কিছু দর্শন, যা আপনার জীবনে কাজে লাগবে
১। সুখ ভবিষ্যতের জন্যে তুলে রাখা বড় ভুল----------------------------
অসংখ্য মানুষ ভাবে "আমার এই ব্যাপারটা যদি শেষ হয়ে যায়, তাহলে সবকিছু ঠিক হয়ে যাবে"। এটা একটা ঘোর (ডিলুশন)। যখন "ওই একটা জিনিস" ঠিক হবে, তখন "আরো একটা জিনিস” আপনার জীবনে বাকি থেকে যাবে। জীবনে কখনো সবকিছু একসাথে আপনার কাছে ধরা দিবে না। আমি খুব দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি জীবনে সুখী হওয়া শুধু একটা জিনিস ঠিক হয়ে যাওয়ার উপর নির্ভর করে না, এভাবে সুখী হওয়াও যায় না। এরচেয়ে এই মুহূর্তে আপনার যা আছে তা নিয়ে সুখী হোন, বর্তমানকে উপভোগ করুন এবং একই সাথে ভবিষ্যতের জন্যে কাজ করে যান। সাফল্য আসলে একটা ভ্রমণ, গন্তব্য নয়!
কোনো বড় কিছুর জন্যে কাজ করলেও নিজেকে সুখী হওয়া থেকে বঞ্চিত করবেন না, কাজটি শেষ হওয়া পর্যন্ত সুখী হওয়ার জন্যে অপেক্ষা করে থাকবেন না, কাজ করতে করতেই সুখী হওয়ার চেষ্টা করুন। ধীরে ধীরে গন্তব্যে পৌঁছানোর চেষ্টা করুন এবং এই ভ্রমণ উপভোগ করুন। অনুষ্ঠানটি উপভোগ করুন, শেষ দৃশ্যের জন্যে তাড়াহুড়ো করবেন না।
২। সারাক্ষণ ব্যস্ত থাকা মস্তিষ্কের জন্য ক্ষতিকর ----------------------
আপনি কি সারাক্ষণ নানাকাজে ব্যস্ত দিন পার করেন? দম ফেলার ফুসরতই পান না? তাহলে জেনে রাখুন, আপনার মস্তিষ্কের মারাত্মক ক্ষতি করছেন আপনি। এতে বাস্তবে আপনার কর্ম¯পৃহাও সৃজনশীলতাও নষ্ট হচ্ছে। সাম্প্রতিক গবেষণায় এমনটাই প্রমাণিত হয়েছে। নিউ ইয়র্ক টাইমসের সম্প্রতি প্রকাশিত একটি নিবন্ধ অনুসারে এ অবস্থা থেকে মুক্তি দিতে পারে ব্যস্ততার মাঝেও সামান্য পরিমাণে ঘুম। ঘুমের ফলে মানুষের কর্মোদ্যম বৃদ্ধি পায় এবং মস্তিষ্কের বিশ্রাম হয়। ঘুম ছাড়াও কর্মব্যস্ততার মাঝে কিছু সময় বিশ্রাম নেওয়ার কথা উল্লেখ করছেন বিশেষজ্ঞরা। সম্প্রতি প্রকাশিত 'হোয়াই ইওর ব্রেন নিডস মোর ডাউনটাইম' শিরোনামের রিপোর্টে বলা হয়েছে, 'বিশ্রাম বা অলস সময় বিষয়টি মস্তিষ্কের অনেক গুরুত্বপূর্ণ মানসিক প্রক্রিয়ায় দরকার হয়। এ সময়টি মস্তিষ্কের মনযোগ ও উৎসাহের বিষয়গুলো সংরক্ষণ করে। এটি উৎপাদনশীলতা ও সৃজনশীলতায় উৎসাহ দেয়- এবং দৈনন্দিন জীবনে আমাদের সর্বোচ্চ কৃতিত্ব ও স্থিতিশীল মস্তিষ্ক তৈরিতে সাহায্য করে।'
৩। কখনোই লটারির আশায় থাকবেন না। বাস্তববাদী হোন--------------
"একদিন আমার সময় আসবে আর আমি সুখী হবো" -এটা একটা ফালতু চিন্তা। অনেকের ভাগ্য নিয়ে এরকম একটা অদ্ভুত ধারণা আছে- আল্লাহ/ঈশ্বর/ভগবান/দেবতা কেউ একদিন কোনোভাবে তাদের ভাগ্য ঘুরিয়ে দিবেন। তারা ভাবেন "হঠাৎ কোনো সে সৌভাগ্য তার জীবন ভরে উঠবে"। কেউ কেউ ভাবেন একদিন তারা লটারি জিতবেন কিংবা ভালো কিছু একটা ঘটবে তাদের জীবনে। অনেক মেয়ে ভাবে, একদিন তার রাজপুত্র এসে তাকে নিয়ে যাবে স্বপ্নের দেশে! এই ধরনের ভাবনা আসে বাস্তবতা স¤পর্কে একটা ভুল ধারণা থেকে। ভালো থাকার জন্য কঠোর পরিশ্রম ও সুনির্দিষ্ট লক্ষ্যে ধীরে ধীরে এগুতে হবে।
জাদু-টোনা, জ্বীন-পরী, জ্যোতিষবিদ্যা, কিংবা কোনো অদৃশ্য সত্ত্বা বা কল্পিত অদৃশ্য দেবতারা এই বিশ্বজগতে আপনাকে ফ্রিতে কিছু দেবার জন্যে পণ করে বসে নেই। আপনাকেই আপনার জীবন গুছিয়ে তোলার জন্যে কাজ করে যেতে হবে।
৪। নিয়তি বলে কিছু নাই, তাই কোনো কিছুর দোহাই নয়----------------
নিয়তি'র দোহাই দিয়ে আমরা অনেকেই জীবনে ভালো কিছু করা থেকে বিরত থাকি। আসল ঘটনা হচ্ছে নিয়তি বলে কিছু নাই। আপনার জন্ম কোথায় হয়েছে, আপনার লিংক কতদূর, আপনার কত টাকা আছে, আপনার বয়স, আপনার অতীত, বা অন্য কোনো কিছুর সাথেই আপনার সীমাবদ্ধতা বা ব্যর্থতার কোনো স¤পর্ক নাই। কোনো কিছুর দোহাই দিয়ে আপনার সীমাবদ্ধতাকে আপনি ওভারকাম করতে পারবেন না। যদি সত্যিকারভাবে সংকল্পবদ্ধ হন এবং আপনার কর্ম-পরিকল্পনায় যদি কৌশলী হন, তাহলে জীবনে অর্জন করার অজস্র সুযোগ আছে এবং আসবে।
৫। আপনার থেকে ভিন্ন বিশ্বাস ও মতের মানুষের সাথে কথা বলুন এবং তাদের বক্তব্য বোঝার চেষ্টা করুন-------
আমার ব্যক্তিগত বিশ্বাসের সাথে পৃথিবীর অনেক মানুষের বিশ্বাসের কোনো মিল নাই। কিন্তু মানুষ এই ভিন্ন বিশ্বাসে থেকেও জীবনের তাৎপর্য খুঁজে পায়। যদি সবাই আমার মতো বিশ্বাস করতো এবং ভাবতো তাহলে পৃথিবীটা একটা রসকষহীন জায়গায় পরিণত হতো। অতএব আমি যখন আমার থেকে ভিন্ন বিশ্বাসের কোনো মানুষের সাথে মিশি, তখন তাদেরকে আমার বিশ্বাসে নিয়ে আসার চেয়ে তাদের বিশ্বাস তাদের কাছে রেখে একসাথে মিলে চলার চেষ্টা করাই ভালো।
