সব কিছু দু'বার সৃষ্টি হয়
এই পৃথিবীতে আমরা যা তৈরি করি, তার সবই দু'বার তৈরি হয়। প্রথমে তৈরি হয় আপনার মনে কিংবা ব্রেইনে। আর দ্বিতীয় বার তৈরি হয় বাস্তবে। ধরুন, আপনি একটি বাড়ি তৈরি করবেন। এর যাবতীয় বিষয়গুলো কিন্তু প্রথমে রূপ নিবে আপনার মনের ভেতর। আপনি এটাকে নিয়ে ভাববেন, কোথায় বসার ঘর হবে, থাকার ঘরটা কেমন হবে, রান্না ঘরে কী থাকবে ইত্যাদি বিষয়গুলো মনের ভেতরে তৈরি হয় প্রথম।
তারপর আপনি সেটার একটা রূপ দেন কাগজে কলমে। তখন থেকেই শুরু হয় বাস্তবের কাজ বা দ্বিতীয় বার তৈরি। কেনা হয় ইট, শুরকি, লোহা, সিমেন্ট ইত্যাদি। তৈরি হতে থাকে আপনার স্বপ্নের বাড়ি। অর্থাৎ আপনার বাড়ির একটি ব্লু-প্রিন্ট কিন্তু আপনার মাথায় থাকে। আর সেই ব্লু-প্রিন্ট মেনেই তৈরি হয় বাড়িটি। যদি সেই ব্লু-প্রিন্টে ভুল থাকে তাহলে বাড়িটি ভুলভাবে তৈরি হতে পারে। এবং তখন এর খরচও অনেক বেড়ে যেতে পারে।
একইভাবে একটি ব্যবসার কথা ভাবুন। আপনি প্রথমেই কিন্তু মাথায় একটি ছক কেটে ফেলেন ঠিক কি ব্যবসাটা করবেন, এটার ধরন কি হবে, আয় কোথা থেকে আসবে, সেটার পরিমাণ কেমন হতে পারে, ব্যবসা পরিচালনার জন্য কেমন খরচ হতে পারে, মুনাফার একটি ধারণাও থাকতে পারে; এবং সবশেষে ব্যবসাটি কোথায় যেতে পারে, তারও একটি ধারণা আঁকা হয়ে যায়। তারপর আপনি শুরু করেন দ্বিতীয়বার তৈরির কাজ। যেই মুহুর্তে আপনি ব্যবসাটির শেষটা চোখে দেখতে পারবেন, তখনই আপনি সিদ্ধান্ত নেবেন এই ব্যবসা আপনি করবেন নাকি করবেন না। এভাবে দেখবেন, বেশিরভাগ ব্যবসাই প্রথম তৈরিতেই বন্ধ হয়ে যায়। সেটা আর দ্বিতীয় ধাপে যায় না।
একই কথা সত্য প্যারেন্টিং-এর ক্ষেত্রে। আপনি কীভাবে আপনার সন্তানদের বড় করছেন, তার শেষটি দেখতে পাওয়া জরুরি। আপনি যদি আপনার সন্তানদের যোগ্য, স্ব-নিয়ন্ত্রিত, আত্মসন্মান স¤পন্ন সফল মানুষ হিসেবে দেখতে চান এবং তাদেরকে ভবিষ্যতে ঠিক কোথায় দেখতে চান, সেই বিষয়টি যদি আপনার চোখে পরিষ্কার থাকে, তাহলে তাদের সাথে নিত্য দিনের ব্যবহারটাও আপনি সেভাবেই করবেন। আপনি এমন কিছু করবেন না, যা তাদেরকে হেয় করে ফেলে, তাদের আত্মসন্মানে আঘাত লাগে, কিংবা তাদের নিয়ম-শৃংখলাকে ভেঙে ফেলে।
আপনি যদি সৃষ্টির এই দুটো ধাপ বুঝতে পারেন, তাহলে আপনার ‘সার্কেল অফ ইনফ্লুয়েন্স’ নির্ণয় করতে সহজ হবে। আপনি কতটুকু কোথায় যাবেন, আর কোথায় কতটুকু যাবেন না, সেটা ঠিক হয়ে যাবে। আমরা যদি আগের চ্যাপ্টারটুকু মনে রাখি, তাহলে বলতে হয়-
প্রথম অভ্যাসটি হলো, আপনি হলেন আপনার কাজের পরিকল্পনাকারী; আর দ্বিতীয় অভ্যাসটি বলে দিচ্ছে, আপনার প্রথম সৃষ্টি (যা আপনার মাথাতেই আছে)।
