প্রতিটি মানুষের গোপন ইচ্ছা খুঁজে বের করুন
সঠিক সময় নিরূপণের দক্ষতা অর্জন করুন
কখনো তাড়াতাড়ি করবেন না- তাড়াতাড়ি নিজের ওপর নিয়ন্ত্রণের অনেকখানি নষ্ট করে, বেশি সময় লাগায়। সব সময় ধৈর্যশীল হোন, দেখবেন যে সবকিছু একসময় আপনার কাছে আসবে। সঠিক সময় নিরূপণের জন্য গোয়েন্দা হোন; সময়ের ভাব শুঁকে বের করুন, সেটা আপনাকে ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত করবে। যখন সময় হয়নি তখন পিছনে সরে যাওয়া আয়ত্ব করুন এবং যখন ফললাভের অবস্থায় এসেছে তখন হিংস্রভাবে আঘাত করতে শিখুন।
এক সুলতান দুজন লোককে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছিলেন। তাদের একজন জানতেন সুলতান তার ঘোড়াটিকে ভালোবাসতেন। তিনি প্রস্তাব দিলেন তার জীবন রক্ষা করলে তিনি ঘোড়াটিকে এক বছরের মধ্যে নাচতে শেখাবেন। প্রিয় ঘোড়া নাচার খোশখেয়ালে সুলতান রাজি হয়ে গেলেন। অন্য বন্দী তার বন্ধুর দিকে অবিশ্বাসের চোখে তাকিয়ে বললেন, আপনি জানেন, ঘোড়া নাচে না। কীসের জন্য আপনি এরকম উম্মাদ কল্পনাযুক্ত কথা বললেন? প্রথম বন্দী বললেন, আমি প্রকৃতপক্ষে সময় বিলম্ব করার জন্য এমনটি করেছি।এতে আমার চারটে সুযোগ সৃষ্টি হবে। প্রথমত, এই বছরের মধ্যে সুলতান মারা যেতে পারে।
দ্বিতীয়ত, আমি মরে যেতে পারি। তৃতীয়, ঘোড়াটি মারা যেতে পারে এবং চতৃর্থত এহেন একটি পরিস্থিতির সৃষ্টিদ হতে পারে যেখানে, যখন আমার ফাঁসির আর দরকার হবে না রাজার।
কাজ তাড়াতাড়ি দ্রুত করতে গিয়ে নতুন বিপদ দেখা দেয়। কাজেই- অপেক্ষা করুন এবং পরিকল্পিতভাবে মন্থর হোন। সময় আসবে, এমন সুযোগ পাবেন, যা আপনি ভাবতেও পারেননি। আপনার ক্ষমতার ভিত্তি তৈরি করতে অনেক বছর লাগতে পারে। তবে প্ল্যানে ফ্লাশ হবেন না। যে সাফল্য ধীরে ধীরে গড়া হয় একমাত্র তাই টিকে থাকে।
রাগ বিপজ্জনক ও অভদ্রতা
ছোটকাল থেকেই আমরা আমাদের চিন্তাকে গোপন করতে শিখি। কি করতে চাই তা আমরা গোপন করি, কিন্তু বাইরে একটা মুখোশ পরে থাকি।
রাগ এবং আবেগ কৌশলগত দিক দিয়ে ক্ষতিকারক। কিন্তু আপনি নিজে শান্ত থেকে যদি শত্রুকে রাগিয়ে দিতে পারেন তাহলে আপনি স্পষ্ট সুবিধা লাভ করবেন। কোনো ব্যক্তির সঙ্গে রাগ করে কথা বলা একটা অপ্রয়োজনীয় বিপজ্জনক পদ্ধতি, নিজের বোকামি ও অভদ্রতা।
একটা উপকথা : জাপানী অফিসার কিনইয়ো-এর ভাই ছিলেন পুরোহিত রিওগাকো, তিনি অত্যন্ত বদমেজাজি লোক। তাঁর মঠের পাশেই বেড়ে উঠেছিলো একটা বড়ো গাছ। সে জন্য লোকেরা তাঁর ডাকনাম দিয়েছিলো ‘বিছুটি পুরোহিত’। সেই নামটি দারুণ অপমানকর। পুরোহিত প্রচণ্ড রাগে গাছটি কেটে ফেললেন। গুঁড়িটি তবু থেকে গেলো। লোকেরা এখন তাকে ‘গুঁড়ি পুরোহিত’ বলে ডাকেন। আগের থেকে বেশি রুষ্ঠ হয়ে রিওগাকো মাটি খুঁড়ে গুঁড়িটা তুলে ফেলে দিলেন। তাতে একটা গর্ত হলো। লোকে এখন তাঁকে ‘গর্ত পুরোহিত’ বলতে লাগলো। পুরোহিত এবার মাটি এনে গর্তটা ভরাট করলেন, লোকেরা তখন থেকে রাগি পুরোহিত বলতে লাগল। সুতরাং রাগের কেনো ফলাফলই মিষ্ট নয়।
