বন্ধুত্ব
ডায়লগ: বন্ধুত্ব একটি ছাতার ন্যায়। বৃষ্টি যতই প্রবল হয় ছাতার ততই প্রয়োজন পড়ে। মানুষের সাথে বন্ধুত্ব ছিন্ন করে অর্থ উপার্জন করতে যেও না। কারণ, বন্ধুত্ব স্থাপনই অর্থাপর্জনের গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম।
ছন্দ:
সময়ে সবাই সখা,
অসময়ে কেউ দেয় না দেখা
বিশ্লেষণ: বন্ধুত্ব মানে একই সময়ে দুজন বন্ধুর নিরন্তর পথ চলা। সঠিক বন্ধু পেলে সেটা মন নিজে থেকে বুঝে নেয়। কোনো সৌজন্যবোধের জড়তা তাকে আটকে রাখতে পারে না। যদিও বন্ধুত্বের ক্ষেত্রে কোনো নিয়ম হয় না, সবটাই অনিয়ম, কিন্তু অনিয়মেও তো কিছু নিয়ম মানতে হয়। তা না হলে ভালো বন্ধু হওয়া যায় না।
প্রতি মুহূর্তের স্বতঃস্ফুর্ততাই বন্ধুত্ব
প্রেমের মতোই বন্ধুত্বও সাবলীল এবং স্বতঃস্ফুর্ত। ফলে প্রিয় বন্ধুরা কখনোই একসঙ্গে চুপচাপ থাকে না। তারা প্রাণবন্ত এবং উচ্ছল থাকে। হতে পারে দু’জনে আলাদা কলেজ গিয়েছেন, আলাদা শহরে জীবনযাপন করেন, প্রাত্যহিক জীবনের নানা কর্মকাণ্ডে ব্যস্ত হয়ে পড়েছেন, কিন্তু এত কিছুর পরও ভালো বন্ধুত্ব কখনোই হারিয়ে যায় না। দুজন ভালো বন্ধু একে অপরকে ফিল করবে এবং সময় পেলেই একে অপরের সঙ্গে দেখা করে খুনসুটি করবে, এমনই হতে হবে বন্ধুত্ব। রাগ অভিমান করে পর¯পরকে ভুলে গেলে সেটা কখনোই প্রকৃত বন্ধুত্ব নয়। যেকোনো উপায়ে একে অপরের সাথে যুক্ত থাকা এবং মনের ভাব আদান-প্রদান করার চেষ্টার মধ্য দিয়ে বন্ধুত্বকে জিইয়ে রাখতে হয়।
বন্ধুত্বে বিশ্বস্ত থাকা
বন্ধুত্বে বিশ্বাস রাখা খুবই জরুরি। তৃতীয় কোনো পক্ষের কথার সূত্র ধরে বন্ধুত্বের বিশ্বাসভঙ্গ কখনোই কাম্য নয়। বন্ধুত্বে কোনো সমস্যা থাকলে মুখোমুখি আলোচনা করা, সরাসরি কথা বললে অনেক ভুল-ভ্রান্তি সহজেই দূর করা যায়। প্রয়োজনে তৃতীয় পক্ষকে সামনে রেখে তথ্যের সত্যতা যাচাই করা উচিত। অকারণে কখনোই বন্ধুকে দায়ী করবেন না। বন্ধুর কোনো কিছু অপছন্দ হলে অন্যের কাছে সমালোচনা না করে সরাসরি বলাই শ্রেয়। দুঃসময়ে পাশে থাকা এক বন্ধুর বিপদে চিন্তা-ভাবনা ছাড়াই অন্য বন্ধুর সাড়া দেওয়াই হচ্ছে প্রকৃত বন্ধুত্বের পরিচয়।
বন্ধুর সমালোচনা বন্ধুরা করবে না তো কে করবে? তবে সমালোচনার ভাষা ব্যবহারে সচেতন হওয়ায় খুবই প্রয়োজন। একবার ভুল হলে তাকে ছুঁড়ে না ফেলে তা শুধরে নেওয়াই প্রকৃত বন্ধুর দায়িত্ব। বন্ধুর প্রতি বিনয়ী হওয়া বন্ধুত্বের প্রধান হাতিয়ার। প্রকৃত বন্ধু চাইবেন তার নিজের উন্নতির পাশাপাশি আপনারও উন্নতি হোক।
