অভ্যাস ৮১ এই পৃথিবীতে সবচেয়ে মারাত্মক জিনিস হল ভয়।
. ভয় আপনাকে হিরো থেকে জিরো বানিয়ে দিতে পারে। ধরুন,আপনি কোথাও কোনো প্রেজেন্টেশন দিচ্ছেন,আপনি অনেক ভালভাবে প্রস্তুতি নিয়ে এসেছেন। কিন্তু আপনার মনের মধ্যে এক ধরণের ভয় কাজ করছে। দেখবেন এই ভয় থেকে একটু পরে কনফিউশনের সৃষ্টি হবে। তারপর হাত-পা ঘামতে থাকবে। তারপর আপনি আস্তে আস্তে সব ভুলে যাবেন। এত ভালভাবে প্রেজেন্টেশনের জন্য প্রস্তুতি নেওয়ার পরও, শুধুমাত্র ভয়ের জন্য সব প্রস্তুতি ভেস্তে গেল। শুধু প্রেজেন্টেশনের ক্ষেত্রে নয়, জীবনের ছোট-বড় যেকোনো কাজের ক্ষেত্রে ভয় অনেক বড় একটি বাঁধ। আপনার খুব ভালভাবে জানা জিনিসও আপনি ভুলে যেতে পারেন এই ভয়ের কারণে। তাই আপনার জীবনের প্রথম লক্ষ্য হওয়া উচিত, "ভয়কে জয় করা"। কারণ ভয়কে যদি আপনি জয় না করেন, তাহলে আপনার শত পরিশ্রম,শত প্রস্তুতি, শত কষ্ট কোনো কাজে আসবে না। জীবনের প্রতিটি ধাপ সফলতার সাথে পেরোতে চাইলে প্রথমে ভয়কে জয় করুন।
অভ্যাস ৮২ সিদ্ধান্ত নেওয়ার সময় যা করবেন না
সঠিক সিদ্ধান্ত এর ওপর জীবনের বাঁচার আনন্দ নির্ভর করে । আমরা জীবনে চলার পথে কত ভুল সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলি আর তার মাসুল সারা জীবন দিতে হয় ।
তরুণদের মাঝে অতি আবেগের কারণে সিদ্ধান্ত নিতে ভুল হয়ে যায়। যার ফলে মন খারাপ থেকে শুরু করে ঝগড়া কিংবা খারাপ পথে অগ্রসর হওয়ার মতো ভয়াবহ কিছু ঘটতে পারে। যেকোনো পরিস্থিতিতে সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে ভালোভাবে তিনটি বিষয়ের দিকে অবশ্যই নজর দিতে হবে।
এক) আসলেই সিদ্ধান্তটি সুস্থ মস্তিষ্কে নিচ্ছি নাকি আবেগের বশে!
দুই) যে বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবো; এই বিষয়ে কারো সঙ্গে পরামর্শ করতে হবে। তাতে সিদ্ধান্তে ভুল হওয়ার সুযোগ কম হবে।
তিন) যে সিদ্ধান্ত নেওয়ার ফলে কী কী সমস্যা হতে পারে কিংবা কী কী সুবিধা হতে পারে, তা হিসাব করতে হবে।
রোমান সেনাপতি ও একনায়ক জুলিয়াস সিজার ৫৮-৫০ খ্রিষ্টাপূর্বাব্দের গ্যালিক যুদ্ধের কথা লেখার সময় ‘আমি বদলা নিয়েছি’ না লিখে লিখেছিলেন ‘সিজার বদলা নিয়েছে’। নিজের নাম নিয়ে নিজেকে সম্বোধনের এই কৌশলকে বলে ইলিয়েজম। কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়ার সময় নিজেকে তৃতীয় ব্যক্তির জায়গায় রেখে চিন্তা করলে, আবেগ অনেকটাই নিয়ন্ত্রিত হয়ে যায় এবং নিরপেক্ষ হয়ে ভাবা যায়। জানেন তো সোলেমানস প্যারাডক্স বলে একটি গবেষবা আছে। ‘বাইবেল’ বর্ণিত প্রাচীন রাজা সোলেমান রাজ্যের সবাইকে বিজ্ঞ পরামর্শ দেওয়ার জন্য জনপ্রিয় রাজা ছিলেন । কিন্তু নিজের জীবনে কোনো সঠিক সিদ্ধান্তই নিতে না পারার কারণে শেষ পর্যন্ত রাজ্য ছেড়ে তাঁকে পালাতে হয়েছিল। অর্থাৎ, ‘আমরা নিজেদের ব্যক্তিগত সমস্যায় সিদ্ধান্তহীনতায় ভুগি; কিন্তু অন্যেকে সিদ্ধান্ত বা পরামর্শ দেয়া সহজ হয়ে যায়। পুরো ব্যাপারটি ঘটে মনের ভিতর আবেগের জন্য। তাই সিদ্ধান্ত গ্রহণের সময় নিজেকে তৃতীয় ব্যক্তির জায়গায় রেখে চিন্তা করলে সিদ্ধান্ত গ্রহণ অনেকটাই সহজ হয়ে যাবে।
অভ্যাস ৮৩ সফল হতে জীবনযাত্রায় আনুন ৫ পরিবর্তন
বারবার রুটিন তৈরি করে ব্যর্থ হয়েছেন, নিয়মানুবর্তিতায় বাঁধতে পারছেন না নিজেকে। মনে রাখবেন সাফল্য একটি অভ্যাস, কোনও কাজ নয়। কয়েকটি উপায় মাথায় রাখুন লক্ষ্যে পৌঁছাতে হলে। আমাদের আজকের এই প্রতিবেদনে রইলো সেই ৫টি উপায়-
