দেখে নিন, আপনার কেন্দ্র কোনটি!
নীতি কেন্দ্রিক
আগের সেকশনে যে দশটি কেন্দ্রের কথা বলা হলো, এর সবগুলোই ঝুঁকিপূর্ণ। আপনি যে কেন্দ্রিকই হোন না কেন, আপনি খুব বেশি এ্যালফেক্টিভ হতে পারবেন না। কারণ সবগুলো কেন্দ্রই ভালনারেবল। তাই আমাদের কেন্দ্র হওয়া উচিৎ নীতি কেন্দ্রিক। এই গ্রহের নীতি যেমন পরিবর্তন হয় না, তেমনি আপনি যদি নীতি ঠিক করে নিতে পারেন এবং সেগুলো অনুসরণ করতে পারেন তাহলে আপনি আরও বেশি এ্যাফেক্টিভ হতে পারেন।
একটি উদাহরণ দিলে বিষয়টি বুঝতে সুবিধা হতে পারে। ধরুন আপনি স্ত্রীকে নিয়ে ক্রিকেট খেলা দেখতে যাবেন। টিকিট আছে। সব প্রস্তুত। কিন্তু সকাল বেলা অফিস থেকে বস ফোন করে বললেন, তিনি এখনও তার কাজ শেষ করতে পারেননি। কাল তো প্রেজেন্টেশন। আপনি গিয়ে একটু সহায়তা করতে পারেন কি না?
বসের এমন ফোনে আপনি কী আচরণ করবেন?
আপনি যদি স্ত্রী কেন্দ্রিক হন, তাহলে আপনি বসের কথা অবজ্ঞা করে স্ত্রীকে নিয়ে খেলা দেখতে চলে যাবেন। অফিসের সমস্যা হলে আপনার কী, তাই না?
আপনি যদি কাজ কেন্দ্রিক হন, তাহলে স্ত্রীকে কিছু না বলেই আপনি অফিসে চলে যাবেন। স্ত্রী মনে কষ্ট পেয়েছে, সেটা নিয়ে আপনি বিব্রত হবেন না।
আপনি যদি টাকা কেন্দ্রিক হন, তাহলে এই কাজটি করে আরেকটু বেশি টাকা পেতে পারেন, কিংবা বসের একটু নেক নজরে থাকতে পারেন, পরের বার প্রমোশনটা আপনার হতে পারে ইত্যাদি ভেবে আপনি অফিসে যাবেন।
আপনি যদি বন্ধু কেন্দ্রিক হন নয়তো বিনোদন কেন্দ্রিক, তাহলে হয়তো দেখতে পাবেন আপনার কিছু বন্ধু খেলা দেখতে যাচ্ছে, তাই আপনিও সেটা মিস করতে চাইবেন না। আপনার সিদ্ধান্তগুলো কিন্তু এভাবেই ঘুরপাক খাবে।
কিন্তু আপনি যদি নীতি কেন্দ্রিক হতেন, তাহলে আপনাকে ভিন্ন বিষয় তাড়িত করত। আপনার নীতিতে হয়তো আছে, সহকর্মীকে সহায়তা করা। কিংবা অফিসের গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে আপনার ভূমিকা রাখা। এর সাথে আর কোনোও কিছুর স¤পর্ক নেই। আপনি অফিসে যদি যান, তাহলে আপনার যাওয়াটা হবে ভিন্ন। আর যদি যেতে না পারেন, সেটারও এটিচিউড হবে ভিন্ন। আপনি হয়তো বসকে বলবেন, তুমি আমাকে পুরোটা ই-মেইল করে দাও, আমি মাঠে খেলা দেখে এসে রাতে করে রাখব। তারপর খুব ভোরে ওঠেই আপনি অফিসে গিয়ে বাকি কাজগুলো দেখতে থাকবেন। নীতি কেন্দ্রিক হলে, আপনার সিদ্ধান্ত ভিন্ন হবে।
