলে দেওয়া যায় একজন প্রকৃত বন্ধুর কাছে। বন্ধুত্ব থেকে প্রেমও হয়। তখন হয়তো এমন হয়ে যায় যে ঐ স¤পর্ক ছাড়া আমরা যেন কিছুই ভাবতে পারি না, জীবন যেন থেমে গেছে মনে হয়। নিজেদেরকে অস¤পূর্ণ মনে হতে শুরু করে এবং কখনোবা বেঁচে থাকাটাই অর্থহীন মনে হয়। তেমনিভাবে স¤পর্কের টানাপুড়ানও হয় বিভিন্নভাবে। তার শুরু হয় যেমন রমরমিয়ে তেমনি তার শেষটাও হয় থমথমিয়ে। কিন্তু তারপরেও মানুষ এর টান ঠিক অনুভব করে প্রতিনিয়ত। সেই টানে কিছুটা ঢিল পড়লেই তারও অভিযোগ, অভিমান, অনুরাগের সুর চরম হয়। স¤পর্ক যেন একটি ফুলের মালা যা শুকিয়ে গেলে নষ্ট হয়, যা ছিঁড়ে গেলেও নষ্ট হয়। আবার ধুলো লাগলে কিংবা মলিন হলেও আমরা তা বুঝতে পারি। তাই সম্পর্ক নষ্ট হয়ে যাবার ভয় থাকে সারাক্ষণ।
স¤পর্ক যখন প্রেম-ভালোবাসার
ধীরে ধীরে দুজনেই বুঝতে পারে যে, কিছু একটা ঘটছে। তখন সব কেন যেন ওলটপালট হয়ে যায়, নিজের অজান্তেই। তবে ভালোবাসার এই স¤পর্ক নারী-পুরুষকে অনেক বেশি চাঙ্গা করে রাখে। মনোবিজ্ঞানীদের মতে, যে স¤পর্কে দুজনের ভালো লাগা-খারাপ লাগা, পছন্দ-অপছন্দ এক, তাদের স¤পর্ক বহুদিন টিকে থাকে। আর যে স¤পর্কের মধ্যে এটা নেই সেই স¤পর্ক তাসের ঘরের মতো, একটু হাওয়া দিলেই ভেঙে যায়। নারী পুরুষ উভয়েরই স্বাধীনতাবোধ রয়েছে। স্বাধীন চিন্তা ও নিজের একটি স্বতন্ত্র জগৎ রয়েছে প্রতিটি মানুষেরই। ভালোবাসার স¤পর্ক এমনই হওয়া উচিত যা পর¯পরের স্বাধীনতা, মূল্যবোধ ও সম্মানের স্থানগুলোকে অক্ষত ও সুরক্ষিত রাখবে। কিন্তু ঝগড়া হলেই মনে হয় এই বুঝি স¤পর্কের ইতি। গবেষকদের মতে, যেসব জুটির মাঝে মাঝে ঝগড়া হয়, তারা একে অপরকে অনেক বেশি ভালোবাসে। একটি স¤পর্কে তখনই ঝগড়া হয় যখন সেই স¤পর্কটা পরিণত হয়। প্রিয় মানুষটির উপর অধিকার জন্মালেই অভিমান তৈরি হয়। তবে সারাক্ষণ ঝগড়া হওয়া মানেই স¤পর্ক ভালোবাসা সমাপ্তির পথে। তাই একে অপরকে আক্রমণাত্মক কথা না বলে যুক্তিতর্কের মাধ্যমে ভুল বোঝাবুঝিগুলো দূর করে নিতে পারলে স¤পর্ক ভালো থাকে।
ভালোবাসার পাঁচ অভিব্যক্তি
মৌখিক অভিব্যক্তির মাধ্যমে ভালোবাসার প্রকাশ
অনেকের কাছে ভালোবাসার মৌখিক প্রকাশই সর্বাধিক পছন্দের। সঙ্গীর কাছ থেকে পাওয়া প্রেমময় সম্ভাষণ, আন্তরিক প্রশংসা, সমর্থন, সম্মান, সমাদর ও অনুপ্রেরণামূলক কিছু কথা তাদেরকে ভালোবাসায় পরিপূর্ণ অনুভব করায়। সামনাসামনি বলা, ফোনালাপ, ক্ষুদেবার্তা, কার্ড, ছোটো একটি চিরকুট কিংবা তাকে উৎসর্গ করে পোস্টÑ এ সবই হতে পারে তার প্রতি ভালোবাসার প্রকাশ।
কাজের মাধ্যমে প্রকাশ
এরা কথায় নয়, কাজে বিশ্বাসী। অর্থাৎ এই ধরনের মানুষকে মুখে “ভালোবাসি ভালোবাসি” বলার চেয়ে ব্যালকনিতে তার শখের বাগানের গাছগুলোর যত্ন নিতে তাকে সাহায্য করলে বরং তারা বেশি সমাদৃত অনুভব করবে। তোমার সঙ্গীও এই দলের হলে, ঘরের কিছু নষ্ট হয়ে গেলে সঙ্গীর অপেক্ষায় না থেকে নিজেই তা সারানোর ব্যবস্থা করো। আপ্যায়নের গুরুদায়িত্ব স¤পূর্ণভাবে সঙ্গীর ওপর না চাপিয়ে নিজেও কাজে হাত লাগান। মোদ্দা কথা হলো, তাদের ভাগের দায়িত্বটা মাঝেমধ্যে নিজের কাঁধে তুলে নিয়ে তাকে বিশ্রাম দেওয়া, দৈনন্দিন কাজে তিনি সাহায্য চাওয়ার আগেই তাকে সাহায্য করা, এগুলোই তার কাছে ভালোবাসার বহিঃপ্রকাশ হিসেবে ধরা দেবে।
