অভ্যাস ৫১ সবকিছু মাঝে মাঝে অন্যরকম করে করতে হবে
একদিন সকালে ঘুম থেকে উঠে বাঁ হাত দিয়ে দাঁত মাজার চেষ্টা করা, ক¤িপউটার মাউস বাঁ হাত দিয়ে ধর্,াখাবারগুলো একটু অন্যরকম করে সাজান্মো, বাড়ি ফিরতে গিয়ে অন্য রাস্তা দিয়ে বাড়িতে আসা, হাঁটতে গিয়ে পথ হারিয়ে ফেলা-এসব ইচ্ছাকৃতভাবে করা উচিত। তাতে আমাদের ব্রেনের সেলগুলো সক্রিয় হয়ে ওঠে।
অভ্যাস ৫২ অন্য মানুষের অনুরোধ আপাতত জমানো থাক
পৃথিবীর সকল মানুষের কাছেই আপনি সমানভাবে ভালো হতে পারবেন না। প্রত্যেক মানুষের প্রয়োজন এবং অনুরোধ আপনার একার পূরণ করার কোনো দরকার নেই। ভদ্রভাবে, শান্তভাবে এবং কৌশলে এড়ানোর চেষ্টা করুন। অবশ্যই আপনি অন্যদের, পরিবারের সদস্যদের, বন্ধুদের, সহকর্মীদের এবং প্রতিবেশীদের সাহায্য করবেন। কিন্তু আপনাকে সমতা বজায় রাখা শিখতে হবে। আপনাকে জানতে হবে যে, কখন আপনি তার অনুরূধ গ্রহণ করবেন এবং কখন বর্জন করবেন।
অভ্যাস ৫৩ স্থায়ী ভালবাসায় বিনিয়োগ করুন
ভালোবাসা দুই ধরনের । ক্ষণস্থায়ী ভালোবাসা এবং স্থায়ী ভালোবাসা। ক্ষণস্থায়ী ভালবাসা কোনো মোহ, প্রয়োজন, আবেগ, যৌনতা এমনকি কাউকে পাওয়ার আকাক্সক্ষা হতে পারে। মাঝে মাঝেই এমন হতে পারে যে কোনো বস্তু কিংবা কোনো মানুষকে দেখে তাদের আপন করার তীব্র আকাক্সক্ষা ধরা দিতে পারে। এক্ষেত্রে অনুভূতি খুব প্রখর হয় কিন্তু এটা খুব বেশিদিন স্থায়ী হয় না। হাজার চেষ্টা করলেও আপনি এমন অনুভূতিকে ধরে রাখতে পারবেন না। এ মুহূর্তগুলো আপনাকে কিছু সময়ের জন্য পাগল করে তোলে কিন্তু স্থায়ী ভালবাসা এর মধ্যে নিহিত নেই। কাউকে দেখে পাগল হয়ে কাছে গেলেন, মিশে গেলেন, কিন্তু পরে দেখবেন ক্রাশ।
স্থায়ী ভালোবাসা বাবা-মা, সঙ্গী, সহকর্মী কিংবা কোনো বন্ধুর সঙ্গে হতে পারে। এমন সম্পর্ক সারা জীবনের জন্য সঞ্চয় হিসেবে কাজ করবে।এজন্য দেখা যায়, মানুষের খুব কাছের বন্ধু মাত্র কয়েকজন হয়। তাই ক্ষণস্থায়ী সকল মোহ থেকে বের হয়ে স্থায়ী ভালোবাসার বিনিয়োগ শুরু করুন। যে সম্পর্কগুলো আপনার জীবনে দামী, সেগুলোতে সময় ও বিনিয়োগ বাড়ান।
অভ্যাস ৫৪ নিজের স্বাস্থ্যকে সম্পদ হিসেবে ভাবা শুরু করুন
