বাচ্চাদের বুদ্ধি বিকাশের অন্যতম পথ, দৌড়
বাচ্চাকে নিয়মিত হাঁটার অভ্যাস গড়ে তুলুন। এতে করে আপনি ও আপনার বাচ্চা শুধু ফিটনেসই পাবেন না, বরং হাঁটলে আপনার মন-মেজাজ ভালো থাকবে, আপনারা সৃজনশীল হয়ে উঠবেন, ব্লাড সার্কুলেশন বাড়বে, শরীর সুস্থ থাকবে এবং বাচ্চার গঠন দ্রুত হবে। এছাড়া ঘুম না হওয়ার সমস্যাটাও আর থাকে না, ক্ষিধেও বাড়বে। তাই নিয়ম করে প্রতিদিন বাসার আশেপাশে যেখানে আপনার ভালো লাগে, সেখানে বাচ্চাকে নিয়ে হাঁটার চেষ্টা করুন। মনে রাখবেন বইয়ে মুখ গুঁজে রাখলে বুদ্ধি বাড়ে না। টিভির পর্দা বা গেমস খেললেও বুিদ্ধ বাড়ে না। বুদ্ধি বিকাশের একঠাই পথ, দৌড়। বিজ্ঞানীরা দেখেছেন, সাধারণত আট বছর বয়স পর্যন্ত বুদ্ধির বিকাশ হয়। আমেরিকার ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব এজিং-এর গবেষণায় দেখা গেছে, দৌড়ালে মানুষের শরীর থেকে ক্যাথাপসিন বি নামে একটি প্রোটিন বেরোয়। এই প্রোটিন সরাসরি মস্তিষ্কে প্রবাহিত হয়। এই ক্যাথাপসিন বি প্রোটিনেই লুকিয়ে আছে বুদ্ধি বাড়ার রহস্য। বিজ্ঞানীরা দেখেছেন, কম পক্ষে ৪ মাস ধরে সপ্তাহে ২ থেকে ৩ বার ২০ মিনিট করে দৌড়ালে শরীরে ক্যাথাপসিন বি প্রোটিনের নিঃসরণ বাড়তে থাকে। ফলে মস্তিষ্কে নিউরোজেনেসিসগুলি প্রভাবিক হয়। ফলে খুব সহজে কেউ জটিল কাজ করতে পারে।
বাচ্চাকে কখনো আড়ালে লুকিয়ে খেতে দেবেন না, এতে তার লুকিয়ে খাবার অভ্যাস তৈরি হবে।
বাচ্চাকে কখনো প্রতিবেশী বাচ্চাদের থেকে আড়ালে লুকিয়ে খেতে দেবেন না, এতে তার লুকিয়ে খাবার অভ্যাস তৈরি হবে। তাহলে ভবিষ্যতে সে আপনাকেও লুকিয়ে খাবে। বাচ্চা যাতে তার খাবার অন্যদের সাথে শেয়ার করে, সেদিকে লক্ষ্য রাখুন। চরম রাজনৈতিক অবস্থায় একবার গণজাগরণ মঞ্চের সাথে কাজ করতে গিয়ে লাঞ্চ করার সময় এক চরম অভিজ্ঞতা হয়েছিল। প্রতিটি প্যাকেট খাবারের সাখে একটি পানির বোতল ছিল। কিন্তু কোন কারণবশত ৩টি পানির বোতল কম ছিল, যার একটি আমার ভাগে পাড়ে। আমি মনে করেছিলাম পানি কারো সাথে একটু শেযার করলেই হবে। কিন্ত খাবারের পর দেখা গেল সবাই অতিরিক্ত পানি দিয়ে হাত-মুখ ধুয়ে নিচ্ছে, কেউই আমাদের ৩ পিপাসুকে পানি দিচ্ছে না। আমার কোনোরকম বেশি অসুবিধা না হলেও অন্য দুজনের অবস্থা আশংকাজনক হয়ে উঠলো। কয়েকজন স্বেচ্ছাসেবক চিৎকার করে মরছে, অথচ কেউই পানি দিচ্ছে না। অথচ এদের প্রায় সবাই ছিল উচ্চশিক্ষিত এবং ভদ্র পরিবারের সন্তান। দুঃখের বিষয় এরা কেউই পরিবারে শেয়ারিং করে খাওয়া শেখেনি।
কেউ খেতে চায় না, কেউ খেতে পায় না
