সবচে বড় ইমোশনাল একাউন্টির নাম ‘মা’
আমাদের জীবনে সবচে’ বড় ইমোশনাল একাউন্টটি থাকে মায়েদের। প্রতিটি সন্তানের জীবনে মায়েদের এই একাউন্টটি এত বড় যে, এটাকে আর কেউ কাটিয়ে উঠতে পারেন না। কিন্তু কেউ কি একবার চিন্তা করে দেখেছেন, কেন একজন মায়ের ব্যাংক একাউন্টে এত বিশাল ব্যালেন্স থাকে?
মা তার সন্তানকে ধারণ করেন। দীর্ঘ সময় ধরে তাকে বড় করেন। জন্মের পর তার ডায়পার পরিষ্কার করা থেকে শুরু করে, তাকে বুকের দুধ খাওয়ানো, তাকে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখা, রাতের পর রাত না ঘুমিয়ে বাচ্চাকে যত্ন করা, তাকে হাঁটতে শেখানো, স্কুলে পাঠানো, তাকে নিয়ে পড়তে বসা, তাকে বই পড়ে শোনানো, তার খাবার প্রস্তুত করে দেওয়া, যে কোনো সমস্যায় পাশে এসে দাঁড়ানো থেকে শুরু করে প্রতিটি সন্তানের জীবনটা গড়ে ওঠে মা'কে ঘিরে এবং একজন মা এই বিশাল কাজগুলো করে যান কোনোরকম শর্ত ছাড়াই। আপনি খারাপ ব্যবহার করেন কিংবা মাকে কষ্ট দেন, কোনো কিছুতেই মা সন্তানদের দিক থেকে মুখ ফিরিয়ে নেন না। তার ভালোবাসা শর্তহীন। এমন শর্তহীন ভালোবাসা এই গ্রহে আর কারও পক্ষে দেওয়া সম্ভব নয়। এমনকি প্রতিটি সন্তান তার নিজের জীবন শুরু করার পরও মা তার উপর ছায়ার মতো পাশে থাকেন।
নিজের সন্তানের ভালোর জন্য মা যে পরিমাণ কষ্ট এবং নিজের জীবনকে উৎসর্গ করেন, তার নজির এই পৃথিবীতে আর দ্বিতীয়টি নেই এবং সন্তান নিজের অজান্তেই মা'র এই বিশাল ব্যালেন্সকে ঋণ হিসেবে দেখে ফেলে। অনেক সময় সে মুখে বলতে পারে না; কিংবা কীভাবে প্রকাশ করবে বুঝে উঠতে পারে না। কিন্তু অবচেতন মনে মা স¤পর্কে তার ব্যালেন্স এত বেশি পরিমাণে থাকে যে, মা চাইলেও সেই ব্যালেন্স শেষ করতে পারেন না। মায়েদের তেমন কোনো উইথড্র নেই। সারাটা জীবন ধরেই কেবল ডিপোজিট। এই কারণে পৃথিবীতে সকল সন্তানের কাছে সবচে’ নিরাপদ জায়গা হলো তার মা। মায়ের সাথে তার ঝগড়া হতে পারে, মনোমালিন্য হতে পারে, চিৎকার চেঁচামেচি হতে পারে, তাতে কিছু আসে যায় না। মা তার ব্যালেন্স এত বেশি পরিমাণে করে রেখেছেন যে, এই সব ছোটখাটো উইথড্র-তে তেমন কোনো পার্থক্য হয় না।
আপনার ইমোশনাল একাউন্ট
আপনার কোনো একজন পুরনো বন্ধুর সাথে দেখা হলে আপনি তাকে খবু সহজেই বুকে জড়িয়ে ধরতে পারেন, এর কারণ কি? কাজটি আমরা সবাই করি, কিন্তু কারণটি ঠিক ওইভাবে বুঝে উঠতে পারি না। সবাই ভাবি, অনেক দিন পর দেখা তাই ভালো লাগে। কিন্তু সবার বেলায় কি এমন হয়?