মিথ্যা তথ্য কিংবা ধারণা দিয়ে বন্ধুত্বের স¤পর্ক গড়া যায়, কিন্তু গড়লেও তা কখনোই দীর্ঘস্থায়ী হয় না। মনের মতো বন্ধু পেতে সততার কোনো বিকল্প নেই। সততা স¤পর্কের বৃক্ষকে সর্বদা সতেজ রাখে। মানুষের পারিপার্শ্বিক অবস্থা প্রতিনিয়ত সময়ের সাথে সাথে পরিবর্তিত হয়। নতুন বন্ধুদের পাশাপাশি পুরোনো স¤পর্কগুলোকে ঝালাই করে নিতে হয়। আপনার বন্ধু আর আপনার মাঝখানে কেবল এক মুঠোফোন দূরত্ব। বন্ধুর সাথে পুরোনো স্মৃতি রোমন্থন করুন। পুরোনো স্মৃতি রোমান্থন বন্ধুত্বকে টিকিয়ে রাখতে টনিকের মতো কাজ করে।
ভালো শ্রোতা হওয়া
বন্ধুর সাথে আড্ডায় কেবল নিজের কথাগুলোকেই প্রাধান্য দেওয়া উচিত নয়। বন্ধুকেও কথা বলতে দেওয়া এবং আলোচনায় উৎসাহিত করার মধ্য দিয়ে দুজনের ভালো লাগা, মন্দ লাগা পর®পরের বুঝে নিতে সহজ হয়। বন্ধুর সমস্যাগুলোকে গুরুত্ব দেওয়া, বন্ধুর কাছে গুরুত্বপূর্ণ এমন বিষয় নিয়ে উপহাস না করাই প্রকৃত বন্ধুর দায়িত্ব। বন্ধু মানেই কেবল আমার সবটুকু কথা তাকে বলে ফেলা নয়, বরং তার কথাগুলোকেও আপন করে নেওয়া।
উত্তম বই হচ্ছে ভলো বন্ধু
যতদিন লেখাপড়ার প্রতি আকর্ষণ থাকে, ততদিন মানুষ জ্ঞানী থাকে। আর যখন তার ধারণা জন্মে যে, সে জ্ঞানী হয়ে গেছে, তখন মূর্খতা তাকে ঘিরে থাকে। বই হচ্ছে জ্ঞানের প্রতীক। আর জ্ঞান হচ্ছে চর্চার করার জিনিস। বই পড়ে আমরা আনন্দকে সংগ্রহ করি, জ্ঞানকে পূর্ণ করি আর নিজেকে সমৃদ্ধ করি। তাই বই হচ্ছে সেরা বন্ধু। প্রতি বছর লক্ষ লক্ষ যুবক আইএ.বিএ পাস করছে; কিন্তু সৃজনশীল বই বিক্রি বাড়ছে না বরং কমছে। বাবা-মা নিজেই যখন বই পড়ে না, সেখানে সন্তানের অভ্যাস হবে কোথা থেকে। মনে রাখবেন ‘ফেবু স্ট্যাটাস আর ব্লক’ বইয়ের বিকল্প নয়, এটা হল ভাতের ক্ষিধা বিস্কুটে মিটানোর মতো। স্বাস্থ্য রক্ষা হবে না।
বন্ধুত্বের চেয়ে বেশি দরকার সৎসঙ্গ
কথায় বলে- মন্দ লোকের সঙ্গে যার উঠা-বসা, সে কোনোদিন কল্যাণের মুখ দেখবে না। এ জন্য বলা হয়ে থাকে যে, কয়েক হাজার মূর্খ নিয়ে স্বর্গে বসবাস করার চেয়ে একজন জ্ঞানী মানুষের সঙ্গে নরকে বাস করা অনেক ভালো। আল্লামা ইকবাল বলেছেন- তুমি কার ঘরে জন্মগ্রহণ করেছ, তা আমার দেখার বিষয় নয়, তুমি কার সাথে চলাফেরা কর- তা দেখে আমি তোমার বিচার করবো। সঙ্গদোষ এতই ভয়াবহ যে, একটা বক যদি একটা কাকের সঙ্গে বসবাস করে- তবে বকটার পালক যদি কাকের মত নাও হয়, মনটা ঠিক কাকের মত কদাকার, জঘন্য হয়ে যায়। এ কথাটা শেখ সাদী ঘুরিয়ে এভাবে বলেন- যদি তুমি একটা কয়লাওয়ালার সঙ্গে কুলাকুলি কর, তাহলে কয়লার গুঁড়া একটু না একটু তোমার গায়ে লাগবেই, আর যদি আতরওয়ালার সঙ্গে কোলাকুলি কর, তবে আতরের গন্ধ একটু না একটু হলেও তোমাকে স্পর্শ করবে।
মানুষের কাছের বন্ধু কতজন?
ফেসবুক-টুইটারসহ সামাজিক যোগাযোগের অনলাইন মাধ্যমে বন্ধুদের ছড়াছড়ি। মুঠোফোনেও আছে অনেক বন্ধু। কিন্তু এত বন্ধুর ভিড়ে কতজনের সঙ্গে একান্ত কিছু সময় কাটানো যায়? আপনার সত্যিকারের কাক্সিক্ষত বন্ধুর সংখ্যা কত? এই প্রশ্নের জবাব খুঁজতে গবেষণা চালিয়ে যুক্তরাজ্যের অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষক ফলিক্স রিড-সোকাস বলছেন, মানুষের একান্ত নিকট বন্ধু মাত্র পাঁচ থেকে আটজনে সীমিত। তারাই সারা জীবনের বন্ধু হতে পারে। তবে কেউ বাদ পড়লে নতুন কেউ এসে শূন্যস্থানটি দখল করে নেয়। এভাবে সংখ্যাটি প্রায় অপরিবর্তিত থাকে।
নারী-পুরুষের মাঝে কি বন্ধুত্ব সম্ভব?
দীর্ঘদিন গবেষণা করার পর গবেষকরা এই সিদ্ধান্তে পৌঁছালেন, বিপরীত লিঙ্গের কারো সাথে কেবল বন্ধুত্ব নামক স¤পর্কটি টিকিয়ে রাখা একজন নারীর তুলনায় একজন পুরুষের জন্য বেশ কষ্টকরই! আর তাই তারা পুরুষদের জন্য এ স¤পর্কটিকে ঔঁংঃ ঋৎরবহফংযরঢ় না বলে বললেন চধৎঃরধষ ঋৎরবহফংযরঢ়! গবেষকরা জানালেন- আপনি যদি একজন নারী হয়ে থাকেন, তাহলে অবশ্যই সম্ভব। কিন্তু আপনি যদি পুরুষ হন, তাহলে আপনার জন্য বেশ জটিলই হয়ে যাবে।
কিছু স্মরণী:
# ছাত্রজীবনে সহপাঠীরা বন্ধু হয়, যৌবনে বন্ধু হয় অফিস কলিগরা। বার্ধক্যের বন্ধু স্ত্রী/ম্বামী।
# অসম বন্ধুত্ব প্রয়োজনের খাতিরে গড়ে উঠতে পারে। ছোটবেলায় স্কুলে বড়লোক পুত্রের সঙ্গে মুচির ছেলের বন্ধুত্ব হতে পারে। কিন্তু বড় হয়ে তারা সমান মর্যাদার না হলে বন্ধুত্ব টেকে না।
# সাধারণত দুই পুরুষ-বন্ধুর স্ত্রীরা ও দুই মেয়ে বন্ধুর স্বামীরা তাদের পার্টনারদের বন্ধুত্বকে ভালো মনে নেয় না। তাদের মধ্যে একটা চাপা ঈর্ষা দেখা দিতে পারে।
# দুই বন্ধু মিলে ব্যবসায় প্রতিষ্ঠান দাঁড় করাতে পারেন কিন্তু ব্যবসা দাঁড়ালেও বন্ধুত্ব পড়তে থাকে। শেষে এমন হতে পারে বন্ধুত্ব শত্রুতায় পরিণত হতে পারে। তাই বন্ধুর সাথে পার্টনারশিপ ব্যবসায়ে যাবেন না।
# বন্ধুকে নিজের প্রতিষ্ঠানে চাকরি দেবেন না। বন্ধুত্ব সমমর্যাদা আশা করে। কর্মচারীকে মালিক সমমর্যাদা দিতে চাইলে অন্যন্যা কর্মচারী-বন্ধু শত্রু হয়ে যায়।
# স্কুলজীবনের পর আর বন্ধু হয় না। কলেজ জীবনে বান্ধবী হতে পারে আর বন্ধু হয় না। কর্মজীবনে কলিগ কদাচ বন্ধু হয়।
# মানুষের জীবনে কিছু লোক কিছু সময়ের জন্য ভালো বন্ধু, কিছু লোক অনেকদিনের জন্য ভালো বন্ধু, কিন্তু খুব জনই সারাজীবনের জন্য বন্ধু হয়।
# বন্ধুকে হৃদয় ঢেলে দিন। নিয়মিত রেস্টুরেন্টে কিংবা বাড়িতে খাওয়ান, কিন্তু টাকা ধার দেবেন না।
# বন্ধুর সঙ্গে কথা কাটাকাটি হলে ‘স্যরি’ বলতে শিখুন।
# বন্ধুত্ব হচ্ছে ফুলের বাগানের মতো নিয়মিত পরিচর্যা না করলে বন্ধুত্বের গাছ বেশিদিন বাঁচে না।
# বন্ধুর প্রশংসায় মুগ্ধ ও শত্রুর সমালোচনায় বিচলিত হবেন না। এ দুয়েরই কোনো দাম নেই। বন্ধুরা প্রশংসা করবেই কারণ তারা সমালোচনা করে বন্ধুত্ব হারাবার ঝুঁকি নিতে পারে না। শত্রুরা সমালোচনা করবেই।
যে আচরণগুলো মানুষের মনের কথা জানাবে
