অভ্যাস ৪৩. আপনার স্বপ্নগুলোকে অনুসরণ করুন
স্বপ্ন আপনার সফলতার ক্ষেত্রে জ্বালানী হিসেবে কাজ করে। কোনো গাড়ি যেমন জ্বালানী ছাড়া চলতে পারে না, ঠিক তেমনি আমাদের জীবন স্বপ্ন ছাড়া সাফল্য লাভ করতে পারে না। মূল কথাঃ স্বপ্ন মনে লালন-পালন করুন এবং অক্লান্ত পরিশ্রম করুন স্বপ্ন পূরণের জন্য। কেউ হতে চেয়েছিল ডাক্তার, কিন্তু হয়ে গেলেন ইঞ্জিনিয়ার, আপনিও কি আপনার জীবনের সাথে এমন করেছেন? করে থাকলে এখনই নিজেকে সংশোধন করুন। সফল ব্যক্তিরা কখনোই নিজেদের স্বপ্ন ও লক্ষ্যকে ভোলেন না। তাঁরা নিজেরাই নিজেদের পথ তৈরি করে নেন এবং সে অনুযায়ী হেঁটে চলেন।
যখনই আপনি আপনার স্বপ্ন বাস্তবায়নের পথে কোনো একশন নিতে চাইবেন, আপনার মন ঠিক সেই মুহূর্তেই আজেবাজে চিন্তা ঢুকিয়ে দেয় আপনার মধ্যে। এসব চিন্তা মন থেকে সরিয়ে আপনাকে সুনির্দিষ্ট লক্ষ্যে এগিয়ে যেতে ছোট ছোট পদক্ষেপ নিতে হবে দৃঢ়তার সাথে। কোন কিছুতেই স্বপ্ন থেকে, লক্ষ্য থেকে সরে যাবেন না।
অভ্যাস ৪৪ অন্যের সাহায্য-সহযোগিতা প্রার্থনা করুন
কিছু মানুষ নিজ থেকে অন্যকে সাহায্য করার জন্য মুখিয়ে থাকেন আবার কিছু মানুষ সাহায্য চাইলেও মুখ ফিরিয়ে দেয় দেন। তাদের কী করা উচিত, সেটি নিয়ে মাথা ঘামান না। সত্যি কথা বলতে, আমাদের সবারই সাহায্য দরকার। এমন কিন্তু নয় যে কারো কাছ থেকে সাহায্য নিলে আমরা ছোট হয়ে যাব,বরং ধীরে ধীরে আমরা উন্নতির পথে অগ্রসর হব। আমাদের জীবন অনিশ্চিত। আপনি সবসময়-ই সঠিক হতে পারবেন না। সেজন্যই মাঝে মাঝে একটি বিরতি দেওয়া প্রয়োজন এবং অবশ্যই অন্যের সাহায্য নেয়া প্রয়োজন ।
আরো বেশি মুক্তমনা হোন এবং পরিবর্তনকে স্বাগত জানান। নিজের দুর্বলতাগুলো খুঁজে বের করা বেশ দুষ্কর নয়। পরিবারের কোনো সদস্য, বন্ধু কিংবা সহকর্মীর সাহায্য নিন। সেজন্যে উদার হোন এবং সমালোচনা শোনা এবং গ্রহণ করার জন্য মনকে ইতিবাচকভাবে প্রস্তুত করুন।
অভ্যাস ৪৫ নিজেকে প্রতিপক্ষের যায়গায় কল্পনা করুন
কখনো কি না ভেবে কথা বলে কিংবা অতিরিক্ত রেগে গিয়ে পরে অপরাধবোধ হয়েছে আপনার? আপনি নিশ্চয় দেখে থাকবেন, চারপাশে মানুষ চিৎকার করে কলহ করছে, এমনকি কোনো কর্মী বসের সঙ্গে ঝগড়া করে চাকরি ছেড়ে দিচ্ছেন। একটি সফল বৈবাহিক সম্পর্ক, ক্যারিয়ার, এমনকি ব্যাবসায়িক সম্পর্কও উত্তেজনার কারণে নষ্ট হতে পারে। তাই সাফল্যময় পরিপূর্ণ একটি জীবন পাওয়ার জন্য আপনাকে অবশ্যই অন্য কাউকে মনঃক্ষুণ্ন করে এমন কথা বলা, বা সমালোচনা কিংবা তর্ক-বিতর্ক অথবা কাজ করা বন্ধ করতে হবে। নিতান্তই কারো সঙ্গে যদি রেগে যান’ তাহলে ধীরস্থির হয়ে তাকে বোঝান ব্যাপারটা এবং বিনয়ের সঙ্গে সরি বলে ক্ষমা চেয়ে নিন। তার জায়গায় নিজেকে চিন্তা করুন। এমনটি করতে পারলে আপনি কদাচিৎ নিজের প্রতি নিয়ন্ত্রণ হারাবেন।
