কর্পোরেট কালচার ও আপনার করণীয়
০১. অপরিচিতজনের সঙ্গে কথাবার্তার সময় প্রথমে নিজের পরিচয় দিন। তারপর তার সঙ্গে আলাপ করুন। কর্পোরেট কালচারে অপরিচিত সবাইকে স্যার ও ম্যাম বলে সম্বোধন করতে হয়। অন্যকিছু গ্রহণযোগ্য নয়।
০২. অফিসে যারা সিনিয়র তাদের সঙ্গে সব সময় ভালো স¤পর্ক রাখার চেষ্টা করবেন। কারণ কাজ শেখার ব্যাপারে সিনিয়ররাই আপনাকে সাহায্য করবে।
০৩. আপনার সহকর্মী এবং বসের জন্মদিন মনে রাখুন। একটি ফুলের তোড়া বা ছবির ফ্রেম উপহার দিন। অতিরিক্ত কিছুই করবেন না যা দৃষ্টিকটু হয়।
০৪. অফিসের মধ্যমণি হয়ে উঠবার চেষ্টা করুন, সবার কাজেই সহযোগিতা করুন তবে অবশ্যই নিজের কাজটি আগে শেষ করে।
০৫. কর্পোরেট কনফারেন্সে গেলে নতুন যোগাযোগ তৈরি করতে সর্বদা সচেষ্ট থাকুন। এতে প্রতিষ্ঠান এবং আপনার উভয়েরই লাভ হবে।
০৬. কর্পোরেট পার্টিতে কেউ ভিজিটিং কার্ড দিলে তার সামনেই কার্ডটি অন্তত একবার পড়ুন।
০৭. কর্পোরেট পার্টিতে যথাসম্ভব কম কথা বলুন, প্রতিদ্বন্দ্বী কম তৈরি হবে।
০৮. অফিসে থাকা অবস্থায় মুঠোফোনে এমন রিং টোন দিন যা অন্যকে বিরক্ত না করে, পারলে ভাইব্রেশন মোডে দিয়ে রাখুন। মিটিংয়ে থাকলে বসের রুমে যাবার আগে সাইলেন্ট মোডে দিয়ে রাখুন।
০৯. অফিসের নিম্নশ্রেণির কর্মচারীদের সাথে সর্বদা ভালো ব্যবহার করুন; এই ভালো ব্যবহারই বিপদে পাশে দাঁড়াবে।
১০. সর্বক্ষেত্রে আমাদের অথেনটিক (অঁঃযবহঃরপ) হতে হবে। অথেনটিক অর্থ হচ্ছে খাঁটি, বিশুদ্ধ, সত্য, প্রকৃত, বিশ্বাসযোগ্য, আসল, নির্ভরযোগ্য, নির্ভেজাল, প্রমাণসিদ্ধ, অকৃত্রিম ইত্যাদি।
যেকোনো পেশায় সফলতার শীর্ষে যেতে হলে ক্যারিয়ার প্ল্যান হতে হবে অথেনটিক। অথেনটিক ক্যারিয়ার প্ল্যান করতে হলে সর্বপ্রথম আপনার যোগ্যতা, দক্ষতা, ইচ্ছা, মনের আগ্রহ এবং কোন বিষয়টি/কাজটি করতে আপনি খুব বেশি পছন্দ করেন সে বিষয় কিংবা কাজগুলো আপনাকে যাচাই করে বের করতে হবে। সে কাজের জন্য উপযুক্ত হতে আপনার যোগ্যতা, দক্ষতা বৃদ্ধির প্রয়োজন থাকলে তা বৃদ্ধির জন্য অবশ্যই পদক্ষেপ নিতে হবে।
১১.স্মার্ট গ্র্যাজুয়েটদের ভিজিটিং/ বিজনেস কার্ড থাকতে হবে:
নিজেকে মার্কেটিং কিংবা ব্র্যান্ডিং করার জন্য একটি ভিজিটিং কার্ডের গুরুত্ব অনেক বেশি। নেটওয়ার্কিংয়ের জন্য, ব্র্যান্ডিংয়ের জন্য ভিজিটিং কার্ড অনেক বড় একটি টুলস।
ধরুন, আপনি ১০০ লোকের সাথে পরিচয় হলেন যারা কর্পোরেটে খুব ভালো অবস্থানে আছে। আপনি আপনার ভিজিটিং কার্ড দিয়ে এই ১০০ লোকের সাথে পরিচিত হতে পারবেন। একজন গ্র্যাজুয়েট হিসেবে আপনার ভিজিটিং কার্ডে আপনার নাম থাকবে, ফোন নাম্বার থাকবে, ই-মেইল আইডি থাকবে কোন বিষয়ে গ্র্যাজুয়েশন করেছেন সেটা থাকবে এবং আপনার বা কো¤পানির ঠিকানা থাকতে পারে।
১২. সফলতার জন্য পোশাক:
পেশাদারিত্বের সাথে কর্পোরেট পরিবেশে নিজেকে মানিয়ে নেওয়ার জন্য ড্রেস-কোড বা রুচিশীল পোশাক খুব গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
সে জন্য আমরা বলি সফলতার জন্য ড্রেস বা পোশাক। কথায় আছে, আগে হচ্ছে দর্শনদারি পরে হচ্ছে গুণবিচারি। মানুষ আগে আপনাকে দেখবে তারপর আপনাকে দেখে পছন্দ হলে আপনার গুণ বিচার করবে। কর্পোরেট হাউজে সাধারণত ড্রেস-কোড মেনে চলার একটি নির্দেশনা থাকে। সুতরাং যে ড্রেসগুলো আপনাকে মানাবে সে ধরনের ড্রেস সবসময় নিয়ম মেনে পরা উচিত।
মানানসই ড্রেস পরার গুরুত্বই আলাদা। বিভিন্ন সেমিনার এবং বিভিন্ন অনুষ্ঠানে পরার মতো ২/১টি স্যুট সবসময় আলাদা পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন থাকা উচিত।
১৩.অনলাইনে পেশাদারিত্বমূলক উপস্থিতি থাকতে হবে:
ডিজিটাল দুনিয়ায় সবাই সবাইকে অনলাইনে খুঁজে বেড়ায়। সে জন্য অনলাইনে আপনার পেশাদারিত্বমূলক উপস্থিতি সবসময় থাকতে হবে। ফেসবুকে সব ধরনের কার্যক্রমের মধ্যে পেশাদারিত্ব ঠিক রেখে করা উচিত। ফেসবুকে অথবা লিংকডিনে আপনি যে ছবি, তথ্য নিয়মিত আপডেট করেন, কমেন্টস করেন সে ধরনের ছবি এবং তথ্যের মধ্যে পেশাদারিত্ব ও সৃজনশীলতার ছাপ রাখতে হবে।
১৪. স্কিল ডেভেলপমেন্টের জন্য পরামর্শ চাইতে হবে:
কর্পোরেটে খুব পরিচিত ব্যক্তি, আপনার ইউনিভার্সিটির শিক্ষক অথবা কাছের বন্ধু কিংবা যাকে আপনার মেন্টর মনে করেন তার কাছ থেকে নিজের স¤পর্কে সঠিক ফিডব্যাক নিতে হবে।