আপনি যখন নিশ্চিত হয়ে যাবেন, আপনার সিদ্ধান্ত ওই দশটি কেন্দ্র দিয়ে ত্বাড়িত নয়, বরং নীতি দিয়ে ত্বাড়িত তখন আপনি হয়ে উঠবেন সবচে’ এ্যাফেক্টিভ মানুষ। আপনি হবেন পরবর্তী নেতা।
প্রতিষ্ঠান আপনার ওপরই নির্ভর করতে থাকবে। আপনাকে কেন্দ্র করেই ঘটতে থাকবে সবকিছু।
মাথার দুটি অংশই ব্যবহার করুন
মানুষের মাথার দুটি অংশ- বাম দিক এবং ডান দিক। অনেক গবেষণায় এটা প্রমাণিত হয়েছে। ব্রেইনের দুই অংশ দুই ধরনের কাজের জন্য পারদর্শী।
বাম দিকের ব্রেইন হলো যুক্তিবাদী এবং সরাসরি যা দেখা যায় সেগুলো নিয়ে কাজ করে। অপরদিকে ডান দিকের ব্রেইন হলো ক্রিয়েটিভ এবং স্বজ্ঞাত (ইনটিউটিভ)। বাম দিকের ব্রেইন সিকোয়েন্সিয়াল চিন্তা করতে পারে, কিন্তু ডান দিকের ব্রেইন হোলিস্টিক চিন্তা করতে পারে। ক্রিয়েটিভ মানুষদের ডান দিকের ব্রেইন বেশি সক্রিয়। এবং মানুষের ধর্ম হলো, যে যেটাতে পারদর্শী সেটা নিয়ে থাকতে চায়। একটু ভিন্ন কথায় যদি বলি, যে মানুষটা ভালো হাতুরি চালাতে পারে তার কাছে পৃথিবীর সবকিছুই প্যারেকের মতো। তিনি সেই হাতুরি দিয়েই সেটা সমাধান করতে চান। এই পৃথিবীর বেশিরভাগ মানুষ পরিচালিত হয় বাম দিকের ব্রেইন দিয়ে। তাই আমাদের মাঝে কবি, সাহিত্যিক, শিল্পী, উদ্ভাবকের সংখ্যা কম। এরা পরিচালিত হয় ডান দিকের ব্রেইন দিয়ে। আপনি যদি এ্যাফেক্টিভ হতে চান তাহলে দুটি ব্রেইনকেই ব্যবহার করতে হবে।
ব্রেইনের দুটো পাশকেই ব্যবহার করার অনেক টেকনিক বের হয়েছে। সেগুলো নিয়ে পরবর্তীতে কখনও লেখা যাবে। তবে এখন থেকে যে কাজেই হাত দেবেন, তার শেষটা আগে নিজের ভেতর দেখে নেবেন। তারপর কাজে নামবেন। দেখবেন অনেক পরিবর্তন লক্ষ্য করছেন।
আপনাদের জীবনে এমন কখনও হয়েছে যে, আপনি কারও সাথে দেখা করতে গিয়েছেন; আর সেই মানুষটি আপনার সামনেই একটার পর একটা ফোনে কথা বলে যাচ্ছে? কখনও ইন্টারকমে, কখনও মোবাইলে? আর আপনি তার সামনে বসে বসে মাছি মারছেন।
