22, 23, 24, 25, 26 , 27, 29, 36, 48, 56, 70, 71, 72, 73, 74, 75, 80, 88, 122, 123, 126, 128, 131,
মস্তিস্ক ঠিক রাখার ৩০ উপায়
পৃথিবীর সবচেয়ে শক্তিশালী ক¤িপউটার আমাদের ব্রেন। কিন্তু শরীরের মতো আমাদের মস্তিস্কেরও ব্যায়াম দরকার। ৩০টি বিভিন্ন ব্যায়ামের মাধ্যমে আমরা আমাদের মস্তিস্ক দীর্ঘকাল সক্রিয় থাকতে পারে।
১. তেলসমৃদ্ধ মাছ ও ছোট মাছ মস্তিস্কের জন্য সবচেয়ে উপকারী। যাতে আছে প্রচুর পরিমাণে ওমেগা থ্রী ফ্যাটি এসিড আছে, তা আমাদের মস্তিস্ককে তাজা ও সক্রিয় রাখতে সাহায্য করে। এবং আমাদের মনোসংযোগ ক্ষমতা বাড়িয়ে দেয়। ছোট শিশুদের ছয় সপ্তাহ ওমেগা থ্রী দেওয়ার পর দেখা যায়, তাদের মনে রাখার ক্ষমতা বেড়ে গেছে। ওমেগা থ্রী বর্তমানে সাপ্লিমেন্ট হিসাবেও পাওয়া যায়।
২. আমাদের মস্তিস্কের জন্য সবচেয়ে দরকারি খাবার হলো সকালের খাবার। দশ-বারো ঘণ্টা না খেয়ে থাকার পর মস্তিস্ক ও শরীরে জ্বালানির দরকার হয়। সকালের খাবার না খাওয়া কেবল আমাদের মেটাবলিজমের জন্যই খারাপ নয়, তা আমাদের মস্তিস্ককে একেবারে ভোঁতা বানিয়ে দিতে পারে। যে শিশু সকালে নাশতা খেয়ে স্কুলে যায়, সে খুব ভালো মনোসংযোগ করতে পারে।
৩.
৪. তরকারিতে যে হলুদ আছে তা আমাদের আলঝেইমার থেকে বাঁচায়। পশ্চিমের লোকেরা আলঝেইমারে ভোগে বেশি। পশ্চিমে 'কারি' এবং হলুদের ট্যাবলেট এখন অত্যন্ত জনপ্রিয়। তাই হলুদ দেওয়া তরকারি খেতে হবে সবসময়।
৫. প্রতিদিন নতুন কিছু শেখা প্রয়োজন। শেখার কোনো বয়স থাকে না। নতুন প্রবন্ধ, নতুন ভাষা, নতুন মিউজিক, নতুন নাটক/সিনেমা/টকশো বা যে কোনো বিষয়ে শেখা আমাদের ব্রেন সেলগুলোকে সক্রিয় রাখে। কাজেই শিশুরা অনায়াসে দুই-তিনটি ভাষা শিখতে পারে।
৬.
৭. গান করার ক্ষমতা আমাদের ব্রেনের শক্তি বাড়িয়ে দেয়। কারণ গান আমাদের ব্রেনে অনেক বেশি অক্সিজেন বহন করে নিয়ে যায়। আমরা যখন গান বা কবিতার চরণ আমরা মুখস্থ করি, তা মস্তিস্কের একটি ভালো ব্যায়ামের কাজ করে।
৮. প্রোটিন ব্রেনের জন্য ভালো। বরবটি, ডিম, চর্বিবিহীন মাংস, বাদাম, ডাল এবং মাছ ভাল প্রোটিনের উৎস। আবার অনেক প্রোটিনে আছে আমিনো এসিড এবং টিপটোফ্যান, যা 'নিউরোট্রানফিটার' বাড়িয়ে আমাদের মুড ভালো করে দেয়।
৯. অল্পবিস্তর ক্যাফিন মানে দিনে তিন কাপ চা বা কফি (চিনি ব্যতিত)আমাদের ব্রেনকে জাগিয়ে রাখতে পারে। চা/কপির মধ্যে যে নিউরোট্রানফিটার বিরাজ করে, তা ডোপামাইন নামে পরিচিত। এ জিনিস আমাদের জাগায়, এ্যক্টিভ রাখে।
১০. সঙ্গীত অর্থাৎ গান শোনা আমাদের মস্তিস্কের কাজ করার ক্ষমতা বাড়িয়ে দেয়। অল্প বয়স থেকে যে শিশু গান শোনে, তার মনোসংযোগ ক্ষমতা বেড়ে যায় ও সে ধীরস্থির হয়।
১১. একটা হবি থাকা ভালো। যেসব বয়স্ক মানুষ মধ্য বয়সেও একটি হবি নিয়ে থাকেন, তাদের আলঝেইমারে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা কমে যায়। যেমন এনেকের হবি আড্ডা দেওয়া।
১২. গাছ-গাছড়া, লতা-পাতা ও ফল মস্তিস্কের জন্য অত্যন্ত উপকারী। ধনে পাতা, পুদিনা পাতা, লেটুস পাতা, সেজনা, মিন্ট এবং যাবতীয় শাক-সবজি আমাদের খাদ্য তালিকায় সংযুক্ত করা প্রয়োজন।
১৩. যখন টেলিভিশন দেখা হয়, তখন কল্পনা, ভাবনা কাজ করে না, অর্থাৎ ব্রেনের তেমন কিছু করার থাকে না। তখন ব্রেন চলে যায় নিউট্রাল অবস্থায়। ক্লিভল্যান্ডের ওয়েস্টার্ন রিজার্ভ ইউনিভার্সিটির স্কুল অব মেডিসিন পরীক্ষা করে দেখেছে, ব্রেন হেলথের জন্য টেলিভিশনের চেয়ে বাজে জিনিস আর কিছু নেই।
১৪. পুরনো অ্যালবাম দেখা, পুরানো কথা শুনা ভালো, তা আমাদের দীর্ঘদিনের নানা স্মৃতি মনে করিয়ে দেয়; যা ব্রেনের জন্য উপকারী 'সেরোটিন' উৎপাদিত হতে পারে।
১৫. হাঁটা ও দৌড়ানো ব্রেনের জন্য অত্যন্ত ভালো। কারণ হাঁটা ব্রেনের গ্লণ্ডকোস এবং অক্সিজেন বাড়িয়ে দেয়। তাই হাঁটার বিকল্প নেই।
১৬. ঘুম আমাদের সেই জিনিস, যা আমাদের শরীরের ব্যাটারিগুলোকে চার্জ করে তাকে সক্রিয় করে তোলে। তাই ভালো ঘুমের বিকল্প নেই। এতে আমাদের মনোসংযোগ ও শেখার ক্ষমতা বেড়ে যায়।
১৭. একটু সৃষ্টিশীল হোন। কল্পনাশক্তি বাড়ে এমন কাজ যেমন বই পড়া প্রতিদিন চর্চা রাখুন। টিভি বা ইউটিউবে কাহিনীচিত্র দেখার চেয়ে বই পড়ে চিত্রটি মনের চোখে কল্পনা করুন।
১৮.
১৯. ক্রশওয়ার্ড পাজল আমাদের ব্রেনের একটি উপকারী ব্যায়াম। এটা ব্রেনের ক্ষমতা বাড়ায় ও আমাদের ভাষার শব্দভাণ্ডারকেও সমৃদ্ধ করে। জাপানী সুডোকো নামের যে খেলা এখন বাজারে, এ আমাদের ব্রেনের জন্য উপকারী।
২০.
২১.
২২. কোনো ইলেকট্রিক গ্যাজেট্, ইন্টারনেট, ক¤িপউটার, সার্ফিং সব ব্রেনের জন্য খুব ভালো।
২৩. নাচ একটি ভালো জিনিস। ঘরের দরজা বন্ধ করে গান ছেড়ে দিয়ে নাচতে থাকুন। শরীর ঝাকানোতে মস্তিষ্কে অক্সিজেন সরবরাহ বাড়ে।
২৪. প্রচুর পানি পান করতে হবে। আমাদের ব্রেন তৈরি হয়েছে আশিভাগ পানি দিয়ে। কাজেই অন্তত প্রতিদিন দুই লিটার পানি পান করতে হবে।
২৫. বিয়ে করুন। যারা যৌনতাও সুখী, তাদের ডিমেনশিয়া বা স্মৃতিশক্তি লোপ কম হয়।
২৬. স্ট্রেস বা চাপ থাকা ভালো। মানে স্বাস্থ্যকর চাপ। তবে খুব বেশি চাপ ক্ষতিকর।
২৭. ধূমপান একেবারে বর্জন করতে হবে। ভালোবেসে কেউ কাউকে সিগারেট উপহার দেবেন না। নারী, শিশু এবং অধুমপায়ীদের থেকে অনেক দুরত্বে গিয়ে খোলা তেপান্তরে গিয়ে ধুমপান করুন।
২৮. ব্লাডপ্রেসারের সমস্যা না থাকলে লেবু চিপে বা তেতঁল গুলিয়ে অতি কম মিষ্টির শরবত আমাদের মস্তিস্কের জন্য অত্যন্ত ভালো।
২৯. প্রচুর হাসুন। প্রাণ খুলে হাহা করে। শরীর ও মনের জন্য ভালো। প্রয়োজনে সমমনাদের নিয়ে হাসির ক্লাব গড়ে তুলুন।
৩০. কাজের ফাঁকে ফাঁকে বিরতি দিন, বিশ্রাম নিন। জোর করে এক নাগাড়ে কাজ করবেব না। প্রতি পঁচিশ মিনিটে পাঁচ মিনিটের বিরতি নিন। প্রত্যেক দু’ঘণ্টায় বড়সড় বিরতি নিন। এমন ছোটখাটো বিরতি আপনাকে আরো উদ্যমী, কর্মঠ ও সাহসী করে তুলবে। এটিকে বলা হয় ‘পমোডোরো প্রক্রিয়া’।
ছোটদের সাথে আমাদের আচরণ
আজকাল প্রায় সব বাড়িতেই মা-বাবা কর্মরত। সন্তান থাকে তাঁদের দেখভালের জন্য নিযুক্ত মানুষের কাছে। স্কুল, পড়াশোনা, কারিকুলামের চাপে খেলা প্রায় বন্ধ। খেললেও তা বাড়ির মধ্যে কম্পিউটারে বা মোবাইলে। স্কুলজীবন শুরু হলেও সে আর পাঁচটা বাচ্চার সঙ্গে মিশতে পারছে না। ছোট বয়সেই ঘিরে ধরছে একাকিত্ব। ছোট থেকেই এই সমস্যা না সামলালে পরে তা বড় আকার নেবে।
সন্তানকে বন্দি করে রাখবে না: অনেক অভিভাবক তাঁর সন্তানকে কাছছাড়া করে না। যে কোনো অনুষ্ঠানবাড়ি বা বেড়াতে গিয়েও সব সময় সন্তানকে কিছু না কিছু দিয়ে চোখের সামনে বন্দি করে বসিয়ে রাখে। কোনো কোনো অভিভাবক আবার সন্তানের সঙ্গে কেউ কথা বলতে এলে নিজেরাই উত্তর দিতে থাকে। এতে তার নিজের সম্পর্কে বলার, মেলামেশার অভ্যাস তো তৈরি হয়ই না, উল্টে ভিতরে ভিতরে ভয়ও দানা বাঁধে। তাই সন্তানকেই সাহায্য করতে হবে গুছিয়ে উত্তর দিতে। চোখের সামনে রেখে সকলের সঙ্গে সাবলীলভাবে মিশতে দিতে হবে। মনে রাখবে, কোনো শিশুই ফেলনা নয়, কাজে লাগাতে জানলে পাশের ময়লাও কাজে লাগে। একটা উদাহরণ দিই। আইনস্টাইনের মতো অটিজমে (মানসিক প্রতিবন্ধকতা; নিম্নমান বুদ্ধিস¤পন্ন) আক্রান্ত জ্যাকব বার্নেট লেখাপড়া তো দূরে থাক, কথাই বলতে পারত না, চিকিৎসক সাফ জানিয়ে দিয়েছিলেন, সমাজের অন্য শিশুদের মতো কথা বলা ও কাজ করার ক্ষমতা নেই তার, পারবেও না কোনো দিন। কিন্তু চিকিৎসকের এই কথাকে ভুল প্রমাণ করে অনন্য নজির গড়লেন জ্যাকব।
