কাজ
ডায়লগ: কর্মপ্রেরণা জীবনের চালিকাশক্তি। সাফল্যের অদম্য আকাক্সক্ষা থেকেই কর্মপ্রেরণার জন্ম। সাফল্য ছাড়া জীবন উপভোগ্য হয় না, মনে উত্তেজনা থাকে না। জীবনটাকে একটা অসম চাকার গাড়ি বলে মনে হয়- যা কেবল ধাক্কা খেতে খেতে চলে।
ক্ষিপ্রতা ও তাড়াহুড়ো কিন্তু এক নয়। ক্ষিপ্রতার অর্থ চটপট কাজ করা আর তাড়াহুড়োর অর্থ শুরুরদিকে ঠিকঠাক মতো কাজ না করে, শেষ মুহূর্তে অসংলগ্নতা আড়াল করার চেষ্টা। চটজলদি কাজ করা দক্ষতার নিদর্শন। যিনি চটপট কাজ করতে পারেন, তিনি সকলের পছন্দনীয় ও আস্থাভাজন হন।
ছন্দ:
আজ করতে পারো যা,
কালকের তরে রেখো না তা।
সময়ের এক ফোঁড়,
অসময়ের দশ ফোঁড়।
কাজের নামে নাই কাজি,
অকাজে সবাই রাজি।
পীরের বাড়িতে কুঁড়ের বাসা।
কামের ভয়ে ফকিরনি সাজা।
বসে খেলে কুলোয় না,
করে খেলে ফুরোয় না।
করে যদি তাড়াতাড়ি,
ভুলের হবে বাড়াবাড়ি।
বিস্তারিত: কথায় বলেÑ অলস ও কর্মবিমূখ জীবন সর্বদাই পতন মুখী। কর্মহীন জীবন হতাশার কাফনে জড়ানো একটা জীবন্ত লাশ ছাড়া আর কিছুই নয়। সমাজ ও রাষ্ট্রে যে যতটা বড় স্থান ও খ্যাতি দখল করেছেন, বিত্তশালী হয়েছেনÑ তাদের জীবনটাকে জানার চেষ্টা করলে দেখা যাবেÑ তারা কর্মের বিনিময় ছাড়া আর কিছুই পাননি। জর্জ ইলিয়ট বলেছেনÑ আমরা আমাদের কর্মকে যতটা নির্ধারণ করি, আমাদের কর্মও ঠিক ততটাই আমাদের নির্ধারণ করে থাকে। প্রতিভাসম্পন্ন সকল লোকের মধ্যে যে সব গুণ থাকে, তৎমধ্যে প্রধান গুণটি হল যে, কোনো একটি কাজ বা চিন্তায় সমস্ত মন-প্রাণ ঢেলে দিয়ে নিবিষ্ট মনে কাজ করার এই ক্ষমতা এদের সকলের মধ্যে দেখা যায়।
পৃথিবীর আর সবকিছু ভুলে গিয়ে নিজের কাজে এই তন্ময় হবার বা মনোযোগ দেওয়ার ক্ষমতা আছে বলে এদের পক্ষে বিরাট কর্মের আবিষ্কার সম্ভব হয়। এডিসনের ভাষায়Ñ প্রতিভা হলো এক ভাগ প্রেরণা, আর নিরানব্বই ভাগ কঠিন পরিশ্রমের নাম। ভলটেয়ার বলেছেনÑ প্রতিভা বলতে কিছু নেই। পরিশ্রম ও সাধনা করে যাও। তাহলে প্রতিভাকে অগ্রাহ্য করতে পারবে।
