১০২টি ভাল অভ্যাস
ডায়লগ: অন্যকে বদলানোর আগে প্রতিদিন একটু একটু করে হলেও নিজেকে বদলে ফেলুন।
ছন্দ: শুনবে দেখবে বলবে না,
চলবে সোজা টলবে না।
বিশ্লেষণ: ব্যক্তিগত ও পেশাগত মানোন্নয়নের জন্য ক্রমাগত প্রচেষ্টা চালিয়ে যান। এর উপরেই আপনার ভবিষ্যৎ নির্ভরশীল। আপনার পেশার সাফল্যের জন্য যারা গুরুত্বপূর্র্ণ তাদের জন্য দিনের অন্তত কিছুটা সময় বরাদ্দ রাখবেন।
অভ্যাস ১। মুখ গোমড়া করে থাকবেন না
আপনার মুখই আপনার ব্যক্তিত্বের পরিচয়। কথায় বলে, গোমড়া এবং গম্ভীর মুখের ভয় সর্বত্র আর হাসিমুখের জয় সর্বত্র। আপনি হয়তো মানুষ হিসেবে ভালো, গোমড়া মুখ আপনার সহজাত। সাধারণত অন্তর্মুখী অসুখী মানুষের মুখ গম্ভীর হয়। তারা বেশি কথা বলতে পারে না। লোকে তাদের ভুল বোঝে। ভাবে অহংকারি, মিশুক নয় দুর্বোধ্য, বন্ধুরা তাদের এড়িয়ে চলে।
গোমড়া মুখকে হাসিমুখে পরিণত করতে গেলে মুখের ব্যায়াম করতে হবে। আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে নানা অভিব্যক্তি করুন। মুখের পেশী সংকোচন ও প্রসারণ করুন। বারবার পেশী সংকোচন করতে করতে আয়নায় দেখুন কোন পজিশনে আপনাকে ভালো লাগছে। সেই পজিশনটা ধরে রাখুন।
নির্জন জায়গায় গিয়ে রোজ পাঁচ মিনিট হা হা করে হাসুন। এতে মুখের পেশী ফ্লেক্সিবল হবে। আড়ষ্ঠ ভাবটা কেটে যাবে। ঢাকা শহরে প্রায় সকল পার্কে লাফিং ক্লাব আছে। শতশত মানুষ ভোরের আলোতে বিভিন্ন ভঙ্গিতে হাসছে। প্রয়োজনে নিজেরা করে নিবেন।
হাসিমুখই আপনার সাইনবোর্ড। সাইনবোর্ড দেখেই অচেনা খদ্দের দোকানে ঢোকে। তারপর সে জানতে চায় দোকানে কি কি আছে। গোমড়া মুখের অসুবিধার শেষ নাই। যেমন-
# গোমড়া মুখের ছেলে-মেয়েরা বড় একটা বয়ফ্রেন্ড বা গার্লফ্রেন্ড পায় না।
# গোমড়া মুখকে সবাই এড়িয়ে চলে। পারতপক্ষে কাজ না থাকলে কেউ কাছে ঘেঁষে না।
# যে কোনো সেলস্্ বা জনসংযোগের কাজে গোমড়ারা অচল।
# অন্যরা গোমড়াদের সঙ্গ পরিহার করে।
# গোমড়াদের লোকে ভয় করে অথবা ঘৃণা করে।
# গোমড়াদের শত্রু অনেক বেশি।
# গোমড়াদের কোনোদিনই বন্ধুর সংখ্যা বাড়ে না।
# মুখের হাসি আর ব্যাংক ব্যালান্স কদাচ মিলিয়ে যেতে দেবেন না। একমাত্র বুদ্ধিমানই এ দুটো রাখতে জানে। আপনি হাসুনÑ আপনার সঙ্গে সঙ্গে দুনিয়াও হাসবে। আপনি গোমড়া মুখ হলে সবাই আপনাকে এড়িয়ে চলবে।
অভ্যাস ২। অপেক্ষা করবেন না, কিছু একটা শুরু করুন।
অনেকে এসে বলেন, ছোটবেলায় কোনো গাইডেন্স পাইনি, তাই কোনটা ভালো বুঝতে পারিনি। এখন আপনার বই পড়ে বুঝতে পারছি। আরো অনেকদূর যেতে পারতাম, যদি আপনার বইগুলি আগে পেতাম।
এই কথাগুলির মধ্যে অনেক ফাঁক আছে। দেখুন, চোখ না ফুটলেও কুকুরের বাচ্চারা তাদের মাকে ঠিকই দেখতে পায়। মায়ের স্তন কোথায় তা ঠিক বুঝতে পারে। স্তন্য পান করতে তাদের অসুবিধা হয় না। চোখ ফোটার জন্য অপেক্ষা না করে আপনিও স্তন্যদায়িনী মায়ের খোঁজে একটু এদিক ওদিক তাকান।
