বিশ্রাম
কাজের সঙ্গে বিশ্রামের সম্পর্ক অবিচ্ছেদ্য। বিশ্রাম মানে মেরামত করা। বিশ্রামের শক্তি এত বেশি যে, পাঁচ মিনিটের ঘুমও শরীরের সমস্ত অবসাদ দূর করে দিতে পারে। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের প্রধান নায়ক চার্চিল সত্তর বছরেও ষোল ঘণ্টা কাজ করতেন। মৃত্যুর আগপর্যন্ত তিনি এভাবে কাজ করেছিলেন। এই কর্মক্ষমতার রহস্য সম্পর্কে তিনি বলেছেন- ভোর থেকে দুপুর পর্যন্ত তিনি একটানা কাজ করে লাঞ্চের পর এক ঘণ্টা ঘুমাতেন। ফলে অবসাদ তাকে ঘিরে ধরতে পারতো না। বিশ্রামের পর কাজ করতে তিনি নতুন করে প্রেরণা পেতেন। মোট কথা হলো : অনেক কাজের ভিড় থেকে একটু ছুটি নিয়ে বিশ্রাম নেওয়া খুবই ভালো। তাতে কাজের একঘেঁয়েমি এবং চাপ থেকে মন ফ্রি হবার সুযোগ পাবে। ফলে ফিরে পাওয়া যাবে ইচ্ছা ও মানসিক শক্তি নতুন করে কাজ করতে।
উৎসাহ
উৎসাহ কাজের মধ্যে গতি সঞ্চয় করে, কাজকে সামনে এগিয়ে নিয়ে যেতে সাহায্য করে। যে লোক নিজের কাজের বিষয়ে উৎসাহী নয়, কাজটা তার কাছে নিত্যদিনের ঝঞ্ঝাট বলে মনে হয়। গোমড়া মুখে, ক্লান্ত পায়ে সে এলোমেলো চলে। তার মেজাজটা থাকে খিটখিটে। সে লোক ঘরে পা দেওয়া মাত্রই সমস্ত ফুর্তির বাতিগুলো দপ করে নিভে যায়। যে কাজে নেমেছেন, সেটা উৎসাহের সঙ্গে করুন এবং কাজটার আকর্ষণীয় দিকগুলো খুঁজে বের করুন। কাজের মাঝে রসের যোগান দিয়ে ক্লান্তিকে দূর করা যায়। কাজ করার সময় নিজেকে খোশমেজাজে রাখার চেষ্টা করুন, দেখবেন কি সুন্দরভাবে কাজটা এগিয়ে চলছে, একটুও ক্লান্তি আসবে না। কাজে ভুল-ভ্রান্তি যেমন কম হবে, তেমনি মনের সংকীর্ণতাও দূর হবে।
আগ্রহ
আগ্রহ হলো বাড়তি শক্তির উৎস। যে কাজে আপনার আগ্রহটা বেশি থাকবে, সেই কাজটি ততবেশি এগুবে, আর যে কাজে আগ্রহ কম, সে কাজ কম এগুবে। মোট কথা হলো, আপনার কোনো কাজের গতি ও পরিমাণটা ঐ কাজের প্রতি আপনার আগ্রহের পরিমাণের উপর নির্ভরশীল। কাজ যত মনের মত হয়, আগ্রহও তত বাড়ে, খুশি মনে কাজ করা যায়, একটুও ক্লান্তি আসে না। কাজকে মনের মত করা কিংবা মনের কমজোরি ইচ্ছাকে বাড়িয়ে তোলার প্রধান উপায় হলো, মনের মধ্যে লাভের ঘি ঢালা। নিজেকে ক্রমাগত লোভ দেখিয়ে যেতে হবে। আপনার কাজ সফল হলে, উদ্দেশ্যপূর্ণ হলে, কতটুকু আপনি লাভবান হতে পারেন, তার একটা বাস্তবসম্মত তালিকা করে ফেলতে হবে মনে মনে। লোভের রিপু আপনাকে একবার পেয়ে বসলে মনের আগ্রহ অলৌকিকভাবে বেড়ে যাবে।
মনোবল
সমস্ত অসাধ্যকে আয়ত্ব করার জন্য অসীম ধৈর্য ও পরিশ্রমের প্রয়োজন। আর এই ধৈর্য ও শ্রমের যোগান দিতে যে দুর্বার শক্তি কাজ করে, তার নাম মনোবল। মণিষী উইল মট বলেন- যার মধ্যে কাজ করার মতো যথেষ্ট মনোবল রয়েছে, তার মধ্যে ঐ কাজের বিজয় লাভের সমস্ত উপকরণ রয়েছে। মানুষ তার জীবনের কতটা পথ অতিক্রম করতে পারবে- তা নির্ভর করবে তার মনোবলের উপর। যেমন, আপনার জীবন নামক গাড়িটা ততখানি চলবে- তাতে যতখানি পেট্রোল থাকবে।
মনে রাখবেনÑ মনোবল সমস্ত অসুবিধার হ্রাস ঘটায়। মনোবলই প্রতিভার উদ্রেক করে। যার মনোবল নেই, সে দুর্বল, অসহায়। আর মনের দিক দিয়ে যে দুর্বল, কর্মক্ষেত্রে সে দুর্বল। যে শক্তিমান, পৃথিবীতে কেবল তারই ভোগ করার অধিকার আছে। দুর্বলের কোনো স্থান দুনিয়াতে নেই। এই বিশ্বপ্রকৃতি ভালবাসে শুধু মনোবলসম্পন্ন মানুষকে। তাই দৃঢ় মনোবলসম্পন্ন মানুষ সর্বত্রই পায় সফলতার জয়ধ্বনি, আর দুর্বলের জন্য সঞ্চিত থাকে শুধু ঘৃণা ও ব্যর্থতা। পৃথিবীতে বিজয়ের ইতিহাস রচনা করেছে যে শক্তি- সেটা আসলে দৃঢ় মনেবলেরই বহিঃপ্রকাশ। চেকোভ বলেছেন- তুমি যদি আমাকে একজন দৃঢ় মনোবলসম্পন্ন মানুষ দাও, তবে সেই লোককেই একটি সফল জীবনের ব্যক্তি হিসেবে তোমার কাছে ফেরত দেবো।
