কথা ও ভাষা
হার্ভার্ড বিজনেস রিভিউয়ের তথ্যমতে, যাঁরা পেশাজীবনে প্রাঞ্জলভাবে কথা বলে, তাঁদের সাফল্য আসে দ্রুত।
হাসিমুখে চোখে চোখ রেখে কথা বলা শিখতে হবে। বাংলা ভাষায় সুন্দর করে কথা বলতে এবং নিজের আঞ্চলিকতা পরিহারের চেষ্টা করতে হবে। শুরুতে হয়তো সমস্যা হবে কিন্তু আঞ্চলিকতা অবশ্যই পরিহার করা যায়। টানা ছয়-সাত সপ্তাহ সময় দিলে আঞ্চলিক টান কথায় কমিয়ে আনতে পারবেন। কথার মধ্যে কখন, কিভাবে, কতটুকু বিরতি নিতে হয়, তা নিজেকে উপলব্ধি করতে হবে।
আপনি যাঁর সঙ্গে কথা বলছেন, সে লোক কথা বুঝতে পারছে কি-না, সেদিকে মনোযোগ দিতে হবে। আপনি কি বলছেন, তার চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ হলো আপনার শ্রোতা কি শুনছে বা কি বুঝছে। আপনার কথায় আত্মবিশ্বাস থাকতে হবে। শ্রোতার মুখ ও শরীরের অভিব্যক্তি দেখে শ্রোতাকে বুঝতে চেষ্টা করুন।
কথা বলার সময় অবশ্যই বক্তব্য গুছিয়ে নেবেন। বলার আগে অন্তত একটা ছক তৈরি করে নিন। প্রথম মিনিটে কি বলবেন, দ্বিতীয় মিনিটে কি আলোচনা করবেন আর বক্তব্য শেষ করবেন কিভাবেÑ তা মনে মনে সাজিয়ে নিন। কথা বলার সময় জটিল বাক্য ব্যবহার করবেন না। শব্দভাণ্ডার কিংবা বিদ্যার দৌড় কখনোই কথার মধ্যে প্রকাশের চেষ্টা করবেন না। সরল ও সাধারণ শব্দ ও বাক্যে কথা বলার চেষ্টা করুন।
এলিভেটর পিচ
ধরুন, আপনি একজন বিনিয়োগকারীর সঙ্গে লিফটে উঠেছো। ত্রিশ সেকেন্ডের জন্য তাঁর সঙ্গে নিরিবিলিতে কথা বলার সুযোগ আপনি পাচ্ছেন। এই অল্প সময়ের মধ্যে কিভাবে তাঁর সামনে কোনো ‘আইডিয়া’ উপস্থাপন করবেন? ২০-৩০ সেকেন্ডের মধ্যে কার্যকরভাবে একটা ভাবনা উপস্থাপন করাকে বলা হয় ‘এলিভেটর পিচ’। এসব ক্ষেত্রে সমস্যা নয়, সমাধান বলুন। শ্রোতার আগ্রহের জায়গা সম্পর্কে আগে জেনে নিন, সেভাবেই আপনার বক্তব্য তৈরি করুন। ‘আরেকটু সময় পেলে বোঝাতে পারতাম,’ এই মনোভাব রাখবেন না।
যাঁরা সুন্দর করে কথা বলেন, তাঁরা কিন্তু ব্যক্তি জীবনে অনেক পড়াশোনা করেন। পড়ার বিকল্প নেই। ফিকশন, নন-ফিকশনসহ সব ধরনের বই জার্নাল পড়ুন। নানা ধরনের বই পড়লে নিজের মধ্যে নানা বিষয়ে জ্ঞান ও তথ্য জমা হয়, ফলে কথা বলার সময় গুছিয়ে বলে ফেলার শিল্প রপ্ত করা সহজ হয়। যেকোনো মিটিং কিংবা পাবলিক স্পিকিংয়ের ক্ষেত্রে কথা শুরুর আগে শ্রোতা কিংবা যাঁর সঙ্গে কথা বলছেন, তাঁর বা তাঁদের অনুমতি নিয়ে শুরু করুন। শ্রোতার মনোযোগ ধরে রাখার জন্য সঠিক তথ্য ব্যবহার করে কথা বলুন। খেয়াল রাখবেন, শ্রোতা যা জানে, তার পুনরাবৃত্তি করা ঠিক নয়।