চোখ কান খোলা রেখে প্রকৃতি থেকে শিখুন। প্রকৃতির রাজ্যে পশুরাজ থেকে সামান্য কীটপতঙ্গ সবাই স্বাবলম্বী। সবাই তাদের খাদ্য সংগ্রহ করছে কঠোর পরিশ্রম করে। একটু বড় হয়ে গেলে কেউই আর বাবা-মায়ের উপর নির্ভর করছে না। তারা সন্তানের কাছে প্রত্যাশা করে না। সন্তান বড় হলে নিজেরা সংসার পাতে। মা-বাবারা তাদের চেনেও না। প্রত্যাশা নেই বলে সন্তানদের সঙ্গে তাদের সংঘর্ষও হয় না।
পিঁপড়ের কাছ থেকে শৃঙ্খলা শিখুন। একই টার্গেটের দিকে লক্ষ্য রেখে একসঙ্গে সারি দিয়ে এরা চলে। বাধাকে কীভাবে অতিক্রম করতে হয় তাদের কাছ থেকে শিখুন। পিঁপড়ের সারির সামনে একটি কাঠের টুকরো রাখুন। তারা হয় তার ওপরে উঠে সেটা অতিক্রম করে যাবে, না হয় তার নিচে দিয়ে সেটা অতিক্রম করবে। আর বাধা দেখে পালিয়ে যাবে না।
কোনো মানুষ জাতপাত ধর্ম ভাষা বিচারে শ্রেষ্ঠ বা নিকৃষ্ট হতে পারে না। প্রত্যেকের মগজের ওজন এক। শুধু চেহারার যে তারতম্য ঘটে, তা তার জেনেটিক উত্তরাধিকার অনুসারে। অর্থাৎ বাবা-মায়ের জিন অনুসারে জন্মসূত্রে সন্তানদের কতগুলি প্রবণতা জন্মায়। সুতরাং, সমস্ত প্রতিকুলতা কাটিয়ে উঠে নিজেকে আমূল বদলে ফেলুন।
অভ্যাস ৩। নিজে ভিক্ষুক হবেন না কিন্তু ভিক্ষুকদের কাছ থেকে শিখুন
হতাশা ও অপারগতা থেকে লোকে শেষ পর্যন্ত ভিক্ষাবৃত্তি গ্রহণ করে। কিন্তু কী অসাধারণ ধৈর্য ভিক্ষুকদের। এই ধৈর্যই ভিক্ষুকদের মূলধন। একশ জনের কাছে হাত পাতলে দুজন হয়তো সামান্য ভিক্ষা দেয়। ভিক্ষুক একজন বড় সেলস্্ম্যান; সে শুধু করুণ কণ্ঠ বিক্রি করে মানুষের মানবতা জাগ্রত করে। এটা খুব শক্ত কাজ। মানুষ নিজের বস্তুগত প্রয়োজন ও মুনাফা ছাড়া এক টাকাও হাতছাড়া করতে চায় না। সেই মানুষের কাছ থেকে পাঁচ/দশ টাকা আদায় করা মানে বিরাট কিছু।
ভিক্ষুককে অভিনয়ও শিখতে হয়। সে হাজার টাকা রোজগার করলেও ছেঁড়া জামা কাপড়ের বদলে ভালো জামা-কাপড় পরতে পারে না। কারণ তাহলে সে মানুষের দয়া কিনতে পারবে না। তবে আপনি ভিক্ষুক হবেন না, কারণ ভিক্ষুকের কোনো আত্মমর্যাদা বোধ নেই। ভিক্ষুক কখনও নিজেকে বদলাতে চায় না। মানবতার নামে নরম প্রকতির মানুষদের ইমোশনাল ব্ল্যাক মেইল করা তার কাজ। ভিক্ষা দেবার প্রবণতাই প্রমাণ করে দেশে লক্ষ লক্ষ সহৃদয় মানুষ আছে। ভিক্ষা তাই একটি পেশা। ভিক্ষুকের থেকে আপনি দুইটা জিনিস শিখবেন। এক) অসীম ধৈর্য ধরে পেশায় লেগে থাকা। পেশাগত জীবনে পূর্ণ সফলতা না আসা পর্যন্ত কোনরকম অস্থিরতা, পেশা পরিবর্তন ইত্যাদি করা যাবে না। ক্রপমাগত চেষ্টা করে যাওয়া চাই; আর দুই) দক্ষ অভিনেতা হয়ে উঠা। সকল রকম ফুটানি পরিহার করে অতি সাধারণ লাইফস্টাইল চর্চা করতে হবে। আপনার কি আছে তা কাউকে বুঝতে দিবেন না, প্রকাশ করবেন না।
অভ্যাস ৪। সুযোগের জন্য অপেক্ষা করবেন না