খ্রিস্টীয় তৃতীয় শতকে চিনে তিন রাজ্যের লড়াইয়ের একটা গুরুত্বপূর্ণ সময়। সাও-এর উপদেষ্টারা কিছু দলিল আবিষ্কার করে দেখালেন যে, তাঁর কিছু সেনানায়ক শত্রুর সঙ্গে ষড়যন্ত্র করছেন এবং তাদের গ্রেপ্তার করে সাজা দেওয়ার জন্য তার কাছে আবেদন জানালেন। সাও সাজার পরিবর্তে দলিলটি পুড়িয়ে ফেলতে এবং বিষয়টা ভুলে যেতে বললেন। যুদ্ধের এরকম গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তে, বিচার করতে যাওয়ার মতো ক্ষুদ্ধ কাজ বাহিনীর মনোবল নষ্ট হতো। তিনি যথাসময়ে সেনানায়কদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবেন। সাও তাঁর মাথা ঠাণ্ডা রাখলেন এবং সঠিক সিদ্ধান্ত নিলেন।
যে কোনো মাথাগরম করে শত্রুর সামনে কোনো প্রতিক্রিয়া না জানানোই উৎকৃষ্ট প্রতিক্রিয়া।
দলপতি বা প্রধানকেই টার্গেট করুন
একপাল মোটা ভেড়া। একটা বা দুটো ভেড়া চুরি করার জন্য মূল্যবান সময় নষ্ট করবেন না; যে কুকুররা পাল পাহারা দেয় তাদের সঙ্গে লাগতে গিয়ে জীবন ও অঙ্গের ঝুঁকি নেবেন না। রাখালের প্রতি লক্ষ্যস্থির করুন। তাকে প্রলুব্ধ করে সরিয়ে দিন। কুকুরেরা তাকে অনুসরণ করবে। পাল ছড়িয়ে পড়লে আপনি আপনার সুবিধা মতো একের পর এক তুলে নিতে পারবেন।
কোনো দলকে ধরার জন্য তাদের দলপতিকে প্রথমে ধরুন।
অধিকাংশ লোক খেলার এই দিকটা শেখেন না। আপনাকে বাইরে রাখার জন্য লোকেরা দেওয়াল তৈরি করেন; কখনো জোর করে ঢুকবেন না- কারণ, আপনি কেবল দেওয়ালের ভিতর আরো দেওয়াল পাবেন। এই সব দেওয়ালে দরজা আছে এবং চাবির গর্তও আছে। চাবির গর্তের দিকে তাকান, দরজা খোলে যে চাবি তা বের করুন, যাতে জবরদস্তির কোনো চিহ্ন নেই।
নিজেকে গুরুত্বপূর্ণ মনে করুন, গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবেন
যে হীনম্বন্যতায় ভোগে, তার যতই যোগ্যতা থাক সে তুচ্ছ নগণ্যই রয়ে যায়। কারণ মনের অবস্থা থেকেই ক্রিয়া ও প্রতিক্রিয়ার উৎপত্তি হয়। কেউ নিজেকে তুচ্ছ মনে করলে, সে অনুরূপ হতে বাধ্য।
নিজেকে যে গুরুত্বপূর্ণ মনে করে না, সে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পার না, গুরুত্ব পায় না। পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন চেহারা ব্যয়সাপেক্ষ ব্যাপার নয়। সঠিক পোশাক পরুন, ভালো ফল পাবেন। মনে রাখবেন আপনার নিজেকে দেখে গুরুত্বপূর্ণ মনে হলে আপনি নিজের গুরুত্বটা অনুভব করবেন।
মন মেজাজ ভালো করতে, আত্মবিশ্বাস গড়ে তুলতে পোশাক-পরিচ্ছদকে অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করুন। নিজেকে চটপটে সপ্রতিভ দেখালে আপনি নিজেও বুদ্ধিমান মানুষের মত চিন্তা করতে পারবেন।