কেউ যখন তার কোনো বিশ্বাস এর ব্যাপারে "১০০% নিশ্চিত" এবং বহু বছর ধরে সেই বিশ্বাস ধারণ করে আসছে, তখন তাকে কিছু চালাকী কথাবার্তার মাধ্যমে তার বিশ্বাস থেকে সরানো যায় না। সবাই কিছু কিছু ব্যাপারে বদ্ধ মনের মানুষ।
কেউ যদি নিজে নিজের বদ্ধ মন থেকে বের হতে না পারে, তাহলে তাকে সেটাই বিশ্বাস করতে দেওয়া উচিত। আপনিই ঠিক আর অন্যরা ভুলÑ পৃথিবীকে এটা বোঝানোর দায়িত্ব নেওয়ার দরকার নাই।
কখনো কখনো হয়তো আপনার বিশ্বাসটিই ভুল! আপনি যদি শুধুমাত্র যারা আপনার সব কথায় হ্যাঁ বলে এমন মানুষদের সাথে মিশেন তাহলে আপনি কখনো ভুল করছেন কিনা এটা জানার সুযোগ পাবেন না এবং নতুন জিনিস শিখতেও পারবেন না।
৬। পৃথিবীর কেউই সবকিছু জেনে বা পেয়ে বসে নেই-------------------
সবারই কিছু না কিছু সমস্যা আছে, কিন্তু তারা সেটা গোপন করে চলে। আপনি যখন একজন মানুষকে দেখেন, তখন শুধু সে তাকে যেভাবে বাইরের পৃথিবীর কাছে দেখাতে চায় সেটাই দেখেন।
আপনি হয়তো ভাবতেও পারবেন না তারা কীসের ভেতর দিয়ে যাচ্ছে, কিংবা যে সুখী অবস্থায় তাদের দেখছেন সে অবস্থায় আসতে তাদের কীসের ভেতর দিয়ে যেতে হয়েছে। এটা সবার জন্যে সত্যিÑ কোটিপতি, ছাত্রছাত্রী, স্মার্ট তরুণ-তরুণী, লাজুক মানুষটি এবং আর যেকোনো ধরনের মানুষই বলুন না কেনো, তাদের সবারই ভেতরের একটা জগৎ আছেÑ বাইরে থেকে তাদেরকে যেমনই মনে হোক না কেনো। কারো স¤পর্কে সবকিছু জানার আগে কখনোই ভাববেন না সে খুব সহজে জীবনে সবকিছু পেয়ে গেছে।
৭। "আমি জানি না" -এটা বলায় কোনো লজ্জা নাই---------------------
অনেকে কোনো বিষয়ে অজ্ঞতা প্রকাশ করায় লজ্জা পান। এটা নিয়ে কোনো ভাবাভাবির অবকাশ নাইÑ জাস্ট বলে ফেলুন "আমি ব্যাপারটা স¤পর্কে জানি না"। অজ্ঞতা লুকানোর চেয়ে সততা অনেক বেশি স্মার্ট একটা ব্যাপার।
৮। আরো বেশি টাকা কখনোই আপনার সব সমস্যার সমাধান করবে না----
আপনার যদি খাবার এবং থাকার জন্যে পর্যাপ্ত টাকা থাকে, তাহলে এরচেয়ে বেশি টাকা ছাড়াও আপনি জীবন চালিয়ে নিতে পারবেন। এটা আরো ভালো করে বুঝতে পারবেন যদি আপনি অসচ্ছল অথচ মোটামুটি সুখী এমন মানুষদের সাথে মিশেন। জীবনের সবচেয়ে সুন্দর জিনিসগুলি পেতে কোনো টাকা লাগে না, আর বাদবাকী জিনিসগুলো আপনি যত দামী ভাবছেন ততোটা দামী না।
যখন আপনি জীবনে দামী জিনিসপত্র ছাড়া চলতে পারবেন না, তখন এই জিনিসপত্রগুলি আপনার জীবনকে পরিচালিত করবে। আপনার দামী বাড়ি বা ফ্ল্যাট এবং ঘরের দামী ফার্নিচার থাকার কারণে আপনি অন্য জায়গায় সহজে চলে যেতে পারবেন না এবং এগুলো পাওয়ার জন্যে আপনাকে সবসময় অনেক বেশি উপার্জন করা নিয়ে চিন্তা করতে হবে। এবং এইসব দামী স¤পদ আপনার জীবনকে খুব বেশি সমৃদ্ধ করে না। জীবনে যতো কম স¤পদ থাকবে আসলে ততোই ভালো।
১০। সময় অপচয়কারী বস্তু থেকে সাবধান----------------------------
আমরা টিভি দেখে জীবনের অনেক সময় অপচয় করেছি। যেমন- "অমুক প্রোগ্রামটি আমাকে দেখতেই হবে"। এখন সেই হারানো প্রতিটি সেকেন্ডের জন্যে অনেকেরই খুব দুঃখ হয়। টিভির অনুষ্ঠান এবং খবরগুলো সাধারণত পক্ষপাতিত্বপূর্ণ হয়, যেখানে আমাদের অনেক বিকল্প সংবাদ মাধ্যম রয়েছে। আর টিভির অনুষ্ঠানগুলো থেকে শেখার প্রায় কিছুই নেই, যদিও এগুলো মানুষের দিন থেকে ঘন্টার পর ঘন্টা নিয়ে নেয়। অথচ আমরা প্রায়ই অনুযোগ করি আমাদের হাতে সময় নেই! টেলিভিশন মানুষকে ঘরকুনো করে ফেলে। যদি টেলিভিশনে পছন্দের কোনো অনুষ্ঠান বা খেলা দেখতে চান তাহলে বন্ধু বা পুরজনের সাথে আড্ডা দিতে দিতে একসাথে দেখুন।
পক্ষান্তরে ইন্টারনেট হচ্ছে মানুষের তৈরি সবচেয়ে উপকারী জিনিস, কিন্তু এটাকে পরিমিতভাবে ব্যবহার করতে হবে। ইন্টারনেট পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের মানুষের মধ্যে নানাভাবে সংযোগ স্থাপন করে। ইন্টারনেটের এতো উপকারিতা সত্ত্বেও এটাতেও টেলিভিশনের মতোই সময় অপচয় করার সম্ভাবনা আছে। জীবনকে সমৃদ্ধ করার জন্যে ইন্টারনেট ব্যবহার করুন, কিন্তু সারাদিন এর মধ্যে পড়ে না থেকে বাইরে গিয়ে সমৃদ্ধ জীবন উপভোগ করুন। এই পৃথিবীর দেখা পাবেন আপনি বাইরের মানুষের সাথে মিশলে। নিজেকে লাজুক বা ইন্ট্রোভার্ট হিসেবে ভাবা বন্ধ করুন এবং নিজের ঘরের বা দেশের বাইরে যেয়ে অন্য মানুষের সাথে মিশুন।