বাইরে প্রচণ্ড বৃষ্টি পড়ছে, বেরুতে পারছেন না, অথবা ট্রেন লেট করছে আপনি আটকে পড়েছেন। এটা আপনার পক্ষে বড় একটা সুযোগ একটা পিডিএফ বই বা বিভিন্ন তথ্য পড়ে নেবার। আমাদের ৭০ শতাংশ কর্মরত ব্যক্তি অনিদ্রা ও হতাশায় ভোগে। মনের মতো চাকরি বা ব্যবসা তারা পাননি। এদের মধ্যে অনেক উদ্যোগী পুরুষ আছেন, যারা অনুকুল পরিকাঠামোর জন্য অপেক্ষা করেন না। যা তারা হাতের কাছে আছে তা দিয়েই পরিকাঠামো তৈরি করে নেন। বুদ্ধিমান ব্যক্তির কাছে সব সময়ই সুসময়। তারা যতখানি সম্ভব পরিস্থিতি অনুকুলে আনতে কাজ শুরু করে দেয়। কিন্তু অক্রিয় ব্যক্তিরা পরিস্থিতি একশো ভাগ অনুকুল হলে তবেই কাজ শুরু করেন।
অভ্যাস ৫। নিজের ব্যবহারকে পুজিঁতে পরিণত করুন
আমেরিকার সোলপক নামে একটি নতুন উদ্যোক্তাদের গ্রুপ আছে, যারা শূন্য পুঁজিতে ব্যবসা শুরু করে শিকাগো শহরে কোটি কোটি ডলারের ব্যবসা করে থাকেন। এই ব্যবসায়ী গ্রুপের প্রধান ক্যাপিটাল হল তাদের ব্যবহার। খদ্দেরের সঙ্গে তাদের ব্যবহারই হল মুল ক্যাপিটাল। তারা তাদের প্রত্যেকের সঙ্গে খদ্দেরের সঙ্গে অতিথির মতো ব্যবহার করে।
তারা অতি গরিব খদ্দেরদের সঙ্গে অতি সম্মানিত অতিথির মতো ব্যবহার করেন। এ গরিব খদ্দের কাল যে ধনী হবেন না তা কে বলতে পারে। অথবা এই গরীব খদ্দরের মাধ্যমে একজন ধনী ক্রেতা আসতে পারে। ছাত্র অবস্থায় একদিন বৃষ্টির কবলে পড়ে বাইতুল মোকাররম মার্কেটের একটা স্বর্ণের দোকানের সামনে দাঁড়িয়ে ছিলাম। দোকানের ভিতর থেকে এক ভদ্রলোক এসে বললেন, ভাইজান ভিতরে আসুন। আমি ইতস্তত করলে ভদ্রলোক বলেন, অসুবিধা নেই, আমাদের বসার অনেক জায়গা আছে। আমি ভিতরে বসলে একজন এসে এককাপ চা এনে দেন। আমি অভিভূত হয়ে যাই। ভদ্রলোক যেচে আমার সাথে খোশগল্প করলো। এ ঘটনার পরে আমার যত আত্মীয়-স্বজনের বিয়ে শাদি হতো, তাদেরকে আমি ঐ দোকানে যেতে প্রভাবিত করতাম।
খদ্দেরদের মুখ ও নাম মনে রাখার চেষ্টা করুন। রাস্তায় দেখা হলে সালাম করুন। বিক্রেতার কাছে প্রতিটি খদ্দের লক্ষ্মী। সদ্য পরিচিত হওয়া যে মানুষটি আপনাকে একটা ভিজিটিং কার্ড দিলো, সেটা পড়ুন। লোকটির নাম মনে রাখুন্ মুখ মনে রাখুন। কে জানে আগামী দিন এই লোকটিই আপনার জীবনেঅসামান্য সুযোগ হয়ে উঠতে পারে।
অভ্যাস ৬। গরিব হোন কিন্তু গরিবের মতো আচরণ করবেন না।
গরিব হওয়াটা আপনার হাতে নেই। কিন্তু গরিবি হঠাতে গেলে অন্যান্য কারো সহযোগিতার চেয়ে ব্যক্তিগত উদ্যোগ বেশি দরকার হয়। গরিব থেকে সচ্ছল হওয়া এমনকি ধনী হওয়াও একেবারে সম্ভব। তবে এ জন্য প্রচণ্ড খাটতে হয়। শুধু স্বপ্ন দেখলে চলে না। সময় ও পরিপল্পনা লাগে। তবে আপনি গরিব হলেও মনটা সমৃদ্ধ করে তুলুন। সেটা আপনারই হাতে। গরিব হলেও দারিদ্রকে সবার আগে তাড়াতে হবে মনের ভেতর থেকে। রাজার মতো আচরণ করুন। তবে রাজার মতো বিলাসিতা করতে যাবেন না।
