মনের বিষক্রিয়া হলো ‘পরচর্চা’
শুধু মহিলারা পরচর্চা করে, এই ধারণাটি সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। বহু পুরুষের পরনিন্দা উৎসবের বিষয়বস্তু হলো ‘বসের বৈবাহিক জীবনে সমস্যা বা আর্থিক সমস্যা।’, ‘শুনলাম... এতো হতোই... আরে, একেবারে ভেতরকার কথা...।’
আপনার মধ্যে নিহিত পরচর্চার প্রবণতা যাচাই করতে পারেন :
১. আমি কি অন্যের ব্যাপারে গুজব রটাই?
২. আমি কি সবসময় অন্যদের ব্যাপারে ভালো কথা বলি?
৩. আমি কি কুৎসা কলঙ্কের গল্প শুনতে ভালোবাসি?
৪. শুধুমাত্র তথ্যের ভিত্তিতে আমি অন্যদের যাচাই করি কি?
৫. আমি কি গুজব শোনানোর ব্যাপারে অন্যদের উৎসাহী করে তুলি?
৬. আমি কি ‘কাউকে বলো না কিন্তু...’ দিয়ে কথা শুরু করি?
৭. একান্ত গোপন কথার গোপনীয়তা রক্ষা করতে পারি কি?
৮. অন্যের বিষয়ে আমার মন্তব্যের জন্য আমি কি অপরাধবোধে ভুগি?
খুঁতখুঁতে স্বভাব
এমন অনেক ব্যক্তি আছেন, যারা অনেক খুঁতখুঁতে। সব কিছু একেবারে নিখুঁত না হলে তাদের মন ভরে না, নিজের সব কিছুতে খুঁতহীন একটা অবস্থায় নিয়ে যেতে চান। এরকম মানুষ সমাজজীবনে, কর্মজীবনে, ব্যক্তিজীবনে একটা অস্থির হিসেবে গণ্য হয়। আবার অনেক লোক আছেন, যারা সামনে দিয়ে মশা গেলেও ধরে ফেলেন কিন্তু পিছন দিয়ে হাতি গেলেও টের পায় না। এরা শ্রমিকের পেটে লাথি মেরে হুজুরের কাছে সিন্নি পাঠায়।
মজুরকে শোষণ করে মাজারে দান করে। এরা শ্রমিকের ন্যায্য পাওনার বেলায় খুব হিসাবি, অথচ ভোগ-বিলাসিতার বেলায় হিসাবি নয় মোটেই। এই মনোভাব খুব জঘন্য। তাদের মনে রাখা উচিত- একজন কর্মী যদি তার কাজের যথার্থ পুরস্কার পায়, তাহলে তার হৃত উদ্যম অবশ্যই শতগুণে বেড়ে যায়।
মানুষের জীবনী শক্তির অধিকাংশই শেষ হয়ে যায় শুধু পাশের মানুষের নেগেটিভ কথা শুনতে শুনতে। লক্ষ্য করে দেখবেন, আপনি যখন কোনো ভালো কাজ করতে যাচ্ছেন, তখন একগাদা মানুষ জড়ো হয়ে আপনাকে নিরুৎসাহিত করবে।
একটি কাজের শুরুতে অন্তত শতবার আপনাকে শুনতে হবে যে, এটা তুমি পারবে না, তোমার দ্বারা হবে না, তোমার দ্বারা সম্ভব না, এটা খুব কঠিন, এটা খুব অসম্ভব, এভাবে হয় না ইত্যাদি ইত্যাদি। ফলে যে উদ্দীপনা নিয়ে আপনি কাজ শুরু করতে চেয়েছিলেন তার ২/৩ অংশই শেষ হয়ে যায়। মনে রাখা খুব জরুরি তা হলো, কেউ যখন বলবে যে তুমি এটা পারবে না। তখন সে আসলে তার নিজের অপারগতাকেই উপস্থাপন করে। সে নিজে কখনো কাজটি করতে পারেনি বলেই সে বিশ্বাস করে আপনিও পারবেন না। যদি সত্যিই ভালো কিছু করতে চান তবে এই ধরণের মানুষকে উপেক্ষা করার মত ক্ষমতা আপনার থাকতে হবে।
যত তাড়াতাড়ি এই নেগেটিভ কথা দিতে হলে কাউকে যদি কথা দিতে হয়, তবে খুব ভেবে-চিন্তে কথা দিন। কথা দিয়ে কথা যেন রাখতে পারেন। সেদিকে যথেষ্ট খেয়াল রাখবেন। সভা-অনুষ্ঠানে সময় মতো উপস্থিত হোন। হেলেদুলে দেরি করে যাবেন কিংবা তাড়াহুড়া করে চলে যাবেন দু’ঘণ্টা আগেÑ তা ঠিক নয়। কাউকে কথা দেওয়ার আগে চিন্তা করুন, কিন্তু কথা দিলে অবশ্যই তা রক্ষা করবেন।
কথা দিন ক্ষমতা অনুযায়ী। দায়িত্ব কাঁধে নিন সাধ্য অনুযায়ী। খুব বেশি প্রতিশ্রুতি দেবেন না। অনেকে অনেক কিছু চাইবে আপনার কাছ থেকে। যার পারবেন, যেটা সম্ভব দিন। যা পারবেন না সে ব্যাপারে কথা দিয়ে বসলে কথা রাখতে না পারার চাপে টেনশন বাড়বে।
অনেকে অনেক কিছু চাইবে আপনার কাছ থেকে। যা পারবেন, যেটা সম্ভব দিন। যা সম্ভব নয় আপনার পক্ষে, লজ্জার খাতিরে তা নিয়ে কথা দিয়ে বসবেন না। সবকিছুতে ‘হ্যাঁ’ বললে টেনশন বাড়বেই। কারণ সবকিছুকে ‘হ্যাঁ’ বানানো কোনো মানুষের পক্ষে সম্ভব নয়। ‘না’ বলতে না পারাটা কোনো কৃতিত্ব নয়, এটা এক ধরণের দুর্বলতা।
