কিভাবে ধরে রাখবে দু'জনের স¤পর্ক?
সম্পর্ক হচ্ছে জীবনের সবচেয়ে তৃপ্তিদায়ক জিনিসগুলোর একটি বন্ধুত্ব, বিয়ে বা একসাথে থাকা যা-ই হোক, দুজন মানুষের মধ্যে একটি স¤পর্ক হচ্ছে জীবনের সবচেয়ে তৃপ্তিদায়ক জিনিসগুলোর একটি। তবে এটা গড়ে তুলতে পারাটা কিন্তু হতে পারে সবচেয়ে কঠিন জিনিসগুলোর একটি।
কিভাবে একটা সুন্দর স¤পর্ক গড়ে তোলা যায়, বা টিকিয়ে রাখা যায়- তা নিয়ে বিশেষজ্ঞদের কিছু পরামর্শ থেকে তো আমরা লাভবান হতেই পারি। ঝগড়াঝাটি-সংঘাতকে ভয় পাবে না বা ঝগড়াকে ভয় পাবে না। ঝগড়া- সংঘাত-বিবাদকে তুমি কিভাবে মোকাবিলা করছো সেটাই আসল কথা। নিজের স্বাতন্ত্র্যকে প্রকাশ করতে গেলে কিছু মতপার্থক্য হতেই পারে। কিন্তু বন্ধুত্ব বা স¤পর্কের মধ্যে এরকম সংঘাত যে খুব খারাপ জিনিস তা সবসময় ঠিক নয়। অনেক সময়ই দুজনের মধ্যেকার ভিন্নতা স¤পর্ককে আরো মজবুত করে। অন্যের অনুভুতিকে বুঝতে পারাকে বলা যায় এমপ্যাথি Ñএবং বিশেষজ্ঞদের কথায়, এটা সংঘাত নি®পত্তির জন্য সবচেয়ে জরুরি জিনিস। অন্যজন কি ভুল করছে সেটা না ভেবে বরং নিজেকে প্রশ্ন করো: আমি কি ভুল করছি এবং আমি কি ভাবে নিজেকে বদলাতে পারি?
নিজের স্বাত্যন্ত্রকে টিকিয়ে রাখো
একটা স¤পর্কে জড়িয়ে পড়ে তার মধ্যে নিজেকে হারিয়ে ফেলা খুব সহজ। কিন্তু আসলে নিজের জন্য কিছু সময় রাখা এবং তোমার সঙ্গীকে তার নিজের একটা জায়গা দেয়া (পার্সোনাল ¯েপস) খুবই গুরুত্বপূর্ণ। তোমার নিজের শখ. আগ্রহের জায়গাগুলো ধরে রাখো। তোমার কাছে যা গুরুত্বপূর্ণ তা হারিয়ে যেতে দেবে না। কিছু সময় আলাদা কাটাও। তাহলে একে অপরের সাথে যে সময়টা কাটাবে তা মধুর হয়ে উঠবে। রাবাই হার্ভে বিলভস্কি বলছেন, এর অর্থ একে অপরকে এড়িয়ে চলা নয়, বরং একটি স্বাস্থ্যকর এবং পরিণত স¤পর্ক গড়ে তোলার জন্য দরকার।
দু'জনে মিলে আনন্দ করো
'একসঙ্গে সুন্দর সময় কাটানো' কথাটা পুরোনো, কিন্তু মূল্যবান কথা। কিছু সময় রাখো একে অপরের সঙ্গ উপভোগ করার জন্য, উত্তেজনাপূর্ণ কিছু করার জন্য, সেটা একসাথে খেতে যাওয়াই হোক, কোথাও বেড়াতে যাওয়াই হোক বা বিছানায় একটা অলস সকাল কাটানোই হোক সপ্তাহের একটা দিন নির্দিষ্ট করে ফেলো ব্যস্ততা আর বন্ধুদের বিদায় জানিয়ে আলাদা করে কাটানোর জন্য।
সম্পর্ক জঠিল হয় একটি কারণে Ñ ভুল বোঝাবুঝি
অনেক তর্কাতর্কিই হয় শুধু একটি কারণে-ভুল বোঝাবুঝি। এই বিরক্তি, হতাশা এবং ঝগড়া এড়াতে হলে নিজের যা বলবার, সেই কথাটা পরিষ্কার করে বলো। সন্দেহ থাকলে মুখোমুখি কথা বলো, বা স্কাইপ/ফেসটাইম ব্যবহার করো। এই একজনই আমার 'সবকিছু' Ñএমন চিন্তা বাদ দাও কাছ থেকে কি আশা করে? তা কতটা আমরা স্বামী বা স্ত্রী, বা সঙ্গীর ওপর অনেক সময়ই অতিরিক্ত চাপ প্রয়োগ করি আমাদের উচিৎ নয়।
