আমরা কেন অলস?
▌ কাউচ পটেটো জিন-এর কারণে আমরা অলস!
শর্টকাট কে না পছন্দ করে? কোনো কাজ অল্প পরিশ্রমে হয়ে গেলে বাড়তি পরিশ্রম কে করতে চায়?
যারা নিজেদেরকে খুব কর্মঠ ভেবে থাকেন তাদের জীবনেও রয়েছে কিছু অলস মুহূর্ত। কখনও ব্যায়াম করতে আলসেমি লাগে, কখনও বা কোনো কাজ ডেডলাইনের আগেই শেষ করে ফেলতে আলসেমি লাগে। ফলে সেদিক থেকে বলা যায় যে আমরা সবাই অলস।
কিন্তু সবাই কেন অলস হয়?
আমাদের আলসেমির জন্য দায়ী আমাদের মস্তিষ্ক এবং জিন কাউচ পটেটো জিনের (ঈড়ঁপয চড়ঃধঃড় এবহব) কারণেই আমরা অলস। আমাদের মধ্যে কেউ কেউ খুব আগ্রহ নিয়ে জিম-এ যায় আর নিয়মিত ব্যায়াম করে। কিন্তু বেশিরভাগ মানুষ আলসেমি করে কুমড়োপটাশ হয়ে বাসায় বসে থাকে। কেন এমনটা হয়?
কারণটা বায়োলজিকাল।
২০১০ সালের এক গবেষণায় দেখা গেছে, শারীরিক শ্রমের মোটিভেশন নিয়ন্ত্রণ করে এমন জিনগুলি রূপান্তরের মাধ্যমে এক ধরনের অলস জিনে পরিণত হয়। গবেষকরা এই ধরণের অলস জিনের নাম দিয়েছেন কাউচ পটেটো জিন। এই কাউচ পটেটো জিনের কারণেই মানুষ অলস হয়ে থাকে।
জিনের এই রূপান্তর প্রক্রিয়ায় স্বাভাবিক জিনের ডোপামাইন রিসেপ্টরগুলি সংকুচিত হয়ে আসে বা এমনকি পুরোপুরি হারিয়ে যায়। এই ডোপামাইন রিসেপ্টরগুলিই আমাদের মোটিভেশন নিয়ন্ত্রণ করে থাকে। এই কারণে কাউচ পটেটো জিনঅলা মানুষগুলি শারীরিক শ্রমে কোনো রকম আনন্দ খুঁজে পায় না। যেখানে, তাদের স্বাভাবিক জিনে ডোপামাইন রিসেপ্টরগুলি ঠিকঠাক থাকে বলে ফিটনেস ইনস্ট্রাকটর বা খেলোয়াড়রা শারীরিক শ্রমে মোটিভেটেড থাকে।
কাউচ পটেটো জিনগুলি বংশপর¤পরায় সংক্রমিত হয়। অর্থাৎ আপনি যদি শারীরিক শ্রমে আনন্দ খুঁজে পাওয়াদের একজন না হন, আপনার সন্তানের মধ্যেও সেই প্রবণতা থাকাটা খুব স্বাভাবিক।
▌ মস্তিষ্ক শক্তি বাঁচাতে চায় বলেই আমরা অলস হই
আলসেমির ব্যাপারে আমাদের আরেক বায়োলজিকাল সীমাবদ্ধতা হলো, আমাদের মস্তিষ্কের কার্যপদ্ধতি। আমাদের মস্তিষ্ক বেশিরভাগ সময় অলস সময় কাটাতে চায়।