আমি আপনাকে স্পেন্ট নামক একটি গেম-এর সাথে পরিচয় করিয়ে দিব। যুক্তরাষ্ট্রের রয়েল সোসাইটির অধীনে এই গেমটি পরিচালিত হয়। এটি ধনী পরিবারের সন্তানদেরকে এমন একটি পরিস্থিতিতে ফেলে, যেখানে তাকে একজন দরিদ্র ব্যক্তি হিসাবে এক মাস বেঁচে থাকতে হবে। খাবারের কষ্ট, থাকার কষ্টসহ একজন দরিদ্র ব্যক্তি্র প্রতিদিন কি অবস্থার মধ্য দিয়ে দিন-রাত কাটে তা তাকে ভোগ করতে হয়। কিন্তু গরিব হলেও তার আচরণ যদি রয়েল ফ্যামিলির মানুষের মত বজায় থাকে, তবেই সে উপযুক্ত সার্টিফিকেট পায়; যা তার রয়েল ফ্যামিলিতে গেইট বা সিঁড়ির সঙ্গে ঝুলানো থাকে।
অভ্যাস ৭। নিজেকে একটু ছেঁটে নিন
সাধারণত মানুষের ক্ষমতা ও অর্থবল বেড়ে গেলে তার অপরিকল্পিত কাজ বৃদ্ধি হয়। সোজা বাংলায় বলে অতি বাড় বাড়া। গরিব যদি ধনী হয়ে উঠে তাহলে তারা পুরনো বন্ধু-বান্ধব পরিচিতদের ধীরে ধীরে চিনতে পারে না। ক্ষমতায়িত লোকেরা তার চেয়ে বেশি ক্ষমতাবানদের সাথে মেশে। গণতান্ত্রিক সুশীল নেতা বা নেত্রীও একচ্ছত্র ক্ষমতা পেলে স্বৈরাচারিতে পরিণত হয়।
বহু জাদরেল অফিসার রিটায়ার করার পর সাপ থেকে কেঁচোয় পরিণত হন। নামের আগে যতক্ষণ না একটা এক্স বা প্রাক্তন বসছে ততক্ষণ আর তিনি এ পৃথিবীর মানুষ থাকেন না।
আমার এক প্রতিবেশির যখন টাকা-পয়সা বেশি ছিলো না, তখন তিনি আমাকে দাদা বলে ডাকতেন। যেই তাঁর আঙুল ফুলে কলাগাছ হলো, অমনি তিনি আমাকে দেখলে মুখ ঘুরিয়ে নিতেন। আড়ালে দাদার বদলে গাধা বলতেন।
যার যত অর্থ জমে তার তত স্বার্থ বিনাশ হয়। ক্ষমতায়িত ব্যক্তি তার কাজকর্মের জন্যই প্রতিদিন শত্রু তৈরি করে। এই শত্রুরা তার পতন ডেকে আনে। যখন অর্থ যশ একনাগারে চলতে থাকে; তখন নিজেকে কন্ট্রোল করতে শিখুন। কোথায় থামতে হবে তা উপলব্ধি করুন। অতিরিক্ত আশা, অতিরিক্ত আত্মবিশ্বাস, অতিরক্তক কল্পনা ছেঁটে নিন। নয়তো আপনাকে স্থায়ীভাবেই থেমে যেতে হবে।
অভ্যাস ৮। ছয়টি স্মরণী মনে রাখুন
এক : কোনো গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তির নাম ও পরিচয় ভুলে যাবেন না। তাদের সাথে আপনার আন্তরিকতার পরিচয় দিন।
দুই : কোনো ব্যক্তি দিনের পর দিন ঘোরালেও তার প্রতি বিন্দুমাত্র অসন্তুষ্ট হবেন না। মনে দম রাখুন।
তিন : কোনো ব্যক্তিকে কখনও বলবেন না, আমি বেকার। কাজটা দিয়ে বা করে আমাকে সাহায্য করুন। অথবা আমার জন্য কিছু কনসিডার করুন।
চার : ক্লায়েন্ট সব সময় ঠিক এবং মক্কেল সবচেয়ে বুদ্ধিমান। কথায় তাকে এটা বুঝিয়ে দিন। আবোল-তাবোল কথা বলে ও বিভিন্ন বিষয়ে জ্ঞান দিতে এবং প্রতিবাদ করতে যাবেন না।
পাঁচ : কোনো ব্যক্তির কাছ থেকে নিখুঁত ভদ্র ব্যবহার প্রত্যাশা করবেন না। কোনো ব্যক্তি চ্যাটাং চ্যাটাং কথা শুনিয়ে মেজাজ হারালেও আপনি হাসিমুখে বন্ধুসুলভ আচরণ বজায় রাখুন। এটা আগুনে পানি ঢালার মত কাজ করবে।
ছয় : পৃথিবীর সমস্ত লোক এমনকি শিশুদেরও আপনার ক্লায়েন্ট ভাবতে শিখুন। তাহলে আপনার ব্যবহারের বিরাট পরিবর্তন ঘটবে।
অভ্যাস ৯। নিজেকে পরাজিত ভাববেন না