১) তালিকা তৈরি করুন-
প্রথমে আপনার লক্ষ্যের একটি তালিকা তৈরি করুন। আবেগের উপর ভরসা না করে মাথা দিয়ে ভাবুন। তালিকা তৈরির সময়ে কখনওই এটা ভাববেন না, আপনার লক্ষ্যপূরণ একটি কষ্টকর বিষয়। তালিকা তৈরির পর সেটি এমন জায়গায় টাঙিয়ে রাখুন যাতে প্রতিদিন, প্রতিনিয়ত আপনার চেখে পড়ে।
২) আপনার কাজের জায়গা পরিষ্কার করে রাখুন-
বিশৃঙ্খলা মানুষকে সর্বদাই বিভ্রান্ত করে। আপনার কাজের অথবা পড়ার জায়গা যদি অপরিষ্কার ও বিশৃঙ্খল অবস্থায় থাকে তবে আপনি কোনও কিছুতেই মনোনিবেশ করতে পারবেন না।
৩) মনোযোগ নষ্ট হয় এমন জিনিস সরিয়ে রাখুন-
যেই সময়টুকু আপনি আপনার কাজ করছেন অন্তত সেই সময়ে বন্ধু-বান্ধব, আত্মীয়-পরিজন, স্মার্ট ফোন, সোশ্যাল মিডিয়া কোনও কিছুতেই সময় নষ্ট করবেন না।
৪) ভোরে ওঠার অভ্যাস করুন-
প্রথম প্রথম একটু অসুবিধে হলেও সূর্য ওঠার সঙ্গে সঙ্গে ঘুম থেকে উঠে পড়তে পারলে কাজের জন্য অনেকটা সময় পাওয়া যায়। তাছাড়া ভোরে উঠলে ধৈর্যশক্তি বাড়ে, একাগ্রতাও বাড়ে।
৫) সপ্তাহের শেষে আনন্দ করুন-
সারা সপ্তাহ কাজ করার পর হাতে এক বা দুই দিন রাখুন আরাম এবং আনন্দ করার জন্য। এই সময় কাজ বা অন্যান্য গুরুত্বপূর্è বিষয়ের কথা ভাববেন না। ছুটি শেষে পরের দিন সকালের জন্য সবকিছু গুছিয়ে রাখুন, যাতে পরের দিন তাড়াহুড়ো না করতে হয়।
অভ্যাস ৮৪ ’না’ বলার অভ্যাস তৈরি করুন
কখনো কি এমন হয়েছে যে, আপনি কোনো কাজ করতে চাচ্ছেন না, অথচ শুধু ‘না’ না বলতে পারার কারণে ঠিক সেই অপছন্দের কাজটিই করতে হচ্ছে আপনাকে? ঠিক একই ব্যাপার খাওয়ার ক্ষেত্রেও সত্য। আমরা ভ্রদ্রতার তাগিদে ‘না’ বলার অভ্যাস হারিয়ে ফেলি। যেটা পরবর্তীতে সমস্যাগুলোর জন্ম দেয়। হয়তো না বলাটা ঠিক হবে কিনা দ্বিধায় ভোগেন বলে ‘না’ বলতে পারেন না আপনার অপছন্দের ব্যাপারেও। অনেক সময় শুধু ভয় কিংবা সম্মানের জায়গা থেকেও কাউকে ‘না’বলাটা সম্ভব হয় না।
‘না’বলবেন কীভাবে?
আপনাকে কেউ ‘হ্যাঁ’ এবং ‘না’ এই দুটোর মধ্যে বেছে নেওয়ার সুযোগ দিলে এবং আপনার সেই কাজটি করতে ইচ্ছে না হলে সেখানে মোট ৩টি পথ খোলা থাকে আপনার সামনে। প্রথমটি হল, অপছন্দের ব্যাপার হলেও ‘হ্যাঁ’ বলে দেওয়া এবং পরবর্তীতে সমস্যায় পড়া; দ্বিতীয়ত ‘না’ বলে দেওয়া এবং এটি বলার জন্য মানসিকভাবে সমস্যায় পড়া এবং তৃতীয়ত, ‘না’ বলে দেওয়া এবং এই ব্যাপারে কোনো মানসিক সমস্যায় না ভোগা। তিন নম্বরটি আমাদের সবার জন্যই খুব ভালো কিছু মনে হলেও বেশিরভাগ মানুষ সেটা করতে পারেন না।
‘না’ বলার কিছু সহজ কৌশল।
আপনি কি নিশ্চিত জানেন যে, আপনার কাজটি করতে ভালো লাগছে না বা লাগবে না? তাহলে বেশি না ভেবে কিংবা কিছুদিন না দেখে দ্রুত ‘না’ বলে দিন। অন্যথায়, ব্যাপারটি মানসিকভাবে আপনাকেআরো সমস্যায় ফেলে দেবে।
‘না’ বলার বেশ কিছু উপায় আছে। আপনি তাকে এটাও বলতে পারেন যে, আপনি এখন কাজটি করতে পারছেন না। তবে ভবিষ্যতে সেটা করার চেষ্টা করবেন। এতে আপনিও নেতিবাচক হবেন না এবং আপনার উপরে কোনো বাড়তি দায়িত্বও থাকবে না।
যে কাজটি আপনার পছন্দ নয় সেটিকে ‘না’ বলার সময়েও স্বার্থপর হয়ে উঠুন। অন্যের নয়, বরং নিজের স্বার্থকে এগিয়ে রাখুন। না হলে দিনশেষে ভুগতে হবে আপনাকেই!