বাস্তব জীবনে চলার জন্য কিংবা আরও বেশি সফলতা অর্জনের জন্য যোগ্যতা ও দক্ষতার দুর্বল জায়গাগুলো চিহ্নিত করে উন্নতির জন্য কাজ করতে হবে অথবা ট্রেনিং করতে হবে সফট-স্কিল ডেভেলপমেন্টের জন্য। স্কিল ডেভেলপমেন্টের কাজগুলো সবসময় করতে হবে। জীবনে ১/২বার হয়তো লিডারশিপ স্কিল নিয়ে ট্রেনিং করেছেন সুতরাং ট্রেনিং শিক্ষাগুলোকে কাজে লাগানোর জন্য প্রতিনিয়ত একই বিষয়ে পড়তে হবে, নতুন নতুন তথ্যগুলো জেনে নিজেকে আপডেট করতে হবে।
১৫. ইংরেজি ব্যবহার ঊহমষরংয:
এটা আন্তর্জাতিক একটা ভাষা, জানতেই হবে, কোনো মাফ নেই। প্রতিদিন কথার মধ্যে কিছু কিছু শব্দ ইংরেজিতে বলুন। সম্ভব হলে পুরো বাক্য একটি বলতে চেষ্টা করুন।
১৬. মনোযোগ দিয়ে শোনা:
অন্যের কথা বুঝতে পারার জন্য আপনাকে প্রথমেই নজর দিতে হবে কথাটা ভালোমত শোনার জন্য। একবার চিন্তা করে দেখুন, কেউ যদি আপনার কথা মনোযোগ দিয়ে শুনে তাহলে আপনার কেমন লাগবে। অবশ্যই মনে হবে তারা আপনার মূল্য দিচ্ছে। তখন আপনি আরো বেশি চেষ্টা করবেন ভালোমত কথাগুলো বলার জন্য। এভাবে অন্যকে তার কথাগুলোও ভালোমত বলতে উৎসাহিত করতে হবে। এর ফলে আপনি সহজেই প্রয়োজনীয় তথ্য জোগাড় করে নিতে পারবেন।
১৭. নিজের কথা অন্যকে বুঝাতে পারা:
নিজের বক্তব্যকে অন্যের কাছে ফুটিয়ে তুলতে পারাটাও যোগাযোগ দক্ষতার আর একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। কথা বলার সময় কিছু কৌশল প্রয়োগ করতে হবে। যেমন-
ক। শরীরের অঙ্গভঙ্গির দিকে খেয়াল রাখা:
আপনি মুখে যা বলুন, তার সাথে সমন্বয় করে আপনার শরীরও প্রয়োজনমত নড়াচড়া করে। এটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ কারণ, একজন মানুষ আপনার কথা যখন শুনে তখন সে আপনার অঙ্গভঙ্গির দিকেও খেয়াল করে। কারণ, আপনার অঙ্গভঙ্গি তাকে সেই কথাটা সহজে বুঝতে সাহায্য করে।
কিন্তু খেয়াল রাখবেন, আপনার অঙ্গভঙ্গি যেন আপনার বক্তব্যের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ হয়। তাহলেই শ্রোতা আপনার কথা সহজে বুঝতে পারবে। আপনি মুখে যদি কোনো বস্তুর কথা বলেন এবং হাত দিয়ে তার আকৃতি দেখানোর মত ভঙ্গিমা করেন, তাহলে তা শ্রোতারা সহজেই বুঝতে পারবে।
খ। কৌতুক ব্যবহার করা:
হাস্যরস মানুষকে আকৃষ্ট করে। তাই আপনি যদি আপনার কথায় প্রয়োজনমত কৌতুক ব্যবহার করেন তাহলে খুব সহজেই মানুষকে আকৃষ্ট করতে পারবেন। এ ছাড়াও কৌতুক আমাদের স¤পর্ককে সহজ করে তোলে। তাই কেনো রসকসহীন কথার মাঝে মাঝে কিছু হাসির কথা বা ইঙ্গিত ব্যবহার করলে খুব সহজেই শ্রোতাকে আপন করে নিতে পারবেন এবং শ্রোতার মনোযোগ আপনার দিকে ধরে রাখতে সক্ষম হবেন। তবে যদি আলোচনাটা যদি হয় কোনো শোকের কিংবা কষ্টের, তাহলে সেখানে কৌতুক ব্যবহার করতে যাবেন না আবার।
১৮. কর্পোরেট ভদ্রতা বজায় রাখা:
অফিসের প্রয়োজনে কোনো প্রতিষ্ঠানে গেছেন, সেখানে সালাম দিয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করা ভদ্রতা। বসতে আনুমতি চাওয়া, খুব সংক্ষেপে আপনার প্রয়োজন তুলে ধরা, প্রশ্নের সঠিক জবার দেয়া ইত্যাদি কর্পোরেট ভদ্রতা। চেয়ারে বসে টেবিলে হাত রাখা কিংবা দাঁড়ানো অবস্থায় টেবিলে হাত রেখে ঝুঁকে পড়া চরম অভদ্রতা। তাছাড়া কোনো ভুলে সরি বলতে শেখা খুবই জরুরি।
১৯. ব্যক্তিগত পরিচয় হাইড করা:
ব্যক্তিগত পরিচয় কর্মস্থলে তুলে ধরাটা ভুল। কর্পোরেট মোবাইলে কেউ ব্যাক্তিগত পরিচয় জানতে চাইলে ভদ্রভাবে বলুন-সরি স্যার, ব্যক্তিগত বিষয়ে কোনো প্রশ্নের উত্তর দিতে পারছি না। কর্পোরেট জগতের বাইরে আপনার যে ব্যক্তিগত জীবন আছে। দুটোকে এক করবেন না।
২০. সহকর্মীকে কাজ শেখানো:
আপনার পরিবর্তে যে আসবে আপনার পজিশনে, তাকে কাজ শেখান। আপনি ততক্ষণ পর্যন্ত প্রমোশন পাবেন না, যতক্ষণ না কেউ আপনার বর্তমান দায়িত্ব নেবে।
২১. ব্যবসায়িক মানুষ আর ভালোবাসা এক করে ফেলবেন না।
কখনই ভুলবেন না যে, সব স¤পর্ক সবসময় ব্যবসায়িক বা কাজের স¤পর্ক নয়। কর্মক্ষেত্রে আপনার বন্ধু বা ভালোবাসার মানুষ থাকতে পারে, তবে তা থেকে কাজ আলাদা রাখবেন।
২২. আপ-ডাউন লিংক:
কেউ যখন আপনার সহায়তা কামনা করে কিন্তু কাজটা যদি আপনার না হয়, তাহলে বলুন- “আপনি একটু কষ্ট করে অমুককে বলে দেখুন।”
২৩. নতুন অভিজ্ঞতা কাজে লাগানো:
আমরা আমাদের পূর্বঅভিজ্ঞতাকেই বেশি গুরুত্ব দেই। কিন্তু এতে অনেক সময় নতুন আইডিয়াকে নষ্ট করে ফেলা হয়। তাই কখনো বলবেন না, “আগে তো সবসময় এভাবেই করেছি!” বরং বলুন- “কেন এটি অপেক্ষাকৃত ভালো সমাধান মনে হচ্ছে আপনার কাছে, একটু বুঝিয়ে বলবেন কি?”