জ্বি, আমার জীবনে অসংখ্য বার এমন হয়েছে। কিছুদিন আগেই যেটা হলো, তার কাহিনীটা বলি। একটি প্রাইভেট ব্যাংকের ডিএমডি সাহেবের কাছে আমাকে যেতে বললেন ব্যাংকটির একজন ডিরেক্টর। আমি কোনোও ব্যাংক ঋণের জন্য যাইনি। গিয়েছিলাম একটি উইন-উইন প্রস্তাব নিয়ে, যা ব্যাংকটির পরিচালনা পরিষদ এপ্রোভ করেছে।
একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা আমাকে লবি থেকে উক্ত ভদ্রলোকের কক্ষে নিয়ে গেলেন। পরিচয় করিয়ে দিলেন। এবং আমি এমন নয় যে হুট করেই চলে গিয়েছি। রীতিমতো সময় ঠিক করেই গিয়েছি।
ভদ্রলোক আমার সাথে হ্যালো বলে তার ঘরের সোফায় বসতে বললেন। আমি ভাবলাম, তিনি হাতের কাজটি শেষ করেই আমার সাথে কথা বলে আমাকে বিদায় করে দিবেন। তাতে দু'জনেরই সময়টা বেঁচে যায়।
নাহ, তিনি সেটা করলেন না। তিনি কিছুক্ষণ ইন্টারকমে একজনের সাথে দীর্ঘক্ষণ কথা বললেন, যার বেশির ভাগই হলো খোসগল্প। তারপর কেউ একজন কিছু ফাইল সই করাতে এলেন। তিনি তাকেও দাঁড় করিয়ে রেখে ফোনে আলাপ করছেন। তারপর সেটা ক্ষান্ত দিয়ে যেই মুহূর্তে সই করার কাগজ দেখতে শুরু করলেন, তখন তার মোবাইলটা বেজে উঠল। তিনি আগের মতোই আবার দীর্ঘ আলাপে লেগে গেলেন। এরপর তার ঘরে আরও দু'জন অফিসারকে ডেকে নিয়ে এলেন। তারা আমার বিষয়টি তাকে বুঝিয়ে বলবেন। কিন্তু সেই আলোচনায় যাবার আগে তিনি আবারও আড্ডায় মাতলেন। এবারে তিনি ছোট একটি অঙ্ক করতে বসলেন। ১৯৮৫ সালে তিনি যদি একটি ব্যাংকে ১০০ টাকা জমা রাখতেন, তাহলে আজকে সেটা নাকি এক কোটি টাকার বেশি হতো। তিনি প্রথমেই ক্যালকুলেটর দিয়ে হিসাব করছেন। তাতে হলো না। তারপর সাদা কাগজে বছরের পর বছর লিখে সেটা মেলানোর চেষ্টা করছেন। এবং সেই দু'জন উচ্চ পদস্থ অফিসার‘জ্বি স্যার, জ্বি স্যার’ করে তাকে উৎসাহ দিয়ে যাচ্ছেন।
আমি বেশ কয়েকবার চলে আসার জন্য উঠে দাঁড়ালাম। তিনি বারবার আরেক কাপ চা খাওয়ার জন্য বলতে থাকেন। আমি ভেতরে ভেতরে চরম বিরক্ত। একজন মুরুব্বি মানুষ তার কাছে পাঠিয়েছিলেন।
তার সন্মানার্থে তেমন কিছু বলতে পারছি না। এর ভেতর তিনি আরও দশটা ফোনকল শেষ করলেন। একটা পর্যায়ে ভদ্রভাবেই বললাম, আমার এখন যেতে হবে।
আমি মনে মনে সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেললাম, এই ধরনের প্রতিষ্ঠানের সাথে আমার পক্ষে কাজ করা অসম্ভব।
