ব্যক্তিত্ব ও উচ্চারণ
ব্যক্তিত্বের একটি অপরিহার্য অঙ্গ হলো নিখুঁত উচ্চারণভঙ্গি। উচ্চারণ দেখেই কবি কালিদাসের নববিবাহিতা বিদুষী স্ত্রী ধরে ফেলেছিলেন কলিদাস পণ্ডিত সেজে তাঁকে বিয়ে করলেও তিনি একজন গোমুখ্যু। প্রত্যেক ভাষাগোষ্ঠীরই একটি উচ্চারণের মডেল আছে।
ইংল্যান্ডে যেমন অক্সফোর্ডের উচ্চারণকে মডেল উচ্চারণ বলে ধরা হয়। হিন্দিতে বারাণসীর উচ্চারণকে মডেল উচ্চারণ বলে ধরা যায়। বাংলায় তেমনি নদিয়া -কুষ্টিয়ার উচ্চারণকে মডেল উচ্চারণ ধরা হয়। রেডিও, টেলিভিশন, সাহিত্য, নাটক এই মডেল উচ্চারণকে গ্রহণ করে।
বাংলা ভাষা স¤পর্কে একটা প্রবাদ আছে, নদিয়াতে জন্ম তার কুচ্ছিতে বসতি; নোয়াখালিতে আহত সে, চট্টগ্রাম-সিলেটে নিহত। কাজেই এই বিশেষ আঞ্চল দুটোর লোকদের চেষ্টা করতে হবে অনেক বেশি।
শিক্ষিত ব্যক্তি যখন আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু বক্তব্য রাখবেন, তখন উচ্চারণ যাতে স্ট্যান্ডার্ড উচ্চারণ হয় সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। অনেকে উপভাষার প্রতি এমন অন্ধ আনুগত্য প্রকাশ করেন যে, স্ট্যান্ডার্ড উচ্চারণ শিখতে চান না।
কিন্তু যারা নিজস্ব আঞ্চলিক বৃত্তের মধ্যে নিজেদের আবদ্ধ না রেখে বৃহত্তর সমাজে কথাবার্তা বলতে চান, সাহিত্য ও সংস্কৃতির আলোচনায় অংশ নিতে চান, তাদের উচ্চারণ শুদ্ধ হওয়া উচিত। মনে রাখতে হবে সঠিক কম্যুনিকেশন করতে গেলে সঠিক উচ্চারণ শিখতে হবে।
যারা ব্যক্তিত্ব অর্জন করতে চান তাদের নিয়মিত উচ্চারণ প্র্যাকটিস করতে হবে। এফ এম রেডিও থেকে ভয়েজ রেকর্ডে উচ্চারণ ধরে রেখে বারবার বাজাতে হবে আর প্র্যাকটিস করতে হবে।
প্রকাশের ক্ষমতাই হলো ব্যক্তিত্ব। যে নিজেকে প্রকাশ করতে পারে না, লজ্জা এবং সবার সামনে উঠে দাঁড়িয়ে দু চার কথা বলতে গেলে যাদের পা কাঁপে, জিভ শুকিয়ে যায় তাদের ব্যক্তিত্বে খামতি আছে।
যে নিখুঁত উচ্চারণে ইংরেজি ও মাতৃভাষায় বক্তৃতা দিতে পারে, প্রশ্ন করতে পারে, কবিতা আবৃত্তি করতে পারে তার আত্মবিশ্বাস অনেক বেশি। এই আত্মবিশ্বাসই তার ব্যক্তিত্বের উৎসভূমি।
শুধু বক্তৃতা দেবার সময়ই নয়, সাধারণ মানুষের সঙ্গে কথাবার্তা বলার সময়ও উচ্চারণে জড়তা রাখা চলবে না। কথা বলার সময় যদি কোনো মত প্রতিষ্ঠিত করতে চান, তাহলে বেশ জোর দিয়েই কথাগুলো বলতে হবে, হবে মৃদুভাষী এবং বিনয়াবনত।