২৪. সরাসরি প্রত্যাখ্যান করবেন ন:
কখনো বলবেন না “আমার পক্ষে এর চেয়ে বেশি কিছু করা সম্ভব না।” বরং বলুন- “আপনি কি আমাকে এর সমাধান করতে/পেতে সাহায্য করবেন প্লিজ?”
২৫. ভুল ধরবেন না:
সরাসরি কারো ভুল ধরিয়ে দিলে অধিকাংশ ক্ষেত্রেই তার মনে আঘাত দিয়ে আমরা বলি, “তুমি ভুল বলছো।” এর ফলে কাজের পরিবেশ নষ্ট হয়, শত্রুতা শুরু হয়। তাই বলুন- “এই ব্যাপারে আমার ভাবনা একটু ভিন্ন। কারণ...
”
২৬. অনুমানের উপর নির্ভর করবেন না:
অনুমানের উপর ভিত্তি করে কথা বলা ঠিক নয়। অনুমান না করে আমাদের উচিত ফ্যাক্ট খুঁজে বের করার চেষ্টা করা। তাই কখনো বলবেন না “আমি ভেবেছিলাম” বরং বলুন- “এখন আমার কি করা উচিত?”
২৭. অন্যকে দিয়ে কাজ করানো
অন্যের সমালোচনা করা সহজ, কিন্তু কাউকে দিয়ে কাজ করিয়ে নেওয়াটা ভীষণ কঠিন। সমালোচনায় কোনো লাভ হয় না বরং ক্ষতি হয়, কাজে উৎসাহও দিতে হবে। তাই কখনো বলবেন না “তোমার কাজ কিছুই হয় নাই।” বরং বলুন- “ঠিক আছে তুমি এভাবে করেছো। কিন্তু আমার মনে হয় পরবর্তীতে একটু অন্যভাবে চেষ্টা করা যেতে পারো। যেমন...”
২৮. নতুন আইডিয়া যোগ করা
নিজের কোনো আইডিয়া থাকলে সাহসের সাথে বলা উচিত। কলিগরা কী বলবে বা বস কী বলবে, সে সব ভেবে নিজেকে গুটিয়ে রাখবেন না। বরং বলুন- “আমার মাথায় একটা আইডিয়া এসেছে!”
২৯. সময়ের প্রায়োরিটি সেট করে নিন:
সময় সবারই থাকে, সমস্যা হয় প্রায়োরিটি সেট করা নিয়ে। যে সবসময়ই ব্যস্ত, সে আসলে কম প্রোডাক্টিভিটির মানুষ। তাই অজুহাত হিসাবে কখনো বলবেন না, “আমি একদমই সময় পাইনি।” এই কথা বলা দুর্বলতা হিসেবেই সবার চোখে ধরা পড়বে। বরং নিজের ভুল স্বীকার করে নিয়ে বলুন- “এই কাজ আমি অমুক তারিখের মধ্যে শেষ করবো।”
৩০. “সেন্টার অফ গ্র্যাভিটি” সোজা হয়ে দাঁড়াও, সোজা হয়ে বসো!
আপনি দাঁড়িয়ে বা বসে থাকার সময় আপনার শরীরকে কিভাবে রাখেন তা আপনার নড়াচড়ার জন্যে খুবই গুরুত্বপূর্ণ। বাসে কুঁজো হয়ে বসে থাকা, মোবাইল ফোন, ক¤িপউটার ব্যবহার করা এগুলো আমাদের পশচারের (মেরুদণ্ডসহ পিঠের পেশীসমূহ) জন্য ক্ষতিকর।
সঠিক পশচার দেখতে আসলে কেমন?
সঠিক পশচারে দাঁড়ানোর সময় আপনার কাঁধের সামনে, কোমরের পেছনে, হাঁটুর সামনে, গোড়ালির একটু সামনের দিক পর্যন্ত একটি সরলরেখায় থাকে। এর ফলে আপনার “সেন্টার অফ গ্র্যাভিটি” একদম সঠিক জায়গায় থাকে, তাই আপনার শক্তি কম খরচ হয় আর আপনি সহজভাবে হাঁটাচলা করতে পারেন।
# বসে থাকার সময় আপনার ঘাড় সোজা, কাঁধ শিথিল, কনুই চেয়ারের হাতলে, হাঁটু ফ্লোরের সাথে সমকোণে, পায়ের পাতা ফ্লোরের সাথে লাগানো থাকা উচিৎ। আপনার ক¤িপউটারের স্ক্রিনের উচ্চতা ঠিক করুন যেন নিচু হয়ে তাকিয়ে থাকতে না হয়।
# শোবার সময় মাথার নিচে নিচু বালিশ ব্যবহার করুন, একপাশে কাত হয়ে শোবেন, দুই পায়ের মাঝে একটি বালিশ রাখবেন। হিলওয়ালা জুতো ব্যবহার করবেন না, ফোনে কথা বলার সময় হেডফোন ব্যবহার করবেন।
# শুধুমাত্র পশচার ঠিক করলেই হবে না। আপনার পেশীগুলোকে ঠিকভাবে নাড়াতে হবে। কোনোকিছু বহন করার সময় শরীরের কাছে ধরতে হবে, পিঠের ব্যাগ পিঠের সাথে লেগে থাকতে হবে, সারাদিন বসে না থেকে হাঁটাচলা ও দৌড়াতে হবে, আর অবশ্যই নিয়মিত ব্যায়াম করতে হবে।
# এই যে আমাদের শরীরের বিভিন্ন অংশে ব্যথা অনুভব করি তা এই কারনেই হয়ে থাকে। তাই একটু সচেতনতাই পারে বিভিন্ন ব্যথা থেকে আমাদের মুক্তি দিতে! চলুন, তবে আর দেরি না করে অভ্যাস বদলে ব্যথাকে বলি বিদায়!
