দৈনন্দিন পরামর্শ
ভোর ৪টা থেকে ৬টাÑ এই সময় শরীরের স্বাভাবিক তাপমাত্রা কমে যায় বলেই ব্যথাজাতীয় অনুভব কম হয়, সকাল ৭টা থেকে ৮টা- এ সময় শরীরের তারমাত্রা আস্তে আস্তে বাড়তে থাকে, কোনো মিটিং বক্তব্য দেবার জন্য সকাল ৯টাই উত্তম সময়। ১০টা থেকে ১১টা- এ সময় শরীরে কটির্সন হরমোনের কারণে সৃজনশীল এবং বিশ্লেষণাত্মক কাজ করার উপযুক্ত সময়, দুপুর ১২টা থেকে বিকেল ৩টা- শরীরের শক্তি ও তাপমাত্রা দুটোই কমতে থাকে, ফলে কাজকর্ম ধীর গতি হয়ে যাবে, দুপুরের খাবার ১.৩০ মধ্যেই সারবেন, ফলে খাবার শরীরের কাজে আসবে। তারপর চোখ বুঁজে একটু বিশ্রাম, ফলে কর্মক্ষমতা বিকালের অলসতা প্রতিরোধ করতে কার্যকরি হবে। ৩টা থেকে ৬টা- শরীরের সমস্ত শক্তির সর্বোচ্চ পর্যায়ে থাকে। লেখালেখি, ছবি আঁকা বা কম্পিউটারে কাজ করার জন্য সময়টা ভালো। ৬টা থেকে ৯টা- শরীরে এন্টি ইনফোমেটারী রসায়ন কমে যায় বিধায় অসুস্থতা ও ব্যথা বেশি অনুভূত হয়। এ সময় পানীয়, জুস, স্যুপ জাতীয় তরল পান করে শরীরকে শিথিল করুন। রাত ৯টা থেকে ৪টা- শরীরের তাপমাত্রা কমে যাওয়ায় মন ঠাণ্ডা থাকে, ফলে পড়াশুনা বেশি মনে থাকে।
স্বাস্থ্য ভাল রাখার নিয়ম
সকালে সূর্যোদয়ের আগে শয্যা ত্যাগ করা উচিত। মুুখ ধুয়ে এক থেকে দু’গ্লাস পানি পান করা ভালো। সকালে কিছুক্ষণ খোলা জায়গায় পায়চারী করতে পারেন। বয়স অনুযায়ী সবারই কিছু ব্যায়াম করা প্রয়োজন। আহারের একটি নির্দিষ্ট সময় থাকা উচিত। অধিক ভোজন ভালো নয়। আবার ক্ষুধা না থাকলে খেতে নেই। জেদ করে, বাজী রেখে বা লোভে পড়ে কখনো বেশি খাওয়া ঠিক নয়।
সহজপাচ্য খাদ্য খাওয়া উচিত। পূর্ণ আহারের সময় একদম পানি পান করা যাবে না। আহারের অন্তত এক ঘণ্টা পরে পানি পান করতে পারেন। গরম কোনো জিনিস খেয়ে বা পান করে সঙ্গে সঙ্গে ঠাণ্ডা জিনিস খাওয়া বা পান করা উচিত নয়। রাতের খাবার হালকা হওয়া দরকার। রাতে আহারের এক কিংবা দেড় ঘণ্টা পরে শয়ন করা ভালো। সকালে নাস্তা পেট ভরে খেতে হবে। আহারের পর ভালো করে দাঁত পরিষ্কার করা বা কুলকুচা করা দরকার। দুপুরের খাবারের পরিমাণ হবে সকালের খাবারের অর্ধেক। আর রাতের খাবার হওয়া উচিত দুপুরের খাবারের অর্ধেক। সাধারণত রাতে না খেলেও চলে। মশলাযুক্ত ভাজা খাবার কমিয়ে আঁশযুক্ত খাবার (শাক-সবজি, ফলমূল) বেশি খেতে হবে। বয়স ৩৫ এর পর গরুর মাংস ও খাাসির মাংস খাদ্য তালিকা থেকে বাদ দিতে পারলে ভালো।
ভাবনার আদান-প্রদান
মনের খোরাক জোগানোর নানা উপায় আছে, দুটি উপায় বলি, প্রথম, আপনার জীবিকার সঙ্গে যুক্ত পেশাদার সংগঠনের সঙ্গে নিয়মিত দেখা সাক্ষাৎ করুন। অন্যান্য যারা সাফল্যে আগ্রহী তাদের সঙ্গে কথা বলুন। ভাবনা-চিন্তার আদান-প্রদান করুন। প্রায়ই অনেক লোককে বলতে শুনেছি, ‘আজ দুপুরে মিটিংয়ে একটা দারুণ আইডিয়া পেলাম,’ বা ‘গতকাল মিটিংয়ে ভেবে দেখলাম’, মনে রাখবেন, যে মনটা শুধুই নিজের ওপর নির্ভরশীল তা পরিপুষ্ট হতে পারে না, দুর্বল হয়ে পড়ে।
