দি সেভেন হ্যাবিট অফ হাইলি এ্যা ফেক্টিভ পিপল
অনেক দিন আগে একটা বই কিনেছিলাম, যা কয়েকদিন ধরে পড়ার চেষ্টা করছি- ড. স্টিফেন কোভে-এর লেখা‘দি সেভেন হ্যাবিট অফ হাইলি এ্যা ফেক্টিভ পিপল’। এই বইটি বিগত ২৫ বছরের বেশি সময় ধরে মানুষকে আলোড়িত করেছে। এবং এখন পর্যন্ত প্রায় আড়াই কোটির বেশি বিক্রি হয়েছে। বর্তমান সময়ের অনেক বিখ্যাত মানুষ এই বইটি স¤পর্কে বলেছেন, ড. কোভের গবেষণা এবং তার উপর লেখা এই বইটি তাদের জীবনকে প্রভাবিত করেছে। এবং অনেক ক্ষেত্রে সেগুলো তাদের সাথে মিলেও গেছে।সুযোগ পেলেই আমি বিভিন্ন এ্যাফেক্টিভ মানুষের কাজের ধরন এবং তাদের দর্শন পড়ার চেষ্টা করি।
এই বইতে যে সাতটি অভ্যাসের কথা বলা হয়েছে সেগুলোকে আমার বেশ যুক্তিযুক্ত মনে হয়েছে। বিখ্যাত এ্যাফেক্টিভ ব্যক্তিদের কাজের ধারার সাথে মিলিয়ে দেখলে একটা সুন্দর মিল পাওয়া যায়। আমি মনে করি, এটা বর্তমান সময়ের মানুষ, পিতা-মাতা, ছাত্র-ছাত্রী থেকে শুরু করে অফিসের একজন নিবেদিত প্রাণ কর্মীও পড়ে দেখতে পারেন। এবং তার কিছু কিছু নিজের ওপর প্রয়োগ করে অনেক বেশি এ্যা ফেক্টিভ হতে পারেন। আজকে লিখছি, প্রথম অভ্যাসটি নিয়ে যাকে ইংরেজিতে বলা হচ্ছে‘প্রোএ্যাক্টিভ’।
‘প্রোএ্যাক্টিভ’ শব্দটির সঠিক অর্থ কী, সেটা এক কথায় বুঝিয়ে বলা কঠিন। অনেকেই মনে করতে পারেন, করিৎকর্মা। নয়তো কোনোও কিছু ঘটার আগেই সেটা করে ফেলা কিংবা কোনোও কাজ শেষ করার জন্য চাপ প্রয়োগ করা, অথবা ইতিবাচক ব্যবহার ইত্যাদি। কিন্তু আসলে এগুলোর কোনোটাই নয়। ‘প্রোএ্যাক্টিভ’ বিষয়টি বুঝতে হলে আরও কিছু বিষয় বুঝতে হবে। এই মুহূর্তে শুধু বলে রাখছি, প্রোএ্যাক্টিভ শব্দটির উল্টো অর্থ হলো‘রিএ্যাক্টিভ’। বাংলায় এর যুৎসই প্রতিশব্দ পাইনি বলে এখানে ইংরেজি শব্দ দুটোই ব্যবহার করছি।
সামাজিক আয়না
আমাদের চারপাশে একটি সামাজিক আয়না আছে, যা আমরা দেখতে পাই না। তবে আয়নার অস্তিত্ব বুঝতে পারি। আয়নায় আমাদের কেমন দেখতে লাগে, সেটা দেখতে পাই। এটা সব সমাজের জন্যই প্রযোজ্য। সেই আয়নায় কেমন দেখায় আপনাকে?
-‘তুমি তো কখনই ঠিক সময়ে উপস্থিত থাকো না?’
-‘তুমি তো কখনও সত্যি কথা বলো না?’
-‘তুমি তো সামান্য জিনিসটাও ম্যানেজ করতে পারো না?’
-‘তুমি তো অনেক ভালো গান গাও!’
-‘তুমি তো রাক্ষসের মতো খাও!’
-‘আমার বিশ্বাসই হচ্ছে না, তুমি এই পুরস্কার পেতে পারো!’
-‘বিষয়টা এত সহজ, তুমি বুঝছ না কেন!’