উৎকৃষ্ট নাম
প্রত্যেক মানুষের নিজের উৎকৃষ্ট নামটা নিজের কাছে সবচেয়ে মধুর লাগে। ব্যঙ্গ সম্বোধনের দ্বারা মানুষকে হেয় ও তুচ্ছ-তাচ্ছিল্য করা হয় বলে তার মন বিষিয়ে উঠে। ফলে তাকে সে মনে মনে ঘৃণা করে। কাজেই মানুষের সুন্দর নামটা মনে রাখতে চেষ্টা করুন। কাউকে উপহাস করা বা বিকৃত নামে ডাকা থেকে বিরত থাকুন।
কৃতজ্ঞতা
উপকারির নিকট সব সময় কৃতজ্ঞ থাকুন কিন্তু পরের উপকার করে আপনি তা মনে রাখবেন না। কৃতজ্ঞতা পাওয়ার আশায় কোনো কিছু করা বা দেওয়া উচিত নয়, বরং দেবার আনন্দেই দেয়া উচিত। উপকারির কাছে অকৃতজ্ঞতাই আশা করা উচিত, তাতে হতাশ হবার ভয় থাকে না। অনেকে অপর লোকের কাছ থেকে বেশি কিছু আশা করেন এবং তা না পেলে নিরাশ হয়ে পড়েন। এটা উচিত নয়। অপরের কাছ থেকে যত কম আশা করা যায়, হতাশাও তত কমে যাবে।
মুড
মুড না থাকা অস্বাস্থ্যের লক্ষণ। কথায় কথায় মুড নেই বলে দরকারি কাজ থেকে হাত গুটিয়ে থাকতে থাকতে আমরা অলস স্বভাবের হয়ে পড়ি। পরে অনেক সাধনাতেও আর মুড আসতে চায় না। পাগল সাজতে সাজতে হ্যামলেটকে যেমন পাগলামীতে পেয়ে বসেছিলো, অনেকটা তেমনি।
কথা বলার কতিপয় গুরুত্বপূর্ণ নিয়ম
কথা বলার শুরুতে প্রাণ ভরে পুরোদমে মুক্ত বাতাস টেনে নিন। এতে শরীর হালকা লাগবে। শরীর ভারসাম্যহীন ও ক্লান্তবোধ মনে হলে বিছানায় গা এলিয়ে দিন। বিশ্রাম মানুষের সুপ্ত ক্ষমতাকে বাড়িয়ে তুলতে সাহায্য করে।
➲ প্রত্যেক জরুরি কথা শুরু করার আগে এবং শেষ হলে কয়েক মুহূর্ত থেমে থাকুন। এতে কথাটা অনেক গুরুত্বপূর্ণ হয়ে শ্রোতার মনে আলাদা আসন করে নেবে।
➲ কথা কম হবে অথচ বেশি প্রভাবশালী শব্দে সমৃদ্ধি হওয়া চাই। ছোট ছোট উদ্ধৃতি, প্রবাদ-প্রবচণ, বাণী এবং হাস্যকর সংলাপযুক্ত করে বক্তব্যকে নাট্যরসে সমৃদ্ধ করে তুলুন। গলার সুর ও প্রকাশভঙ্গি উঠানামা করুন। গুরুত্ব অনুসারে শব্দের ওপর জোর বাড়ান-কমান।
➲ পরিবার, শৈশব স্মৃতি, স্কুল-কলেজ দিনগুলো, জীবনে নানা বাধা, আশা-আকাক্সক্ষা, জয়, শখ, বিনোদন, বিখ্যাত ব্যক্তির সাক্ষাৎ ইত্যাদি অভিজ্ঞতা গুছিয়ে বললে চমৎকার ফল পাবেন। একই কথা ঘুরিয়ে ফিরিয়ে বারবার বলে কথা বাড়াতে চেষ্টা করবেন না।
➲ জীবনের বিভিন্ন স্মরণীয় ঘটনা এবং প্রাসঙ্গিক ঘটনা থেকে উদাহরণ টেনে বক্তব্য রাখুন। বক্তব্যের বিষয়ের সঙ্গে সাদৃশ্যমূলক উপমা দিন।
➲ বক্তব্য ততই প্রাঞ্জল হবে, বলার ক্ষেত্রে মনের সাহস যত বেশি থাকবে। মনে রাখবেন- কে কতটা ভালো বক্তা, সেটা বিচার করা যায়- শ্রোতা সম্পর্কে কতটা ভয়-ভীতি ও সংকোচ কাটাতে পেরেছে তার ভিত্তিতে। প্রথমে কোনো বিষয় নির্ধারণ করুন। তারপর সে বিষয়ে যতবেশি পারেন পড়াশোনা করুন এবং ভাবুন। যত বেশি জানবেন, তত বেশি ভালো বলতে পারবেন।
➲ বক্তব্যের সময় শ্রোতার সঙ্গে মত বিনিময় করুন। এতে তাদের মতামতকে দাম দেওয়া হবে। যে বিষয় তারা জানতে আগ্রহী, সে বিষয়ে বিস্তারিত বলুন। শ্রোতারা কতটা আগ্রহের সঙ্গে বক্তব্য শুনছে, তা লক্ষ্য করুন। মনে রাখবেন, বক্তা যদি নিজের কথাতেই নিজে প্রভাবিত না হয়, তাহলে শ্রোতা কিছুতেই প্রভাবিত হবে না।
➲ ভালো বক্তার প্রথম কাজ হলো- প্রথমে এমন কিছু বলা, যা শ্রোতার মনে তৎক্ষণাৎ আলোড়ন সৃষ্টি করতে পারে।
➲ অসময়ে হুট করে অন্যের দুয়ারে ঢুঁ মারবেন না। টেলিফোন থাকলে অ্যাপয়েন- মেন্ট করুন। নয়তো কলিংবেল টিপে বা দরজায় নক করে দূরে দাঁড়িয়ে থাকুন। ভুলেও খোলা দরজায় সংকেত না দিয়ে ঢুকবেন না।