অর্থ-সম্পদের ব্যাপার হচ্ছে এমন যে, আপনি কষ্ট করে উপার্জন করলেও হারিয়ে ফেলতে পারেন কোন দুর্ঘটনায়। আপনি আবারো অর্থ উপার্জন করতে পারবেন। কিন্তু আপনার যদি শরীরে ক্ষতি হয়, তখন কি আপনি কোনভাবেই এটি ফেরত পাবেন না। সেজন্যেই জীবনের যে অবস্থাই থাকুন না কেন, নিজের স্বাস্থের খেয়াল রাখতে হবে সভার আগে। প্রতিদিন হাঁটার অভ্যাস তৈরি করুন। আপনি নিজেকে সুস্বাস্থ্যের অধিকারী ভাবতে পারেন অন্তত আপনার যদি- ১. প্রতি রাতে ভালো ঘুম হয়; ২. খাবারের প্রতি অনীহা না থাকে; ৩. শরীরে ক্লান্তি ও ব্যথা না থাকে; ৪. চাপ ও হতাশায় না ভোগেন এবং ৫. কাজকর্মে উদ্যম পান।
অভ্যাস ৫৫ 'অপরকে ক্ষমা করতে শিখুন'
শুধু শুধু মন খারাপ করে, রাগ পুষে রাখলে কিংবা হিংসা করলে কখনোই ভালো অনুভব করবেন না আপনি। যারা আপনাকে কষ্ট দিয়েছে কিংবা নীচু চোখে দেখেছে তাদের সবাইকে ক্ষমা করে দেওয়া ইতিবাচক মানসিকতার লক্ষন। তাদের ক্ষমা করে আপনি নিজের বানানো কারাগার থেকে নিজেকে মুক্ত করে দিলেন। অন্যকে ক্ষমা করলে আপনি নিজের জন্যই একটি দারুণ পৃথিবী তৈরি করে নিতে পারবেন।
কারো উপর রাগ করা দোষের কোন কিছু। কিন্তু অন্যকে ক্ষমা করে আপনি এটাই প্রমান করছেন যে, 'আমি আমার আবেগ-অনুভূতি, এনার্জি, মেধা কোনভাবেই তোমার মতন মানুষের জন্য নষ্ট করতে চাচ্ছি না'।
অভ্যাস ৫৬ 'কোন সংগঠনের অন্তর্ভূক্ত হন'
এ পৃথিবীতে আপনার সময় খুবই সংক্ষিপ্ত। সুতরাং এ সময়টুকু আপনি যাকে পছন্দ করেন, ভালোবাসেন এবং যে আপনাকে যত্ন করেন তার সঙ্গেই কাটানোর চেষ্টা করুন। যে মানুষগুলো আপনাকে উপরে উঠতে সাহায্য করবে এবং খুশি রাখতে পারবে, মুল্যবান সময়গুলো তাদেরই উপহার দিন।আপনার জীবন নিয়ে কাদের সঙ্গে কাটান সেগুলো নিয়ে এক মুহূর্ত চিন্তা করুন। কোন সংগঠনের অন্তর্ভূক্ত হওয়া আপনাকে বন্ধু বানাতে এবং তাদের সাথে পারস্পরিক সম্পর্ক রাখতে সাহায্য করে। জীবনের আলাদা একটা অর্থ তৈরি হয় এতে। আপনি, আমি সবাই কোথাও না কোথাও থেকে এসেছি দিন শেষে আমরা কিন্তু একা । একটা গ্রুপের সঙ্গে মিলেমিশে থাকলে বেচে থাকার সার্থকতা বোধগম্য হবে আপনার। আপনি যদি অন্তর্মুখীও হন, তাহলেও এ জায়গাটিই আপনার আপন মনে হবে বেশি।
*এ সংগঠনের সদস্য হয়ে আমি কি উপকার পাচ্ছি বা সংগঠনে কি দিতে পারছি? এখানে জড়িত হওয়া কি আমার জন্য সুবিধার হবে?
