সময় ব্যয় করুন দ্বিতীয় ঘরে
আপনি যাচ্ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ে ক্লাসে। গুরুত্বপূর্ণ ক্লাস। আপনার পছন্দের বিষয় এবং আপনি এই বিষয়টিতেই ভালো কিছু করতে চান। এই ক্লাসটি গুরুত্বপূর্ণ কারণ, এটা আপনার জীবনের লক্ষ্যের পথে সাজানো। কিন্তু রাস্তা দিয়ে যখন হেঁটে যাচ্ছিলেন, তখন মোবাইল ফোনে এক বন্ধু জানাল, এক্ষুণি ক্যান্টিনে চলে আয়, মিতু এসেছে।
বন্ধুর ফোন কলে এবং মিতুর উপস্থিতিতে ক্যান্টিন হয়ে গেল আপনার কাছে গুরুত্বপূর্ণ। আপনি ক্লাসে না গিয়ে চলে গেলেন ক্যান্টিনে। এই ধরনের ঘটনা কি আপনার জীবন ঘটছে না প্রতিনিয়ত? যদি তাই হয়, তাহলে আপনি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়টি ধরতে পারছেন না। জরুরি বিষয়গুলো আপনার পুরো সময় খেয়ে ফেলছে। আপনি সময়কে সঠিকভাবে ব্যবহার করতে পারছেন না।
চলুন কিছুটা বুঝার জন্য প্রতিটি ঘরের কিছু উদাহরণ এবং ফলাফল দেই। তাহলে হয়তো বুঝতে সুবিধা হতে পারে।
এক. গুরুত্বপূর্ণ এবং জরুরি
এই ধরনের কাজের ভেতর বেশি থাকে হলো ক্রাইসিস। যেমন ধরুন আগুন লেগেছে, কিংবা ভূমিক¤প, নয়তো ইন্টারনেট লিংক ডাউন এক্ষুণি ঠিক করতে হবে, এসির পানিতে ঘরে ভেসে গেছে, আপনার ছেলে কারও সাথে মারামারি করে এসেছে ইত্যাদি। এর সাথে এমন ধরনের কাজ থাকতে পারে যেগুলোর জন্য চাপ আছে। যেমন আপনার বস এসে বলল, এই কাজটি এখনই করে দিতে হবে; নয়তো আপনার স্ত্রী ফোন করে বলল- এখনই বাজারে না গেলে মাছ পাওয়া যাবে না ইত্যাদি।
এবং পাশাপাশি যে সকল প্রজেক্ট সময় নির্ভর, তারাও এই ঘরে পড়বে। এই ঘরের কাজগুলোকে আপনি এড়িয়ে যেতে পারবেন না। এগুলো করতেই হবে।
তবে সারাদিন যদি এগুলোই করতে থাকেন, তাহলে আপনি শেষ। আপনি যদি এই ঘরে বেশি সময় ব্যয় করেন, তাহলে আপনি একটি র্স্ট্যাসফুল জীবন-যাপন করবেন এবং একটা সময়ে বার্ন-আউট হয়ে যাবেন। কিছু কাজ অন্যকে ডেলিগেট করে দিতে শিখতে শিখুন এবং দ্বিতীয় ঘরে সময় ব্যয় করার ব্যবস্থা করুন।
দুই. গুরুত্বপূর্ণ কিন্তু জরুরি নয়
এই ঘরটাতেই সবচে’ বেশি সময় দিবেন আপনি। যেহেতু বিষয়গুলো জরুরি নয়, তাই আমরা বেশি সময় ব্যয় করি না, হালকাভাবে নেই। কিন্তু যদি তৃতীয় অভ্যাসটি গড়তে চান, তহালে এটাই হবে আপনার সবচে’ বড় পরিবর্তন। কোন কাজগুলো আসলে জরুরি নয়, কিন্তু গুরুত্বপূর্ণ? একটি বড় ধরনের কাজের উদাহরণ হলো ‘প্রতিরোধ’। অর্থাৎ আপনি এমনভাবে সময় ব্যয় করুন, যেমন কোনোও সমস্যার বা ক্রাইসিসের জন্মই না হয়। সমস্যা হলে তো সমাধান করবেনই। কিন্তু আপনি নিজেই যেন সমস্যার জন্ম না দেন। মাথায় যদি থাকে‘প্রতিরোধ’ তাহলে আপনি আগে-ভাগেই সঠিক কাজগুলো শেষ করে ফেলবেন। তারপর হলো সেই কাজগুলো করা, যেগুলো আপনাকে‘প্রডাকশন ক্যাপাসিটি’ তৈরিতে সহায়তা করে। যেমন ধরুন, আপনার শরীরকে ঠিক রাখা। শরীর ঠিক না থাকলে আপনি প্রডাকশন দিবেন কীভাবে? একইভাবে, যেই যন্ত্রটি ব্যবহার করছেন তার মেইন্টেনেন্স করা, যেন সেটা প্রডাকশন দিতে সমর্থ থাকে।
