সব কিছু দু'বার সৃষ্টি হয়
এই পৃথিবীতে আমরা যা তৈরি করি, তার সবই দু'বার তৈরি হয়। প্রথমে তৈরি হয় আপনার মনে কিংবা ব্রেইনে। আর দ্বিতীয়বার তৈরি হয় বাস্তবে। ধরুন, আপনি একটি বাড়ি তৈরি করবেন। এর যাবতীয় বিষয়গুলো কিন্তু প্রথমে রূপ নিবে আপনার মনের ভেতর। আপনি এটাকে নিয়ে ভাববেন, কোথায় বসার ঘর হবে, থাকার ঘরটা কেমন হবে, রান্না ঘরে কী থাকবে ইত্যাদি বিষয়গুলো মনের ভেতরে তৈরি হয় প্রথম।
তারপর আপনি সেটার একটা রূপ দেন। কেনা হয় ইট, শুরকি, লোহা, সিমেন্ট ইত্যাদি। তৈরি হতে থাকে আপনার স্বপ্নের বাড়ি। অর্থাৎ আপনার বাড়ির একটি ব্লু-প্রিন্ট কিন্তু আপনার মাথায় থাকে। আর সেই ব্লু-প্রিন্ট মেনেই তৈরি হয় বাড়িটি। যদি সেই ব্লু-প্রিন্টে ভুল থাকে তাহলে বাড়িটি ভুলভাবে তৈরি হবে।
মাথার দুটি অংশই ব্যবহার করুন
মানুষের মাথার দুটি অংশ- বাম দিক এবং ডান দিক। ব্রেইনের দুই অংশ দুই ধরনের কাজের জন্য পারদর্শী।
বাম দিকের ব্রেইন হলো যুক্তিবাদী এবং সরাসরি যা দেখা যায় সেগুলো নিয়ে কাজ করে। অপরদিকে ডান দিকের ব্রেইন হলো ক্রিয়েটিভ। ক্রিয়েটিভ মানুষদের ডান দিকের ব্রেইন বেশি সক্রিয়। এই পৃথিবীর বেশিরভাগ মানুষ পরিচালিত হয় বাম দিকের ব্রেইন দিয়ে। তাই আমাদের মাঝে কবি, সাহিত্যিক, শিল্পী, উদ্ভাবকের সংখ্যা কম। আপনি যদি এ্যাফেক্টিভ হতে চান, তাহলে দুটি ব্রেইনকেই ব্যবহার করতে হবে।
আপনার আছে নিজস্ব মস্তিষ্ক আর মন। তাদের কাজে লাগিয়ে নিজেই সিদ্ধান্ত নিন। এখানে আপনার প্রভু আপনি নিজেই। অনেক সময় নানা সমস্যার মোকাবিলা করার প্রয়োজনে নানাজনের পরামর্শ নিতে হতে পারে। পরামর্শ নিলেও কাজে লাগাবেন আপনার নিজের মতকেই, অপরকে তা জানানোর প্রয়োজন নেই।
সমস্ত সাফল্যের পিছনেই ব্যর্থতার কাহিনী
প্রতিটি ব্যর্থতা সাফল্য লাভের জন্য উজ্জীবিত করে। ব্যর্থতা থেকে শিক্ষা নিয়ে ক্রমাগত সামনে এগিয়ে যেতে হয়। কখনোই ধরে নেবেন না যে, সবকিছুতে ভুল হলে আপনি সফল হতে পারবেন না। সবচেয়ে খারাপ অবস্থাতেও কোনো না কোনো পথ থাকেÑ যা ব্যর্থতাকে সাফল্যে আর হতাশাকে আনন্দে বদলে দিতে পারে।
জীবনে চলার পথে বাধা-বিপত্তির সম্মুখীন হওয়া অবশ্যম্ভাবী। এরূপ বাধা আমাদের এগিয়ে চলার ক্ষমতাকে বাড়িয়ে দেয় এবং সঙ্গে সঙ্গে বিনম্রতাও শেখায়। কেবলমাত্র আত্মবিশ্লেষণের মাধ্যমে বাধা ও অবরোধকে উন্নতির সোপানে পরিণত করা যায়। টম ওয়াটসনের কথায়: যদি সফল হতে চাও, তবে ব্যর্থতার হার দ্বিগুণ করে দাও। আপনি কী করতে সক্ষম তা আপনি চেষ্টা না করা পর্যন্ত বলা সম্ভব নয়।
দৃঢ় প্রতিজ্ঞ হয়ে চেষ্টা করলে কখনোই বিফল হবেন না