*এ সংগঠনের সদস্য হলে কি কি ক্ষতি হবে আমার? এটা কি আমাকে কোনভাবে পেছনে আটকে রাখছে? ইত্যাদি চিন্তা করে ইতিবাচক মনে হলে লেগে পড়ুন।
অভ্যাস ৫৭ 'আত্মবিশ্বাস সঞ্চয় করুন'
অন্য কারো ছোটখাটো কথা শুনে নিজের আÍবিশ্বাস কমানোর কোন দরকার নেই। আÍবিশ্বাসী মানুষেরা জানেন যে মাঝে মাঝে তারা আÍবিশ্বাস হারিয়ে ফেলেন। নতুন নতুন অবস্থান এবং চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হওয়া কঠিন হতে পারে কিন্তু অসম্ভব নয়। পৃথিবীতে কেউই সমপূর্ণ নয়। সবার কাছেই সব কিছুর উত্তর নেই।
আপনি যদি আÍবিশ্বাসী হয়ে সকলের সামনে যান তবে মানুষ আপনার সঙ্গে বেশি যোগাযোগ করবে, কথা বলবে ও মিশবে। আÍবিশ্বাস কিন্তু ছোঁয়াচেও বটে! আপনি যদি যথেষ্ট আÍবিশ্বাসী থাকেন তবে আপনার আশেপাশের মানুষের মধ্যেও সেটি ছড়িয়ে যাবে।
জগতের সামনে দাঁড়িয়ে প্রকাশিত হতে কোন ভয় পাবেন না। পৃথিবীর সবচেয়ে আÍবিশ্বাসী মানুষও কিন্তু মাঝে মাঝে ভীত অনুভব করেন, মনে রাখবেন।
অভ্যাস ৫৮ 'যেখানে বাহবা দেওয়ার সেখানে তা-ই করুন'
মানুষ মাত্রই মূল্য, ভালোবাসা ও নির্ভরতা পাবার আশা রাখে। এজন্যই আশেপাশের মানুষগুলোকে প্রতিনিয়ত ধন্যবাদ দেওয়া ও তাদের কাজকে প্রশংসা করা খুব গুরুত্বপূর্ণ। দুইভাবে আপনি কাউকে বাহবা দিতে পারেন। তা হলোঃ ব্যক্তিগতভাবে ও জনসম্মুখে। তবে যাই করেন না কেন ধন্যবাদ ও বাহবা দেওয়াটাই হলো মূখ্য। মনে রাখবেন, একটি ছোট্ট ধন্যবাদের কিন্তু অনেক শক্তি রয়েছে। কিছু মানুষের 'ধন্যবাদ' একটু বেশিই দরকার কারণ এটি তাদের ব্যক্তিত্ব ও বেড়ে ওঠার সঙ্গে সংযুক্ত থাকে। এটিকে দৈনিক অভ্যাসে পরিণত করুন। *আপনার কোন সহকর্মীকে কোন কাজের জন্য ধন্যবাদ জানান *আপনার সঙ্গীকে চকোলেট উপহার দিয়ে বা কফি খাইয়ে ধন্যবাদ জানান আপনি যদি কোন কারণে যথাসময়ে ধন্যবাদ জ্ঞাপণ করতে ভুলেও যান তবে ক্ষমা প্রার্থনা করুন। এভাবে আপনার প্রতি মানুষের নির্ভরশীলতা বাড়বে এবং আপনি হয়ে উঠবেন সকলের চোখে অনন্য।
অভ্যাস ৫৯ 'মানুষের সঙ্গে সম্পর্ক বাড়ান'
মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ ও সম্পর্ক বৃদ্ধি করা ছাড়া আপনি কখনোই সফলতা অর্জন করতে পারবেন না। একে অপরের সাথে বোঝাপড়া এবং খাপ খাওয়ানোর জন্য মানুষের সঙ্গে মেশার দরকার আছে। মানুষ আপনাকে চিনবে, জানবে, আপনার সঙ্গে কাজ করবে এবং আপনাকে বিশ্বাস করবে, তবেই আপনি সফলতা অর্জন করতে পারবেন। এজন্য আপনার সঙ্গে অনেকজন মানুষের স্বচ্ছন্দ হওয়াটা খুব জরুরী।
নারীরা পুরুষের চাইতে যোগাযোগ তৈরিতে অধিক পটু। তবে আপনি গণহারে সকলের সঙ্গে সম্পর্ক স্থাপন করতে পারবেন না, হয়তো চাইবেনও না।স্বার্থপর, আত্মনিমগ্ন এবং বিরক্তিকর মানুষ এড়িয়ে চলুন। তবে আপনি যে তাকে এড়িয়ে চলছেন এটি প্রকাশ করারও কোন দরকার নেই।
যার সঙ্গে মিশছেন তার চিন্তাধারা, লক্ষ্য, বিশ্বাস কিছুদিন পর্যবেক্ষণ করুন। তাহলে বুঝতে পারবেন কোথায় আপনাদের মিল রয়েছে এবং কোথায় অমিল। শুধুমাত্র অপরের খুশির জন্য নিজেকে বিলিয়ে দেওয়ার কোন মানে নেই!