কিছুদিন পর, কোনোও একটি কারণে সেই ব্যাংকের ম্যানেজিং ডিরেক্টরের একটি কাজ পড়ল আমার কাছে। আমি তার কাজটি কয়েক মিনিটের ভেতর করে দিয়ে বললাম,‘আমি চাইলে আপনাকে কয়েক দিন ঘুরাতে পারতাম। কিন্তু সেটা আমার নীতি নয়। আপনি আপনার ডিএমডি লোকটাকে দ্রুত সরান’। আমরা অনেক সময়ই বুঝতে পারি না, কোন কাজটির পর কোন কাজটি করা দরকার।
বিশেষ করে টেলিফোন এলে সেটাকে আমরা সবাই প্রথম গুরুত্ব দেই। আমাদের দেশে খুব কম মানুষ আছেন, যারা টেলিফোনটি বাজতে দিতে দেখতে পারেন। তারা আপনাকে বসিয়ে রেখেই ফোনটি ধরবেন। আপনি যে এত কষ্ট করে ট্রাফিক জ্যাম ঠেলে তার কাছে গিয়েছেন, তার থেকেও মূল্যবান হয়ে ওঠে টেলিফোন। এটা ঠিক নয়। বিশেষ করে জাপানে আপনি যদি মিটিংয়ের ভেতর ফোন ধরেন, ওখানকার মানুষ এটাতে এত বেশি বিরক্ত হয় যে আপনাকে পরের মিটিংয়ে নাও ডাকতে পারে।
ড. স্টিফেন কোভে-এর লেখা‘দি সেভেন হ্যাবিট অফ হাইলি এ্যা ফেক্টিভ পিপল’ বইটির তৃতীয় অভ্যাস হিসেবে বলা হয়েছে, প্রথম বিষয়টিকে প্রথমেই রাখতে। ওই বইয়ের প্রথম অভ্যাসটিতে বলা হয়েছে, আপনি হলেন আপনার পরিচালক। আর দ্বিতীয় অভ্যাসে বলা হয়েছে, আপনার কাজের ধারাটির প্রথম তৈরি হয় আপনার মনে। আর তৃতীয় অভ্যাস হলো, সেই পরিকল্পনাকে বাস্তবে রূপ দেওয়ার প্রক্রিয়া।
সূচিপত্র
১) ছোটদের সাথে আমাদের আচরণ ২) পরিবার ও সন্তান, সুপার পাওয়ার যেভাবে তৈরি হয়, ৩) দীর্ঘস্থায়ী ভয়ের উৎপত্তির মূলে শৈশবকালে ঘটে যাওয়া ঘটনার প্রভাব , ৪) সন্তানের উৎসাহ এবং উদ্দীপনা বাড়ানো, ৫) আপনার শিশুটি ঘুমুক শান্তিতে এবং নির্ভরতায় , ৬) কিছু অব্যর্থ টিপস, যা আপনার শিশুকে পড়াশোনায় আগ্রহী করে তুলবে, ৭) শিশুকে কিভাবে বড় করবেন, ৮) বাচ্চাদের মস্তিষ্ক বিকাশে কী করবেন? ৯) বাচ্চাদের বুদ্ধি বিকাশের অন্যতম পথ, দৌড়, ১০) বাচ্চাকে কখনো আড়ালে লুকিয়ে খেতে দেবেন না, ১১) পিটার সিংগারের দর্শন, ১২) দুষ্টু শিশুরা তাড়াতাড়ি শেখে, ১৩) সন্তানকে যতই শাস্তি দেবেন ততই সে অসামাজিক হবে, ১৪) বাবা-মাই সন্তানকে নির্যাতন করেন সবচেয়ে বেশি , ১৫) সন্তানের সাথে কিভাবে গড়ে তুলবেন নিবিড় বন্ধন, ১৬) যে ১১টি কথা শিশুকে কখনোই বলবেন না!, ১৭) শিশুকে গল্প শোনান প্রতিদিন, ১৮) সন্তানের আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধির ১০টি কৌশল, ১৯) সৃজনশীলতা হচ্ছে নতুন কিছু করার যোগ্যতা, ২০) যারা মুখস্থ করতে পারেন না, ২১) তারা মেধাবী, মেধাবী হওয়ার উপায়,