ব্যক্তিত্বের ৫০ শতাংশ নির্ভর করে চেহারা পোশাক-আশাক ও চালচলনের ওপর, কিন্তু বাকি অর্ধেকটা নির্ভর করে কথা বলার ভঙ্গির ওপর। যার মধ্যে উচ্চারণ ও কণ্ঠস্বরও পড়ে।
★ নিজের অভিমতকে প্রকাশ করার সময় বেশ জোর দিয়ে কথা বলুন,
★ কখনও বলবেন না। আপনি আমার কথা বুঝতে পারছেন না। বলবেন, আমি হয়তো ঠিক আপনাকে বোঝাতে পারছি না।
★ কখনও অন্যের কাছে কথা প্রসঙ্গে বারবার নিজের বউ-ছেলেমেয়ের প্রসঙ্গ টেনে আনবেন না। নিজের সাফল্যের কথা বারবার বললে যারা আপনার কথা বিশ্বাস করবে, তারা আপনার প্রতি ঈর্ষাপরায়ণ হয়ে পড়বে। আর যারা আপনার কথা বিশ্বাস করবে না, তারা আপনাকে হামবাগ ভাববে।
★ সাক্ষাতে প্রশংসা করবেন না। নিন্দা ও প্রশংসা ঠিক সময় আসল ব্যক্তির কানে পৌঁছে যাবে।
★ পরিচিতদের সঙ্গে দেখা হওয়া মাত্র সৌজন্য বিনিময় করুন। কুশল প্রশ্ন করুন। অন্যে কথা না বললে আপনি কথা বলবেন না, এই আত্মম্ভরিতা ছাড়ুন।
★ পার্টিতে বা সামাজিক অনুষ্ঠানে নিজে যেচে আলাপ করুন। যেচে আলাপ করলে কেউ খেলো হয়ে যায় না বরং সদালাপী ব্যক্তিত্ব বলে পরিচিত হয়।
★ সবজান্তা ভাব দেখাবেন না, কোনো মানুষের পক্ষেই সব জানা সম্ভব নয়। নিজে যতটুকু জানেন ব্যক্ত করুন।
★ একজন প্রচুর কথা বলে বাচাল আখ্যা পান। অন্যজন কম কথা বলে পণ্ডিত বলে পরিচিত হন।
★ সরব করে কথা বলতে শিখুন। জোকস্্, বাণী, ছড়া ও নিজের জীবনের বিচিত্র অভিজ্ঞতার ছোটখাটো কাহিনী ঠোঁটের আগায় রেখে দিন। একটু সুযোগ পেলেই তা প্রয়োগ করুন।
★ কথায় দম্ভ ও অহংকার প্রকাশ করবেন না। তাহলে খেলো হয়ে যাবেন। আবার মিউমিউ করবেন না, তাহলে লোকে আপনাকে ব্যক্তিত্বহীন বলে মনে করবে।
পোশাক ও ব্যক্তিত্ব
স্থান-কাল উপযোগী মানানসই পোশাকই ব্যক্তিত্বকে বাড়ায়। টাইট শার্ট বা পাঞ্জাবি পরলে তাদের ভুঁড়ি বিশ্রীভাবে জেগে ওঠে না। বাইরে বেরুবার সময় ইস্ত্রি করা পোশাক পরে বেরুবেন। জুতোয় কালি দিতে ভুলবেন না। নিজের জুতো নিজে পালিশের অভ্যাস ভালো। অনেকে পোশাক সম্পর্কে উদাসীন।
আদর্শবাদী ও আত্মবিশ্বাসী মানুষেরা সহজ-সরল পোশাক ব্যবহার করেন। এরা একই ধরনের পোশাক পরেন। যেমন সাদা রঙের ধুতি পাঞ্জাবি। তখন পোশাকই হয়ে ওঠে ব্যক্তির আত্মপরিচয় বা আইডেনটিটি।
ইউরোপ আমেরিকায় প্রৌঢ় ও বৃদ্ধ-বৃদ্ধারাই জমকালো পোশাক পরে। যৌবন শেষ হয়ে যাওয়ার খামতিটুকু তারা পোশাকে ঢাকতে চান। কিন্তু পোশাক বয়সোচিত না হলে তা ব্যক্তিত্বের মর্যাদাহানি করে। এলোমেলোভাবে পরা নোংরা পোশাক আত্মচেতনার খামতি প্রমাণ করে। অন্যেও ওই মানুষটিকে অত পাত্তা দেয় না। লোকে যেমন অপরের দৃষ্টি আকর্ষণ করার জন্য পোশাক পরে, তেমিন পোশাক আবার শ্রেণি পরিচয়ের টিকিটও।
