ব্যক্তিগত ব্যবস্থাপনা
আচ্ছা, প্রথমেই আপনাকে দুটি প্রশ্ন করি। ভেবে চিন্তে উত্তর দিন।
প্রশ্ন-১: এমন একটি কাজের কথা কি আপনি বলতে পারেন, যা আপনি এখন করেন না কিন্তু যদি প্রতিদিন করতেন তাহলে আপনার ব্যক্তিগত জীবনে বিশাল কোনোও পরিবর্তন আনত?
প্রশ্ন-২: এমন একটি কাজের কথা কি আপনি বলতে পারেন, যা আপনি এখন করেন না কিন্তু যদি প্রতিদিন করতেন তাহলে আপনার প্রফেশনাল জীবনে ইতিবাচক কোনোও পরিবর্তন আনত?
আমরা আগের চ্যাপ্টারে বলেছিলাম, প্রতিটি জিনিসের দুইবার জন্ম হয়। একবার হয় আপনার মাথায় এবং দ্বিতীয়বার হয় বাস্তবে। আগের অভ্যাসটি হলো, আপনি মাথায় সঠিকভাবে পরিকল্পনাটা করে নিয়েছেন। এবার হলো সেটাকে বাস্তবে রূপ দেওয়ার পালা, দ্বিতীয়বার তৈরির কাজ। এবং সেটা হলো তৃতীয় অভ্যাস। আপনার স্বপ্নকে বাস্তবে পরিণত করার কাজটিই আপনি করবেন এই অভ্যাসের মাধ্যমে। তবে তার সঠিক নিয়ম-কানুন রয়েছে। এর জন্য চাই সঠিক ব্যক্তিগত ব্যবস্থাপনা। আপনি যদি নিজেকেই নিয়ন্ত্রণ করতে না পারেন, তাহলে আপনি এলোমেলো হয়ে যাবেন। এবং বাস্তবে কাজটিও সঠিকভাবে হবে না।
আপনাকে জানতে হবে, কীভাবে প্রথম জিনিসটাকে প্রথমেই রাখতে হয়। কিছুদিন আগে আমার একজন সহকর্মী খুব আগ্রহ নিয়ে বলল, ভাইয়া, এই কাজটা করে ফেলি? আমি তার দিকে তাকিয়ে মুচকি হেসে বললাম,‘বাচ্চা নেওয়ার আগে বিয়েটা করে নাও’। এবং এটা করার মতো নিয়মানুবর্তিতা আপনাকে শিখে ফেলতে হবে। কিছু নিয়ম-নীতির নিয়মানুবর্তিতা, কিছু ভ্যালুর নিয়মানুবর্তিতা, নিজের নিয়মানুবর্তিতা এবং নিজের কাছে নিজের প্রতিশ্রুতি যদি শক্তিশালী হয়, আপনার তৃতীয় অভ্যাসটি গড়ে উঠতে সহজ হবে। আমি যখন তরুণ বয়সী কোনোও মোটা ছেলে কিংবা মেয়ে দেখি, প্রথমেই ধরে নেই নিজের প্রতি তার প্রতিশ্রুতি খুবই দুর্বল (যদি না তার কোনোও অসুখ থেকে থাকে)। এই ছেলে বা মেয়েকে দিয়ে তেমন কিছু হবে না। তার মানসিক শক্তি খুবই কম। সে অন্যের ওপর ভর করেই জীবন চালাতে পছন্দ করবে।
এই পৃথিবীতে যত সফল মানুষ আছে, তাদের সবার ভেতর একটি জিনিস কমন। বলুন তো সেটা কী? তাদের কঠোর পরিশ্রম? তাদের ভাগ্য? তাদের কানেকশন? যদিও এগুলোর প্রয়োজন রয়েছে, কিন্তু এর কোনোটাই আসলে তাদের সবার জন্য কমন নয়। প্রতিটি সফল মানুষের মাঝে কমন বিষয়টি হলো ‘অভ্যাস ৩’, আগের জিনিসটাকে আগে বসাতে পারার ক্ষমতা। (সূত্র: দি কমন ডিনোমিনেটর অফ সাক্সেস, লিখেছেন ই. এম. গ্রে)
আপনার নিজের ভেতর যদি কোনোও বিষয়ে পরিষ্কার পরিকল্পনা না থাকে, তাহলে আপনি সেটাকে বাস্তবে রূপ দিতে গিয়েও ব্যর্থ হবেন। আর যখন সেই পরিকল্পনাটা পরিষ্কার থাকবে, তখন আপনি অসংখ্য বিষয়কে‘না’ বলে দিয়ে নিজের লক্ষ্যে এগিয়ে যেতে পারবেন। নইলে, যাবতীয় পারিপার্শ্বিক বিষয়গুলো আপনাকে ভিন্ন পথে টেনে নিয়ে যাবে। তাই আপনার সময়টাকেও সঠিকভাবে ব্যবস্থাপনায় আনতে হবে।
সময়ের ব্যবস্থাপনা
এই গ্রহের সবার জন্যই ২৪ ঘণ্টায় দিন, সাত দিনে সপ্তাহ এবং ৫২ সপ্তাহে বৎসর। এর থেকে কেউ কম পান না, কেউ বেশিও পান না। তারপরেও একেকজনের এফেক্টিভনেস একেক রকম হয় কেন?