নিজের স্ক্রিপ্ট নিজে লিখুন
স্টিভ জবসের বিখ্যাত উক্তিগুলোর মধ্যে সবচে’ বড় একটি হলো, অন্যের জীবনকে নয়, নিজের জীবনকে যাপন করো। অর্থাৎ আমাদের বেশিরভাগ মানুষই অন্যের লেখা স্ক্রিপ্টে তার জীবন যাপন করতে থাকেন। অন্যের লেখা নাটকের স্ক্রিপ্ট যেমন, আপনার জীবনটাও যেন লিখে দিয়েছে অন্য কেউ। কখনও আপনার মা-বাবা, কখনও আপনার শিক্ষক, কখনও আপনার পড়শি, কখনও রাজনৈতিক দলের নেতা, কখনও বা আপনার পরিবার।
অন্যের লেখা স্ক্রিপ্টে জীবন যাপন করে বেশিদূর যেতে পারবেন না। আমাদের ব্রেইনে হাজার রকমের স্ক্রিপ্ট আছে। যেমন গাড়িতে উঠবেন, ভালো করে খেয়াল করুন, কারো একটা স্ক্রিপ্ট আপনার ভেতর চলতে শুরু করেছে। আপনি চাকরিতে প্রমোশন পেয়েছেন, দেখুন যেভাবে নিজেকে সেলিব্রেট করছেন সেই স্ক্রিপ্টটা অন্যের, আপনার লেখা নয়। কোথাও বক্তৃতা দিবেন, অন্যের লেখা স্ক্রিপ্ট চিৎকার করে বলে এলেন।
ধরুন, আপনি আপনার সন্তানদের ব্যাপারে খুবই সেন্সিটিভ। তারা যখনই কিছু করতে যায়, সাথে সাথে আপনার ব্রেইনের এন্টেনা খাড়া হয়ে যায়। আপনি ভাবতে থাকেন, তারা উল্টা-পাল্টা কিছু করে ফেলছে কি না! আপনি ডিফেন্সিভ হয়ে ওঠেন। আপনি তার সাথে যুদ্ধে লিপ্ত হয়ে উঠেন।
তার দীর্ঘ মেয়াদী বিষয়টি সমাধান না করে আপনি স্বল্পকালীন আচরণ নিয়ে ব্যস্ত হয়ে গেলেন। আপনি তাকে কঠিন শাসনে ফেলে দিলেন। ফলে দেখতে পেলেন আপনার ছেলেটি বাইরে থেকে খুব ভদ্র এবং শান্ত, কিন্তু ভেতরে ভেতরে সে চরম অবাধ্য, কঠিন রাগকে চেপে রেখেছে যা সুযোগ পেলেই খুব নোংরাভাবে প্রকাশ পাবে অর্থাৎ আপনি জীবন যুদ্ধে পরাজিত হয়ে গেলেন। ইংরেজিতে যাকে বলে, ইউ আর উংনিং দি ব্যাটল, নট দি ওয়্যার। আপনি ভুলে গেলেন, মনের গভীরে আপনি আপনার সন্তানদের মূল্য দেন, আপনি তাদের ভালোবাসেন, আপনি তাদের সাহায্য করতে চান এবং আপনি নিজেও একজন বাবা হিসেবে নিজেকে মূল্য দিতে চান। আপনার ওই ছেলেটি আপনার মৃত্যুর দিন কী বলতে পারে তা কি দেখতে পারছেন?
আপনি যদি দ্বিতীয় অভ্যাসটি আয়ত্ত্ব করতে চান, তাহলে অন্যের স্ক্রিপ্টকে ফেলে দিন। নিজের জীবনের জন্য নিজেই স্ক্রিপ্ট লিখুন এবং তখন আপনি আপনার মতো করে নতুন স্ক্রিপ্ট সাজিয়ে লিখতে পারবেন। পুরনো স্ক্রিপ্ট ফেলে দেওয়া খুব সহজ নয়। আপনার সাহস লাগবে। সেই সাহস যেদিন সঞ্চয় করতে পারবেন, আপনি এ্যাফেক্টিভ মানুষ হওয়ার পথে পা বাড়াবেন। আপনার ভেতর এক ধরনের ইন্ট্রিগ্রিটি তৈরি হবে। আপনি তৎক্ষণাৎ ইমোশোন দিয়ে পরিচালিত হবেন না, আপনি মূলত ভ্যালু দিয়ে পরিচালিত হবেন।
আপনার কেন্দ্রবিন্দু কোনটি?