প্রথমে আপনি যেমন ইচ্ছা তেমন ব্যবহার করে ফেললেন এবং পরবর্তীতে কষ্ট পেলেন, এমন করা বন্ধ করুন। প্রচণ্ড রাগ, হিংসা কিংবা দুঃখ পেলে অন্য কারো সঙ্গে কথা বলা থেকে বিরত থাকুন। দাঁড়িয়ে থাকলে বসে পড়ুন এবং নিস্তব্ধ থাকুন। অন্য কেউ যদি আপনার থেকে কিছু শোনার আগ্রহ পোষণ করে, তবে তাকে বলুন ‘আমাকে ভাবার জন্য একটু সময় দিন’।
অভ্যাস ৪৬ প্রতিটি দিন নতুনভাবে শুরু করুন
* প্রতিদিন যে সময়ে ওঠেন তার থেকে অন্তত ত্রিশ মিনিট আগে ঘুম থেকে জাগুন। তাহলে খুব ধীরস্থিরভাবে দিন শুরু করতে পারবেন আপনি। ঘুম থেকে উঠেই শুয়ে শুয়ে বা ইজিভাবে চেয়ারে বসে কল্পনা-পরিকল্পনায় মগ্ন থাকুন।
* সকালের নাস্তার জন্য কিছু সময় ব্যয় করুন। স্বাস্থ্যকর নাস্তা করা খুব জরুরি।
* কর্মক্ষেত্রে যাওয়ার জন্য বাস, সাইকেল কিংবা পায়ে হেঁটে যেভাবেই যান না কেন, সিদ্ধান্ত নিন যে আপনি চিন্তামুক্ত হয়ে যাবেন। প্রয়োজনে গান শুনতে শুনতে যান।
* সারাদিন আপনি কি কি কাজ করবেন, সেটির একটি তালিকা তৈরি করুন।
* পরিশেষে, আপনি যদি ‘সকাল বেলার পাখি’ না হয়ে থাকেন, তবে নিজেকে একটু অতিরিক্ত সময় দিন।
অভ্যাস ৪৭ অতীতের সঙ্গে বন্ধুত্ব করুন
আপনার অতীতের ভুলগুলোর কথা স্মরণ করে আপনি কি কোনো ঝুঁকি গ্রহণ করতে ভয় পাচ্ছেন? আপনি যখন পেছন ফিরে তাকান, এমন কিছু কী আছে যা আপনাকে ভীত ও বিষণ্ন করে তোলে? এ ব্যাপারে আপনি একা নন। আমরা সকলেই এরকম চিন্তা-ভাবনা নিজের সঙ্গে বহন করে বেড়াই। তবে, অতীতের কোনো ভয় বা ব্যর্থতা আপনাকে তাড়িয়ে বেড়াচ্ছে কী না সেটি হলো মূলকথা। ইতিবাচক চিন্তাগুলো ভুলে গিয়ে এবং নেতিবাচক চিন্তাগুলো মনে রেখে কোনো লাভ নেই। নিজের অতীত নিয়ে নিজের সাথেই আলোচনা করুন।
আপনার ব্যক্তিগত শান্তির জন্য এবং সাফল্যের জন্য অতীতের বিভিন্ন সমস্যা সমাধানের প্রয়োজন হতে পারে। হয়তো এমন কোনো মানুষের সাথেও আপনার খোলাখুলিভাবে কথা বলতে হবে, যাকে আপনি কখনো ক্ষমা করতে পারেননি। আপনাকে শক্তি ও সাহসের সাথে সবকিছুর মোকাবিলা করতে হবে।
অভ্যাস ৪৮ শিক্ষার্থী হোন
শেখা এবং সাফল্য লাভ ব্যাপার দুটো অঙ্গাঅঙ্গিভাবে জড়িত। ‘মানুষের শেখা কখনো শেষ হয় না। এটি একটি চিরন্তন প্রক্রিয়া’। জীবনের কোন কোন পর্যায়ে আপনার শিক্ষাগ্রহণ জরুরি। আমাদের জীবন একটি বিশ্ববিদ্যালয়। আপনি যা-ই করেন কিংবা যে-ই অভিজ্ঞতা হোক না কেন আপনার, আপনি কিছু একটা শিখবেন। এটিই আমাদের জীবন। প্রতিদিনই আপনি নতুন চিন্তা-ভাবনা, অনুভূতি এবং মনোবল সঞ্চার করবেন।