এমন বন্ধুর সংখ্যাও নিশ্চয়ই আছে, যাকে অনেক দিন পর দেখলেও আপনি অস্বস্তি অনুভব করবেন। এর কারণটি হলো, ওই বন্ধুটির সাথে আপনার কিছু ব্যালেন্স ছিল। এবং সেটা দুই পক্ষ থেকেই। তাই অনেক বছর পর দেখা হলেও আপনি নতুন করে শুরু করতে পারেন। অনেক ভালো লাগা জড়িয়ে থাকে। কিন্তু যাদের সাথে আপনি প্রতিনিয়ত ওঠাবসা করছেন, তাদের সাথে কিন্তু আপনার ব্যালেন্স না-ও থাকতে পারে। নিত্যদিনের ব্যবহারে আপনার ব্যালেন্স কমে যেতে পারে। সেক্ষেত্রে আপনার ব্যালেন্স বাড়ানো কিংবা ঠিক রাখার বিষয়টি চলে আসতে পারে।
আপনি যদি পাবলিক ভিক্টরি চান, সামাজিকভাবে বিজয়ী হতে চান, তাহলে আপনার চারপাশের মানুষের সাথে আপনার ব্যালেন্স বাড়াতে হবে। একটু খেয়াল করে দেখুন, আপনার চারপাশের কোন মানুষটি সবচে’ বেশি এফেক্টিভ? দেখুন কার কথা মানুষ সবচে’ বেশি বিশ্বাস করছে? কাকে মানুষ নিরাপদ মনে করছে? কার কাছে মানুষ বিপদের সময় ছুটে যাচ্ছে? তার দিকে তাকান। দেখুন, তিনি কিভাবে তার চারপাশের মানুষের কাছে ইমোশনাল ব্যালেন্স বাড়িয়ে রেখেছেন।
আমরা অনেকেই বলি, আমি সামাজিক না, আমাকে দিয়ে এগুলো হবে না, আমি ঘরকুনো, আমি একা থাকতে পছন্দ করি ইত্যাদি। কিন্তু আপনি যদি একজন ইফেক্টিভ মানুষ হতে চান, তাহলে আপনার সামাজিক বিজয় লাগবে। আপনি একা একা ঘরের ভেতর বসে থেকে একজন ইফেক্টিভ মানুষ হয়ে যাবেন, সেটা তো হবে না।
মানব জন্মের পরম সার্থকতা হলো, নিজের হাতটি সব সময় অন্যকে সাহায্য করার জন্য এগিয়ে দেওয়া। আপনি যদি আশা করেন যে, সবাই আপনার আশা পূর্ণ করে দেবে তবে জেনে রাখুন, এই পৃথিবীর কারও দায় পড়েনি আপনার আশা পূর্ণ করার।
পৃথিবীর সর্বকালের সর্বনিকৃষ্ট এক অক্ষরের স্বার্থপর শব্দ হলো ‘আমি’। এই আমি কোনোদিন ‘আমরা’ ছাড়া সার্থক হয় না। পৃথিবীর কোনো ভোগ, বিলাস, আনন্দ, উল্লাস, ক্রীড়া কৌতুক, বিনোদন, ভ্রমণ, সৃষ্টি ইত্যাদি একার দ্বারা সম্ভব নয়। এমনকি পাগলামোও একাকী করা যায় না। তাই মানুষের দরকার সঙ্গীী-সাথী। সঙ্গী-সাথী নিয়ে যখন জীবন শুরু করবেন, তখন আপনাকে ‘আমি’র সব বৈশিষ্ট্য ত্যাগ করে আমরা-এর বৈশিষ্ট্য ধারণ করতে হয়। আমি থেকে আমরাতে পরিবর্তিত হওয়ার জন্য আপনার মন-মানসিকতা, চিন্তা-চেতনা এবং কর্মে ব্যাপক পরিবর্তন আনতে হবে। সর্বদা পাওয়ার জন্য, চাওয়ার জন্য অথবা ভোগের জন্য হাত না বাড়িয়ে নিজের সংকীর্ণতার গণ্ডি থেকে বের হওয়ার রাস্তা খুঁজতে হবে। আপনি যদি কেবল চাইতেই থাকেন তবে অন্তহীন ব্যথা, বেদনা, অপমান এবং তুচ্ছ-তাচ্ছিল্যের গ্লানি আপনাকে সহ্য করতে হবে।