নিউটন বলেছেনÑ আমার আবিষ্কারের কারণ আমার প্রতিভা নয়, বহু বছরের চিন্তাশীলতা ও কঠোর পরিশ্রমের ফল। বালটোনের ভাষায়Ñ আমাকে লোকে প্রতিভাবান বলে, কিন্তু আমি পরিশ্রম ছাড়া আর কিছুই জানি না। কাজেই, সিদ্ধান্ত এই- প্রতিভার অপর নাম হলো পরিশ্রম। আলস্য হলো যাবতীয় ব্যর্থতার মূল। এটি একটি বদ অভ্যাস।
আবার যারা কর্মচঞ্চল, তারা কাজ ছাড়া বসে থাকতে পারেন না। যদি সে আলস্যের শিকার হন- তাহলে বুঝতে হবে যে, তার আলস্য এসেছে শারীরিক বা মানসিক কোনো গণ্ডগোল থেকে। দীর্ঘদিন বা দীর্ঘ সময় ধরে অতিরিক্ত কাজ করার ফলে এক ধরণের অবসাদ ও আলস্য আসতে পারে। এর থেকে বাঁচার উপায় হলোÑ কাজের মাঝে বিশ্রাম নেবার কৌশল রপ্ত করা।
কাজ না করার ফলে যাদের ঝিমুনি রোগ সৃষ্টি হয়েছে, তাদের অনিচ্ছা সত্ত্বেও কাজ করে যেতে হবে, দেখবেন একদিন এমনই কাজের নেশা হয়ে যাবে যে, কাজ না করে সে আর সুস্থ থাকতে পারবে না। ব্যাপারটা স্টার্ট না নেয়া গাড়ির মতো, তাকে ঠেলে দিয়ে বহু কষ্টে স্টার্ট দিতে হয়, কিন্তু গাড়ির ইঞ্জিন একবার স্টার্ট দিতে পারলে আর ঠেলতে হয় না।
এক লোক ঘুরতে ঘুরতে এক গাছের নিচে বসল। সে একটি কাক দেখলো যার দুটি ডানাই কাটা ছিলো। কাকটির এই অবস্থা দেখে সে ভীষণ দুঃখ পেয়ে মনে মনে ভাবলো, এটা নিশ্চয়ই কোনো দুষ্ট ছেলের কাজ। সে ভাবলো, এই কাকটি এখন উড়বে কিভাবে? আর যদি সে তার খাবারই সংগ্রহ না করতে পারে তবে সে বাঁচবে কিভাবে? এসব যখন সে ভাবছিলো, তার কিছুক্ষণ পর সে দেখলো সেখানে এক ঈগল উড়ে এলো যার ঠোঁটে ছিলো কিছু খাবার। খাবারগুলো সে কাকের সামনে ফেললো এবং সেখান থেকে উড়ে চলে গেল। এই দৃশ্য দেখে সে অত্যন্ত অবাক হয়ে গেল। সে ভাবলো যে, যদি এভাবেই স্রষ্টা তার সৃষ্টিকে বাঁচিয়ে রাখেন, তবে আমার এত কষ্ট করে কাজ করার দরকার কি?
আমি আজ থেকে কোনো কাজ করবো না, তিনিই আমাকে খাওয়াবেন। সে কাজ করা বন্ধই করে দিলো। কিন্তু দুই তিনদিন পার হয়ে গেলেও সে কোনোখান থেকে কোনো সাহায্য পেল না। এর কারণ জানতে সে একজন জ্ঞানী লোকের কাছে গেল। তিনি তাকে বললেন, তুমি দুটি পাখি দেখেছিলে। একটা সেই আহত কাক, আরেকটা সেই ঈগল। তুমি কেন সেই কাকটিই হতে চাইলে? কেন তুমি সেই ঈগলটির মত হতে চাইলে না, যে নিজের খাবার তো যোগাড় করেই, সাথে যারা না খেয়ে আছে তাদের মুখে খাবার তুলে দেয়?