যে মানুষটি সামান্য কারণে অনেক বেশি হেসে থাকেন:
যে মানুষটি অতি ক্ষুদ্র ও সামান্য কারণে অনেক বেশি হেসে ফেলেন তাকে আমরা ওপর দিয়ে বেশ হাসি খুশি মানুষ হিসেবেই ধরে নিই। মনে করি তার ব্যক্তিত্বই এমন যে তুচ্ছ ব্যপারেও এতো হাসি চলে আসে তার। কিন্তু আমরা কেউই জানি না এই হাস্যোজ্জ্বল ব্যক্তিটিই সবার চেয়ে দুঃখী। সাইকোলজিস্টদের মতে এই ধরণের ব্যক্তিরা সামান্য ব্যপারে এতো বেশি হাসেন কারণ তার জীবনে সুখের হাসি হাসার সুযোগ খুব কম। তারা তুচ্ছ ব্যাপারে খুশি হন, কারণ তারা জানেন না সত্যিকারের সুখ কি।
যখন একজন মানুষ অতিরিক্ত ঘুমান:
একজন মানুষ অতিরিক্ত ঘুমানো শুরু করলে আমরা তাকে অলস, অকর্মা ইত্যাদি নামে ভূষিত করি। কিন্তু এর আসল কারণ কেউ জানি না বা খুঁজে বের করি না। সাইকোলজিস্টরা বলেন, অতিরিক্ত ঘুমের পেছনে রয়েছে জীবনের একাকীত্ব। যে মানুষটি নিজেকে অনেক বেশি একা ভাবেন ও একাকীত্বে ভোগেন তিনি ঘুমকে সঙ্গী করে নেন।
যে মানুষটি কম কথা বলেন এবং কথা বললে অনেক দ্রুত বলেন:
খেয়াল করে দেখুন তো আপনার আশেপাশের পরিচিত কিংবা আপনজনদের মধ্যে কেউ কম কথা বলা শুরু করেছেন কিনা এবং অল্প কথা বললেও অনেক দ্রুত বলেন কিনা। যদি এমন কাউকে খুঁজে পান তবে বুঝবেন তিনি কিছু লুকোনোর চেষ্টায় আছেন। সাইকোলজিস্টরা মনে করেন, যে ব্যক্তি কোনো কথা লুকোতে চান তিনি সব সময় কথা কম বলার চেষ্টা করেন, যাতে কথায় কথায় লুকোনো কথাটি বের না হয়ে যায় এবং যখন কথা বলেন তখন যা-ই বলেন দ্রুত বলে হাঁফ ছাড়েন।
যখন একজন মানুষ অদ্ভুতভাবে ছড়িয়ে ছিটিয়ে খান:
যদি কখনো লক্ষ্য করেন আপনার সামনে বসা কোনো মানুষ কিংবা বাসাতেই আপনার আপনজনদের কেউ অদ্ভুতভাবে ছড়িয়ে ছিটিয়ে এবং হড়বড় করে খাবার খাচ্ছে তখন হুট করে মনে করে বসবেন না সামনে বসা মানুষটি অসামাজিক। এই ধরণের কাজ একজন মানুষ তখনই করেন, যখন তিনি খুব বেশি মাত্রায় দুশ্চিন্তায় থাকেন। দুশ্চিন্তা মাথায় ঘুরলে তিনি নিজেও জানেন না তিনি কি কাজ করছেন।
যখন কেউ অতি সামান্য বিষয়ে কেঁদে ফেলেন:
কথায় বলে‘কান্না অনেক মূল্যবান একটি জিনিস, কারণ মানুষ সবার সামনে হাসতে পারলেও সবার সামনে কাঁদতে পারেন না। ঠিক তাই, কারণ মানুষ আপনজনের সামনেই কাঁদতে পারেন। কিন্তু এই কান্নার মাধ্যমেও বুঝে নিতে পারবেন মানুষের মনের অবস্থা। যারা অনেক শক্ত প্রকৃতির মানুষ হন তারা সহজে কাঁদেন না। কিন্তু যারা মনের দিক হতে দুর্বল, তারাই সামান্য ব্যাপারে কেঁদে ফেলেন। আবার কথায় কথায় কেঁদে ফেলা কিন্তু হতে পারে ছলনার লক্ষণ।
যখন কেউ খুব সামান্য বিষয়ে অতিরিক্ত রাগ করেন :
রাগ জিনিসটা শুধুমাত্র ঈর্ষা, হিংসা কিংবা প্রতিশোধ অথবা কারো কাজে কিংবা কথায় উঠে এটি স¤পূর্ণ ভুল একটি ধারণা। সাইকোলজিস্টগণ রাগ ওঠার অন্য একটি কারণ খুঁজে বের করেছেন। যদি কোনো মানুষ নিজেকে ভালোবাসা থেকে বঞ্চিত খুঁজে পান তখন সেই মানুষটি অতি তুচ্ছ বিষয়ে রাগ প্রকাশ করে থাকেন। জীবনে ভালোবাসার কমতি মানুষেরা পরিচিতি পান রাগী ও বদমেজাজি মানুষ হিসেবে। কিন্তু এই মানুষগুলোর মন থাকে সব থেকে নরম এবং ভালোবাসা পেতে ব্যাকুল।
সূচিপত্র
১) ছোটদের সাথে আমাদের আচরণ ২) পরিবার ও সন্তান, সুপার পাওয়ার যেভাবে তৈরি হয়, ৩) দীর্ঘস্থায়ী ভয়ের উৎপত্তির মূলে শৈশবকালে ঘটে যাওয়া ঘটনার প্রভাব , ৪) সন্তানের উৎসাহ এবং উদ্দীপনা বাড়ানো, ৫) আপনার শিশুটি ঘুমুক শান্তিতে এবং নির্ভরতায় , ৬) কিছু অব্যর্থ টিপস, যা আপনার শিশুকে পড়াশোনায় আগ্রহী করে তুলবে, ৭) শিশুকে কিভাবে বড় করবেন, ৮) বাচ্চাদের মস্তিষ্ক বিকাশে কী করবেন? ৯) বাচ্চাদের বুদ্ধি বিকাশের অন্যতম পথ, দৌড়, ১০) বাচ্চাকে কখনো আড়ালে লুকিয়ে খেতে দেবেন না, ১১) পিটার সিংগারের দর্শন, ১২) দুষ্টু শিশুরা তাড়াতাড়ি শেখে, ১৩) সন্তানকে যতই শাস্তি দেবেন ততই সে অসামাজিক হবে, ১৪) বাবা-মাই সন্তানকে নির্যাতন করেন সবচেয়ে বেশি , ১৫) সন্তানের সাথে কিভাবে গড়ে তুলবেন নিবিড় বন্ধন, ১৬) যে ১১টি কথা শিশুকে কখনোই বলবেন না!, ১৭) শিশুকে গল্প শোনান প্রতিদিন, ১৮) সন্তানের আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধির ১০টি কৌশল, ১৯) সৃজনশীলতা হচ্ছে নতুন কিছু করার যোগ্যতা, ২০) যারা মুখস্থ করতে পারেন না, ২১) তারা মেধাবী, মেধাবী হওয়ার উপায়,
২২) কথা ও ভাষা, ২৩) এলিভেটর পিচ, ২৪) সুন্দর করে কথা বলে সমস্যা জয়ের কৌশল, ২৫) ফোনে কথা বলার আদবকেতা, ২৬) ১২টি কর্ম বিধান, ২৭) ভালোবাসার অপর নাম প্রয়োজন, ২৮) আলতু-ফালতু কাজে সময় অপচয় করে স্বপ্ন পূরণের কল্পনা, ২৯) স্ট্রেস ম্যানেজমেন্ট, ৩০) চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিন পিং-এর জীবন থেকে শিক্ষা, ৩১) অভিজ্ঞতা ও অতীত থেকে শিক্ষা গ্রহণ, ৩২) বর্তমানকে সবচেয়ে বেশি মূল্য দিন, ৩৩) ২৪ ঘণ্টা কেউ সুখী হয় না, ৩৪) কিছু অভ্যাস যা আপনাকে আরও সুখী করবে , ৩৫) আপনার অবয়ব , ৩৬) সফলতার 25টি হট কৌশল-1, ৩৭) সাফল্যের 