এমন হাজারও নিজের ছবি সেই আয়নায় আপনি দেখতে পাবেন। এর সবগুলো যে সত্যি তা নয়। এর অনেকগুলোই হয়তো শুধু পারসেপশন। কিন্তু মানুষ আপনাকে এভাবেই দেখে থাকে। এবং এর বেড়াজালে আটকে যায় আমাদের জীবন, বেড়ে ওঠা এবং কাজকর্ম, সর্বোপরি এ্যা ফেক্টিভনেস।
সামাজিক এই মাপকাঠি মূলত তিনটি বড় দাগে ভাগ করা যায়।
প্রথমটি হলো জেনেটিক- বিষয়টি এমন যে, আপনার দাদা করতেন তাই আপনার ভেতরও সেটা আছে। আপনার দাদার মাথা গরম ছিল, তাই আপনার ভেতরও সেই বৈশিষ্ট্য রয়েছে। এমন কথা নিশ্চয়ই আপনি অনেকবার শুনেছেন। অনেকেই বলবে, এটা তোমার ডিএনএ-এর ভেতর রয়েছে। এটা তুমি জন্মসূত্রে পেয়েছ।
দ্বিতীয়টি হলো সাইকিক- অর্থাৎ আপনার মা-বাবা আপনাকে এটা করতে শিখিয়েছে, কিংবা আপনি যেভাবে বেড়ে উঠেছেন তার প্রভাব। আপনার ছোটবেলার ব্যবহার আপনাকে এভাবে গড়ে তুলেছে।
সেকারণেই আপনি কোথাও দাঁড়িয়ে বক্তৃতা করতে ভয় পান, আপনি কোনোও একটি ভুল কাজ করে ফেললে সেটা স্বীকার করতে ভয় পান (কারণ তখন আপনার চোখে মা-বাবার কঠিন মূর্তিটি ভেসে ওঠে)। আপনার মনে জেগে ওঠে অন্যদের সাথে আপনাকে তুলনা করার মানসিক যন্ত্রনা, আপনি ক্লাসে প্রথম হতে পারেননি কিন্তু পাশের বাড়ির ছেলে প্রথম হয়ে গেল ইত্যাদি। এগুলো আমাদের অসংখ্য মানুষের ছোটবেলার ছবি। এভাবেই আমরা বেড়ে উঠি।
তৃতীয়টি হলো পারিপার্শ্বিক- অর্থাৎ আপনার চারপাশের পরিস্থিতি। যেমন আপনি বলতে পারেন, আপনার বস (চাকরি ক্ষেত্রে) এটা করছে, কিংবা আপনার স্ত্রী বা স্বামী আপনার জীবনটা নষ্ট করে দিচ্ছে, নয়তো দেশের অর্থনীতি মোটেও ভালো না, সব দুর্নীতিগ্রস্থের ভেতর কাজ করব কীভাবে, কিংবা দেশের নীতিমালা একদমই আপনার পছন্দ নয়।
এমন বিষয়গুলো তো আমাদের মনকে প্রভাবিত করে, জীবনকে পরিচালিত করে। নয় কি? আমরা সবাই কিন্তু এই ধরনের হাজারও বিষয়ের ওপর নির্ভর করে নিজেদেরকে সাজাই, কিংবা রেসপন্স করি। আবার একই বিষয়ে আমরা সবাই কিন্তু একইভাবে রেসপন্স করি না। কিন্তু এই যাবতীয় রেসপন্সের কি কোনোও গ্রামার আছে?