অভ্যাস ৮৫ ভেবেচিন্তে কাজ করুন
বস নতুন কাজ দিল। ওমনি ঝাঁপিয়ে পড়লেন। কাজটা কি? কীভাবে করবেন। একটুও ভাবলেন না। বুঝেও নিলেন না। এমন চঞ্চল স্বভাবের যারা। তারা এক কাজ দশবার করেন। কারণ বস পছন্দ করে না। বারবার সংশোধন করেন। না বুঝে কাজে নামলে এমনটাই হয়। তাই কাজটা কি বুঝে নিন। পূর্বে এই কাজটা করা হয়ে থাকলে সে রিপোর্ট দেখুন। একটু চিন্তা করুন। কাজটি করার অনেক পথ আছে। সঠিক পথটা ভেবে চিন্তে বেছে নিন।
অভ্যাস ৮৬ নিজের জিন সম্পর্কে জানুন:
জিন প্রকৌশলের মাধ্যমে ডিএনএ সম্পাদনার সূক্ষ্মতম কৌশল উদ্ভাবনের স্বীকৃতি হিসাবে রসায়নে নোবেল পেয়েছেন দু'জন নারী গবেষক - ফ্রান্সের এমানুয়েল শাপেনটিয়ে এবং যুক্তরাষ্ট্রের জেনিফার ডুডনা। নোবেল কমিটি বলেছে, এই দুই বিজ্ঞানীর উদ্ভাবিত পদ্ধতিতে নিখুঁতভাবে জিনোম সম্পাদনার কাজটি সম্ভব করেছে। এর ফলে জন্মসূত্রে পাওয়া বিভিন্ন রোগ নিরাময়ের সুযোগও তৈরি হবে। মানুষের শরীরে তিন বিলিয়ন জোড়া বেইসের মধ্যে জিন রয়েছে মাত্র ২০ হাজারের মতো। এই জিনগুলো সম্মিলিতভাবে মানবের সকল বৈশিষ্ট্য ধারণ করে।
বিশেষ কোনো অসুখে পড়ার প্রবণতা হয়তো আপনার মধ্যে বেশি থাকতে পারে। কিন্তু আপনার পরিবারের বা বংশের অন্যান্য সদস্যদের অসুখ বিসুখের ইতিহাস জানা থাকলে সেটা আমাদেরকে সুস্থ ও সুন্দর জীবন যাপন করতে সাহায্য করতে পারে। জিন শরীরে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। কোনো কোনো জিনের কারণে আমরা বিশেষ একটি রোগে আক্রান্ত হচ্ছি। বংশের কারো কোনো হয়েছিল কিংবা কোনো রোগে কার মৃত্যু হয়েছিল সেটা মাথায় রাখা উচিত। একই ধরনের রোগ যদি নিজের কাছে আসে তবে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।
অভ্যাস ৮৭ পর্যাপ্ত পানি পান করুন
শরীরের একটা কমন রুলস আছে। এটাকে বলা হয়- রুলস অফ থ্রি। বাতাস ছাড়া একজন মানুষ তিন মিনিটের বেশি বেঁচে থাকতে পারে না। পানি ছাড়া একজন মানুষ তিন দিনের বেশি বেঁচে থাকতে পারে। খাবার ছাড়া একজন মানুষ তিন সপ্তাহের বেশি বেঁচে থাকতে পারে না। কোনো ধরনের রোগ ছাড়া যাদের শরীরের চামড়া অযথাই খসখসে, অন্যতম প্রধান কারণ পানিশূন্যতা। চামড়াকে উজ্জ্বল এবং সতেজ রাখতে প্রয়োজনীয় পানিপান করবেন নিয়মিত। কোনো কারণ ছাড়াই অযথা দুর্বল লাগছে, ক্লান্ত লাগছে। বুঝবেন- শরীরে পানির পরিমাণ কমে গেছে। অযথা মুখ, ঠোঁট শুকনো থাকলে বুঝবেন নিয়মিত পানিপান করছেন না। কোনো রোগ বা ওষুধ ছাড়া কোনো কারণে প্রস্রাবের রং গাঢ় হলে বুঝবেন পানিপান জরুরি। ব্যায়ামের পর ভুল করে অনেকে একসঙ্গে অনেক বেশি পানিপান করবেন না। উল্টো ফল হবে। এক কাপ বা দু কাপ পানি একটু পর পর আস্তে আস্তে পান করবেন। মহিলাদের দৈনিক ২.৭ লিটার এবং পুরুষের ৩.৭ লিটার পানিপান করতে পারলে ভালো। প্রতিদিন বেশি বেশি পান করা সুস্বাস্থ্য, শক্তি এবং ত্বকের উজ্জ্বলতা ধরে রাখার গোপন রহস্য, বেশি পানি খেলে ওজন কমবে এবং ক্যান্সারের ঝুঁকি হ্রাস পাবে।