মাত্র ১৭ বছর বয়সেই সে তাত্ত্বিক পদার্থবিজ্ঞানে পিএইচডি ডিগি লাভ করেন আমেরিকার ইন্ডিয়ানা অঙ্গরাজ্যে। ছোটবেলায় তাকে অটিজম ¯েপশাল স্কুলে ভর্তি করানো হয়েছিল। এসময় তার কথা বলা একদম বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। এমনকি কারো দিকে সে চোখ খুলে দেখত না। কেউ কথা বললে বা ডাকলে সাড়া দিত না। কেউ জড়িয়ে ধরতে গেলে সে তাকে ধাক্কা দিয়ে সরে যেত। এই অবস্থা থেকে উত্তরণের জন্য জ্যাকবের নার্সারি স্কুলশিক্ষিকা মা তাকে বাড়িতেই শেখানোর চেষ্টা করেছেন এবং তার সঙ্গে কিছু অদ্ভুত আচরণের মাধ্যমে চিত্রাঙ্কন, গণিত ও ধাঁধার সমাধান করতেন। এভাবেই সে অঙ্ক ও বিজ্ঞানের জটিল বিষয়গুলো স¤পর্কে জেনে যায়। এই চেষ্টা কাজে লেগে যায়। পরে জ্যাকবকে স্কুলে ভর্তি করানো হয়। সেখানে মাত্র দুই সপ্তাহের মধ্যেই হাইস্কুলের পুরো গণিত সে আয়ত্তে নিয়ে আসে। বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী শিশু জ্যাকবের বুদ্ধিতে বিস্মিত হয়ে মাত্র ১০ বছর বয়সে হাইস্কুল থেকে ইন্ডিয়ানার প্রুডিউ বিশ্ববিদ্যালয় তাকে ভর্তি করিয়ে নেয়। সেখানে সে সহপাঠীদের অ্যাডভান্সড ম্যাথমেটিকস পড়িয়ে বেশ অর্থও উপার্জন করে জ্যাকব। এখানেই আইনস্টাইনের থিওরি অব রিলেটিভিটি নিয়েও কাজ করেছে জ্যাকব।
বুদ্ধিমত্তার বিচারে একজন সাধারণ মানুষের আইকিউ পয়েন্ট থাকে ১০০। যাদের আইকিউ পয়েন্ট ১৪০ তারা নিঃসন্দেহে প্রতিভাবান। আলবার্ট আইনস্টাইন বুদ্ধিমত্তার কোনো পরীক্ষায় অংশ না নিলেও ধারণা করা হয়, তাঁর আইকিউ বা বুদ্ধ্যঙ্ক ১৬০। আর জ্যাকবের আইকিউ পয়েন্ট আইনস্টাইনের চেয়েও অনেক বেশি। তার এই পয়েন্ট হলো ১৭০। কিস্তু এখনো নিজের জুতোর ফিতেটাও ঠিকমতো বাঁধতে পারে না সে। অথচ আজকে সে এগিয়ে যাচ্ছে ইতিহাসের কাছাকাছি। কাজেই আপনার শিশুটিকেও এক বিশাল সম্ভাবনা হিসেবে দেখুন এবং প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিন।
নেতিবাচক মন্তব্য বা অভিযোগ নয়:
সন্তানের সামনে তার নেতিবাচক দিক নিয়ে হাসি-ঠাট্টা-মশকরা একেবারেই নয়। অন্তর্মুখী শিশু অনেক সময় বাইরে মিশতে পারে না। বন্ধুরা মেলামেশা করতে পারলেও সে হয়তো দলে থেকেও সেভাবে নিজেকে মেলে ধরতে পারে না। এমন সময় তাঁর সম্পর্কে অন্যের কাছে নেগেটিভ মন্তব্য করবেন না। বরং সে যাতে সকলের সঙ্গে আলাপ করতে ও বন্ধুত্ব করতে পারে, সে ক্ষেত্রে সহায়তা করুন। তার চারপাশের মধ্যে সেতুবন্ধন তৈরি করে করে জীবন সহজ করে তুলতে হবে। একটা সময়ের পর দেখবেন, সে নিজেই এই কাজে ওস্তাদ হয়ে উঠছে। আমরা বড়রা সামাজিক শ্রেণি অনুসারে মানুষের সঙ্গে আচরণ করি। শ্রমজীবী রিকশাওয়ালা কিংবা ক্যানটিন বয় কিংবা বাসার কাজের মানুষটিকে ছোটদের সামনেই আমরা কটু কথা বলি। এসব নেতিবাচক আচরণে ছোটরা উৎসাহিত হয়ে নিজেই চর্চা করে। নিজেকে এসব ছোটলোকি আচরন থেকে বিরত রাখতে হবে এবং ছোটদেরকে বৈষম্যহীন মনোভাবাপন্ন করে গড়ে তুলতে হবে।
ছোটরা কিছু না পেলে আবদার করবেই, কিন্তু সেই আবদার পূরণ না হলেই বাধে বিপত্তি। ছোটরা কিছু না পেলে সারাক্ষণই বিরক্ত করতে থাকবে। এ ক্ষেত্রে কেনো ছোটদের তার চাওয়া জিনিসটি দেয়া হচ্ছে না, তা বুঝিয়ে বলতে হবে। আবার সন্তানের পড়াশোনা কিংবা টেলিভিশন দেখা বা অনলাইনে থাকা নিয়ে সারাক্ষণ কথা শোনাবেন না। আপনার ঘ্যানর-ঘ্যানর আর অনবরত কথার চাপ সন্তানের উপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে।
সন্তানকে উত্তর দিতে সহায়তা করুন: অচেনা কেউ কিছু জিজ্ঞাসা করলে অনেক সময় অনেক শিশুই তার উত্তর দিতে চায় না। এ ক্ষেত্রে অনেক মা-বাবাই তার জড়তা ঢাকতে বা শিশুকে উত্তর না দিতে দিয়ে নিজেই জবাব দেয়। এমন করলে শিশু কোনো দিনই মেশার পরিবেশ পাবে না। আত্মবিশ্বাসে ঘা লাগে। তাই সন্তানকেই নানাভাবে উত্তর দিতে প্ররোচিত করুন। ওকে শেখাতে হবে, চোখের দিকে তাকিয়ে সরাসরি কথা বলতে। কম কথা বললেও যেটুকু বলে তা যেন চোখের দিকে তাকিয়ে বলে। এতে আত্মবিশ্বাস বাড়বে।
পারফর্ম করার চাপ নয়:
সন্তানের কোনো বিশেষ গুণ থাকলে তা বাইরের কারো সামনে প্রকাশ করার অভ্যাস ছোট থেকে তৈরি হওয়া ভালো। এতে মেশার ক্ষমতার সঙ্গে সেই গুণ নিয়ে জড়তোও কাটে, তবে তা যদি সে নিজে চায়, তবেই। অকারণে চাপ দিয়ে, জোর করে পারফর্ম করাবে না। ঐ ভাবীর মেয়ে প্রথম হয়েছে, তুমি কেন হতে পারোনি? সেই ভাইয়ের ছেলে মেডিকেলে চান্স পেয়েছে, তোমাকেও পেতে হবে। সন্তানকে এইসব চাপমুক্ত রাখতে হবে। ১ম হয়ে যাওয়া মানেই সব জয় করে ফেলা নয়। ডাক্তার হয়ে যাওয়া মানেই সব পেয়ে যাওয়া নয়।
খেলতে দিন:
বাড়ি়বন্দি করে না রেখে প্রতিদিন তাকে বাইরের আরও কয়েকজন শিশুর সঙ্গে মিশতে দিন। কোনো খেলার মাঠ বা পার্ক থাকলে সেখানে তাকে নিয়ে গিয়ে খেলতে দিতে হবে। প্রথম দিকে জড়তা থাকলেও এক সময় সে নিজেই মিশতে শুরু করবে অন্যদের সঙ্গে। বর্তমানে খুব কম বয়সেই সোশ্যাল মিডিয়ায় অ্যাকাউন্ট খুলে ফেলে বেশির ভাগ ছেলে- মেয়েরা। ফলে তাদের স্কুলের বাইরেও ভার্চুয়াল জগতে হাজার হাজার বন্ধু হয়ে যায়। সোশ্যাল মিডিয়ায় কার কত বেশি বন্ধু, কার ফলোয়ার বেশি বা কার পোস্টে কত লাইক এই সব নিয়ে চলে নানা প্রতিযোগিতা।
অনেকেই রাত জেগে সোশ্যাল মিডিয়ায় থাকে। ফলে পড়াশোনায় অমনোযোগ, ঘুম নষ্ট, খিটখিটে মেজাজ, বাবা-মায়ের সঙ্গে তর্ক করার প্রবণতা, কারো সাথে কথা না বলা বা অসামাজিক হওয়ায় প্রবণতা দেখা দেয়। রক্ষার উপায় কী? বন্ধুদের বাড়ি়তে এনে গল্পগুজব করতে দিন। বই, খবরের কাগজ পড়ায় উৎসাহ দিন। ব্যাডমিন্টন, টেনিস, ক্রিকেট, সাঁতার ইত্যাদির প্রতি উৎসাহ বাড়াতে পারেন। একদম ছোট বাচ্চারাও মোবাইলে আসক্ত হয়ে পড়ে। ফলে তারা কথা কম বলছে, চোখের দিকে তাকিয়ে কথা বলছে না।
বুদ্ধি খরচ:
শিশুর মেলামেশার জড়তা আছে বুঝলে টুকটাক দায়িত্বে তাকে দিন। বাড়িতে অতিথি কেউ এলে তাঁকে পানির প্লাসটা এগিয়ে দেওয়া বা দোকানে গেলে কোনো কিছুর দাম জানতে চাওয়া হত্যাদি ওকেই দিয়ে করান। নিজে দূর থেকে পাহারা দিন সন্তানকে। ধীরে ধীরে তার ভয় কাটবে তাতে। আপনি তাকে কি বানাতে চান তা জরুরি নয় বরং সে কি হতে চায় তাই কিন্তু জরুরি। তাই সে যদি শিক্ষক হতে চায় তাকে শিক্ষকই হতে দিন, অহেতুক তাকে মেডিক্যালে যাওয়ার জন্য উঠে পড়ে লাগবেন না।
বিশ্বাস রাখুন সন্তানের প্রতি: আপনি যদি আপনার সন্তানকে বিশ্বাস না করেন, তবে মনে রাখবেন আপনার সন্তান ভেতরে ভেতরে ভেঙ্গে পড়বে। আর এই ভেঙ্গে পড়াই তাকে নিয়ে যেতে পারে বড় কোনো অপরাধের দিকে। ‘তুমি এটা পারবে না’, ‘তোমাকে দিয়ে এসব হবে না’, ‘তুমি কোনো কাজেরই না’, এসব বলে তার মন ছোট করবেন না। নিজের প্রতি সে বিশ্বাস হারিয়ে ফেলবে তাতে। বরং তাকে আত্মবিশ্বাসী করে তুলে হবে। আপনার যদি দুটি সন্তান থাকে, দুইজন যেন একইভাবে ট্রিটেড হয়। একজনের সামনে কখনো অপর জনের তুলনাও করবেন না। তাদেরকে নিজের মত করে চলতে দিন।
মেয়ে সন্তানকে করতে হবে স্বাবলম্বী: একটু একটু করে বড় হচ্ছেআপনার মেয়েটি। তাকে নিয়ে কতো চিন্তাই না বাসা বাঁধছে আপনার মধ্যে। তাকে আগলে বড় করতে হবে। বৈচিত্র্যময় আর চ্যালেঞ্জিং জীবনের সঙ্গে মেয়েটিকে লড়াই করে বাঁচতে হবে। কারণ নারীর জীবনে অনেক কঠিন, লড়াই করে সফল হতে হয়। আমাদের মেয়েরা স্বাবলম্বী না হলে নিগৃহীত হয়। মেয়েদেরকে নিজের পায়ে দাঁড়াতে শেখানো দরকার।
এদেশে মেয়েরা হাইস্কুল পর্যায়ে চলে গেলে তাকে নিয়ন্ত্রণে রাখতে চায় অভিভাবকেরা। তাদের চলাফেরা, জীবনযাপনে পরাধীনতা চাপিয়ে দেয়া হয়। এতে করে মেয়েটি আত্মবিশ্বাস হারায়, ভয়ভীতিকে আঁকড়ে ধরে বেড়ে উঠতে থাকে। চারপাশের পরিবেশ পরিস্থিতি আর প্রয়োজন বুঝে তাকে স্বাধীনতা ও প্রয়োজনীয় পরামর্শ দিতে হবে। নিরাপত্তার পাশাপাশি তাকে সাহস আর আত্মপ্রত্যয়ী করে তোলাটাও জরুরি। মেয়ে শিশুটি দেখতে পুতুলের মতোÑ এই প্রশংসা না করে তাকে স্মার্ট, বুদ্ধিমতি বলতে হবে. গড়ে তোলতে হবে আত্মপ্রত্যয়ী হিসেবে। তার সম্ভাবনাগুলোকে খুঁজে বের করুন।