গল্পের এই লোকটির মতই আমাদের চারপাশে অনেকেই আছেন, যারা অন্যের উপর নির্ভরশীলহয়ে বেঁচে থাকতে চায়। তারা ভুলে যায় যে নিজেকে সাহায্য করে না, স্রষ্টা তাকে সাহায্য করেন না। দুটো কাজের মধ্যে সহজ কাজটি করার জন্যে তারা নিজেরা একটা অজুহাত বানিয়ে ফেলতে ভীষণ এক্সপার্ট। যখন আমরা নিজেরা নিজেদের বেঁচে থাকার জন্য প্রয়োজনীয় সব কিছু নিশ্চিত করতে পারবো, ঠিক সেই মুহূর্তটি থেকেই নিজেদের ঈগলটির মত ভাবতে হবে। অন্যকে বেঁচে থাকার জন্যে সাহায্য করতে হবে।
টিকা: সক্রেটিস পাগলদের ২টি ভাগে ভাগ করেছিলেন। প্রথমটি স¤পূর্ণভাবে জৈবগত সমস্যা আর দ্বিতীয়টি মূলত সামাজিক রীতিনীতি বিবর্জিত আচরণের পর্যায়ভুক্ত।
সক্রেটিস দ্বিতীয় ভাগটিতে শিল্পী, প্রেমিক, ধর্মান্ধ, ভাববাদী অথবা নবীদের অন্তর্ভুক্ত করেছিলেন। পরবর্তীতে প্লেটো বললেন,দ্বিতীয় ভাগটির উন্মাদনা যতক্ষণ পর্যন্ত না ধ্বংসাত্মকহিসেবে বিবেচিত হয়, তার আগপর্যন্ত এটি বরং সামাজিক ক্ষমতা বৃদ্ধিতেই সাহায্য করে। অর্থাৎ মানব সভ্যতা বিকাশে এই পাগলদের ভূমিকাই মূখ্য। সুতরাং মূল সূত্র হল: পাগলামীর মিশ্রণ ছাড়া কোন প্রতিভার জন্ম হয় না।
জটিল কাজ
যে কাজ একজন লোক করতে গিয়ে মহাঝামেলা বাধিয়ে ফেলে, আবার সে কাজটি আরেকজন গাল-গল্প করতে করতে অনায়াসে করে ফেলে। একজন লোকের কাছে উপন্যাস লেখাটা যত সহজ কাজ, তেমনি একজন মেকানিক্সের কাছে রেডিও-টিভির যান্ত্রিক গোলযোগ সারাইয়ের কাজ তত কঠিন নয়। যদিও প্রতিটি মানুষের সকল কাজের কম-বেশি যোগ্যতা থাকে, তবুও একজন মানুষের এক একটি কাজের বিশেষ যোগ্যতা থাকে। যে বিষয়ে বা কাজে তার ঐ যোগ্যতাটি নেই, সে কাজটি তার কাছে জটিল ও সমস্যাবহুল।
মোট কথা হলো: কোনো কাজ কঠিন নয়, ঐ কাজের জন্য যে দক্ষতা, কৌশল প্রয়োজনÑ তা না থাকলেই কঠিন বা জটিল হয়ে দাঁড়ায়। কাজ করার পদ্ধতি আয়ত্ব করতে পারলে কোনো কাজই কঠিন নয়।
আবেগজনিত কাজ
মানুষ মাত্রই আবেগপ্রবণ। আর অত্যাধিক আবেগপ্রবণতার কারণে মানুষ প্রায়শই মারাত্মক ভুল করে বসে। কাজেই আবেগকে নিয়ন্ত্রণ রেখে দায়িত্ব পালন করে যেতে হবে। আবেগকে যারা প্রশ্রয় দেবে, তারা আবেগের সর্বনাশা উত্থান-পতনের পাঁকে পড়বে। আবেগ নয়, বিবেক দ্বারা সিদ্ধান্ত নিন। কারণ, আবেগ আসে মন থেকে, আর বিবেক-বিবেচনা আসে মগজ থেকে। তাই আবেগকে সংযত করতে শিখুন।
আত্মঘাতি কাজ