বড় বড় বিক্রি করতে গেলে নিজেকে বিত্তবান দেখানো খুব জরুরি। আপনার বাইরের চেহারাটা আপনার সঙ্গে কথা বলে। অন্যদের সঙ্গেও কথা বলে। মানুষ কিন্তু আপনার বাইরের চেহারা দেখেই আপনার মূল্যায়ন করে। অর্থাৎ আপনাকে মূল্যায়নের প্রথম ভিত্তি আপনার চেহারা। আর যে কোনো ধারণা গড়ে তুলতে যতটা সময় লাগে, তাতে প্রথম দর্শনে যে ধারণাটা সৃষ্টি হয় তা-ই সবচেয়ে দীর্ঘস্থায়ী হয়। জীবনের কাক্সিক্ষত লক্ষ্যে পৌঁছানোর একমাত্র পথ হলো নিজের ব্যাপারে আশাবাদী হয়ে ওঠা।
পরিবেশ সামলাতে শিখুন : প্রথম শ্রেণির মানুষ হয়ে উঠুন
শরীরকে যা খাওয়ানো হয়, শরীর তেমনটি হয়ে ওঠে। অনুরূপ মনকে যে খোরাক দেওয়া হয় মনও তেমন হয়ে ওঠে। অবশ্য মনের খোরাক প্যাকেটে বা দোকানে কিনতে পাওয়া যায় না। যে বই, ব্যাক্তি বা পরিবেশ আপনার ভাবনা-চিন্তাকে প্রভাবিত করে- সেই সবই আপনার মনের খোরাক।
দীর্ঘ সময় যাবৎ হতাশাবাদী মানুষের সঙ্গে মেলামেশা করলে আমরাও সেরকম চিন্তা করবো। তুচ্ছ, সাধারণ মানুষের সঙ্গে মেলামেশা করলে আমাদের কাজে, অভ্যাস অনুশীলনে সেই তুচ্ছতা প্রকাশ পাবে।
আবার যারা বড় বড় চিন্তা করতে পারেন, তেমন মানুষের সঙ্গে মেলামেশা করলে আমাদের চিন্তা-ভাবনায় উন্নতি হবে, উচ্চাভিলাষী মানুষের সঙ্গে থেকে আমরাও উচ্ছাকাক্সিক্ষ হয়ে উঠবো।
‘চেষ্টা করে লাভ নেই’, ‘সফল হওয়া এত সোজা নয়’ বারবার এই ‘জ্ঞানগর্ভ’ প্রচার শুনে শুনে বেশিরভাগ মানুষ নিম্নোক্ত যে কোনো একটি শ্রেণির মানুষ হয়ে ওঠে।
প্রথম দল : যারা সম্পূর্ণ হাল ছেড়ে দেয়। অধিকাংশ মানুষ মনে মনে বিশ্বাস করতে শুরু করে যে তাদের মধ্যে সেই ক্ষমতা নেই। এই দলটি চাকরি-অন্বেষণকারী, সুযোগ সন্ধানী লোকেদের থেকে সম্পূর্ণ ভিন্নমুখী। এদের ভবিষ্যৎ সম্ভাবনাহীন, ভাগ্যলক্ষ্মী কখন সুপ্রসন্ন হবে এই আশায় উদ্দেশ্যহীনভাবে ঘুরে বেড়ানোর মত নিরর্থক এদের জীবন।
দ্বিতীয় দল : এরা নিজেদের প্রস্তুত করে। পরিশ্রম করে পরিকল্পনা বানায়। তবে যখন চারিদিকে বাধা-বিপত্তি ও প্রতিদ্বন্দি¦তা বেড়ে ওঠে, শীর্ষে পৌঁছানোর পথটা হয়ে ওঠে দুর্গম, তখন এই দলে সিদ্ধান্ত নেয় যে বেশি সাফল্য কামনা করা নির্বুদ্ধিতা।
তৃতীয় দল : যারা কিছুতেই আত্মসমর্পণ করে না। এই দলটি সম্ভবত মাত্র দুই থেকে তিন শতাংশ। এরা নিরাশাবাদী চিন্তাকে প্রশ্রয় দেয় না, দমনকারী শক্তির সামনে আত্মসমর্পণ করে না, এরা সফল হয়। সাফল্যের জন্যই এরা বেঁচে আছে। নিজ নিজ ক্ষেত্রে এরা সেরা সেলস্্ম্যান, এক্সিকিউটিভ, নেতৃস্থানীয় হয়ে ওঠে। জীবন এদের জন্য উৎসাহবর্ধক। এদের প্রতিটি দিন নতুন, নতুন লোকজনের সঙ্গে মেলামেশা করার সুযোগ এদের কাছে রোমাঞ্চকর ও উপভোগ্য।
সত্যি কথা বলতে আমরা সবাই এই তৃতীয় দলভুক্ত হতে চাই। এই দলে ঢোকা ও থাকার জন্য আমাদের পরিবেশের দমনকারী শক্তির মোকাবিলা করতে হবে। প্রথম ও দ্বিতীয় দলের মানুষ কিন্তু অনিচ্ছাকৃতভাবে আপনার এগিয়ে যাওয়ার পথে বাধা সৃষ্টি করতে পারে। একটা উদাহরণ দেই। মনে করুন আপনার ‘অতিসাধারণ’ বন্ধু-বান্ধবদের সামনে মনের কথা বলে বসলেন: ‘আমি একদিন এই কোম্পানির ভাইস প্রেসিডেন্ট হবোই।’