খেলাধুলা আর ফিজিক্যাল অ্যাক্টিভিটি মনকে যেমন প্রফুল্লø রাখে, তেমনি নিজের সক্ষমতায় আনে আত্মবিশ্বাস। সেই সঙ্গে মেয়েদের আত্মরক্ষার কৌশলও শিখিয়ে রাখা উচিৎ। প্রগতিশীলতার চর্চা সন্তানকে বিচক্ষণ করে তুলবে। মেয়েটির কোনো শখ আছে কিনা, তার প্রতিভা কতোটুকু সেগুলো মূল্যায়ন করুন।
মেয়ে সন্তান
অনেক বাবা-মা তাদের মেয়ে সন্তানকে অনেক কিছু থেকে বঞ্চিত রাখে। যেমন আপনার সাঁতার শেখার প্রয়োজন নেই, সাইকেল চালাতে হবে না, গান শিখতে হবে না, বিতর্ক প্রতিযোগিতায় যেতে হবে নাÑ আরও কত কি! কিন্তু এগুলো কাজে তাকে উৎসাহিত করতে হবে, সমৃদ্ধ করতে হবে।
এককভাবে একজন নারী ঘরের কাজে ব্যস্ত থাকতে থাকতে তার অন্যান্য কর্মদক্ষতা হারিয়ে ফেলে। মার্কিন ইতিহাসবিদ সুসান স্ট্রেসার তাঁর নেভার ডান: আ হিস্ট্রি অব আমেরিকান হাউসওয়ার্ক বইতে দেখিয়েছেন সত্তরের দশকে নারীরা যখন কর্মমুখী হওয়া শুরু করলো, সেই সময় যুক্তরাষ্ট্রে ফাস্ট ফুডের চর্চা বেড়ে যায়। অর্থাৎ বাড়িতে রান্না করার হার কমে যায় বলেই ফাস্ট ফুডের প্রসার ঘটে। সভ্য রাষ্ট্রে নারীরা ঘরের কাজে নিজেদের সময়কে কমিয়ে দিচ্ছে পাশাপাশি পুরুষেরা ঘরের কাজে নিজেদের অংশগ্রহণ বাড়াচ্ছে। এতে যৌথ দায়িত্ব ও অংশিদারিত্বের ভিত্তিতে পরিবার গড়ে উঠছে। আধুনিক কানাডা, আমেরিকা ও ইউরোপের পরিবারগুলি অংশিদারিত্বের।
আমাদের মেয়েরা ঐতিহ্যগতভাবেই সাহসী এবং প্রতিভাবান। বেগম রোকেয়া থেকে নবাব ফয়জুন্নেসা। অনেক নারীই বিশ্বের বিষ্ময়। নবাব ফয়জুন্নেসার কথাই বলিÑএই উপমহাদেশে তখন ব্রিটিশ শাসন। আজকের কুমিল্লার নাম ছিল ত্রিপুরা। ত্রিপুরার জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ছিলেন ডগলাস। একদিন তিনি খেয়াল করলেন ত্রিপুরা অঞ্চল শিক্ষা ও উন্নয়ন খাতে ভীষণ অবহেলিত। তিনি এই খাতে অর্থ বরাদ্দ চান ব্রিটিশ সরকারের কাছে। কিন্তু সেই অর্থ নির্ধারিত সময়ে আসছে না। ডগলাস সাহেব চিন্তিত হলেন। সিদ্ধান্ত নিলেন কাজটা ধার দেনা করে সেরে ফেলবেন। তারপর বরাদ্দ এলে ফেরত দেবেন সেই অর্থ।
মোট দরকার তখনকার সময়ের এক লাখ টাকা। ডগলাস সিদ্ধান্ত নিলেন ১০ জমিদারের কাছে তিনি ধার হিসেবে চেয়ে নেবেন। বৈঠকও করেন অনেকের সঙ্গে। কেউ কেউ অঙ্গীকারও করেছেন, ১০ হাজার করে দেওয়ার। এভাবে বৈঠকের শেষ পর্যায়ে তিনি গেলেন পশ্চিম গাঁওয়ের নারী জমিদার ফয়জুন্নেসার কাছে। এই মুসলিম মহীয়সী নারী জমিদারের অনেক গল্প তিনি শুনেছেন। তার উদারতার কথাও জানেন। অন্দরে পর্দার আড়ালে কথা হয় ফয়জুন্নেসার সঙ্গে। সব শুনলেন জমিদার। বললেন, ফয়জুন্নেসা দান হিসেবে টাকা দেয়, কর্জ হিসেবে না। শিক্ষার জন্য তিনি পুরো এক লাখ টাকাই দেবেন, যাতে অন্য কারোর কাছে যেতে না হয়। বিস্ময়ে হতবাক ইংরেজ কর্মকর্তা। সব কিছু জানালেন ব্রিটেনের রানীকে। বৃটিশ রাজ পরিষদ সিদ্ধান্ত নেয়, ফয়জুন্নেসাকে ‘বেগম’ খেতাব দেওয়া হবে। কিন্তু ব্রিটিশ রানীর দেওয়া সম্মাননা প্রস্তাব তিনি প্রত্যাখ্যান করেন। এত হৈচৈ পড়ে যায় ভারতজুড়ে। মুগ্ধ হলেন রানী নিজেও! রানীর নির্দেশে ফয়জুন্নেসাকে দেওয়া হয়, ‘নবাব’ খেতাব। নারীর ক্ষমতায়ন, উন্নয়ন, শিক্ষার বিকাশ ও জনহিতকর কাজের জন্য ইতিহাসে তিনি অমর হয়ে আছেন।