প্রত্যেক মানুষকে জাগিয়ে তোলা সম্ভব। আসলে কার মধ্যে কি আছে কিছুতেই জানতে পারবেন নাÑ যদি তাকে অনুপ্রাণিত করতে না পারেন। কোনো কিছুকে যখন অসম্ভব বলা হয়, তা আসলে অজ্ঞতা থেকেই বলা হয়। খুব সতর্কভাবে বিশ্লেষণ করলে দেখা যাবে যে, ‘অসম্ভব’ শব্দটা নেহায়েৎ মূল্যহীন। এই শব্দটা প্রধানত আবেগময় প্রতিক্রিয়া থেকে জন্মায়।
নিজেকে গুরুত্বপূর্ণ মনে করতে পারলে সুফল পাবেন। আপনার চেহারা, বহিরাবরণ যেন আপনার সম্পর্কে ভালো ধারণা তৈরি করে। বহির্জগতে পদক্ষেপ ফেলার আগে নিজেকে প্রস্তুত করে নিন। বাইরের চেহারাটা মনের চেহারাকে প্রভাবিত করবে।
সফল মানুষের একটি চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য হলো উৎসাহ। আপনি উৎসাহ উদ্দীপনায় ভরপুর হলে আপনার আশেপাশের লোকজনও উৎসাহিত হয়ে উঠবে।
বুদ্ধির সংজ্ঞা হলো, প্রতিটি কাজ ভেবে-চিন্তে করা
বুদ্ধি হলো চট করে শেখার বা ধরে নেওয়ার ক্ষমতা। বুদ্ধিমান ব্যক্তি পরিবেশের সাথে মানিয়ে চলতে পারেন। তিনি যেখানে যেমন, সেখানে তেমন ব্যবহার করেন। বুদ্ধিমান ব্যক্তি স্থান-কাল-পাত্র ভেদে যেমন আচরণ প্রয়োজন, তেমন আচরণ করতে জানেন। যেখানে যেমন কথা বলা উচিত তেমন কথা বলেন। কোথায় চুপ করে থাকতে হবে, কোথায় সমর্থন জানাতে হবে, আর কোথায় প্রতিবাদ জানাতে হবে তা তিনি ভালো বোঝেন। বুদ্ধিমান ব্যক্তির বড় লক্ষণ যে তিনি নিজেকে খুব বুদ্ধিমান ভাবেন না।
তাহলে বুদ্ধির সামগ্রিক সংজ্ঞা হলো, প্রতিটি কাজ ভেবে-চিন্তে করা। ইচ্ছার বিরুদ্ধে চাপে পড়ে অথবা পরিণাম না ভেবে কিছু করা নয়। যুক্তি দিয়ে সব কিছু চিন্তা করা এবং পরিবেশ অনুযায়ী যা করা দরকার বা যা করলে মানায় সেটাই করা। বুদ্ধিমান বলতে শুধু কেতাবি শিক্ষিত বা প্রতিভাবানদের ধরলে চলবে না। বুদ্ধিকে প্রয়োজনমতো ব্যবহার করতে জানা ও পরিবেশের সঙ্গে মানিয়ে চলার সক্ষমতাই বুদ্ধিমানের সাধারণ লক্ষণ।
মনোবিজ্ঞানীরা বলেন, সকলের মধ্যে সমান বুদ্ধি থাকে না। বুুদ্ধির তারতম্য ঘটে। বুদ্ধি কিছুটা আসে উত্তরাধিকার সূত্রে। কিছুটা পাওয়া যায় পরিবেশ থেকে। এ জন্য কারো বুদ্ধি সাধারণ। কারো বুদ্ধি সাধারণের থেকে বেশি, কেউ বা নির্বোধ। অধিকাংশ লোকেরই বুদ্ধি সাধারণ মাপের। এর কারণ বুদ্ধি অর্জন করার জন্য যে বুদ্ধি বা মানসিকতা দরকার সে বুদ্ধি তাদের নেই।
বুদ্ধিই ব্যক্তিত্ব তৈরি করে। সেই যে গল্পে আছে, একটি শূকর দেখে হবুচন্দ্র রাজা তার গবুচন্দ্র মন্ত্রীকে জিজ্ঞাসা করলেন, মন্ত্রী ওটা কী জন্তু? কারণ দুজনেই কখনও শূকর দেখেনি। গবুচন্দ্রও মোটা বুদ্ধির লোক, কিন্তু তিনি তা স্বীকার করলেন না। তিনি অনেক ভেবে বললেন, জন্তুটা নতুন। হতে পারে এটা হাতি বিবর্তিত হতে হতে এইরকম হয়েছে। অথবা হতে পারে ইঁদুর বাড়তে বাড়তে এই আকার ধারণ করেছে। যার যেমন বুদ্ধি, তার ধারণাও তেমন এবং ওই ধারণা দিয়েই তিনি সব কিছু বিশ্লেষণ করে থাকেন। তাঁর নিজস্ব ধারণা অনুসারেই তার ব্যক্তিত্ব তৈরি হয়ে যায়।
বুদ্ধির আর একটা পরিচয়, যুক্তি দিয়ে বিচার-বিশ্লেষণ করার ক্ষমতা। নতুন কোনো সমস্যা বা পরিস্থিতি এসে পড়লে তাকে সামাল দেবার ক্ষমতাই বুদ্ধি। সামাল দিতে হলে সমস্যাটা বোঝার মত ক্ষমতা চাই। একজন সাধারণ বুদ্ধির লোক চেষ্টা করে ব্যক্তিত্ব অর্জন করতে পারেন। কিন্তু চেষ্টা না করলে একজন প্রখর বুদ্ধিমান ব্যক্তিও ব্যক্তিত্ব অর্জন করতে পারেন না। বুদ্ধি ও ব্যক্তিত্ব একসঙ্গে মিশে একটি আদর্শ মানুষ তৈরি করে।
কেউ বুদ্ধিমান, বুঝবেন কয়েকটি লক্ষণে
অনেক সময় জ্ঞানী মানুষরাও নিজেদের বোকা বলে মনে করেন। আপনি বুদ্ধিমান কিনা তা বোঝার কিছু লক্ষণ রয়েছে। কর্নেল ইউনিভার্সিটির এ সংক্রান্ত গবেষণাটি করেন ডেভিড ডানিং এবং জাস্টিন ক্রুগনার। তাদের এই পদ্ধতি ডানিং-ক্রুগনার ইফেক্ট নামে পরিচিতি লাভ করে। এখানে নিজের বুদ্ধিমত্তা রয়েছে তার ¯পষ্ট হওয়ার কিছু লক্ষণ দেওয়া হলো।
১. সঙ্গীতের শিক্ষা: গবেষণায় বলা হয়, সঙ্গীত শিশুর মানসিক বিকাশে সহায়ক। ২০১১ সালের এক গবেষণায় বলা হয়, ৪-৬ বছর বয়সী শিশুদের কথা বলার ক্ষেত্রে মেধা অনেক বেড়ে গেছে মাত্র এক মাসের সঙ্গীত শিক্ষা নিয়ে।
২. সবার বড়: পরিবারের বড় সন্তানরা অন্যদের চেয়ে সাধারণত স্মার্ট হয়।
৩. পাতলা দেহের অধিকারী: ২০০৬ সালের এক গবেষণায় বলা হয়েছে, ২২০০ প্রাপ্তবয়স্ত মানুষের বুদ্ধিমত্তা পরীক্ষা করা হয় টানা ৫ বছর ধরে। সেখানে দেখা যায়, যাদের কোমরের মাপ যত বেশি তাদের মস্তিষ্কের কর্মক্ষমতা তত কম। অর্থাৎ, পাতলা দেহের অধিকারীরা বুদ্ধিমান হয়ে থাকেন।
৪. কুকুর বিড়ালপ্রিয়তা : ২০১৪ সালের এক গবেষণায় বলা হয়, যারা কুকুর পছন্দ করেন তারা বাইরে যেতে পছন্দ করেন। আর বিড়ালপ্রিয় মানুষরা বাড়িতে থাকতেই পছন্দ করেন। ওই পরীক্ষায় যারা বিড়াল পছন্দ করেন তারা পারসোনালিটি এবং ইন্টেলিজেন্স টেস্ট অনেক বেশি স্কোর করেন।
৫. মায়ের বুকের দুধ : যারা বুকের দুধ খেয়ে বড় হয়েছেন তাদের বুদ্ধিমত্তা বেশি থাকে। এ সংক্রান্ত দুটো গবেষণায় দেখা গেছে, ব্রিটেন এবং নিউজিল্যান্ডের ৩০০০ শিশুর মধ্যে তারাই বুদ্ধিমত্তাস¤পন্ন যারা মায়ের বুকের দুধ খেয়েছেন।
৬. বাঁ-হাতি: গবেষকরা দেখেছেন, অপরাধীদের জগতে বাঁ-হাতি মানুষ বেশি দেখা যায়। আর এক গবেষণায় বলা হয়, বাঁ-হাতি মানুষরা বৈচিত্র্যময় চিন্তা করতে সক্ষম। তাই তারা ভালো ভালো আইডিয়া বের করতে পারেন।
৭. লম্বা: প্রিন্সটন বিশ্ববিদ্যালয়ের এক গবেষণায় বলা হয়, লম্বা মানুষরা বুদ্ধিমত্তার দৌড়ে এগিয়ে থাকেন। শিশু অবস্থাতেও যাদের উচ্চতা বেশি, আইকিউ পরীক্ষায় তারা এগিয়ে থাকে।