ভয়
ভয় মানুষকে বুদ্ধিহীন করে তোলে, বাস্তবকে বিকৃত করে দেখায়, আর মনে আজব কল্পনার আমদানী করেÑ যার ফলে দেহ মনের ক্ষমতা আপনাতেই লোপ পায়। এ জন্যই ভয়ে তাড়িত হয়ে কোনো কাজ করলে, সে কাজে অবধারিত গচ্চা দিতে হয়। কাজেই যে ব্যাপারে ভয় হয়, সে সম্পর্কে যা জানা সম্ভব, তা জেনে নেওয়া উচিত। পরাজয় যদি সহজভাবে গ্রহণ করতে পারা যায়, তবে ভয় কিছুতেই দুর্বল করতে পারে না। সাধারণত সমস্যা সম্পর্কে আলোচনা করলে ভয় অনেকটা কমে যায়।
অতীত জীবনের ব্যর্থতা
অনেক সময় মানুষ অতীত জীবনের কথা ভাবেন ও বর্তমানে কাজ করেন, এতে তার কাজে ব্যর্থতাই ঢুকে পড়ে। অতীতের ভুল শোধরানো ছাড়া অতীতকে কাজের মধ্যে মনে করার কোনো দরকার নেই। ভুল-ভ্রান্তি নিয়েই মানুষের জীবন। যার জীবনে যত ভুল, তার জীবন ততই উন্নত, ততই গতিশীল। অতীতের ভুল-ব্যর্থতা থেকে শিক্ষা গ্রহণ অর্থাৎ দিকনির্দেশনা ছাড়া অতীতকে মনে রাখবেন না। কারণ বর্তমানের চিন্তা মানুষকে এগিয়ে নেয় কিন্তু তার ঐতিহ্য তাকে পিছিয়ে দেয়।
ভয়কে কর জয়
রবীন্দ্রনাথ স্কুল পালিয়েছেন। নজরুল তো বেশি পড়তেই পারলো না। লালন তো বুঝলই না স্কুল কি। আজ মানুষ তাঁদেরকে নিয়ে গবেষণা করে পিএইচডি ডিগ্রী অর্জন করছে। আন্ড্রু কার্নেগীকে তো ময়লা পোশাকের জন্য পার্কেই ঢুকতে দেয়নি। ৩০ বছর পরে উনি সেই পার্কটি কিনে ফেলেন, আর সাইন বোর্ড লাগিয়ে দেন “সবার জন্য উন্মুক্ত”।
স্টিভ জবস্্ শুধু মাত্র ১ দিন ভাল খাবারের আশায় ৭ মাইল দূরে পায়ে হেঁটে মন্দিরে যেতেন। ভারতের সংবিধান প্রণেতা আম্বেদকর নিম্নবর্ণের হিন্দু ছিলেন বলে স্কুলের বারান্দায় বসে বসে ক্লাস করতেন। কোন গাড়ি তাঁকে নিতো না। বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর আতিউর রহমানের ক্যাডেট কলেজে ভর্তির টাকা হাটুরেদের নিকট থেকে টাকা তুলে যোগাড় করেছিলেন তার চাচারা। গরু না থাকায় তিনি নিজে জমিতে লাঙ্গল টেনেছেন একসময়। সুন্দর চেহারার কথা ভাবছেন? শেখ সাদীর চেহারা যথেষ্ট কদাকার ছিল, লতা মুংগেস্কারের চেহারা মোটেই সুশ্রী নয়। তৈমুর লং খোঁড়া ছিলেন, নেপোলিয়ন বেঁটে ছিলেন। শচীন টেন্ডুল্কারের উচ্চতা তো জানাই আছে। আব্রাহাম লিঙ্কনের মুখ ও হাত যথেষ্ট বড় ছিল। স্মৃতিশক্তির কথা ভাবছেন? আইনস্টাইন নিজের বাড়ির ঠিকানা ও ফোন নাম্বার মনে রাখতে পারতেন না। কিছুই আপনার উন্নতির পিছনে বাঁধা হতে পারে না। যদি কোনো কিছু বাঁধা হয়ে দাঁড়ায় তবে তা আপনার ভিতরের ভয়। ভয়কে দূরে রেখে জয় করা শিখুন। সাফল্য ধরা দেবেই।
উদ্ভাবনী শক্তি
অনেক সময় জরুরি মুহূর্তে কাজের সময় হাতের কাছে প্রয়োজনীয় উপকরণ পাবেন না। সে সময় আপনার উদ্ভাবনী শক্তিকে কাজে লাগিয়ে সমস্যাটা সমাধান করতে চেষ্টা করুন। মনে রাখবেন, প্রত্যেক সমস্যার কিছু বিকল্প সমাধান অবশ্যই লুপ্ত থাকে। উদ্ভাবনী শক্তির মাধ্যমে তাকে খুঁজে বের করুন। যেমন দুইটি লাঠি একত্রেও বাঁধা দরকার, হাতের কাছে দড়ি নেই, আশেপশে এর বিকল্প কাপড়ের টুকরো, তার, মাথার বা জুতার ফিতে ইত্যাদি দিয়ে কাজ সেরে নিন।
লজ্জা সংকোচ