অভ্যাস ৬০ ছোটখাটো মুহূর্তগুলো উপভোগ করা শিখুন
একটু থামুন এবং চারপাশে চোখ বুলান। কি হচ্ছে খেয়াল করার চেষ্টা করুন। গতকাল কি হয়েছে এবং আগামীকাল কি হবে এসব ভেবে চিন্তায় মগ্ন হয়ে যাবেন না। আপোষ করার মানসিকতা তৈরি করতে শিখুন। সেটি আপনার স¤পর্কের জন্যেই উপকারী হবে।
সূচিপত্র
১) ছোটদের সাথে আমাদের আচরণ ২) পরিবার ও সন্তান, সুপার পাওয়ার যেভাবে তৈরি হয়, ৩) দীর্ঘস্থায়ী ভয়ের উৎপত্তির মূলে শৈশবকালে ঘটে যাওয়া ঘটনার প্রভাব , ৪) সন্তানের উৎসাহ এবং উদ্দীপনা বাড়ানো, ৫) আপনার শিশুটি ঘুমুক শান্তিতে এবং নির্ভরতায় , ৬) কিছু অব্যর্থ টিপস, যা আপনার শিশুকে পড়াশোনায় আগ্রহী করে তুলবে, ৭) শিশুকে কিভাবে বড় করবেন, ৮) বাচ্চাদের মস্তিষ্ক বিকাশে কী করবেন? ৯) বাচ্চাদের বুদ্ধি বিকাশের অন্যতম পথ, দৌড়, ১০) বাচ্চাকে কখনো আড়ালে লুকিয়ে খেতে দেবেন না, ১১) পিটার সিংগারের দর্শন, ১২) দুষ্টু শিশুরা তাড়াতাড়ি শেখে, ১৩) সন্তানকে যতই শাস্তি দেবেন ততই সে অসামাজিক হবে, ১৪) বাবা-মাই সন্তানকে নির্যাতন করেন সবচেয়ে বেশি , ১৫) সন্তানের সাথে কিভাবে গড়ে তুলবেন নিবিড় বন্ধন, ১৬) যে ১১টি কথা শিশুকে কখনোই বলবেন না!, ১৭) শিশুকে গল্প শোনান প্রতিদিন, ১৮) সন্তানের আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধির ১০টি কৌশল, ১৯) সৃজনশীলতা হচ্ছে নতুন কিছু করার যোগ্যতা, ২০) যারা মুখস্থ করতে পারেন না, ২১) তারা মেধাবী, মেধাবী হওয়ার উপায়,
২২) কথা ও ভাষা, ২৩) এলিভেটর পিচ, ২৪) সুন্দর করে কথা বলে সমস্যা জয়ের কৌশল, ২৫) ফোনে কথা বলার আদবকেতা, ২৬) ১২টি কর্ম বিধান, ২৭) ভালোবাসার অপর নাম প্রয়োজন, ২৮) আলতু-ফালতু কাজে সময় অপচয় করে স্বপ্ন পূরণের কল্পনা, ২৯) স্ট্রেস ম্যানেজমেন্ট, ৩০) চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিন পিং-এর জীবন থেকে শিক্ষা, ৩১) অভিজ্ঞতা ও অতীত থেকে শিক্ষা গ্রহণ, ৩২) বর্তমানকে সবচেয়ে বেশি মূল্য দিন, ৩৩) ২৪ ঘণ্টা কেউ সুখী