সফলতার জন্য টিপস
ডেডলাইন ভুলে যাও
কাজে যদি সময়সীমা নির্ধারণ করে দেয় তবে কাজটা আদতে ভালো হয় না। ডেডলাইন ভুলে যাও, যতটুকু সময় দরকার, ততটুকু সময় নিয়েই কাজ করো। তোমার সামথ্যঁ অনুযায়ী কার্যকর ও দ্রুতভাবে কাজ করো, তারপর অন্য সময়ে অন্য কাজে মন দাও।
নির্বাচন করো মানুষগুলো
তুমি কোন্ ধরনের মানুষের সাথে কাজ করতে চাও, কোন্ ধরনের গ্রাহকদের সেবা করতে চাও, কোন্ ধরনের বন্ধু চাও Ñ তা ভেবে দেখো। এরপর সেই ধরনের মানুষদের কাছে যেতে হবে। কর্মঠ মানুষ অন্য কর্মঠ মানুষের কদর করে। আর অসাধারণ কর্মচারীরা অসাধারণ বসদের জন্যই কাজ করে থাকে।
কোনো কিছু বকেয়া রাখবে না
কাজ বকেয়া রাখার বিষয়টা মুছে ফেল জীবন থেকে। অতীতে তুমি যাই করে থাক না কেন, বর্তমানে কিন্তু দরকার হলে নতুন করে তোমাকে কাজে নেমে পড়তে হবে। কোনো কাজই ছোট বা বোরিং না। সফল ব্যক্তিরা শুধুমাত্র তাদের শ্রমের ফলের উপরেই নির্ভর করে থাকে।
অভিজ্ঞতা অপ্রাসঙ্গিক
তুমি কত বছর ধরে একটি কাজ করছো সেটা মূখ্য নয়। তুমি কি কি কাজ করেছো এবং কীভাবে সেগুলোতে সফল হয়েছে সেটাই মূল বিষয়। সফল ব্যক্তিরা কথা ফুলঝরি ব্যবহার করে না, তারা যে যে কাজ করেছে তার বিবরণ বিনীতভাবে তুলে ধরে।
ব্যর্থতাকে অর্জনে পরিণত করো
যখন কাউকে তাদের ব্যর্থতার কারণ জানতে চাওয়া হয় তখন তারা বাচ্চাদের মত নানা অজুহাত দাঁড় করাবে। কেউ বলবে অর্থনৈতিক মন্দা, কেউ বলবে বাজারের অবস্থা ভালো না বা সাপ্লায়াররা ঠিকমত সরবরাহ দিতে পারেনি। ব্যর্থতার স্বীকার না করার ফলে ভুল থেকে শিক্ষা গ্রহণ করা হয়ে উঠে না। সবাই ব্যর্থ হয়, একবার নয়, অনেকবার। এই ব্যর্থতার কারণের আজকে কেউ কেউ সফল হতে পেরেছে। তাই ব্যর্থতাকে আপন করে নাও, তা থেকে শিখ এবং দায় এড়িয়ে যাবে না, নিশ্চিত হোন যে পরের বার এমনটি আর হবে না।
ভলান্টিয়ারদের জয় সব সময়
হাত তুলে কোনো কাজে অংশগ্রহণ করার আগ্রহ প্রকাশ করা ভালো। বেশি বেশি কাজ করা শেখার, দক্ষতা অর্জন, অন্যের মন জয় করা এবং নতুন নতুন সংযোগ তৈরি করার সুযোগ সৃষ্টি করে। সাফল্যে কাজের মাধ্যমেই আসে। তুমি যতবেশি ভলান্টিয়ারিং করবে, তুমি ততবেশি কাজ করতে পারবে এবং সফল মানুষদের মত সুযোগ তৈরি করে নিতে পারবে।
যতক্ষণ পর্যন্ত পাচ্ছি, ততক্ষণ পর্যন্ত ঠিক আছে
টাকা আয় করা আনন্দের। অবৈধ বা অনৈতিক ছাড়া অন্য যেকোন কিছু তুমি করতে পারো যদি তোমার গ্রাহক তার জন্য ভালো অংকের টাকা দিতে রাজি থাকে। গ্রাহকরা যা চায় সেই অনুযায়ী কাজ করলে তুমি একটি সফল বিজনেস প্রতিষ্ঠিত করতে পারবে।
যারা দেয় তারা কিছু বলার অধিকার রাখে
নিজের ইগোকে কাজের মাঝে টেনে আনবে না, নিজের ইগো ব্যক্তিগত সময়ে প্রয়োগ করো। যারা তোমাকে কাজের জন্য টাকা দেয়, তাদের পূর্ণ অধিকার আছে কাজের ব্যাপারে তোমাকে যেকোনো কিছু বলার। অভিযোগ না করে যারা টাকা দেবেন, তারা যা চায় সেই অনুযায়ী তোমার কাজকে সমন্বয় করে নাও।
এক্সট্রা কি করা যায় তা ভাবো
সবাই বলে তারা এক্সট্রা কাজ করে, যারা একটু বেশি কিছু করতে যায়, তারা ভাবে শুধু আমিই কেন এক্সট্রা করবো এবং পরে কাজ থামিয়ে দেয়। কিন্তু তা করলে নতুন সম্ভাবনা তোমার কাছে ধরা দিতে পারে। আরো এক্সট্রা কি করা যায় তা ভাবো, এমন কিছু যা অন্যরা করে থাকে না। সেটাই কিন্তু তোমার বিশেষত্ব তৈরি করে দেবে, যা তোমার সাফল্য নিশ্চিত করবে।
নিজের চাহিদা তৈরি করো
যখন প্রতিষ্ঠান তোমার গুরুত্ব বুঝবে তখনই তা কাজে আসবে। তোমার সঠিক ভাবমূর্তি তৈরি হবে ৪টি বৈশিষ্ট্যের ভিত্তিতে: পক্ষপাত ছাড়া কোনো বিষয়ের এপিঠ-ওপিঠ বলতে পারা, কাজের জন্য ত্যাগ স্বীকার, সম্মান বজায় রাখা এবং নিয়ম মেনে চলা।
মানুষের সাথে কথা বলো
অনলাইন দিয়ে বাস্তব জীবনের স¤পর্ক তৈরি নয়। অফিসের কাজ শেষ করে বাইরে বেরিয়ে পড়ো, যারা তোমার কাজের ক্ষেত্রে সেরা ও দক্ষ তাদের সাথে কথা বলো যাতে তারা তোমার সত্যিকার আগ্রহের ব্যাপারে বুঝতে পারে।
দলের সাথে চলো
একা কাজ করা যায় না। কাজে মনোনিবেশ করার লক্ষ্যে নিবেদিতপ্রাণ টিম লিডার, সম্ভাবনার সদ্ব্যবহার করার লক্ষ্যে একে অপরের সাথে কানেক্টেড হয়ে সবার সাথে একসাথে কাজ করতে হবে।
স¤পর্ক তৈরি করো