আপনার বন্ধুরা হয়তো ভাববে আপনি ঠাট্টা করছেন। আর যদি বা কেউ আপনার কথায় বিশ্বাস করে তাহলে সে বলবে, ‘বেচারা, তোমার এখনও কত কিছু যে শেখা বাকি।’ আপনার অনুপস্থিতিতে হয়তো আপনাকে নিয়ে হাসি-তামাশা করবে, আপনার মানসিক ভারসাম্য হারিয়েছে মনে করবে।
মনে রাখবেন, যারা বলে কাজটা অসম্ভব, তারা প্রায় অনিবার্যভাবে অসফল মানুষ। এরা নিজেদের কাজে কিছুই কৃতিত্ব অর্জন করতে পারেনি, তাই এরা ক্ষুদ্র নগণ্য। এদের মতামত বিষের মতই ক্ষতিকারক।
যারা আপনাকে প্রমাণ করতে চায় যে, সাফল্য অসম্ভব বস্তু, তাদের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলুন। তাদের হতাশাব্যঞ্জক কথাগুলোকে চ্যালেঞ্জ মনে করে সেগুলি ভুল প্রমাণ করুন।
দু’জন সহকর্মী জন এবং মিল্টনের অবসর সময় পর্যবেক্ষণ করা যাক।
সপ্তাহ শেষে জনের মনের খোরাক জোগায় এমন মনের মত কয়েকজন বন্ধুর সংস্রবে সে সন্ধ্যায় সময় কাটায়। আবার আরেক সন্ধ্যায় হয়তো বাইরে ঘুরতে যাওয়া, সিনেমা দেখা, সমাজ কল্যাণমূলক কাজে বা বন্ধুর বাড়িতে কাটানো হয়। দুপুরে ঘরের কাজকর্ম করা হয়। শুক্রবার বিকেলটাও আরাম করে কাটে। জন বই পড়ে, সংবাদ শোনে। মোট কথা, জনের সপ্তাহ শেষের দিনগুলি সুপরিকল্পিত। নানা আনন্দবর্ধক কাজে হৈ চৈ করে কাটে তার সময়। সুতরাং সে প্রচুর মনের খোরাক পায়।
মিল্টনের সপ্তাহ শেষের কোনো পরিকল্পনা থাকে না। মিল্টন ও তার স্ত্রী খুব কম লোককে নিমন্ত্রণ করে, খুব কমই নিমন্ত্রিত হয়। সকালে দেরি করে ঘুম থেকে ওঠে, বাকি দিনটা ঘরের কাজকর্ম করে কেটে যায়।
সকালটা মিল্টন শুয়ে বসে কাটায়। বিকেলে শ্বশুরবাড়ি, বা বাপের বাড়ি যায়। মিল্টনের সম্পূর্ণ সপ্তাহান্তে একঘেঁয়েমিতে কাটে। দিনগুলি হয় বিরক্তিকর, নিরানন্দ, রসহীন। মিল্টন আনন্দোচ্ছল মুহূর্তগুলি থেকে বঞ্চিত থাকে। এখন জন ও মিল্টনের দুই পরিবারে কি ধরণের প্রভাব পড়ে? দু এক সপ্তাহে হয়তো লক্ষণীয় প্রভাব পড়ে না। তবে কয়েক মাস বা বছরে এর বিপুল প্রভাব পড়ে।
জনের পরিবেশের প্রভাবে সে তরতাজা অনুভব করে, তার কল্পনাশক্তি বৃদ্ধি পায়, নতুনভাবে চিন্তা-ভাবনা করে। তার অবস্থা অনেকটা পরিপুষ্ট খেলোয়াড়ের মতো।
মিল্টনের পরিবেশের প্যাটার্নে সে থাকে অপরিতৃপ্ত, তার চিন্তাশক্তি ব্যাহত হয়। কোনো রোগা ঘোড়াকে চাবুক মারলে যেমন হয়, মিল্টনের অবস্থাটা অনেকটা সেরকম।
আপনার সামাজিক পরিবেশ ‘প্রথম শ্রেণি’র করে তোলার উপায় :
১. নতুন দলের সঙ্গে মেলামেশা করুন। একটি ছোট দলে নিজের সামাজিক পরিবেশ সীমায়িত রাখলে তা নিরস, বিরক্তিকর, একঘেঁয়ে হয়ে যায়। আরেকটা জরুরি বিষয় হলো সাফল্যের জন্য প্রয়োজন মানুষ চেনা। একটি ছোট পরিধিতে নিজেকে বন্দি রেখে মানুষ চেনার প্রয়াসটা অনেকটা ছোট্ট একখানা বই পড়ে অঙ্ক শেখার মতো। নতুন বন্ধুত্ব গড়ে নতুন সংগঠনে যোগ দিন, আপনার সামাজিক পরিধি বিস্তৃত করুন। তাছাড়া, যে কোনো জিনিসের মতই মানুষের বৈচিত্র্য ও বিবিধতা জীবনে নতুন স্বাদ আনে, জীবনকে ব্যাপক দিশা দেয়, মনের রসদ জোগায়।
