পরিবার ও সন্তান
ডায়লগ: মানুষ সবচেয়ে বেশি ভালবাসে নিজের সন্তানকে।
ছন্দ: কাকের বাসায় কোকিলের ছা, জাত স্বভাবে করে রা।
বিশ্লেষণ: ইসরাইলের কয়েকটি হাসপাতালে তিন বছর কাজ করেছেন ড. স্টিফেন কারলিওন। ইহুদীদের কিছু অভ্যাসে তিনি বিস্মিত হন, পবর্তীতে একটি প্রকল্পের আওতায় গবেষণা করেন "কেনো ইহুদীরা এত বুদ্ধিমান হয়?" তা নিয়ে। সকল তথ্য উপাত্ত সঠিকভাবে সংগ্রহ করতে প্রায় আট বছর সময় লেগে যায় তার, যেমন তাদের খাদ্যাভাস, সংস্কৃতি, ধর্ম, গর্ভাবস্থার প্রস্তুতি ইত্যাদি বিষয়ে ব্যাপক পর্যবেক্ষণ করেন তিনি। তিনি দেখেন, জ্ঞান-বিজ্ঞানসহ জীবনের প্রায় প্রতিটি ক্ষেত্রেই অন্যদের থেকে অনেক অনেক এগিয়ে ইহুদীরা। আর ব্যবসায়! পৃথিবীর প্রায় সত্তর ভাগের কাছাকাছি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান এদের দখলে। অথচ পৃথিবীতে ইহুদী জনসংখ্যা মাত্র ১৪ মিলিয়ন, তার মধ্যে ৭ মিলিয়ন আমেরিকায়, ৫ মিলিয়ন এশিয়ায়, ২ মিলিয়ন ইউরোপে। বিপরীতে বিশ্বের মুসলিম জনসংখ্যা : ১.৫ বিলিয়ন।
ড. স্টিফেন ইহুদীদের ৪টি আলাদা বৈশিষ্ট্য দেখতে পান। ইহুদীদের যে জিনিসটা তার প্রথম নজড়ে আসে সেটা হচ্ছে গর্ভবতী মায়েরা সবসময় গান বাজনা এবং তাদের স্বামীদেরকে নিয়ে জ্ঞান-বিজ্ঞান ও সাহিত্যের বিভিন্ন বই পড়েন এবং গণিতের বিভিন্ন সমস্যার সমাধান করেন। গর্ভবতী মহিলারা সবসময় তাদের সাথে এসব বই সাথে নিয়ে ঘুরে বেড়ান। জন্মের পর সন্তান যাতে আরো বেশি মেধাবী হয়ে বেড়ে উঠতে পারে, সেজন্য আত্মীয়-স্বজনরা নিজেদের বাসায় নয় মাস জুড়ে অনুষ্ঠান করেন।
অন্যান্য জাতি এ অনুষ্ঠান করেন নব দ¤পতিকে ঘিরে, ইহুদীরা করে গর্ভবতীকে ঘিরে। এসব অনুষ্ঠানে গর্ভবতী মহিলাদের পুষ্টিকর খাবার খাওয়ানো ও বিভিন্ন বই উপহার দেওয়া ইহুদী সংস্কৃতির একটি অংশ। আর শিশুরা তো তাদের কাছে যেন ঈশ্বর। যার যত ব্যস্ততা থাকুক, পাশে কোনো শিশু দেখলে তাকে আদর না করে, বা তার সাথে কুশল বিনিময় না করে সে পা ফেলবে না। আর পরিচিত করো সাথে দেখা হলে প্রথমেই তার পরিবারের জুনিয়রদের কথা আগে জিজ্ঞেস করবে। শিশু ছাড়া পারিবারিক ভ্রমণ তারা খুব খারাপ চোখে দেখে।