তার কর্মপরিধি শুধু কুমিল্লা শহর বা ত্রিপুরায় সীমিত নয়। তিনি ঢাকা, কলকাতা ও মেদেনীপুরে ব্যাপক পরিসরে কাজ করেন। তিনি একসঙ্গে বাংলা, ফারসি, উর্দুসহ কয়েকটি ভাষায় লিখতে ও বলতে পারতেন। তার লেখনীর ক্ষমতা ছিল শক্তিশালী। তার লেখা ‘রূপজালাল’ পড়ে মুগ্ধ হতে হয়। এক সময় বাবার সান্নিধ্যে কাজ শেখায় তার মাঝে অভিজ্ঞতা গড়ে উঠে। তিনি সেই অভিজ্ঞতা কাজে লাগান সফলভাবে। দৃষ্টান্ত রাখেন সফলভাবে জমিদারি চালানোর। ১৮৭৩ সালে কুমিল্লা শহরে তিনি প্রতিষ্ঠা করেন ফয়জুন্নেসা উচ্চ ইংরেজি বালিকা বিদ্যালয়। সেই যুগে মুসলমান ছেলেরাই ইংরেজি পড়ার কথা ভাবত না। আর নারীদের ইংরেজি শেখাতে স্কুল করেন ফয়জুন্নেসা। তিনি মেয়েদের থাকার জন্য হোস্টেল ও গরিব মেধাবীদের জন্য বৃত্তির ব্যবস্থা করেন। এই সময়ে কুমিল্লা শহর, লাকসামসহ বিভিন্ন অঞ্চলে ১৪টি মৌজাতেই প্রাথমিক স্কুল করেন তিনি। পশ্চিমগাঁওতে একটি মাদ্রাসাও স্থাপন করেন। পরবর্তীতে এই মাদ্রাসাই কলেজে রূপান্তরিত হয়।
তিনি মক্কা নগরীতে হজ্ব করতে গিয়ে দেখেন মেয়েদের অজু করার সমস্যা। সেখানে মেয়েদের অজুর জন্য আলাদাভাবে স্থাপনা নির্মাণ করেন। এবং মক্কা নগরীতে মাদ্রাসা স্থাপন করেন শিক্ষার বিকাশে। সেখানে মানুষের থাকার জন্য নির্মাণ করেন মুসাফিরখানা। কুমিল্লা শহরে তিনি মেয়েদের জন্য আলাদা হাসপাতাল করেন। কারণ তখন মেয়েরা ছিল সব কিছুতে অবহেলিত বঞ্চিত। তিনি আমাদের দেশে নারীর ক্ষমতায়নকে অনেক উচ্চতায় নিয়ে গেছেন।
সূচিপত্র
১) ছোটদের সাথে আমাদের আচরণ ২) পরিবার ও সন্তান, সুপার পাওয়ার যেভাবে তৈরি হয়, ৩) দীর্ঘস্থায়ী ভয়ের উৎপত্তির মূলে শৈশবকালে ঘটে যাওয়া ঘটনার প্রভাব , ৪) সন্তানের উৎসাহ এবং উদ্দীপনা বাড়ানো, ৫) আপনার শিশুটি ঘুমুক শান্তিতে এবং নির্ভরতায় , ৬) কিছু অব্যর্থ টিপস, যা আপনার শিশুকে পড়াশোনায় আগ্রহী করে তুলবে, ৭) শিশুকে কিভাবে বড় করবেন, ৮) বাচ্চাদের মস্তিষ্ক বিকাশে কী করবেন? ৯) বাচ্চাদের বুদ্ধি বিকাশের অন্যতম পথ, দৌড়, ১০) বাচ্চাকে কখনো আড়ালে লুকিয়ে খেতে দেবেন না, ১১) পিটার সিংগারের দর্শন, ১২) দুষ্টু শিশুরা তাড়াতাড়ি শেখে, ১৩) সন্তানকে যতই শাস্তি দেবেন ততই সে অসামাজিক হবে, ১৪) বাবা-মাই সন্তানকে নির্যাতন করেন সবচেয়ে বেশি , ১৫) সন্তানের সাথে কিভাবে গড়ে তুলবেন নিবিড় বন্ধন, ১৬) যে ১১টি কথা শিশুকে কখনোই বলবেন না!, ১৭) শিশুকে গল্প শোনান প্রতিদিন, ১৮) সন্তানের আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধির ১০টি কৌশল, ১৯) সৃজনশীলতা হচ্ছে নতুন কিছু করার যোগ্যতা, ২০) যারা মুখস্থ করতে পারেন না, ২১) তারা মেধাবী, মেধাবী হওয়ার উপায়,
২২) কথা ও ভাষা, ২৩) এলিভেটর পিচ, ২৪) সুন্দর করে কথা বলে সমস্যা জয়ের কৌশল, ২৫) ফোনে কথা বলার আদবকেতা, ২৬) ১২টি কর্ম বিধান, ২৭) ভালোবাসার অপর নাম প্রয়োজন, ২৮) আলতু-ফালতু কাজে সময় অপচয় করে স্বপ্ন পূরণের কল্পনা, ২৯) স্ট্রেস ম্যানেজমেন্ট, ৩০) চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিন পিং-এর জীবন থেকে শিক্ষা, ৩১) অভিজ্ঞতা ও অতীত থেকে শিক্ষা গ্রহণ, ৩২) বর্তমানকে সবচেয়ে বেশি মূল্য দিন, ৩৩) ২৪ ঘণ্টা কেউ সুখী হয় না, ৩৪) কিছু অভ্যাস যা আপনাকে আরও সুখী করবে , ৩৫) আপনার অবয়ব , ৩৬) সফলতার 25টি হট কৌশল-1, ৩৭) সাফল্যের 25টি হট কৌশল-2, ৩৮) সফলতার 55 সূত্র, ৩৯) কিভাবে নিজেকে নেতা হিসেবে গড়ে তুলবে, ৪০) সময় ব্যবস্থাপনা, ৪১) সময় ব্যবস্থাপনার তিনটি ধাপ, ৪২) সময়কে যথাযথভাবে কাজে লাগানোর উপায়গুলো, ৪৩) সাফল্য, ড. কোভের ইমোশনাল একাউন্ট কনসেপ্ট, ৪৪) সবচে বড় ইমোশনাল একাউন্ট, ৪৫) আপনার ইমোশনাল একাউন্ট, ৪৬) বুদ্ধি ও বিবেচনাবোধ বর্জিত কর্মফল বিপজ্জনক, ৪৭) অন্যদের দিয়ে আপনার কাজ করান কিন্তু সম্মান আপনি অর্জন করুন, ৪৮) অন্য লোকেরা আপনার কাছে আসুক দরকার হলে টোপ দিন, ৪৯) অসুখী এবং ভাগ্যহীনদের বর্জন করুন, ৫০) লোককে আপনার