কিভাবে বুদ্ধিদীপ্ত কথা বলবেন
আমরা অনেকেই দামী আর সুন্দর জামা কাপড় পরি, দামী ব্র্যান্ডের টি-শার্ট বা জিন্স না হলে বাইরে বের হতেই ইচ্ছা করে না অনেকের। আইফোন বা স্মার্ট ফোন ছাড়া কথা বলা হয়ে দাঁড়ায় সম্মানের প্রশ্ন। খুবই ভালো। নিজেকে যতটা সুন্দরভাবে উপস্থাপন করা যায় সবার সামনে আপনি তা করেছেন। কিন্তু ধরা পড়ে যাচ্ছেন তখনই যখন আপনি কথা বলার জন্য মুখ খুলছেন।
আপনি হয়তো নিজেই বুঝতে পারছেন যে, আপনি স্মার্টলি কথা বলতে পারছেন না। কিন্তু এর সমাধানও খুঁজে পাচ্ছেন না। তাহলে নিচের লেখাটায় একটু চোখ বুলান, হয়তো পেয়েও যেতে পারেন আপনার কাক্সিক্ষত সমাধান। তবে আপনি যদি ভেবে থাকেন স্মার্টলি কথা বলা মানে ‘র’ কে ‘ড়’ বলা, একটা বাক্যের অর্ধেক ইংরেজি, অর্ধেক হিন্দি, আর সামান্য বাংলা বলা, অথবা বিদঘুটে অঙ্গভঙ্গি করা, তাহলে আপনাকে হতাশ করার জন্য দুঃখিত।
১. আঞ্চলিকতা পরিহার করুন :
আমাদের দেশে বেশ কিছু আঞ্চলিক ভাষা প্রচলিত আছে। তার মধ্যে কিছু শুনে তো প্রথমে বোঝার কেনো উপায়ই নেই যে সেগুলো বাংলা ভাষা নাকি অন্য কিছু! নিজ নিজ আঞ্চলিক ভাষাকে সম্মান করতে শিখুন। সে ভাষায় কথা বলুন। তবে এটাও খেয়াল রাখবেন তা যেন আপনার কথায় কোনো ছাপ না ফেলে যায়। আপনার কথায় যদি আঞ্চলিক উচ্চারণ ভঙ্গি চলে আসে বা কোনো আঞ্চলিক শব্দ ঢুকে পড়ে তবে অফিস, ক্লাসে বা বন্ধুদের সামনে যেখানেই যান, আপনাকে অনেক অসুবিধার সম্মুখীন হতে হবে। বিশেষ করে চাকরির ইন্টারভিউ দেবার সময় সর্বাবস্থায় আঞ্চলিক বাচনভঙ্গি পরিহার করুন।
২. কিছু শব্দের উচ্চারণ সঠিক করুন :
অনেক সময় দেখা যায় আমরা ঠিকঠাক কথা বলছি। কিন্তু কিছু শব্দের বেলায় আমরা সেই ভুল উচ্চারণই করে যাচ্ছি। প্রথমে চিহ্নিত করুন ঠিক কেন কোন শব্দ উচ্চারণে আপনার সমস্যা হচ্ছে। যেমন, আমরা অনেকেই বলি “কেমন আসেন” “ভাল আসি”। কিন্তু স এর জায়গায় যদি ছ ব্যবহার করা যায় তাহলে “কেমন আছেন” কথাটা অনেক শ্রুতিমধুর শোনায়।
অনেকে ‘প’ এর জায়গায় ‘ফ’ ব্যবহার করেন, অথবা ‘ব’ এর জায়গায় ‘ভ’। এই সামান্য কিছু শব্দের শুদ্ধ উচ্চারণ কিন্তু আপনার কথা আকাশ পাতাল ফারাক এনে দিতে পারে। তবে পরিবর্তন একদিনে হবে না। নিজে প্র্যাকটিস করুন। আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে। নিজের বাসা থেকেই।
৩. মিশ্র ভাষা পরিহার করুন :
অনেকে মনে করেন ইংরেজিতে কথা বলা, হিন্দিতে কথা বলা বেশ একটা ভাবের ব্যাপার। আপনি ইংরেজিতে অবশ্যই কথা বলবেন। কারণ এটা আন্তর্জাতিক ভাষা। তবে তখনই, যখন আপনার দরকার হবে এই ভাষায় কথা বলা। অথবা বন্ধুদের সাথে অনুশীলন করতে পারেন।