কিছু পরামর্শ যা সবসময় মনে রাখবেন
ক.. না চাওয়া পর্যন্ত কিছুই পাবেন না
ইউনিভার্সিটির এক প্রফেসর প্রথম বিষয়টা নজরে আনেন। তিনি বলেন, আপনি যদি কোনো কিছু না চান, তাহলে উত্তর হবে সবসময়- না।
খ ধীর পদক্ষেপে এগোন।
ধীরে ধীরে লম্বা পদক্ষেপে এগোনো সবচেয়ে বুদ্ধিমানের কাজ। আপনি যদি ধীর পদক্ষেপে এগিয়ে যান, তাহলে পরবর্তী পদক্ষেপ নিয়ে চিন্তা করতে পারবেন।
গ. অভিযোগ করার আগে আরেকবার ভাবুন
অভিযোগ করবেন না। মনে রাখবেন, বোকারাই শুধু অভিযোগ করে আর জ্ঞানীরা নতুনভাবে পরিকল্পনা সাজায়। সুতরাং কারো বিরোদ্ধে অভিযোগ করা নয়। এটা নেতিবাচক মনোভাবের বহিঃপ্রকাশ এবং এটা আপনার কোনো কাজে আসবে না।
ঘ. সময় এমন একটা জিনিস, যা কখনো ফিরে আসে না
সময় এমন একটা স¤পদ, যা কাউকে দিয়ে দেওয়া যায়, খরচ করা যায় বা নষ্ট করা যায়। তা নিয়ে আপনি যাই করুন না কেন, একবার চলে গেলে এটা আর ফেরত পাওয়া যায় না। সময় টাকার চেয়ে অনেক বেশি মূল্যবান। জীবনের শেষে আপনার অনেক টাকা থাকলেও আপনি সময় কিনতে পারবেন না।
ঙ. আচরণ আপনার মেধার চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ
শক্তিশালী ইতিবাচক আচরণ আপনাকে অনেক দূর এগিয়ে নিয়ে যাবে। এমনকি এটা কারো মেধার চেয়েও গুরুত্বপূর্ণ গুণ বলছেন বিশেষজ্ঞরা। বহু ব্যক্তি খেলাধুলা, বিনোদন, রাজনীতি, বিজ্ঞান ও শিল্পে মেধাবী ছিলেন। কিন্তু তারা তাদের আচরণের জন্য বিফল হয়েছেন।
চ. মান সবসময় সংখ্যার তুলনায় গুরুত্বপূর্ণ
আপনি যদি কোনোকিছু করতে চান, তাহলে তা এমনভাবে করুন, যেন তা দ্বিতীয়বার করতে না হয়। কোনো কাজ করার জন্য পেছনে ফিরে যাওয়া নিঃসন্দেহে অপচয়। কোয়ানটিটির চেয়ে অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ হচ্ছে কোয়ালিটি।
সূচিপত্র