ইহুদীদের দ্বিতীয় বৈশিষ্ট্য হচ্ছে পরিবারে ধুমপান নিষিদ্ধ। অথচ পৃথিবীর বড় বড় সব সিগেরেটের কো¤পানিগুলো সবই ইহুদীদের। যদি আপনি তাদের বাসার অতিথি হয়ে ধুমপান করতে চান, তারা খুব বিনিতভাবে আপনাকে পাবলিক টয়লেটে গিয়ে ধুমপান করবার অনুরোধ জানাবে। তাদের মতে, ধুমপান মস্তিষ্কের কোষগুলোকে ধীরে ধীরে ধ্বংস করে দেয় এবং শরীরের ডিএনএকে ক্ষতিগ্রস্থ করে। ফলে বংশপর¤পরায় ত্রুটিযুক্ত মস্তিষ্কের কোষযুক্ত বাচ্চা জন্মগ্রহণ করবে।
ড. স্টিফেন ধুমপান নিয়ে বিভিন্ন জাতি গোষ্ঠিদেরও তার গবেষণায় রাখেন। তিনি দেখেন, ইন্দোনেশিয়ায় মোটামুটি সবাই ধুমপান করে। সেখানে সিগেরেটের দাম খুবই সস্তা। ফলাফল জনসংখ্যার খুব কমসংখ্যক মানুষ মেধাবী! বাংলাদেশের অবস্থাও অনুরূপ, আর এর কারণ হচ্ছে ধূমপান করার সংস্কৃতি।
এদেশের অলি-গলিতে সিগারেটের দোকান। কোনো জায়গায় বসে আড্ডা দিচ্ছেন, সেখানেও সিগারেট বিক্রেতা হাজির। বড় স্টেশনেও আপনি পুষ্টিকর কোনো খাবার না পেতে পারেন, চায়ের নামে চিনি খাওয়া আর সিগারেট পাবেনই। আমাদের নতুন প্রজন্ম এ ভিত্তির উপর বেড়ে উঠলে তার থেকে শ্রেষ্ঠ কিছু কিভাবে আশা করবেন?
ইহুদীদের তৃতীয় বৈশিষ্ট্যÑ বাচ্চারা কি খাবার খাবে, কি পড়বে, সেটা সবসময় তাদের সোসাইটি ঠিক করে দেয়। বাচ্ছারা খাবার ও খেলাধুলার মাধ্যমে সুস্বাস্থ্য নিয়ে বেড়ে উঠছে কিনা, তাদের সোসাইটি তা নজরদারী রাখে। ইহুদী বাচ্চাদের সাধারণত তিনটি ভাষার উপর দখল থাকেÑ হিব্রু, আরবী এবং ইংরেজী। আইকিউ লেভেল এর বৃদ্ধির জন্য। শিশুকাল থেকেই প্রত্যেকটি বাচ্চাকে ভায়োলিন এবং পিয়ানো বাজানোর প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়। তাদের মতে, সঙ্গীতের ক¤পন মস্তিষ্কের কোষগুলোকে উদ্দীপিত করে। শিশুদের উপর শারিরীক বা মানসিক নির্যাতন বলে কোনো শব্দের সাথে তারা পরিচিত নন।
ইহুদীদের চতুর্থ বৈশিষ্ট্য হচ্ছে, এলাকাভিত্তিক তাদের একটি বাণিজ্য কেন্দ্র থাকে। যেমনÑ আমেরিকায় ইহুদীদের বাণিজ্যিক কেন্দ্র নিউইয়র্কে অবস্থিত। যেখান থেকে তাদের জন্য খাদ্যসামগ্রী সরবরাহ করা হয়। যদি কোনো ইহুদী ব্যক্তির লাভজনক কোনো আইডিয়া থাকে, তাহলে সেই বাণিজ্যিক কেন্দ্র হতে সুদবিহীন মূলধনের ব্যবস্থা করে দেওয়া হয় এবং সেটাকে সফল করতে সব ধরনের সহযোগিতা প্রদান করে থাকে।