কাজ করতে করতে সহসা কোনো জেদের বশে কাজটি নষ্ট করা আত্মঘাতি কাজ। কোনো ছোট কথায় আহত হয়ে নিজের মহান দায়িত্ব ও কর্তব্য থেকে সরে দাঁড়ানো আত্মঘাতি কাজ। ভুল বুঝাবুঝির ফলে ভালো কোনো কাজ পণ্ড করে ফেলাটাও আত্মঘাতি কাজ। আত্মঘাতি কাজ কেবল আমাদের নিজের মনের শান্তিকেই নষ্ট করে না বরং তা আত্ম-উন্নতির পথেও অন্তরায় হয়ে দাঁড়ায়। কাজেই সব ধরণের আত্মঘাতি কাজ থেকে আমাদের বিরত থাকতে হবে। ব্যাপারটা হলোÑ মোটরগাড়ি বা যাত্রীর মতো। মোটরগাড়ি যাত্রীকে টেনে তার লক্ষ্যে পৌঁছে দেয়, কিন্তু বিকল মোটরকে টানতে হয় যাত্রীকে।
একঘেঁয়ে কাজ
প্রতিদিন একই জায়গায় একই কাজ করতে গিয়ে যারা হাঁপিয়ে উঠেন, তারা পরিবর্তন চান। তারা সুখীও নয়, সফলও নয়। কাজের একঘেঁয়েমি থেকে মুক্ত হওয়ার একমাত্র উপায় হলো নিজের দক্ষতা বৃদ্ধি করা। এ দক্ষতা বৃদ্ধি যে কোনো জিনিস ও কাজ সম্পর্কে নতুন করে ভাবনার শিক্ষা দেয়।
অনুভূতিকে করে প্রশস্ত, দৃষ্টিকে করে তীক্ষè এবং চারদিকে কি ঘটছে তা সঠিকভাবে ভাবতে সাহায্য করে। একই পুরাতন জিনিস বা কাজ, বিচিত্রভাবে আগ্রহ উদ্দীপক হতে পারে। মস্তিষ্ককে চালনা করতে পারলে জীবন বিচিত্র স্বাদে পূর্ণ হয়ে উঠবে।
লক্ষ্য স্থির করা
লক্ষ্যহীন যাত্রা পথিককে শুধু ক্লান্ত করে কিন্তু পথের দূরত্ব কমায় না। লক্ষ্যহীন এলোমেলোভাবে জীবন কাটালে সফলতা আসবে না কিছুতেই। পরিকল্পিত উদ্দেশ্যময় প্রচেষ্টা থাকতে হবে। যে মানুষ লক্ষ্যে পৌঁছাতে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ, সে সব সময় মূল লক্ষ্যকে মনে গেথে রাখেন।
চূড়ান্ত লক্ষ্যে পৌঁছাতে সাময়িক অনেক কিছু ত্যাগ করতে পারেন। অধিকাংশ লোকেরই দেখা যায় জীবনে কোনো উদ্দেশ্য থাকে না। ঠিক কি করতে চেয়েছিলেন, কি হতে চেয়েছিলেন, তা নিয়ে তাদের ভাবনা, তাদের নিজের কাছে ধোঁয়ার মতো, অবয়বহীন। অনেককেই বলতে শোনা যায়Ñ ইচ্ছে ছিলো ডাক্তার হবার কিন্তু কপাল-। যারা এই কপালের উপর দায়-দায়িত্ব চাপিয়ে হাত গুটিয়ে বসে থাকেন। তাদের অবস্থা কখনো ভালোর দিকে যায় না।
যোগাযোগের অভাব, অর্থকষ্ট, হঠাৎ দুর্যোগ বা দুর্ঘটনা অনেকের জীবনের গতি রুদ্ধ করে দিতে পারে। জীবনের ধারা বইয়ে দিতে পারে অন্য খাতে। তা সত্ত্বেও একটা উদ্দেশ্য ঠিক রেখে মনের জোরে ক্রমাগত এগিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলে সকল কঠিন বাধা বা সমস্যাই শেষ পর্যন্ত আর টিকে না।