প্রতিদিন নিত্যনতুন জিনিস শেখাও কিন্তু এক ধরনের সাফল্য। আপনার জ্ঞানকে প্রসারিত করার জন্য শেখার জন্য হাত বাড়িয়ে দিন। বিরক্তিকর কোনো কাজ থেকেই আনন্দময় কিছু নেওয়ার চেষ্টা করুন।
আপনাকে নতুন নতুন জিনিস শিখতেই হবে, তা না হলে আপনি প্রতিযোগিতায় টিকতে পারবেন না।
প্রতিদিন শেষে নিজেকে জিজ্ঞেস করুন, ‘আজ আমি কী শিখলাম? জীবনে সফলতা অর্জন করার জন্য আমাকে আর কী কী করতে হবে?। কখনো আপনার উত্তরগুলো হবে ¯পষ্ট, আবার কখনো হবে অ¯পষ্ট। কিন্তু নিয়মিত প্রশ্নগুলো জিজ্ঞেস করলে আপনি নিজেকে আরো ভালো করে বুঝতে ও জানতে পারবেন।
মাঝে মাঝে আবার এমন হবে যখন আপনার দিন পুরোটাই বৃথা যাবে। এমন দিনগুলো থেকেও কিছু শেখার চেষ্টা করুন। মুহূর্তগুলোকে কাজে লাগান।
অভ্যাস ৪৯ ধকল দূর করুন
যেকোনো ধরনের দখল আপনার জীবন ধ্বংস করে দেয়। শুধু তাই নয়, আপনার স্বপ্নগুলোকে চুরমার করে আপনার আনন্দও ছিনিয়ে নেয়। এটি আপনার স্বাস্থ্য নষ্ট করে, আপনার কর্মশক্তি কমিয়ে দেয় । বিভিন্ন কারণে আপনি ধকলের মুখে পড়তে পারেন। যেমন:
* আপনার বস আপনাকে কাজের প্রেসার দিচ্ছেন খুব,
* নিত্যদিনের একঘেঁয়ে চাকরির সময় আপনাকে হতবিহ্বল করে দিচ্ছে,
* আপনার সঙ্গী আপনার উপর চাওয়া-পাওয়ার মাত্রা বাড়িয়ে দিচ্ছেন,
* অফিসের দীর্ঘ সময় আপনাকে হতাশ করে দিচ্ছে,
* আপনার ক্যারিয়ার আপনাকে আনন্দ দিতে পারছে না।
* আপনি আপনার সন্তানের পড়াশোনা, স্বাস্থ্য এবং ভবিষ্যত নিয়ে খুব বেশি ভাবছেন।
মাঝে মাঝে আপনি নিজেই টের পাবেন যে, কোন বিষয়টা আপনাকে অতিরিক্ত ভোগাচ্ছে। আপনার মধ্যে যে দখল যাচ্ছে, সেটা বুঝবেন, কয়েকটি লক্ষণে-
* কোনো কাজ করার ধৈর্য না থাকা। * রাগ * ক্লান্তি * ডিপ্রেশন * মাথাব্যথা
আমরা অকারণেই চিন্তা করে সময় নষ্ট করি। বরং আমাদের এটা ভাবা উচিত যে, কীভাবে কাজটা স¤পন্ন করা যেতে পারে? অনেকভাবেই শারীরিক ও মানসিক ধকল কমানো যায়। যেমন; পর্যাপ্ত ঘুমিয়ে, ব্যায়াম করে, ম্যাসাজ নিয়ে, মেডিটেশন চর্চা করে, ছুটি কাটিয়ে, সুষম ও স্বাস্থ্যসম্মত খাবার খেয়ে ইত্যাদি।
অভ্যাস ৫০ আপনার সময়কে স্বেচ্ছাসেবী বানিয়ে দিন
অন্যকে সফল বানানোর মধ্যেই সত্যিকারের সাফল্য নিহিত। উইনস্টন চার্চিল একবার বলেছিলেন, ‘আমরা যা পাই তা দিয়ে জীবিকা নির্বাহ করি কিন্তু আমরা যা প্রদান করি তা দিয়ে একটি জীবন তৈরি করি।’ আপনি আপনার সময়, অর্থ ও মনোযোগ কীভাবে দান করছেন? হয়তো আপনি আপনার সময় এলাকার কোনো বিদ্যালয়ে দিচ্ছেন, কোনো দাতব্য সংস্থায় হয়তো অর্থ দান করছেন, কিংবা তরুণদের নিয়ে ক্লাব চালাচ্ছেন। যখনই আপনি নিঃস্বার্থভাবে এবং ফেরত পাবার আশা ছাড়া কিছু দান করেন, আপনার মন অসম্ভব কিছু ভালো লাগায় ভরে যাবে।