একইভাবে ইহুদী কো¤পানি যেমনÑ স্টারবাক্স, লিভাইস, হলিউড, ওরাকল, কোকাকোলা, ডানকিন, ডোনাটসহ যে সকল প্রতিষ্ঠান রয়েছে, তাদের ফ্রী ¯পন্সরশীপ দেওয়া হয়। যেমনÑ ডাক্তারী পাস করে যে সকল ইহুদী ছাত্র-ছাত্রী বের হয় তাদেরকে এই বাণিজ্যিক কেন্দ্রের আওতায় নিবন্ধন করে বেসরকারীভাবে প্র্যাকটিস করতে সুদবিহীন লোনের ব্যবস্থা করে দেওয়া হয়। ফলাফল সব ¯েপশালিস্ট বড় ডাক্তার তারাই।
বিশ্ববিদ্যালয়ের শেষ বছরে ব্যাবসা শিক্ষা অনুষদকে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়। ব্যাবসা শিক্ষার সকল ছাত্র-ছাত্রীদের একটি করে প্রজেক্ট দেওয়া হয় এবং তারাই শুধু মাত্র পাস করতে পারবে যদি তাদের গ্রুপ (প্রতি গ্রুপে আনুমানিক ১০জন) সেই প্রজেক্ট থেকে ইউএসডি এক মিলিয়ন ডলার লাভ করতে পারে। এটাই বাস্তবতা। এবং এই কারণে পৃথিবীর প্রায় সব বড় ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ইহুদীদের দখলে। আমরা কি ইহুদীদের মতন এমন একটা বুদ্ধিমান প্রজন্ম তৈরি করতে পারবো? উত্তর হ্যাঁ হবে যদি আপনি এই লাইফ শাইনিং মেথড বইখানা এবং কাগজবার্তার প্রতিসংখ্যা পরিবার ও বন্ধুদের পড়তে উৎসাহিত করতে পারেন।
টিকা: মানুষের সমাজ সভ্যতা একসময় মাতৃতান্ত্রিক ছিলো। একটি শিশুর জন্মপ্রক্রিয়া ঠিক কি কারণে, এবং কি প্রক্রিয়ায় ঘটে, এ ব্যাপারে মানুষের বস্তুনিষ্ট জ্ঞান ছিলো না। সন্তান উৎপাদনের প্রক্রিয়াটিকে তারা স¤পুর্ণরূপে ঐশ্বরিক শক্তির ‘নির্দেশনার ব্যাপার’ বলে বিশ্বাস করেছিলো। পিতৃত্বের কোনো দাবি ছিলো না; ছিলো শুধু মাতৃত্বের দাবি। কারণ, প্রত্যক্ষ দৃষ্টিতে মাতাই সন্তান জন্মদান করতো। একসময় মানুষ জানতে পারলো, যে, সন্তানটি তার নিজেরও অংশ। তখন থেকেই মূলত অনাগত সন্তানের প্রতি পুরুষের সৃষ্টি হয় কর্তৃত্ব, দায়িত্ব, মায়াবোধ, ভালবাসা। .পুরুষরা পরিবারের অনাগত সন্তানটিকে নিজের সন্তান বলে নিশ্চিত হতে চাইছিলো। এজন্য প্রথমেই নারীকে নির্দিষ্ট একজন পুরুষের আওতায় থাকার প্রয়োজন হলো। এভাবে একসময় দীর্ঘকালের মাতৃতান্ত্রিক সমাজব্যবস্থা দ্রুত ভেঙে পড়ে। তবে এটি নিশ্চিত যে, আগামীতে পিতৃত্বের ধারণা বিলুপ্ত হবে। কেনো এবং কিভাবে? এর কারণ হিসেবে প্রধানত দুটি ঘটনাকে দায়ী করা যায়।