লজ্জায় পড়ে অজ্ঞতাকে লুকিয়ে না রেখে সব সময় যে কোনো উপায়ে তা জানতে চেষ্টা করা উচিত। কাজে ভুল ধরা পড়লে না ঘাবড়িয়ে তা শোধরানোর চেষ্টা করা দরকার। অপরে আপনার ভুল দেখিয়ে দিলে তার উপর অসন্তুষ্ট না হয়ে ধন্যবাদ জানান। মনে রাখবেনÑ যে ব্যক্তি প্রশ্ন করে কিছু জানতে চায়, সে বোকা থাকে পাঁচ মিনিটের জন্য, আর যে জানার ভান করে কখনো প্রশ্ন করে না, সে বোকা থাকে সারা জীবন।
কাজেই লজ্জা-সংকোচ ত্যাগ করুন, নয়তো অনেক কিছু আপনার কাছ থেকে দূরে সরে যাবে। মানসিক অশান্তিগ্রস্ত লোকের অনেক সময় মনে হয় যে, সে অবহেলিত, ঘৃণিত। কেউ তাকে দাম দেয় না। এই ধারণা কাল্পনিক। অপর সকলের কাছে থেকে নিজেকে গুটিয়ে না নিয়ে সকলের মাঝে নিজেকে বিলিয়ে দেওয়া সুস্থ ও সজীব মনের লক্ষণ।
ইচ্ছাশক্তি
মানুষের সাধ-স্বপ্ন, তার ইচ্ছেশক্তিকে জ্বালিয়ে তোলে। যার আশা-আকাক্সক্ষা যত বেশি প্রকট, তার ইচ্ছেশক্তিও ততটা প্রবল। যে কোনো বড় সৃষ্টিশীল কাজগুলো আসে বড় বড় সাধ, স্বপ্ন, আশা-আকাক্সক্ষা থেকেই। সহজ কথায়, আপনার কোনো একটি কাজ দশ দিনে শেষ হবে, না পাঁচ দিনে শেষ হবে, সেটা নির্ভর করবে সেই কাজটির প্রতি আপনার ইচ্ছাশক্তি কি পরিমাণ কাজ করছে সেটার উপর। প্রবল ইচ্ছাশক্তি আপনাকে দ্রুত সাফল্য এনে দেবে।
কাজে যত বাধাই থাকুক, দৃঢ় ইচ্ছা থাকলে উপায় একটা হবেই। যদি আপনার জোরালো ইচ্ছা থাকে যে, আপনি অমুক হবেন, তাহলে আপনি অর্ধেক এগিয়ে গেছেন। বাকি অর্ধেক নির্ভর করবে আপনার অধ্যাবসায় ও সাধনার উপর।
কাজটি ধরে থাকুন, দেখবেন ক্রমশ আপনার শক্তি ও সুবিধা বেড়ে যাবে এবং তা বাড়তে থাকবে। যদি প্রথম প্রথম ব্যর্থ মনোরথও হন, তবে পরান্মুমুখ হবেন নাÑ কাজের খুঁতগুলি খুঁজে বের করুন এবং সংশোধন করুন। তারপর পুনরায় এগুতে থাকুন। মনে রাখবেন, ব্যর্থতা আসে সফলতার সঙ্গে সঙ্গে ছায়ার মতো।
আপনি দ্রুত হাঁটার চেষ্টা করলেই হোঁচট খাওয়ার সম্ভাবনা, চুপচাপ বসে থাকলে সেই সম্ভাবনা নেই। সাফল্যের চেষ্টা করে যাবেন অথচ ব্যর্থ হবেন না, এরকম আশা করা শুধু বালকসুলভই নয়, রীতিমত অন্যায়। ব্যর্থতাকে স্বীকার করে নেওয়ার মতো মনের জোর থাকা দরকার। মোট কথা হলো: কোনো কাজে যদি আপনার জোরালো ইচ্ছাশক্তি কাজ করে থাকে, তাহলে আপনি সফল হবেনÑ এ আত্মবিশ্বাস আপনি রাখতে পারেন।
সকালে মাথা ভাল কাজ করে
অফিসের কাজ যত বেলা বাড়ে মেজাজ খিঁচড়ে থাকে। লাঞ্চের পর বিকেলের দিকে সকালের মতো মেজাজ কাজ করে না। স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের এক গবেষণায় দেখা গেছে, এক অপরাধের জন্য আমেরিকার জজেরা বিকেলের মামলাগুলিতে যত জামিন মঞ্জুর করেন, তার চারগুণ জামিন মঞ্জুর করেন সকালের মামলাগুলিতে।
আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে পথের পাঁচালি ছবিটি যখন প্রথম পুরস্কার পায়, সে সময় ছবিটি জুরিদের দেখানোর সময় নির্দিষ্ট হয়েছিলো রাত নটার শোয়ে। এ খবর পেয়ে সত্যজিৎ রায় খুব চিন্তিত হয়ে পড়েন। কারণ সাধারণত রাতের শোয়ে ক্লান্ত জুরিরা মন দিয়ে ছবি দেখেন না। তাঁরা অনেকে ঘুমিয়ে পড়ে দায়সারা নম্বর দেন। সত্যজিৎ রায় তখনকার প্রচার অধিকর্তা প্রকাশ স্বরূপ মাথুরকে এ কথা জানালে মাথুর অনেক ভেবেচিন্তে ঠিক করেন, যে করে হোক আগা খানকে যদি ওই শোয়ে উপস্থিত থাকার আমন্ত্রণ জানানো যায়, তাহলে জুরিরা সজাগ ও সতর্ক থাকবেন। একমাত্র তৎকালিন পশ্চিম বাংলার মূখ্যমন্ত্রী ডা. চিধানচন্দ্র রায়ের সঙ্গে আগা খানের পরিচয় ছিলো। মাথুর ডা. রায়কে দিয়ে আগা খানকে ফোন করান। আগা খান রাজি হন ওই শোয়ে উপস্থিত থেকে পথের পাঁচালি দেখতে। আগা খান উপস্থিত থাকায় জুরিরা সবাই হাজির হন। ছবিটি ভালো করে দেখে শ্রেষ্ঠ ছবির শিরোপা দেন।