আমরা চাই, সে হবে আমার ক্রাচের মতো Ñ আমার সমস্যার সময় আমি যার ওপর ভর করে চলবো। আরো চাই যে ‘সে' হবে আমার প্রেমিক, বন্ধু, সহগামী, গোপন কথা বলার লোক, এবং অর্থনৈতিক নির্ভরতাও দেবে সে। এর কোনো একটাতে সে ব্যর্থ হলেই আমরা পুরো স¤পর্ক নিয়েই প্রশ্ন তুলে বসি। আসলে তা নয়। স্বামী বা স্ত্রী বা জীবনসঙ্গী -Ñনিশ্চয়ই একজনের মূল স¤পর্ক, কিন্ত 'একমাত্র' নয়। এটা বোঝা দরকার কখন তুমি একজন বন্ধুর কাছে যাবে, কখন পরিবারের একজনের কাছে যাবে? কোনো কারণে কাঁদতে হলে কার কাঁধে মাথা রাখবে। সবকিছুর জন্যে পার্টনার কাজে লাগবে Ñ এমন আশা কামনাও কি নয়।
সুন্দর মুহূর্তগুলো উদযাপন করো
সুযোগ আসে, তখন তা উদযাপন করো, জীবন সব সময়ই আনন্দের নয়, কঠিন মুহূর্ত সবারই আসে। সুতরাং যখন আনন্দের সুযোগ আসে, তখন তা উদযাপন করো। তোমার বন্ধুর সন্তান হলে, বা সঙ্গীর পদোন্নতি হলে পান-ভোজনের আয়োজন করো।
এসব তোমাদের পর¯পরের আরো কাছাকাছি আসার জন্য সহায়ক হয়, খারাপ সময়গুলো পার হয়ে যাওয়া সহজ হয়। নিজের দুশ্চিন্তা, ভয়গুলো শেয়ার করতে হয়। ঘনিষ্টতা বাড়াতে হলে নিজেকে উন্মুক্ত করতে হয়। তুমি যদি তোমার দুর্বলতা, ভয়, দুশ্চিন্তাগুলো অপরজনকে জানাতে চাও, তার সহায়তা চাও, তাহলে অন্যজনও তাই করবে।
একজন গবেষক বলেছেন, "হাজার হাজার লোকের সাক্ষাৎকার নিয়ে আমি এই সিদ্ধান্তেই পৌঁছেছি যে, পর¯পরের দুর্বলতাগুলো বিনিময় না করলে কখনো শারীরিক-মানসিক-আত্মিক ঘনিষ্টতা তৈরি হয় না।" লেনার্ড কোহেনের বিখ্যাত উক্তি মনে করো: 'আলো সবসময়ই ঢোকে ফাটল দিয়ে।'
অন্যের প্রতি দয়া, সহমর্মিতা দেখাও
আমরা অনেক সময়ই নিজের প্রিয়জনকে এমনভাবে নিই যেন 'ও-তো আছেই'। তা না করে একে স্বীকৃতি দাও, অন্যজনের প্রতি সদয় হও এবং অন্যজন যখন সেটা করছে তখন কৃতজ্ঞতা প্রকাশ কর। তুমি যখন কারো কথা ভাবছো, তাকে এসএমএস বা ইমেল করে তা জানতে দাও। তোমার বন্ধুর যদি জরুরি কোনো ডাক্তারের এ্যাপয়েন্টমেন্ট থেকে থাকে বা অফিসে কোনো কঠিন দায়িত্ব পড়ে, জানতে চাও যে তাতে কি হলো, কেমন হলো। বন্ধু যদি অসুস্থ হয়, তাকে একটা ' গেট ওয়েল সুন' ম্যাসেজ পাঠাও, তার আরোগ্য কামনা করো। এরকম ছোট ছোট জিনিসগুলো স¤পর্ককে অনেকদূর এগিয়ে দেয়।
'আমি কি আমার স্বপ্নের মানুষকে পেয়েছি?'
এরকম ভাবনা নিয়ে হয়রান হবে না। বিশেষজ্ঞরা বলেন, আধুনিক মানুষ এ ভাবনা নিয়ে হয়রান হয়, সিদ্ধান্ত ও হীনম্মন্যতায় ভোগে যে Ñ "এতো মানুষকে আমি চিনি যে, কিভাবে জানবো, আমি যাকে খুঁজছি তাকে পেয়েছি কিনা।" স¤পর্ক বিশেষজ্ঞ এসথার পেরেল বলছেন, সত্যি কথা হচ্ছে যে, আসলে এটা জানা অসম্ভব। আমাদের মনে রাখতে হবে যে ,স্বপ্নের সেই 'এক এবং অদ্বিতীয়' বলে কেউ নেই। আছে একজনই ,যাকে তুমি বেছে নিয়েছ স¤পর্ক গড়ে তোলার জন্য। তার সাথে কেমন স¤পর্ক তুমি গড়ে তুলতে পারলে? তুমি কি তার সাথে মানিয়ে চলতে পারছো? তুমি কি স¤পর্কটি রক্ষা এবং বিকাশের জন্য কাজ করছো? সেটাই আসল কথা।
দিনটিকে যেভাবে দেখছো