অল্প সময়ের স¤পর্কে তেমন সুফল থাকে না। তোমার প্র¯েপক্টদের সাথে লেগে থাক, তারপর তুমি তাদের সাথে একযোগে কাজ করার সুযোগ পাবে।
ভালো পোশাক পরিধান করো
তোমার বাহ্যিক দিকটিই সবার আগে অন্যদের চোখে পড়বে। যদি তোমার আউটলুক ঠিক না থাকে তাহলে মানুষজন তোমার ব্যাপারে নেতিবাচক ধারণা পোষণ করবে। ভালো দেখার জন্য তোমাকে বেশি অর্থ খরচ করতে হবে তা কিন্তু নয়। স্টাইলিশ হওয়ার জন্য তোমাকে নামী-দামি ব্রান্ডের পোশাক পরার প্রয়োজন নেই, তবে তোমাকে বুঝতে হবে কোনো জিনিসগুলো তোমাকে ভালো মানায়। নিজেকে উপস্থাপন করার জন্য তোমাকে সময় ব্যয় করতে হবে। পায়ের জুতা থেকে শুরু করে মাথার চুল পর্যন্ত সবকিছুতে রুচিবোধ ফুটিয়ে তুললে অন্যরা তোমাকে লক্ষ্য করবে এবং সেই সাথে সম্মান করবে।
আপ টু ডেট থাকো
দুনিয়ায় কি ঘটছে তা জেনে নেওয়া এখন অনেক সহজ। তুমি যদি দুনিয়া স¤পর্কে জ্ঞান না রাখো তাহলে অন্যরা তোমাকে অজ্ঞ ভাববে। সবাই ব্যস্ত থাকে এটাই স্বাভাবিক, তবে একটু সময় নিয়ে সাম্প্রতিক বিষয় স¤পর্কে জানা দরকার। তোমার ওয়েব ব্রাউজারের একটি ট্যাবে যেকোন খবরের ওয়েবসাইট খোলা রাখো। যখনই সময় পাও, তখনই তাতে চোখ বুলিয়ে নাও। ১০-১৫ মিনিট সময় নিয়ে একবার খবরাখবরে চোখ বুলিয়ে নিলেই যথেষ্ট। দুনিয়ার খবরাখবর জানা থাকলে তুমি অন্যদের সাথে কথা বলার সময় পছন্দের বিষয়ে আলাপ চালিয়ে নিতে পারবে।
ব্যবহার শিখতে হবে
ব্যবহার সংস্কৃতি অনুযায়ী পরিবর্তনশীল, তাই তুমি যেখানেই যাও না কেন সঠিক ব্যবহার জেনে নেওয়া আবশ্যক। শুরু থেকেই তুমি যদি সম্মান, বিনয় এবং সৌজন্যতাবোধ প্রদর্শন করে থাক, তাহলে অন্যদের চোখে তোমার একটা বিশেষত্ব তৈরি হবে। সাধারণ ব্যবহারÑ যেমন দৃঢ়ভাবে হাত মেলানো, প্লীজ এবং থ্যাং ইউ বলা, প্রবেশ ও যাওয়ার সময় অনুমতি চেয়ে নেওয়াÑ অন্যদের মনে তোমার ব্যাপারে ইতিবাচক ধারণা গড়ে তুলতে সাহায্য করবে।
ভাষা রপ্ত করো
সোশ্যাল মিডিয়া আর ইমেইলের দরুণ আজকাল লেখার মাধ্যমেই প্রথম পরিচয় বেশি হয়ে থাকে। কারো কারো জন্য এটি সুবিধাজনক, তবে তা সবার জন্য নয়। অনেকের ভাষাগত দক্ষতা ভালো না থাকায় প্রথম দর্শনে তাদের কথা শোনা বা পড়া অন্যদের কাছে বিরক্তি সৃষ্টি করতে পারে। প্রথম পরিচয়ে সবাই তোমার কাছ থেকে ভালো ও ভদ্র ভাষাই আশা করে। তোমার ভাষাগত দক্ষতা বাড়িয়ে নাও। লেখা এবং কথা বলার আগে ভেবে নাও তুমি কি বলতে চাইছো।
বেশি বেশি পড়ো
যে শিখতে পছন্দ করে তাকে অন্য সবাই সমীহ করে। যারা স্মার্ট তারা চায় তাদের থেকেও স্মার্ট কারো সান্নিধ্য পেতে। বই পড়ে অনেক কিছু জানা যায়, আর এখন বই ছাড়াও আরো অনেক শেখার সরঞ্জাম রয়েছে। কারো সাথে নতুন ধারণা বিনিময় করা আনন্দের খোরাক যোগায়। প্রতি মাসেই যেকোন নতুন বই বা আর্টিকেল পড়ার চেষ্টা করো। এরপর যারা আগ্রহী তাদের সাথে তথ্য আদান- প্রদান করো। এভাবে তুমি নিজেকে শাণিত করবে এবং অন্যরাও তোমার জ্ঞানের ভাণ্ডার দেখে অভিভূত হবে।
অন্যদের প্রতি মনযোগ দাও
অন্যদের সাথে প্রথমবার কথা বলার আগে তাদেরকে পর্যবেক্ষণ করে নাও। জানার চেষ্টা করো তারা কেমন মানুষ। তারপর সেই অনুযায়ী তাদের সাথে মেশার চেষ্টা করো। এছাড়াও অন্যদের সাথে কথা বলার সময় তাদের বক্তব্যের প্রতি গুরুত্ব দাও এবং তারা যা জানতে চায় তার সঠিক উত্তর দাও।
তোমার অনলাইন উপস্থিতি উপযুক্ত করে তোল
নেটওয়ার্কিং এর মাধ্যমে যদি কারো সাথে তোমার পরিচয় না হয়ে থাকে, তাহলে অনলাইনে পরিচয় হওয়াটা অস্বাভাবিক কিছু নয়। তোমার সাথে সরাসরি যোগাযোগ করার পূর্বে অন্যরা তোমার ওয়েবসাইট, লিংকড ইন বা ফেইসবুক প্রোফাইল দেখে নেবে। যদি তারা অনলাইনে তোমার ব্যাপারে ভুল বা পুরনো তথ্য পায়, বা তোমার বিব্রতকর কোনো ছবি বা পোস্ট দেখে নেয় তাহলে শুরু থেকেই তারা তোমার ব্যাপারে অত ভালো ধারণা নাও রাখতে পারে। বর্তমান সময়ে সবকিছুই আপ টু ডেট রাখতে হয় আর তাই অনলাইনে তোমার তথ্য হালনাগাদ করে নাও এবং সবকিছু যথাসম্ভব সঠিকভাবে তুলে ধর।
প্রতিবার শুধুমাত্র একটি আলাপে অংশ নাও
তুমি অন্য কারো সাথে যখন যেভাবেই কথা বলো না কেন, তাকে তোমার পূর্ণ মনযোগ দাও। এতে তুমি তাকে গুরুত্ব দিচ্ছে সেটাই প্রকাশ পাবে। তাছাড়া প্রতিবার শুধুমাত্র একটি আলাপে অংশ নাও।