এই গ্রহের বেশিরভাগ মানুষ তাদের সময়কে সঠিকভাবে ব্যবহার করতে পারেন না। তারা মনে করেন, তাদের হাতে অফুরন্ত সময় রয়েছে। সেই সময়ের ভাণ্ডার থেকে ইচ্ছে মতো সময়ে এনে খরচ করলেই হলো। তাদের কাছে প্রায়োরিটি কিংবা এ্যাফেক্টিভ বলে কিছু নেই। যারা এই দলে আছেন এবং আমার এই লেখাটি এখন পর্যন্ত পড়ছেন, তাদেরকে নীচের অংশটুকু খুব মন দিয়ে পড়তে বলব।
আমাদের জীবনে মূলত দুই ধরনের ঘটনা ঘটে- জরুরি এবং গুরুত্বপূর্ণ। অর্থাৎ কিছু বিষয় থাকে যেগুলো জরুরি কিংবা জরুরি নয়। অপরদিকে এমন কিছু বিষয় থাকে যেগুলো গুরুত্বপূর্ণ কিংবা গুরুত্বহীন। অর্থাৎ জরুরি বিষয়ও গুরুত্বপূর্ণ কিংবা গুরুত্বহীন হতে পারে। আবার অনেক গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ও জরুরি কিংবা অজরুরি হতে পারে।
এটুকু পড়ে অনেকেই একটু বিভ্রান্ত হতে পারেন। সবাই মনে করছেন, জরুরি বিষয় আবার গুরুত্বহীন হয় কীভাবে? কিংবা গুরুত্বপূর্ণ বিষয় আবার অজরুরি হয় কীভাবে? পুরো বিষয়গুলোকে চারটি ঘরে বসানোর চেষ্টা করুন। তারপর আমি ব্যাখ্যা করছি। আমরা যদি একদিকে জরুরি/অজরুরি বিষয়গুলোকে লিখি এবং অন্যদিকে গুরুত্বপূর্ণ এবং গুরুত্বহীন বিষয়গুলোকে লিখি, তাহলে উপরের প্রথম ঘরে আছে জরুরি এবং গুরুত্বপূর্ণ বিষয়, তার ডানদিকের ঘরে আছে গুরুত্বপূর্ণ কিন্তু অজরুরি বিষয়। এবারে নীচের দুটি ঘরের প্রথমটিতে (তৃতীয় ঘর) আছে গুরুত্বহীন কিন্তু জরুরি বিষয় এবং চতুর্থ ঘরে আছে গুরুত্বহীন ও অজরুরি বিষয়। একটু কাগজ কলম নিয়ে চারটি ঘর এঁকে ফেললেই বুঝতে পারবেন।
মিলিয়ে নিন চার্টটির সঙ্গে
জরুরি বিষয় মানে হলো যেগুলো এক্ষুণি করতে হবে। কারো হার্ট এ্যাটাক করেছে- এটা জরুরি। তাই হাসপাতালে জরুরি বিভাগ থাকে। একইভাবে একটি ফোন যখন তার স্বরে চিৎকার করে বাজতে থাকে, তখন সেটা জরুরি। তবে সেটা গুরুত্বপূর্ণ নাও হতে পারে। আমাদের দিনের বেশির ভাগ ফোন কলই দেখবেন গুরুত্বপূর্ণ নয়। আপনি কাউকে ফোন করে কতবার শুনতে পান যে, একটু অপেক্ষা করুন, আমি আপনাকে পরে ফোন দিচ্ছি? বেশিরভাগ মানুষই ফোনে কথা বলতে থাকেন।