শিশু খেতে না চাইলেও তাদের বাবা-মা রাগ করেন। স্বাস্থ্য খারাপ করার ভয়ে কিছু বাবা-মা মাসে দুই একবার ডাক্তারও দেখান। কিন্তু রাস্তার পাশের ডাস্টবিনের দিকে চোখ দিয়ে দেখেন না, ময়লার স্তূপের মধ্যখানে বসে অন্য একটি শিশু খাবার খুঁজছে, কেউ তাঁকে খাবার দেয়নি। শরীরে কোনো জামাকাপড় নেই। তার সারাদিনের খাবার হিসেবে ডাস্টবিনের আবর্জনার স্তূপই একমাত্র ভরসা! সারাদিন আশায় থাকেন, কখন আবর্জনায় কেউ খাবার ফেলবে। সে খাবার আবার হাতছাড়া হওয়ার ভয় থাকে। অন্য কেউ বা কুকুর আবর্জনার এই খাওয়া খেয়ে ফেলবে।
পিটার সিংগারের দর্শন
একটি বাগানে আপনি বসে আছেন, যেখানে একটি পুকুর আছে। হঠাৎ করে পুকুরের পানিতে কিছু পড়ার শব্দ এবং কিছু চিৎকার আপনি শুনতে পেলেন। আপনি বুঝতে পারলেন যে একটি শিশু পানিতে পড়ে গেছে এবং সে ডুবে মারা যেতে পারে। কি করবেন আপনি? আপনি কি কিছু না করে পাশ দিয়ে হেঁটে চলে যাবেন? জরুরি কাজে দেরি হয়ে যাচ্ছে কিংবা আপনার নতুন জামা নষ্ট হবে ভেবে আপনি সাহায্য করবেন না। সাহায্যের ব্যতিক্রম কিছু যারা ভাবেন তারা আসলেই দানব। আপনি অবশ্যি পানিতে ঝাঁপিয়ে পড়বেন।
অস্ট্রেলিয়ায় জন্ম নেয়া দার্শনিক পিটার সিংগার (জন্ম ১৯৪৬) যুক্তি দেন যে, আপনার সামনে ডুবতে থাকা শিশু আর রাস্তার অভুক্ত কোনো শিশু আসলে খুব বেশি ভিন্ন নয়। আমাদের উচিৎ আরো বেশি ভাবা সেই সব শিশুদের নিয়ে, যাদের আমরা বাঁচাতে পারি, যতটা আমরা করি তার চেয়েও বেশি করে। আমাদের উচিৎ সেই সব ভাগ্যবঞ্চিত শিশুগুলোকে সাহায্য করা, কারণ তারা এমন জায়গায় জন্ম নিয়েছে, যেখানে জন্ম নেয়ার ক্ষেত্রে তাদের কোনো হাত নেই। জীবনের আদর্শ হিসাবে এটি বেশ কঠিন দর্শন।
আপনি হয়তো বলতে পারেন যদি আপনি কোনো অর্থ দান না করেন, অন্যরা কেউ না কেউ সম্ভবত সেটি করবেই। ঝুঁকিটি এখানে হচ্ছে, আমরা সবাই কি সেই ‘দেখতে থাকা’ মানুষগুলোর মত হবো, প্রত্যেকেই মনে করবে যে, অন্য কেউ না কেউ যা প্রয়োজন সেটি অবশ্যই করবে। তার মানে এই যে, কোনো কিছু না করাই শ্রেষ্ঠ সমাধান। দরিদ্র শিশুরা তাদের কঠিন জীবনের বেশিরভাগই কাটায় অনাহার, ক্ষুধা আর অসুখে আক্রান্ত হয়ে। পৃথিবীতে যদি আসলেই সত্যিকারের ন্যায়বিচার থাকতো, তাহলে কোনো শিশুই অভুক্ত থাকতো না, যখন কিনা কিছু মানুষের এত বেশি পরিমাণ বিত্ত আছে যে, তারা জানেই না সেটি দিয়ে তারা কি করবেন।
অনেক বছর আগে দুটি ছেলে স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে কষ্ট করে পড়াশুনা করতো। তাদের টাকা-পয়সা যখন খুব বিপজ্জনকভাবে কমে এলো তখন তাদের মাথায় এক ফন্দি এলো। তারা ঠিক করলো ইগন্যাসি প্যাডারেউস্কিকে দিয়ে একটি পিয়ানো বাজানোর আসর বসিয়ে কিছু টাকা-পয়সা তুলে তাদের থাকার খরচ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাপ্য টাকা মিটিয়ে দেবে।