১) ছোটদের সাথে আমাদের আচরণ ২) পরিবার ও সন্তান, সুপার পাওয়ার যেভাবে তৈরি হয়, ৩) দীর্ঘস্থায়ী ভয়ের উৎপত্তির মূলে শৈশবকালে ঘটে যাওয়া ঘটনার প্রভাব , ৪) সন্তানের উৎসাহ এবং উদ্দীপনা বাড়ানো, ৫) আপনার শিশুটি ঘুমুক শান্তিতে এবং নির্ভরতায় , ৬) কিছু অব্যর্থ টিপস, যা আপনার শিশুকে পড়াশোনায় আগ্রহী করে তুলবে, ৭) শিশুকে কিভাবে বড় করবেন, ৮) বাচ্চাদের মস্তিষ্ক বিকাশে কী করবেন? ৯) বাচ্চাদের বুদ্ধি বিকাশের অন্যতম পথ, দৌড়, ১০) বাচ্চাকে কখনো আড়ালে লুকিয়ে খেতে দেবেন না, ১১) পিটার সিংগারের দর্শন, ১২) দুষ্টু শিশুরা তাড়াতাড়ি শেখে, ১৩) সন্তানকে যতই শাস্তি দেবেন ততই সে অসামাজিক হবে, ১৪) বাবা-মাই সন্তানকে নির্যাতন করেন সবচেয়ে বেশি , ১৫) সন্তানের সাথে কিভাবে গড়ে তুলবেন নিবিড় বন্ধন, ১৬) যে ১১টি কথা শিশুকে কখনোই বলবেন না!, ১৭) শিশুকে গল্প শোনান প্রতিদিন, ১৮) সন্তানের আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধির ১০টি কৌশল, ১৯) সৃজনশীলতা হচ্ছে নতুন কিছু করার যোগ্যতা, ২০) যারা মুখস্থ করতে পারেন না, ২১) তারা মেধাবী, মেধাবী হওয়ার উপায়,
২২) কথা ও ভাষা, ২৩) এলিভেটর পিচ, ২৪) সুন্দর করে কথা বলে সমস্যা জয়ের কৌশল, ২৫) ফোনে কথা বলার আদবকেতা, ২৬) ১২টি কর্ম বিধান, ২৭) ভালোবাসার অপর নাম প্রয়োজন, ২৮) আলতু-ফালতু কাজে সময় অপচয় করে স্বপ্ন পূরণের কল্পনা, ২৯) স্ট্রেস ম্যানেজমেন্ট, ৩০) চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিন পিং-এর জীবন থেকে শিক্ষা, ৩১) অভিজ্ঞতা ও অতীত থেকে শিক্ষা গ্রহণ, ৩২) বর্তমানকে সবচেয়ে বেশি মূল্য দিন, ৩৩) ২৪ ঘণ্টা কেউ সুখী হয় না, ৩৪) কিছু অভ্যাস যা আপনাকে আরও সুখী করবে , ৩৫) আপনার অবয়ব , ৩৬) সফলতার 25টি হট কৌশল-1, ৩৭) সাফল্যের 25টি হট কৌশল-2, ৩৮) সফলতার 55 সূত্র, ৩৯) কিভাবে নিজেকে নেতা হিসেবে গড়ে তুলবে, ৪০) সময় ব্যবস্থাপনা, ৪১) সময় ব্যবস্থাপনার তিনটি ধাপ, ৪২) সময়কে যথাযথভাবে কাজে লাগানোর উপায়গুলো, ৪৩) সাফল্য, ড. কোভের ইমোশনাল একাউন্ট কনসেপ্ট, ৪৪) সবচে বড় ইমোশনাল একাউন্ট, ৪৫) আপনার ইমোশনাল একাউন্ট, ৪৬) বুদ্ধি ও বিবেচনাবোধ বর্জিত কর্মফল বিপজ্জনক, ৪৭) অন্যদের দিয়ে আপনার কাজ করান কিন্তু সম্মান আপনি অর্জন করুন, ৪৮) অন্য লোকেরা আপনার কাছে আসুক দরকার হলে টোপ দিন, ৪৯) অসুখী এবং ভাগ্যহীনদের বর্জন করুন, ৫০) লোককে আপনার ওপর নির্ভরশীল করুন , ৫১) নেওয়ার পূর্বে দেওয়া অন্য বক্তির স্বার্থ বুঝুন, ৫২) শত্রুকে খাটো করে দেখবেন না, ৫৩) নিজেকে রক্ষা করার জন্য চারিদিকে দুর্গ নির্মাণ করবেন না, ৫৪) কারোর পক্ষ অবলম্বন করে বসে থাকবেন না, ৫৫) আপনার