গত মহাযুদ্ধে জার্মানি ও জাপান পরাজিত হয়েছিলো। কিন্তু জার্মান ও জাপানিরা নিজেদের পরাজিত ভাবেনি। তাই এই দুই জাতি আবার কিছুদিনের মধ্যেই অসাধারণ উন্নতি করেছে।
জিতবার মতো, হারার জন্যও তৈরি থাকতে হয়; হারা মানে আবার আরও বড় ধরনের প্রস্তুতি। পরাজিত মানসিকতা, বিপর্যস্ত মানসিকতার চেয়ে ক্ষতিকর।
মনে রাখবেন,সাফল্য ও ব্যর্থতা হাত ধরাধরি করে চলে। একটি বিখ্যাত উক্তি মনে রাখুন: সফল হবার জন্য বুদ্ধিমান, বিদ্বান, বিত্তবান ও ভাগ্যবান হবার প্রয়োজন নেই। এমন মানুষের দরকার, যে কখনও নিজেকে পরাজিত মনে করে না; পরাজয় মেনে নেয় না। মিলটন অন্ধ হয়ে যাবার পর অমর মহাকাব্য প্যারাডাইস লস্ট লেখেন।
নিজেকে দীন-হীন ভাববেন না। নিজেকে একজন গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি বলে ভাবতে শিখুন। তুচ্ছ মানুষেরা আপনাকে তুচ্ছ প্রমাণ করার চেষ্টা করবে, কিন্তু বড় মাপের মানুষেরা আপনার ভেতরের গুণগুলি খুঁজে বার করার চেষ্টা করবে।
সুযোগ পেলে অন্যের অসাক্ষাতে অন্যের প্রশংসা করুন। সর্বদা মনে রাখুন, আত্মবিশ্বাসের অভাব থেকে লোকে অন্যের নিন্দা করে।
পরিকল্পনাহীন জীবনযাপন করবেন না। আগামী বছর আপনি কী করবেন এই বছর পরিকল্পনা করুন। আগামী মাসের পরিকল্পনা এই মাসে করুন। আগামীকালের পরিকল্পনা আজ রাতে ঘুমোবার আগে সেরে ফেলুন।
অভ্যাস ১০। পরিবর্তনের বিরোধিতা করবেন না
পরিবর্তন ইতিহাসের অনিবার্য গতি। আপনি কিছুদিন তার গতিরোধ করতে পারেন, কিন্তু চিরদিন পারেন না। পরিবর্তনের বিরোধিতা করলে পরিবর্তনের ঝড়ে ও বৃষ্টিতে আপনি ধুয়ে মুছে সাফ হয়ে যাবেন। পরিবর্তনের পক্ষে থাকুন। নতুন ভাবনা-চিন্তা উপেক্ষা করবেন না। একসময় যা প্রাসঙ্গিক ছিলো আজ তার প্রাসঙ্গিকতা নেই।
সূচিপত্র
১) ছোটদের সাথে আমাদের আচরণ ২) পরিবার ও সন্তান, সুপার পাওয়ার যেভাবে তৈরি হয়, ৩) দীর্ঘস্থায়ী ভয়ের উৎপত্তির মূলে শৈশবকালে ঘটে যাওয়া ঘটনার প্রভাব , ৪) সন্তানের উৎসাহ এবং উদ্দীপনা বাড়ানো, ৫) আপনার শিশুটি ঘুমুক শান্তিতে এবং নির্ভরতায় , ৬) কিছু অব্যর্থ টিপস, যা আপনার শিশুকে পড়াশোনায় আগ্রহী করে তুলবে, ৭) শিশুকে কিভাবে বড় করবেন, ৮) বাচ্চাদের মস্তিষ্ক বিকাশে কী করবেন? ৯) বাচ্চাদের বুদ্ধি বিকাশের অন্যতম পথ, দৌড়, ১০) বাচ্চাকে কখনো আড়ালে লুকিয়ে খেতে দেবেন না, ১১) পিটার সিংগারের দর্শন, ১২) দুষ্টু শিশুরা তাড়াতাড়ি শেখে, ১৩) সন্তানকে যতই শাস্তি দেবেন ততই সে অসামাজিক হবে, ১৪) বাবা-মাই সন্তানকে নির্যাতন করেন সবচেয়ে বেশি , ১৫) সন্তানের সাথে কিভাবে গড়ে তুলবেন নিবিড় বন্ধন, ১৬) যে ১১টি কথা শিশুকে কখনোই বলবেন না!, ১৭) শিশুকে গল্প শোনান প্রতিদিন, ১৮) সন্তানের আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধির ১০টি কৌশল, ১৯) সৃজনশীলতা হচ্ছে নতুন কিছু করার যোগ্যতা, ২০) যারা মুখস্থ করতে পারেন না, ২১) তারা মেধাবী, মেধাবী হওয়ার উপায়,