টিনএজাররা চায় পোশাকের মধ্য দিয়ে তাকে বয়সের চেয়ে বড় দেখাক। এ জন্য অনেক মেয়ে শখ করে মাঝে মাঝে শাড়ি পরে। আবার টাইট পোশাক পরে যাতে তাদের স্তনযুগল আরো সুপরিণত দেখায়।
আবার ব্দ্ধৃারা প্রসাধন করে ও রঙিন শাড়ি পরে নিজেদের কমবয়সী দেখাতে চায়। যে পোশাক ব্যক্তিত্ব বাড়ায় সে পোশাক যে দামী পোশাক হতে হবে তার কোনো মানে নেই। কমদামী পোশাকও যদি ভেবেচিন্তে নির্বাচন করা যায়, তাহলে তা ব্যক্তিত্ব ফুটিয়ে তুলতে পারে। শুধু পোশাক নির্বাচনের সময় প্রথমে দেখতে হয় সেটি মাপ অনুসারে তৈরি কি না। ঢলঢলে বা গায়ে ছোট হয় এমন পোশাক ব্যক্তিত্বকে খেলো করে দেয়। দ্বিতীয়ত পোশাক পরতে হয় বয়স ও দৈহিক কাঠামোর উপযোগী করে। লোকে যেন পোশাকটা না দেখে আপনাকেই দেখে। আপনার ব্যক্তিত্ব বাড়িয়ে তোলা ছাড়া পোশাকের আর গুণ থাকতে পারে না।
ব্যক্তিত্ব হলো অন্যের আয়নায় দেখা ব্যক্তির আর একটা ছবি। মানুষ তো আসলে তিনটে।
১.আপনি আপনার সম্পর্কে যা ভাবেন।
২.অন্যে আপনার সম্পর্কে যা ভাবে।
৩. আপনি আসলে যা।
আপনি আপনাকে যা ভাবেন সেটি আপনার আর এক ব্যক্তিত্ব। আপনি যদি নিজেকে দুঃখি ভাবেন, বঞ্চিত ভাবেন, তাহলে আপনার ব্যক্তিত্বের মধ্যে দুঃখী দুঃখী ভাব ফুটে উঠবে। যদিও প্রকৃত পক্ষে আপনার নিজেকে দুঃখী মনে করার কোনো কারণ নেই। হয়তো দেখা যাবে প্রকৃত দুঃখী লোকদের দুঃখের তুলনায় আপনার দুঃখ তেমন কিছুই নয়। কিন্তু নিজেকে দুঃখী ও বঞ্চিত বলে ভাবার জন্যই ব্যক্তিত্বের ওপর তার প্রভাব পড়ে।
সামান্য আঘাতে ভেঙে পড়েন এমন অনেক লোক আছেন। মানুষ যখন ভেঙে পড়ে, যখন সে আত্মবিশ্বাস হারিয়ে ফেলে তখন তার ব্যক্তিত্বেরও পরিবর্তন হয়। জীবনের পরীক্ষা হলো ভাঙা নয় গড়া। বিপর্যয়ের ফলে কারো ব্যবসা বাণিজ্য নষ্ট হয়ে যেতে পারে। কিন্তু বিপর্যয়ের মোকাবেলা করলে তৈরি হয় ব্যক্তিত। ব্যক্তিত্ব হলো ব্যক্তির পরিবেশের সঙ্গে মানিয়ে চলার ক্ষমতা।
আপনি কতোটা রুচিশীল তার অনেকটাই বলে দেবে আপনার পোশাক। পোশাককে উপযুক্ত মোড়ক দিয়ে বাজারের উপযোগী করে দেবে। মনে রাখবেন, আপনার পোশাক যদি ভালো না হয়, তাহলে বহুক্ষেত্রে অবমূল্যায়িত হবেন, যা আপনার কার্যসিদ্ধিতে সহায়ক হবে না। এজন্য আপনাকে অবশ্যই মানানসই শার্ট, প্যান্ট, বেল্ট, জুতো, ঘড়ি ইত্যাদি পরতে হবে। পোশাকের রং নির্বাচনে সতর্ক হোন। এছাড়া নিজেকে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন বা পরিপাটি হতে হবে, টিপটপ থাকতে হবে, সুন্দর করে চুল কাটতে হবে, নিয়মিত শেভ করতে হবে।