আপনার উপকারই হবে। কিন্তু বিনা কারণে ইংরেজিতে কথা বলা অন্য একজন বাঙালির সাথে শুধুমাত্র স্মার্টনেস দেখানোর জন্য! এটা বোকামি। তার ওপর আবার একটা বাক্যের অর্ধেক ইংরেজি অর্ধেক বাংলা! আপনি যদি ভেবে থাকেন এভাবে কথা বললে সবাই আপনাকে বেশ স্মার্ট ভাববে, তাহলে আপনার ধারণা ভুল।
৪. বলার আগে চিন্তা করুন :
হুট করে কেনো কথা বলে ফেলার চেয়ে বরং একটু সময় চিন্তা করুন আপনি কি বলতে যাচ্ছেন, যেটা বলতে যাচ্ছেন সেটা স¤পর্কে আপনার যথেষ্ট ধারণা আছে কি না এবং আপনার কথায় শ্রোতার কেমন প্রতিক্রিয়া হতে পারে। কথা বলার আগে একটু চিন্তা করার ফলে অনেক বেফাঁস কথা বলার হাত থেকে বেঁচে যাবেন এবং আপনার কথা হয়ে উঠবে অনেক বুদ্ধিদীপ্ত।
৫. একটু বিরতি দিয়ে কথা বলুন :
আমরা যখন বাসায় বা বন্ধুদের সাথে কথা বলি তখন আমাদের খেয়াল থাকে না যে আমরা কি বলছি। হড়বড় করে সব কথা বলে ফেলি অনেক দ্রুত। এর চেয়ে একটু ধীরে প্রত্যেকটা শব্দের ওপর পর্যাপ্ত জোর দিয়ে কথা বলার চেষ্টা করুন। এতেকরে আপনার কথা সবাই প্রথমবারেই বুঝবে এবং আপনাকে দেখবে একটু আলাদা দৃষ্টিতে।
৬. শব্দভাণ্ডার বাড়ান :
হোক বাংলা কিংবা ইংরেজি, সব ভাষার ক্ষেত্রেই পর্যাপ্ত শব্দ জানা আবশ্যক। এতেকরে আপনাকে চিন্তা করতে হবে না যে এই শব্দের পর আপনি অন্য কোন শব্দ ব্যবহার করবেন। আমরা দৈনন্দিন জীবনে যেসব শব্দ ব্যবহার করি, বাংলা অভিধান খুলে তার সমার্থক শব্দগুলো দেখে নিতে পারেন। অথবা এমন অনেক শব্দ খুঁজে নিতে পারেন যেগুলো সাধারণ কথায় আমরা খুব কমই ব্যবহার করি এবং তা প্রয়োগ করুন উপযুক্ত ক্ষেত্রে বুঝে। এতে আপনার কথা যেমন সুন্দর হবে তেমনি শ্রোতার মনে আপনার জ্ঞান স¤পর্কে ভাল ধারণা জন্মাবে।
৭.অঙ্গভঙ্গি :
আপনার কথার মূল্য অনেকগুণ বাড়িয়ে দিতে পারে সঠিক বডি ল্যাংগুয়েজ। আপনার এক্সপ্রেশন, দাঁড়ানো বা বসার ভঙ্গি, হাত নাড়ানো এসব দিকে মনোযোগ দিন। কোনো কিছুই অতিরিক্ত করার দরকার নেই। তবে কথার সাথে যেন অঙ্গভঙ্গি খাপ খায় সে চেষ্টা করুন। অনেকের অভ্যাস থাকে অন্যের সাথে কথা বলার সময় কাঁধে হাত দেয়া, বা বারবার গায়ে খোঁচা দিয়ে নিজের দিকে মনোযোগ ফেরানোর। আপনার যদি এমন কোনো অভ্যাস থেকে থাকে, দয়া করে এখনি পরিহার করুন।
৮. আত্মবিশ্বাসের সাথে কথা বলুন :