১। পুরুষতন্ত্রের নি®েপষণে নারীবাদের উত্থান এবং নারীর ক্ষমতায়ন।
২। আধুনিক রাষ্ট্রব্যবস্থায় এখন ক্রমশই পিতার স্থান দখল করছে রাষ্ট্র। আধুনিক রাষ্ট্রে যদি সকল প্রকার নাগরিক সুযোগ সুবিধা দেওয়া হয়,(উন্নত বিশ্বের মতো) তবে অদূর ভবিষ্যতে পিতার স্থানটি তার ঐতিহাসিক গুরুত্ব হারাবে। প্রকৃত ঘটনা হলো, পুরুষ (পিতা) ছাড়াও তখন একটি শিশু বড় হতে পারে কিন্তু নারী (মাতা) ছাড়া শিশুর কথা চিন্তাও করা যায় না। সেহেতু তখন স্বাভাবিকভাবেই ভবিষ্যতের পরিবারে পুরুষের চাইতে নারীই হয়ে উঠবে গুরুত্বপূর্ণ। আর পরিবারে পিতার তেমন প্রয়োজন থাকবে না। নারী পুরুষের স¤পর্ক তখন কেবল জৈবিক প্রবৃত্তি নিবারণের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকবে। নির্দিষ্ট একজন পুরুষের সাথেই নারীকে আজীবন সঙ্গী হয়ে থাকতে হবে, এমন ধারণার মৃত্যু ঘটবে তখন।
সূচিপত্র
১) ছোটদের সাথে আমাদের আচরণ ২) পরিবার ও সন্তান, সুপার পাওয়ার যেভাবে তৈরি হয়, ৩) দীর্ঘস্থায়ী ভয়ের উৎপত্তির মূলে শৈশবকালে ঘটে যাওয়া ঘটনার প্রভাব , ৪) সন্তানের উৎসাহ এবং উদ্দীপনা বাড়ানো, ৫) আপনার শিশুটি ঘুমুক শান্তিতে এবং নির্ভরতায় , ৬) কিছু অব্যর্থ টিপস, যা আপনার শিশুকে পড়াশোনায় আগ্রহী করে তুলবে, ৭) শিশুকে কিভাবে বড় করবেন, ৮) বাচ্চাদের মস্তিষ্ক বিকাশে কী করবেন? ৯) বাচ্চাদের বুদ্ধি বিকাশের অন্যতম পথ, দৌড়, ১০) বাচ্চাকে কখনো আড়ালে লুকিয়ে খেতে দেবেন না, ১১) পিটার সিংগারের দর্শন, ১২) দুষ্টু শিশুরা তাড়াতাড়ি শেখে, ১৩) সন্তানকে যতই শাস্তি দেবেন ততই সে অসামাজিক হবে, ১৪) বাবা-মাই সন্তানকে নির্যাতন করেন সবচেয়ে বেশি , ১৫) সন্তানের সাথে কিভাবে গড়ে তুলবেন নিবিড় বন্ধন, ১৬) যে ১১টি কথা শিশুকে কখনোই বলবেন না!, ১৭) শিশুকে গল্প শোনান প্রতিদিন, ১৮) সন্তানের আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধির ১০টি কৌশল, ১৯) সৃজনশীলতা হচ্ছে নতুন কিছু করার যোগ্যতা, ২০) যারা মুখস্থ করতে পারেন না, ২১) তারা মেধাবী, মেধাবী হওয়ার উপায়,