হুট করে সুন্দর করে কথা বলার শিল্প আয়ত্তে আসে না। নিজেকে বদলাতে চার থেকে পাঁচ মাস সময় দিন। এই বিনিয়োগ কিন্তু আজীবন কাজে আসবে। শেখার সময় ভুল হবেই, তা-ও শিখতে থাকুন। বাড়ির বড়দের কিংবা বিশ্ববিদ্যালয়ের বন্ধুদের কাছ থেকে আপনার যত ভুল, তা জেনে নিন। মানুষের কটাক্ষে মন খারাপ না করে ভুল সংশোধনে মনোযোগ দিন। স্পষ্ট করে কথা বলুন।
কথা বলার সময়, সবসময় মূল বিষয়ের দিকে লক্ষ্য রাখতে হবে। অনেক সময় কথা বলতে বলতে বক্তা মূল বিষয় থেকে সরে পড়েন। তখন শ্রোতারা খুব বিরক্তবোধ করেন। কারণ তারা তাদের মূল্যবান সময় নষ্ট করতে চান না। দরকার হলে লিখে রাখতে পারেন, যেটি নিয়ে কথা বলতে চান তার বিভিন্ন তথ্য। তাহলে বক্তব্যগুলো মূল বিষয়ের মধ্যেই চলে আসবে।
কথা বলার সময় একটু গ্যাপ দিয়ে কথা বললে শ্রোতাদের বুঝতে সুবিধা হয়। বেশি তাড়াতাড়ি কথা বলা খুব বাজে একটি অভ্যাস। এতে শ্রোতাদেরও বুঝতে কষ্ট হয়। একটু গ্যাপ দিয়ে কথা বললে বক্তব্য বেশি প্রাঞ্জল হয়। কিন্তু বেশি ধীর গতিতে কথা বললে শ্রোতারা বিরক্তবোধ করে এবং শোনার আগ্রহ হারিয়ে ফেলে। সুতরাং, মধ্যবর্তী একটি মাপ বেছে কথা বললে শ্রোতাদের কাছে গ্রহণযোগ্য হওয়া যায়। কথা বলার সময় গুরুত্ব অনুযায়ী কণ্ঠস্বরের উঠানামা করতে হবে। একই টোন একই মুড় অনেক্ষণ ধরে চালাবেন না।
একটা কথা সবসময় মনে রাখবে যোগাযোগের অন্যতম মাধ্যম ‘কথা’, এবং বর্তমানে সফলতা অর্জনের একটি বড় হাতিয়ার এটি। আর সুন্দর করে কথা বলা অতি উন্নত একটি শিল্প। পৃথিবীতে এমন অনেক মানুষ আছেন, যারা শুধু সুন্দর তরে কথার মাধ্যমেই অনেক সমস্যার সমাধান নিমিষেই করে ফেলেন।
একটা কথা সব সময় মনে রাখতে হবে: আপনি যে-কাউকে নিয়ে আলোচনা বা সমালোচনা করতে পারেন; কিন্তু সেটি হতে হবে ভদ্রতার সাথে রুচি সম্মতভাবে এবং ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গির মাধ্যমে।
কথা বলার কিছু কৌশল আছে। যা জীবনে চলার পথে প্র্যাকটিস করলে ভালো ফল পাওয়া সম্ভব হবে।
সুন্দর করে কথা বলে সমস্যা জয়ের কৌশল
১। সর্বদা পরিস্থিতি বুঝে কথা বলা।