বিখ্যাত পিয়ানোবাদকের ম্যানেজার দু’হাজার ডলারের গ্যারান্টি চাইলেন। দু’হাজার ডলার সেই সময় অনেক টাকা। কিন্তু তবুও ছেলে দুটি রাজি হয়ে গেলো এবং পিয়ানো বাজানোর আসরের উদ্যোগ আয়োজন করতে শুরু করলো। অনেক চেষ্টা করেও কিন্তু তারা ১৬০০ ডলারের বেশি তুলতে পারলো না। আসর শেষ হলে ছেলে দুটি সেই মহান শিল্পীকে খারাপ খবরটি শোনালো। শিল্পীকে তারা ১৬০০ ডলার এবং ৪০০ ডলারের একটি প্রতিজ্ঞাপত্র লিখে দিল।
প্যাডারেউস্কি প্রতিজ্ঞাপত্র ছিঁড়ে ফেলে দিয়ে টাকাটাও তাদের হাতে দিয়ে বললেন, ‘এই টাকা থেকে তোমাদের খরচ-খরচা মেটাও।’ তারপর অনেক বছর কেটে গেলো। প্রথম মহাযুদ্ধও শেষ হলো। প্যাডারেউস্কি তখন পোল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তার দেশের হাজার হাজার ক্ষুধার্ত মানুষের অন্নসংস্থানে ব্যস্ত। হার্বাট হুভার তখন আমেরিকার খাদ্য ও সাহায্য বিভাগের প্রধান। তিনি প্যাডারেউস্কির আহ্বানে সাড়া দিয়ে কয়েক হাজার টন খাদ্য পোল্যান্ডে পাঠিয়ে দিলেন। খাদ্যাভাব প্রশমিত হলে প্যাডারেউস্কি নিজেই প্যারিসে এলেন হুভারকে ধন্যবাদ জানানোর জন্য। হুভার বললেন, ‘ঠিক আছে মি. প্যাডারেউস্কি, আপনার হয়তো মনে নেই, আমি যখন ছাত্র ছিলাম এবং বিপদে পড়েছিলাম, আপনি আমাকে সাহায্য করেছিলেন।’ কাজেই প্রতিদান পাওয়ার বাসনায় প্রয়োজন হয় না, প্রতিদান আপনিই পাওয়া যায়।
বাচ্চা ঘুমাচ্ছে না? কাঁদলেই ভালো ঘুম হবে
অনেক সদ্য ভূমিষ্ঠ শিশু রাতে ঘুমাতে চায় না। কোলে নিয়ে দুলিয়ে দুলিয়ে, দুধ গরম করে ফিডারে ধরে- কোনোভাবেই কাজ হয় না। চিন্তা নেই। মনোবিজ্ঞানীরা বলছেন, এ অবস্থায় উদ্বিগ্ন না হয়ে শিশুকে কাঁদতে দিন। এতে শিশুর ‘ইমোশনাল ড্যামেজ’ হওয়ার কোনো ঝুঁকি নেই। বরং শিশুর ঘুম তুলনামূলক ভালো হয়।প্রধান গবেষক মাইকেল গ্রেডিসার বলেন, শিশু এবং অভিভাবকদের নিয়মতান্ত্রিক ঘুম তাদের সুস¤পর্ক স্থায়ী করে।
দুষ্টু শিশুরা তাড়াতাড়ি শেখে
আপনার শিশু দুষ্টু হলে হতাশ হবেন না। দুষ্টু শিশুরা খুব তাড়াতাড়ি অনেক কিছু শিখে ফেলে। যুক্তরাষ্ট্রের ইউনিভার্সিটি অফ আইওয়ার নতুন এক গবেষণায় জানা গেছে, আপনার শিশু খাবার নিয়ে যত বেশি দুষ্টুমি করবে তত বেশি নতুন বিষয় শিখবে।
সাইকোলজির সহযোগী অধ্যাপক ল্যারিসা স্যামুয়েলসন জানান, খাওয়ার সময় নরম জিনিসগুলো শিশুরা দেখে এবং সেগুলো সম্বন্ধে ধারণা পায়। এর মাধ্যমে ছোট শিশুদের শব্দ শেখার দক্ষতাও বাড়ানো সম্ভব। তিনি আরও জানান, শিশুদের উঁচু চেয়ারে বসিয়ে যদি শেখানো হয়, তাহলে তারা ভালোভাবে শিখতে পারে।