২২) কথা ও ভাষা, ২৩) এলিভেটর পিচ, ২৪) সুন্দর করে কথা বলে সমস্যা জয়ের কৌশল, ২৫) ফোনে কথা বলার আদবকেতা, ২৬) ১২টি কর্ম বিধান, ২৭) ভালোবাসার অপর নাম প্রয়োজন, ২৮) আলতু-ফালতু কাজে সময় অপচয় করে স্বপ্ন পূরণের কল্পনা, ২৯) স্ট্রেস ম্যানেজমেন্ট, ৩০) চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিন পিং-এর জীবন থেকে শিক্ষা, ৩১) অভিজ্ঞতা ও অতীত থেকে শিক্ষা গ্রহণ, ৩২) বর্তমানকে সবচেয়ে বেশি মূল্য দিন, ৩৩) ২৪ ঘণ্টা কেউ সুখী হয় না, ৩৪) কিছু অভ্যাস যা আপনাকে আরও সুখী করবে , ৩৫) আপনার অবয়ব , ৩৬) সফলতার 25টি হট কৌশল-1, ৩৭) সাফল্যের 25টি হট কৌশল-2, ৩৮) সফলতার 55 সূত্র, ৩৯) কিভাবে নিজেকে নেতা হিসেবে গড়ে তুলবে, ৪০) সময় ব্যবস্থাপনা, ৪১) সময় ব্যবস্থাপনার তিনটি ধাপ, ৪২) সময়কে যথাযথভাবে কাজে লাগানোর উপায়গুলো, ৪৩) সাফল্য, ড. কোভের ইমোশনাল একাউন্ট কনসেপ্ট, ৪৪) সবচে বড় ইমোশনাল একাউন্ট, ৪৫) আপনার ইমোশনাল একাউন্ট, ৪৬) বুদ্ধি ও বিবেচনাবোধ বর্জিত কর্মফল বিপজ্জনক, ৪৭) অন্যদের দিয়ে আপনার কাজ করান কিন্তু সম্মান আপনি অর্জন করুন, ৪৮) অন্য লোকেরা আপনার কাছে আসুক দরকার হলে টোপ দিন, ৪৯) অসুখী এবং ভাগ্যহীনদের বর্জন করুন, ৫০) লোককে আপনার ওপর নির্ভরশীল করুন , ৫১) নেওয়ার পূর্বে দেওয়া অন্য বক্তির স্বার্থ বুঝুন, ৫২) শত্রুকে খাটো করে দেখবেন না, ৫৩) নিজেকে রক্ষা করার জন্য চারিদিকে দুর্গ নির্মাণ করবেন না, ৫৪) কারোর পক্ষ অবলম্বন করে বসে থাকবেন না, ৫৫) আপনার শক্তিসমূহকে সংহত করুন, ৫৫) নিজের ভুলগুলোকে লুকিয়ে রাখুন, ৫৬) শুধু সাহসের জোরে নয়, পরিণতিও বিবেচনায় রাখুন, ৫৭) প্রতিটি মানুষের গোপন ইচ্ছা খুঁজে বের করুন, ৫৮) রাগ বিপজ্জনক ও অভদ্রতা, ৫৯) কোনো দলকে ধরার জন্য দলপতিকে প্রথমে ধরুন, ৬০) নিজেকে গুরুত্বপূর্ণ মনে করুন, গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবেন, ৬০) পরিবেশ সামলাতে শিখুন, ৬১) প্রথম শ্রেণির মানুষ হয়ে উঠুন, ৬২) আপনার সামাজিক পরিবেশ ‘প্রথম শ্রেণি’র করে