দান দুইভাবে করা যায়। অর্থাৎ দান করার জন্য আপনার বড়লোক হওয়ার কোনো দরকার নেই, টাকা নেই তো কি হয়েছে কিন্তু আপনার কাছে আছে আপনার মূল্যবান সময়। সপ্তাহে একদিন এক ঘণ্টার জন্য এলাকার কোনো পশু আশ্রয়স্থানে কিংবা বৃদ্ধাশ্রমে একটু ঘুরে আসতেই পারবেন। আপনার অনুভূতিটি অসাধারণ হবে। আপনার সময়কে মাঝে মাঝে যদি স্বেচ্ছাসেবী বানিয়ে ফেলতে পারেন, তাহলে আপনার মধ্যকার অহমিকার অন্ধকার ঘুঁচে যাবে।
ছোট ছোট পদক্ষেপ নিয়ে আজ থেকেই কাজ শুরু করে দিন। কোনো কাজ কালকের জন্য ফেলে রাখবেন না। অর্থকষ্টে আমরা সবাই কমবেশি ভুগি কিন্তু সময় তো সবারই আছে,সময়কে ওয়েস্ট না করে রিস্ট করুন। এটিকে ধীরে ধীরে অভ্যাসে পরিণত করে ফেলুন। এক সময় আপনি নিজেই অবাক হয়ে যাবেন। ট্যাব ও টিভি পরিত্যাগ করে আপনার সন্তানদের নিয়ে স্বেচ্ছাসেবী কাজ করার জন্য মাঠে নেমে পড়ুন।
অভ্যাস ৫১ আপনার নিয়ন্ত্রিত বিষয়গুলোর দিকে মনোযোগ দিন
যে বিষয়গুলো আপনার নিয়ন্ত্রণের বাইরে, সেগুলো নিয়ে দুশ্চিন্তা করা বন্ধ করুন। এটি পুরোটাই সময়ের অপচয়। সে সময়টা অন্য কোথাও লাগালেও আপনি সফলতার দ্বারপ্রান্তে পৌঁছতে পারবেন। যারা অনিয়ন্ত্রিত ব্যাপারগুলো নিয়ে মাথা ঘামায়, তারাই দিনভর অভিযোগ করতে করতে সময় নষ্ট করে। যেসব বিষয় বদলানোর ক্ষমতা আপনার নেই, সেগুলো মেনে নেওয়ার শক্তি দিন নিজেকে।
মাঝে মাঝে ধার নিতে পারেন কিন্তু আপনার লালবাতি তখনই জ্বলতে শুরু করবে; যখন আপনি টাকা ধার নিয়েও আর শোধ করতে পারবেন না।
অভ্যাস ৫২ অনলাইনে অতিবাহিত সময় কমিয়ে আনুন
ইন্টারনেট একটি দারুণ বিষয় কিন্তু আপনাকে বাস্তব জীবন ও ইন্টারনেটের মধ্যে সমতা আনতে হবে। দিনে অনেকটুকু সময় আপনি ফেসবুক, ইনস্টাগ্রাম এবং হোয়াটস অ্যাপে ব্যয় করেন। তাহলে আজই কয়েকটি কাজ করুন-
*মোবাইলের ইন্টারনেট বন্ধ করে দিন। শুধুমাত্র বাসা এবং অফিসে ব্যবহার করুন। তাহলে রাস্তায় ব্যয় করা সময়টুকু প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের সাথে কাটাতে পারবেন, নোটিফিকেশনের আওয়াজ শুনে বার বার ফোন বের করে দেখতে হবে না।
*বন্ধুদের বাসায় দাওয়াত দিন এবং তাদের অনুরোধ করুন ফোনগুলো পকেট এবং হ্যান্ডব্যাগে রেখে দেওয়ার জন্য।
*প্রতিদিন ফেসবুক, মেসেঞ্জার কিংবা হোয়াটসঅ্যাপে ছোট ছোট শব্দ কিংবা বাক্যে মেসেজ আদান-প্রদান না করে সুন্দর করে গুছিয়ে কথা বলুন।