শক্তিসমূহকে সংহত করুন, ৫৫) নিজের ভুলগুলোকে লুকিয়ে রাখুন, ৫৬) শুধু সাহসের জোরে নয়, পরিণতিও বিবেচনায় রাখুন, ৫৭) প্রতিটি মানুষের গোপন ইচ্ছা খুঁজে বের করুন, ৫৮) রাগ বিপজ্জনক ও অভদ্রতা, ৫৯) কোনো দলকে ধরার জন্য দলপতিকে প্রথমে ধরুন, ৬০) নিজেকে গুরুত্বপূর্ণ মনে করুন, গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবেন, ৬০) পরিবেশ সামলাতে শিখুন, ৬১) প্রথম শ্রেণির মানুষ হয়ে উঠুন, ৬২) আপনার সামাজিক পরিবেশ ‘প্রথম শ্রেণি’র করে তোলার উপায়, ৬৩) ‘সস্তার তিন অবস্থা’ প্রধম শ্রেণিভুক্ত হয়ে উঠুন , ৬৪) যত বেশি বন্ধুত্ব তত বেশি উপরে ওঠার সম্ভাবনা, ৬৫) সাহস করে কাজটা শুরু করুন, ৬৬) সাফল্য মানে বারবার ভিন্নভাবে চেষ্টা করা, ৬৭) ১- ১০ ভাল অভ্যাস, ১১- ২০ ভাল অভ্যাস, ২১- ৩০ ভাল অভ্যাস, ৩১- ৪০ ভাল অভ্যাস, ৪১- ৫০ ভাল অভ্যাস, ৫১- ৬০ ভাল অভ্যাস, ৬১- ৭০ ভাল অভ্যাস, ৭১- ৮০ ভাল অভ্যাস, ৮১- ৯০ ভাল অভ্যাস, ৯১- ১০২ ভাল অভ্যাস, ৬৮) জিরো থেকে হিরো, ৬৯) সৃজনশীলদের সফলতার ৭ সূত্র, ৬৯) জীবনে পরিবর্তন আনুন ৪৮টি উপায়ে, ৭০) জীবন-যাপন, ৭১) জাপানী ও চিন লাইফ স্টাইল , ৭২) ৩০টি দর্শন, যা আপনার জীবনে কাজে লাগবে, ৭৩) সম্পর্ক তৈরি করা, বন্ধুত্ব, ৭৪) যে আচরণগুলো মানুষের মনের কথা জানাবে, ৭৫) কথা বলার সূত্র, ৭৬) আপনি ও আপনার ব্যবহার, ৭৭) নিজেকে সঠিকভাবে উপস্থাপন করা, ৭৮) কথা বলার কতিপয় গুরুত্বপূর্ণ নিয়ম, ৭৯) কিভাবে নিজেকে বিনয়ী হিসেবে উপস্থাপন করবেন, ৮০) কিভাবে বুদ্ধিদীপ্ত কথা বলবেন, ৮১) কথা বলার ৫টি বিস্ময়কর টেকনিক, ৮২) কিভাবে মানুষকে আকৃষ্ট করবেন? ৮৩) অকারণে সময় নষ্ট? মেল রবিনের ৫ সেকেন্ড রুল, ৮৪) কর্পোরেট আদবকেতা, ৮৫) ৩৫টি কর্পোরেট কালচার ও আপনার করণীয়, ৮৬) যা না জানলে লজ্জায় পড়তে হয় , ৮৭) কাজের সময়ে যে বিষয়গুলো একেবারেই করা উচিৎ না , ৮৮) ক্যারিয়ারে সাফল্য পেতে ছুড়ে ফেলুন ৭টি দোষ, ৮৯) আকাক্সক্ষা, ইচ্ছে বা স্বপ্ন,
৯০) বক্তৃতা প্রশিক্ষণ, কাজ কিভাবে করবেন? ৯১) আত্মশক্তিতে বলিয়ান হতে, ৯২) একনাগাড়ে চলবেন না, ৯৩) মারফিস ’ল , কাজের রোডম্যাপ তেরি , ৯৪) জব স্যাটিসফেকশন, ৯৫) কাজে সফলতার সূত্রাবলী, ৯৬) যেভাবে জীবনযাপন করবেন, ৯৭) পরিণত বুদ্ধির মানুষেরা যে কাজগুলো কখনোই করেন না, ৯৮) জীবনে দক্ষতা অর্জনের কার্যকর ১২টি