মানুষের চোখের দিকে তাকাও
অনেকেই অন্যের চোখের দিকে তাকাতে ইতস্তত বোধ করে থাকে। কষ্ট হলেও চেষ্টা করো অন্যের চোখের দিকে তাকাতে। গবেষণায় দেখা গেছে এটি করা হলে অন্যের প্রতি সম্মান প্রদর্শন করা হয়। তারপরেও অনেকের জন্য এটি সহজ বিষয় নয়। তবে একটু একটু করে অন্যের চোখের দিকে তাকালে দেখবে তা ধীরে ধীরে সহজ হয়ে গেছে এবং তখন তুমি অন্যদেরকে তাদের চোখের দিকে তাকিয়ে আরো ভালোভাবে বুঝে নিতে পারবে।
প্রাসঙ্গিক প্রশ্ন করো
প্রতিটি আলাপেই চেষ্টা করো কিছু গুরুত্বপূর্ণ ও প্রাসঙ্গিক প্রশ্ন চিহ্নিত করো এবং আলাপ শেষ করার আগে তা জিজ্ঞেস করো। একই প্রশ্নকে নতুনভাবে উপস্থাপন করো। অনেকেই থাকবে যারা সমাধানের বিরোধী হবে, তাদেরকে নিজের দলে ভেড়াতে তোমাকে তাদের উদ্দেশ্যে সঠিক প্রশ্ন জিজ্ঞেস করতে হবে এবং বোঝাতে হবে।
কিছু হলে লিখে রাখো
আজকাল আমাদেরকে অনেক কিছুই মনে রাখতে হয় তাই এটা-সেটা ভুলে যাওয়াটা অস্বাভাবিক নয়। তাই কিছু হলেই তা লিখে রাখো। আলাপচারিতায় গুরুত্বপূর্ণ কিছু জানলে তা লিখে রাখো, হতে পারে তা কাগজে লিখে বা মোবাইলে টুকে রেখে বা কোনো লেখার অ্যাপ ব্যবহার করে।
রেসপন্স শিডিউল করো
কখন কার সাথে যোগাযোগ করতে হবে তার একটি রুটিন করে নাও, এতে তোমার কার্যক্ষমতা বাড়বে এবং যাদের সাথে তোমার যোগাযোগ করতে হবে তাদের প্রত্যাশারও খেয়াল রাখা হবে। অন্যের সাথে যোগাযোগ করে তার সাড়া না পাওয়াটা বেশ বিরক্তিকর। তাই তোমার যোগাযোগের জন্য সময় নির্ধারণ করে নাও। হাতে সময় থাকলে ১ ঘন্টার মধ্যে মোবাইল বা ফোন মেসেজের উত্তর দাও আর ১ দিনের মধ্যে ইমেইলের উত্তর দিতে চেষ্টা করো।
যা গুরুত্বপূর্ণ তা আগে চিহ্নিত করো
এমন হতে পারে যে কাজ করার প্রক্রিয়ার মাঝেই একদিনে তোমাকে ৪০টি গুরুত্বপূর্ণ কাজ করতে হয়। এই কাজগুলোর তালিকা সাথে রাখো যাতে বুঝতে পারবে তোমার কি কি করতে হবে। তবে তালিকা বেশি দীর্ঘ হলে তোমার লক্ষ্য স্থির রাখা কঠিন হতে পারে বা তুমি হয়ত তালিকাকে উপেক্ষা করতে পারো। তাই সব সময় তালিকানুযায়ী তোমার লক্ষ্য নির্ধারণ করবে না। তোমার কী কী কাজ করতে হবে তার গাইড হিসেবে তালিকাটিকে ব্যবহার করো।
তালিকা তৈরি করো
তোমার তালিকা তৈরি আছে বা তুমি মোটামুটি জানো কি কি কাজ করতে হবে, এরপরও তোমাকে কাজের ছোট ছোট তালিকা তৈরি করতে হতে পারে। কারণ হল এই ছোট ছোট তালিকা তোমাকে কাজের ব্যাপারে মনযোগী হতে সাহায্য করবে। এই তালিকাগুলো তোমার অনেকগুলো কাজকে ভাগ ভাগ করে তোমাকে সময় অনুযায়ী তা স¤পাদন করাতে সহায়ক হবে।
যা বিঘ্ন সৃষ্টি করে তা এড়িয়ে চলো
তালিকানুযায়ী কাজ করার সময় যা কিছু বিঘ্ন সৃষ্টি করে তা তোমাকে অবশ্যই এড়িয়ে যেতে হবে। কেউ যদি কাজের সময় চায়, তাকে বলো, পরে তোমার সাথে কথা বলতে। যদি কোনো ফোন কল আসে, তাহলে ফোনটিকে বাজতে দাও। যে করে হোক তালিকার কাজগুলো শেষ করার দিকে তোমাকে মনযোগ দিতে হবে। তাহলে দেখবে একদিনেই তুমি অনেকগুলো কাজ স¤পাদন করতে পারছো।
নাম মনে রাখো
তোমার সমস্যা তোমাকেই গভীরভাবে জানতে হবে। তবে তুমি আবদ্ধ কোনো স্থানে থাকলে তা করা কিছুটা মুশকিল। জটিল পরিস্থিতিতে থাকার পরও যারা সমস্যায় জর্জরিত তাদেরকে অবশ্যই জানতে হবে কি করলে তাদের জীবনে উন্নতি আসবে। যাদের কাছে গেলে তোমার সমস্যার সমাধানে সাহায্য পেতে পারো, তাদের নাম মনে রাখতে হবে এবং তাদের দ্বারস্থ হতে হবে।
তোমার কার্যতালিকার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ
জরুরি কাজ করতে গিয়ে গুরত্বপূর্ণ কাজ করা ভুলে গেলে মানসিক অস্বস্তি বাড়বে বৈ কমবে না। তাই নিজেকে জিজ্ঞেস করো কোনো তিনটি কাজ আজকের দিনের জন্য তোমার কাছে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ এবং সে অনুযায়ী তোমার কাজ চালিয়ে যাও। গুরুত্বপূর্ণ কাজগুলো সাধারণত কঠিন হয়ে থাকে, তাই আগেভাগে সেগুলো করে রাখলে পরের কাজগুলো করা অনেক সহজ হয়ে যায়।
ছোট ছোট সাফল্য খেয়াল করো এবং তা লিখে রাখো
সবাই চায় পারফেক্টভাবে কাজ করতে। কিন্তু আমরা কেউই পারফেক্ট নই এবং এ ব্যাপারটি হয়ত কাউকে হতাশায় ফেলে দিতে পারে। একবার হতাশ হয়ে গেলে আত্মবিশ্বাস ফিরিয়ে আনা কিন্তু একটু কঠিন হয়ে যায়। হতাশাকে দূরে রাখতে তোমার ছোট ছোট অর্জনগুলোকে লিপিবদ্ধ করে রাখো।
