কিভাবে নিজেকে নেতা হিসেবে গড়ে তুলবে!
শিখতে দ্বিধা করো না:
শেখা বলতে যে শুধু বইপত্র পড়েই শিখতে হবে তা না। আমাদের চারপাশের পরিবেশ আর মানুষ থেকে শেখার অনেক কিছুই আছে। একজন যোগ্য নেতা এই সুযোগটির পুরোপুরি সদ্ব্যবহার করে। নেতাকে সর্বদা মনে রাখতে হবে-প্রতিটি মানুষের কাছে শিখার কিছু কিছু আছে। আর তুমি যত বেশি শিখবে, নানারকম অবস্থার সাথে তুমি ততই খাপ খাইয়ে নিতে পারবে। তুমি যত বেশি শিখবে তত ভালোভাবে তুমি মানুষ চিনতে পারবে। তাই নিজেকে একজন নেতা হিসেবে গড়ে তুলতে চাইলে যে কোনো কিছু থেকে শিক্ষা নিতে দ্বিধা করবে না।
মানুষকে বুঝতে চেষ্টা করো:
একজন নেতা হিসেবে তোমাকে অনেক মানুষের সাথে কাজ করতে হবে। তারা হতে পারে তোমার সহকর্মী, হতে পারে তোমার ঊর্ধ্বতন বা অধস্তন কর্মকর্তা। যোগ্য নেতা হয়ে উঠতে চাইলে কারো ভেতরের সুপ্ত ক্ষমতা বুঝতে পারা আর সেই ক্ষমতাকে কাজে লাগানোর জন্য সাহায্য করা জরুরি। যদি মানুষকে বুঝতে চাও তাহলে মানুষের সাথে মেশো, তাদের সাথে কথা বলো, তাদেরকে গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করো।
ক্ষমতার ভারসাম্য রাখো:
কর্মীদের হাতে কিছু ক্ষমতা ছেড়ে দিতে হবে, তারা যদি ভুল করে, তাহলে তাদেরকে দোষী না করে তাদের হাতেই সংশোধন করতে হবে। তুমিই সবজান্তা এমন ভাব পরিহার করতে হবে। তোমার কাছে সব প্রশ্নের উত্তর থাকবে না সুতরাং সবজান্তা সাজতে যাবে না। তোমার টিম সদস্যদের যাদের সঠিক দক্ষতা আছে এবং যারা তোমার কাজের সাথে মানানসই, তাদেরকে কাজের জন্য নির্বাচন করতে হবে এবং তাদেরকে কাজ করার সুযোগ দিয়ে রাস্তা ছেড়ে দিতে হবে। কর্মীদের বেশি টাকা দিলে তারা বেশি কাজ করবে এই ধারণা বাদ দিতে হবে। টাকার চেয়ে কর্মীদেরকে পুরস্কৃত ও স্বীকৃতি দিতে হবে।
একটি জিনিসকে বিভিন্নভাবে যাচাই করো:
একজন নেতার অনেকগুলো গুণের মধ্যে একটি হচ্ছে, একটা জিনিসকে বিভিন্ন দিক থেকে ভাবতে পারা। একটি ঘটনা বিভিন্ন কারণে ঘটতে পারে। তুমি যেটি ভাবছো সেটি কারণ নাও হতে পারে। যখন তুমি একটি ঘটনাকে বিভিন্ন দিক থেকে বিচার করবে তখনই তুমি আসল কারণ বুঝতে পারবে। আর এর মাধ্যমে কারণ আর কার্যকারণ স¤পর্কে ধারণা বাড়বে। তাই নেতা হিসেবে গড়ে উঠতে চাইলে এখন থেকেই সবকিছু ঠাণ্ডা মাথায় পর্যালোচনা করার চর্চা শুরু করে দাও। এতে করে শেখা হবে আর যাচাই করার ক্ষমতাও বাড়বে।
নতুন কিছু করার চেষ্টা করো:
একটু অন্যভাবে চিন্তা করে নতুন কিছু করার চেষ্টা করাটা একজন নেতার বৈশিষ্ট্যকেই ফুটিয়ে তোলে; এতে আরো ভালো ফল পাওয়া যায়। এটা চিন্তা করতে হবে যে, কিভাবে কাজটা করলে আরো ভালো ফল আসবে। একদিন এক শিক্ষক ক্লাসে প্রবেশ করেই বোর্ডে ৫ এর ঘরের নামাতা লিখলেন। যেইখানে প্রথম লাইনটি লিখলেন এইভাবে.... ৫ ী ১ = ৬