১৬ মাস বয়সের শিশুদের ১৪টি নরম খাবার দিয়ে গবেষণাটি করা হয়। এর অধিকাংশই ছিল আপেলের সস, পুডিং, জুস ও সুপের মতো খাবার। শিশুদের খাবারগুলোকে ড্যাং কিভ ইত্যাদি অভিনব নামে পরিচিত করানো হয়। এর পরেরবার খাবারগুলো ভিন্ন আকার ও আকৃতিতে পরিবেশন করা হলেও শিশুরা সেগুলো শনাক্ত করতে পারে। তবে খাবারগুলোর সঙ্গে পরিচিত হওয়ার জন্য বেশকিছু শিশু সেগুলো নিয়ে নানারকম পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে। এরমধ্যে রয়েছে খোঁচা দেওয়া, ছুঁয়ে দেখা, ছুঁড়ে ফেলা ও খেয়ে দেখা। এভাবেই শিশুদের শেখা সহজ হয়।
আপনার সন্তানকে যতই শাস্তি দেবেন ততই সে অসামাজিক হবে
শিশুকে যত বেশি মারবেন ততই সে অসামাজিক হয়ে উঠবে। শিশুকে শারীরিক শাস্তি দিলে তাদের মাঝে যে প্রতিক্রিয়া দেখা যায় সেগুলোর মধ্যে রয়েছে পিতা-মাতার অবাধ্য হওয়া, অসামাজিক হয়ে ওঠা, আগ্রাসী হয়ে ওঠা এবং এ ধরনের নানা মানসিক সমস্যা। এ কারণে গবেষকরা শিশুদের শারীরিক শাস্তি না দেওয়ার জন্য পরামর্শ দিচ্ছেন।
যুক্তরাষ্ট্রের ইউনিভার্সিটি অব টেক্সাসের গবেষক এলিজাবেথ জারসফ বলেন, শিশুকে চড় মারলে বিভিন্ন ধরনের অপ্রত্যাশিত প্রভাব আসতে থাকে। যার প্রভাব চলতে থাকে দীর্ঘমেয়াদি। এ বিষয়ে গবেষণাটির ফলাফল প্রকাশিত হয়েছে জার্নাল অব ফ্যামিলি সাইকোলজিতে।
ধর্ম ভালো কিন্তু ধর্মান্ধতা নয়
ধর্ম শুধু ভালো নয়, ধর্মের ভানও ভালো। ধর্ম মানুষকে নীতিবোধে উদ্বুদ্ধ করে, স্ট্রেস নিরসন করে। কিন্তু ধর্মান্ধতা মানুষকে সংকীর্ণ করে। নীতিবিগর্হিত কাজ করতে শেখায়। ধর্মান্ধ-ধার্মিকের চেয়ে মানবতাবাদী নাস্তিক অনেক ভালো।
পৃথিবীতে যত যুদ্ধ হয়েছে, তার কারণ তিনটি। যেমন জমি নিয়ে (কুরুক্ষেত্রের যুদ্ধ থেকে বিশ্বযুদ্ধ), নারী নিয়ে (ট্রয়ের যুদ্ধ, রাম রাবণের যুদ্ধ), তৃতীয় যুদ্ধ ধর্ম নিয়ে, যেমন ক্রুসেড, আইএম থেকে মায়ানমার।
অন্য যুদ্ধ কিছুদিন পরে মিটে যায়, কিন্তু ধর্ম নিয়ে যুদ্ধ কখনও মেটে না। কারণ, তা ধর্মান্ধদের যুদ্ধ। সে যুদ্ধ আজও চলছে। ধর্মান্ধতাকে কখনও ধর্ম বলে ভুল করবেন না।
মানবতার প্রথম শিক্ষাই হলো শুধু অন্যকে ভালোবাসা নয়। অন্য ধর্মের মানুষকেও ভালোবাসতে শেখা। এর জন্য ছোটবেলা থেকে ছেলে-মেয়েদের শিক্ষা দিন। সাবালক না হওয়া পর্যন্ত ধর্মের তত্ত্ব বোঝাতে যাবেন না। শুধু ধর্মীয় কল্যাণমূলক উপদেশ ও নীতিকথা বলতে পারেন। বাচ্চাকে যখন বোঝাবেন আদম-হাওয়া আমাদের মতো সভ্য মানুষ ছিলেন। কিন্ত স্কুলে সে পড়বে, জানবে Ñ আদিম গুহা মানব বা আগুন আবিষ্কারের কথা। তখন তার মনে একটা দ্বন্দ্ব তৈরি হবে। যা সে সমাধান করতে পারবে না। ফলে পরতর্তিতে মনের মধ্যে তৈরি হওয়া প্রশ্নগুলির সমাধান