১১। শুধু ইংরেজি ভাষা দিয়ে অন্য দেশের মানুষেকে খুব গভীরভাবে জানতে পারবেন না--------------------------
আপনার বিদেশ ভ্রমণ যদি অল্প কিছুদিনের হয় তাহলে আপনি ইংরেজি দিয়ে অনায়াসে কিছুদিন চালিয়ে নিতে পারবেন। হোটেল বুক করা, রেস্টুরেন্টে খাবার অর্ডার দেওয়া, কিংবা একজন ভ্রমণ গাইডের সাথে ইংরেজিতে কথাবার্তা চালিয়ে নেওয়াÑ সবই করতে পারবেন। হয়তো কিছু স্থানীয় শিক্ষিত বন্ধুবান্ধবও বানিয়ে নিতে পারবেন। আপনার হয়তো মনে হবে আপনি সে দেশ স¤পর্কে অনেক কিছু জেনে গিয়েছেন। কিন্তু আপনি আসলে সত্যিকারভাবে কোনো দেশের সংস্কৃতি স¤পর্কে জানতে পারবেন না, শুধু সেদেশের ইংরেজি জানা মানুষজনের সাথে কথা বলে। তাই আপনাকে স্থানীয় ভাষা শিখতে পারে। কোনো ভাষা তাড়াতাড়ি শেখার গোপন উপায় হচ্ছে প্রথম দিন থেকেই সেই ভাষায় অল্প অল্প করে কথা বলা শুরু করা।
১২। সবকিছুতে তাড়াহুড়ো করবেন না, সময় নিন-----------------------
যারা সবকিছু তাড়াহুড়ো করে করতে চায়, তাদের কাজের কোয়ালিটি আসলে ততটা ভালো হয় না। সবকিছু সহজভাবে নিন এবং ধীরে ধীরে কাজ করুন।
খাবারের প্রতিটি কামড় উপভোগ করুন, হাঁটার সময় চারপাশ দেখে ধীরে ধীরে হাঁটুন, কারো সাথে কথা বলার সময় তাকে তার কথা পুরোপুরি শেষ করতে দিন এবং সে পর্যন্ত মনোযোগ দিয়ে সেটা শুনুন। দিনের কাজের ভেতর মাঝে মধ্যে কাজ বন্ধ করে বাইরে তাকান, কিংবা চোখ বন্ধ করে একটা বড় নিশ্বাস নিন, বেঁচে থাকার জন্যে নিজেকে সুখী ভাবুন।
১৩। সবাইকে খুশি করা যায় না-------------------------------
আপনি জীবনে ব্যর্থ হবেন, যদি সবাইকে খুশি করতে চাইবেন, নিজের মতামত ¯পষ্টভাবে ব্যক্ত করুন। আপনার যদি আপনার মতামতের ব্যাপারে আত্মবিশ্বাস থাকে এবং সেই মতামত অন্যদের সাথে শেয়ার করেন, হয়তো অনেক মানুষ আপনার উপর বিরক্ত হবে, কিন্তু এটা তাদের সমস্যা, আপনার না।
১৪। ঈড়ড়ষ হওয়ার চেষ্টা কিন্তু ক্রেইজের পেছনে ছোটা আসলে টহপড়ড়ষ ---
যারা সবসময় অন্যের দেখাদেখি নিজেকে পরিবর্তন করার চেষ্টা করে, তারা আসলে নিজেদের ব্যক্তিত্ব নিয়ে ভয় পায়। নিজের মেরুদণ্ড শক্ত করুন এবং স্রোতের বিপরীতে যাওয়াটাকে যদি আপনার সঠিক পথ মনে হয়, তাহলে শক্তভাবে তাই করুন। আজকে যেটা চমকপ্রদ, কয়েক বছর পর সেটাই হয়তো সবার অপছন্দের জিনিসে পরিণত হবে।
১৫। ভুল করতে ভয় পাবেন না, জীবনে অনেক ভুল হবেই-------------
ভুলের মাধ্যমেই আমরা শিখি। সাফল্য আসে অনেক ভুলের পরেই। জীবনটা আসলে অনেকগুলো ভুলের সমষ্টি মাত্র। মনে রাখবেন, যার জীবনে যত ভুল, তার জীবন তত সমৃদ্ধ।
১৬। বেশি ভাবাভাবি বন্ধ করে কাজ করুন -----------------------------
বেশি ভাবতে যেয়ে জীবনের দরকারী কাজগুলো প্রায়ই করা হয়ে উঠে না। বেশি চিন্তা না করে কাজে নেমে পড়ুন। না হলে কিছুই আর করা হয়ে উঠবে না
১৭। সুযোগ পেলেই গান গাইতে, নাচতে চেষ্টা করুন-------------------
গান এবং নাচ চমৎকার আর্ট এবং মনকে খুব হালকা করে। নাচানাচি কিংবা গান গাওয়া বা শুনার পর মন ভালো না হয়ে উপায় নেই!
১৮। নতুন বন্ধু বানানো কঠিন কিছু না, এবং বর্তমান বন্ধুদের সাথে সুস¤পর্ক রাখাও জরুরি-----------------------
আমার তেমন কোনো কানেকশন নাই, আমি যেভাবেই হোক নতুন কানেকশন তৈরি করি। কোথাও কোনো পার্টি হচ্ছে দেখলে আমি সোজা গিয়ে সবাইকে "হ্যালো" বলি এবং একটু লেগে থাকলে আমি কিছু মানুষকে পেয়ে যাই, যাদের সাথে আমি গল্প-গুজব-আড্ডা দিতে পারি। আপনি যদি বন্ধুত্বপরায়ণ, অকপট এবং মোটামুটি মানুষকে আকর্ষণ করার ক্ষমতা রাখেন, তাহলে পৃথিবীর যেকোনো জায়গার যেকোনো মানুষের সাথে আপনি বন্ধুত্ব করতে পারবেন।
১৯। আপনার যা যা আছে তা হারিয়ে যাবার আগে সেগুলোর মূল্য বুঝবেন না-----------------------
কোনো কিছুকেই খুব সহজপ্রাপ্য হিসেবে ধরে নিবেন না। একবার রাতে কলকাতায় আমার থাকার মত হোটেলে সিট ছিলো না এবং আমাকে রেল স্টেশনে বসে ঘুমাতে হয়েছিলো। সেই থেকে আমি আমার ঘুমানোর জন্যে যে একটা বিছানা এবং বাসা আছে সেটা নিয়ে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করি। কারণ আমি জানি পৃথিবীর অনেক মানুষের এই মৌলিক জিনিসগুলোও নাই। কেবল এক রাতের বাইরে ঘুমানোর কষ্ট থেকে আমি এখন প্রতিদিন রাতে আমার বিছানায় ঘুমাতে যাবার আগে স্বস্তির নিশ্বাস ফেলি!