25টি হট কৌশল-2, ৩৮) সফলতার 55 সূত্র, ৩৯) কিভাবে নিজেকে নেতা হিসেবে গড়ে তুলবে, ৪০) সময় ব্যবস্থাপনা, ৪১) সময় ব্যবস্থাপনার তিনটি ধাপ, ৪২) সময়কে যথাযথভাবে কাজে লাগানোর উপায়গুলো, ৪৩) সাফল্য, ড. কোভের ইমোশনাল একাউন্ট কনসেপ্ট, ৪৪) সবচে বড় ইমোশনাল একাউন্ট, ৪৫) আপনার ইমোশনাল একাউন্ট, ৪৬) বুদ্ধি ও বিবেচনাবোধ বর্জিত কর্মফল বিপজ্জনক, ৪৭) অন্যদের দিয়ে আপনার কাজ করান কিন্তু সম্মান আপনি অর্জন করুন, ৪৮) অন্য লোকেরা আপনার কাছে আসুক দরকার হলে টোপ দিন, ৪৯) অসুখী এবং ভাগ্যহীনদের বর্জন করুন, ৫০) লোককে আপনার ওপর নির্ভরশীল করুন , ৫১) নেওয়ার পূর্বে দেওয়া অন্য বক্তির স্বার্থ বুঝুন, ৫২) শত্রুকে খাটো করে দেখবেন না, ৫৩) নিজেকে রক্ষা করার জন্য চারিদিকে দুর্গ নির্মাণ করবেন না, ৫৪) কারোর পক্ষ অবলম্বন করে বসে থাকবেন না, ৫৫) আপনার শক্তিসমূহকে সংহত করুন, ৫৫) নিজের ভুলগুলোকে লুকিয়ে রাখুন, ৫৬) শুধু সাহসের জোরে নয়, পরিণতিও বিবেচনায় রাখুন, ৫৭) প্রতিটি মানুষের গোপন ইচ্ছা খুঁজে বের করুন, ৫৮) রাগ বিপজ্জনক ও অভদ্রতা, ৫৯) কোনো দলকে ধরার জন্য দলপতিকে প্রথমে ধরুন, ৬০) নিজেকে গুরুত্বপূর্ণ মনে করুন, গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবেন, ৬০) পরিবেশ সামলাতে শিখুন, ৬১) প্রথম শ্রেণির মানুষ হয়ে উঠুন, ৬২) আপনার সামাজিক পরিবেশ ‘প্রথম শ্রেণি’র করে তোলার উপায়, ৬৩) ‘সস্তার তিন অবস্থা’ প্রধম শ্রেণিভুক্ত হয়ে উঠুন , ৬৪) যত বেশি বন্ধুত্ব তত বেশি উপরে ওঠার সম্ভাবনা, ৬৫) সাহস করে কাজটা শুরু করুন, ৬৬) সাফল্য মানে বারবার ভিন্নভাবে চেষ্টা করা, ৬৭) ১- ১০ ভাল অভ্যাস, ১১- ২০ ভাল অভ্যাস, ২১- ৩০ ভাল অভ্যাস, ৩১- ৪০ ভাল অভ্যাস, ৪১- ৫০ ভাল অভ্যাস, ৫১- ৬০ ভাল অভ্যাস, ৬১- ৭০ ভাল অভ্যাস, ৭১- ৮০ ভাল অভ্যাস, ৮১- ৯০ ভাল অভ্যাস, ৯১- ১০২ ভাল অভ্যাস, ৬৮) জিরো থেকে হিরো, ৬৯) সৃজনশীলদের সফলতার ৭ সূত্র, ৬৯) জীবনে পরিবর্তন আনুন ৪৮টি উপায়ে, ৭০) জীবন-যাপন, ৭১) জাপানী ও চিন লাইফ স্টাইল , ৭২) ৩০টি দর্শন, যা আপনার জীবনে কাজে লাগবে, ৭৩) সম্পর্ক তৈরি করা, বন্ধুত্ব, ৭৪) যে আচরণগুলো মানুষের মনের কথা জানাবে, ৭৫) কথা বলার সূত্র, ৭৬) আপনি ও আপনার ব্যবহার, ৭৭) নিজেকে সঠিকভাবে উপস্থাপন করা, ৭৮) কথা বলার কতিপয় গুরুত্বপূর্ণ নিয়ম, ৭৯) কিভাবে নিজেকে বিনয়ী হিসেবে উপস্থাপন করবেন, ৮০) কিভাবে বুদ্ধিদীপ্ত কথা বলবেন, ৮১) কথা বলার ৫টি বিস্ময়কর টেকনিক, ৮২) কিভাবে মানুষকে আকৃষ্ট করবেন? ৮৩) অকারণে সময় নষ্ট? মেল রবিনের ৫ সেকেন্ড রুল, ৮৪) কর্পোরেট আদবকেতা, ৮৫) ৩৫টি কর্পোরেট কালচার ও আপনার করণীয়, ৮৬) যা না জানলে লজ্জায় পড়তে হয় , ৮৭) কাজের সময়ে যে বিষয়গুলো একেবারেই করা উচিৎ না , ৮৮) ক্যারিয়ারে সাফল্য পেতে ছুড়ে ফেলুন ৭টি দোষ, ৮৯) আকাক্সক্ষা, ইচ্ছে বা স্বপ্ন,