লেখা শেষ করে তিনি ছাত্রছাত্রীদের দিকে তাকালেন। দেখলেন, সবাই মিটিমিটি হাসছে। কি যেন বলাবলি করছে। তিনি বললেন,“আমি জানি তোমরা কেন হাসছো, আমি প্রথম লাইন ভুল লিখেছি তোমাদেরকে একটা গুরুত্বপূর্ণ বিষয় শেখানোর জন্য।” ছাত্রছাত্রীরা আগ্রহের সাথে শুনছিল।
শিক্ষক আবার বলা শুরু করলেন, “দেখো, আমি নয়টা লাইন সঠিক লিখেছি। এ জন্য তোমরা আমার প্রশংসা করোনি বা ধন্যবাদ দাওনি, অথচ একটা লাইন ভুল কি লিখেছি, তাই বলে হাসাহাসি করছো, সমালোচনা করছো”। এটাই পৃথিবীর বাস্তবতা। তুমি হাজারটা ভালো কাজ করো কেউ তোমার প্রশংসা করবে না, একটা সামান্য ভুল করে দেখো; পুরো পৃথিবী মাইক নিয়ে নেমে পড়বে তোমার সমালোচনা করার জন্য। অতএব, কে কি বললো এটা কানে নিও না। সমাজে কিছু কিছু মানুষ আছে যারা কিভাবে অন্যের প্রশংসা করতে হয় উৎসাহ দিতে হয়, তারা তা জানেই না। আর এ নিয়ে মন ছোট করে রেখো না। কারণ অন্যের প্রশংসা করার মত এই বিশেষ মহৎ গুণটি তারা পায়নি। মনে রেখো, তুমি নিজেই তোমার সবচেয়ে বড় উপদেষ্টা, তোমার দুনিয়ায় তুমিই সেরা। অন্যের জন্য নিজের জীবনকে ধ্বংস করে দিও না। তুমি যতই ভালো মানুষ হও না কেনো। তোমার ১০০ টা ভালো কাজ থাকলেও তোমার ১ ভুলই সকলের চোখে ধরা পড়বে। আর সেটা নিয়া সমালোচনা করবে। তখন তোমার ভালো দিকগুলো চাপা পড়ে যাবে। এটাই বাস্তবতা। আর হ্যাঁ সদা মনে রাখবে, বাস্তবতাকে হাসি মুখে মেনে নিও, থেমে না গিয়ে সামনে দিকে অগ্রসর হওয়া ব্যক্তিগুলোই আজ বিশ্বে সফল ব্যক্তিত্ব। জীবনে যাই হোক নিরাশ হয়ো না। ভুল ধরার, বকা দেওয়া মানুষের অভাব হবে না, কিন্তু উৎসাহ দেওয়া, পাশে থাকার মত মানুষের অভাব হবে, আর এই সত্য মেনে তোমাকেই তোমার এগিয়ে নিয়ে যেতেই হবে সামনের দিকে।
সাহসী নেতা হও:
সাহস হলো উঠে দাঁড়ানো এবং বলতে পারার সামর্থ্য, সাহস হল অন্যদের কথা শুনতে পারার সামর্থ্যও। নেতৃত্ব দানের বৈশিষ্ট্যগুলোর মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ হলো সাহস থাকা। ভয়ের মুখোমুখী হয়ে তা জয় করার মাধ্যমেই এটি অর্জিত হয়। কেউ সাহস নিয়ে জন্মায় না। অভিজ্ঞতার আলোকেই সাহস তৈরি করে নিতে হয়। যখনই তুমি ভয়কে মোকাবেলা করবে, তখনই আত্মবিশ্বাস আর সাহস বাড়বে। ফলাফল যাই হোক না কেন, ভয়ের কারণে তূমি যা ভাবতে, ব্যাপারটা সেরকম নাও হতে পারে। কথায় বলেÑআহার, নিদ্রা আর ভয়, যত বাড়াও, তত হয়। তুমি যতবেশি ভয়কে প্রশয় দেবে, তা ততই বাড়বে। একসময় দেখবে যে, তোমার ভয় জয় করার আর কোনো সুযোগই নেই হাতে এবং এর ফলে সারা জীবনের আফসোস তৈরি হবে।
সবার সাথে স¤পর্ক রাখো:
পার্টি, কো¤পানি রিট্রিট বা গ্রুপে একসাথে খাবার খাওয়া যে কোনো সংগঠন বা প্রতিষ্ঠানেরই অংশ। কিন্তু নেতাকে এটা দেখতে হয় যে, যাতে সবাই সেখানে আসে এবং কেউ যাতে তাকে অনাকাক্সিক্ষত না ভাবে।