গতকাল কি হয়েছিল তা নিয়ে কোনোভাবেই সকাল শুরু করবে না। যদি করো, তবে এটি তোমার জন্য সবচেয়ে বড় বোকামির কাজ হবে। তোমার পাশের মানুষটি হয়তো মনে মনে স্থির করে ফেলেছে যে তোমার সাথে নতুনভাবে আবার সকলটা শুরু করবে, সেক্ষেত্রে তোমার একটি ভুল পদক্ষেপ তোমাকে এই স¤পর্কের টানাপোড়েনে ফেলে দিতে পারে। তাই দিনের শুরুটা করো বুঝে শুনে।
পুরানো জিনিস মাথায় রেখো না
স¤পর্কের ক্ষেত্রে এই ব্যাপারটি খুবই বাজে। তুমি হয়তো খুব ভালো একটা সময় কাটাচ্ছো ঠিক তখন তোমার সঙ্গী এমন একটি পুরানো কথা বলল, যাতে তোমার মনের সব আনন্দ শেষ হয়ে গেলো নিমিষেই। এতে ভালো তো কিছুই হবে না বরং মন্দ হবে। স¤পর্কের সবচেয়ে খারাপ দিক হচ্ছে তুমি যখন অন্য কারো সমস্যার কথা শোনো, ঠিক তখন তুমি তোমার পুরানো দিনের কথার সঙ্গে সেই কথাগুলোকে মেলাতে থাকো। সবকিছুই যে তোমার সাথে মিলে যাবে তা নয়। ব্যতিক্রম ঘটবেই এমনটা মনে রাখো।
যেভাবে দেখছো
দৃষ্টিভঙ্গীতে পরিবর্তন আন। তুমি যেভাবে ভাবছো ঠিক তেমনটাই হবে এমন ভাবা ঠিক নয়। অযথা রাগ করছো, মন খারাপ করছো অথবা তোমার পাশের মানুষটির সঙ্গে খারাপ ব্যবহার করছোÑ এমন কখনো করবে না। একজন রাগ করলে আরেকজন যতটা সম্ভব সামলে নাও। পরবর্তীতে তাকে ব্যপারটি বুঝিয়ে বলো। তাকে ভালোবেসে এবং সে যেভাবে বোঝে তাকে ঠিক সেভাবেই বুঝিয়ে বলো।
মতের অমিল স্বাভাবিক
মতের মিল আর অমিল সব স¤পর্কের মাঝেই থাকে। তাকে সামাল দিয়ে এগিয়ে যাওয়াই বুদ্ধিমানের কাজ। কখনো মতের অমিল হলে নিজের কাঁধে সব কিছুর ভার নিয়ে নেবে না। নিজেকে এভাবে বুঝিয়ে নাও যে এটাই স্বাভাবিক। ধীরে ধীরে দুজন দুজনকে বুঝে নেবে।
পরিবর্তন মেনে নেওয়ার চেষ্টা করো
জীবনের প্রয়োজনে সময়ের সাথে সাথে মানুষ পরিবর্তিত হয়। তোমার ,সঙ্গীটিও হচ্ছে। এই পরিবর্তন মেনে নেওয়ার চেষ্টা করো। মনোবিজ্ঞানী ড. স্টিভেন কার্গ বলেন “নিজেদের পরিবর্তনের সাথে দ্রুত মানিয়ে নেওয়া একটি সফল স¤পর্কের মূল চাবিকাঠি”। স¤পূর্ণ ভিন্ন দুটি মানুষ যখন একটি স¤পর্কে আবদ্ধ হয়, তখন মানিয়ে নিতে দুইজনের সমস্যা হয়। নিজেদের সময় দাও, নিজেদের পরিবর্তনটুকু মেনে নাও।
ক্ষমা করো
মানুষ মাত্রই ভুল হয়। ভুল করে ঘটা বা বলা কিছু মনে না রেখে ক্ষমা করার চেষ্টা করো। মনে রাখবে তুমি নিজেও ভুলের ঊর্ধ্বে নও। তাহলে সঙ্গীকে ক্ষমা করতে দোষ কী? ক্ষমা একটি স¤পর্কে মজবুত করে তুলে।
দেয়া-নেয়ার হিসাব করো না
যে কোনো স¤পর্কে সমঝোতা করা অনেক গুরুত্বপূর্ণ। তুমি কি পেলে, কতটুকু পেলে, এই হিসাব না কষে তুমি কতটুকু করলে সেটি লক্ষ্য করো। তবে হ্যাঁ, একটি স¤পর্ক তখনই সফল হয় যখন স¤পর্কে দুইজনের সমান অংশগ্রহণ থাকে।
হাতটি ধরো
সঙ্গীটির হাতটি ধরো। মনে হতে পারে হাত ধরার সাথে স¤পর্ক টিকে থাকার কি স¤পর্ক? এই একটুখানি হাত ধরা স¤পর্কটিকে করে তুলবে মধুর। স্যাইকোলজি সায়েন্সের মতে “হাত ধরার মধ্যে একজন সঙ্গিনী নির্ভরতা খুঁজে পায়”।
প্রশংসা করো