ধরা যাক, ক্লাস বা অফিসের কেনো প্রেজেন্টেশন। টপিক স¤পর্কে আপনার খুবই ভালো ধারণা থাকা সত্ত্বেও শুধুমাত্র আত্মবিশ্বাসের অভাবে প্রতিযোগিতায় পিছিয়ে পড়ছেন আপনি। ভয়েস টোন বাড়ান। যেখানে জোরে কথা বলা দরকার সেখানে জোরে, যেখানে আস্তে কথা বলা দরকার সেখানে আস্তে কথা বলুন এবং এমনভাবে কথা বলুন, যাতে শ্রোতার মনে ধারণা জন্মে আপনি যা বলছেন তা সঠিক। এমনকি আত্মবিশ্বাসের সাথে মিথ্যা বলেও আপনি পার পেয়ে যেতে পারেন অনেক সময়।
৯. শুনুন এবং বুঝুন :
শুধুমাত্র আপনিই হড়বড় করে সব বলে যাবেন, এটা স্মার্টনেসের মধ্যে পড়ে না। বরং আপনি যার সাথে কথা বলছেন তার প্রত্যেকটা কথা শোনা এবং বোঝাও স্মার্টনেসের অন্তর্ভুক্ত। কেউ আপনার সাথে কথা বলার সময় তাকান সরাসরি তার দিকে, তার চোখের দিকে। কোনো কথা বুঝতে সমস্যা হলে তার ঠোঁটের দিকে তাকিয়ে বুঝতে চেষ্টা করুন সে কি বলছে।
এটাকে বলে লিপ রিডিং যেটা কম শ্রবণশক্তির অধিকারী মানুষজন ব্যবহার করে থাকেন। তার কথায় সম্মতি জানান, মাথা বা হাত নেড়ে তাকে বোঝান যে আপনি তার কথা মন দিয়ে শুনছেন এবং কারো কথা শোনার সময় মন দিয়ে শুনুন এবং তার প্রশ্ন বুঝার চেষ্টা করুন। কারণ প্রশ্ন ঠিকভাবে বুঝলেই কেবল আপনি ঠিক উত্তরটা দিতে পারবেন, এতে অনেক ভুল বুঝাবুঝিও কমবে।
‘‘তাড়াহুড়ো করে এক ডাক্তারকে হাসপাতালে ডেকে পাঠানো হলো...সে তড়িৎ গতিতে হাসপাতালে পৌঁছে গেলো... হাসপাতাল ঢুকেই সে নিজেকে দ্রুত প্রস্তুত করে নিলো সার্জারির জন্য.. এরপর সার্জারির ব্লক এ গিয়ে সে দেখল রোগীর (একটি ছোট্ট ছেলে) বাবা ওখানে পায়চারি করছে ডাক্তারের অপেক্ষায়, ডাক্তারকে দেখামাত্র লোকটি চেঁচিয়ে উঠলÑ আপনার আসতে এত দেরি লাগে? দায়িত্ববোধ বলতে কিছু আছে আপনার? আপনি জানেন আমার ছেলে এখানে কতটা শোচনীয় অবস্থায় আছে? ডাক্তার ছোট্ট একটা মুচকি হাসি হেসে বলল- "আমি দুঃখিত, আমি হাসপাতালে ছিলাম না, বাসা থেকে তাড়াহুড়ো করে এলাম, তাই খানিক দেরি হলো, এখন আপনি যদি একটু শান্ত হন আর ধৈর্য ধারণ করেন তবে আমি আমার কাজটা শুরু করি?
লোকটি এবার যেন আরও রেগে গেলো, ঝাঁঝাঁলো স্বরে বলল- "ঠাণ্ডা হবো?
আপনার সন্তান যদি আজ এখানে থাকতো? আপনার সন্তান যদি জীবন মৃত্যুর মাঝে দাঁড়িয়ে থাকতো, তবে আপনি কি করতেন?
শান্ত হয়ে বসে থাকতেন? ডাক্তার আবার হাসলেন আর বললেন, "আমি বলবো পবিত্র গ্রন্থে বলা হয়েছে মাটি থেকেই আমাদের সৃষ্টি আর মাটিতেই আমরা মিশে যাবো! ডাক্তার কাউকে দীর্ঘ জীবন দান করতে পারেন না... আপনি আপনার সন্তানের জন্য প্রার্থনা করতে থাকুন আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করবো... লোকটি পুনরায় রাগত স্বরে বলল- অন্যকে উপদেশ দেয়া খুবই সহজ...আপনার এমন পরিস্থিতি হলে বুঝতেন...