✔ আগের দিন রাতে গুরুত্বপূর্ণ কাজগুলির তালিকা তৈরি করুন। অফিসে গিয়েই একে একে সে সব কাজ করুন।
✔ ভিজিটরদের সঙ্গে দেখা সাক্ষাৎ ও রুটিন মিটিং বিকেলের জন্য ফেলে রাখুন।
✔ পরীক্ষার প্রথম ঘণ্টায় সবচেয়ে কঠিন প্রশ্নগুলির উত্তর লিখবেন। অনেকে এর উল্টোটা করে।
✔ যে সব বাবা-মায়েরা পড়াশোনায় অমনোযোগী ছেলেমেয়েদের কাছে আমাকে নিয়ে আসেন, আমি তাঁদের বলি যে বিষয়টি তোমার ভালো লাগে না অথবা কঠিন লাগে, সেটি ভোরে উঠে পড়ো। সকালবেলাটা নিজের জন্য রাখো। কখনও বিকালে টিউশনি নিও না। যে সব বাবা-মা বিকেল বেলাটা বাচ্চাদের খেলতে না দিয়ে টিউশনি পড়তে পাঠায়, তারা শিশু হত্যা করে। খেলাধুলা ও লেখাপড়া শিশুদের কাছে একই মুদ্রার এপিঠ ওপিঠ। না লিখলে পড়া সম্পূর্ণ হয় না। ইনডোর গেমস সম্পূর্ণ গেমস নয়।
কম্পিউটার গেম গেমই নয়। খেলতে হবে ছুটোছুটি করে মাঠে। মাঠ-মাটি-মানুষ না হয়ে ওঠে শুধু পড়া মুখস্থ করলে মানুষ হওয়া যায় না। মাঠ-মাটি তবেই মানুষ।
ক’টায় ব্যর্থ হয়েছেন বলে অন্য সব কিছুতে ব্যর্থ হবেন তার কোনো মানে নেই। অতি সম্প্রতি ডান ব্রাউন নামে এক ব্রিটিশ লেখকের বই দা ভিঞ্জি কোড ৭৫ লক্ষ কপি বিক্রি হয়েছে। বিক্রি রেকর্ড তা জে কে ব্রাউলিং-এর হ্যারি পটারকেও ছাড়িয়ে গেছে। এই ডান ব্রাউন ১৯৯৬ সাল ক্যালিফোর্নিয়া চলে গিয়েছিলেন গীতিকার আর গায়ক হবার জন্য। কিন্তু তিনি ব্যর্থ হন। একটা দুটো ক্ষেত্রে ব্যর্থ হলে ভেঙে পড়বেন না। এই ব্যর্থতা একটা সতর্কবাণী : হেথা নয় হেথা নয়, অন্য কোথা, অন্য কোনোখানে।
আপনি কোনো পরীক্ষায় পরপর দুবার অকৃতকার্য হলেন, তার অর্থ আপনার সাফল্য এখানে নয়, অন্য কোথাও। স্কুল কলেজের পরীক্ষায় ইতি টেনে বহু লোক ব্যবসায়ে সফল হয়েছেন। আবার অনেক লোক প্রথমদিকে অনেক ব্যবসায়ে অসফল হয়ে পরের ব্যবসায়ে সফল হয়েছেন। লড়াই করে বাঁচতে হয় অনেককেই।
এই লড়াকু মন যাদের থাকে না, তারা সামান্য ব্যর্থতাতে ভেঙে পড়ে। কত বড় বড় লোক সামান্য আঘাতে ভেঙে পড়ে আত্মহত্যা করেছেন।
সাফল্য ও সুখ পরস্পরের পরিপূরক নয়
অনেক সময় সাফল্য ও সুখ পরস্পরের পরিপূরক নয়। সাফল্যের মূল্য দিতে গিয়ে অনেকে ব্যক্তিজীবনের সুখ হারান। গান্ধীজির বড় ছেলে মাতাল ও অসৎ চরিত্র ছিলো। আর এক ছেলে বিবাহিত অবস্থায় আর একজনের সঙ্গে প্রেম করেছিলেন। এ নিয়ে দক্ষিণ আফ্রিকায় ঢিঁঢি পড়ে যায়। গান্ধীজি ছেলেকে শোধরাবার জন্য অনশনে বসেন। গান্ধীর সব ছেলে তাঁর মনের মত হয়নি। অথচ তিনি নিজে মহামানব ছিলেন।
রবীন্দ্রনাথের পারিবারিক জীবন একের পর এক পুত্রকন্যা ও প্রিয়জনের মৃত্যুতে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছিলো। কিন্তু তাঁর কেউই তাদের স্বধর্ম থেকে যে কাজ করছিলেন তার থেকে বিচ্যুত হননি। আপনার যদি লক্ষ্য ঠিক থাকে, তাহলে দু একবার পথ ভুল হলেও ঠিক লক্ষ্যে গিয়ে পৌঁছাবেনই।
সব কাজ একা করতে যাবেন না
সব কাজ একা করতে নেই। যেমন সংগঠন করা। আপনি যত বড় সংগঠক হোন না কেন, একা সংগঠন করতে পারবেন না। যে লিডার একাই সব কাজ করতে যান, কর্মীদের পালের হাওয়া কেড়ে নেওয়ার প্রবণতা থাকে, তিনি নিঃসন্দেহে বটবৃক্ষ। কিন্তু তাঁর তলায় আর একটি বটবৃক্ষ জন্মাতে পারে না। কিন্তু আগাছা জন্মায়। তার ডালে ডালে পরগাছারা বাস করে। তারা বটবৃক্ষের রস খেয়েই বড় হয়। কিন্তু বটবৃক্ষই ঝড়ে ভাঙ্গে। তখন আর একটা বটবৃক্ষের দরকার হয়।