প্রশংসা কে না পছন্দ করে, বলো? তোমার সঙ্গী বা সঙ্গিনীও এর ব্যতিক্রম নয়। ধন্যবাদ দাও, প্লিজ বলো তা যত ছোট কাজই হোক না কেনো। তোমার একটি ছোট ধন্যবাদ বা প্রশংসা বাক্য তোমাদের স¤পর্ক দীর্ঘস্থায়ী করবে।
মনে রাখবে তুমি তাকে ভালোবাসো
স¤পর্কের দুঃসময়ে মনে রাখো, এই মানুষটি তোমার ভালোবাসার মানুষ। তুমি তাকে ভালোবাসো।
পাঁচটি কারণে স¤পর্কে কষ্ট বাড়ায়
এক। নিজেকে জান। তুমি কি চাইছো, স¤পর্কের কি পরিণতি দিতে চাইছো, কিভাবে নিজের ভবিষ্যৎকে সাজাতে চাইছো, সেটা আগে নিজের কাছে প্রশ্ন করে জেনে নাও। আরেকটি মানুষকে নিজের জীবনের সঙ্গে জড়িয়ে তার জীবনটাকে নষ্ট করবে না।
দুই। নিজের দায়িত্ব যতদিন নিজে নিতে পারবে না, ততদিন অন্য আরেকটি মানুষের দেখাশোনার দায়িত্ব না নেওয়াই ভালো। কারণ এতে সেই মানুষটির জীবনেও বিরূপ প্রভাব পড়ে। সেই সঙ্গে তোমার কাছে নিজের স¤পর্কটাকে বোঝা মনে হতে শুরু করে।
তিন। তুমি এখনো একাকী জীবনের স্বাধীনতা ভালোবাসো। ইচ্ছামতো যেখানে খুশি যাওয়া, বন্ধুদের সঙ্গে ঘুরে বেড়ানো, রাত করে বাড়ি ফেরা, খেয়ালখুশিমতো চলার মজাই যেন আলাদা। কিন্তু স¤পর্কে জড়ালে স্বাভাবিকভাবেই সঙ্গীর পছন্দ-অপছন্দের মূল্য দিতে হয়।
চার। অনেকেই পুরনো প্রেমিক বা প্রেমিকাকে ভোলার আগেই নতুন স¤পর্কে জড়িয়ে পড়ে। আগের ও বর্তমান প্রেমিক বা প্রেমিকার তুলনা করে ফেলে বারবার। প্রায়ই বিষণ্ন থাকে, পুরনো প্রেমিকার সঙ্গে যোগাযোগ করার চেষ্টা করে, স¤পর্কে মনস্থির করতে না পারায় সমস্যা দেখা দেয়। তাই পুরনো স¤পর্ক পুরোপুরি ভুলতে না পারলে নতুন স¤পর্কে না জড়ানোই ভালো।
পাঁচ। যারা মনে করে যে, উন্নতির পথে স¤পর্ক একটা বাধা তাদের সহসা স¤পর্কে না জড়ানোই ভালো। এ ধরনের চিন্তা যারা করে তারা নিজের সঙ্গীকে সারাক্ষণই দোষারোপ করে নিজের যেকোনো বিফলতার জন্য।
মনে রাখবে: আমরা যখন একটা দেশলাইয়ের কাঠি জ্বালাই, তখন কাঠিটা প্রথমে আমাদের আলো দেয়। কিন্তু কাঠিটা পুড়তে পুড়তে যখন আমাদের হাতের কাছে আসে, তখন কিন্তু ফেলে দিতে হয়, নয়তো হাত পুড়ে যায়। সম্পর্কও তেমনি, আনন্দের পরিবর্তে কষ্ট বাড়তে থাকলে সম্পর্ক ছাড়তে হয়।
কিভাবে বুঝবে স¤পর্ক শেষ করতে হবে?
স¤পর্ক স্বার্থক করার জাদুকরী কোনো উপায় নেই। প্রতিটা স¤পর্কেই ছোটখাটো বিষয় নিয়ে ঝগড়া, মান-অভিমান হয়। এটা সমাধান করতে কখনও মানিয়ে নিতে হয়, আবার কখনও মেনে নিতে হয়। তবে বিষয়গুলো যদি নিয়মিত চলতে থাকে তখন তা বেশ চিন্তার বিষয় হয়ে দাঁড়ায়। তবে সেটা দুজনের জন্যই শেষ করে দেওয়া মঙ্গল। কি ধরনের লক্ষণ দেখে বুঝবে এই স¤পর্ক শেষ করে দেওয়া সুখকরÑ
ভালোবাসার প্রকাশ নাই: দুজনের কেউ-ই কথায়, শারীরিক বা কোনো ভাবেই যখন সঙ্গীর প্রতি ভালোবাসা প্রকাশ করে না। একান্ত সময়ে নিজেদের ভালোবাসা উপভোগ করছো না, অথবা ফিসফিস করে মিষ্টি ভালোবাসার কথা বলছো না। এমনকি দুজনে পাশাপাশি বসে অলস সময় কাটানোর পরেও সঙ্গীর সঙ্গে কথা বলার মতো কোনো কিছু খুঁজে পাচ্ছো না; কিংবা দুজনে মিলে আদর্শ কোনো সময় কাটছে না। তাহলে বুঝতে হবে এটা স¤পর্কের মানসিক দূরত্বে ইঙ্গিত করছে। আর তা নিয়ে বেশিদূর আগানো সম্ভব নয়।