➲ প্রথমেই নিজের পরিচয় দিন। আপনার নাম বলুন। অথবা আপনার প্রতিষ্ঠানের নাম বলুন। অতঃপর আপনার কাক্সিক্ষত নাম্বারটি সম্পর্কে নিশ্চিত হোন। অন্যথায় দুঃখিত/সরি বলে ফোন বন্ধ করুন।
➲ কথা বলার সময় কণ্ঠস্বরে স্বাভাবিকতা বজায় রাখুন। এমনভাবে কথা বলবেন না যাতে উপস্থিত আর পাঁচজনের অসুবিধা হয়। কথা না বুঝলে ‘অ্যা’ শব্দ করবেন না। দুঃখিত/সরি বলে আবার জিজ্ঞেস করুন।
➲ মোবাইল ফোনের রিংগার বেশি জোরে রাখবেন না। কোনো সভা বা অনুষ্ঠানে ফোন বা রিং টোন বন্ধ রাখুন। মোবাইল ফোনে ক্যামেরা থাকলে তার অপব্যবহার করবেন না। প্রয়োজন না থাকলে অযথা এলোমেলো কথা বলে সময় নষ্ট করবেন না। খেতে খেতে ফোনে কথা বলবেন না।
➲ সময় বুঝে ফোনে কথা বলুন। খুব ভোরে বা বেশি রাতে জরুরি না হলে ফোন করবেন না। কথা বলার আগে বিষয়গুলো নোটবুকে লিখে নিন, যেনো কোনো বিষয় বাদ না পড়ে। বা কোনো নাম ভুলে না যান। অনেকক্ষণ কাউকে অপেক্ষায় রাখবেন না।
➲ আপনাদের জীবনে এমন কখনও হয়েছে যে, আপনি কারও সাথে দেখা করতে গিয়েছেন; আর সেই মানুষটি আপনার সামনেই একটার পর একটা ফোনে কথা বলে যাচ্ছে? কখনও ইন্টারকমে, কখনও মোবাইলে? আর আপনি তার সামনে বসে বসে মাছি মারছেন। জ্বি, আমার জীবনে অসংখ্যবার এমন হয়েছে। কিছুদিন আগে একটি প্রাইভেট ব্যাংকের ডিএমডি সাহেবের কাছে আমাকে যেতে বললেন ব্যাংকটির একজন ডিরেক্টর। আমি তার সাথে রীতিমতো সময় ঠিক করেই গিয়েছি।
➲ ভদ্রলোক আমার সাথে হ্যালো বলে তার ঘরের সোফায় বসতে বললেন। আমি ভাবলাম, তিনি হাতের কাজটি শেষ করেই আমার সাথে কথা বলে আমাকে বিদায় করে দিবেন। নাহ্্, তিনি সেটা করলেন না।
➲ তিনি কিছুক্ষণ ইন্টারকমে একজনের সাথে দীর্ঘক্ষণ কথা বললেন, যার বেশিরভাগই হলো খোসগল্প। তারপর কেউ একজন কিছু ফাইল সই করাতে এলেন। সেটা ক্ষান্ত দিয়ে যেই মুহূর্তে সই করার কাগজ দেখতে শুরু করলেন, তখন তার মোবাইলটা বেজে উঠল।
➲ তিনি আগের মতোই আবার দীর্ঘ আলাপে লেগে গেলেন। আমি বেশ কয়েকবার চলে আসার জন্য উঠে দাঁড়ালাম। তিনি বারবার আরেক কাপ চা খাওয়ার জন্য বলতে থাকেন। আমি ভেতরে ভেতরে চরম বিরক্ত। এর ভেতর তিনি আরও পাঁচটা ফোনকল শেষ করলেন। একটা পর্যায়ে ভদ্রভাবেই বললাম, আমার এখন যেতে হবে।
➲ আমাদের দেশে খুব কম মানুষ আছেন, যারা টেলিফোনটি বাজতে দিতে দেখতে পারেন না। তারা আপনাকে বসিয়ে রেখেই ফোনটি ধরবেন। আপনি যে এত কষ্ট করে ট্রাফিক জ্যাম ঠেলে তার কাছে গিয়েছেন, তার থেকেও মূল্যবান হয়ে ওঠে টেলিফোন। এটা ঠিক নয়। বিশেষ করে জাপানে আপনি যদি মিটিংয়ের ভেতর ফোন ধরেন, ওখানকার মানুষ এটাতে এত বেশি বিরক্ত হয় যে আপনাকে পরের মিটিংয়ে নাও ডাকতে পারে।
➲ রেগে যাবেন তো হেরে যাবেন; সবসময় ঠাণ্ডা মাথায় সিদ্ধান্ত নিয়ে কাজ করুন। রাগের মাথায় কখনো কোনো প্রতিশ্রুতি দেবেন না, কোনো সিদ্ধান্ত নেবেন না, কোনো অঙ্গীকার করবেন না এবং কাউকে শাস্তি দিবেন না। একদিন এক শিক্ষক তার ছাত্রদের প্রশ্ন করলেন- "তোমরা কি বলতে পারো, আমরা যখন অনেক বেশি রেগে যাই, তখন চিৎকার করি কেন?"
সবাই বেশ কিছুক্ষণ চিন্তা করার পর একজন ছাত্র উত্তর দিলো-
"কারণ রেগে গেলে আমরা নিজের উপর নিয়ন্ত্রণ হারাই তাই একটা পর্যায়ে চিৎকার করে ফেলি।"
"কিন্তু আমরা যার উপর রাগ করি সেই মানুষটি তো আমাদের সামনেই থাকে তবুও কেন আমাদেরকে চেঁচিয়ে তার সাথে কথা বলতে হবে? নরম স্বরে, আস্তে কথা বললেও তো সে শুনতে পাবে। তাই না?"