ওজনের দিক থেকে, মানবদেহের মোট ওজনের মাত্র ২% ভাগ হল মস্তিষ্ক। কিন্তু অন্যান্য অঙ্গের তুলনায় আমাদের দেহের ২০% শক্তি মস্তিষ্ক একাই খরচ করে। মস্তিষ্ক চায় শারীরিকভাবে আমরা যেন ক্লান্ত হয়ে না পড়ি। এর ফলে মস্তিষ্ক প্রায় সময়ই কোনো কাজ না করে চুপচাপ বসে থাকে। এটিকে তুলনা করা চলে ফোন বা ক¤িপউটারের পাওয়ার সেভিং মোডে চলে যাওয়ার সাথে। মস্তিষ্কের, শক্তি বাঁচানোর এই স্বাভাবিক প্রক্রিয়ার কারণেই আমরা বুদ্ধিবৃত্তিক কাজে কম আগ্রহ পাই। এই কারণেই বেশির ভাগ মানুষ গাণিতিক সমস্যা বা গভীর চিন্তা করতে হয় এমন সব সমস্যার মুখোমুখি হলে বিপদে পড়ে যায়।
কিন্তু আলসেমি আসলে অস্বাস্থ্যকর মানসিকতা ও আচরণের লক্ষণ আলসেমির অন্য নাম প্রোক্রেস্টিনেশন। যে কাজ এখনই সেরে ফেলার কথা, আলসেমি করে আমরা তা ফেলে রাখি। আর এর ক্ষতিও গুণতে হয় আমাদেরকেই। কিন্তু বায়োলজিকাল সীমাবদ্ধতাগুলিই এর একমাত্র কারণ নয়। সঠিক মানসিকতা আর অভ্যাসের অভাবেই এমনটা হয়ে থাকে।
কখনও কখনও আমরা হেরে যাওয়ার ভয়ে আক্রান্ত হই। ফলে আমরা ভাবি, তার চেয়ে বরং কিছু না করাই ভালো। কখনও আমরা কোনো কাজের জটিলতা ও দুর্বোধ্যতায় খেই হারিয়ে ফেলি। কখনও আমরা মনোযোগ হারিয়ে ফেলি। কখনও আমরা নির্দিষ্ট কোনো লক্ষ্য ঠিক না করেই মাঠে নেমে যাই এবং মোটিভেশন খুঁজে পাই না। এগুলি আমাদের সবার ক্ষেত্রেই ঘটে।
▌ আলসেমি আপনাকে দায়িত্বহীন করে তোলে
আত্মন্নয়ন আর সাফল্যের পথে শক্ত এক বাধা এই আলসেমি। আলসেমি আসলে একটা অজুহাত। এই অজুহাত দিয়ে আপনি দায়িত্ব থেকে পালিয়ে বেড়ান এবং স্বপ্ন ভুলে থাকেন। আলসেমির ফলে ক্ষণিকের জন্য নিজেকে খুব স্বাধীন আর সুখী মনে হয়। কিন্তু দিনশেষে বেঁচে থাকার জন্য দরকারি জাগতিক সমস্ত আয়োজন আপনাকেই করতে হবে। দিনশেষে বিলগুলি আপনাকেই পরিশোধ করতে হবে। এই কারণে আলসেমি দূর করতে মাঠে নেমে পড়তে হবে আজই।
▌ নিচে খুব সহজে আলসেমি দূর করার সহজ কিছু উপায় দেয়া হলো:
সবকিছুই আগে থেকে প্ল্যান করে রাখুন যেহেতু আপনার অলস মস্তিষ্ক চিন্তা করতে চায় না আমাদের মস্তিষ্ক যে স্বভাবতই অলস, তা পাল্টানোর ক্ষমতা আমাদের নেই। ফলে আমরা যা করতে পারি তা হলো সবকিছু আগে থেকে প্ল্যান করে রাখা।
কিন্তু কীভাবে? টু-ডু লিস্ট বা কাজের তালিকা? বেশিরভাগ মানুষই তা করে। কিন্তু লিস্ট খুব একটা কাজের জিনিস না।