উপায়, ৯৯) সঠিক লক্ষ্য নির্ধারণ ও কাজ করার উপায় , ১০০) সফলতা ও সার্থকতা, ১০১) জীবনের ছোট ছোট প্রাপ্তিগুলোকে উপভোগ করা, ১০২) সফলতার কিছু পদ্ধতি, ১০৩) সফল হতে চাইলে যে ৮ টি জিনিস বাদ দেয়া প্রয়োজন, ১০৪) সফল ব্যক্তিরা যে ১০টি কাজ কখনোই করেন না, ১০৫) সর্বদা স্মরণ রাখুন, ১০৬) চিন্তাশক্তি , ১০৭) স্বাধীনতা, ১০৮) জ্ঞান অর্জন খাদ্য গ্রহণের মতো , ১০৯) দৃঢ় প্রতিজ্ঞ হয়ে চেষ্টা করলে কখনোই বিফল হবেন না, ১১০) বুদ্ধির সংজ্ঞা হলো, প্রতিটি কাজ ভেবে-চিন্তে করা, ১১১) ব্যক্তিত্ব, চেহারা ও ব্যক্তিত্ব , ১১২) সেলডন-এর গবেষণা , ১১৩) ব্যক্তিত্ব ও উচ্চারণ, ১১৪) পোশাক ও ব্যক্তিত্ব, ১১৫) প্রথম দেখায় ব্যক্তিত্বের ছাপ, ১১৬) বিচ্ছিন্নতা ব্যক্তিত্বের বড় শত্রু, ১১৭) ব্যক্তিত্বে জিনগত প্রভাব, ১১৮) অন্তর্মুখী ও বহির্মুখী ব্যক্তিত্ব, ১১৯) মনোমুগ্ধকর ব্যক্তিত্বের ১০ বৈশিষ্ট্য, ১২০) ব্যক্তিত্বের উৎকর্ষতার জন্যে ১০ নির্দেশনা, ১২১) কিভাবে ব্যক্তিত্বের বিকাশ ঘটাবেন? , ১২২) নিজেকে স্মার্ট করতে ৫টি কৌশল, ১২৩) আকর্ষণীয় মানুষ হবার ৬টি পরামর্শ, ১২৪) আত্মশুদ্ধি , ১২৫) হতাশ হবেন না, ১২৬) পাছে লোকে কিছু বলে, ১২৭) সুখ-শান্তি উন্নতি , ১২৮) চাহিদা, ১২৯) খাদ্য, ঘুম ও বিশ্রাম, ১৩০) স্বাস্থ্য ভাল রাখার নিয়ম, ১৩১) টেনশন দূর করতে হলে, ১৩২) শুধু নিজের কথা নয়, অন্যের কথাও ভাবুন, ১৩৩) চাহিদা যত বেশি সুখ তত কম, ১৩৪) সুখী জীবনের জন্য ১৮ টি টিপস, ১৩৫) আত্মবিশ্বাস, আত্ম বিশ্বাসের শক্তি, ১৩৬) অজুহাতের ব্যাধিতে আক্রান্ত ব্যর্থ মানুষ, ১৩৭) দি সেভেন হ্যাবিট অফ হাইলি এ্যা ফেক্টিভ পিপল, ১৩৮) সামাজিক আয়না, ১৩৯) প্রোএ্যাক্টিভিটি, ১৪০) সার্কেল অফ ইনফ্লুয়েন্স, ১৪১) শুরু করুন আজই, ১৪২) আপনার কেন্দ্রবিন্দু কোনটি?, ১৪৩) মাথার দুটি অংশই ব্যবহার করুন, ১৪৪) সময়ের ব্যবস্থাপনা, ১৪৫) ব্যক্তিগত ব্যবস্থাপনা, ১৪৬) গুরুত্বপূর্ণ এবং জরুরি, ১৪৭) পরনির্ভরশীল জীবন, ১৪৮) ছয়টি উপায়ে অন্য মানুষের সাথে আদান-প্রদান, ১৪৯) অধ্যয়ন, ১৫০) পড়াশোনায় ১২ কার্যকর কৌশল, ১৫১) ঘুম থেকে উঠতে ১০-৩-২-১-০ ফর্মুলা, ১৫২) আয়-ব্যয়- টাকা, ১৫৩) অন্যকে খুশি করতে পয়সা খরচ যে কারণে অর্থহীন, ১৫৪) খরচের লাগাম টেনে ধরতে.. ১৫৫) নারী, ১৫৬) সম্পর্ককে সুন্দর রাখতে কিছু “মিথ্যা” বলা জরুরী , ১৫৭) ছেলেদের কোন জিনিস দেখে মেয়েরা? , ১৫৮) স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর কিছু অভ্যাস, ১৫৯) ভুঁড়ি ঠেকাতে ৫টি নিয়ম, ১৬০) যেসব কারণে নারীদের স্বাবলম্বী হওয়া উচতি , ১৬১) বিয়ে-সংসার, ১৬২) সফল বিয়ের তিনটি মন্ত্র, ১৬৩) সুখী হবার দারুণ কিছু মূলমন্ত্র, ১৬৪) কিছু গল্প, ১৬৫) ভালোবাসাহীন সম্পর্ক, ১৬৬) কেন স্পর্শের প্রয়োজন হয় প্রতিদিন, ১৬৭) যে কারণে একা থাকাই আপনার জন্য ভালো, ১৬৮) ব্যবসা, ১৬৯) বিক্রয় বৃদ্ধির কৌশল, ১৭০) যে ৭টা ব্যাপার বিজনেসে করবেন না, ১৭১) স্বাস্থ্য, ১৭২) দুগ্ধজাত খাবারে পুরুষের বন্ধ্যত্ব, ১৭৩) একাকিত্বের বিপদ, ১৭৪) কর্মক্ষম ও প্রফুল্ল রাখতে, ১৭৫) মন ভালো করার উপায়, ১৭৬) যৌন স্বাস্থ্য, ১৭৭) পুরুষদের কেজেল, ১৭৮) মহিলাদের কেজেল, ১৭৯) দক্ষতা , ১৮০) আলসেমি দূর করার সহজ কিছু উপায়, ১৮১) কীভাবে সামলাবেন নিন্দুকদের ?, ১৮২) সুখী হতে চাইলে যা কখনোই করবেন না, ১৮৩) সব ভুলে যাচ্ছেন? স্মৃতিশক্তি চাঙ্গা রাখতে ৫টি টিপস, ১৮৪) বয়সের ভারে বৃদ্ধ না হয়ে বরং কাজের ভারে যুবক থাকার চেষ্টা করো, ১৮৫) নিজেকে কাজের সঙ্গে সম্পক্ত করার তিনটে স্টেপ, ১৮৬) জীবনের লক্ষ্য নির্ধারণে দ্রুত পদ্ধতিগুলো, ১৮৭) প্রতিদান পাওয়ার আশায় কাজ করবেন না, ১৮৮) প্রেম একটি মানসিক রোগ, ১৮৯) সম্পর্ক ভেঙ্গে যাবার পর নিজেকে যেভাবে সামলাবে, ১৯০) সময় সবকিছু বদলে দেয়, ১৯১) সম্পর্ক তৈরির ক্ষেত্রে কমন পাঁচটি ভুল, ১৯২) আত্মবিশ্বাস/মনোবল, ১৯৩) প্যারাসুট অফ হ্যাপিনেস, ১৯৪) বারবার ঘুরে দাঁড়াতে হবে, ১৯৫) আত্মবিশ্বাসহীন মানুষের লক্ষণ, ১৯৬) বাড়াও আত্মবিশ্বাস, বাড়বে সফলতা, ১৯৭) প্রাতিষ্ঠানিক সম্পর্ক শক্তিশালী করার টিপস, ১৯৮) কিভাবে ধরে রাখবে দু'জনের সম্পর্ক, ১৯৯) কিভাবে বুঝবে সম্পর্ক শেষ করতে হবে, ২০০) সম্পর্ক যখন প্রেম-ভালোবাসার, ২০১) যেসব বিষয়ের উপর স¤পর্ক গড়ে ওঠে, ২০২) ভালোবাসার অপর নাম প্রয়োজন, ২০৩) সম্পর্কের গুণগত মান বাড়বে কিভাবে, ২০৪) মস্তিস্ক ঠিক রাখার ৩০ উপায়, ২০৫) মানুষের আচরণের পেছনে একটা কারণ থাকে, ২০৬) কোনো কাজে নিজেকে সম্পক্ত না করেই আমরা নিজ ক্যারিয়ারকে এগিয়ে নিয়ে যাই ২০৭) স্রোতের বিপরীতে চিন্তা করুন, ২০৮) আপনার টাইমজোনে সময় আসবেই, ২০৯) চাইল্ডহুড অ্যামনেসিয়া এবং আমাদের শিক্ষণীয়,