৩১. কাটিয়ে উঠুন মানুষের সাথে মিশতে না পারার সমস্যা
এখানে সাধারণ কিছু তথ্য রইল, যা মানুষের সাথে মিশতে সহযোগিতা করবে।
ক্স একটা কথা আছে আগে ঘর তবে তো পর। ঠিক তাই আমরা যারা অন্যদের সাথে মিশতে সংকোচ বোধ করি বা অসুবিধায় পড়ি তারা যদি একটু নিজের দিকে মনোযোগ দিই, দেখবো আমার নিজের সাথেই আমার স¤পর্ক যেন কেমন কেমন। তাই নিজের সাথে নিজের ব্যক্তিত্বের একটা সুন্দর মিশেল তৈরি করতে হবে। নিজেকে বুঝতে চেষ্টা করুন।
ক্স আলোচনা বা কথোপকথন যদি আনন্দদায়ক হয় তাহলে তাতে অংশ নিন। একই সাথে অন্য কেউ কষ্টের কথা প্রকাশ করলে তাকে সমবেদনা জানান। নিজের বক্তব্য বা অনুভূতিগুলোও প্রকাশ করুন। কারণ এই অনুভূতির সুস্থ লেনদেনই একটি মানুষের সাথে আরেকজন মানুষের সুস¤পর্ক তৈরি করে।
ক্স অনেকসময় পছন্দ ভিন্ন হলে মানুষের সাথে মিশতে সংকোচ লাগে। সেই ক্ষেত্রে একটা বিষয় ভাবুন এই যে সারা পৃথিবীতে আমরা এত মানুষ বসবাস করছি, আমরা কিন্তু পছন্দ বা মত বা অন্য যে কোনো কিছুর ভিন্নতার পরেও একই পৃথিবীতে আছি। তাহলে অন্য ব্যক্তিটিও এর ব্যতিক্রম নয়। মানুষের মতামত, পছন্দ, শিক্ষা, ব্যক্তিগত অনুভূতি, অভিজ্ঞতা যে ভিন্ন হবে এটাই স্বাভাবিক।
৩২. গ্রুপ ডিসকাশন
গ্রুপ ডিসকাশনে সাধারণত কোনো একটি নির্দিষ্ট বিষয় দিয়ে দেওয়া হয় আলোচনার জন্য। বিষয়টি যদি পরিচিত হয়, তা হলে তো খুবই ভালো। না হলেও আলোচনায় অবশ্যই অংশ নেয়া জরুরি।
গ্রুপ ডিসকাশনে যারা বেশিরভাগ সময়ই চুপ করে থাকে, তারা কিন্তু অন্যদের তুলনায় অনেকটাই পিছিয়ে পড়ে। এ ক্ষেত্রে ধরে নেওয়া হয় তার কিছু সমস্যা আছে। হয় তার ভাষার ওপর সে রকম দখল নেই।
নয়তো দ্রুত সে তার বক্তব্যকে গুছিয়ে বলতে পারে না। বিষয়টি অপরিচিত হলেও চিন্তার কিছু নেই। এ ক্ষেত্রে প্রথমে অন্যদের বক্তব্য মন দিয়ে শুনতে হবে। কোনো জায়গায় কোনো অ¯পষ্টতা আছে কিনা তা বুঝতে হবে। এবার বক্তাকে সেটি ¯পষ্ট করে বুঝিয়ে বলার অনুরোধের মাধ্যমে আলোচনায় অংশ নেওয়া যেতে পারে।
আবার এমনও হতে পারে, অন্যরা যে যুক্তি দিচ্ছে, তার সঙ্গে আপনি একমত নন। এ ক্ষেত্রে যুক্তি পেশ করতে পারেন। তবে কোনো বিষয় জানা না থাকলে জানার ভান করা উচিত নয়। এতে নিজেরই ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা থাকে।
৩৩. কর্মক্ষেত্রে সফল মিটিং করার রূপরেখা
মিটিং যে কোনো প্রতিষ্ঠানের জন্য অতি জরুরি একটি বিষয়। মিটিংয়ে যিনি নেতৃত্ব দেন তাকে অনেক পরিকল্পনার ভিত্তিতে কাজ করতে হয়। আসুন একটি সফল মিটিংয়ের রূপরেখা স¤পর্কে জেনে নিই।
ক. সময়মত মিটিং শুরু করুন:
“অনেকের মধ্যে মিটিংয়ে দেরি করে যাওয়ার প্রবণতা দেখা যায়। কিন্তু যদি সময়মত মিটিং শুরু করার প্রক্রিয়া নিয়মিত চলতে থাকে তাহলে সবাই একটা সতর্কবার্তা পাবে।
খ. এজেন্ডা বর্ণনা করুন:
“মিটিংয়ের শুরুতেই এর উদ্দেশ্যে নিয়ে সবাইকে ধারণা দিন। এটা সবাইকে মিটিংয়ের বিষয়বস্তু বুঝতে সাহায্য করবে এবং সকলের অংশগ্রহণও নিশ্চিত হবে।”
গ. সকলের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করুন:
সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্য সকলের মতামত খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এক্ষেত্রে কেউ স্বতঃস্ফূর্তভাবে মতামত দিতে পারেন।
ঘ. একটি সিদ্ধান্তের কাছাকাছি চলে আসুন:
“কোন বিষয়গুলো নিয়ে সবাই একমত এবং কোথায় দ্বিমত রয়েছে সেগুলো নির্দিষ্ট করা প্রয়োজন। এরপর দ্বিমতগুলো মিটিয়ে ফেলার চেষ্টা করতে হবে। তবে তা সম্ভব না হলে বেশিরভাগ সদস্যের মতামতের উপর ভিত্তি করে সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত।”
ঙ. চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত সবাইকে অবহিত করুন:
“সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হওয়ার পর তা সবাইকে বিস্তারিতভাবে অবহিত করতে হবে। কেন এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হলো এবং কর্মপরিকল্পনা কী হবে সে বিষয়টাও পরিষ্কার করতে হবে। কারো কোনো প্রশ্ন থাকলে ধীরে সুস্থে, সময় নিয়ে তাদের প্রশ্নের জবাব দিতে হবে।
চ. পরবর্তী মিটিংয়ের জন্য ড্রাফ্ট এজেন্ডা ঠিক করুন:
পরবর্তী মিটিং কবে হবে এবং কী বিষয়ে হবে সে বিষয়ে ড্রাফ্ট এজেন্ডা ঠিক করুন। এ বিষয়েও সকলের মতামত নিন। কারণ পরবর্তী মিটিংয়ের কোনো একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় আপনার দৃষ্টি এড়িয়ে যেতে পারে।
ছ. মিটিংয়ের সফলতা ব্যর্থতা মূল্যায়ন করুন:
এটি একটি সফল মিটিংয়ের চূড়ান্ত ধাপ। “আপনার দৃষ্টিতে মিটিং খুব ফলপ্রসু মনে হলেও অন্যের মূল্যায়নটাও সমান গুরুত্বপূর্ণ। তাই মিটিংয়ে উপস্থিত অন্য সদস্যদের মূল্যায়ন জানুন এবং ভালো পরামর্শগুলো গ্রহণ করুন।
৩৪. ভালো সেলসম্যান হওয়ার উপায়
পাড়ার দোকান কিংবা শপিংমলের নামকরা কোনো শপ কিংবা কর্পোরেট ভেন্যু। সব জায়গাতেই একদল স্মার্ট ছেলেমেয়েদের দেখা মেলে। চটপটে ছেলেমেয়েরা সেলকে পেশা হিসাবে বেছে নিচ্ছে। তবে ভালো সেলসম্যান হতে হলে কিছু গুণ থাকা অবশ্যক।
এক. দোকানের আপডেট স্টক এবং বিদ্যমান পণ্যের সঠিক মূল্য। এই দুটি বিষয় সেলসম্যানকে জানতে পণ্য মূল্য, গুণাগুণ স¤পর্কে ধারণা থাকতে হবে।
দুই. দোকানে যদি পণ্য ক্যাটাগরি ওয়াইজ সাজানো থাকলে ভালো। না থাকলে জানতে হবে কোন পণ্য কোথায়, কি পরিমাণ আছে।