ব্যক্তিত্বের বিকাশ
যার মধ্যে ব্যক্তিত্ব জিনিসটা থাকে সে অন্যকে আত্মসমর্পণে বাধ্য করে না। একজন আর একজনকে আত্মসমর্পণে বাধ্য করে বা অপরের ব্যক্তিত্বকে পিষ্ট করতে চায় অর্থ বা ক্ষমতার জোরে, ব্যক্তিত্বের দ্বারা নয়। প্রায়শই দেখা যায় তারা নিজেদের স্ত্রীর সঙ্গে একটা প্রভু ভৃত্যের স¤পর্ক গড়ে তোলে। অথচ স¤পর্কটা প্রেমের।
স্বামী নিজে জানে ভুল কথা বলছে। স্ত্রীও জানে। কিন্তু প্রতিবাদ করে না। এই কথাগুলো বলে তার প্রভুত্ব করার ইচ্ছা চরিতার্থ হয় তো হোক। না হয় একটু শুনলামই। চুপ করে থাকলে ক্ষতি তো কিছু নেই, বরং কথা বাড়ালে অশান্তি হবে। এর নামই আত্মসমর্পণ। যে স্ত্রী বিনা প্রতিবাদে মেনে নেয়, সে কিন্তু তার স্বামীর পক্ষে সবচেয়ে বিপজ্জনক ব্যক্তি।
মানুষ প্রতিবাদের দ্বারা অন্যায়কে প্রতিহত করে, মেনে নেয় না, ফলে তার ভিতরটা সুস্থ থাকে। কিন্তু যখন মেনে নেয় বা নিতে বাধ্য হয় তখন সেই অন্যায়কে নিজের ভিতরে আত্মীকরণ করে নেয়।
এইসব স্ত্রীরা স্বামীর সঙ্গে যে কোনো অনুচিত কাজ বা বিশ্বাসঘাতকতা করতে পারে।
ঠিকই বলেছেন টলস্টয়। রবীন্দ্রনাথও লিখেছেন, ‘অপবিত্র ও করপরশ, সঙ্গে ওর হৃদয় নহিলে।’ প্রেমহীন সেক্স এর মধ্যে একটা কুশ্রীতা আছে, যা স্বামী স্ত্রীর স¤পর্ককে কুশ্রী করে তোলে। তবে প্রেম থাকলে কি বিচ্ছেদ হতে পারে?
প্রেমই তো পর¯পরকে দৃঢ় বন্ধনে বেঁধে রাখে। বিবাহ বিচ্ছেদের কারণ প্রেমের অভাব। শুধু প্রেমহীনতাই নয়।
লোভ লালসা পরকীয়া অনেক কিছুই কাজ করে বিচ্ছেদের পিছনে। অনেক সময় ভালোবেসে বিয়ে করলেও পরে আর ভালোবাসা থাকে না। যৌনতা আর প্রেমের মধ্যে একটা ব্যস্তানুপাতিক স¤পর্ক আছে। তাই ১৩টা সন্তান হওয়ার পর টলস্টয়ের সঙ্গে তাঁর স্ত্রীর স¤পর্ক তিক্ততায় ভরে গিয়েছিল।
৭০ বছরের বৃদ্ধ টলস্টয় স্ত্রীর সঙ্গে অশান্তি হওয়ায় বাড়ি থেকে বেরিয়ে গিয়েছিলেন এবং পরে একটি স্টেশনের ওয়েটিং রুমে মারা গিয়েছিলেন। ভালো হত যদি অনেক আগেই তাদের বিচ্ছেদ হয়ে যেত।
সন্তানরাও নানা কারণে ইনসিকিউরিটি ফিল করতে পারে। যে সব দ¤পতির ঝগড়ায় বাড়িতে কাক চিল বসতে পারে না, তাদের সন্তানরা কি সুস্থভাবে বেড়ে উঠতে পারে?