২২) কথা ও ভাষা, ২৩) এলিভেটর পিচ, ২৪) সুন্দর করে কথা বলে সমস্যা জয়ের কৌশল, ২৫) ফোনে কথা বলার আদবকেতা, ২৬) ১২টি কর্ম বিধান, ২৭) ভালোবাসার অপর নাম প্রয়োজন, ২৮) আলতু-ফালতু কাজে সময় অপচয় করে স্বপ্ন পূরণের কল্পনা, ২৯) স্ট্রেস ম্যানেজমেন্ট, ৩০) চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিন পিং-এর জীবন থেকে শিক্ষা, ৩১) অভিজ্ঞতা ও অতীত থেকে শিক্ষা গ্রহণ, ৩২) বর্তমানকে সবচেয়ে বেশি মূল্য দিন, ৩৩) ২৪ ঘণ্টা কেউ সুখী হয় না, ৩৪) কিছু অভ্যাস যা আপনাকে আরও সুখী করবে , ৩৫) আপনার অবয়ব , ৩৬) সফলতার 25টি হট কৌশল-1, ৩৭) সাফল্যের 25টি হট কৌশল-2, ৩৮) সফলতার 55 সূত্র, ৩৯) কিভাবে নিজেকে নেতা হিসেবে গড়ে তুলবে, ৪০) সময় ব্যবস্থাপনা, ৪১) সময় ব্যবস্থাপনার তিনটি ধাপ, ৪২) সময়কে যথাযথভাবে কাজে লাগানোর উপায়গুলো, ৪৩) সাফল্য, ড. কোভের ইমোশনাল একাউন্ট কনসেপ্ট, ৪৪) সবচে বড় ইমোশনাল একাউন্ট, ৪৫) আপনার ইমোশনাল একাউন্ট, ৪৬) বুদ্ধি ও বিবেচনাবোধ বর্জিত কর্মফল বিপজ্জনক, ৪৭) অন্যদের দিয়ে আপনার কাজ করান কিন্তু সম্মান আপনি অর্জন করুন, ৪৮) অন্য লোকেরা আপনার কাছে আসুক দরকার হলে টোপ দিন, ৪৯) অসুখী এবং ভাগ্যহীনদের বর্জন করুন, ৫০) লোককে আপনার ওপর নির্ভরশীল করুন , ৫১) নেওয়ার পূর্বে দেওয়া অন্য বক্তির স্বার্থ বুঝুন, ৫২) শত্রুকে খাটো করে দেখবেন না, ৫৩) নিজেকে রক্ষা করার জন্য চারিদিকে দুর্গ নির্মাণ করবেন না, ৫৪) কারোর পক্ষ অবলম্বন করে বসে থাকবেন না, ৫৫) আপনার শক্তিসমূহকে সংহত করুন, ৫৫) নিজের ভুলগুলোকে লুকিয়ে রাখুন, ৫৬) শুধু সাহসের জোরে নয়, পরিণতিও বিবেচনায় রাখুন, ৫৭) প্রতিটি মানুষের গোপন ইচ্ছা খুঁজে বের করুন, ৫৮) রাগ বিপজ্জনক ও অভদ্রতা, ৫৯) কোনো দলকে ধরার জন্য দলপতিকে প্রথমে ধরুন, ৬০) নিজেকে গুরুত্বপূর্ণ মনে করুন, গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবেন, ৬০) পরিবেশ সামলাতে শিখুন, ৬১) প্রথম