ধর তোমার কার্যতালিকায় ২৫টি কাজ আছে, তার মধ্যে তুমি মাত্র ৩টি স¤পন্ন করেছেন, অল্প হলেও এই অর্জনটি লিখে রাখো। আমরা কি করেছি তার থেকে কি করিনি সেটা নিয়েই বেশি ভাবি। এর পরিবর্তে সারাদিনে তুমি যেই তিনটি কাজ ভালোভাবে করতে পেরেছ সেগুলো নিয়ে ভাবো। কারণ ছোট ছোট কাজের অর্জনই একদিন বড় সাফল্য নিয়ে আসবে তোমার জন্য।
যা শুরু করেছ তা শেষ করার জন্য অঈীকার করো
কেউ কেউ আছেন যে ৯০% কাজ করে তা ফেলে রেখে দেয় কারণ তারা ভাবে কাজটা তো এক কথায় হয়েই গেছে। কিন্তু ১০০% হলেই বরং সেটা তোমার কৃতিত্ব হবে। কিছু কিছু কাজ আছে যা একদিনে স¤পন্ন করা সম্ভব হয় না, তাই এই ধরনের কাজগুলোকে ভাগ করে নাও। যেমন তুমি ভাবলে তোমার পুরো বাসায় নতুন করে রঙ লাগাবে, একদিনে তো তা করা সম্ভব নয়, তাই না? বরং একদিনে যদি তুমি একটি রুমেও রঙ লাগানো শেষ করতে পারো, তাহলে হয়ত কয়েকদিনের মধ্যে পুরো বাসায় রঙ লাগানো শেষ করতে পারবে। এভাবে এগিয়ে গেলে তুমি মনে স্বস্তি বোধ করবে আর যদি কাজটি ঝুলিয়ে রাখো, তাহলে তা তোমার দুশ্চিন্তা বাড়াবে।
কাজের পাশাপাশি ব্যায়াম ও বিশ্রাম নাও
ব্যায়াম ও বিশ্রাম দুটিই শুধু তোমার স্বাস্থ্যই নয়, বরং তোমার মস্তিষ্কের জন্যও উপকারী। বিভিন্ন গবেষণায় বলা হয়েছে বার্ধক্য ও দুশ্চিন্তার ফলে মস্তিষ্কের যে ক্ষয় হয় তা ব্যায়ামের মাধ্যমে রুখে দেওয়া সম্ভব। তাই চেষ্টা করো সপ্তাহের তিন দিন অন্তত আধা ঘন্টা করে হলেও ব্যায়াম করার। আধা ঘন্টার ব্যায়াম তোমার জন্য যে উপকার করবে তা আধা ঘন্টা সময় চলে যাওয়ার তুলনায় অনেক বেশি। এছাড়াও বিশ্রাম মানসিক সুস্থতার জন্য অপরিহার্য। আমাদের মস্তিষ্ক একটি ব্যাটারির মত এবং তা পুরোপুরি রিচার্জ করার জন্য পর্যাপ্ত ঘুমের প্রয়োজন। তোমার ঘুম পর্যাপ্ত হলে তুমি যত ইচ্ছা কঠোর পরিশ্রম করে তোমার দেহের ও মনের ব্যাটারির শক্তি ক্ষয় করতে পারো। মস্তিষ্কেরও বিশ্রাম দরকার আছে। সপ্তাহের একদিন বিশ্রামের জন্য রাখো, তাহলে দেখবে অন্য ছয় দিন তুমি ভালোভাবে তোমার কাজগুলো করতে পারছ।
নিজের ভিতরের বক্তব্যকে গোপন রাখো
দেখা যায় আমরা যখন কাউকে শুনি, তখন নিজের মনেই কোনো না কোনো কথা বলতে থাকি। এটা হল আমাদের সামনে পরিবেশিত তথ্যের ব্যাপারে আমাদের মতামত। এই মতামত আমাদেরকে কখনো অন্যের বক্তব্য আরও ভালোভাবে শুনতে আগ্রহী করে তুলে, আবার কখনো অনাগ্রহী করে তুলে। কিন্তু অন্যের কথা শুনার সময় নিজের ভিতরের মতটিকে গুরুত্ব না দিয়ে, বক্তার কথার উপর মনোযোগ দেয়া উচিত।
নিজের সাথে তর্ক করো
প্রায়ই আমরা অন্যদের বক্তব্যের বিরুদ্ধ মত পোষণ করতে থাকি। সেটি না করে অন্যের দৃষ্টিভঙ্গিটি বিবেচনা করা উচিত। নিজেকে বোঝানো উচিত যে, এটা হতেই পারে যে তুমিই ভুল করছো এবং অন্যের চিন্তাটি ঠিক।
কৌতূহলী হও
কিছু মানুষ প্রকৃতিগতভাবেই কৌতূহলী, আবার কেউ নয়। কেউ কৌতূহলী হোক বা না হোক কৌতূহলী আচরণ করলে বেশ কিছু সুবিধা পাওয়া যায়। এতে করে পরবর্তীতে করার মত বেশ কিছু প্রশ্ন পাওয়া যায়। আমরা কারো বক্তৃতা শুনলে প্রশ্নগুলোর উত্তর পাওয়ার চেষ্টা করতে পারি, কিংবা যদি কারো সাথে কথা বলি তবে তাকে জিজ্ঞাসা করতে পারি। এভাবে প্রশ্ন করে জানার মাধ্যমে নিজের দৃষ্টিভঙ্গি পরিবর্তন করা যায়। তাই এই কৌতূহল প্রবণতা মানুষের উপকার ছাড়া অপকার করে না।
সত্যের মূল খুঁজে বের করো
কোনো ধারণা বা তত্ত্বই বাতাস থেকে উড়ে আসে না। যে কোনো সম্প্রসারিত ধারণা যা আপাতদৃষ্টিতে গুজব বলে মনে হয়, দেখা যায় তারও কোনো না কোনো ভিত্তি থাকে। যদি কোনো ধারণা আমাদের প্রয়োজনের নাও হয়, তবুও অন্তত তার সত্যের ভিত্তিটা আমাদের জানা উচিত। আমাদের উচিত একজন গোয়েন্দার মত বুঝে নিজের মত প্রতিষ্ঠা করা। এভাবে কোনো বক্তার প্রকৃত মতামত স¤পর্কে আমরা আমাদের ধারণার বিকাশ ঘটাতে পারি।
বার্তাবাহককে গুরুত্ব না দিয়ে বার্তার উপর গুরুত্ব দাও
মানুষ প্রায়ই বার্তাবাহকের উপর নির্ভর করে বার্তাটিকে অবজ্ঞা করে। এমন হয় যখন বক্তা বিরক্তিকর হয় কিংবা বক্তব্য উপস্থাপন আকর্ষণীয় না হয়। কিন্তু এ ধরনের অবজ্ঞা আমাদের জানার প্রতিবন্ধক হয়ে দাঁড়ায়। এসব ক্ষেত্রে বার্তাটিকে বক্তা থেকে আলাদা করে ফেলা দরকার। তথ্যগুলোকে তখন এমনভাবে নেয়া উচিত যেন বক্তাকে আমরা চিনি না। তাহলেই ঐ তথ্য আমাদের ধারণা ¯পষ্ট করতে সহায়ক হবে।