➲ যে যে বিষয়ে দক্ষ তাকেই সে কাজের ভার দিন।
➲ কোনো পারিবারিক কাজও পরিবারের অনিচ্ছুক সদস্যদের মধ্যে বণ্টন করবেন না।
➲ যে কাজ একা করা যায় না, সে কাজের জন্য দক্ষ অনুগামীদের খুঁজে না পেলে সে কাজে হাত দেবেন না। যে কাজ একাই করতে হয়, সে কাজে দোসর খুঁজতে যাবেন নাÑ যে কাজ করতে দুজন লাগে সেখানে তিনজন লোক রাখবেন না।
আপনি সফল হতে চাইলে কাজের খুঁটিনাটি দিকে সজাগ দৃষ্টি রাখবেন ঠিকই কিন্তু সব কাজ একা করতে যাবেন না। আপনি যদি ছোটখাটো কাজে সারাক্ষণ ব্যস্ত থাকেন। তাহলে প্রয়োজনীয় কাজ করার সময় পাবেন না।
যেসব নিত্যনৈমিত্তিক কাজকর্ম অন্য লোকে করতে পারে। সেসব কাজ তাদেরকে দিয়েই করিয়ে নেবেন। কারণ একা সব কাজ করলে কাজ নিখুঁত হয় কিন্তু এর ফলে সময় ও শক্তি খরচ হয় বেশি। ফলে লাভের বদলে ক্ষতির অংশ বেশি, তাই কাজ অন্যের সঙ্গে ভাগ করে নিন। তাহলে কঠিন কাজও সহজ হয়ে যাবে। কিন্তু এমন যেন না হয়, অপরকে দায়িত্ব দিয়ে চুপচাপ বসে থাকবেন না। প্রয়োজনে সহযোগিতা করবেন।
অনেক বছর আগে একজন অশ্বারোহী দেখলো কয়েকজন সৈন্য একটি ভারী কাঠের গুঁড়ি সরাবার চেষ্টা করছে, কিন্তু পারছে না। কর্পোরাল পাশেই দাঁড়িয়ে সৈন্যদের কাজকর্ম লক্ষ্য করছেন।
অশ্বারোহী কর্পোরালকে জিজ্ঞেস করলেন তিনি সৈন্যদের সাহায্য করছেন না কেন? কর্পোরাল জবাব দিলেন, ‘আমি কর্পোরাল, আমি হুকুম করি।’ অশ্বারোহী তখন ঘোড়া থেকে নেমে সৈন্যদের কাছে গিয়ে কাঠের গুঁড়িটি তুলতে সৈন্যদের তুলতে সাহায্য করলেন। তার সাহায্যে সৈন্যরা গুঁড়িটি সরাতে সক্ষম হলো।
অশ্বারোহী তখন ঘোড়ায় উঠে কর্পোরালের নিকট গিয়ে বললেন, ‘পরে যখন আবার তোমার সৈন্যদের সাহায্যের প্রয়োজন হবে, তখন অবশ্য আগে নিজেকে নিয়োগ করো।’ অশ্বারোহী চলে যাওয়ার পর কর্পোরাল ও তার সৈন্যগণ বুঝতে পারলেন যে লোকটি ছিলেন স্বয়ং জর্জ ওয়াশিংটন।
কোনো কাজ না পারার মধ্যে লজ্জা নেই। সবাই সব কাজ পারে না। আমি খুব মেধাবী ছাত্র ছিলাম না। তার জন্য আমার আফসোস নেই। আমি তার জন্য অনেক অজুহাত সৃষ্টি করতে পারি। বলতে পারি আমার বাবা খুব গরিব ছিলেন।
আমার বাবার টিউটর রাখার ক্ষমতা ছিলো না। কিন্তু আমি তা কখনও বলি না। কারণ আমার মতো অনেক গরিবের ছেলে জীবনে আমার চেয়ে অনেক বেশি কৃতি হয়েছে। বরং গরিবের ছেলেরা ধনীদের ছেলেদের তুলনায় বেশি কৃতি হয়। দেওয়ালে পিঠ ঠেকে গেলে কাপুরুষও সাহসী হয়ে ওঠে। দেখবেন পৃথিবীর সর্বত্র স্থানীয় বাসিন্দাদের চেয়ে উদ্বাস্তুরা সমৃদ্ধ হয়েছে।
আমেরিকার আদিবাসী রেড ইন্ডিয়ানরা অমন সমৃদ্ধ একটা দেশ পেয়েও সম্পদ কাজে লাগাতে পারলো না। তারা কুঁড়েঘরে বাস করে গেলো। আর ইউরোপ থেকে বাপে খেদানো মায়ে তাড়ানো অভিবাসীরা এসে সে দেশটাকে পৃথিবীর সবচেয়ে সম্পদশালী দেশে পরিণত করলো।
স্ট্রাগল অর্থাৎ সংগ্রাম মানুষকে বড় করে। একবার যদি মনের মধ্যে ফাঁকিবাজি ঢুকে যায়, তাহলে তার আর কিছু হওয়া মুশকিল। তখন সে নিজের অপারগতা ঢাকার জন্য অজুহাত খোঁজে। অনেক মানুষের তিনটি হাত। ডান হাত, বাঁ হাত আর অজুহাত। একটা দাঁড়কাক নিয়মিত একটা গাছের মগডালে বসে বসে ঝিমায়। কিছুই করে না। একদিন এক মোরগ এসে সেই গাছের তলায় দাঁড়ালো। দাঁড়কাকের ভাবসাব দেখে তার বেশ ভাল লাগলো। সে কাককে জিজ্ঞেস করলো - আচ্ছা কাক ভায়া তুমি যে সারাদিন এমন বসে বসে ঝিমাও তোমার খারাপ লাগে না? কাক জবাব দেয় - নাহ ভালই তো লাগে। বসে বসে কত কী যে চিন্তা করি। মাঝে মাঝে নিজেকে দার্শনিক মনে হয়।