ছাত্ররা অনেক চিন্তা করেও শিক্ষকের এই প্রশ্নের কোনো সঠিক উত্তর খুঁজে পেলো না। তখন শিক্ষক ব্যাখা করলেন- "দুটো মানুষ যখন একে অপরের উপর রেগে যায় তখন তারা একে অন্যের অন্তর থেকে দূরে সরে যায়। এই রাগ তাদের অন্তরের মাঝেও দূরত্ব সৃষ্টি করে। সেই দূরত্ব একটু একটু করে যত বাড়তে থাকে ততই তাদের রাগ বা ক্রোধ বেড়ে যায় এবং তখন তাদেরকে আরও চিৎকার করতে হয়, আরও জোরে তর্ক করতে হয়।"
"আবার যদি আমরা ভেবে দেখি, দুজন মানুষ যখন একে অন্যের প্রেমে পড়ে বা ভালোবাসে তখন কী হয়? তখন ভালোবাসার বন্ধনে থাকা মানুষ দুজন একে অন্যের সাথে * ধীরে ধীরে * নরম স্বরে * আবেগ নিয়ে কথা বলে।
এর কারণ যারা ভালোবাসে তারা একে অন্যের অন্তরের খুব কাছে থাকে। আর যারা অন্তরের কাছে থাকে তাদের কথা শুনতে হলে চিৎকার করার কোনো প্রয়োজন পড়ে না। এমনকি শুধুমাত্র ফিস্্ফিস্্ করেও তারা তখন কথা বলতে পারে।"
"যারা আরও বেশি গভীরভাবে একে অন্যকে অনুভব করতে পারে, ভালোবাসতে পারে, তখন কী হয় তা কি আমরা জানি?", "অদ্ভুত সুন্দর ব্যাপার হলো, তাদের তখন ফিস্্ফিস্্ করেও কথা বলতে হয় না। তারা দুজন যখন একে অন্যের চোখের দিকে তাকায় তখনই অন্তরের অনুভূতি, কথা, শব্দমালা সব অনুভব করে ফেলতে পারে। কারণ তখন তাদের অন্তর তাদেরকে "এক" করে ফেলে। তাদের কথা হয় তখন অন্তরে অন্তরে।"
নিয়ন্ত্রণ করুন নিজের রাগ ও এর বহিঃপ্রকাশের ধরণ, রাগ হওয়ার সাথে সাথেই আমাদের মধ্যে কিছু শারীরিক, মানসিক ও আচরণগত পরিবর্তন হয়ে থাকে। যেমন-
রাগে একজন ব্যক্তির শারীরিক পরিবর্তন:
➲ ঘাম হয়, শরীর কাঁপতে থাকে
➲ হৃৎপিণ্ডে দ্রুত রক্ত চলাচল ঘটে
➲ মাথা ভার হয়ে যায়
➲ দ্রুত নিশ্বাস-প্রশ্বাস ঘটে
➲ অতিরিক্ত রাগে কখনও কখনও হার্ট-এট্যাক, ব্রেইন-স্ট্রোক হতে পারে।
রাগে ব্যক্তির মানসিক পরিবর্তন:
➲ নিজের ও অন্যদের উপর বিরক্তি তৈরি হয়
➲ স¤পর্ক ও বিশ্বাস বিনষ্ট হয়
➲ আত্ম-সম্মানবোধ কমে যায়
➲ আক্রমণাত্মক মনোভাব তৈরি হয়
রাগে ব্যক্তির আচরণগত পরিবর্তন:
➲ আক্রমণাত্মক অঙ্গভঙ্গি প্রকাশ পায় (আঙ্গুল তুলে কথা বলা, আঘাত করা)
➲ কণ্ঠস্বর তীব্র ও কর্কশ হয়ে যায়
➲ কাজ-কর্মে মনোযোগ দিতে অসুবিধা হয়
➲ নিজেকে শারীরিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করে
থাকে (হাত কাটা, মাদক গ্রহণ, আত্মহত্যা)
➲ অন্যদের শারীরিক ও মানসিকভাবে
ক্ষতিগ্রস্ত করে (মারধোর করা, ভয় ভীতি দেখানো, ত্রাস সৃষ্টি করা)
➲ ভাংচুর করে পরিবেশ নষ্ট করে
➲ আইন নিজের হাতে তুলে নেয়
রেগে গেলেন, হেরে গেলেন
ছোট্ট এক ছেলে ছিলো প্রচণ্ড রাগী। তাই দেখে বাবা তাকে একটা পেরেক ভর্তি ব্যাগ দিল এবং বললো যে, যতবার তুমি রেগে যাবে ততবার একটা করে পেরেক আমাদের বাগানের কাঠের বেড়াতে লাগিয়ে আসবে।
প্রথমদিনেই ছেলেটিকে বাগানে গিয়ে ৩৭টি পেরেক মারতে হলো।...
পরের কয়েক সপ্তাহে ছেলেটি তার রাগকে কিছুটা নিয়ন্ত্রণে আনতে পারে। তাই প্রতিদিন কাঠে নতুন পেরেকের সংখ্যাও ধীরে ধীরে কমে এলো। সে বুঝতে পারলো হাতুড়ি দিয়ে কাঠের বেড়ায় পেরেক বসানোর চেয়ে তার রাগকে নিয়ন্ত্রণ করা অনেক বেশি সহজ।
শেষ পর্যন্ত সেই দিনটি এলো যেদিন তাকে একটি পেরেকও মারতে হলো না। সে তার বাবাকে এই কথা জানালো। তারা বাবা তাকে বললো এখন তুমি যেসব দিনে তোমার রাগকে পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণ করতে পারবে... সেসব দিনে একটি একটি করে পেরেক খুলে ফেলো।
অনেক দিন চলে গেল এবং ছেলেটি একদিন তার বাবাকে জানালো যে, সব পেরেকই সে খুলে ফেলতে সক্ষম হয়েছে।
তার বাবা এবার তাকে নিয়ে বাগানে গেল এবং কাঠের বেড়াটি দেখিয়ে বললো।...