এরপর ডাক্তার সার্জারির রুমে চলে গেলো, ২ ঘণ্টার মত সময় লাগলো, সব শেষে ডাক্তার বের হয়ে এসে হাসিমুখে রোগীর বাবার কাছে এলেন, আর বললেন "আলহামদুলিল্লাহ, অপারেশন সফল হয়েছে" এরপর উত্তরের অপেক্ষা না করেই ডাক্তার আবার বলে উঠলেনÑ আপনার কেনো প্রশ্ন থাকলে নার্সকে জিজ্ঞেস করুন, এই কথা বলেই হাসিমুখে সালাম জানিয়ে তিনি চলে গেলেন... এরপর লোকটি নার্সকে বললেন- এই ডাক্তার এত নিষ্ঠুর কেন? তিনি কি আর কিছুক্ষণ এখানে থাকতে পারতেন না...? আমি ওনাকে আমার সন্তানের ব্যাপারে আরো কিছু জিজ্ঞেস করতাম...!
তখন নার্স জানালেন- ডাক্তার সাহেবের ছেলে আজ সকালে মারা গেছেন রোড এক্সিডেন্টে, তিনি আপনার ফোন পেয়ে ওনার ছেলের জানাজা থেকে উঠে এসেছেন, এখন আবার দৌড়ে চলে গেলেন কবর দিতে..!
একজন মানুষকে কখনও তার বাইরের আচরণ দেখে যাচাই করবেন না, কারণ আপনি কখনই জানেন না তিনি কিসের মাঝে আছেন! না জেনে আমাদের সমালোচনা আর সন্দেহ করা উচিত নয় বিপদের মাঝেই ধৈর্যের পরীক্ষা দিতে হয় ’’
১০. অনুসরণ করুন রেডিও বা টিভির সংবাদ উপস্থাপকদের বা নিজের কোনো
প্রিয় অভিনেতাকে :
প্রত্যেকটা মানুষই স্বতন্ত্র। আপনার অবশ্যই নিজস্বতা বজায় রাখা উচিত। আপনি নিজে যেভাবে কথা বলতে স্বাচ্ছন্দ বোধ করেন সেভাবেই বলবেন। অন্যকে অনুসরণ করতে গিয়ে নিজেকে হারিয়ে ফেলার কোনো মানেই হয় না। তবে শেখার জন্য একজন গুরু আবশ্যক। শিক্ষক ছাড়া আপনি কখনো কোনো বিষয় ভালোভাবে শিখতে পারবেন না। তাই কথা বলার স্টাইল শেখার জন্য বেছে নিতে পারেন নিজের কোনো প্রিয় অভিনেতা, রেডিও বা টিভির কোনো উপস্থাপককে। বোঝার চেষ্টা করুন, তিনি কিভাবে কথা বলছেন, টোন কখন কোথায় কেমন, এবং বডি ল্যাঙ্গুয়েজ কেমন। এরপর আপনি পরিস্থিতি এবং পরিবেশ বুঝে তার কিছু অংশ প্রয়োগ করুন আপনার বাস্তব জীবনে।
সূচিপত্র
১) ছোটদের সাথে আমাদের আচরণ ২) পরিবার ও সন্তান, সুপার পাওয়ার যেভাবে তৈরি হয়, ৩) দীর্ঘস্থায়ী ভয়ের উৎপত্তির মূলে শৈশবকালে ঘটে যাওয়া ঘটনার প্রভাব , ৪) সন্তানের উৎসাহ এবং উদ্দীপনা বাড়ানো, ৫) আপনার শিশুটি ঘুমুক শান্তিতে এবং নির্ভরতায় , ৬) কিছু অব্যর্থ টিপস, যা আপনার শিশুকে পড়াশোনায় আগ্রহী করে তুলবে, ৭) শিশুকে কিভাবে বড় করবেন, ৮) বাচ্চাদের মস্তিষ্ক বিকাশে কী করবেন? ৯) বাচ্চাদের বুদ্ধি