প্রোএ্যাক্টিভিটি
আপনি যদি একটু গভীরে চিন্তা করেন তাহলে বুঝতে পারবেন, আমরা যে রেসপন্স করি সেটা আসলে পরিস্থিতির ওপর নির্ভর করে করি না। আসলে ওই পরিস্থিতিতে আমরা যা সিদ্ধান্ত নিই, তাই প্রকাশ করি রেসপন্স-এর মাধ্যমে। আপনি যদি রেগে যান, তার অর্থ হলো আপনি রেগে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। আপনি যদি সুখ অনুভব করেন, আসলে আপনি সুখী হওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। আমাদের ব্যবহার মূলত আমাদের সিদ্ধান্তের ফলাফল।
যারা খুব বেশি পরিমাণে প্রোএ্যাক্টিভ মানুষ, তারা মূলত‘রেসপন্সিবিলিটি’-তে বিশ্বাস করেন। রেসপন্সিবিলিটি শব্দটিকে ভাঙলে দাঁড়ায়‘রেসপন্স’ +‘এবিলিটি’ অর্থাৎ রেসপন্স করার ক্ষমতা। এই ধরনের মানুষগুলো তাদের নিজেদের ব্যবহারের জন্য কখনই কোনোও পরিস্থিতি, অবস্থা কিংবা পরিবেশকে দায়ী করে না। তারা মনে করে, সে যা ব্যবহার করছে (রেসপন্স করছে) সেটা তার সচেতন মনের সিদ্ধান্ত বা বহিঃপ্রকাশ। কারণ মানুষ প্রকৃতিগতভাবেই প্রোএ্যাক্টিভ। মানুষ প্রকৃতিগতভাবে মনে করে না যে, সে পরিস্থিতির শিকার। সে মানতে চায় না যে, কেউ তাকে নিয়ন্ত্রণ করছে। সে বন্যা, খরা, রোদ, বৃষ্টি, ভূমিক¤প ইত্যাদির কাছে নতি স্বীকার করতে চায় না। মোটকথা সে পরিস্থিতি দ্বারা নিজেকে নিয়ন্ত্রিত হতে দিতে চায় না।
যদি আমরা নিজেকে পরিস্থিতির ওপর ছেড়ে দেই, তখনিই আমরা‘রিএ্যাক্টিভ’ হয়ে যাই। রিএ্যাক্টিভ মানুষরা পরিস্থিতি দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়। আজকে যদি আবহাওয়া ভালো থাকে, তাহলে ভালো অনুভব করে। যদি আবহাওয়া ভালো না থাকে, তাহলে তারাও ভালো থাকে না। কিন্তু‘প্রোএ্যাক্টিভ’ মানুষদের নিজেদেরই আবহাওয়া থাকে। রোদ উঠল নাকি বৃষ্টি হলো, তাতে তাদের কিচ্ছু আসে যায় না। তারা মূলত নিজেদের‘মান’ দ্বারা পরিচালিত হয়। কেউ যদি মনে করে সে ভালো মানের কাজ উপহার দেবে, তাহলে তার কাছে রোদ-বৃষ্টি-খরা কোনোও কিছুই কোনো বিষয় নয়। তারা সবকিছু উপেক্ষা করে ভালো কাজটি উপহার দিবেই।
‘রিএ্যািেক্টভ’ মানুষগুলো‘সামাজিক আবহাওয়া’ দ্বারাও নিয়ন্ত্রিত হয়। কেউ তাদেরকে একবেলা ভালো খাওয়ালো, তারা তাতে খুশি হয়। আবার কেউ তাদেরকে দাওয়াত দিল না, তাদের মন খারাপ হয়, তারা ডিফেন্সিভ হয়ে ওঠে। রিএ্যাখক্টিভ মানুষরা মূলত অন্য মানুষের ব্যবহারের ওপর নির্ভর করে নিজেদের জীবনকে তৈরি করে। নিজেকে নিয়ন্ত্রণ করার জন্য অন্য মানুষকে ক্ষমতাশালী করে। অনেক সময় সে বুঝতেই পারে না, যে অন্য মানুষকে সে তার যাবতীয় নিয়ন্ত্রণের চাবিগুলো দিয়ে রেখেছে।