২০। অযাচিত অহম ছুঁড়ে ফেলে দিয়ে নিজের ভুলের জন্যে ক্ষমা চেয়ে ফেলুন-------------------------------
কারো প্রতি মনে ক্ষোভ পুষে রাখবেন না এবং সবসময় অন্যের সাথে বিতর্কে জেতার জন্যে মরিয়া হয়ে থাকবেন না। নিজের অহমকে ছোট করে মানুষের সাথে মনোমালিন্য এড়ানো যায়। অপরজনের আগে আপনি নিজেই বলে ফেলুন আপনি দুঃখিত। কখনোই যার সাথে সমস্যা হচ্ছে, তার ভুল বুঝবার জন্যে অপেক্ষা করে থাকবেন না। নিজে থেকেই আগ বাড়িয়ে ভুল বুঝাবুঝির সমাধান করে ফেলুন।
২১। শুধুমাত্র অন্যদের মুগ্ধ করার জন্যে কিছু করা গাধামি----------------
মানুষকে মুগ্ধ করার জন্যে যা-ই করেন না কেনো মানুষ আপনাকে সেই স্বীকৃতিটুকু দিবে না। মানুষকে যদি বলে বেড়ান যে আপনি কতোগুলো ভাষা জানেন, কিংবা আপনি কতো ধনী, কতো উঁচু লেভেলের মানুষের সাথে আপনার স¤পর্ক আছে, আপনি কতো ভালো বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ালেখা করেছেন, আপনি কতো ভালো কাজ করেন, কোনো কিছুতেই আসলে মানুষের থেকে সেই স্বীকৃতিটুকু আপনি পাবেন না
মানুষ তাদের দ্বারাই মুগ্ধ হয়, যাদের কাছে গেলে তারা মন খুলে কথা বলতে পারে এবং যাদের কথা এবং কাজ তাদের কাছে ইন্টারেস্টিং লাগে। মোটামুটিভাবে বলা যায় আপনি মানুষ হিসেবে ইন্টারেস্টিং হতে পারলেই মানুষ আপনাকে পছন্দ করবে, আপনার দ্বারা মুগ্ধ হবে।
২২। পৃথিবীতে অসংখ্য মানুষ একাকীত্বে ভোগে------------------------
পৃথিবীর অসংখ্য মানুষ একাকীত্বে ভোগে। এদের অনেকেই নিজেকে একা ভাবেন কারণ তাদের ধারণা মানুষ তাদেরকে বুঝে না।
অনেকেই আমাকে বলেন যে পৃথিবীতে তাদের মতো একা আর কেউ নেই। নিজেকে একা লাগলে ভাববেন না আপনিই একমাত্র এই অবস্থায় আছেন। চারদিকের অনেকেই আপনার মতো একা আছেন এবং তারা নিশ্চিতভাবেই আপনার অবস্থা বুঝতে পারে।
২৩। ভালোবাসাই জীবনে সব নয়, তবে কিছু ভালোবাসার মানুষ ছাড়া জীবনটা শূন্য মনে হতে পারে ----------
ভালোবাসা ছাড়াও আপনি বেঁচে থাকতে পারবেন, কিন্তু ভালোবাসা ছাড়া জীবনের একটা অংশ খালি মনে হবে। আপনার জীবনে কিছু মানুষ থাকা দরকার যারা, আপনাকে ভালোবাসেÑ বন্ধুবান্ধব, পরিবার, অথবা আপনার প্রেমিক/ প্রেমিকা।
২৪। জীবনের সবচেয়ে বড় শিক্ষাগুলি কেউ আপনাকে কাগজে লিখে দিতে পারবে না, আপনাকে অবশ্যই বাস্তব অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা গ্রহণ করতে হবে--
বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ে আমি প্রায় সবকিছু জেনে গেছি এবং জীবনের গুরুপূর্ণ প্রায় সবকিছুই এ বইয়ে লেখা আছে; এমনটি ভাববেন না। সত্যটা হচ্ছে জীবনের সবচেয়ে গুরুপূর্ণ জিনিসগুলো একটি কাগজে বইয়ে লেখা প্রায় অসম্ভব। প্রকৃতি থেকেই তা জানতে হবে। পৃথিবীতে সবচেয়ে বড় শিক্ষক হচ্ছে মানুষের জীবনের বাস্তব অভিজ্ঞতা।
২৫। আপনার সমস্যার কথা কাউকে বলতে যাবেন না।-------------------
আপনি জেনে অবাক হবেন, ২০% লোক ভলো করে আপনার সমস্যাটা শোনেই না, আর বাকি ৮০% লোক আপনার সমস্যা আছে জেনে মনে মনে খুশি হয়!
২৬। জীবনের ৫টি বিতর্কমূলক দর্শন -------------------------------------
১. এই স্বল্প সময়ের সীমিত জীবনে সীমাহীন টাকার পেছনে ছোটার কোনো মানে নেই।
২. যত টাকা আপনি খরচ করার জন্য বেঁচেই থাকবেন না, তত টাকা কামাই করার কোনো অর্থ হয় না।
৩. টাকাটা যতক্ষণ না আপনি নিজে খরচ করছেন ততক্ষণ টাকাটা আপনারই না। যাদের সাথে থেকে একসাথে টাকাটা আপনি খরচই করতে পারবেন না তাদের জন্য টাকা কামাইয়ের জন্য অতো খাটাখাটনির দরকারটা কি?
৪. যখন আপনি তরুণ, তখন আপনি আপনার শরীর স্বাস্থ্য আর যৌবনটাকে ব্যাবহার করলেনÑ টাকার পেছনে দৌড়ে। যখন আপনি বৃদ্ধ/বৃদ্ধা তখন আপনি আপনার টাকা খরচ করবেনÑ সিঙ্গাপুর লন্ডন লস্্এঞ্জেলস গিয়ে ঐ স্বাস্থ্যকে ফিরে পেতে! কিন্তু তখন অনেক দেরি হয়ে যায়।
৫. একজন মানুষ সুখীÑ কত তার আছে তার উপর নির্ভর করে নয়Ñ কত কম তার প্রয়োজন তার উপর নির্ভর করে!
২৭। যে কারণে একা থাকা জরুরি---------------------------------------
গবেষণায় দেখা গেছে মানুষের জীবনে কখনো না কখনো একা থাকাটা খুবই জরুরি। এতে মানুষের বাস্তবিক জ্ঞান বাড়ে। আত্ম-বিশ্লেষণের সঙ্গে আত্মবিশ্বাস খুঁজে পায়। তাছাড়া কিছু বিষয়ে স্পষ্ট ধারণা পেতে একজন মানুষের কিছুদিন সম্পূর্ণ একাকী থাকা দরকার। যেমনÑ
সম্পর্কের মূল্যায়ন: মনের মানুষ কাছে থাকলে তার মূল্য বোঝাটা কষ্টকর। তার মূল্য আপনার কাছে আর দশটা সাধারণ মানুষের মতোই। তার আপনার প্রতি যত্নশীল হওয়া, মায়া-মমতা কোনো কিছুতেই তেমন গা লাগে না। কিন্তু যখন একা থাকবেন, তখন তার অভাব বুঝতে পারবেন। প্রতিটি মুহূর্তে আপনাকে তার আদর-ভালোবাসার অভাব কাতর করে রাখবে। আর তখন সম্পর্কের মূল্যায়ন করতে শিখবেন সহজেই।