বিকাশের অন্যতম পথ, দৌড়, ১০) বাচ্চাকে কখনো আড়ালে লুকিয়ে খেতে দেবেন না, ১১) পিটার সিংগারের দর্শন, ১২) দুষ্টু শিশুরা তাড়াতাড়ি শেখে, ১৩) সন্তানকে যতই শাস্তি দেবেন ততই সে অসামাজিক হবে, ১৪) বাবা-মাই সন্তানকে নির্যাতন করেন সবচেয়ে বেশি , ১৫) সন্তানের সাথে কিভাবে গড়ে তুলবেন নিবিড় বন্ধন, ১৬) যে ১১টি কথা শিশুকে কখনোই বলবেন না!, ১৭) শিশুকে গল্প শোনান প্রতিদিন, ১৮) সন্তানের আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধির ১০টি কৌশল, ১৯) সৃজনশীলতা হচ্ছে নতুন কিছু করার যোগ্যতা, ২০) যারা মুখস্থ করতে পারেন না, ২১) তারা মেধাবী, মেধাবী হওয়ার উপায়,
২২) কথা ও ভাষা, ২৩) এলিভেটর পিচ, ২৪) সুন্দর করে কথা বলে সমস্যা জয়ের কৌশল, ২৫) ফোনে কথা বলার আদবকেতা, ২৬) ১২টি কর্ম বিধান, ২৭) ভালোবাসার অপর নাম প্রয়োজন, ২৮) আলতু-ফালতু কাজে সময় অপচয় করে স্বপ্ন পূরণের কল্পনা, ২৯) স্ট্রেস ম্যানেজমেন্ট, ৩০) চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিন পিং-এর জীবন থেকে শিক্ষা, ৩১) অভিজ্ঞতা ও অতীত থেকে শিক্ষা গ্রহণ, ৩২) বর্তমানকে সবচেয়ে বেশি মূল্য দিন, ৩৩) ২৪ ঘণ্টা কেউ সুখী হয় না, ৩৪) কিছু অভ্যাস যা আপনাকে আরও সুখী করবে , ৩৫) আপনার অবয়ব , ৩৬) সফলতার 25টি হট কৌশল-1, ৩৭) সাফল্যের 25টি হট কৌশল-2, ৩৮) সফলতার 55 সূত্র, ৩৯) কিভাবে নিজেকে নেতা হিসেবে গড়ে তুলবে, ৪০) সময় ব্যবস্থাপনা, ৪১) সময় ব্যবস্থাপনার তিনটি ধাপ, ৪২) সময়কে যথাযথভাবে কাজে লাগানোর উপায়গুলো, ৪৩) সাফল্য, ড. কোভের ইমোশনাল একাউন্ট কনসেপ্ট, ৪৪) সবচে বড় ইমোশনাল একাউন্ট, ৪৫) আপনার ইমোশনাল একাউন্ট, ৪৬) বুদ্ধি ও বিবেচনাবোধ বর্জিত কর্মফল বিপজ্জনক, ৪৭) অন্যদের দিয়ে আপনার কাজ করান কিন্তু সম্মান আপনি অর্জন করুন, ৪৮) অন্য লোকেরা আপনার কাছে আসুক দরকার হলে টোপ দিন, ৪৯) অসুখী এবং ভাগ্যহীনদের বর্জন করুন, ৫০) লোককে আপনার ওপর নির্ভরশীল করুন , ৫১) নেওয়ার পূর্বে দেওয়া অন্য বক্তির স্বার্থ বুঝুন, ৫২) শত্রুকে খাটো করে দেখবেন না, ৫৩) নিজেকে রক্ষা করার জন্য চারিদিকে দুর্গ নির্মাণ করবেন না, ৫৪) কারোর পক্ষ অবলম্বন করে বসে থাকবেন না, ৫৫) আপনার শক্তিসমূহকে সংহত করুন, ৫৫) নিজের ভুলগুলোকে লুকিয়ে রাখুন, ৫৬) শুধু সাহসের জোরে