জরুরি বিষয়গুলোকে আমরা চোখে দেখতে পাই। এই বিষয়গুলো আমাদের ঘাড়ে চেপে আসে। তারা চাপ তৈরি করে। এক্ষুণি শেষ করার তাড়া থাকে। সাধারণত এগুলো অন্যদের জন্য জনপ্রিয় হয়ে থাকে। তারা সাধারণত আমাদের সামনে এসে হাজির হয়। এবং বেশিরভাগ সময়ই এগুলো সহজ, করতে মজা আছে এবং আনন্দময়। অবাক হচ্ছেন? এবং বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই এগুলো গুরুত্বহীন।
অপরদিকে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো ফলাফল নির্ভর। যে জিনিসটাই গুরুত্বপূর্ণ, দেখবেন তার একটি ফলাফল থাকে। আমরা অনেক ক্ষেত্রেই জরুরি বিষয়কে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় বলে গুলিয়ে ফেলি। যদি কোনোও কিছু গুরুত্বপূর্ণ হয়, তখন সেটা আপনার স্বপ্নকে, মিশনকে বাস্তবায়নে সাহায্য করবে, আপনার ভ্যালু তৈরিতে সাহায্য করবে, আপনার যে লক্ষ্য আছে সেখানে যেতে সাহায্য করবে। এর বাইরে যা, তা সবই আপনার জন্য গুরুত্বহীন। যেমন প্রতি মুহূর্তে সংবাদ দেখা কিংবা সামাজিক মাধ্যমে স্ট্যাটাস দেখা আপনার জন্য গুরুত্বপূর্ণ নয়, কারণ মিডিয়া আপনার কাজ নয়। যারা মিডিয়াতে কাজ করেন, তাদের জন্য আবার বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ। গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো আপনার ‘সার্কেল অফ ইনফ্লুয়েন্স’-এর ভেতর থাকবে। আমাদের অনেকের কাছেই কোনটা গুরুত্বপূর্ণ, সেটা নির্ণয় করা কঠিন হয়ে ওঠে।
সূচিপত্র
১) ছোটদের সাথে আমাদের আচরণ ২) পরিবার ও সন্তান, সুপার পাওয়ার যেভাবে তৈরি হয়, ৩) দীর্ঘস্থায়ী ভয়ের উৎপত্তির মূলে শৈশবকালে ঘটে যাওয়া ঘটনার প্রভাব , ৪) সন্তানের উৎসাহ এবং উদ্দীপনা বাড়ানো, ৫) আপনার শিশুটি ঘুমুক শান্তিতে এবং নির্ভরতায় , ৬) কিছু অব্যর্থ টিপস, যা আপনার শিশুকে পড়াশোনায় আগ্রহী করে তুলবে, ৭) শিশুকে কিভাবে বড় করবেন, ৮) বাচ্চাদের মস্তিষ্ক বিকাশে কী করবেন? ৯) বাচ্চাদের বুদ্ধি বিকাশের অন্যতম পথ, দৌড়, ১০) বাচ্চাকে কখনো আড়ালে লুকিয়ে খেতে দেবেন না, ১১) পিটার সিংগারের দর্শন, ১২) দুষ্টু শিশুরা তাড়াতাড়ি শেখে, ১৩) সন্তানকে যতই শাস্তি দেবেন ততই সে অসামাজিক হবে, ১৪) বাবা-মাই সন্তানকে নির্যাতন করেন সবচেয়ে বেশি , ১৫) সন্তানের সাথে কিভাবে গড়ে তুলবেন নিবিড় বন্ধন, ১৬) যে ১১টি কথা শিশুকে কখনোই বলবেন না!, ১৭) শিশুকে গল্প শোনান প্রতিদিন, ১৮) সন্তানের আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধির ১০টি কৌশল, ১৯) সৃজনশীলতা হচ্ছে নতুন কিছু করার যোগ্যতা, ২০) যারা মুখস্থ করতে পারেন না, ২১) তারা মেধাবী, মেধাবী হওয়ার উপায়,