যা করতে হবে তা হচ্ছে, প্রত্যেক কাজের জন্য ¯পষ্ট করে সময়সীমা ঠিক করে নেয়া। এর ফলে প্রোক্রেস্টিনেশন না করে আপনি সেই কাজটি ওই নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যেই শেষ করার চেষ্টা করবেন।
যেমন, আপনাকে প্রতি সপ্তাহে বাজার করতে হয়। এই কাজের একটা সময় নির্দিষ্ট করে দিন। যেমন, শনিবার, দুপুর ১টা-বিকেল ৩টা। ফলে প্রতি সপ্তাহে এই নির্দিষ্ট সময়সীমাটি আপনি বাজার করার জন্য বরাদ্দ করলেন।
অবসর সময়ে কী করবেন সেটাও ঠিক করে রাখতে পারেন।
এক কথায়, সময়গুলি আগে থেকেই প্ল্যান করা থাকলে ঠিক ওই সময়টিতে আপনাকে আর ভাবতে হবে না।
▪ কোনো কাজে নামার আগে লক্ষ্য ঠিক করুন
কোনো কাজ ঠিকঠাক শেষ করতে না পারার অন্যতম কারণ লক্ষ্য ঠিক না করা।
এডুইন লকড প্রস্তাবিত ‘দ্যা গোল সেটিং থিওরি অফ মোটিভেশন অনুসারে কোনো কাজ ঠিকঠাক শেষ করার সাথে সুনির্দিষ্ট লক্ষ্য ঠিক করা সরাসরি স¤পর্কিত। তার মতে, সুনির্দিষ্ট, ¯পষ্ট, বাস্তবসম্মত এবং চ্যালেঞ্জিং লক্ষ্য ঠিক করাটা খুব জরুরি। ¯পষ্ট ও সুনির্দিষ্ট হলে সেই লক্ষ্য অর্জনে এগোনো সহজ হয়। আর লক্ষ্যটা চ্যালেঞ্জিং হলে আমরা তা অর্জনের মোটিভেশন খুঁজে পাই।
যেমন, “আমি একটি বই লিখতে চাই” ¯পষ্ট লক্ষ্য নয়। তারচেয়ে ¯পষ্টতর লক্ষ্য হবে যদি বলা হয়— “আমি আগামী এক বছরের মধ্যে ১,০০,০০০ শব্দের একটি উপন্যাস লিখতে চাই।” আর যদি এই লক্ষ্য খুব সহজেই অর্জন করে ফেলা যায় তাহলে আরো লিখতে পারেন বা অন্য কোনো বিষয় নিয়ে লেখা শুরু করতে পারেন। এক কথায়, নতুন নতুন চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিন নিজেকে।
▪ প্রত্যেক কাজকে ছোট ছোট অংশে ভাগ করে নিন
যখন কোনো কাজ অনেক কঠিন আর বড় মনে হয় তখন আমরা বুঝতে পারি না কীভাবে শুরু করব আর কীভাবেই বা শেষ করব। আমরা তখন কাজটাকে ফেলে রেখে দেই ডেডলাইনের একদম শেষ মুহূর্তগুলি চলে না আসা পর্যন্ত।
প্রত্যেক কাজকে চাইলেই ছোট ছোট অংশে ভাগ করে ফেলা সম্ভব। উদাহরণ হিসেবে বলা যেতে পারে কোনো আর্টিকেল লেখার কথা। পুরো কাজটিকে ছোট ছোট কয়েকটা কাজে ভাগ করে ফেলা সম্ভব। যেমন, আইডিয়ার জন্য রিসার্চ করা, আউটলাইন করা, মূল রচনাটি লিখে ফেলা, প্রুফ দেখা ও স¤পাদনা করা ইত্যাদি।
