সুখী হতে চান? তবে
এই চারটি কথা কাউকে বলবেন না
১। আর্থিক ক্ষতি: যদি আর্থিক ক্ষতি হয়, তবে তা কারো সঙ্গে আলোচনা করা উচিত নয়। কারণ সকলেই শুনবেন তবে কেউ সাহায্য করবেন না। উল্টে আপনার আর্থিক অবস্থা স¤পর্কে কিছু মানুষ জেনে যাবেন। ফল হবে, তারা আপনার দুর্বলতার সুযোগ খোঁজার চেষ্টা করবেন। এ সময়ে যদি কেউ সাহায্য করার কথা বলে, জানবেন তিনি মিথ্যে বলছেন। চাণক্য আরো লিখেছেন, এ সমাজে দরিদ্র ব্যক্তিকে কেউ সম্মান করে না। তাই সম্মানহানিরও আশঙ্কা থাকে।
২। ব্যক্তিগত সমস্যা: আর্থিক ক্ষতির মতো ব্যক্তিগত সমস্যার কথাও কারো সামনে আলোচনা করা উচিত নয়। চাণক্য লিখছেন, যাঁরা নিজের ব্যক্তিগত সমস্যা নিয়ে বাইরের মানুষের সঙ্গে আলোচনা করেন, তাদের মাথা নিচু করতেই হয়। কারণ যাদের সঙ্গে আলোচনা করা হবে তারাই একদিন অপমান করবে। শুধু তাই নয়, সেই ব্যক্তির অনুপস্থিতিতে তার স¤পর্কে রসাল আলোচনা, হাসি-তামাশা করা হবে।
৩। স্ত্রী-র চরিত্র: সব থেকে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হিসাবে এই বিষয়টি দেখিয়েছেন চাণক্য। তিনি লিখছেন, স্ত্রীর স¤পর্কে আলোচনা করতে গিয়ে এমন কথা মুখ ফস্কে বেরিয়ে যেতে পারে, যা হয়তো বলতে চাওয়া হয়নি। তবে একবার কথা বেরিয়ে গেলে তা নিয়েই গুঞ্জন শুরু হবে। ক্রমে তা বড় আকার নেবে। পরিনামে যা কখনও ভালো হয় না। তাই নিজের স্ত্রী-র চরিত্র স¤পর্কে কখনও কারো সামনে আলোচনা করা উচিত নয়।
৪। অশিক্ষিত ব্যক্তির অপমান: যদি কখনও অশিক্ষিত ব্যক্তির কাছে অপমানিত হন তা কখনও কারো সঙ্গে আলোচনা করবেন না। চাণক্য লিখছেন, যদি এ কথা আলোচনা করেন মানুষ আপনাকে নিয়ে প্রকাশ্যে ঠাট্টা-তামাশা করবে। যা আপনার আত্মসম্মানের পক্ষে হানিকর হবে। ক্রমে নিজের ওপর বিশ্বাস হারাতে থাকবেন।
কথা বলার ৫টি বিস্ময়কর টেকনিক
একটা প্রশ্ন দিয়ে শুরু করা যাক, আপনি কি ভালো কথা বলতে পারেন? এই প্রশ্নটি আপনাকে অবাক করলেও এটাই সত্য যে, ভালোভাবে কথা না বলতে পেরে আমরা জীবনে অনেক ক্ষেত্রে অসফল হয়েছি এবং যারা ভালোভাবে কথা বলতে পারেন না, তারা ভবিষ্যতেও অনেক ক্ষেত্রে অসফল হবেন। আপনারা দেখে থাকবেন, যারা ভালোভাবে কথা বলতে পারে, তাদের সবাই পছন্দ করে। আপনার অফিসে, কিংবা সমাজে অনেকের মাঝে এমন একজন আছেন, যিনি খুব ভালো কথা বলতে পারেন এবং খুব সহজেই অন্যকে ইম্প্রেস করতে পারেন। তাকে দেখে আপনার মধ্যে ইর্ষাও আছে, আবার মনে মনে আত্ম অভিমানও জন্মে; না না, আমার অত ভালো কথা বলার দরকার নেই। আসলে আপনি আপনার চেনা পরিচিত মানুষ ছাড়া কথাই বলতে পারেন না। যেটা আপনার জন্য খুবই ক্ষতিকারক। কারণ, মানুষের সাথে কথা বলা এবং কমিউনিকেট করা আমাদের সাফল্যের একটি বড় অংশ। এটা এমন একটা স্কিল, যা আমাদের প্রত্যেকেরই বাড়ানো উচিত। কিন্তু দুঃখজনক হলেও সত্যি যে, আমাদের স্কুল-কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয় এই স্কিল বাড়াতে তেমন কোন সাহায্যই করে না। আর আজ আমরা ফেইসবুক, হোয়াটস্ আাপের পাল্লায় পড়ে কথা বলা প্রায় ভুলতেই বসেছি। কিন্তু বাস্তবতা এটাই যে, আমাদের ব্যক্তিগত জীবনে বা পেশাগত জীবনে এই স্কিলটা সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন পড়ে।
কথা বলাটা একটা শিল্প। এই শিল্পকলা চর্চা করে আপনি বড় বড় লেনদেন করতে পারেন, মানুষকে ইম্প্রেস করতে পারেন, নিজের রিলেশনশীপকে ভালো করতে পারেন এবং যে কোনো মানুষের মন জয় করতে পারেন। এখানে কিছু টিপস দেয়া হল, যা আপনাদের এই কথা বলার স্কিলটা ডেভলপ করতে সাহায্য করবে।
# টেকনিক-১: ঞযব ভষড়ড়ফরহম ংসরষব- উইলিয়াম টেনজার একজন স্টক ব্রোকার ছিলেন। তিনি তার বিয়ের এক বছর পরেও তার স্ত্রীর সাথেও ভালোভাবে কথা বলতেন না এবং হাসি মজাও করতেন না। তিনি নিজের জীবনে বেশি খুশি ও সুখী ছিলেন না। অন্য লোকের সাথে তার রিলেশনশীপও খুব একটা ভালো ছিল না। একান্ত প্রয়োজন না হলে তিনি কখনো কারো সাথে কথা বলতেন না। তার স্ত্রী এই পরিস্থিতি নিয়ে খুবই দু:চিন্তায় পড়লেন। এটা কাটাবার জন্য তাকে একটি কথা বলার ক্লাবে ভর্তি করে দেয়া হলো। ক্লাবে ওনাকে একটা সিম্পল টিপস্ দেয়া হয়। টিপসটি হলো ওনাকে প্রতি ঘন্টায় অন্তত একবার কোনো মানুষের সাখে স্মাইল করতে হবে বা মৃদু হাসতে হবে। এটা উনি খুব সিরিয়াসলি নিলেন এবং এপ্লাই করা শুরু করে দিলেন। রাস্তাঘাটে পরিচিত কারো সাথে দেখা হলে সৌজন্যমূলক স্মাইল দেয়া শুরু করলেন। তিনি উপলব্দি করলেন, যাদের তিনি স্মাইল দেন, তারাও তাকে দেখে স্মাইল দিচ্ছেন। ধীরে ধীরে সবাই তার সাখে কথা বলা শুরু করে দিলেন এবং তিনি একজন ইতিবাচক নেতা হয়ে উঠলেন। এই স্মাইল দেবার নিয়ম হল- পরিচিত কারো সাথে দেখা হবার পর আপনি তার চোখের দিকে তাকাবেন, কয়েক সেকেন্ড পর হালকা স্মাইল দেবেন।