শ্রেণির মানুষ হয়ে উঠুন, ৬২) আপনার সামাজিক পরিবেশ ‘প্রথম শ্রেণি’র করে তোলার উপায়, ৬৩) ‘সস্তার তিন অবস্থা’ প্রধম শ্রেণিভুক্ত হয়ে উঠুন , ৬৪) যত বেশি বন্ধুত্ব তত বেশি উপরে ওঠার সম্ভাবনা, ৬৫) সাহস করে কাজটা শুরু করুন, ৬৬) সাফল্য মানে বারবার ভিন্নভাবে চেষ্টা করা, ৬৭) ১- ১০ ভাল অভ্যাস, ১১- ২০ ভাল অভ্যাস, ২১- ৩০ ভাল অভ্যাস, ৩১- ৪০ ভাল অভ্যাস, ৪১- ৫০ ভাল অভ্যাস, ৫১- ৬০ ভাল অভ্যাস, ৬১- ৭০ ভাল অভ্যাস, ৭১- ৮০ ভাল অভ্যাস, ৮১- ৯০ ভাল অভ্যাস, ৯১- ১০২ ভাল অভ্যাস, ৬৮) জিরো থেকে হিরো, ৬৯) সৃজনশীলদের সফলতার ৭ সূত্র, ৬৯) জীবনে পরিবর্তন আনুন ৪৮টি উপায়ে, ৭০) জীবন-যাপন, ৭১) জাপানী ও চিন লাইফ স্টাইল , ৭২) ৩০টি দর্শন, যা আপনার জীবনে কাজে লাগবে, ৭৩) সম্পর্ক তৈরি করা, বন্ধুত্ব, ৭৪) যে আচরণগুলো মানুষের মনের কথা জানাবে, ৭৫) কথা বলার সূত্র, ৭৬) আপনি ও আপনার ব্যবহার, ৭৭) নিজেকে সঠিকভাবে উপস্থাপন করা, ৭৮) কথা বলার কতিপয় গুরুত্বপূর্ণ নিয়ম, ৭৯) কিভাবে নিজেকে বিনয়ী হিসেবে উপস্থাপন করবেন, ৮০) কিভাবে বুদ্ধিদীপ্ত কথা বলবেন, ৮১) কথা বলার ৫টি বিস্ময়কর টেকনিক, ৮২) কিভাবে মানুষকে আকৃষ্ট করবেন? ৮৩) অকারণে সময় নষ্ট? মেল রবিনের ৫ সেকেন্ড রুল, ৮৪) কর্পোরেট আদবকেতা, ৮৫) ৩৫টি কর্পোরেট কালচার ও আপনার করণীয়, ৮৬) যা না জানলে লজ্জায় পড়তে হয় , ৮৭) কাজের সময়ে যে বিষয়গুলো একেবারেই করা উচিৎ না , ৮৮) ক্যারিয়ারে সাফল্য পেতে ছুড়ে ফেলুন ৭টি দোষ, ৮৯) আকাক্সক্ষা, ইচ্ছে বা স্বপ্ন,
৯০) বক্তৃতা প্রশিক্ষণ, কাজ কিভাবে করবেন? ৯১) আত্মশক্তিতে বলিয়ান হতে, ৯২) একনাগাড়ে চলবেন না, ৯৩) মারফিস ’ল , কাজের রোডম্যাপ তেরি , ৯৪) জব স্যাটিসফেকশন, ৯৫) কাজে সফলতার সূত্রাবলী, ৯৬) যেভাবে জীবনযাপন করবেন, ৯৭) পরিণত বুদ্ধির মানুষেরা যে কাজগুলো কখনোই করেন না, ৯৮) জীবনে দক্ষতা অর্জনের কার্যকর ১২টি উপায়, ৯৯) সঠিক লক্ষ্য নির্ধারণ ও কাজ করার উপায় , ১০০) সফলতা ও সার্থকতা, ১০১) জীবনের ছোট ছোট প্রাপ্তিগুলোকে উপভোগ করা, ১০২) সফলতার কিছু পদ্ধতি, ১০৩) সফল হতে চাইলে যে ৮ টি জিনিস বাদ দেয়া প্রয়োজন, ১০৪) সফল ব্যক্তিরা যে ১০টি কাজ কখনোই