যতবার প্রত্যাখ্যাত ঠিক ততটাই সাফল্য
তুমি যদি আগে থেকেই ধরে রাখো যে অন্যরা তোমাকে প্রত্যাখ্যান করবে, তাহলে তোমার ভয়ের কারণে তুমি কার্যক্ষমতা হারাবে। এই ভয়কে প্রথমে জয় করতে হবে এবং তারপর যদি তুমি সফল হতে চাও, তোমাকে জেনে নিতে হবে কিভাবে প্রত্যাখ্যানকে তুমি ইতিবাচকভাবে তোমার লক্ষ্য পূরণের হাতিয়ার হিসেবে পরিণত করতে পারো।
ধরো তুমি প্রতিটি বিনিয়োগকারীর কাছ থেকেই নেতিবাচক প্রতিক্রিয়া পাচ্ছো বারবার। তুমি জান যে তোমার আইডিয়াটি ভালো, কিন্তু অন্যদের মতামতের ভিত্তিতে তুমি ধরে নিলে যে, হয়ত তোমারই কোথাও ভুল হচ্ছে, তখন তুমি মনে কষ্ট না নিয়ে ‘রিজেক্টর’কে সম্মান দেখাও এবং প্রত্যাখ্যানের কারণগুলো খুঁেজা।
প্রত্যাখানের তিক্ততা কমিয়ে ফেলো
তোমার পরিচিত কেউ তোমার আইডিয়াতে অর্থায়ন করতে অস্বীকৃতি জানাতে পারে কিন্তু তার সাথে স¤পর্ক ছেদ করা বুদ্ধিমানের কাজ হবে না। হতে পারে ভবিষ্যতে এই ব্যক্তিই ব্যবসায়িক ক্ষেত্রে তোমার কাজের প্রতি আগ্রহ দেখাবে। আর অন্য মানুষটি যদি তোমার শ্রদ্ধার পাত্র হয়ে থাকে, তাহলে বাস্তবতার নিরিখে পরিস্থিতিকে বিবেচনা করো। অন্যদেরকে খুব বেশি তোয়াজ করার কিছু নেই ,কারণ তারাও তোমার মত মানুষ, কোনো দেবতা নন।
ধন্যবাদ জানাও
সব কাজের পর সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের ধন্যবাদ জানাও। ছোট্ট একটা নোট পাঠানোর মাধ্যমে তুমি মানুষের কাছে নিজেকে সুন্দরভাবে উপস্থাপন করেছো।
নাম জেনে নাও
তোমার সহকর্মী বা অধীনস্তদের নাম জেনে নাও, তাদের সাথে সুন্দরভাবে কথা বলো, সবাইকে সম্মান দেখাও। উপরওয়ালাদের খুশি রাখার পাশাপাশি যারা কাজ করছে, তাদেরকেও প্রাপ্য সম্মান দাও। মনে রাখবে তোমার নিচে যারা আছে, তারাই তোমাকে উপরের দিকে নিয়ে যাবে।
“এলিভেটর নিয়ম” মেনে চলো
কোনো ক্রেতা বা সম্ভাব্য পার্টনারের সাথে মিটিঙের পর, এলিভেটর দিয়ে নিচে নেমে বিল্ডিং থেকে বের হওয়ার আগে তোমার সহকর্মীদের সাথে মিটিং এর ব্যাপারে কোনো কথা বলবে না। সে যদি লিফটে একা থাকে তাও না। ফট করে কোনো বেফাঁস কথা বলে নিজের ভবিষ্যৎ নিজেই নষ্ট করতে যাবে না।
অপছন্দের কাজগুলো আগে করো
কঠিন কাজ ও সিদ্ধান্ত ফেলে রাখলে তোমার কার্যক্ষমতা কমে যায়। অফিসে গিয়ে দিনের শুরুতেই কঠিন ফোন কলগুলো আগে সেরে নাও। সাধারণত কঠিন কাজগুলো পরিষ্কার মনোভাব নিয়ে পুরো উদ্যম সহকারে করতে হয়, তবে দিনের শুরুতে কাজগুলো সেরে ফেললে ঝামেলা কমে যায় এবং দিনের পরবর্তী সময় ভালো কাটে।
ইনবক্স নিয়ে পড়ে থাকবে না
ইনবক্স বা টেক্সট বার্তার মাধ্যমে জীবন পরিচালনা করা যে ফলপ্রসু নয় তা নিয়ে বেশ কিছু গবেষণা হয়েছে। তুমি হয়ত জেনে থাকবে কোনো বার্তার দ্রুত উত্তর দিতে গিয়ে তোমার হাতের কাজে তুমি তালগোল পাকিয়ে ফেলতে পারো। এছাড়া পরে চিন্তা-ভাবনা করে একটি উত্তর দেওয়াটাই হয়ত শ্রেয় হবে। অন্যের সাথে যোগাযোগ করতে হবে, তবে তার মানে এই নয় যে তুমি শুধু সেটা নিয়েই পড়ে থাকবে। সামনে কেউ থাকলে মোবাইলে কথা বলা একদম সংক্ষিপ্ত করো ফেলো।
মনোযোগ ধরে রাখো
পূর্ণ মনোযোগ দিয়ে কাজ করার যখন দরকার হয়, তখন একসাথে দুই তিনটি কাজ না করে একটি একটি করে কাজ করো। পূর্ণ মনোযোগ থাকলে অতি জরুরি কাজগুলো আরো সাবলীল ও ভালোভাবে স¤পন্ন করা যায়।
অতীতের ভুলের প্রতি কম মনোযোগী হও
ভুল আমরা কমবেশি সবাই করি। একজন নিখুঁত মানুষ খুঁজে পাওয়াটা দায়। ভুল থেকে শিক্ষা নিয়ে ভবিষৎ কর্মপন্থা নির্ধারণ করো কিন্তু অতীত নিয়ে পড়ে থাকবে না। কারণ, যা চলে যায় তা কখনো আর ফিরে আসে না।
কারো কোনো কথা ভালো মতো শোন
নিজে কিছু বলার আগে ভালোভাবে শুনে নাও। ভালোমতো শোনার যোগ্যতাটা একটা বড় গুণ। মনে রাখবে সৃষ্টিকর্তা একটা মুখ এবং দুটো কান দিয়েছেন। দুটো কান এর অর্থ যা বলবে, তার দ্বিগুণ শোনবে।
অন্যজনের দৃষ্টিকোণ থেকে দেখো
একজন সফল মানুষ সবসময় একটা বিষয়কে অন্যজন কিভাবে ভাবছে তা নিয়ে চিন্তা করে। সুতরাং একটি বিষয়কে বিভিন্ন দৃষ্টিকোণ থেকে দেখো।
চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করার মানসিকতা তৈরি করো
আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ গুণ হলো সর্বদা “নতুন কিছু করার” মানসিকতা। সবসময় নতুন কিছুকে কিংবা নতুন কোনো আইডিয়াকে গ্রহণ করো। এটাকে একটা চ্যালেঞ্জ হিসেবে নাও। ভুলেও তোমার ভিতরকার হেরে যাওয়ার ভয়টাকে বের হয়ে আসতে দিবে না। তাহলেই নতুন কিছু সফলভাবে করতে পারবে।
কখন থামতে হবে শিখ
কোনো একটা পরিস্থিতিকে সর্বদা যাচাই করো। সেই পরিস্থিতি থেকে তোমার সফলতা কিংবা ব্যর্থতা কতটুকু তা নির্ধারণ করো। যে কাজে সফলতা ক্ষীণ, সেই কাজের পেছনে লেগে না থেকে তা ছেড়ে দাও কিংবা এগিয়ে যাবার পদ্ধতি পরিবর্তন করো। যদি সফল হওয়ার আশা দেখতে পাও, তাহলে এগিয়ে যাও, না হলে অন্য পথের কথা ভাবো।
সর্বদা সুযোগ খুঁজতে থাকো
কথায় আছে কার ভাগ্য কখন কোন্ দিক দিয়ে খুলে যায় তা কেউ বলতে পারে না। তাই সদা চোখ-কান খোলা রাখো এবং সুযোগ খুঁজতে থাকো নিজের উন্নতির। একজন সফল মানুষ নিজেই নিজেকে বলতে থাকে “আমি জানি আমি পারবো, আমি পারবোই” এবং তা তারা পারেও।
চিন্তা করো এবং স্বপ্নটা একটু বড় দেখো
স্বপ্নটাকে একটু বড় করে দেখতে শিখ। তোমার স্বপ্নই তোমাকে তোমার সফলতার দিকে পরিচালিত করবে। চিন্তা করো। ভাবো। প্ল্যান করো। একজন সফল ব্যক্তির ডিকশনারীতে “পারবো না” “নাই” “হবে না” এই শব্দগুলো খুঁজে পাবে না।
বাধা অপসারণের মত সামর্থ্য রাখো
তোমার চারপাশের বিশ্বটি তোমাকে তোমার সকল কাজে বাধা দেবার জন্য তৈরি থাকবে। যদি তুমি ইতিমধ্যে নিজ লক্ষ্যের সঙ্গে সংগ্রাম করে থাক, তাহলে নিশ্চয় এমনটা দেখেই আসছো। ভালো কোনো উদ্দেশ্যে নামতে গেলেই সমাজ-পরিবেশ-পরিস্থিতি অনেক সময় প্রতিকুল হয়ে দাঁড়ায়।
তুমি যদি সাধারণ একজন মানুষ হও তাহলে সেসব বাধাই তোমার কাছে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে যাবে, আর যদি হতে চাও সফলতার পথিক তাহলে তোমাকে সেসব বাধা বিচলিত করবে না। যদি সফল ব্যক্তি হও তবে তোমাকে পরিবেশ নিয়ন্ত্রণ করবে না, তুমি তোমার কর্মদক্ষতা দ্বারা সব নিয়ন্ত্রন করবে। বাধা মোকাবেলা করার জন্য, তোমাকে সর্বদাই প্রস্তুত থাকতে হবে। নিজের লক্ষ্যে পৌঁছতে যা যা করা লাগে তাই করো সকল বাধাগুলোকে কাটিয়ে।
কিছু বিষয় এড়িয়ে চলো
সব বিষয়ে সমান দক্ষতা কারো পক্ষে সম্ভব না। স্বভাবতই একজন মানুষ সব বিষয় স¤পর্কে বিজ্ঞ না। মনে রাখবে, যাবতীয় সব নিয়ে তোমার জানবার প্রয়োজনও নেই। বরং তুমি যেটাই জান সেটার উপর সমস্ত মনোনিবেশ করো। তাহলে সফলতা আসবেই। সর্ব বিষয়ে অভিজ্ঞতা অর্জন করতে গেলে বেশিরভাগ সময়ই কোনো কিছুর উপরেই দক্ষ হওয়া যায় না, সবই তখন খাপছাড়া হয়ে জানা হয়। তাই যে সব তোমার ভালো লাগে না, যে সকল কাজে উৎসাহ পাও না সে সবকে এড়িয়েই চলো। নিজের পছন্দের বিষয়েই আলোকপাত করো।
সূচিপত্র
১) ছোটদের সাথে আমাদের আচরণ ২) পরিবার ও সন্তান, সুপার পাওয়ার যেভাবে তৈরি হয়, ৩) দীর্ঘস্থায়ী ভয়ের উৎপত্তির মূলে শৈশবকালে ঘটে যাওয়া ঘটনার প্রভাব , ৪) সন্তানের উৎসাহ এবং উদ্দীপনা বাড়ানো, ৫) আপনার শিশুটি ঘুমুক শান্তিতে এবং নির্ভরতায় , ৬) কিছু অব্যর্থ টিপস, যা আপনার শিশুকে পড়াশোনায় আগ্রহী করে তুলবে, ৭) শিশুকে কিভাবে বড় করবেন, ৮) বাচ্চাদের মস্তিষ্ক বিকাশে কী করবেন? ৯) বাচ্চাদের বুদ্ধি বিকাশের অন্যতম পথ, দৌড়, ১০) বাচ্চাকে কখনো আড়ালে লুকিয়ে খেতে দেবেন না, ১১) পিটার সিংগারের দর্শন, ১২) দুষ্টু শিশুরা তাড়াতাড়ি শেখে, ১৩) সন্তানকে যতই শাস্তি দেবেন ততই সে অসামাজিক হবে, ১৪) বাবা-মাই সন্তানকে নির্যাতন করেন সবচেয়ে বেশি , ১৫) সন্তানের সাথে কিভাবে গড়ে তুলবেন নিবিড় বন্ধন, ১৬) যে ১১টি কথা শিশুকে কখনোই বলবেন না!, ১৭) শিশুকে গল্প শোনান প্রতিদিন, ১৮) সন্তানের আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধির ১০টি কৌশল, ১৯) সৃজনশীলতা হচ্ছে নতুন কিছু করার যোগ্যতা, ২০) যারা মুখস্থ করতে পারেন না, ২১) তারা মেধাবী, মেধাবী হওয়ার উপায়,