'তুমি খুব ভালভাবে তোমার কাজ স¤পন্ন করেছো, এখন তুমি তোমার রাগকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারো কিন্তু দেখো, প্রতিটা কাঠে পেরেকের গর্তগুলো এখনো রয়ে গিয়েছে। কাঠের বেড়াটি কখনো আগের অবস্থায় ফিরে যাবে না।...
যখন তুমি কাউকে রেগে গিয়ে কিছু বলো তখন তার মনে ঠিক এমন একটা আচড় পরে যায়। মানসিক ক্ষত অনেক সময় শারীরিক ক্ষতের চেয়েও অনেক বেশি ভয়ংকর।
রাগ নিয়ন্ত্রণের ১০ উপায়
১) রাগের মাথায় কিছু বলার আগে একবার চিন্তা করে নিন
২) কিছুক্ষণ নিজের সঙ্গে কথা বলুন
৩) যত দ্রুত সম্ভব স্থান পরিবর্তন করুন
৪) একবার নিজেকে শান্ত করার চেষ্টা করুন তারপর কথা বলুন
৫) জোর জোরে শ্বাস নিন
৬) সম্ভব হলে একটু ব্যায়াম করে নিন
৭) কাজের মধ্য থাকলে একটু বিরতি নিয়ে নিন
৮) সম্ভাব্য সমাধানের কথা চিন্তা করুন
৯) নিয়মিত মেডিটেশন করুন
১০) বিদ্বেষ নিজের মধ্যে আটকে রাখবেন না
অতিরিক্ত কথা বলা
তথ্য বা যোগাযোগের অন্যতম মাধ্যম হলো মুখের ভাষা বা কথা। কথার আদান- প্রদানের মাধ্যমে আমরা একজন অন্যজনের সাথে স¤পর্ক গড়ে তুলি। স্বাভাবিকভাবেই আমরা প্রয়োজনীয় পরিমাণে কথা বলে থাকি। তবে আমাদের মধ্যেও এমন অনেকেই আছি যারা প্রয়োজনের তুলনায় অতিরিক্ত কথা বলি। যা ব্যক্তির পরিবেশের সাথে অসঙ্গতিপূর্ণ হয়ে বিব্রতকর পরিস্থিতি তৈরি করে। আমরা যারা অতিরিক্ত কথা বলি তারা কিভাবে সচেতন হয়ে এই অনিয়ন্ত্রিত অভ্যাস থেকে বের হয়ে আসতে পারি।
➲ অন্য ব্যক্তির প্রশ্নের প্রাসঙ্গিক উত্তর দিন। যথাসম্ভব সংক্ষেপে। এক শব্দে উত্তর দেয়ার অভ্যাস গড়ুন। প্রথমেই সম্ভব না হলে এক লাইনে উত্তর দিন। জবাব দেয়ার পর পুনরায় প্রশ্ন না থাকলে নিজ থেকে উত্তর খোঁজা বন্ধ করুন।
➲ আপনার কিছু জানার থাকলে নির্দিষ্ট করে বলুন আসলে কি জানতে চান। কথার আশেপাশে না ঘুরে মূল কথা বলার অভ্যাস করুন।
➲ একা একা বসে থাকলে আপনার যে চিন্তাগুলো ঘুরপাক খাচ্ছে মাথায় তা ডায়েরীতে লিখে রাখুন। এতে চিন্তাগুলো কথা হয়ে নীরবে সঞ্চিত থাকবে। আপনিও কথা বলার তাড়না কম অনুভব করবেন। (এই অভ্যাসটা অনেক কার্যকর। যারা সত্যিকার অর্থেই নিজের অতিরিক্ত কথা বলা নিয়ন্ত্রণে আনতে চান তারা নিয়মিত ডায়েরী লেখার অভ্যাস তৈরি করুন।)
➲ শোনার অভ্যাস তৈরি করুন। তাহলে আপনি যখন বলবেন তখন যার বক্তব্য আপনি মনোযোগ দিয়ে শুনেছেন সেও শুনতে আগ্রহী হবে। আর যদি সে না শুনে আশাহত হবেন না। অপরকে মনোযোগের সাথে শুনতে থাকুন। কেউ তো এমন থাকবেই যে আপনাকেও শ্রদ্ধাভরে শুনবে।
➲ কথা বেশি বলা বা অতিরিক্ত বলা বলতে কি বুঝানো হচ্ছে সেটা জানতে হবে। কারণ আপনার মনে হতে পারে আপনি ঠিক পরিমাণে কথা বলছেন। কিন্তু আপনার আশেপাশে অনেকেই বিরক্ত। আবার আপনার মনে হলো আমি বেশি কথা বলি কিন্তু কেউ কখনও কোনো কটূক্তি করেনি। কেউ যদি রাগের মাথায় আপনাকে বলে আপনি অনেক বেশি কথা বলেন, সেটাও কিন্তু বুঝতে হবে যে ওটা সত্য নয়। নতুবা যে সমস্যা আপনার হয়ই নাই সেটা সমাধানের জন্য চেষ্টা করা মানে সময় নষ্ট করা। সৎ সঙ্গে স্বর্গবাস, অসৎ সঙ্গে সর্বনাশ। তাই এমন কিছু মানুষের সান্নিধ্যে থাকুন যারা স্বল্পভাষী। দেখবেন আপনিও ধীরে ধীরে সেই গুণাবলী অর্জন করছেন। সব অর্জনের মূলেই থাকে সাধনা। আর এ জন্য প্রয়োজন ধৈর্য।