সিদ্ধান্ত নেয়ার ক্ষমতা বাড়ে: আমরা আমাদের জীবনের সিদ্ধান্তগুলোর জন্য অন্যের ওপর নির্ভর করি। প্রত্যক্ষভাবে না হলেও পরোক্ষভাবে অন্যের মতামত, বুদ্ধি ইত্যাদি নিয়ে নিজেদের সিদ্ধান্তগুলো নিয়ে থাকি। কিন্তু এতে করে আমরা পুরোপুরি নির্ভরশীল মানুষে রূপান্তরিত হই। তাই কিছুদিন একাকী থাকা উচিৎ সবার। এতে করে নিজের জীবনের একান্ত সিদ্ধান্তগুলোর জন্য নির্ভরশীল হতে হয় না।
মস্তিষ্কের কর্মদক্ষতা বাড়াতে: আপনি যখন আপনার পরিবারের ছত্রছায়ায় সব কাজ করছেন, তখন খুব বেশি চিন্তা করার প্রয়োজন পড়ছে না। আজকে কি খাবেন, আপনার পোশাক কে ধুয়ে দেবে, আপনি কতো টাকা বেহিসেবে ব্যয় করছেন, কিংবা আপনার ভবিষ্যৎ নিয়ে কতোটুকু চিন্তা করা উচিৎ ইত্যাদি। কিন্তু যখন আপনি নিজে সবকিছু পরিচালনা করবেন। এসব বিষয়ে আপানার মাথায় এমনিতেই চিন্তা চলে আসবে। আপনি নিজেই সব সমস্যার সমাধানের চেষ্টা করবেন। এতে করে আপনার চিন্তা করার ক্ষমতা এবং সমস্যা সমাধানের ক্ষমতাও উন্নত হয়ে যাবে।
নিজেকে বুঝতে: আপনি যখন পুরোপুরি একা থাকবেন, নিজের কাজগুলো নিজেই করবেন। আপনি নিজেকে নতুন করে বুঝতে শিখবেন। তখন নিজের সিদ্ধান্তগুলো নিজে নেয়ার ক্ষমতাও অর্জন হবে। অন্যের প্রতি দায়িত্ব চাপিয়ে আমরা নিজেদের প্রতি আত্মবিশ্বাস হারিয়ে ফেলি। বুঝতেই পারি না কোন কাজটি আমাদের দিয়ে করা সম্ভব।
২৮। যারা কথা কম বলেন, তারা বেশি বুদ্ধিমান---------------------------
যারা বেশি কথা বলেন তারা নিজেদের অযথা কথা দিয়ে মানুষকে বিরক্ত তো করছেন ঠিকই, সেই সাথে নিজেকে কম বুদ্ধিমান মানুষ হিসেবে উপস্থাপন করছেন। কিন্তু ঠিক কী কারণে কম কথা বলা মানুষেরা বেশি বুদ্ধিমান হয়ে থাকেন, তা জানেন কী? চলুন জেনে নেয়া যাক।
১) যারা কথা কম বলেন তারা চিন্তা বেশি করেন। আর অনেক ক্ষেত্রেই কথা কম বলে চুপচাপ থাকার অর্থ হচ্ছে তারা মনে মনে চিন্তা করে চলেছেন। আর গবেষকগণের মতে, এই চিন্তা করার ক্ষমতাটিই কম কথা বলা মানুষকে বুদ্ধিমান করে তোলে।
২) গবেষণায় দেখা যায়, যারা চুপচাপ বেশি থাকেন এবং কথা কম বলতে পছন্দ করেন তারা লেখেন ও পড়েন বেশি। আর এতে তাদের বুদ্ধি ধারালো হতে থাকে।
৩) যারা চুপচাপ বেশি থাকেন তাদের মস্তিষ্ক অনেক দ্রুত কাজ করে এবং তারা নিজেকে শান্ত রেখে অনেক কিছু নিয়ে চিন্তা করে কোনো একটি ব্যাপারের ক্ষেত্রে নিজেদের মত প্রকাশ করে থাকেন। আর চিন্তা করে কথা বলার এই বিষয়টিই বুদ্ধিমান মানুষের পরিচায়ক।
৪) চুপচাপ থাকা মানুষ অন্যের কথা শুনে তা থেকে জ্ঞান নেয়ার চেষ্টা করেন এবং বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই নতুন কিছু শিখতে নিজেকে প্রস্তুত করে নেন। অপরদিকে কথা বেশি বলা মানুষেরা শুধুমাত্র উলটো উত্তরও আরও একগাদা কথা বলার জন্যই মুখিয়ে থাকেন এবং তেমন কিছুই শেখার চেষ্টা করেন না।
৫) কথায় বলে, ‘মুখের কথা বন্দুকের গুলির মতো, একবার ছুটে গেলে ফেরানো সম্ভব নয়’, তাই বুঝে শুনে কথা বলাটা জ্ঞানী ও বুদ্ধিমানের পরিচয় প্রকাশ করে। এক্ষেত্রেও গবেষকগণ নানা জরীপে দেখতে পান, যারা অনেক কম কথা বলেন তারা যতোটুকুই কথা বলুক না কেন অনেক ভেবে চিন্তে বলেন। অপরদিকে বেশি কথা বলার মানুষেরা অনেক সময় নিজেরাও জানেন না তারা কি বলছেন। সুতরাং এখানেই বুদ্ধিমত্তার পরিচয় পাওয়া যায়।
২৯। ব্যক্তিকে নয়, পোশাককে সম্মান করে মানুষ -------------------------
আপনার ভালো পোশাক থাকলে, সাহায্য পাবেন। নতুবা মরতে হবে সাহায্যবিহীন। এমনকি আপনি চরম অসুস্থ হয়ে রাস্তায় পড়ে থাকলেও আপনাকেও কোনো ব্যক্তি হাসপাতালে নেবে নেবে না। এমনটাই উঠে এসেছে ফ্রান্সের ব্যস্ত সড়কে সাধারণ মানুষের ওপর চালান এক গবেষণা-ফলাফলে।
গবেষণার জন্য তৈরি করা এক ভিডিওতে দেখা যায়, একজন নোংরা-পোশাক পরিহিত ব্যক্তি রাস্তায় হাঁটছেন। হঠাৎ কাশতে কাশতে রাস্তায় পড়ে গেলেন তিনি। ব্যস্ত রাস্তায় তাকে পাশকাটিয়ে অসংখ্য লোকজন হেঁটে যাচ্ছে। রাস্তায় শোয়া মানুষটি সাহায্যের জন্য আবেদন করলেও তার দিকে কেউ ফিরেও তাকাচ্ছে না।
একইভাবে একই স্থানে একই ব্যক্তি দামী পোশাক পরিহিত অবস্থায় অসুস্থতার ভান করে কাশতে কাশতে রাস্তায় পড়ে গেলেন। এবার দেখা গেল একটু ব্যতিক্রম চিত্র। এবার অনেকেই তাকে সাহায্যের জন্য এগিয়ে এসেছে। গবেষণার উদ্দেশ্যে দ্যা ইমপর্টেন্স অব অ্যাপায়ারেন্স শিরোনামে ফ্রান্সের বিভিন্ন স্থানে ভিডিও ধারণ করা হয়। ভিডিওতে আক্রান্ত ব্যক্তিদের পোশাক কিভাবে অন্যের সাহায্য পাওয়ার ক্ষেত্রে ভূমিকা রাখে তাই দেখান হয়েছে।