২। কথা বলার সময় মৃদু ও নম্রস্বরে এবং যতটা সম্ভব স্পষ্টভাবে কথা বলার চেষ্টা করা।
৩। এমন শব্দে কথা বলবেন, যেন শ্রোতা আপনার কথা বুঝতে পারে।
৪। যে বিষয় সম্পর্কে আপনি জানেন, সে বিষয় নিয়ে কথা বলুন। অন্যথায় চুপ করে থাকুন।
৫। কথার মাঝখানে কথা বলে অন্যের মুড নষ্ট করবেন না।
৬। শুধু নিজে কথা না বলে অন্যকেও কথা বলতে সুযোগ দিন।
৭। কখনো এক নাগাড়ে কথা বলে যাবেন না, অন্যের কথাও মনোযোগ দিয়ে শুনার চেষ্টা করুন। অন্যজন কি বলতে চায়, কি বোঝাতে চায়-তা বুঝতে চেষ্টা করুন, না বুঝলে তাকে আবার সেই কথাটি পুনরায় বলতে বলুন, তবে যেন আবারটা বারবার না হতে থাকে সেদিকে সতর্ক থাকুন।
৮। কোনো কথার বিপরীতে কথা বলতে চাইলে শান্তভাবে বলুন।
৯। উত্তেজিতভাবে চেঁচামেচি করে কথা বলা উচিত নয়, আর এটা শোভনীয়ও নয়।
১০। কখনো গাড়ি থেকে বা পাবলিক প্লেসে কাউকে চেঁচিয়ে ডাকবেন না। এতে অন্যদের মাঝে বিরক্তিকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হবে।
১১। কারো সাথে কথা বলার সময় অবাঞ্ছিত কোনো শব্দ ব্যবহার করবে না বা অসৌজন্যমূলক আচরণও করবে না। এতে করে আপনার প্রতি শ্রোতার সম্মানবোধ কমে যেতে পারে।
১২। কথা বলতে বলতে ঝগড়া-বিবাদে জড়িয়ে পড়বেন না কিংবা অযথা বা অপ্রয়োজনীয় তর্কে মেতে উঠবেন না। এমন পরিস্থিতি সৃষ্টির সম্ভাবনা দেখা দিলে কথা না বাড়িয়ে সে জায়গা থেকে সরে যাওয়াই হবে উত্তম কাজ।
১৩। রাস্তাঘাটেও যথা সম্ভব মার্জিত স্বরে কথা বলার চেষ্টা করুন। কারণ পথে ঘাটে চিৎকার করে কথা বললে অন্য মানুষরা আপনাকে সন্দেহের চোখে দেখতে পারে বা বিরূপ মন্তব্য করতে পারে।
১৪। অল্প পরিচিত কোনো নারী বা পুরুষের সাথে নিজের সমস্যার কথা বলবেন না। খুব ঘনিষ্ঠ না হলে ব্যক্তিগত কথা বলা উচিত হবে না, কারণ এতে করে আপনারই সমস্যা হতে পারে। মনে রাখবেন, বন্ধু যে-কোনো সময় শত্রুতে পরিণত হতে পারে. আবার চরম শত্রুকেও ভদ্র আচরণ করুন, কারণ সে যে-কোনো সময় বন্ধু হতে পারে।
১৫। অধিক কথা বলে কোনো অনুষ্ঠানকে ঘোলাটে করবেন না।
১৬। কারো সমালোচনা করা উচিত নয়। আপনি নিজে কোনো অন্যায় করে থাকলে ক্ষমা প্রার্থনা করুন। কারণ ক্ষমা প্রার্থনা আপনাকে সবার থেকে বড় করে তুলবে।
১৭। সুচিন্তিতভাবে আপনার কথা বলুন- এলোমেলো, অগোছালো বা আজেবাজে অর্থহীন কথা বলা পরিহার করুন।