ধাপে ধাপে ছোট ছোট কাজের মাধ্যমে এগোলে কাজটাকে আর বড় মনে হয় না। তাছাড়া, যখন ছোট ছোট অংশ শেষ হয়, আপনার ভেতরে আত্মবিশ্বাস বাড়তে থাকে। এর ফলে আপনি পরবর্তী অংশটুকু করে ফেলার ব্যাপারেও মোটিভেটেড হয়ে ওঠেন।
▪ পারফেকশনিজমের ফাঁদে পড়বেন না
পারফেকশনিজম একটা অদৃশ্য ফাঁদ। কোনো কাজ নিখুঁতভাবে করতে চাইলে প্রয়োজনের তুলনায় অনেক বেশি সময় দেয়া লাগবে। যে কাজ একদিনে করে ফেলা যেত তা শেষ করতে প্রায় সপ্তাহখানেক লেগে যাবে।
পারফেকশন কে না চায়। তাতে কোনো দোষ নেই। কিন্তু তা অর্জনে একটু চালাকি করতে হবে নিজের সাথে।
আগে কাজটা শেষ করে ফেলুন। তারপর ছোটখাট ভুলভ্রান্তি ঠিক করার মাধ্যমে পারফেকশন আনুন। পুরো কাজটা শেষ হলে আপনি স¤পন্ন কাজটির স¤পূর্ণ একটি ধারণা পাবেন। ফলে তখন পারফেকশনের জন্য ফাইনটিউন করা সহজ হবে। কিন্তু শুরু থেকেই খুঁটিনাটি ভুলভ্রান্তি নিয়ে অতিরিক্ত সময় ব্যয় করবেন না।
কোনো কাজে বেশি সময় ব্যয় করলেই যে সেই কাজটি সবসময় ভাল হবে এমন কোনো কথা নেই।
ফলে আলেসেমি দূর করার জন্য পারফেকশনের কথা আপাতত সরিয়ে রেখে আগে কাজটা শেষ করার অভ্যাস গড়ে তুলুন।
সূচিপত্র
১) ছোটদের সাথে আমাদের আচরণ ২) পরিবার ও সন্তান, সুপার পাওয়ার যেভাবে তৈরি হয়, ৩) দীর্ঘস্থায়ী ভয়ের উৎপত্তির মূলে শৈশবকালে ঘটে যাওয়া ঘটনার প্রভাব , ৪) সন্তানের উৎসাহ এবং উদ্দীপনা বাড়ানো, ৫) আপনার শিশুটি ঘুমুক শান্তিতে এবং নির্ভরতায় , ৬) কিছু অব্যর্থ টিপস, যা আপনার শিশুকে পড়াশোনায় আগ্রহী করে তুলবে, ৭) শিশুকে কিভাবে বড় করবেন, ৮) বাচ্চাদের মস্তিষ্ক বিকাশে কী করবেন? ৯) বাচ্চাদের বুদ্ধি বিকাশের অন্যতম পথ, দৌড়, ১০) বাচ্চাকে কখনো আড়ালে লুকিয়ে খেতে দেবেন না, ১১) পিটার সিংগারের দর্শন, ১২) দুষ্টু শিশুরা তাড়াতাড়ি শেখে, ১৩) সন্তানকে যতই শাস্তি দেবেন ততই সে অসামাজিক হবে, ১৪) বাবা-মাই সন্তানকে নির্যাতন করেন সবচেয়ে বেশি , ১৫) সন্তানের সাথে কিভাবে গড়ে তুলবেন নিবিড় বন্ধন, ১৬) যে ১১টি কথা শিশুকে কখনোই বলবেন না!, ১৭) শিশুকে গল্প শোনান প্রতিদিন, ১৮) সন্তানের আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধির ১০টি কৌশল, ১৯) সৃজনশীলতা হচ্ছে নতুন কিছু করার যোগ্যতা, ২০) যারা মুখস্থ করতে পারেন না, ২১) তারা মেধাবী, মেধাবী হওয়ার উপায়,