২. এমন কিছু বন্ধু তৈরি করুন যাদের মতামত আপনার থেকে সম্পূর্ণ ভিন্ন। আজকালকার জগতে সঙ্কীর্ণ মনোভাবাপন্ন মানুষের ভবিষ্যৎ অন্ধকারময়। যে মানুষটা সবদিক বিচার করে দেখতে পারে, সেই কাজে দায়িত্ব ভার ও পদমর্যাদা পায়। যদি আপনি রিপাবলিকান পার্টিকে সমর্থন করেন তাহলে আপনার কয়েকজন বন্ধু যেন ডেমোক্র্যাট হয়। এভাবে উল্টোটাও প্রযোজ্য। ভিন্ন ভিন্ন ধর্মাবলম্বী মানুষের সঙ্গে মেলামেশা করুন। বিপরীতমুখীদের সঙ্গে আলাপ করুন। তবে লক্ষ্য রাখবেন এরা সবাই যেন সম্ভাবনাময় বিচক্ষণ ব্যক্তি হয়।
৩. এমন বন্ধু বাছাই করুন, যারা তুচ্ছ, অপ্রয়োজনীয় বিষয়গুলির উর্ধ্বে উঠতে পারে। যারা আপনার ধ্যান-ধারণা ও কথাবার্তার চেয়ে আপনার বাড়ির ক্ষেত্রফল অথবা আপনার কাছে কোন যন্ত্রপাতি আছে, কোনটি নেই সে ব্যাপারে বেশি আগ্রহী, তারা তুচ্ছ বিষয়কে গুরুত্ব দেয়। আপনার মন নির্মল রাখুন। এমন বন্ধু খুঁজে নিন যারা গঠনমূলক কাজে আগ্রহী, যারা আপনার সত্যিকার সাফল্য চায়। আপনার বন্ধুরা যেন আপনার পরিকল্পনা, আপনার ধ্যান-ধারণা, ভাবনায় নতুন প্রাণের সঞ্চার করে। তা না করে যদি তুচ্ছ নগণ্য মানুষকে নিজের নিকটতম বন্ধু করে তোলেন, আপনি নিজেও ক্রমশ তুচ্ছ চিন্তা-ভাবনা করতে শুরু করবেন। মনে রাখবেন, ভালো খাবার আপনার শরীর সুস্থ রাখবে, আর খাদ্যে ফুড পয়জনিং হলে আপনার জীবন মৃত্যুর দিকে নিয়ে যাবে
সূচিপত্র
১) ছোটদের সাথে আমাদের আচরণ ২) পরিবার ও সন্তান, সুপার পাওয়ার যেভাবে তৈরি হয়, ৩) দীর্ঘস্থায়ী ভয়ের উৎপত্তির মূলে শৈশবকালে ঘটে যাওয়া ঘটনার প্রভাব , ৪) সন্তানের উৎসাহ এবং উদ্দীপনা বাড়ানো, ৫) আপনার শিশুটি ঘুমুক শান্তিতে এবং নির্ভরতায় , ৬) কিছু অব্যর্থ টিপস, যা আপনার শিশুকে পড়াশোনায় আগ্রহী করে তুলবে, ৭) শিশুকে কিভাবে বড় করবেন, ৮) বাচ্চাদের মস্তিষ্ক বিকাশে কী করবেন? ৯) বাচ্চাদের বুদ্ধি বিকাশের অন্যতম পথ, দৌড়, ১০) বাচ্চাকে কখনো আড়ালে লুকিয়ে খেতে দেবেন না, ১১) পিটার সিংগারের দর্শন, ১২) দুষ্টু শিশুরা তাড়াতাড়ি শেখে, ১৩) সন্তানকে যতই শাস্তি দেবেন ততই সে অসামাজিক হবে, ১৪) বাবা-মাই সন্তানকে নির্যাতন করেন সবচেয়ে বেশি , ১৫) সন্তানের সাথে কিভাবে গড়ে তুলবেন নিবিড় বন্ধন, ১৬) যে ১১টি কথা শিশুকে কখনোই বলবেন না!, ১৭) শিশুকে গল্প শোনান প্রতিদিন, ১৮) সন্তানের আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধির ১০টি কৌশল, ১৯) সৃজনশীলতা হচ্ছে নতুন কিছু করার যোগ্যতা, ২০) যারা মুখস্থ করতে পারেন না, ২১) তারা মেধাবী, মেধাবী হওয়ার উপায়,