সূচিপত্র
১) ছোটদের সাথে আমাদের আচরণ ২) পরিবার ও সন্তান, সুপার পাওয়ার যেভাবে তৈরি হয়, ৩) দীর্ঘস্থায়ী ভয়ের উৎপত্তির মূলে শৈশবকালে ঘটে যাওয়া ঘটনার প্রভাব , ৪) সন্তানের উৎসাহ এবং উদ্দীপনা বাড়ানো, ৫) আপনার শিশুটি ঘুমুক শান্তিতে এবং নির্ভরতায় , ৬) কিছু অব্যর্থ টিপস, যা আপনার শিশুকে পড়াশোনায় আগ্রহী করে তুলবে, ৭) শিশুকে কিভাবে বড় করবেন, ৮) বাচ্চাদের মস্তিষ্ক বিকাশে কী করবেন? ৯) বাচ্চাদের বুদ্ধি বিকাশের অন্যতম পথ, দৌড়, ১০) বাচ্চাকে কখনো আড়ালে লুকিয়ে খেতে দেবেন না, ১১) পিটার সিংগারের দর্শন, ১২) দুষ্টু শিশুরা তাড়াতাড়ি শেখে, ১৩) সন্তানকে যতই শাস্তি দেবেন ততই সে অসামাজিক হবে, ১৪) বাবা-মাই সন্তানকে নির্যাতন করেন সবচেয়ে বেশি , ১৫) সন্তানের সাথে কিভাবে গড়ে তুলবেন নিবিড় বন্ধন, ১৬) যে ১১টি কথা শিশুকে কখনোই বলবেন না!, ১৭) শিশুকে গল্প শোনান প্রতিদিন, ১৮) সন্তানের আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধির ১০টি কৌশল, ১৯) সৃজনশীলতা হচ্ছে নতুন কিছু করার যোগ্যতা, ২০) যারা মুখস্থ করতে পারেন না, ২১) তারা মেধাবী, মেধাবী হওয়ার উপায়,
২২) কথা ও ভাষা, ২৩) এলিভেটর পিচ, ২৪) সুন্দর করে কথা বলে সমস্যা জয়ের কৌশল, ২৫) ফোনে কথা বলার আদবকেতা, ২৬) ১২টি কর্ম বিধান, ২৭) ভালোবাসার অপর নাম প্রয়োজন, ২৮) আলতু-ফালতু কাজে সময় অপচয় করে স্বপ্ন পূরণের কল্পনা, ২৯) স্ট্রেস ম্যানেজমেন্ট, ৩০) চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিন পিং-এর জীবন থেকে শিক্ষা, ৩১) অভিজ্ঞতা ও অতীত থেকে শিক্ষা গ্রহণ, ৩২) বর্তমানকে সবচেয়ে বেশি মূল্য দিন, ৩৩) ২৪ ঘণ্টা কেউ সুখী হয় না, ৩৪) কিছু অভ্যাস যা আপনাকে আরও সুখী করবে , ৩৫) আপনার অবয়ব , ৩৬) সফলতার 25টি হট কৌশল-1, ৩৭) সাফল্যের 25টি হট কৌশল-2, ৩৮) সফলতার 55 সূত্র, ৩৯) কিভাবে নিজেকে নেতা হিসেবে গড়ে তুলবে, ৪০) সময় ব্যবস্থাপনা, ৪১) সময় ব্যবস্থাপনার তিনটি ধাপ, ৪২) সময়কে যথাযথভাবে কাজে লাগানোর উপায়গুলো, ৪৩) সাফল্য, ড. কোভের ইমোশনাল একাউন্ট কনসেপ্ট, ৪৪) সবচে বড় ইমোশনাল একাউন্ট, ৪৫) আপনার ইমোশনাল একাউন্ট, ৪৬) বুদ্ধি ও বিবেচনাবোধ বর্জিত কর্মফল বিপজ্জনক, ৪৭) অন্যদের দিয়ে আপনার কাজ করান কিন্তু সম্মান আপনি অর্জন করুন, ৪৮) অন্য লোকেরা আপনার কাছে আসুক দরকার হলে টোপ দিন, ৪৯) অসুখী এবং ভাগ্যহীনদের বর্জন করুন, ৫০) লোককে আপনার ওপর নির্ভরশীল করুন , ৫১) নেওয়ার পূর্বে দেওয়া অন্য বক্তির স্বার্থ বুঝুন, ৫২) শত্রুকে খাটো করে দেখবেন না, ৫৩) নিজেকে রক্ষা করার জন্য চারিদিকে দুর্গ নির্মাণ করবেন না, ৫৪) কারোর পক্ষ অবলম্বন করে বসে থাকবেন না, ৫৫) আপনার শক্তিসমূহকে সংহত করুন, ৫৫) নিজের ভুলগুলোকে লুকিয়ে রাখুন, ৫৬) শুধু সাহসের জোরে নয়, পরিণতিও বিবেচনায় রাখুন, ৫৭) প্রতিটি মানুষের গোপন ইচ্ছা খুঁজে বের করুন, ৫৮) রাগ বিপজ্জনক ও অভদ্রতা, ৫৯) কোনো দলকে ধরার জন্য দলপতিকে প্রথমে ধরুন, ৬০) নিজেকে গুরুত্বপূর্ণ মনে করুন, গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবেন, ৬০) পরিবেশ সামলাতে শিখুন, ৬১) প্রথম শ্রেণির মানুষ হয়ে উঠুন, ৬২) আপনার সামাজিক পরিবেশ ‘প্রথম শ্রেণি’র করে তোলার