ড. স্টিফেন কোভে তার বইতে লিখেছেন, আমাদের জীবনের কেন্দ্রবিন্দুতে যাই থাকুক না কেন, তা পরিচালিত হয় মূলত চারটি বিষয় দিয়ে- আমাদের জীবনের নিরাপত্তা, আপনার জীবনের দিক নির্দেশনা, প্রজ্ঞা এবং ক্ষমতা। এবং এই চারটি বিষয় একে অপরের ওপর নির্ভরশীল। এই চারটি বিষয় যদি আপনার ভেতর খুব ভালোভাবে সমন্বয় করতে পারেন, তাহলে আপনার একটি সুন্দর ব্যক্তিত্ব তৈরি হবে। আমরা প্রায় সবাই ভিন্ন কিছু কেন্দ্রে বসবাস করি, যা উপরের এই চারটি বিষয়ে প্রভাবিত করে। ড. কোভের মতে, মোটা দাগে আমাদের কেন্দ্রগুলোকে দশটি ভাগে ভাগ করা যায়। চলুন দেখে নেই, আপনার কেন্দ্র কোনটি।
১. স্বামী/স্ত্রী কেন্দ্রিক:
আমাদের ভেতর অনেক মানুষ আছেন যারা পরিচালিত হন স্বামী কিংবা স্ত্রী দ্বারা। তাদের সব কিছুর সাথেই তাদের স্বামী কিংবা স্ত্রী জড়িয়ে রয়েছে। সব কিছুর কেন্দ্রে যদি স্বামী/স্ত্রী হয়ে যান, তখন তাদের ভেতর মানসিক টানাপোড়ন আপনার জীবনকে ঝুঁকিপূর্ণ করে তোলে। এই ধরনের কেন্দ্রবিন্দুতে প্রজ্ঞা এবং ক্ষমতা দুটোই বিলুপ্ত হয়।
২. পরিবার কেন্দ্রিক:
যারা পরিবার কেন্দ্রিক, তাদের নিরাপত্তা কিংবা ব্যক্তিগত বৈশিষ্টকে ঘিরে থাকে তাদের পারিবারিক ট্রেডিশন নয়তো কালচার। এটা করা যাবে না, ওটা করলে পরিবারের সন্মান নষ্ট হয়ে যাবে, জমিদার বাড়ির ছেলেরা পাড়ার ছেলেদের সাথে খেলতে পারবে না, এমন সব অদ্ভুত বিষয় চলে আসে। ফলে এগুলো যদি কখনও ক্ষতিগ্রস্থ হয়, তখন আপনি পড়েন মহাসাগরে।
৩. টাকা কেন্দ্রিক:
অনেকেই আছেন যাদের ধ্যান-জ্ঞান হলো টাকা। তাদের কাছে আর কোনোও কিছুর মূল্য নেই। তারা রীতিমত অন্ধই বলা চলে। কিন্তু তারা বুঝতে পারে না, যেদিন তাদের টাকা থাকবে না, সেদিন তাদের কী অবস্থা হবে! তাদের সন্তানদের শৈশব থাকে না, পরিবারে সদস্যদের সাথে তার যোগাযোগ থাকে না। ফলে তার টাকা সবাই ভোগ করে, কিন্তু তাকে সময় দেওয়ার মতো কেউ থাকে না।
৪. কাজ কেন্দ্রিক:
যারা কাজ কেন্দ্রিক মানুষ, তারা একটা সময়ে গিয়ে ওয়ার্কোহলিক হয়ে যান। যেহেতু কাজটাই তাদের পরিচয়, তাই তারা নিজের শরীর এবং মানুষের সাথে স¤পর্ককে উৎসর্গ করে কাজে মেতে থাকেন। কাজ দিয়েই তাদের পরিচয়- যেমন আমি একজন ডাক্তার, আমি একজন লেখক, আমি একজন অভিনেতা ইত্যাদি। তারা মূলত অন্যান্য ক্ষেত্রে খুব একটা এ্যাৎফেক্টিভ হন না।
৫. দখল কেন্দ্রিক:
আমাদের মাঝে অনেকেরই দখল মনোবৃত্তি রয়েছে। তারা ঘর, বাড়ি, গাড়ি, গয়না, দামি জিনিসপত্র ইত্যাদি বিষয়গুলো নিজেদের দখলে রাখার পাশাপাশি অনেকেই আবার নাম, খ্যাতি, সামাজিক প্রতিপত্যি ধরে রাখার জন্য মরিয়া হয়ে উঠেন। তারা বুঝতেই পারেন না যে, এগুলো যেকোনও সময় হারিয়ে যেতে পারে এবং তখন তারা দিশেহারা হয়ে ওঠে। যেমন স্টক বাজারে কেউ কেউ বিনিয়োগ হারিয়ে আত্মহত্যা করে, কিংবা অন্যকে মেরে ফেলে। বড় বড় সেলিব্রেটিরা অনেক সময় হতাশায় পতিত হন।
৬. বিনোদন কেন্দ্রিক:
একদল মানুষ আছে যাদের কাছে বিনোদন ছাড়া আর কিছুই নেই। তারা সবসময়ই বিনোদন চায়। আর সেটা না পেলে তখনই ‘বোর’ হয়ে যায়। কিন্তু বিনোদন হলো এমন একটা বিষয় যা আপনি এই মুহূর্তে পেয়ে সুখি হচ্ছেন, পরের বার আপনার এর চেয়েও বেশি কিছুর প্রয়োজন হয়। আপনি যদি মাত্রারিক্ত ছুটি কাটান, অধিক পরিমাণে সিনেমা দেখেন, অতিরিক্ত টিভি দেখেন, অতিরিক্ত গেম খেলেন, এমন কি নিয়মহীনভাবে অবসর কাটান তাহলে আপনি বিনোদন কেন্দ্রিক মানুষের দলে পড়বেন। এর ফলে আপনার ভেতর অন্য যে ক্ষমতাগুলো ছিল তা আর বিকশিত হওয়ার সুযোগ পাবে না।
৭. বন্ধু কেন্দ্রিক:
বন্ধুদের প্রতি অতিরিক্ত নির্ভরতা আপনাকে মানসিকভাবে দুর্বল করে তুলে। তাদের সাথে কোনোও মান-অভিমান আপনার যাবতীয় কর্মকাণ্ডকে প্রভাবিত করতে পারে। আপনার ভালো বন্ধু থাকবে; কিন্তু সেই নির্ভরতা যেন কোনো অবস্থাতেই স্বামী/স্ত্রীর মতো অতিরিক্ত নির্ভরতায় চলে না যায়। সেক্ষেত্রে বন্ধুদের কর্মকাণ্ডের ওপর নির্ভর করে আপনার মুড ওঠানামা করতে পারে।
৮. শত্রু কেন্দ্রিক:
অনেক সময়ে আমরা না বুঝেই কাউকে কাউকে এমন শত্রু বানিয়ে ফেলি যে, সেই শত্রুটিই তার অজান্তেই আপনার জীবনকে নিয়ন্ত্রণ করছে। আপনি বুঝতেই পারছেন না যে, আপনি দিন-রাত যা কিছু ভাবছেন, যার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে সেই শত্রুটি। আপনি প্রতিদিন ভাবছেন, এই লোকটি না থাকলেই আপনার জীবন সুন্দর হয়ে যেত। কিংবা এর প্রতিশোধ নেয়ার জন্য আপনি যাবতীয় প্রস্তুতি নিচ্ছেন। অর্থাৎ আপনি আপনার জীবন নিয়ন্ত্রণের যাবতীয় কলকাঠি দিয়ে দিয়েছেন অন্যের উপর। আপনার নিয়ন্ত্রণ আর নিজের কাছে নেই। একইভাবে দেখবেন অনেকেই বিয়ে কিংবা প্রেম ভেঙে দেওয়ার পরও সারাক্ষণ আগের স¤পর্কের কথা বলতে থাকে। আরেকজনকে দোষারোপ করতে থাকে। এরা আসলে তখনও ওই স¤পর্কের ভেতরই রয়ে গেছে।
৯. ধর্ম কেন্দ্রিক:
একদল মানুষ আছেন যারা ধর্ম নিয়ে বাড়াবাড়ি করেন। তারা নিজেদেরকে একটি এক্সট্রিম পর্যায়ে নিয়ে যান এবং অন্যদেরকেও সেই পথে নেওয়ার জন্য চাপ প্রয়োগ করে থাকেন। তাদের স্বাভাবিক জীবন নেই। ধর্ম যে মানুষকে স্বাভাবিক জীবন বিধান দিয়েছে, তারা সেটা থেকে অনেক দূরে অবস্থান করেন।