২২) কথা ও ভাষা, ২৩) এলিভেটর পিচ, ২৪) সুন্দর করে কথা বলে সমস্যা জয়ের কৌশল, ২৫) ফোনে কথা বলার আদবকেতা, ২৬) ১২টি কর্ম বিধান, ২৭) ভালোবাসার অপর নাম প্রয়োজন, ২৮) আলতু-ফালতু কাজে সময় অপচয় করে স্বপ্ন পূরণের কল্পনা, ২৯) স্ট্রেস ম্যানেজমেন্ট, ৩০) চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিন পিং-এর জীবন থেকে শিক্ষা, ৩১) অভিজ্ঞতা ও অতীত থেকে শিক্ষা গ্রহণ, ৩২) বর্তমানকে সবচেয়ে বেশি মূল্য দিন, ৩৩) ২৪ ঘণ্টা কেউ সুখী হয় না, ৩৪) কিছু অভ্যাস যা আপনাকে আরও সুখী করবে , ৩৫) আপনার অবয়ব , ৩৬) সফলতার 25টি হট কৌশল-1, ৩৭) সাফল্যের 25টি হট কৌশল-2, ৩৮) সফলতার 55 সূত্র, ৩৯) কিভাবে নিজেকে নেতা হিসেবে গড়ে তুলবে, ৪০) সময় ব্যবস্থাপনা, ৪১) সময় ব্যবস্থাপনার তিনটি ধাপ, ৪২) সময়কে যথাযথভাবে কাজে লাগানোর উপায়গুলো, ৪৩) সাফল্য, ড. কোভের ইমোশনাল একাউন্ট কনসেপ্ট, ৪৪) সবচে বড় ইমোশনাল একাউন্ট, ৪৫) আপনার ইমোশনাল একাউন্ট, ৪৬) বুদ্ধি ও বিবেচনাবোধ বর্জিত কর্মফল বিপজ্জনক, ৪৭) অন্যদের দিয়ে আপনার কাজ করান কিন্তু সম্মান আপনি অর্জন করুন, ৪৮) অন্য লোকেরা আপনার কাছে আসুক দরকার হলে টোপ দিন, ৪৯) অসুখী এবং ভাগ্যহীনদের বর্জন করুন, ৫০) লোককে আপনার ওপর নির্ভরশীল করুন , ৫১) নেওয়ার পূর্বে দেওয়া অন্য বক্তির স্বার্থ বুঝুন, ৫২) শত্রুকে খাটো করে দেখবেন না, ৫৩) নিজেকে রক্ষা করার জন্য চারিদিকে দুর্গ নির্মাণ করবেন না, ৫৪) কারোর পক্ষ অবলম্বন করে বসে থাকবেন না, ৫৫) আপনার শক্তিসমূহকে সংহত করুন, ৫৫) নিজের ভুলগুলোকে লুকিয়ে রাখুন, ৫৬) শুধু সাহসের জোরে নয়, পরিণতিও বিবেচনায় রাখুন, ৫৭) প্রতিটি মানুষের গোপন ইচ্ছা খুঁজে বের করুন, ৫৮) রাগ বিপজ্জনক ও অভদ্রতা, ৫৯) কোনো দলকে ধরার জন্য দলপতিকে প্রথমে ধরুন, ৬০) নিজেকে গুরুত্বপূর্ণ মনে করুন, গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবেন, ৬০) পরিবেশ সামলাতে শিখুন, ৬১) প্রথম শ্রেণির মানুষ হয়ে উঠুন, ৬২) আপনার সামাজিক পরিবেশ ‘প্রথম শ্রেণি’র করে তোলার উপায়, ৬৩) ‘সস্তার তিন অবস্থা’ প্রধম শ্রেণিভুক্ত হয়ে উঠুন , ৬৪) যত বেশি বন্ধুত্ব তত বেশি উপরে ওঠার সম্ভাবনা, ৬৫) সাহস করে কাজটা শুরু করুন, ৬৬) সাফল্য মানে বারবার ভিন্নভাবে চেষ্টা করা, ৬৭) ১- ১০ ভাল অভ্যাস, ১১- ২০ ভাল অভ্যাস, ২১- ৩০ ভাল অভ্যাস, ৩১- ৪০ ভাল অভ্যাস, ৪১- ৫০ ভাল অভ্যাস, ৫১- ৬০ ভাল অভ্যাস, ৬১- ৭০ ভাল অভ্যাস, ৭১- ৮০ ভাল অভ্যাস, ৮১- ৯০ ভাল অভ্যাস, ৯১- ১০২ ভাল অভ্যাস, ৬৮) জিরো থেকে হিরো, ৬৯) সৃজনশীলদের সফলতার ৭ সূত্র, ৬৯) জীবনে পরিবর্তন আনুন ৪৮টি উপায়ে, ৭০) জীবন-যাপন, ৭১) জাপানী ও চিন লাইফ স্টাইল , ৭২) ৩০টি দর্শন, যা আপনার জীবনে কাজে লাগবে, ৭৩) সম্পর্ক তৈরি করা, বন্ধুত্ব, ৭৪) যে আচরণগুলো মানুষের মনের কথা জানাবে, ৭৫) কথা বলার সূত্র, ৭৬) আপনি ও আপনার ব্যবহার, ৭৭) নিজেকে সঠিকভাবে উপস্থাপন করা, ৭৮) কথা বলার কতিপয় গুরুত্বপূর্ণ নিয়ম, ৭৯) কিভাবে নিজেকে বিনয়ী হিসেবে উপস্থাপন করবেন, ৮০) কিভাবে বুদ্ধিদীপ্ত কথা বলবেন, ৮১) কথা বলার ৫টি বিস্ময়কর টেকনিক, ৮২) কিভাবে মানুষকে আকৃষ্ট করবেন? ৮৩) অকারণে সময় নষ্ট? মেল রবিনের ৫ সেকেন্ড রুল, ৮৪) কর্পোরেট আদবকেতা, ৮৫) ৩৫টি কর্পোরেট কালচার ও আপনার করণীয়, ৮৬) যা না জানলে লজ্জায় পড়তে হয় , ৮৭) কাজের সময়ে যে বিষয়গুলো একেবারেই করা উচিৎ না , ৮৮) ক্যারিয়ারে সাফল্য পেতে ছুড়ে ফেলুন ৭টি দোষ, ৮৯) আকাক্সক্ষা, ইচ্ছে বা স্বপ্ন,
৯০) বক্তৃতা প্রশিক্ষণ, কাজ কিভাবে করবেন? ৯১) আত্মশক্তিতে বলিয়ান হতে, ৯২) একনাগাড়ে চলবেন না, ৯৩) মারফিস ’ল , কাজের রোডম্যাপ তেরি , ৯৪) জব স্যাটিসফেকশন, ৯৫) কাজে সফলতার সূত্রাবলী, ৯৬) যেভাবে জীবনযাপন করবেন, ৯৭) পরিণত বুদ্ধির মানুষেরা যে কাজগুলো কখনোই করেন না, ৯৮) জীবনে দক্ষতা অর্জনের কার্যকর ১২টি উপায়, ৯৯) সঠিক লক্ষ্য নির্ধারণ ও কাজ করার উপায় , ১০০) সফলতা ও সার্থকতা, ১০১) জীবনের ছোট ছোট প্রাপ্তিগুলোকে উপভোগ করা, ১০২) সফলতার কিছু পদ্ধতি, ১০৩) সফল হতে চাইলে যে ৮ টি জিনিস বাদ দেয়া প্রয়োজন, ১০৪) সফল