ছাড়াই সে বড় হবে, জ্ঞানে- বুদ্ধিতে বাড়বে না। আমেরিকায় একটা জাতি আছে, যাদেরকে আ্যমিয়েস পিউপল বলে। এদের বৈশিষ্ট্য হল এরা প্রকৃতি প্রেমিক। নিজেদের ক্ষেতে বা ঘরে তৈরি খাবার ছাড়া বাইরের কিছুই কিনবে না, পরবে না। এমন কি বাইসাইকেল ছাড়া অন্য গাড়িও ব্যবহার করে না। এই অ্যমিয়েশদের প্রতিবছর একটা ধর্মীয় অনুষ্ঠান হয়। এই অনুষ্ঠানে নতুন প্রাপ্তবয়স্করাই যোগ দেয়। পরপর অনেকদিন ধরে তাদেরকে ধর্মীয় শিক্ষা-দিক্ষা দেয়া হয়। তারা নিজ ধর্মকে বুঝে-শুনে গ্রহণ করে। ছোটকাল থেকে তারা বেড়ে উঠে প্রকৃতপ্রেমি ও মানবতাবাদী হয়ে। কাজেই-
# ছেলে-মেয়েদের সামনে অন্য ধর্মের নিন্দা করবেন না।
# অপরাধীদের জাত বিচার করবেন না, অপরাধী অপরাধীই।
# সংখ্যালঘু-সংখ্যাগুরু এই ভাবনাটাই সাম্প্রদায়িক।
# বাচ্চাকে ধর্মান্ধতা থেকে দূরে রাখবেন।
সূচিপত্র
১) ছোটদের সাথে আমাদের আচরণ ২) পরিবার ও সন্তান, সুপার পাওয়ার যেভাবে তৈরি হয়, ৩) দীর্ঘস্থায়ী ভয়ের উৎপত্তির মূলে শৈশবকালে ঘটে যাওয়া ঘটনার প্রভাব , ৪) সন্তানের উৎসাহ এবং উদ্দীপনা বাড়ানো, ৫) আপনার শিশুটি ঘুমুক শান্তিতে এবং নির্ভরতায় , ৬) কিছু অব্যর্থ টিপস, যা আপনার শিশুকে পড়াশোনায় আগ্রহী করে তুলবে, ৭) শিশুকে কিভাবে বড় করবেন, ৮) বাচ্চাদের মস্তিষ্ক বিকাশে কী করবেন? ৯) বাচ্চাদের বুদ্ধি বিকাশের অন্যতম পথ, দৌড়, ১০) বাচ্চাকে কখনো আড়ালে লুকিয়ে খেতে দেবেন না, ১১) পিটার সিংগারের দর্শন, ১২) দুষ্টু শিশুরা তাড়াতাড়ি শেখে, ১৩) সন্তানকে যতই শাস্তি দেবেন ততই সে অসামাজিক হবে, ১৪) বাবা-মাই সন্তানকে নির্যাতন করেন সবচেয়ে বেশি , ১৫) সন্তানের সাথে কিভাবে গড়ে তুলবেন নিবিড় বন্ধন, ১৬) যে ১১টি কথা শিশুকে কখনোই বলবেন না!, ১৭) শিশুকে গল্প শোনান প্রতিদিন, ১৮) সন্তানের আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধির ১০টি কৌশল, ১৯) সৃজনশীলতা হচ্ছে নতুন কিছু করার যোগ্যতা, ২০) যারা মুখস্থ করতে পারেন না, ২১) তারা মেধাবী, মেধাবী হওয়ার উপায়,
২২) কথা ও ভাষা, ২৩) এলিভেটর পিচ, ২৪) সুন্দর করে কথা বলে সমস্যা জয়ের কৌশল, ২৫) ফোনে কথা বলার আদবকেতা, ২৬) ১২টি কর্ম বিধান, ২৭) ভালোবাসার অপর নাম প্রয়োজন, ২৮) আলতু-ফালতু কাজে সময় অপচয় করে স্বপ্ন পূরণের কল্পনা, ২৯) স্ট্রেস ম্যানেজমেন্ট, ৩০) চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিন পিং-এর জীবন থেকে শিক্ষা, ৩১) অভিজ্ঞতা ও অতীত থেকে শিক্ষা গ্রহণ, ৩২) বর্তমানকে সবচেয়ে বেশি মূল্য দিন, ৩৩) ২৪ ঘণ্টা কেউ সুখী হয় না, ৩৪) কিছু অভ্যাস যা আপনাকে আরও সুখী করবে , ৩৫) আপনার অবয়ব , ৩৬) সফলতার 