আপনার পেশা বহির্ভূত অন্তত একটি দলের সঙ্গে যোগাযোগ রাখুন। বিভিন্ন পেশার মানুষের সঙ্গে মেলামেশা করলে আপনার ভাবনা-চিন্তা প্রসারিত হবে। আপনি বৃহত্তর জগৎটা চিনতে শিখবেন। নিয়মিত অন্যান্য পেশার মানুষের সঙ্গে দেখা সাক্ষাৎ করলে মন যে রসদ পাবে তা অভাবনীয় আপনি নিজেই হয়তো আশ্চর্য হয়ে যাবেন।
টেনশন
টেনশন বলতে বুঝায় স্নায়বিক ও মানসিক চাপ বা পীড়ন। খুব সামান্য কিংবা বড় যে কোনোরকম ঘটনা পরিস্থিতি বয়ে আনে ছোট ছোট ভয়, অসহায়তা, ক্ষোভ এবং অস্থিরতা, যা ক্রমশ দানাবাঁধতে থাকে টেনশনে। আবার কোনো বিষয় নিয়ে আগে থেকে মনগড়া সমস্যা বা বিপদের কথা ভেবে নেয়ার ফলে টেনশন হয়। অনেকে আছেন যারা কেবল কাজ স্বল্প সময়ের মধ্যে করে ফেলার চেষ্টা করেন এবং কাজ শেষ না হওয়া পর্যন্ত উৎকণ্ঠায় থাকেন। এদের মনে রাখতে হবে। কাজের সংখ্যা নয়, কাজের উৎকর্ষই বেশি গুরুত্বপূর্ণ। সারাদিনে কতগুলো কাজ করতে পারলাম- তার চেয়ে জরুরি হলো কতটা ক’টা কাজ ভালো ও সুসম্পন্ন করা গেলো। কাজের গুরুত্ব ও পরিমাণ বুঝে ঠিক করতে হবে। কোন কাজ কতখানি সময়ে কিভাবে সম্পন্ন করতে হবে। মনে রাখবেন অগোছালোভাবে অনেক কাজ করতে গিয়ে সব কাজই খানিকটা ত্রুটিপূর্ণ খানিকটা অসম্পূর্ণ থেকে যায়, আর তা থেকে তৈরি হয় টেনশন। কোনো কাজ সম্পর্কে আগে থেকে নার্ভাস না হয়ে যদি পরিকল্পিতভাবে করা যায় তাহলে কাজগুলো সুচারুভাবে সম্পন্ন হয় এবং দূর হয় টেনশন।
টেনশন দূর করতে হলে:
টেনশন দূর করতে হলে বাস্তবকে মেনে নিন। বিপদ বা সমস্যা আমাদের জীবনের অবিচ্ছেদ্য সঙ্গী।
এমন কিছু হঠাৎ ঘটতে পারে, যা এড়ানো সম্ভব নয়। এক্ষেত্রে পরিস্থিতিকে মেনে নেয়া বুদ্ধিমানের কাজ। সবচেয়ে নিকৃষ্ট অবস্থাকেও যে মেনে নিতে পারে, তার হারাবার কিছুই থাকে না। সমস্যা চিরস্থায়ী নয়। মনে করলে দেখতে পাবেন বিগত দিনে আপনি অনেক বড় বড় সমস্যায় দিশেহারা হয়েছিলেন, ভয়ে আতঙ্কে জ্ঞানশূন্য হয়ে পড়েছিলেন। সে সব সমস্যাগুলো কি এখন আছে? নিশ্চয়ই নেই। আজকের সমস্যাও আগামীকাল থাকবে না। তখন হয়তো নতুন সমস্যা দেখা দিবে। কাজেই সমস্যায় বিচলিত হবেন না। ভেঙ্গে পড়বেন না। সমস্যাকে ধৈর্যের সাথে মোকাবিলা করুন।
সমস্যা নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেলে তা সময়ের উপর ছেড়ে দিন। দেখবেন সেটা নরম হতে হতে সমাধানের নাগালে এসে যাবে। মোট কথা বাস্তবকে মেনে নিন।
মনের কথা খুলে বলুন: প্রত্যেক মানুষের অন্তত এমন একজন বন্ধু থাকা উচিত, যাকে মনের কথা বলে হালকা হওয়া যায়। রাগ উত্তেজনা কখনো মনে পুষে রাখতে নেই। মনের মধ্যে কোনো কথা চেপে রাখতে নেই। এতে কষ্ট ও উত্তেজনা বাড়ে এবং টেনশনের বাড়-বাড়ন্ত ঘটে। সমস্যা সম্পর্কে আলোচনা করাতে মন অনেক হালকা হয় এবং ভয় উৎকণ্ঠা কমে যায়।