অভ্যাস ৮৮ কিছুক্ষণের জন্যে বেরিয়ে পড়ুন
কাজের টেবিলে ঝিমুনি এলে বসে না থেকে কিছুক্ষণের জন্যে বেরিয়ে পড়ুন, আলো হাওয়ার স্বাদ নিন। ক্ষণিকের জন্যে সূর্যের আলোয় যাওয়া আপনার ঝিমুনি ভাব দূর করে দিতে পারে নিমেষেই। সূর্যের আলো মস্তিষ্কের হাইপোথ্যালামাসকে ভালোভাবে চালিত করে।
একটা দীর্ঘ নিঃশ্বাস নিন, কাপড় পরে তৈরি হোন আর হাঁটতে বেরিয়ে পড়ুন। হাঁটলে মন শান্ত হয়। পার্কে বা সবুজের মধ্যে হাঁটতে বের হলে বুক ভরে শ্বাস নিন। সব দায়িত্ব কিছুক্ষণের জন্য সরিয়ে নিজেই নিজের বন্ধু হয়ে উঠুন । নিজেকে তুলনা না করে, দোষারোপ না করে বরং খুঁজে বের করুন ভালো দিকগুলো। সেই দিকগুলো নিয়ে গর্ববোধ করুন। চিন্তা করুন, নিজের গুণগুলো কীভাবে আরও শাণিত করা যায়। প্রয়োজনে কোনো বন্ধুর সাথে খাওয়া-দাওয়া আর আড্ডা—দুটোই মন ভালো করতে কাজ করবে জাদুর মতো।
অভ্যাস ৮৯ পড়া বা কম্পিউটারে কাজ করার সময় গভীরভাবে শ্বাস নিন
একটানা সর্বোচ্চ ২ ঘণ্টার বেশি পড়া উচিত নয়। প্রতি ২ ঘণ্টা পর পর ২০ মিনিটের বিরতি নিতে হবে। এই সময়ে দীর্ঘশ্বাস নিলে দেহে সজীবতা এনে দিবে। শান্ত হয়ে দীর্ঘশ্বাস নিলে শরীর অতিরিক্ত অক্সিজেন অঙ্গপ্রত্যঙ্গে বহন করে শরীরে শক্তি এনে দেয়। দীর্ঘশ্বাস নেয়া চাপ ও উদ্বেগও হ্রাস করে। পড়াশোনার সময় ঘুমিয়ে পড়া থেকে বিরত থাকতে পুষ্টি এবং ফাইবারসমৃদ্ধ খাবার খেতে হবে। সালাদ, মসুর ডাল এবং প্রচুর ফল ও শাকসবজি-সমৃদ্ধ সুষম ও স্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়া জরুরি। সাধারণত যে খাবারে ফ্যাট বেশি থাকে তা আমাদের তন্দ্রাচ্ছন্ন এবং অলস করে তোলে। পড়াশোনার সময় ঘুম আসার প্রধান কারণ রাতে পর্যাপ্ত ঘুম না হওয়া। সুস্বাস্থ্যের জন্য প্রতি রাতে অন্তত ৭ থেকে ৮ ঘণ্টা ঘুমানো জরুরি। পড়তে পড়তে যখনই আপনার খুব ঘুম লাগবে, তখনই বিরতি দিন এবং ২০ থেকে ৩০ মিনিটের একটি পাওয়ার ন্যাপ( হালকা ঘুম) নিয়ে নিন। পানি শূণ্যতা মস্তিষ্ককে সঙ্কুচিত করে থাকে! তাই পড়ার সময় পর্যাপ্ত পানি না পান করুন। এর পরো যদি আপনি যদি ঘুম অনুভব করেন তাহলে কিছুক্ষণের জন্য হাঁটাহাঁটি করুন। নাচতে পারেন আপনার পছন্দের গান চালিয়ে দিয়ে।
অভ্যাস ৯০ রিভাইজ, রিভাইজ এন্ড রিভাইজ
গবেষণায় দেখা গেছে- আমরা আজকে সারাদিনে যত কিছু, দেখি, শুনি, জানি বা পড়ি তার ৫দিন পরে চারভাগের তিনভাগই ভুলে যাই। তবে এই ভুলে যাওয়া ঠেকানোর জন্য অনেকগুলা ট্রিকস আছে। যেমন- ৪৫ মিনিট পড়ে ১৫ মিনিটের নিবা এবং সেই ব্রেকে পড়াটা মনে মনে রিভাইজ দাও এবং কোথাও আটকে গেলে আরেকবার দেখে নাও। এবং আজকে গুরুত্বপূর্ণ কিছু পড়লে আগামীকাল ঘুমানোর আগে এই জিনিস ২০মিনিটে রিভাইজ দিয়ে দিবা। তারপর এক সপ্তাহ পরে আরেকবার রিভাইজ দিলে এই পড়ার ৯০% জিনিস এক মাস পর্যন্ত তোমার মনে থাকবে। যে জিনিসটা আজকে পড়ছো সেটা- গোসল, ভাত খাওয়া, সিঁড়ি দিয়েই নামা, বাসের জন্য অপেক্ষা, এমনকি বাথরুম করার সময় চিন্তা করবা। যতবেশি চিন্তা করবা, যতবেশি মনে মনে রিভাইজ দিবা তত বেশি মনে থাকবে।