দুজনের জীবনের লক্ষ্য আলাদা: স¤পর্কের শুরুতে দুজনের আদর্শ, মতামত বা জীবনের লক্ষ্য এক থাকলেও এখন তা আলাদা, যেমনÑ একজন চাচ্ছো জীবন গুছিয়ে নিতে বা সন্তান নিতে, অন্যদিকে সঙ্গী বিয়ে বা সংসার গোছানো নিয়ে খুব একটা উৎসাহী নয়। অথবা একজন চাকরি নিয়ে বাইরে যেতে চাও কিন্তু অন্যজন নিজ শহরেই থাকতে চাও। যখন এসব বিষয় নিয়ে দুজনের মাঝেই ভিন্ন জীবনাদর্শ দেখা দেবে, তখন দোটানা নিয়ে থাকা বেশ কঠিন। এইসময় জোড়াতালি দিয়ে স¤পর্ক চালিয়ে যাওয়ার চেয়ে শেষ করে দেওয়াই ভালো।
তুমিও আর আগের মতো নেই: স¤পর্কের শুরুর মতো তুমি আর আগ্রহী নও। সারাদিনের খুঁটিনাটি আগের মতো আর সঙ্গীর সঙ্গে সহভাগিতা করো না। অথবা সঙ্গীর সারাদিনের কাজ স¤পর্কে তুমি জানার আগ্রহ পাও না। এটা তোমাদের দুজনের মাঝে যোগাযোগের দূরত্ব বাড়াচ্ছে। তাছাড়া তুমি বন্ধু বা আত্মীয়দের সঙ্গে নিজের মনের কথা প্রকাশ করতে বেশি পছন্দ করো। কারণ তোমার ধারণা হয়ে গিয়েছে, সঙ্গী তোমাকে আর বোঝে না। তুমি মনে করে যে, স¤পর্ক তোমাকে খারাপের দিকে নিয়ে যাচ্ছে: সঙ্গী তোমাকে তোমার মৌলিক বিষয়গুলো থেকে পরিবর্তন করতে চায়। সঙ্গীকে খুশি রাখতে সবসময়ই নিজের সাধ্যের বাইরে গিয়ে অনেক কিছু করতে হয়।
সমস্যা কখনই শেষ হয় না: স¤পর্কে সবসময়ই ঝামেলা লেগে থাকে, শেষ কবে দুজনে একসঙ্গে ভালো ছিলে সেটাও মনে করতে পারো না। তাছাড়া, স¤পর্কের ভবিষ্যৎ নিয়ে দ্বিতীয়বার ভাবছো এবং যে সমস্যাগুলো তোমাদের মাঝে ধীরে ধীরে বাসা বাঁধছে তা দূর করতেও তুমি আগ্রহী নও। সঙ্গীকে ছাড়া থাকার বিষয়েও তুমি খুব একটা উদ্বিগ্ন নও। স¤পর্কে এই লক্ষণগুলো তোমাদের আবেগগত বিচ্ছিন্নতা ইঙ্গিত করে এবং এমন পরিস্থিতিতে তোমাদের আলাদা থাকাই মঙ্গলজনক।
সূচিপত্র
১) ছোটদের সাথে আমাদের আচরণ ২) পরিবার ও সন্তান, সুপার পাওয়ার যেভাবে তৈরি হয়, ৩) দীর্ঘস্থায়ী ভয়ের উৎপত্তির মূলে শৈশবকালে ঘটে যাওয়া ঘটনার প্রভাব , ৪) সন্তানের উৎসাহ এবং উদ্দীপনা বাড়ানো, ৫) আপনার শিশুটি ঘুমুক শান্তিতে এবং নির্ভরতায় , ৬) কিছু অব্যর্থ টিপস, যা আপনার শিশুকে পড়াশোনায় আগ্রহী করে তুলবে, ৭) শিশুকে কিভাবে বড় করবেন, ৮) বাচ্চাদের মস্তিষ্ক বিকাশে কী করবেন? ৯) বাচ্চাদের বুদ্ধি বিকাশের অন্যতম পথ, দৌড়, ১০) বাচ্চাকে কখনো আড়ালে লুকিয়ে খেতে দেবেন না, ১১) পিটার সিংগারের দর্শন, ১২) দুষ্টু শিশুরা তাড়াতাড়ি শেখে, ১৩) সন্তানকে যতই শাস্তি দেবেন ততই সে অসামাজিক হবে, ১৪) বাবা-মাই সন্তানকে নির্যাতন করেন সবচেয়ে বেশি , ১৫) সন্তানের সাথে কিভাবে গড়ে তুলবেন নিবিড় বন্ধন, ১৬) যে ১১টি কথা শিশুকে কখনোই বলবেন না!, ১৭) শিশুকে গল্প শোনান প্রতিদিন, ১৮) সন্তানের আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধির ১০টি কৌশল, ১৯) সৃজনশীলতা হচ্ছে নতুন কিছু করার যোগ্যতা, ২০) যারা মুখস্থ করতে পারেন না, ২১) তারা মেধাবী, মেধাবী হওয়ার উপায়,