শারীরিক অভ্যাস : বড় বড় গভীর শ্বাস নেয়াতে টেনশন অনেকটা কমে যায়। রুদ্ধ উত্তেজনায় আমরা প্রায় নিশ্বাস বন্ধ করে রাখি নিজের অজান্তেই। বড় বড় শ্বাস নেয়াতে শরীরের ভার হালকা হয়ে এক রকম সাবলীলতা তৈরি হয়। তখন টেনশনও খানিকটা মুক্ত হয়। শরীরচর্চা বা এ ধরণের শ্রমসাপেক্ষ কাজে যেমন উত্তেজনা কমে আসে, তেমনি ক্লান্ত শিথিল পেশী ঘুমের সহায়ক হয়।
মানসিক অভ্যাস : টেনশন যেহেতু মনের ব্যাধি, সেহেতু মনকে প্রফুল্ল ও নিশ্চিন্ত রাখতে পারলেই টেনশনমুক্ত থাকা যায়। ভালো লাগে এমন বিনোদন, পরিচ্ছন্ন জামা কাপড় এবং সুগন্ধি ব্যবহার করুন। এতে মন স্নিগ্ধবোধ হবে এবং টেনশন কমবে।
শেষ কথা : কেউ মদ্যপান বা অন্য কোনো নেশার সাহায্যে টেনশন উপশমের চেষ্টা করেন। বিশেষজ্ঞদের মতে নেশার মাধ্যমে টেনশনের জট ছাড়ায় না, বরং তা বহুগুণে বাড়িয়ে দেয়। সমাধানের পথ হচ্ছে নিজেকে গড়ে তুলতে হবে সংযমী, সহিষ্ণু ও কৌশলী হিসেবে। মনে রাখবেন দীর্ঘ টেনশন শুধু ভোগায় না, জীবনকেও জটিল করে তোলে।
শুধু নিজের কথা নয়, অন্যের কথাও ভাবুন
আমরা সবাই কম বেশি নিজেকে নিয়েই ভাবতে পছন্দ করি। নিজের সুযোগ-সুবিধা, আরাম-আয়েশ, ভালো-মন্দ সবার আগে হিসেব করে নিই। তবে সেটা যদি জীবনের প্রতি ক্ষেত্রেই মাত্রাতিরিক্ত হয়ে যায় এবং অন্যর কথা না ভেবে শুধু নিজেরটাই বেশি বেশি ভাবতে থাকি তাহলে তা বেশি স্বার্থপরতায় রূপ নেয়। মূলত নিজের সুবিধার জন্য অন্য কারো ক্ষতি করছি এটাই আসলে স্বার্থপরতা। অনেক সময় মানুষ নিজেরটা এতটাই ভাবে যে অন্যের কথা ভাবতে চায় না। নিজের সুবিধা আদায়ের জন্য সহকর্মী বা পাশের মানুষটিকে অন্যের কাছে ছোট করে।
অনেক অনেক দিন আগে, চীন দেশে লিউ নামে এক মেয়ে বিয়ে করে বাস করতে লাগল তার স্বামী এবং শ্বাশুড়ীর সাথে।খুব অল্পসময়েই লিউ দেখল যে তার শ্বাশুড়ীর সাথে বাস করাটা প্রায় অসম্ভব। ক্রমশ তাদের মধ্যে মতানৈক্য আর ঝগড়া শুরু হয়। শ্বাশুড়ী প্রায়শ লিউকে কটাক্ষ করতো বিভিন্ন কাজে। পরিস্থিতি সবচাইতে খারাপ করল যে দিকটা সেটা হল, চাইনিজ পর¤পরা অনুয়ায়ী লিউ তার শ্বাশুড়ীকে সবসময়েই মাথা নুইয়ে সম্মান জানাতে হতো এবং শ্বাশুড়ীর সমস্ত আদেশ মেনে নিতে হতো।
অনেক দিন এবং সপ্তাহ পার হয়ে গেল কিন্তু তাদের বিবাদ না কমে দিন দিন বাড়তেই থাকল।এ সমস্ত ঘটনা ক্রমেই লিউর স্বামীকে হতাশাগ্রস্থ করে তুলল।
লিউ কোনোভাবেই তার শ্বাশুড়ীর এই খারাপ আচরণ বরদাস্ত করতে পারছিল না, এবং সে সিদ্ধান্ত নিল যে কিছু একটা করতেই হবে। একদিন লিউ তার বাবার এক বন্ধু মি. হং এর কাছে গেল, যার একটা ফার্মেসি রয়েছে। লিউ তাকে সমস্ত ঘটনা খুলে বললো এবং তার কাছে কিছু বিষ চাইল যা দিয়ে তার শ্বাশুড়ীকে মেরে ফেলে এ সমস্ত সমস্যার সমাধান করা যায়।
মি. হং কিছুক্ষণ চিন্তা করে বললেন," লিউ, আমি তোমাকে সাহায্য করবো তোমার সমস্যার সমাধান করবার জন্য, কিন্তু আমি তোমাকে যা যা বলবো তাই তোমাকে অক্ষরে অক্ষরে পালন করতে হবে।" লিউ খুশিমনে তার কথায় রাজী হয়ে গেলো।