কথা বলার সময় সতর্ক থাকো:
মুখের ভাষার দ্বারা মানুষ আহত হয়, তাই শব্দ নির্বাচনে সতর্ক থাকা উচিত। সব সময় সব কথাই যে খুব চিন্তা করে বলতে হবে এমন নয়, কিন্তু মনে রাখতে হবে, অনেক সময় অনেক খেয়ালী মন্তব্য অথবা হাসি কেউ কেউ অন্যভাবেও নিতে পারে। কেউ যদি বলে কারো কথা বলায় ভুল ছিল, তর্ক না করে তা মেনে নেয়া উচিত, ক্ষমা চাওয়া উচিত এবং একটি আনুষ্ঠানিক অভিযোগ পদ্ধতির ব্যবস্থা করা উচিত যাতে সবাই নির্ভয়ে অভিযোগের কথা বলতে পারে। সবাইকে কথা বলার সুযোগ দেয়া নেতাকেই এটা নিশ্চিত করতে হয় যে, আলোচনা সভায় সবাই যেন কেবল বসে না থাকে বরং কথা বলে। গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন করে অংশগ্রহণ করতে পারে। যদি এমনটি হয় যে আলোচনায় কেবল মাত্র গুটিকয়েক মানুষ অংশ নিতে পারবে, তবে সে আলোচনা অর্থহীন। আজকের যুগে অনেকেই অনলাইন প্রযুক্তির সাহায্যে যোগাযোগ স্থাপন করতে পারে। এটা নেতার দায়িত্ব যাতে সবাই আলোচনা সভায় কিছু বলার সুযোগ পায়।
দক্ষ ও অভিজ্ঞ কর্মী গড়ে তোলো:
ভালো কর্মী ছাড়া লক্ষ্য ও টার্গেট পূরণ সম্ভব নয়। কর্মীরা তাদের সামর্থ্য অনুযায়ী কাজ করবে, কিন্তু নেতার কাজ হলো কিছু কর্মীকে এমনভাবে গড়ে তোলা, যাতে তারা সবাই বেশি করে কাজ করতে পারে এবং লক্ষ্য অর্জন করতে পারে। কিছু কর্মীকে প্রয়োজনে প্রশিক্ষণ দেওয়া, তাদেরকে দেখভাল করা এবং তাদেরকে পর্যাপ্ত সুযোগ দেওয়া দরকার। এমনটা করলে লক্ষ্য পূরণ নিয়ে ভাবতে হবে না।
সমস্যাকে ফেলে না রেখে তৎক্ষণাৎ ব্যবস্থা নাও:
যে সমস্যা দিনের পর দিন বিরাজ করে তা দলের জন্য মারাত্মক ক্ষতির কারণ হতে পারে। পার¯পরিক বিবাদ, কাজ নিয়ে সমস্যা, বিভিন্ন বিভাগের মধ্যে অসহযোগিতাÑ এর সবই কর্মীদের প্রেরণা ও আগ্রহে ভাটা সৃষ্টি করে। তাছাড়া এই বিষয়গুলো কাজে বিঘ্ন সৃষ্টি করে কারণ এই ছোট ছোট সমস্যাগুলো সহজে চলে যায় না বরং তা বড় সমস্যায় রূপ নেয়। আবার কোনো সমস্যাকে উপেক্ষা করলে কর্মীরা তোমার উপর আস্থা হারিয়ে ফেলবে।
সমস্যা এমনি এমনি চলে যায় না বা এমন নয় যে অন্য কেউ এসে সমস্যার সমাধান করে দেবে। সমস্যা যতই ছোট হোক না কেন, তার জন্য তৎক্ষণাৎ ব্যবস্থা নিতে হবে। লিও তলস্তয়-এর একটা গল্প আছেÑ এক ঈগল এক শেয়ালছানা ধরে নিয়ে চললো। শেয়াল মা গভীর দুঃখে অনেক কাকুতি মিনতি করলো। কিন্তু ঈগল তা শুনলো না। সে ভাবল, “অনেক উঁচুতে পাইন গাছে আমার বাসা। শেয়াল আমার কি আর ক্ষতি করতে পারবে? সে আমার নাগালই পাবে না।” এই ভেবে ছানাটিকে নিয়ে চললো। শেয়াল মা দৌড়ে গেল মাঠে, লোকের কাছ থেকে আগুন নিয়ে পাইন গাছে বয়ে আনল। সে গাছে আগুন লাগাতে যাচ্ছে। এমন সময় ঈগল ক্ষমা চেয়ে তাকে তার বাচ্চা ফেরত দিল। এই উপকথা থেকেই তৈরি হয়েছে ফায়ারফক্স নামে ইন্টারনেট ব্রাউজার।