৮. যারা দ্রুত পড়তে পারেন: এক গবেষণায় ব্রিটেনের ২ হাজার জোড়া যমজ শিশুর ওপর গবেষণা পরিচালিত হয়। তাতে দেখা যায়, যারা দ্রুত পড়তে পারে তারা দ্রুত শিখতে সক্ষম। মস্তিষ্কের কর্মক্ষমতার দৌড়ে তারাই এগিয়ে থাকে।
৯. যারা অনেক দুশ্চিন্তা করেন: যদিও এ কাজটি স্বাস্থ্যের জন্য ভালো নয়। তবে বেশ কিছু গবেষণায় বলা হয়েছে, তারা বেশি দুশ্চিন্তা করেন তাদের বুদ্ধি বেশি। আসলে কোনো বিষয় নিয়ে দুশ্চিন্তা করার অর্থ অনেক ক্ষেত্র নিয়ে প্রচুর চিন্তা করা। এতে মস্তিষ্ক বেশ কর্মশীল হয়ে ওঠে।
১০. মজার মানুষ: যাদের সেন্স অব হিউমার বেশি তারা অন্যদের চেয়ে বেশি বুদ্ধিমান।
১১. যারা আগ্রহী: ইউনিভার্সিটি অব লন্ডনের বিজনেস সাইকোলজি প্রফেসর টমাস চামোরো-প্রিমুজি জানান, আগ্রহীদের মনটা বেশ ক্ষুধার্ত থাকে। তাদের আইকিউ এবং ইকিউ উভয়ই বেশ শক্তিশালী।
১২. এলোমেলো: সাইকোলজিক্যাল সায়েন্স জার্নালে প্রকাশিত ইউনিভার্সিটি অব মিনেসোটা কার্লসন স্কুল অব ম্যানেজমেন্টের ড. ক্যাথলেন ভোস জানান, এলোমেলো কক্ষে কাজ করতে গেলে সৃষ্টিশীলতা বৃদ্ধি পায়।
১৩. একা জীবন : বন্ধু বা স্বজনদের সঙ্গে সময় কাটাতে সব সময়ই ভালো লাগে। সিঙ্গাপুর ম্যানেজমেন্ট ইউনিভার্সিটি এবং লন্ডন স্কুল অব ইকোনমিক্সের গবেষণায় বলা হয়, স্মার্ট মানুষরা একাকী থেকে সুখ অনুভব করেন।
১৪. যারা নিশাচর: দ্য অফিসিয়াল জার্নাল অব দ্য ইন্টারন্যাশনাল সোসাইটি ফর দ্য স্টাডি অব ইন্ডিভিজুয়াল ডিফরেন্সেস-এ প্রকাশিত এক গবেষণায় বলা হয়, রাতজাগা মানুষদের বুদ্ধিমত্তা বেশি থাকে।
১৫. ঘুরে-বেড়ানো: এক গবেষণায় বলা হয়, আপনার যদি হেঁটে হেঁটে বিভিন্ন স্থানে ঘোরার অভ্যাস থাকে তবে আপনি বুদ্ধিমান হয়ে উঠবেন। যাদের এ অভ্যাস রয়েছে, তারা বুদ্ধিমান হয়ে ওঠেন।
৩টি অতি গুরুত্বপূর্ণ স্মরণী
# অনেকেই অতীতের মধ্যে বসবাস করতে পছন্দ করেন। এ কথা সত্যি যে অতীত আপনার বর্তমান নির্মাণ করেছে। কিন্তু আপনি যদি সবসময় সেটা নিয়েই আফসোস করতে থাকেন, তাহলে যথেষ্ট সম্ভাবনা আছে আপনার অবস্থা আরো খারাপ হওয়ার। অতীতের ভুল মেনে নেয়া, আর নিজেকে ক্ষমা করে দেয়া থেকেই একমাত্র নতুন অগ্রগতি হতে পারে।
# আমাদের অনেক স্বপ্ন আর উদ্যোগের অপমৃত্যু ঘটে নিজেদের বুড়ো ভাবার কারণে। বাংলাদেশের সমাজ ব্যবস্থায় মোটামুটি বয়স ৫০ পার হলেই মানুষ আর নতুন করে কিছু শুরুর সাহস পায় না, মনে করে এখন আর “বয়স” নেই। অথচ এমন অনেক উদাহরণ আছে যে অনেক বয়সে কিছু শুরু করে মানুষ সবচেয়ে বেশি সাফল্য পেয়েছে। কারণ বয়সটা অভিজ্ঞতায় সমৃদ্ধ। কাজেই, জীবনে নতুন করে শুরু করার কোনো বয়স নেই, ৩০-এও হতে পারে, আবার ৮০-তেও হতে পারে।