তারা সব চেয়ে বেশি অনিশ্চয়তায় ভোগে।
শিশুর জীবনে পিতামাতা উভয়েরই প্রয়োজন আছে। কিন্তু দুষ্ট গরুর চেয়ে শূন্য গোয়াল ভালো। যে স¤পর্ক ভাঙার তাকে জোর করে জোড়া লাগিয়ে, জুড়ে থাকার চেষ্টা করলেই বরং তা শিশুদের পক্ষে ক্ষতিকর বা ভয়ঙ্কর হয়ে উঠে।
সূচিপত্র
১) ছোটদের সাথে আমাদের আচরণ ২) পরিবার ও সন্তান, সুপার পাওয়ার যেভাবে তৈরি হয়, ৩) দীর্ঘস্থায়ী ভয়ের উৎপত্তির মূলে শৈশবকালে ঘটে যাওয়া ঘটনার প্রভাব , ৪) সন্তানের উৎসাহ এবং উদ্দীপনা বাড়ানো, ৫) আপনার শিশুটি ঘুমুক শান্তিতে এবং নির্ভরতায় , ৬) কিছু অব্যর্থ টিপস, যা আপনার শিশুকে পড়াশোনায় আগ্রহী করে তুলবে, ৭) শিশুকে কিভাবে বড় করবেন, ৮) বাচ্চাদের মস্তিষ্ক বিকাশে কী করবেন? ৯) বাচ্চাদের বুদ্ধি বিকাশের অন্যতম পথ, দৌড়, ১০) বাচ্চাকে কখনো আড়ালে লুকিয়ে খেতে দেবেন না, ১১) পিটার সিংগারের দর্শন, ১২) দুষ্টু শিশুরা তাড়াতাড়ি শেখে, ১৩) সন্তানকে যতই শাস্তি দেবেন ততই সে অসামাজিক হবে, ১৪) বাবা-মাই সন্তানকে নির্যাতন করেন সবচেয়ে বেশি , ১৫) সন্তানের সাথে কিভাবে গড়ে তুলবেন নিবিড় বন্ধন, ১৬) যে ১১টি কথা শিশুকে কখনোই বলবেন না!, ১৭) শিশুকে গল্প শোনান প্রতিদিন, ১৮) সন্তানের আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধির ১০টি কৌশল, ১৯) সৃজনশীলতা হচ্ছে নতুন কিছু করার যোগ্যতা, ২০) যারা মুখস্থ করতে পারেন না, ২১) তারা মেধাবী, মেধাবী হওয়ার উপায়,
২২) কথা ও ভাষা, ২৩) এলিভেটর পিচ, ২৪) সুন্দর করে কথা বলে সমস্যা জয়ের কৌশল, ২৫) ফোনে কথা বলার আদবকেতা, ২৬) ১২টি কর্ম বিধান, ২৭) ভালোবাসার অপর নাম প্রয়োজন, ২৮) আলতু-ফালতু কাজে সময় অপচয় করে স্বপ্ন পূরণের কল্পনা, ২৯) স্ট্রেস ম্যানেজমেন্ট, ৩০) চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিন পিং-এর জীবন থেকে শিক্ষা, ৩১) অভিজ্ঞতা ও অতীত থেকে শিক্ষা গ্রহণ, ৩২) বর্তমানকে সবচেয়ে বেশি মূল্য দিন, ৩৩) ২৪ ঘণ্টা কেউ সুখী হয় না, ৩৪) কিছু অভ্যাস যা আপনাকে আরও সুখী করবে , ৩৫) আপনার অবয়ব , ৩৬) সফলতার 25টি হট কৌশল-1, ৩৭) সাফল্যের 25টি হট কৌশল-2, ৩৮) সফলতার 55 সূত্র, ৩৯) কিভাবে নিজেকে নেতা হিসেবে গড়ে তুলবে, ৪০) সময় ব্যবস্থাপনা, ৪১) সময় ব্যবস্থাপনার তিনটি ধাপ, ৪২) সময়কে যথাযথভাবে কাজে লাগানোর উপায়গুলো, ৪৩) সাফল্য, ড. কোভের ইমোশনাল একাউন্ট কনসেপ্ট, ৪৪) সবচে বড় ইমোশনাল একাউন্ট, ৪৫) আপনার ইমোশনাল একাউন্ট, ৪৬) বুদ্ধি ও বিবেচনাবোধ বর্জিত কর্মফল