শ্রেণি : নবম - দশম || অধ্যায় - ৫
মাল্টিমিডিয়া ও গ্রাফিক্স
সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন
শ্রেণি : নবম - দশম || অধ্যায় - ৫
মাল্টিমিডিয়া ও গ্রাফিক্স
সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন
১. মাল্টিমিডিয়া কী? ব্যাখ্যা কর।
উত্তর: মাল্টিমিডিয়া হলো মানুষের বিভিন্ন প্রকাশ মাধ্যমের সমন্বয়। এক সময় আমরা বিভিন্ন মিডিয়াকে ভিন্ন ভিন্ন কাজে ব্যবহার করতাম। কিন্তু এই আধুনিক যুগে এসে আমরা সেসব ভিন্ন ভিন্ন মিডিয়াকে একসাথে ব্যবহার করছি। একাধিক মিডিয়াকে একসাথে ব্যবহার করাকেই মাল্টিমিডিয়া বলে।
২. বর্তমানে মাল্টিমিডিয়া বেশি ব্যবহৃত হচ্ছে কেন?
উত্তর: আমরা যখন ডিজিটাল যুগে বাস করছি তখন আমাদের প্রকাশ মাধ্যমের ধরন বদলে গেছে। সভ্যতার বিবর্তন ও প্রযুক্তির কারণে এই শব্দ, বর্ণ, চিত্র ইত্যাদি মাধ্যমগুলোর বহুবিধ ব্যবহার হয়ে আসছে। তাই বর্তমান সময়ে বিভিন্ন ধরনের উপস্থাপনার কাজে মাল্টিমিডিয়া বেশি ব্যবহৃত হচ্ছে।
৩. মাল্টিমিডিয়ার মাধ্যমগুলো সংক্ষেপে আলোচনা কর।
উত্তর: মাল্টিমিডিয়ার মাধ্যম তিনটি হলো বর্ণ, চিত্র বা গ্রাফিক্স এবং শব্দ। নিম্নে তাদের বর্ণনা প্রদান করা হলো:
বর্ণ বা টেক্সট: বর্ণের ব্যবহার করে তৈরি সকল কাজই এ ধরনের মাল্টিমিডিয়া। সারা দুনিয়াতেই টেক্সটের যাবতীয় কাজ কম্পিউটারে হয়ে থাকে। অফিস-আদালত থেকে ব্যক্তিগত কাজে কিংবা মুদ্রণ প্রকাশনায় এর ব্যবহার রয়েছে।
চিত্র বা গ্রাফিক্স: পৃথিবীর সব জায়গায় গ্রাফিক্স তৈরি কিংবা সম্পাদনার সকল কাজ কম্পিউটারে হয়ে থাকে। গ্রাফিক্স ডিজাইন, মুদ্রণ প্রকাশনা, বিজ্ঞাপন, সাইনবোর্ড, স্থাপত্য, এনিমেশন ইত্যাদি ক্ষেত্রে কম্পিউটারের ব্যবহার হচ্ছে। আর এসব কাজের মূল উপাদান হলো চিত্র বা গ্রাফিক্স। এসব ক্ষেত্র ছাড়াও অডিয়ো, ভিডিয়ো, সম্প্রচারের সাথেও গ্রাফিক্সের ব্যবহার করা হয়।
শব্দ বা অডিয়ো: শব্দ বা অডিয়ো রেকর্ড, সম্পাদনা, সাউন্ড রেকর্ডিং সবই এর অন্তর্ভুক্ত। মূলত আমাদের চারপাশে যত ধরনের শব্দ রয়েছে তার সবই মাল্টিমিডিয়ায় ব্যবহার করা হয়।
৪. মাল্টিমিডিয়াতে ব্যবহৃত মাধ্যমসমূহ কীভাবে আমাদের সামনে আসে?