মোরগ বলে- আমারো খুব ইচ্ছা করে, মাঝে মাঝে তোমার মতো ঝিমাই। কিছু না করি। কাক বলে- ইচ্ছা হলে ঝিমাও। কেউ তো আর না করেনি। তখন মোরগ বসে বসে ঝিমাতে লাগলো। আহা ঝিমাতে কী শান্তি! কাছাকাছি একটা শিয়াল ছিল ওৎ পেতে। মোরগটাকে ঝিমাতে দেখে সে সুযোগ বুঝে আক্রমণ করলো আর মোরগটাকে মুখে নিয়ে ছুটে পালালো। (গল্পের মর্মার্থ: যদি তুমি কোনো কিছু না করে কেবল ঝিমাতে চাও তবে অবশ্যই তোমাকে অনেক অনেক উঁচুতে অবস্থান করতে হবে)
সূচিপত্র
১) ছোটদের সাথে আমাদের আচরণ ২) পরিবার ও সন্তান, সুপার পাওয়ার যেভাবে তৈরি হয়, ৩) দীর্ঘস্থায়ী ভয়ের উৎপত্তির মূলে শৈশবকালে ঘটে যাওয়া ঘটনার প্রভাব , ৪) সন্তানের উৎসাহ এবং উদ্দীপনা বাড়ানো, ৫) আপনার শিশুটি ঘুমুক শান্তিতে এবং নির্ভরতায় , ৬) কিছু অব্যর্থ টিপস, যা আপনার শিশুকে পড়াশোনায় আগ্রহী করে তুলবে, ৭) শিশুকে কিভাবে বড় করবেন, ৮) বাচ্চাদের মস্তিষ্ক বিকাশে কী করবেন? ৯) বাচ্চাদের বুদ্ধি বিকাশের অন্যতম পথ, দৌড়, ১০) বাচ্চাকে কখনো আড়ালে লুকিয়ে খেতে দেবেন না, ১১) পিটার সিংগারের দর্শন, ১২) দুষ্টু শিশুরা তাড়াতাড়ি শেখে, ১৩) সন্তানকে যতই শাস্তি দেবেন ততই সে অসামাজিক হবে, ১৪) বাবা-মাই সন্তানকে নির্যাতন করেন সবচেয়ে বেশি , ১৫) সন্তানের সাথে কিভাবে গড়ে তুলবেন নিবিড় বন্ধন, ১৬) যে ১১টি কথা শিশুকে কখনোই বলবেন না!, ১৭) শিশুকে গল্প শোনান প্রতিদিন, ১৮) সন্তানের আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধির ১০টি কৌশল, ১৯) সৃজনশীলতা হচ্ছে নতুন কিছু করার যোগ্যতা, ২০) যারা মুখস্থ করতে পারেন না, ২১) তারা মেধাবী, মেধাবী হওয়ার উপায়,
২২) কথা ও ভাষা, ২৩) এলিভেটর পিচ, ২৪) সুন্দর করে কথা বলে সমস্যা জয়ের কৌশল, ২৫) ফোনে কথা বলার আদবকেতা, ২৬) ১২টি কর্ম বিধান, ২৭) ভালোবাসার অপর নাম প্রয়োজন, ২৮) আলতু-ফালতু কাজে সময় অপচয় করে স্বপ্ন পূরণের কল্পনা, ২৯) স্ট্রেস ম্যানেজমেন্ট, ৩০) চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিন পিং-এর জীবন থেকে শিক্ষা, ৩১) অভিজ্ঞতা ও অতীত থেকে শিক্ষা গ্রহণ, ৩২) বর্তমানকে সবচেয়ে বেশি মূল্য দিন, ৩৩) ২৪ ঘণ্টা কেউ সুখী হয় না, ৩৪) কিছু অভ্যাস যা আপনাকে আরও সুখী করবে , ৩৫) আপনার অবয়ব , ৩৬) সফলতার 25টি হট কৌশল-1, ৩৭) সাফল্যের 25টি হট কৌশল-2, ৩৮) সফলতার 55 সূত্র, ৩৯) কিভাবে নিজেকে নেতা হিসেবে গড়ে তুলবে, ৪০) সময় ব্যবস্থাপনা, ৪১) সময় ব্যবস্থাপনার তিনটি ধাপ, ৪২) সময়কে যথাযথভাবে কাজে লাগানোর উপায়গুলো, ৪৩) সাফল্য, ড. কোভের ইমোশনাল একাউন্ট কনসেপ্ট, ৪৪) সবচে বড় ইমোশনাল একাউন্ট, ৪৫) আপনার ইমোশনাল একাউন্ট, ৪৬) বুদ্ধি ও বিবেচনাবোধ বর্জিত কর্মফল বিপজ্জনক, ৪৭) অন্যদের দিয়ে আপনার কাজ করান কিন্তু সম্মান আপনি অর্জন করুন, ৪৮) অন্য লোকেরা আপনার কাছে আসুক দরকার হলে টোপ দিন, ৪৯) অসুখী এবং ভাগ্যহীনদের বর্জন করুন, ৫০) লোককে আপনার ওপর নির্ভরশীল করুন , ৫১) নেওয়ার পূর্বে দেওয়া অন্য বক্তির স্বার্থ বুঝুন, ৫২) শত্রুকে খাটো করে দেখবেন না, ৫৩) নিজেকে রক্ষা করার জন্য চারিদিকে দুর্গ নির্মাণ করবেন না, ৫৪) কারোর পক্ষ অবলম্বন করে বসে থাকবেন না, ৫৫) আপনার শক্তিসমূহকে সংহত করুন, ৫৫) নিজের ভুলগুলোকে লুকিয়ে রাখুন, ৫৬) শুধু সাহসের জোরে নয়, পরিণতিও বিবেচনায় রাখুন, ৫৭) প্রতিটি মানুষের গোপন ইচ্ছা