২২) কথা ও ভাষা, ২৩) এলিভেটর পিচ, ২৪) সুন্দর করে কথা বলে সমস্যা জয়ের কৌশল, ২৫) ফোনে কথা বলার আদবকেতা, ২৬) ১২টি কর্ম বিধান, ২৭) ভালোবাসার অপর নাম প্রয়োজন, ২৮) আলতু-ফালতু কাজে সময় অপচয় করে স্বপ্ন পূরণের কল্পনা, ২৯) স্ট্রেস ম্যানেজমেন্ট, ৩০) চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিন পিং-এর জীবন থেকে শিক্ষা, ৩১) অভিজ্ঞতা ও অতীত থেকে শিক্ষা গ্রহণ, ৩২) বর্তমানকে সবচেয়ে বেশি মূল্য দিন, ৩৩) ২৪ ঘণ্টা কেউ সুখী হয় না, ৩৪) কিছু অভ্যাস যা আপনাকে আরও সুখী করবে , ৩৫) আপনার অবয়ব , ৩৬) সফলতার 25টি হট কৌশল-1, ৩৭) সাফল্যের 25টি হট কৌশল-2, ৩৮) সফলতার 55 সূত্র, ৩৯) কিভাবে নিজেকে নেতা হিসেবে গড়ে তুলবে, ৪০) সময় ব্যবস্থাপনা, ৪১) সময় ব্যবস্থাপনার তিনটি ধাপ, ৪২) সময়কে যথাযথভাবে কাজে লাগানোর উপায়গুলো, ৪৩) সাফল্য, ড. কোভের ইমোশনাল একাউন্ট কনসেপ্ট, ৪৪) সবচে বড় ইমোশনাল একাউন্ট, ৪৫) আপনার ইমোশনাল একাউন্ট, ৪৬) বুদ্ধি ও বিবেচনাবোধ বর্জিত কর্মফল বিপজ্জনক, ৪৭) অন্যদের দিয়ে আপনার কাজ করান কিন্তু সম্মান আপনি অর্জন করুন, ৪৮) অন্য লোকেরা আপনার কাছে আসুক দরকার হলে টোপ দিন, ৪৯) অসুখী এবং ভাগ্যহীনদের বর্জন করুন, ৫০) লোককে আপনার ওপর নির্ভরশীল করুন , ৫১) নেওয়ার পূর্বে দেওয়া অন্য বক্তির স্বার্থ বুঝুন, ৫২) শত্রুকে খাটো করে দেখবেন না, ৫৩) নিজেকে রক্ষা করার জন্য চারিদিকে দুর্গ নির্মাণ করবেন না, ৫৪) কারোর পক্ষ অবলম্বন করে বসে থাকবেন না, ৫৫) আপনার শক্তিসমূহকে সংহত করুন, ৫৫) নিজের ভুলগুলোকে লুকিয়ে রাখুন, ৫৬) শুধু সাহসের জোরে নয়, পরিণতিও বিবেচনায় রাখুন, ৫৭) প্রতিটি মানুষের গোপন ইচ্ছা খুঁজে বের করুন, ৫৮) রাগ বিপজ্জনক ও অভদ্রতা, ৫৯) কোনো দলকে ধরার জন্য দলপতিকে প্রথমে ধরুন, ৬০) নিজেকে গুরুত্বপূর্ণ মনে করুন, গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবেন, ৬০) পরিবেশ সামলাতে শিখুন, ৬১) প্রথম শ্রেণির মানুষ হয়ে উঠুন, ৬২) আপনার সামাজিক পরিবেশ ‘প্রথম শ্রেণি’র করে তোলার উপায়, ৬৩) ‘সস্তার তিন অবস্থা’ প্রধম শ্রেণিভুক্ত হয়ে উঠুন , ৬৪) যত বেশি বন্ধুত্ব তত বেশি উপরে ওঠার সম্ভাবনা, ৬৫) সাহস করে কাজটা শুরু করুন, ৬৬) সাফল্য মানে বারবার ভিন্নভাবে চেষ্টা করা, ৬৭) ১- ১০ ভাল অভ্যাস, ১১- ২০ ভাল অভ্যাস, ২১- ৩০ ভাল অভ্যাস, ৩১- ৪০ ভাল অভ্যাস, ৪১- ৫০ ভাল অভ্যাস, ৫১- ৬০ ভাল অভ্যাস, ৬১- ৭০ ভাল অভ্যাস, ৭১- ৮০ ভাল অভ্যাস, ৮১- ৯০ ভাল অভ্যাস, ৯১- ১০২ ভাল অভ্যাস, ৬৮) জিরো থেকে হিরো, ৬৯) সৃজনশীলদের সফলতার ৭ সূত্র, ৬৯) জীবনে পরিবর্তন আনুন ৪৮টি উপায়ে, ৭০) জীবন-যাপন, ৭১) জাপানী ও চিন লাইফ স্টাইল , ৭২) ৩০টি দর্শন, যা আপনার জীবনে কাজে লাগবে, ৭৩) সম্পর্ক তৈরি করা, বন্ধুত্ব, ৭৪) যে আচরণগুলো মানুষের মনের কথা জানাবে, ৭৫) কথা বলার সূত্র, ৭৬) আপনি