এই ঘরের আরেকটি কাজ হলো স¤পর্ক তৈরি করা। অনেকেই স¤পর্ক তৈরিতে কোনোও সময় ব্যয় করতে চায় না। এটাতে সময় ব্যয় করাকে নষ্ট খাত হিসেবে ধরে নেয়। কিন্তু এটা দ্বিতীয় ঘরের একটি বড় ক্ষেত্র। আরও যে কাজগুলো রয়েছে তা হলো- নতুন সম্ভাবনাকে রিকগনাইজ করা, সঠিক পরিকল্পনা করা, সঠিক চিত্তবিনোদন করা ইত্যাদি।
এই ঘরে সময় বেশি দেওয়ার ফলাফল হিসেবে আপনার ভিশন এবং দৃষ্টিভঙ্গি অনেক সুন্দর হবে, আপনার জীবন ব্যালেন্স হবে, আপনার সবকিছু নিয়মের ভেতর চলে আসবে, আপনি অনেক কিছুই নিয়ন্ত্রণ করতে শিখে ফেলবেন এবং জীবনে কম ক্রাইসিসে পড়বেন।
তিন. গুরুত্বহীন কিন্তু জরুরি
আমাদের জীবনে অনেক জরুরি বিষয় ঘটে যেগুলো আসলে গুরুত্বহীন। এর একটি বড় উদাহরণ হলো‘প্রতিবন্ধক’ (ইন্টারাপ্ট)। অর্থাৎ আপনি কোনোও কিছুতে মগ্ন ছিলেন, কিন্তু হঠাৎ করেই কেউ হৈচৈ শুরু করে দিল। আপনার মগ্নতা কেটে গেল। আপনার কাজের মান কমে গেল। আরও কিছু উদাহরণ যেমন- কিছু কিছু ফোন কল, কিছু কিছু ই-মেইল, কিছু কিছু মিটিং, যে বিষয়গুলো আপনাকে চাপ দিচ্ছে, জনপ্রিয় কর্মকাণ্ড ইত্যাদি।
কোনোও বন্ধু অফিসের কাজের সময় ফোন দিল। ফোনটি যদি সাথে সাথে ধরেন, তাহলে সেটা জরুরি হয়ে গেল। আপনি ওটাকে জরুরি করে ফেললেন। কিন্তু সেই ফোনটি গুরুত্বপূর্ণ না। আপনি প্রশ্ন করতে পারেন, কেন ফোনটি তো গুরুত্বপূর্ণও হতে পারে। যে ফোনগুলো গুরুত্বপূর্ণ সেগুলো আপনি বুঝতে পারবেন। সেগুলো এমনিতেই এক নম্বর ঘরে চলে যাবে।
এভাবে দেখবেন সারাদিন আপনি কত ই-মেইল, মিটিং এবং ফোনে সময় ব্যয় করছেন যেগুলো গুরুত্বহীন।
আপনি যদি এই ঘরে সময় বেশি ব্যয় করেন তাহলে ফলাফল হিসেবে পাবেন, স্বল্প মেয়াদী পরিকল্পনা, ক্রাইসিস ম্যানেজ করতেই থাকবেন, লক্ষ্য ঠিক করে এগিয়ে যাওয়াটাকে গুরুত্বহীন মনে হবে, প্রায়ই মনে করবেন আপনি পরিস্থিতির শিকার হয়েছেন, নিজের ওপর নিয়ন্ত্রণ থাকবে না এবং বেশিরভাগ ক্ষেত্রে খুব হালকা ধরনের স¤পর্ক তৈরি হবে যেগুলো টিকবে না।
চার. গুরুত্বহীন এবং জরুরি নয়
অনেকেই নিশ্চয়ই ভাবছেন, আমি একজন কর্মব্যস্ত মানুষ, আমার কাছে কি গুরুত্বহীন এবং অজরুরি কিছু আসতে পারে? বিশ্বাস করবেন, এই গ্রহের বেশিরভাগ মানুষ এই চতুর্থ ঘরেই সময় কাটায় বেশি। মানুষ তুচ্ছ বিষয়ে সময় কাটায় বেশি। সারাদিন দেখবেন প্রচণ্ড ব্যস্ত। কিন্তু কোনোটাই গুরুত্বপূর্ণ নয়। অনেকেই ই-মেইলে, ম্যাসেঞ্জারে এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে লম্বা সময় কাটান।
এগুলো কি আপনার জন্য গুরুত্বপূর্ণ?