খুঁজে বের করুন, ৫৮) রাগ বিপজ্জনক ও অভদ্রতা, ৫৯) কোনো দলকে ধরার জন্য দলপতিকে প্রথমে ধরুন, ৬০) নিজেকে গুরুত্বপূর্ণ মনে করুন, গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবেন, ৬০) পরিবেশ সামলাতে শিখুন, ৬১) প্রথম শ্রেণির মানুষ হয়ে উঠুন, ৬২) আপনার সামাজিক পরিবেশ ‘প্রথম শ্রেণি’র করে তোলার উপায়, ৬৩) ‘সস্তার তিন অবস্থা’ প্রধম শ্রেণিভুক্ত হয়ে উঠুন , ৬৪) যত বেশি বন্ধুত্ব তত বেশি উপরে ওঠার সম্ভাবনা, ৬৫) সাহস করে কাজটা শুরু করুন, ৬৬) সাফল্য মানে বারবার ভিন্নভাবে চেষ্টা করা, ৬৭) ১- ১০ ভাল অভ্যাস, ১১- ২০ ভাল অভ্যাস, ২১- ৩০ ভাল অভ্যাস, ৩১- ৪০ ভাল অভ্যাস, ৪১- ৫০ ভাল অভ্যাস, ৫১- ৬০ ভাল অভ্যাস, ৬১- ৭০ ভাল অভ্যাস, ৭১- ৮০ ভাল অভ্যাস, ৮১- ৯০ ভাল অভ্যাস, ৯১- ১০২ ভাল অভ্যাস, ৬৮) জিরো থেকে হিরো, ৬৯) সৃজনশীলদের সফলতার ৭ সূত্র, ৬৯) জীবনে পরিবর্তন আনুন ৪৮টি উপায়ে, ৭০) জীবন-যাপন, ৭১) জাপানী ও চিন লাইফ স্টাইল , ৭২) ৩০টি দর্শন, যা আপনার জীবনে কাজে লাগবে, ৭৩) সম্পর্ক তৈরি করা, বন্ধুত্ব, ৭৪) যে আচরণগুলো মানুষের মনের কথা জানাবে, ৭৫) কথা বলার সূত্র, ৭৬) আপনি ও আপনার ব্যবহার, ৭৭) নিজেকে সঠিকভাবে উপস্থাপন করা, ৭৮) কথা বলার কতিপয় গুরুত্বপূর্ণ নিয়ম, ৭৯) কিভাবে নিজেকে বিনয়ী হিসেবে উপস্থাপন করবেন, ৮০) কিভাবে বুদ্ধিদীপ্ত কথা বলবেন, ৮১) কথা বলার ৫টি বিস্ময়কর টেকনিক, ৮২) কিভাবে মানুষকে আকৃষ্ট করবেন? ৮৩) অকারণে সময় নষ্ট? মেল রবিনের ৫ সেকেন্ড রুল, ৮৪) কর্পোরেট আদবকেতা, ৮৫) ৩৫টি কর্পোরেট কালচার ও আপনার করণীয়, ৮৬) যা না জানলে লজ্জায় পড়তে হয় , ৮৭) কাজের সময়ে যে বিষয়গুলো একেবারেই করা উচিৎ না , ৮৮) ক্যারিয়ারে সাফল্য পেতে ছুড়ে ফেলুন ৭টি দোষ, ৮৯) আকাক্সক্ষা, ইচ্ছে বা স্বপ্ন,
৯০) বক্তৃতা প্রশিক্ষণ, কাজ কিভাবে করবেন? ৯১) আত্মশক্তিতে বলিয়ান হতে, ৯২) একনাগাড়ে চলবেন না, ৯৩) মারফিস ’ল , কাজের রোডম্যাপ তেরি , ৯৪) জব স্যাটিসফেকশন, ৯৫) কাজে সফলতার সূত্রাবলী, ৯৬) যেভাবে জীবনযাপন করবেন, ৯৭) পরিণত বুদ্ধির মানুষেরা যে কাজগুলো কখনোই করেন না, ৯৮) জীবনে দক্ষতা অর্জনের কার্যকর ১২টি উপায়, ৯৯) সঠিক লক্ষ্য নির্ধারণ ও কাজ করার উপায় , ১০০) সফলতা ও সার্থকতা, ১০১) জীবনের ছোট ছোট প্রাপ্তিগুলোকে উপভোগ করা, ১০২) সফলতার কিছু পদ্ধতি, ১০৩) সফল হতে চাইলে যে ৮ টি জিনিস বাদ দেয়া প্রয়োজন, ১০৪) সফল ব্যক্তিরা যে ১০টি কাজ কখনোই করেন না, ১০৫) সর্বদা স্মরণ রাখুন, ১০৬) চিন্তাশক্তি , ১০৭) স্বাধীনতা, ১০৮) জ্ঞান অর্জন খাদ্য গ্রহণের মতো , ১০৯) দৃঢ় প্রতিজ্ঞ হয়ে চেষ্টা করলে কখনোই বিফল হবেন না, ১১০) বুদ্ধির সংজ্ঞা হলো, প্রতিটি কাজ ভেবে-চিন্তে করা, ১১১) ব্যক্তিত্ব, চেহারা ও ব্যক্তিত্ব , ১১২) সেলডন-এর গবেষণা , ১১৩) ব্যক্তিত্ব ও উচ্চারণ, ১১৪) পোশাক ও ব্যক্তিত্ব, ১১৫) প্রথম দেখায় ব্যক্তিত্বের ছাপ, ১১৬) বিচ্ছিন্নতা ব্যক্তিত্বের বড় শত্রু, ১১৭) ব্যক্তিত্বে জিনগত প্রভাব, ১১৮) অন্তর্মুখী ও বহির্মুখী ব্যক্তিত্ব, ১১৯) মনোমুগ্ধকর ব্যক্তিত্বের ১০ বৈশিষ্ট্য, ১২০) ব্যক্তিত্বের উৎকর্ষতার জন্যে ১০ নির্দেশনা, ১২১) কিভাবে ব্যক্তিত্বের বিকাশ ঘটাবেন? , ১২২) নিজেকে স্মার্ট করতে ৫টি কৌশল, ১২৩) আকর্ষণীয় মানুষ হবার ৬টি পরামর্শ, ১২৪) আত্মশুদ্ধি , ১২৫) হতাশ হবেন না, ১২৬) পাছে লোকে কিছু বলে, ১২৭) সুখ-শান্তি উন্নতি , ১২৮) চাহিদা, ১২৯) খাদ্য, ঘুম