১০. আত্মকেন্দ্রিক:
আমাদের ভেতর সবচে’ বেশি পাওয়া যাবে আত্মকেন্দ্রিক মানুষ। এরা নিজেদের ছাড়া আর কিছুই ভাবতে পারে না। এরা অনেকটা‘মৃত সাগর’-এর মতো, যা খালি নিতেই জানে, কোনোও কিছুই ফেরত দেয় না। যখনই মানুষ আত্মকেন্দ্রিক হয়ে যায় তখন তার নিরাপত্তা, দিক নির্দেশনা, প্রজ্ঞা এবং ক্ষমতা, সবই খুব ক্ষুদ্র হয়ে যায়।
সূচিপত্র
১) ছোটদের সাথে আমাদের আচরণ ২) পরিবার ও সন্তান, সুপার পাওয়ার যেভাবে তৈরি হয়, ৩) দীর্ঘস্থায়ী ভয়ের উৎপত্তির মূলে শৈশবকালে ঘটে যাওয়া ঘটনার প্রভাব , ৪) সন্তানের উৎসাহ এবং উদ্দীপনা বাড়ানো, ৫) আপনার শিশুটি ঘুমুক শান্তিতে এবং নির্ভরতায় , ৬) কিছু অব্যর্থ টিপস, যা আপনার শিশুকে পড়াশোনায় আগ্রহী করে তুলবে, ৭) শিশুকে কিভাবে বড় করবেন, ৮) বাচ্চাদের মস্তিষ্ক বিকাশে কী করবেন? ৯) বাচ্চাদের বুদ্ধি বিকাশের অন্যতম পথ, দৌড়, ১০) বাচ্চাকে কখনো আড়ালে লুকিয়ে খেতে দেবেন না, ১১) পিটার সিংগারের দর্শন, ১২) দুষ্টু শিশুরা তাড়াতাড়ি শেখে, ১৩) সন্তানকে যতই শাস্তি দেবেন ততই সে অসামাজিক হবে, ১৪) বাবা-মাই সন্তানকে নির্যাতন করেন সবচেয়ে বেশি , ১৫) সন্তানের সাথে কিভাবে গড়ে তুলবেন নিবিড় বন্ধন, ১৬) যে ১১টি কথা শিশুকে কখনোই বলবেন না!, ১৭) শিশুকে গল্প শোনান প্রতিদিন, ১৮) সন্তানের আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধির ১০টি কৌশল, ১৯) সৃজনশীলতা হচ্ছে নতুন কিছু করার যোগ্যতা, ২০) যারা মুখস্থ করতে পারেন না, ২১) তারা মেধাবী, মেধাবী হওয়ার উপায়,
২২) কথা ও ভাষা, ২৩) এলিভেটর পিচ, ২৪) সুন্দর করে কথা বলে সমস্যা জয়ের কৌশল, ২৫) ফোনে কথা বলার আদবকেতা, ২৬) ১২টি কর্ম বিধান, ২৭) ভালোবাসার অপর নাম প্রয়োজন, ২৮) আলতু-ফালতু কাজে সময় অপচয় করে স্বপ্ন পূরণের কল্পনা, ২৯) স্ট্রেস ম্যানেজমেন্ট, ৩০) চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিন পিং-এর জীবন থেকে শিক্ষা, ৩১) অভিজ্ঞতা ও অতীত থেকে শিক্ষা গ্রহণ, ৩২) বর্তমানকে সবচেয়ে বেশি মূল্য দিন, ৩৩) ২৪ ঘণ্টা কেউ সুখী হয় না, ৩৪) কিছু অভ্যাস যা আপনাকে আরও সুখী করবে , ৩৫) আপনার অবয়ব , ৩৬) সফলতার 25টি হট কৌশল-1, ৩৭) সাফল্যের 25টি হট কৌশল-2, ৩৮) সফলতার 55 সূত্র, ৩৯) কিভাবে নিজেকে নেতা হিসেবে গড়ে তুলবে, ৪০) সময় ব্যবস্থাপনা, ৪১) সময় ব্যবস্থাপনার তিনটি ধাপ, ৪২) সময়কে যথাযথভাবে কাজে লাগানোর উপায়গুলো, ৪৩) সাফল্য, ড. কোভের ইমোশনাল একাউন্ট কনসেপ্ট, ৪৪) সবচে বড় ইমোশনাল