২২) কথা ও ভাষা, ২৩) এলিভেটর পিচ, ২৪) সুন্দর করে কথা বলে সমস্যা জয়ের কৌশল, ২৫) ফোনে কথা বলার আদবকেতা, ২৬) ১২টি কর্ম বিধান, ২৭) ভালোবাসার অপর নাম প্রয়োজন, ২৮) আলতু-ফালতু কাজে সময় অপচয় করে স্বপ্ন পূরণের কল্পনা, ২৯) স্ট্রেস ম্যানেজমেন্ট, ৩০) চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিন পিং-এর জীবন থেকে শিক্ষা, ৩১) অভিজ্ঞতা ও অতীত থেকে শিক্ষা গ্রহণ, ৩২) বর্তমানকে সবচেয়ে বেশি মূল্য দিন, ৩৩) ২৪ ঘণ্টা কেউ সুখী হয় না, ৩৪) কিছু অভ্যাস যা আপনাকে আরও সুখী করবে , ৩৫) আপনার অবয়ব , ৩৬) সফলতার 25টি হট কৌশল-1, ৩৭) সাফল্যের 25টি হট কৌশল-2, ৩৮) সফলতার 55 সূত্র, ৩৯) কিভাবে নিজেকে নেতা হিসেবে গড়ে তুলবে, ৪০) সময় ব্যবস্থাপনা, ৪১) সময় ব্যবস্থাপনার তিনটি ধাপ, ৪২) সময়কে যথাযথভাবে কাজে লাগানোর উপায়গুলো, ৪৩) সাফল্য, ড. কোভের ইমোশনাল একাউন্ট কনসেপ্ট, ৪৪) সবচে বড় ইমোশনাল একাউন্ট, ৪৫) আপনার ইমোশনাল একাউন্ট, ৪৬) বুদ্ধি ও বিবেচনাবোধ বর্জিত কর্মফল বিপজ্জনক, ৪৭) অন্যদের দিয়ে আপনার কাজ করান কিন্তু সম্মান আপনি অর্জন করুন, ৪৮) অন্য লোকেরা আপনার কাছে আসুক দরকার হলে টোপ দিন, ৪৯) অসুখী এবং ভাগ্যহীনদের বর্জন করুন, ৫০) লোককে আপনার ওপর নির্ভরশীল করুন , ৫১) নেওয়ার পূর্বে দেওয়া অন্য বক্তির স্বার্থ বুঝুন, ৫২) শত্রুকে খাটো করে দেখবেন না, ৫৩) নিজেকে রক্ষা করার জন্য চারিদিকে দুর্গ নির্মাণ করবেন না, ৫৪) কারোর পক্ষ অবলম্বন করে বসে থাকবেন না, ৫৫) আপনার শক্তিসমূহকে সংহত করুন, ৫৫) নিজের ভুলগুলোকে লুকিয়ে রাখুন, ৫৬) শুধু সাহসের জোরে নয়, পরিণতিও বিবেচনায় রাখুন, ৫৭) প্রতিটি মানুষের গোপন ইচ্ছা খুঁজে বের করুন, ৫৮) রাগ বিপজ্জনক ও অভদ্রতা, ৫৯) কোনো দলকে ধরার জন্য দলপতিকে প্রথমে ধরুন, ৬০) নিজেকে গুরুত্বপূর্ণ মনে করুন, গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবেন, ৬০) পরিবেশ সামলাতে শিখুন, ৬১) প্রথম শ্রেণির মানুষ হয়ে উঠুন, ৬২) আপনার