# টেকনিক-২: ঞযব ংঃরপশু বুবং: আপনি যদি কথা বলার সময় সামনের মানুষটির দিকে না থাকিয়ে এদিক-ওদিক তাকান, তা সামনের মানুষটিকে এই সিগন্যাল দেয় যে, আপনি তার প্রতি ইন্টারেস্টেট বা আগ্রহী নন। এটা কোন মানুষই পছন্দ করেন না, মনে মনে বিরক্তবোধ করেন। কথা বলার সময় আপনি সামনের মানুষটির চোখের দিকে সরাসরি তাকান বা আই কনট্রাক্ট করুন।
# টেকনিক-৩: গধঃপয ঃযব সড়ড়ফ : আপনার জীবনে এমন ঘটনা অনেক আছে যে, যখন আপনি খুব খারাপ মুড়ে আছেন, আর একজন এসে খুব উত্তেজিতভাবে আনন্দ প্রকাশ করে আপনার সাথে কথা বলছেন, তামাশা করছেন। আপনি খুব খোলামেলা আলাপি মানুষ হলেও এই সময় ওই লোকটির প্রতি বিরক্তিও আসতে পারে। অথবা উল্টোটাও হতে পারে। আপনি খুব আনন্দে উত্তেজিত আর আপনার সামনের মানুষটি খারাপ মুড়ে আছেন। ফলে আপনার প্রতি তার বিরক্তি বা রাগ আসতে পারে। ফলে মানুষটি আপনার থেকে দূরে সরে যেতে চেষ্টা করে। এটা আরো বেশি মাত্রায় দেখা যায়, যদি দুজনের মধ্যে ক্লোজ রিলেশন না থাকে। এই কারণে যখন আপনি কারো সাথে কথা বলা শুরু করবেন, তখন আপনাকে দেখতে হবে যে, সামনের মানুষটির মুড় কেমন আছে। যদি সে ‘লো’ বা খারাপ মুড়ে থাকে, তাহলে আপনি তার সাথে খুব বেশি এক্সাইটেড মুড়ে কথা বলবেন না। প্রথমে আপনি শান্তভাবে তার সাথে কথা বলা শুরু করুন। তারপর ধীরে ধীরে আপনার মুড় এবং এক্সসাইট লেবেল বাড়ান। এই টেকনিকটা আপনার সামনে থাকা মানুষটির মুড়ও ঠিক করে দিতে পারে।
# টেকনিক-৪: ঘবাবৎ ঃযব হধশবফ লড়ন, পরঃু ধহফ রহঃৎড়ফঁপঃরড়হ : আমরা নতুন কারো সাথে পরিচিত হলে তার সাথে কথা আগে বাড়াতে পারি না। নাম পরিচয় হয়তো জানা হলো কিন্তু কথা আর এগুতে না পারার কারণে চুপচাপ, তখন একটাই চিন্তা মনে আসে কিভাবে এই দমবন্ধ করা পরিস্থিাতি থেকে বের হওয়া যায়। এই ঘটনার পর যতদূর সম্ভব দুজন দুজনকে এড়িয়ে চলতে চেষ্টা হবে। কারণ তারা সে আগের পরিস্থিতিতে আবার পড়তে চান না। যদি আপনি এই পরিস্থিতিতে পড়তে না চান এবং নতুন কারো সাথে সুন্দর সম্পর্ক চান, তাহলে কখনোই তার প্রশ্নের জবাব একলাইনে দেবেন না। যেমন আপনি কোথায় থাকেন? কি করেন? এই প্রশ্নগুলোর জন্য বড় কোনো উত্তর খুঁজুন। মানে আপনি যেখানে থাকেন বা আপনার কর্মস্থল সম্পর্কে আরো কিছু ইন্টাররেস্টিং তথ্য বা ঘটনা যোগ করুন; যা আপনার সামনের মানুষটিকে আরো কিছুটা আকর্ষণ করতে এবং প্রভাব বাড়তে সহায়তা করবে। এটা কথোপকথন এগিয়ে নিয়ে যেতেও সাহায্য করবে।
# টেকনিক-৫: চধৎৎড়ঃরহম : মা নে তোতা পাখির মত রিপিট করা। যদি আপনি সামেনের মানুষটির সাখে কথা আরো বাড়াতে চান, তাহলে সামনের মানুষটির কথার অংশ রিপিট করতে হবে। যেমন- এক ব্যক্তি রাস্তা দিয়ে যাচ্ছিল, পথে এক মুখ চেনা মানুষের সাথে দেখা। যার সাথে সম্পর্ক আগে বাড়েনি; সে সম্পর্ক বাড়াতে চায়। চেনা মানুষটি বলল- সে একটা বিয়ে বাড়ি থেকে ফিরছে। লোকটি রিপ্লাই দিলো: বিয়ে? -হ্যা, আমার মামাত বোনের বিয়ে। -মামাত বোন? -হ্যা, আমার বড় মামার একমাত্র মেয়ে। ডাক্তারী পড়ছে। - ও ডাক্তার? -হ্যা, স্বামীও ডাক্তার; ছেলেটার বাড়ি কুস্টিয়া। - কুস্টিয়া? -হ্যা কুস্টিয়া শহরে তাদের পৈত্রিক ব্যবসা। এভাবে রিপিট করে কথা বাড়ান।
সূচিপত্র
১) ছোটদের সাথে আমাদের আচরণ ২) পরিবার ও সন্তান, সুপার পাওয়ার যেভাবে তৈরি হয়, ৩) দীর্ঘস্থায়ী ভয়ের উৎপত্তির মূলে শৈশবকালে ঘটে যাওয়া ঘটনার প্রভাব , ৪) সন্তানের উৎসাহ এবং উদ্দীপনা বাড়ানো, ৫) আপনার শিশুটি ঘুমুক শান্তিতে এবং নির্ভরতায় , ৬) কিছু অব্যর্থ টিপস, যা আপনার শিশুকে পড়াশোনায় আগ্রহী করে তুলবে, ৭) শিশুকে কিভাবে বড় করবেন, ৮) বাচ্চাদের মস্তিষ্ক বিকাশে কী করবেন? ৯) বাচ্চাদের বুদ্ধি বিকাশের অন্যতম পথ, দৌড়, ১০) বাচ্চাকে কখনো আড়ালে লুকিয়ে খেতে দেবেন না, ১১) পিটার সিংগারের দর্শন, ১২) দুষ্টু শিশুরা তাড়াতাড়ি শেখে, ১৩) সন্তানকে যতই শাস্তি দেবেন ততই সে অসামাজিক হবে, ১৪) বাবা-মাই সন্তানকে নির্যাতন করেন সবচেয়ে বেশি , ১৫) সন্তানের সাথে কিভাবে গড়ে তুলবেন নিবিড় বন্ধন, ১৬) যে ১১টি কথা শিশুকে কখনোই বলবেন না!, ১৭) শিশুকে গল্প শোনান প্রতিদিন, ১৮) সন্তানের আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধির ১০টি কৌশল, ১৯) সৃজনশীলতা হচ্ছে নতুন কিছু করার যোগ্যতা, ২০) যারা মুখস্থ করতে পারেন না, ২১) তারা মেধাবী, মেধাবী হওয়ার উপায়,