অনেকেই মনে করেন, সারাক্ষণ ফেসবুক কিংবা অনলাইনে থাকাটা গুরুত্বপূর্ণ। আসলেই কি তাই? এগুলো হলো আপনার জন্য সবচে’ বড় ইন্টারাপ্ট। আপনি দিনের একটি সময় ঠিক করে নিন যখন নিউজ পড়বেন, নয়তো ফেসবুক দেখবেন। ওই ত্রিশ মিনিটই আপনার বরাদ্দ। এটা কিন্তু বিনোদন না, আবার আপনার জীবনের লক্ষ্যের সাথেও যায় না। এর সাথে যুক্ত হতে পারে অসংখ্য বিষয়, যেগুলো আপনার মূল্যবান সময়কে নষ্ট করে। যেমন বাঙালিদের একটি হলো আড্ডা। বাঙালি একটু সুযোগ পেলেই আড্ডা দিয়ে ফেলবে। এমন-কি সেটা পুরো অফিসের ভেতর বসেই। এতটুকু লজ্জা অনুভব করবে না।
আপনি যদি তিন এবং চার- এই দুটি ঘরে বেশি সময় ব্যয় করে থাকেন, তাহলে বুঝতে হবে আপনি পুরোপুরি দায়িত্বজ্ঞানহীন জীবন-যাপন করছেন। এরা মূলত চাকরিচ্যুত হয় এবং ন্যূনতম জীবনযাপনের জন্য অন্যের ওপর (পরিবার কিংবা প্রতিষ্ঠান) নির্ভরশীল হয়।
সূচিপত্র
১) ছোটদের সাথে আমাদের আচরণ ২) পরিবার ও সন্তান, সুপার পাওয়ার যেভাবে তৈরি হয়, ৩) দীর্ঘস্থায়ী ভয়ের উৎপত্তির মূলে শৈশবকালে ঘটে যাওয়া ঘটনার প্রভাব , ৪) সন্তানের উৎসাহ এবং উদ্দীপনা বাড়ানো, ৫) আপনার শিশুটি ঘুমুক শান্তিতে এবং নির্ভরতায় , ৬) কিছু অব্যর্থ টিপস, যা আপনার শিশুকে পড়াশোনায় আগ্রহী করে তুলবে, ৭) শিশুকে কিভাবে বড় করবেন, ৮) বাচ্চাদের মস্তিষ্ক বিকাশে কী করবেন? ৯) বাচ্চাদের বুদ্ধি বিকাশের অন্যতম পথ, দৌড়, ১০) বাচ্চাকে কখনো আড়ালে লুকিয়ে খেতে দেবেন না, ১১) পিটার সিংগারের দর্শন, ১২) দুষ্টু শিশুরা তাড়াতাড়ি শেখে, ১৩) সন্তানকে যতই শাস্তি দেবেন ততই সে অসামাজিক হবে, ১৪) বাবা-মাই সন্তানকে নির্যাতন করেন সবচেয়ে বেশি , ১৫) সন্তানের সাথে কিভাবে গড়ে তুলবেন নিবিড় বন্ধন, ১৬) যে ১১টি কথা শিশুকে কখনোই বলবেন না!, ১৭) শিশুকে গল্প শোনান প্রতিদিন, ১৮) সন্তানের আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধির ১০টি কৌশল, ১৯) সৃজনশীলতা হচ্ছে নতুন কিছু করার যোগ্যতা, ২০) যারা মুখস্থ করতে পারেন না, ২১) তারা মেধাবী, মেধাবী হওয়ার উপায়,