এর মুল কথা হল-একটা পিপঁড়াও একটা সৈনিকের এটেনশন নষ্ট করতে পারে। যদি সে সময় মতো সেটা চেষ্টা করে।
নিজের দুর্বলতাকে ভালোভাবে পরখ করো:
দেখতে হবে তোমার দক্ষতার ক্ষেত্রে কোনো জিনিসটি বাদ গেছে। তুমি যে কাজগুলো ভালোভাবে করছ না তার একটি তালিকা করো। এক এক করে সবগুলোর দিকে নজর দাও এবং প্রতিটি দুর্বলতা দূর করার জন্য যাকিছু তুমি করতে পারো তা লিখে রাখো। প্রতিটি দুর্বলতা কাটিয়ে উঠার জন্য একটি সময় সীমা ঠিক করে নাও।
সমালোচকদের দ্বারস্থ হও:
তোমার ইগোকে কিছু সময়ের জন্য দূরে সরিয়ে রাখো। তোমার পরিচিত যারা ¯পষ্ট ও সত্যবাদী তাদের দ্বারস্থ হও। নিজের পন্থার সাফাই গাওয়া থেকে বিরত থাকতে হবে। মনকে খোলা রাখো এবং নতুন কিছু শেখার মানসিকতা তৈরি করে নাও।
নিজের উৎস কখনো ভুলে যাবে না:
একজন কর্মচারী যখন তোমার সাথে কাজের বাইরে কোনো কিছু নিয়ে কথা বলতে আসে, তখন বুঝবে সে তোমার সাথে কিছু সময় কাটাতেই এসেছে। তুমি যতই শীর্ষে আরোহণ করবে, ততটাই দায়িত্বও বাড়বে। তখন নিজের উৎস ভুলে যাবে না এবং তোমার খ্যাতির সদ্ব্যবহার করতে হবে।
সমঝোতা করতে রাজি থাকো: বলতে গেলে যখন আর কোনো অপশন থাকে না। যখন বোঝা যায় যে সবাই কম বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হবে, তখন একজন নেতা হিসেবে তোমাকে তোমার সামর্থ্য অনুযায়ী ক্রিয়েটিভলি সমঝোতায় আসতে হবে। সমঝোতায় সবার স্বার্থ মাথায় রাখো। কিন্তু শেষ পর্যন্ত কোনো সমাধানে না আসতে পারলে এবং দীর্ঘ সময় ধরে সমাধানের কোনো রাস্তা না পাওয়া গেলে, একসময় আতংক সৃষ্টি করে যা বিপর্যয়ের চেয়ে কোনো অংশে কম নয়। এর ফলে হয়ত সব পক্ষই সীমারেখা অতিক্রম করবে।
যারা ঝামেলা পাকায়, তাদের শোধরাও
দলে কিছু অস্থিরচিত্তের মানুষ থাকে, এরা ডিসিশন নেওয়ার আগে, নেওয়ার পরে সেটা নিয়ে দুশ্চিন্তা করে, চিন্তা নয়। এরপর যখন তার লাফালাফির জন্য কাজে সমস্যা হয় তখন বলে “এটা আমার দোষ নয়!”। কিভাবে কাজটা হবে তাদের বলে দিতে হবে। সময় শেষ হলে, আর কোনো সুযোগ দেয়া যাবে না। আবার কিছু লোক থাকে অতিরিক্ত পণ্ডিত! এরা নিজে থেকে অনেক বেশি বুঝতে চায়। সব সময় ভিন্নভাবে কিছু করার চেষ্টা করে। নিজের কাজের ফলাফল চিন্তা না করেই একটা কাজ করে বসে। এদের “কাস্টমার অ্যাডভোকেট” হিসেবে নিয়োগ দাও। ক্রেতা বা জনতা যা চায় তা যাতে তাদের কাছে পৌঁছায় সেই ব্যবস্থা তারা করবে।
আবার কিছু কর্মী থাকে অত্যন্ত রাগী। এরা নিজেদের মনমতো কাজ না হলে বা সঠিকভাবে না হলে চিল্লাচিল্লি করে। মিটিংয়ে, টেলিফোনে, মুখের উপর চিৎকার করে। পরে মাফ চাইলেও, সবাই তার কারণে খুব তটস্থ থাকে। এ ক্ষেত্রে তোমার গলার জোর বাড়াও, এদের বুঝিয়ে দিতে হবে যে, কোনো অপেশাদারী আচরণ বরদাশত করা হবে না। আর কিছু লোক থাকে যারা ফাঁকিবাজ! কাজ নেওয়ার সময় বলে দিলেও ঠিকমত শেষ করতে পারে না। ডেডলাইনের শেষের দিকে তাকে খুঁজে পাওয়া যায় না। এদের সব কাজে উপর নজর রাখতে হবে। প্রতিটা ধাপের জন্য জবাব দিতে হলে, এই অভ্যাস ছুটে যাবে।