*কাউকে চিঠি কিংবা কার্ডে লিখে মনের ভাব প্রকাশ করুন। আপনার হাতের লেখা যেমনই হোক না কেন সেটি খুব আন্তরিক হয়ে ধরা দিবে অপর পার্শ্বে।
*কোনো বই এবং ম্যাগাজিনের মধ্যে কিছু সময় অতিবাহিত করুন।
*কোনো রকম ইন্টারনেটের ¯স্পর্শ ছাড়া ছুটি কাটিয়ে আসুন মাসে একবার। ছবি তুলুন কিন্তু সেগুলো সোশ্যাল মিডিয়ায় সেদিনই পোস্ট করার কোনো প্রয়োজন নেই। আমাদের জীবন একটাই এবং এটি খুবই সংক্ষিপ্ত। সেজন্য পুরোদমে সময়গুলো উপভোগ করুন।
সূচিপত্র
১) ছোটদের সাথে আমাদের আচরণ ২) পরিবার ও সন্তান, সুপার পাওয়ার যেভাবে তৈরি হয়, ৩) দীর্ঘস্থায়ী ভয়ের উৎপত্তির মূলে শৈশবকালে ঘটে যাওয়া ঘটনার প্রভাব , ৪) সন্তানের উৎসাহ এবং উদ্দীপনা বাড়ানো, ৫) আপনার শিশুটি ঘুমুক শান্তিতে এবং নির্ভরতায় , ৬) কিছু অব্যর্থ টিপস, যা আপনার শিশুকে পড়াশোনায় আগ্রহী করে তুলবে, ৭) শিশুকে কিভাবে বড় করবেন, ৮) বাচ্চাদের মস্তিষ্ক বিকাশে কী করবেন? ৯) বাচ্চাদের বুদ্ধি বিকাশের অন্যতম পথ, দৌড়, ১০) বাচ্চাকে কখনো আড়ালে লুকিয়ে খেতে দেবেন না, ১১) পিটার সিংগারের দর্শন, ১২) দুষ্টু শিশুরা তাড়াতাড়ি শেখে, ১৩) সন্তানকে যতই শাস্তি দেবেন ততই সে অসামাজিক হবে, ১৪) বাবা-মাই সন্তানকে নির্যাতন করেন সবচেয়ে বেশি , ১৫) সন্তানের সাথে কিভাবে গড়ে তুলবেন নিবিড় বন্ধন, ১৬) যে ১১টি কথা শিশুকে কখনোই বলবেন না!, ১৭) শিশুকে গল্প শোনান প্রতিদিন, ১৮) সন্তানের আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধির ১০টি কৌশল, ১৯) সৃজনশীলতা হচ্ছে নতুন কিছু করার যোগ্যতা, ২০) যারা মুখস্থ করতে পারেন না, ২১) তারা মেধাবী, মেধাবী হওয়ার উপায়,
২২) কথা ও ভাষা, ২৩) এলিভেটর পিচ, ২৪) সুন্দর করে কথা বলে সমস্যা জয়ের কৌশল, ২৫) ফোনে কথা বলার আদবকেতা, ২৬) ১২টি কর্ম বিধান, ২৭) ভালোবাসার অপর নাম প্রয়োজন, ২৮) আলতু-ফালতু কাজে সময় অপচয় করে স্বপ্ন পূরণের কল্পনা, ২৯) স্ট্রেস ম্যানেজমেন্ট, ৩০) চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিন পিং-এর জীবন থেকে শিক্ষা, ৩১) অভিজ্ঞতা ও অতীত থেকে শিক্ষা গ্রহণ, ৩২) বর্তমানকে সবচেয়ে বেশি মূল্য দিন, ৩৩) ২৪ ঘণ্টা কেউ সুখী হয় না, ৩৪) কিছু অভ্যাস যা আপনাকে আরও সুখী করবে , ৩৫) আপনার অবয়ব , ৩৬) সফলতার 25টি হট কৌশল-1, ৩৭) সাফল্যের 25টি হট কৌশল-2, ৩৮) সফলতার 55 সূত্র, ৩৯) কিভাবে নিজেকে নেতা হিসেবে গড়ে তুলবে, ৪০) সময় ব্যবস্থাপনা, ৪১) সময় ব্যবস্থাপনার তিনটি ধাপ, ৪২) সময়কে