অভ্যাস ৩০৪, পাবলিক স্পিকিং: বর্তমান বিশ্বের একটি গুরুত্বপূর্ণ সফট স্কিল
আপনি কি কখনও আপনার পেশাগত বা ব্যক্তিগত জীবনে এমন কাউকে দেখেছেন যিনি অত্যন্ত প্রতিভাবান, জ্ঞানী এবং দুর্দান্ত আইডিয়া থাকার পরও তাকে উপেক্ষা করা হয় কারণ তার কথাগুলো তিনি গুছিয়ে বলতে পারেন না? এটি একটি সাধারণ অভিজ্ঞতা। জনসাধারণের সামনে কথা বলার শিল্প আয়ত্ত করা, নার্ভাসনেসের ভয় ছাড়াই শ্রোতাদের সামনে আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে উপস্থাপন করতে সক্ষম হওয়া একটি গুরুত্বপূর্ণ দক্ষতা যা আপনার গ্রহণযোগ্যতাকে বাড়িয়ে তুলতে পারে।
একটা বাদ্যযন্ত্র বাজানো শেখার পেছনে যেমন শ্রম দিতে হয়, তেমনই পাবলিক স্পিকিংও একটি দক্ষতা যা মানুষকে অর্জন করতে হয়। এ বিষয়ে উন্নতি করতে চাইলে নিয়মনিষ্ঠভাবে চর্চা ও অনুশীলন করে যেতে হবে এবং সফলতা অর্জনের মতো মনমানসিকতা থাকতে হবে।
শুধু স্মার্টলি কথা না বলতে পারার কারণে অনেকেই পিছিয়ে পড়েন। পাবলিক স্পিকিংয়ে ভালো করার ক্ষেত্রে ২টি বিষয়ে খেয়াল রাখবেন, যথা:
১. আপনি যদি কোনো অফিসের সভায় বক্তব্য দেন অথবা প্রতিযোগিতার জন্য আগেই টপিক পেয়ে যান, তাহলে বক্তব্যটি লিখুন। কিছু গবেষণা করে খুঁজে বের করবেন, এতে আপনার তথ্যভান্ডার সমৃদ্ধ হবে,
২.পাবলিক স্পিকিংয়ের ভয়কে বলে গ্লোসোফোবিয়া, যা অনেক মানুষেরই রয়েছে। তবে এটা কাটানো জরুরি। এ ক্ষেত্রে আপনি বেশি বেশি বন্ধু বানান। তাঁদের সঙ্গে কথা বলুন। আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে অনুশীলন করুন। যত বেশি অনুশীলন করবেন ভয় তত কমবে এবং দক্ষতাকে বাড়বে। নিয়মিত বিভিন্ন টপিকে সর্ট ভিডিওতে কথা বলার মাধ্যমেও জড়তা কেটে যাবে । গোপন টিপসঃ কথা বলার ক্ষেত্রে মনের সাহস যত বেশি থাকবে, আপনি তত ভালো বক্তা হয়ে উঠতে পারবেন।
সূচিপত্র
১) ছোটদের সাথে আমাদের আচরণ ২) পরিবার ও সন্তান, সুপার পাওয়ার যেভাবে তৈরি হয়, ৩) দীর্ঘস্থায়ী ভয়ের উৎপত্তির মূলে শৈশবকালে ঘটে যাওয়া ঘটনার প্রভাব , ৪) সন্তানের উৎসাহ এবং উদ্দীপনা বাড়ানো, ৫) আপনার শিশুটি ঘুমুক শান্তিতে এবং নির্ভরতায় , ৬) কিছু অব্যর্থ টিপস, যা আপনার শিশুকে পড়াশোনায় আগ্রহী করে তুলবে, ৭) শিশুকে কিভাবে বড় করবেন, ৮) বাচ্চাদের মস্তিষ্ক বিকাশে কী করবেন? ৯) বাচ্চাদের বুদ্ধি বিকাশের অন্যতম পথ, দৌড়, ১০) বাচ্চাকে কখনো আড়ালে লুকিয়ে খেতে দেবেন না, ১১) পিটার সিংগারের দর্শন, ১২) দুষ্টু শিশুরা তাড়াতাড়ি শেখে, ১৩) সন্তানকে যতই শাস্তি দেবেন ততই সে অসামাজিক হবে, ১৪) বাবা-মাই সন্তানকে নির্যাতন করেন সবচেয়ে বেশি , ১৫) সন্তানের সাথে কিভাবে গড়ে তুলবেন নিবিড় বন্ধন, ১৬) যে ১১টি কথা শিশুকে কখনোই বলবেন না!, ১৭) শিশুকে গল্প শোনান প্রতিদিন, ১৮) সন্তানের আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধির ১০টি কৌশল, ১৯) সৃজনশীলতা হচ্ছে নতুন কিছু করার যোগ্যতা, ২০) যারা মুখস্থ করতে পারেন না, ২১) তারা মেধাবী, মেধাবী হওয়ার উপায়,