আপনার যা করণীয়: একটা কাগজে আপনার উদ্দেশ্য লিখুন, তারপর লিখুন আপনার উদ্দেশ্যে পৌঁছতে হলে বা সেটি পেতে হলে আপনার কি কি করা প্রয়োজন? যেমনÑ কি যোগ্যতা প্রয়োজন, অর্থের প্রয়োজন হলে সে অর্থ কোথা থেকে আসবে, কতটা সময় দিতে হবে ইত্যাদি। তারপর ধীরে ধীরে অগ্রসর হোন। প্রতি বছর একটি আম গাছে যত আম হয়, তাতে একটা বড় মাপের আম বন তৈরি হতে পারে। কিন্তু বাস্তবে হয়তো একটি বা দুটি গাছ সৃষ্টি হয়। কারণ বেশিরভাগ ফল আমরা খেয়ে নিই আর আমাদের ইচ্ছা ও প্রয়োজন হলে মাত্র কয়েকটা বীজ বেড়ে ওঠার সুযোগ পাায়। নতুন পরিকল্পনাও অনেকটা সেরকম; মাত্র গুটিকয়েক ফল পাওয়া যায়।
সূচিপত্র
১) ছোটদের সাথে আমাদের আচরণ ২) পরিবার ও সন্তান, সুপার পাওয়ার যেভাবে তৈরি হয়, ৩) দীর্ঘস্থায়ী ভয়ের উৎপত্তির মূলে শৈশবকালে ঘটে যাওয়া ঘটনার প্রভাব , ৪) সন্তানের উৎসাহ এবং উদ্দীপনা বাড়ানো, ৫) আপনার শিশুটি ঘুমুক শান্তিতে এবং নির্ভরতায় , ৬) কিছু অব্যর্থ টিপস, যা আপনার শিশুকে পড়াশোনায় আগ্রহী করে তুলবে, ৭) শিশুকে কিভাবে বড় করবেন, ৮) বাচ্চাদের মস্তিষ্ক বিকাশে কী করবেন? ৯) বাচ্চাদের বুদ্ধি বিকাশের অন্যতম পথ, দৌড়, ১০) বাচ্চাকে কখনো আড়ালে লুকিয়ে খেতে দেবেন না, ১১) পিটার সিংগারের দর্শন, ১২) দুষ্টু শিশুরা তাড়াতাড়ি শেখে, ১৩) সন্তানকে যতই শাস্তি দেবেন ততই সে অসামাজিক হবে, ১৪) বাবা-মাই সন্তানকে নির্যাতন করেন সবচেয়ে বেশি , ১৫) সন্তানের সাথে কিভাবে গড়ে তুলবেন নিবিড় বন্ধন, ১৬) যে ১১টি কথা শিশুকে কখনোই বলবেন না!, ১৭) শিশুকে গল্প শোনান প্রতিদিন, ১৮) সন্তানের আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধির ১০টি কৌশল, ১৯) সৃজনশীলতা হচ্ছে নতুন কিছু করার যোগ্যতা, ২০) যারা মুখস্থ করতে পারেন না, ২১) তারা মেধাবী, মেধাবী হওয়ার উপায়,
২২) কথা ও ভাষা, ২৩) এলিভেটর পিচ, ২৪) সুন্দর করে কথা বলে সমস্যা জয়ের কৌশল, ২৫) ফোনে কথা বলার আদবকেতা, ২৬) ১২টি কর্ম বিধান, ২৭) ভালোবাসার অপর নাম প্রয়োজন, ২৮) আলতু-ফালতু কাজে সময় অপচয় করে স্বপ্ন পূরণের কল্পনা, ২৯) স্ট্রেস ম্যানেজমেন্ট, ৩০) চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিন পিং-এর জীবন থেকে শিক্ষা, ৩১) অভিজ্ঞতা ও অতীত থেকে শিক্ষা গ্রহণ, ৩২) বর্তমানকে সবচেয়ে বেশি মূল্য দিন, ৩৩) ২৪ ঘণ্টা কেউ সুখী হয় না, ৩৪) কিছু অভ্যাস যা আপনাকে আরও সুখী করবে , ৩৫) আপনার অবয়ব , ৩৬) সফলতার 25টি হট কৌশল-1, ৩৭) সাফল্যের 25টি হট কৌশল-2, ৩৮) সফলতার 55 সূত্র, ৩৯) কিভাবে নিজেকে নেতা হিসেবে গড়ে তুলবে, ৪০) সময় ব্যবস্থাপনা, ৪১) সময় ব্যবস্থাপনার তিনটি ধাপ, ৪২) সময়কে যথাযথভাবে কাজে লাগানোর উপায়গুলো, ৪৩) সাফল্য, ড. কোভের ইমোশনাল একাউন্ট কনসেপ্ট, ৪৪) সবচে বড় ইমোশনাল একাউন্ট, ৪৫) আপনার