ও আপনার ব্যবহার, ৭৭) নিজেকে সঠিকভাবে উপস্থাপন করা, ৭৮) কথা বলার কতিপয় গুরুত্বপূর্ণ নিয়ম, ৭৯) কিভাবে নিজেকে বিনয়ী হিসেবে উপস্থাপন করবেন, ৮০) কিভাবে বুদ্ধিদীপ্ত কথা বলবেন, ৮১) কথা বলার ৫টি বিস্ময়কর টেকনিক, ৮২) কিভাবে মানুষকে আকৃষ্ট করবেন? ৮৩) অকারণে সময় নষ্ট? মেল রবিনের ৫ সেকেন্ড রুল, ৮৪) কর্পোরেট আদবকেতা, ৮৫) ৩৫টি কর্পোরেট কালচার ও আপনার করণীয়, ৮৬) যা না জানলে লজ্জায় পড়তে হয় , ৮৭) কাজের সময়ে যে বিষয়গুলো একেবারেই করা উচিৎ না , ৮৮) ক্যারিয়ারে সাফল্য পেতে ছুড়ে ফেলুন ৭টি দোষ, ৮৯) আকাক্সক্ষা, ইচ্ছে বা স্বপ্ন,
৯০) বক্তৃতা প্রশিক্ষণ, কাজ কিভাবে করবেন? ৯১) আত্মশক্তিতে বলিয়ান হতে, ৯২) একনাগাড়ে চলবেন না, ৯৩) মারফিস ’ল , কাজের রোডম্যাপ তেরি , ৯৪) জব স্যাটিসফেকশন, ৯৫) কাজে সফলতার সূত্রাবলী, ৯৬) যেভাবে জীবনযাপন করবেন, ৯৭) পরিণত বুদ্ধির মানুষেরা যে কাজগুলো কখনোই করেন না, ৯৮) জীবনে দক্ষতা অর্জনের কার্যকর ১২টি উপায়, ৯৯) সঠিক লক্ষ্য নির্ধারণ ও কাজ করার উপায় , ১০০) সফলতা ও সার্থকতা, ১০১) জীবনের ছোট ছোট প্রাপ্তিগুলোকে উপভোগ করা, ১০২) সফলতার কিছু পদ্ধতি, ১০৩) সফল হতে চাইলে যে ৮ টি জিনিস বাদ দেয়া প্রয়োজন, ১০৪) সফল ব্যক্তিরা যে ১০টি কাজ কখনোই করেন না, ১০৫) সর্বদা স্মরণ রাখুন, ১০৬) চিন্তাশক্তি , ১০৭) স্বাধীনতা, ১০৮) জ্ঞান অর্জন খাদ্য গ্রহণের মতো , ১০৯) দৃঢ় প্রতিজ্ঞ হয়ে চেষ্টা করলে কখনোই বিফল হবেন না, ১১০) বুদ্ধির সংজ্ঞা হলো, প্রতিটি কাজ ভেবে-চিন্তে করা, ১১১) ব্যক্তিত্ব, চেহারা ও ব্যক্তিত্ব , ১১২) সেলডন-এর গবেষণা , ১১৩) ব্যক্তিত্ব ও উচ্চারণ, ১১৪) পোশাক ও ব্যক্তিত্ব, ১১৫) প্রথম দেখায় ব্যক্তিত্বের ছাপ, ১১৬) বিচ্ছিন্নতা ব্যক্তিত্বের বড় শত্রু, ১১৭) ব্যক্তিত্বে জিনগত প্রভাব, ১১৮) অন্তর্মুখী ও বহির্মুখী ব্যক্তিত্ব, ১১৯) মনোমুগ্ধকর ব্যক্তিত্বের ১০ বৈশিষ্ট্য, ১২০) ব্যক্তিত্বের উৎকর্ষতার জন্যে ১০ নির্দেশনা, ১২১) কিভাবে ব্যক্তিত্বের বিকাশ ঘটাবেন? , ১২২) নিজেকে স্মার্ট করতে ৫টি কৌশল, ১২৩) আকর্ষণীয় মানুষ হবার ৬টি পরামর্শ, ১২৪) আত্মশুদ্ধি , ১২৫) হতাশ হবেন না, ১২৬) পাছে লোকে কিছু বলে, ১২৭) সুখ-শান্তি উন্নতি , ১২৮) চাহিদা, ১২৯) খাদ্য, ঘুম ও বিশ্রাম, ১৩০) স্বাস্থ্য ভাল রাখার নিয়ম, ১৩১) টেনশন দূর করতে হলে, ১৩২) শুধু নিজের কথা নয়, অন্যের কথাও ভাবুন, ১৩৩) চাহিদা যত বেশি সুখ তত কম, ১৩৪) সুখী জীবনের জন্য ১৮ টি টিপস, ১৩৫) আত্মবিশ্বাস, আত্ম বিশ্বাসের শক্তি, ১৩৬) অজুহাতের ব্যাধিতে আক্রান্ত ব্যর্থ মানুষ, ১৩৭) দি সেভেন হ্যাবিট অফ হাইলি এ্যা ফেক্টিভ পিপল, ১৩৮) সামাজিক আয়না, ১৩৯) প্রোএ্যাক্টিভিটি, ১৪০) সার্কেল অফ ইনফ্লুয়েন্স, ১৪১) শুরু করুন আজই, ১৪২) আপনার কেন্দ্রবিন্দু কোনটি?, ১৪৩) মাথার দুটি অংশই ব্যবহার