২২) কথা ও ভাষা, ২৩) এলিভেটর পিচ, ২৪) সুন্দর করে কথা বলে সমস্যা জয়ের কৌশল, ২৫) ফোনে কথা বলার আদবকেতা, ২৬) ১২টি কর্ম বিধান, ২৭) ভালোবাসার অপর নাম প্রয়োজন, ২৮) আলতু-ফালতু কাজে সময় অপচয় করে স্বপ্ন পূরণের কল্পনা, ২৯) স্ট্রেস ম্যানেজমেন্ট, ৩০) চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিন পিং-এর জীবন থেকে শিক্ষা, ৩১) অভিজ্ঞতা ও অতীত থেকে শিক্ষা গ্রহণ, ৩২) বর্তমানকে সবচেয়ে বেশি মূল্য দিন, ৩৩) ২৪ ঘণ্টা কেউ সুখী হয় না, ৩৪) কিছু অভ্যাস যা আপনাকে আরও সুখী করবে , ৩৫) আপনার অবয়ব , ৩৬) সফলতার 25টি হট কৌশল-1, ৩৭) সাফল্যের 25টি হট কৌশল-2, ৩৮) সফলতার 55 সূত্র, ৩৯) কিভাবে নিজেকে নেতা হিসেবে গড়ে তুলবে, ৪০) সময় ব্যবস্থাপনা, ৪১) সময় ব্যবস্থাপনার তিনটি ধাপ, ৪২) সময়কে যথাযথভাবে কাজে লাগানোর উপায়গুলো, ৪৩) সাফল্য, ড. কোভের ইমোশনাল একাউন্ট কনসেপ্ট, ৪৪) সবচে বড় ইমোশনাল একাউন্ট, ৪৫) আপনার ইমোশনাল একাউন্ট, ৪৬) বুদ্ধি ও বিবেচনাবোধ বর্জিত কর্মফল বিপজ্জনক, ৪৭) অন্যদের দিয়ে আপনার কাজ করান কিন্তু সম্মান আপনি অর্জন করুন, ৪৮) অন্য লোকেরা আপনার কাছে আসুক দরকার হলে টোপ দিন, ৪৯) অসুখী এবং ভাগ্যহীনদের বর্জন করুন, ৫০) লোককে আপনার ওপর নির্ভরশীল করুন , ৫১) নেওয়ার পূর্বে দেওয়া অন্য বক্তির স্বার্থ বুঝুন, ৫২) শত্রুকে খাটো করে দেখবেন না, ৫৩) নিজেকে রক্ষা করার জন্য চারিদিকে দুর্গ নির্মাণ করবেন না, ৫৪) কারোর পক্ষ অবলম্বন করে বসে থাকবেন না, ৫৫) আপনার শক্তিসমূহকে সংহত করুন, ৫৫) নিজের ভুলগুলোকে লুকিয়ে রাখুন, ৫৬) শুধু সাহসের জোরে নয়, পরিণতিও বিবেচনায় রাখুন, ৫৭) প্রতিটি মানুষের গোপন ইচ্ছা খুঁজে বের করুন, ৫৮) রাগ বিপজ্জনক ও অভদ্রতা, ৫৯) কোনো দলকে ধরার জন্য দলপতিকে প্রথমে ধরুন, ৬০) নিজেকে গুরুত্বপূর্ণ মনে করুন, গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবেন, ৬০) পরিবেশ সামলাতে শিখুন, ৬১) প্রথম শ্রেণির মানুষ হয়ে উঠুন, ৬২) আপনার সামাজিক পরিবেশ ‘প্রথম শ্রেণি’র করে তোলার উপায়, ৬৩) ‘সস্তার তিন অবস্থা’ প্রধম শ্রেণিভুক্ত হয়ে উঠুন , ৬৪) যত বেশি বন্ধুত্ব তত বেশি উপরে ওঠার সম্ভাবনা, ৬৫) সাহস করে কাজটা শুরু করুন, ৬৬) সাফল্য মানে বারবার ভিন্নভাবে চেষ্টা করা, ৬৭) ১- ১০ ভাল অভ্যাস, ১১- ২০ ভাল অভ্যাস, ২১- ৩০ ভাল অভ্যাস, ৩১- ৪০ ভাল অভ্যাস, ৪১- ৫০ ভাল অভ্যাস, ৫১- ৬০ ভাল অভ্যাস, ৬১- ৭০ ভাল অভ্যাস, ৭১- ৮০ ভাল অভ্যাস, ৮১- ৯০ ভাল অভ্যাস, ৯১- ১০২ ভাল অভ্যাস, ৬৮) জিরো থেকে হিরো, ৬৯) সৃজনশীলদের সফলতার ৭ সূত্র, ৬৯) জীবনে পরিবর্তন আনুন ৪৮টি উপায়ে, ৭০) জীবন-যাপন, ৭১) জাপানী ও চিন লাইফ স্টাইল , ৭২) ৩০টি