মোট কথা, রিএ্যাক্টিভ মানুষগুলো পরিচালিত হয় অন্যের দ্বারা, আর প্রোএ্যাক্টিভ মানুষগুলো পরিচালিত হয় তার ভেতরের নিজস্ব মানদন্ড দিয়ে, ভ্যালু দিয়ে।
প্রোএ্যাক্টিভ মানুষগুলোকেও বাইরের পরিবেশ প্রভাবিত করে। কিন্তু তারা সেটা দিয়ে পরিচালিত হয় না। তারা ওই পরিস্থিতিতে এমনভাবে সিদ্ধান্ত নেয়, যার চাবিকাঠি তার নিজের ভেতরেই রয়ে গেছে। যেমন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ফার্স্ট লেডি এলিনর রুজভেল্ট মতে,‘আপনার অনুমতি ছাড়া কেউ আপনাকে কষ্ট দিতে পারবে না’। একইভাবে মহাত্মা গান্ধী বলেছিলেন,‘আমরা যদি কারও হাতে আমাদের আত্মসন্মান তুলে না দেই, তাহলে সেটা কেউ নিয়ে যেতে পারবে না’। একইভাবে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বলেছিলেন,‘সাত কোটি বাঙালিকে দাবায় রাখতে পারবা না’।
এরা সবাই খুবই প্রোএ্যাক্টিভ মানুষ ছিলেন। আমরা মূলত নিজেদেরকে দাবায় রাখার জন্য অন্যকে সেই ক্ষমতাটা দিয়ে দেই। আপনি যেদিন বলতে পারবেন,‘আজকের এই আমি এবং আমার এই অবস্থান, তার জন্য আমার গতকালের সিদ্ধান্তগুলোই দায়ী’ তখনই কেবল আপনি প্রোএ্যাক্টিভ মানুষের দলে নাম লেখাতে পারবেন। দেখে নিন, আপনি প্রোএ্যাক্টিভ নাকি রিএ্যাক্টিভ।
খেয়াল করুন আপনার ভাষা
আমরা নিত্যদিন যা ভাবি, আর যা করি তার বেশিরভাগই উঠে আসে আমাদের ভাষায়। আপনি কীভাবে কথা বলছেন, কীভাবে শব্দ চয়ন করছেন, সেগুলো আপনার অজান্তেই আপনার চিন্তার রাস্তাকে অন্যের কাছে তুলে ধরবে। আপনি নিজেও একটু খেয়াল করে সেগুলো উদ্ধার করতে পারেন। তাহলে বুঝতে সুবিধা হবে, আপনি প্রোএ্যাক্টিভ নাকি রিএ্যাক্টিভ।
নীচের শব্দমালাগুলো খেয়াল করুন-
- এই ব্যাপারে আমি কিছুই করতে পারব না
- আমি তো এমনই (মানলে মানো, না মানলে ভাগো...)
- ও আমাকে পাগল করে ছাড়ছে
- আমাকে এটা করতেই হবে
- দুঃখিত, আমি এটা করতে পারব না
- আমাকে অবশ্যই এটা করতে হবে
- ইস, যদি
এবার ধরুন উপরের বিষয়গুলোতে আরেকজন মানুষ ভিন্নভাবে উত্তর দেয়, কিংবা চিন্তা করে! যেমন
- চলুন দেখি আমাদের হাতে আর কি অপশন আছে?
- আমি ভিন্ন আরেকটি উপায় বেছে নিতে পারি!
- আমি নিজের অনুভূতি নিয়ন্ত্রণ করি (ও আমাকে পাগল বানাবে কেন!)
- আমি দেখব কোনটা সবার জন্য মঙ্গল
- আমি করতে চাইছি না
- আমি ওটা করতে স্বাচ্ছন্দবোধ করছি
- আমি করব