২২) কথা ও ভাষা, ২৩) এলিভেটর পিচ, ২৪) সুন্দর করে কথা বলে সমস্যা জয়ের কৌশল, ২৫) ফোনে কথা বলার আদবকেতা, ২৬) ১২টি কর্ম বিধান, ২৭) ভালোবাসার অপর নাম প্রয়োজন, ২৮) আলতু-ফালতু কাজে সময় অপচয় করে স্বপ্ন পূরণের কল্পনা, ২৯) স্ট্রেস ম্যানেজমেন্ট, ৩০) চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিন পিং-এর জীবন থেকে শিক্ষা, ৩১) অভিজ্ঞতা ও অতীত থেকে শিক্ষা গ্রহণ, ৩২) বর্তমানকে সবচেয়ে বেশি মূল্য দিন, ৩৩) ২৪ ঘণ্টা কেউ সুখী হয় না, ৩৪) কিছু অভ্যাস যা আপনাকে আরও সুখী করবে , ৩৫) আপনার অবয়ব , ৩৬) সফলতার 25টি হট কৌশল-1, ৩৭) সাফল্যের 25টি হট কৌশল-2, ৩৮) সফলতার 55 সূত্র, ৩৯) কিভাবে নিজেকে নেতা হিসেবে গড়ে তুলবে, ৪০) সময় ব্যবস্থাপনা, ৪১) সময় ব্যবস্থাপনার তিনটি ধাপ, ৪২) সময়কে যথাযথভাবে কাজে লাগানোর উপায়গুলো, ৪৩) সাফল্য, ড. কোভের ইমোশনাল একাউন্ট কনসেপ্ট, ৪৪) সবচে বড় ইমোশনাল একাউন্ট, ৪৫) আপনার ইমোশনাল একাউন্ট, ৪৬) বুদ্ধি ও বিবেচনাবোধ বর্জিত কর্মফল বিপজ্জনক, ৪৭) অন্যদের দিয়ে আপনার কাজ করান কিন্তু সম্মান আপনি অর্জন করুন, ৪৮) অন্য লোকেরা আপনার কাছে আসুক দরকার হলে টোপ দিন, ৪৯) অসুখী এবং ভাগ্যহীনদের বর্জন করুন, ৫০) লোককে আপনার ওপর নির্ভরশীল করুন , ৫১) নেওয়ার পূর্বে দেওয়া অন্য বক্তির স্বার্থ বুঝুন, ৫২) শত্রুকে খাটো করে দেখবেন না, ৫৩) নিজেকে রক্ষা করার জন্য চারিদিকে দুর্গ নির্মাণ করবেন না, ৫৪) কারোর পক্ষ অবলম্বন করে বসে থাকবেন না, ৫৫) আপনার শক্তিসমূহকে সংহত করুন, ৫৫) নিজের ভুলগুলোকে লুকিয়ে রাখুন, ৫৬) শুধু সাহসের জোরে নয়, পরিণতিও বিবেচনায় রাখুন, ৫৭) প্রতিটি মানুষের গোপন ইচ্ছা খুঁজে বের করুন, ৫৮) রাগ বিপজ্জনক ও অভদ্রতা, ৫৯) কোনো দলকে ধরার জন্য দলপতিকে প্রথমে ধরুন, ৬০) নিজেকে গুরুত্বপূর্ণ মনে করুন, গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবেন, ৬০) পরিবেশ সামলাতে শিখুন, ৬১) প্রথম শ্রেণির মানুষ হয়ে উঠুন, ৬২) আপনার সামাজিক পরিবেশ ‘প্রথম শ্রেণি’র করে তোলার উপায়, ৬৩) ‘সস্তার তিন অবস্থা’ প্রধম শ্রেণিভুক্ত হয়ে উঠুন , ৬৪) যত বেশি বন্ধুত্ব তত বেশি উপরে ওঠার সম্ভাবনা, ৬৫) সাহস করে কাজটা শুরু করুন, ৬৬) সাফল্য মানে বারবার ভিন্নভাবে চেষ্টা করা, ৬৭) ১- ১০ ভাল অভ্যাস, ১১- ২০ ভাল অভ্যাস, ২১- ৩০ ভাল অভ্যাস, ৩১- ৪০ ভাল অভ্যাস, ৪১- ৫০ ভাল অভ্যাস, ৫১- ৬০ ভাল অভ্যাস, ৬১- ৭০ ভাল অভ্যাস, ৭১- ৮০ ভাল অভ্যাস, ৮১- ৯০ ভাল অভ্যাস, ৯১- ১০২ ভাল অভ্যাস, ৬৮) জিরো থেকে হিরো, ৬৯) সৃজনশীলদের সফলতার ৭ সূত্র, ৬৯) জীবনে পরিবর্তন আনুন ৪৮টি উপায়ে, ৭০) জীবন-যাপন, ৭১) জাপানী ও চিন লাইফ স্টাইল , ৭২) ৩০টি দর্শন, যা আপনার জীবনে কাজে লাগবে, ৭৩) সম্পর্ক তৈরি করা, বন্ধুত্ব, ৭৪) যে আচরণগুলো মানুষের মনের কথা জানাবে, ৭৫) কথা বলার সূত্র, ৭৬) আপনি ও আপনার ব্যবহার, ৭৭) নিজেকে সঠিকভাবে উপস্থাপন করা, ৭৮) কথা বলার কতিপয় গুরুত্বপূর্ণ নিয়ম, ৭৯) কিভাবে নিজেকে বিনয়ী হিসেবে উপস্থাপন করবেন, ৮০) কিভাবে বুদ্ধিদীপ্ত কথা বলবেন, ৮১) কথা বলার ৫টি বিস্ময়কর টেকনিক, ৮২) কিভাবে মানুষকে আকৃষ্ট করবেন? ৮৩) অকারণে সময় নষ্ট? মেল রবিনের ৫ সেকেন্ড রুল, ৮৪) কর্পোরেট আদবকেতা, ৮৫) ৩৫টি কর্পোরেট কালচার ও আপনার করণীয়, ৮৬) যা না জানলে লজ্জায় পড়তে হয় , ৮৭) কাজের সময়ে যে বিষয়গুলো একেবারেই করা উচিৎ না , ৮৮) ক্যারিয়ারে সাফল্য পেতে ছুড়ে ফেলুন ৭টি দোষ, ৮৯) আকাক্সক্ষা, ইচ্ছে বা স্বপ্ন,
৯০) বক্তৃতা প্রশিক্ষণ, কাজ কিভাবে করবেন? ৯১) আত্মশক্তিতে বলিয়ান হতে, ৯২) একনাগাড়ে চলবেন না, ৯৩) মারফিস ’ল , কাজের রোডম্যাপ তেরি , ৯৪) জব স্যাটিসফেকশন, ৯৫) কাজে সফলতার সূত্রাবলী, ৯৬) যেভাবে জীবনযাপন করবেন, ৯৭) পরিণত বুদ্ধির মানুষেরা যে কাজগুলো কখনোই করেন না, ৯৮) জীবনে দক্ষতা অর্জনের কার্যকর ১২টি উপায়, ৯৯) সঠিক লক্ষ্য নির্ধারণ ও কাজ করার উপায় , ১০০) সফলতা ও সার্থকতা, ১০১) জীবনের ছোট ছোট প্রাপ্তিগুলোকে উপভোগ করা, ১০২) সফলতার কিছু পদ্ধতি, ১০৩) সফল হতে চাইলে যে ৮ টি জিনিস বাদ দেয়া প্রয়োজন, ১০৪) সফল ব্যক্তিরা যে ১০টি