২২) কথা ও ভাষা, ২৩) এলিভেটর পিচ, ২৪) সুন্দর করে কথা বলে সমস্যা জয়ের কৌশল, ২৫) ফোনে কথা বলার আদবকেতা, ২৬) ১২টি কর্ম বিধান, ২৭) ভালোবাসার অপর নাম প্রয়োজন, ২৮) আলতু-ফালতু কাজে সময় অপচয় করে স্বপ্ন পূরণের কল্পনা, ২৯) স্ট্রেস ম্যানেজমেন্ট, ৩০) চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিন পিং-এর জীবন থেকে শিক্ষা, ৩১) অভিজ্ঞতা ও অতীত থেকে শিক্ষা গ্রহণ, ৩২) বর্তমানকে সবচেয়ে বেশি মূল্য দিন, ৩৩) ২৪ ঘণ্টা কেউ সুখী হয় না, ৩৪) কিছু অভ্যাস যা আপনাকে আরও সুখী করবে , ৩৫) আপনার অবয়ব , ৩৬) সফলতার 25টি হট কৌশল-1, ৩৭) সাফল্যের 25টি হট কৌশল-2, ৩৮) সফলতার 55 সূত্র, ৩৯) কিভাবে নিজেকে নেতা হিসেবে গড়ে তুলবে, ৪০) সময় ব্যবস্থাপনা, ৪১) সময় ব্যবস্থাপনার তিনটি ধাপ, ৪২) সময়কে যথাযথভাবে কাজে লাগানোর উপায়গুলো, ৪৩) সাফল্য, ড. কোভের ইমোশনাল একাউন্ট কনসেপ্ট, ৪৪) সবচে বড় ইমোশনাল একাউন্ট, ৪৫) আপনার ইমোশনাল একাউন্ট, ৪৬) বুদ্ধি ও বিবেচনাবোধ বর্জিত কর্মফল বিপজ্জনক, ৪৭) অন্যদের দিয়ে আপনার কাজ করান কিন্তু সম্মান আপনি অর্জন করুন, ৪৮) অন্য লোকেরা আপনার কাছে আসুক দরকার হলে টোপ দিন, ৪৯) অসুখী এবং ভাগ্যহীনদের বর্জন করুন, ৫০) লোককে আপনার ওপর নির্ভরশীল করুন , ৫১) নেওয়ার পূর্বে দেওয়া অন্য বক্তির স্বার্থ বুঝুন, ৫২) শত্রুকে খাটো করে দেখবেন না, ৫৩) নিজেকে রক্ষা করার জন্য চারিদিকে দুর্গ নির্মাণ করবেন না, ৫৪) কারোর পক্ষ অবলম্বন করে বসে থাকবেন না, ৫৫) আপনার শক্তিসমূহকে সংহত করুন, ৫৫) নিজের ভুলগুলোকে লুকিয়ে রাখুন, ৫৬) শুধু সাহসের জোরে নয়, পরিণতিও বিবেচনায় রাখুন, ৫৭) প্রতিটি মানুষের গোপন ইচ্ছা খুঁজে বের করুন, ৫৮) রাগ বিপজ্জনক ও অভদ্রতা, ৫৯) কোনো দলকে ধরার জন্য দলপতিকে প্রথমে ধরুন, ৬০) নিজেকে গুরুত্বপূর্ণ মনে করুন, গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবেন, ৬০) পরিবেশ সামলাতে শিখুন, ৬১) প্রথম শ্রেণির মানুষ হয়ে উঠুন, ৬২) আপনার সামাজিক পরিবেশ ‘প্রথম শ্রেণি’র করে তোলার উপায়, ৬৩) ‘সস্তার তিন অবস্থা’ প্রধম শ্রেণিভুক্ত হয়ে উঠুন , ৬৪) যত বেশি বন্ধুত্ব তত বেশি উপরে ওঠার সম্ভাবনা, ৬৫) সাহস করে কাজটা শুরু করুন, ৬৬) সাফল্য মানে বারবার ভিন্নভাবে চেষ্টা করা, ৬৭) ১- ১০ ভাল অভ্যাস, ১১- ২০ ভাল অভ্যাস, ২১- ৩০ ভাল অভ্যাস, ৩১- ৪০ ভাল অভ্যাস, ৪১- ৫০ ভাল অভ্যাস, ৫১- ৬০ ভাল অভ্যাস, ৬১- ৭০ ভাল অভ্যাস, ৭১- ৮০ ভাল অভ্যাস, ৮১- ৯০ ভাল অভ্যাস, ৯১- ১০২ ভাল অভ্যাস, ৬৮) জিরো থেকে হিরো, ৬৯) সৃজনশীলদের সফলতার ৭ সূত্র, ৬৯) জীবনে পরিবর্তন আনুন ৪৮টি উপায়ে, ৭০) জীবন-যাপন, ৭১) জাপানী ও চিন লাইফ স্টাইল , ৭২) ৩০টি দর্শন, যা আপনার জীবনে কাজে লাগবে, ৭৩) সম্পর্ক তৈরি করা, বন্ধুত্ব, ৭৪) যে আচরণগুলো মানুষের মনের কথা জানাবে, ৭৫) কথা