একাউন্ট, ৪৫) আপনার ইমোশনাল একাউন্ট, ৪৬) বুদ্ধি ও বিবেচনাবোধ বর্জিত কর্মফল বিপজ্জনক, ৪৭) অন্যদের দিয়ে আপনার কাজ করান কিন্তু সম্মান আপনি অর্জন করুন, ৪৮) অন্য লোকেরা আপনার কাছে আসুক দরকার হলে টোপ দিন, ৪৯) অসুখী এবং ভাগ্যহীনদের বর্জন করুন, ৫০) লোককে আপনার ওপর নির্ভরশীল করুন , ৫১) নেওয়ার পূর্বে দেওয়া অন্য বক্তির স্বার্থ বুঝুন, ৫২) শত্রুকে খাটো করে দেখবেন না, ৫৩) নিজেকে রক্ষা করার জন্য চারিদিকে দুর্গ নির্মাণ করবেন না, ৫৪) কারোর পক্ষ অবলম্বন করে বসে থাকবেন না, ৫৫) আপনার শক্তিসমূহকে সংহত করুন, ৫৫) নিজের ভুলগুলোকে লুকিয়ে রাখুন, ৫৬) শুধু সাহসের জোরে নয়, পরিণতিও বিবেচনায় রাখুন, ৫৭) প্রতিটি মানুষের গোপন ইচ্ছা খুঁজে বের করুন, ৫৮) রাগ বিপজ্জনক ও অভদ্রতা, ৫৯) কোনো দলকে ধরার জন্য দলপতিকে প্রথমে ধরুন, ৬০) নিজেকে গুরুত্বপূর্ণ মনে করুন, গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবেন, ৬০) পরিবেশ সামলাতে শিখুন, ৬১) প্রথম শ্রেণির মানুষ হয়ে উঠুন, ৬২) আপনার সামাজিক পরিবেশ ‘প্রথম শ্রেণি’র করে তোলার উপায়, ৬৩) ‘সস্তার তিন অবস্থা’ প্রধম শ্রেণিভুক্ত হয়ে উঠুন , ৬৪) যত বেশি বন্ধুত্ব তত বেশি উপরে ওঠার সম্ভাবনা, ৬৫) সাহস করে কাজটা শুরু করুন, ৬৬) সাফল্য মানে বারবার ভিন্নভাবে চেষ্টা করা, ৬৭) ১- ১০ ভাল অভ্যাস, ১১- ২০ ভাল অভ্যাস, ২১- ৩০ ভাল অভ্যাস, ৩১- ৪০ ভাল অভ্যাস, ৪১- ৫০ ভাল অভ্যাস, ৫১- ৬০ ভাল অভ্যাস, ৬১- ৭০ ভাল অভ্যাস, ৭১- ৮০ ভাল অভ্যাস, ৮১- ৯০ ভাল অভ্যাস, ৯১- ১০২ ভাল অভ্যাস, ৬৮) জিরো থেকে হিরো, ৬৯) সৃজনশীলদের সফলতার ৭ সূত্র, ৬৯) জীবনে পরিবর্তন আনুন ৪৮টি উপায়ে, ৭০) জীবন-যাপন, ৭১) জাপানী ও চিন লাইফ স্টাইল , ৭২) ৩০টি দর্শন, যা আপনার জীবনে কাজে লাগবে, ৭৩) সম্পর্ক তৈরি করা, বন্ধুত্ব, ৭৪) যে আচরণগুলো মানুষের মনের কথা জানাবে, ৭৫) কথা বলার সূত্র, ৭৬) আপনি ও আপনার ব্যবহার, ৭৭) নিজেকে সঠিকভাবে উপস্থাপন করা, ৭৮) কথা বলার কতিপয় গুরুত্বপূর্ণ নিয়ম, ৭৯) কিভাবে নিজেকে বিনয়ী হিসেবে উপস্থাপন করবেন, ৮০) কিভাবে বুদ্ধিদীপ্ত কথা বলবেন, ৮১) কথা বলার ৫টি বিস্ময়কর টেকনিক, ৮২) কিভাবে মানুষকে আকৃষ্ট করবেন? ৮৩) অকারণে সময় নষ্ট? মেল রবিনের ৫ সেকেন্ড রুল, ৮৪) কর্পোরেট আদবকেতা, ৮৫) ৩৫টি কর্পোরেট কালচার ও আপনার করণীয়, ৮৬) যা না জানলে লজ্জায় পড়তে হয় , ৮৭) কাজের সময়ে যে বিষয়গুলো একেবারেই করা উচিৎ না , ৮৮) ক্যারিয়ারে সাফল্য পেতে ছুড়ে ফেলুন ৭টি দোষ, ৮৯) আকাক্সক্ষা, ইচ্ছে বা স্বপ্ন,
৯০) বক্তৃতা প্রশিক্ষণ, কাজ কিভাবে করবেন? ৯১) আত্মশক্তিতে বলিয়ান হতে, ৯২) একনাগাড়ে চলবেন না, ৯৩) মারফিস ’ল , কাজের রোডম্যাপ তেরি , ৯৪) জব স্যাটিসফেকশন, ৯৫) কাজে সফলতার সূত্রাবলী, ৯৬) যেভাবে জীবনযাপন করবেন, ৯৭) পরিণত বুদ্ধির মানুষেরা যে কাজগুলো কখনোই করেন না, ৯৮) জীবনে দক্ষতা অর্জনের কার্যকর ১২টি উপায়, ৯৯) সঠিক লক্ষ্য নির্ধারণ ও কাজ করার উপায় , ১০০) সফলতা ও সার্থকতা, ১০১) জীবনের ছোট ছোট প্রাপ্তিগুলোকে উপভোগ করা, ১০২) সফলতার কিছু পদ্ধতি, ১০৩) সফল হতে চাইলে যে ৮ টি জিনিস বাদ দেয়া প্রয়োজন, ১০৪) সফল ব্যক্তিরা যে ১০টি কাজ কখনোই করেন না, ১০৫) সর্বদা স্মরণ রাখুন, ১০৬) চিন্তাশক্তি , ১০৭) স্বাধীনতা, ১০৮) জ্ঞান অর্জন খাদ্য গ্রহণের মতো , ১০৯) দৃঢ় প্রতিজ্ঞ হয়ে চেষ্টা করলে কখনোই বিফল হবেন না, ১১০) বুদ্ধির সংজ্ঞা হলো, প্রতিটি কাজ ভেবে-চিন্তে করা, ১১১) ব্যক্তিত্ব, চেহারা ও ব্যক্তিত্ব , ১১২) সেলডন-এর গবেষণা , ১১৩) ব্যক্তিত্ব ও উচ্চারণ, ১১৪) পোশাক ও ব্যক্তিত্ব, ১১৫) প্রথম দেখায় ব্যক্তিত্বের ছাপ, ১১৬) বিচ্ছিন্নতা ব্যক্তিত্বের বড় শত্রু, ১১৭) ব্যক্তিত্বে জিনগত প্রভাব, ১১৮) অন্তর্মুখী ও বহির্মুখী ব্যক্তিত্ব, ১১৯) মনোমুগ্ধকর ব্যক্তিত্বের ১০ বৈশিষ্ট্য, ১২০) ব্যক্তিত্বের উৎকর্ষতার জন্যে ১০ নির্দেশনা, ১২১) কিভাবে ব্যক্তিত্বের বিকাশ ঘটাবেন? , ১২২) নিজেকে স্মার্ট করতে ৫টি কৌশল, ১২৩) আকর্ষণীয় মানুষ হবার ৬টি পরামর্শ, ১২৪) আত্মশুদ্ধি , ১২৫) হতাশ হবেন না, ১২৬) পাছে লোকে কিছু বলে, ১২৭) সুখ-শান্তি উন্নতি , ১২৮) চাহিদা, ১২৯) খাদ্য, ঘুম ও বিশ্রাম, ১৩০) স্বাস্থ্য ভাল রাখার নিয়ম, ১৩১) টেনশন দূর করতে হলে, ১৩২) শুধু নিজের কথা নয়, অন্যের কথাও ভাবুন, ১৩৩) চাহিদা যত বেশি সুখ তত কম, ১৩৪) সুখী জীবনের জন্য ১৮ টি টিপস, ১৩৫) আত্মবিশ্বাস, আত্ম বিশ্বাসের শক্তি, ১৩৬) অজুহাতের ব্যাধিতে আক্রান্ত ব্যর্থ মানুষ, ১৩৭) দি সেভেন হ্যাবিট অফ হাইলি এ্যা ফেক্টিভ পিপল, ১৩৮) সামাজিক আয়না, ১৩৯) প্রোএ্যাক্টিভিটি, ১৪০) সার্কেল অফ ইনফ্লুয়েন্স, ১৪১) শুরু করুন আজই, ১৪২) আপনার কেন্দ্রবিন্দু কোনটি?, ১৪৩) মাথার দুটি অংশই ব্যবহার করুন, ১৪৪) সময়ের ব্যবস্থাপনা, ১৪৫) ব্যক্তিগত ব্যবস্থাপনা, ১৪৬) গুরুত্বপূর্ণ এবং জরুরি, ১৪৭) পরনির্ভরশীল জীবন, ১৪৮) ছয়টি উপায়ে অন্য মানুষের সাথে আদান-প্রদান, ১৪৯) অধ্যয়ন, ১৫০) পড়াশোনায় ১২ কার্যকর কৌশল, ১৫১) ঘুম থেকে উঠতে ১০-৩-২-১-০ ফর্মুলা, ১৫২) আয়-ব্যয়- টাকা, ১৫৩) অন্যকে খুশি করতে পয়সা খরচ যে কারণে অর্থহীন, ১৫৪) খরচের লাগাম টেনে ধরতে.. ১৫৫) নারী, ১৫৬) সম্পর্ককে সুন্দর রাখতে কিছু “মিথ্যা” বলা জরুরী , ১৫৭) ছেলেদের কোন জিনিস দেখে মেয়েরা? , ১৫৮) স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর কিছু অভ্যাস, ১৫৯) ভুঁড়ি ঠেকাতে ৫টি নিয়ম, ১৬০) যেসব কারণে নারীদের স্বাবলম্বী হওয়া উচতি , ১৬১) বিয়ে-সংসার, ১৬২) সফল বিয়ের তিনটি মন্ত্র, ১৬৩) সুখী হবার দারুণ কিছু মূলমন্ত্র, ১৬৪) কিছু গল্প, ১৬৫) ভালোবাসাহীন সম্পর্ক, ১৬৬) কেন স্পর্শের প্রয়োজন হয় প্রতিদিন, ১৬৭) যে কারণে একা থাকাই আপনার জন্য ভালো, ১৬৮) ব্যবসা, ১৬৯) বিক্রয় বৃদ্ধির কৌশল, ১৭০) যে ৭টা ব্যাপার বিজনেসে করবেন না, ১৭১) স্বাস্থ্য, ১৭২) দুগ্ধজাত খাবারে পুরুষের বন্ধ্যত্ব, ১৭৩) একাকিত্বের বিপদ, ১৭৪) কর্মক্ষম ও প্রফুল্ল রাখতে, ১৭৫) মন ভালো করার উপায়, ১৭৬) যৌন স্বাস্থ্য, ১৭৭) পুরুষদের কেজেল, ১৭৮) মহিলাদের কেজেল, ১৭৯) দক্ষতা , ১৮০) আলসেমি দূর করার সহজ কিছু উপায়, ১৮১) কীভাবে সামলাবেন নিন্দুকদের ?, ১৮২) সুখী হতে চাইলে যা কখনোই করবেন না, ১৮৩) সব ভুলে যাচ্ছেন? স্মৃতিশক্তি চাঙ্গা রাখতে ৫টি টিপস, ১৮৪) বয়সের ভারে বৃদ্ধ না হয়ে বরং কাজের ভারে যুবক থাকার চেষ্টা করো, ১৮৫) নিজেকে কাজের সঙ্গে সম্পক্ত করার তিনটে স্টেপ, ১৮৬) জীবনের লক্ষ্য নির্ধারণে দ্রুত পদ্ধতিগুলো, ১৮৭) প্রতিদান পাওয়ার আশায় কাজ করবেন না, ১৮৮) প্রেম একটি মানসিক রোগ, ১৮৯) সম্পর্ক ভেঙ্গে যাবার পর নিজেকে যেভাবে সামলাবে, ১৯০) সময় সবকিছু বদলে দেয়, ১৯১) সম্পর্ক তৈরির ক্ষেত্রে কমন পাঁচটি ভুল, ১৯২) আত্মবিশ্বাস/মনোবল, ১৯৩) প্যারাসুট অফ হ্যাপিনেস, ১৯৪) বারবার ঘুরে দাঁড়াতে হবে, ১৯৫) আত্মবিশ্বাসহীন মানুষের লক্ষণ, ১৯৬) বাড়াও আত্মবিশ্বাস, বাড়বে সফলতা, ১৯৭) প্রাতিষ্ঠানিক সম্পর্ক শক্তিশালী করার টিপস, ১৯৮) কিভাবে ধরে রাখবে দু'জনের সম্পর্ক, ১৯৯) কিভাবে বুঝবে সম্পর্ক শেষ করতে হবে, ২০০) সম্পর্ক যখন প্রেম-ভালোবাসার, ২০১) যেসব বিষয়ের উপর স¤পর্ক গড়ে ওঠে, ২০২) ভালোবাসার অপর নাম প্রয়োজন, ২০৩) সম্পর্কের গুণগত মান বাড়বে কিভাবে, ২০৪) মস্তিস্ক ঠিক রাখার ৩০ উপায়, ২০৫) মানুষের আচরণের পেছনে একটা কারণ থাকে, ২০৬) কোনো কাজে নিজেকে সম্পক্ত না করেই আমরা নিজ ক্যারিয়ারকে এগিয়ে নিয়ে যাই ২০৭) স্রোতের বিপরীতে চিন্তা করুন, ২০৮) আপনার টাইমজোনে সময় আসবেই, ২০৯) চাইল্ডহুড অ্যামনেসিয়া এবং আমাদের শিক্ষণীয়,