তোলার উপায়, ৬৩) ‘সস্তার তিন অবস্থা’ প্রধম শ্রেণিভুক্ত হয়ে উঠুন , ৬৪) যত বেশি বন্ধুত্ব তত বেশি উপরে ওঠার সম্ভাবনা, ৬৫) সাহস করে কাজটা শুরু করুন, ৬৬) সাফল্য মানে বারবার ভিন্নভাবে চেষ্টা করা, ৬৭) ১- ১০ ভাল অভ্যাস, ১১- ২০ ভাল অভ্যাস, ২১- ৩০ ভাল অভ্যাস, ৩১- ৪০ ভাল অভ্যাস, ৪১- ৫০ ভাল অভ্যাস, ৫১- ৬০ ভাল অভ্যাস, ৬১- ৭০ ভাল অভ্যাস, ৭১- ৮০ ভাল অভ্যাস, ৮১- ৯০ ভাল অভ্যাস, ৯১- ১০২ ভাল অভ্যাস, ৬৮) জিরো থেকে হিরো, ৬৯) সৃজনশীলদের সফলতার ৭ সূত্র, ৬৯) জীবনে পরিবর্তন আনুন ৪৮টি উপায়ে, ৭০) জীবন-যাপন, ৭১) জাপানী ও চিন লাইফ স্টাইল , ৭২) ৩০টি দর্শন, যা আপনার জীবনে কাজে লাগবে, ৭৩) সম্পর্ক তৈরি করা, বন্ধুত্ব, ৭৪) যে আচরণগুলো মানুষের মনের কথা জানাবে, ৭৫) কথা বলার সূত্র, ৭৬) আপনি ও আপনার ব্যবহার, ৭৭) নিজেকে সঠিকভাবে উপস্থাপন করা, ৭৮) কথা বলার কতিপয় গুরুত্বপূর্ণ নিয়ম, ৭৯) কিভাবে নিজেকে বিনয়ী হিসেবে উপস্থাপন করবেন, ৮০) কিভাবে বুদ্ধিদীপ্ত কথা বলবেন, ৮১) কথা বলার ৫টি বিস্ময়কর টেকনিক, ৮২) কিভাবে মানুষকে আকৃষ্ট করবেন? ৮৩) অকারণে সময় নষ্ট? মেল রবিনের ৫ সেকেন্ড রুল, ৮৪) কর্পোরেট আদবকেতা, ৮৫) ৩৫টি কর্পোরেট কালচার ও আপনার করণীয়, ৮৬) যা না জানলে লজ্জায় পড়তে হয় , ৮৭) কাজের সময়ে যে বিষয়গুলো একেবারেই করা উচিৎ না , ৮৮) ক্যারিয়ারে সাফল্য পেতে ছুড়ে ফেলুন ৭টি দোষ, ৮৯) আকাক্সক্ষা, ইচ্ছে বা স্বপ্ন,
৯০) বক্তৃতা প্রশিক্ষণ, কাজ কিভাবে করবেন? ৯১) আত্মশক্তিতে বলিয়ান হতে, ৯২) একনাগাড়ে চলবেন না, ৯৩) মারফিস ’ল , কাজের রোডম্যাপ তেরি , ৯৪) জব স্যাটিসফেকশন, ৯৫) কাজে সফলতার সূত্রাবলী, ৯৬) যেভাবে জীবনযাপন করবেন, ৯৭) পরিণত বুদ্ধির মানুষেরা যে কাজগুলো কখনোই করেন না, ৯৮) জীবনে দক্ষতা অর্জনের কার্যকর ১২টি উপায়, ৯৯) সঠিক লক্ষ্য নির্ধারণ ও কাজ করার উপায় , ১০০) সফলতা ও সার্থকতা, ১০১) জীবনের ছোট ছোট প্রাপ্তিগুলোকে উপভোগ করা, ১০২) সফলতার কিছু পদ্ধতি, ১০৩) সফল হতে চাইলে যে ৮ টি জিনিস বাদ দেয়া প্রয়োজন, ১০৪) সফল ব্যক্তিরা যে ১০টি কাজ কখনোই করেন না, ১০৫) সর্বদা স্মরণ রাখুন, ১০৬) চিন্তাশক্তি , ১০৭) স্বাধীনতা, ১০৮) জ্ঞান অর্জন খাদ্য গ্রহণের মতো , ১০৯) দৃঢ় প্রতিজ্ঞ হয়ে চেষ্টা করলে কখনোই বিফল হবেন না, ১১০) বুদ্ধির সংজ্ঞা হলো, প্রতিটি কাজ ভেবে-চিন্তে করা, ১১১) ব্যক্তিত্ব, চেহারা ও ব্যক্তিত্ব , ১১২) সেলডন-এর গবেষণা , ১১৩) ব্যক্তিত্ব ও উচ্চারণ, ১১৪) পোশাক ও ব্যক্তিত্ব, ১১৫) প্রথম দেখায় ব্যক্তিত্বের ছাপ, ১১৬) বিচ্ছিন্নতা ব্যক্তিত্বের বড় শত্রু, ১১৭) ব্যক্তিত্বে জিনগত প্রভাব, ১১৮) অন্তর্মুখী ও বহির্মুখী ব্যক্তিত্ব, ১১৯) মনোমুগ্ধকর ব্যক্তিত্বের ১০ বৈশিষ্ট্য, ১২০) ব্যক্তিত্বের উৎকর্ষতার জন্যে ১০ নির্দেশনা, ১২১) কিভাবে ব্যক্তিত্বের বিকাশ ঘটাবেন? , ১২২) নিজেকে স্মার্ট করতে ৫টি কৌশল, ১২৩) আকর্ষণীয় মানুষ হবার ৬টি পরামর্শ, ১২৪) আত্মশুদ্ধি , ১২৫) হতাশ হবেন না, ১২৬) পাছে লোকে কিছু বলে, ১২৭) সুখ-শান্তি উন্নতি , ১২৮) চাহিদা, ১২৯) খাদ্য, ঘুম ও বিশ্রাম, ১৩০) স্বাস্থ্য ভাল রাখার নিয়ম, ১৩১) টেনশন দূর করতে হলে, ১৩২) শুধু নিজের কথা নয়, অন্যের কথাও ভাবুন, ১৩৩) চাহিদা যত বেশি সুখ তত কম, ১৩৪) সুখী জীবনের জন্য ১৮ টি টিপস, ১৩৫) আত্মবিশ্বাস, আত্ম বিশ্বাসের শক্তি, ১৩৬) অজুহাতের ব্যাধিতে আক্রান্ত ব্যর্থ মানুষ, ১৩৭) দি সেভেন হ্যাবিট অফ হাইলি এ্যা ফেক্টিভ পিপল, ১৩৮) সামাজিক আয়না, ১৩৯) প্রোএ্যাক্টিভিটি, ১৪০) সার্কেল অফ ইনফ্লুয়েন্স, ১৪১) শুরু করুন আজই, ১৪২) আপনার কেন্দ্রবিন্দু কোনটি?, ১৪৩) মাথার দুটি অংশই ব্যবহার করুন, ১৪৪) সময়ের ব্যবস্থাপনা, ১৪৫) ব্যক্তিগত ব্যবস্থাপনা, ১৪৬) গুরুত্বপূর্ণ এবং জরুরি, ১৪৭) পরনির্ভরশীল জীবন, ১৪৮) ছয়টি উপায়ে অন্য মানুষের সাথে আদান-প্রদান, ১৪৯) অধ্যয়ন, ১৫০) পড়াশোনায় ১২ কার্যকর কৌশল, ১৫১) ঘুম থেকে উঠতে ১০-৩-২-১-০ ফর্মুলা, ১৫২) আয়-ব্যয়- টাকা, ১৫৩) অন্যকে খুশি করতে পয়সা খরচ যে কারণে অর্থহীন, ১৫৪) খরচের লাগাম টেনে ধরতে.. ১৫৫) নারী, ১৫৬) সম্পর্ককে সুন্দর রাখতে কিছু “মিথ্যা” বলা জরুরী , ১৫৭) ছেলেদের কোন জিনিস দেখে মেয়েরা? , ১৫৮) স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর কিছু অভ্যাস, ১৫৯) ভুঁড়ি ঠেকাতে ৫টি নিয়ম, ১৬০) যেসব