# আমরা অনেক সময় মনে করি, যদি অমুক জিনিস পাই, তাহলে আমি সুখী হব! এই ধরণের চিন্তা করলে ইহজীবনেও সুখী হওয়া যাবে না। কোনো কিছু পাওয়া আপনাকে যে আনন্দ দিবে, তা সাময়িক। কিছুদিন পরই সেটি পুরোনো হয়ে যেতে পারে, তাই না? সুখী হওয়ার প্রথম চাবিকাঠি “লো এক্সপেকটেশন বা কম প্রত্যাশা করা”। আপনি যদি কোনো কিছু থেকে বেশি প্রত্যাশা না করেন, তাহলেই দেখবেন ভালো আছেন। যে ব্যক্তি অর্থের পেছনে ছুটতে ছুটতে তার জীবনের সবটাই ব্যয় করে দিলো, তার প্রিয়জনের সান্নিধ্য পেল না, শুধু পেল ব্যাংক ব্যালেন্স- ধনী, কিন্তু মনের দিক থেকে দরিদ্র। টাকার পেছনে যতই ছুটবো, ততোই আমরা জীবন থেকে ছিটকে পড়বো। অস্বীকার করছি না, জীবনে টাকার দরকার অবশ্যই আছে। কিন্তু অঢেল দরকার নেই। প্রত্যাশা সীমার মাঝে রেখে, নিজের চাওয়াগুলো পূরণ করতে পারলেই জীবনে এর থেকে বেশি অর্থের দরকার হয় না। তাই প্রত্যাশা কম করুন, টাকার পেছনে ছুটে জীবন থেকে সুখ সরিয়ে দেবেন না, জীবনে টাকাই সব না, ভুলে যাবেন না জীবনের আসল উদ্দেশ্যই ভালো থাকা, সুখে থাকা।
সূচিপত্র
১) ছোটদের সাথে আমাদের আচরণ ২) পরিবার ও সন্তান, সুপার পাওয়ার যেভাবে তৈরি হয়, ৩) দীর্ঘস্থায়ী ভয়ের উৎপত্তির মূলে শৈশবকালে ঘটে যাওয়া ঘটনার প্রভাব , ৪) সন্তানের উৎসাহ এবং উদ্দীপনা বাড়ানো, ৫) আপনার শিশুটি ঘুমুক শান্তিতে এবং নির্ভরতায় , ৬) কিছু অব্যর্থ টিপস, যা আপনার শিশুকে পড়াশোনায় আগ্রহী করে তুলবে, ৭) শিশুকে কিভাবে বড় করবেন, ৮) বাচ্চাদের মস্তিষ্ক বিকাশে কী করবেন? ৯) বাচ্চাদের বুদ্ধি বিকাশের অন্যতম পথ, দৌড়, ১০) বাচ্চাকে কখনো আড়ালে লুকিয়ে খেতে দেবেন না, ১১) পিটার সিংগারের দর্শন, ১২) দুষ্টু শিশুরা তাড়াতাড়ি শেখে, ১৩) সন্তানকে যতই শাস্তি দেবেন ততই সে অসামাজিক হবে, ১৪) বাবা-মাই সন্তানকে নির্যাতন করেন সবচেয়ে বেশি , ১৫) সন্তানের সাথে কিভাবে গড়ে তুলবেন নিবিড় বন্ধন, ১৬) যে ১১টি কথা শিশুকে কখনোই বলবেন না!, ১৭) শিশুকে গল্প শোনান প্রতিদিন, ১৮) সন্তানের আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধির ১০টি কৌশল, ১৯) সৃজনশীলতা হচ্ছে নতুন কিছু করার যোগ্যতা, ২০) যারা মুখস্থ করতে পারেন না, ২১) তারা মেধাবী, মেধাবী হওয়ার উপায়,
২২) কথা ও ভাষা, ২৩) এলিভেটর পিচ, ২৪) সুন্দর করে কথা বলে সমস্যা জয়ের কৌশল, ২৫) ফোনে কথা বলার আদবকেতা, ২৬) ১২টি কর্ম বিধান, ২৭) ভালোবাসার অপর নাম প্রয়োজন, ২৮) আলতু-ফালতু কাজে সময় অপচয় করে স্বপ্ন পূরণের কল্পনা, ২৯) স্ট্রেস ম্যানেজমেন্ট, ৩০) চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিন পিং-এর জীবন থেকে শিক্ষা, ৩১) অভিজ্ঞতা ও অতীত থেকে শিক্ষা গ্রহণ, ৩২) বর্তমানকে