তিন. হাসিমুখে ক্রেতার সাথে কথা বলতে হবে। ক্রেতা হয়তো আপত্তিকর কথা যেমন আপনার দোকানে দাম বেশি রাখা হয়। পণ্যের মান ভালো না। এসব বলতে পারেন। উত্তেজিত হওয়া যাবে না। ক্রেতাকে বুঝিয়ে বলতে হবে।
চার. ক্রেতার সামনে মোবাইলে কথা বলা যাবে না। মুখে চকলেট বা চুইংগাম খাওয়া যাবে না। কানে হেডফোন থাকা নিষেধ। কাস্টমারকে সর্বাধিক গুরুত্ব দিতে হবে। তাকে যে গুরুত্ব দেয়া হচ্ছে এটা যেন কাস্টমার বুঝতে পারে।
পাঁচ. সেলসম্যানের পোশাক-পরিচ্ছদ সুন্দর হতে হবে। নোংরা, কুঁচকানো শার্ট, মুখে খোঁচা খোঁচা দাড়ি থাকলে ক্রেতা আকৃষ্ট হবে না। জুতো যেন পরিষ্কার থাকে।
ছয়. বিক্রি করতেই হবে। সে কারণে অনেক সেলসম্যান পণ্যের অতিরিক্ত গুণাগুণ বর্ণনা করে। এটা বর্জন করতে হবে। ক্রেতার দৃষ্টিভঙ্গি দিয়ে নিজের বক্তব্য ডেলিভেরি করতে হবে।
সাত. কাস্টমার কি বলে মন দিয়ে শুনুন। কথার মাঝে কথা বলা অসুন্দর। যতটুকু বলা দরকার ঠিক ততটুকু বলুন। অতিরিক্ত কথা কাস্টমারকে বিরক্ত করে থাকে। পরবর্তীতে সে আপনার দোকানে আর নাও আসতে পারে।
আট. ক্রেতা কোনো পণ্যকে খারাপ বলতে পারেন। বিক্রেতা হিসাবে আপনাকে কৌশলী হতে হবে। কৌশল প্রয়োগ করে তাকে বোঝাতে হবে।
নয়. সমজাতীয় পণ্য অনেকগুলো কো¤পানির রয়েছে। সবগুলোর কথা ক্রেতা জানেনও না। সমজাতীয় পণ্য সব কো¤পানিরগুলো ক্রেতাকে দেখান। এতে ক্রেতা হাতছাড়া হওয়ার সম্ভবনা কম।
দশ. ক্রেতাকে বসতে বলা। আপ্যায়নের ব্যবস্থা থাকলে করা যেতে পারে। ছোট বাচ্চা নিয়ে ক্রেতা দোকানে এসেছেন। বাচ্চার হাতে একটা চিপস/চকলেট ধরিয়ে দিন।
এগার. ক্রেতার চাহিদাকে সম্মান দিন। নির্দিষ্ট কোনো ব্র্যান্ডের প্রতি সে দুর্বল থাকতে পারে। ওই ব্র্যান্ড হয়তো আপনার দোকানে নেই। সে জন্য অন্য ব্র্যান্ড কিনতে ক্রেতাকে জোরাজোরি করা যাবে না। কোনো ব্র্যান্ডের দুর্নাম করা যাবে না।
বার. ক্রেতার জন্য আপনার দোকানের কোনো অফার থাকলে সেটা তুলে ধরুন, যেমন ক্যাশ ডিসকাউন্ট, র্যাফেল ড্র ইত্যাদি।
তের. ক্রেতার সাথে গুছিয়ে কথা বলতে হবে। নেগেটিভ কিছু না বলা ভালো। নিজে ক্রেতা হলে কেমন আচরণ প্রত্যাশা করেন। সেটা ভেবেই ক্রেতার সাথে কথা করা ভালো।
চৌদ্দ. ক্রেতা হয়তো অনেক পণ্য দেখলেন। যেমন তেমন দাম বলে চলে গেলেন। তবুও বিরক্ত হওয়া যাবে না। এই ক্রেতাই মাকের্ট ঘুরে আবার আপনার দোকানে আসতে পারে। আপনার দোকানের পণ্যটিই বেছে নিতে পারে।
পনের. বিক্রিত পণ্য ফেরত নেয় হয় কিনা, নিলে তা কতদিনের মধ্যে ক্রেতাকে এই তথ্যগুলো দিতে হবে। পণ্য বদল করে নেয়া যায় কিনা সেটাও তাকে জানাতে হবে।
ষোল. কোনো ক্রেতা সামনে থাকলে তার প্রয়োজন শেষ না করে নিজের কাজ বা ফোনে মনোযোগী হওয়া যাবে না। আবার একাধিক ক্রেতা থাকলে, একজনকে নিয়ে ব্যস্ত থাকবেন না। দ্রুততার সাথে সবার সঙ্গে সযোগিতার হাত বাড়ান। লক্ষ্য রাখুন কেউ যেন আপনার অপেক্ষায় দীর্ঘক্ষণ না থাকে।
সতের. বিক্রির স্বার্থে বিভিন্ন কো¤পানির পণ্য দোকানে রাখতে হবে। ক্রেতার সাথে কখনো অপ্রাসঙ্গিক কথা বলা যাবে না।
আঠার. কম বিক্রি হয় কিন্তু পার্শ¦বর্তী কোনো দোকানে সে পণ্য নেই। এমন পণ্য আপনার দোকানে রাখতে পারেন। পণ্যটি যে আছে সেটা সেলসম্যানের জানা থাকতে হবে এবং কাস্টমার জানতে চাইলে বলতে হবে।
উনিশ. দোকানে ফিফো ম্যাথড (ফাস্ট ইন ফাস্ট আউট) ফলো করতে হবে। সেলসম্যান হিসাবে আপনার দায়িত্ব আগের পণ্য আগে বিক্রি করা। পরের পণ্য পরে বিক্রি করা। কোন পণ্যের মেয়াদ শেষ হতে যাচ্ছে জানা এবং কর্তৃপক্ষকে জানানো।
বিশ. অনেক সময় একটু কম লাভ হলেও আপনাকে কাস্টমার হাতছাড়া করা যাবে না। প্রতিযোগিতামূলক বাজারে পণ্য আউট না করে স্টক করে রাখলে মূলধন সংকটে পড়তে পারেন।
৩৫. স্বনির্ভর পেশায় আপনি নিজেই যখন কর্পোরেট
সে পৃথিবী অনেক খারাপ, প্রতিযোগিতাপূর্ণ, কঠিন তবু নিজের পায়ে দাঁড়াতে হবে আপনাকে। স্বনির্ভরতা যখন আপনার সিদ্ধান্ত, তখন ঝুঁকি তো নিতেই হবে। আত্মনির্ভরশীল প্রতিষ্ঠানে নিজেকে মোটিভেশন দিতে হয় নিজেরই। আসুন জেনে নিই কীভাবে নিজেই নিজেকে মোটিভেটেড রাখতে পারবেন সারাক্ষণ।
নিজেকে জানুন
বাজারে এখন প্রতিযোগিতা তুঙ্গে। সবাই নিজের আলাদা প্রতিষ্ঠান দাঁড় করাতে আগ্রহী। খেয়াল করে দেখুন, মাঠে সবাই নামে। কিন্তু সবাই টিকে থাকতে পারে না। টিকে থাকার জন্য চাই ধৈর্য, কৌশলী মন।
আপনার যদি একজন দুর্দান্ত ব্যবসায়ী মানসিকতা থাকে তাহলে কোনোভাবে যেন এর কম ব্যবহার না হয়। আবার যদি সেটা না থাকে তাহলে নিজেকে গড়ে তুলতে শ্রম দিতে হবে আপনার। আপনার আত্মবিশ্বাস আপনার নিজের ভেতর থেকেই আসবে। যখন আপনি নিজেকে চিনবেন আপনি জানবেন আপনাকে কি করতে হবে। তখন আপনাকে কেউ হারাতে পারবে না।
নিয়মানুবর্তিতা
একজন নেতার জন্য নিয়মের গণ্ডিতে আসা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। আপনি সব কাজ যত সময়মত করতে থাকবেন তত আপনার হাতে পর্যাপ্ত সময় থাকবে। আপনার কোনো কাজ জমে থাকবে না। এভাবে আপনার আত্মবিশ্বাস বেড়ে যাবে বহুগুণে।
প্রতিদিন রাতে নিজের একটি রুটিন করুন। কিভাবে পরদিন কাজ করবেন, কখন কি করবেন ঠিক করুন। দিনশেষে যখন মিলিয়ে দেখবেন সব কাজ ঠিকমত করতে পেরেছেন তখন পরদিন কাজ করার ¯পৃহা আরও বেড়ে যাবে। আর কারও কাছ থেকে নিজের শ্রমের স্বীকৃতির প্রয়োজন হবে না আপনার। আপনি নিজেই নিজেকে বলবেন সাব্বাস!