শারীরিক সং¯পর্শের মাধ্যমে ভালোবাসার প্রকাশ
একে লঘু, অগভীর বা নিছক শরীরকেন্দ্রিক আকর্ষণ ভাবলে ভুল হবে। মানুষের পার¯পরিক যোগাযোগের ক্ষেত্রে ¯পর্শ সবসময়ই গুরুত্বপূর্ণ অনুষঙ্গ হয়ে থেকেছে। আবেগের চিরাচরিত বহিঃপ্রকাশ, যেমনÑ হাত ধরা, চুম্বন ইত্যাদি তো বটেই, হাঁটার সময় সঙ্গীকে ধরে থাকা, প্রতিদিন সঙ্গীর কাছ থেকে বিদায় নেওয়ার সময় বা ফিরে এসে তাকে আলিঙ্গন করা, দুঃসময়ে তার কাঁধে হাত রেখে সহমর্মিতা প্রকাশ করা, সবই শারীরিক সং¯পর্শের অন্তর্ভুক্ত। গবেষণায় দেখা গেছে, সঙ্গীর হৃদ্যতাপূর্ণ ¯পর্শ মানুষের মধ্যে নিরাপত্তা, সন্তুষ্টি ও বিশ্বস্ততার বোধ তৈরি করে, 'ভালোবাসার হরমোন' অক্সিটোসিনের নিঃসরণ ঘটায়। ফলে পার¯পরিক বন্ধন আরও জোরালো হয়, ব্যথা ও মানসিক চাপ কমে যায়, এমনকি রক্তচাপ ও রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার ওপরেও তা ইতিবাচক প্রভাব ফেলে।
প্রেম-ভালোবাসার বয়স যতই হোক সঙ্গীর সং¯পর্শের ব্যাপারে বিশেষ খেয়াল রাখা দরকার। দিনের মধ্যে যত বেশিবার ভালোবাসার মানুষকে ¯পর্শ করা যায়, ততই ভালো থাকবে স¤পর্ক। কারো মতে, দিনে গড়ে ৮ থেকে ১০বার মিনিংফুল টাচ-এ বৈবাহিক স¤পর্ক মজবুত হয়। আবার প্রেমিক প্রেমিকারা যদি দিনে অন্তত একবার পর¯পরকে ¯পর্শ করে, তবে সেই স¤পর্ক দীর্ঘস্থায়ী হওয়ার সম্ভাবনা বেশি।
গুণগত সময়ের মাধ্যমে ভালোবাসার প্রকাশ
ব্যস্ত জীবনের দৌড়ঝাঁপের ফাঁকে ফাঁকে সঙ্গীর সাথে সময় কাটানোর ছোটখাট সুযোগগুলোও হাতছাড়া করা উচিত নয়। ঘড়ি ধরে লম্বা সময় একসঙ্গে কাটানো এখানে প্রধান বিবেচ্য নয়। বরং বাকি সবকিছু থেকে সাময়িক বিরতি নিয়ে পর¯পরকে নিরবচ্ছিন্ন মনোযোগ ও আন্তরিকতাপূর্ণ কিছু সময় উপহার দেওয়াই এখানে মূল লক্ষ্য। যারা ভালোবাসা পেতে চায় তারা সঙ্গীর কাছ থেকে পর্যাপ্ত সময় ও মনোযোগ না পেলে নিজেকে অবহেলিত বা উপেক্ষিত বোধ করতে পারো। যৌক্তিক কারণে সঙ্গী বেশি সময় দিতে অপারগ হলে, সেটা যেমন বোঝা প্রয়োজন, তেমনি একজন অতিমাত্রায় ব্যস্ত থাকায় অপরজন যেন বিচ্ছিন্ন বোধ না করে, সেটাও খেয়াল রাখতে হবে। অতএব, এসব ক্ষেত্রে মনোঃক্ষুণè হয়ে না থেকে পর¯পরের সাথে আলাপ ও বোঝাপড়া করে নেওয়াই উচিত।
উপহারের মাধ্যমে ভালোবাসার প্রকাশ
উপহার যাদের ভালোবাসার ভাষা, তাদের ক্ষেত্রে মূলত উপহারের অর্থমূল্য নয়, উপহারের পেছনের ভাবনাটাই বেশি গুরুত্ববহ। তার সঙ্গী তার মুখে এক চিলতে হাসি ফোটানোর জন্যে তার পছন্দসই একটি উপহার এনেছেÑ এই বোধটুকুই তাকে অভিভূত করবার জন্যে যথেষ্ট। তোমার সঙ্গী যদি উপহারের মাধ্যমে ভালোবাসার প্রকাশ পছন্দ করে, তাহলে তার কথোপকথন খেয়াল করো। তিনি কি নতুন কোনো বই কেনার কথা ভাবছে না? তিনি কিনে ফেলার আগে তুমি বইটি কিনে তার টেবিলে রেখে দাও। তোমাদের স্মৃতিবিজড়িত জায়গাগুলি বা নতুন কোথাও বেড়িয়ে আসো দু’জনে। ডক্টর গ্যারি চ্যাপম্যানের মতে, প্রতিটি মানুষের কাছে একটি কাল্পনিক ভলোবাসার আকাক্ষা থাকে। সঙ্গীর কাছ থেকে প্রতিনিয়ত ভালোবাসা অনুভব করলে সেই আকাক্ষা ক্রমান্বয়ে পূর্ণ হতে থাকে, দুজনে সদ্ভাব বজায় থাকে।