হয় না, ৩৪) কিছু অভ্যাস যা আপনাকে আরও সুখী করবে , ৩৫) আপনার অবয়ব , ৩৬) সফলতার 25টি হট কৌশল-1, ৩৭) সাফল্যের 25টি হট কৌশল-2, ৩৮) সফলতার 55 সূত্র, ৩৯) কিভাবে নিজেকে নেতা হিসেবে গড়ে তুলবে, ৪০) সময় ব্যবস্থাপনা, ৪১) সময় ব্যবস্থাপনার তিনটি ধাপ, ৪২) সময়কে যথাযথভাবে কাজে লাগানোর উপায়গুলো, ৪৩) সাফল্য, ড. কোভের ইমোশনাল একাউন্ট কনসেপ্ট, ৪৪) সবচে বড় ইমোশনাল একাউন্ট, ৪৫) আপনার ইমোশনাল একাউন্ট, ৪৬) বুদ্ধি ও বিবেচনাবোধ বর্জিত কর্মফল বিপজ্জনক, ৪৭) অন্যদের দিয়ে আপনার কাজ করান কিন্তু সম্মান আপনি অর্জন করুন, ৪৮) অন্য লোকেরা আপনার কাছে আসুক দরকার হলে টোপ দিন, ৪৯) অসুখী এবং ভাগ্যহীনদের বর্জন করুন, ৫০) লোককে আপনার ওপর নির্ভরশীল করুন , ৫১) নেওয়ার পূর্বে দেওয়া অন্য বক্তির স্বার্থ বুঝুন, ৫২) শত্রুকে খাটো করে দেখবেন না, ৫৩) নিজেকে রক্ষা করার জন্য চারিদিকে দুর্গ নির্মাণ করবেন না, ৫৪) কারোর পক্ষ অবলম্বন করে বসে থাকবেন না, ৫৫) আপনার শক্তিসমূহকে সংহত করুন, ৫৫) নিজের ভুলগুলোকে লুকিয়ে রাখুন, ৫৬) শুধু সাহসের জোরে নয়, পরিণতিও বিবেচনায় রাখুন, ৫৭) প্রতিটি মানুষের গোপন ইচ্ছা খুঁজে বের করুন, ৫৮) রাগ বিপজ্জনক ও অভদ্রতা, ৫৯) কোনো দলকে ধরার জন্য দলপতিকে প্রথমে ধরুন, ৬০) নিজেকে গুরুত্বপূর্ণ মনে করুন, গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবেন, ৬০) পরিবেশ সামলাতে শিখুন, ৬১) প্রথম শ্রেণির মানুষ হয়ে উঠুন, ৬২) আপনার সামাজিক পরিবেশ ‘প্রথম শ্রেণি’র করে তোলার উপায়, ৬৩) ‘সস্তার তিন অবস্থা’ প্রধম শ্রেণিভুক্ত হয়ে উঠুন , ৬৪) যত বেশি বন্ধুত্ব তত বেশি উপরে ওঠার সম্ভাবনা, ৬৫) সাহস করে কাজটা শুরু করুন, ৬৬) সাফল্য মানে বারবার ভিন্নভাবে চেষ্টা করা, ৬৭) ১- ১০ ভাল অভ্যাস, ১১- ২০ ভাল অভ্যাস, ২১- ৩০ ভাল অভ্যাস, ৩১- ৪০ ভাল অভ্যাস, ৪১- ৫০ ভাল অভ্যাস, ৫১- ৬০ ভাল অভ্যাস, ৬১- ৭০ ভাল অভ্যাস, ৭১- ৮০ ভাল অভ্যাস, ৮১- ৯০ ভাল অভ্যাস, ৯১- ১০২ ভাল অভ্যাস, ৬৮) জিরো