কাজ কখনোই করেন না, ১০৫) সর্বদা স্মরণ রাখুন, ১০৬) চিন্তাশক্তি , ১০৭) স্বাধীনতা, ১০৮) জ্ঞান অর্জন খাদ্য গ্রহণের মতো , ১০৯) দৃঢ় প্রতিজ্ঞ হয়ে চেষ্টা করলে কখনোই বিফল হবেন না, ১১০) বুদ্ধির সংজ্ঞা হলো, প্রতিটি কাজ ভেবে-চিন্তে করা, ১১১) ব্যক্তিত্ব, চেহারা ও ব্যক্তিত্ব , ১১২) সেলডন-এর গবেষণা , ১১৩) ব্যক্তিত্ব ও উচ্চারণ, ১১৪) পোশাক ও ব্যক্তিত্ব, ১১৫) প্রথম দেখায় ব্যক্তিত্বের ছাপ, ১১৬) বিচ্ছিন্নতা ব্যক্তিত্বের বড় শত্রু, ১১৭) ব্যক্তিত্বে জিনগত প্রভাব, ১১৮) অন্তর্মুখী ও বহির্মুখী ব্যক্তিত্ব, ১১৯) মনোমুগ্ধকর ব্যক্তিত্বের ১০ বৈশিষ্ট্য, ১২০) ব্যক্তিত্বের উৎকর্ষতার জন্যে ১০ নির্দেশনা, ১২১) কিভাবে ব্যক্তিত্বের বিকাশ ঘটাবেন? , ১২২) নিজেকে স্মার্ট করতে ৫টি কৌশল, ১২৩) আকর্ষণীয় মানুষ হবার ৬টি পরামর্শ, ১২৪) আত্মশুদ্ধি , ১২৫) হতাশ হবেন না, ১২৬) পাছে লোকে কিছু বলে, ১২৭) সুখ-শান্তি উন্নতি , ১২৮) চাহিদা, ১২৯) খাদ্য, ঘুম ও বিশ্রাম, ১৩০) স্বাস্থ্য ভাল রাখার নিয়ম, ১৩১) টেনশন দূর করতে হলে, ১৩২) শুধু নিজের কথা নয়, অন্যের কথাও ভাবুন, ১৩৩) চাহিদা যত বেশি সুখ তত কম, ১৩৪) সুখী জীবনের জন্য ১৮ টি টিপস, ১৩৫) আত্মবিশ্বাস, আত্ম বিশ্বাসের শক্তি, ১৩৬) অজুহাতের ব্যাধিতে আক্রান্ত ব্যর্থ মানুষ, ১৩৭) দি সেভেন হ্যাবিট অফ হাইলি এ্যা ফেক্টিভ পিপল, ১৩৮) সামাজিক আয়না, ১৩৯) প্রোএ্যাক্টিভিটি, ১৪০) সার্কেল অফ ইনফ্লুয়েন্স, ১৪১) শুরু করুন আজই, ১৪২) আপনার কেন্দ্রবিন্দু কোনটি?, ১৪৩) মাথার দুটি অংশই ব্যবহার করুন, ১৪৪) সময়ের ব্যবস্থাপনা, ১৪৫) ব্যক্তিগত ব্যবস্থাপনা, ১৪৬) গুরুত্বপূর্ণ এবং জরুরি, ১৪৭) পরনির্ভরশীল জীবন, ১৪৮) ছয়টি উপায়ে অন্য মানুষের সাথে আদান-প্রদান, ১৪৯) অধ্যয়ন, ১৫০) পড়াশোনায় ১২ কার্যকর কৌশল, ১৫১) ঘুম থেকে উঠতে ১০-৩-২-১-০ ফর্মুলা, ১৫২) আয়-ব্যয়- টাকা, ১৫৩) অন্যকে খুশি করতে পয়সা খরচ যে কারণে অর্থহীন, ১৫৪) খরচের লাগাম টেনে ধরতে.. ১৫৫) নারী, ১৫৬) সম্পর্ককে সুন্দর রাখতে কিছু “মিথ্যা” বলা জরুরী , ১৫৭) ছেলেদের কোন জিনিস দেখে মেয়েরা? , ১৫৮) স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর কিছু