সবচেয়ে বেশি মূল্য দিন, ৩৩) ২৪ ঘণ্টা কেউ সুখী হয় না, ৩৪) কিছু অভ্যাস যা আপনাকে আরও সুখী করবে , ৩৫) আপনার অবয়ব , ৩৬) সফলতার 25টি হট কৌশল-1, ৩৭) সাফল্যের 25টি হট কৌশল-2, ৩৮) সফলতার 55 সূত্র, ৩৯) কিভাবে নিজেকে নেতা হিসেবে গড়ে তুলবে, ৪০) সময় ব্যবস্থাপনা, ৪১) সময় ব্যবস্থাপনার তিনটি ধাপ, ৪২) সময়কে যথাযথভাবে কাজে লাগানোর উপায়গুলো, ৪৩) সাফল্য, ড. কোভের ইমোশনাল একাউন্ট কনসেপ্ট, ৪৪) সবচে বড় ইমোশনাল একাউন্ট, ৪৫) আপনার ইমোশনাল একাউন্ট, ৪৬) বুদ্ধি ও বিবেচনাবোধ বর্জিত কর্মফল বিপজ্জনক, ৪৭) অন্যদের দিয়ে আপনার কাজ করান কিন্তু সম্মান আপনি অর্জন করুন, ৪৮) অন্য লোকেরা আপনার কাছে আসুক দরকার হলে টোপ দিন, ৪৯) অসুখী এবং ভাগ্যহীনদের বর্জন করুন, ৫০) লোককে আপনার ওপর নির্ভরশীল করুন , ৫১) নেওয়ার পূর্বে দেওয়া অন্য বক্তির স্বার্থ বুঝুন, ৫২) শত্রুকে খাটো করে দেখবেন না, ৫৩) নিজেকে রক্ষা করার জন্য চারিদিকে দুর্গ নির্মাণ করবেন না, ৫৪) কারোর পক্ষ অবলম্বন করে বসে থাকবেন না, ৫৫) আপনার শক্তিসমূহকে সংহত করুন, ৫৫) নিজের ভুলগুলোকে লুকিয়ে রাখুন, ৫৬) শুধু সাহসের জোরে নয়, পরিণতিও বিবেচনায় রাখুন, ৫৭) প্রতিটি মানুষের গোপন ইচ্ছা খুঁজে বের করুন, ৫৮) রাগ বিপজ্জনক ও অভদ্রতা, ৫৯) কোনো দলকে ধরার জন্য দলপতিকে প্রথমে ধরুন, ৬০) নিজেকে গুরুত্বপূর্ণ মনে করুন, গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবেন, ৬০) পরিবেশ সামলাতে শিখুন, ৬১) প্রথম শ্রেণির মানুষ হয়ে উঠুন, ৬২) আপনার সামাজিক পরিবেশ ‘প্রথম শ্রেণি’র করে তোলার উপায়, ৬৩) ‘সস্তার তিন অবস্থা’ প্রধম শ্রেণিভুক্ত হয়ে উঠুন , ৬৪) যত বেশি বন্ধুত্ব তত বেশি উপরে ওঠার সম্ভাবনা, ৬৫) সাহস করে কাজটা শুরু করুন, ৬৬) সাফল্য মানে বারবার ভিন্নভাবে চেষ্টা করা, ৬৭) ১- ১০ ভাল অভ্যাস, ১১- ২০ ভাল অভ্যাস, ২১- ৩০ ভাল অভ্যাস, ৩১- ৪০ ভাল অভ্যাস, ৪১- ৫০ ভাল অভ্যাস, ৫১- ৬০ ভাল অভ্যাস, ৬১- ৭০ ভাল অভ্যাস, ৭১- ৮০ ভাল অভ্যাস, ৮১- ৯০ ভাল অভ্যাস, ৯১- ১০২ ভাল অভ্যাস, ৬৮) জিরো থেকে হিরো, ৬৯) সৃজনশীলদের সফলতার ৭ সূত্র, ৬৯) জীবনে পরিবর্তন আনুন ৪৮টি উপায়ে, ৭০) জীবন-যাপন, ৭১) জাপানী ও চিন লাইফ স্টাইল , ৭২) ৩০টি দর্শন, যা আপনার জীবনে কাজে লাগবে, ৭৩) সম্পর্ক তৈরি করা, বন্ধুত্ব, ৭৪) যে আচরণগুলো মানুষের মনের কথা জানাবে, ৭৫) কথা বলার সূত্র, ৭৬) আপনি ও আপনার ব্যবহার, ৭৭) নিজেকে সঠিকভাবে উপস্থাপন করা, ৭৮) কথা বলার কতিপয় গুরুত্বপূর্ণ নিয়ম, ৭৯) কিভাবে নিজেকে বিনয়ী হিসেবে উপস্থাপন করবেন, ৮০) কিভাবে বুদ্ধিদীপ্ত কথা বলবেন, ৮১) কথা বলার ৫টি বিস্ময়কর টেকনিক, ৮২) কিভাবে মানুষকে আকৃষ্ট করবেন? ৮৩) অকারণে সময় নষ্ট? মেল রবিনের ৫ সেকেন্ড রুল, ৮৪) কর্পোরেট আদবকেতা, ৮৫) ৩৫টি কর্পোরেট কালচার ও আপনার করণীয়, ৮৬) যা না জানলে লজ্জায় পড়তে হয় , ৮৭) কাজের সময়ে যে বিষয়গুলো একেবারেই করা উচিৎ না , ৮৮) ক্যারিয়ারে সাফল্য পেতে ছুড়ে ফেলুন ৭টি দোষ, ৮৯) আকাক্সক্ষা, ইচ্ছে বা স্বপ্ন,