রিএ্যাক্টিভ মানুষরা প্রথমে লেখা ধাপগুলোর মতো করে ভাববে এবং কথা বলবে। আর প্রোএ্যাক্টিভ মানুষরা নীচের সারিতে লেখা ভাবনাগুলোর মতো ভাববে এবং নিজেকে প্রকাশ করবে। আপনি যখনই বলছেন,‘আমাকে এটা করতে হবেই’ -এর অর্থ হলো কেউ আপনাকে করতে বাধ্য করছে। আর যদি একই বিষয়ে আপনি বলেন,‘আমি করতে ইচ্ছা পোষণ করছি’, তার অর্থ হলো কাজটি করতে আপনি নিজেই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। আপনি ক্লাস করবেন, নাকি ফুটবল খেলতে যাবেন সেটা আপনার সিদ্ধান্ত। কেউ আপনাকে জোর করেনি।
সূচিপত্র
১) ছোটদের সাথে আমাদের আচরণ ২) পরিবার ও সন্তান, সুপার পাওয়ার যেভাবে তৈরি হয়, ৩) দীর্ঘস্থায়ী ভয়ের উৎপত্তির মূলে শৈশবকালে ঘটে যাওয়া ঘটনার প্রভাব , ৪) সন্তানের উৎসাহ এবং উদ্দীপনা বাড়ানো, ৫) আপনার শিশুটি ঘুমুক শান্তিতে এবং নির্ভরতায় , ৬) কিছু অব্যর্থ টিপস, যা আপনার শিশুকে পড়াশোনায় আগ্রহী করে তুলবে, ৭) শিশুকে কিভাবে বড় করবেন, ৮) বাচ্চাদের মস্তিষ্ক বিকাশে কী করবেন? ৯) বাচ্চাদের বুদ্ধি বিকাশের অন্যতম পথ, দৌড়, ১০) বাচ্চাকে কখনো আড়ালে লুকিয়ে খেতে দেবেন না, ১১) পিটার সিংগারের দর্শন, ১২) দুষ্টু শিশুরা তাড়াতাড়ি শেখে, ১৩) সন্তানকে যতই শাস্তি দেবেন ততই সে অসামাজিক হবে, ১৪) বাবা-মাই সন্তানকে নির্যাতন করেন সবচেয়ে বেশি , ১৫) সন্তানের সাথে কিভাবে গড়ে তুলবেন নিবিড় বন্ধন, ১৬) যে ১১টি কথা শিশুকে কখনোই বলবেন না!, ১৭) শিশুকে গল্প শোনান প্রতিদিন, ১৮) সন্তানের আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধির ১০টি কৌশল, ১৯) সৃজনশীলতা হচ্ছে নতুন কিছু করার যোগ্যতা, ২০) যারা মুখস্থ করতে পারেন না, ২১) তারা মেধাবী, মেধাবী হওয়ার উপায়,
২২) কথা ও ভাষা, ২৩) এলিভেটর পিচ, ২৪) সুন্দর করে কথা বলে সমস্যা জয়ের কৌশল, ২৫) ফোনে কথা বলার আদবকেতা, ২৬) ১২টি কর্ম বিধান, ২৭) ভালোবাসার অপর নাম প্রয়োজন, ২৮) আলতু-ফালতু কাজে সময় অপচয় করে স্বপ্ন পূরণের কল্পনা, ২৯) স্ট্রেস ম্যানেজমেন্ট, ৩০) চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিন পিং-এর জীবন থেকে শিক্ষা, ৩১) অভিজ্ঞতা ও অতীত থেকে শিক্ষা গ্রহণ, ৩২) বর্তমানকে সবচেয়ে বেশি মূল্য দিন, ৩৩) ২৪ ঘণ্টা কেউ সুখী হয় না, ৩৪) কিছু অভ্যাস যা আপনাকে আরও সুখী করবে , ৩৫) আপনার অবয়ব , ৩৬) সফলতার 25টি হট কৌশল-1, ৩৭) সাফল্যের 25টি হট কৌশল-2, ৩৮) সফলতার 55 সূত্র, ৩৯) কিভাবে নিজেকে নেতা হিসেবে গড়ে তুলবে, ৪০) সময় ব্যবস্থাপনা, ৪১) সময় ব্যবস্থাপনার তিনটি ধাপ, ৪২) সময়কে যথাযথভাবে কাজে লাগানোর উপায়গুলো, ৪৩) সাফল্য, ড. কোভের ইমোশনাল একাউন্ট কনসেপ্ট, ৪৪) সবচে বড় ইমোশনাল