৩০। ব্যর্থতার বাদ দিয়ে সাফল্য হয় না------------------------------------
জীবন অনেকটা ব্যর্থ ব্যাটের মতো, তোমাকে একের পর এক নানারকম বলের মুখোমুখি হতে হবে। একজন ভালো ব্যাটারও জানে না, কখন সে মারার মতো বলটি পাবে, কিন্তু সে জানে- একটা সময় আসবেই। আর তাই যখন সে বলটি পাবে তখন কী করবে তার প্রস্তুতি আগে থেকেই নিয়ে নেয়। মনে যেন সব সময় অনুরণিত হয় আব্রাহাম লিংকনের সেই উক্তিটি, ‘আমি সবসময় প্রস্তুত থাকি, কারণ কোনো একদিন আমার সুযোগ আসবে।
ব্যর্থতার বাদ দিয়ে সফলতা হয় না। আমি এমন কাউকে জানি না, যে কঠিন পরিশ্রম না করে, ব্যর্থ না হয়ে কোনো সাফল্য অর্জন করেছে। তাই এমন ভেবো না যে অতীতের কোনো কিছু ভবিষ্যতে তোমাকে দারুণ কিছু করতে বাধা দেবে। প্রতিটি কঠিন সময় পার করার পর তুমি আরও শক্তিশালী, আরও বিচক্ষণ হবে।
চীন যেন আপাদমস্তক একটি দর্শনের দেশ। চপস্টিক -এর পেছনের গল্প হচ্ছে চীনারা গরম খাবার খেতে পছন্দ করে। তাছাড়া, হাত ময়লা থাকতে পারে। সুতরাং কি করা; হাতের সঙ্গে খাবারের যোগসূত্র কমাও। দুটো করে স্টিক দিয়ে খাওয়া শুরু। চীনের বাচ্চাদের বয়স যখন এক বছর তখন থেকেই তারা চপস্টিকে অভ্যস্ত হতে শুরু করে।
চীনে কোনো খাবার টেবিলে পানি নাই। কারণ, তারা খাবারের সঙ্গে পানি খায় না। এমনিতেই চীনারা খুব একটা পানি খায় না। কারণ সকলের হাতেই থাকে গ্রিন টি বা লুই চায়ের ফ্ল্যাক্স। যখনই মনে হয় ফ্ল্যাক্স খুলে গলা ভেজাও। চা আর চীন যেন সমার্থক।
আরেকটি বিষয় হচ্ছে ছাতা। পথ চলতে চলতে এরা ছাতা খুলে ধরে থাকে। ছাতা রহস্য হলো- ছায়ার মধ্যেও রোদের রশ্মি শরীরে এসে ত্বকের ক্ষতি করে। এতো সচেতন। বেশির ভাগ চীনারা ধর্ম মানেন না। কর্মই তাদের কাছে ধর্ম। জীবন দিয়ে হলেও দায়িত্ব পালনে তারা ন্যায়নিষ্ঠ। তারা সময় মানার ক্ষেত্রে একাট্টা। তাদের কাছে ‘টাইম ইজ মানি, মানি ইজ টাইম।’ কাউকে সময় নিয়ে তাড়া দিতে হয় না।
চীনে চারপাশে ফুলের বাগান, ছিমছাম, ছবির মতো। চীনে সাজসজ্জার জন্য গাছ লাগিয়ে বছরের পর বছর অপেক্ষা করতে হয় না। ট্রাকে করে পাহাড় থেকে বড় বড় গাছ তুলে এনে রোপণ করা হয় নির্ধারিত স্থানে।
চীনাদের খাবার সময়ও আমাদের চেয়ে ব্যতিক্রম। সকালে নাস্তা আটটার মধ্যে। দুপুরের খাবার ১২টার মধ্যে। ডিনার সন্ধ্যা ছয়টার মধ্যে শেষ। এর কোনো ব্যতিক্রম নেই।
চীনারা সাইকেলে ছুটছে। শহরের চারপাশে সাইকেল আপনার অপেক্ষায়। হাতে উইচাট অ্যাকাউন্ট আপনাকে সহজেই সাইকেল পেতে সাহায্য করবে। যখন খুশি যেখানে চলে যান। পুরো চীনই এখন শেয়ারিং ফরমুলায় সাইকেল ব্যবহার করছে। এতে অর্থ সাশ্রয় হচ্ছে, পরিবেশ রক্ষা হচ্ছে আর গাড়ি অযথাই রাস্তায় থেকে যানজট বাড়াচ্ছে না। চীনের সোশ্যাল মিডিয়া বলতে উইচাট। সে যেন পুরো পৃথিবী ঢুকিয়ে দিয়েছে উইচাটে। সব করা যায়, ওয়াশিং মেশিনে কাপড় দিয়ে রুমে এলে উইচাট জানিয়ে দেবে আপনার কাপড় তৈরি হয়েছে কিনা? মন খারাপ, বন্ধু/বান্ধবী দরকার? উইচাট ঘটকালী করবে, নিমিষেই কয়েকজনকে হাজির করবে।
চীনের সবকিছুর কোনো না কোনো অর্থ রয়েছে। বাড়িঘরের দেয়ালে যে চিত্র আঁকা থাকে, তা ঐ পরিবারের ইতিহাসকে বর্ণনা করে। প্রজন্ম থেকে প্রজন্ম সেই চিত্র দিয়ে বুঝে থাকে তাদের পথচলা। চীনে খাবারে ভেজাল এ বিষয়টি বোধহয় তারা অবগত নয়। ফলে কখনো ফরমালিন বা কার্বাইট দিতে হয় এ শিক্ষা তাদের নেই। চীনের মানুষের রয়েছে সংগীতের প্রতি ভীষণ ভালোলাগা। পথ-ঘাট-পার্কে সবসময় ক্ল্যাসিক্যাল বাজে। চলার পথে রাস্তায় বা বাড়িঘরের দেয়ালে কোনো পোস্টার-ব্যানার নাই। চিকা মারাতো দূরের কথা।
সূচিপত্র
১) ছোটদের সাথে আমাদের আচরণ ২) পরিবার ও সন্তান, সুপার পাওয়ার যেভাবে তৈরি হয়, ৩) দীর্ঘস্থায়ী ভয়ের উৎপত্তির মূলে শৈশবকালে ঘটে যাওয়া ঘটনার প্রভাব , ৪) সন্তানের উৎসাহ এবং উদ্দীপনা বাড়ানো, ৫) আপনার শিশুটি ঘুমুক শান্তিতে এবং নির্ভরতায় , ৬) কিছু অব্যর্থ টিপস, যা আপনার শিশুকে পড়াশোনায় আগ্রহী করে তুলবে, ৭) শিশুকে কিভাবে বড় করবেন, ৮) বাচ্চাদের মস্তিষ্ক বিকাশে কী করবেন? ৯) বাচ্চাদের বুদ্ধি বিকাশের অন্যতম পথ, দৌড়, ১০) বাচ্চাকে কখনো আড়ালে লুকিয়ে খেতে দেবেন না, ১১) পিটার সিংগারের দর্শন, ১২) দুষ্টু শিশুরা তাড়াতাড়ি শেখে, ১৩) সন্তানকে যতই শাস্তি দেবেন ততই সে অসামাজিক হবে, ১৪) বাবা-মাই সন্তানকে নির্যাতন করেন সবচেয়ে বেশি , ১৫) সন্তানের সাথে কিভাবে গড়ে তুলবেন নিবিড় বন্ধন, ১৬) যে ১১টি কথা শিশুকে কখনোই বলবেন না!, ১৭) শিশুকে গল্প শোনান প্রতিদিন, ১৮) সন্তানের আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধির ১০টি কৌশল, ১৯) সৃজনশীলতা হচ্ছে নতুন কিছু করার যোগ্যতা, ২০) যারা মুখস্থ করতে পারেন না, ২১) তারা মেধাবী, মেধাবী হওয়ার উপায়,