করেন না, ১০৫) সর্বদা স্মরণ রাখুন, ১০৬) চিন্তাশক্তি , ১০৭) স্বাধীনতা, ১০৮) জ্ঞান অর্জন খাদ্য গ্রহণের মতো , ১০৯) দৃঢ় প্রতিজ্ঞ হয়ে চেষ্টা করলে কখনোই বিফল হবেন না, ১১০) বুদ্ধির সংজ্ঞা হলো, প্রতিটি কাজ ভেবে-চিন্তে করা, ১১১) ব্যক্তিত্ব, চেহারা ও ব্যক্তিত্ব , ১১২) সেলডন-এর গবেষণা , ১১৩) ব্যক্তিত্ব ও উচ্চারণ, ১১৪) পোশাক ও ব্যক্তিত্ব, ১১৫) প্রথম দেখায় ব্যক্তিত্বের ছাপ, ১১৬) বিচ্ছিন্নতা ব্যক্তিত্বের বড় শত্রু, ১১৭) ব্যক্তিত্বে জিনগত প্রভাব, ১১৮) অন্তর্মুখী ও বহির্মুখী ব্যক্তিত্ব, ১১৯) মনোমুগ্ধকর ব্যক্তিত্বের ১০ বৈশিষ্ট্য, ১২০) ব্যক্তিত্বের উৎকর্ষতার জন্যে ১০ নির্দেশনা, ১২১) কিভাবে ব্যক্তিত্বের বিকাশ ঘটাবেন? , ১২২) নিজেকে স্মার্ট করতে ৫টি কৌশল, ১২৩) আকর্ষণীয় মানুষ হবার ৬টি পরামর্শ, ১২৪) আত্মশুদ্ধি , ১২৫) হতাশ হবেন না, ১২৬) পাছে লোকে কিছু বলে, ১২৭) সুখ-শান্তি উন্নতি , ১২৮) চাহিদা, ১২৯) খাদ্য, ঘুম ও বিশ্রাম, ১৩০) স্বাস্থ্য ভাল রাখার নিয়ম, ১৩১) টেনশন দূর করতে হলে, ১৩২) শুধু নিজের কথা নয়, অন্যের কথাও ভাবুন, ১৩৩) চাহিদা যত বেশি সুখ তত কম, ১৩৪) সুখী জীবনের জন্য ১৮ টি টিপস, ১৩৫) আত্মবিশ্বাস, আত্ম বিশ্বাসের শক্তি, ১৩৬) অজুহাতের ব্যাধিতে আক্রান্ত ব্যর্থ মানুষ, ১৩৭) দি সেভেন হ্যাবিট অফ হাইলি এ্যা ফেক্টিভ পিপল, ১৩৮) সামাজিক আয়না, ১৩৯) প্রোএ্যাক্টিভিটি, ১৪০) সার্কেল অফ ইনফ্লুয়েন্স, ১৪১) শুরু করুন আজই, ১৪২) আপনার কেন্দ্রবিন্দু কোনটি?, ১৪৩) মাথার দুটি অংশই ব্যবহার করুন, ১৪৪) সময়ের ব্যবস্থাপনা, ১৪৫) ব্যক্তিগত ব্যবস্থাপনা, ১৪৬) গুরুত্বপূর্ণ এবং জরুরি, ১৪৭) পরনির্ভরশীল জীবন, ১৪৮) ছয়টি উপায়ে অন্য মানুষের সাথে আদান-প্রদান, ১৪৯) অধ্যয়ন, ১৫০) পড়াশোনায় ১২ কার্যকর কৌশল, ১৫১) ঘুম থেকে উঠতে ১০-৩-২-১-০ ফর্মুলা, ১৫২) আয়-ব্যয়- টাকা, ১৫৩) অন্যকে খুশি করতে পয়সা খরচ যে কারণে অর্থহীন, ১৫৪) খরচের লাগাম টেনে ধরতে.. ১৫৫) নারী, ১৫৬) সম্পর্ককে সুন্দর রাখতে কিছু “মিথ্যা” বলা জরুরী , ১৫৭) ছেলেদের কোন জিনিস দেখে মেয়েরা? , ১৫৮) স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর কিছু অভ্যাস, ১৫৯) ভুঁড়ি