কারণে নারীদের স্বাবলম্বী হওয়া উচতি , ১৬১) বিয়ে-সংসার, ১৬২) সফল বিয়ের তিনটি মন্ত্র, ১৬৩) সুখী হবার দারুণ কিছু মূলমন্ত্র, ১৬৪) কিছু গল্প, ১৬৫) ভালোবাসাহীন সম্পর্ক, ১৬৬) কেন স্পর্শের প্রয়োজন হয় প্রতিদিন, ১৬৭) যে কারণে একা থাকাই আপনার জন্য ভালো, ১৬৮) ব্যবসা, ১৬৯) বিক্রয় বৃদ্ধির কৌশল, ১৭০) যে ৭টা ব্যাপার বিজনেসে করবেন না, ১৭১) স্বাস্থ্য, ১৭২) দুগ্ধজাত খাবারে পুরুষের বন্ধ্যত্ব, ১৭৩) একাকিত্বের বিপদ, ১৭৪) কর্মক্ষম ও প্রফুল্ল রাখতে, ১৭৫) মন ভালো করার উপায়, ১৭৬) যৌন স্বাস্থ্য, ১৭৭) পুরুষদের কেজেল, ১৭৮) মহিলাদের কেজেল, ১৭৯) দক্ষতা , ১৮০) আলসেমি দূর করার সহজ কিছু উপায়, ১৮১) কীভাবে সামলাবেন নিন্দুকদের ?, ১৮২) সুখী হতে চাইলে যা কখনোই করবেন না, ১৮৩) সব ভুলে যাচ্ছেন? স্মৃতিশক্তি চাঙ্গা রাখতে ৫টি টিপস, ১৮৪) বয়সের ভারে বৃদ্ধ না হয়ে বরং কাজের ভারে যুবক থাকার চেষ্টা করো, ১৮৫) নিজেকে কাজের সঙ্গে সম্পক্ত করার তিনটে স্টেপ, ১৮৬) জীবনের লক্ষ্য নির্ধারণে দ্রুত পদ্ধতিগুলো, ১৮৭) প্রতিদান পাওয়ার আশায় কাজ করবেন না, ১৮৮) প্রেম একটি মানসিক রোগ, ১৮৯) সম্পর্ক ভেঙ্গে যাবার পর নিজেকে যেভাবে সামলাবে, ১৯০) সময় সবকিছু বদলে দেয়, ১৯১) সম্পর্ক তৈরির ক্ষেত্রে কমন পাঁচটি ভুল, ১৯২) আত্মবিশ্বাস/মনোবল, ১৯৩) প্যারাসুট অফ হ্যাপিনেস, ১৯৪) বারবার ঘুরে দাঁড়াতে হবে, ১৯৫) আত্মবিশ্বাসহীন মানুষের লক্ষণ, ১৯৬) বাড়াও আত্মবিশ্বাস, বাড়বে সফলতা, ১৯৭) প্রাতিষ্ঠানিক সম্পর্ক শক্তিশালী করার টিপস, ১৯৮) কিভাবে ধরে রাখবে দু'জনের সম্পর্ক, ১৯৯) কিভাবে বুঝবে সম্পর্ক শেষ করতে হবে, ২০০) সম্পর্ক যখন প্রেম-ভালোবাসার, ২০১) যেসব বিষয়ের উপর স¤পর্ক গড়ে ওঠে, ২০২) ভালোবাসার অপর নাম প্রয়োজন, ২০৩) সম্পর্কের গুণগত মান বাড়বে কিভাবে, ২০৪) মস্তিস্ক ঠিক রাখার ৩০ উপায়, ২০৫) মানুষের আচরণের পেছনে একটা কারণ থাকে, ২০৬) কোনো কাজে নিজেকে সম্পক্ত না করেই আমরা নিজ ক্যারিয়ারকে এগিয়ে নিয়ে যাই ২০৭) স্রোতের বিপরীতে চিন্তা করুন, ২০৮) আপনার টাইমজোনে সময় আসবেই, ২০৯) চাইল্ডহুড অ্যামনেসিয়া এবং আমাদের শিক্ষণীয়,