মনে রাখবেন, সঠিক সময় সঠিকভাবে কথা বলতে না পারলে অনেক সময় অনেক ছোট সমস্যাও বড় আকার ধারণ করে; আবার এই কথার ভিক্তিতেই অনেক বড় সমস্যার সমাধানও হয়ে যায় খুব সহজেই। জীবনের সাথে সমস্যা ওতপ্রোতভাবে জড়িত, তাই সুন্দর করে কথা বলার মধ্য দিয়েই সমস্যা সমাধান করে ভালো থাকতে হবে।
ফোনে কথা বলার কিছু গুরুত্বপূর্ণ আদবকেতা
১। কাউকে কল করলে প্রথমেই নিজের পরিচয় দিন, কেনো ফোন করেছেন, কার সাথে কথা বলতে চাইচেন- এসব বিষয় ভালোভাবে বলে নিন।
২। ফোনে উচ্চস্বরে কথা বলবেন না। না শোনা গেলে ফোন কেটে দিয়ে নেটওয়ার্কের আওতায় গিয়ে কথা বলুন।
৩। ফোন করার আগে ভালোভাবে ভেবে নিন, কোন বিষয়ে কথা বলবেন।
৪। মোবাইল ফোনে মার্জিত রিংটোন ব্যবহার করুন, যাতে হঠাৎ করে ফোন এলে আপনার রিংটোন শুনে কেউ বিরক্ত না হয়।
৫। ক্লাস বা মিটিংয়ে থাকলে ফোন সাইলেন্ট করে রাখুন। অন্যথায় এসময় ফোন এলে মনোযোগ নষ্ট হতে পারে।
৬। ভুল নম্বর থেকে ফোন এলে অযথা খারাপ ব্যবহার করবেন না।
৭। বাইরে লাউড স্পিকারে কথা বলবেন না। এতে অন্যরা বিরক্ত হতে পারে।
৮। জিজ্ঞাসা না করে অন্য কারো ফোন কল রিসিভ করবেন না।
৯। পরিচিত কারো ফোনে ম্যাসেজ এলে লুকিয়ে তা পড়াবেন না।
১০। ফোনে অপ্রয়োজনীয় কথা না বলাই ভালো। প্রয়োজনীয় কথা শেষ হলে সঙ্গে সঙ্গে ফোন রেখে দিন।
১১। গভীর রাতে প্রয়োজন ছাড়া কাউকে ফোন দেওয়া উচিত নয়।
১২। কোনো যানবাহনে, কমিনিটি হল, সামাজিক অনুষ্ঠানস্থল কিংবা রেস্তোরাঁয় ফোন নীরব করে রাখা উচিত। একান্ত ফোনে কথা বলতে হলে নিম্নস্বরে তাড়াতাড়ি কথা শেষ করুন।
১৩। যার ফোন ধরতে পারেননি, তাকে দুঃখিত বলে খুদে বার্তা পাঠিয়ে দিন। ফোনে যার সাথে কথা বলছেন তাঁকে কথা বলার সুযোগ দিন। যদি নিজেই শুধু কথা বলে যান, তখন অপরজন বিরক্ত হতে পারে।
১৪। ফোনে কথা শেষ করার আগে সুন্দরভাবে বিদায় জানিয়ে কল কাটবেন। হুট করেই ফোন রেখে দেবে না। এতে অপর প্রান্তে থাকা ব্যক্তিটি অপমানিত বোধ করতে পারে।
সূচিপত্র
১) ছোটদের সাথে আমাদের আচরণ ২) পরিবার ও সন্তান, সুপার পাওয়ার যেভাবে তৈরি হয়, ৩) দীর্ঘস্থায়ী ভয়ের উৎপত্তির মূলে শৈশবকালে ঘটে যাওয়া ঘটনার প্রভাব , ৪) সন্তানের উৎসাহ এবং উদ্দীপনা বাড়ানো, ৫) আপনার শিশুটি ঘুমুক শান্তিতে এবং নির্ভরতায় , ৬) কিছু অব্যর্থ টিপস, যা আপনার শিশুকে পড়াশোনায় আগ্রহী করে তুলবে, ৭) শিশুকে