বলার সূত্র, ৭৬) আপনি ও আপনার ব্যবহার, ৭৭) নিজেকে সঠিকভাবে উপস্থাপন করা, ৭৮) কথা বলার কতিপয় গুরুত্বপূর্ণ নিয়ম, ৭৯) কিভাবে নিজেকে বিনয়ী হিসেবে উপস্থাপন করবেন, ৮০) কিভাবে বুদ্ধিদীপ্ত কথা বলবেন, ৮১) কথা বলার ৫টি বিস্ময়কর টেকনিক, ৮২) কিভাবে মানুষকে আকৃষ্ট করবেন? ৮৩) অকারণে সময় নষ্ট? মেল রবিনের ৫ সেকেন্ড রুল, ৮৪) কর্পোরেট আদবকেতা, ৮৫) ৩৫টি কর্পোরেট কালচার ও আপনার করণীয়, ৮৬) যা না জানলে লজ্জায় পড়তে হয় , ৮৭) কাজের সময়ে যে বিষয়গুলো একেবারেই করা উচিৎ না , ৮৮) ক্যারিয়ারে সাফল্য পেতে ছুড়ে ফেলুন ৭টি দোষ, ৮৯) আকাক্সক্ষা, ইচ্ছে বা স্বপ্ন,
৯০) বক্তৃতা প্রশিক্ষণ, কাজ কিভাবে করবেন? ৯১) আত্মশক্তিতে বলিয়ান হতে, ৯২) একনাগাড়ে চলবেন না, ৯৩) মারফিস ’ল , কাজের রোডম্যাপ তেরি , ৯৪) জব স্যাটিসফেকশন, ৯৫) কাজে সফলতার সূত্রাবলী, ৯৬) যেভাবে জীবনযাপন করবেন, ৯৭) পরিণত বুদ্ধির মানুষেরা যে কাজগুলো কখনোই করেন না, ৯৮) জীবনে দক্ষতা অর্জনের কার্যকর ১২টি উপায়, ৯৯) সঠিক লক্ষ্য নির্ধারণ ও কাজ করার উপায় , ১০০) সফলতা ও সার্থকতা, ১০১) জীবনের ছোট ছোট প্রাপ্তিগুলোকে উপভোগ করা, ১০২) সফলতার কিছু পদ্ধতি, ১০৩) সফল হতে চাইলে যে ৮ টি জিনিস বাদ দেয়া প্রয়োজন, ১০৪) সফল ব্যক্তিরা যে ১০টি কাজ কখনোই করেন না, ১০৫) সর্বদা স্মরণ রাখুন, ১০৬) চিন্তাশক্তি , ১০৭) স্বাধীনতা, ১০৮) জ্ঞান অর্জন খাদ্য গ্রহণের মতো , ১০৯) দৃঢ় প্রতিজ্ঞ হয়ে চেষ্টা করলে কখনোই বিফল হবেন না, ১১০) বুদ্ধির সংজ্ঞা হলো, প্রতিটি কাজ ভেবে-চিন্তে করা, ১১১) ব্যক্তিত্ব, চেহারা ও ব্যক্তিত্ব , ১১২) সেলডন-এর গবেষণা , ১১৩) ব্যক্তিত্ব ও উচ্চারণ, ১১৪) পোশাক ও ব্যক্তিত্ব, ১১৫) প্রথম দেখায় ব্যক্তিত্বের ছাপ, ১১৬) বিচ্ছিন্নতা ব্যক্তিত্বের বড় শত্রু, ১১৭) ব্যক্তিত্বে জিনগত প্রভাব, ১১৮) অন্তর্মুখী ও বহির্মুখী ব্যক্তিত্ব, ১১৯) মনোমুগ্ধকর ব্যক্তিত্বের ১০ বৈশিষ্ট্য, ১২০) ব্যক্তিত্বের উৎকর্ষতার জন্যে ১০ নির্দেশনা, ১২১) কিভাবে ব্যক্তিত্বের বিকাশ ঘটাবেন? , ১২২) নিজেকে স্মার্ট করতে ৫টি কৌশল, ১২৩) আকর্ষণীয় মানুষ হবার ৬টি পরামর্শ, ১২৪) আত্মশুদ্ধি , ১২৫) হতাশ হবেন না, ১২৬) পাছে লোকে কিছু বলে, ১২৭) সুখ-শান্তি উন্নতি , ১২৮) চাহিদা, ১২৯) খাদ্য, ঘুম ও বিশ্রাম, ১৩০) স্বাস্থ্য ভাল রাখার নিয়ম, ১৩১) টেনশন দূর করতে হলে, ১৩২) শুধু নিজের কথা নয়, অন্যের কথাও ভাবুন, ১৩৩) চাহিদা যত বেশি সুখ তত কম, ১৩৪) সুখী জীবনের জন্য ১৮ টি টিপস, ১৩৫) আত্মবিশ্বাস, আত্ম বিশ্বাসের শক্তি, ১৩৬) অজুহাতের ব্যাধিতে আক্রান্ত ব্যর্থ মানুষ, ১৩৭) দি সেভেন হ্যাবিট অফ হাইলি এ্যা ফেক্টিভ পিপল, ১৩৮) সামাজিক আয়না, ১৩৯) প্রোএ্যাক্টিভিটি, ১৪০) সার্কেল অফ ইনফ্লুয়েন্স, ১৪১) শুরু করুন আজই, ১৪২) আপনার কেন্দ্রবিন্দু কোনটি?, ১৪৩) মাথার দুটি অংশই