মি. হং পেছনের রুমে গেলেন এবং কিছুক্ষণ পর ফিরে এলেন একটা ঔষধের প্যাকেট নিয়ে। তিনি লিউকে বললেন, "তোমার শ্বাশুড়ীকে মেরে ফেলবার জন্য এমন কোনো বিষ দেয়া উচিৎ হবে না যা তাৎক্ষণিকভাবে তাকে মেরে ফেলবে। এতে লোকের সন্দেহ তোমার উপর পড়বে। তাই আমি তোমাকে এমন একটা ঔষধ দিচ্ছি যা তোমার শ্বাশুড়ীর শরীরে ধীরে ধীরে বিষক্রিয়া করবে।
প্রতিদিন তার খাবারের সাথে এটা অল্প করে মিশিয়ে দিবে। এটার কার্যকারীতা শুরু হতে কয়েকমাস লেগে যেতে পারে, আর তাই তুমি তোমার শ্বাশুড়ীর সাথে এ কদিন ভালো ব্যবহার করতে থাক, যাতে লোকের সন্দেহ কোনক্রমেই তোমার উপর না পড়ে। কখনই তার সাথে তর্ক করবে না, তার প্রতিটি ইচ্ছা পুরণ করবে এবং তার সাথে রাণীর মতো আচরণ করবে।"
লিউ খুবই খুশি হল। সে মি. হংকে ধন্যবাদ দিয়ে তাড়াতাড়ি বাসায় ফিরে এল তার শ্বাশুরীকে হত্যা করবার কাজ শুরু করবার জন্য। সপ্তাহ পার হয়ে মাস পার হয়ে গেল, লিউ তার ঔষধটা শ্বাশুড়ীকে নিয়ম করে খাওয়াতে লাগল।সে সবার সন্দেহের উর্ধ্বে থাকবার জন্য মি. হং এর উপদেশও অক্ষরে অক্ষরে পালন করতে লাগলো। সে তার বাজে রাগকে প্রশমিত করলো, তার শ্বাশুড়ীর সমস্ত আদেশ মাথা পেতে পালন করতো এবং তার সাথে আচরণ করত তার নিজের মায়ের মতই। ছয়মাস পর পুরো ঘরের দৃশ্যপট পাল্টে গেল।
লিউ তার রাগকে এতটাই দমন করা শিখে গেল যে, সে আর তেমন করে উত্তেজিতই হতে পারত না। তার সাথে তার শ্বাশুড়ীর এই ছয়মাসে কোনো তর্কই বাধল না, আর এখন লিউ তার শ্বাশুড়ীর সাথে অনেক বেশি ঘনিষ্ঠ হয়ে উঠল।
লিউর প্রতি তার শ্বাশুড়ীর আচরণেরও পরিবর্তন হল এবং তিনি লিউকে তার মেয়ের মতই ভালবাসতে শুরু করলেন। তিনি তার বন্ধুবান্ধব এবং আত্মীয়-স্বজনদেরকে বলতে লাগলেন যে, পৃথিবীতে যত বৌমা আছে তার মধ্যে লিউ হচ্ছে সর্বোৎকৃষ্ট।
লিউ এবং তার শ্বাশুড়ী, মেয়ে এবং মা এর মতই বাস করতে লাগল।
সবকিছু দেখে লিউর হাসবেন্ডও খুব খুশি হয়ে উঠল।
একদিন লিউ আবারও মি. হং এর কাছে সাহায্যের জন্য আসল। সে মি. হংকে বলল, "প্রিয় মি. হং, আপনার বাকি ঔষধ আপনি ফিরিয়ে নিন এবং যতটুকু ক্ষতি আমার শ্বাশুড়ীর হয়েছে তা কাটাবার কোনো ঔষধ দিন। তার মধ্যে অনেক পরিবর্তন হয়েছে এবং এখন তাকে আমি আমার মায়ের মতই ভালবাসি।"
মি. হং হেসে সামান্য মাথা ঝাঁকিয়ে বললেন, " লিউ, ভয় পাবার কোনো কারণ নেই, আমি তোমাকে কোনো বিষ দেইনি। যেটা দিয়েছিলাম সেটা ছিল একপ্রকার ভিটামিন। যা তোমার শ্বাশুড়ীর স্বাস্থ্য ভাল হতে সাহায্য করেছে।
একমাত্র বিষ ছিল তোমার মনে এবং তার প্রতি তোমার আচরণে, যেটা তুমি পুরোপুরি ধুয়ে ফেলেছ তাকে ভালোবেসে।"
মনে রাখবেন, "যে যাকে যতটা ভালোবাসা দেবে, প্রতিদানে ততটা ভালোবাসাই পাবে। আপনি যেমন ব্যাবহার করবেন, তার থেকে ভালো ব্যাবহার আপনি আশা করতে পারেন কি?? ভালো ব্যাবহারই মানুষকে সুন্দর ও সুখী পথের নির্দেশনা দেয়"।
চাহিদা যত বেশি সুখ তত কম
, ‘নদীর এপার কহে ছাড়িয়া নিঃশ্বাস, ওপারেতে সর্বসুখ আমার বিশ্বাস’। সত্যিকারের সুখের সন্ধান পাওয়া সত্যি কঠিন। কবি-সাহিত্যিকরা সুখের অনেক সন্ধান করেছেন।