ব্যক্তিরা যে ১০টি কাজ কখনোই করেন না, ১০৫) সর্বদা স্মরণ রাখুন, ১০৬) চিন্তাশক্তি , ১০৭) স্বাধীনতা, ১০৮) জ্ঞান অর্জন খাদ্য গ্রহণের মতো , ১০৯) দৃঢ় প্রতিজ্ঞ হয়ে চেষ্টা করলে কখনোই বিফল হবেন না, ১১০) বুদ্ধির সংজ্ঞা হলো, প্রতিটি কাজ ভেবে-চিন্তে করা, ১১১) ব্যক্তিত্ব, চেহারা ও ব্যক্তিত্ব , ১১২) সেলডন-এর গবেষণা , ১১৩) ব্যক্তিত্ব ও উচ্চারণ, ১১৪) পোশাক ও ব্যক্তিত্ব, ১১৫) প্রথম দেখায় ব্যক্তিত্বের ছাপ, ১১৬) বিচ্ছিন্নতা ব্যক্তিত্বের বড় শত্রু, ১১৭) ব্যক্তিত্বে জিনগত প্রভাব, ১১৮) অন্তর্মুখী ও বহির্মুখী ব্যক্তিত্ব, ১১৯) মনোমুগ্ধকর ব্যক্তিত্বের ১০ বৈশিষ্ট্য, ১২০) ব্যক্তিত্বের উৎকর্ষতার জন্যে ১০ নির্দেশনা, ১২১) কিভাবে ব্যক্তিত্বের বিকাশ ঘটাবেন? , ১২২) নিজেকে স্মার্ট করতে ৫টি কৌশল, ১২৩) আকর্ষণীয় মানুষ হবার ৬টি পরামর্শ, ১২৪) আত্মশুদ্ধি , ১২৫) হতাশ হবেন না, ১২৬) পাছে লোকে কিছু বলে, ১২৭) সুখ-শান্তি উন্নতি , ১২৮) চাহিদা, ১২৯) খাদ্য, ঘুম ও বিশ্রাম, ১৩০) স্বাস্থ্য ভাল রাখার নিয়ম, ১৩১) টেনশন দূর করতে হলে, ১৩২) শুধু নিজের কথা নয়, অন্যের কথাও ভাবুন, ১৩৩) চাহিদা যত বেশি সুখ তত কম, ১৩৪) সুখী জীবনের জন্য ১৮ টি টিপস, ১৩৫) আত্মবিশ্বাস, আত্ম বিশ্বাসের শক্তি, ১৩৬) অজুহাতের ব্যাধিতে আক্রান্ত ব্যর্থ মানুষ, ১৩৭) দি সেভেন হ্যাবিট অফ হাইলি এ্যা ফেক্টিভ পিপল, ১৩৮) সামাজিক আয়না, ১৩৯) প্রোএ্যাক্টিভিটি, ১৪০) সার্কেল অফ ইনফ্লুয়েন্স, ১৪১) শুরু করুন আজই, ১৪২) আপনার কেন্দ্রবিন্দু কোনটি?, ১৪৩) মাথার দুটি অংশই ব্যবহার করুন, ১৪৪) সময়ের ব্যবস্থাপনা, ১৪৫) ব্যক্তিগত ব্যবস্থাপনা, ১৪৬) গুরুত্বপূর্ণ এবং জরুরি, ১৪৭) পরনির্ভরশীল জীবন, ১৪৮) ছয়টি উপায়ে অন্য মানুষের সাথে আদান-প্রদান, ১৪৯) অধ্যয়ন, ১৫০) পড়াশোনায় ১২ কার্যকর কৌশল, ১৫১) ঘুম থেকে উঠতে ১০-৩-২-১-০ ফর্মুলা, ১৫২) আয়-ব্যয়- টাকা, ১৫৩) অন্যকে খুশি করতে পয়সা খরচ যে কারণে অর্থহীন, ১৫৪) খরচের লাগাম টেনে ধরতে.. ১৫৫) নারী, ১৫৬) সম্পর্ককে সুন্দর রাখতে কিছু “মিথ্যা” বলা জরুরী , ১৫৭) ছেলেদের কোন জিনিস দেখে মেয়েরা? , ১৫৮) স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর কিছু