উত্তর: মাল্টিমিডিয়াতে প্রধানত তিনটি মাধ্যম ব্যবহৃত হয়। মাধ্যমগুলো হলো- বর্ণ, চিত্র এবং শব্দ (সাউন্ড)। এই মাধ্যমগুলোর বিভিন্ন রূপ রয়েছে। এই তিনটি মাধ্যম তাদের বিভিন্ন রূপ নিয়ে কখনো আলাদাভাবে, কখনো একসাথে আমাদের সামনে আবির্ভূত হয়।
৫. ইন্টারেক্টিভ মাল্টিমিডিয়া উদাহরণসহ ব্যাখ্যা কর।
উত্তর: এক সময়ে যেসব মিডিয়া ভিন্ন ভিন্নভাবে ব্যবহৃত হতো তা এখন একসাথে ব্যবহৃত হচ্ছে। আবার সেই সব মিডিয়ায় যুক্ত হয়েছে ডিজিটাল যন্ত্রের প্রোগ্রামিং করার ক্ষমতা। আমরা এখন বহু মিডিয়াকে তার বহুমাত্রিকতা ও প্রোগ্রামিং ক্ষমতার জন্য বলছি ইন্টারঅ্যাকটিভ মাল্টিমিডিয়া। ভিডিয়ো গেম, শিক্ষামূলক সফটওয়্যার, ওয়েবসাইট ইত্যাদি ইন্টারেক্টিভ মাল্টিমিডিয়ার উদাহরণ।
৬. মাল্টিমিডিয়ার কয়েকটি প্রয়োগক্ষেত্র সম্পর্কে আলোচনা কর ।
উত্তর: মাল্টিমিডিয়ার কয়েকটি প্রয়োগক্ষেত্র সম্পর্কে নিচে আলোচনা করা হলো:
ভিডিয়ো-টিভি: ভিডিয়ো কার্যত এক ধরনের গ্রাফিক্স বা চলমান গ্রাফিক্স। টিভি, হোম ডিডিয়ো, মাল্টিমিডিয়া সফটওয়্যার, ওয়েব ইত্যাদি সকল ক্ষেত্রেই ভিডিয়োর ব্যাপক ব্যবহার রয়েছে। বিশ্বজুড়ে এখন ডিজিটাল পর্যায়ে ভিডিয়ো ধারণ, সম্পাদনা এবং সংরক্ষণ করা হয়।
সিনেমা: সিনেমা গ্রাফিক্সের আরও একটি রূপ। সিনেমা তৈরির ক্ষেত্রে গ্রাফিক্সের ব্যবহার ব্যাপক হারে বৃদ্ধি পেয়েছে।
ডিজিটাল প্রকাশনা: আমাদের দেশের প্রকাশনা বর্তমানে অনেকটাই কাগজ নির্ভর হলেও বিশ্বের মতো বাংলাদেশেও ডিজিটাল প্রকাশনা ধীরে ধীরে শুরু হচ্ছে।
৭. ইন্টারঅ্যাকটিভিটি বলতে কী বুঝায়?
উত্তর: ইন্টারঅ্যাকটিভিটি বলতে শুধুমাত্র ডকুমেন্ট বা ভিডিয়ো ফাইলে ইফেক্ট বা এনিমেশন যোগ করাকে বুঝায় না। ফ্লাশ, ডিরেক্টর বা অথরওয়্যারের মতো শক্তিশালী অথরিং সফটওয়্যার দিয়ে তৈরি ব্যবহারকারীর সাথে কম্পিউটারের মিথস্ক্রিয়া সম্ভব এমন কিছুকেই আমরা ইন্টারঅ্যাকটিভিটি বলি।
৮. বাংলাদেশে তৈরি কিছু মাল্টিমিডিয়া সফটওয়্যারের নাম লেখ।
উত্তর: বাংলাদেশে মাল্টিমিডিয়া সফটওয়্যার প্রস্তুত হওয়া কেবল শুরু হয়েছে। ইতোমধ্যেই দেশে তৈরি কিছু মাল্টিমিডিয়া সফটওয়্যার হলো -
বাংলাদেশ-৭১
অবসর
বিশ্বকোষ
নামাজ শিক্ষা
বিজয় শিশু শিক্ষা ইত্যাদি।
৯. বিনোদন ক্ষেত্রে মাল্টিমিডিয়ার ব্যবহার লেখ।
উত্তর: বিনোদনের অধিকাংশ এলাকা জুড়ে রয়েছে মাল্টিমিডিয়া। সিনেমা বা নাটকের ক্ষেত্রে মাল্টিমিডিয়ার সাহায্যে স্পেশাল ইফেক্ট ব্যবহার করে তা আরও প্রাণবন্ত করা হচ্ছে। ফলে আমরা এমন অনেক কিছুই টেলিভিশনের পর্দায় দেখতে পাচ্ছি যা বাস্তবে অসম্ভব।
১০. এনিমেশন কী? ব্যাখ্যা কর।
উত্তর: এনিমেশন হলো চলমান বা স্থির গ্রাফিক্স বা চিত্র। এনিমেশন দ্বি-মাত্রিক (2D) এবং ত্রিমাত্রিক (3D) স্থির চিত্রগুলোকে ছবিতে পরিণত করার প্রক্রিয়া। এনিমেশন কখনোই কেবল একক মিডিয়া হিসেবে ব্যবহৃত হয় না। এর সাথে অডিয়ো, ভিডিয়ো, টেক্সট, গ্রাফিক্স ইত্যাদির সম্পর্ক রয়েছে।
১১. বিজ্ঞাপনের ক্ষেত্রে অ্যানিমেশন একটি জনপ্রিয় বিষয় কেন?