২২) কথা ও ভাষা, ২৩) এলিভেটর পিচ, ২৪) সুন্দর করে কথা বলে সমস্যা জয়ের কৌশল, ২৫) ফোনে কথা বলার আদবকেতা, ২৬) ১২টি কর্ম বিধান, ২৭) ভালোবাসার অপর নাম প্রয়োজন, ২৮) আলতু-ফালতু কাজে সময় অপচয় করে স্বপ্ন পূরণের কল্পনা, ২৯) স্ট্রেস ম্যানেজমেন্ট, ৩০) চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিন পিং-এর জীবন থেকে শিক্ষা, ৩১) অভিজ্ঞতা ও অতীত থেকে শিক্ষা গ্রহণ, ৩২) বর্তমানকে সবচেয়ে বেশি মূল্য দিন, ৩৩) ২৪ ঘণ্টা কেউ সুখী হয় না, ৩৪) কিছু অভ্যাস যা আপনাকে আরও সুখী করবে , ৩৫) আপনার অবয়ব , ৩৬) সফলতার 25টি হট কৌশল-1, ৩৭) সাফল্যের 25টি হট কৌশল-2, ৩৮) সফলতার 55 সূত্র, ৩৯) কিভাবে নিজেকে নেতা হিসেবে গড়ে তুলবে, ৪০) সময় ব্যবস্থাপনা, ৪১) সময় ব্যবস্থাপনার তিনটি ধাপ, ৪২) সময়কে যথাযথভাবে কাজে লাগানোর উপায়গুলো, ৪৩) সাফল্য, ড. কোভের ইমোশনাল একাউন্ট কনসেপ্ট, ৪৪) সবচে বড় ইমোশনাল একাউন্ট, ৪৫) আপনার ইমোশনাল একাউন্ট, ৪৬) বুদ্ধি ও বিবেচনাবোধ বর্জিত কর্মফল বিপজ্জনক, ৪৭) অন্যদের দিয়ে আপনার কাজ করান কিন্তু সম্মান আপনি অর্জন করুন, ৪৮) অন্য লোকেরা আপনার কাছে আসুক দরকার হলে টোপ দিন, ৪৯) অসুখী এবং ভাগ্যহীনদের বর্জন করুন, ৫০) লোককে আপনার ওপর নির্ভরশীল করুন , ৫১) নেওয়ার পূর্বে দেওয়া অন্য বক্তির স্বার্থ বুঝুন, ৫২) শত্রুকে খাটো করে দেখবেন না, ৫৩) নিজেকে রক্ষা করার জন্য চারিদিকে দুর্গ নির্মাণ করবেন না, ৫৪) কারোর পক্ষ অবলম্বন করে বসে থাকবেন না, ৫৫) আপনার শক্তিসমূহকে সংহত করুন, ৫৫) নিজের ভুলগুলোকে লুকিয়ে রাখুন, ৫৬) শুধু সাহসের জোরে নয়, পরিণতিও বিবেচনায় রাখুন, ৫৭) প্রতিটি মানুষের গোপন ইচ্ছা খুঁজে বের করুন, ৫৮) রাগ বিপজ্জনক ও অভদ্রতা, ৫৯) কোনো দলকে ধরার জন্য দলপতিকে প্রথমে ধরুন, ৬০) নিজেকে গুরুত্বপূর্ণ মনে করুন, গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবেন, ৬০) পরিবেশ সামলাতে শিখুন, ৬১) প্রথম শ্রেণির মানুষ হয়ে উঠুন, ৬২) আপনার সামাজিক পরিবেশ ‘প্রথম শ্রেণি’র করে তোলার উপায়, ৬৩) ‘সস্তার তিন অবস্থা’ প্রধম শ্রেণিভুক্ত হয়ে উঠুন , ৬৪) যত বেশি বন্ধুত্ব তত বেশি উপরে ওঠার সম্ভাবনা, ৬৫) সাহস করে কাজটা শুরু করুন, ৬৬) সাফল্য মানে বারবার ভিন্নভাবে চেষ্টা করা, ৬৭) ১- ১০ ভাল অভ্যাস, ১১- ২০ ভাল অভ্যাস, ২১- ৩০ ভাল অভ্যাস, ৩১- ৪০ ভাল অভ্যাস, ৪১- ৫০ ভাল অভ্যাস, ৫১- ৬০ ভাল অভ্যাস, ৬১- ৭০ ভাল অভ্যাস, ৭১- ৮০ ভাল অভ্যাস, ৮১- ৯০ ভাল অভ্যাস, ৯১- ১০২ ভাল অভ্যাস, ৬৮) জিরো থেকে হিরো, ৬৯) সৃজনশীলদের সফলতার ৭ সূত্র, ৬৯) জীবনে পরিবর্তন আনুন ৪৮টি উপায়ে, ৭০) জীবন-যাপন, ৭১) জাপানী ও চিন লাইফ স্টাইল , ৭২) ৩০টি দর্শন, যা আপনার জীবনে কাজে লাগবে, ৭৩) সম্পর্ক তৈরি করা, বন্ধুত্ব, ৭৪) যে আচরণগুলো মানুষের মনের কথা জানাবে, ৭৫) কথা বলার সূত্র, ৭৬) আপনি ও আপনার ব্যবহার, ৭৭) নিজেকে সঠিকভাবে উপস্থাপন করা, ৭৮) কথা বলার কতিপয় গুরুত্বপূর্ণ নিয়ম, ৭৯) কিভাবে নিজেকে বিনয়ী হিসেবে উপস্থাপন করবেন, ৮০) কিভাবে বুদ্ধিদীপ্ত কথা বলবেন, ৮১) কথা বলার ৫টি বিস্ময়কর টেকনিক, ৮২) কিভাবে মানুষকে আকৃষ্ট করবেন? ৮৩) অকারণে সময় নষ্ট? মেল রবিনের ৫ সেকেন্ড রুল, ৮৪) কর্পোরেট আদবকেতা, ৮৫) ৩৫টি কর্পোরেট কালচার ও আপনার করণীয়, ৮৬) যা না জানলে লজ্জায় পড়তে হয় , ৮৭) কাজের সময়ে যে বিষয়গুলো একেবারেই করা উচিৎ না , ৮৮) ক্যারিয়ারে সাফল্য পেতে ছুড়ে ফেলুন ৭টি দোষ, ৮৯) আকাক্সক্ষা, ইচ্ছে বা স্বপ্ন,