একাউন্ট, ৪৫) আপনার ইমোশনাল একাউন্ট, ৪৬) বুদ্ধি ও বিবেচনাবোধ বর্জিত কর্মফল বিপজ্জনক, ৪৭) অন্যদের দিয়ে আপনার কাজ করান কিন্তু সম্মান আপনি অর্জন করুন, ৪৮) অন্য লোকেরা আপনার কাছে আসুক দরকার হলে টোপ দিন, ৪৯) অসুখী এবং ভাগ্যহীনদের বর্জন করুন, ৫০) লোককে আপনার ওপর নির্ভরশীল করুন , ৫১) নেওয়ার পূর্বে দেওয়া অন্য বক্তির স্বার্থ বুঝুন, ৫২) শত্রুকে খাটো করে দেখবেন না, ৫৩) নিজেকে রক্ষা করার জন্য চারিদিকে দুর্গ নির্মাণ করবেন না, ৫৪) কারোর পক্ষ অবলম্বন করে বসে থাকবেন না, ৫৫) আপনার শক্তিসমূহকে সংহত করুন, ৫৫) নিজের ভুলগুলোকে লুকিয়ে রাখুন, ৫৬) শুধু সাহসের জোরে নয়, পরিণতিও বিবেচনায় রাখুন, ৫৭) প্রতিটি মানুষের গোপন ইচ্ছা খুঁজে বের করুন, ৫৮) রাগ বিপজ্জনক ও অভদ্রতা, ৫৯) কোনো দলকে ধরার জন্য দলপতিকে প্রথমে ধরুন, ৬০) নিজেকে গুরুত্বপূর্ণ মনে করুন, গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবেন, ৬০) পরিবেশ সামলাতে শিখুন, ৬১) প্রথম শ্রেণির মানুষ হয়ে উঠুন, ৬২) আপনার সামাজিক পরিবেশ ‘প্রথম শ্রেণি’র করে তোলার উপায়, ৬৩) ‘সস্তার তিন অবস্থা’ প্রধম শ্রেণিভুক্ত হয়ে উঠুন , ৬৪) যত বেশি বন্ধুত্ব তত বেশি উপরে ওঠার সম্ভাবনা, ৬৫) সাহস করে কাজটা শুরু করুন, ৬৬) সাফল্য মানে বারবার ভিন্নভাবে চেষ্টা করা, ৬৭) ১- ১০ ভাল অভ্যাস, ১১- ২০ ভাল অভ্যাস, ২১- ৩০ ভাল অভ্যাস, ৩১- ৪০ ভাল অভ্যাস, ৪১- ৫০ ভাল অভ্যাস, ৫১- ৬০ ভাল অভ্যাস, ৬১- ৭০ ভাল অভ্যাস, ৭১- ৮০ ভাল অভ্যাস, ৮১- ৯০ ভাল অভ্যাস, ৯১- ১০২ ভাল অভ্যাস, ৬৮) জিরো থেকে হিরো, ৬৯) সৃজনশীলদের সফলতার ৭ সূত্র, ৬৯) জীবনে পরিবর্তন আনুন ৪৮টি উপায়ে, ৭০) জীবন-যাপন, ৭১) জাপানী ও চিন লাইফ স্টাইল , ৭২) ৩০টি দর্শন, যা আপনার জীবনে কাজে লাগবে, ৭৩) সম্পর্ক তৈরি করা, বন্ধুত্ব, ৭৪) যে আচরণগুলো মানুষের মনের কথা জানাবে, ৭৫) কথা বলার সূত্র, ৭৬) আপনি ও আপনার ব্যবহার, ৭৭) নিজেকে সঠিকভাবে উপস্থাপন করা, ৭৮) কথা বলার কতিপয় গুরুত্বপূর্ণ নিয়ম, ৭৯) কিভাবে নিজেকে বিনয়ী হিসেবে উপস্থাপন করবেন, ৮০) কিভাবে বুদ্ধিদীপ্ত কথা বলবেন, ৮১) কথা বলার ৫টি বিস্ময়কর টেকনিক, ৮২) কিভাবে মানুষকে আকৃষ্ট করবেন? ৮৩) অকারণে সময় নষ্ট? মেল রবিনের ৫ সেকেন্ড রুল, ৮৪) কর্পোরেট আদবকেতা, ৮৫) ৩৫টি কর্পোরেট কালচার ও আপনার করণীয়, ৮৬) যা না জানলে লজ্জায় পড়তে হয় , ৮৭) কাজের সময়ে যে বিষয়গুলো একেবারেই করা উচিৎ না , ৮৮) ক্যারিয়ারে সাফল্য পেতে ছুড়ে ফেলুন ৭টি দোষ, ৮৯) আকাক্সক্ষা, ইচ্ছে বা স্বপ্ন,