উত্তর: বিজ্ঞাপনের ক্ষেত্রে অ্যানিমেশন একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় এবং কার্যকর মাধ্যম। এনিমেশনও এক ধরনের গ্রাফিক্স বা চিত্র, তবে সেটি চলমান বা স্থির হতে পারে, এটি দ্বিমাত্রিক বা ত্রিমাত্রিক হতে পারে। অডিয়ো, ভিডিয়ো, টেক্সট, গ্রাফিক্স ইত্যাদির সমন্বয়ে সাধারণত এনিমেশন তৈরি হয়। অ্যানিমেশন দিয়ে পণ্য বা সেবার বৈশিষ্ট্যগুলোকে আরো আকর্ষণীয় এবং সহজে বোধগম্য উপায়ে উপস্থাপন করা যায়। এ কারণে বিজ্ঞাপনের ক্ষেত্রে অ্যানিমেশন একটি জনপ্রিয় বিষয়।
১২. গ্রাফিক্সের ক্ষেত্রে কম্পিউটার ব্যবহারের গুরুত্ব বিশ্লেষণ কর।
উত্তর: দুনিয়ার সর্বত্রই গ্রাফিক্স তৈরি, সম্পাদনা ইত্যাদি যাবতীয় কাজ কম্পিউটার ব্যবহার করেই করা হয়। মুদ্রণ ও প্রকাশনায় গ্রাফিক্স ডিজাইনের ক্ষেত্রে কম্পিউটারের ব্যবহার শুরু হয় নব্বই দশকে। প্রথমে ফটোশপ দিয়ে স্ক্যান করা ছবি সম্পাদনা দিয়ে এর সূচনা হয়। ক্রমশ ডিজাইন এবং গ্রাফিক্সে কম্পিউটার জায়গা করে নিতে থাকে। ইতোমধ্যেই বিজ্ঞাপন, সাইনবোর্ড, এনিমেশন, স্থাপত্য ইত্যাদি সকল ক্ষেত্রেই কম্পিউটার ব্যবহৃত হচ্ছে। তাই গ্রাফিক্সের ক্ষেত্রে কম্পিউটার ব্যবহারের গুরুত্ব অনেক।
১৩. প্রেজেন্টেশন সফটওয়্যার কী? ব্যাখ্যা কর।
উত্তর: প্রেজেন্টেশন সফটওয়ার হচ্ছে মূলত তথ্য উপস্থাপন করার সফটওয়্যার। এ সফটওয়্যারটি ব্যবহারকারীদের স্লাইডের মাধ্যমে তথ্য, ধারণা বা উপস্থাপনা প্রদর্শন করতে সহায়তা করে। এটি টেক্সট, ছবি, গ্রাফিক্স, অ্যানিমেশন এবং অডিয়ো-ভিডিয়ো উপাদান ব্যবহার করে উপস্থাপনা তৈরি এবং প্রদর্শন করতে ব্যবহার করা হয়।
১৪. মাইক্রোসফট পাওয়ার পয়েন্টের প্রধান বৈশিষ্ট্য গুলো লিখ।
উত্তর: মাইক্রোসফট পাওয়ারপয়েন্ট হল একটি জনপ্রিয় প্রেজেন্টেশন সফটওয়্যার। এর প্রধান বৈশিষ্ট্য হল স্লাইড তৈরি করা, যেখানে পাঠ্য, ছবি, চার্ট, গ্রাফ, ভিডিয়ো এবং এনিমেশন যোগ করা যায়। এতে বিভিন্ন ধরনের টেমপ্লেট এবং থিম রয়েছে যা প্রেজেন্টেশনকে আরও আকর্ষণীয় করে তোলে। পাওয়ারপয়েন্টে স্লাইড শো তৈরি করা যায় এবং সেগুলোকে অনলাইনে শেয়ার করা যায়।
১৫. পাওয়ার পয়েন্টের সাহায্যে কীভাবে তথ্যাদি উপস্থাপন করা যায়?
উত্তর: পাওয়ার পয়েন্টের সাহায্যে লেখা, ছবি, অডিয়ো, ভিডিয়ো, গ্রাফ ইত্যাদির সমন্বয়ে আকর্ষণীয়ভাবে তথ্যাদি উপস্থাপন করা যায়। সভা, সেমিনার- সিম্পোজিয়াম, কর্মশালা ইত্যাদিতে কার্যকরভাবে তথ্যাদি উপস্থাপন করার জন্য পাওয়ার পয়েন্ট সফটওয়্যারটি খুব সহজে এবং চমৎকারভাবে ব্যবহার করা যায়।
১৬. মাইক্রোসফট পাওয়ারপয়েন্ট সফটওয়্যারটির বিভিন্ন অংশের বর্ণনা দাও।
উত্তর: পাওয়ারপয়েন্ট মাইক্রোসফট অফিসের অন্তর্ভুক্ত একটি প্রেজেন্টেশন সফটওয়্যার। মাইক্রোসফট পাওয়ারপয়েন্ট সফটওয়্যারটির বিভিন্ন অংশের বর্ণনা নিচে প্রদান করা হলো:
স্লাইড: প্রেজেন্টেশনের এক একটি অংশকে স্লাইড বলা হয়।
হ্যান্ড আউটস: প্রেজেন্টেশনে একাধিক স্লাইড বিশিষ্ট একটি পৃষ্ঠাকে হ্যান্ড আউটস বলা হয়।
স্লাইড লেআউট: পরিকল্পিতভাবে একটি পাওয়ারপয়েন্ট প্রেজেন্টেশন তৈরি করার জন্য খসড়া করে নিতে হয়। এ খসড়াকে বলা হয় স্লাইড লেআউট।
প্রেজেন্টেশন: পাওয়ার পয়েন্টের ফাইলকে বলা হয় প্রেজেন্টেশন।
১৬. পাওয়ার পয়েন্ট প্রোগ্রাম খোলার নিয়ম লিখ।
উত্তর: পাওয়ার পয়েন্ট প্রোগ্রাম খোলার জন্য পর্দার নিচের বাম কোনে start বোতামের উপর মাউস পয়েন্টার দিয়ে ক্লিক করলে একটি মেনু আসবে। এ মেনুর All Programs কমান্ডের উপর মাউস পয়েন্টার স্থাপন করলে একটি ফ্লাই আউট মেনু পাওয়া যাবে। এই মেনুর তালিকা থেকে Microsoft Office মেনুতে ক্লিক করলে পাশেই আর একটি ফ্লাই আউট মেনুতে মাইক্রোসফট অফিস এর প্রোগ্রামগুলোর তালিকা দেখা যাবে। এ তালিকা থেকে Microsoft Office Power Point কমান্ড সিলেকক্ট করলে মাইক্রোসফট অফিস পাওয়ার পয়েন্ট-এর প্রথম স্লাইডের পর্দা উপস্থাপিত হবে।
১৭. প্রেজেন্টেশন সেভ বা সংরক্ষণ করার কৌশল লিখ।
উত্তর: প্রেজেন্টেশন সেড বা সংরক্ষণ করার কৌশল নিচে দেওয়া হলো-
ফাইল মেনু থেকে Save কমান্ড দিলে Save As ডায়ালগ বক্স আসবে।
Save As ডায়ালগ বক্সের ফাইল নেম ঘরে ফাইলের নাম টাইপ করতে হবে।
ডায়ালগ বক্সের OK বোতামে ক্লিক করলে প্রেজেন্টেশনটি সেই নামে সংরক্ষিত হয়ে যাবে।
১৮. পাওয়ার পয়েন্ট প্রেজেন্টেশনে নতুন স্লাইড কীভাবে যুক্ত করতে হয়?