২২) কথা ও ভাষা, ২৩) এলিভেটর পিচ, ২৪) সুন্দর করে কথা বলে সমস্যা জয়ের কৌশল, ২৫) ফোনে কথা বলার আদবকেতা, ২৬) ১২টি কর্ম বিধান, ২৭) ভালোবাসার অপর নাম প্রয়োজন, ২৮) আলতু-ফালতু কাজে সময় অপচয় করে স্বপ্ন পূরণের কল্পনা, ২৯) স্ট্রেস ম্যানেজমেন্ট, ৩০) চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিন পিং-এর জীবন থেকে শিক্ষা, ৩১) অভিজ্ঞতা ও অতীত থেকে শিক্ষা গ্রহণ, ৩২) বর্তমানকে সবচেয়ে বেশি মূল্য দিন, ৩৩) ২৪ ঘণ্টা কেউ সুখী হয় না, ৩৪) কিছু অভ্যাস যা আপনাকে আরও সুখী করবে , ৩৫) আপনার অবয়ব , ৩৬) সফলতার 25টি হট কৌশল-1, ৩৭) সাফল্যের 25টি হট কৌশল-2, ৩৮) সফলতার 55 সূত্র, ৩৯) কিভাবে নিজেকে নেতা হিসেবে গড়ে তুলবে, ৪০) সময় ব্যবস্থাপনা, ৪১) সময় ব্যবস্থাপনার তিনটি ধাপ, ৪২) সময়কে যথাযথভাবে কাজে লাগানোর উপায়গুলো, ৪৩) সাফল্য, ড. কোভের ইমোশনাল একাউন্ট কনসেপ্ট, ৪৪) সবচে বড় ইমোশনাল একাউন্ট, ৪৫) আপনার ইমোশনাল একাউন্ট, ৪৬) বুদ্ধি ও বিবেচনাবোধ বর্জিত কর্মফল বিপজ্জনক, ৪৭) অন্যদের দিয়ে আপনার কাজ করান কিন্তু সম্মান আপনি অর্জন করুন, ৪৮) অন্য লোকেরা আপনার কাছে আসুক দরকার হলে টোপ দিন, ৪৯) অসুখী এবং ভাগ্যহীনদের বর্জন করুন, ৫০) লোককে আপনার ওপর নির্ভরশীল করুন , ৫১) নেওয়ার পূর্বে দেওয়া অন্য বক্তির স্বার্থ বুঝুন, ৫২) শত্রুকে খাটো করে দেখবেন না, ৫৩) নিজেকে রক্ষা করার জন্য চারিদিকে দুর্গ নির্মাণ করবেন না, ৫৪) কারোর পক্ষ অবলম্বন করে বসে থাকবেন না, ৫৫) আপনার শক্তিসমূহকে সংহত করুন, ৫৫) নিজের ভুলগুলোকে লুকিয়ে রাখুন, ৫৬) শুধু সাহসের জোরে নয়, পরিণতিও বিবেচনায় রাখুন, ৫৭) প্রতিটি মানুষের গোপন ইচ্ছা খুঁজে বের করুন, ৫৮) রাগ বিপজ্জনক ও অভদ্রতা, ৫৯) কোনো দলকে ধরার জন্য দলপতিকে প্রথমে ধরুন, ৬০) নিজেকে গুরুত্বপূর্ণ মনে করুন, গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবেন, ৬০) পরিবেশ সামলাতে শিখুন, ৬১) প্রথম শ্রেণির মানুষ হয়ে উঠুন, ৬২) আপনার সামাজিক পরিবেশ ‘প্রথম শ্রেণি’র করে তোলার উপায়, ৬৩) ‘সস্তার তিন অবস্থা’ প্রধম শ্রেণিভুক্ত হয়ে উঠুন , ৬৪) যত বেশি বন্ধুত্ব তত বেশি উপরে ওঠার সম্ভাবনা, ৬৫) সাহস করে কাজটা শুরু করুন, ৬৬) সাফল্য মানে বারবার ভিন্নভাবে চেষ্টা করা, ৬৭) ১- ১০ ভাল অভ্যাস, ১১- ২০ ভাল অভ্যাস, ২১- ৩০ ভাল অভ্যাস, ৩১- ৪০ ভাল অভ্যাস, ৪১- ৫০ ভাল অভ্যাস, ৫১- ৬০ ভাল অভ্যাস, ৬১- ৭০ ভাল অভ্যাস, ৭১- ৮০ ভাল অভ্যাস, ৮১- ৯০ ভাল অভ্যাস, ৯১- ১০২ ভাল অভ্যাস, ৬৮) জিরো থেকে হিরো, ৬৯) সৃজনশীলদের সফলতার ৭ সূত্র, ৬৯) জীবনে পরিবর্তন আনুন ৪৮টি উপায়ে, ৭০) জীবন-যাপন, ৭১) জাপানী ও চিন লাইফ স্টাইল , ৭২) ৩০টি দর্শন, যা আপনার জীবনে কাজে