উপায়, ৬৩) ‘সস্তার তিন অবস্থা’ প্রধম শ্রেণিভুক্ত হয়ে উঠুন , ৬৪) যত বেশি বন্ধুত্ব তত বেশি উপরে ওঠার সম্ভাবনা, ৬৫) সাহস করে কাজটা শুরু করুন, ৬৬) সাফল্য মানে বারবার ভিন্নভাবে চেষ্টা করা, ৬৭) ১- ১০ ভাল অভ্যাস, ১১- ২০ ভাল অভ্যাস, ২১- ৩০ ভাল অভ্যাস, ৩১- ৪০ ভাল অভ্যাস, ৪১- ৫০ ভাল অভ্যাস, ৫১- ৬০ ভাল অভ্যাস, ৬১- ৭০ ভাল অভ্যাস, ৭১- ৮০ ভাল অভ্যাস, ৮১- ৯০ ভাল অভ্যাস, ৯১- ১০২ ভাল অভ্যাস, ৬৮) জিরো থেকে হিরো, ৬৯) সৃজনশীলদের সফলতার ৭ সূত্র, ৬৯) জীবনে পরিবর্তন আনুন ৪৮টি উপায়ে, ৭০) জীবন-যাপন, ৭১) জাপানী ও চিন লাইফ স্টাইল , ৭২) ৩০টি দর্শন, যা আপনার জীবনে কাজে লাগবে, ৭৩) সম্পর্ক তৈরি করা, বন্ধুত্ব, ৭৪) যে আচরণগুলো মানুষের মনের কথা জানাবে, ৭৫) কথা বলার সূত্র, ৭৬) আপনি ও আপনার ব্যবহার, ৭৭) নিজেকে সঠিকভাবে উপস্থাপন করা, ৭৮) কথা বলার কতিপয় গুরুত্বপূর্ণ নিয়ম, ৭৯) কিভাবে নিজেকে বিনয়ী হিসেবে উপস্থাপন করবেন, ৮০) কিভাবে বুদ্ধিদীপ্ত কথা বলবেন, ৮১) কথা বলার ৫টি বিস্ময়কর টেকনিক, ৮২) কিভাবে মানুষকে আকৃষ্ট করবেন? ৮৩) অকারণে সময় নষ্ট? মেল রবিনের ৫ সেকেন্ড রুল, ৮৪) কর্পোরেট আদবকেতা, ৮৫) ৩৫টি কর্পোরেট কালচার ও আপনার করণীয়, ৮৬) যা না জানলে লজ্জায় পড়তে হয় , ৮৭) কাজের সময়ে যে বিষয়গুলো একেবারেই করা উচিৎ না , ৮৮) ক্যারিয়ারে সাফল্য পেতে ছুড়ে ফেলুন ৭টি দোষ, ৮৯) আকাক্সক্ষা, ইচ্ছে বা স্বপ্ন,
৯০) বক্তৃতা প্রশিক্ষণ, কাজ কিভাবে করবেন? ৯১) আত্মশক্তিতে বলিয়ান হতে, ৯২) একনাগাড়ে চলবেন না, ৯৩) মারফিস ’ল , কাজের রোডম্যাপ তেরি , ৯৪) জব স্যাটিসফেকশন, ৯৫) কাজে সফলতার সূত্রাবলী, ৯৬) যেভাবে জীবনযাপন করবেন, ৯৭) পরিণত বুদ্ধির মানুষেরা যে কাজগুলো কখনোই করেন না, ৯৮) জীবনে দক্ষতা অর্জনের কার্যকর ১২টি উপায়, ৯৯) সঠিক লক্ষ্য নির্ধারণ ও কাজ করার উপায় , ১০০) সফলতা ও সার্থকতা, ১০১) জীবনের ছোট ছোট প্রাপ্তিগুলোকে উপভোগ করা, ১০২) সফলতার কিছু পদ্ধতি, ১০৩) সফল হতে চাইলে যে ৮ টি জিনিস বাদ দেয়া প্রয়োজন, ১০৪) সফল ব্যক্তিরা যে ১০টি কাজ কখনোই করেন না, ১০৫) সর্বদা স্মরণ রাখুন, ১০৬) চিন্তাশক্তি , ১০৭) স্বাধীনতা, ১০৮) জ্ঞান অর্জন খাদ্য গ্রহণের মতো , ১০৯) দৃঢ় প্রতিজ্ঞ হয়ে চেষ্টা করলে কখনোই বিফল হবেন না, ১১০) বুদ্ধির সংজ্ঞা হলো, প্রতিটি কাজ ভেবে-চিন্তে করা, ১১১) ব্যক্তিত্ব, চেহারা ও ব্যক্তিত্ব , ১১২) সেলডন-এর গবেষণা , ১১৩) ব্যক্তিত্ব ও উচ্চারণ, ১১৪) পোশাক ও ব্যক্তিত্ব, ১১৫) প্রথম দেখায় ব্যক্তিত্বের ছাপ, ১১৬) বিচ্ছিন্নতা ব্যক্তিত্বের বড় শত্রু, ১১৭) ব্যক্তিত্বে জিনগত প্রভাব, ১১৮) অন্তর্মুখী ও বহির্মুখী ব্যক্তিত্ব, ১১৯) মনোমুগ্ধকর ব্যক্তিত্বের ১০ বৈশিষ্ট্য, ১২০) ব্যক্তিত্বের উৎকর্ষতার জন্যে ১০ নির্দেশনা, ১২১) কিভাবে ব্যক্তিত্বের বিকাশ ঘটাবেন? , ১২২) নিজেকে স্মার্ট করতে ৫টি কৌশল, ১২৩) আকর্ষণীয় মানুষ হবার ৬টি পরামর্শ, ১২৪) আত্মশুদ্ধি , ১২৫) হতাশ হবেন না, ১২৬) পাছে লোকে কিছু বলে, ১২৭) সুখ-শান্তি উন্নতি , ১২৮) চাহিদা, ১২৯) খাদ্য, ঘুম ও বিশ্রাম, ১৩০) স্বাস্থ্য ভাল রাখার নিয়ম, ১৩১) টেনশন দূর করতে হলে, ১৩২) শুধু নিজের কথা নয়, অন্যের কথাও ভাবুন, ১৩৩) চাহিদা যত বেশি সুখ তত