কিভাবে বড় করবেন, ৮) বাচ্চাদের মস্তিষ্ক বিকাশে কী করবেন? ৯) বাচ্চাদের বুদ্ধি বিকাশের অন্যতম পথ, দৌড়, ১০) বাচ্চাকে কখনো আড়ালে লুকিয়ে খেতে দেবেন না, ১১) পিটার সিংগারের দর্শন, ১২) দুষ্টু শিশুরা তাড়াতাড়ি শেখে, ১৩) সন্তানকে যতই শাস্তি দেবেন ততই সে অসামাজিক হবে, ১৪) বাবা-মাই সন্তানকে নির্যাতন করেন সবচেয়ে বেশি , ১৫) সন্তানের সাথে কিভাবে গড়ে তুলবেন নিবিড় বন্ধন, ১৬) যে ১১টি কথা শিশুকে কখনোই বলবেন না!, ১৭) শিশুকে গল্প শোনান প্রতিদিন, ১৮) সন্তানের আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধির ১০টি কৌশল, ১৯) সৃজনশীলতা হচ্ছে নতুন কিছু করার যোগ্যতা, ২০) যারা মুখস্থ করতে পারেন না, ২১) তারা মেধাবী, মেধাবী হওয়ার উপায়,
২২) কথা ও ভাষা, ২৩) এলিভেটর পিচ, ২৪) সুন্দর করে কথা বলে সমস্যা জয়ের কৌশল, ২৫) ফোনে কথা বলার আদবকেতা, ২৬) ১২টি কর্ম বিধান, ২৭) ভালোবাসার অপর নাম প্রয়োজন, ২৮) আলতু-ফালতু কাজে সময় অপচয় করে স্বপ্ন পূরণের কল্পনা, ২৯) স্ট্রেস ম্যানেজমেন্ট, ৩০) চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিন পিং-এর জীবন থেকে শিক্ষা, ৩১) অভিজ্ঞতা ও অতীত থেকে শিক্ষা গ্রহণ, ৩২) বর্তমানকে সবচেয়ে বেশি মূল্য দিন, ৩৩) ২৪ ঘণ্টা কেউ সুখী হয় না, ৩৪) কিছু অভ্যাস যা আপনাকে আরও সুখী করবে , ৩৫) আপনার অবয়ব , ৩৬) সফলতার 25টি হট কৌশল-1, ৩৭) সাফল্যের 25টি হট কৌশল-2, ৩৮) সফলতার 55 সূত্র, ৩৯) কিভাবে নিজেকে নেতা হিসেবে গড়ে তুলবে, ৪০) সময় ব্যবস্থাপনা, ৪১) সময় ব্যবস্থাপনার তিনটি ধাপ, ৪২) সময়কে যথাযথভাবে কাজে লাগানোর উপায়গুলো, ৪৩) সাফল্য, ড. কোভের ইমোশনাল একাউন্ট কনসেপ্ট, ৪৪) সবচে বড় ইমোশনাল একাউন্ট, ৪৫) আপনার ইমোশনাল একাউন্ট, ৪৬) বুদ্ধি ও বিবেচনাবোধ বর্জিত কর্মফল বিপজ্জনক, ৪৭) অন্যদের দিয়ে আপনার কাজ করান কিন্তু সম্মান আপনি অর্জন করুন, ৪৮) অন্য লোকেরা আপনার কাছে আসুক দরকার হলে টোপ দিন, ৪৯) অসুখী এবং ভাগ্যহীনদের বর্জন করুন, ৫০) লোককে আপনার ওপর নির্ভরশীল করুন , ৫১) নেওয়ার পূর্বে দেওয়া অন্য বক্তির স্বার্থ বুঝুন, ৫২) শত্রুকে খাটো করে দেখবেন না, ৫৩) নিজেকে রক্ষা করার জন্য চারিদিকে দুর্গ নির্মাণ করবেন না, ৫৪) কারোর পক্ষ অবলম্বন করে বসে থাকবেন না, ৫৫) আপনার শক্তিসমূহকে সংহত