তবে প্রশ্নটা হলো, সুখ আসলে কী? এ প্রশ্নের উত্তর হাজার হাজার বছর ধরে খোঁজা হচ্ছে। এটার আসলে সঠিক কোনো উত্তর বা মাপকাঠি নেই। কেউ সুখ খোঁজে সাফল্যে, কেউ সুন্দরী নারীতে, কেউ লেটেস্ট মডেলের গাড়িতে, কেউ চকচকে ফ্ল্যাটে, কেউ পার্টিতে, কেউ গানে, কেউ পাঠে, কেউ বিত্তে, কেউ চিত্তে।
তবে সুখের সরল সমীকরণ হলো, চাহিদা যত বেশি সুখ তত কম। কিন্তু সরল অঙ্কই যে গরলে ভর্তি তা তো সবারই জানা।
অমুকের গাড়িটা আমার গাড়ির চেয়ে সুন্দর, তমুকের ফ্ল্যাটটা দক্ষিণমুখী, অমুক আমার চেয়ে কম যোগ্য হয়েও বেশি বেতন পাচ্ছে, তমুকের স্ত্রী অনেক স্মার্ট, অমুকের সন্তান আমার সন্তানের চেয়ে ভালো ছাত্র; যত তুলনা করবেন, যত মেলাবেন; সুখ আপনার থেকে তত দূরে সরে যাবে।
তবে সেই যে গল্প আছে না, এক লোক তার ভালো জুতা নেই বলে আক্ষেপ করছিল। কিন্তু মসজিদে গিয়ে দেখল আরেকজনের পা-ই নেই। যার পা নেই, তার তো জুতার চাহিদাও নেই। যত চাহিদা তত অসুখ। এটা ঠিক, একটু অতৃপ্তি না থাকলে, একটু চাহিদা না থাকলে বেঁচে থাকাটা পানসে হয়ে যায়, অর্থহীন হয়ে যায়।
সুখী কে? এ প্রশ্নেরও কোনো নির্ধারিত উত্তর নেই। সেই গল্পের মতো। রাজার অসুখ হয়েছে। কোনো ডাক্তার-কবিরাজের ওষুধেই কাজ হচ্ছে না। এক কবিরাজ বললেন, সুখী মানুষের জামা গায়ে দিলেই রাজা ভালো হয়ে যাবে। সবাই ভাবল, এটা কোনো ব্যাপার হলো। পাইক-পেয়াদা বেরোলো সুখী মানুষের খোঁজে।
কিন্তু হা হতোমোম্মি। ‘সুখেরই পৃথিবী, সুখেরই অভিনয়, যত আড়ালে রাখো, আসলে কেউ সুখী নয়’। খুঁজতে খুঁজতে এক কুঁড়েঘরে এক লোক পাওয়া গেল, যিনি সত্যিকারের সুখী। সবাই বলল, ভাই তোমার একটা জামা দাও।
রাজার জীবন বাঁচাতে হবে। কিন্তু সুখী মানুষের নির্বিকার জবাব, আমার তো কোনো জামা নেই। তাই তো, জামা না থাকলেও সুখী হওয়া যায়। কেউ এক বেলা খাবার জোগাড় করতে মাইলের পর মাইল হাঁটে, কেউ খাবারের পর তা বার্ন করতে মাইলের পর মাইল হাঁটে। কেউ বছরে একবার পোলাও খেতে সারা বছর অপেক্ষা করে। কেউ হয়তো চাইলে সারা বছরই পোলাও খেতে পারে, কিন্তু তার গ্রিন সালাদ ছাড়া আর কিছু খাওয়ার অনুমতিই নেই। সুখটা আসলে অনুভবের ব্যাপার।
সূচিপত্র
১) ছোটদের সাথে আমাদের আচরণ ২) পরিবার ও সন্তান, সুপার পাওয়ার যেভাবে তৈরি হয়, ৩) দীর্ঘস্থায়ী ভয়ের উৎপত্তির মূলে শৈশবকালে ঘটে যাওয়া ঘটনার প্রভাব , ৪) সন্তানের উৎসাহ এবং উদ্দীপনা বাড়ানো, ৫) আপনার শিশুটি ঘুমুক শান্তিতে এবং নির্ভরতায় , ৬) কিছু অব্যর্থ টিপস, যা আপনার শিশুকে পড়াশোনায় আগ্রহী করে তুলবে, ৭) শিশুকে কিভাবে বড় করবেন, ৮) বাচ্চাদের মস্তিষ্ক বিকাশে কী করবেন? ৯) বাচ্চাদের বুদ্ধি বিকাশের অন্যতম পথ, দৌড়, ১০) বাচ্চাকে কখনো আড়ালে লুকিয়ে খেতে দেবেন না, ১১) পিটার সিংগারের দর্শন, ১২) দুষ্টু শিশুরা তাড়াতাড়ি শেখে, ১৩) সন্তানকে যতই শাস্তি দেবেন ততই সে অসামাজিক হবে, ১৪) বাবা-মাই সন্তানকে নির্যাতন করেন সবচেয়ে বেশি , ১৫) সন্তানের সাথে কিভাবে গড়ে তুলবেন নিবিড় বন্ধন, ১৬) যে ১১টি কথা শিশুকে কখনোই বলবেন না!, ১৭) শিশুকে গল্প শোনান প্রতিদিন, ১৮) সন্তানের আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধির ১০টি কৌশল, ১৯) সৃজনশীলতা হচ্ছে নতুন কিছু করার যোগ্যতা, ২০) যারা মুখস্থ করতে পারেন না, ২১) তারা মেধাবী, মেধাবী হওয়ার উপায়,