২২) কথা ও ভাষা, ২৩) এলিভেটর পিচ, ২৪) সুন্দর করে কথা বলে সমস্যা জয়ের কৌশল, ২৫) ফোনে কথা বলার আদবকেতা, ২৬) ১২টি কর্ম বিধান, ২৭) ভালোবাসার অপর নাম প্রয়োজন, ২৮) আলতু-ফালতু কাজে সময় অপচয় করে স্বপ্ন পূরণের কল্পনা, ২৯) স্ট্রেস ম্যানেজমেন্ট, ৩০) চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিন পিং-এর জীবন থেকে শিক্ষা, ৩১) অভিজ্ঞতা ও অতীত থেকে শিক্ষা গ্রহণ, ৩২) বর্তমানকে সবচেয়ে বেশি মূল্য দিন, ৩৩) ২৪ ঘণ্টা কেউ সুখী হয় না, ৩৪) কিছু অভ্যাস যা আপনাকে আরও সুখী করবে , ৩৫) আপনার অবয়ব , ৩৬) সফলতার 25টি হট কৌশল-1, ৩৭) সাফল্যের 25টি হট কৌশল-2, ৩৮) সফলতার 55 সূত্র, ৩৯) কিভাবে নিজেকে নেতা হিসেবে গড়ে তুলবে, ৪০) সময় ব্যবস্থাপনা, ৪১) সময় ব্যবস্থাপনার তিনটি ধাপ, ৪২) সময়কে যথাযথভাবে কাজে লাগানোর উপায়গুলো, ৪৩) সাফল্য, ড. কোভের ইমোশনাল একাউন্ট কনসেপ্ট, ৪৪) সবচে বড় ইমোশনাল একাউন্ট, ৪৫) আপনার ইমোশনাল একাউন্ট, ৪৬) বুদ্ধি ও বিবেচনাবোধ বর্জিত কর্মফল বিপজ্জনক, ৪৭) অন্যদের দিয়ে আপনার কাজ করান কিন্তু সম্মান আপনি অর্জন করুন, ৪৮) অন্য লোকেরা আপনার কাছে আসুক দরকার হলে টোপ দিন, ৪৯) অসুখী এবং ভাগ্যহীনদের বর্জন করুন, ৫০) লোককে আপনার ওপর নির্ভরশীল করুন , ৫১) নেওয়ার পূর্বে দেওয়া অন্য বক্তির স্বার্থ বুঝুন, ৫২) শত্রুকে খাটো করে দেখবেন না, ৫৩) নিজেকে রক্ষা করার জন্য চারিদিকে দুর্গ নির্মাণ করবেন না, ৫৪) কারোর পক্ষ অবলম্বন করে বসে থাকবেন না, ৫৫) আপনার শক্তিসমূহকে সংহত করুন, ৫৫) নিজের ভুলগুলোকে লুকিয়ে রাখুন, ৫৬) শুধু সাহসের জোরে নয়, পরিণতিও বিবেচনায় রাখুন, ৫৭) প্রতিটি মানুষের গোপন ইচ্ছা খুঁজে বের করুন, ৫৮) রাগ বিপজ্জনক ও অভদ্রতা, ৫৯) কোনো দলকে ধরার জন্য দলপতিকে প্রথমে ধরুন, ৬০) নিজেকে গুরুত্বপূর্ণ মনে করুন, গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবেন, ৬০) পরিবেশ সামলাতে শিখুন, ৬১) প্রথম শ্রেণির মানুষ হয়ে উঠুন, ৬২) আপনার সামাজিক পরিবেশ ‘প্রথম শ্রেণি’র করে তোলার উপায়, ৬৩) ‘সস্তার তিন অবস্থা’ প্রধম শ্রেণিভুক্ত হয়ে উঠুন , ৬৪) যত বেশি বন্ধুত্ব তত বেশি উপরে ওঠার