শ্রেণি : ষষ্ঠ || অধ্যায় - ২
তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি সংশ্লিষ্ট যন্ত্রপাতি
সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন
শ্রেণি : ষষ্ঠ || অধ্যায় - ২
তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি সংশ্লিষ্ট যন্ত্রপাতি
সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন
১. কম্পিউটারের মূল অংশ কয়টি ও কী কী?
উত্তর: কম্পিউটারের মূল অংশ পাঁচটি। যথা-
ইনপুট ইউনিট
আউটপুট ইউনিট
মেমরি
প্রসেসর ও
কন্ট্রোল ইউনিট
২. একটি কম্পিউটারের কাজ করার পদ্ধতি সংক্ষেপে লেখ।
উত্তর: একটি কম্পিউটার মূলত পাঁচটি অংশের সাহায্যে কাজ সম্পন্ন করে থাকে। যখন ইনপুট ইউনিট দিয়ে কম্পিউটারের ভেতরে ডেটা দেওয়া হয়, তখন কম্পিউটারের মেমরিতে সেগুলো জমা হয়। প্রসেসর মেমরি থেকে ডেটা নিয়ে সেগুলো প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়াকরণ করে ফলাফল আউটপুট ইউনিট দিয়ে তথ্য বা ইনফরশেন হিসেবে ফিরিয়ে দেয়। কন্ট্রোল ইউনিট এই পুরো প্রক্রিয়াটি নিয়ন্ত্রণ করে।
৩. মডেমের কাজ কী? বুঝিয়ে লেখ।
উত্তর: মডেম হলো এমন একটি ডিভাইস যা ডিজিটাল সংকেতকে এনালগ সংকেতে রূপান্তর করে এবং ইন্টারনেটের সাথে সংযোগ স্থাপন ৭ করে। এটি কম্পিউটার, স্মার্টফোন, ট্যাবলেটের মতো ডিভাইসগুলোকে - ইন্টারনেটের মাধ্যমে তথ্য আদান-প্রদানে সহায়তা করে। মডেম টেলিফোন লাইন বা ক্যাবলের মাধ্যমে কাজ করে এবং তথ্য প্রেরণ সহজতর করে।
৪. মানুষের মস্তিষ্ককে কম্পিউটারের সাথে তুলনা করা হলে মস্তিষ্ককে অপমান করা হয় কেনো?
উত্তর: মানুষের মস্তিষ্ক পৃথিবীর চমকপ্রদ ও অসাধারণ একটি বিষয়। মানুষের মস্তিষ্ক সৃজনশীলতা, চেতনা, আবেগ, শেখার ক্ষমতা এবং বিভিন্ন জটিল সমস্যার সমাধান করতে সক্ষম। সেখানে কম্পিউটার চমৎকার আবিষ্কার হলেও কেবল নির্ধারিত প্রোগ্রাম অনুসারে কাজ করে, নিজে থেকে কিছু করতে পারে না। তাই এ তুলনা মস্তিষ্কের প্রতি অপমানজনক।
৫. কম্পিউটার হার্ডওয়্যার কী? উদাহরণ দাও।
উত্তর: কম্পিউটারের পাঁচটি অংশ হলো ইনপুট, মেমোরি, প্রসেসর ও আউটপুট ও কন্ট্রোল ইউনিট। এই পাঁচটি অংশের কাজ করার জন্য কম্পিউটারে বিভিন্ন যন্ত্রপাতি ব্যবহার করা হয়। এসব যন্ত্রপাতিকেই কম্পিউটার হার্ডওয়্যার বলে। যেমন- মনিটর, কিবোর্ড, হার্ডডিস্ক, মাউস ইত্যাদি।
৬. চারটি ইনপুট ডিভাইসের উদাহরণ দাও।
উত্তর: চারটি ইনপুট ডিভাইসের উদাহরণ:
মাউস
কীবোর্ড
জয়স্টিক ও
ডিজিটাল ক্যামেরা
৭. মাউস দিয়ে কোন ধরনের কাজ করা যায়?