নয়, পরিণতিও বিবেচনায় রাখুন, ৫৭) প্রতিটি মানুষের গোপন ইচ্ছা খুঁজে বের করুন, ৫৮) রাগ বিপজ্জনক ও অভদ্রতা, ৫৯) কোনো দলকে ধরার জন্য দলপতিকে প্রথমে ধরুন, ৬০) নিজেকে গুরুত্বপূর্ণ মনে করুন, গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবেন, ৬০) পরিবেশ সামলাতে শিখুন, ৬১) প্রথম শ্রেণির মানুষ হয়ে উঠুন, ৬২) আপনার সামাজিক পরিবেশ ‘প্রথম শ্রেণি’র করে তোলার উপায়, ৬৩) ‘সস্তার তিন অবস্থা’ প্রধম শ্রেণিভুক্ত হয়ে উঠুন , ৬৪) যত বেশি বন্ধুত্ব তত বেশি উপরে ওঠার সম্ভাবনা, ৬৫) সাহস করে কাজটা শুরু করুন, ৬৬) সাফল্য মানে বারবার ভিন্নভাবে চেষ্টা করা, ৬৭) ১- ১০ ভাল অভ্যাস, ১১- ২০ ভাল অভ্যাস, ২১- ৩০ ভাল অভ্যাস, ৩১- ৪০ ভাল অভ্যাস, ৪১- ৫০ ভাল অভ্যাস, ৫১- ৬০ ভাল অভ্যাস, ৬১- ৭০ ভাল অভ্যাস, ৭১- ৮০ ভাল অভ্যাস, ৮১- ৯০ ভাল অভ্যাস, ৯১- ১০২ ভাল অভ্যাস, ৬৮) জিরো থেকে হিরো, ৬৯) সৃজনশীলদের সফলতার ৭ সূত্র, ৬৯) জীবনে পরিবর্তন আনুন ৪৮টি উপায়ে, ৭০) জীবন-যাপন, ৭১) জাপানী ও চিন লাইফ স্টাইল , ৭২) ৩০টি দর্শন, যা আপনার জীবনে কাজে লাগবে, ৭৩) সম্পর্ক তৈরি করা, বন্ধুত্ব, ৭৪) যে আচরণগুলো মানুষের মনের কথা জানাবে, ৭৫) কথা বলার সূত্র, ৭৬) আপনি ও আপনার ব্যবহার, ৭৭) নিজেকে সঠিকভাবে উপস্থাপন করা, ৭৮) কথা বলার কতিপয় গুরুত্বপূর্ণ নিয়ম, ৭৯) কিভাবে নিজেকে বিনয়ী হিসেবে উপস্থাপন করবেন, ৮০) কিভাবে বুদ্ধিদীপ্ত কথা বলবেন, ৮১) কথা বলার ৫টি বিস্ময়কর টেকনিক, ৮২) কিভাবে মানুষকে আকৃষ্ট করবেন? ৮৩) অকারণে সময় নষ্ট? মেল রবিনের ৫ সেকেন্ড রুল, ৮৪) কর্পোরেট আদবকেতা, ৮৫) ৩৫টি কর্পোরেট কালচার ও আপনার করণীয়, ৮৬) যা না জানলে লজ্জায় পড়তে হয় , ৮৭) কাজের সময়ে যে বিষয়গুলো একেবারেই করা উচিৎ না , ৮৮) ক্যারিয়ারে সাফল্য পেতে ছুড়ে ফেলুন ৭টি দোষ, ৮৯) আকাক্সক্ষা, ইচ্ছে বা স্বপ্ন,
৯০) বক্তৃতা প্রশিক্ষণ, কাজ কিভাবে করবেন? ৯১) আত্মশক্তিতে বলিয়ান হতে, ৯২) একনাগাড়ে চলবেন না, ৯৩) মারফিস ’ল , কাজের রোডম্যাপ তেরি , ৯৪) জব স্যাটিসফেকশন, ৯৫) কাজে সফলতার সূত্রাবলী, ৯৬) যেভাবে জীবনযাপন করবেন, ৯৭) পরিণত বুদ্ধির মানুষেরা যে কাজগুলো কখনোই করেন না, ৯৮) জীবনে দক্ষতা অর্জনের কার্যকর ১২টি উপায়, ৯৯) সঠিক লক্ষ্য নির্ধারণ ও কাজ করার উপায় , ১০০) সফলতা