যথাযথভাবে কাজে লাগানোর উপায়গুলো, ৪৩) সাফল্য, ড. কোভের ইমোশনাল একাউন্ট কনসেপ্ট, ৪৪) সবচে বড় ইমোশনাল একাউন্ট, ৪৫) আপনার ইমোশনাল একাউন্ট, ৪৬) বুদ্ধি ও বিবেচনাবোধ বর্জিত কর্মফল বিপজ্জনক, ৪৭) অন্যদের দিয়ে আপনার কাজ করান কিন্তু সম্মান আপনি অর্জন করুন, ৪৮) অন্য লোকেরা আপনার কাছে আসুক দরকার হলে টোপ দিন, ৪৯) অসুখী এবং ভাগ্যহীনদের বর্জন করুন, ৫০) লোককে আপনার ওপর নির্ভরশীল করুন , ৫১) নেওয়ার পূর্বে দেওয়া অন্য বক্তির স্বার্থ বুঝুন, ৫২) শত্রুকে খাটো করে দেখবেন না, ৫৩) নিজেকে রক্ষা করার জন্য চারিদিকে দুর্গ নির্মাণ করবেন না, ৫৪) কারোর পক্ষ অবলম্বন করে বসে থাকবেন না, ৫৫) আপনার শক্তিসমূহকে সংহত করুন, ৫৫) নিজের ভুলগুলোকে লুকিয়ে রাখুন, ৫৬) শুধু সাহসের জোরে নয়, পরিণতিও বিবেচনায় রাখুন, ৫৭) প্রতিটি মানুষের গোপন ইচ্ছা খুঁজে বের করুন, ৫৮) রাগ বিপজ্জনক ও অভদ্রতা, ৫৯) কোনো দলকে ধরার জন্য দলপতিকে প্রথমে ধরুন, ৬০) নিজেকে গুরুত্বপূর্ণ মনে করুন, গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবেন, ৬০) পরিবেশ সামলাতে শিখুন, ৬১) প্রথম শ্রেণির মানুষ হয়ে উঠুন, ৬২) আপনার সামাজিক পরিবেশ ‘প্রথম শ্রেণি’র করে তোলার উপায়, ৬৩) ‘সস্তার তিন অবস্থা’ প্রধম শ্রেণিভুক্ত হয়ে উঠুন , ৬৪) যত বেশি বন্ধুত্ব তত বেশি উপরে ওঠার সম্ভাবনা, ৬৫) সাহস করে কাজটা শুরু করুন, ৬৬) সাফল্য মানে বারবার ভিন্নভাবে চেষ্টা করা, ৬৭) ১- ১০ ভাল অভ্যাস, ১১- ২০ ভাল অভ্যাস, ২১- ৩০ ভাল অভ্যাস, ৩১- ৪০ ভাল অভ্যাস, ৪১- ৫০ ভাল অভ্যাস, ৫১- ৬০ ভাল অভ্যাস, ৬১- ৭০ ভাল অভ্যাস, ৭১- ৮০ ভাল অভ্যাস, ৮১- ৯০ ভাল অভ্যাস, ৯১- ১০২ ভাল অভ্যাস, ৬৮) জিরো থেকে হিরো, ৬৯) সৃজনশীলদের সফলতার ৭ সূত্র, ৬৯) জীবনে পরিবর্তন আনুন ৪৮টি উপায়ে, ৭০) জীবন-যাপন, ৭১) জাপানী ও চিন লাইফ স্টাইল , ৭২) ৩০টি দর্শন, যা আপনার জীবনে কাজে লাগবে, ৭৩) সম্পর্ক তৈরি করা, বন্ধুত্ব, ৭৪) যে আচরণগুলো মানুষের মনের কথা জানাবে, ৭৫) কথা বলার সূত্র, ৭৬) আপনি ও আপনার ব্যবহার, ৭৭) নিজেকে সঠিকভাবে উপস্থাপন করা, ৭৮) কথা বলার কতিপয় গুরুত্বপূর্ণ নিয়ম, ৭৯) কিভাবে নিজেকে বিনয়ী হিসেবে উপস্থাপন করবেন, ৮০) কিভাবে বুদ্ধিদীপ্ত কথা বলবেন, ৮১) কথা বলার ৫টি বিস্ময়কর টেকনিক, ৮২) কিভাবে মানুষকে আকৃষ্ট করবেন? ৮৩) অকারণে সময় নষ্ট? মেল রবিনের ৫ সেকেন্ড রুল, ৮৪) কর্পোরেট আদবকেতা, ৮৫) ৩৫টি কর্পোরেট কালচার ও আপনার করণীয়, ৮৬) যা না জানলে লজ্জায় পড়তে হয় , ৮৭) কাজের সময়ে যে বিষয়গুলো একেবারেই করা উচিৎ না , ৮৮) ক্যারিয়ারে সাফল্য পেতে ছুড়ে ফেলুন ৭টি দোষ, ৮৯) আকাক্সক্ষা, ইচ্ছে বা স্বপ্ন,