উত্তর: মাউস একটি ইনপুট ডিভাইস, যা পয়েন্টার সরিয়ে বিভিন্ন কাজ করতে সাহায্য করে। এটি দিয়ে ছবি আঁকা, ফাইল নির্বাচন করা, আইকন ক্লিক করা ইত্যাদি কাজ করা যায়। কী-বোর্ডে যা করা সম্ভব নয় যেমন- ছবি আঁকা বা নির্দিষ্ট স্থানে ক্লিক করা তা মাউস দিয়ে সহজে করা যায়।
৮. কীবোর্ড কী? এর কাজ কী?
উত্তর: কীবোর্ড হলো একটি ইনপুট ডিভাইস যা ব্যবহারকারীর টাইপ করা ডেটা কম্পিউটারে পাঠায়। এটি বিভিন্ন ধরনের কী নিয়ে গঠিত যেমন- অক্ষর, সংখ্যা এবং ফাংশন কী। কীবোর্ডের মাধ্যমে তথ্য টাইপ করা ছাড়াও বিভিন্ন শর্টকাট কমান্ড দেওয়া যায়।
৯. ডিজিটাল ক্যামেরা এবং ডিজিটাল স্ক্যানার উভয়ই ইনপুট ডিভাইস হলেও তাদের প্রধান পার্থক্য কী?
উত্তর: ডিজিটাল ক্যামেরা ছবি বা ভিডিয়ো ধারণ করে, যা কম্পিউটারে ইনপুট হিসেবে সংরক্ষণ করা যায়। অন্যদিকে, স্ক্যানার কোনো ডকুমেন্ট বা ছবি স্ক্যান করে ডিজিটাল ফরম্যাটে রূপান্তর করে। ক্যামেরা সরাসরি তথ্য ধারণ করে, যেখানে স্ক্যানার নির্দিষ্ট কাগজ বা বস্তু থেকে তথ্য গ্রহণ করে।
১০. ওএমআর কী এবং এটি কীভাবে কাজ করে?
উত্তর: ওএমআর (Optical Mark Recognition) এমন একটি ইনপুট ডিভাইস যা পরীক্ষার খাতায় ভরাট করা বৃত্ত বা মার্ক শনাক্ত করে। এটি ভ্যান করে বৃত্তের অবস্থান ও ডেটা পড়তে পারে। সাধারণত এটি পরীক্ষা বা জরিপে তথ্য সংগ্রহের জন্য ব্যবহৃত হয়।
১১. RAM কীভাবে কাজ করে? বুঝিয়ে লেখ।
উত্তর: RAM (Random Access Memory) কম্পিউটারের অস্থায়ী মেমোরি যা ডেটা প্রক্রিয়াকরণের সময় ব্যবহার হয়। এটি দ্রুতগতির মেমোরি যা কাজ করার সময় সাময়িকভাবে ডেটা সংরক্ষণ করে। যখন কম্পিউটার বন্ধ করা হয়, তখন RAM-এর ডেটা মুছে যায়।
১২. হার্ডডিস্ক ড্রাইভ বলতে কী বুঝায়?
উত্তর: হার্ডডিস্ক ড্রাইভ হলো একটি স্টোরেজ ডিভাইস যা ডেটা স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করে। হার্ডডিস্ক ড্রাইভগুলো সাধারণত কম্পিউটারে লাগানো থাকে। হার্ডডিস্ক ড্রাইভে যে তথ্য জমা রাখা থাকে সেটা কম্পিউটার বন্ধ করলেও মুছে যায় না।
১৩. র্যাম এবং হার্ডডিস্ক ড্রাইভের মধ্যে দুইটি পার্থক্য লেখ?
উত্তর: র্যাম এবং হার্ডডিস্ক ড্রাইভের মধ্যে দুইটি পার্থক্য:
র্যাম
১. র্যাম একটি অস্থায়ী মেমরি, যেখানে তথ্য সাময়িকভাবে সংরক্ষিত হয় এবং কম্পিউটার বন্ধ হলে মুছে যায়।
২. র্যাম দ্রুত তথ্য অ্যাক্সেস করতে পারে।
হার্ডডিস্ক ড্রাইভ
১. হার্ডডিস্ক ড্রাইভ হলো স্থায়ী মেমরি, যেখানে তথ্য স্থায়ীভাবে জমা থাকে এবং কম্পিউটার বন্ধ হলেও তথ্য মুছে যায় না।
২. হার্ডড্রাইভ তুলনামূলক ধীর।
১৪. RAM ও ROM এর মধ্যে পার্থক্য লিখ।
উত্তর: RAM ও ROM এর মধ্যে পার্থক্য নিম্নরূপ:
RAM
১. এটি একটি অস্থায়ী মেমোরি।
২. এতে সংযোজন ও পরিবর্তন সম্ভব।
৩. এতে Read/Write সম্ভব।
৪. কম্পিউটারের পাওয়ার অফ করলে র্যামের সকল তথ্য মুছে যায়।
ROM
১. এটি একটি স্থায়ী মেমোরি
২. এটি অপরিবর্তনযোগ্য।
৩. এতে শুধু Read সম্ভব।
৪. কম্পিউটারের পাওয়ার অফ করলেও ROM এর তথ্য মুছে যায় না।
১৫. পেনড্রাইভ কী কাজে ব্যবহৃত হয়?
উত্তর: পেনড্রাইভ একটি বহনযোগ্য স্টোরেজ ডিভাইস, যা ইউএসবি - পোর্টের মাধ্যমে কাজ করে। এটি সাধারণত তথ্য স্থানান্তর এবং সংরক্ষণের জন্য ব্যবহৃত হয়। পেনড্রাইভ ছোট ও হালকা হওয়ায় এটি সহজে পকেটে বহনযোগ্য। কম্পিউটারের ফাইল, সফটওয়্যার, ছবি এবং ভিডিয়ো পেনড্রাইভে সংরক্ষণ করা যায়।
১৬. এসএসডি ব্যবহারের সুবিধাগুলো লেখ।
উত্তর: এসএসডি (Solid State Drive SSD) একটি স্টোরেজ ডিভাইস যা ফ্লাশ মেমোরি ব্যবহার করে ডেটা সংরক্ষণ করে। এটি প্রচলিত হার্ড ড্রাইভের তুলনায় দ্রুতগতির। সার্ভার, ওয়ার্কস্টেশনসহ সকল ধরনের ডিজিটাল কম্পিউটার, কম্পিউ ল্যাপটপ, মোবাইল ডিভাইস ইত্যাদিতে এসএসডি ব্যাবহার করা যায়। বাজারে বিভিন্ন গুণিতক মাপ এবং ধারণক্ষমতার এসএসডি পাওয়া যায়।
১৭. প্রসেসর কেনো গুরুত্বপূর্ণ? ব্যাখ্যা কর।
উত্তর: প্রসেসর খুবই গুরুত্বপূর্ণ কারণ এটি হলো কম্পিউটারের মস্তিষ্ক যা সমস্ত ডেটা প্রক্রিয়াকরণ এবং নির্দেশনা পরিচালনা করে। এটি সফটওয়্যার চালানো, গাণিতিক হিসাব করা এবং বিভিন্ন কাজ পরিচালনা করে। প্রসেসর দ্রুত ও নির্ভুল কাজ করে, তাই এটি কম্পিউটরের কার্যকারিতার মূল চাবিকাঠি।
১৮. মাদারবোর্ড কী এবং এর কাজ কী?
উত্তর: মাদারবোর্ড হলো একটি প্রধান সার্কিট বোর্ড যেখানে কম্পিউটারের সমস্ত অংশ সংযুক্ত থাকে। একে মেইন বোর্ড, লজিক বোর্ড বা ফিউজ বোর্ডও বলে। এতে প্রসেসর, মেমোরি, স্টোরেজ, ডিভাইস এবং অন্যান্য উপাদান সংযুক্ত থাকে। মাদারবোর্ড ছাড়া কম্পিউটার কাজ করতে পারে না।
১৯. জনপ্রিয় চারটি প্রসসের তৈরিকারক প্রতিষ্ঠানের নাম লেখ।
উত্তর: জনপ্রিয় চারটি প্রসেসর তৈরির প্রতিষ্ঠান হলো-
ইনটেল
এনভিডিয়া
মটোরোলা এবং
এএমডি
২০. আউটপুট কী? কয়েকটি আউটপুট ডিভাইসের উদাহরণ দাও।
উত্তর: আউটপুট হলো সেই তথ্য যা কম্পিউটার প্রক্রিয়াকরণ শেষে প্রদর্শন করে। মনিটর, প্রিন্টার, স্পিকার, প্লটার, মাল্টিমিডিয়া প্রজেক্টর ইত্যাদি হলো আউটপুট ডিভাইসের উদাহরণ।
২১. কম্পিউটার মনিটর কীভাবে কাজ করে?