যেসব বিষয়ের উপর স¤পর্ক গড়ে ওঠে
একটি স¤পর্ক মূলত কতগুলো উপাদানের ভিত্তিতে গড়ে ওঠে। উপাদানগুলো নিম্নরূপ:
সততা: সততা একটি মানবিক গুণাবলি। এটি একজন মানুষকে সত্যিকারের মানুষ হিসেবে গড়ে উঠতে সাহায্য করে। সততা একটি মানুষকে অন্যদের কাছে সম্মানিত করে তোলে।
কথা দিয়ে কথা রাখার প্রবণতা: যেকোনো ধরনের স¤পর্ক ওয়াদার মাধ্যমে গড়ে ওঠে।
বিশ্বস্ততা: যেকোনো স¤পর্কের মাঝে বিশ্বস্ততা থাকা জরুরি। অন্যথায় কোনো স¤পর্কই টিকে থাকে না।
বন্ধুত্ব: বন্ধুত্ব এমন একটি বাঁধন যা স¤পূর্ণ ভিন্ন প্রকৃতির যা আচরণের মাধ্যমে মানুষের সাথে গড়ে উঠতে পারে নিমিষেই। বন্ধুত্ব খুব সহজেই দুটি মানুষের মাঝে প্রাণের সখ্যতা গড়ে তোলে এবং তা আলোয় আলোয় ভরিয়ে দেয়।
দায়িত্ব নেয়ার ক্ষমতা: যেকোনো স¤পর্ক গড়তে গেলেই দায়িত্ব শব্দটি চলে আসে। যে মানুষের এই দায়িত্ব নেয়ার ক্ষমতা বেশি থাকে সে খুব সহজেই মানুষের কাছে গ্রহণযোগ্যতা পেয়ে থাকে।
বোঝার ক্ষমতা: একটি সুন্দর স¤পর্ক অনেকটা নির্ভর করে একে অপরের বোঝার ক্ষমতার উপর। যখন একজন অন্যজনের প্রয়োজন সুবিধা- অসুবিধা, রাগ-অনুরাগ বিভিন্ন অনুভূতি বোঝার চেষ্টা করে এবং কিছুটা বুঝতে পারে তখনই একটি সুন্দর স¤পর্কের সৃষ্টি হয়।
স্বচ্ছতা: মনের দুয়ার যার স্বচ্ছ কাঁচের মত তার দৃষ্টি হয় সুন্দর ও মলিন। আর এমন একটি বৈশিষ্ট্য যার মধ্যে থাকে সে হয়ে যায় অনন্য।
ভালোবাসা: ভালোবাসা শব্দটি অনুভূতির সাথে জড়িত। ভালোবাসার অনুভূতিগুলো চির সুন্দর।
ভালোবাসার অপর নাম প্রয়োজন
এক কৃষকের বাগানে একটি ডালিম গাছ ছিল। তাতে কোনো ফল ধরত না। তাই কৃষক গাছটি কেটে ফেলার সিদ্ধান্ত নিল। সেই ডালিম গাছে বাসা বানিয়েছিল একজোড়া চড়ুই পাখি। পাখি দুটি কৃষককে অনুরোধ করে বলল, দয়া করে গাছটি কাটবেন না। তাহলে আমরা আশ্রয়হীন হয়ে যাব। কৃষক পাখি দুটিকে জবাব দিল, তোমরা আশ্রয়হীন হলে আমার কি! তোমরা তো আমার কোনো কাজে আসবে না। এ কথা বলে কৃষক যখন তার হাতের কুড়াল দিয়ে গাছটি কাটতে যাচ্ছিল, তখন পাখি দুটি বললÑ দেখো আমাদের বাসার নিচে মৌমাছিরা বাসা তৈরি শুরু করেছে। কৃষক গাছে একটি ছোট্ট মৌচাক দেখতে পেল। মৌচাক দেখে কৃষক তার হাতের কুড়াল নামিয়ে ফেলল। সে ভাবল, গাছটি এখনই কেটে ফেললে মৌচাক থেকে সে মধু নিতে পারবে না।
আমাদের মধ্যে শতকরা ৯৯ ভাগ মানুষই ঐ কৃষকের মতো। আমরা এত বেশি আত্মকেন্দ্রীক যে, আমাদের নিজেদের স্বার্থ ছাড়া অন্য কিছুতে আমাদের আগ্রহ নেই। তাই কোনো মানুষকে দিয়ে যখন কোনো কাজ করাতে চাইবে, তখন শুধু সেই মানুষটা কিজন্য তোমার কাজটি করে দিবেÑসে বিষয়ে খেয়াল রাখবে। যদি তুমি সেই মানুষটার স্বার্থের দিক বিবেচনা না করে, তাহলে সেও তোমার স্বার্থের দিকে দৃষ্টি দেবে না।
প্রেমে সফল হয়ে বৈবাহিক জীবনে রূপ দেয়াও সহজ কথা নয়। তাই মধুর এই স¤পর্কটাকে মধুরভাবে এগিয়ে নেওয়ার জন্য কিছু বিষয় মাথায় রাখা দরকারÑ