থেকে হিরো, ৬৯) সৃজনশীলদের সফলতার ৭ সূত্র, ৬৯) জীবনে পরিবর্তন আনুন ৪৮টি উপায়ে, ৭০) জীবন-যাপন, ৭১) জাপানী ও চিন লাইফ স্টাইল , ৭২) ৩০টি দর্শন, যা আপনার জীবনে কাজে লাগবে, ৭৩) সম্পর্ক তৈরি করা, বন্ধুত্ব, ৭৪) যে আচরণগুলো মানুষের মনের কথা জানাবে, ৭৫) কথা বলার সূত্র, ৭৬) আপনি ও আপনার ব্যবহার, ৭৭) নিজেকে সঠিকভাবে উপস্থাপন করা, ৭৮) কথা বলার কতিপয় গুরুত্বপূর্ণ নিয়ম, ৭৯) কিভাবে নিজেকে বিনয়ী হিসেবে উপস্থাপন করবেন, ৮০) কিভাবে বুদ্ধিদীপ্ত কথা বলবেন, ৮১) কথা বলার ৫টি বিস্ময়কর টেকনিক, ৮২) কিভাবে মানুষকে আকৃষ্ট করবেন? ৮৩) অকারণে সময় নষ্ট? মেল রবিনের ৫ সেকেন্ড রুল, ৮৪) কর্পোরেট আদবকেতা, ৮৫) ৩৫টি কর্পোরেট কালচার ও আপনার করণীয়, ৮৬) যা না জানলে লজ্জায় পড়তে হয় , ৮৭) কাজের সময়ে যে বিষয়গুলো একেবারেই করা উচিৎ না , ৮৮) ক্যারিয়ারে সাফল্য পেতে ছুড়ে ফেলুন ৭টি দোষ, ৮৯) আকাক্সক্ষা, ইচ্ছে বা স্বপ্ন,
৯০) বক্তৃতা প্রশিক্ষণ, কাজ কিভাবে করবেন? ৯১) আত্মশক্তিতে বলিয়ান হতে, ৯২) একনাগাড়ে চলবেন না, ৯৩) মারফিস ’ল , কাজের রোডম্যাপ তেরি , ৯৪) জব স্যাটিসফেকশন, ৯৫) কাজে সফলতার সূত্রাবলী, ৯৬) যেভাবে জীবনযাপন করবেন, ৯৭) পরিণত বুদ্ধির মানুষেরা যে কাজগুলো কখনোই করেন না, ৯৮) জীবনে দক্ষতা অর্জনের কার্যকর ১২টি উপায়, ৯৯) সঠিক লক্ষ্য নির্ধারণ ও কাজ করার উপায় , ১০০) সফলতা ও সার্থকতা, ১০১) জীবনের ছোট ছোট প্রাপ্তিগুলোকে উপভোগ করা, ১০২) সফলতার কিছু পদ্ধতি, ১০৩) সফল হতে চাইলে যে ৮ টি জিনিস বাদ দেয়া প্রয়োজন, ১০৪) সফল ব্যক্তিরা যে ১০টি কাজ কখনোই করেন না, ১০৫) সর্বদা স্মরণ রাখুন, ১০৬) চিন্তাশক্তি , ১০৭) স্বাধীনতা, ১০৮) জ্ঞান অর্জন খাদ্য গ্রহণের মতো , ১০৯) দৃঢ় প্রতিজ্ঞ হয়ে চেষ্টা করলে কখনোই বিফল হবেন না, ১১০) বুদ্ধির সংজ্ঞা হলো, প্রতিটি কাজ ভেবে-চিন্তে করা, ১১১) ব্যক্তিত্ব, চেহারা ও ব্যক্তিত্ব , ১১২) সেলডন-এর গবেষণা , ১১৩) ব্যক্তিত্ব ও উচ্চারণ, ১১৪) পোশাক