৯০) বক্তৃতা প্রশিক্ষণ, কাজ কিভাবে করবেন? ৯১) আত্মশক্তিতে বলিয়ান হতে, ৯২) একনাগাড়ে চলবেন না, ৯৩) মারফিস ’ল , কাজের রোডম্যাপ তেরি , ৯৪) জব স্যাটিসফেকশন, ৯৫) কাজে সফলতার সূত্রাবলী, ৯৬) যেভাবে জীবনযাপন করবেন, ৯৭) পরিণত বুদ্ধির মানুষেরা যে কাজগুলো কখনোই করেন না, ৯৮) জীবনে দক্ষতা অর্জনের কার্যকর ১২টি উপায়, ৯৯) সঠিক লক্ষ্য নির্ধারণ ও কাজ করার উপায় , ১০০) সফলতা ও সার্থকতা, ১০১) জীবনের ছোট ছোট প্রাপ্তিগুলোকে উপভোগ করা, ১০২) সফলতার কিছু পদ্ধতি, ১০৩) সফল হতে চাইলে যে ৮ টি জিনিস বাদ দেয়া প্রয়োজন, ১০৪) সফল ব্যক্তিরা যে ১০টি কাজ কখনোই করেন না, ১০৫) সর্বদা স্মরণ রাখুন, ১০৬) চিন্তাশক্তি , ১০৭) স্বাধীনতা, ১০৮) জ্ঞান অর্জন খাদ্য গ্রহণের মতো , ১০৯) দৃঢ় প্রতিজ্ঞ হয়ে চেষ্টা করলে কখনোই বিফল হবেন না, ১১০) বুদ্ধির সংজ্ঞা হলো, প্রতিটি কাজ ভেবে-চিন্তে করা, ১১১) ব্যক্তিত্ব, চেহারা ও ব্যক্তিত্ব , ১১২) সেলডন-এর গবেষণা , ১১৩) ব্যক্তিত্ব ও উচ্চারণ, ১১৪) পোশাক ও ব্যক্তিত্ব, ১১৫) প্রথম দেখায় ব্যক্তিত্বের ছাপ, ১১৬) বিচ্ছিন্নতা ব্যক্তিত্বের বড় শত্রু, ১১৭) ব্যক্তিত্বে জিনগত প্রভাব, ১১৮) অন্তর্মুখী ও বহির্মুখী ব্যক্তিত্ব, ১১৯) মনোমুগ্ধকর ব্যক্তিত্বের ১০ বৈশিষ্ট্য, ১২০) ব্যক্তিত্বের উৎকর্ষতার জন্যে ১০ নির্দেশনা, ১২১) কিভাবে ব্যক্তিত্বের বিকাশ ঘটাবেন? , ১২২) নিজেকে স্মার্ট করতে ৫টি কৌশল, ১২৩) আকর্ষণীয় মানুষ হবার ৬টি পরামর্শ, ১২৪) আত্মশুদ্ধি , ১২৫) হতাশ হবেন না, ১২৬) পাছে লোকে কিছু বলে, ১২৭) সুখ-শান্তি উন্নতি , ১২৮) চাহিদা, ১২৯) খাদ্য, ঘুম ও বিশ্রাম, ১৩০) স্বাস্থ্য ভাল রাখার নিয়ম, ১৩১) টেনশন দূর করতে হলে, ১৩২) শুধু নিজের কথা নয়, অন্যের কথাও ভাবুন, ১৩৩) চাহিদা যত বেশি সুখ তত কম, ১৩৪) সুখী জীবনের জন্য ১৮ টি টিপস, ১৩৫) আত্মবিশ্বাস, আত্ম বিশ্বাসের শক্তি, ১৩৬) অজুহাতের ব্যাধিতে আক্রান্ত ব্যর্থ মানুষ, ১৩৭) দি সেভেন হ্যাবিট অফ হাইলি এ্যা ফেক্টিভ পিপল, ১৩৮) সামাজিক আয়না, ১৩৯) প্রোএ্যাক্টিভিটি, ১৪০) সার্কেল অফ ইনফ্লুয়েন্স, ১৪১) শুরু করুন আজই, ১৪২) আপনার কেন্দ্রবিন্দু কোনটি?, ১৪৩) মাথার দুটি অংশই ব্যবহার করুন, ১৪৪) সময়ের ব্যবস্থাপনা, ১৪৫) ব্যক্তিগত ব্যবস্থাপনা, ১৪৬) গুরুত্বপূর্ণ এবং জরুরি, ১৪৭) পরনির্ভরশীল জীবন, ১৪৮) ছয়টি উপায়ে অন্য মানুষের সাথে আদান-প্রদান, ১৪৯) অধ্যয়ন, ১৫০) পড়াশোনায় ১২ কার্যকর কৌশল, ১৫১) ঘুম থেকে উঠতে ১০-৩-২-১-০ ফর্মুলা, ১৫২) আয়-ব্যয়- টাকা, ১৫৩) অন্যকে খুশি করতে পয়সা খরচ যে কারণে অর্থহীন, ১৫৪) খরচের লাগাম টেনে ধরতে.. ১৫৫) নারী, ১৫৬) সম্পর্ককে সুন্দর রাখতে কিছু “মিথ্যা” বলা জরুরী , ১৫৭) ছেলেদের কোন জিনিস দেখে মেয়েরা? , ১৫৮) স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর কিছু অভ্যাস, ১৫৯) ভুঁড়ি ঠেকাতে ৫টি নিয়ম, ১৬০) যেসব কারণে নারীদের স্বাবলম্বী হওয়া উচতি , ১৬১) বিয়ে-সংসার, ১৬২) সফল বিয়ের তিনটি মন্ত্র, ১৬৩) সুখী হবার দারুণ কিছু মূলমন্ত্র, ১৬৪) কিছু গল্প, ১৬৫) ভালোবাসাহীন সম্পর্ক, ১৬৬) কেন স্পর্শের প্রয়োজন হয় প্রতিদিন, ১৬৭) যে কারণে একা থাকাই আপনার জন্য ভালো, ১৬৮) ব্যবসা, ১৬৯) বিক্রয় বৃদ্ধির কৌশল, ১৭০) যে ৭টা ব্যাপার বিজনেসে করবেন না, ১৭১) স্বাস্থ্য, ১৭২) দুগ্ধজাত খাবারে পুরুষের বন্ধ্যত্ব, ১৭৩) একাকিত্বের বিপদ, ১৭৪) কর্মক্ষম ও প্রফুল্ল রাখতে, ১৭৫) মন ভালো করার উপায়, ১৭৬) যৌন স্বাস্থ্য, ১৭৭) পুরুষদের কেজেল, ১৭৮) মহিলাদের কেজেল, ১৭৯) দক্ষতা , ১৮০) আলসেমি দূর করার সহজ কিছু উপায়, ১৮১) কীভাবে সামলাবেন নিন্দুকদের ?, ১৮২) সুখী হতে চাইলে যা কখনোই করবেন না, ১৮৩) সব ভুলে যাচ্ছেন? স্মৃতিশক্তি চাঙ্গা রাখতে ৫টি টিপস, ১৮৪) বয়সের ভারে বৃদ্ধ না হয়ে বরং কাজের ভারে যুবক থাকার চেষ্টা করো, ১৮৫) নিজেকে কাজের সঙ্গে সম্পক্ত করার তিনটে স্টেপ, ১৮৬) জীবনের লক্ষ্য নির্ধারণে দ্রুত পদ্ধতিগুলো, ১৮৭) প্রতিদান পাওয়ার আশায় কাজ করবেন না, ১৮৮) প্রেম একটি মানসিক রোগ, ১৮৯) সম্পর্ক ভেঙ্গে যাবার পর নিজেকে যেভাবে সামলাবে, ১৯০) সময় সবকিছু বদলে দেয়, ১৯১) সম্পর্ক তৈরির ক্ষেত্রে কমন পাঁচটি ভুল, ১৯২) আত্মবিশ্বাস/মনোবল, ১৯৩) প্যারাসুট অফ হ্যাপিনেস, ১৯৪) বারবার ঘুরে দাঁড়াতে হবে, ১৯৫) আত্মবিশ্বাসহীন মানুষের লক্ষণ, ১৯৬) বাড়াও আত্মবিশ্বাস, বাড়বে সফলতা, ১৯৭) প্রাতিষ্ঠানিক সম্পর্ক শক্তিশালী করার টিপস, ১৯৮) কিভাবে ধরে রাখবে দু'জনের সম্পর্ক, ১৯৯) কিভাবে বুঝবে সম্পর্ক শেষ করতে হবে, ২০০) সম্পর্ক যখন প্রেম-ভালোবাসার, ২০১) যেসব বিষয়ের উপর স¤পর্ক গড়ে ওঠে, ২০২) ভালোবাসার অপর নাম প্রয়োজন, ২০৩) সম্পর্কের গুণগত মান বাড়বে কিভাবে, ২০৪) মস্তিস্ক ঠিক রাখার ৩০ উপায়, ২০৫) মানুষের আচরণের পেছনে একটা কারণ থাকে, ২০৬) কোনো কাজে নিজেকে সম্পক্ত না করেই আমরা নিজ ক্যারিয়ারকে এগিয়ে নিয়ে যাই ২০৭) স্রোতের বিপরীতে চিন্তা করুন, ২০৮) আপনার টাইমজোনে সময় আসবেই, ২০৯) চাইল্ডহুড অ্যামনেসিয়া এবং আমাদের শিক্ষণীয়,