মন রক্ষা করে চলা যাবে না: প্রিয়জনের মন রক্ষার জন্য নিজেকে ভিন্নভাবে উপস্থাপন করবে না। তুমি যেমন, তোমার মন মানসিকতা যেমন, ব্যক্তিত্ব যেমন, ঠিক তেমনভাবেই প্রিয়জনের সামনে তোমাকে তুলে ধরবে। কারণ, ভুল ধারণার উপর ভিত্তি করে স¤পর্ক তৈরি হলে তোমার প্রতি তার প্রত্যাশা, যা তুমি কখনই পূরণ করতে পারবে না। ফলে, একদিন সে স¤পর্ক ভেঙেই যাবে।
তাকেই মূল্যায়ন করো, যে তোমার মূল্যায়ন করে: একহাতে যেমন তালি বাজে না তেমনি একতরফা প্রেম দিয়ে স¤পর্ক হয় না। তাই স¤পর্কের মূল চালিকাশক্তি যদি শুধু তোমার হয় এবং অপর পক্ষ যদি আগ্রহী না হয় তবে দ্রুত সরে আসতে হবে। নতুন করে শুরু করো, সুযোগের অভাব নেই।
কারো সংগে তুলনা নয়: অন্যের স¤পর্কের সুখের দিনগুলোর সঙ্গে নিজের স¤পর্কের দিনগুলোকে তুলনা করা মারাত্মক ভুল। তোমার পাতিত বন্ধু বা বান্ধবী তার প্রিয়জনকে নিয়ে বেড়াতে গেছে, আর তোমরা যেতে পারোনি, তার মানে এই নয় যে তুমি বঞ্চিত রয়ে গেলে। সুখ তোমার স¤পর্কেও আছে, হয়ত অন্যরূপে।
সিদ্ধান্ত নাও বুঝে শুনে: ভালো লাগা আর ভালোবাসার মধ্যে রয়েছে বিস্তর ফারাক। তাই কাউকে ভালো লাগছে বলেই স¤পর্কে জড়িয়ে পড়ার আগে আগপাছ চিন্তা করতে হবে। আগের ভুলগুলো থেকে শিক্ষা নিতে হবে। ভালো লাগার মানুষটিকে প্রিয়জন বানানোর আগে তোমার প্রত্যাশাগুলো স¤পর্কে জানাতে হবে। আবেগে গা ভাসিয়ে দিলে চলবে না।
অতীতে পড়ে থাকবে না: নতুন স¤পর্ক তৈরির আগে নিজেকে একটু নতুনভাবে গড়তে হবে। পেছনের স¤পর্কে কি ঘটেছিল, কি তোমাকে কষ্ট দিয়েছে, কেনো স¤পর্ক ভেঙে গেলÑএসব নিয়ে ভাবতে যাবে না। অতীত স্মৃতি বারবার টেনে এনে নতুন মানুষটির ওপর অবিচার করার দরকার নেই।
বন্ধুদের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দাও: আমরা সামাজিক প্রাণী, তাই না? আমরা পরিবার ও বন্ধুদের ঘিরে থাকি। তাই নতুন মানুষটিকে তাঁদের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেওয়াটা জরুরি। তোমার বন্ধু ও পরিবারের স¤পর্কে জানলে তোমাকেও বোঝা তাদের জন্য সহজ হবে।
প্রাক্তনের কথা বর্তমান মানুষটিকে বেশি বলবে না: স¤পর্ক দীর্ঘস্থায়ী করতে চাইলে সাবেক প্রেমিক বা প্রেমিকার কথা বর্তমান মানুষটিকে বেশি বলতে যাবে না। এতে বর্তমান স¤পর্ক জটিল হয়ে যেতে পারে। নতুন মানুষটির ভেতরে হীনম্মন্যতা তৈরি হতে পারে।
সঙ্গী যেমন, তাঁকে সেভাবেই গ্রহণ করো: স¤পর্ক আসলে বোঝাপড়ার ব্যাপার। সঙ্গী যেমন, তেমনভাবেই তাঁকে মেনে নেওয়ার চেষ্টা করো। তাঁর কাজ, পছন্দকে মানো। তাঁর আস্থা অর্জন করো। কিছু অপছন্দ হলে না রেগে ধীরে ধীরে তাঁকে বোঝানোর চেষ্টা করো।
স¤পর্কের গুণগত মান বাড়বে কিভাবে?
যেকোনো আবেগময় স¤পর্ক একধরনের বেড়ে ওঠা গাছের মতো, যা সুন্দরভাবে বেড়ে ওঠার জন্য প্রয়োজন প্রতিদিনের পরিচর্যা। অর্থাৎ সময়ের সঙ্গে সঙ্গে পার¯পরিক আবেগ, ভালোবাসা, আকর্ষণ, নির্ভরশীলতা এমনি এমনি বেড়ে উঠবে না। এর জন্য প্রয়োজন দুজনের আন্তরিক প্রচেষ্টা ও এর গুরুত্ব অনুধাবন!