করুন, ৫৫) নিজের ভুলগুলোকে লুকিয়ে রাখুন, ৫৬) শুধু সাহসের জোরে নয়, পরিণতিও বিবেচনায় রাখুন, ৫৭) প্রতিটি মানুষের গোপন ইচ্ছা খুঁজে বের করুন, ৫৮) রাগ বিপজ্জনক ও অভদ্রতা, ৫৯) কোনো দলকে ধরার জন্য দলপতিকে প্রথমে ধরুন, ৬০) নিজেকে গুরুত্বপূর্ণ মনে করুন, গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবেন, ৬০) পরিবেশ সামলাতে শিখুন, ৬১) প্রথম শ্রেণির মানুষ হয়ে উঠুন, ৬২) আপনার সামাজিক পরিবেশ ‘প্রথম শ্রেণি’র করে তোলার উপায়, ৬৩) ‘সস্তার তিন অবস্থা’ প্রধম শ্রেণিভুক্ত হয়ে উঠুন , ৬৪) যত বেশি বন্ধুত্ব তত বেশি উপরে ওঠার সম্ভাবনা, ৬৫) সাহস করে কাজটা শুরু করুন, ৬৬) সাফল্য মানে বারবার ভিন্নভাবে চেষ্টা করা, ৬৭) ১- ১০ ভাল অভ্যাস, ১১- ২০ ভাল অভ্যাস, ২১- ৩০ ভাল অভ্যাস, ৩১- ৪০ ভাল অভ্যাস, ৪১- ৫০ ভাল অভ্যাস, ৫১- ৬০ ভাল অভ্যাস, ৬১- ৭০ ভাল অভ্যাস, ৭১- ৮০ ভাল অভ্যাস, ৮১- ৯০ ভাল অভ্যাস, ৯১- ১০২ ভাল অভ্যাস, ৬৮) জিরো থেকে হিরো, ৬৯) সৃজনশীলদের সফলতার ৭ সূত্র, ৬৯) জীবনে পরিবর্তন আনুন ৪৮টি উপায়ে, ৭০) জীবন-যাপন, ৭১) জাপানী ও চিন লাইফ স্টাইল , ৭২) ৩০টি দর্শন, যা আপনার জীবনে কাজে লাগবে, ৭৩) সম্পর্ক তৈরি করা, বন্ধুত্ব, ৭৪) যে আচরণগুলো মানুষের মনের কথা জানাবে, ৭৫) কথা বলার সূত্র, ৭৬) আপনি ও আপনার ব্যবহার, ৭৭) নিজেকে সঠিকভাবে উপস্থাপন করা, ৭৮) কথা বলার কতিপয় গুরুত্বপূর্ণ নিয়ম, ৭৯) কিভাবে নিজেকে বিনয়ী হিসেবে উপস্থাপন করবেন, ৮০) কিভাবে বুদ্ধিদীপ্ত কথা বলবেন, ৮১) কথা বলার ৫টি বিস্ময়কর টেকনিক, ৮২) কিভাবে মানুষকে আকৃষ্ট করবেন? ৮৩) অকারণে সময় নষ্ট? মেল রবিনের ৫ সেকেন্ড রুল, ৮৪) কর্পোরেট আদবকেতা, ৮৫) ৩৫টি কর্পোরেট কালচার ও আপনার করণীয়, ৮৬) যা না জানলে লজ্জায় পড়তে হয় , ৮৭) কাজের সময়ে যে বিষয়গুলো একেবারেই করা উচিৎ না , ৮৮) ক্যারিয়ারে সাফল্য পেতে ছুড়ে ফেলুন ৭টি দোষ, ৮৯) আকাক্সক্ষা, ইচ্ছে বা স্বপ্ন,
৯০) বক্তৃতা প্রশিক্ষণ, কাজ কিভাবে করবেন? ৯১) আত্মশক্তিতে বলিয়ান হতে, ৯২) একনাগাড়ে চলবেন না, ৯৩) মারফিস ’ল , কাজের রোডম্যাপ তেরি , ৯৪) জব স্যাটিসফেকশন, ৯৫) কাজে সফলতার সূত্রাবলী, ৯৬) যেভাবে জীবনযাপন করবেন, ৯৭) পরিণত বুদ্ধির মানুষেরা যে কাজগুলো কখনোই করেন না, ৯৮) জীবনে দক্ষতা অর্জনের কার্যকর ১২টি উপায়, ৯৯) সঠিক