২২) কথা ও ভাষা, ২৩) এলিভেটর পিচ, ২৪) সুন্দর করে কথা বলে সমস্যা জয়ের কৌশল, ২৫) ফোনে কথা বলার আদবকেতা, ২৬) ১২টি কর্ম বিধান, ২৭) ভালোবাসার অপর নাম প্রয়োজন, ২৮) আলতু-ফালতু কাজে সময় অপচয় করে স্বপ্ন পূরণের কল্পনা, ২৯) স্ট্রেস ম্যানেজমেন্ট, ৩০) চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিন পিং-এর জীবন থেকে শিক্ষা, ৩১) অভিজ্ঞতা ও অতীত থেকে শিক্ষা গ্রহণ, ৩২) বর্তমানকে সবচেয়ে বেশি মূল্য দিন, ৩৩) ২৪ ঘণ্টা কেউ সুখী হয় না, ৩৪) কিছু অভ্যাস যা আপনাকে আরও সুখী করবে , ৩৫) আপনার অবয়ব , ৩৬) সফলতার 25টি হট কৌশল-1, ৩৭) সাফল্যের 25টি হট কৌশল-2, ৩৮) সফলতার 55 সূত্র, ৩৯) কিভাবে নিজেকে নেতা হিসেবে গড়ে তুলবে, ৪০) সময় ব্যবস্থাপনা, ৪১) সময় ব্যবস্থাপনার তিনটি ধাপ, ৪২) সময়কে যথাযথভাবে কাজে লাগানোর উপায়গুলো, ৪৩) সাফল্য, ড. কোভের ইমোশনাল একাউন্ট কনসেপ্ট, ৪৪) সবচে বড় ইমোশনাল একাউন্ট, ৪৫) আপনার ইমোশনাল একাউন্ট, ৪৬) বুদ্ধি ও বিবেচনাবোধ বর্জিত কর্মফল বিপজ্জনক, ৪৭) অন্যদের দিয়ে আপনার কাজ করান কিন্তু সম্মান আপনি অর্জন করুন, ৪৮) অন্য লোকেরা আপনার কাছে আসুক দরকার হলে টোপ দিন, ৪৯) অসুখী এবং ভাগ্যহীনদের বর্জন করুন, ৫০) লোককে আপনার ওপর নির্ভরশীল করুন , ৫১) নেওয়ার পূর্বে দেওয়া অন্য বক্তির স্বার্থ বুঝুন, ৫২) শত্রুকে খাটো করে দেখবেন না, ৫৩) নিজেকে রক্ষা করার জন্য চারিদিকে দুর্গ নির্মাণ করবেন না, ৫৪) কারোর পক্ষ অবলম্বন করে বসে থাকবেন না, ৫৫) আপনার শক্তিসমূহকে সংহত করুন, ৫৫) নিজের ভুলগুলোকে লুকিয়ে রাখুন, ৫৬) শুধু সাহসের জোরে নয়, পরিণতিও বিবেচনায় রাখুন, ৫৭) প্রতিটি মানুষের গোপন ইচ্ছা খুঁজে বের করুন, ৫৮) রাগ বিপজ্জনক ও অভদ্রতা, ৫৯) কোনো দলকে ধরার জন্য দলপতিকে প্রথমে ধরুন, ৬০) নিজেকে গুরুত্বপূর্ণ মনে করুন, গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবেন, ৬০) পরিবেশ সামলাতে শিখুন, ৬১) প্রথম শ্রেণির মানুষ হয়ে উঠুন, ৬২) আপনার সামাজিক পরিবেশ ‘প্রথম শ্রেণি’র করে তোলার উপায়, ৬৩) ‘সস্তার তিন অবস্থা’ প্রধম শ্রেণিভুক্ত হয়ে উঠুন , ৬৪) যত বেশি বন্ধুত্ব তত বেশি উপরে ওঠার সম্ভাবনা, ৬৫) সাহস করে কাজটা শুরু করুন, ৬৬) সাফল্য মানে বারবার ভিন্নভাবে চেষ্টা করা, ৬৭) ১- ১০ ভাল অভ্যাস, ১১- ২০ ভাল অভ্যাস, ২১- ৩০ ভাল অভ্যাস, ৩১- ৪০ ভাল অভ্যাস, ৪১- ৫০ ভাল অভ্যাস, ৫১- ৬০ ভাল অভ্যাস, ৬১- ৭০ ভাল অভ্যাস, ৭১- ৮০ ভাল অভ্যাস, ৮১- ৯০ ভাল অভ্যাস, ৯১- ১০২ ভাল অভ্যাস, ৬৮) জিরো থেকে হিরো, ৬৯) সৃজনশীলদের সফলতার ৭ সূত্র, ৬৯) জীবনে পরিবর্তন আনুন ৪৮টি উপায়ে, ৭০) জীবন-যাপন, ৭১) জাপানী ও চিন লাইফ স্টাইল , ৭২) ৩০টি দর্শন, যা আপনার জীবনে কাজে লাগবে, ৭৩) সম্পর্ক তৈরি করা, বন্ধুত্ব, ৭৪) যে আচরণগুলো মানুষের মনের কথা জানাবে, ৭৫) কথা বলার সূত্র, ৭৬) আপনি ও আপনার ব্যবহার, ৭৭) নিজেকে সঠিকভাবে উপস্থাপন করা, ৭৮) কথা বলার কতিপয় গুরুত্বপূর্ণ নিয়ম, ৭৯) কিভাবে নিজেকে বিনয়ী হিসেবে উপস্থাপন করবেন, ৮০) কিভাবে বুদ্ধিদীপ্ত কথা বলবেন, ৮১) কথা বলার ৫টি বিস্ময়কর টেকনিক, ৮২) কিভাবে মানুষকে আকৃষ্ট করবেন? ৮৩) অকারণে সময় নষ্ট? মেল রবিনের ৫ সেকেন্ড রুল, ৮৪) কর্পোরেট আদবকেতা, ৮৫) ৩৫টি কর্পোরেট কালচার ও আপনার করণীয়, ৮৬) যা না জানলে লজ্জায় পড়তে হয় , ৮৭) কাজের সময়ে যে বিষয়গুলো একেবারেই করা উচিৎ না , ৮৮) ক্যারিয়ারে সাফল্য পেতে ছুড়ে ফেলুন ৭টি দোষ, ৮৯) আকাক্সক্ষা, ইচ্ছে বা স্বপ্ন,
৯০) বক্তৃতা প্রশিক্ষণ, কাজ কিভাবে করবেন? ৯১) আত্মশক্তিতে বলিয়ান হতে, ৯২) একনাগাড়ে চলবেন না, ৯৩) মারফিস ’ল , কাজের রোডম্যাপ তেরি , ৯৪) জব স্যাটিসফেকশন, ৯৫) কাজে সফলতার সূত্রাবলী, ৯৬) যেভাবে জীবনযাপন করবেন, ৯৭) পরিণত বুদ্ধির মানুষেরা যে কাজগুলো কখনোই করেন না, ৯৮) জীবনে দক্ষতা অর্জনের কার্যকর ১২টি উপায়, ৯৯) সঠিক লক্ষ্য নির্ধারণ ও কাজ করার উপায় , ১০০) সফলতা ও সার্থকতা, ১০১) জীবনের ছোট ছোট প্রাপ্তিগুলোকে উপভোগ করা, ১০২) সফলতার কিছু পদ্ধতি, ১০৩) সফল হতে চাইলে যে ৮ টি জিনিস বাদ দেয়া প্রয়োজন, ১০৪) সফল ব্যক্তিরা যে ১০টি কাজ কখনোই করেন না, ১০৫) সর্বদা স্মরণ রাখুন, ১০৬) চিন্তাশক্তি , ১০৭) স্বাধীনতা, ১০৮) জ্ঞান অর্জন খাদ্য গ্রহণের মতো , ১০৯) দৃঢ় প্রতিজ্ঞ হয়ে চেষ্টা করলে কখনোই বিফল হবেন না, ১১০) বুদ্ধির সংজ্ঞা