নিজেকে মনে করিয়ে দিন কেন কি করছেন
আপনার কোনো বস নেই বলে আপনি যদি হালকা চালে চলা শুরু করেন তাহলে কিন্তু বিপদ! সময় পেরিয়ে যাবে, বছর শেষে আপনার মনে হবে কিছুই করা হলো না। আপনার সিদ্ধন্তটি খুবই সাহসী। কিন্তু একে সফল করতে হলে হতে হবে পরিশ্রমী। নিজেকে সারাক্ষণ মনে করিয়ে দিন আপনার উদ্দেশ্য, নিজেই নিজেকে সজাগ রাখুন। একটা টার্গেট ঠিক করুন। সেটা এমন জায়গায় লিখে রাখুন যাতে সবসময় চোখে পড়ে।
বড় হোন
সফলতার একটি গুরুত্বপূর্ণ শর্ত হলো নিজের যোগাযোগের গণ্ডিকে বাড়ানো। আপনার নেটওয়ার্ক বড় করুন। নিজেকে ছড়িয়ে দিন অনেক মানুষের মাঝে। নিজের গল্প বলুন। অবশ্যই পজেটিভ গল্প যা অন্যকে উদ্বুদ্ধ করে। মানুষকে শুধু ব্যবসায়িক দিক থেকে নয়, আবেগের দিক থেকেও নিজের সাথে যুক্ত করুন। নিজেকে প্রকাশ করুন উজ্জ্বল করে, আপনার ব্যবসার ভবিষ্যতও উজ্জ্বল হবে।
উৎসাহব্যঞ্জক বই
নিজেকে সব সময় মোটিভেটেড রাখতে ভালো বইয়ের বিকল্প নেই। স্বনির্ভর মানুষের গল্প পড়ুন, তাদের বক্তব্য, জীবনদর্শন জানুন। দেখবেন, আপনার সাহস বেড়ে গেছে অনেক গুণে। ঝুঁকি নেবার মানসিক ক্ষমতাও বেড়ে গেছে।
সবচেয়ে বড় কথা, এসব বই আপনাকে জানাবে কিভাবে শূন্য থেকে ঘুরে দাঁড়াতে হয়! কিভাবে কিছু মানুষ আপনার চেয়ে খারাপ অবস্থায় থেকেও আজ প্রভাবশালী ব্যক্তিত্বে পরিণত হয়েছেন। কিছু মোটিভেশনাল উক্তি লিখে রাখুন, যখনই দুর্বল বোধ করবেন পড়বেন।
সূচিপত্র
১) ছোটদের সাথে আমাদের আচরণ ২) পরিবার ও সন্তান, সুপার পাওয়ার যেভাবে তৈরি হয়, ৩) দীর্ঘস্থায়ী ভয়ের উৎপত্তির মূলে শৈশবকালে ঘটে যাওয়া ঘটনার প্রভাব , ৪) সন্তানের উৎসাহ এবং উদ্দীপনা বাড়ানো, ৫) আপনার শিশুটি ঘুমুক শান্তিতে এবং নির্ভরতায় , ৬) কিছু অব্যর্থ টিপস, যা আপনার শিশুকে পড়াশোনায় আগ্রহী করে তুলবে, ৭) শিশুকে কিভাবে বড় করবেন, ৮) বাচ্চাদের মস্তিষ্ক বিকাশে কী করবেন? ৯) বাচ্চাদের বুদ্ধি বিকাশের অন্যতম পথ, দৌড়, ১০) বাচ্চাকে কখনো আড়ালে লুকিয়ে খেতে দেবেন না, ১১) পিটার সিংগারের দর্শন, ১২) দুষ্টু শিশুরা তাড়াতাড়ি শেখে, ১৩) সন্তানকে যতই শাস্তি দেবেন ততই সে অসামাজিক হবে, ১৪) বাবা-মাই সন্তানকে নির্যাতন করেন সবচেয়ে বেশি , ১৫) সন্তানের সাথে কিভাবে গড়ে তুলবেন নিবিড় বন্ধন, ১৬) যে ১১টি কথা শিশুকে কখনোই বলবেন না!, ১৭) শিশুকে গল্প শোনান প্রতিদিন, ১৮) সন্তানের আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধির ১০টি কৌশল, ১৯) সৃজনশীলতা হচ্ছে নতুন কিছু করার যোগ্যতা, ২০) যারা মুখস্থ করতে পারেন না, ২১) তারা মেধাবী, মেধাবী হওয়ার উপায়,
২২) কথা ও ভাষা, ২৩) এলিভেটর পিচ, ২৪) সুন্দর করে কথা বলে সমস্যা জয়ের কৌশল, ২৫) ফোনে কথা বলার আদবকেতা, ২৬) ১২টি কর্ম বিধান, ২৭) ভালোবাসার অপর নাম প্রয়োজন, ২৮) আলতু-ফালতু কাজে সময় অপচয় করে স্বপ্ন পূরণের কল্পনা, ২৯) স্ট্রেস ম্যানেজমেন্ট, ৩০) চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিন পিং-এর জীবন থেকে শিক্ষা, ৩১) অভিজ্ঞতা ও অতীত থেকে শিক্ষা গ্রহণ, ৩২) বর্তমানকে সবচেয়ে বেশি মূল্য দিন, ৩৩) ২৪ ঘণ্টা কেউ সুখী হয় না, ৩৪) কিছু অভ্যাস যা আপনাকে আরও সুখী করবে , ৩৫) আপনার অবয়ব , ৩৬) সফলতার 25টি হট কৌশল-1, ৩৭) সাফল্যের 25টি হট কৌশল-2, ৩৮) সফলতার 55 সূত্র, ৩৯) কিভাবে নিজেকে নেতা হিসেবে গড়ে তুলবে, ৪০) সময় ব্যবস্থাপনা, ৪১) সময় ব্যবস্থাপনার তিনটি ধাপ, ৪২) সময়কে যথাযথভাবে কাজে লাগানোর উপায়গুলো, ৪৩) সাফল্য, ড. কোভের ইমোশনাল একাউন্ট কনসেপ্ট, ৪৪) সবচে বড় ইমোশনাল একাউন্ট, ৪৫) আপনার ইমোশনাল একাউন্ট, ৪৬) বুদ্ধি ও বিবেচনাবোধ বর্জিত কর্মফল বিপজ্জনক, ৪৭) অন্যদের দিয়ে আপনার কাজ করান কিন্তু সম্মান