৯০) বক্তৃতা প্রশিক্ষণ, কাজ কিভাবে করবেন? ৯১) আত্মশক্তিতে বলিয়ান হতে, ৯২) একনাগাড়ে চলবেন না, ৯৩) মারফিস ’ল , কাজের রোডম্যাপ তেরি , ৯৪) জব স্যাটিসফেকশন, ৯৫) কাজে সফলতার সূত্রাবলী, ৯৬) যেভাবে জীবনযাপন করবেন, ৯৭) পরিণত বুদ্ধির মানুষেরা যে কাজগুলো কখনোই করেন না, ৯৮) জীবনে দক্ষতা অর্জনের কার্যকর ১২টি উপায়, ৯৯) সঠিক লক্ষ্য নির্ধারণ ও কাজ করার উপায় , ১০০) সফলতা ও সার্থকতা, ১০১) জীবনের ছোট ছোট প্রাপ্তিগুলোকে উপভোগ করা, ১০২) সফলতার কিছু পদ্ধতি, ১০৩) সফল হতে চাইলে যে ৮ টি জিনিস বাদ দেয়া প্রয়োজন, ১০৪) সফল ব্যক্তিরা যে ১০টি কাজ কখনোই করেন না, ১০৫) সর্বদা স্মরণ রাখুন, ১০৬) চিন্তাশক্তি , ১০৭) স্বাধীনতা, ১০৮) জ্ঞান অর্জন খাদ্য গ্রহণের মতো , ১০৯) দৃঢ় প্রতিজ্ঞ হয়ে চেষ্টা করলে কখনোই বিফল হবেন না, ১১০) বুদ্ধির সংজ্ঞা হলো, প্রতিটি কাজ ভেবে-চিন্তে করা, ১১১) ব্যক্তিত্ব, চেহারা ও ব্যক্তিত্ব , ১১২) সেলডন-এর গবেষণা , ১১৩) ব্যক্তিত্ব ও উচ্চারণ, ১১৪) পোশাক ও ব্যক্তিত্ব, ১১৫) প্রথম দেখায় ব্যক্তিত্বের ছাপ, ১১৬) বিচ্ছিন্নতা ব্যক্তিত্বের বড় শত্রু, ১১৭) ব্যক্তিত্বে জিনগত প্রভাব, ১১৮) অন্তর্মুখী ও বহির্মুখী ব্যক্তিত্ব, ১১৯) মনোমুগ্ধকর ব্যক্তিত্বের ১০ বৈশিষ্ট্য, ১২০) ব্যক্তিত্বের উৎকর্ষতার জন্যে ১০ নির্দেশনা, ১২১) কিভাবে ব্যক্তিত্বের বিকাশ ঘটাবেন? , ১২২) নিজেকে স্মার্ট করতে ৫টি কৌশল, ১২৩) আকর্ষণীয় মানুষ হবার ৬টি পরামর্শ, ১২৪) আত্মশুদ্ধি , ১২৫) হতাশ হবেন না, ১২৬) পাছে লোকে কিছু বলে, ১২৭) সুখ-শান্তি উন্নতি , ১২৮) চাহিদা, ১২৯) খাদ্য, ঘুম ও বিশ্রাম, ১৩০) স্বাস্থ্য ভাল রাখার নিয়ম, ১৩১) টেনশন দূর করতে হলে, ১৩২) শুধু নিজের কথা নয়, অন্যের কথাও ভাবুন, ১৩৩) চাহিদা যত বেশি সুখ তত কম, ১৩৪) সুখী জীবনের জন্য ১৮ টি টিপস, ১৩৫) আত্মবিশ্বাস, আত্ম বিশ্বাসের শক্তি, ১৩৬) অজুহাতের ব্যাধিতে আক্রান্ত ব্যর্থ মানুষ, ১৩৭) দি সেভেন হ্যাবিট অফ হাইলি এ্যা ফেক্টিভ পিপল, ১৩৮) সামাজিক আয়না, ১৩৯) প্রোএ্যাক্টিভিটি, ১৪০) সার্কেল অফ ইনফ্লুয়েন্স, ১৪১) শুরু করুন আজই, ১৪২) আপনার কেন্দ্রবিন্দু কোনটি?, ১৪৩) মাথার দুটি অংশই ব্যবহার করুন, ১৪৪) সময়ের ব্যবস্থাপনা, ১৪৫) ব্যক্তিগত ব্যবস্থাপনা, ১৪৬) গুরুত্বপূর্ণ এবং জরুরি, ১৪৭) পরনির্ভরশীল জীবন, ১৪৮) ছয়টি উপায়ে অন্য মানুষের সাথে আদান-প্রদান, ১৪৯) অধ্যয়ন, ১৫০) পড়াশোনায় ১২ কার্যকর কৌশল, ১৫১) ঘুম থেকে উঠতে ১০-৩-২-১-০ ফর্মুলা, ১৫২) আয়-ব্যয়- টাকা, ১৫৩) অন্যকে খুশি করতে পয়সা খরচ যে কারণে অর্থহীন, ১৫৪) খরচের লাগাম টেনে ধরতে.. ১৫৫) নারী, ১৫৬) সম্পর্ককে সুন্দর রাখতে কিছু “মিথ্যা” বলা জরুরী , ১৫৭) ছেলেদের কোন জিনিস দেখে মেয়েরা? , ১৫৮) স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর কিছু অভ্যাস, ১৫৯) ভুঁড়ি ঠেকাতে ৫টি নিয়ম, ১৬০) যেসব কারণে নারীদের স্বাবলম্বী হওয়া উচতি , ১৬১) বিয়ে-সংসার, ১৬২) সফল বিয়ের তিনটি মন্ত্র, ১৬৩) সুখী হবার দারুণ কিছু মূলমন্ত্র, ১৬৪) কিছু গল্প, ১৬৫) ভালোবাসাহীন সম্পর্ক, ১৬৬) কেন স্পর্শের প্রয়োজন হয় প্রতিদিন, ১৬৭) যে কারণে একা থাকাই আপনার জন্য ভালো, ১৬৮) ব্যবসা, ১৬৯) বিক্রয় বৃদ্ধির কৌশল, ১৭০) যে ৭টা ব্যাপার বিজনেসে করবেন না, ১৭১) স্বাস্থ্য, ১৭২) দুগ্ধজাত খাবারে পুরুষের বন্ধ্যত্ব, ১৭৩) একাকিত্বের বিপদ, ১৭৪) কর্মক্ষম ও প্রফুল্ল রাখতে, ১৭৫) মন ভালো করার উপায়, ১৭৬) যৌন স্বাস্থ্য, ১৭৭) পুরুষদের কেজেল, ১৭৮) মহিলাদের কেজেল, ১৭৯) দক্ষতা , ১৮০) আলসেমি দূর করার সহজ কিছু উপায়, ১৮১) কীভাবে সামলাবেন নিন্দুকদের ?, ১৮২) সুখী হতে চাইলে যা কখনোই করবেন না, ১৮৩) সব ভুলে যাচ্ছেন? স্মৃতিশক্তি চাঙ্গা রাখতে ৫টি টিপস, ১৮৪) বয়সের ভারে বৃদ্ধ না হয়ে বরং কাজের ভারে যুবক থাকার চেষ্টা করো, ১৮৫) নিজেকে কাজের সঙ্গে সম্পক্ত করার তিনটে স্টেপ, ১৮৬) জীবনের লক্ষ্য নির্ধারণে দ্রুত পদ্ধতিগুলো, ১৮৭) প্রতিদান পাওয়ার আশায় কাজ করবেন না, ১৮৮) প্রেম একটি মানসিক রোগ, ১৮৯) সম্পর্ক ভেঙ্গে যাবার পর নিজেকে যেভাবে সামলাবে, ১৯০) সময় সবকিছু বদলে দেয়, ১৯১) সম্পর্ক তৈরির ক্ষেত্রে কমন পাঁচটি ভুল, ১৯২) আত্মবিশ্বাস/মনোবল, ১৯৩) প্যারাসুট অফ হ্যাপিনেস, ১৯৪) বারবার ঘুরে দাঁড়াতে হবে, ১৯৫) আত্মবিশ্বাসহীন মানুষের লক্ষণ, ১৯৬) বাড়াও আত্মবিশ্বাস, বাড়বে সফলতা, ১৯৭) প্রাতিষ্ঠানিক সম্পর্ক শক্তিশালী করার টিপস, ১৯৮) কিভাবে ধরে রাখবে দু'জনের সম্পর্ক, ১৯৯) কিভাবে বুঝবে সম্পর্ক শেষ করতে হবে, ২০০) সম্পর্ক যখন প্রেম-ভালোবাসার, ২০১) যেসব বিষয়ের উপর স¤পর্ক গড়ে ওঠে, ২০২) ভালোবাসার অপর নাম প্রয়োজন, ২০৩) সম্পর্কের গুণগত মান বাড়বে কিভাবে, ২০৪) মস্তিস্ক ঠিক রাখার ৩০ উপায়, ২০৫) মানুষের আচরণের পেছনে একটা কারণ থাকে, ২০৬) কোনো কাজে নিজেকে সম্পক্ত না করেই আমরা নিজ ক্যারিয়ারকে এগিয়ে নিয়ে যাই ২০৭) স্রোতের বিপরীতে চিন্তা করুন, ২০৮) আপনার টাইমজোনে সময় আসবেই, ২০৯) চাইল্ডহুড অ্যামনেসিয়া এবং আমাদের শিক্ষণীয়,