হলো, প্রতিটি কাজ ভেবে-চিন্তে করা, ১১১) ব্যক্তিত্ব, চেহারা ও ব্যক্তিত্ব , ১১২) সেলডন-এর গবেষণা , ১১৩) ব্যক্তিত্ব ও উচ্চারণ, ১১৪) পোশাক ও ব্যক্তিত্ব, ১১৫) প্রথম দেখায় ব্যক্তিত্বের ছাপ, ১১৬) বিচ্ছিন্নতা ব্যক্তিত্বের বড় শত্রু, ১১৭) ব্যক্তিত্বে জিনগত প্রভাব, ১১৮) অন্তর্মুখী ও বহির্মুখী ব্যক্তিত্ব, ১১৯) মনোমুগ্ধকর ব্যক্তিত্বের ১০ বৈশিষ্ট্য, ১২০) ব্যক্তিত্বের উৎকর্ষতার জন্যে ১০ নির্দেশনা, ১২১) কিভাবে ব্যক্তিত্বের বিকাশ ঘটাবেন? , ১২২) নিজেকে স্মার্ট করতে ৫টি কৌশল, ১২৩) আকর্ষণীয় মানুষ হবার ৬টি পরামর্শ, ১২৪) আত্মশুদ্ধি , ১২৫) হতাশ হবেন না, ১২৬) পাছে লোকে কিছু বলে, ১২৭) সুখ-শান্তি উন্নতি , ১২৮) চাহিদা, ১২৯) খাদ্য, ঘুম ও বিশ্রাম, ১৩০) স্বাস্থ্য ভাল রাখার নিয়ম, ১৩১) টেনশন দূর করতে হলে, ১৩২) শুধু নিজের কথা নয়, অন্যের কথাও ভাবুন, ১৩৩) চাহিদা যত বেশি সুখ তত কম, ১৩৪) সুখী জীবনের জন্য ১৮ টি টিপস, ১৩৫) আত্মবিশ্বাস, আত্ম বিশ্বাসের শক্তি, ১৩৬) অজুহাতের ব্যাধিতে আক্রান্ত ব্যর্থ মানুষ, ১৩৭) দি সেভেন হ্যাবিট অফ হাইলি এ্যা ফেক্টিভ পিপল, ১৩৮) সামাজিক আয়না, ১৩৯) প্রোএ্যাক্টিভিটি, ১৪০) সার্কেল অফ ইনফ্লুয়েন্স, ১৪১) শুরু করুন আজই, ১৪২) আপনার কেন্দ্রবিন্দু কোনটি?, ১৪৩) মাথার দুটি অংশই ব্যবহার করুন, ১৪৪) সময়ের ব্যবস্থাপনা, ১৪৫) ব্যক্তিগত ব্যবস্থাপনা, ১৪৬) গুরুত্বপূর্ণ এবং জরুরি, ১৪৭) পরনির্ভরশীল জীবন, ১৪৮) ছয়টি উপায়ে অন্য মানুষের সাথে আদান-প্রদান, ১৪৯) অধ্যয়ন, ১৫০) পড়াশোনায় ১২ কার্যকর কৌশল, ১৫১) ঘুম থেকে উঠতে ১০-৩-২-১-০ ফর্মুলা, ১৫২) আয়-ব্যয়- টাকা, ১৫৩) অন্যকে খুশি করতে পয়সা খরচ যে কারণে অর্থহীন, ১৫৪) খরচের লাগাম টেনে ধরতে.. ১৫৫) নারী, ১৫৬) সম্পর্ককে সুন্দর রাখতে কিছু “মিথ্যা” বলা জরুরী , ১৫৭) ছেলেদের কোন জিনিস দেখে মেয়েরা? , ১৫৮) স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর কিছু অভ্যাস, ১৫৯) ভুঁড়ি ঠেকাতে ৫টি নিয়ম, ১৬০) যেসব কারণে নারীদের স্বাবলম্বী হওয়া উচতি , ১৬১) বিয়ে-সংসার, ১৬২) সফল বিয়ের তিনটি মন্ত্র, ১৬৩) সুখী হবার দারুণ কিছু মূলমন্ত্র, ১৬৪) কিছু গল্প, ১৬৫) ভালোবাসাহীন সম্পর্ক, ১৬৬) কেন স্পর্শের প্রয়োজন হয় প্রতিদিন, ১৬৭) যে কারণে একা থাকাই আপনার জন্য ভালো, ১৬৮) ব্যবসা, ১৬৯) বিক্রয় বৃদ্ধির কৌশল, ১৭০) যে ৭টা ব্যাপার বিজনেসে করবেন না, ১৭১) স্বাস্থ্য, ১৭২) দুগ্ধজাত খাবারে পুরুষের বন্ধ্যত্ব, ১৭৩) একাকিত্বের বিপদ, ১৭৪) কর্মক্ষম ও প্রফুল্ল রাখতে, ১৭৫) মন ভালো করার উপায়, ১৭৬) যৌন স্বাস্থ্য, ১৭৭) পুরুষদের কেজেল, ১৭৮) মহিলাদের কেজেল, ১৭৯) দক্ষতা , ১৮০) আলসেমি দূর করার সহজ কিছু উপায়, ১৮১) কীভাবে সামলাবেন নিন্দুকদের ?, ১৮২) সুখী হতে চাইলে যা কখনোই করবেন না, ১৮৩) সব ভুলে যাচ্ছেন? স্মৃতিশক্তি চাঙ্গা রাখতে ৫টি টিপস, ১৮৪) বয়সের ভারে বৃদ্ধ না হয়ে বরং কাজের ভারে যুবক থাকার চেষ্টা করো, ১৮৫) নিজেকে কাজের সঙ্গে সম্পক্ত করার তিনটে স্টেপ, ১৮৬) জীবনের লক্ষ্য নির্ধারণে দ্রুত পদ্ধতিগুলো, ১৮৭) প্রতিদান পাওয়ার আশায় কাজ করবেন না, ১৮৮) প্রেম একটি মানসিক রোগ, ১৮৯) সম্পর্ক ভেঙ্গে যাবার পর নিজেকে যেভাবে সামলাবে, ১৯০) সময় সবকিছু বদলে দেয়, ১৯১) সম্পর্ক তৈরির ক্ষেত্রে কমন পাঁচটি ভুল, ১৯২) আত্মবিশ্বাস/মনোবল, ১৯৩) প্যারাসুট অফ হ্যাপিনেস, ১৯৪) বারবার ঘুরে দাঁড়াতে হবে, ১৯৫) আত্মবিশ্বাসহীন মানুষের লক্ষণ, ১৯৬) বাড়াও আত্মবিশ্বাস, বাড়বে সফলতা, ১৯৭) প্রাতিষ্ঠানিক সম্পর্ক শক্তিশালী করার টিপস, ১৯৮) কিভাবে ধরে রাখবে দু'জনের সম্পর্ক, ১৯৯) কিভাবে বুঝবে সম্পর্ক শেষ করতে হবে, ২০০) সম্পর্ক যখন প্রেম-ভালোবাসার, ২০১) যেসব বিষয়ের উপর স¤পর্ক গড়ে ওঠে, ২০২) ভালোবাসার অপর নাম প্রয়োজন, ২০৩) সম্পর্কের গুণগত মান বাড়বে কিভাবে, ২০৪) মস্তিস্ক ঠিক রাখার ৩০ উপায়, ২০৫) মানুষের আচরণের পেছনে একটা কারণ থাকে, ২০৬) কোনো কাজে নিজেকে সম্পক্ত না করেই আমরা নিজ ক্যারিয়ারকে এগিয়ে নিয়ে যাই ২০৭) স্রোতের বিপরীতে চিন্তা করুন, ২০৮) আপনার টাইমজোনে সময় আসবেই, ২০৯) চাইল্ডহুড অ্যামনেসিয়া এবং আমাদের শিক্ষণীয়,