৯০) বক্তৃতা প্রশিক্ষণ, কাজ কিভাবে করবেন? ৯১) আত্মশক্তিতে বলিয়ান হতে, ৯২) একনাগাড়ে চলবেন না, ৯৩) মারফিস ’ল , কাজের রোডম্যাপ তেরি , ৯৪) জব স্যাটিসফেকশন, ৯৫) কাজে সফলতার সূত্রাবলী, ৯৬) যেভাবে জীবনযাপন করবেন, ৯৭) পরিণত বুদ্ধির মানুষেরা যে কাজগুলো কখনোই করেন না, ৯৮) জীবনে দক্ষতা অর্জনের কার্যকর ১২টি উপায়, ৯৯) সঠিক লক্ষ্য নির্ধারণ ও কাজ করার উপায় , ১০০) সফলতা ও সার্থকতা, ১০১) জীবনের ছোট ছোট প্রাপ্তিগুলোকে উপভোগ করা, ১০২) সফলতার কিছু পদ্ধতি, ১০৩) সফল হতে চাইলে যে ৮ টি জিনিস বাদ দেয়া প্রয়োজন, ১০৪) সফল ব্যক্তিরা যে ১০টি কাজ কখনোই করেন না, ১০৫) সর্বদা স্মরণ রাখুন, ১০৬) চিন্তাশক্তি , ১০৭) স্বাধীনতা, ১০৮) জ্ঞান অর্জন খাদ্য গ্রহণের মতো , ১০৯) দৃঢ় প্রতিজ্ঞ হয়ে চেষ্টা করলে কখনোই বিফল হবেন না, ১১০) বুদ্ধির সংজ্ঞা হলো, প্রতিটি কাজ ভেবে-চিন্তে করা, ১১১) ব্যক্তিত্ব, চেহারা ও ব্যক্তিত্ব , ১১২) সেলডন-এর গবেষণা , ১১৩) ব্যক্তিত্ব ও উচ্চারণ, ১১৪) পোশাক ও ব্যক্তিত্ব, ১১৫) প্রথম দেখায় ব্যক্তিত্বের ছাপ, ১১৬) বিচ্ছিন্নতা ব্যক্তিত্বের বড় শত্রু, ১১৭) ব্যক্তিত্বে জিনগত প্রভাব, ১১৮) অন্তর্মুখী ও বহির্মুখী ব্যক্তিত্ব, ১১৯) মনোমুগ্ধকর ব্যক্তিত্বের ১০ বৈশিষ্ট্য, ১২০) ব্যক্তিত্বের উৎকর্ষতার জন্যে ১০ নির্দেশনা, ১২১) কিভাবে ব্যক্তিত্বের বিকাশ ঘটাবেন? , ১২২) নিজেকে স্মার্ট করতে ৫টি কৌশল, ১২৩) আকর্ষণীয় মানুষ হবার ৬টি পরামর্শ, ১২৪) আত্মশুদ্ধি , ১২৫) হতাশ হবেন না, ১২৬) পাছে লোকে কিছু বলে, ১২৭) সুখ-শান্তি উন্নতি , ১২৮) চাহিদা, ১২৯) খাদ্য, ঘুম ও বিশ্রাম, ১৩০) স্বাস্থ্য ভাল রাখার নিয়ম, ১৩১) টেনশন দূর করতে হলে, ১৩২) শুধু নিজের কথা নয়, অন্যের কথাও ভাবুন, ১৩৩) চাহিদা যত বেশি সুখ তত কম, ১৩৪) সুখী জীবনের জন্য ১৮ টি টিপস, ১৩৫) আত্মবিশ্বাস, আত্ম বিশ্বাসের শক্তি, ১৩৬) অজুহাতের ব্যাধিতে আক্রান্ত ব্যর্থ মানুষ, ১৩৭) দি সেভেন হ্যাবিট অফ হাইলি এ্যা ফেক্টিভ পিপল, ১৩৮) সামাজিক আয়না, ১৩৯) প্রোএ্যাক্টিভিটি, ১৪০) সার্কেল অফ ইনফ্লুয়েন্স, ১৪১) শুরু করুন আজই, ১৪২) আপনার কেন্দ্রবিন্দু কোনটি?, ১৪৩) মাথার দুটি অংশই ব্যবহার করুন, ১৪৪) সময়ের ব্যবস্থাপনা, ১৪৫) ব্যক্তিগত ব্যবস্থাপনা, ১৪৬) গুরুত্বপূর্ণ এবং জরুরি, ১৪৭) পরনির্ভরশীল জীবন, ১৪৮) ছয়টি