ইমোশনাল একাউন্ট, ৪৬) বুদ্ধি ও বিবেচনাবোধ বর্জিত কর্মফল বিপজ্জনক, ৪৭) অন্যদের দিয়ে আপনার কাজ করান কিন্তু সম্মান আপনি অর্জন করুন, ৪৮) অন্য লোকেরা আপনার কাছে আসুক দরকার হলে টোপ দিন, ৪৯) অসুখী এবং ভাগ্যহীনদের বর্জন করুন, ৫০) লোককে আপনার ওপর নির্ভরশীল করুন , ৫১) নেওয়ার পূর্বে দেওয়া অন্য বক্তির স্বার্থ বুঝুন, ৫২) শত্রুকে খাটো করে দেখবেন না, ৫৩) নিজেকে রক্ষা করার জন্য চারিদিকে দুর্গ নির্মাণ করবেন না, ৫৪) কারোর পক্ষ অবলম্বন করে বসে থাকবেন না, ৫৫) আপনার শক্তিসমূহকে সংহত করুন, ৫৫) নিজের ভুলগুলোকে লুকিয়ে রাখুন, ৫৬) শুধু সাহসের জোরে নয়, পরিণতিও বিবেচনায় রাখুন, ৫৭) প্রতিটি মানুষের গোপন ইচ্ছা খুঁজে বের করুন, ৫৮) রাগ বিপজ্জনক ও অভদ্রতা, ৫৯) কোনো দলকে ধরার জন্য দলপতিকে প্রথমে ধরুন, ৬০) নিজেকে গুরুত্বপূর্ণ মনে করুন, গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবেন, ৬০) পরিবেশ সামলাতে শিখুন, ৬১) প্রথম শ্রেণির মানুষ হয়ে উঠুন, ৬২) আপনার সামাজিক পরিবেশ ‘প্রথম শ্রেণি’র করে তোলার উপায়, ৬৩) ‘সস্তার তিন অবস্থা’ প্রধম শ্রেণিভুক্ত হয়ে উঠুন , ৬৪) যত বেশি বন্ধুত্ব তত বেশি উপরে ওঠার সম্ভাবনা, ৬৫) সাহস করে কাজটা শুরু করুন, ৬৬) সাফল্য মানে বারবার ভিন্নভাবে চেষ্টা করা, ৬৭) ১- ১০ ভাল অভ্যাস, ১১- ২০ ভাল অভ্যাস, ২১- ৩০ ভাল অভ্যাস, ৩১- ৪০ ভাল অভ্যাস, ৪১- ৫০ ভাল অভ্যাস, ৫১- ৬০ ভাল অভ্যাস, ৬১- ৭০ ভাল অভ্যাস, ৭১- ৮০ ভাল অভ্যাস, ৮১- ৯০ ভাল অভ্যাস, ৯১- ১০২ ভাল অভ্যাস, ৬৮) জিরো থেকে হিরো, ৬৯) সৃজনশীলদের সফলতার ৭ সূত্র, ৬৯) জীবনে পরিবর্তন আনুন ৪৮টি উপায়ে, ৭০) জীবন-যাপন, ৭১) জাপানী ও চিন লাইফ স্টাইল , ৭২) ৩০টি দর্শন, যা আপনার জীবনে কাজে লাগবে, ৭৩) সম্পর্ক তৈরি করা, বন্ধুত্ব, ৭৪) যে আচরণগুলো মানুষের মনের কথা জানাবে, ৭৫) কথা বলার সূত্র, ৭৬) আপনি ও আপনার ব্যবহার, ৭৭) নিজেকে সঠিকভাবে উপস্থাপন করা, ৭৮) কথা বলার কতিপয় গুরুত্বপূর্ণ নিয়ম, ৭৯) কিভাবে নিজেকে বিনয়ী হিসেবে উপস্থাপন করবেন, ৮০) কিভাবে বুদ্ধিদীপ্ত কথা বলবেন, ৮১) কথা বলার ৫টি বিস্ময়কর টেকনিক, ৮২) কিভাবে মানুষকে আকৃষ্ট করবেন? ৮৩) অকারণে সময় নষ্ট? মেল রবিনের ৫ সেকেন্ড রুল, ৮৪) কর্পোরেট আদবকেতা, ৮৫) ৩৫টি কর্পোরেট কালচার ও আপনার করণীয়, ৮৬) যা না জানলে লজ্জায় পড়তে হয় , ৮৭) কাজের সময়ে যে বিষয়গুলো একেবারেই করা উচিৎ না , ৮৮) ক্যারিয়ারে সাফল্য পেতে ছুড়ে ফেলুন ৭টি দোষ, ৮৯) আকাক্সক্ষা, ইচ্ছে বা স্বপ্ন,