অভ্যাস, ১৫৯) ভুঁড়ি ঠেকাতে ৫টি নিয়ম, ১৬০) যেসব কারণে নারীদের স্বাবলম্বী হওয়া উচতি , ১৬১) বিয়ে-সংসার, ১৬২) সফল বিয়ের তিনটি মন্ত্র, ১৬৩) সুখী হবার দারুণ কিছু মূলমন্ত্র, ১৬৪) কিছু গল্প, ১৬৫) ভালোবাসাহীন সম্পর্ক, ১৬৬) কেন স্পর্শের প্রয়োজন হয় প্রতিদিন, ১৬৭) যে কারণে একা থাকাই আপনার জন্য ভালো, ১৬৮) ব্যবসা, ১৬৯) বিক্রয় বৃদ্ধির কৌশল, ১৭০) যে ৭টা ব্যাপার বিজনেসে করবেন না, ১৭১) স্বাস্থ্য, ১৭২) দুগ্ধজাত খাবারে পুরুষের বন্ধ্যত্ব, ১৭৩) একাকিত্বের বিপদ, ১৭৪) কর্মক্ষম ও প্রফুল্ল রাখতে, ১৭৫) মন ভালো করার উপায়, ১৭৬) যৌন স্বাস্থ্য, ১৭৭) পুরুষদের কেজেল, ১৭৮) মহিলাদের কেজেল, ১৭৯) দক্ষতা , ১৮০) আলসেমি দূর করার সহজ কিছু উপায়, ১৮১) কীভাবে সামলাবেন নিন্দুকদের ?, ১৮২) সুখী হতে চাইলে যা কখনোই করবেন না, ১৮৩) সব ভুলে যাচ্ছেন? স্মৃতিশক্তি চাঙ্গা রাখতে ৫টি টিপস, ১৮৪) বয়সের ভারে বৃদ্ধ না হয়ে বরং কাজের ভারে যুবক থাকার চেষ্টা করো, ১৮৫) নিজেকে কাজের সঙ্গে সম্পক্ত করার তিনটে স্টেপ, ১৮৬) জীবনের লক্ষ্য নির্ধারণে দ্রুত পদ্ধতিগুলো, ১৮৭) প্রতিদান পাওয়ার আশায় কাজ করবেন না, ১৮৮) প্রেম একটি মানসিক রোগ, ১৮৯) সম্পর্ক ভেঙ্গে যাবার পর নিজেকে যেভাবে সামলাবে, ১৯০) সময় সবকিছু বদলে দেয়, ১৯১) সম্পর্ক তৈরির ক্ষেত্রে কমন পাঁচটি ভুল, ১৯২) আত্মবিশ্বাস/মনোবল, ১৯৩) প্যারাসুট অফ হ্যাপিনেস, ১৯৪) বারবার ঘুরে দাঁড়াতে হবে, ১৯৫) আত্মবিশ্বাসহীন মানুষের লক্ষণ, ১৯৬) বাড়াও আত্মবিশ্বাস, বাড়বে সফলতা, ১৯৭) প্রাতিষ্ঠানিক সম্পর্ক শক্তিশালী করার টিপস, ১৯৮) কিভাবে ধরে রাখবে দু'জনের সম্পর্ক, ১৯৯) কিভাবে বুঝবে সম্পর্ক শেষ করতে হবে, ২০০) সম্পর্ক যখন প্রেম-ভালোবাসার, ২০১) যেসব বিষয়ের উপর স¤পর্ক গড়ে ওঠে, ২০২) ভালোবাসার অপর নাম প্রয়োজন, ২০৩) সম্পর্কের গুণগত মান বাড়বে কিভাবে, ২০৪) মস্তিস্ক ঠিক রাখার ৩০ উপায়, ২০৫) মানুষের আচরণের পেছনে একটা কারণ থাকে, ২০৬) কোনো কাজে নিজেকে সম্পক্ত না করেই আমরা নিজ ক্যারিয়ারকে এগিয়ে নিয়ে যাই ২০৭) স্রোতের বিপরীতে চিন্তা করুন, ২০৮) আপনার টাইমজোনে সময় আসবেই, ২০৯) চাইল্ডহুড অ্যামনেসিয়া এবং আমাদের শিক্ষণীয়,