দলে মধ্যে কিছু পাবে অত্যন্ত সৃষ্টিশীল! নিজের কাছে তারা মহা আবিষ্কারক! কিন্তু তারা অতীতের কাজ আর ভবিষ্যতের কল্পনায় এতোটাই বিভোর থাকে যে, বর্তমানে কোনো কাজই করে না। এদের প্রশংসা করতে হবে এরপর তাকে একটা প্রজেক্ট ভাগ করে দিয়ে আলাদাভাবে কাজ করতে বলতে হবে।
‘কিছু প্রতিজ্ঞা’ তোমাকে আরও বেশি উদ্দীপ্ত হতে সাহায্য করবে
সৃজনশীলতা: প্রতিজ্ঞা করো আজ নতুন এবং ভিন্নধর্মী কিছু করে পৃথিবীকে আরও সুন্দর করার।
নমনীয়তা: প্রতিজ্ঞা করো আজ আরও শক্তিশালী হতে হবে যাতে অধ্যাবসায় ও নমনীয়তা দিয়ে সকল বাধা দূর করা যায়।
চিত্তবিনোদন: দিনে কমপক্ষে এক ঘণ্টা নিজেকে আনন্দ দেবার জন্য কিছু করা চাই।
সুখানুভব: এই মুহূর্তে যাই হোক না কেন তাই করা উচিত যা ভালো থাকতে সাহায্য করে।
স্বাস্থ্য: সুস্বাস্থ্যের জন্য কিছু করতে হবে যাতে গতকাল বা তার আগের দিনের চেয়ে একটু বেশি ভালো থাকা যায়।
চাঞ্চল্য: দিনে একবারের জন্য হলেও ভিতরের শিশুটাকে জাগিয়ে তোলা দরকার।
কৃতজ্ঞতা: যে কোনো ছোটখাটো ঘটনায় পরিবার, বন্ধু, সর্বোপরি সবার কাছে কৃতজ্ঞতা জানানোর প্রতিজ্ঞা করো।
সূচিপত্র
১) ছোটদের সাথে আমাদের আচরণ ২) পরিবার ও সন্তান, সুপার পাওয়ার যেভাবে তৈরি হয়, ৩) দীর্ঘস্থায়ী ভয়ের উৎপত্তির মূলে শৈশবকালে ঘটে যাওয়া ঘটনার প্রভাব , ৪) সন্তানের উৎসাহ এবং উদ্দীপনা বাড়ানো, ৫) আপনার শিশুটি ঘুমুক শান্তিতে এবং নির্ভরতায় , ৬) কিছু অব্যর্থ টিপস, যা আপনার শিশুকে পড়াশোনায় আগ্রহী করে তুলবে, ৭) শিশুকে কিভাবে বড় করবেন, ৮) বাচ্চাদের মস্তিষ্ক বিকাশে কী করবেন? ৯) বাচ্চাদের বুদ্ধি বিকাশের অন্যতম পথ, দৌড়, ১০) বাচ্চাকে কখনো আড়ালে লুকিয়ে খেতে দেবেন না, ১১) পিটার সিংগারের দর্শন, ১২) দুষ্টু শিশুরা তাড়াতাড়ি শেখে, ১৩) সন্তানকে যতই শাস্তি দেবেন ততই সে অসামাজিক হবে, ১৪) বাবা-মাই সন্তানকে নির্যাতন করেন সবচেয়ে বেশি , ১৫) সন্তানের সাথে কিভাবে গড়ে তুলবেন নিবিড় বন্ধন, ১৬) যে ১১টি কথা শিশুকে কখনোই বলবেন না!, ১৭) শিশুকে গল্প শোনান প্রতিদিন, ১৮) সন্তানের আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধির ১০টি কৌশল, ১৯) সৃজনশীলতা হচ্ছে নতুন কিছু করার যোগ্যতা, ২০) যারা মুখস্থ করতে পারেন না, ২১) তারা মেধাবী, মেধাবী হওয়ার উপায়,