করুন, ১৪৪) সময়ের ব্যবস্থাপনা, ১৪৫) ব্যক্তিগত ব্যবস্থাপনা, ১৪৬) গুরুত্বপূর্ণ এবং জরুরি, ১৪৭) পরনির্ভরশীল জীবন, ১৪৮) ছয়টি উপায়ে অন্য মানুষের সাথে আদান-প্রদান, ১৪৯) অধ্যয়ন, ১৫০) পড়াশোনায় ১২ কার্যকর কৌশল, ১৫১) ঘুম থেকে উঠতে ১০-৩-২-১-০ ফর্মুলা, ১৫২) আয়-ব্যয়- টাকা, ১৫৩) অন্যকে খুশি করতে পয়সা খরচ যে কারণে অর্থহীন, ১৫৪) খরচের লাগাম টেনে ধরতে.. ১৫৫) নারী, ১৫৬) সম্পর্ককে সুন্দর রাখতে কিছু “মিথ্যা” বলা জরুরী , ১৫৭) ছেলেদের কোন জিনিস দেখে মেয়েরা? , ১৫৮) স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর কিছু অভ্যাস, ১৫৯) ভুঁড়ি ঠেকাতে ৫টি নিয়ম, ১৬০) যেসব কারণে নারীদের স্বাবলম্বী হওয়া উচতি , ১৬১) বিয়ে-সংসার, ১৬২) সফল বিয়ের তিনটি মন্ত্র, ১৬৩) সুখী হবার দারুণ কিছু মূলমন্ত্র, ১৬৪) কিছু গল্প, ১৬৫) ভালোবাসাহীন সম্পর্ক, ১৬৬) কেন স্পর্শের প্রয়োজন হয় প্রতিদিন, ১৬৭) যে কারণে একা থাকাই আপনার জন্য ভালো, ১৬৮) ব্যবসা, ১৬৯) বিক্রয় বৃদ্ধির কৌশল, ১৭০) যে ৭টা ব্যাপার বিজনেসে করবেন না, ১৭১) স্বাস্থ্য, ১৭২) দুগ্ধজাত খাবারে পুরুষের বন্ধ্যত্ব, ১৭৩) একাকিত্বের বিপদ, ১৭৪) কর্মক্ষম ও প্রফুল্ল রাখতে, ১৭৫) মন ভালো করার উপায়, ১৭৬) যৌন স্বাস্থ্য, ১৭৭) পুরুষদের কেজেল, ১৭৮) মহিলাদের কেজেল, ১৭৯) দক্ষতা , ১৮০) আলসেমি দূর করার সহজ কিছু উপায়, ১৮১) কীভাবে সামলাবেন নিন্দুকদের ?, ১৮২) সুখী হতে চাইলে যা কখনোই করবেন না, ১৮৩) সব ভুলে যাচ্ছেন? স্মৃতিশক্তি চাঙ্গা রাখতে ৫টি টিপস, ১৮৪) বয়সের ভারে বৃদ্ধ না হয়ে বরং কাজের ভারে যুবক থাকার চেষ্টা করো, ১৮৫) নিজেকে কাজের সঙ্গে সম্পক্ত করার তিনটে স্টেপ, ১৮৬) জীবনের লক্ষ্য নির্ধারণে দ্রুত পদ্ধতিগুলো, ১৮৭) প্রতিদান পাওয়ার আশায় কাজ করবেন না, ১৮৮) প্রেম একটি মানসিক রোগ, ১৮৯) সম্পর্ক ভেঙ্গে যাবার পর নিজেকে যেভাবে সামলাবে, ১৯০) সময় সবকিছু বদলে দেয়, ১৯১) সম্পর্ক তৈরির ক্ষেত্রে কমন পাঁচটি ভুল, ১৯২) আত্মবিশ্বাস/মনোবল, ১৯৩) প্যারাসুট অফ হ্যাপিনেস, ১৯৪) বারবার ঘুরে দাঁড়াতে হবে, ১৯৫) আত্মবিশ্বাসহীন মানুষের লক্ষণ, ১৯৬) বাড়াও আত্মবিশ্বাস, বাড়বে সফলতা, ১৯৭) প্রাতিষ্ঠানিক সম্পর্ক শক্তিশালী করার টিপস, ১৯৮) কিভাবে ধরে রাখবে দু'জনের সম্পর্ক, ১৯৯) কিভাবে বুঝবে সম্পর্ক শেষ করতে হবে, ২০০) সম্পর্ক যখন প্রেম-ভালোবাসার, ২০১) যেসব বিষয়ের উপর স¤পর্ক গড়ে ওঠে, ২০২) ভালোবাসার অপর নাম প্রয়োজন, ২০৩) সম্পর্কের গুণগত মান বাড়বে কিভাবে, ২০৪) মস্তিস্ক ঠিক রাখার ৩০ উপায়, ২০৫) মানুষের আচরণের পেছনে একটা কারণ থাকে, ২০৬) কোনো কাজে নিজেকে সম্পক্ত না করেই আমরা নিজ ক্যারিয়ারকে এগিয়ে নিয়ে যাই ২০৭) স্রোতের বিপরীতে চিন্তা করুন, ২০৮) আপনার টাইমজোনে সময় আসবেই, ২০৯) চাইল্ডহুড অ্যামনেসিয়া এবং আমাদের শিক্ষণীয়,