25টি হট কৌশল-1, ৩৭) সাফল্যের 25টি হট কৌশল-2, ৩৮) সফলতার 55 সূত্র, ৩৯) কিভাবে নিজেকে নেতা হিসেবে গড়ে তুলবে, ৪০) সময় ব্যবস্থাপনা, ৪১) সময় ব্যবস্থাপনার তিনটি ধাপ, ৪২) সময়কে যথাযথভাবে কাজে লাগানোর উপায়গুলো, ৪৩) সাফল্য, ড. কোভের ইমোশনাল একাউন্ট কনসেপ্ট, ৪৪) সবচে বড় ইমোশনাল একাউন্ট, ৪৫) আপনার ইমোশনাল একাউন্ট, ৪৬) বুদ্ধি ও বিবেচনাবোধ বর্জিত কর্মফল বিপজ্জনক, ৪৭) অন্যদের দিয়ে আপনার কাজ করান কিন্তু সম্মান আপনি অর্জন করুন, ৪৮) অন্য লোকেরা আপনার কাছে আসুক দরকার হলে টোপ দিন, ৪৯) অসুখী এবং ভাগ্যহীনদের বর্জন করুন, ৫০) লোককে আপনার ওপর নির্ভরশীল করুন , ৫১) নেওয়ার পূর্বে দেওয়া অন্য বক্তির স্বার্থ বুঝুন, ৫২) শত্রুকে খাটো করে দেখবেন না, ৫৩) নিজেকে রক্ষা করার জন্য চারিদিকে দুর্গ নির্মাণ করবেন না, ৫৪) কারোর পক্ষ অবলম্বন করে বসে থাকবেন না, ৫৫) আপনার শক্তিসমূহকে সংহত করুন, ৫৫) নিজের ভুলগুলোকে লুকিয়ে রাখুন, ৫৬) শুধু সাহসের জোরে নয়, পরিণতিও বিবেচনায় রাখুন, ৫৭) প্রতিটি মানুষের গোপন ইচ্ছা খুঁজে বের করুন, ৫৮) রাগ বিপজ্জনক ও অভদ্রতা, ৫৯) কোনো দলকে ধরার জন্য দলপতিকে প্রথমে ধরুন, ৬০) নিজেকে গুরুত্বপূর্ণ মনে করুন, গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবেন, ৬০) পরিবেশ সামলাতে শিখুন, ৬১) প্রথম শ্রেণির মানুষ হয়ে উঠুন, ৬২) আপনার সামাজিক পরিবেশ ‘প্রথম শ্রেণি’র করে তোলার উপায়, ৬৩) ‘সস্তার তিন অবস্থা’ প্রধম শ্রেণিভুক্ত হয়ে উঠুন , ৬৪) যত বেশি বন্ধুত্ব তত বেশি উপরে ওঠার সম্ভাবনা, ৬৫) সাহস করে কাজটা শুরু করুন, ৬৬) সাফল্য মানে বারবার ভিন্নভাবে চেষ্টা করা, ৬৭) ১- ১০ ভাল অভ্যাস, ১১- ২০ ভাল অভ্যাস, ২১- ৩০ ভাল অভ্যাস, ৩১- ৪০ ভাল অভ্যাস, ৪১- ৫০ ভাল অভ্যাস, ৫১- ৬০ ভাল অভ্যাস, ৬১- ৭০ ভাল অভ্যাস, ৭১- ৮০ ভাল অভ্যাস, ৮১- ৯০ ভাল অভ্যাস, ৯১- ১০২ ভাল অভ্যাস, ৬৮) জিরো থেকে হিরো, ৬৯) সৃজনশীলদের সফলতার ৭ সূত্র, ৬৯) জীবনে পরিবর্তন আনুন ৪৮টি উপায়ে, ৭০) জীবন-যাপন, ৭১) জাপানী ও চিন লাইফ স্টাইল , ৭২) ৩০টি দর্শন, যা আপনার জীবনে কাজে লাগবে, ৭৩) সম্পর্ক তৈরি করা, বন্ধুত্ব, ৭৪) যে আচরণগুলো মানুষের মনের কথা জানাবে, ৭৫) কথা বলার সূত্র, ৭৬) আপনি ও আপনার ব্যবহার, ৭৭) নিজেকে সঠিকভাবে উপস্থাপন করা, ৭৮) কথা বলার কতিপয় গুরুত্বপূর্ণ নিয়ম, ৭৯) কিভাবে নিজেকে বিনয়ী হিসেবে উপস্থাপন করবেন, ৮০) কিভাবে বুদ্ধিদীপ্ত কথা বলবেন, ৮১) কথা বলার ৫টি বিস্ময়কর টেকনিক, ৮২) কিভাবে মানুষকে আকৃষ্ট করবেন? ৮৩) অকারণে সময় নষ্ট? মেল রবিনের ৫ সেকেন্ড রুল, ৮৪) কর্পোরেট আদবকেতা, ৮৫) ৩৫টি কর্পোরেট কালচার ও আপনার করণীয়, ৮৬) যা না জানলে লজ্জায় পড়তে হয় , ৮৭) কাজের সময়ে যে বিষয়গুলো একেবারেই করা উচিৎ না , ৮৮) ক্যারিয়ারে সাফল্য পেতে ছুড়ে ফেলুন ৭টি দোষ, ৮৯) আকাক্সক্ষা, ইচ্ছে বা স্বপ্ন,