দর্শন, যা আপনার জীবনে কাজে লাগবে, ৭৩) সম্পর্ক তৈরি করা, বন্ধুত্ব, ৭৪) যে আচরণগুলো মানুষের মনের কথা জানাবে, ৭৫) কথা বলার সূত্র, ৭৬) আপনি ও আপনার ব্যবহার, ৭৭) নিজেকে সঠিকভাবে উপস্থাপন করা, ৭৮) কথা বলার কতিপয় গুরুত্বপূর্ণ নিয়ম, ৭৯) কিভাবে নিজেকে বিনয়ী হিসেবে উপস্থাপন করবেন, ৮০) কিভাবে বুদ্ধিদীপ্ত কথা বলবেন, ৮১) কথা বলার ৫টি বিস্ময়কর টেকনিক, ৮২) কিভাবে মানুষকে আকৃষ্ট করবেন? ৮৩) অকারণে সময় নষ্ট? মেল রবিনের ৫ সেকেন্ড রুল, ৮৪) কর্পোরেট আদবকেতা, ৮৫) ৩৫টি কর্পোরেট কালচার ও আপনার করণীয়, ৮৬) যা না জানলে লজ্জায় পড়তে হয় , ৮৭) কাজের সময়ে যে বিষয়গুলো একেবারেই করা উচিৎ না , ৮৮) ক্যারিয়ারে সাফল্য পেতে ছুড়ে ফেলুন ৭টি দোষ, ৮৯) আকাক্সক্ষা, ইচ্ছে বা স্বপ্ন,
৯০) বক্তৃতা প্রশিক্ষণ, কাজ কিভাবে করবেন? ৯১) আত্মশক্তিতে বলিয়ান হতে, ৯২) একনাগাড়ে চলবেন না, ৯৩) মারফিস ’ল , কাজের রোডম্যাপ তেরি , ৯৪) জব স্যাটিসফেকশন, ৯৫) কাজে সফলতার সূত্রাবলী, ৯৬) যেভাবে জীবনযাপন করবেন, ৯৭) পরিণত বুদ্ধির মানুষেরা যে কাজগুলো কখনোই করেন না, ৯৮) জীবনে দক্ষতা অর্জনের কার্যকর ১২টি উপায়, ৯৯) সঠিক লক্ষ্য নির্ধারণ ও কাজ করার উপায় , ১০০) সফলতা ও সার্থকতা, ১০১) জীবনের ছোট ছোট প্রাপ্তিগুলোকে উপভোগ করা, ১০২) সফলতার কিছু পদ্ধতি, ১০৩) সফল হতে চাইলে যে ৮ টি জিনিস বাদ দেয়া প্রয়োজন, ১০৪) সফল ব্যক্তিরা যে ১০টি কাজ কখনোই করেন না, ১০৫) সর্বদা স্মরণ রাখুন, ১০৬) চিন্তাশক্তি , ১০৭) স্বাধীনতা, ১০৮) জ্ঞান অর্জন খাদ্য গ্রহণের মতো , ১০৯) দৃঢ় প্রতিজ্ঞ হয়ে চেষ্টা করলে কখনোই বিফল হবেন না, ১১০) বুদ্ধির সংজ্ঞা হলো, প্রতিটি কাজ ভেবে-চিন্তে করা, ১১১) ব্যক্তিত্ব, চেহারা ও ব্যক্তিত্ব , ১১২) সেলডন-এর গবেষণা , ১১৩) ব্যক্তিত্ব ও উচ্চারণ, ১১৪) পোশাক ও ব্যক্তিত্ব, ১১৫) প্রথম দেখায় ব্যক্তিত্বের ছাপ, ১১৬) বিচ্ছিন্নতা ব্যক্তিত্বের বড় শত্রু, ১১৭) ব্যক্তিত্বে জিনগত প্রভাব, ১১৮) অন্তর্মুখী ও বহির্মুখী ব্যক্তিত্ব, ১১৯) মনোমুগ্ধকর ব্যক্তিত্বের ১০ বৈশিষ্ট্য, ১২০) ব্যক্তিত্বের উৎকর্ষতার জন্যে ১০ নির্দেশনা, ১২১) কিভাবে ব্যক্তিত্বের বিকাশ ঘটাবেন? , ১২২) নিজেকে স্মার্ট করতে ৫টি কৌশল, ১২৩) আকর্ষণীয় মানুষ হবার ৬টি পরামর্শ, ১২৪) আত্মশুদ্ধি , ১২৫) হতাশ হবেন না, ১২৬) পাছে লোকে কিছু বলে, ১২৭) সুখ-শান্তি উন্নতি , ১২৮) চাহিদা, ১২৯) খাদ্য, ঘুম ও বিশ্রাম, ১৩০) স্বাস্থ্য ভাল রাখার নিয়ম, ১৩১) টেনশন দূর করতে হলে, ১৩২) শুধু নিজের কথা নয়, অন্যের কথাও ভাবুন, ১৩৩) চাহিদা যত বেশি সুখ তত কম, ১৩৪) সুখী জীবনের জন্য ১৮ টি টিপস, ১৩৫) আত্মবিশ্বাস, আত্ম বিশ্বাসের শক্তি, ১৩৬) অজুহাতের ব্যাধিতে আক্রান্ত ব্যর্থ মানুষ, ১৩৭) দি সেভেন হ্যাবিট অফ হাইলি এ্যা ফেক্টিভ পিপল, ১৩৮) সামাজিক আয়না, ১৩৯) প্রোএ্যাক্টিভিটি, ১৪০) সার্কেল অফ ইনফ্লুয়েন্স, ১৪১) শুরু করুন