৯০) বক্তৃতা প্রশিক্ষণ, কাজ কিভাবে করবেন? ৯১) আত্মশক্তিতে বলিয়ান হতে, ৯২) একনাগাড়ে চলবেন না, ৯৩) মারফিস ’ল , কাজের রোডম্যাপ তেরি , ৯৪) জব স্যাটিসফেকশন, ৯৫) কাজে সফলতার সূত্রাবলী, ৯৬) যেভাবে জীবনযাপন করবেন, ৯৭) পরিণত বুদ্ধির মানুষেরা যে কাজগুলো কখনোই করেন না, ৯৮) জীবনে দক্ষতা অর্জনের কার্যকর ১২টি উপায়, ৯৯) সঠিক লক্ষ্য নির্ধারণ ও কাজ করার উপায় , ১০০) সফলতা ও সার্থকতা, ১০১) জীবনের ছোট ছোট প্রাপ্তিগুলোকে উপভোগ করা, ১০২) সফলতার কিছু পদ্ধতি, ১০৩) সফল হতে চাইলে যে ৮ টি জিনিস বাদ দেয়া প্রয়োজন, ১০৪) সফল ব্যক্তিরা যে ১০টি কাজ কখনোই করেন না, ১০৫) সর্বদা স্মরণ রাখুন, ১০৬) চিন্তাশক্তি , ১০৭) স্বাধীনতা, ১০৮) জ্ঞান অর্জন খাদ্য গ্রহণের মতো , ১০৯) দৃঢ় প্রতিজ্ঞ হয়ে চেষ্টা করলে কখনোই বিফল হবেন না, ১১০) বুদ্ধির সংজ্ঞা হলো, প্রতিটি কাজ ভেবে-চিন্তে করা, ১১১) ব্যক্তিত্ব, চেহারা ও ব্যক্তিত্ব , ১১২) সেলডন-এর গবেষণা , ১১৩) ব্যক্তিত্ব ও উচ্চারণ, ১১৪) পোশাক ও ব্যক্তিত্ব, ১১৫) প্রথম দেখায় ব্যক্তিত্বের ছাপ, ১১৬) বিচ্ছিন্নতা ব্যক্তিত্বের বড় শত্রু, ১১৭) ব্যক্তিত্বে জিনগত প্রভাব, ১১৮) অন্তর্মুখী ও বহির্মুখী ব্যক্তিত্ব, ১১৯) মনোমুগ্ধকর ব্যক্তিত্বের ১০ বৈশিষ্ট্য, ১২০) ব্যক্তিত্বের উৎকর্ষতার জন্যে ১০ নির্দেশনা, ১২১) কিভাবে ব্যক্তিত্বের বিকাশ ঘটাবেন? , ১২২) নিজেকে স্মার্ট করতে ৫টি কৌশল, ১২৩) আকর্ষণীয় মানুষ হবার ৬টি পরামর্শ, ১২৪) আত্মশুদ্ধি , ১২৫) হতাশ হবেন না, ১২৬) পাছে লোকে কিছু বলে, ১২৭) সুখ-শান্তি উন্নতি , ১২৮) চাহিদা, ১২৯) খাদ্য, ঘুম ও বিশ্রাম, ১৩০) স্বাস্থ্য ভাল রাখার নিয়ম, ১৩১) টেনশন দূর করতে হলে, ১৩২) শুধু নিজের কথা নয়, অন্যের কথাও ভাবুন, ১৩৩) চাহিদা যত বেশি সুখ তত কম, ১৩৪) সুখী জীবনের জন্য ১৮ টি টিপস, ১৩৫) আত্মবিশ্বাস, আত্ম বিশ্বাসের শক্তি, ১৩৬) অজুহাতের ব্যাধিতে আক্রান্ত ব্যর্থ মানুষ, ১৩৭) দি সেভেন হ্যাবিট অফ হাইলি এ্যা ফেক্টিভ পিপল, ১৩৮) সামাজিক আয়না, ১৩৯) প্রোএ্যাক্টিভিটি, ১৪০) সার্কেল অফ ইনফ্লুয়েন্স, ১৪১) শুরু করুন আজই, ১৪২) আপনার কেন্দ্রবিন্দু কোনটি?, ১৪৩) মাথার দুটি অংশই ব্যবহার করুন, ১৪৪) সময়ের ব্যবস্থাপনা, ১৪৫) ব্যক্তিগত ব্যবস্থাপনা, ১৪৬) গুরুত্বপূর্ণ এবং জরুরি, ১৪৭) পরনির্ভরশীল জীবন, ১৪৮) ছয়টি উপায়ে অন্য মানুষের সাথে আদান-প্রদান, ১৪৯) অধ্যয়ন, ১৫০) পড়াশোনায় ১২ কার্যকর কৌশল, ১৫১) ঘুম থেকে উঠতে ১০-৩-২-১-০ ফর্মুলা, ১৫২) আয়-ব্যয়- টাকা, ১৫৩) অন্যকে