ও ব্যক্তিত্ব, ১১৫) প্রথম দেখায় ব্যক্তিত্বের ছাপ, ১১৬) বিচ্ছিন্নতা ব্যক্তিত্বের বড় শত্রু, ১১৭) ব্যক্তিত্বে জিনগত প্রভাব, ১১৮) অন্তর্মুখী ও বহির্মুখী ব্যক্তিত্ব, ১১৯) মনোমুগ্ধকর ব্যক্তিত্বের ১০ বৈশিষ্ট্য, ১২০) ব্যক্তিত্বের উৎকর্ষতার জন্যে ১০ নির্দেশনা, ১২১) কিভাবে ব্যক্তিত্বের বিকাশ ঘটাবেন? , ১২২) নিজেকে স্মার্ট করতে ৫টি কৌশল, ১২৩) আকর্ষণীয় মানুষ হবার ৬টি পরামর্শ, ১২৪) আত্মশুদ্ধি , ১২৫) হতাশ হবেন না, ১২৬) পাছে লোকে কিছু বলে, ১২৭) সুখ-শান্তি উন্নতি , ১২৮) চাহিদা, ১২৯) খাদ্য, ঘুম ও বিশ্রাম, ১৩০) স্বাস্থ্য ভাল রাখার নিয়ম, ১৩১) টেনশন দূর করতে হলে, ১৩২) শুধু নিজের কথা নয়, অন্যের কথাও ভাবুন, ১৩৩) চাহিদা যত বেশি সুখ তত কম, ১৩৪) সুখী জীবনের জন্য ১৮ টি টিপস, ১৩৫) আত্মবিশ্বাস, আত্ম বিশ্বাসের শক্তি, ১৩৬) অজুহাতের ব্যাধিতে আক্রান্ত ব্যর্থ মানুষ, ১৩৭) দি সেভেন হ্যাবিট অফ হাইলি এ্যা ফেক্টিভ পিপল, ১৩৮) সামাজিক আয়না, ১৩৯) প্রোএ্যাক্টিভিটি, ১৪০) সার্কেল অফ ইনফ্লুয়েন্স, ১৪১) শুরু করুন আজই, ১৪২) আপনার কেন্দ্রবিন্দু কোনটি?, ১৪৩) মাথার দুটি অংশই ব্যবহার করুন, ১৪৪) সময়ের ব্যবস্থাপনা, ১৪৫) ব্যক্তিগত ব্যবস্থাপনা, ১৪৬) গুরুত্বপূর্ণ এবং জরুরি, ১৪৭) পরনির্ভরশীল জীবন, ১৪৮) ছয়টি উপায়ে অন্য মানুষের সাথে আদান-প্রদান, ১৪৯) অধ্যয়ন, ১৫০) পড়াশোনায় ১২ কার্যকর কৌশল, ১৫১) ঘুম থেকে উঠতে ১০-৩-২-১-০ ফর্মুলা, ১৫২) আয়-ব্যয়- টাকা, ১৫৩) অন্যকে খুশি করতে পয়সা খরচ যে কারণে অর্থহীন, ১৫৪) খরচের লাগাম টেনে ধরতে.. ১৫৫) নারী, ১৫৬) সম্পর্ককে সুন্দর রাখতে কিছু “মিথ্যা” বলা জরুরী , ১৫৭) ছেলেদের কোন জিনিস দেখে মেয়েরা? , ১৫৮) স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর কিছু অভ্যাস, ১৫৯) ভুঁড়ি ঠেকাতে ৫টি নিয়ম, ১৬০) যেসব কারণে নারীদের স্বাবলম্বী হওয়া উচতি , ১৬১) বিয়ে-সংসার, ১৬২) সফল বিয়ের তিনটি মন্ত্র, ১৬৩) সুখী হবার দারুণ কিছু