বিপজ্জনক, ৪৭) অন্যদের দিয়ে আপনার কাজ করান কিন্তু সম্মান আপনি অর্জন করুন, ৪৮) অন্য লোকেরা আপনার কাছে আসুক দরকার হলে টোপ দিন, ৪৯) অসুখী এবং ভাগ্যহীনদের বর্জন করুন, ৫০) লোককে আপনার ওপর নির্ভরশীল করুন , ৫১) নেওয়ার পূর্বে দেওয়া অন্য বক্তির স্বার্থ বুঝুন, ৫২) শত্রুকে খাটো করে দেখবেন না, ৫৩) নিজেকে রক্ষা করার জন্য চারিদিকে দুর্গ নির্মাণ করবেন না, ৫৪) কারোর পক্ষ অবলম্বন করে বসে থাকবেন না, ৫৫) আপনার শক্তিসমূহকে সংহত করুন, ৫৫) নিজের ভুলগুলোকে লুকিয়ে রাখুন, ৫৬) শুধু সাহসের জোরে নয়, পরিণতিও বিবেচনায় রাখুন, ৫৭) প্রতিটি মানুষের গোপন ইচ্ছা খুঁজে বের করুন, ৫৮) রাগ বিপজ্জনক ও অভদ্রতা, ৫৯) কোনো দলকে ধরার জন্য দলপতিকে প্রথমে ধরুন, ৬০) নিজেকে গুরুত্বপূর্ণ মনে করুন, গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবেন, ৬০) পরিবেশ সামলাতে শিখুন, ৬১) প্রথম শ্রেণির মানুষ হয়ে উঠুন, ৬২) আপনার সামাজিক পরিবেশ ‘প্রথম শ্রেণি’র করে তোলার উপায়, ৬৩) ‘সস্তার তিন অবস্থা’ প্রধম শ্রেণিভুক্ত হয়ে উঠুন , ৬৪) যত বেশি বন্ধুত্ব তত বেশি উপরে ওঠার সম্ভাবনা, ৬৫) সাহস করে কাজটা শুরু করুন, ৬৬) সাফল্য মানে বারবার ভিন্নভাবে চেষ্টা করা, ৬৭) ১- ১০ ভাল অভ্যাস, ১১- ২০ ভাল অভ্যাস, ২১- ৩০ ভাল অভ্যাস, ৩১- ৪০ ভাল অভ্যাস, ৪১- ৫০ ভাল অভ্যাস, ৫১- ৬০ ভাল অভ্যাস, ৬১- ৭০ ভাল অভ্যাস, ৭১- ৮০ ভাল অভ্যাস, ৮১- ৯০ ভাল অভ্যাস, ৯১- ১০২ ভাল অভ্যাস, ৬৮) জিরো থেকে হিরো, ৬৯) সৃজনশীলদের সফলতার ৭ সূত্র, ৬৯) জীবনে পরিবর্তন আনুন ৪৮টি উপায়ে, ৭০) জীবন-যাপন, ৭১) জাপানী ও চিন লাইফ স্টাইল , ৭২) ৩০টি দর্শন, যা আপনার জীবনে কাজে লাগবে, ৭৩) সম্পর্ক তৈরি করা, বন্ধুত্ব, ৭৪) যে আচরণগুলো মানুষের মনের কথা জানাবে, ৭৫) কথা বলার সূত্র, ৭৬) আপনি ও আপনার ব্যবহার, ৭৭) নিজেকে সঠিকভাবে উপস্থাপন করা, ৭৮) কথা বলার কতিপয় গুরুত্বপূর্ণ নিয়ম, ৭৯) কিভাবে নিজেকে বিনয়ী হিসেবে উপস্থাপন করবেন, ৮০) কিভাবে বুদ্ধিদীপ্ত কথা বলবেন, ৮১) কথা বলার ৫টি বিস্ময়কর টেকনিক, ৮২) কিভাবে মানুষকে আকৃষ্ট করবেন? ৮৩) অকারণে সময় নষ্ট? মেল রবিনের ৫ সেকেন্ড রুল, ৮৪) কর্পোরেট আদবকেতা, ৮৫) ৩৫টি কর্পোরেট কালচার ও আপনার করণীয়, ৮৬) যা না জানলে লজ্জায় পড়তে হয় , ৮৭) কাজের সময়ে যে বিষয়গুলো একেবারেই করা উচিৎ না , ৮৮) ক্যারিয়ারে সাফল্য পেতে ছুড়ে ফেলুন ৭টি দোষ, ৮৯) আকাক্সক্ষা, ইচ্ছে বা স্বপ্ন,