৯০) বক্তৃতা প্রশিক্ষণ, কাজ কিভাবে করবেন? ৯১) আত্মশক্তিতে বলিয়ান হতে, ৯২) একনাগাড়ে চলবেন না, ৯৩) মারফিস ’ল , কাজের রোডম্যাপ তেরি , ৯৪) জব স্যাটিসফেকশন, ৯৫) কাজে সফলতার সূত্রাবলী, ৯৬) যেভাবে জীবনযাপন করবেন, ৯৭) পরিণত বুদ্ধির মানুষেরা যে কাজগুলো কখনোই করেন না, ৯৮) জীবনে দক্ষতা অর্জনের কার্যকর ১২টি উপায়, ৯৯) সঠিক লক্ষ্য নির্ধারণ ও কাজ করার উপায় , ১০০) সফলতা ও সার্থকতা, ১০১) জীবনের ছোট ছোট প্রাপ্তিগুলোকে উপভোগ করা, ১০২) সফলতার কিছু পদ্ধতি, ১০৩) সফল হতে চাইলে যে ৮ টি জিনিস বাদ দেয়া প্রয়োজন, ১০৪) সফল ব্যক্তিরা যে ১০টি কাজ কখনোই করেন না, ১০৫) সর্বদা স্মরণ রাখুন, ১০৬) চিন্তাশক্তি , ১০৭) স্বাধীনতা, ১০৮) জ্ঞান অর্জন খাদ্য গ্রহণের মতো , ১০৯) দৃঢ় প্রতিজ্ঞ হয়ে চেষ্টা করলে কখনোই বিফল হবেন না, ১১০) বুদ্ধির সংজ্ঞা হলো, প্রতিটি কাজ ভেবে-চিন্তে করা, ১১১) ব্যক্তিত্ব, চেহারা ও ব্যক্তিত্ব , ১১২) সেলডন-এর গবেষণা , ১১৩) ব্যক্তিত্ব ও উচ্চারণ, ১১৪) পোশাক ও ব্যক্তিত্ব, ১১৫) প্রথম দেখায় ব্যক্তিত্বের ছাপ, ১১৬) বিচ্ছিন্নতা ব্যক্তিত্বের বড় শত্রু, ১১৭) ব্যক্তিত্বে জিনগত প্রভাব, ১১৮) অন্তর্মুখী ও বহির্মুখী ব্যক্তিত্ব, ১১৯) মনোমুগ্ধকর ব্যক্তিত্বের ১০ বৈশিষ্ট্য, ১২০) ব্যক্তিত্বের উৎকর্ষতার জন্যে ১০ নির্দেশনা, ১২১) কিভাবে ব্যক্তিত্বের বিকাশ ঘটাবেন? , ১২২) নিজেকে স্মার্ট করতে ৫টি কৌশল, ১২৩) আকর্ষণীয় মানুষ হবার ৬টি পরামর্শ, ১২৪) আত্মশুদ্ধি , ১২৫) হতাশ হবেন না, ১২৬) পাছে লোকে কিছু বলে, ১২৭) সুখ-শান্তি উন্নতি , ১২৮) চাহিদা, ১২৯) খাদ্য, ঘুম ও বিশ্রাম, ১৩০) স্বাস্থ্য ভাল রাখার নিয়ম, ১৩১) টেনশন দূর করতে হলে, ১৩২) শুধু নিজের কথা নয়, অন্যের কথাও ভাবুন, ১৩৩) চাহিদা যত বেশি সুখ তত কম, ১৩৪) সুখী জীবনের জন্য ১৮ টি টিপস, ১৩৫) আত্মবিশ্বাস, আত্ম বিশ্বাসের শক্তি, ১৩৬) অজুহাতের ব্যাধিতে আক্রান্ত ব্যর্থ মানুষ, ১৩৭) দি সেভেন হ্যাবিট অফ হাইলি এ্যা ফেক্টিভ পিপল, ১৩৮) সামাজিক আয়না, ১৩৯) প্রোএ্যাক্টিভিটি, ১৪০) সার্কেল অফ ইনফ্লুয়েন্স, ১৪১) শুরু করুন আজই, ১৪২) আপনার কেন্দ্রবিন্দু কোনটি?, ১৪৩) মাথার দুটি অংশই ব্যবহার করুন, ১৪৪) সময়ের ব্যবস্থাপনা, ১৪৫) ব্যক্তিগত ব্যবস্থাপনা, ১৪৬) গুরুত্বপূর্ণ এবং জরুরি, ১৪৭) পরনির্ভরশীল জীবন, ১৪৮) ছয়টি উপায়ে অন্য মানুষের সাথে আদান-প্রদান, ১৪৯) অধ্যয়ন, ১৫০) পড়াশোনায় ১২ কার্যকর কৌশল, ১৫১) ঘুম থেকে উঠতে ১০-৩-২-১-০ ফর্মুলা, ১৫২) আয়-ব্যয়- টাকা, ১৫৩) অন্যকে খুশি করতে পয়সা খরচ যে কারণে অর্থহীন, ১৫৪) খরচের লাগাম টেনে ধরতে.. ১৫৫) নারী, ১৫৬) সম্পর্ককে সুন্দর রাখতে কিছু “মিথ্যা” বলা জরুরী , ১৫৭) ছেলেদের কোন জিনিস দেখে মেয়েরা? , ১৫৮) স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর কিছু অভ্যাস, ১৫৯) ভুঁড়ি ঠেকাতে ৫টি নিয়ম, ১৬০) যেসব কারণে নারীদের স্বাবলম্বী হওয়া উচতি , ১৬১) বিয়ে-সংসার, ১৬২) সফল বিয়ের তিনটি মন্ত্র, ১৬৩) সুখী হবার দারুণ কিছু মূলমন্ত্র, ১৬৪) কিছু গল্প, ১৬৫) ভালোবাসাহীন সম্পর্ক, ১৬৬) কেন স্পর্শের প্রয়োজন হয় প্রতিদিন, ১৬৭) যে কারণে একা থাকাই আপনার জন্য ভালো, ১৬৮) ব্যবসা, ১৬৯) বিক্রয় বৃদ্ধির কৌশল, ১৭০) যে ৭টা ব্যাপার বিজনেসে করবেন না, ১৭১) স্বাস্থ্য, ১৭২) দুগ্ধজাত খাবারে পুরুষের বন্ধ্যত্ব, ১৭৩) একাকিত্বের বিপদ, ১৭৪) কর্মক্ষম ও প্রফুল্ল রাখতে, ১৭৫) মন ভালো করার উপায়, ১৭৬) যৌন স্বাস্থ্য, ১৭৭) পুরুষদের কেজেল, ১৭৮) মহিলাদের কেজেল, ১৭৯) দক্ষতা , ১৮০) আলসেমি দূর করার সহজ কিছু উপায়, ১৮১) কীভাবে সামলাবেন নিন্দুকদের ?, ১৮২) সুখী হতে চাইলে যা কখনোই করবেন না, ১৮৩) সব ভুলে যাচ্ছেন? স্মৃতিশক্তি চাঙ্গা রাখতে ৫টি টিপস, ১৮৪) বয়সের ভারে বৃদ্ধ না হয়ে বরং কাজের ভারে যুবক থাকার চেষ্টা করো, ১৮৫) নিজেকে কাজের সঙ্গে সম্পক্ত করার তিনটে স্টেপ, ১৮৬) জীবনের লক্ষ্য নির্ধারণে দ্রুত পদ্ধতিগুলো, ১৮৭) প্রতিদান পাওয়ার আশায় কাজ করবেন না, ১৮৮) প্রেম একটি মানসিক রোগ, ১৮৯) সম্পর্ক ভেঙ্গে যাবার পর নিজেকে যেভাবে সামলাবে, ১৯০) সময় সবকিছু বদলে দেয়, ১৯১) সম্পর্ক তৈরির ক্ষেত্রে কমন পাঁচটি ভুল, ১৯২) আত্মবিশ্বাস/মনোবল, ১৯৩) প্যারাসুট অফ হ্যাপিনেস, ১৯৪) বারবার ঘুরে দাঁড়াতে হবে, ১৯৫) আত্মবিশ্বাসহীন মানুষের লক্ষণ, ১৯৬) বাড়াও আত্মবিশ্বাস, বাড়বে সফলতা, ১৯৭) প্রাতিষ্ঠানিক সম্পর্ক শক্তিশালী করার টিপস, ১৯৮) কিভাবে ধরে রাখবে দু'জনের সম্পর্ক, ১৯৯) কিভাবে বুঝবে সম্পর্ক শেষ করতে হবে, ২০০) সম্পর্ক যখন প্রেম-ভালোবাসার, ২০১) যেসব বিষয়ের উপর স¤পর্ক গড়ে ওঠে, ২০২) ভালোবাসার অপর নাম প্রয়োজন, ২০৩) সম্পর্কের গুণগত মান বাড়বে কিভাবে, ২০৪) মস্তিস্ক ঠিক রাখার ৩০ উপায়, ২০৫) মানুষের আচরণের পেছনে একটা কারণ থাকে, ২০৬) কোনো কাজে নিজেকে সম্পক্ত না করেই আমরা নিজ ক্যারিয়ারকে এগিয়ে নিয়ে যাই ২০৭) স্রোতের বিপরীতে চিন্তা করুন, ২০৮) আপনার টাইমজোনে সময় আসবেই, ২০৯) চাইল্ডহুড অ্যামনেসিয়া এবং আমাদের শিক্ষণীয়,