ও সার্থকতা, ১০১) জীবনের ছোট ছোট প্রাপ্তিগুলোকে উপভোগ করা, ১০২) সফলতার কিছু পদ্ধতি, ১০৩) সফল হতে চাইলে যে ৮ টি জিনিস বাদ দেয়া প্রয়োজন, ১০৪) সফল ব্যক্তিরা যে ১০টি কাজ কখনোই করেন না, ১০৫) সর্বদা স্মরণ রাখুন, ১০৬) চিন্তাশক্তি , ১০৭) স্বাধীনতা, ১০৮) জ্ঞান অর্জন খাদ্য গ্রহণের মতো , ১০৯) দৃঢ় প্রতিজ্ঞ হয়ে চেষ্টা করলে কখনোই বিফল হবেন না, ১১০) বুদ্ধির সংজ্ঞা হলো, প্রতিটি কাজ ভেবে-চিন্তে করা, ১১১) ব্যক্তিত্ব, চেহারা ও ব্যক্তিত্ব , ১১২) সেলডন-এর গবেষণা , ১১৩) ব্যক্তিত্ব ও উচ্চারণ, ১১৪) পোশাক ও ব্যক্তিত্ব, ১১৫) প্রথম দেখায় ব্যক্তিত্বের ছাপ, ১১৬) বিচ্ছিন্নতা ব্যক্তিত্বের বড় শত্রু, ১১৭) ব্যক্তিত্বে জিনগত প্রভাব, ১১৮) অন্তর্মুখী ও বহির্মুখী ব্যক্তিত্ব, ১১৯) মনোমুগ্ধকর ব্যক্তিত্বের ১০ বৈশিষ্ট্য, ১২০) ব্যক্তিত্বের উৎকর্ষতার জন্যে ১০ নির্দেশনা, ১২১) কিভাবে ব্যক্তিত্বের বিকাশ ঘটাবেন? , ১২২) নিজেকে স্মার্ট করতে ৫টি কৌশল, ১২৩) আকর্ষণীয় মানুষ হবার ৬টি পরামর্শ, ১২৪) আত্মশুদ্ধি , ১২৫) হতাশ হবেন না, ১২৬) পাছে লোকে কিছু বলে, ১২৭) সুখ-শান্তি উন্নতি , ১২৮) চাহিদা, ১২৯) খাদ্য, ঘুম ও বিশ্রাম, ১৩০) স্বাস্থ্য ভাল রাখার নিয়ম, ১৩১) টেনশন দূর করতে হলে, ১৩২) শুধু নিজের কথা নয়, অন্যের কথাও ভাবুন, ১৩৩) চাহিদা যত বেশি সুখ তত কম, ১৩৪) সুখী জীবনের জন্য ১৮ টি টিপস, ১৩৫) আত্মবিশ্বাস, আত্ম বিশ্বাসের শক্তি, ১৩৬) অজুহাতের ব্যাধিতে আক্রান্ত ব্যর্থ মানুষ, ১৩৭) দি সেভেন হ্যাবিট অফ হাইলি এ্যা ফেক্টিভ পিপল, ১৩৮) সামাজিক আয়না, ১৩৯) প্রোএ্যাক্টিভিটি, ১৪০) সার্কেল অফ ইনফ্লুয়েন্স, ১৪১) শুরু করুন আজই, ১৪২) আপনার কেন্দ্রবিন্দু কোনটি?, ১৪৩) মাথার দুটি অংশই ব্যবহার করুন, ১৪৪) সময়ের ব্যবস্থাপনা, ১৪৫) ব্যক্তিগত ব্যবস্থাপনা, ১৪৬) গুরুত্বপূর্ণ এবং জরুরি, ১৪৭) পরনির্ভরশীল জীবন, ১৪৮) ছয়টি উপায়ে অন্য মানুষের সাথে আদান-প্রদান, ১৪৯) অধ্যয়ন, ১৫০) পড়াশোনায় ১২ কার্যকর কৌশল, ১৫১) ঘুম থেকে উঠতে ১০-৩-২-১-০ ফর্মুলা, ১৫২) আয়-ব্যয়- টাকা, ১৫৩) অন্যকে খুশি করতে পয়সা খরচ যে কারণে অর্থহীন, ১৫৪) খরচের লাগাম টেনে ধরতে.. ১৫৫) নারী, ১৫৬) সম্পর্ককে সুন্দর রাখতে কিছু “মিথ্যা” বলা জরুরী , ১৫৭) ছেলেদের কোন জিনিস দেখে