আপনি অর্জন করুন, ৪৮) অন্য লোকেরা আপনার কাছে আসুক দরকার হলে টোপ দিন, ৪৯) অসুখী এবং ভাগ্যহীনদের বর্জন করুন, ৫০) লোককে আপনার ওপর নির্ভরশীল করুন , ৫১) নেওয়ার পূর্বে দেওয়া অন্য বক্তির স্বার্থ বুঝুন, ৫২) শত্রুকে খাটো করে দেখবেন না, ৫৩) নিজেকে রক্ষা করার জন্য চারিদিকে দুর্গ নির্মাণ করবেন না, ৫৪) কারোর পক্ষ অবলম্বন করে বসে থাকবেন না, ৫৫) আপনার শক্তিসমূহকে সংহত করুন, ৫৫) নিজের ভুলগুলোকে লুকিয়ে রাখুন, ৫৬) শুধু সাহসের জোরে নয়, পরিণতিও বিবেচনায় রাখুন, ৫৭) প্রতিটি মানুষের গোপন ইচ্ছা খুঁজে বের করুন, ৫৮) রাগ বিপজ্জনক ও অভদ্রতা, ৫৯) কোনো দলকে ধরার জন্য দলপতিকে প্রথমে ধরুন, ৬০) নিজেকে গুরুত্বপূর্ণ মনে করুন, গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবেন, ৬০) পরিবেশ সামলাতে শিখুন, ৬১) প্রথম শ্রেণির মানুষ হয়ে উঠুন, ৬২) আপনার সামাজিক পরিবেশ ‘প্রথম শ্রেণি’র করে তোলার উপায়, ৬৩) ‘সস্তার তিন অবস্থা’ প্রধম শ্রেণিভুক্ত হয়ে উঠুন , ৬৪) যত বেশি বন্ধুত্ব তত বেশি উপরে ওঠার সম্ভাবনা, ৬৫) সাহস করে কাজটা শুরু করুন, ৬৬) সাফল্য মানে বারবার ভিন্নভাবে চেষ্টা করা, ৬৭) ১- ১০ ভাল অভ্যাস, ১১- ২০ ভাল অভ্যাস, ২১- ৩০ ভাল অভ্যাস, ৩১- ৪০ ভাল অভ্যাস, ৪১- ৫০ ভাল অভ্যাস, ৫১- ৬০ ভাল অভ্যাস, ৬১- ৭০ ভাল অভ্যাস, ৭১- ৮০ ভাল অভ্যাস, ৮১- ৯০ ভাল অভ্যাস, ৯১- ১০২ ভাল অভ্যাস, ৬৮) জিরো থেকে হিরো, ৬৯) সৃজনশীলদের সফলতার ৭ সূত্র, ৬৯) জীবনে পরিবর্তন আনুন ৪৮টি উপায়ে, ৭০) জীবন-যাপন, ৭১) জাপানী ও চিন লাইফ স্টাইল , ৭২) ৩০টি দর্শন, যা আপনার জীবনে কাজে লাগবে, ৭৩) সম্পর্ক তৈরি করা, বন্ধুত্ব, ৭৪) যে আচরণগুলো মানুষের মনের কথা জানাবে, ৭৫) কথা বলার সূত্র, ৭৬) আপনি ও আপনার ব্যবহার, ৭৭) নিজেকে সঠিকভাবে উপস্থাপন করা, ৭৮) কথা বলার কতিপয় গুরুত্বপূর্ণ নিয়ম, ৭৯) কিভাবে নিজেকে বিনয়ী হিসেবে উপস্থাপন করবেন, ৮০) কিভাবে বুদ্ধিদীপ্ত কথা বলবেন, ৮১) কথা বলার ৫টি বিস্ময়কর টেকনিক, ৮২) কিভাবে মানুষকে আকৃষ্ট করবেন? ৮৩) অকারণে সময় নষ্ট? মেল রবিনের ৫ সেকেন্ড রুল, ৮৪) কর্পোরেট আদবকেতা, ৮৫) ৩৫টি কর্পোরেট কালচার ও আপনার করণীয়, ৮৬) যা না জানলে লজ্জায় পড়তে হয় , ৮৭) কাজের সময়ে যে বিষয়গুলো একেবারেই করা উচিৎ না , ৮৮) ক্যারিয়ারে সাফল্য পেতে ছুড়ে ফেলুন ৭টি দোষ, ৮৯) আকাক্সক্ষা, ইচ্ছে বা স্বপ্ন,
৯০) বক্তৃতা প্রশিক্ষণ, কাজ কিভাবে করবেন? ৯১) আত্মশক্তিতে বলিয়ান হতে, ৯২) একনাগাড়ে চলবেন না, ৯৩) মারফিস ’ল , কাজের রোডম্যাপ তেরি , ৯৪) জব স্যাটিসফেকশন, ৯৫) কাজে সফলতার সূত্রাবলী, ৯৬) যেভাবে জীবনযাপন করবেন, ৯৭) পরিণত বুদ্ধির মানুষেরা যে কাজগুলো কখনোই করেন না, ৯৮) জীবনে দক্ষতা অর্জনের কার্যকর ১২টি উপায়, ৯৯) সঠিক লক্ষ্য নির্ধারণ ও কাজ করার উপায় , ১০০) সফলতা ও সার্থকতা, ১০১) জীবনের ছোট ছোট প্রাপ্তিগুলোকে উপভোগ করা, ১০২) সফলতার কিছু পদ্ধতি, ১০৩) সফল হতে চাইলে যে ৮ টি জিনিস বাদ দেয়া প্রয়োজন, ১০৪) সফল ব্যক্তিরা যে ১০টি কাজ কখনোই করেন না, ১০৫) সর্বদা স্মরণ রাখুন, ১০৬) চিন্তাশক্তি , ১০৭) স্বাধীনতা, ১০৮) জ্ঞান অর্জন খাদ্য গ্রহণের মতো , ১০৯) দৃঢ় প্রতিজ্ঞ হয়ে চেষ্টা করলে কখনোই বিফল হবেন না, ১১০) বুদ্ধির সংজ্ঞা হলো, প্রতিটি কাজ ভেবে-চিন্তে করা, ১১১) ব্যক্তিত্ব, চেহারা ও ব্যক্তিত্ব , ১১২) সেলডন-এর গবেষণা , ১১৩) ব্যক্তিত্ব ও উচ্চারণ, ১১৪) পোশাক ও ব্যক্তিত্ব, ১১৫) প্রথম দেখায় ব্যক্তিত্বের ছাপ, ১১৬) বিচ্ছিন্নতা ব্যক্তিত্বের বড় শত্রু, ১১৭) ব্যক্তিত্বে জিনগত প্রভাব, ১১৮) অন্তর্মুখী ও বহির্মুখী ব্যক্তিত্ব, ১১৯) মনোমুগ্ধকর ব্যক্তিত্বের ১০ বৈশিষ্ট্য, ১২০) ব্যক্তিত্বের উৎকর্ষতার জন্যে ১০ নির্দেশনা, ১২১) কিভাবে ব্যক্তিত্বের বিকাশ ঘটাবেন? , ১২২) নিজেকে স্মার্ট করতে ৫টি কৌশল, ১২৩) আকর্ষণীয় মানুষ হবার ৬টি পরামর্শ, ১২৪) আত্মশুদ্ধি , ১২৫) হতাশ হবেন না, ১২৬) পাছে লোকে কিছু বলে, ১২৭) সুখ-শান্তি উন্নতি , ১২৮) চাহিদা, ১২৯) খাদ্য, ঘুম ও বিশ্রাম, ১৩০) স্বাস্থ্য ভাল রাখার নিয়ম, ১৩১) টেনশন দূর করতে হলে, ১৩২) শুধু নিজের কথা নয়, অন্যের কথাও ভাবুন, ১৩৩) চাহিদা যত বেশি সুখ তত কম, ১৩৪) সুখী জীবনের জন্য ১৮ টি টিপস, ১৩৫) আত্মবিশ্বাস, আত্ম বিশ্বাসের শক্তি, ১৩৬) অজুহাতের ব্যাধিতে আক্রান্ত ব্যর্থ মানুষ, ১৩৭) দি সেভেন হ্যাবিট অফ হাইলি এ্যা ফেক্টিভ পিপল, ১৩৮) সামাজিক আয়না, ১৩৯) প্রোএ্যাক্টিভিটি, ১৪০) সার্কেল অফ ইনফ্লুয়েন্স, ১৪১) শুরু করুন আজই, ১৪২) আপনার কেন্দ্রবিন্দু কোনটি?, ১৪৩) মাথার দুটি অংশই ব্যবহার করুন, ১৪৪) সময়ের ব্যবস্থাপনা, ১৪৫) ব্যক্তিগত ব্যবস্থাপনা, ১৪৬) গুরুত্বপূর্ণ এবং জরুরি, ১৪৭) পরনির্ভরশীল জীবন, ১৪৮) ছয়টি উপায়ে অন্য মানুষের সাথে আদান-প্রদান, ১৪৯) অধ্যয়ন, ১৫০) পড়াশোনায় ১২ কার্যকর কৌশল, ১৫১) ঘুম থেকে উঠতে ১০-৩-২-১-০ ফর্মুলা, ১৫২) আয়-ব্যয়- টাকা, ১৫৩) অন্যকে খুশি করতে পয়সা খরচ যে কারণে অর্থহীন, ১৫৪) খরচের লাগাম টেনে ধরতে.. ১৫৫) নারী, ১৫৬) সম্পর্ককে সুন্দর রাখতে কিছু “মিথ্যা” বলা জরুরী , ১৫৭) ছেলেদের কোন জিনিস দেখে মেয়েরা? , ১৫৮) স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর কিছু অভ্যাস, ১৫৯) ভুঁড়ি ঠেকাতে ৫টি নিয়ম, ১৬০) যেসব কারণে নারীদের স্বাবলম্বী হওয়া উচতি , ১৬১) বিয়ে-সংসার, ১৬২) সফল বিয়ের তিনটি মন্ত্র, ১৬৩) সুখী হবার দারুণ কিছু মূলমন্ত্র, ১৬৪) কিছু গল্প, ১৬৫) ভালোবাসাহীন সম্পর্ক, ১৬৬) কেন স্পর্শের প্রয়োজন হয় প্রতিদিন, ১৬৭) যে কারণে একা থাকাই আপনার জন্য ভালো, ১৬৮) ব্যবসা, ১৬৯) বিক্রয় বৃদ্ধির কৌশল, ১৭০) যে ৭টা ব্যাপার বিজনেসে করবেন না, ১৭১) স্বাস্থ্য, ১৭২) দুগ্ধজাত খাবারে পুরুষের বন্ধ্যত্ব, ১৭৩) একাকিত্বের বিপদ, ১৭৪) কর্মক্ষম ও প্রফুল্ল রাখতে, ১৭৫) মন ভালো করার উপায়, ১৭৬) যৌন স্বাস্থ্য, ১৭৭) পুরুষদের কেজেল, ১৭৮) মহিলাদের কেজেল, ১৭৯) দক্ষতা , ১৮০) আলসেমি দূর করার সহজ কিছু উপায়, ১৮১) কীভাবে সামলাবেন নিন্দুকদের ?, ১৮২) সুখী হতে চাইলে যা কখনোই করবেন না, ১৮৩) সব ভুলে যাচ্ছেন? স্মৃতিশক্তি চাঙ্গা রাখতে ৫টি টিপস, ১৮৪) বয়সের ভারে বৃদ্ধ না হয়ে বরং কাজের ভারে যুবক থাকার চেষ্টা করো, ১৮৫) নিজেকে কাজের সঙ্গে সম্পক্ত করার তিনটে স্টেপ, ১৮৬) জীবনের লক্ষ্য নির্ধারণে দ্রুত পদ্ধতিগুলো, ১৮৭) প্রতিদান পাওয়ার আশায় কাজ করবেন না, ১৮৮) প্রেম একটি মানসিক রোগ, ১৮৯) সম্পর্ক ভেঙ্গে যাবার পর নিজেকে যেভাবে সামলাবে, ১৯০) সময় সবকিছু বদলে দেয়, ১৯১) সম্পর্ক তৈরির ক্ষেত্রে কমন পাঁচটি ভুল, ১৯২) আত্মবিশ্বাস/মনোবল, ১৯৩) প্যারাসুট অফ হ্যাপিনেস, ১৯৪) বারবার ঘুরে দাঁড়াতে হবে, ১৯৫) আত্মবিশ্বাসহীন মানুষের লক্ষণ, ১৯৬) বাড়াও আত্মবিশ্বাস, বাড়বে সফলতা, ১৯৭) প্রাতিষ্ঠানিক সম্পর্ক শক্তিশালী করার টিপস, ১৯৮) কিভাবে ধরে রাখবে দু'জনের সম্পর্ক, ১৯৯) কিভাবে বুঝবে সম্পর্ক শেষ করতে হবে, ২০০) সম্পর্ক যখন প্রেম-ভালোবাসার, ২০১) যেসব বিষয়ের উপর স¤পর্ক গড়ে ওঠে, ২০২) ভালোবাসার অপর নাম প্রয়োজন, ২০৩) সম্পর্কের গুণগত মান বাড়বে কিভাবে, ২০৪) মস্তিস্ক ঠিক রাখার ৩০ উপায়, ২০৫) মানুষের আচরণের পেছনে একটা কারণ থাকে, ২০৬) কোনো কাজে নিজেকে সম্পক্ত না করেই আমরা নিজ ক্যারিয়ারকে এগিয়ে নিয়ে যাই ২০৭) স্রোতের বিপরীতে চিন্তা করুন, ২০৮) আপনার টাইমজোনে সময় আসবেই, ২০৯) চাইল্ডহুড অ্যামনেসিয়া এবং আমাদের শিক্ষণীয়,