সময় দাও: প্রতিদিন ‘অল্প’ হলেও শুধু দুজনের জন্য কিছুটা সময় রাখো। এ সময়ে পর¯পরের সঙ্গ উপভোগের চেষ্টা করো, মজা করো, পর¯পরের খোঁজখবর নাও, তার সারাদিনের কর্মব্যস্ততা ইত্যাদি নিয়ে পারলে কথা বলো, গল্প করো। অল্প সময়ের জন্য হলেও সঙ্গীর নিরবচ্ছিন্ন মনোযোগ এবং প্রাধান্য নিজেকে গুরুত্বপূর্ণ ভাবতে সাহায্য করে, আত্মবিশ্বাস বাড়ায়।
সম্মান করো: গুণগত স¤পর্কের অন্যতম নির্ধারক পার¯পরিক সম্মান। আচরণ, কথায়, অন্যের কাছে প্রকাশে সঙ্গীর আত্মসম্মানের দিক খেয়াল রাখো।
প্রশংসা করো: প্রতিদিন ছোটখাটো নানা ভালো কাজের প্রশংসা করো। অন্যের প্রশংসা বা স্বীকৃতি আমাদের উৎসাহিত করা ছাড়াও আমাদের ভালো দিকগুলোর প্রতি যে সঙ্গী মনোযোগী তা প্রমাণ করে।
স্নেহ প্রকাশ করো: প্রতিদিন নানাভাবে (¯পর্শের মাধ্যমে, মৌখিকভাবে) তোমার মমতা, স্নেহ সঙ্গীকে প্রকাশ কর। প্রতিটা মানুষেই নানা ধরনের ‘নাজুকতার’ মধ্যে দিয়ে যায়। প্রিয়জনের স্নেহময় ‘আশ্রয়’ আমাদের নাজুকতা মোকাবিলা করতে সাহায্য করে।
বেড়াতে যাও: কর্মব্যস্ততা থাকলেও সপ্তাহে অন্তত একবেলা তোমার সঙ্গীর জন্য রাখো। একসঙ্গে বাইরে বের হও, একসঙ্গে ভালো লাগার কিছু উপভোগ করো। একান্তে কাটানো এ সময় সমস্যা নিয়ে কথা না বলে ইতিবাচক বিষয় নিয়ে কথা বলো। ছোটো ছোটো এ ধরনের অভ্যাস স¤পর্কে বৈচিত্র আনতে সাহায্য করে, ক্লান্তি দূর করে।
দ্বন্দ্ব মোকাবিলায় কৌশলী হও: রোমান্টিক বা আবেগময় স¤পর্কে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে ভালো কিছুর সঙ্গে নানা অপ্রাপ্তি, দ্বন্দ্ব, অপ্রত্যাশিত বিষয় যোগ হবে। অযথা প্রতিক্রিয়া না দেখিয়ে বা মনের মধ্যে না পুষে সরাসরি করে, কথা বলো। এমনভাবে বলবে না, যাতে অপর পক্ষ চ্যালেঞ্জ বোধ করে বা নিজেকে ছোট মনে করে। প্রয়োজনে সঙ্গীর ব্যক্তিত্বে কিছু সীমাবদ্ধতা যা খুব একটা পরিবর্তন করতে পারবে না, সেটা গ্রহণ করো। সে ক্ষেত্রে তার ভালো বিষয়গুলো এবং স¤পর্কের শক্তিশালী দিকগুলো বেশি করে মাথায় রাখো।
খোলামেলা কথা বলো: ভালোবাসা, সততা, স্বচ্ছতা, বিশ্বাস, দায়বদ্ধতার ভিত্তিতে দাঁড়ানো স¤পর্ক পর¯পরকে যে নির্ভরতা দেয় এবং যেভাবে নির্ভার করে সেটা দীর্ঘ জীবনের পথ চলার নানা জটিলতা অনেক সহজ করে দেয়। পর¯পরের সঙ্গে খোলামেলাভাবে কথা বলা, রসবোধ রাখা, নিজের মতামতের বাইরে অন্যের মতামত গ্রহণ করার মানসিকতা রাখো।
স¤পর্কে বন্ধুত্ব: দা¤পত্যে বন্ধুত্ব যোগ হলে এর স্থায়িত্ব বাড়ে। কাজেই পরিবার, শৈশব, অতীত, আগ্রহ ও কাজের বিষয়, জীবন স¤পর্কে ভাবনা, ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা ইত্যাদি শেয়ার কর এবং তার বিষয়ে আগ্রহ দেখাও।
একান্ত সময়: নিজের ব্যক্তিগত জায়গা (পারসোনাল ¯েপস) রাখো। নিজের ভালো লাগার বিষয় চর্চা করো, নিজস্ব বন্ধুবান্ধব রাখো, আত্মনির্ভরশীল হও। সঙ্গীর প্রতি স¤পূর্ণ নির্ভরশীলতা থেকে বিরত থাকো।
সূচিপত্র