মেয়েরা? , ১৫৮) স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর কিছু অভ্যাস, ১৫৯) ভুঁড়ি ঠেকাতে ৫টি নিয়ম, ১৬০) যেসব কারণে নারীদের স্বাবলম্বী হওয়া উচতি , ১৬১) বিয়ে-সংসার, ১৬২) সফল বিয়ের তিনটি মন্ত্র, ১৬৩) সুখী হবার দারুণ কিছু মূলমন্ত্র, ১৬৪) কিছু গল্প, ১৬৫) ভালোবাসাহীন সম্পর্ক, ১৬৬) কেন স্পর্শের প্রয়োজন হয় প্রতিদিন, ১৬৭) যে কারণে একা থাকাই আপনার জন্য ভালো, ১৬৮) ব্যবসা, ১৬৯) বিক্রয় বৃদ্ধির কৌশল, ১৭০) যে ৭টা ব্যাপার বিজনেসে করবেন না, ১৭১) স্বাস্থ্য, ১৭২) দুগ্ধজাত খাবারে পুরুষের বন্ধ্যত্ব, ১৭৩) একাকিত্বের বিপদ, ১৭৪) কর্মক্ষম ও প্রফুল্ল রাখতে, ১৭৫) মন ভালো করার উপায়, ১৭৬) যৌন স্বাস্থ্য, ১৭৭) পুরুষদের কেজেল, ১৭৮) মহিলাদের কেজেল, ১৭৯) দক্ষতা , ১৮০) আলসেমি দূর করার সহজ কিছু উপায়, ১৮১) কীভাবে সামলাবেন নিন্দুকদের ?, ১৮২) সুখী হতে চাইলে যা কখনোই করবেন না, ১৮৩) সব ভুলে যাচ্ছেন? স্মৃতিশক্তি চাঙ্গা রাখতে ৫টি টিপস, ১৮৪) বয়সের ভারে বৃদ্ধ না হয়ে বরং কাজের ভারে যুবক থাকার চেষ্টা করো, ১৮৫) নিজেকে কাজের সঙ্গে সম্পক্ত করার তিনটে স্টেপ, ১৮৬) জীবনের লক্ষ্য নির্ধারণে দ্রুত পদ্ধতিগুলো, ১৮৭) প্রতিদান পাওয়ার আশায় কাজ করবেন না, ১৮৮) প্রেম একটি মানসিক রোগ, ১৮৯) সম্পর্ক ভেঙ্গে যাবার পর নিজেকে যেভাবে সামলাবে, ১৯০) সময় সবকিছু বদলে দেয়, ১৯১) সম্পর্ক তৈরির ক্ষেত্রে কমন পাঁচটি ভুল, ১৯২) আত্মবিশ্বাস/মনোবল, ১৯৩) প্যারাসুট অফ হ্যাপিনেস, ১৯৪) বারবার ঘুরে দাঁড়াতে হবে, ১৯৫) আত্মবিশ্বাসহীন মানুষের লক্ষণ, ১৯৬) বাড়াও আত্মবিশ্বাস, বাড়বে সফলতা, ১৯৭) প্রাতিষ্ঠানিক সম্পর্ক শক্তিশালী করার টিপস, ১৯৮) কিভাবে ধরে রাখবে দু'জনের সম্পর্ক, ১৯৯) কিভাবে বুঝবে সম্পর্ক শেষ করতে হবে, ২০০) সম্পর্ক যখন প্রেম-ভালোবাসার, ২০১) যেসব বিষয়ের উপর স¤পর্ক গড়ে ওঠে, ২০২) ভালোবাসার অপর নাম প্রয়োজন, ২০৩) সম্পর্কের গুণগত মান বাড়বে কিভাবে, ২০৪) মস্তিস্ক ঠিক রাখার ৩০ উপায়, ২০৫) মানুষের আচরণের পেছনে একটা কারণ থাকে, ২০৬) কোনো কাজে নিজেকে সম্পক্ত না করেই আমরা নিজ ক্যারিয়ারকে এগিয়ে নিয়ে যাই ২০৭) স্রোতের বিপরীতে চিন্তা করুন, ২০৮) আপনার টাইমজোনে সময় আসবেই, ২০৯) চাইল্ডহুড অ্যামনেসিয়া এবং আমাদের শিক্ষণীয়,