কম, ১৩৪) সুখী জীবনের জন্য ১৮ টি টিপস, ১৩৫) আত্মবিশ্বাস, আত্ম বিশ্বাসের শক্তি, ১৩৬) অজুহাতের ব্যাধিতে আক্রান্ত ব্যর্থ মানুষ, ১৩৭) দি সেভেন হ্যাবিট অফ হাইলি এ্যা ফেক্টিভ পিপল, ১৩৮) সামাজিক আয়না, ১৩৯) প্রোএ্যাক্টিভিটি, ১৪০) সার্কেল অফ ইনফ্লুয়েন্স, ১৪১) শুরু করুন আজই, ১৪২) আপনার কেন্দ্রবিন্দু কোনটি?, ১৪৩) মাথার দুটি অংশই ব্যবহার করুন, ১৪৪) সময়ের ব্যবস্থাপনা, ১৪৫) ব্যক্তিগত ব্যবস্থাপনা, ১৪৬) গুরুত্বপূর্ণ এবং জরুরি, ১৪৭) পরনির্ভরশীল জীবন, ১৪৮) ছয়টি উপায়ে অন্য মানুষের সাথে আদান-প্রদান, ১৪৯) অধ্যয়ন, ১৫০) পড়াশোনায় ১২ কার্যকর কৌশল, ১৫১) ঘুম থেকে উঠতে ১০-৩-২-১-০ ফর্মুলা, ১৫২) আয়-ব্যয়- টাকা, ১৫৩) অন্যকে খুশি করতে পয়সা খরচ যে কারণে অর্থহীন, ১৫৪) খরচের লাগাম টেনে ধরতে.. ১৫৫) নারী, ১৫৬) সম্পর্ককে সুন্দর রাখতে কিছু “মিথ্যা” বলা জরুরী , ১৫৭) ছেলেদের কোন জিনিস দেখে মেয়েরা? , ১৫৮) স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর কিছু অভ্যাস, ১৫৯) ভুঁড়ি ঠেকাতে ৫টি নিয়ম, ১৬০) যেসব কারণে নারীদের স্বাবলম্বী হওয়া উচতি , ১৬১) বিয়ে-সংসার, ১৬২) সফল বিয়ের তিনটি মন্ত্র, ১৬৩) সুখী হবার দারুণ কিছু মূলমন্ত্র, ১৬৪) কিছু গল্প, ১৬৫) ভালোবাসাহীন সম্পর্ক, ১৬৬) কেন স্পর্শের প্রয়োজন হয় প্রতিদিন, ১৬৭) যে কারণে একা থাকাই আপনার জন্য ভালো, ১৬৮) ব্যবসা, ১৬৯) বিক্রয় বৃদ্ধির কৌশল, ১৭০) যে ৭টা ব্যাপার বিজনেসে করবেন না, ১৭১) স্বাস্থ্য, ১৭২) দুগ্ধজাত খাবারে পুরুষের বন্ধ্যত্ব, ১৭৩) একাকিত্বের বিপদ, ১৭৪) কর্মক্ষম ও প্রফুল্ল রাখতে, ১৭৫) মন ভালো করার উপায়, ১৭৬) যৌন স্বাস্থ্য, ১৭৭) পুরুষদের কেজেল, ১৭৮) মহিলাদের কেজেল, ১৭৯) দক্ষতা , ১৮০) আলসেমি দূর করার সহজ কিছু উপায়, ১৮১) কীভাবে সামলাবেন নিন্দুকদের ?, ১৮২) সুখী হতে চাইলে যা কখনোই করবেন না, ১৮৩) সব ভুলে যাচ্ছেন? স্মৃতিশক্তি চাঙ্গা রাখতে ৫টি টিপস, ১৮৪) বয়সের ভারে বৃদ্ধ না হয়ে বরং কাজের ভারে যুবক থাকার চেষ্টা করো, ১৮৫) নিজেকে কাজের সঙ্গে সম্পক্ত করার তিনটে স্টেপ, ১৮৬) জীবনের লক্ষ্য নির্ধারণে দ্রুত পদ্ধতিগুলো, ১৮৭) প্রতিদান পাওয়ার আশায় কাজ করবেন না, ১৮৮) প্রেম একটি মানসিক রোগ, ১৮৯) সম্পর্ক ভেঙ্গে যাবার পর নিজেকে যেভাবে সামলাবে, ১৯০) সময় সবকিছু বদলে দেয়, ১৯১) সম্পর্ক তৈরির ক্ষেত্রে কমন পাঁচটি ভুল, ১৯২) আত্মবিশ্বাস/মনোবল, ১৯৩) প্যারাসুট অফ হ্যাপিনেস, ১৯৪) বারবার ঘুরে দাঁড়াতে হবে, ১৯৫) আত্মবিশ্বাসহীন মানুষের লক্ষণ, ১৯৬) বাড়াও আত্মবিশ্বাস, বাড়বে সফলতা, ১৯৭) প্রাতিষ্ঠানিক সম্পর্ক শক্তিশালী করার টিপস, ১৯৮) কিভাবে ধরে রাখবে দু'জনের সম্পর্ক, ১৯৯) কিভাবে বুঝবে সম্পর্ক শেষ করতে হবে, ২০০) সম্পর্ক যখন প্রেম-ভালোবাসার, ২০১) যেসব বিষয়ের উপর স¤পর্ক গড়ে ওঠে, ২০২) ভালোবাসার অপর নাম প্রয়োজন, ২০৩) সম্পর্কের গুণগত মান বাড়বে কিভাবে, ২০৪) মস্তিস্ক ঠিক রাখার ৩০ উপায়, ২০৫) মানুষের আচরণের পেছনে একটা কারণ থাকে, ২০৬) কোনো কাজে নিজেকে সম্পক্ত না করেই আমরা নিজ ক্যারিয়ারকে এগিয়ে নিয়ে যাই ২০৭) স্রোতের বিপরীতে চিন্তা করুন, ২০৮) আপনার টাইমজোনে সময় আসবেই, ২০৯) চাইল্ডহুড অ্যামনেসিয়া এবং আমাদের শিক্ষণীয়,