ও বিশ্রাম, ১৩০) স্বাস্থ্য ভাল রাখার নিয়ম, ১৩১) টেনশন দূর করতে হলে, ১৩২) শুধু নিজের কথা নয়, অন্যের কথাও ভাবুন, ১৩৩) চাহিদা যত বেশি সুখ তত কম, ১৩৪) সুখী জীবনের জন্য ১৮ টি টিপস, ১৩৫) আত্মবিশ্বাস, আত্ম বিশ্বাসের শক্তি, ১৩৬) অজুহাতের ব্যাধিতে আক্রান্ত ব্যর্থ মানুষ, ১৩৭) দি সেভেন হ্যাবিট অফ হাইলি এ্যা ফেক্টিভ পিপল, ১৩৮) সামাজিক আয়না, ১৩৯) প্রোএ্যাক্টিভিটি, ১৪০) সার্কেল অফ ইনফ্লুয়েন্স, ১৪১) শুরু করুন আজই, ১৪২) আপনার কেন্দ্রবিন্দু কোনটি?, ১৪৩) মাথার দুটি অংশই ব্যবহার করুন, ১৪৪) সময়ের ব্যবস্থাপনা, ১৪৫) ব্যক্তিগত ব্যবস্থাপনা, ১৪৬) গুরুত্বপূর্ণ এবং জরুরি, ১৪৭) পরনির্ভরশীল জীবন, ১৪৮) ছয়টি উপায়ে অন্য মানুষের সাথে আদান-প্রদান, ১৪৯) অধ্যয়ন, ১৫০) পড়াশোনায় ১২ কার্যকর কৌশল, ১৫১) ঘুম থেকে উঠতে ১০-৩-২-১-০ ফর্মুলা, ১৫২) আয়-ব্যয়- টাকা, ১৫৩) অন্যকে খুশি করতে পয়সা খরচ যে কারণে অর্থহীন, ১৫৪) খরচের লাগাম টেনে ধরতে.. ১৫৫) নারী, ১৫৬) সম্পর্ককে সুন্দর রাখতে কিছু “মিথ্যা” বলা জরুরী , ১৫৭) ছেলেদের কোন জিনিস দেখে মেয়েরা? , ১৫৮) স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর কিছু অভ্যাস, ১৫৯) ভুঁড়ি ঠেকাতে ৫টি নিয়ম, ১৬০) যেসব কারণে নারীদের স্বাবলম্বী হওয়া উচতি , ১৬১) বিয়ে-সংসার, ১৬২) সফল বিয়ের তিনটি মন্ত্র, ১৬৩) সুখী হবার দারুণ কিছু মূলমন্ত্র, ১৬৪) কিছু গল্প, ১৬৫) ভালোবাসাহীন সম্পর্ক, ১৬৬) কেন স্পর্শের প্রয়োজন হয় প্রতিদিন, ১৬৭) যে কারণে একা থাকাই আপনার জন্য ভালো, ১৬৮) ব্যবসা, ১৬৯) বিক্রয় বৃদ্ধির কৌশল, ১৭০) যে ৭টা ব্যাপার বিজনেসে করবেন না, ১৭১) স্বাস্থ্য, ১৭২) দুগ্ধজাত খাবারে পুরুষের বন্ধ্যত্ব, ১৭৩) একাকিত্বের বিপদ, ১৭৪) কর্মক্ষম ও প্রফুল্ল রাখতে, ১৭৫) মন ভালো করার উপায়, ১৭৬) যৌন স্বাস্থ্য, ১৭৭) পুরুষদের কেজেল, ১৭৮) মহিলাদের কেজেল, ১৭৯) দক্ষতা , ১৮০) আলসেমি দূর করার সহজ কিছু উপায়, ১৮১) কীভাবে সামলাবেন নিন্দুকদের ?, ১৮২) সুখী হতে চাইলে যা কখনোই করবেন না, ১৮৩) সব ভুলে যাচ্ছেন? স্মৃতিশক্তি চাঙ্গা রাখতে ৫টি টিপস, ১৮৪) বয়সের ভারে বৃদ্ধ না হয়ে বরং কাজের ভারে যুবক থাকার চেষ্টা করো, ১৮৫) নিজেকে কাজের সঙ্গে সম্পক্ত করার তিনটে স্টেপ, ১৮৬) জীবনের লক্ষ্য নির্ধারণে দ্রুত পদ্ধতিগুলো, ১৮৭) প্রতিদান পাওয়ার আশায় কাজ করবেন না, ১৮৮) প্রেম একটি মানসিক রোগ, ১৮৯) সম্পর্ক ভেঙ্গে যাবার পর নিজেকে যেভাবে সামলাবে, ১৯০) সময় সবকিছু বদলে দেয়, ১৯১) সম্পর্ক তৈরির ক্ষেত্রে কমন পাঁচটি ভুল, ১৯২) আত্মবিশ্বাস/মনোবল, ১৯৩) প্যারাসুট অফ হ্যাপিনেস, ১৯৪) বারবার ঘুরে দাঁড়াতে হবে, ১৯৫) আত্মবিশ্বাসহীন মানুষের লক্ষণ, ১৯৬) বাড়াও আত্মবিশ্বাস, বাড়বে সফলতা, ১৯৭) প্রাতিষ্ঠানিক সম্পর্ক শক্তিশালী করার টিপস, ১৯৮) কিভাবে ধরে রাখবে দু'জনের সম্পর্ক, ১৯৯) কিভাবে বুঝবে সম্পর্ক শেষ করতে হবে, ২০০) সম্পর্ক যখন প্রেম-ভালোবাসার, ২০১) যেসব বিষয়ের উপর স¤পর্ক গড়ে ওঠে, ২০২) ভালোবাসার অপর নাম প্রয়োজন, ২০৩) সম্পর্কের গুণগত মান বাড়বে কিভাবে, ২০৪) মস্তিস্ক ঠিক রাখার ৩০ উপায়, ২০৫) মানুষের আচরণের পেছনে একটা কারণ থাকে, ২০৬) কোনো কাজে নিজেকে সম্পক্ত না করেই আমরা নিজ ক্যারিয়ারকে এগিয়ে নিয়ে যাই ২০৭) স্রোতের বিপরীতে চিন্তা করুন, ২০৮) আপনার টাইমজোনে সময় আসবেই, ২০৯) চাইল্ডহুড অ্যামনেসিয়া এবং আমাদের শিক্ষণীয়,