লক্ষ্য নির্ধারণ ও কাজ করার উপায় , ১০০) সফলতা ও সার্থকতা, ১০১) জীবনের ছোট ছোট প্রাপ্তিগুলোকে উপভোগ করা, ১০২) সফলতার কিছু পদ্ধতি, ১০৩) সফল হতে চাইলে যে ৮ টি জিনিস বাদ দেয়া প্রয়োজন, ১০৪) সফল ব্যক্তিরা যে ১০টি কাজ কখনোই করেন না, ১০৫) সর্বদা স্মরণ রাখুন, ১০৬) চিন্তাশক্তি , ১০৭) স্বাধীনতা, ১০৮) জ্ঞান অর্জন খাদ্য গ্রহণের মতো , ১০৯) দৃঢ় প্রতিজ্ঞ হয়ে চেষ্টা করলে কখনোই বিফল হবেন না, ১১০) বুদ্ধির সংজ্ঞা হলো, প্রতিটি কাজ ভেবে-চিন্তে করা, ১১১) ব্যক্তিত্ব, চেহারা ও ব্যক্তিত্ব , ১১২) সেলডন-এর গবেষণা , ১১৩) ব্যক্তিত্ব ও উচ্চারণ, ১১৪) পোশাক ও ব্যক্তিত্ব, ১১৫) প্রথম দেখায় ব্যক্তিত্বের ছাপ, ১১৬) বিচ্ছিন্নতা ব্যক্তিত্বের বড় শত্রু, ১১৭) ব্যক্তিত্বে জিনগত প্রভাব, ১১৮) অন্তর্মুখী ও বহির্মুখী ব্যক্তিত্ব, ১১৯) মনোমুগ্ধকর ব্যক্তিত্বের ১০ বৈশিষ্ট্য, ১২০) ব্যক্তিত্বের উৎকর্ষতার জন্যে ১০ নির্দেশনা, ১২১) কিভাবে ব্যক্তিত্বের বিকাশ ঘটাবেন? , ১২২) নিজেকে স্মার্ট করতে ৫টি কৌশল, ১২৩) আকর্ষণীয় মানুষ হবার ৬টি পরামর্শ, ১২৪) আত্মশুদ্ধি , ১২৫) হতাশ হবেন না, ১২৬) পাছে লোকে কিছু বলে, ১২৭) সুখ-শান্তি উন্নতি , ১২৮) চাহিদা, ১২৯) খাদ্য, ঘুম ও বিশ্রাম, ১৩০) স্বাস্থ্য ভাল রাখার নিয়ম, ১৩১) টেনশন দূর করতে হলে, ১৩২) শুধু নিজের কথা নয়, অন্যের কথাও ভাবুন, ১৩৩) চাহিদা যত বেশি সুখ তত কম, ১৩৪) সুখী জীবনের জন্য ১৮ টি টিপস, ১৩৫) আত্মবিশ্বাস, আত্ম বিশ্বাসের শক্তি, ১৩৬) অজুহাতের ব্যাধিতে আক্রান্ত ব্যর্থ মানুষ, ১৩৭) দি সেভেন হ্যাবিট অফ হাইলি এ্যা ফেক্টিভ পিপল, ১৩৮) সামাজিক আয়না, ১৩৯) প্রোএ্যাক্টিভিটি, ১৪০) সার্কেল অফ ইনফ্লুয়েন্স, ১৪১) শুরু করুন আজই, ১৪২) আপনার কেন্দ্রবিন্দু কোনটি?, ১৪৩) মাথার দুটি অংশই ব্যবহার করুন, ১৪৪) সময়ের ব্যবস্থাপনা, ১৪৫) ব্যক্তিগত ব্যবস্থাপনা, ১৪৬) গুরুত্বপূর্ণ এবং জরুরি, ১৪৭) পরনির্ভরশীল জীবন, ১৪৮) ছয়টি উপায়ে অন্য মানুষের সাথে আদান-প্রদান, ১৪৯) অধ্যয়ন, ১৫০) পড়াশোনায় ১২ কার্যকর কৌশল, ১৫১) ঘুম থেকে উঠতে ১০-৩-২-১-০ ফর্মুলা, ১৫২) আয়-ব্যয়- টাকা, ১৫৩) অন্যকে খুশি করতে পয়সা খরচ যে কারণে অর্থহীন, ১৫৪) খরচের লাগাম টেনে ধরতে.. ১৫৫) নারী, ১৫৬) সম্পর্ককে সুন্দর রাখতে কিছু “মিথ্যা” বলা জরুরী , ১৫৭) ছেলেদের