২২) কথা ও ভাষা, ২৩) এলিভেটর পিচ, ২৪) সুন্দর করে কথা বলে সমস্যা জয়ের কৌশল, ২৫) ফোনে কথা বলার আদবকেতা, ২৬) ১২টি কর্ম বিধান, ২৭) ভালোবাসার অপর নাম প্রয়োজন, ২৮) আলতু-ফালতু কাজে সময় অপচয় করে স্বপ্ন পূরণের কল্পনা, ২৯) স্ট্রেস ম্যানেজমেন্ট, ৩০) চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিন পিং-এর জীবন থেকে শিক্ষা, ৩১) অভিজ্ঞতা ও অতীত থেকে শিক্ষা গ্রহণ, ৩২) বর্তমানকে সবচেয়ে বেশি মূল্য দিন, ৩৩) ২৪ ঘণ্টা কেউ সুখী হয় না, ৩৪) কিছু অভ্যাস যা আপনাকে আরও সুখী করবে , ৩৫) আপনার অবয়ব , ৩৬) সফলতার 25টি হট কৌশল-1, ৩৭) সাফল্যের 25টি হট কৌশল-2, ৩৮) সফলতার 55 সূত্র, ৩৯) কিভাবে নিজেকে নেতা হিসেবে গড়ে তুলবে, ৪০) সময় ব্যবস্থাপনা, ৪১) সময় ব্যবস্থাপনার তিনটি ধাপ, ৪২) সময়কে যথাযথভাবে কাজে লাগানোর উপায়গুলো, ৪৩) সাফল্য, ড. কোভের ইমোশনাল একাউন্ট কনসেপ্ট, ৪৪) সবচে বড় ইমোশনাল একাউন্ট, ৪৫) আপনার ইমোশনাল একাউন্ট, ৪৬) বুদ্ধি ও বিবেচনাবোধ বর্জিত কর্মফল বিপজ্জনক, ৪৭) অন্যদের দিয়ে আপনার কাজ করান কিন্তু সম্মান আপনি অর্জন করুন, ৪৮) অন্য লোকেরা আপনার কাছে আসুক দরকার হলে টোপ দিন, ৪৯) অসুখী এবং ভাগ্যহীনদের বর্জন করুন, ৫০) লোককে আপনার ওপর নির্ভরশীল করুন , ৫১) নেওয়ার পূর্বে দেওয়া অন্য বক্তির স্বার্থ বুঝুন, ৫২) শত্রুকে খাটো করে দেখবেন না, ৫৩) নিজেকে রক্ষা করার জন্য চারিদিকে দুর্গ নির্মাণ করবেন না, ৫৪) কারোর পক্ষ অবলম্বন করে বসে থাকবেন না, ৫৫) আপনার শক্তিসমূহকে সংহত করুন, ৫৫) নিজের ভুলগুলোকে লুকিয়ে রাখুন, ৫৬) শুধু সাহসের জোরে নয়, পরিণতিও বিবেচনায় রাখুন, ৫৭) প্রতিটি মানুষের গোপন ইচ্ছা খুঁজে বের করুন, ৫৮) রাগ বিপজ্জনক ও অভদ্রতা, ৫৯) কোনো দলকে ধরার জন্য দলপতিকে প্রথমে ধরুন, ৬০) নিজেকে গুরুত্বপূর্ণ মনে করুন, গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবেন, ৬০) পরিবেশ সামলাতে শিখুন, ৬১) প্রথম শ্রেণির মানুষ হয়ে উঠুন, ৬২) আপনার সামাজিক পরিবেশ ‘প্রথম শ্রেণি’র করে তোলার উপায়, ৬৩) ‘সস্তার তিন অবস্থা’ প্রধম শ্রেণিভুক্ত হয়ে উঠুন , ৬৪) যত বেশি বন্ধুত্ব তত বেশি উপরে ওঠার সম্ভাবনা, ৬৫) সাহস করে কাজটা শুরু করুন, ৬৬) সাফল্য মানে বারবার ভিন্নভাবে চেষ্টা করা, ৬৭) ১- ১০ ভাল অভ্যাস, ১১- ২০ ভাল অভ্যাস, ২১- ৩০ ভাল অভ্যাস, ৩১- ৪০ ভাল অভ্যাস, ৪১- ৫০ ভাল অভ্যাস, ৫১- ৬০ ভাল অভ্যাস, ৬১- ৭০ ভাল অভ্যাস, ৭১- ৮০ ভাল অভ্যাস, ৮১- ৯০ ভাল অভ্যাস, ৯১- ১০২ ভাল অভ্যাস, ৬৮) জিরো থেকে হিরো, ৬৯) সৃজনশীলদের সফলতার ৭ সূত্র, ৬৯) জীবনে পরিবর্তন আনুন ৪৮টি