উত্তর: নতুন স্লাইড যুক্ত করার জন্য পাওয়ার পয়েন্টের Home মেনুর রিবন থেকে New Slide কমান্ড সিলেক্ট করতে হয়। আরও একটি পদ্ধতি হলো, কীবোর্ডের Ctrl লেখা বোতাম চেপে রেখে M বোতামে চাপ দিলে একটি নতুন স্লাইড যুক্ত হবে।
১৯. প্রেজেন্টেশনে কীভাবে স্লাইড প্রদর্শন করা যায়?
উত্তর: কীবোর্ডের F5 বোতামে চাপ দিলে প্রেজেন্টেশনের প্রথম স্লাইডটি উপস্থাপিত হবে। প্রেজেন্টেশনের মাঝামাঝি কোনো অবস্থানে থাকা অবস্থায় ঐ স্লাইড থেকে পরবর্তী প্রদর্শন শুরু করার জন্য কীবোর্ডের শিফট বোতাম চেপে রেখে F5 বোতামে চাপ দিতে হবে।
২০. স্লাইডের ব্যাকগ্রাউন্ডে কীভাবে রং যোগ করা যায়?
উত্তর: পাওয়ার পয়েন্টের Design মেনুর রিবনে একেবারে ডানে Background Style ড্রপ-ডাউন বার এ ক্লিক করলে গ্রেডিয়েন্ট এবং সলিড রঙের একটি প্যালেট আসবে। এই প্যালেটের যেকোনো রঙের উপর মাউস পয়েন্টার স্থাপন করা হলে মূল স্লাইডে সেই রঙের ব্যাকগ্রাউন্ড দেখা যায়।
২১. কীভাবে স্লাইডে ছবি যুক্ত করা হয়?
উত্তর: পাওয়ার পয়েন্টে Insert মেনুর রিবনে Picture আইকনের উপর ক্লিক করলে Insert Picture ডায়ালগ বক্স আসবে। Insert Picture ডায়ালগ বক্সের যে ফোল্ডারে প্রয়োজনীয় ছবিটি রয়েছে, সেই ফোল্ডার খুলে ছবিটি সিলেক্ট করে ডায়ালগ বক্সের। Insert বোতামে ক্লিক করলে সিলেক্ট করা ছবিটি স্লাইডে চলে আসবে।
২২. ট্রানজিশন কী? ব্যাখ্যা কর।
উত্তর: প্রেজেন্টেশনে অনেক সময় এক স্লাইড থেকে পরবর্তী স্লাইডে যাওয়ার সময় ইফেক্ট ব্যবহার করা হয়। এই ইফেক্টকে বলা হয় ট্রানজিশন। প্রেজেন্টেশনের যে স্লাইডটি খোলা রেখে ট্রানজিশন প্রয়োগ করা হয় সেই স্লাইডটিতেই ট্রানজিশন কার্যকর।
২৩. স্লাইডের ট্রানজিশনের সাথে শব্দ যুক্ত করার পদ্ধতিটি লেখ।
উত্তর: স্লাইড ট্রানজিশনের সাথে শব্দ যুক্ত করার জন্য স্লাইডটি খোলা রেখে Transition Sound ড্রপ-ডাউন তালিকা থেকে যেকোনো একটি শব্দের নাম সিলেক্ট করতে হবে। সবগুলো স্লাইডে একই শব্দ প্রয়োগ করার জন্য Apply To All বোতামে ক্লিক করতে হবে।
২৪. স্লাইডে কিভাবে ভিডিয়ো যুক্ত করা যায়?
উত্তর: পাওয়ারপয়েন্টে স্নাইডে ভিডিয়ো যুক্ত করা খুবই সহজ। প্রথমে যে স্লাইডে ভিডিয়ো যোগ করতে হবে সেটি নির্বাচন করতে হবে। তারপর "Insert" ট্যাবে ক্লিক করে "Movie", ক্রপ ডাউন মেনুতে "movie from file" অপশনটি নির্বাচন করতে হবে। এবার কম্পিউটার থেকে 'ভিডিয়ো ফাইলটি সিলেক্ট করে "Insert" বাটনে ক্লিক করলে ভিডিয়োটি স্লাইডে যুক্ত হয়ে যাবে। এরপর চাইলে ভিডিয়ো এর আকার, অবস্থান এবং অন্যান্য সেটিংস পরিবর্তন করা যাবে।