২২) কথা ও ভাষা, ২৩) এলিভেটর পিচ, ২৪) সুন্দর করে কথা বলে সমস্যা জয়ের কৌশল, ২৫) ফোনে কথা বলার আদবকেতা, ২৬) ১২টি কর্ম বিধান, ২৭) ভালোবাসার অপর নাম প্রয়োজন, ২৮) আলতু-ফালতু কাজে সময় অপচয় করে স্বপ্ন পূরণের কল্পনা, ২৯) স্ট্রেস ম্যানেজমেন্ট, ৩০) চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিন পিং-এর জীবন থেকে শিক্ষা, ৩১) অভিজ্ঞতা ও অতীত থেকে শিক্ষা গ্রহণ, ৩২) বর্তমানকে সবচেয়ে বেশি মূল্য দিন, ৩৩) ২৪ ঘণ্টা কেউ সুখী হয় না, ৩৪) কিছু অভ্যাস যা আপনাকে আরও সুখী করবে , ৩৫) আপনার অবয়ব , ৩৬) সফলতার 25টি হট কৌশল-1, ৩৭) সাফল্যের 25টি হট কৌশল-2, ৩৮) সফলতার 55 সূত্র, ৩৯) কিভাবে নিজেকে নেতা হিসেবে গড়ে তুলবে, ৪০) সময় ব্যবস্থাপনা, ৪১) সময় ব্যবস্থাপনার তিনটি ধাপ, ৪২) সময়কে যথাযথভাবে কাজে লাগানোর উপায়গুলো, ৪৩) সাফল্য, ড. কোভের ইমোশনাল একাউন্ট কনসেপ্ট, ৪৪) সবচে বড় ইমোশনাল একাউন্ট, ৪৫) আপনার ইমোশনাল একাউন্ট, ৪৬) বুদ্ধি ও বিবেচনাবোধ বর্জিত কর্মফল বিপজ্জনক, ৪৭) অন্যদের দিয়ে আপনার কাজ করান কিন্তু সম্মান আপনি অর্জন করুন, ৪৮) অন্য লোকেরা আপনার কাছে আসুক দরকার হলে টোপ দিন, ৪৯) অসুখী এবং ভাগ্যহীনদের বর্জন করুন, ৫০) লোককে আপনার ওপর নির্ভরশীল করুন , ৫১) নেওয়ার পূর্বে দেওয়া অন্য বক্তির স্বার্থ বুঝুন, ৫২) শত্রুকে খাটো করে দেখবেন না, ৫৩) নিজেকে রক্ষা করার জন্য চারিদিকে দুর্গ নির্মাণ করবেন না, ৫৪) কারোর পক্ষ অবলম্বন করে বসে থাকবেন না, ৫৫) আপনার শক্তিসমূহকে সংহত করুন, ৫৫) নিজের ভুলগুলোকে লুকিয়ে রাখুন, ৫৬) শুধু সাহসের জোরে নয়, পরিণতিও বিবেচনায় রাখুন, ৫৭) প্রতিটি মানুষের গোপন ইচ্ছা খুঁজে বের করুন, ৫৮) রাগ বিপজ্জনক ও অভদ্রতা, ৫৯) কোনো দলকে ধরার জন্য দলপতিকে প্রথমে ধরুন, ৬০) নিজেকে গুরুত্বপূর্ণ মনে করুন, গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবেন, ৬০) পরিবেশ সামলাতে শিখুন, ৬১) প্রথম শ্রেণির মানুষ হয়ে উঠুন, ৬২) আপনার সামাজিক পরিবেশ ‘প্রথম শ্রেণি’র করে তোলার উপায়, ৬৩) ‘সস্তার তিন অবস্থা’ প্রধম শ্রেণিভুক্ত হয়ে উঠুন , ৬৪) যত বেশি বন্ধুত্ব তত বেশি উপরে ওঠার সম্ভাবনা, ৬৫) সাহস করে কাজটা শুরু করুন, ৬৬) সাফল্য মানে বারবার ভিন্নভাবে চেষ্টা করা, ৬৭) ১- ১০ ভাল অভ্যাস, ১১- ২০ ভাল অভ্যাস, ২১- ৩০ ভাল অভ্যাস, ৩১- ৪০ ভাল অভ্যাস, ৪১- ৫০ ভাল অভ্যাস, ৫১- ৬০ ভাল অভ্যাস, ৬১- ৭০ ভাল অভ্যাস, ৭১- ৮০ ভাল অভ্যাস, ৮১- ৯০ ভাল অভ্যাস, ৯১- ১০২ ভাল অভ্যাস, ৬৮) জিরো থেকে হিরো, ৬৯) সৃজনশীলদের সফলতার ৭ সূত্র, ৬৯) জীবনে পরিবর্তন আনুন ৪৮টি উপায়ে, ৭০) জীবন-যাপন, ৭১) জাপানী ও চিন লাইফ স্টাইল , ৭২) ৩০টি দর্শন, যা আপনার জীবনে কাজে লাগবে, ৭৩) সম্পর্ক তৈরি করা, বন্ধুত্ব, ৭৪) যে আচরণগুলো মানুষের মনের কথা জানাবে, ৭৫) কথা বলার সূত্র, ৭৬) আপনি ও আপনার ব্যবহার, ৭৭) নিজেকে সঠিকভাবে উপস্থাপন করা, ৭৮) কথা বলার কতিপয় গুরুত্বপূর্ণ নিয়ম, ৭৯) কিভাবে নিজেকে