আজই, ১৪২) আপনার কেন্দ্রবিন্দু কোনটি?, ১৪৩) মাথার দুটি অংশই ব্যবহার করুন, ১৪৪) সময়ের ব্যবস্থাপনা, ১৪৫) ব্যক্তিগত ব্যবস্থাপনা, ১৪৬) গুরুত্বপূর্ণ এবং জরুরি, ১৪৭) পরনির্ভরশীল জীবন, ১৪৮) ছয়টি উপায়ে অন্য মানুষের সাথে আদান-প্রদান, ১৪৯) অধ্যয়ন, ১৫০) পড়াশোনায় ১২ কার্যকর কৌশল, ১৫১) ঘুম থেকে উঠতে ১০-৩-২-১-০ ফর্মুলা, ১৫২) আয়-ব্যয়- টাকা, ১৫৩) অন্যকে খুশি করতে পয়সা খরচ যে কারণে অর্থহীন, ১৫৪) খরচের লাগাম টেনে ধরতে.. ১৫৫) নারী, ১৫৬) সম্পর্ককে সুন্দর রাখতে কিছু “মিথ্যা” বলা জরুরী , ১৫৭) ছেলেদের কোন জিনিস দেখে মেয়েরা? , ১৫৮) স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর কিছু অভ্যাস, ১৫৯) ভুঁড়ি ঠেকাতে ৫টি নিয়ম, ১৬০) যেসব কারণে নারীদের স্বাবলম্বী হওয়া উচতি , ১৬১) বিয়ে-সংসার, ১৬২) সফল বিয়ের তিনটি মন্ত্র, ১৬৩) সুখী হবার দারুণ কিছু মূলমন্ত্র, ১৬৪) কিছু গল্প, ১৬৫) ভালোবাসাহীন সম্পর্ক, ১৬৬) কেন স্পর্শের প্রয়োজন হয় প্রতিদিন, ১৬৭) যে কারণে একা থাকাই আপনার জন্য ভালো, ১৬৮) ব্যবসা, ১৬৯) বিক্রয় বৃদ্ধির কৌশল, ১৭০) যে ৭টা ব্যাপার বিজনেসে করবেন না, ১৭১) স্বাস্থ্য, ১৭২) দুগ্ধজাত খাবারে পুরুষের বন্ধ্যত্ব, ১৭৩) একাকিত্বের বিপদ, ১৭৪) কর্মক্ষম ও প্রফুল্ল রাখতে, ১৭৫) মন ভালো করার উপায়, ১৭৬) যৌন স্বাস্থ্য, ১৭৭) পুরুষদের কেজেল, ১৭৮) মহিলাদের কেজেল, ১৭৯) দক্ষতা , ১৮০) আলসেমি দূর করার সহজ কিছু উপায়, ১৮১) কীভাবে সামলাবেন নিন্দুকদের ?, ১৮২) সুখী হতে চাইলে যা কখনোই করবেন না, ১৮৩) সব ভুলে যাচ্ছেন? স্মৃতিশক্তি চাঙ্গা রাখতে ৫টি টিপস, ১৮৪) বয়সের ভারে বৃদ্ধ না হয়ে বরং কাজের ভারে যুবক থাকার চেষ্টা করো, ১৮৫) নিজেকে কাজের সঙ্গে সম্পক্ত করার তিনটে স্টেপ, ১৮৬) জীবনের লক্ষ্য নির্ধারণে দ্রুত পদ্ধতিগুলো, ১৮৭) প্রতিদান পাওয়ার আশায় কাজ করবেন না, ১৮৮) প্রেম একটি মানসিক রোগ, ১৮৯) সম্পর্ক ভেঙ্গে যাবার পর নিজেকে যেভাবে সামলাবে, ১৯০) সময় সবকিছু বদলে দেয়, ১৯১) সম্পর্ক তৈরির ক্ষেত্রে কমন পাঁচটি ভুল, ১৯২) আত্মবিশ্বাস/মনোবল, ১৯৩) প্যারাসুট অফ হ্যাপিনেস, ১৯৪) বারবার ঘুরে দাঁড়াতে হবে, ১৯৫) আত্মবিশ্বাসহীন মানুষের লক্ষণ, ১৯৬) বাড়াও আত্মবিশ্বাস, বাড়বে সফলতা, ১৯৭) প্রাতিষ্ঠানিক সম্পর্ক শক্তিশালী করার টিপস, ১৯৮) কিভাবে ধরে রাখবে দু'জনের সম্পর্ক, ১৯৯) কিভাবে বুঝবে সম্পর্ক শেষ করতে হবে, ২০০) সম্পর্ক যখন প্রেম-ভালোবাসার, ২০১) যেসব বিষয়ের উপর স¤পর্ক গড়ে ওঠে, ২০২) ভালোবাসার অপর নাম প্রয়োজন, ২০৩) সম্পর্কের গুণগত মান বাড়বে কিভাবে, ২০৪) মস্তিস্ক ঠিক রাখার ৩০ উপায়, ২০৫) মানুষের আচরণের পেছনে একটা কারণ থাকে, ২০৬) কোনো কাজে নিজেকে সম্পক্ত না করেই আমরা নিজ ক্যারিয়ারকে এগিয়ে নিয়ে যাই ২০৭) স্রোতের বিপরীতে চিন্তা করুন, ২০৮) আপনার টাইমজোনে সময় আসবেই, ২০৯) চাইল্ডহুড অ্যামনেসিয়া এবং আমাদের শিক্ষণীয়,