৯০) বক্তৃতা প্রশিক্ষণ, কাজ কিভাবে করবেন? ৯১) আত্মশক্তিতে বলিয়ান হতে, ৯২) একনাগাড়ে চলবেন না, ৯৩) মারফিস ’ল , কাজের রোডম্যাপ তেরি , ৯৪) জব স্যাটিসফেকশন, ৯৫) কাজে সফলতার সূত্রাবলী, ৯৬) যেভাবে জীবনযাপন করবেন, ৯৭) পরিণত বুদ্ধির মানুষেরা যে কাজগুলো কখনোই করেন না, ৯৮) জীবনে দক্ষতা অর্জনের কার্যকর ১২টি উপায়, ৯৯) সঠিক লক্ষ্য নির্ধারণ ও কাজ করার উপায় , ১০০) সফলতা ও সার্থকতা, ১০১) জীবনের ছোট ছোট প্রাপ্তিগুলোকে উপভোগ করা, ১০২) সফলতার কিছু পদ্ধতি, ১০৩) সফল হতে চাইলে যে ৮ টি জিনিস বাদ দেয়া প্রয়োজন, ১০৪) সফল ব্যক্তিরা যে ১০টি কাজ কখনোই করেন না, ১০৫) সর্বদা স্মরণ রাখুন, ১০৬) চিন্তাশক্তি , ১০৭) স্বাধীনতা, ১০৮) জ্ঞান অর্জন খাদ্য গ্রহণের মতো , ১০৯) দৃঢ় প্রতিজ্ঞ হয়ে চেষ্টা করলে কখনোই বিফল হবেন না, ১১০) বুদ্ধির সংজ্ঞা হলো, প্রতিটি কাজ ভেবে-চিন্তে করা, ১১১) ব্যক্তিত্ব, চেহারা ও ব্যক্তিত্ব , ১১২) সেলডন-এর গবেষণা , ১১৩) ব্যক্তিত্ব ও উচ্চারণ, ১১৪) পোশাক ও ব্যক্তিত্ব, ১১৫) প্রথম দেখায় ব্যক্তিত্বের ছাপ, ১১৬) বিচ্ছিন্নতা ব্যক্তিত্বের বড় শত্রু, ১১৭) ব্যক্তিত্বে জিনগত প্রভাব, ১১৮) অন্তর্মুখী ও বহির্মুখী ব্যক্তিত্ব, ১১৯) মনোমুগ্ধকর ব্যক্তিত্বের ১০ বৈশিষ্ট্য, ১২০) ব্যক্তিত্বের উৎকর্ষতার জন্যে ১০ নির্দেশনা, ১২১) কিভাবে ব্যক্তিত্বের বিকাশ ঘটাবেন? , ১২২) নিজেকে স্মার্ট করতে ৫টি কৌশল, ১২৩) আকর্ষণীয় মানুষ হবার ৬টি পরামর্শ, ১২৪) আত্মশুদ্ধি , ১২৫) হতাশ হবেন না, ১২৬) পাছে লোকে কিছু বলে, ১২৭) সুখ-শান্তি উন্নতি , ১২৮) চাহিদা, ১২৯) খাদ্য, ঘুম ও বিশ্রাম, ১৩০) স্বাস্থ্য ভাল রাখার নিয়ম, ১৩১) টেনশন দূর করতে হলে, ১৩২) শুধু নিজের কথা নয়, অন্যের কথাও ভাবুন, ১৩৩) চাহিদা যত বেশি সুখ তত কম, ১৩৪) সুখী জীবনের জন্য ১৮ টি টিপস, ১৩৫) আত্মবিশ্বাস, আত্ম বিশ্বাসের শক্তি, ১৩৬) অজুহাতের ব্যাধিতে আক্রান্ত ব্যর্থ মানুষ, ১৩৭) দি সেভেন হ্যাবিট অফ হাইলি এ্যা ফেক্টিভ পিপল, ১৩৮) সামাজিক আয়না, ১৩৯) প্রোএ্যাক্টিভিটি, ১৪০) সার্কেল অফ ইনফ্লুয়েন্স, ১৪১) শুরু করুন আজই, ১৪২) আপনার কেন্দ্রবিন্দু কোনটি?, ১৪৩) মাথার দুটি অংশই ব্যবহার করুন, ১৪৪) সময়ের ব্যবস্থাপনা, ১৪৫) ব্যক্তিগত ব্যবস্থাপনা, ১৪৬) গুরুত্বপূর্ণ এবং জরুরি, ১৪৭) পরনির্ভরশীল জীবন, ১৪৮) ছয়টি উপায়ে অন্য মানুষের সাথে আদান-প্রদান, ১৪৯) অধ্যয়ন, ১৫০) পড়াশোনায় ১২ কার্যকর কৌশল, ১৫১) ঘুম থেকে উঠতে ১০-৩-২-১-০ ফর্মুলা, ১৫২) আয়-ব্যয়- টাকা, ১৫৩) অন্যকে