সম্ভাবনা, ৬৫) সাহস করে কাজটা শুরু করুন, ৬৬) সাফল্য মানে বারবার ভিন্নভাবে চেষ্টা করা, ৬৭) ১- ১০ ভাল অভ্যাস, ১১- ২০ ভাল অভ্যাস, ২১- ৩০ ভাল অভ্যাস, ৩১- ৪০ ভাল অভ্যাস, ৪১- ৫০ ভাল অভ্যাস, ৫১- ৬০ ভাল অভ্যাস, ৬১- ৭০ ভাল অভ্যাস, ৭১- ৮০ ভাল অভ্যাস, ৮১- ৯০ ভাল অভ্যাস, ৯১- ১০২ ভাল অভ্যাস, ৬৮) জিরো থেকে হিরো, ৬৯) সৃজনশীলদের সফলতার ৭ সূত্র, ৬৯) জীবনে পরিবর্তন আনুন ৪৮টি উপায়ে, ৭০) জীবন-যাপন, ৭১) জাপানী ও চিন লাইফ স্টাইল , ৭২) ৩০টি দর্শন, যা আপনার জীবনে কাজে লাগবে, ৭৩) সম্পর্ক তৈরি করা, বন্ধুত্ব, ৭৪) যে আচরণগুলো মানুষের মনের কথা জানাবে, ৭৫) কথা বলার সূত্র, ৭৬) আপনি ও আপনার ব্যবহার, ৭৭) নিজেকে সঠিকভাবে উপস্থাপন করা, ৭৮) কথা বলার কতিপয় গুরুত্বপূর্ণ নিয়ম, ৭৯) কিভাবে নিজেকে বিনয়ী হিসেবে উপস্থাপন করবেন, ৮০) কিভাবে বুদ্ধিদীপ্ত কথা বলবেন, ৮১) কথা বলার ৫টি বিস্ময়কর টেকনিক, ৮২) কিভাবে মানুষকে আকৃষ্ট করবেন? ৮৩) অকারণে সময় নষ্ট? মেল রবিনের ৫ সেকেন্ড রুল, ৮৪) কর্পোরেট আদবকেতা, ৮৫) ৩৫টি কর্পোরেট কালচার ও আপনার করণীয়, ৮৬) যা না জানলে লজ্জায় পড়তে হয় , ৮৭) কাজের সময়ে যে বিষয়গুলো একেবারেই করা উচিৎ না , ৮৮) ক্যারিয়ারে সাফল্য পেতে ছুড়ে ফেলুন ৭টি দোষ, ৮৯) আকাক্সক্ষা, ইচ্ছে বা স্বপ্ন,
৯০) বক্তৃতা প্রশিক্ষণ, কাজ কিভাবে করবেন? ৯১) আত্মশক্তিতে বলিয়ান হতে, ৯২) একনাগাড়ে চলবেন না, ৯৩) মারফিস ’ল , কাজের রোডম্যাপ তেরি , ৯৪) জব স্যাটিসফেকশন, ৯৫) কাজে সফলতার সূত্রাবলী, ৯৬) যেভাবে জীবনযাপন করবেন, ৯৭) পরিণত বুদ্ধির মানুষেরা যে কাজগুলো কখনোই করেন না, ৯৮) জীবনে দক্ষতা অর্জনের কার্যকর ১২টি উপায়, ৯৯) সঠিক লক্ষ্য নির্ধারণ ও কাজ করার উপায় , ১০০) সফলতা ও সার্থকতা, ১০১) জীবনের ছোট ছোট প্রাপ্তিগুলোকে উপভোগ করা, ১০২) সফলতার কিছু পদ্ধতি, ১০৩) সফল হতে চাইলে যে ৮ টি জিনিস বাদ দেয়া প্রয়োজন, ১০৪) সফল ব্যক্তিরা যে ১০টি কাজ কখনোই করেন না, ১০৫) সর্বদা স্মরণ রাখুন, ১০৬) চিন্তাশক্তি , ১০৭) স্বাধীনতা, ১০৮) জ্ঞান অর্জন খাদ্য গ্রহণের মতো , ১০৯) দৃঢ় প্রতিজ্ঞ হয়ে চেষ্টা করলে কখনোই বিফল হবেন না, ১১০) বুদ্ধির সংজ্ঞা হলো, প্রতিটি কাজ ভেবে-চিন্তে করা, ১১১) ব্যক্তিত্ব, চেহারা ও ব্যক্তিত্ব , ১১২) সেলডন-এর গবেষণা , ১১৩) ব্যক্তিত্ব ও উচ্চারণ, ১১৪) পোশাক ও ব্যক্তিত্ব, ১১৫) প্রথম দেখায় ব্যক্তিত্বের ছাপ, ১১৬) বিচ্ছিন্নতা ব্যক্তিত্বের বড় শত্রু, ১১৭) ব্যক্তিত্বে জিনগত প্রভাব, ১১৮) অন্তর্মুখী ও বহির্মুখী ব্যক্তিত্ব, ১১৯) মনোমুগ্ধকর ব্যক্তিত্বের ১০ বৈশিষ্ট্য, ১২০) ব্যক্তিত্বের উৎকর্ষতার জন্যে ১০ নির্দেশনা, ১২১) কিভাবে ব্যক্তিত্বের বিকাশ ঘটাবেন? , ১২২) নিজেকে স্মার্ট করতে ৫টি কৌশল, ১২৩) আকর্ষণীয় মানুষ হবার ৬টি পরামর্শ, ১২৪) আত্মশুদ্ধি , ১২৫) হতাশ হবেন না, ১২৬) পাছে লোকে কিছু বলে, ১২৭) সুখ-শান্তি উন্নতি , ১২৮) চাহিদা, ১২৯) খাদ্য, ঘুম ও বিশ্রাম, ১৩০) স্বাস্থ্য ভাল রাখার নিয়ম, ১৩১) টেনশন দূর করতে হলে, ১৩২) শুধু নিজের কথা নয়, অন্যের কথাও ভাবুন, ১৩৩) চাহিদা যত বেশি সুখ তত কম, ১৩৪) সুখী জীবনের জন্য ১৮ টি টিপস, ১৩৫) আত্মবিশ্বাস, আত্ম বিশ্বাসের শক্তি, ১৩৬) অজুহাতের ব্যাধিতে আক্রান্ত ব্যর্থ মানুষ, ১৩৭) দি সেভেন হ্যাবিট অফ হাইলি এ্যা ফেক্টিভ পিপল, ১৩৮) সামাজিক আয়না, ১৩৯) প্রোএ্যাক্টিভিটি, ১৪০) সার্কেল অফ ইনফ্লুয়েন্স, ১৪১) শুরু করুন আজই, ১৪২) আপনার কেন্দ্রবিন্দু কোনটি?, ১৪৩) মাথার দুটি অংশই ব্যবহার করুন, ১৪৪) সময়ের ব্যবস্থাপনা, ১৪৫) ব্যক্তিগত ব্যবস্থাপনা, ১৪৬) গুরুত্বপূর্ণ এবং জরুরি, ১৪৭) পরনির্ভরশীল জীবন, ১৪৮) ছয়টি উপায়ে অন্য মানুষের সাথে আদান-প্রদান, ১৪৯) অধ্যয়ন, ১৫০) পড়াশোনায় ১২ কার্যকর কৌশল, ১৫১) ঘুম থেকে উঠতে ১০-৩-২-১-০ ফর্মুলা, ১৫২) আয়-ব্যয়- টাকা, ১৫৩) অন্যকে খুশি করতে পয়সা খরচ যে কারণে অর্থহীন, ১৫৪) খরচের লাগাম টেনে ধরতে.. ১৫৫) নারী, ১৫৬) সম্পর্ককে সুন্দর রাখতে কিছু “মিথ্যা” বলা জরুরী , ১৫৭) ছেলেদের কোন জিনিস দেখে মেয়েরা? , ১৫৮) স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর কিছু অভ্যাস, ১৫৯) ভুঁড়ি ঠেকাতে ৫টি নিয়ম, ১৬০) যেসব কারণে নারীদের স্বাবলম্বী