৯০) বক্তৃতা প্রশিক্ষণ, কাজ কিভাবে করবেন? ৯১) আত্মশক্তিতে বলিয়ান হতে, ৯২) একনাগাড়ে চলবেন না, ৯৩) মারফিস ’ল , কাজের রোডম্যাপ তেরি , ৯৪) জব স্যাটিসফেকশন, ৯৫) কাজে সফলতার সূত্রাবলী, ৯৬) যেভাবে জীবনযাপন করবেন, ৯৭) পরিণত বুদ্ধির মানুষেরা যে কাজগুলো কখনোই করেন না, ৯৮) জীবনে দক্ষতা অর্জনের কার্যকর ১২টি উপায়, ৯৯) সঠিক লক্ষ্য নির্ধারণ ও কাজ করার উপায় , ১০০) সফলতা ও সার্থকতা, ১০১) জীবনের ছোট ছোট প্রাপ্তিগুলোকে উপভোগ করা, ১০২) সফলতার কিছু পদ্ধতি, ১০৩) সফল হতে চাইলে যে ৮ টি জিনিস বাদ দেয়া প্রয়োজন, ১০৪) সফল ব্যক্তিরা যে ১০টি কাজ কখনোই করেন না, ১০৫) সর্বদা স্মরণ রাখুন, ১০৬) চিন্তাশক্তি , ১০৭) স্বাধীনতা, ১০৮) জ্ঞান অর্জন খাদ্য গ্রহণের মতো , ১০৯) দৃঢ় প্রতিজ্ঞ হয়ে চেষ্টা করলে কখনোই বিফল হবেন না, ১১০) বুদ্ধির সংজ্ঞা হলো, প্রতিটি কাজ ভেবে-চিন্তে করা, ১১১) ব্যক্তিত্ব, চেহারা ও ব্যক্তিত্ব , ১১২) সেলডন-এর গবেষণা , ১১৩) ব্যক্তিত্ব ও উচ্চারণ, ১১৪) পোশাক ও ব্যক্তিত্ব, ১১৫) প্রথম দেখায় ব্যক্তিত্বের ছাপ, ১১৬) বিচ্ছিন্নতা ব্যক্তিত্বের বড় শত্রু, ১১৭) ব্যক্তিত্বে জিনগত প্রভাব, ১১৮) অন্তর্মুখী ও বহির্মুখী ব্যক্তিত্ব, ১১৯) মনোমুগ্ধকর ব্যক্তিত্বের ১০ বৈশিষ্ট্য, ১২০) ব্যক্তিত্বের উৎকর্ষতার জন্যে ১০ নির্দেশনা, ১২১) কিভাবে ব্যক্তিত্বের বিকাশ ঘটাবেন? , ১২২) নিজেকে স্মার্ট করতে ৫টি কৌশল, ১২৩) আকর্ষণীয় মানুষ হবার ৬টি পরামর্শ, ১২৪) আত্মশুদ্ধি , ১২৫) হতাশ হবেন না, ১২৬) পাছে লোকে কিছু বলে, ১২৭) সুখ-শান্তি উন্নতি , ১২৮) চাহিদা, ১২৯) খাদ্য, ঘুম ও বিশ্রাম, ১৩০) স্বাস্থ্য ভাল রাখার নিয়ম, ১৩১) টেনশন দূর করতে হলে, ১৩২) শুধু নিজের কথা নয়, অন্যের কথাও ভাবুন, ১৩৩) চাহিদা যত বেশি সুখ তত কম, ১৩৪) সুখী জীবনের জন্য ১৮ টি টিপস, ১৩৫) আত্মবিশ্বাস, আত্ম বিশ্বাসের শক্তি, ১৩৬) অজুহাতের ব্যাধিতে আক্রান্ত ব্যর্থ মানুষ, ১৩৭) দি সেভেন হ্যাবিট অফ হাইলি এ্যা ফেক্টিভ পিপল, ১৩৮) সামাজিক আয়না, ১৩৯) প্রোএ্যাক্টিভিটি, ১৪০) সার্কেল অফ ইনফ্লুয়েন্স, ১৪১) শুরু করুন আজই, ১৪২) আপনার কেন্দ্রবিন্দু কোনটি?, ১৪৩) মাথার দুটি অংশই ব্যবহার করুন, ১৪৪) সময়ের ব্যবস্থাপনা, ১৪৫) ব্যক্তিগত ব্যবস্থাপনা, ১৪৬) গুরুত্বপূর্ণ এবং জরুরি, ১৪৭) পরনির্ভরশীল জীবন, ১৪৮) ছয়টি উপায়ে অন্য মানুষের সাথে আদান-প্রদান, ১৪৯) অধ্যয়ন, ১৫০) পড়াশোনায় ১২ কার্যকর কৌশল, ১৫১) ঘুম থেকে উঠতে ১০-৩-২-১-০ ফর্মুলা, ১৫২) আয়-ব্যয়- টাকা, ১৫৩) অন্যকে খুশি করতে পয়সা খরচ যে কারণে অর্থহীন, ১৫৪) খরচের লাগাম টেনে ধরতে.. ১৫৫) নারী, ১৫৬) সম্পর্ককে সুন্দর রাখতে কিছু “মিথ্যা” বলা জরুরী , ১৫৭) ছেলেদের কোন জিনিস দেখে মেয়েরা? , ১৫৮) স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর কিছু অভ্যাস, ১৫৯) ভুঁড়ি ঠেকাতে ৫টি নিয়ম, ১৬০) যেসব কারণে নারীদের স্বাবলম্বী হওয়া উচতি , ১৬১) বিয়ে-সংসার, ১৬২) সফল বিয়ের তিনটি মন্ত্র, ১৬৩) সুখী হবার দারুণ কিছু মূলমন্ত্র, ১৬৪) কিছু গল্প, ১৬৫) ভালোবাসাহীন সম্পর্ক, ১৬৬) কেন স্পর্শের প্রয়োজন হয় প্রতিদিন, ১৬৭) যে কারণে একা থাকাই আপনার জন্য ভালো, ১৬৮) ব্যবসা, ১৬৯) বিক্রয় বৃদ্ধির কৌশল, ১৭০) যে ৭টা ব্যাপার বিজনেসে করবেন না, ১৭১) স্বাস্থ্য, ১৭২) দুগ্ধজাত খাবারে পুরুষের বন্ধ্যত্ব, ১৭৩) একাকিত্বের বিপদ, ১৭৪) কর্মক্ষম ও প্রফুল্ল রাখতে, ১৭৫) মন ভালো করার উপায়, ১৭৬) যৌন স্বাস্থ্য, ১৭৭) পুরুষদের কেজেল, ১৭৮) মহিলাদের কেজেল, ১৭৯) দক্ষতা , ১৮০) আলসেমি দূর করার সহজ কিছু উপায়, ১৮১) কীভাবে সামলাবেন নিন্দুকদের ?, ১৮২) সুখী হতে চাইলে যা কখনোই করবেন না, ১৮৩) সব ভুলে যাচ্ছেন? স্মৃতিশক্তি চাঙ্গা রাখতে ৫টি টিপস, ১৮৪) বয়সের ভারে বৃদ্ধ না হয়ে বরং কাজের ভারে যুবক থাকার চেষ্টা করো, ১৮৫) নিজেকে কাজের সঙ্গে সম্পক্ত করার তিনটে স্টেপ, ১৮৬) জীবনের লক্ষ্য নির্ধারণে দ্রুত পদ্ধতিগুলো, ১৮৭) প্রতিদান পাওয়ার আশায় কাজ করবেন না, ১৮৮) প্রেম একটি মানসিক রোগ, ১৮৯) সম্পর্ক ভেঙ্গে যাবার পর নিজেকে যেভাবে সামলাবে, ১৯০) সময় সবকিছু বদলে দেয়, ১৯১) সম্পর্ক তৈরির ক্ষেত্রে কমন পাঁচটি ভুল, ১৯২) আত্মবিশ্বাস/মনোবল, ১৯৩) প্যারাসুট অফ হ্যাপিনেস, ১৯৪) বারবার ঘুরে দাঁড়াতে হবে, ১৯৫) আত্মবিশ্বাসহীন মানুষের লক্ষণ, ১৯৬) বাড়াও আত্মবিশ্বাস, বাড়বে সফলতা, ১৯৭) প্রাতিষ্ঠানিক সম্পর্ক শক্তিশালী করার টিপস, ১৯৮) কিভাবে ধরে রাখবে দু'জনের সম্পর্ক, ১৯৯) কিভাবে বুঝবে সম্পর্ক শেষ করতে হবে, ২০০) সম্পর্ক যখন প্রেম-ভালোবাসার, ২০১) যেসব বিষয়ের উপর স¤পর্ক গড়ে ওঠে, ২০২) ভালোবাসার অপর নাম প্রয়োজন, ২০৩) সম্পর্কের গুণগত মান বাড়বে কিভাবে, ২০৪) মস্তিস্ক ঠিক রাখার ৩০ উপায়, ২০৫) মানুষের আচরণের পেছনে একটা কারণ থাকে, ২০৬) কোনো কাজে নিজেকে সম্পক্ত না করেই আমরা নিজ ক্যারিয়ারকে এগিয়ে নিয়ে যাই ২০৭) স্রোতের বিপরীতে চিন্তা করুন, ২০৮) আপনার টাইমজোনে সময় আসবেই, ২০৯) চাইল্ডহুড অ্যামনেসিয়া এবং আমাদের শিক্ষণীয়,