খুশি করতে পয়সা খরচ যে কারণে অর্থহীন, ১৫৪) খরচের লাগাম টেনে ধরতে.. ১৫৫) নারী, ১৫৬) সম্পর্ককে সুন্দর রাখতে কিছু “মিথ্যা” বলা জরুরী , ১৫৭) ছেলেদের কোন জিনিস দেখে মেয়েরা? , ১৫৮) স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর কিছু অভ্যাস, ১৫৯) ভুঁড়ি ঠেকাতে ৫টি নিয়ম, ১৬০) যেসব কারণে নারীদের স্বাবলম্বী হওয়া উচতি , ১৬১) বিয়ে-সংসার, ১৬২) সফল বিয়ের তিনটি মন্ত্র, ১৬৩) সুখী হবার দারুণ কিছু মূলমন্ত্র, ১৬৪) কিছু গল্প, ১৬৫) ভালোবাসাহীন সম্পর্ক, ১৬৬) কেন স্পর্শের প্রয়োজন হয় প্রতিদিন, ১৬৭) যে কারণে একা থাকাই আপনার জন্য ভালো, ১৬৮) ব্যবসা, ১৬৯) বিক্রয় বৃদ্ধির কৌশল, ১৭০) যে ৭টা ব্যাপার বিজনেসে করবেন না, ১৭১) স্বাস্থ্য, ১৭২) দুগ্ধজাত খাবারে পুরুষের বন্ধ্যত্ব, ১৭৩) একাকিত্বের বিপদ, ১৭৪) কর্মক্ষম ও প্রফুল্ল রাখতে, ১৭৫) মন ভালো করার উপায়, ১৭৬) যৌন স্বাস্থ্য, ১৭৭) পুরুষদের কেজেল, ১৭৮) মহিলাদের কেজেল, ১৭৯) দক্ষতা , ১৮০) আলসেমি দূর করার সহজ কিছু উপায়, ১৮১) কীভাবে সামলাবেন নিন্দুকদের ?, ১৮২) সুখী হতে চাইলে যা কখনোই করবেন না, ১৮৩) সব ভুলে যাচ্ছেন? স্মৃতিশক্তি চাঙ্গা রাখতে ৫টি টিপস, ১৮৪) বয়সের ভারে বৃদ্ধ না হয়ে বরং কাজের ভারে যুবক থাকার চেষ্টা করো, ১৮৫) নিজেকে কাজের সঙ্গে সম্পক্ত করার তিনটে স্টেপ, ১৮৬) জীবনের লক্ষ্য নির্ধারণে দ্রুত পদ্ধতিগুলো, ১৮৭) প্রতিদান পাওয়ার আশায় কাজ করবেন না, ১৮৮) প্রেম একটি মানসিক রোগ, ১৮৯) সম্পর্ক ভেঙ্গে যাবার পর নিজেকে যেভাবে সামলাবে, ১৯০) সময় সবকিছু বদলে দেয়, ১৯১) সম্পর্ক তৈরির ক্ষেত্রে কমন পাঁচটি ভুল, ১৯২) আত্মবিশ্বাস/মনোবল, ১৯৩) প্যারাসুট অফ হ্যাপিনেস, ১৯৪) বারবার ঘুরে দাঁড়াতে হবে, ১৯৫) আত্মবিশ্বাসহীন মানুষের লক্ষণ, ১৯৬) বাড়াও আত্মবিশ্বাস, বাড়বে সফলতা, ১৯৭) প্রাতিষ্ঠানিক সম্পর্ক শক্তিশালী করার টিপস, ১৯৮) কিভাবে ধরে রাখবে দু'জনের সম্পর্ক, ১৯৯) কিভাবে বুঝবে সম্পর্ক শেষ করতে হবে, ২০০) সম্পর্ক যখন প্রেম-ভালোবাসার, ২০১) যেসব বিষয়ের উপর স¤পর্ক গড়ে ওঠে, ২০২) ভালোবাসার অপর নাম প্রয়োজন, ২০৩) সম্পর্কের গুণগত মান বাড়বে কিভাবে, ২০৪) মস্তিস্ক ঠিক রাখার ৩০ উপায়, ২০৫) মানুষের আচরণের পেছনে একটা কারণ থাকে, ২০৬) কোনো কাজে নিজেকে সম্পক্ত না করেই আমরা নিজ ক্যারিয়ারকে এগিয়ে নিয়ে যাই ২০৭) স্রোতের বিপরীতে চিন্তা করুন, ২০৮) আপনার টাইমজোনে সময় আসবেই, ২০৯) চাইল্ডহুড অ্যামনেসিয়া এবং আমাদের শিক্ষণীয়,