১) ছোটদের সাথে আমাদের আচরণ ২) পরিবার ও সন্তান, সুপার পাওয়ার যেভাবে তৈরি হয়, ৩) দীর্ঘস্থায়ী ভয়ের উৎপত্তির মূলে শৈশবকালে ঘটে যাওয়া ঘটনার প্রভাব , ৪) সন্তানের উৎসাহ এবং উদ্দীপনা বাড়ানো, ৫) আপনার শিশুটি ঘুমুক শান্তিতে এবং নির্ভরতায় , ৬) কিছু অব্যর্থ টিপস, যা আপনার শিশুকে পড়াশোনায় আগ্রহী করে তুলবে, ৭) শিশুকে কিভাবে বড় করবেন, ৮) বাচ্চাদের মস্তিষ্ক বিকাশে কী করবেন? ৯) বাচ্চাদের বুদ্ধি বিকাশের অন্যতম পথ, দৌড়, ১০) বাচ্চাকে কখনো আড়ালে লুকিয়ে খেতে দেবেন না, ১১) পিটার সিংগারের দর্শন, ১২) দুষ্টু শিশুরা তাড়াতাড়ি শেখে, ১৩) সন্তানকে যতই শাস্তি দেবেন ততই সে অসামাজিক হবে, ১৪) বাবা-মাই সন্তানকে নির্যাতন করেন সবচেয়ে বেশি , ১৫) সন্তানের সাথে কিভাবে গড়ে তুলবেন নিবিড় বন্ধন, ১৬) যে ১১টি কথা শিশুকে কখনোই বলবেন না!, ১৭) শিশুকে গল্প শোনান প্রতিদিন, ১৮) সন্তানের আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধির ১০টি কৌশল, ১৯) সৃজনশীলতা হচ্ছে নতুন কিছু করার যোগ্যতা, ২০) যারা মুখস্থ করতে পারেন না, ২১) তারা মেধাবী, মেধাবী হওয়ার উপায়,
২২) কথা ও ভাষা, ২৩) এলিভেটর পিচ, ২৪) সুন্দর করে কথা বলে সমস্যা জয়ের কৌশল, ২৫) ফোনে কথা বলার আদবকেতা, ২৬) ১২টি কর্ম বিধান, ২৭) ভালোবাসার অপর নাম প্রয়োজন, ২৮) আলতু-ফালতু কাজে সময় অপচয় করে স্বপ্ন পূরণের কল্পনা, ২৯) স্ট্রেস ম্যানেজমেন্ট, ৩০) চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিন পিং-এর জীবন থেকে শিক্ষা, ৩১) অভিজ্ঞতা ও অতীত থেকে শিক্ষা গ্রহণ, ৩২) বর্তমানকে সবচেয়ে বেশি মূল্য দিন, ৩৩) ২৪ ঘণ্টা কেউ সুখী হয় না, ৩৪) কিছু অভ্যাস যা আপনাকে আরও সুখী করবে , ৩৫) আপনার অবয়ব , ৩৬) সফলতার 25টি হট কৌশল-1, ৩৭) সাফল্যের 25টি হট কৌশল-2, ৩৮) সফলতার 55 সূত্র, ৩৯) কিভাবে নিজেকে নেতা হিসেবে গড়ে তুলবে, ৪০) সময় ব্যবস্থাপনা, ৪১) সময় ব্যবস্থাপনার তিনটি ধাপ, ৪২) সময়কে যথাযথভাবে কাজে লাগানোর উপায়গুলো, ৪৩) সাফল্য, ড. কোভের ইমোশনাল একাউন্ট কনসেপ্ট, ৪৪) সবচে বড় ইমোশনাল একাউন্ট, ৪৫) আপনার ইমোশনাল একাউন্ট, ৪৬) বুদ্ধি ও বিবেচনাবোধ বর্জিত কর্মফল বিপজ্জনক, ৪৭) অন্যদের দিয়ে আপনার কাজ করান কিন্তু সম্মান আপনি অর্জন করুন, ৪৮) অন্য লোকেরা আপনার কাছে আসুক দরকার হলে টোপ দিন, ৪৯) অসুখী এবং ভাগ্যহীনদের বর্জন করুন, ৫০) লোককে আপনার ওপর নির্ভরশীল করুন , ৫১) নেওয়ার পূর্বে দেওয়া অন্য বক্তির স্বার্থ বুঝুন, ৫২) শত্রুকে খাটো করে দেখবেন না, ৫৩) নিজেকে রক্ষা করার জন্য চারিদিকে দুর্গ নির্মাণ করবেন না, ৫৪) কারোর পক্ষ অবলম্বন করে বসে থাকবেন না, ৫৫) আপনার শক্তিসমূহকে সংহত করুন, ৫৫) নিজের ভুলগুলোকে লুকিয়ে রাখুন, ৫৬) শুধু সাহসের জোরে নয়, পরিণতিও বিবেচনায় রাখুন, ৫৭) প্রতিটি মানুষের গোপন ইচ্ছা খুঁজে বের করুন, ৫৮) রাগ বিপজ্জনক ও অভদ্রতা, ৫৯) কোনো দলকে ধরার জন্য দলপতিকে প্রথমে ধরুন, ৬০) নিজেকে গুরুত্বপূর্ণ মনে করুন, গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবেন, ৬০) পরিবেশ সামলাতে শিখুন, ৬১) প্রথম শ্রেণির মানুষ হয়ে উঠুন, ৬২) আপনার সামাজিক পরিবেশ ‘প্রথম শ্রেণি’র করে তোলার উপায়, ৬৩) ‘সস্তার তিন অবস্থা’ প্রধম শ্রেণিভুক্ত হয়ে উঠুন , ৬৪) যত বেশি বন্ধুত্ব তত বেশি উপরে ওঠার সম্ভাবনা, ৬৫) সাহস করে কাজটা শুরু করুন, ৬৬) সাফল্য