হওয়া উচতি , ১৬১) বিয়ে-সংসার, ১৬২) সফল বিয়ের তিনটি মন্ত্র, ১৬৩) সুখী হবার দারুণ কিছু মূলমন্ত্র, ১৬৪) কিছু গল্প, ১৬৫) ভালোবাসাহীন সম্পর্ক, ১৬৬) কেন স্পর্শের প্রয়োজন হয় প্রতিদিন, ১৬৭) যে কারণে একা থাকাই আপনার জন্য ভালো, ১৬৮) ব্যবসা, ১৬৯) বিক্রয় বৃদ্ধির কৌশল, ১৭০) যে ৭টা ব্যাপার বিজনেসে করবেন না, ১৭১) স্বাস্থ্য, ১৭২) দুগ্ধজাত খাবারে পুরুষের বন্ধ্যত্ব, ১৭৩) একাকিত্বের বিপদ, ১৭৪) কর্মক্ষম ও প্রফুল্ল রাখতে, ১৭৫) মন ভালো করার উপায়, ১৭৬) যৌন স্বাস্থ্য, ১৭৭) পুরুষদের কেজেল, ১৭৮) মহিলাদের কেজেল, ১৭৯) দক্ষতা , ১৮০) আলসেমি দূর করার সহজ কিছু উপায়, ১৮১) কীভাবে সামলাবেন নিন্দুকদের ?, ১৮২) সুখী হতে চাইলে যা কখনোই করবেন না, ১৮৩) সব ভুলে যাচ্ছেন? স্মৃতিশক্তি চাঙ্গা রাখতে ৫টি টিপস, ১৮৪) বয়সের ভারে বৃদ্ধ না হয়ে বরং কাজের ভারে যুবক থাকার চেষ্টা করো, ১৮৫) নিজেকে কাজের সঙ্গে সম্পক্ত করার তিনটে স্টেপ, ১৮৬) জীবনের লক্ষ্য নির্ধারণে দ্রুত পদ্ধতিগুলো, ১৮৭) প্রতিদান পাওয়ার আশায় কাজ করবেন না, ১৮৮) প্রেম একটি মানসিক রোগ, ১৮৯) সম্পর্ক ভেঙ্গে যাবার পর নিজেকে যেভাবে সামলাবে, ১৯০) সময় সবকিছু বদলে দেয়, ১৯১) সম্পর্ক তৈরির ক্ষেত্রে কমন পাঁচটি ভুল, ১৯২) আত্মবিশ্বাস/মনোবল, ১৯৩) প্যারাসুট অফ হ্যাপিনেস, ১৯৪) বারবার ঘুরে দাঁড়াতে হবে, ১৯৫) আত্মবিশ্বাসহীন মানুষের লক্ষণ, ১৯৬) বাড়াও আত্মবিশ্বাস, বাড়বে সফলতা, ১৯৭) প্রাতিষ্ঠানিক সম্পর্ক শক্তিশালী করার টিপস, ১৯৮) কিভাবে ধরে রাখবে দু'জনের সম্পর্ক, ১৯৯) কিভাবে বুঝবে সম্পর্ক শেষ করতে হবে, ২০০) সম্পর্ক যখন প্রেম-ভালোবাসার, ২০১) যেসব বিষয়ের উপর স¤পর্ক গড়ে ওঠে, ২০২) ভালোবাসার অপর নাম প্রয়োজন, ২০৩) সম্পর্কের গুণগত মান বাড়বে কিভাবে, ২০৪) মস্তিস্ক ঠিক রাখার ৩০ উপায়, ২০৫) মানুষের আচরণের পেছনে একটা কারণ থাকে, ২০৬) কোনো কাজে নিজেকে সম্পক্ত না করেই আমরা নিজ ক্যারিয়ারকে এগিয়ে নিয়ে যাই ২০৭) স্রোতের বিপরীতে চিন্তা করুন, ২০৮) আপনার টাইমজোনে সময় আসবেই, ২০৯) চাইল্ডহুড অ্যামনেসিয়া এবং আমাদের শিক্ষণীয়,