৯০) বক্তৃতা প্রশিক্ষণ, কাজ কিভাবে করবেন? ৯১) আত্মশক্তিতে বলিয়ান হতে, ৯২) একনাগাড়ে চলবেন না, ৯৩) মারফিস ’ল , কাজের রোডম্যাপ তেরি , ৯৪) জব স্যাটিসফেকশন, ৯৫) কাজে সফলতার সূত্রাবলী, ৯৬) যেভাবে জীবনযাপন করবেন, ৯৭) পরিণত বুদ্ধির মানুষেরা যে কাজগুলো কখনোই করেন না, ৯৮) জীবনে দক্ষতা অর্জনের কার্যকর ১২টি উপায়, ৯৯) সঠিক লক্ষ্য নির্ধারণ ও কাজ করার উপায় , ১০০) সফলতা ও সার্থকতা, ১০১) জীবনের ছোট ছোট প্রাপ্তিগুলোকে উপভোগ করা, ১০২) সফলতার কিছু পদ্ধতি, ১০৩) সফল হতে চাইলে যে ৮ টি জিনিস বাদ দেয়া প্রয়োজন, ১০৪) সফল ব্যক্তিরা যে ১০টি কাজ কখনোই করেন না, ১০৫) সর্বদা স্মরণ রাখুন, ১০৬) চিন্তাশক্তি , ১০৭) স্বাধীনতা, ১০৮) জ্ঞান অর্জন খাদ্য গ্রহণের মতো , ১০৯) দৃঢ় প্রতিজ্ঞ হয়ে চেষ্টা করলে কখনোই বিফল হবেন না, ১১০) বুদ্ধির সংজ্ঞা হলো, প্রতিটি কাজ ভেবে-চিন্তে করা, ১১১) ব্যক্তিত্ব, চেহারা ও ব্যক্তিত্ব , ১১২) সেলডন-এর গবেষণা , ১১৩) ব্যক্তিত্ব ও উচ্চারণ, ১১৪) পোশাক ও ব্যক্তিত্ব, ১১৫) প্রথম দেখায় ব্যক্তিত্বের ছাপ, ১১৬) বিচ্ছিন্নতা ব্যক্তিত্বের বড় শত্রু, ১১৭) ব্যক্তিত্বে জিনগত প্রভাব, ১১৮) অন্তর্মুখী ও বহির্মুখী ব্যক্তিত্ব, ১১৯) মনোমুগ্ধকর ব্যক্তিত্বের ১০ বৈশিষ্ট্য, ১২০) ব্যক্তিত্বের উৎকর্ষতার জন্যে ১০ নির্দেশনা, ১২১) কিভাবে ব্যক্তিত্বের বিকাশ ঘটাবেন? , ১২২) নিজেকে স্মার্ট করতে ৫টি কৌশল, ১২৩) আকর্ষণীয় মানুষ হবার ৬টি পরামর্শ, ১২৪) আত্মশুদ্ধি , ১২৫) হতাশ হবেন না, ১২৬) পাছে লোকে কিছু বলে, ১২৭) সুখ-শান্তি উন্নতি , ১২৮) চাহিদা, ১২৯) খাদ্য, ঘুম ও বিশ্রাম, ১৩০) স্বাস্থ্য ভাল রাখার নিয়ম, ১৩১) টেনশন দূর করতে হলে, ১৩২) শুধু নিজের কথা নয়, অন্যের কথাও ভাবুন, ১৩৩) চাহিদা যত বেশি সুখ তত কম, ১৩৪) সুখী জীবনের জন্য ১৮ টি টিপস, ১৩৫) আত্মবিশ্বাস, আত্ম বিশ্বাসের শক্তি, ১৩৬) অজুহাতের ব্যাধিতে আক্রান্ত ব্যর্থ মানুষ, ১৩৭) দি সেভেন হ্যাবিট অফ হাইলি এ্যা ফেক্টিভ পিপল, ১৩৮) সামাজিক আয়না, ১৩৯) প্রোএ্যাক্টিভিটি, ১৪০) সার্কেল অফ ইনফ্লুয়েন্স, ১৪১) শুরু করুন আজই, ১৪২) আপনার কেন্দ্রবিন্দু কোনটি?, ১৪৩) মাথার দুটি অংশই ব্যবহার করুন, ১৪৪) সময়ের ব্যবস্থাপনা, ১৪৫) ব্যক্তিগত ব্যবস্থাপনা, ১৪৬) গুরুত্বপূর্ণ এবং জরুরি, ১৪৭) পরনির্ভরশীল জীবন, ১৪৮) ছয়টি উপায়ে অন্য মানুষের সাথে আদান-প্রদান, ১৪৯) অধ্যয়ন, ১৫০) পড়াশোনায় ১২ কার্যকর কৌশল, ১৫১) ঘুম থেকে উঠতে ১০-৩-২-১-০ ফর্মুলা, ১৫২) আয়-ব্যয়- টাকা, ১৫৩) অন্যকে খুশি করতে পয়সা খরচ যে কারণে অর্থহীন, ১৫৪) খরচের লাগাম টেনে ধরতে.. ১৫৫) নারী, ১৫৬) সম্পর্ককে সুন্দর রাখতে কিছু “মিথ্যা” বলা জরুরী , ১৫৭) ছেলেদের কোন জিনিস দেখে মেয়েরা? , ১৫৮) স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর কিছু অভ্যাস, ১৫৯) ভুঁড়ি ঠেকাতে ৫টি নিয়ম, ১৬০) যেসব কারণে নারীদের স্বাবলম্বী হওয়া উচতি , ১৬১) বিয়ে-সংসার, ১৬২) সফল বিয়ের তিনটি মন্ত্র, ১৬৩) সুখী হবার দারুণ কিছু মূলমন্ত্র, ১৬৪) কিছু গল্প, ১৬৫) ভালোবাসাহীন সম্পর্ক, ১৬৬) কেন স্পর্শের প্রয়োজন হয় প্রতিদিন, ১৬৭) যে কারণে একা থাকাই আপনার জন্য ভালো, ১৬৮) ব্যবসা, ১৬৯) বিক্রয় বৃদ্ধির কৌশল, ১৭০) যে ৭টা ব্যাপার বিজনেসে করবেন না, ১৭১) স্বাস্থ্য, ১৭২) দুগ্ধজাত খাবারে পুরুষের বন্ধ্যত্ব, ১৭৩) একাকিত্বের বিপদ, ১৭৪) কর্মক্ষম ও প্রফুল্ল রাখতে, ১৭৫) মন ভালো করার উপায়, ১৭৬) যৌন স্বাস্থ্য, ১৭৭) পুরুষদের কেজেল, ১৭৮) মহিলাদের কেজেল, ১৭৯) দক্ষতা , ১৮০) আলসেমি দূর করার সহজ কিছু উপায়, ১৮১) কীভাবে সামলাবেন নিন্দুকদের ?, ১৮২) সুখী হতে চাইলে যা কখনোই করবেন না, ১৮৩) সব ভুলে যাচ্ছেন? স্মৃতিশক্তি চাঙ্গা রাখতে ৫টি টিপস, ১৮৪) বয়সের ভারে বৃদ্ধ না হয়ে বরং কাজের ভারে যুবক থাকার চেষ্টা করো, ১৮৫) নিজেকে কাজের সঙ্গে সম্পক্ত করার তিনটে স্টেপ, ১৮৬) জীবনের লক্ষ্য নির্ধারণে দ্রুত পদ্ধতিগুলো, ১৮৭) প্রতিদান পাওয়ার আশায় কাজ করবেন না, ১৮৮) প্রেম একটি মানসিক রোগ, ১৮৯) সম্পর্ক ভেঙ্গে যাবার পর নিজেকে যেভাবে সামলাবে, ১৯০) সময় সবকিছু বদলে দেয়, ১৯১) সম্পর্ক তৈরির ক্ষেত্রে কমন পাঁচটি ভুল, ১৯২) আত্মবিশ্বাস/মনোবল, ১৯৩) প্যারাসুট অফ হ্যাপিনেস, ১৯৪) বারবার ঘুরে দাঁড়াতে হবে, ১৯৫) আত্মবিশ্বাসহীন মানুষের লক্ষণ, ১৯৬) বাড়াও আত্মবিশ্বাস, বাড়বে সফলতা, ১৯৭) প্রাতিষ্ঠানিক সম্পর্ক শক্তিশালী করার টিপস, ১৯৮) কিভাবে ধরে রাখবে দু'জনের সম্পর্ক, ১৯৯) কিভাবে বুঝবে সম্পর্ক শেষ করতে হবে, ২০০) সম্পর্ক যখন প্রেম-ভালোবাসার, ২০১) যেসব বিষয়ের উপর স¤পর্ক গড়ে ওঠে, ২০২) ভালোবাসার অপর নাম প্রয়োজন, ২০৩) সম্পর্কের গুণগত মান বাড়বে কিভাবে, ২০৪) মস্তিস্ক ঠিক রাখার ৩০ উপায়, ২০৫) মানুষের আচরণের পেছনে একটা কারণ থাকে, ২০৬) কোনো কাজে নিজেকে সম্পক্ত না করেই আমরা নিজ ক্যারিয়ারকে এগিয়ে নিয়ে যাই ২০৭) স্রোতের বিপরীতে চিন্তা করুন, ২০৮) আপনার টাইমজোনে সময় আসবেই, ২০৯) চাইল্ডহুড অ্যামনেসিয়া এবং আমাদের শিক্ষণীয়,