উপায়ে, ৭০) জীবন-যাপন, ৭১) জাপানী ও চিন লাইফ স্টাইল , ৭২) ৩০টি দর্শন, যা আপনার জীবনে কাজে লাগবে, ৭৩) সম্পর্ক তৈরি করা, বন্ধুত্ব, ৭৪) যে আচরণগুলো মানুষের মনের কথা জানাবে, ৭৫) কথা বলার সূত্র, ৭৬) আপনি ও আপনার ব্যবহার, ৭৭) নিজেকে সঠিকভাবে উপস্থাপন করা, ৭৮) কথা বলার কতিপয় গুরুত্বপূর্ণ নিয়ম, ৭৯) কিভাবে নিজেকে বিনয়ী হিসেবে উপস্থাপন করবেন, ৮০) কিভাবে বুদ্ধিদীপ্ত কথা বলবেন, ৮১) কথা বলার ৫টি বিস্ময়কর টেকনিক, ৮২) কিভাবে মানুষকে আকৃষ্ট করবেন? ৮৩) অকারণে সময় নষ্ট? মেল রবিনের ৫ সেকেন্ড রুল, ৮৪) কর্পোরেট আদবকেতা, ৮৫) ৩৫টি কর্পোরেট কালচার ও আপনার করণীয়, ৮৬) যা না জানলে লজ্জায় পড়তে হয় , ৮৭) কাজের সময়ে যে বিষয়গুলো একেবারেই করা উচিৎ না , ৮৮) ক্যারিয়ারে সাফল্য পেতে ছুড়ে ফেলুন ৭টি দোষ, ৮৯) আকাক্সক্ষা, ইচ্ছে বা স্বপ্ন,
৯০) বক্তৃতা প্রশিক্ষণ, কাজ কিভাবে করবেন? ৯১) আত্মশক্তিতে বলিয়ান হতে, ৯২) একনাগাড়ে চলবেন না, ৯৩) মারফিস ’ল , কাজের রোডম্যাপ তেরি , ৯৪) জব স্যাটিসফেকশন, ৯৫) কাজে সফলতার সূত্রাবলী, ৯৬) যেভাবে জীবনযাপন করবেন, ৯৭) পরিণত বুদ্ধির মানুষেরা যে কাজগুলো কখনোই করেন না, ৯৮) জীবনে দক্ষতা অর্জনের কার্যকর ১২টি উপায়, ৯৯) সঠিক লক্ষ্য নির্ধারণ ও কাজ করার উপায় , ১০০) সফলতা ও সার্থকতা, ১০১) জীবনের ছোট ছোট প্রাপ্তিগুলোকে উপভোগ করা, ১০২) সফলতার কিছু পদ্ধতি, ১০৩) সফল হতে চাইলে যে ৮ টি জিনিস বাদ দেয়া প্রয়োজন, ১০৪) সফল ব্যক্তিরা যে ১০টি কাজ কখনোই করেন না, ১০৫) সর্বদা স্মরণ রাখুন, ১০৬) চিন্তাশক্তি , ১০৭) স্বাধীনতা, ১০৮) জ্ঞান অর্জন খাদ্য গ্রহণের মতো , ১০৯) দৃঢ় প্রতিজ্ঞ হয়ে চেষ্টা করলে কখনোই বিফল হবেন না, ১১০) বুদ্ধির সংজ্ঞা হলো, প্রতিটি কাজ ভেবে-চিন্তে করা, ১১১) ব্যক্তিত্ব, চেহারা ও ব্যক্তিত্ব , ১১২) সেলডন-এর গবেষণা , ১১৩) ব্যক্তিত্ব ও উচ্চারণ, ১১৪) পোশাক ও ব্যক্তিত্ব, ১১৫) প্রথম দেখায় ব্যক্তিত্বের ছাপ, ১১৬) বিচ্ছিন্নতা ব্যক্তিত্বের বড় শত্রু, ১১৭) ব্যক্তিত্বে জিনগত প্রভাব, ১১৮) অন্তর্মুখী ও বহির্মুখী ব্যক্তিত্ব, ১১৯) মনোমুগ্ধকর ব্যক্তিত্বের ১০ বৈশিষ্ট্য, ১২০) ব্যক্তিত্বের উৎকর্ষতার জন্যে ১০ নির্দেশনা, ১২১) কিভাবে ব্যক্তিত্বের বিকাশ ঘটাবেন? , ১২২) নিজেকে স্মার্ট করতে ৫টি কৌশল, ১২৩) আকর্ষণীয় মানুষ হবার ৬টি পরামর্শ, ১২৪) আত্মশুদ্ধি , ১২৫) হতাশ হবেন না, ১২৬) পাছে লোকে কিছু বলে, ১২৭) সুখ-শান্তি উন্নতি , ১২৮) চাহিদা, ১২৯) খাদ্য, ঘুম ও বিশ্রাম, ১৩০) স্বাস্থ্য ভাল রাখার নিয়ম, ১৩১) টেনশন দূর করতে হলে, ১৩২) শুধু নিজের কথা নয়, অন্যের কথাও ভাবুন, ১৩৩) চাহিদা যত বেশি সুখ তত কম, ১৩৪) সুখী জীবনের জন্য ১৮ টি টিপস, ১৩৫) আত্মবিশ্বাস, আত্ম বিশ্বাসের শক্তি, ১৩৬) অজুহাতের ব্যাধিতে আক্রান্ত ব্যর্থ মানুষ, ১৩৭) দি সেভেন হ্যাবিট অফ হাইলি এ্যা ফেক্টিভ পিপল, ১৩৮) সামাজিক আয়না, ১৩৯) প্রোএ্যাক্টিভিটি, ১৪০) সার্কেল অফ ইনফ্লুয়েন্স, ১৪১) শুরু করুন আজই, ১৪২) আপনার কেন্দ্রবিন্দু কোনটি?, ১৪৩) মাথার দুটি অংশই ব্যবহার করুন, ১৪৪) সময়ের ব্যবস্থাপনা, ১৪৫) ব্যক্তিগত ব্যবস্থাপনা, ১৪৬) গুরুত্বপূর্ণ এবং জরুরি, ১৪৭) পরনির্ভরশীল জীবন, ১৪৮) ছয়টি উপায়ে অন্য মানুষের সাথে আদান-প্রদান, ১৪৯) অধ্যয়ন, ১৫০) পড়াশোনায় ১২ কার্যকর কৌশল, ১৫১) ঘুম থেকে উঠতে ১০-৩-২-১-০ ফর্মুলা, ১৫২) আয়-ব্যয়- টাকা, ১৫৩) অন্যকে খুশি করতে পয়সা খরচ যে কারণে অর্থহীন, ১৫৪) খরচের লাগাম টেনে ধরতে.. ১৫৫) নারী, ১৫৬) সম্পর্ককে সুন্দর রাখতে কিছু “মিথ্যা” বলা জরুরী , ১৫৭) ছেলেদের কোন জিনিস দেখে মেয়েরা? , ১৫৮) স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর কিছু অভ্যাস, ১৫৯) ভুঁড়ি ঠেকাতে ৫টি নিয়ম, ১৬০) যেসব কারণে নারীদের স্বাবলম্বী হওয়া উচতি , ১৬১) বিয়ে-সংসার, ১৬২) সফল বিয়ের তিনটি মন্ত্র, ১৬৩) সুখী হবার দারুণ কিছু মূলমন্ত্র, ১৬৪) কিছু গল্প, ১৬৫) ভালোবাসাহীন সম্পর্ক, ১৬৬) কেন স্পর্শের প্রয়োজন হয় প্রতিদিন, ১৬৭) যে কারণে একা থাকাই আপনার জন্য ভালো, ১৬৮) ব্যবসা, ১৬৯) বিক্রয় বৃদ্ধির কৌশল, ১৭০) যে ৭টা ব্যাপার বিজনেসে করবেন না, ১৭১) স্বাস্থ্য, ১৭২) দুগ্ধজাত খাবারে পুরুষের বন্ধ্যত্ব, ১৭৩) একাকিত্বের বিপদ, ১৭৪) কর্মক্ষম ও প্রফুল্ল রাখতে, ১৭৫) মন ভালো করার উপায়, ১৭৬) যৌন স্বাস্থ্য, ১৭৭) পুরুষদের কেজেল, ১৭৮) মহিলাদের কেজেল, ১৭৯) দক্ষতা , ১৮০) আলসেমি দূর করার সহজ কিছু উপায়, ১৮১) কীভাবে সামলাবেন নিন্দুকদের ?, ১৮২) সুখী হতে চাইলে যা কখনোই করবেন না, ১৮৩) সব ভুলে যাচ্ছেন? স্মৃতিশক্তি চাঙ্গা রাখতে ৫টি টিপস, ১৮৪) বয়সের ভারে বৃদ্ধ না হয়ে বরং কাজের ভারে যুবক থাকার চেষ্টা করো, ১৮৫) নিজেকে কাজের সঙ্গে সম্পক্ত করার তিনটে স্টেপ, ১৮৬) জীবনের লক্ষ্য নির্ধারণে দ্রুত পদ্ধতিগুলো, ১৮৭) প্রতিদান পাওয়ার আশায় কাজ করবেন না, ১৮৮) প্রেম একটি মানসিক রোগ, ১৮৯) সম্পর্ক ভেঙ্গে যাবার পর নিজেকে যেভাবে সামলাবে, ১৯০) সময় সবকিছু বদলে দেয়, ১৯১) সম্পর্ক তৈরির ক্ষেত্রে কমন পাঁচটি ভুল, ১৯২) আত্মবিশ্বাস/মনোবল, ১৯৩) প্যারাসুট অফ হ্যাপিনেস, ১৯৪) বারবার ঘুরে দাঁড়াতে হবে, ১৯৫) আত্মবিশ্বাসহীন মানুষের লক্ষণ, ১৯৬) বাড়াও আত্মবিশ্বাস, বাড়বে সফলতা, ১৯৭) প্রাতিষ্ঠানিক সম্পর্ক শক্তিশালী করার টিপস, ১৯৮) কিভাবে ধরে রাখবে দু'জনের সম্পর্ক, ১৯৯) কিভাবে বুঝবে সম্পর্ক শেষ করতে হবে, ২০০) সম্পর্ক যখন প্রেম-ভালোবাসার, ২০১) যেসব বিষয়ের উপর স¤পর্ক গড়ে ওঠে, ২০২) ভালোবাসার অপর নাম প্রয়োজন, ২০৩) সম্পর্কের গুণগত মান বাড়বে কিভাবে, ২০৪) মস্তিস্ক ঠিক রাখার ৩০ উপায়, ২০৫) মানুষের আচরণের পেছনে একটা কারণ থাকে, ২০৬) কোনো কাজে নিজেকে সম্পক্ত না করেই আমরা নিজ ক্যারিয়ারকে এগিয়ে নিয়ে যাই ২০৭) স্রোতের বিপরীতে চিন্তা করুন, ২০৮) আপনার টাইমজোনে সময় আসবেই, ২০৯) চাইল্ডহুড অ্যামনেসিয়া এবং আমাদের শিক্ষণীয়,