লাগবে, ৭৩) সম্পর্ক তৈরি করা, বন্ধুত্ব, ৭৪) যে আচরণগুলো মানুষের মনের কথা জানাবে, ৭৫) কথা বলার সূত্র, ৭৬) আপনি ও আপনার ব্যবহার, ৭৭) নিজেকে সঠিকভাবে উপস্থাপন করা, ৭৮) কথা বলার কতিপয় গুরুত্বপূর্ণ নিয়ম, ৭৯) কিভাবে নিজেকে বিনয়ী হিসেবে উপস্থাপন করবেন, ৮০) কিভাবে বুদ্ধিদীপ্ত কথা বলবেন, ৮১) কথা বলার ৫টি বিস্ময়কর টেকনিক, ৮২) কিভাবে মানুষকে আকৃষ্ট করবেন? ৮৩) অকারণে সময় নষ্ট? মেল রবিনের ৫ সেকেন্ড রুল, ৮৪) কর্পোরেট আদবকেতা, ৮৫) ৩৫টি কর্পোরেট কালচার ও আপনার করণীয়, ৮৬) যা না জানলে লজ্জায় পড়তে হয় , ৮৭) কাজের সময়ে যে বিষয়গুলো একেবারেই করা উচিৎ না , ৮৮) ক্যারিয়ারে সাফল্য পেতে ছুড়ে ফেলুন ৭টি দোষ, ৮৯) আকাক্সক্ষা, ইচ্ছে বা স্বপ্ন,
৯০) বক্তৃতা প্রশিক্ষণ, কাজ কিভাবে করবেন? ৯১) আত্মশক্তিতে বলিয়ান হতে, ৯২) একনাগাড়ে চলবেন না, ৯৩) মারফিস ’ল , কাজের রোডম্যাপ তেরি , ৯৪) জব স্যাটিসফেকশন, ৯৫) কাজে সফলতার সূত্রাবলী, ৯৬) যেভাবে জীবনযাপন করবেন, ৯৭) পরিণত বুদ্ধির মানুষেরা যে কাজগুলো কখনোই করেন না, ৯৮) জীবনে দক্ষতা অর্জনের কার্যকর ১২টি উপায়, ৯৯) সঠিক লক্ষ্য নির্ধারণ ও কাজ করার উপায় , ১০০) সফলতা ও সার্থকতা, ১০১) জীবনের ছোট ছোট প্রাপ্তিগুলোকে উপভোগ করা, ১০২) সফলতার কিছু পদ্ধতি, ১০৩) সফল হতে চাইলে যে ৮ টি জিনিস বাদ দেয়া প্রয়োজন, ১০৪) সফল ব্যক্তিরা যে ১০টি কাজ কখনোই করেন না, ১০৫) সর্বদা স্মরণ রাখুন, ১০৬) চিন্তাশক্তি , ১০৭) স্বাধীনতা, ১০৮) জ্ঞান অর্জন খাদ্য গ্রহণের মতো , ১০৯) দৃঢ় প্রতিজ্ঞ হয়ে চেষ্টা করলে কখনোই বিফল হবেন না, ১১০) বুদ্ধির সংজ্ঞা হলো, প্রতিটি কাজ ভেবে-চিন্তে করা, ১১১) ব্যক্তিত্ব, চেহারা ও ব্যক্তিত্ব , ১১২) সেলডন-এর গবেষণা , ১১৩) ব্যক্তিত্ব ও উচ্চারণ, ১১৪) পোশাক ও ব্যক্তিত্ব, ১১৫) প্রথম দেখায় ব্যক্তিত্বের ছাপ, ১১৬) বিচ্ছিন্নতা ব্যক্তিত্বের বড় শত্রু, ১১৭) ব্যক্তিত্বে জিনগত প্রভাব, ১১৮) অন্তর্মুখী ও বহির্মুখী ব্যক্তিত্ব, ১১৯) মনোমুগ্ধকর ব্যক্তিত্বের ১০ বৈশিষ্ট্য, ১২০) ব্যক্তিত্বের উৎকর্ষতার জন্যে ১০ নির্দেশনা, ১২১) কিভাবে ব্যক্তিত্বের বিকাশ ঘটাবেন? , ১২২) নিজেকে স্মার্ট করতে ৫টি কৌশল, ১২৩) আকর্ষণীয় মানুষ হবার ৬টি পরামর্শ, ১২৪) আত্মশুদ্ধি , ১২৫) হতাশ হবেন না, ১২৬) পাছে লোকে কিছু বলে, ১২৭) সুখ-শান্তি উন্নতি , ১২৮) চাহিদা, ১২৯) খাদ্য, ঘুম ও বিশ্রাম, ১৩০) স্বাস্থ্য ভাল রাখার নিয়ম, ১৩১) টেনশন দূর করতে হলে, ১৩২) শুধু নিজের কথা নয়, অন্যের কথাও ভাবুন, ১৩৩) চাহিদা যত বেশি সুখ তত কম, ১৩৪) সুখী জীবনের জন্য ১৮ টি টিপস, ১৩৫) আত্মবিশ্বাস, আত্ম বিশ্বাসের শক্তি, ১৩৬) অজুহাতের ব্যাধিতে আক্রান্ত ব্যর্থ মানুষ, ১৩৭) দি সেভেন হ্যাবিট অফ হাইলি এ্যা ফেক্টিভ পিপল, ১৩৮) সামাজিক আয়না, ১৩৯) প্রোএ্যাক্টিভিটি, ১৪০) সার্কেল অফ ইনফ্লুয়েন্স, ১৪১) শুরু করুন আজই, ১৪২) আপনার