ওপর নির্ভরশীল করুন , ৫১) নেওয়ার পূর্বে দেওয়া অন্য বক্তির স্বার্থ বুঝুন, ৫২) শত্রুকে খাটো করে দেখবেন না, ৫৩) নিজেকে রক্ষা করার জন্য চারিদিকে দুর্গ নির্মাণ করবেন না, ৫৪) কারোর পক্ষ অবলম্বন করে বসে থাকবেন না, ৫৫) আপনার শক্তিসমূহকে সংহত করুন, ৫৫) নিজের ভুলগুলোকে লুকিয়ে রাখুন, ৫৬) শুধু সাহসের জোরে নয়, পরিণতিও বিবেচনায় রাখুন, ৫৭) প্রতিটি মানুষের গোপন ইচ্ছা খুঁজে বের করুন, ৫৮) রাগ বিপজ্জনক ও অভদ্রতা, ৫৯) কোনো দলকে ধরার জন্য দলপতিকে প্রথমে ধরুন, ৬০) নিজেকে গুরুত্বপূর্ণ মনে করুন, গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবেন, ৬০) পরিবেশ সামলাতে শিখুন, ৬১) প্রথম শ্রেণির মানুষ হয়ে উঠুন, ৬২) আপনার সামাজিক পরিবেশ ‘প্রথম শ্রেণি’র করে তোলার উপায়, ৬৩) ‘সস্তার তিন অবস্থা’ প্রধম শ্রেণিভুক্ত হয়ে উঠুন , ৬৪) যত বেশি বন্ধুত্ব তত বেশি উপরে ওঠার সম্ভাবনা, ৬৫) সাহস করে কাজটা শুরু করুন, ৬৬) সাফল্য মানে বারবার ভিন্নভাবে চেষ্টা করা, ৬৭) ১- ১০ ভাল অভ্যাস, ১১- ২০ ভাল অভ্যাস, ২১- ৩০ ভাল অভ্যাস, ৩১- ৪০ ভাল অভ্যাস, ৪১- ৫০ ভাল অভ্যাস, ৫১- ৬০ ভাল অভ্যাস, ৬১- ৭০ ভাল অভ্যাস, ৭১- ৮০ ভাল অভ্যাস, ৮১- ৯০ ভাল অভ্যাস, ৯১- ১০২ ভাল অভ্যাস, ৬৮) জিরো থেকে হিরো, ৬৯) সৃজনশীলদের সফলতার ৭ সূত্র, ৬৯) জীবনে পরিবর্তন আনুন ৪৮টি উপায়ে, ৭০) জীবন-যাপন, ৭১) জাপানী ও চিন লাইফ স্টাইল , ৭২) ৩০টি দর্শন, যা আপনার জীবনে কাজে লাগবে, ৭৩) সম্পর্ক তৈরি করা, বন্ধুত্ব, ৭৪) যে আচরণগুলো মানুষের মনের কথা জানাবে, ৭৫) কথা বলার সূত্র, ৭৬) আপনি ও আপনার ব্যবহার, ৭৭) নিজেকে সঠিকভাবে উপস্থাপন করা, ৭৮) কথা বলার কতিপয় গুরুত্বপূর্ণ নিয়ম, ৭৯) কিভাবে নিজেকে বিনয়ী হিসেবে উপস্থাপন করবেন, ৮০) কিভাবে বুদ্ধিদীপ্ত কথা বলবেন, ৮১) কথা বলার ৫টি বিস্ময়কর টেকনিক, ৮২) কিভাবে মানুষকে আকৃষ্ট করবেন? ৮৩) অকারণে সময় নষ্ট? মেল রবিনের ৫ সেকেন্ড রুল, ৮৪) কর্পোরেট আদবকেতা, ৮৫) ৩৫টি কর্পোরেট কালচার ও আপনার করণীয়, ৮৬) যা না জানলে লজ্জায় পড়তে হয় , ৮৭) কাজের সময়ে যে বিষয়গুলো একেবারেই করা উচিৎ না , ৮৮) ক্যারিয়ারে সাফল্য পেতে ছুড়ে ফেলুন ৭টি দোষ, ৮৯) আকাক্সক্ষা, ইচ্ছে বা স্বপ্ন,
৯০) বক্তৃতা প্রশিক্ষণ, কাজ কিভাবে করবেন? ৯১) আত্মশক্তিতে বলিয়ান হতে, ৯২) একনাগাড়ে চলবেন না, ৯৩) মারফিস ’ল , কাজের রোডম্যাপ তেরি , ৯৪) জব স্যাটিসফেকশন, ৯৫) কাজে সফলতার সূত্রাবলী, ৯৬) যেভাবে জীবনযাপন করবেন, ৯৭) পরিণত বুদ্ধির মানুষেরা যে কাজগুলো কখনোই করেন না, ৯৮) জীবনে দক্ষতা অর্জনের কার্যকর ১২টি উপায়, ৯৯) সঠিক লক্ষ্য নির্ধারণ ও কাজ করার উপায় , ১০০) সফলতা ও সার্থকতা, ১০১) জীবনের ছোট ছোট প্রাপ্তিগুলোকে উপভোগ করা, ১০২) সফলতার কিছু পদ্ধতি, ১০৩) সফল হতে চাইলে যে ৮ টি জিনিস বাদ দেয়া প্রয়োজন, ১০৪) সফল ব্যক্তিরা যে ১০টি কাজ কখনোই করেন না, ১০৫) সর্বদা স্মরণ রাখুন, ১০৬) চিন্তাশক্তি , ১০৭) স্বাধীনতা, ১০৮) জ্ঞান অর্জন খাদ্য গ্রহণের মতো , ১০৯) দৃঢ় প্রতিজ্ঞ হয়ে চেষ্টা করলে কখনোই বিফল হবেন না, ১১০) বুদ্ধির সংজ্ঞা হলো, প্রতিটি কাজ ভেবে-চিন্তে করা, ১১১) ব্যক্তিত্ব, চেহারা ও ব্যক্তিত্ব , ১১২) সেলডন-এর গবেষণা , ১১৩) ব্যক্তিত্ব ও উচ্চারণ, ১১৪) পোশাক ও ব্যক্তিত্ব, ১১৫) প্রথম দেখায় ব্যক্তিত্বের ছাপ, ১১৬) বিচ্ছিন্নতা ব্যক্তিত্বের বড় শত্রু, ১১৭) ব্যক্তিত্বে জিনগত প্রভাব, ১১৮) অন্তর্মুখী ও বহির্মুখী ব্যক্তিত্ব, ১১৯) মনোমুগ্ধকর ব্যক্তিত্বের ১০ বৈশিষ্ট্য, ১২০) ব্যক্তিত্বের উৎকর্ষতার জন্যে ১০ নির্দেশনা, ১২১) কিভাবে ব্যক্তিত্বের বিকাশ ঘটাবেন? , ১২২) নিজেকে