মূলমন্ত্র, ১৬৪) কিছু গল্প, ১৬৫) ভালোবাসাহীন সম্পর্ক, ১৬৬) কেন স্পর্শের প্রয়োজন হয় প্রতিদিন, ১৬৭) যে কারণে একা থাকাই আপনার জন্য ভালো, ১৬৮) ব্যবসা, ১৬৯) বিক্রয় বৃদ্ধির কৌশল, ১৭০) যে ৭টা ব্যাপার বিজনেসে করবেন না, ১৭১) স্বাস্থ্য, ১৭২) দুগ্ধজাত খাবারে পুরুষের বন্ধ্যত্ব, ১৭৩) একাকিত্বের বিপদ, ১৭৪) কর্মক্ষম ও প্রফুল্ল রাখতে, ১৭৫) মন ভালো করার উপায়, ১৭৬) যৌন স্বাস্থ্য, ১৭৭) পুরুষদের কেজেল, ১৭৮) মহিলাদের কেজেল, ১৭৯) দক্ষতা , ১৮০) আলসেমি দূর করার সহজ কিছু উপায়, ১৮১) কীভাবে সামলাবেন নিন্দুকদের ?, ১৮২) সুখী হতে চাইলে যা কখনোই করবেন না, ১৮৩) সব ভুলে যাচ্ছেন? স্মৃতিশক্তি চাঙ্গা রাখতে ৫টি টিপস, ১৮৪) বয়সের ভারে বৃদ্ধ না হয়ে বরং কাজের ভারে যুবক থাকার চেষ্টা করো, ১৮৫) নিজেকে কাজের সঙ্গে সম্পক্ত করার তিনটে স্টেপ, ১৮৬) জীবনের লক্ষ্য নির্ধারণে দ্রুত পদ্ধতিগুলো, ১৮৭) প্রতিদান পাওয়ার আশায় কাজ করবেন না, ১৮৮) প্রেম একটি মানসিক রোগ, ১৮৯) সম্পর্ক ভেঙ্গে যাবার পর নিজেকে যেভাবে সামলাবে, ১৯০) সময় সবকিছু বদলে দেয়, ১৯১) সম্পর্ক তৈরির ক্ষেত্রে কমন পাঁচটি ভুল, ১৯২) আত্মবিশ্বাস/মনোবল, ১৯৩) প্যারাসুট অফ হ্যাপিনেস, ১৯৪) বারবার ঘুরে দাঁড়াতে হবে, ১৯৫) আত্মবিশ্বাসহীন মানুষের লক্ষণ, ১৯৬) বাড়াও আত্মবিশ্বাস, বাড়বে সফলতা, ১৯৭) প্রাতিষ্ঠানিক সম্পর্ক শক্তিশালী করার টিপস, ১৯৮) কিভাবে ধরে রাখবে দু'জনের সম্পর্ক, ১৯৯) কিভাবে বুঝবে সম্পর্ক শেষ করতে হবে, ২০০) সম্পর্ক যখন প্রেম-ভালোবাসার, ২০১) যেসব বিষয়ের উপর স¤পর্ক গড়ে ওঠে, ২০২) ভালোবাসার অপর নাম প্রয়োজন, ২০৩) সম্পর্কের গুণগত মান বাড়বে কিভাবে, ২০৪) মস্তিস্ক ঠিক রাখার ৩০ উপায়, ২০৫) মানুষের আচরণের পেছনে একটা কারণ থাকে, ২০৬) কোনো কাজে নিজেকে সম্পক্ত না করেই আমরা নিজ ক্যারিয়ারকে এগিয়ে নিয়ে যাই ২০৭) স্রোতের বিপরীতে চিন্তা করুন, ২০৮) আপনার টাইমজোনে সময় আসবেই, ২০৯) চাইল্ডহুড অ্যামনেসিয়া এবং আমাদের শিক্ষণীয়,