কোন জিনিস দেখে মেয়েরা? , ১৫৮) স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর কিছু অভ্যাস, ১৫৯) ভুঁড়ি ঠেকাতে ৫টি নিয়ম, ১৬০) যেসব কারণে নারীদের স্বাবলম্বী হওয়া উচতি , ১৬১) বিয়ে-সংসার, ১৬২) সফল বিয়ের তিনটি মন্ত্র, ১৬৩) সুখী হবার দারুণ কিছু মূলমন্ত্র, ১৬৪) কিছু গল্প, ১৬৫) ভালোবাসাহীন সম্পর্ক, ১৬৬) কেন স্পর্শের প্রয়োজন হয় প্রতিদিন, ১৬৭) যে কারণে একা থাকাই আপনার জন্য ভালো, ১৬৮) ব্যবসা, ১৬৯) বিক্রয় বৃদ্ধির কৌশল, ১৭০) যে ৭টা ব্যাপার বিজনেসে করবেন না, ১৭১) স্বাস্থ্য, ১৭২) দুগ্ধজাত খাবারে পুরুষের বন্ধ্যত্ব, ১৭৩) একাকিত্বের বিপদ, ১৭৪) কর্মক্ষম ও প্রফুল্ল রাখতে, ১৭৫) মন ভালো করার উপায়, ১৭৬) যৌন স্বাস্থ্য, ১৭৭) পুরুষদের কেজেল, ১৭৮) মহিলাদের কেজেল, ১৭৯) দক্ষতা , ১৮০) আলসেমি দূর করার সহজ কিছু উপায়, ১৮১) কীভাবে সামলাবেন নিন্দুকদের ?, ১৮২) সুখী হতে চাইলে যা কখনোই করবেন না, ১৮৩) সব ভুলে যাচ্ছেন? স্মৃতিশক্তি চাঙ্গা রাখতে ৫টি টিপস, ১৮৪) বয়সের ভারে বৃদ্ধ না হয়ে বরং কাজের ভারে যুবক থাকার চেষ্টা করো, ১৮৫) নিজেকে কাজের সঙ্গে সম্পক্ত করার তিনটে স্টেপ, ১৮৬) জীবনের লক্ষ্য নির্ধারণে দ্রুত পদ্ধতিগুলো, ১৮৭) প্রতিদান পাওয়ার আশায় কাজ করবেন না, ১৮৮) প্রেম একটি মানসিক রোগ, ১৮৯) সম্পর্ক ভেঙ্গে যাবার পর নিজেকে যেভাবে সামলাবে, ১৯০) সময় সবকিছু বদলে দেয়, ১৯১) সম্পর্ক তৈরির ক্ষেত্রে কমন পাঁচটি ভুল, ১৯২) আত্মবিশ্বাস/মনোবল, ১৯৩) প্যারাসুট অফ হ্যাপিনেস, ১৯৪) বারবার ঘুরে দাঁড়াতে হবে, ১৯৫) আত্মবিশ্বাসহীন মানুষের লক্ষণ, ১৯৬) বাড়াও আত্মবিশ্বাস, বাড়বে সফলতা, ১৯৭) প্রাতিষ্ঠানিক সম্পর্ক শক্তিশালী করার টিপস, ১৯৮) কিভাবে ধরে রাখবে দু'জনের সম্পর্ক, ১৯৯) কিভাবে বুঝবে সম্পর্ক শেষ করতে হবে, ২০০) সম্পর্ক যখন প্রেম-ভালোবাসার, ২০১) যেসব বিষয়ের উপর স¤পর্ক গড়ে ওঠে, ২০২) ভালোবাসার অপর নাম প্রয়োজন, ২০৩) সম্পর্কের গুণগত মান বাড়বে কিভাবে, ২০৪) মস্তিস্ক ঠিক রাখার ৩০ উপায়, ২০৫) মানুষের আচরণের পেছনে একটা কারণ থাকে, ২০৬) কোনো কাজে নিজেকে সম্পক্ত না করেই আমরা নিজ ক্যারিয়ারকে এগিয়ে নিয়ে যাই ২০৭) স্রোতের বিপরীতে চিন্তা করুন, ২০৮) আপনার টাইমজোনে সময় আসবেই, ২০৯) চাইল্ডহুড অ্যামনেসিয়া এবং আমাদের শিক্ষণীয়,