সামাজিক পরিবেশ ‘প্রথম শ্রেণি’র করে তোলার উপায়, ৬৩) ‘সস্তার তিন অবস্থা’ প্রধম শ্রেণিভুক্ত হয়ে উঠুন , ৬৪) যত বেশি বন্ধুত্ব তত বেশি উপরে ওঠার সম্ভাবনা, ৬৫) সাহস করে কাজটা শুরু করুন, ৬৬) সাফল্য মানে বারবার ভিন্নভাবে চেষ্টা করা, ৬৭) ১- ১০ ভাল অভ্যাস, ১১- ২০ ভাল অভ্যাস, ২১- ৩০ ভাল অভ্যাস, ৩১- ৪০ ভাল অভ্যাস, ৪১- ৫০ ভাল অভ্যাস, ৫১- ৬০ ভাল অভ্যাস, ৬১- ৭০ ভাল অভ্যাস, ৭১- ৮০ ভাল অভ্যাস, ৮১- ৯০ ভাল অভ্যাস, ৯১- ১০২ ভাল অভ্যাস, ৬৮) জিরো থেকে হিরো, ৬৯) সৃজনশীলদের সফলতার ৭ সূত্র, ৬৯) জীবনে পরিবর্তন আনুন ৪৮টি উপায়ে, ৭০) জীবন-যাপন, ৭১) জাপানী ও চিন লাইফ স্টাইল , ৭২) ৩০টি দর্শন, যা আপনার জীবনে কাজে লাগবে, ৭৩) সম্পর্ক তৈরি করা, বন্ধুত্ব, ৭৪) যে আচরণগুলো মানুষের মনের কথা জানাবে, ৭৫) কথা বলার সূত্র, ৭৬) আপনি ও আপনার ব্যবহার, ৭৭) নিজেকে সঠিকভাবে উপস্থাপন করা, ৭৮) কথা বলার কতিপয় গুরুত্বপূর্ণ নিয়ম, ৭৯) কিভাবে নিজেকে বিনয়ী হিসেবে উপস্থাপন করবেন, ৮০) কিভাবে বুদ্ধিদীপ্ত কথা বলবেন, ৮১) কথা বলার ৫টি বিস্ময়কর টেকনিক, ৮২) কিভাবে মানুষকে আকৃষ্ট করবেন? ৮৩) অকারণে সময় নষ্ট? মেল রবিনের ৫ সেকেন্ড রুল, ৮৪) কর্পোরেট আদবকেতা, ৮৫) ৩৫টি কর্পোরেট কালচার ও আপনার করণীয়, ৮৬) যা না জানলে লজ্জায় পড়তে হয় , ৮৭) কাজের সময়ে যে বিষয়গুলো একেবারেই করা উচিৎ না , ৮৮) ক্যারিয়ারে সাফল্য পেতে ছুড়ে ফেলুন ৭টি দোষ, ৮৯) আকাক্সক্ষা, ইচ্ছে বা স্বপ্ন,
৯০) বক্তৃতা প্রশিক্ষণ, কাজ কিভাবে করবেন? ৯১) আত্মশক্তিতে বলিয়ান হতে, ৯২) একনাগাড়ে চলবেন না, ৯৩) মারফিস ’ল , কাজের রোডম্যাপ তেরি , ৯৪) জব স্যাটিসফেকশন, ৯৫) কাজে সফলতার সূত্রাবলী, ৯৬) যেভাবে জীবনযাপন করবেন, ৯৭) পরিণত বুদ্ধির মানুষেরা যে কাজগুলো কখনোই করেন না, ৯৮) জীবনে দক্ষতা অর্জনের কার্যকর ১২টি উপায়, ৯৯) সঠিক লক্ষ্য নির্ধারণ ও কাজ করার উপায় , ১০০) সফলতা ও সার্থকতা, ১০১) জীবনের ছোট ছোট প্রাপ্তিগুলোকে উপভোগ করা, ১০২) সফলতার কিছু পদ্ধতি, ১০৩) সফল হতে চাইলে যে ৮ টি জিনিস বাদ দেয়া প্রয়োজন, ১০৪) সফল ব্যক্তিরা যে ১০টি কাজ কখনোই করেন না, ১০৫) সর্বদা স্মরণ রাখুন, ১০৬) চিন্তাশক্তি , ১০৭) স্বাধীনতা, ১০৮) জ্ঞান অর্জন খাদ্য গ্রহণের মতো , ১০৯) দৃঢ় প্রতিজ্ঞ হয়ে চেষ্টা করলে কখনোই বিফল হবেন না, ১১০) বুদ্ধির সংজ্ঞা হলো, প্রতিটি কাজ ভেবে-চিন্তে করা, ১১১) ব্যক্তিত্ব, চেহারা ও ব্যক্তিত্ব , ১১২) সেলডন-এর গবেষণা , ১১৩) ব্যক্তিত্ব ও উচ্চারণ, ১১৪) পোশাক ও ব্যক্তিত্ব, ১১৫) প্রথম দেখায় ব্যক্তিত্বের ছাপ, ১১৬) বিচ্ছিন্নতা ব্যক্তিত্বের বড় শত্রু, ১১৭) ব্যক্তিত্বে জিনগত প্রভাব, ১১৮) অন্তর্মুখী ও বহির্মুখী ব্যক্তিত্ব, ১১৯) মনোমুগ্ধকর ব্যক্তিত্বের ১০ বৈশিষ্ট্য, ১২০) ব্যক্তিত্বের উৎকর্ষতার জন্যে ১০ নির্দেশনা, ১২১) কিভাবে ব্যক্তিত্বের বিকাশ ঘটাবেন? , ১২২) নিজেকে স্মার্ট করতে ৫টি কৌশল, ১২৩) আকর্ষণীয় মানুষ হবার ৬টি পরামর্শ, ১২৪) আত্মশুদ্ধি , ১২৫) হতাশ হবেন না, ১২৬) পাছে লোকে কিছু বলে, ১২৭) সুখ-শান্তি উন্নতি , ১২৮) চাহিদা, ১২৯) খাদ্য, ঘুম ও বিশ্রাম, ১৩০) স্বাস্থ্য ভাল রাখার নিয়ম, ১৩১) টেনশন দূর করতে হলে, ১৩২) শুধু নিজের কথা নয়, অন্যের কথাও ভাবুন, ১৩৩) চাহিদা যত বেশি সুখ তত কম, ১৩৪) সুখী জীবনের জন্য ১৮ টি টিপস, ১৩৫) আত্মবিশ্বাস, আত্ম বিশ্বাসের শক্তি, ১৩৬) অজুহাতের ব্যাধিতে আক্রান্ত ব্যর্থ মানুষ, ১৩৭) দি সেভেন হ্যাবিট অফ হাইলি এ্যা ফেক্টিভ পিপল, ১৩৮) সামাজিক আয়না, ১৩৯) প্রোএ্যাক্টিভিটি, ১৪০) সার্কেল অফ ইনফ্লুয়েন্স, ১৪১) শুরু করুন আজই, ১৪২) আপনার কেন্দ্রবিন্দু কোনটি?, ১৪৩) মাথার দুটি অংশই ব্যবহার করুন, ১৪৪) সময়ের ব্যবস্থাপনা, ১৪৫) ব্যক্তিগত ব্যবস্থাপনা, ১৪৬) গুরুত্বপূর্ণ এবং জরুরি, ১৪৭) পরনির্ভরশীল জীবন, ১৪৮) ছয়টি উপায়ে অন্য মানুষের সাথে আদান-প্রদান, ১৪৯) অধ্যয়ন, ১৫০) পড়াশোনায় ১২ কার্যকর কৌশল, ১৫১) ঘুম থেকে উঠতে ১০-৩-২-১-০ ফর্মুলা, ১৫২) আয়-ব্যয়- টাকা, ১৫৩) অন্যকে খুশি করতে পয়সা খরচ যে কারণে অর্থহীন, ১৫৪) খরচের লাগাম টেনে ধরতে.. ১৫৫) নারী, ১৫৬) সম্পর্ককে সুন্দর রাখতে কিছু “মিথ্যা” বলা জরুরী , ১৫৭) ছেলেদের কোন জিনিস দেখে মেয়েরা? , ১৫৮) স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর কিছু অভ্যাস, ১৫৯) ভুঁড়ি ঠেকাতে ৫টি নিয়ম, ১৬০) যেসব কারণে নারীদের স্বাবলম্বী হওয়া উচতি , ১৬১) বিয়ে-সংসার, ১৬২) সফল বিয়ের তিনটি মন্ত্র, ১৬৩) সুখী হবার দারুণ কিছু মূলমন্ত্র, ১৬৪) কিছু গল্প, ১৬৫) ভালোবাসাহীন সম্পর্ক, ১৬৬) কেন স্পর্শের প্রয়োজন হয় প্রতিদিন, ১৬৭) যে কারণে একা থাকাই আপনার জন্য ভালো, ১৬৮) ব্যবসা, ১৬৯) বিক্রয় বৃদ্ধির কৌশল, ১৭০) যে ৭টা ব্যাপার বিজনেসে করবেন না, ১৭১) স্বাস্থ্য, ১৭২) দুগ্ধজাত খাবারে পুরুষের বন্ধ্যত্ব, ১৭৩) একাকিত্বের বিপদ, ১৭৪) কর্মক্ষম ও প্রফুল্ল রাখতে, ১৭৫) মন ভালো করার উপায়, ১৭৬) যৌন স্বাস্থ্য, ১৭৭) পুরুষদের কেজেল, ১৭৮) মহিলাদের কেজেল, ১৭৯) দক্ষতা , ১৮০) আলসেমি দূর করার সহজ কিছু উপায়, ১৮১) কীভাবে সামলাবেন নিন্দুকদের ?, ১৮২) সুখী হতে চাইলে যা কখনোই করবেন না, ১৮৩) সব ভুলে যাচ্ছেন? স্মৃতিশক্তি চাঙ্গা রাখতে ৫টি টিপস, ১৮৪) বয়সের ভারে বৃদ্ধ না হয়ে বরং কাজের ভারে যুবক থাকার চেষ্টা করো, ১৮৫) নিজেকে কাজের সঙ্গে সম্পক্ত করার তিনটে স্টেপ, ১৮৬) জীবনের লক্ষ্য নির্ধারণে দ্রুত পদ্ধতিগুলো, ১৮৭) প্রতিদান পাওয়ার আশায় কাজ করবেন না, ১৮৮) প্রেম একটি মানসিক রোগ, ১৮৯) সম্পর্ক ভেঙ্গে যাবার পর নিজেকে যেভাবে সামলাবে, ১৯০) সময় সবকিছু বদলে দেয়, ১৯১) সম্পর্ক তৈরির ক্ষেত্রে কমন পাঁচটি ভুল, ১৯২) আত্মবিশ্বাস/মনোবল, ১৯৩) প্যারাসুট অফ হ্যাপিনেস, ১৯৪) বারবার ঘুরে দাঁড়াতে হবে, ১৯৫) আত্মবিশ্বাসহীন মানুষের লক্ষণ, ১৯৬) বাড়াও আত্মবিশ্বাস, বাড়বে সফলতা, ১৯৭) প্রাতিষ্ঠানিক সম্পর্ক শক্তিশালী করার টিপস, ১৯৮) কিভাবে ধরে রাখবে দু'জনের সম্পর্ক, ১৯৯) কিভাবে বুঝবে সম্পর্ক শেষ করতে হবে, ২০০) সম্পর্ক যখন প্রেম-ভালোবাসার, ২০১) যেসব বিষয়ের উপর স¤পর্ক গড়ে ওঠে, ২০২) ভালোবাসার অপর নাম প্রয়োজন, ২০৩) সম্পর্কের গুণগত মান বাড়বে কিভাবে, ২০৪) মস্তিস্ক ঠিক রাখার ৩০ উপায়, ২০৫) মানুষের আচরণের পেছনে একটা কারণ থাকে, ২০৬) কোনো কাজে নিজেকে সম্পক্ত না করেই আমরা নিজ ক্যারিয়ারকে এগিয়ে নিয়ে যাই ২০৭) স্রোতের বিপরীতে চিন্তা করুন, ২০৮) আপনার টাইমজোনে সময় আসবেই, ২০৯) চাইল্ডহুড অ্যামনেসিয়া এবং আমাদের শিক্ষণীয়,