খুশি করতে পয়সা খরচ যে কারণে অর্থহীন, ১৫৪) খরচের লাগাম টেনে ধরতে.. ১৫৫) নারী, ১৫৬) সম্পর্ককে সুন্দর রাখতে কিছু “মিথ্যা” বলা জরুরী , ১৫৭) ছেলেদের কোন জিনিস দেখে মেয়েরা? , ১৫৮) স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর কিছু অভ্যাস, ১৫৯) ভুঁড়ি ঠেকাতে ৫টি নিয়ম, ১৬০) যেসব কারণে নারীদের স্বাবলম্বী হওয়া উচতি , ১৬১) বিয়ে-সংসার, ১৬২) সফল বিয়ের তিনটি মন্ত্র, ১৬৩) সুখী হবার দারুণ কিছু মূলমন্ত্র, ১৬৪) কিছু গল্প, ১৬৫) ভালোবাসাহীন সম্পর্ক, ১৬৬) কেন স্পর্শের প্রয়োজন হয় প্রতিদিন, ১৬৭) যে কারণে একা থাকাই আপনার জন্য ভালো, ১৬৮) ব্যবসা, ১৬৯) বিক্রয় বৃদ্ধির কৌশল, ১৭০) যে ৭টা ব্যাপার বিজনেসে করবেন না, ১৭১) স্বাস্থ্য, ১৭২) দুগ্ধজাত খাবারে পুরুষের বন্ধ্যত্ব, ১৭৩) একাকিত্বের বিপদ, ১৭৪) কর্মক্ষম ও প্রফুল্ল রাখতে, ১৭৫) মন ভালো করার উপায়, ১৭৬) যৌন স্বাস্থ্য, ১৭৭) পুরুষদের কেজেল, ১৭৮) মহিলাদের কেজেল, ১৭৯) দক্ষতা , ১৮০) আলসেমি দূর করার সহজ কিছু উপায়, ১৮১) কীভাবে সামলাবেন নিন্দুকদের ?, ১৮২) সুখী হতে চাইলে যা কখনোই করবেন না, ১৮৩) সব ভুলে যাচ্ছেন? স্মৃতিশক্তি চাঙ্গা রাখতে ৫টি টিপস, ১৮৪) বয়সের ভারে বৃদ্ধ না হয়ে বরং কাজের ভারে যুবক থাকার চেষ্টা করো, ১৮৫) নিজেকে কাজের সঙ্গে সম্পক্ত করার তিনটে স্টেপ, ১৮৬) জীবনের লক্ষ্য নির্ধারণে দ্রুত পদ্ধতিগুলো, ১৮৭) প্রতিদান পাওয়ার আশায় কাজ করবেন না, ১৮৮) প্রেম একটি মানসিক রোগ, ১৮৯) সম্পর্ক ভেঙ্গে যাবার পর নিজেকে যেভাবে সামলাবে, ১৯০) সময় সবকিছু বদলে দেয়, ১৯১) সম্পর্ক তৈরির ক্ষেত্রে কমন পাঁচটি ভুল, ১৯২) আত্মবিশ্বাস/মনোবল, ১৯৩) প্যারাসুট অফ হ্যাপিনেস, ১৯৪) বারবার ঘুরে দাঁড়াতে হবে, ১৯৫) আত্মবিশ্বাসহীন মানুষের লক্ষণ, ১৯৬) বাড়াও আত্মবিশ্বাস, বাড়বে সফলতা, ১৯৭) প্রাতিষ্ঠানিক সম্পর্ক শক্তিশালী করার টিপস, ১৯৮) কিভাবে ধরে রাখবে দু'জনের সম্পর্ক, ১৯৯) কিভাবে বুঝবে সম্পর্ক শেষ করতে হবে, ২০০) সম্পর্ক যখন প্রেম-ভালোবাসার, ২০১) যেসব বিষয়ের উপর স¤পর্ক গড়ে ওঠে, ২০২) ভালোবাসার অপর নাম প্রয়োজন, ২০৩) সম্পর্কের গুণগত মান বাড়বে কিভাবে, ২০৪) মস্তিস্ক ঠিক রাখার ৩০ উপায়, ২০৫) মানুষের আচরণের পেছনে একটা কারণ থাকে, ২০৬) কোনো কাজে নিজেকে সম্পক্ত না করেই আমরা নিজ ক্যারিয়ারকে এগিয়ে নিয়ে যাই ২০৭) স্রোতের বিপরীতে চিন্তা করুন, ২০৮) আপনার টাইমজোনে সময় আসবেই, ২০৯) চাইল্ডহুড অ্যামনেসিয়া এবং আমাদের শিক্ষণীয়,