বিনয়ী হিসেবে উপস্থাপন করবেন, ৮০) কিভাবে বুদ্ধিদীপ্ত কথা বলবেন, ৮১) কথা বলার ৫টি বিস্ময়কর টেকনিক, ৮২) কিভাবে মানুষকে আকৃষ্ট করবেন? ৮৩) অকারণে সময় নষ্ট? মেল রবিনের ৫ সেকেন্ড রুল, ৮৪) কর্পোরেট আদবকেতা, ৮৫) ৩৫টি কর্পোরেট কালচার ও আপনার করণীয়, ৮৬) যা না জানলে লজ্জায় পড়তে হয় , ৮৭) কাজের সময়ে যে বিষয়গুলো একেবারেই করা উচিৎ না , ৮৮) ক্যারিয়ারে সাফল্য পেতে ছুড়ে ফেলুন ৭টি দোষ, ৮৯) আকাক্সক্ষা, ইচ্ছে বা স্বপ্ন,
৯০) বক্তৃতা প্রশিক্ষণ, কাজ কিভাবে করবেন? ৯১) আত্মশক্তিতে বলিয়ান হতে, ৯২) একনাগাড়ে চলবেন না, ৯৩) মারফিস ’ল , কাজের রোডম্যাপ তেরি , ৯৪) জব স্যাটিসফেকশন, ৯৫) কাজে সফলতার সূত্রাবলী, ৯৬) যেভাবে জীবনযাপন করবেন, ৯৭) পরিণত বুদ্ধির মানুষেরা যে কাজগুলো কখনোই করেন না, ৯৮) জীবনে দক্ষতা অর্জনের কার্যকর ১২টি উপায়, ৯৯) সঠিক লক্ষ্য নির্ধারণ ও কাজ করার উপায় , ১০০) সফলতা ও সার্থকতা, ১০১) জীবনের ছোট ছোট প্রাপ্তিগুলোকে উপভোগ করা, ১০২) সফলতার কিছু পদ্ধতি, ১০৩) সফল হতে চাইলে যে ৮ টি জিনিস বাদ দেয়া প্রয়োজন, ১০৪) সফল ব্যক্তিরা যে ১০টি কাজ কখনোই করেন না, ১০৫) সর্বদা স্মরণ রাখুন, ১০৬) চিন্তাশক্তি , ১০৭) স্বাধীনতা, ১০৮) জ্ঞান অর্জন খাদ্য গ্রহণের মতো , ১০৯) দৃঢ় প্রতিজ্ঞ হয়ে চেষ্টা করলে কখনোই বিফল হবেন না, ১১০) বুদ্ধির সংজ্ঞা হলো, প্রতিটি কাজ ভেবে-চিন্তে করা, ১১১) ব্যক্তিত্ব, চেহারা ও ব্যক্তিত্ব , ১১২) সেলডন-এর গবেষণা , ১১৩) ব্যক্তিত্ব ও উচ্চারণ, ১১৪) পোশাক ও ব্যক্তিত্ব, ১১৫) প্রথম দেখায় ব্যক্তিত্বের ছাপ, ১১৬) বিচ্ছিন্নতা ব্যক্তিত্বের বড় শত্রু, ১১৭) ব্যক্তিত্বে জিনগত প্রভাব, ১১৮) অন্তর্মুখী ও বহির্মুখী ব্যক্তিত্ব, ১১৯) মনোমুগ্ধকর ব্যক্তিত্বের ১০ বৈশিষ্ট্য, ১২০) ব্যক্তিত্বের উৎকর্ষতার জন্যে ১০ নির্দেশনা, ১২১) কিভাবে ব্যক্তিত্বের বিকাশ ঘটাবেন? , ১২২) নিজেকে স্মার্ট করতে ৫টি কৌশল, ১২৩) আকর্ষণীয় মানুষ হবার ৬টি পরামর্শ, ১২৪) আত্মশুদ্ধি , ১২৫) হতাশ হবেন না, ১২৬) পাছে লোকে কিছু বলে, ১২৭) সুখ-শান্তি উন্নতি , ১২৮) চাহিদা, ১২৯) খাদ্য, ঘুম ও বিশ্রাম, ১৩০) স্বাস্থ্য ভাল রাখার নিয়ম, ১৩১) টেনশন দূর করতে হলে, ১৩২) শুধু নিজের কথা নয়, অন্যের কথাও ভাবুন, ১৩৩) চাহিদা যত বেশি সুখ তত কম, ১৩৪) সুখী জীবনের জন্য ১৮ টি টিপস, ১৩৫) আত্মবিশ্বাস, আত্ম বিশ্বাসের শক্তি, ১৩৬) অজুহাতের ব্যাধিতে আক্রান্ত ব্যর্থ মানুষ, ১৩৭) দি সেভেন হ্যাবিট অফ হাইলি এ্যা ফেক্টিভ পিপল, ১৩৮) সামাজিক আয়না, ১৩৯) প্রোএ্যাক্টিভিটি, ১৪০) সার্কেল অফ ইনফ্লুয়েন্স, ১৪১) শুরু করুন আজই, ১৪২) আপনার কেন্দ্রবিন্দু কোনটি?, ১৪৩) মাথার দুটি অংশই ব্যবহার করুন, ১৪৪) সময়ের ব্যবস্থাপনা, ১৪৫) ব্যক্তিগত