ব্যবহার করুন, ১৪৪) সময়ের ব্যবস্থাপনা, ১৪৫) ব্যক্তিগত ব্যবস্থাপনা, ১৪৬) গুরুত্বপূর্ণ এবং জরুরি, ১৪৭) পরনির্ভরশীল জীবন, ১৪৮) ছয়টি উপায়ে অন্য মানুষের সাথে আদান-প্রদান, ১৪৯) অধ্যয়ন, ১৫০) পড়াশোনায় ১২ কার্যকর কৌশল, ১৫১) ঘুম থেকে উঠতে ১০-৩-২-১-০ ফর্মুলা, ১৫২) আয়-ব্যয়- টাকা, ১৫৩) অন্যকে খুশি করতে পয়সা খরচ যে কারণে অর্থহীন, ১৫৪) খরচের লাগাম টেনে ধরতে.. ১৫৫) নারী, ১৫৬) সম্পর্ককে সুন্দর রাখতে কিছু “মিথ্যা” বলা জরুরী , ১৫৭) ছেলেদের কোন জিনিস দেখে মেয়েরা? , ১৫৮) স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর কিছু অভ্যাস, ১৫৯) ভুঁড়ি ঠেকাতে ৫টি নিয়ম, ১৬০) যেসব কারণে নারীদের স্বাবলম্বী হওয়া উচতি , ১৬১) বিয়ে-সংসার, ১৬২) সফল বিয়ের তিনটি মন্ত্র, ১৬৩) সুখী হবার দারুণ কিছু মূলমন্ত্র, ১৬৪) কিছু গল্প, ১৬৫) ভালোবাসাহীন সম্পর্ক, ১৬৬) কেন স্পর্শের প্রয়োজন হয় প্রতিদিন, ১৬৭) যে কারণে একা থাকাই আপনার জন্য ভালো, ১৬৮) ব্যবসা, ১৬৯) বিক্রয় বৃদ্ধির কৌশল, ১৭০) যে ৭টা ব্যাপার বিজনেসে করবেন না, ১৭১) স্বাস্থ্য, ১৭২) দুগ্ধজাত খাবারে পুরুষের বন্ধ্যত্ব, ১৭৩) একাকিত্বের বিপদ, ১৭৪) কর্মক্ষম ও প্রফুল্ল রাখতে, ১৭৫) মন ভালো করার উপায়, ১৭৬) যৌন স্বাস্থ্য, ১৭৭) পুরুষদের কেজেল, ১৭৮) মহিলাদের কেজেল, ১৭৯) দক্ষতা , ১৮০) আলসেমি দূর করার সহজ কিছু উপায়, ১৮১) কীভাবে সামলাবেন নিন্দুকদের ?, ১৮২) সুখী হতে চাইলে যা কখনোই করবেন না, ১৮৩) সব ভুলে যাচ্ছেন? স্মৃতিশক্তি চাঙ্গা রাখতে ৫টি টিপস, ১৮৪) বয়সের ভারে বৃদ্ধ না হয়ে বরং কাজের ভারে যুবক থাকার চেষ্টা করো, ১৮৫) নিজেকে কাজের সঙ্গে সম্পক্ত করার তিনটে স্টেপ, ১৮৬) জীবনের লক্ষ্য নির্ধারণে দ্রুত পদ্ধতিগুলো, ১৮৭) প্রতিদান পাওয়ার আশায় কাজ করবেন না, ১৮৮) প্রেম একটি মানসিক রোগ, ১৮৯) সম্পর্ক ভেঙ্গে যাবার পর নিজেকে যেভাবে সামলাবে, ১৯০) সময় সবকিছু বদলে দেয়, ১৯১) সম্পর্ক তৈরির ক্ষেত্রে কমন পাঁচটি ভুল, ১৯২) আত্মবিশ্বাস/মনোবল, ১৯৩) প্যারাসুট অফ হ্যাপিনেস, ১৯৪) বারবার ঘুরে দাঁড়াতে হবে, ১৯৫) আত্মবিশ্বাসহীন মানুষের লক্ষণ, ১৯৬) বাড়াও আত্মবিশ্বাস, বাড়বে সফলতা, ১৯৭) প্রাতিষ্ঠানিক সম্পর্ক শক্তিশালী করার টিপস, ১৯৮) কিভাবে ধরে রাখবে দু'জনের সম্পর্ক, ১৯৯) কিভাবে বুঝবে সম্পর্ক শেষ করতে হবে, ২০০) সম্পর্ক যখন প্রেম-ভালোবাসার, ২০১) যেসব বিষয়ের উপর স¤পর্ক গড়ে ওঠে, ২০২) ভালোবাসার অপর নাম প্রয়োজন, ২০৩) সম্পর্কের গুণগত মান বাড়বে কিভাবে, ২০৪) মস্তিস্ক ঠিক রাখার ৩০ উপায়, ২০৫) মানুষের আচরণের পেছনে একটা কারণ থাকে, ২০৬) কোনো কাজে নিজেকে সম্পক্ত না করেই আমরা নিজ ক্যারিয়ারকে এগিয়ে নিয়ে যাই ২০৭) স্রোতের বিপরীতে চিন্তা করুন, ২০৮) আপনার টাইমজোনে সময় আসবেই, ২০৯) চাইল্ডহুড অ্যামনেসিয়া এবং আমাদের শিক্ষণীয়,