উত্তর: কম্পিউটার মনিটর একটি আউটপুট ডিভাইস, যা কম্পিউটারের ভেতরে ঘটে যাওয়া প্রক্রিয়া দৃশ্যমান করে। ব্যবহারকারী যে তথ্য টাইপ করেন বা ছবি আঁকেন মনিটরে তা দেখা যায়। এটি টেলিভিশনের মতো দেখতে এবং অস্থায়ী আউটপুট প্রদর্শন করে। আধুনিক মনিটরগুলো পাতলা ও কম জায়গা দখল করে।
২২. প্রিন্টার এবং প্লটারের মধ্যে পার্থক্য নির্দেশ কর।
উত্তর: প্রিন্টার সাধারণ মাপের কাগজে বই, চিঠি বা ছোট আকারের ডকুমেন্ট ছাপানোর জন্য ব্যবহৃত হয়। অন্যদিকে, প্লটার বড়ো আকারের বিজ্ঞাপন, পোস্টার, ব্যানার বা বাড়ির নকশা ছাপানোর জন্য ব্যবহৃত হয়। প্লটার প্রিন্টারের চেয়ে বড়ো এবং জটিল কাজের জন্য উপযোগী।
২৩. স্পিকার কীভাবে আউটপুট ডিভাইস হিসেবে কাজ করে?
উত্তর: স্পিকার শব্দকে আউটপুট হিসেবে প্রদর্শন করে। কম্পিউটার মনিটরে যা দেখা যায় তা শোনার জন্য মূলত এটি ব্যবহার করা হয়। অর্থাৎ, এটি গান শোনা, বক্তৃতা শোনা বা যেকোনো শব্দভিত্তিক আউটপুটের জন্য ব্যবহৃত হয়। কম্পিউটারে স্পিকার সংযোগ দিলে এটি বিনোদনের একটি বড় মাধ্যম হয়ে ওঠে।
২৪. মাল্টিমিডিয়া বা ভিডিও প্রজেক্টরের কাজ কী?
উত্তর: মাল্টিমিডিয়া বা ভিডিও প্রজেক্টর মনিটরের দৃশ্যকে অনেক বড় করে বিশাল স্ক্রিনে প্রদর্শন করে। এটি বক্তৃতা, সেমিনার, খেলা বা সিনেমা প্রদর্শনের জন্য ব্যবহৃত হয়। বড় জায়গায় একসঙ্গে অনেক মানুষ দেখতে চাইলে প্রজেক্টর ব্যবহার করা হয়। এটি মনিটরের তুলনায় বৃহৎ আকারে প্রদর্শন করতে পারে।
২৫. ইনপুট-আউটপুট উভয় ডিভাইসের উদাহরণ দাও।
উত্তর: ইনপুট-আউটপুট উভয় ডিভাইস এমন ডিভাইস যা একই সঙ্গে তথ্য গ্রহণ (ইনপুট) এবং তথ্য প্রদান (আউটপুট) করতে পারে। এই ডিভাইসগুলো ব্যবহারকারীর সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ স্থাপন করে। যেমন-টাচস্ক্রিন, পেনড্রাইভ, মডেম ইত্যাদি।
২৬. সফটওয়্যার বলতে কী বোঝায়? কম্পিউটার সফটওয়্যারের দুটি ভাগ কী কী?