ব্যবস্থাপনা, ১৪৬) গুরুত্বপূর্ণ এবং জরুরি, ১৪৭) পরনির্ভরশীল জীবন, ১৪৮) ছয়টি উপায়ে অন্য মানুষের সাথে আদান-প্রদান, ১৪৯) অধ্যয়ন, ১৫০) পড়াশোনায় ১২ কার্যকর কৌশল, ১৫১) ঘুম থেকে উঠতে ১০-৩-২-১-০ ফর্মুলা, ১৫২) আয়-ব্যয়- টাকা, ১৫৩) অন্যকে খুশি করতে পয়সা খরচ যে কারণে অর্থহীন, ১৫৪) খরচের লাগাম টেনে ধরতে.. ১৫৫) নারী, ১৫৬) সম্পর্ককে সুন্দর রাখতে কিছু “মিথ্যা” বলা জরুরী , ১৫৭) ছেলেদের কোন জিনিস দেখে মেয়েরা? , ১৫৮) স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর কিছু অভ্যাস, ১৫৯) ভুঁড়ি ঠেকাতে ৫টি নিয়ম, ১৬০) যেসব কারণে নারীদের স্বাবলম্বী হওয়া উচতি , ১৬১) বিয়ে-সংসার, ১৬২) সফল বিয়ের তিনটি মন্ত্র, ১৬৩) সুখী হবার দারুণ কিছু মূলমন্ত্র, ১৬৪) কিছু গল্প, ১৬৫) ভালোবাসাহীন সম্পর্ক, ১৬৬) কেন স্পর্শের প্রয়োজন হয় প্রতিদিন, ১৬৭) যে কারণে একা থাকাই আপনার জন্য ভালো, ১৬৮) ব্যবসা, ১৬৯) বিক্রয় বৃদ্ধির কৌশল, ১৭০) যে ৭টা ব্যাপার বিজনেসে করবেন না, ১৭১) স্বাস্থ্য, ১৭২) দুগ্ধজাত খাবারে পুরুষের বন্ধ্যত্ব, ১৭৩) একাকিত্বের বিপদ, ১৭৪) কর্মক্ষম ও প্রফুল্ল রাখতে, ১৭৫) মন ভালো করার উপায়, ১৭৬) যৌন স্বাস্থ্য, ১৭৭) পুরুষদের কেজেল, ১৭৮) মহিলাদের কেজেল, ১৭৯) দক্ষতা , ১৮০) আলসেমি দূর করার সহজ কিছু উপায়, ১৮১) কীভাবে সামলাবেন নিন্দুকদের ?, ১৮২) সুখী হতে চাইলে যা কখনোই করবেন না, ১৮৩) সব ভুলে যাচ্ছেন? স্মৃতিশক্তি চাঙ্গা রাখতে ৫টি টিপস, ১৮৪) বয়সের ভারে বৃদ্ধ না হয়ে বরং কাজের ভারে যুবক থাকার চেষ্টা করো, ১৮৫) নিজেকে কাজের সঙ্গে সম্পক্ত করার তিনটে স্টেপ, ১৮৬) জীবনের লক্ষ্য নির্ধারণে দ্রুত পদ্ধতিগুলো, ১৮৭) প্রতিদান পাওয়ার আশায় কাজ করবেন না, ১৮৮) প্রেম একটি মানসিক রোগ, ১৮৯) সম্পর্ক ভেঙ্গে যাবার পর নিজেকে যেভাবে সামলাবে, ১৯০) সময় সবকিছু বদলে দেয়, ১৯১) সম্পর্ক তৈরির ক্ষেত্রে কমন পাঁচটি ভুল, ১৯২) আত্মবিশ্বাস/মনোবল, ১৯৩) প্যারাসুট অফ হ্যাপিনেস, ১৯৪) বারবার ঘুরে দাঁড়াতে হবে, ১৯৫) আত্মবিশ্বাসহীন মানুষের লক্ষণ, ১৯৬) বাড়াও আত্মবিশ্বাস, বাড়বে সফলতা, ১৯৭) প্রাতিষ্ঠানিক সম্পর্ক শক্তিশালী করার টিপস, ১৯৮) কিভাবে ধরে রাখবে দু'জনের সম্পর্ক, ১৯৯) কিভাবে বুঝবে সম্পর্ক শেষ করতে হবে, ২০০) সম্পর্ক যখন প্রেম-ভালোবাসার, ২০১) যেসব বিষয়ের উপর স¤পর্ক গড়ে ওঠে, ২০২) ভালোবাসার অপর নাম প্রয়োজন, ২০৩) সম্পর্কের গুণগত মান বাড়বে কিভাবে, ২০৪) মস্তিস্ক ঠিক রাখার ৩০ উপায়, ২০৫) মানুষের আচরণের পেছনে একটা কারণ থাকে, ২০৬) কোনো কাজে নিজেকে সম্পক্ত না করেই আমরা নিজ ক্যারিয়ারকে এগিয়ে নিয়ে যাই ২০৭) স্রোতের বিপরীতে চিন্তা করুন, ২০৮) আপনার টাইমজোনে সময় আসবেই, ২০৯) চাইল্ডহুড অ্যামনেসিয়া এবং আমাদের শিক্ষণীয়,