স্মার্ট করতে ৫টি কৌশল, ১২৩) আকর্ষণীয় মানুষ হবার ৬টি পরামর্শ, ১২৪) আত্মশুদ্ধি , ১২৫) হতাশ হবেন না, ১২৬) পাছে লোকে কিছু বলে, ১২৭) সুখ-শান্তি উন্নতি , ১২৮) চাহিদা, ১২৯) খাদ্য, ঘুম ও বিশ্রাম, ১৩০) স্বাস্থ্য ভাল রাখার নিয়ম, ১৩১) টেনশন দূর করতে হলে, ১৩২) শুধু নিজের কথা নয়, অন্যের কথাও ভাবুন, ১৩৩) চাহিদা যত বেশি সুখ তত কম, ১৩৪) সুখী জীবনের জন্য ১৮ টি টিপস, ১৩৫) আত্মবিশ্বাস, আত্ম বিশ্বাসের শক্তি, ১৩৬) অজুহাতের ব্যাধিতে আক্রান্ত ব্যর্থ মানুষ, ১৩৭) দি সেভেন হ্যাবিট অফ হাইলি এ্যা ফেক্টিভ পিপল, ১৩৮) সামাজিক আয়না, ১৩৯) প্রোএ্যাক্টিভিটি, ১৪০) সার্কেল অফ ইনফ্লুয়েন্স, ১৪১) শুরু করুন আজই, ১৪২) আপনার কেন্দ্রবিন্দু কোনটি?, ১৪৩) মাথার দুটি অংশই ব্যবহার করুন, ১৪৪) সময়ের ব্যবস্থাপনা, ১৪৫) ব্যক্তিগত ব্যবস্থাপনা, ১৪৬) গুরুত্বপূর্ণ এবং জরুরি, ১৪৭) পরনির্ভরশীল জীবন, ১৪৮) ছয়টি উপায়ে অন্য মানুষের সাথে আদান-প্রদান, ১৪৯) অধ্যয়ন, ১৫০) পড়াশোনায় ১২ কার্যকর কৌশল, ১৫১) ঘুম থেকে উঠতে ১০-৩-২-১-০ ফর্মুলা, ১৫২) আয়-ব্যয়- টাকা, ১৫৩) অন্যকে খুশি করতে পয়সা খরচ যে কারণে অর্থহীন, ১৫৪) খরচের লাগাম টেনে ধরতে.. ১৫৫) নারী, ১৫৬) সম্পর্ককে সুন্দর রাখতে কিছু “মিথ্যা” বলা জরুরী , ১৫৭) ছেলেদের কোন জিনিস দেখে মেয়েরা? , ১৫৮) স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর কিছু অভ্যাস, ১৫৯) ভুঁড়ি ঠেকাতে ৫টি নিয়ম, ১৬০) যেসব কারণে নারীদের স্বাবলম্বী হওয়া উচতি , ১৬১) বিয়ে-সংসার, ১৬২) সফল বিয়ের তিনটি মন্ত্র, ১৬৩) সুখী হবার দারুণ কিছু মূলমন্ত্র, ১৬৪) কিছু গল্প, ১৬৫) ভালোবাসাহীন সম্পর্ক, ১৬৬) কেন স্পর্শের প্রয়োজন হয় প্রতিদিন, ১৬৭) যে কারণে একা থাকাই আপনার জন্য ভালো, ১৬৮) ব্যবসা, ১৬৯) বিক্রয় বৃদ্ধির কৌশল, ১৭০) যে ৭টা ব্যাপার বিজনেসে করবেন না, ১৭১) স্বাস্থ্য, ১৭২) দুগ্ধজাত খাবারে পুরুষের বন্ধ্যত্ব, ১৭৩) একাকিত্বের বিপদ, ১৭৪) কর্মক্ষম ও প্রফুল্ল রাখতে, ১৭৫) মন ভালো করার উপায়, ১৭৬) যৌন স্বাস্থ্য, ১৭৭) পুরুষদের কেজেল, ১৭৮) মহিলাদের কেজেল, ১৭৯) দক্ষতা , ১৮০) আলসেমি দূর করার সহজ কিছু উপায়, ১৮১) কীভাবে সামলাবেন নিন্দুকদের ?, ১৮২) সুখী হতে চাইলে যা কখনোই করবেন না, ১৮৩) সব ভুলে যাচ্ছেন? স্মৃতিশক্তি চাঙ্গা রাখতে ৫টি টিপস, ১৮৪) বয়সের ভারে বৃদ্ধ না হয়ে বরং কাজের ভারে যুবক থাকার চেষ্টা করো, ১৮৫) নিজেকে কাজের সঙ্গে সম্পক্ত করার তিনটে স্টেপ, ১৮৬) জীবনের লক্ষ্য নির্ধারণে দ্রুত পদ্ধতিগুলো, ১৮৭) প্রতিদান পাওয়ার আশায় কাজ করবেন না, ১৮৮) প্রেম একটি মানসিক রোগ, ১৮৯) সম্পর্ক ভেঙ্গে যাবার পর নিজেকে যেভাবে সামলাবে, ১৯০) সময় সবকিছু বদলে দেয়, ১৯১) সম্পর্ক তৈরির ক্ষেত্রে কমন পাঁচটি ভুল, ১৯২) আত্মবিশ্বাস/মনোবল, ১৯৩) প্যারাসুট অফ হ্যাপিনেস, ১৯৪) বারবার ঘুরে দাঁড়াতে হবে, ১৯৫) আত্মবিশ্বাসহীন মানুষের লক্ষণ, ১৯৬) বাড়াও আত্মবিশ্বাস, বাড়বে সফলতা, ১৯৭) প্রাতিষ্ঠানিক সম্পর্ক শক্তিশালী করার টিপস, ১৯৮) কিভাবে ধরে রাখবে দু'জনের সম্পর্ক, ১৯৯) কিভাবে বুঝবে সম্পর্ক শেষ করতে হবে, ২০০) সম্পর্ক যখন প্রেম-ভালোবাসার, ২০১) যেসব বিষয়ের উপর স¤পর্ক গড়ে ওঠে, ২০২) ভালোবাসার অপর নাম প্রয়োজন, ২০৩) সম্পর্কের গুণগত মান বাড়বে কিভাবে, ২০৪) মস্তিস্ক ঠিক রাখার ৩০ উপায়, ২০৫) মানুষের আচরণের পেছনে একটা কারণ থাকে, ২০৬) কোনো কাজে নিজেকে সম্পক্ত না করেই আমরা নিজ ক্যারিয়ারকে এগিয়ে নিয়ে যাই ২০৭) স্রোতের বিপরীতে চিন্তা করুন, ২০৮) আপনার টাইমজোনে সময় আসবেই, ২০৯) চাইল্ডহুড অ্যামনেসিয়া এবং আমাদের শিক্ষণীয়,