উত্তর: সফটওয়্যার হলো একটি প্রোগ্রাম বা নির্দেশনার সেট যা কম্পিউটারের হার্ডওয়্যারকে নির্দিষ্ট কাজ সম্পাদন করতে সক্ষম করে। কম্পিউটার সফটওয়্যারের ভাগ দুইটি হলো- সিস্টেম সফটওয়্যার ও - অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার।
২৭. অপারেটিং সিস্টেমের কাজ কী? বুঝিয়ে লেখ।
উত্তর: অপারেটিং সিস্টেম হলো একটি সিস্টেম সফটওয়্যার যা কম্পিউটারের সমস্ত হার্ডওয়্যার এবং সফটওয়্যার পরিচালনা করে। - কম্পিউটারকে যখন প্রথম সুইচ টিপে অন করা হয়, তখন সাথে সাথেই = অপারেটিং সিস্টেম তার কাজ শুরু করে দেয়। এটি কম্পিউটারের সব = যন্ত্রপাতি পরীক্ষা করে দেখে, ইনপুট আউটপুটকে সচল করে। কম্পিউটারে যদি কিছু তথ্য জমা রাখতে হয় সেগুলো জমা রাখার ব্যবস্থা করে।
২৮. বিভিন্ন ডিভাইসে ব্যবহৃত জনপ্রিয় অপারেটিং সিস্টেম কোনগুলো?
উত্তর: বিভিন্ন ডিভাইস যেমন- কম্পিউটারে সাধারণত উইন্ডোজ, ম্যাক এবং লিনাক্স অপারেটিং সিস্টেম ব্যবহৃত হয়। আবার, স্মার্টফোন, ট্যাবলেট এবং প্যাডের জন্য এন্ড্রয়েড, আইওএস, উইন্ডোজ, ক্রমওএস, এবং কাইওএস ব্যবহৃত হয়।
২৯. অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার কী এবং এর উদাহরণ দাও ।
উত্তর: অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার হলো এমন প্রোগ্রাম যা নির্দিষ্ট কাজ সম্পন্ন করতে ব্যবহৃত হয়। এটি ব্যবহারকারীদের লেখালেখি, ছবি আঁকা, গান শোনা এবং ইন্টারনেট ব্রাউজিংয়ের মতো কাজ করতে সাহায্য করে। উদাহরণ হিসেবে মাইক্রোসফট ওয়ার্ড, অ্যাডোবি ফটোশপ এবং চেজবোর্ড উল্লেখ করা যায়।
৩০. প্যাকেজ সফটওয়্যার ও কাস্টমাইজড সফটওয়্যারের মধ্যে পার্থক্য কী?
উত্তর: প্যাকেজ সফটওয়্যার হলো এমন সফটওয়্যার যা সবার প্রয়োজন মেটাতে তৈরি করা হয়, যেমন ওয়ার্ড প্রসেসর বা মিডিয়া প্লেয়ার। এটি অনেকেই ব্যবহার করে এবং বাজারে কিনতে পাওয়া যায়। অন্যদিকে, কাস্টমাইজড সফটওয়্যার হলো নির্দিষ্ট কাজের জন্য আলাদাভাবে তৈরি সফটওয়্যার। উদাহরণস্বরূপ, একটি প্রতিষ্ঠানের চাহিদা মেটাতে তাদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি হিসাব ব্যবস্থাপনা সফটওয়্যার।
৩১. বিনামূল্যে সফটওয়্যার তৈরি ও বিতরণের পেছনে বিজ্ঞানীদের উদ্দেশ্য কী?
উত্তর: বিনামূল্যে সফটওয়্যার তৈরি ও বিতরণের পেছনে বিজ্ঞানীদের মূল উদ্দেশ্য হলো সবার কাছে প্রযুক্তির সুযোগ পৌছে দেওয়া। তারা চান অপারেটিং সিস্টেম থেকে শুরু করে বিভিন্ন প্যাকেজ সফটওয়্যার যেন সবাই ব্যবহার করতে পারে। এতে প্রযুক্তি সবার কাছে সহজলভ্য হয় এবং জ্ঞান-বিজ্ঞান চর্চা ত্বরান্বিত হয়।