অভ্যাস, ১৫৯) ভুঁড়ি ঠেকাতে ৫টি নিয়ম, ১৬০) যেসব কারণে নারীদের স্বাবলম্বী হওয়া উচতি , ১৬১) বিয়ে-সংসার, ১৬২) সফল বিয়ের তিনটি মন্ত্র, ১৬৩) সুখী হবার দারুণ কিছু মূলমন্ত্র, ১৬৪) কিছু গল্প, ১৬৫) ভালোবাসাহীন সম্পর্ক, ১৬৬) কেন স্পর্শের প্রয়োজন হয় প্রতিদিন, ১৬৭) যে কারণে একা থাকাই আপনার জন্য ভালো, ১৬৮) ব্যবসা, ১৬৯) বিক্রয় বৃদ্ধির কৌশল, ১৭০) যে ৭টা ব্যাপার বিজনেসে করবেন না, ১৭১) স্বাস্থ্য, ১৭২) দুগ্ধজাত খাবারে পুরুষের বন্ধ্যত্ব, ১৭৩) একাকিত্বের বিপদ, ১৭৪) কর্মক্ষম ও প্রফুল্ল রাখতে, ১৭৫) মন ভালো করার উপায়, ১৭৬) যৌন স্বাস্থ্য, ১৭৭) পুরুষদের কেজেল, ১৭৮) মহিলাদের কেজেল, ১৭৯) দক্ষতা , ১৮০) আলসেমি দূর করার সহজ কিছু উপায়, ১৮১) কীভাবে সামলাবেন নিন্দুকদের ?, ১৮২) সুখী হতে চাইলে যা কখনোই করবেন না, ১৮৩) সব ভুলে যাচ্ছেন? স্মৃতিশক্তি চাঙ্গা রাখতে ৫টি টিপস, ১৮৪) বয়সের ভারে বৃদ্ধ না হয়ে বরং কাজের ভারে যুবক থাকার চেষ্টা করো, ১৮৫) নিজেকে কাজের সঙ্গে সম্পক্ত করার তিনটে স্টেপ, ১৮৬) জীবনের লক্ষ্য নির্ধারণে দ্রুত পদ্ধতিগুলো, ১৮৭) প্রতিদান পাওয়ার আশায় কাজ করবেন না, ১৮৮) প্রেম একটি মানসিক রোগ, ১৮৯) সম্পর্ক ভেঙ্গে যাবার পর নিজেকে যেভাবে সামলাবে, ১৯০) সময় সবকিছু বদলে দেয়, ১৯১) সম্পর্ক তৈরির ক্ষেত্রে কমন পাঁচটি ভুল, ১৯২) আত্মবিশ্বাস/মনোবল, ১৯৩) প্যারাসুট অফ হ্যাপিনেস, ১৯৪) বারবার ঘুরে দাঁড়াতে হবে, ১৯৫) আত্মবিশ্বাসহীন মানুষের লক্ষণ, ১৯৬) বাড়াও আত্মবিশ্বাস, বাড়বে সফলতা, ১৯৭) প্রাতিষ্ঠানিক সম্পর্ক শক্তিশালী করার টিপস, ১৯৮) কিভাবে ধরে রাখবে দু'জনের সম্পর্ক, ১৯৯) কিভাবে বুঝবে সম্পর্ক শেষ করতে হবে, ২০০) সম্পর্ক যখন প্রেম-ভালোবাসার, ২০১) যেসব বিষয়ের উপর স¤পর্ক গড়ে ওঠে, ২০২) ভালোবাসার অপর নাম প্রয়োজন, ২০৩) সম্পর্কের গুণগত মান বাড়বে কিভাবে, ২০৪) মস্তিস্ক ঠিক রাখার ৩০ উপায়, ২০৫) মানুষের আচরণের পেছনে একটা কারণ থাকে, ২০৬) কোনো কাজে নিজেকে সম্পক্ত না করেই আমরা নিজ ক্যারিয়ারকে এগিয়ে নিয়ে যাই ২০৭) স্রোতের বিপরীতে চিন্তা করুন, ২০৮) আপনার টাইমজোনে সময় আসবেই, ২০৯) চাইল্ডহুড অ্যামনেসিয়া এবং আমাদের শিক্ষণীয়,