উপায়ে অন্য মানুষের সাথে আদান-প্রদান, ১৪৯) অধ্যয়ন, ১৫০) পড়াশোনায় ১২ কার্যকর কৌশল, ১৫১) ঘুম থেকে উঠতে ১০-৩-২-১-০ ফর্মুলা, ১৫২) আয়-ব্যয়- টাকা, ১৫৩) অন্যকে খুশি করতে পয়সা খরচ যে কারণে অর্থহীন, ১৫৪) খরচের লাগাম টেনে ধরতে.. ১৫৫) নারী, ১৫৬) সম্পর্ককে সুন্দর রাখতে কিছু “মিথ্যা” বলা জরুরী , ১৫৭) ছেলেদের কোন জিনিস দেখে মেয়েরা? , ১৫৮) স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর কিছু অভ্যাস, ১৫৯) ভুঁড়ি ঠেকাতে ৫টি নিয়ম, ১৬০) যেসব কারণে নারীদের স্বাবলম্বী হওয়া উচতি , ১৬১) বিয়ে-সংসার, ১৬২) সফল বিয়ের তিনটি মন্ত্র, ১৬৩) সুখী হবার দারুণ কিছু মূলমন্ত্র, ১৬৪) কিছু গল্প, ১৬৫) ভালোবাসাহীন সম্পর্ক, ১৬৬) কেন স্পর্শের প্রয়োজন হয় প্রতিদিন, ১৬৭) যে কারণে একা থাকাই আপনার জন্য ভালো, ১৬৮) ব্যবসা, ১৬৯) বিক্রয় বৃদ্ধির কৌশল, ১৭০) যে ৭টা ব্যাপার বিজনেসে করবেন না, ১৭১) স্বাস্থ্য, ১৭২) দুগ্ধজাত খাবারে পুরুষের বন্ধ্যত্ব, ১৭৩) একাকিত্বের বিপদ, ১৭৪) কর্মক্ষম ও প্রফুল্ল রাখতে, ১৭৫) মন ভালো করার উপায়, ১৭৬) যৌন স্বাস্থ্য, ১৭৭) পুরুষদের কেজেল, ১৭৮) মহিলাদের কেজেল, ১৭৯) দক্ষতা , ১৮০) আলসেমি দূর করার সহজ কিছু উপায়, ১৮১) কীভাবে সামলাবেন নিন্দুকদের ?, ১৮২) সুখী হতে চাইলে যা কখনোই করবেন না, ১৮৩) সব ভুলে যাচ্ছেন? স্মৃতিশক্তি চাঙ্গা রাখতে ৫টি টিপস, ১৮৪) বয়সের ভারে বৃদ্ধ না হয়ে বরং কাজের ভারে যুবক থাকার চেষ্টা করো, ১৮৫) নিজেকে কাজের সঙ্গে সম্পক্ত করার তিনটে স্টেপ, ১৮৬) জীবনের লক্ষ্য নির্ধারণে দ্রুত পদ্ধতিগুলো, ১৮৭) প্রতিদান পাওয়ার আশায় কাজ করবেন না, ১৮৮) প্রেম একটি মানসিক রোগ, ১৮৯) সম্পর্ক ভেঙ্গে যাবার পর নিজেকে যেভাবে সামলাবে, ১৯০) সময় সবকিছু বদলে দেয়, ১৯১) সম্পর্ক তৈরির ক্ষেত্রে কমন পাঁচটি ভুল, ১৯২) আত্মবিশ্বাস/মনোবল, ১৯৩) প্যারাসুট অফ হ্যাপিনেস, ১৯৪) বারবার ঘুরে দাঁড়াতে হবে, ১৯৫) আত্মবিশ্বাসহীন মানুষের লক্ষণ, ১৯৬) বাড়াও আত্মবিশ্বাস, বাড়বে সফলতা, ১৯৭) প্রাতিষ্ঠানিক সম্পর্ক শক্তিশালী করার টিপস, ১৯৮) কিভাবে ধরে রাখবে দু'জনের সম্পর্ক, ১৯৯) কিভাবে বুঝবে সম্পর্ক শেষ করতে হবে, ২০০) সম্পর্ক যখন প্রেম-ভালোবাসার, ২০১) যেসব বিষয়ের উপর স¤পর্ক গড়ে ওঠে, ২০২) ভালোবাসার অপর নাম প্রয়োজন, ২০৩) সম্পর্কের গুণগত মান বাড়বে কিভাবে, ২০৪) মস্তিস্ক ঠিক রাখার ৩০ উপায়, ২০৫) মানুষের আচরণের পেছনে একটা কারণ থাকে, ২০৬) কোনো কাজে নিজেকে সম্পক্ত না করেই আমরা নিজ ক্যারিয়ারকে এগিয়ে নিয়ে যাই ২০৭) স্রোতের বিপরীতে চিন্তা করুন, ২০৮) আপনার টাইমজোনে সময় আসবেই, ২০৯) চাইল্ডহুড অ্যামনেসিয়া এবং আমাদের শিক্ষণীয়,