ঠেকাতে ৫টি নিয়ম, ১৬০) যেসব কারণে নারীদের স্বাবলম্বী হওয়া উচতি , ১৬১) বিয়ে-সংসার, ১৬২) সফল বিয়ের তিনটি মন্ত্র, ১৬৩) সুখী হবার দারুণ কিছু মূলমন্ত্র, ১৬৪) কিছু গল্প, ১৬৫) ভালোবাসাহীন সম্পর্ক, ১৬৬) কেন স্পর্শের প্রয়োজন হয় প্রতিদিন, ১৬৭) যে কারণে একা থাকাই আপনার জন্য ভালো, ১৬৮) ব্যবসা, ১৬৯) বিক্রয় বৃদ্ধির কৌশল, ১৭০) যে ৭টা ব্যাপার বিজনেসে করবেন না, ১৭১) স্বাস্থ্য, ১৭২) দুগ্ধজাত খাবারে পুরুষের বন্ধ্যত্ব, ১৭৩) একাকিত্বের বিপদ, ১৭৪) কর্মক্ষম ও প্রফুল্ল রাখতে, ১৭৫) মন ভালো করার উপায়, ১৭৬) যৌন স্বাস্থ্য, ১৭৭) পুরুষদের কেজেল, ১৭৮) মহিলাদের কেজেল, ১৭৯) দক্ষতা , ১৮০) আলসেমি দূর করার সহজ কিছু উপায়, ১৮১) কীভাবে সামলাবেন নিন্দুকদের ?, ১৮২) সুখী হতে চাইলে যা কখনোই করবেন না, ১৮৩) সব ভুলে যাচ্ছেন? স্মৃতিশক্তি চাঙ্গা রাখতে ৫টি টিপস, ১৮৪) বয়সের ভারে বৃদ্ধ না হয়ে বরং কাজের ভারে যুবক থাকার চেষ্টা করো, ১৮৫) নিজেকে কাজের সঙ্গে সম্পক্ত করার তিনটে স্টেপ, ১৮৬) জীবনের লক্ষ্য নির্ধারণে দ্রুত পদ্ধতিগুলো, ১৮৭) প্রতিদান পাওয়ার আশায় কাজ করবেন না, ১৮৮) প্রেম একটি মানসিক রোগ, ১৮৯) সম্পর্ক ভেঙ্গে যাবার পর নিজেকে যেভাবে সামলাবে, ১৯০) সময় সবকিছু বদলে দেয়, ১৯১) সম্পর্ক তৈরির ক্ষেত্রে কমন পাঁচটি ভুল, ১৯২) আত্মবিশ্বাস/মনোবল, ১৯৩) প্যারাসুট অফ হ্যাপিনেস, ১৯৪) বারবার ঘুরে দাঁড়াতে হবে, ১৯৫) আত্মবিশ্বাসহীন মানুষের লক্ষণ, ১৯৬) বাড়াও আত্মবিশ্বাস, বাড়বে সফলতা, ১৯৭) প্রাতিষ্ঠানিক সম্পর্ক শক্তিশালী করার টিপস, ১৯৮) কিভাবে ধরে রাখবে দু'জনের সম্পর্ক, ১৯৯) কিভাবে বুঝবে সম্পর্ক শেষ করতে হবে, ২০০) সম্পর্ক যখন প্রেম-ভালোবাসার, ২০১) যেসব বিষয়ের উপর স¤পর্ক গড়ে ওঠে, ২০২) ভালোবাসার অপর নাম প্রয়োজন, ২০৩) সম্পর্কের গুণগত মান বাড়বে কিভাবে, ২০৪) মস্তিস্ক ঠিক রাখার ৩০ উপায়, ২০৫) মানুষের আচরণের পেছনে একটা কারণ থাকে, ২০৬) কোনো কাজে নিজেকে সম্পক্ত না করেই আমরা নিজ ক্যারিয়ারকে এগিয়ে নিয়ে যাই ২০৭) স্রোতের বিপরীতে চিন্তা করুন, ২০৮) আপনার টাইমজোনে সময় আসবেই, ২০৯) চাইল্ডহুড অ্যামনেসিয়া এবং আমাদের শিক্ষণীয়,