কেন্দ্রবিন্দু কোনটি?, ১৪৩) মাথার দুটি অংশই ব্যবহার করুন, ১৪৪) সময়ের ব্যবস্থাপনা, ১৪৫) ব্যক্তিগত ব্যবস্থাপনা, ১৪৬) গুরুত্বপূর্ণ এবং জরুরি, ১৪৭) পরনির্ভরশীল জীবন, ১৪৮) ছয়টি উপায়ে অন্য মানুষের সাথে আদান-প্রদান, ১৪৯) অধ্যয়ন, ১৫০) পড়াশোনায় ১২ কার্যকর কৌশল, ১৫১) ঘুম থেকে উঠতে ১০-৩-২-১-০ ফর্মুলা, ১৫২) আয়-ব্যয়- টাকা, ১৫৩) অন্যকে খুশি করতে পয়সা খরচ যে কারণে অর্থহীন, ১৫৪) খরচের লাগাম টেনে ধরতে.. ১৫৫) নারী, ১৫৬) সম্পর্ককে সুন্দর রাখতে কিছু “মিথ্যা” বলা জরুরী , ১৫৭) ছেলেদের কোন জিনিস দেখে মেয়েরা? , ১৫৮) স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর কিছু অভ্যাস, ১৫৯) ভুঁড়ি ঠেকাতে ৫টি নিয়ম, ১৬০) যেসব কারণে নারীদের স্বাবলম্বী হওয়া উচতি , ১৬১) বিয়ে-সংসার, ১৬২) সফল বিয়ের তিনটি মন্ত্র, ১৬৩) সুখী হবার দারুণ কিছু মূলমন্ত্র, ১৬৪) কিছু গল্প, ১৬৫) ভালোবাসাহীন সম্পর্ক, ১৬৬) কেন স্পর্শের প্রয়োজন হয় প্রতিদিন, ১৬৭) যে কারণে একা থাকাই আপনার জন্য ভালো, ১৬৮) ব্যবসা, ১৬৯) বিক্রয় বৃদ্ধির কৌশল, ১৭০) যে ৭টা ব্যাপার বিজনেসে করবেন না, ১৭১) স্বাস্থ্য, ১৭২) দুগ্ধজাত খাবারে পুরুষের বন্ধ্যত্ব, ১৭৩) একাকিত্বের বিপদ, ১৭৪) কর্মক্ষম ও প্রফুল্ল রাখতে, ১৭৫) মন ভালো করার উপায়, ১৭৬) যৌন স্বাস্থ্য, ১৭৭) পুরুষদের কেজেল, ১৭৮) মহিলাদের কেজেল, ১৭৯) দক্ষতা , ১৮০) আলসেমি দূর করার সহজ কিছু উপায়, ১৮১) কীভাবে সামলাবেন নিন্দুকদের ?, ১৮২) সুখী হতে চাইলে যা কখনোই করবেন না, ১৮৩) সব ভুলে যাচ্ছেন? স্মৃতিশক্তি চাঙ্গা রাখতে ৫টি টিপস, ১৮৪) বয়সের ভারে বৃদ্ধ না হয়ে বরং কাজের ভারে যুবক থাকার চেষ্টা করো, ১৮৫) নিজেকে কাজের সঙ্গে সম্পক্ত করার তিনটে স্টেপ, ১৮৬) জীবনের লক্ষ্য নির্ধারণে দ্রুত পদ্ধতিগুলো, ১৮৭) প্রতিদান পাওয়ার আশায় কাজ করবেন না, ১৮৮) প্রেম একটি মানসিক রোগ, ১৮৯) সম্পর্ক ভেঙ্গে যাবার পর নিজেকে যেভাবে সামলাবে, ১৯০) সময় সবকিছু বদলে দেয়, ১৯১) সম্পর্ক তৈরির ক্ষেত্রে কমন পাঁচটি ভুল, ১৯২) আত্মবিশ্বাস/মনোবল, ১৯৩) প্যারাসুট অফ হ্যাপিনেস, ১৯৪) বারবার ঘুরে দাঁড়াতে হবে, ১৯৫) আত্মবিশ্বাসহীন মানুষের লক্ষণ, ১৯৬) বাড়াও আত্মবিশ্বাস, বাড়বে সফলতা, ১৯৭) প্রাতিষ্ঠানিক সম্পর্ক শক্তিশালী করার টিপস, ১৯৮) কিভাবে ধরে রাখবে দু'জনের সম্পর্ক, ১৯৯) কিভাবে বুঝবে সম্পর্ক শেষ করতে হবে, ২০০) সম্পর্ক যখন প্রেম-ভালোবাসার, ২০১) যেসব বিষয়ের উপর স¤পর্ক গড়ে ওঠে, ২০২) ভালোবাসার অপর নাম প্রয়োজন, ২০৩) সম্পর্কের গুণগত মান বাড়বে কিভাবে, ২০৪) মস্তিস্ক ঠিক রাখার ৩০ উপায়, ২০৫) মানুষের আচরণের পেছনে একটা কারণ থাকে, ২০৬) কোনো কাজে নিজেকে সম্পক্ত না করেই আমরা নিজ ক্যারিয়ারকে এগিয়ে নিয়ে যাই ২০৭) স্রোতের বিপরীতে চিন্তা করুন, ২০৮) আপনার টাইমজোনে সময় আসবেই, ২০৯) চাইল্ডহুড অ্যামনেসিয়া এবং আমাদের শিক্ষণীয়,