মানে বারবার ভিন্নভাবে চেষ্টা করা, ৬৭) ১- ১০ ভাল অভ্যাস, ১১- ২০ ভাল অভ্যাস, ২১- ৩০ ভাল অভ্যাস, ৩১- ৪০ ভাল অভ্যাস, ৪১- ৫০ ভাল অভ্যাস, ৫১- ৬০ ভাল অভ্যাস, ৬১- ৭০ ভাল অভ্যাস, ৭১- ৮০ ভাল অভ্যাস, ৮১- ৯০ ভাল অভ্যাস, ৯১- ১০২ ভাল অভ্যাস, ৬৮) জিরো থেকে হিরো, ৬৯) সৃজনশীলদের সফলতার ৭ সূত্র, ৬৯) জীবনে পরিবর্তন আনুন ৪৮টি উপায়ে, ৭০) জীবন-যাপন, ৭১) জাপানী ও চিন লাইফ স্টাইল , ৭২) ৩০টি দর্শন, যা আপনার জীবনে কাজে লাগবে, ৭৩) সম্পর্ক তৈরি করা, বন্ধুত্ব, ৭৪) যে আচরণগুলো মানুষের মনের কথা জানাবে, ৭৫) কথা বলার সূত্র, ৭৬) আপনি ও আপনার ব্যবহার, ৭৭) নিজেকে সঠিকভাবে উপস্থাপন করা, ৭৮) কথা বলার কতিপয় গুরুত্বপূর্ণ নিয়ম, ৭৯) কিভাবে নিজেকে বিনয়ী হিসেবে উপস্থাপন করবেন, ৮০) কিভাবে বুদ্ধিদীপ্ত কথা বলবেন, ৮১) কথা বলার ৫টি বিস্ময়কর টেকনিক, ৮২) কিভাবে মানুষকে আকৃষ্ট করবেন? ৮৩) অকারণে সময় নষ্ট? মেল রবিনের ৫ সেকেন্ড রুল, ৮৪) কর্পোরেট আদবকেতা, ৮৫) ৩৫টি কর্পোরেট কালচার ও আপনার করণীয়, ৮৬) যা না জানলে লজ্জায় পড়তে হয় , ৮৭) কাজের সময়ে যে বিষয়গুলো একেবারেই করা উচিৎ না , ৮৮) ক্যারিয়ারে সাফল্য পেতে ছুড়ে ফেলুন ৭টি দোষ, ৮৯) আকাক্সক্ষা, ইচ্ছে বা স্বপ্ন,
৯০) বক্তৃতা প্রশিক্ষণ, কাজ কিভাবে করবেন? ৯১) আত্মশক্তিতে বলিয়ান হতে, ৯২) একনাগাড়ে চলবেন না, ৯৩) মারফিস ’ল , কাজের রোডম্যাপ তেরি , ৯৪) জব স্যাটিসফেকশন, ৯৫) কাজে সফলতার সূত্রাবলী, ৯৬) যেভাবে জীবনযাপন করবেন, ৯৭) পরিণত বুদ্ধির মানুষেরা যে কাজগুলো কখনোই করেন না, ৯৮) জীবনে দক্ষতা অর্জনের কার্যকর ১২টি উপায়, ৯৯) সঠিক লক্ষ্য নির্ধারণ ও কাজ করার উপায় , ১০০) সফলতা ও সার্থকতা, ১০১) জীবনের ছোট ছোট প্রাপ্তিগুলোকে উপভোগ করা, ১০২) সফলতার কিছু পদ্ধতি, ১০৩) সফল হতে চাইলে যে ৮ টি জিনিস বাদ দেয়া প্রয়োজন, ১০৪) সফল ব্যক্তিরা যে ১০টি কাজ কখনোই করেন না, ১০৫) সর্বদা স্মরণ রাখুন, ১০৬) চিন্তাশক্তি , ১০৭) স্বাধীনতা, ১০৮) জ্ঞান অর্জন খাদ্য গ্রহণের মতো , ১০৯) দৃঢ় প্রতিজ্ঞ হয়ে চেষ্টা করলে কখনোই বিফল হবেন না, ১১০) বুদ্ধির সংজ্ঞা হলো, প্রতিটি কাজ ভেবে-চিন্তে করা, ১১১) ব্যক্তিত্ব, চেহারা ও ব্যক্তিত্ব , ১১২) সেলডন-এর গবেষণা , ১১৩) ব্যক্তিত্ব ও উচ্চারণ, ১১৪) পোশাক ও ব্যক্তিত্ব, ১১৫) প্রথম দেখায় ব্যক্তিত্বের ছাপ, ১১৬) বিচ্ছিন্নতা ব্যক্তিত্বের বড় শত্রু, ১১৭) ব্যক্তিত্বে জিনগত প্রভাব, ১১৮) অন্তর্মুখী ও বহির্মুখী ব্যক্তিত্ব, ১১৯) মনোমুগ্ধকর ব্যক্তিত্বের ১০ বৈশিষ্ট্য, ১২০) ব্যক্তিত্বের উৎকর্ষতার জন্যে ১০ নির্দেশনা, ১২১) কিভাবে ব্যক্তিত্বের বিকাশ ঘটাবেন? , ১২২) নিজেকে স্মার্ট করতে ৫টি কৌশল, ১২৩) আকর্ষণীয় মানুষ হবার ৬টি পরামর্শ, ১২৪) আত্মশুদ্ধি , ১২৫) হতাশ হবেন না, ১২৬) পাছে লোকে কিছু বলে, ১২৭) সুখ-শান্তি উন্নতি , ১২৮) চাহিদা, ১২৯) খাদ্য, ঘুম ও বিশ্রাম, ১৩০) স্বাস্থ্য ভাল রাখার নিয়ম, ১৩১) টেনশন দূর করতে হলে, ১৩২) শুধু নিজের কথা নয়, অন্যের কথাও ভাবুন, ১৩৩) চাহিদা যত বেশি সুখ তত কম, ১৩৪) সুখী জীবনের জন্য ১৮ টি টিপস, ১৩৫) আত্মবিশ্বাস, আত্ম বিশ্বাসের শক্তি, ১৩৬) অজুহাতের ব্যাধিতে আক্রান্ত ব্যর্থ মানুষ, ১৩৭) দি সেভেন হ্যাবিট অফ হাইলি এ্যা ফেক্টিভ পিপল, ১৩৮) সামাজিক আয়না, ১৩৯) প্রোএ্যাক্টিভিটি, ১৪০) সার্কেল অফ ইনফ্লুয়েন্স, ১৪১) শুরু করুন আজই, ১৪২) আপনার কেন্দ্রবিন্দু কোনটি?, ১৪৩) মাথার দুটি অংশই ব্যবহার করুন, ১৪৪) সময়ের ব্যবস্থাপনা, ১৪৫) ব্যক্তিগত ব্যবস্থাপনা, ১৪৬) গুরুত্বপূর্ণ এবং জরুরি, ১৪৭) পরনির্ভরশীল জীবন, ১৪৮) ছয়টি উপায়ে অন্য মানুষের সাথে আদান-প্রদান, ১৪৯) অধ্যয়ন, ১৫০) পড়াশোনায় ১২ কার্যকর কৌশল, ১৫১) ঘুম থেকে উঠতে ১০-৩-২-১-০ ফর্মুলা, ১৫২) আয়-ব্যয়- টাকা, ১৫৩) অন্যকে খুশি করতে পয়সা খরচ যে কারণে অর্থহীন, ১৫৪) খরচের লাগাম টেনে ধরতে.. ১৫৫) নারী, ১৫৬) সম্পর্ককে সুন্দর রাখতে কিছু “মিথ্যা” বলা জরুরী , ১৫৭) ছেলেদের কোন জিনিস দেখে মেয়েরা? , ১৫৮) স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর কিছু অভ্যাস, ১৫৯) ভুঁড়ি ঠেকাতে ৫টি নিয়ম, ১৬০) যেসব কারণে নারীদের স্বাবলম্বী হওয়া উচতি , ১৬১) বিয়ে-সংসার, ১৬২) সফল বিয়ের তিনটি মন্ত্র, ১৬৩) সুখী হবার দারুণ কিছু মূলমন্ত্র, ১৬৪) কিছু গল্প, ১৬৫) ভালোবাসাহীন সম্পর্ক, ১৬৬) কেন স্পর্শের প্রয়োজন হয় প্রতিদিন, ১৬৭) যে কারণে একা থাকাই আপনার জন্য ভালো, ১৬৮) ব্যবসা, ১৬৯) বিক্রয় বৃদ্ধির কৌশল, ১৭০) যে ৭টা ব্যাপার বিজনেসে করবেন না, ১৭১) স্বাস্থ্য, ১৭২) দুগ্ধজাত খাবারে পুরুষের বন্ধ্যত্ব, ১৭৩) একাকিত্বের বিপদ, ১৭৪) কর্মক্ষম ও প্রফুল্ল রাখতে, ১৭৫) মন ভালো করার উপায়, ১৭৬) যৌন স্বাস্থ্য, ১৭৭) পুরুষদের কেজেল, ১৭৮) মহিলাদের কেজেল, ১৭৯) দক্ষতা , ১৮০) আলসেমি দূর করার সহজ কিছু উপায়, ১৮১) কীভাবে সামলাবেন নিন্দুকদের ?, ১৮২) সুখী হতে চাইলে যা কখনোই করবেন না, ১৮৩) সব ভুলে যাচ্ছেন? স্মৃতিশক্তি চাঙ্গা রাখতে ৫টি টিপস, ১৮৪) বয়সের ভারে বৃদ্ধ না হয়ে বরং কাজের ভারে যুবক থাকার চেষ্টা করো, ১৮৫) নিজেকে কাজের সঙ্গে সম্পক্ত করার তিনটে স্টেপ, ১৮৬) জীবনের লক্ষ্য নির্ধারণে দ্রুত পদ্ধতিগুলো, ১৮৭) প্রতিদান পাওয়ার আশায় কাজ করবেন না, ১৮৮) প্রেম একটি মানসিক রোগ, ১৮৯) সম্পর্ক ভেঙ্গে যাবার পর নিজেকে যেভাবে সামলাবে, ১৯০) সময় সবকিছু বদলে দেয়, ১৯১) সম্পর্ক তৈরির ক্ষেত্রে কমন পাঁচটি ভুল, ১৯২) আত্মবিশ্বাস/মনোবল, ১৯৩) প্যারাসুট অফ হ্যাপিনেস, ১৯৪) বারবার ঘুরে দাঁড়াতে হবে, ১৯৫) আত্মবিশ্বাসহীন মানুষের লক্ষণ, ১৯৬) বাড়াও আত্মবিশ্বাস, বাড়বে সফলতা, ১৯৭) প্রাতিষ্ঠানিক সম্পর্ক শক্তিশালী করার টিপস, ১৯৮) কিভাবে ধরে রাখবে দু'জনের সম্পর্ক, ১৯৯) কিভাবে বুঝবে সম্পর্ক শেষ করতে হবে, ২০০) সম্পর্ক যখন প্রেম-ভালোবাসার, ২০১) যেসব বিষয়ের উপর স¤পর্ক গড়ে ওঠে, ২০২) ভালোবাসার অপর নাম প্রয়োজন, ২০৩) সম্পর্কের গুণগত মান বাড়বে কিভাবে, ২০৪) মস্তিস্ক ঠিক রাখার ৩০ উপায়, ২০৫) মানুষের আচরণের পেছনে একটা কারণ থাকে, ২০৬) কোনো কাজে নিজেকে সম্পক্ত না করেই আমরা নিজ ক্যারিয়ারকে এগিয়ে নিয়ে যাই ২০৭) স্রোতের বিপরীতে চিন্তা করুন, ২০৮) আপনার টাইমজোনে সময় আসবেই, ২০৯) চাইল্ডহুড অ্যামনেসিয়া এবং আমাদের শিক্ষণীয়,